administrator, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

dt40dt-1.jpg

সাম্প্রতিক সময়ে আদালতের রায়, ডাকসু সচল চেয়ে আন্দোলন, অনশন ও প্রশাসনের নির্বাচনের প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে উঁকি দিয়েছে প্রাণবন্ত ডাকসু দেখার স্বপ্ন। কর্তৃপক্ষের ঘোষিত সময়ানুযায়ী জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব তৈরির প্ল্যাটফরম ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করাই ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, সব পক্ষকে নিয়ে নির্বাচনের জন্য যে যথোপযুক্ত পরিবেশ দরকার সেটি স্বল্পতম সময়ে সৃষ্টি করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জর বিষয়। দীর্ঘদিন ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ার কারণে এটি আরো কঠিন। তারপরেও বিশ্বিবিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রসংগঠনগুলোর সহযোগিতা পেলে, প্রকৃত ছাত্ররা এগিয়ে আসে তাহলে এ চ্যালেঞ্জে উত্তরণ সম্ভব হবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক কাজগুলো শুরু করা হয়েছে। গেল বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় মার্চ মাসে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর সভাপতি-সম্পাদকদের সঙ্গে নিয়ে মতবিনিময় করে। ৩১ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের হলভিত্তিক ডাটাবেজ প্রকাশ করে। এছাড়া প্রাধ্যক্ষদের সভায় ডাকসু বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সব বিষয়ে দ্রুতই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডাটাবেজ প্রকাশ করার পর নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাসও দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তালিকায় নাম থাকার কথা প্রকাশ করে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যাশাও তুলে ধরেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যবহারিকভাবে সামান্তবাদে রূপান্তরিত হয়েছে, যেখানে শিক্ষকেরা সামান্ত আর তাদের ইচ্ছেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্তা৷ ডাকসু নির্বাচন ফরাসি বিপ্লবের ন্যায় একটি শ্রেণী নিয়ন্ত্রিত কাঠামো থেকে আমাদের বের করে আনবে এবং শিক্ষা তথা জাতি গঠনে ছাত্রদের ভূমিকা তরান্বিত করবে।’

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দীর্ঘদিন ডাকসু নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে না পারার কারণ রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা কোনো দলই নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়ে। এবার একাদশতম জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। টানা তিনবার সরকার গঠনের ফলে দলটির ভাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগও নির্বাচনের বিষয়ে খুবই আগ্রহী।

মার্চ ৩১ তারিখের যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে নির্বাচন চান ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।  তিনি বলেন, প্রশাসন নির্বাচনের ব্যাপারে অনেকগুলো চমৎকার উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগগুলো পরিণতি পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। ছাত্রলীগ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ছাত্রলীগের প্যানেলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত ছাত্রনেতা বেছে নেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। নির্বাচন পেছানোর কোনো ধরনের তালবাহনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে আশা করি না।’

নির্বাচনকে পেছানোর কোনো ধরনের পাঁয়তারা না করে প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনগুলোকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়ার অধিকার কারা রাখে সেটি প্রমাণ করার আহ্বান জানান ছাত্রলীগের এ নেতা।

ছাত্র ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মার্চের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজনের কথা বলেছিল। কিছু উদ্যোগ দেখেছি আমরা কিন্তু অনেক কিছুই এখনো বাকি। জানুয়ারিতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে পরিবেশ সংসদকে সক্রিয় করে সব পক্ষকে নিয়ে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আশা করছি কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে। এটি নতুন বছরে ঢাবির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ছাত্রসংগঠনগুলোর সহযোগিতা পেলে ঘোষিত সময়ে ডাকসু নির্বাচন সম্ভব বলে মনে করেন মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মাকসুদ কামাল। তিনি বলেন, প্রশাসন নির্বাচনের বিষয়ে আন্তরিক আছে। ছাত্রসংগঠনগুলো যদি আন্তরিক হয়ে আসে তাহলে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব। প্রশাসন সব বিষয়ে ধীরে-সুস্থে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

dt41dt.jpg

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ও রংপুর রাইডার্স সমর্থকদের অপেক্ষার পালা ফুরালো। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিপিএলের উদ্বোধনী দিনেই ঢাকায় পা রাখলেন টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা ক্রিস্টোফার হেনরি গেইল।

৫ জানুয়ারি, শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান উইন্ডিজের এই তারকা ক্রিকেটার।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রাজা বলা হয় গেইলকে। চার-ছক্কায় গ্যালারি মাতিয়ে রাখাই তার স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্য। ক্যারিবীয় এই তারকার দুর্দান্ত ব্যাটিং নৈপুণ্যে গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল রংপুর রাইডার্স। এবারের আসরেও চ্যাম্পিয়নদের দলে খেলবেন বাঁহাতি এই বিস্ফোরক ক্যারিবীয় ওপেনার।

কিন্তু কবে থেকে খেলবেন গেইল? যার উত্তর টুর্নামেন্ট শুরুর একদিন আগেও জানা ছিল না রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার। টুর্নামেন্টের অন্যতম প্রধান আকর্ষণকে ছাড়াই অবশ্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল রংপুর।

