Ashraful Islam, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Nk-One-in-a-million_deer-pic.jpg

সম্প্রতি মাথায় লেজবিশিষ্ট একটি কুকুর ভাইরাল হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির সেই কুকুরের পর আলোচনায় এসেছে একটি হরিণ।

দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানায়, মাথায় তিন শিংওয়ালা একটি হরিণের দেখা মেলেছে মিশিগানে। বরফাচ্ছন্ন এলাকায় সেই হরিণের ছবি তুলেছেন স্টিভ লিন্ডবার্গ নামে এক মার্কিন ফটোগ্রাফার।

১০ নভেম্বর ছবিটি তুলেন লিন্ডবার্গ। স্বাভাবিকভাবে দুইটি শিং থাকে হরিণের। কিন্তু মিশিগানের হরিণটির মাথায় দেখা গিয়েছে বাড়তি একটি শিংয়ের। যা খুবই দুর্লভ।

স্টিভ লিন্ডবার্গ জানান, নারীসঙ্গীর সঙ্গে দেখা গিয়েছে পুরুষ হরিণটিকে। কয়েক ঘণ্টা ধরে হরিণটিকে দেখছিলেন তিনি। আরও কাছে গিয়ে এই দুর্লভ হরিণের ছবি তুলতে চেয়েছিলেন লিন্ডবার্গ। কিন্তু পরের দিন প্রাণীটিকে হারিয়ে ফেলেন তিনি।

মিশিগানের পশু বিশেষজ্ঞ স্টিভ এডওয়ার্ড জানান, হরিণটি দেখতে স্বাভাবিক এবং সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। জন্মের সময় ভ্রুণগত কারণে তার অতিরিক্ত একটি শিং হতে পারে।

তিনি জানান, দশ লাখ হরিণের মধ্যে এমন একটি ঘটনা ঘটে।

parlament2-20190423152915.jpg

আগামীতে বিসিএসের মাধ্যমে নিয়োগ করা সকল নতুন ডাক্তারকে তাদের প্রথম কর্মস্থলে দুই বছর থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে মন্ত্রীদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সাংসদ মুজিবুল হক চুন্নুর সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক অনুপস্থিত থাকায় তার পক্ষে উত্তর দেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

সম্পূরক প্রশ্নে চুন্নু বলেন, বর্তমান সরকারের গত মেয়াদে ১০ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়। কোনো কোনো উপজেলায় ২০ থেকে ২৪ জন ডাক্তার নিয়োগ পান। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সেসব জায়গায় দুই থেকে তিনজনের বেশি ডাক্তার নেই। জিজ্ঞেস করলে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা মেডিকেল ও জেলা হাসপাতালে সংযুক্ত আছেন। এই সংযুক্তি বাতিল করা হবে কি না এবং ডাক্তার সংকটের এই সমস্যার সমাধান করা হবে কি না?

জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি যে সমস্যার কথা বলেছেন, এই চিত্র অনেকাংশে সত্য। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কোনো সংযুক্তি এখন দেওয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে সরকারের কড়াকড়ি আছে। আগামীতে ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে যেসব ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, তারা যেখানে যোগ দেবেন, সেখানে দুই বছর থাকতে হবে। তারপর তারা উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য অন্য জায়গায় যেতে পারবেন। কিন্তু নিয়োগের পর প্রথম যোগদান করা হাসপাতালে দুই বছর থাকতে হবে।’

বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন উর রশিদের এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে জনবল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা সরকার উপলব্ধি করছে। বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৪ হাজার ৭৫০ জন ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতি দেশে এলে আশা করছি ১৫ দিনের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া যাবে। পরে সেখান থেকে ৪ হাজার ৫০০ জনকে উপজেলায় পদায়ন করা হবে। এতে প্রতি উপজেলায় ৯ থেকে ১০ জন ডাক্তার সার্বক্ষণিক থাকবেন।’

বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানার আরেক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার বন্ধে শিগগির ওষুধ বিক্রেতাদের নির্দেশনা দেওয়ার কথা বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘কীভাবে অ্যান্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহারটা রোধ করা যায়, এটি সরকারের পক্ষ থেকে অত্যন্ত সুবিবেচনায় রেখেছি। আমরা দেখছি, রোগীরা কয়েকটি অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পর রেজিসটেন্স তৈরি হওয়ায় চিকিৎসা নিতে না পেরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। কতগুলো ওষুধ আছে, যেগুলো লিগ্যাল প্রেসক্রিপশন ছাড়া ডিসপেনসারির দেওয়ার কথা না। কেউ যথাযথ প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করলে কঠোরতা জারি করা হবে। মানুষ কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক খাচ্ছে। যেটি প্রযোজ্য না, সেটিও খাচ্ছে। এতে নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অবশ্যই সরকার বিষয়টি চিন্তা-ভাবনার মধ্যে রেখেছে। আমি আশা করছি অল্পদিনের মধ্যেই ওষুধ বিক্রেতাদের জন্য এ রকম একটি নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

