Ashraful Islam, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

primary-headmistress-20190730194944.jpg

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন নিয়ে এতোদিন যেসব জটিলতা ছিল, সেই জটিলতা দূরীকরণে একটি নীতিমালা তৈরি করতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করা যাবে।

জানা গেছে, দেশে পুরাতন ও জাতীয়করণ হওয়া ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে কিছু বিদ্যালয়ের নাম এমন যা উচ্চারণ করতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন। এজন্য বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের নীতিমালা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত ১০টির মতো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করলে শিক্ষকরা বেতন নিয়ে বিপাকে পড়েন। আইবাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন পরিশোধ করায় বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন হলে এ জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। এজন্য নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি নীতিমালা তৈরির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) রতন চন্দ্র পন্ডিত বলেন, কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নাম উচ্চারণে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। সেজন্য নীতিমালার আলোকে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নীতিমালার একটি খসড়া তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হবে। এরপর যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত করে তা কার্যকর করা হবে।

prmni80.jpg

সম্প্রতি গত রোববার (১৩ জুন) রাতে ফেসবুক পোস্টে পরীমণি অভিযোগ করেন, গত ৯ জুন (বুধবার) উত্তরার বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালান ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় তিনি সাভার থানায় ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। আলোচিত নায়কা পরিমণিকে নিয়ে নেট জগতে চলছে তুমুল আলোচনা। তার সাথে সাথে উঠে এসেছে নতুন কিছু।

পরীমণি ইস্যুতে নাসির-অমির সাথে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তিন নারীর একজন বৃষ্টি, অমির দ্বিতীয় স্ত্রী। বৃষ্টির ভাইয়ের দাবি, অভিযানের আগের রাতে অমির বাসায় আসেন নাসির। মামলার চতুর্থ আসামি লিপি আক্তার। যিনি নাসির উদ্দিনের স্ত্রী হিসেবে থাকতেন তারই ভাড়া করে দেয়া বাসায়। অভিযানের আগে ভোর চারটায় লিপি গিয়েছিলেন মামলার ৫ নম্বর আসামি সুমির উত্তরার বাসায়। সেখান থেকেই দু’জনকে নিয়ে যায় পুলিশ।

পরীমনির অভিযোগ করা মামলায় আসামি নাসির উদ্দিন, অমিসহ অজ্ঞাত কয়েকজন। অভিযানে এই দুজনের সাথে ধরা পড়ে তিন নারী। মাদক মামলায় তিনজনকেই আসামি দেখিয়ে পাঁচজনকেই রিমান্ডে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু কে এই তিন নারী?

যে বাসা থেকে এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয় সেই বাসাটি মূলত অমির। বাসায় থাকা বৃষ্টির ভাই আর আর ভাগ্নে পরিচয়ের দু’জন জানান, বৃষ্টি অমির দ্বিতীয় স্ত্রী। দুজনের কিছু ছবিও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের হাতে এসেছে। বৃষ্টির ভাই বলছেন, অভিযানের আগের রাতে নাসির তার বাসায় আসেন। সে সময় অমি বৃষ্টি দু’জনই ছিলো বাসায়। নাসির রাতে সেখানেই থাকেন। পরদিন গ্রেপ্তার হন।

৪ নাম্বার আসামি লিপি আক্তার থাকতেন উত্তরার ৫ নাম্বার সেক্টরের একটি বাসায়। জানা গেলো, এই বাসাটি গত বছর নভেম্বরে ভাড়া নেন নাসির উদ্দিন। মাসদুয়েক আগে সেই বাসায় ওঠেন লিপি। নাসির মাঝে মাঝে যাতায়াত করতেন। ৫ নাম্বার আসামি সুমি আক্তারের বর্তমান ঠিকানা উত্তরার ৪ নাম্বার সেক্টরের দুই নাম্বার রোডে। সাথে থাকতেন সুমির নানি। তার স্বামী আশিক আসতেন মাঝে মাঝে।

