Ashraful Islam, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

govt-2.jpg

চলতি বছরেই ফের বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের। তবে এবার বেতন স্কেলের কোনো সামগ্রিক পরিবর্তন হবে না। এর পরিবর্তে বিদ্যমান স্কেলে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়ানো হতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় তাদের বেতন বেড়েছিল সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০১ শতাংশ পর্যন্ত। মূল বেতনের পাশাপাশি আবাসান, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতাসহ অন্যান্য ভাতাও বাড়ানো হয়েছিল। তবে বর্ধিত ভাতা কার্যকর হয় ২০১৬ সালের ১ জুলাই।

বর্তমানে একজন সদ্য বিসিএস উত্তীর্ণ কর্মকর্তার মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। এর সঙ্গে প্রযোজ্য আবাসান ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা পেয়ে থাকেন। ২০১৫ সালে নতুন বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার আগে তাদের মূল বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা। বর্তমানে বিদ্যমান বেতন স্কেল অনুসারে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। আর সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮২৫০ টাকা।

জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৈষম্য দূর করতে ‘বেতন বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনঃগঠন করা হচ্ছে। নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে আহ্বায়ক করে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষযক মন্ত্রী এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। এই কমিটিকে সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিযর সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব/সচিব, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগের সিনিয়র সচিব/সচিব/ভারপ্রাপ্ত সচিবরা।

কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে-বেতন বৈষম্যের প্রাপ্ত অভিযোগগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেগুলো নিস্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান। এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করবে।

এর আগে ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘বেতন বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ওই কমিটিও ৭ সদস্য বিশিষ্ট ছিল। তবে তখন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

তিনি কমিটির সদস্য ছিলেন। তবে চলতি মন্ত্রিপরিষদে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী না থাকায় পুনঃগঠিত কমিটিতে তাকে রাখা হয়নি। তার পরিবর্তে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে নতুন কমিটির সদস্য রাখা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী ইতিমধ্যে সার সংক্ষেপে অনুমোদন দিয়েছেন। জনপ্রশাসন বিভাগ থেকে খুব শিগগিরই এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি হবে। সুত্র: বিডি জার্নাল

googlt5.jpg

আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। মৃত্যুর উত্তাল সমূদ্রে পেরিয়ে এক টুকরো স্বাধীন ভূখণ্ডের স্বপ্নে বাঙালি মরণপণ লড়াই শুরুর দিন আজ। দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ ডুডল তৈরি করেছে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল।

সোমবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকেই সার্চ ইঞ্জিন গুগল এই ডুডলটি চালু করেছে। ছবিতে তিন জন মাঝি তিনটি নৌকা বাইছে। এর মধ্যে দু’টি নৌকায় মাঝির সঙ্গে বিভিন্ন পণ্য ও অপর নৌকাটিতে কেবল একজন মাঝিকে দেখা যায়।

কোনো কিছু খোঁজার জন্য আজ সারাদিন গুগল ডটকমে ঢুকলেই চোখে পড়বে না লাল-সবুজের ভেতরে নৌকায় মাঝিদের ছবি দিয়ে দৃষ্টিনন্দন এই ডুডল। এতে মার্ক করলে লেখা উঠছে ‘বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে ২০১৯’। আর তাতে ক্লিক করলেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের ইতিহাস এবং এ সম্পর্কিত ওয়েবসাইটগুলো দেখাবে গুগল।

উল্লেখ্য, বিশেষ কোনো দিন, বিশেষ কোনো ব্যক্তি কিংবা আবিষ্কার নিয়ে সার্চ বক্সের ওপরে নিজেদের লোগোর পরিবর্তে এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নকশার যে লোগো তৈরি করে গুগল, তাকেই বলা হয় ডুডল। তারই ধারাবাহিকতায় আজ বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে দৃষ্টিনন্দন ডুডল প্রকাশ করেছে জনপ্রিয় এই সার্চ ইঞ্জিন (গুগল)।

aeghea.jpg

অল্প সময়ের ব্যবধানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার আত্মহত্যার খবর শুনে প্রেমিক আত্মহত্যা করেছেন। এ প্রাণহানির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত প্রেমিকা উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পাশাকোট গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে রিমা আক্তার (১৮) ও প্রেমিক পার্শ্ববর্তী মুন্সিরহাট ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামের আবদুল হাকিমের ছেলে রুমন (১৯)।

