Ashraful Islam, Author at Dhaka Today

japan-big-20181119125426.jpg

জাপানে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৬৪ লাখ শ্রমিক সংকট দেখা দিবে বলে জানিয়েছে একটি জরিপ। চুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় এবং পারসল রিসার্চ অ্যান্ড কন্সাল্টিংয়ের যৌথ এই জরিপে উল্লেখ করা হয়,  জাপানের শ্রমবাজার স্থিতিশীল রাখতে মজুরি বৃদ্ধি, অর্থনীতি এখনকার হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন বজায় রাখতে চাইলে ২০৩০ সাল নাগাদ জাপানে শ্রমিকের দরকার হবে ৭ কোটি। তবে তারা বলছে শুধুমাত্র ৬ কোটি ৪০ লাখ শ্রমিক দেশে পাওয়া যাবে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ বা ৪০ লাখ শ্রমিকের ঘাটতি সেবা খাতে,  চিকিৎসা ও কল্যাণ খাতে ১৮ লাখ ৭০ হাজার এবং পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় খাতে ৬ লাখ শ্রমিকের ঘাটতি দেখা দেবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জরিপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মাসাহিরো আবে বলেছেন,  সরকার ও বাণিজ্য খাতকে অবশ্যই জরুরি ভিত্তিতে দেশটির নারী ও বৃদ্ধদের দক্ষতা কাজে লাগানোর মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করে দেখতে হবে। এদিকে গত মঙ্গলবার জাপান সরকার জানিয়েছে সেদেশের অনুমিত হিসাব অনুযায়ী, অভিবাসন আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনের আওতায় আগামী অর্থবছরে ৪৭ হাজার বিদেশি শ্রমিক জাপানে প্রবেশ করতে পারেন। মঙ্গলবার জাপানের সংসদের অধিবেশনে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধন সংশ্লিষ্ট এমন একটি বিল নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়, যার আওতায় আগামী বছরের এপ্রিল থেকে আরও বেশি সংখ্যক বিদেশি কর্মীদের জাপানে প্রবেশের অনুমোদন দেওয়া সম্ভব হবে।

জাপানের সরকারি কর্মকর্তারা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন,  আগামী অর্থবছরে জাপানে ৬ লাখেরও বেশি শ্রমিকের ঘাটতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তারা মনে করেন,  যদি বিলটি পাশ হয়, তবে ওই সময়ের মধ্যে ৩৩ থেকে ৪৭ হাজার বিদেশি শ্রমিককে জাপানে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া যাবে। আর ২০১৯ থেকে পরবর্তী ৫ অর্থবছরে ২ লাখ ৬০ হাজার থেকে ৩ লাখ ৪০ হাজার বিদেশি শ্রমিক জাপানে প্রবেশ করতে পারেন।

গত বুধবার জাপান সরকার জানিয়েছে সংসদে নতুন বিল পাস হলে আগামী পাঁচ বছরে সাড়ে তিন লাখেরও বেশি দক্ষ বিদেশি শ্রমিক ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে সেদেশে প্রবেশ করতে পারবে। সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান মতে,  ১৪টি নির্দিষ্ট শিল্পের মধ্যে শুধুমাত্র নার্সিং কেয়ার সেক্টরে সুযোগ হবে ৫০-৬০ হাজার বিদেশি শ্রমিকের। এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্মীর দরকার পড়বে রেস্তোরাঁ খাতে। এই খাতে ৪১ থেকে ৫৩ হাজার শ্রমিক,  কন্সট্রাকশন খাতে ৩০-৪০ হাজার এবং বিল্ডিং ক্লিনিং প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২৮-৩৭ হাজার বিদেশি শ্রমিক প্রয়োজন পড়বে।

ইতোমধ্যে জাপান সরকার অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য ভিসা নিষিদ্ধ করলেও শ্রমিক সংকট কাটাতে স্টুডেন্ট ভিসা এবং ইন্টার্ন ট্রেইনি ভিসার মাধ্যমে অনেককেই কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে শুধুমাত্র টেকনিক্যাল ইন্টার্ন জাপানে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে গত বছর প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আই এম জাপানের সঙ্গে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলামের ভাষ্য- দক্ষ জনশক্তি দিয়ে জাপানে শ্রমিকের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