নাসির গ্রেপ্তার হওয়ার দিন ভোরে সুমির বাসায় আসেন লিপি আক্তার। কিছুক্ষণ পরই আসে পুলিশ। পরীমণির অভিযোগের সাথে এই তিন নারীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে মাদক মামলার আসামি হয়ে ৩ দিনের পুলিশি রিমান্ডে আছেন তারা।

এরআগে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্তের জন্য কথা বলতে রাজধানীর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কার্যালয়ে গেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। মঙ্গলবার (১৫ জুন) বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে তিনি মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে যান।

pori-clb.jpg

রাজধানীর গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগে চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গুলশান থানায় জিডি করা হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় ক্লাবে ভাঙচুরের বিষয়টি গণমাধ্যমে জানান ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট কে এম আলমগীর।

তবে অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের ঘটনাকে চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা ফালতু অভিযোগ। আমার বিরুদ্ধে কোনো জিডি হয়নি। আমাকে নিয়ে অন্যরকম একটা চক্রান্ত চলছে।’ গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম আজ সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, গত ৭ জুন গভীর রাতে ৯৯৯-এ একটি কলে গুলশান থানা-পুলিশের একটি দল অল কমিউনিটি ক্লাবে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কথা-কাটাকাটির জেরে ক্লাবে গ্লাস ভাঙচুর করেছেন পরীমনি।

সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, গত ৮ জুন রাতে গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে যান পরীমনি। রাত সোয়া ১টার দিকের ঘটনা উল্লেখ করে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট কে এম আলমগীর বলেন, ‘ক্লাবের কিছু নিয়মকানুন আছে। কোনো মেল (পুরুষ) যদি ক্লাবে আসে, তাকে ড্রেস কোড মেইনটেইন করতে হয়। কিন্তু সেই মেল ভদ্রলোক (পরীমনির সঙ্গে আসা) হাপপ্যান্ট ও স্যান্ডেল পরে এসেছেন।

তখন বেরিয়ে যাচ্ছিলেন আমাদের ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ডিরেক্টর এবং ক্লাবের অ্যাডমিন। উনি ওটা দেখে বলেছেন, আপনি তো ক্লাব রুল ভায়োলেট করেছেন। আপনি তো হাফপ্যান্ট পরে আসতে পারেন না। তো উনারা ক্ষিপ্ত হয়ে যান। ক্ষিপ্ত হয়ে যাওয়ায় উনাদের আচার-আচরণ গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় উনারা (ক্লাব কর্তৃপক্ষ) বলেন, রাত হয়েছে আপনারা চলে যান। কিন্তু উনারা চলে যাচ্ছিল না দেখে আমাদের পরিচালকই ক্লাব থেকে চলে যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরপরে ওই সদস্য যার মাধ্যমে উনারা এসেছিলেন, উনিও উনাদেরকে চলে যাওয়ার জন্য অনেক অনুরোধ করেন। কিন্তু উনারা চলে যাচ্ছিল না দেখে ওই সদস্যও চলে যান। তারপর উনারা অকস্মাৎ ক্ষিপ্ত হয়ে যান। চেঁচামেচি শুরু করেন এবং গ্লাস, অ্যাস্ট্রে ছুড়ে মারতে থাকেন। একপর্যায়ে ওনারা ৯৯৯ কল করে পুলিশ কল করেন। পুলিশ আসার পরে ওনারা দেখতে পান উনি (পরীমনি) এগুলো ছুঁড়ে মারছেন।’

অল কমিনিউটি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তখন পুলিশ জিজ্ঞেস করেন, কেন আমাদের কল করেছেন? তখন তারা (পরীমনি ও অন্যরা) বলে আমাদের সঙ্গে এই হয়েছে সেই হয়েছে। তখন ওনারা (পুলিশ ) বলেন, কই সেরকম তো কিছু দেখছি না। তখন কেউ (ক্লাবে) ছিলও না। দুইজন ওয়েটার ছিল আর এই তিন-চারজন মানুষ ছিল। ’