এই যুগলের মৃত্যুুর বিষয়টি সোমবার (২৫ মার্চ )নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ রঞ্জন চাকমা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মুন্সিরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী রিমা আক্তারের সাথে কলেজের ছাত্র নোমান ওরফে রুমনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। উভয়ের পরিবার তাদের সম্পর্ক মেনে না নেয়ায় প্রেমিকা রিমা রবিবার বিকেলে গলায় ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি থানায় নিয়ে যায়। এদিকে প্রেমিকার আত্মহত্যার খবর পেয়ে রবিবার রাতেই কুমিল্লা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্রাবাসে বিষপানে আত্মহত্যা করে প্রেমিক রুমন। এর আগেও একবার রুমন আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ রুমনের লাশ উদ্ধার করেছে।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার সেলিম মিয়া জানান, রুমন তার প্রেমিকা রুমা আক্তারের মৃত্যুর খবর শুনে শোকাহত হয়ে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।

সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কৃষ্ণ ধর বলেন, রুমন নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। পুলিশ রুমনের লাশ উদ্ধার করেছে।

এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, রুমা আক্তারের লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।

saqz.jpg

সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রায়হানা মারজান পদত্যাগ করেছেন। রোববার (২৪ মার্চ) রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের আদেশক্রমে তাঁর আবেদনকৃত পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ প্রশাসন-১ শাখা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখার উপ-সচিব মুহম্মদ শাহীন ইমরান স্বাক্ষরিত একপত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মাঠ প্রশাসন-১ শাখার রোববার (২৪ মার্চ) ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ তারিখের ০৫.০০.০০০০.১৩৭.০০২১৯.১৮-১৩৪ নং স্মারকের তথ্যানুসারে জানা গেছে, বেগম রায়হানা মারজান ৩৫ তম বিবিএস প্রশাসন ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সিলেট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সহকারী কমিশনার) পদে যোগদান করেন। তাঁর পরিচিতি নং- ১৮০৯৬। তিনি কর্মস্থলে যোগদানের কয়েক মাস পর চাকরি থেকে পদত্যাগ করার আবেদন করেন বলে জানা গেছে। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৪ মার্চ মহামান্য রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের আদেশক্রমে পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়।

সূত্রে জানা গেছে, বেগম রায়হানা মারজান পারিবারিক সমস্যা দেখিয়ে চাকরি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে বিবাহিত ও এক সন্তানের জননী।

pm55.jpg

শিশুরা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সেলক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকের শিশু আগামী দিনে এ দেশের কর্ণধার। আজকের শিশুদের মধ্য থেকেই কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে; কেউ বড় বড় চাকরি করবে, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই একদিন সোনার বাংলা গড়বে। তারাই একদিন দেশের নেতৃত্ব দেবে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে শিশু-কিশোর সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আমাদের শিশুদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে মানুষ করতে চাই। দেশকে ভালোবাসে তারা কাজ করবে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ। ২০২০ সালে আমরা জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী পালন করবো। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। ২০২০ থেকে ২০২১ আমরা মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। আমরা এই সময়টাকে এমন ভাবে পালন করতে চাই, যেন বাংলাদেশ ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এখানে উপস্থিত সকল শিশু এবং প্রবাসে থাকা আমাদের সকল শিশুর জন্য আমি স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সেইসঙ্গে এতোটুকুই বলবো বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, তোমরাই গড়ে তুলবে একটি উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ইনশাল্লাহ এই বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ। জাতির পিতার স্বপ্ন আমরা পূরণ করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২৪ বছরের সংগ্রাম এবং ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। দেশের মানুষ উন্নত জীবন পাবে, ক্ষুধা এবং দারিদ্র মুক্ত থাকবে এ লক্ষ্য নিয়েই দেশ স্বাধীন হয়েছিল। এটা ছিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন।

অভিভাবক, শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, মাদরাসা শিক্ষক ও ধর্মীয় গুরুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও মাদক সম্পর্কে আপনারা শিশুদের বোঝাবেন। আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশকে এগিয়ে নিবে। তাদের এগিয়ে যেতে হবে।

শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরা বাবা-মা ও শিক্ষকদের কথা শুনবে, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করবে, শরীরের যত্ন নেবে। তোমাদেরকেই গঠন করতে হবে বলিষ্ঠ জাতি। আমরা ৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশের যে স্বপ্ন দেখছি সেই বাংলাদেশ তোমরাই পরিচালনা করবে।

এর আগে সকাল ৮টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় স্টেডিয়ামে উপস্থিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও ঢাকা জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান তাকে অভিবাদন জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর প্যারেড কমান্ডার মৌসুমী আক্তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সালাম জানান।

বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে ৪৯তম স্বাধীনতা দিবস ও শিশু কিশোর সমাবেশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর প্রধানমন্ত্রী মূল মঞ্চ থেকে নেমে হেঁটে হেঁটে সমাবেশ পরিদর্শন করেন।

শুদ্ধস্বরে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করার জন্য অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি শিশু কিশোরদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা কুচকাওয়াজ করে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান।

aafwq.jpg

দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সন্তানদের। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ প্রত্যুষ থেকেই মানুষের ঢল নেমেছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে।

প্রত্যুষে রাজধানীতে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেখানে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ দিকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ ও কুচকাওয়াজে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি কুচকাওয়াজের উদ্বোধন করেন। সেখানে তিনি মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে শিশু-কিশোরদের রক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

৪৯তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা এবং ঢাকা শহরে সহজে দৃশ্যমান উঁচু ভবনসমূহে বৃহদাকারের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ‘অপারেশন সার্চ লাইটে’র নামে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলার মাধ্যমে বাঙালি জাতির জীবনে যে বিভীষিকাময় যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছিল দীর্ঘ নয় মাসে মরণপণ লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলার দামাল সন্তানরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে সে যুদ্ধে বিজয় লাভ করে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে।

wsgws.jpg

মুক্তিযুদ্ধে স্বামী ও ৬ শহীদ সন্তানের জননী মেহেরজান বিবি, এখন ভিক্ষা করে বেঁচে আছেন। সব হারিয়ে তার ঠাঁই হয়েছে এখন ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর আবাসন ও আশ্রয়ন প্রকল্পের ৩ নং ব্যারাকের ১১ নং কক্ষে।

বয়সের ভারে ন্যুজ্ব ৮৮ বছর বয়স্কা অসহায় মেহেরজান বিবি প্রতিদিন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষা করেন। তাঁর দুঃখে ভারাক্রান্ত জীবন কাহিনী বলতে বলতে অঝোরে চোখ বেয়ে নেমে আসে বেদনার অশ্রু। নিজে কাঁদেন এবং অন্যকেও কাঁদান। এই বয়সে দুই বগলে স্টেচারে ভর দিয়ে গ্রামের দারে দারে দু’মুঠো ভিক্ষার জন্য ঘুরে বেড়ান মেহেরজান। চরম অসহায়ত্বের মাঝে দিন কাটছে তাঁর। সহায় সম্বলহীন মেহেরজারেন আকুতি এখন একটু বেঁচে থাকার।

পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর সদর উপজেলার বাবুর হাটস্থ ২৬ নং দক্ষিণ তরপুর চন্ডী গ্রামে ১০ অক্টোবর ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহণ করেন মেহেরজান বিবি। তার বাবা ইব্রাহীম উকিল, মা বিবি হনুফা। তারা ছিলেন ৬ ভাই বোন। সোনাগাজী উপজেলার ৬নং চরছান্দিয়া ইউনিয়নের বড়ধলী হাজী বাড়ির মরহুম মমতাজ উদ্দিনের ছেলে সুবেদার মেজর এ টি এম সামসুদ্দিনের সাথে মেহেরজান বিবির বিয়ে হয়। পঞ্চাশের দশকে বড়ধলী গ্রাম নদী গর্ভে বিলিন হলে নিঃস্ব হয়ে তারা শহরে চলে আসেন। বাসা ভাড়া করেন ঢাকার মিরপুর ১ নাম্বারে জালাল দারগার বাড়িতে।