বাংলাদেশে সফররত আই অ্যাম জাপান (IM Japan)-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মি. ইয়োশিহিরো হোতা বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ জনশক্তি নিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন।  তিনি বলেন,  বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি নিয়োগ করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে পাবনাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা সফর করছি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনশক্তির দক্ষতায় মুগ্ধ হয়েছি। আশা করছি,  জাপান বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ দক্ষ এবং প্রশিক্ষিত জনশক্তি নিতে পারবে। এতে দু’দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

জাপানের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে জাপানি ভাষা শেখানোসহ বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক সেলিম রেজা। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি এবার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার জন্য জাপান আগ্রহ দেখিয়েছে।

জাপানের শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য বড় সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে বলে মনে করেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান বলেন,  জাপানের চাহিদা মূলত দক্ষ শ্রমিকের। এই চাহিদার সঙ্গে ম্যাচ করতে আমাদের একটা সমস্যা আছে। দেশটি গতবছরও একটা উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে। জাপানে বেতন,  খাওয়া এবং থাকার পরিবেশ খুবই ভালো। কিন্তু সেখানে যে ধরনের শ্রমিক দরকার সেটা অনেক সময় পাওয়া যায় না। আমাদের এককেন্দ্রিক মধ্যপ্রাচ্য থেকে এই বাজারে সুযোগ আছে ভালো।

সেজন্য আমাদের দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে হবে,  ভাষা শিক্ষা দিতে হবে। আমাদের টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারগুলোর (টিটিসি) মাধ্যমে এই উদ্যোগ নেওয়া যায়। সরকারকে সেভাবে প্ল্যান করে আগাতে হবে। এই বাজারে আমরা সুযোগ করে নিতে পারলে অন্য বাজারেও প্রবেশ করা আমাদের জন্য সহজ হবে,- বলেন শরিফুল হাসান।

inter-20181120220310.jpg

সৌদি রাজতন্ত্রবিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের সুস্পষ্ট দলিল-প্রমাণ হাতে থাকায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনায় সৌদি যুবরাজের সম্পৃক্ততার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর র‍্যান্ড পল। কেন্টাকি রাজ্য থেকে নির্বাচিত এ সিনেটর সিবিএস টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানই যে খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন, সে ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলিল-প্রমাণ সিআইএর হাতে এসেছে। কাজেই এখন আর তা ধামাচাপা দিয়ে রাখা যাবে না।

র‍্যান্ড পল বলেন, খাশোগি হত্যার দায়ে সৌদি আরবে আটক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিবর্তে ট্রাম্প প্রশাসনের উচিত সৌদি আরবের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করা।

তিনি বলেন, মোহাম্মাদ বিন সালমানকে বাঁচানোর জন্য এসব গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। কাজেই তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করে মোহাম্মাদ বিন সালমানের বিচার করার উদ্যোগ নেয়া উচিত। গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতর ব্যক্তিগত কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন খাশোগি।

bubly-vhi-2-20181120113944.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথমবারের পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলীর ভাই জাহিদ হাসান আকাশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় দ্বিতীয়বার আয়োজন করা হয় পরীক্ষার। তবে সোমবার ‘ঘ’ ইউনিটের এই পুনঃভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেননি জাহিদ হাসান আকাশ নামের ঐ শিক্ষার্থী।

গত ১৬ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ফাঁসকৃত প্রশ্নের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১১৪ দশমিক ৩০ পেয়েছিলেন জাহিদ হাসান আকাশ। এর আগে ঢাবি ভর্তি পরীক্ষার ইতিহাসে কখনো কেউ এত নম্বর পায়নি । ওই ফলাফলে এই শিক্ষার্থী বাংলায় ৩০ এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ২৭.৩০ পেয়েছিলেন। ব্যবসায় অনুষদ পড়ে আসা এই শিক্ষার্থী ‘ঘ’ ইউনিটে মোট ১২০ নম্বরের মধ্যে তিনি ১১৪.৩০ পেয়ে সম্মিলিত মেধাতালিকার বাণিজ্য শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। এই স্কোর ছিল গত ২০ বছরের রেকর্ড।