গণমাধ্যমকে কে এম আলমগীর বলেন, ‘তখন ওনারা বলে যে, আমাদেরকে হেনস্তা করা হয়েছে। তখন পুলিশ বলে, কই কিছু তো দেখছি না। তারপর পুলিশ ওয়াকিটকির মাধ্যমে উপরে জানতে চায় যে আমরা এখন কী করব। ওয়াকিটকির আওয়াজ বাইরে যাচ্ছিল না। তখন উপর থেকে নির্দেশ আসে যে ওনারা (পরীমনি ও অন্যরা) যদি এরকম করে তাহলে উনাদের বের করে দিয়ে আপনারা চলে যান। তখন ওই আওয়াজ শুনে উনারা কিছুটা ঠাণ্ডা হয় এবং পুলিশের কথামতো চলে যান। পুলিশের উপস্থিতিতেই ওনারা চলে যান। তারপর পুলিশও ক্লাব থেকে চলে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরপরে অন্য কোনো ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু ক্লাবের নিয়মানুযায়ী যে সদস্যের মাধ্যমে (পরীমনি ও অন্যরা) এসেছিল তাকে আমরা শোকজ করেছি। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এটিই হলো আমাদের সংশ্লিষ্টতা। আমাদের অন্য কোনো ব্যাপারে কিছু ঘটেনি। উনি (পরীমনি) প্রায় ১৫টি গ্লাস, ৯টি অ্যাস্ট্রে ছুড়ে মেরে ভেঙেছেন এবং বেশকিছু হাপপ্লেট ভেঙেছেন।’

কে এম আলমগীর বলেন, ওই ঘটনা প্রায় রাত সোয়া একটা দেড়টার দিকের। জীবনে উনি (পরীমনি) প্রথম (অল কমিউনিটি ক্লাবে) এসেছেন। আমরা উনাদের কাউকে চিনতামও না জানতামও না। পরে আমরা শুনেছি যে ওনার একজনের নাম পরীমনি। তার সঙ্গে এক ভদ্রলোক ছিলেন হাফপ্যান্ট পরা। আরেকজন মহিলাও ছিলেন।’

ঢাকার বোট ক্লাবের ঘটনায় আলোচনায় আসেন পরীমনি। এ ঘটনায় আবাসন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ, অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন এই চিত্রনায়িকা। মামলায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Sudan5.jpg

যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দারিদ্রপীড়িত সুদানকে অর্থ সহায়তা দিলো বাংলাদেশ। অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্সের (ওআইসি) সদস্য দেশ হিসেবে বন্ধুপ্রতীম আফ্রিকার দেশটিকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৫ কোটি টাকা দিয়েছে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের অর্থনৈতিক অবস্থা বর্তমানে খুবই খারাপ। ঋণের ভারে জর্জরিত দেশটি। সংকট কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশসহ ওআইসির অন্যান্য সদস্যভুক্ত দেশের কাছে সহায়তা চাইছে খার্তুম।

আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে আন্তজার্তিক মুদ্রা তহবিলও (আইএমএফ) দেশটিকে বেশি পরিমাণ ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে অর্থমন্ত্রণালয় বলছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অত্যধিক ঋণগ্রস্ত দরিদ্র রাষ্ট্র এবং ওআইসি সদস্যভুক্ত বন্ধুপ্রতিম দেশ সুদানের ঋণ মওকুফের লক্ষ্যে ১৫ জুন বাংলাদেশ সরকার ৫ দশমিক ৩২ মিলিয়ন এসডিআর সমপরিমাণ, প্রায় ৬৫ কোটি টাকা প্রদান করেছে।

সরকার প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ সরকারের এই সহায়তা দারিদ্র্য বিমোচনে সুদানের সংগ্রামকে আরও শক্তিশালী করবে।

অর্থমন্ত্রণালয় বলেছে, গত বছরেও আইএমএফ-এর উদ্যোগের অংশ হিসেবে আফ্রিকান দেশ সোমালিয়ার দারিদ্র্য মুক্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ৮ কোটি টাকার বেশি অর্থ দেয় সরকার।

office6.jpg

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ আরো এক মাস বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পুরোদমে চলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

