Ashraful Islam, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

biri-mitrA.jpg

১৯৮২ ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা। স্বেচ্ছায় অবসর নেন ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর। এরপর উত্তর আমেরিকাই তার ঠিকানা।

কখনো নিউইয়র্কে কখনো টরন্টোতে থাকেন। পেনশনের টাকা উত্তোলনের আবেদনে নিজেকে অর্থকষ্টে থাকা গরীব অবসর প্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

অথচ তার স্ত্রী রাখি মিত্রের নামে নিউইয়র্কে তিনটি বাড়ী আর টরেন্টোতে দুটি বাড়ী রয়েছে। ২ মিলিয়ন ডলার নগদ পরিশোধ করে নিউইয়র্কের জ্যামাইকা এবং ফরেস্ট হিলে তিনটি বাড়ী কিনেছেন। কানাডার টরন্টোতে ৩ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার দিয়ে বাড়ী কিনেছেন দুটি।

নিউইয়র্কে নাসির আলী খান পলের কাছ থেকে প্রথম বাড়ীটি কেনেন ২০১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। ঐ বাড়ীর মূল্য ৭৬০,০০০ ডলার (বাংলাদেশী টাকায় ৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা) নগদে ক্রয় করেন। বাড়ীর ঠিকানা ৮৭-৩০ ১৬৯ স্ট্রিট কুইন্স।

দ্বিতীয় বাড়ী (৮৫-২৭, ১৬৮ প্লেস, জ্যামাইকা) কেনেন ঐ বছরের ডিসেম্বরে। ঐ বাড়ীর মুল্য ৭৮৫,০০০ ডলার। ঐ অর্থও নগদে পরিশোধ করা হয়। ১১৩-৮১ এভিনিউ কিউ গার্ডেনস ঠিকানার তৃতীয় বাড়ী কেনেন ২০১৮ সালের ১২ জুন। ইয়েলেনা সেডিনার কাছ থেকে ঐ বাড়ী কেনা হয় ৭ লাখ ৭৫ হাজার ডলারে।

২০১৭ এর নভেম্বরে অবসর গ্রহনের মাত্র দুমাসের মধ্যে কানাডার টরন্টোতে কেনেন ১৪ লাখ ডলার (কানাডিয়ান) দিয়ে একটি বাড়ী।

সর্বশেষ গত বছর টরেন্টোতেই ৯ লাখ কানাডিয়ান ডলার দিয়ে কিনেছেন আরো একটা বাড়ী। বিডি মিত্রের জন্মস্থান হবিগঞ্জ।

১৯৮৬ সালের ২৭ অক্টোবর তিনি সরকারী চাকরীতে যোগ দেন। ২০১২ সালে তদ্বির করে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ইকোনমিক মিনিষ্টার পদে নিয়োগ পান।

পরবর্তীতে দেশে এসে তিনি খাদ্য বিভাগে ভারপ্রাপ্ত সচিব হন। চাকরী জীবনে যেখানেই গেছেন সেখানেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে।

কিন্তু এসব অভিযোগের পরও তিনি সচিব পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়েছেন।

সরকারী হিসেব অনুযায়ী তার বিদেশে সম্পদের পরিমান প্রায় ২০০ কোটি টাকা।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৫০০ কোটি টাকারও বেশি তিনি বিদেশে পাচার করেছেন।

বিডি মিত্র অধিকাংশ সময়ে নিউইয়র্ক এবং টরন্টোতে থাকেন। তবে মাঝে মধ্যে দেশে থাকেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির মামলা নেই।

wakaruzzaman-1280x702.jpg

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সোমবার।

তার পূর্বসূরি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান ২৯ নভেম্বর অবসর গ্রহণ করেন।

একই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নবনিযুক্ত পিএসও ওয়াকার-উজ-জামান’কে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধানের পক্ষে কিউএমজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শামসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমান।

এদিন সন্ধ্যায় নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার দায়িত্ব পালনের জন্য রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেশ ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যোগ দেয়ার আগে তিনি সেনা সদর দফতরে সামরিক সচিব (আর্মি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস শেরপুর জেলায়।

monjurul.jpg

২০০৯ সালের জুলাই মাসে দেশে বায়ু দূষণ বন্ধে সরকার (CLEAN AIR AND SUSTAINABLE ENVIROMENT) প্রকল্প চালু করে।

এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো ঢাকাসহ দেশে বাংলাদেশে বায়ু দূষণ সহনীয় মাত্রায় কমিয়ে আনা।

এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হয়েছিলেন ড: মনজুরুল হান্নান খান। ঢাকায় বায়ু দূষণ তিনি বন্ধ করতে পারেননি।

কিন্তু এই বায়ু দূষণ কতটা প্রাণঘাতি তা ঠিকই অনুভব করেছিলেন। আর একারণেই গোটা পরিবারকে বায়ু দূষণ থেকে রক্ষায় পাঠিয়ে দেন কানাডায়।

৮৫ ব্যাচের এই কর্মকর্তা এখন অতিরিক্ত সচিব হিসেবে অবসরের প্রহর গুনছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ে ওএসডি তিনি।

তার এক ছেলে এক মেয়ে কানাডায় পড়াশুনা করে। স্ত্রী কানাডায় ইমিগ্রান্ট। তিনিও সময় সুযোগ পেলে অবসর কাটাতে কানাডায় যান।

সরকারও তাকে ‘আনন্দ চিত্তে বিনোদনের জন্য ছুটি দেয়। সর্বশেষ ছুটি পেয়েছিলেন গত বছরের মার্চে।

সরকার তার ছুটি মনজুরুল সংক্রান্ত অনুমোদন আদেশে লিখেছে ‘বিশ্রামও বিনোদনের জন্য ১৫ দিন কানাডা থাকবেন।’

বাংলাদেশে কি অসাধারণ উন্নতিই না হয়েছে, একজন আমলা বিশ্রাম নিতে কানাডায় যান!

যদিও ড: মনজুরুল দাবী করেছেন, কানাডায় তার বাড়ী নেই। কিন্তু সরকারের সংগৃহীত তথ্যে দেখা যায় সেখানে তার স্ত্রীর নামে একটি এপার্টমেন্ট আছে। এছাড়াও বেনামে আরো দুটি এপার্টমেন্ট রয়েছে বলে সরকারী তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা হলেও তিনি সচিব হতে পারেননি। আর এর পেছনে কারণ হলো দুর্নীতি। কেস প্রকল্পের পরিচালক থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।

কিন্তু আমলাদের হাতে অদ্ভুত জাদুর কাঠি আছে। যে কাঠির স্পর্শে সব দুর্নীতির কালো দাগ মুছে যায়।

কেস প্রকল্প ছাড়াও ড: মনজুর পরিবেশ মন্ত্রনালয়ে চাকরী করেন, সেখানেও তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ উঠেছিল। তবে কোন অভিযোগই শেষ পর্যন্ত তদন্ত হয়নি।

ড: মনজুর স্বীকার করেন যে তার ছেলে এবং মেয়ে কানাডায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করছে।

স্ত্রী কানাডার ইমিগ্যান্ট হলেও, মনজুরের ভাষায় ‘তিনি যাওয়া আসার মধ্যে থাকেন’।

সত্যিই তো বাংলাদেশে উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা। না হলে, একজন অতিরিক্ত সচিবের স্ত্রী চাইলেই উড়ে যেতে পারেন কানাডায় কিভাবে।

সূত্রঃ দেশেবিদেশে

1e.jpg

ক্ষমতা ও দূর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ তৈরি ও বিদেশে রপ্তানিতে বাংলাদেশের আমলারা সিদ্ধহস্ত। আমলাদের সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ এস এম আব্দুল হালিম কানাডায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির উপর মহলের সাথে ভালো সম্পর্কের পুরষ্কার পান তিনি।

নিয়োগ পান মন্ত্রী পরিষদ সচিব হিসাবে। তিনি ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসের ২৭ তারিখ নিয়োগ পান এবং ২০০৬ সালের আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত তিনি মন্ত্রী পরিষদের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন।