উদ্বোধনী দিনেই ঢাকায় পা রেখেছেন। তবে কী প্রথম ম্যাচে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে মাঠে নামবেন এই ক্যারিবীয় তারকা? রংপুর রাইডার্সের সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আজকে এসে পৌঁছালেও প্রথম ম্যাচে বিশ্রামেই থাকছেন এই তারকা ক্রিকেটার। দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে মাঠে নামবেন গেইল।

সর্বশেষ আসরে রংপুরের জার্সিতেই বিপিএল মাতিয়েছেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ফেরিওয়ালা খ্যাত গেইল। ওই আসরে রংপুরের শিরোপা জয়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ফাইনালে ঢাকা ডাইনামাইটসের বিপক্ষে ৬৯ বলে তার ১৪৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে ভর করেই শিরোপা ঘরে তুলেছিল রংপুর।

এলিমিনেটরেও খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে ব্যাট হাতে আলো ছড়ান তিনি। ৫১ বলে খেলেন ১২৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। ব্যাট হাতে দুই সেঞ্চুরি হাঁকানোর পাশাপাশি ছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ (৪৮৫) রান সংগ্রাহক। সর্বশেষ আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে এবারও বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানকে ধরে রেখেছে রংপুরের ফ্র্যাঞ্চাইজি।

dt00479.jpg

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পিএস মিয়া নুরুদ্দিন অপুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)। শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পরাজিত হন অপু।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে অপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরওয়ার বিন কাশেম আমাদের সময়কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্বাচনের আগে রাজধানীর মতিঝিল থেকে আট কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় অপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

dt24dt.jpg

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে পুনরায় সরকারে থাকায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আগামী ১৯ জানুয়ারি (শনিবার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) দলটির দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষ্যে আগামী ১৯ জানুয়ারি (শনিবার) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মহাসমাবেশকে সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির রয়েছে ২০টি আসন। গতকাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত ২৯১ জন সংসদ সদস্য শপথগ্রহণ করেছেন। এছাড়া নির্বাচনে জয়ের পর বিজয় মিছিল করেনি বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।

pikrt.jpg

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ঘটনায় গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার নির্যাতিত হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেছেন, ভোটের দিন রাতে সুবর্ণচরের ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীর (৪০) ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরোচিত লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। জাতি হিসেবে এ ঘটনা সবাইকে অত্যন্ত হেয় প্রতিপন্ন করেছে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, মৌলিক মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে এবং এতে আমরা ভীষণ ভাবে ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।’ এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য তিনি দেশের জনগণকে উদ্যোগী হওয়ার জন্য বলেন। তিনি আরও বলেন, এই লজ্জা সমগ্র জাতির। ওই নারী নির্যাতিত নয়, বরং নির্যাতিত হয়েছে গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার।

৩০ ডিসেম্বর রাতে ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে বেঁধে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং ধর্ষণ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বিবৃতিতে গণফোরাম সভাপতি বলেন, নির্যাতনের শিকার ওই নারী তাঁর নিজ এলাকার একটি ভোট কেন্দ্রে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে চাইলে, ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

সরকার এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে সন্ত্রাসী ধর্ষকদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় কামাল হোসেন দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

dt-ashraf.jpg

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ রোববার বাদ আসর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে ওই দিন সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা, দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে দ্বিতীয় জানাজা ও বেলা ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ইদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার আওয়ামী লীগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতারা তাঁর মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ২১ বেইলি রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখান থেকে মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।

এদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শুক্রবার জুমার নামাজের পর কিশোরগঞ্জের সব মসজিদে দোয়া করা হয়। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই, বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না, তিনি ছিলেন সবার।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত জুলাই থেকে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে আশরাফ মারা যান।

dt35dt.jpg

আজ বৃহস্পতিবার (৩ জানুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ ভবনের নিচতলা শপথ কক্ষে বেলা ১১টায় শপথ বাক্য পাঠ করবেন নবনির্বাচিত এমপিরা।

জাতীয় সংসদের পরিচালক (গণসংযোগ-১) মো. তারিক মাহমুদ স্বাক্ষরিক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের বরণ করতে নতুন সাজে সেজেছে সংসদ ভবন। নতুন সংসদ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রস্তুত করা রয়েছে। সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যেই সংসদ সদস্যদের পরিচত্রপত্র প্রদান ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য বুথ স্থাপন করা হয়েছে। শপথ উপলক্ষে সংসদ ভবনের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সংসদ ভবনের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস অধিশাখার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আজ বৃহস্পতিবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজে এবং পরে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। প্রথমে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য, পরে জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৮ জানুয়ারি গেজেট প্রকাশ হয়। এর পরদিন ৯ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করে নির্বাচিতরা। আর প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২৯ জানুয়ারি।

এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (৩০ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীকে ২৫৯টি, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকে ২০, বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৫, গণফোরাম ২, বিকল্পধারা বাংলাদেশ ২, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৩, তরিকত ফেডারেশন ১টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩টি আসনে জয় লাভ করেছে।

dt24dt.jpg

বুধবার সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলার সঙ্গে বৈঠক করেন ওবায়দুল কাদের।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে কথা বলেন হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা। পরে সাংবাদিকদের কাছে নিজের অনুভুতি তুলে ধরেন ভারতীয় হাই কমিশনার।

এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন: আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ নিবেন।

তিনি বলেন: ঐক্যফ্রন্টের জয়ী প্রার্থীরা শপথ না নিলে জনরায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা জানানো হবে।

dt38dt.jpg

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এক পতাকা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বুধবার দেশগুলোকে নতুন সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর এই পাঁচ নতুন সদস্য নিরাপত্তা পরিষদে তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।

নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিরা তাদের দেশের পতাকা স্থাপনের মাধ্যমে এ দায়িত্ব বুঝে নেয়।

পতাকা অনুষ্ঠানের পর সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের জানুয়ারি মাসের প্রেসিডেন্ট ডমিনিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রদূত তাদের কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র এ পরিষদের স্থায়ী সদস্য। এদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

বাকি সদস্যদের দু’বছর মেয়াদে ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। তবে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হয় প্রতি মাসে।

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হওয়ার জন্য জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো অনেকটা মুখিয়ে থাকে এবং এ উদ্দেশ্যে বছরের পর বছর তারা প্রচারণা চালায়।

dt37dt.jpg

সব তারকার ভিড়েও দেশের সুপারস্টার, বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ওপরই ভরসা রাখছে ঢাকা ডায়নামাইটস। গতকাল দলটির কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন বলেছেন, সাকিব পারফরম করলে সে একাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

এবারের বিপিএল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সুজন বলছিলেন, এখানে প্রতিটা দল, প্রতিটা ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেভাবেই এগোতে চান তারা। ভুল যথাসম্ভব কম করতে চান। আর ভরসাটা সাকিবের ওপর রাখতে চান, ‘প্রতিটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ, প্রতিটা দলই শক্তিশালী থাকবে, আমাদের ভুল খুব কম করতে হবে। যত ভুল কম হবে ততো ভালো হবে, দিন শেষে প্রথম চারে যাওয়া মূল লক্ষ্য থাকবে। এরপর চ্যাম্পিয়ন হওয়া লক্ষ্য, এছাড়া আমাদের অধিনায়ক সাকিব অনেক ফর্মে আছে। এটা অনেক বড় একটা ব্যাপার। সে এখন দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছে এটাও অনেক বড় কিছু। সাকিব সেভাবে খেললে আমি মনে করি সে একাই অনেক কিছু করতে পারে।’

সুজন বলছিলেন, সবগুলো দলই এবার বিপিএলে শক্তিশালী। তাই কাউকে ছোট বা কাউকে বড় করে দেখছেন না তারা। বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক মনে করেন, সবগুলো দলের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা আছে, ‘কম্বিনেশনের উপর নির্ভর করে কোন টিম কেমন করবে। সব দলই শক্তিশালী, কাউকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। আমি মনে করি সবার মধ্যেই সেই অ্যাবিলিটি আছে শিরোপা জেতার।’

তবে এই এতো দলের ভিড়ে নিজেরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই লড়াই শুরু করবেন বলে সুজন আশা শোনালেন। তিনি মনে করেন, তাদের দলটা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য উপযুক্ত অবস্থায় আছে, ‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই শুরু করব ইনশাআল্লাহ্। এই ফরম্যাটে মমেন্টামটা এত তাড়াতাড়ি বদলে যায় আসলে সেটা আবার ফিরিয়ে আনা কষ্টকর। তাই প্রতিটা খেলার জন্যই মোমেন্টামটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যেটা বললেন আমাদের দল ভালো, আমাদের বিদেশি ক্রিকেটারের কালেকশনও ভালো, আমাদের কম্বিনেশনও খুব ভালো মাশআল্লাহ।’

এবার বিপিএলটা এক অর্থে একটু অন্যরকম। এবার বিপিএলে ফিরছেন আশরাফুল। এই ঢাকার হয়ে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে নিষিদ্ধ ছিলেন সাবেক এই জাতীয় দল অধিনায়ক। সুজন মনে করেন, এই ফেরাটা আশরাফুলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এবার আশরাফুল নিজেকে প্রমাণের আরেকটা সুযোগ পাচ্ছেন, ‘আমি মনে করি আশরাফুলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিপিএলে আশরাফুল আসার চেয়ে তাঁর জন্য বিপিএল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এত বছর পর সে ফিরে এসেছে। বাংলাদেশের এক সময়ের সবচেয়ে আশ্চর্য বালক ছিল আশরাফুল। নিষেধাজ্ঞার জন্য মাঠে ফিরতে পারেনি সে, অবশ্যই তাঁর জন্য মাঠে ফিরে আসাটা গুরুত্বপূর্ণ। ছোটবেলা থেকেই খেলা পাগল একটা ছেলে সে। আমি মনে করি এই বিপিএলটা তাঁর জন্য অনেক বড় সুযোগ নিজেকে প্রমাণ করার।’