বুধবার (১৬ জুন) বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতদিন জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও সীমিত পরিসরে তা চলছিল। সকাল ১০টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে সেবা দিচ্ছিল ব্যাংকগুলোও।

বুধবার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সকল বিধিনিষেধ আরোপের সময়সীমা ১৬ জুন মধ্যরাত থেকে ১৫ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো। একই সঙ্গে ছয়টি শর্ত দেয়া হয়েছে।

সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করে খোলা থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল সকাল ৬টা থেকে লকডাউন শুরু হয়। সেই শিথিল লকডাউন ছিল অনেকটাই অকার্যকর। সীমিত পরিসরে খোলা রাখা হয়েছিল অফিস।

পরে অফিস বন্ধ রেখে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। পরে সাত দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ গত ৬ জুন বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আজ মধ্যরাতে।

ACCL.jpg

ঢাকাই সিনেমার হালের জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনির ঢাকা বোট ক্লাবে তাকে ধর্ষণ-হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করার দুদিন পর তার বিরুদ্ধে গুলশানের অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গত ৮ জুন মধ্যরাতে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে পরীমনি ওই ক্লাবে ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটান বলে অভিযোগ উঠেছে ।

এ প্রসঙ্গে গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, গত ৭ জুন গভীর রাতে ৯৯৯ এর একটি কলে গুলশান থানা-পুলিশের একটি দল অল কমিউনিটি ক্লাবে যায়। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, কথা-কাটাকাটির জেরে ক্লাবে গ্লাস ভাঙচুর করেছেন পরীমনি। পরে আর এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি।

এ ঘটনায় আজ বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) বা মামলা হয়নি। তবে পুলিশ নতুন করে ওই ঘটনা তদন্তে ক্লাব পরিদর্শনে যাবে।

ক্লাব সূত্রে জানা যায়, বোটক্লাবের আগের রাতেই গুলশানের অভিজাত অল-কমিউনিটি ক্লাবে তুলকালাম কাণ্ড ঘটান চিত্রনায়িকা পরীমণি। ভাঙচুর করেন বন্ধুদের নিয়ে। ওই দিনই পুলিশে লিখিত অভিযোগ করে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। অল-কমিউনিটি ক্লাবের ওই ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজ আছে বলেও জানান তারা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অল কমিউনিটি ক্লাবের একজন কর্মকর্তা  জানান, বোট ক্লাবের ঘটনার একদিন আগে অর্থাৎ ৭ জুন দিবাগত রাত ১. ৪০ মিনিট গুলশান অলকমিউনিটি ক্লাবে জিমি, তামিম সহ তিনজন সহযোগী নিয়ে প্রবেশ করেন পরীমনি। মদ্যপ অবস্থায় তারা ক্লাবে ভাঙচুর চালায় এবং ক্লাবের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করেন।

পরীমনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

adnan44.jpg

নিখোঁজের ছয়দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্ধান মেলেনি আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাত থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও রংপুর জেলা পুলিশ বলছে, তারা কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত তার অবস্থান শনাক্ত করতে পারেননি। যদিও নিখোঁজের পর থেকে পুলিশ ত্ব-হার বিষয়ে অনীহা দেখিয়েছে বলে অভিযোগ তার পরিবারের।

এদিকে ত্ব-হার সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হ্যাসট্যাগ প্রচারণা চালু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধনও হয়েছে। ফেসবুকজুড়ে নিখোঁজ ত্ব-হার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই জানতে চেয়েছেন কে এই বক্তা ত্ব-হা আদনান? সোশ্যাল মিডিয়ায় কীভবে এতো পরিচিতি পেয়েছেন তিনি?