তাকে এই পদে নিয়োগ দিতে তৎকালীন বিএনপি সরকার মন্ত্রী পরিষদ সচিব নিয়োগে জ্যেষ্ঠতার নীতিমালা ভঙ্গ করে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএনপির আমলের দূর্নীতির যে উৎসব শুরু হয়েছিল, সেই দূর্নীতির টাকার একটি অংশ পেতেন এই মন্ত্রী পরিষদ সচিব।

দূর্নীতির টাকা কানাডায় পাচার করে তৈরি করেছেন বিপুল সম্পদ।

কানাডায় তার সম্পদের মধ্যে আছে বিলাসবহুল দুটো বাড়ি, একটি জ্বালানি পাম্প, একটি হোসিয়ারি ও একটি স্টেশনারি শপ।

তবে নিজেকে এসব থেকে ছোঁয়ার বাইরে রাখতে কোন সম্পদই নিজের নামে করেননি তিনি। সবই বানিয়েছেন আত্মীয় স্বজনদের নামে। আত্মীয় স্বজনরাই এসব দেখা শোনা করেন।

দায়িত্ব থেকে অবসরের পর বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হোন তিনি। তার স্ত্রী একজন আইনজীবী। আব্দুল হালিম থাকেন ইস্কাটনের একটি বাসায়।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করেন আব্দুল হালিম।

সূত্রঃ দেশেবিদেশে

বিশ্ব এইডস দিবস আজ মঙ্গলবার। প্রতিবারের মতো এবারো স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ দিবসটি পালন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে- ‘সারা বিশ্বের ঐক্য, এইডস প্রতিরোধে সবাই নিব দায়িত্ব’।

১৯৮৮ সাল থেকে এইডসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বে এ দিবসটি পালন করা হয়।

বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

জাতিসংঘের এসটিডি/এইডস বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউএন এইডসের গবেষনায় দেখা গেছে, বিশ্বে প্রতিদিন সাড়ে ৫ হাজার মানুষ নতুন করে এইডসে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে ৫শ’ জনেরই বয়স ১৫ বছরের নিচে।

আক্রান্ত ৩২ শতাংশের বয়স ১৫ থেকে ২৪ বছরের নিচে, যার ২০ ভাগই নারী। আক্রান্তদের ৬১ ভাগ সাব-সাহারা আফ্রিকান অঞ্চলে বসবাসকারী।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের মোট এইডস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩৭ দশমিক ৯ মিলিয়ন। এরমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক লোক ৩৬ দশমিক ২ মিলিয়ন। মোট আক্রান্তের ১৮ দশমিক ৮ মিলিয়ন নারী এবং ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন শিশু।

শুধু ২০১৮ সালে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ দশমিক ৭ মিলিয়ন, যার মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১ দশমিক ৬ মিলিয়ন। এ সময়ে এইডস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৯০ হাজার মানুষের। যার মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ৬ লাখ ৭০ হাজার এবং শিশু ১ লাখ।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। এসব রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়ে চিকিৎসার আওতায় এসেছে মাত্র ৬ হাজার ৬০৬ জন।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে সেমিনার ও প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।

taka23.jpg

বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত নিয়ে আসার ব্যাপারে তৎপর হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। আপাতত চিহ্নিত করতে চাইছে এই পাচারের সঙ্গে জড়িতদের। দেশে দেশে তথ্য সংগ্রহের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। পরবর্তীতে অর্থ ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সহযোগিতায় কাজ করতে চায় দুদক।

প্রাথমিকভাবে গত ১২ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অন্তত ২৫ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে সংস্থাটি। যা পাঠানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে।

জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর ‘বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব থাকা বাংলাদেশিদের তালিকা প্রসঙ্গে’ শিরোনামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন দুদকের মানি লন্ডারিং বিভাগের মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ।

পাঠানো চিঠিতে বিনিয়োগকারী হিসেবে যেসব বাংলাদেশি নাগরিক পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের সম্পর্কে তথ্য বা তালিকা দূতাবাসের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো উপায়ে সংগ্রহের কথা বলা হয়।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশ এদেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। বহুল আলোচিত পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারস ইত্যাদি কেলেঙ্কারিতে বিভিন্ন বাংলাদেশি নাগরিকের নামও উঠে এসেছে।