rail_minister_deshrupantor-1.jpg

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষের সময় তূর্ণা নিশিথা একপ্রেস ট্রেনের লোকো মাস্টার ঘুমাচ্ছিলেন না বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর রেল ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, সংঘর্ষের সময় তূর্ণা নিশিথা এক্সপ্রেসের গতি ছিল ঘণ্টায় ২০-২৫ কিলোমিটারের মতো। সংঘর্ষের আগে এর গতি ছিল ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটারেরও বেশি। লোকো মাস্টার জেগে ছিলেন বলেই গতি কমিয়েছিলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে এসব তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সব কিছু বিস্তারিত জানা যাবে।

এ সময় আগামী সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাবেন বলেও জানান নুরুল হক সুজন।

তিনি বলেন, এরপর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা হবে।

মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় তূর্ণা নিশিথা এক্সপ্রেস ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে ৫ শিশুসহ ১৬ জনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় আহত হন আরও অনেকে।

ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনায় তূর্ণা এক্সপ্রেসের লোকো মাস্টারসহ দায়িত্বরতদের আটক করা হয়।

এদিকে এ ঘটনায় তূর্ণা নিশিথার লোকো মাস্টার তাসের উদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো মাস্টার অপু দেব ও প্রহরী আব্দুর রহমানকে বরখাস্ত করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

rohi775.jpg

একটি ট্রলারে মধ্যেই গাদাগাদি করে বসানো হয়েছে ১১৯ যাত্রীকে। যেখানে রয়েছে তিন বছরের শিশু থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধ। অবৈধ উপায়ে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর থেকে আটকদের বৃহস্পতিবার রাত ৭টার দিকে টেকনাফ জালিয়াপাড়া নাফনদী সংলগ্ন জেটি ঘাটে এনেছে কোস্টগার্ড। সেখান থেকে তাদের গাড়িতে করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জোসেল রানা বলেন, ‘সাগরে মালয়েশিয়াগামী যাত্রীবাহি একটি ট্রলার সেন্টমার্টিনের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান অবস্থান রয়েছে, এমন খবর পেয়ে তিনিসহ কোস্টগার্ডের একটি দল সেখানে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। ট্রলারে চার মাঝিমাল্লাহ ১২২ জন যাত্রী ছিল। তারা সবাই রোহিঙ্গা।

জোসেল রানা বলেন, ‘মানুষের জীবন বাচাঁনো কোস্টগার্ডের দায়িত্ব, সেই দায়িত্ববোধ থেকে যাত্রীবাহি একটি ট্রলার সাগরে ভাসমানের খবর শুনার সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার রোহিঙ্গারা জানায়, ইঞ্জিন বিকল হয়ে তিন দিন ধরে তারা সাগরে ভাসছিল। উদ্ধারের সময় তাদের চোখে মুখে আতঙ্ক দেখা গেছে। এর আগে টেকনাফের রাজারছড়া উপকূল দিয়ে উন্নত জীবনের আমায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিল বলে স্বীকার করেন উদ্ধার যাত্রীরা। তাদের টেকনাফ থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।

উখিয়া মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যম্পের মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, ‘গত ১১ নভেম্বর গভীর রাতে টেকনাফের রাজাছড়া উপকূল দিয়ে সাগরে নোঙ্গর করে থাকা ট্রলারে পৌঁছায় রোহিঙ্গারা। গিয়ে দেখেন সেই ট্র্রলারে তার মতো আরো অনেকে রয়েছেন। সব মিলিয়ে সাগর পথে মালয়েশিয়াগামী ১১৯ জন যাত্রী ছিল। সেই দিন রওনা দেওয়ার একদিন পর হঠাৎ করে ট্রলারের নিচের তক্তা ভেঙে পানি ঢুকতে শুরু করে। এতে সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন।

পরিবারের কষ্ট দূর করতে সাগর পথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিয়েছেন জানিয়ে এই রোহিঙ্গা বলেন, সেই দিন রাতে পানি ঢুকে ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। তখন ট্রলারটি ভাসমান ছিল। এভাবে তিন দিন সাগরে ভাসমান থাকার পরে তাদের উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।