অথচ নিজের ইউনিট ‘গ’ তে অংশ নিয়ে আকাশ বাংলায় ১০.৮, ইংরেজিতে ২.৪০সহ মোটা ১২০ এর মধ্যে ৩৪.৩২ পেয়েছিলেন। এজন্যই প্রশ্ন ওঠে তার সফলতা এবং মেধা নিয়ে।

পরে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে প্রমাণিত হওয়ার পর পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা গ্রহণের দাবি ওঠে। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ ১৬ নভেম্বর ‘ঘ’ ইউনিটে পুনঃভর্তি পরীক্ষা নেয়। কিন্তু জাহিদ সে পরীক্ষায় অংশ না নেয়ার কথা শোনা গেছে। তবে কি জাহিদ পূরনো জালিয়াতি ধরা পড়ার ভয়ে পরীক্ষা দেয়নি। পুনঃভর্তি পরীক্ষায় ১৬ হাজার ১৮১ জন ভর্তিচ্ছু অংশ নেয়।

গত ১৭ অক্টোবর ‘সি‌নেমার গ‌ল্পের ম‌তো বুবলীর ভাইয়ের জালিয়াতি?’ শিরোনামে খবর প্রকাশ করা হয়েছিল বিভিন্ন গণমাধ্যেমে। খবরটি হুবহু তওলে ধরা হল-

সময়ের আলোচিত নায়িকা শবনম বুবলীর একমাত্র ছোট ভাই জাহিদ হাসান আকাশ সি‌নেমার গ‌ল্পের ম‌তোই হঠাৎ তু‌খোড় মেধাবী ছাত্র হ‌য়ে গেল। ইউনিটের পরীক্ষায় যে পাসই করেনি, আর ঘ ইউ‌নি‌টে প্রথম!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর)। এতে ২৬.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর আগে পরীক্ষার দিনই এই ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগের মধ্যেই ফল প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। যেখানে মেধা তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের দুই ইউনিটের ফলাফলের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ঘ ইউনিটে মেধাতালিয়ায় ১০০ ক্রমের মধ্যে থাকা ৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থী তাদের নিজ নিজ অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি।

জাহিদ হাসান আকাশ ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছেন। গত ১২ অক্টোবর তিনি ঢাবির সমাজ বিজ্ঞান অনুষদে ভর্তির জন্য ঘ ইউনিটে পরীক্ষা দেন। সেখানে ব্যবসায় শাখা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। অথচ ব্যবসায় শিক্ষা শাখার এই শিক্ষার্থী বাণিজ্য অনুষদে ভর্তির জন্য দেওয়া গ ইউনিটের পরীক্ষায় ফেল করেছিলেন।

ঢাবির গ ইউনিটের পরীক্ষায় ফলাফলে দেখা যায় তিনি বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮, ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০। অথচ এই শিক্ষার্থী ঘ ইউনিটের পরীক্ষায় বাংলায় ৩০ এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এর মধ্যে ২৭.৩০ পেয়েছেন। যা রেকর্ড বলা যায়।

ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে আসা এই শিক্ষার্থী ঢাবির গ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় সর্বমোট ১২০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছিলেন ৩৪.৩২। অথচ মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ঘ ইউনিটের পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বরের মধ্যে তিনি ১১৪.৩০ পেয়ে সম্মিলিত মেধাতালিকার বাণিজ্য শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বলছে, গত ২০ বছরে ১২০ এর মধ্যে ১১৪.৩০ কেউ পায়নি। দ্বিতীয় স্থানে যিনি রয়েছেন তিনি ১২০ এর মধ্যে পেয়েছেন ৯৮.৪০। মেধাক্রমে যার ব্যবধান অনেক।