মেহেরজান বিবি’র ভাষ্য মতে, তাঁর ৮ পুত্র ও ২ মেয়ে ছিল। তাঁর ছয় পুত্র এবং স্বামী এ টি এম সামসুদ্দিন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে শহীদ হন।

শহীদ ছেলেরা হলেন- ছায়েদুল হক (তৎসময়ে সিলেটে রিলিফ অফিসার পদে কর্মরত), দেলোয়ার হোসেন, বেলায়েত হোসেন, খোয়াজ নবী, নুরের জামান ও আবুল কালাম। বাকী দু’পুত্র শাহ আলম ও শাহ জাহান, তাঁর খোঁজ-খবর নেন না এবং তাদের সন্ধানও তিনি জানেন না। দুই মেয়ে মরিয়ম বিবি ও হাসনা বিবিও মারা গেছেন।

মেহেরজান বিবি জানালেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী তাঁর স্বামী ও ৬ সন্তানকে হত্যা করে খ্যান্ত হয়নি। মুক্তিযোদ্ধা পরিবার জানতে পেরে মিরপুরে তাঁদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে তিনি ঢাকার মিরপুরে বাংলা মিডিয়াম হাই স্কুল (বর্তমানে মিরপুর বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়) এর শিক্ষিকা ছিলেন জানান।

মেহেরজান বিবি জানান, স্বাধীনতার পর তাঁর দুঃখ-কষ্টের কথা শেখ মনির দৈনিক বাংলা বানী পত্রিকায় ছাপা হলে তখন তিনি বঙ্গবন্ধুর নজরে আসেন তিনি। বঙ্গবন্ধু তাঁকে ও তাঁর এক পুত্রবধূ করফুলের নেছাকে ডেকে নিয়ে দুই হাজার টাকা করে অনুদান দেন এবং বঙ্গবন্ধু মেহেরজান বিবিকে পবিত্র হজ্ব পালন করান।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর স্বামী সন্তানদের শহীদ হওয়ার খবরে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দীর্ঘদিনেও তাঁর পুরাপুরি মানসিক সুস্থতা ফিরে আসেনি। স্বজনদের হারিয়ে চরম অসহায়ত্বে পড়ে ভিক্ষাভিত্তির পথ বেছে নেন তিনি।

২০০৯ সালে ফেনী রেল স্টেশনে ভিক্ষা করতে দেখে জনৈক জিআরপি পুলিশ তাঁকে ফেনী জেলা প্রশাসনে পাঠায়। তখন জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁকে পুর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা হয় ধর্মপুর আবাসন প্রকল্পে। সেই থেকে তিনি এখানে বসবাস করছেন।

সোনাগাজী উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সৈয়দ নাসির উদ্দিন জানান, মেহেরজান বিবি সম্পর্কে পত্র-পত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়েছে, তবে কোন কাজ হয়নি। তাঁর স্বামী-সন্তান যে শহীদ হয়েছে, তাতে কোন সন্দেহ নেই। আমি গেজেটে তাঁর নামও দেখেছি।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ফেনী জেলা ইউনিটের ডেপুটি কমান্ডার আবদুর রহমান মজুমদার বলেন, দীর্ঘদিন থেকে মেহেরজান বিবির সাথে আমার সম্পর্ক। তিনি আমাকে খুব স্নেহ করেন এবং ছেলে ডাকেন।

ফেনীর জেলা প্রসাশক মনোজ কুমার রায় বলেন, আশ্রায়ন প্রকল্পে সুবিধা ভোগীর একজন মেহেরজান। আমরা তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছি। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ছয় সন্তান ও স্বামী হারিয়েছেন। এই ছাড়া তাঁর অনেক করুন কাহিনী শুনেছি। তাঁর জন্য সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

pma9.jpg

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল ৬টার দিকে প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

পুষ্পস্তবক অর্পণের পর দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়। গার্ড অব অনার দেয় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল। পরে দলের সভাপতি হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা রওশন এরশাদ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ছেড়ে গেলে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্বস্তরের মানুষের জন্য জাতীয় স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ভিড় করেছে সর্বস্তরের মানুষ।

pic-2-5c989a3cd91fe.jpg

শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে পেটে দ্রুত মেদ জমে। মেদের কারণে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র খাওয়াদাওয়াই নয়, পেটে মেদ জমতে পারে আরও নানা কারণে।যেমন-

১. অনেকে কাজের ফাঁকে ব্যস্ততার কারণে ফাস্ট ফুড খেতে পছন্দ করেন। এগুলো খেতে ভাল হলেও স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ঠিক নয়।ঘন ঘন এ ধরনের খাবার খেলে পেটে মেদ জমার ঝুঁকি বাড়ে। এর পরিবের্ত ফল, বাদাম বা সালাদ জাতীয় খাবার খেলে পেটের মেদ কমাতে উপকারিতা পাবেন।

২. দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। কারণ এতে যে ভাল ব্যাকটেরিয়া থাকে তা হজমে সাহায্য করে। ফলে পেটে মেদ বাডা়র সুযোগ হয় না।

৩. যুক্তরাষ্ট্রের করনেল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলছেন, নেতিবাচক আবেগ বা টেনশনে থাকলে অনেকের বেশি খাওয়ার প্রবণতা হয়, যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এতে ওজন বাড়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৪. পানি পিপাসা হলেই অনেকে কোমল পানীয় পান করেন। এতে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরি শরীরের মেদ বাড়ায়।

৫. রোগা হতে গিয়ে অনেকেই খাওয়াদাওয়া কমিয়ে দেয়। চিকিৎসকদের মতে, খাবারের পরিমাণ কমালে সমস্যা নেই। কিন্তু, বেশি ক্ষণ না খেয়ে থাকলেও পেটে মেদ জমে।

৬. অফিসে বা অন্য কোনও কাজ করার সময় এক ভাবে অনেকক্ষণ বসে থাকলেও পেটে মেদ জমে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর পর নিজের সিট থেকে উঠে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করা উচিত। সূত্র : এবেলা

bgew.jpg

দু’দিন ধরে সারাদেশে তোলপাড় চলছে নবনির্বাচিত আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালামকে নিয়ে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গিয়ে এক আদিবাসী ম্রো তরুণীকে জড়িয়ে ধরে অশোভন আচরণ করেন তিনি। এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার জন্ম দেয়। এই ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ম্রো সম্প্রদায়সহ আদিবাসী নেতারা বিব্রত বোধ করছেন।

এদিকে সোমবার আলীকদমের মিরিনচর এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী তরুণীসহ তার স্বজনেরা। ম্রো তরুণী ও তার ভাই বলেন, চেয়ারম্যানের বিষয়টি নিয়ে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। সেদিনের ঘটনায় অশালীন কিছু ঘটেনি। এটাকে (জড়িয়ে ধরা) অন্যভাবে ভাবার সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার আলীকদম উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল কালামকে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মিরিনচর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করার সময় চেয়ারম্যান আবুল কালাম এক ম্রো তরুণীকে জড়িয়ে ধরেন। পরে এই ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দিলে তা ভাইরাল হয়ে পড়ে।

চেয়ারম্যানের এমন আচরণ এবং ছবি ছড়িয়ে পড়ায় বিব্রত বোধ করেছেন ম্রো নেতারা। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান আবুল কালামের এমন অশালীন আচরণেও তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আদিবাসী নারীদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। পাহাড়ের নারীদের সম্মানহানি করেছেন।

ম্রো নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য সিং ইয়ং ম্রো বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান যে কাজ করেছেন তা ক্ষমার অযোগ্য। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা কাইনথপ ম্রো বলেন, সংবর্ধনার নামে এমন কুরুচিপূর্ণ চর্চা বন্ধ করা হোক। এমন আচরণ একজন নেতার কাছ থেকে আশা করা যায় না।

তবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কী কারণে এত আলোচনা হচ্ছে, আমি জানি না। এ ব্যাপারে আবুল কালাম বলেন, আমার খারাপ উদ্দেশ্য থাকলে এমন আচরণ করতাম না। আর যে ছবি ভাইরাল হয়েছে, সেই ছবি তো আমিই ফেসবুকে দিয়েছি। খারাপ উদ্দেশ্য থাকলে তো ছবিটি ফেসবুকে দিতাম না। এখানকার আদিবাসীদের প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা রয়েছে। তারাও আমাকে ভালোবেসে প্রতিবার ভোট দিয়ে জয়ী করে।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

Newsletter