মো. আনোয়ার নামে নামে আরেক যাত্রী বলেন, বাংলাদেশে আসার পরে কর্মহীন দিন যাচ্ছিল। ফলে দালালের মাধ্যমে অন্যদের মতো সাগর পথে মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কেননা এনজিও সংস্থাগুলো এখানে যে ত্রাণ দিত তা নিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্ট হতো। তাছাড়া ঘরে দুই বোন বিয়ের উপযুক্ত হয়েছে। কিন্তু টাকার জন্য তাদের বিয়ে দিতে পারছি না।

তিনি বলেন, পরিবারের কথা চিন্তা করে উন্নত জীবনের আশায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিলাম। কিন্তু সেখানেও রোহিঙ্গাদের কষ্টের শেষ নেই। অবশেষে তিন দিন সাগরে ভাসার পর উদ্ধার হয়েছি।

র‌্যাব-১৫ এর টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব বলেন, রোহিঙ্গা মানব পাচারকারীরা টাকায় আশায় সাগরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে মানুষদের। তাছাড়া সচেতনতার অভাবে রোহিঙ্গারা সাগর পাড়ি দিচ্ছে। এই সময় পাচারকারীরা সক্রিয় হওয়া চেষ্টা করে। ফলে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আর যেসব পাচারকারী এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে, তাদের ধরতে র‌্যাবের একটি বিশেষ টিম কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

টেকনাফের লেদা ডেভেলপমেন্ট ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলম বলেন,  রোহিঙ্গারা উন্নত জীবনের আশায় মালয়েশিয়া যাওয়ার বা ক্যাম্প থেকে পালানোর প্রবণতা বরাবরই ছিল। এ সময়ে সমুদ্র শান্ত থাকে, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তারা মালয়েশিয়া পাড়ি দিচ্ছিল। বেশির ভাগই যাদের আত্মীয়-স্বজন বিভিন্নভাবে মালয়েশিয়ায় গিয়েছে, তাদের মধ্যেই সেদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

দীর্ঘ দিন ধরে রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করেন এমন এক নারী কর্মকর্তা বলেন, “মানবপাচারের জন্য কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প একটা হাব, যেখান থেকে প্রলোভন দেখিয়ে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাওয়া সহজ। ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পাচারকারী ও দালালেরা এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে।”

তিনি বলেন, “শিবিরগুলোতে অন্যান্য বিষয়ে নজর দেওয়া হলেও তারা যে পাচারের শিকার হতে পারে সে বিষয়ে কোনো সচেতনতামূলক কর্মসূচি নেই। অল্পবয়সী রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করছে। এ বিষয়ে তাদের সচেতন করতে উদ্যোগ নিতে হবে।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, চার মাঝিমাল্লাসহ আটক ১২২জন রোহিঙ্গাকে যাচাই-বাচাই শেষে স্বস্ব ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে।

fakrul-bnp-5dcc30ceb2a82.jpg

‘রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের কারণে উল্টো আওয়ামী লীগ থেকেই তাদের নেতাদের বিএনপিতে আসার অবস্থা দেখা দিয়েছে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুধবার তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যাওয়ার মতো অবস্থা এখন নেই। আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, তারা দেউলিয়া রাজনৈতিক দল।’

নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটির নেতাদের নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী প্রায়ই এ ধরনের কথা বলেন। সেগুলোয় তার কিছুটা সৃজনশীলতার আভাস পাওয়া যায়। বেশ নতুন নতুন গল্প তৈরি করেন তিনি। গোয়েবলসীয় প্রচারের মধ্য দিয়ে সরকারকে তিনি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খানের পদত্যাগ-সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে মির্জা ফখরুল জানান, গণমাধ্যম থেকে এ রকম খবর জানতে পারলেও অফিশিয়ালি এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের জন্য যে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি, তাদের নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে। একসঙ্গে ভোট ডাকাতি করে তাদের সঙ্গে নিয়ে সর্বশেষ জাতীয় সংসদ গঠন করেছে। সেই দলের মহাসচিব শহীদ নূর হোসেনকে অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে আক্রমণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে এমন কথা বলা গণতান্ত্রিক আন্দোলনকেই অপমান করা, বাংলাদেশের মানুষকে অপমান করা।

প্রসঙ্গত মির্জা ফখরুল জানান, তারা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আন্দোলনকে আরও বেগবান ও তীব্র করবেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নির্বাচিত কমিটির সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামালসহ অন্যান্য নেতাকর্মী তার সঙ্গে ছিলেন।

pm6669.jpg

মিশর ও তুরস্ক থেকে কয়েক দিনের মধ্যে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ জেলায় জেলায় পাঠানো হবে। টিসিবি ট্রাকে করে তা বিক্রি করবে। এতে পেঁয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে একাদশ সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি আরো বলেন, ভারতের মাত্র একটি রাজ্যে ছাড়া গোটা ভারতে পেঁয়াজ একশ’ রূপি কেজি বিক্রি হচ্ছে।

