৫ মে রায়হান হত্যা মামলার অভিযোগপত্র জমা

গেলো বছরের ১১ অক্টোবর ভোরে সিলেট নগরীর আখালিয়ার এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এনে নির্যাতন করেন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়াসহ পুলিশ সদস্যরা। পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

সিলেটের বন্দর বাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে নিহত বহুল আলোচিত রায়হান আহমদ হত্যা মামলার অভিযোগপত্র প্রস্তুত করেছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে আগামী (৫ মে) বুধবার তা আদালতে জমা দেয়ার কথা জানিয়েছেন পিবিআই সিলেট জেলা পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান ।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে চার্জশীট প্রস্তুত হওয়ায় খবরে খুশি রায়হানের মা সালমা বেগম। ছেলেকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।

গেলো বছরের ১১ অক্টোবর ভোরে সিলেট নগরীর আখালিয়ার এলাকার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এনে নির্যাতন করেন ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়াসহ পুলিশ সদস্যরা। পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশের হেফাজতে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যু ঘটনায় দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তারে দাবিতে চলে নানা কর্মসূচি।

রায়হানের মা সালমা বেগম  জানান, দেরিতে হলেও মামলার চার্জশীট প্রস্তুতের খবরে খুশি রায়হানের পরিবার। দ্রুত বিচারকাজ শুরু করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চান তারা। আলোচিত এ মামলাটির আসামি পুলিশ হওয়ায় একটি নির্ভূল, ত্রুটিমুক্ত ও গ্রহণযোগ্য চার্জশীট তৈরি করতে কিছুটা সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন সিলেটের পুলিশ সুপার খালেদ-উজ-জামান।

এর আগে রায়হান হত্যার পরদিন তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত বন্দরবাজার ফাঁড়ির এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবকারী কথিত সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান এখনও পলাতক রয়েছে।

Download WordPress Themes
Download WordPress Themes Free
Download WordPress Themes Free
Premium WordPress Themes Download
free online course