এ ধারা রোধ করা সম্ভব না হলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা ভবিষ্যতে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণের প্রবণতা রোধ করা প্রয়োজন।

এ জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাচারকৃত সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই। এটি একদিকে অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে দেশীয় সম্পদ ফেরত আনার পাশাপাশি অন্যদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে, যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করবে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় অংশগ্রহণ ব্যতীত এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশে পাচারকৃত সম্পদ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশিদের তথ্য কূটনৈতিক চ্যানেলে সংগ্রহ করে দুদকে সরবরাহ করলে কমিশন দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগী হতে পারবে।

চিঠিতে বলা হয়, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মিস-ইনভয়েসিং, হুন্ডি, বাল্ক ক্যাশ ট্রান্সফার ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়। এতে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার জন্য যে পরিমাণ দেশীয় বিনিয়োগ করা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে হলে অর্থ পাচার রোধ করা একান্ত প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিভিন্ন দেশের আইন অনুসারে সরকারিভাবে এসব তথ্য দেওয়ার সুযাগ অত্যন্ত ক্ষীণ। বেশির ভাগ দেশেই এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখার বিষয়টি আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তারপরও দুদকের চিঠির সূত্র ধরে কানাডা ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে কাজে লাগানো হয়েছে। এরই সূত্র ধরে অনানুষ্ঠানিক বিভিন্ন তথ্য আসতে শুরু করেছে। কানাডা প্রবাসীদের মাধ্যমে কিছু বাংলাদেশির যে তথ্য আসে তা-ই সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

২৮ বাংলাদেশির বিষয়ে পাওয়া তথ্যে সরকারি কর্মকর্তারাই বেশি বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানালে হাই কোর্টও এ তথ্য জানতে চায়। কিন্তু ভেরিফায়েড তথ্য না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য প্রকাশ করতে রাজি নয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজ আরও চলবে। প্রয়োজনে অনানুষ্ঠানিকভাবে অন্যান্য দেশের তথ্যগুলোও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পাশাপাশি অর্থ পাচার রোধে সরকারের একাধিক সংস্থা কাজ করছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর সঙ্গে কাজ করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও। বাংলাদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার নজিরও রয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত এসেছে। ২০১২ ও ২০১৩ সালে তিন দফায় সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংকে থাকা ২১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ফেরত আনা হয়েছে। তবে প্রক্রিয়া খুবই জটিল ও সময়সাপেক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) মার্চে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশ থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা পাচার বেড়েছে। ২০১৫ সালে ৯৮ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে চারটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব।

জিএফআইর তথ্য মতে, গত সাত বছরে বাংলাদেশ থেকে ৫ হাজার ২৭০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে। স্থানীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা। এ ছাড়াও সুইস ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিএজে প্রকাশিত পানামা ও প্যারাডাইস পেপারসেও টাকা পাচারের তথ্য এসেছে।

এর মধ্যে মালয়েশিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দেশটির সেকেন্ড হোমে বাংলাদেশিরা সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। কানাডায় বাংলাদেশিরা বেগমপাড়া গড়ে তুলেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা ট্যাক্স জাস্টিস নেটওয়ার্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দিচ্ছে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি ও ব্যক্তি। যা মোট কর রাজস্বের সাড়ে ৩ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়ের ৬২ শতাংশের সমান। এ টাকা কম করের বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে।

china-build-dam.jpg

তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদে- স্থানীয় নাম ইয়ারলাং জ্যাংবো- বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্যোগ নিয়েছে চীন।

এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ এই নদে বাঁধ নির্মাণ করা হলে উত্তর-পূর্ব ভারতে পানির সংকট হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, দেশটির ১৪তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী বছর থেকে এর কাজ শুরু হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের অরুণাচল সীমান্তের কাছে তিব্বতের মেডগ কাউন্টিতে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর এই বাঁধ নির্মাণ করা হবে।

জানা যায়, তিব্বতে উৎপত্তির পর সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অরুণাচল হয়ে আসামে প্রবেশ করেছে ইয়ারল্যাং জ্যাংবো।

এর পর ব্রহ্মপুত্র নামে আবারো সীমান্ত অতিক্রম করে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ইয়ান ঝিইয়ং গতকাল রোববার জানান, ইতিহাসে এটি হবে একটি নজিরবিহীন প্রকল্প।

যার সমকক্ষ কোনো প্রকল্প নেই। চীনের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা।

তিনি বলেন, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের চেয়েও এটি বেশি কিছু। এটি তৈরির উদ্দেশ্য হলো- পরিবেশ, জাতীয় নিরাপত্তা, জ্বালানি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

ইয়ান জানান, বছরে ৬ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে প্রস্তাবিত এই বাঁধ প্রকল্প থেকে।

যা থেকে বছরে ৩০০ বিলিয়ন কিলোওয়াট কার্বনমুক্ত ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

আর এর মাধ্যমে চীনের বাৎসরিক ৩০০ কোটি ডলার আয় হবে।

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, ব্রহ্মপুত্রে চীনের বাঁধ নির্মিত হলে পানি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশে উদ্বেগ বাড়বে। এটি নির্মিত হলে পানির অভাব দেখা দিতে পারে উত্তর-পূর্ব ভারতে।

orphan-close.jpg

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ১২টি এতিমখানার ৩১৭ জন এতিমের নামে ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল সরকার।

কিন্তু সে সব টাকা গায়েবের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের জুন মাসে এগুলো বরাদ্দ দেয়া হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর কার্যালয়ও কোনো তথ্য দিতে পারেনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, মহামারি করোনাভাইরাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এবং বিশেষ উন্নয়ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে এসব টাকা গায়েব করে দিয়েছে এতিমখানা ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

তবে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, করোনার কারণে এতিমখানা বন্ধ ছিল। তাই টাকাগুলো উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে। যদিও উন্নয়ন খাতে অর্থ ব্যয়ের কোনো প্রমাণ তারা দিতে পারেনি।

প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা টাকা বরাদ্দের কথা কিছুই জানে না। উল্টো প্রতিষ্ঠানকে মাঝে-মধ্যে টাকা দিতে হয়।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইসলামিয়া এতিমখানা, ভাঙ্গা পশ্চিমপাড়া একমাতুস সুন্নাহ এতিমখানা, বাংলাদেশ ইসলামি মিশন শিশুসদন এতিমখানা, রহমানিয়া এতিমখানা, মফিজউদ্দিন ইসলামিয়া এতিমখানা, বালিয়াহাটি হায়েজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, ডাঙ্গারপাড় স্বতন্ত্র ইসলামিয়া এতিমখানা, মুনসুরাবাদ ইসলামিয়া শিশুসদন এতিমখানা, সোনাময়ী লোকমানিয়া তারিমুস সুন্নাহ এতিমখানা, দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানা, পল্লীবেড়া একামাতেদিন এতিমখানা ও ফয়জুল উলুম এতিমখানা।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ইসলামি মিশন শিশুসদন এতিমখানা গত মার্চ মাস থেকেই বন্ধ। এমনকি এ নামে কোনো সাইনবোর্ড বা আবাসস্থলও নেই। অথচ প্রতিষ্ঠানটি ৪২ জন এতিমের নামে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। সোনাময়ী লোকমানীয় তারিমুস সুন্নাহ এতিমখানায় মাত্র একটি কক্ষ। অথচ তারা ১৬ জন এতিম দেখিয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে।

মফিজউদ্দিন ইসলামিয়া এতিমখানায় কোনো এতিম শিক্ষার্থী নেই। যারা আছে তারা টাকা দিয়ে পড়াশোনা করছে।

অথচ প্রতিষ্ঠানটি ৪৮ জন এতিমের নামে ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে।

মুনসুরাবাদ ইসলামি এতিমখানার কোনো আবাসস্থল বা সাইনবোর্ড নেই। যা আছে শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোতেও একই চিত্র।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, এতিমদের নামে বরাদ্দকৃত টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের। এগুলো কোনোভাবেই উন্নয়ন কাজে ব্যয় করার সুযোগ নেই।

এতিমদের নাম শোনার পর বরাদ্দ দেওয়া হয় জানিয়ে তিনি বলেন, তবুও কিছু প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করছে।

আগামীতে যাচাই-বাছাই করে অনুদান দেয়া হবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

chilahati-haldibari-rail-route.jpg

চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশের চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি রুটে রেল যোগাযোগ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো মজবুত হবে বলেও জানান তিনি।

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন করে তেঁতুলিয়া বেরং কমপ্লেক্সে বন্দর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সোমবার বিকেলে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হাইকমিশনারের কাছে এ সময় ব্যবসায়ী ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে তা সমাধানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

মোহাম্মদ ইমরান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। এই সম্পর্ক আমরা আরো এগিয়ে নিতে চাই চিলাহাটি ও হলদিবাড়ি রুটে রেল যোগাযোগ শুরুর মাধ্যমে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যকার এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে যাতায়াত ও ব্যবসা বাণিজ্য চলমান রয়েছে।

সুতরাং সেখানে কী কী সমস্যা ও সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা দেখার জন্যই আমি এখানে এসেছি।

কারণ সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা জানা থাকলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান, ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আনিসুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ি হয়ে এক সময় রেল যোগাযোগ ছিল।

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় সেটি বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারত সরকার তা পুনরায় নির্মাণ করে চালুর উদ্যোগ নেয়।

rAjkumari.jpg

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া প্রেমিকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি হয়েছেন জাপানের যুবরাজ ফুমিহিতো। দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা এই বিয়ের অনুমোদন দিয়েছেন তিনি।

সোমবার স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।

বাগদানের পর ২০১৮ সালে রাজকুমারী মাকো প্রেমিক কেই কোমুরোকে বিয়ে করছেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

এরপর মোমুরোর মায়ের এক আর্থিক জটিলতায় সেই বিয়ে আটকে যায়।

রাজপরিবাোরের বাইরে কাউকে বিয়ের মধ্য দিয়ে রাজশিরোপা হারাবেন মাকো। অর্থাৎ তিনি আর রাজকুমারীর মর্যাদা পাবেন না।

জাপানের রাজপরিবার আইন ১৯৪৭ অনুসারে, রাজকন্যারা সাধারণ ব্যক্তিকে বিয়ে করলে রাজপরিবার ছাড়তে হয়।

বর্তমান রাজকন্যাকে বিয়ে করার মতো রাজপরিবারে কোনো পুরুষ সদস্যও নেই।

তবে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে নারীদের মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে জাপানে ইতিবাচক জনমত রয়েছে।

জাপানের বর্তমান সম্রাট নারুহিতোর ছোটভাই যুবরাজ ফুমিহিতো মেয়ের বিয়েতে অনাপত্তি জানিয়ে বলেন, অনেক মানুষকে বোঝানো এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা উদযাপন করতে সেই সংকটটি (আর্থিক) মোকাবিলা জরুরি।

অবশ্য নিজের পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থনেতিক জটিলতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিউ ইয়র্কের ফরদাম ইউনিভার্সিটির ল’ স্কুলে অধ্যায়নরত কোমুরো।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, রাজপরিবারের নিয়ম অনুসারে, বিয়ের পর মাকো হারাবেন তার রাজকীয় উপাধি।

তাকে রাজপরিবার ছেড়ে চলে যেতে হবে। রাজপরিবার ছেড়ে মাকোকে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে হবে দূরে কোনো স্থানে।

রাজকন্যা এককালীন কিছু অর্থ পাবেন। সাধারণ নাগরিকদের মতো তাকে ভোট দিতে। এই দম্পতির সন্তানেরাও রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবে না।

অবশ্য এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০০৫ সালে সম্রাট আকিহিতোর মেয়ে সায়াকো সাধারণ একজনকে বিয়ে করে রাজপরিবার ছেড়ে চলে যান। এককালীন ১৩ লাখ ডলার পেয়েছিলেন তিনি।