ভারতও পেঁয়াজ আমদানি করছে। এক্ষেতেও আমরা বসে নেই। মিশর, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা পেঁয়াজ আমদানি করছি।

এসময় দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে একটা মর্যাদার আসনে নিয়ে এসেছি।

আমি জানি দেশের কিছু লোকের এটা পছন্দ হয় না। একটি চক্র আছে যারা নানাভাবে একটা ঘটনা ঘটিয়ে দেশের বিরুদ্ধে একটা বদনাম করতে পারলেই বেশি খুশি হয়।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর মতো একটি বড় প্রকল্প বন্ধ করার জন্য যারা বিদেশে তদ্বির করে বিশ্বব্যাংকের টাকা বন্ধ করে দেয়, তারা দেশের কতবড় শত্রু সেটা সবাইকে বিবেচনা করতে হবে।

ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্ঘটনা দুর্ঘটনাই।

কুয়াশার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় রেল দুর্ঘটনায় কিছু মানুষ মারা গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আমরা আছি। উল্লাপাড়ায় আরেকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিছু মানুষ আহত হয়েছে।

এসব দুর্ঘটনার পেছনে কোন চক্রান্ত বা দূরভিসন্ধি আছে কি না, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। কারণ দেশে একটা ঘটনা ঘটার পর পরই আরও ঘটনা ঘটে। এর পেছনেও কিছু আছে কি না, তা খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির আমলে রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা

শিক্ষকদের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার আসার পর সবার যত বেতন বাড়িয়েছি, অন্য কোন সরকার কোনদিন বাড়াতে পারেনি।

শ্রমিক থেকে শুরু করে শিক্ষক পর্যন্ত সবার বেতন অনেকগুণ বাড়িয়েছি। আড়াই হাজারের মতো স্কুল-কলেজকে এমপিওভূক্ত করে দিয়েছি। শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বাড়ানো হয়েছে, এখন বেতন কিন্তু অনেক বেশি।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসিবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, একজন ভিসি নিয়োগ দিলেই তার বিরদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়ে যায়।

শিক্ষকরা তাদের স্বার্থের জন্য ছাত্রদের ব্যবহার করবে কেন? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা বন্ধ করে ছাত্রদের লেখাপড়া নষ্ট করা হচ্ছে।

অনেক কষ্ট করে আমরা সেশনজট বন্ধ করেছি। কিন্তু চক্রান্ত করে সেটা আবার সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে।

মুষ্টিমেয় কয়েকজনের জন্য শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করতে দিতে পারি না, আমরা দেব না।

আইনেই রয়েছে, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে তা প্রমাণ হবে। প্রমাণ করতে না পারলে অভিযোগকারীদেরও শাস্তির বিধান আছে। এক্ষেত্রেও আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।

robot53.jpg

কাশ্মীরে কথিত জঙ্গি মোকাবেলায় রোবট সেনা নামানোর পরিকল্পনা করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

সীমান্তে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নামবে রোবট বাহিনী। গ্রেনেড হামলার মুখে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে এ যন্ত্রমানব।

এমনকি ভাঁজ করে সহজেই বহনযোগ্য হবে এ রোবটগুলো। ভারতের সেনা সদর দফতরের খবর, প্রাথমিকভাবে ৫৫০টি রোবোটিক্স ইউনিট তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ রোবটগুলোর আয়ুষ্কাল (চাকরির মেয়াদ) হবে অন্তত ২৫ বছর। শিগগিরই ভারতের সেনাবাহিনীর হাতে এগুলো পৌঁছবে বলে জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার নিউজ১৮ এ খবর দিয়েছে।

জঙ্গিদের যে কোনো প্রতিরোধ ভেঙে সামনে এগিয়ে যাবে লড়াকু এ রোবট। শুধু প্রতিরোধ ভাঙাই নয়, তল্লাশি অভিযানেও দক্ষ এ যন্ত্রমানব।

জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদবিরোধী অভিযান জোরদার করতে ভারতীয় সেনার হাতে খুব শিগগির এ রোবট তুলে দেয়া হবে। রোবটের দক্ষতার বিষয়ে সেনাবাহিনীর এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, তরতর করে সিঁড়ি ভাঙতে পারে।