আরেক শিক্ষার্থী তাসনিম বিন আলম ঢাবি ঘ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখায়) প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। অথচ বিজ্ঞান শাখার এই শিক্ষার্থী তার নিজের অনুষদ ক ইউনিটের পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৪৩.৭৫ পেয়ে ফেল করেছিলেন। সেই তিনিই ঢাবি ঘ ইউনিটে সে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৯.৫০ পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকার বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।

ministry-of-information-big-20181120202801.jpg

বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি জারিকৃত এক পত্রে বলা হয়েছে- কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ এর ধারা ১৯ এর ১৩ উপধারায় বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত কোনো কোনো বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা এ আইনের পরিপন্থী।

বিদেশি টিভি চ্যানেল ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারের জন্য প্রদত্ত অনুমতি অথবা অনাপত্তিপত্রে ‘কেবল্ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬’ যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে এ আইনের ১১ ধারা মোতাবেক ডিস্ট্রিবিউশন লাইসেন্স বাতিল অথবা স্থগিত এবং ২৮ ধারা মোতাবেক দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

uk-20181120212212.jpg

টেক্সাস সীমান্ত দিয়ে অবৈধপথে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় আটক করা হয়েছে ৬ বাংলাদেশিকে। সোমবার পৃথক দুটি অভিযানে দেশটির পুলিশ তাদের আটক করে। এ উপায়ে বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এক বছরে এভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করার সময় আটক করা হয় ৬৬৮ বাংলাদেশিকে।

২০১৭ সালের অক্টোবরের তুলনায় এ বছর নভেম্বরে এ সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ বেশি। এ সময়ে লারেডো সেক্টর এজেন্টরা ৬৬৮ বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করেছে। আগের বছরের মোট বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীর তুলনায় এ সংখ্যা শতকরা প্রায় ২৭০ ভাগ বেশি।

ব্রেইতবার্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ও মধ্য টেক্সাসের সীমান্তে রয়েছে উন্মুক্ত নদী। সেই সীমান্ত একেবারে খোলা। এমন সীমান্ত শত শত মাইলের। এই পথটিকে ব্যবহার করছে অবৈধ অভিবাসীরা। এ পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অভিবাসীরা দালালদের দিচ্ছে জনপ্রতি ২৭ হাজার ডলার করে।

লারেডো সাউথ বর্ডার পেট্রোল স্টেশনে যে এজেন্টদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারা শনিবার টেক্সাসের মাস্টারসন রোডে সন্দেহজনকভাবে চার অভিবাসীর কাছে যায়। এ সময় লারেডো সেক্টর লাইন অপারেশনের অংশ হিসেবে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পুলিশ জানতে পারে ওই চার যুবক হলেন বাংলাদেশি। পরেরদিন সকালে একই সংস্থা আরও একটি অভিযান চালায়। লারেডোর ওলিয়ান্দার স্ট্রিটে তারা দেখতে পায় দু’জন সন্দেহজনক যুবক হাঁটাহাঁটি করছে। তারা তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাতেও বেরিয়ে আসে যে, তারাও বাংলাদেশি। তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে পাচার করে।

dpe-bd-logo-20181119203131.jpg

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে এক লাখ ৭৯ হাজার ৫০৩ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে এক লাখ ৩৬ হাজার ৩২১ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর চার দশমিক ৯১ শতাংশ। আর মাদরাসার ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে অনুপস্থিত ছিল ৪৩ হাজার ১৮২ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ। সোমবার পরীক্ষা শেষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রাথমিকের অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৭২ হাজার ১৬৩ জন ছাত্র আর ৬৪ হাজার ১৮৫ জন ছাত্রী। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ২৬ হাজার ৬৬২ জন, ছাত্রী ১৬ হাজার ৫২০ জন।

এদিন অসাধু পন্থা অবলম্বন করায় সমাপনীতে ১৭ জন ও ইবতেদায়িতে দুইজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৯ ছাত্র ও সাত ছাত্রী, রাজশাহী বিভাগের এক ছাত্র, ইবতেদায়ি পরীক্ষায় খুলনা বিভাগের দুই ছাত্র রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নিয়ন্ত্রক কক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সমাপনী ও ইবতেদায়িতে বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় এবার মোট ৩০ লাখ ৯৫ হাজার ১২৩ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা থাকলেও দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষায় এক লাখ ৭৯ হাজার ৫০৩ জন অনুপস্থিত ছিল।