ক্রিকেটার থেকে ইসলামী বক্তা

আদনানের পারিবারিক বাড়ি রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের আহলে হাদিস মসজিদ এলাকায়। তবে তিনি প্রথম স্ত্রী হাবিবা নূর, দেড় বছরের ছেলে ও তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে শালবন মিস্ত্রীপাড়া চেয়ারম্যান গলিতে ভাড়া বাসায় থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারা মিরপুর আল ইদফান ইসলামী গার্লস মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক। তিন মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছিলো।

একসময় দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলতেন ত্ব-হা আদনান। রংপুরের ক্রিকেট অঙ্গনে তুখোড় ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ক্রিকেটই ছিলো তার ধ্যান-জ্ঞান। কিন্তু অনার্সে পাড়াকালীন ধর্মের দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়েন এই ক্রিকেটার। ধর্মের প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে যেতে ক্রিকেটকে বিসর্জন দেন তিনি।

অবশ্য ছেলেবেলা থেকেই ধর্মীয় বিষয়ে আগ্রহ ছিলো আদনানের। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো আরবি প্রতিষ্ঠানে না পড়লেও ইসলাম ধর্মের প্রচুর বই পড়তেন এবং গবেষণা করতেন সময় পেলেই।

আদনানের মা আজেদা বেগম জানান, আদনান ত্ব-হার হাতেখড়ি রংপুর লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সেখান থেকে এইচএসসি পাশের পর ভর্তি হন রংপুর কারমাইকেল কলেজে। অনার্সে দর্শনে বিষয় নিয়ে পড়েছেন। মাস্টার্সে দর্শনে ফার্স্টক্লাস পান তিনি। এরপর বাড়ির পাশে আল জামেয়া আসসালাফিয়া মাদ্রাসায় পড়াশুনা করেছেন আদনান।

সেই শিক্ষা নিয়ে করোনার শুরু থেকে অনলাইনে আরবি পড়াতেন তিনি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে জুমার খুতবা দিতেন। আদনান ত্ব-হা ধর্মীয় বক্তা হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিত। তার ফেইসবুকে পেজের অনুসারীর সংখ্যা ৫২ হাজার।

উল্লেখ্য, ঢাকার একটি মসজিদে খুতবা দেওয়ার উদ্দেশে বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রংপুর থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে ভাড়া করা একটি গাড়িতে ঢাকায় রওনা দেন আদনান। এর পর থেকে দুই সঙ্গী আবদুল মুহিত ও ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজসহ নিখোঁজ আদনান।

রাত ২টা ৩৬ মিনিটে আদনানের সঙ্গে ফোনে শেষ কথা বলেন তার স্ত্রী। ওই সময় তিনি রাজধানীর গাবতলীতে এসে পৌঁছেছেন বলে জানান আদনান। এরপর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ আছে। গাড়িসহ তার সঙ্গীরাও নিখোঁজ রয়েছেন।

Green-fungas.jpg

করোনা, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা মিউকরমাইকোসিস নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এবার আতঙ্ক দানা বাঁধছে ‌‘গ্রিন ফাঙ্গাস’ ঘিরে। ভারতের মধ্যপ্রদেশে ইনদওরে করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তি গ্রিন ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

চিকিৎসার ভাষায় এই রোগ ‘অ্যাস্পারগিলোসিস সংক্রমণ’ নামে পরিচিত। মূলত ফুসফুসে দানা বাঁধে এই সংক্রমণ। দেশটিতে এই প্রথম খাতায় কলমে গ্রিন ফাঙ্গাসে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মিললো।

৩৪ বছরের যে যুবকের শরীরে গ্রিন ফাঙ্গাস বাসা বেঁধেছে, সম্প্রতি করোনা থেকে সেরে উঠেছেন তিনি। প্রায় ২ মাস পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু তার ১০-১৫ দিনের মধ্যে ফের জ্বর আসে তার। সেই সঙ্গে নাক দিয়ে রক্তপাত হতে থাকে।

প্রথমে তার অবস্থা দেখে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বলে সন্দেহ করে বসেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা যায়, ওই যুবক গ্রিন ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

ভয়ঙ্করভাবে ওই যুবকের শরীরে গ্রিন ফাঙ্গাস বাসা বেঁধেছে বলে জানিয়েছেন ইনদওরের শ্রী অরবিন্দ ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (সেইমস)’র ফুসফুস সংক্রমণ বিভাগের প্রধান রবি দোসি।