গাছে চড়তে পারবে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায়। ঢুকে পড়তে পারবে জঙ্গিঘাঁটিতে। গ্রেনেড ছুড়েও একে রোখা যাবে না।

আগুনে ঝাঁপ দিতে পারবে। চলার পথে ২০ সেন্টিমিটার গভীর পানির বাধা থাকলেও অনায়াসে তা পেরিয়ে যাবে। নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে আধুনিক অস্ত্র নিয়ে প্রতিদিন ভারতে অনুপ্রবেশের চষ্টো চালাচ্ছে জঙ্গিরা। এ অবস্থায় সুরক্ষা প্রাচীর গড়ে তুলবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এ রোবট।

রোবট সেনাদের মূলত ব্যবহার করা হবে জম্মু ও কাশ্মীরের স্পর্শকাতর বিভিন্ন এলাকায়। সেনাবাহিনীর ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রাষ্ট্রীয় রাইফেলের জওয়ানরা রোবট পেলে সীমানে্ত নজরদারি অনেক সহজ হবে।

কারণ নজরদারি চালাতে রোবটগুলোতে থাকবে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা এবং ট্রান্সমিশন সিস্টেম। ক্যামেরার ব্যাপ্তি হবে ১৫০-২০০ মিটার। দিনে-রাতে যে কোনো বিপত্সংকুল এলাকায় ঢুকে ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে এ রোবটরা।

সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই জঙ্গি অভিযানের ছক সাজাবে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেনা টহলপথে কোথাও বিস্ফোরক লুকানো আছে কি না, এরও হদিস দেবে এ রোবট। পাশাপাশি সেনা জওয়ানদের কাছে প্রয়োজনীয় অস্ত্র পৌঁছে দেয়ার কাজেও রোবটগুলো ব্যবহার করা যাবে।

১৯৯০ সালের ১ অক্টোবর এমনই রোবট সেনার প্রয়োজনীয়তার কথা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন তত্কালীন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ডিরেক্টর জেনারেল।

সেনা সূত্র জানাচ্ছে, জঙ্গিরা তাদের যুদ্ধ কৌশলে বদল এনেছে। এখন তারা আর শুধু সীমান্তে হামলা চালায় না, জঙ্গিরা বেছে নিচ্ছে গ্রাম-শহরের সাধারণ মানুষদের।

প্রত্যন্ত এলাকায় ঢুকে ঘাঁটি তৈরি করছে। সেখান থেকে অতর্কিত হামলা চালাচ্ছে সেনাবাহিনীর ওপর।

বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় রাইফেলের জওয়ানদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। সেই কারণেই নজরদারি ও নিরাপত্তার কাজে রোবট ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল সেনাবাহিনী। দেরিতে হলেও সেই প্রস্তাব মেনে নিল দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

onion66.jpg

পেঁয়াজের দাম বাড়ার ক্ষেত্রে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গেছে বৃহস্পতিবার। একদিনেই ‘পাগলা ঘোড়ার গতিতে’ বেড়েছে এর দাম। দিনশেষে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজির দাম সর্বোচ্চ ২২০ টাকায় উঠেছে। যা দিনের শুরুতে ছিল ১৬০-১৭০ টাকা।

পাইকারি বাজারগুলোতে সরবরাহ নেই- এমন তথ্য ছড়িয়ে দিলে খুচরা বাজারে প্রতি কেজির দাম গড়ে ৫০-৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দিনের শেষে দেশি পেঁয়াজ ২০০-২২০ টাকা এবং আমদানি করা পেঁয়াজ ১৮০-২১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। এর আগে কখনও পেঁয়াজের দাম এমন অস্বাভাবিক হয়নি।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ নেই বললেই চলে। সে জন্য খুচরা বাজারেও এর ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে এর দাম বেড়েছে লাফিয়ে লাফিয়ে।

এদিকে সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাজারে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি থাকার কথা নয়। চাহিদার তুলনায় আমদানি, উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি বাজারে বলতে গেলে পেঁয়াজ নেই। তবে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে ও সুপারশপগুলোতে যথেষ্ট সরবরাহ রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দূরদর্শিতা, পরিকল্পনা ও তদারকির অভাবেই বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু অভিযান পরিচালনা করা হলেও তার কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া মাঠ প্রশাসন থেকে কোনো ব্যবস্থা নিলে সেগুলোকে কেন্দ্রীয়ভাবে নেয়া হয়েছে বিপরীতমুখী ব্যবস্থা। ফলে বাজারে এর দামে কোনো নিয়ন্ত্রণ আনা সম্ভব হয়নি।

এদিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ‘মোবাইল টিম’ রাজধানীর শ্যামবাজারের পেঁয়াজের আড়তে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করায় ও অধিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করায় নিউ বাণিজ্যালয়কে ২০ হাজার টাকা, মেসার্স বাণিজ্যালয়কে ২০ হাজার, সিকদার অ্যান্ড সন্সকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। তবে পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কম।

অভিযান শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মোবাইল টিমের সদস্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে তারা অধিক মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করেছে। এ ছাড়া তারা মূল্যতালিকা প্রদর্শন করেনি। যে কারণে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে মোবাইল টিম অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দেন। এতে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ পেঁয়াজ আমদানিকারকদের আমদানি শুল্ক শূন্য করে দেয়ার আহ্বান জানান। আর সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পেঁয়াজ নিয়ে ঝাঁজ বেশি হয়ে যাচ্ছে। মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের আরও তৎপর হওয়া উচিত।

এর আগে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ হুমায়ুন বলেন, শিগগির পেঁয়াজের মূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসবে। উপজেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তিনি বলেন, এখন লিন সিজন (পেঁয়াজের মৌসুম শুরু হওয়ার আগমুহূর্ত) চলছে।

এ সময় একটা সংকট থাকে। আমাদের নতুন পেঁয়াজ এখনও ওঠেনি। কিছুদিনের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ উঠবে। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় মিয়ানমার ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারত থেকেও আমদানি চালু হয়েছে। পেঁয়াজের বাজার যেটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল, সেটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালু আছে, কোথাও কেউ যেন বেশি দামে বিক্রি করতে না পারে।

গত দেড় মাসের বেশি সময় ধরে পণ্যটির দাম বেড়েই চলেছে। সরকার কোনোভাবেই অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি লাগাম ধরে রাখতে পারছে না। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকা দরে।

এদিন রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার, সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০-১৭০ টাকা।

যা একদিন আগেও বিক্রি হয়েছে ১৩০-১৩৫ টাকা। মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা। যা একদিন আগে বুধবার বিক্রি হয় ১৪০ টাকা। এ ছাড়া দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকা। যা একদিন আগে বিক্রি হয়েছে ১৬০-১৭০ টাকা।

রাজধানীর মুগদা মদিনাবাগ এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন যুগান্তরকে বলেন, গতকাল (বুধবার) এলাকার বাজারে ১৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ কিনেছি। বৃহস্পতিবার সকালে ২২০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে। বিকালে গিয়ে দেখি একাহালি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ন্যায্যমূল্যে কেজি প্রতি ৪৫ টাকা দরে পণ্যটি কিনতে টিসিবির ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। কিন্তু সেখানে ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করেও চাহিদামতো পেঁয়াজ পাচ্ছেন না ভোক্তারা।

এদিকে পেঁয়াজের সংকট মেটাতে দেশের বড় বড় কয়েকটি কোম্পানিকে পেঁয়াজ আমদানির দায়িত্ব দেয়া হয়। এর মধ্যে কয়েকটি গ্রুপ প্রায় ১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়। তাদের পেঁয়াজ দেশে আসতে আরও দু-সপ্তাহ লাগতে পারে। নতুন করে ছোট ব্যবসায়ীরা আমদানি কমিয়ে দিয়েছেন। যে কারণে সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সূত্র জানায়, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ১৫-১৬ লাখ টন। বাকি ৮-৯ লাখ টন আমদানি করা হয়। কিন্তু চাহিদার বাইরেও সরবরাহ লাইনে থাকে আরও ৬-৭ লাখ টন। ফলে দেশে বছরে পেঁয়াজের দরকার হয় ৩০-৩১ লাখ টন।

উৎপাদনের বাইরে গত অর্থবছরে ১২ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এ হিসাবে দেশে পেঁয়াজের কোনো ঘাটতি নেই। ভারতে দাম বাড়ানোর আগেই যেসব পেঁয়াজ দেশে এসেছে সেগুলো এখনও রয়ে গেছে।

এ ছাড়া মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে কম দামে। কেননা তারা পেঁয়াজের দাম বাড়ায়নি। গত জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে গড়ে ২০-২২ টাকা কেজি দরে। ভারতে বন্যার কারণে পেঁয়াজের উৎপাদন কম হওয়ায় দাম বেড়ে যায়।