উল্লেখ্য, আগামীকাল মঙ্গলবার সমাপনীর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং ইবতেদায়িতে বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রথম দিনে এক লাখ ৬০ হাজার ১৬৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে এক লাখ ১৭ হাজার ৭৫৩ জন। আর ইবতেদায়িতে অনুপস্থিত ছিল ৪২ হাজার ৪১৫ জন। তবে প্রথম দিনে কোনো শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।

shaina-l-20181120140009.jpg

‘মেহেরজান’ চলচ্চিত্রখ্যাত অভিনেত্রী শায়না আমিন। অনেকদিন ধরেই তিনি শোবিজ ছেড়ে থিতু হয়েছেন ইংল্যান্ডে। সেখানে তার স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখের সংসার।

সবরকম আলোচনার বাইরে থাকা এই অভিনেত্রী সম্প্রতি মা হয়েছেন। তিনি এক পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছেন। শায়নার ছেলের নাম রাখা হয়েছে নুমাইর আমিন রানা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী জানালেন, গত ১৩ নভেম্বর লন্ডনের একটি হাসপাতালে তিনি দ্বিতীয় সন্তানের মুখ দেখেন। তিনি ও তার পুত্র দুজনই সুস্থ আছেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রথম সন্তানের মুখ দেখেন। সেবার মেয়ে সন্তানের মা হয়েছিলেন তিনি। তার মেয়ের নাম আরশিয়া।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে বদরুল আনাম সৌদের ‘ক্রস কানেকশন’ নাটকের মাধ্যমে ছোটপর্দায় ক্যারিয়ার শুরু করেন শায়না। এরপর বেশকিছু বিজ্ঞাপন ও নাটকে কাজ করেন। ২০১১ সালে ‘এক জীবন’ শিরোনামের একটি মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে কাজ করে আলোচনায় আসেন মায়াবী হাসির এই অভিনেত্রী।

বিজ্ঞাপন ও নাটক-টেলিফিল্মের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও বেশ ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলেন শায়না। দর্শক মুগ্ধ করেছিলেন রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘মেহেরজান’ নামের সিনেমাতে। গল্পের কারণে ছবিটি বাংলাদেশে বিতর্কিত হলেও ভারতের জয়া বচ্চন ও ভিক্টর ব্যানার্জির মতো শক্তিমান অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করে প্রশংসিত হন শায়না।

ক্যারিয়ার যখন অনেক সম্ভাবনায় পাখা মেললো তখনই উধাও হয়ে গেলেন তিনি। ২০১৪ সালের শেষের দিকে হঠাৎ করেই মিডিয়া থেকে আড়ালে চলে যান শায়না। তার মাস দুয়েক পর জানা যায়, ব্রিটেনে বসবাসরত এক যুবককে বিয়ে করেছেন তিনি। স্বামীর নাম মাসুদ রানা। এখন সংসারধর্মেই জীবনে পূর্ণতা খুঁজে চলেছেন শায়না আমিন।

villiers-20181120211025.jpg

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্স এখন সাবেক। তাতে ফ্রাঞ্চাইজি লিগে তার কদর কি এতটুকু কমেছে? না, বরং যেন আরও বেড়েছে। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) মঙ্গলবারের প্লেয়ার্স ড্রাফটে সবার আগে বিক্রি হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটিং মায়েস্ত্রো। তাকে কিনে নিয়েছে লাহোর কালান্দার্স।

পিএসএলের মঙ্গলবারের ড্রাফটে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিক্রি হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। তার ফ্রাঞ্চাইজির নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এর আগে এই ফ্রাঞ্চাইজির নাম ছিল মুলতান সুলতানস।

গতবার পিএসএলে সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ইউএস ডলার। শহীদ আফ্রিদি, সুনিল নারিন, আন্দ্রে রাসেল, শেন ওয়াটসনের মতো বেশ কয়েকজন তারকা এই দামে বিক্রি হয়েছিলেন সেবার।