তিনি জানিয়েছেন, আক্রান্ত যুবকের ফুসফুস, সাইনাস এবং রক্তে ছড়িয়ে গিয়েছে সংক্রমণ। তবে এই সংক্রমণ এতোদিন বিরল ছিলো। তাই এ নিয়ে অনেক গবেষণা প্রয়োজন। করোনা থেকে সেরে ওঠা এবং সাধারণ রোগীর সংক্রমণ কতোটা আলাদা, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আক্রান্ত ব্যক্তিকে মুম্বইয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

bank999.jpg

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এডিসি ডিভিশনের (ঢাকা) সিনিয়র অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন মীর মো. শাহারুজ্জামান ওরফে রনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী-সহ অন্য সহযোগীদের দিয়ে এটিএম বুথে লেনদেন করাতেন। লেনদেনের পর এটিএমের ইলেক্ট্রনিক জার্নাল এমনভাবে পরিবর্তন করে দিতেন যে টাকা তুলেও তথ্য সংরক্ষণ হতে এটিএম থেকে টাকা উত্তোলন ব্যর্থ হয়েছে।

শুধু তাই নয়, এটিএম মনিটরিং রোস্টার টিমে কর্মরত অবস্থায় রনি নিজে উপস্থিত থেকে এবং কৌশলের মাধ্যমে বিভিন্ন এটিএমের ইলেট্রনিক জার্নাল পরিবর্তন করে ৬৩৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ১৩৬৩ টি লেনদেন করিয়ে ২ কোটি ৫৭ লাখ ১০০০ টাকা টাকা আত্মসাৎ করে দেশ ত্যাগ করেন। তদন্তে তার স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্ধান পায় ডিবি পুলিশ।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেপ্তাররা হলেন সায়মা আক্তার, আল-আমিন বাবু, মেহেনী হাসান (২) মামুন ও আসাদুজ্জামান আসাদ।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের Automated Teller Machine (ATM) এর ইলেকট্রিক জার্নাল পরিবর্তন করে ওই টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মঙ্গলবার (১৫ জুন) তাদের ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া মোবাইল পর্যালোচনা ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এডিসি ডিভিশন, ঢাকা এর সিনিয়র অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিল মীর মো. শাহারুজ্জামান ওরফে রনি। ওই পদে কর্মরত থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী-সহ অন্যান্য গ্রেফতারকৃত সহযোগীদের দিয়ে এটিএম বুথে লেনদেন করাতেন।’

লেনদেনের পর এটিএম এর ইলেক্ট্রনিক জার্নাল এমনভাবে পরিবর্তন করে দিতেন যাতে পরবর্তী সময়ে এটিএম থেকে টাকা না পাওয়ার অভিযোগ সঠিক বলে প্রতীয়মান হয়। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম মনিটরিং রোস্টার টিম এ কর্মরত থাকা অবস্থায় রনি উপস্থিত থেকে এবং কৌশলের মাধ্যমে বিভিন্ন এটিএমের ইলেট্রনিক জার্নাল পরিবর্তন করে ৬৩৭টি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ১৩৬৩ টি লেনদেন করিয়ে ২ কোটি ৫৭ লাখ ১০০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।

ডিবি’র অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আক্তার বলেন, মোট ৯ ধাপে ডাচ বাংলা ব্যাংকের লেনদেনের পর এটিএম’র ইলেক্ট্রনিক জার্নাল এমনভাবে পরিবর্তন করে টাকা আত্মসাৎ করতেন। প্রথম ধাপে ডাচবাংলা ব্যাংকের স্যালারি/অন্যান্য অ্যাকাউন্ট প্রস্তুতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের কোনো অনুমোদিত এজেন্ট এর মাধ্যমে বহুল শ্রমিক সংবলিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্যালারি/অন্যান্য অ্যাকাউন্ট খোলে।

প্রস্তুতকৃত এটিএম কার্ডসমূহ এজেন্টের কাছে হস্তান্তর:

ডিবিবিএল এজেন্ট কর্তৃক আবেদনকৃত একাউন্ট ও এটিএম কার্ডসমূহ তৈরি হওয়ার সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে গ্রাহকের কাছে পাঠানোর উদ্দেশ্যে স্ব-স্ব এজেন্টের কাছে হস্তান্তর করে।

এজেন্টদের কাছ থেকে অবৈধভাবে এটিএম কার্ড হস্তান্তর:

এজেন্টরা ডিবিবিএল এটিএম কার্ডগুলো টাকার বিনিময়ে গ্রাহকের কার্ড গ্রাহক কে না দিয়ে তাদের অজান্তে মূল অপরাধী চক্রের কাছে হস্তান্তর করে।

টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিকর্তৃক এটিএম কার্ডে জমা করা:

অবৈধভাবে টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তিরা প্রথমে টাকা অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট করেন।

টাকা উত্তোলনে ব্যাংকের আইটি অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ:

টাকা এটিএম থেকে ডেবিট করার সময় ডিবিবিএল এর আইটি অফিসার এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন যেন টাকা উত্তোলনের সময় এটিএম বুথ কর্তৃক একাউন্টের বিপরীতে যে জার্নাল সৃষ্টি হয় সে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের জার্নাল সংরক্ষণ সার্ভারে যাওয়ার আগে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আইটি অফিসার পরিবর্তন করে নেয়।

সার্ভার সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্নকরণ:

ডিবিবিএল এর আইটি অফিসার টাকা উত্তোলনের পূর্ব মূহূর্তে যে জার্নাল সংরক্ষণ সার্ভারের সঙ্গে থার্ড পার্টি সফটওয়ার এর মাধ্যমে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এটিএম বুথ সমূহ পরিচালিত হয় তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে।

জানাল পরিবর্তন এবং জার্নাল সংরক্ষণ সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন:

জার্নাল সংরক্ষণ সার্ভারের সঙ্গে এটিএম বুথের থার্ড পার্টি সফটওয়ারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এটিএম বুথের টাকা উত্তোলনের সময় যে জার্নাল সৃষ্টি হয় তা জার্নাল সংরক্ষণ সার্ভারে জমা হয় না। এরইমধ্যে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আইটি অফিসার সৃষ্ট জার্নালের বিভিন্ন পরিবর্তনের মাধ্যমে সাকসেসফুল মেসেজকে আন-সাকসেসফুল মেসেজে রূপান্তরিত করার ফলে ওই মেসেজ পরবর্তীতে জার্নাল সার্ভারে গেলেও তা আর সাকসেসফুল মেসেজ হিসেবে গণ্য হয় না।

ব্যাংকের হট লাইনে অভিযোগ দাখিল:

টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তি পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী ডাচ-বাংলা ব্যাংকের হটলাইনে ফোন করে যা আইটি অফিসার কর্তৃক গৃহীত হয়। ফোন কলের মাধ্যমে সে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে অভিযোগ করে যে, সে এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলনের সময় তার ব্যালেন্স কেটে নেওয়ার পরও সে এটিএম বুথ থেকে টাকা পায়নি।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স সমন্বয়:

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আইটি অফিসার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করেন। প্রাথমিকভাবে তিনি দেখেন যে, কার্ডটি এটিএম বুথে প্রবেশ করানো হয়েছিল কিনা এবং হয়ে থাকলে সৃষ্ট জার্নাল সাকসেসফুল কিনা। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের আইটি অফিসার যখন দেখেন যে, টাকা উত্তোলনের জন্য কার্ডটি এটিএম বুথে প্রবেশ করানো হয়েছিল কিন্তু জার্নালটি আনসাকসেসফুল তখন উক্ত আইটি অফিসার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত একাউন্টে ব্যালেন্স সমন্বয় করে দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে হাফিজ আক্তার বলেন, রনির নেতৃত্বে ২০১৮ সাল থেকে এই অভিনব প্রতারণার কাজটি করেছিল। বর্তমানে মীর মো. শাহারুজ্জামান ওরফে রনি দেশের বাইরে আত্মগোপন করায় তাকে গ্রেফতারে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

aus3c.jpg

আগেই জানা গিয়েছিল, দলের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ক্রিকেটারকে ছাড়াই বাংলাদেশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আসছে অস্ট্রেলিয়া। এই দুটি সফরের জন্য ১৮ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। ডেভিড ওয়ার্নার, প্যাট কামিন্স এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েল সহ মোট ৬জন ক্রিকেটার এই দুটি দুটি সিরিজ থেকে নিজেদের নাম সরিয়ে নিয়েছেন। আর কনুইয়ের ইনজুরির কারনে ১৮ সদস্যের দলে বিবেচিত হননি স্টিভেন স্মিথ। এ ছাড়া ঝাই রিচার্ডসন, কেন রিচার্ডসন ও মার্কাস স্টোইনিসও বিভিন্ন ধরণের ব্যাক্তিগত কারণ দেখিয়ে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে অধিকাংশ ক্রিকেটারই আইপিএল এবং দীর্ষ জৈব সুরক্ষা বলয়ের ধকল কাটিয়ে উঠতেই এই দুটি সিরিজ থেকে ছুটি নিয়েছেন।

১৮ সদস্যের দলে প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন ওয়েস আগার। প্রায় ৪ বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ড্যান ক্রিস্টিয়ান। তার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরেছেন বেন ম্যাকডারমটও। এ ছাড়া নিউজিল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি দলে না থাকা জস হ্যাজেলউড এবং মিচেল স্টার্ককে দলে ফিরিয়েছেন নির্বাচকরা। ২৯ সদস্যের প্রাথমিক দল থেকে জায়গা মেলেনি ডার্সি শট এবং ক্যামেরুন গ্রিণের।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং বাংলাদেশ সফরে ৬ গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে না পাওয়ায় হতাশ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক ট্রেভর হর্নস। তবে এই দুটি সফর থেকে ওয়ার্নার-কামিন্সের ছুটি চাওয়ার ব্যাপারটিকে ইতিবাচক হিসেবে নিয়ে তাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে বোর্ড।

এ প্রসঙ্গে হনস বলেন, ‘এই মুহুর্তে অস্ট্রেলিয়া দলের জন্য সব খেলোয়াড়কে না পেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই হতাশ হয়েছি তবে এনএসপি [জাতীয় নির্বাচন প্যানেল] যারা এই সফর থেকে সরে এসেছেন তাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করে। কনুইয়ে ইনজুরির কারণে স্টিভ স্মিথকে নির্বাচনের জন্য বিবেচনা করা হয়নি। আশা করি বিশ্বকাপ এবং হোম অ্যাশেজ সিরিজের আগে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে এই সময়টি ব্যবহার করতে সক্ষম হবে। স্টিভ চিকিতসকদের পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সফরে যেতে না পরায় হতাশ।’

আগামী ২৮ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য দেশ ছাড়বে অস্ট্রেলিয়ানরা। সেখানে তারা খেলবে পাঁচ টি-টোয়েন্টি ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর তারা বাংলাদেশে আসবে টাইগারদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টির সিরিজ খেলতে। এই সিরিজের সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার ১৮ সদস্যের দল:

অ্যারন ফিঞ্চ (অধিনায়ক), অ্যাস্টন অ্যাগার, ওয়েস অ্যাগার, জেসন বেহেনডর্ফ, অ্যালেক্স ক্যারি, ড্যানিয়েল ক্রিস্টিয়ান, জস হ্যাজেলউড, ময়জেস হেনরিকস, মিচেল মার্শ, বেন ম্যাক ডারমট, রিলে মেরিডিথ, জশ ফিলিপে, মিচেল স্টার্ক, মিচেল সোয়েপসন, অ্যাস্টন টার্নার, অ্যান্ড্রু টাই, ম্যাথু ওয়েড, এবং অ্যাডাম জাম্পা।