ফলে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তারা পেঁয়াজ রফতানিমূল্য প্রতি টনের দাম ৪০০ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ ডলার করে। এতে দেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়তে থাকে। ২৯ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দিলে এর দাম আরও বেড়ে ১২০ টাকায় ওঠে। পরে এর আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে দাম কিছুটা কমে। এখন আবার সরবরাহ সংকটের কারণে এর দাম হুহু করে বাড়তে থাকে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি ড. গোলাম রহমান যুগান্তরকে বলেন, সরকারের সব উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে। সরকার বলেছিল দেশের বড় ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ আমদানি করতে। সেটা মিডিয়ায় ঢালাওভাবে প্রচারও হয়েছে। কিন্তু ওনারা কি উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটা জানা বড় জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সরকারকে সহায়তা করছে না। তবে সরকার যদি নিজ উদ্যোগে আমদানি করত, তাহলে আজ পেঁয়াজের দর নিয়ে এ অবস্থায় আসত না। সরকার ব্যবসায়ীদের নানা ধরনের সহায়তা দিলেও ব্যবসায়ীরা সরকারকে সহায়তা করেছে তার বাস্তব প্রতিফলন আমরা দেখছি না। এ সব ব্যবসায়ীদের কারসাজি।

এদিকে রাজধানীর পাইকারি আড়ত শ্যামবাজার ও কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশি পেঁয়াজ পাইকারি দরে এক পাল্লা (৫ কেজি) বিক্রি করছে ৯০০ টাকা। যা এক কেজির দাম হয় ১৮০ টাকা। মিসরের পেঁয়াজ এক পাল্লা (৫ কেজি) বিক্রি করছে ৭৫০ টাকা। যা এক কেজির পাইকারি দর হয় ১৫০ টাকা। এ ছাড়া পাইকারি আড়তে মিয়ানমারের পেঁয়াজের সরবরাহ লক্ষ করা যায়নি।

কারওয়ান বাজারের ৩৬নং আড়তের ব্যবসায়ী মো. আসিক বলেন, বাজারে কোনো ধরনের পেঁয়াজ নেই। যেখানে আড়ত পেঁয়াজে ভরা থাকে, সেখানে আড়ত পুরোটাই খালি। কারণ পেঁয়াজভর্তি ট্রাক আসছে না বললেই চলে। যা-ও আসছে যুদ্ধ করে পেঁয়াজ আড়তে আনতে হচ্ছে। আর দামও অনেক বেশি। তাই বেশি দরে পেঁয়াজ এনে আমাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

শ্যামবাজারের পেঁয়াজ আমদানিকারক শঙ্কর চন্দ্র ঘোষ বলেন, পেঁয়াজের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ শ্যামবাজারে পেঁয়াজ নেই। বর্ডার থেকে পেঁয়াজ আসছে না। ম্যাজিস্ট্রেটরা এখানে এসে জরিমানা করে গেছেন। যে কারণে আমদানিকারকও ভয়ে পেঁয়াজ আমদানি করছেন না। তাই বাজারে পণ্যটির যে পরিমাণে চাহিদা আছে, সে পরিমাণে সরবরাহ নেই। যার কারণে দাম বেশি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেসার্স বিএইচ ট্রেডিং অ্যান্ড কোম্পানির মালিক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মো. বাবুল হাসনাত বলেন, পেঁয়াজের যে চালান আসছে তা চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের পেঁয়াজের সরবরাহ নেই। গত ২০ দিনের মধ্যে ২ দিন গাড়ি এসেছে। তবে সামনে কিছু পেঁয়াজ আসবে। আর এলেও বেশি দামে আমদানি করতে হবে। আগামী ডিসেম্বরে বাজারে নতুন পেঁয়াজ আসতে শুরু করবে। ওই সময়ে আমদানি করা পেঁয়াজও আসবে। তখন এর দাম কমতে পারে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামের পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা আরও বেড়েছে। মূল্য কারসাজিতে জড়িত আড়তদারদের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা করেও দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। উল্টো অভিযানের অভিযোগে দেশের সর্ববৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে অনেক ব্যবসায়ী পেঁয়াজ বিক্রিই এক প্রকার বন্ধ করে দিয়েছেন। এ কারণে সপ্তাহের শেষদিনে বৃহস্পতিবার পেঁয়াজের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখানে ১৭০-১৮০ টাকা তথা ডাবল সেঞ্চুরিতে বিক্রি হয়েছে। খুচরা বাজারে ২০০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়ছে। এখানে আমাদের করার কিছুই নেই। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবারও মিয়ানমারের ১৬-১৭ ট্রাক পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জে ঢুকেছে। এ ছাড়া মিসর থেকে আমদানি করা ২-৩ ট্রাক পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জে এসেছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস।

খাতুনগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, যে পেঁয়াজ গতকাল সকালে পাইকারি বাজারে ১৬০-১৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, তা দুপুরের পর কেজিপ্রতি মানভেদে ২০-৩০ টাকা বেড়ে গেছে। অথচ গত ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে আড়তদারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সেলিম হোসেন বলেছিলেন, খুচরা পর্যায়ে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকার নিচে নেমে আসবে।

দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশি পেঁয়াজ উঠবে। ভারতের পেঁয়াজও চলে আসবে। তখন পেঁয়াজের দাম পাইকারি বাজারে কেজি ৪০ টাকার নিচে নেমে যাবে। ওই সভায় পেঁয়াজের বাজার তদারকি করতে একটি মনিটরিং টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র তার উল্টো।

টেকনাফ প্রতিনিধি জানান, টেকনাফ স্থল শুল্ক স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে ৩৪ হাজার ৪০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। টেকনাফের পেঁয়াজ আমদানিকারক এমএ হাসেম যুগান্তরকে বলেন, এখানে এলসির মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি করা যায় না। ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে আমদানি করতে হয়। যে কারণে এক চালানে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আনা সম্ভব হচ্ছে না। তবে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে।

Water1.jpg

পানির অপর নাম জীবন। মানব শরীরে ৫৫-৭৮% পানি থাকে। একজন মানুষের প্রতিদিন এক থেকে সাত লিটার পানি পানের প্রয়োজন হয়।

শরীরের প্রয়োজনীয় পানির পরিমাণ নির্ভর করে কাজের ধরন, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ইত্যাদি নানা পরিস্থিতির উপর।

অনেকেই বলেন যে ঘুম থেকে উঠেই প্রথম কাজ হওয়া উচিত, এক গ্লাস পানি পান করা। কিন্তু সত্যিই কি তাই? ঘুম থেকে উঠেই পানি পান করা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জেনে নিন-

ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করলে সকালে অতিরিক্ত নাস্তা খাওয়ার প্রবণতা কমে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

সারারাত ঘুমানোর কারণে ঘুম থেকে উঠার পর শরীরে পানির পরিমাণ কম থাকে। শরীরকে আর্দ্র রাখতে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস পানি পান করা দরকার।

কিডনির সাহায্যে শরীরের টক্সিন বেরিয়ে যায়। কিডনি ভালো রাখতে পানি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।সূত্র: এইসময়

momen-20191012163200.jpg

সৌদি আরবে দুই লাখ ৭০ হাজার বাংলাদেশি নারী কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে আট হাজার নারী ফিরে এসেছেন। ৫৩ জনের মরদেহ দেশে এসেছে, যা তুলনামূলক নগণ্য। ৯৯ শতাংশ নারী কর্মী ভালো আছেন।

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুবাই সফরকালে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে তিনটি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামীকাল শনিবার চার দিনের সফরে আরব আমিরাত যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট ম্যাচের প্রথম দিনের খেলা দেখতে কলকাতা যাবেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে ভারত সফর করবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মোমেন বলেন, সৌদি আরবে নারী কর্মী পাঠানো বন্ধে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। অনেকে আন্দোলন করছেন নারী কর্মী পাঠানো বন্ধের জন্য। যারা এমন দাবি করছেন, তারা কি ওদের চাকরি জোগাড় করে দেবেন?

তিনি বলেন, বিদেশে নারী কর্মী নির্যাতনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বেশি। কোনো নারী কর্মী নির্যাতিত হলে নিরাপদ আশ্রয়ে তাদের নিয়ে আসা হয়। এটা তাদের জন্য উন্মুক্ত। ২৪ ঘণ্টা হটলাইন চালু হয়েছে, যাতে তারা যে কোনো সমস্যার কথা জানাতে পারেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক নারী দেশে ফিরে বলেন, মনিব তাকে অত্যাচার করেছেন। তিনি যদি আমাদের শেল্টার হোমে এসে তথ্য দেন, আমরা মামলা করতে পারি। কিন্তু তারা ওখানে না বলে দেশে ফিরে এ ধরনের অভিযোগ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর দুবাই সফরে ৩ চুক্তি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুবাই সফরকালে দুটি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং একটি প্রটোকল স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এগুলো হলো- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং আমিরাত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ও আমিরাত অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের মধ্যে চুক্তি এবং আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের জন্য প্লট বরাদ্দের প্রটোকল।

সফরকালে শেখ হাসিনা আবুধাবিতে অনাবাসিক বাংলাদেশিদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।\হআব্দুল মোমনে বলেন, দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে ‘দুবাই এয়ার শো’সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশটিতে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরিবার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সুপ্রিম চেয়ারপারসন শেখ ফাতিমা বিনতে মোবারকের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী আরব আমিরাতের বড় বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।