তবে এবার প্রথমেই বিক্রি হওয়া ডি ভিলিয়ার্স ছাড়িয়ে যেতে পারেন তাদের সবাইকে। ‘প্লাটিনাম’ ক্যাটাগরিতে বিক্রি হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই ব্যাটসম্যানকে ১ লাখ ৪০ হাজার থেকে শুরু করে ২ লাখ ডলার পর্যন্ত দাম দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগের ওয়েবসাইট। যেটি বাংলাদেশি টাকায় ১ কোটি ১৭ লাখ থেকে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকার মতো।

আগামী বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে পিএসএলের পরবর্তী আসর। চলবে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। এই টুর্নামেন্ট শেষ করে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ খেলতে যাবেন ডি ভিলিয়ার্স, যেটি শুরু হবে ২৯ মার্চ থেকে।

narail-1-20181120215414.jpg

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে নিশ্চিত মনোনয়ন পাচ্ছেন ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজা। দল থেকে এ নিয়ে ইঙ্গিতও পেয়েছেন মাশরাফি।

মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে ইঙ্গিত দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তার এমন ইঙ্গিতের পরপরই মাশরাফির জন্মভূমি নড়াইলে মিষ্টি বিতরণ ও নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়।

jagonews

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাশরাফি নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হচ্ছেন এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পরপরই জেলার সবখানে আলোচনা শুরু হয়। সেইসঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কে হচ্ছেন এ নিয়েও শুরু হয় আলোচনা। বিকেলে জেলার বিভিন্ন স্থানে খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি মাশরাফির পক্ষে নড়াইলে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন ভক্তসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

মাশরাফির মনোনয়ন নিশ্চিতের খবর পেয়ে বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর বিশ্বাস শহরের রূপগঞ্জে নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাকর্মীদের মিষ্টিমুখ করান। সেইসঙ্গে মাশরাফিকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়ী করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে, শহরের পুরাতন বাস টার্মিনালে বঙ্গবন্ধু মঞ্চে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা মাশরাফির জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চান।

jagonews

পাশাপাশি মাশরাফির পক্ষে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগের আয়োজনে সদর উপজেলার শম্ভুডাঙ্গায় এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খসরুল আলম পলাশ, জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সঞ্জিবা হক রীপা, সদস্য সঞ্চিতা হক রিক্তা, পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম বাবলু, যুবলীগ নেতা নূর আলম শিহাব, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মাহাবুবুর রহমান ও সাব্বির হোসেন প্রমুখ।

jagonews

এ সময় বক্তারা বলেন, নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মর্তুজাকে নৌকা প্রতীকে দলমত নির্বিশেষে ভোট দিয়ে জয়ী করতে হবে। মাশরাফি শুধু নড়াইলের নয়, ১৬ কোটি মানুষের ভালোবাসার মানুষ। তাই তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী করে এ আসনটি শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগকে আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে হবে। উঠান বৈঠকে বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

rafiqul-20181120194359.jpg

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গুলশান কার্যালয় থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান বিএনপি’র চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

এদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, রফিকুল ইসলাম মিয়াকে সন্ধ্যায় ইস্কাটনের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিবি উত্তরের এডিসি শাহজাহান সাজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

এর আগে দুপুরে দুদকের মামলায় তাকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

এ ছাড়াও রফিকুল ইসলাম মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রফিকুল ইসলাম মিয়া ঢাকা-১৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এছাড়া বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যও তিনি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়,২০০১ সালের ৭ এপ্রিল সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সমস্যা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তার যাবতীয় সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার জন্য ৪৫ দিনের সময় দিয়ে একটি নোটিশ দেয় দুদক। ২০০১ সালের ১০ জুন তিনি দুদকের নোটিশটি গ্রহণ করেন।

নোটিশ গ্রহণ করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২০০১ সালের ২৫ জুলাই পর্যন্ত কোনো সম্পদের হিসাব দাখিল করেনি।

হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় ২০০৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দুদকের অফিসার লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শেষ করে ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৪(২) অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিভিন্ন সময় ৬ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দেন।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter