Ashraful Islam, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live - Page 2 of 2836

9995.jpg

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা, ২০২০’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। নীতিমালা অনুযায়ী, জরুরি সেবার হটলাইন নম্বর ৯৯৯- এ ফোন করে মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে নীতিমালাটি অনুমোদন দেয়া হয়।

গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় সম্পদ, জননিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, অপরাধ দমন, জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

জনজীবনের সফলতা ও সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনান্তে ইমার্জেন্সি সার্ভিস পলিসি ৯৯৯ তথা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা (৯৯৯ এর মাধ্যমে জরুরি সেবা দেয়া) এখন আরও অর্গানাইজড ওয়েতে (সুসংগঠিতভাবে) হবে।

এনটিএমসি, বিটিআরসি- সবার সঙ্গে ইন্সট্যান্ট একটা কমিউনিকেশন সিস্টেম থাকবে।’

‘এর (নীতিমালা করার) উদ্দেশ্য হচ্ছে- নিরাপদ জীবন ও শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংকটাপন্ন মানুষকে যাতে সহায়তা করা যায়, দুর্ঘটনা ও অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়।

অপরাধের শিকার কোনো ব্যক্তি বা সম্পদ উদ্ধার করা যেন সহজ হয়। দুর্ঘটনায় নিপতিত মানুষকে উদ্ধার করে যাতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা এবং জান-মালের উদ্ধারসহ দ্রুততম সময়ে দুর্গতদের যাতে হাসপাতালে প্রেরণ ও সেবা প্রদান করা যায়।’

নীতিমালা অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরাপত্তা বিভাগে একটি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নামে একটি ইউনিট গঠিত হবে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কমপক্ষে ডিআইজি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হবেন।’

তিনি বলেন, ‘নীতিমালায় বলা হয়েছে, মিথ্যা, বানোয়াট, গুজব ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য যদি দেয় তবে সেটাও দেখা হবে।

দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে অভিহিত হবে। বাচ্চা ছেলে বা কেউ যদি না বুঝে করে দ্যাট উইল বি কনসিডার।

তবে যদি চিট করতে চায়, ইচ্ছা করে যদি কেউ কিছু করতে চায় দ্যাট উইল বি পানিশ্যাবল।

সেজন্য রেসপেক্টিভ আইন প্রযোজ্য হবে। মিথ্যা তথ্য দেয়ার শাস্তি পেনাল কোডে আছে।’

‘কে কোথা থেকে ফোন করতেছে, সেটা টোটালি ডিটেক্টের ব্যবস্থা থাকবে। সুতরাং কেউ সহজে ফলস রিং করতে যাবে না।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আরেকটি জিনিস হবে, আরও যে নম্বরগুলো আছে যেমন ৩৩৩, ১০৯- এগুলো সব ইন্টারঅপারেটিভিটি (আন্তঃসংযোগ) হয়ে যাবে। যেকোনোটায় ফোন করে যদি কেউ বলে এখানে ডাকাত পড়েছে, ওখানে অটোম্যাটিক্যালি কানেক্টেড হয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আজকে নির্দেশনা দিয়েছেন, এটা খুবই ইফেকটিভ করে দিতে হবে।

মেইনলি তথ্য প্রযু্ক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের গাইডলাইনে এটা (জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ কার্যক্রম) হয়েছে।’

mordena.jpg

নিজেদের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ৯৪ শতাংশ কার্যকর এবং এর মারাত্মক কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলে ট্রায়ালের চূড়ান্ত ফলাফলের বরাতে জানিয়েছে মার্কিন কোম্পানি মডার্না।

ভ্যাকসিনটি নিয়ে শেষ ধাপের ট্রায়ালের (পরীক্ষা) চূড়ান্ত ফলাফল আসার পর মডার্না জানিয়েছে, জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেতে সোমবারই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদন করবে তারা।

মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিনের চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে প্রকাশিত এক সংবাদ প্রতিবেদনে গার্ডিয়ান লিখেছে, এবার কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবহারের জন্য বিশ্বজুড়ে অনুমোদন পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।

জরুরি অনুমোদন পেতে সোমবারই ইউরোপ ও আমেরিকায় আবেদনের ঘোষণা দিয়ে মডার্না বলছে, আগামী ১৭ ডিসেম্বরের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন মিলবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

যুক্তরাজ্য মডার্নার ভ্যাকসিনের ৭০ লাখ ডোজ কেনার জন্য চুক্তি করেছে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ কোম্পানিটি যখন প্রাথমিক ফলে ৯৪.৫% কার্যকরের কথা জানায় তখন। বাকিটার জন্য চুক্তি করেছে গত সপ্তাহেই।

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কোম্পানি মডার্নার ভ্যাকসিন ক্রয়ে চুক্তি করলেও সবার আগে এই ভ্যাকসিন পাবে যুক্তরাষ্ট্র।

এই বছরই যুক্তরাষ্ট্রে দুই কোটি ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে কোম্পানিটি।

মার্কিন ফাইজার ও জার্মান বায়োএনটেকের মতো মডার্নার ভ্যাকসিনও পরীক্ষামূলক আরএনএ প্রযুক্তিতে তৈরি।

ফাইজার-বায়োএনটেকের যৌথভাবে তৈরি ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ কার্যকর বলে এর আগেই জানানো হয়েছে।

mukti90.jpg

মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সাক্ষর এবারের বিজয়ের মাস করোনা আবাহর মধ্যেও নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পালিত হবে।

বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ট্রতম ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরন হয় এ মাসে।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়।

স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূ-খন্ড। আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা।

ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ দিনে।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হবার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এই অর্জন হওয়ায় বেদনাবিঁধূর এক শোকগাঁথার মাসও এই ডিসেম্বর।

এ মাসেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল শামসদের সহযোগিতায় দেশের মেধা, শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেয়ার এধরনের ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের দ্বিতীয় কোন নজীর বিশ্বে নেই।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর জল,স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর চারদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে।

এ বছরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

যেখান থেকে ৭ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,’ বলে স্বাধীনতার ডাক দেন, সেখানেই পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর জাতি অর্জন করে হাজার বছরের স্বপ্নের স্বাধীনতা।

’৭১ এর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী জল্লাদ বাহিনী নিরস্ত্র জনগণের উপর অতর্কিতে সশস্ত্র আক্রমণ চালিয়ে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করে নির¯্র বাঙালির ওপর এক অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

২৫ মার্চ রাতেই রাজারবাগ পুলিশ লাইনে সশস্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র জনযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাহজাহান খান এমপির নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্যজোট, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রাম পরিষদসহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন আগামীকাল সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে শিখা চিরন্তন চত্ত্বরে সমাবেশ, শ্রদ্ধা নিবেদন ও শপথ গ্রহণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এদিনই সকাল ১০ টায় সেগুনবাগিচাস্থ স্বাধীনতা ভবনে সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ বরাবরের মতই মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করবে।

এ উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটি মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।

এছাড়াও জাসদ ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটি সকাল ৮ টায় মিরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবরস্থানের বাইরের চত্বরে আলোচনা সভার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

iphone2.jpg

মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলকে সোমবার ১ কোটি ইউরো ( প্রায় ১০১ কোটি ৩৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা) জরিমানা করেছে ইতালি।

কোম্পানিটির স্মার্টফোনের পানি প্রতিরোধী বিষয়ে বিজ্ঞাপন এবং প্রমোশন নিয়ে ‘বিভ্রান্তিকর’ তথ্য দেয়ায় এই জরিমানা করা হয়। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

ইতালিয়ান কম্পিটিশন অথরিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ১ মিটার থেকে ৪ মিটার পর্যন্ত পানিতে ৩০ মিনিট পর্যন্ত পানি প্রতিরোধী যে ফিচার অ্যাপলের রয়েছে তা ল্যাবে স্থির ও বিশুদ্ধ পানির ক্ষেত্রে বৈধ হলেও স্বাভাবিক অবস্থার ক্ষেত্রে তা কার্যকর নয়। কিন্তু প্রমোশনে এটা স্পষ্ট করা হয়নি।

এছাড়া বিক্রির সময় অ্যাপলের দেয়া ওয়ারেন্টি তাদের পণ্য পানিতে পড়ে গেলে ক্ষতিপূরণের জন্য যথেষ্ট নয়।

অথরিটি বলছে, যদিও বিজ্ঞাপনে এসব পণ্যের ফিচারে ‘ওয়াটারপ্রুফ’ লেখা থাকে, কিন্তু সেক্ষেত্রে কি ধরনের ওয়ারেন্টি দেয়া হচ্ছে তা স্পষ্ট নয়।

অ্যাপলের কোন কোন মডেলের পণ্যের প্রমোশনে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়া হয়েছে সেগুলোও উল্লেখ করেছে ইতালিয়ান কম্পিটিশন অথরিটি।

এই মডেলগুলো হলো- আইফোন ৮, আইফোন ৮ প্লাস, আইফোন ১০আর, আইফোন ১০এস, আইফোন ১০এস ম্যাক্স, আইফোন ১১, আইফোন ১১ প্রো এবং আইফোন ১১ প্রো ম্যাক্স।

pmk69.jpg

মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মুসলিম দেশ ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিলেও ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্বের প্রতি আবারও সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

রোববার ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সংহতি বিষয়ক জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক দিবসে একটি বার্তা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত বার্তায় ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা হয়। খবর বিবিসি বাংলার।

দীর্ঘদিন ধরে চলমান ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সংকট নিরসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে আলাদা দুটি দেশ।

স্বাধীনতার পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের অধিকার ও দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্বের প্রতি সংহতি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। কিন্তু সম্প্রতি প্রেক্ষাপট অনেকটাই বদলে গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি মুসলিম দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।

এমনকি সম্প্রতি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এক গোপন সৌদি আরব সফর এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকও অনেক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কেউ কেউ মনে করেন, ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের একটি প্রক্রিয়া চলছে, যার মধ্যস্ততা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ গতকাল এই দিবসটিতে আলাদা বার্তা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী তাতে বলেছেন, পূর্ব জেরুজালেম-আল কুদস আল শারিফকে রাজধানী রেখে দ্বি-রাষ্ট্র তত্ত্বের আঙ্গিকে ১৯৬৭ সালের সীমানাভিত্তিক একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে আমরা আমাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছি।

শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ নিজে যেহেতু স্বাধীনতার জন্য অনেক সংগ্রাম করেছে তাই স্বাধিকারের প্রশ্নে বিশ্বের যেকোনো জাতির সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ভয়াবহ গণহত্যার কষ্টের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার যে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের রয়েছে, তা থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে দশকের পর দশক ধরে ফিলিস্তিনি জনগণ যেভাবে অন্যায় ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সোচ্চার।

প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেছেন, একই ধরনের চেতনা দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ মিয়ানমারে সহিংসতার হাত থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে।

তিনি রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে স্থায়ী সমাধানের আহবান জানিয়েছেন। ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের প্রশ্নে তিনি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেছেন।

ইসরায়েলি সেনাদের তিনি ‘দখলদার’ বলে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে ফিলিস্তিনিদের ঘর-বাড়ি ধ্বংস বন্ধ এবং অধ্যুষিত এলাকায় ইসরায়েলিদের বসতি স্থাপন বন্ধ করার আহবান জানান।

স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের জনগণের প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছে।

এমনকি এ কারণে ইসরায়েল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর স্বীকৃতি দিতে চাইলেও তা গ্রহণ করেনি বাংলাদেশ।

কিন্তু বিশ্বের বেশকয়েকটি আরব দেশ সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকছে।

আগস্ট মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

এরপর বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক করার ঘোষণা দিয়েছে। এমনকি সৌদি আরবও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে এগুচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

hightw.jpg

লম্বা হতে কে না চায়? অনেকে মনে করেন যে লম্বা হওয়ার প্রক্রিয়াটি বংশগত। কিন্তু না, এর পুরোটা সত্য নয়।

সঠিক জীবনযাপনে উচ্চতা কিছুটা হলেও বাড়ানো যায়। এখানে শরীরের উচ্চতা বাড়ানোর নয়টি উপায় উল্লেখ করা হলো।

পর্যাপ্ত পুষ্টি:

ভালো ভারসাম্যপূর্ণ ডায়েটে শরীরের বিকাশসাধনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির উপস্থিতি থাকবে, বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি হাড়-মাংসপেশি গঠনের জন্য দরকারি। স্বাস্থ্যকর ডায়েটে শাকসবজি, ফল, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেটের সমাহার থাকবে। ডাইনিং টেবিলে বাদাম, দুধ, চর্বিহীন মাংস ও শাকসবজি থাকা চাই। প্রতিদিন তিন বেলার খাবারের মাঝে পুষ্টিকর স্ন্যাকস খেতে হবে।

রোদে হাঁটা:

সরাসরি রোদে থাকলে শরীর প্রচুর ভিটামিন ডি পাবে। হাড়ের বিকাশসাধনের জন্য শরীরের ভিটামিন ডি প্রয়োজন হয়। কিন্তু বেশিক্ষণ রোদে থাকবেন না। ফর্সা ত্বকের লোকেরা ১৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকতে পারেন। কিন্তু কালো ত্বকের লোকদের ভিটামিন ডি পেতে প্রায় এক ঘন্টা রোদে থাকতে হয়। এর চেয়ে বেশি সময় রোদে কাটালে স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি রয়েছে।

শরীরচর্চা:

খেলাধুলা বা পুরো শরীরের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী শরীরচর্চা (সিস্টেমিক এক্সারসাইজ) উচ্চতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু তাই বলে কিছুদিনের মধ্যেই লম্বা মানুষ হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখবেন না। শরীরচর্চা এমনভাবে উচ্চতা বাড়াবে যে টেরও পাবেন না। স্ট্রেচ করলেও কিছু উপকারী প্রতিক্রিয়া পাবেন। যেসব শরীরচর্চায় শরীর সম্প্রসারিত ও দীর্ঘায়িত হয় তা উচ্চতা বৃদ্ধিতে সত্যিই কার্যকর। কিছু স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ দিয়ে দিন শেষ করুন, যেমন- হিপ ব্রিজেস ও লেগ স্ট্রেচেস।

স্বাস্থ্যকর দেহভঙ্গি:

অনেকে কুঁজো হয়ে বসে থাকেন, কিন্তু এভাবে বসে থাকলে মেরুদণ্ড বেঁকে যায় ও সময়ের আবর্তনে কিছু উচ্চতা কমে যায়। কিন্তু সোজা হয়ে সঠিকভাবে বসলে দৈহিক উচ্চতা বাড়বে। চলাফেরার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। স্বাভাবিক দেহভঙ্গিমায় দিনযাপন করতে হবে।

নিজের ওপর বিশ্বাস:

আত্মবিশ্বাসে উচ্চতা বাড়ানোর বিষয়গুলো মেনে চলা সহজ হয়। বিষণ্নতা বা দুশ্চিন্তা নয়, হাসিখুশি থাকুন ও আত্মবিশ্বাসী হোন। আত্মবিশ্বাসে শরীর ও মন উভয়ের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। যদি নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারেন যে লম্বা হতে পারবেন, তাহলে উচ্চতা কিছু না কিছু বাড়বে।

পর্যাপ্ত ঘুম:

শরীর সবসময় কাজের মধ্যে থাকে, এমনকি ঘুমের সময়ও। শিশুদের শরীর গঠনের বেশিরভাগ কাজ চলে ঘুমন্ত অবস্থায়। উচ্চতা বাড়াতে চাইলে প্রতিরাতে আট ঘণ্টা নির্বিঘ্ন ঘুমাতে হবে। ঘুমানোর ভঙ্গিও উচ্চতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সর্বোচ্চ ফল পেতে বালিশ ছাড়াই চিৎ হয়ে শুয়ে থাকুন।

সু লিফটসের ব্যবহার:

সু লিফটস কেবলমাত্র অভিনেতা-অভিনেত্রীদের জন্য নয়। নিজেকে লম্বা দেখাতে আপনিও সু লিফটস পরতে পারেন। এটা স্থায়ী সমাধান না হলেও অন্তত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিজেকে লম্বা দেখাতে ব্যবহার করতে পারেন।

সঠিক পোশাক:

সঠিক পোশাক পরলে আপনাকে লম্বা দেখাতে পারে। ঢিলেঢালা পোশাক পরলে উচ্চতা যা আছে তার চেয়ে কম মনে হতে পারে। আপনাকে লম্বা দেখাতে ফিটফাট ও সঠিক মাপের পোশাক পরুন।

* অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ত্যাগ:

জীবনযাপন থেকে অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো বাদ দিলে শরীর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বাড়তে থাকবে। এর ফলে উচ্চতাও বাড়বে।

badhacopy.png

নিয়মিত হাত ধোয়া থেকে শুরু করে ফেস মাস্ক পরা- এ ধরনের অনেকগুলো বিষয় মেনে আপনি চলতে পারেন করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে।

আর এবার নতুন একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, বাঁধাকপি খাওয়ার অভ্যাসও এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে উপকারী হতে পারে।

ফ্রান্সের মন্টপিলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁধাকপি, শসা এবং কিমচি (কোরিয়ান খাবার) করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে মানুষকে সহায়তা করতে পারে।

গবেষণার নেতৃত্বদানকারী ড. জিন বাউসকুয়েট বলেন, ‘ভাইরাসের বিস্তার ও তীব্রতা এবং অঞ্চলভেদে ডায়েটের পার্থক্যের দিকে এখন পর্যন্ত খুব একটা নজর দেওয়া হয়নি।

অথচ ডায়েটে পরিবর্তন খুব উপকারী হতে পারে। কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুষ্টিকর খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।’

তাঁর মতে, ‘অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ডায়েটে পরিবর্তন নিয়ে আসার বিষয়টি এই মহামারি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারবে।’

গবেষণায় গবেষকরা বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃত্যুহার এবং রোগীদের খাদ্যাভাস পর্যালোচনা করেছিলেন।

তাদের বিশ্লেষণে প্রমাণিত হয়েছে যে, যেসব দেশে বাঁধাকপি জনপ্রিয় যেমন বুলগেরিয়া, গ্রীস এবং রোমানিয়ায় করোনায় মৃত্যুহার সর্বনিম্ন ছিল।

বায়োমেড সেন্ট্রালে জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় গবেষকরা তাদের ব্যাখ্যা বলেছেন, যদিও ইউরোপীয় দেশগুলোতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং মৃত্যুর রিপোর্টিংয়ের তুলনা করা কঠিন তবে বুলগেরিয়া, গ্রীস এবং রোমানিয়ায় মৃত্যুর হার খুব কম দেখা গেছে।

আর এর সঙ্গে ডায়েটের যোগসূত্র থাকতে পারে। রোমানিয়ায় বাঁধাকপি এবং বুলগেরিয়া ও গ্রিসে ফার্মেন্টেড দুধ প্রচলিত খাবার।

এই ধরনের খাবার এসিই-২ এনজাইমের মাত্রা কমায়। যার কারণে কোভিড-১৯ রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

এছাড়া তুরস্কের মানুষজন বাঁধাকপি, ফার্মেন্টেড দুধ বা দইয়ের মতো খাবার বেশি খায় বলে তাদেরও মৃত্যুহার কম দেখা গেছে।

নতুন এই গবেষণার ফল করোনাভাইরাসের ঝুঁকি হ্রাস এবং ডায়েটের মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্র সম্পর্কে আশা জাগিয়েছে।

তবে গবেষকরা বলছেন, এ বিষয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

malai-tea2.jpg

সকালে ঘুম থেকে উঠে এনার্জি পেতে চা-কফি পান করি। চা-কফি বেশি পান করা উচিত নয়। খেতে হবে সীমিত পরিমাণে ও সময় বুঝে।

আমরা অনেকেই জানি না যে, কখন কফি পান করা যাবে না।

কফি পান করলে উদ্বেগ বা চিন্তা কমে, ক্লান্তি দূর হয় এবং ত্বকে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

চা-কফি পানের সঠিক সময়

চা ও কফি পানের সঠিক সময় হচ্ছে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে। এই সময়ে কফি পান করা নিরাপদ।

আপনি যদি দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে কফি পান করেন, তবে তা ক্ষতিকারক হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই

diabetis2.jpg

দেশে প্রতিনিয়ত ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এই রোগীদের জীবনযাপনে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাচলা ও সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পায়ের যত্নও নিতে হবে ঠিকভাবে।

কারণ পা নিয়ে ডায়াবেটিস রোগীদের প্রায়ই দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।

অন্যদের তুলনায় তাদের পায়ে সংক্রমণ ও পচন ধরা এবং পা কেটে ফেলার ঝুঁকি অনেক বেশি।

ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে যে জটিলতা দেখা দেয়, একে সামগ্রিকভাবে ডায়াবেটিস ফুট বলা হয়।

যেসব কারণে ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি

১. ডায়াবেটিসের কারণে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সহজেই রোগ-জীবাণুর সংক্রমণ হয়। পা-ও এর ব্যতিক্রম নয়।

২. রক্তে শর্করা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে দেহের মাঝারি ও ক্ষুদ্র রক্তনালিগুলোতে পরিবর্তন হয়, সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায়, যা ঘা বা পচনকে ত্বরান্বিত করে।

৩. ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনুভূতি কমে যায় ও পা নাজুক হয়ে পড়ে এবং বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ফলে সহজেই সংক্রমণ হয়ে ঘা হয় বা পচন ধরে এবং সহজে তা সারে না।

কী করবেন

প্রথমেই রক্তে শর্করা সুনিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে। নিয়মিত রক্তে শর্করা ও গড় শর্করা পরীক্ষা করে চিকিৎসা নিতে হবে।

পায়ে যেন কোনো ধরনের আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খালি পায়ে হাঁটা যাবে না, নরম তলার প্রশস্ত জুতা পরতে হবে, আঁটসাঁট জুতা-মোজা পরা যাবে না।

নিয়মিত নিজের পা পরীক্ষা করতে হবে। পা ফাটা রোধে পা পরিষ্কার করে আর্দ্রতা রক্ষাকারী মলম লাগাতে হবে।

কোনো অবস্থাতেই পায়ের কর্ন বা অন্য কিছু নিজে নিজে কাটা যাবে না। পায়ে অতিরিক্ত গরম লাগানো যাবে না।

পায়ে ঘা বা সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

লেখক: মেডিসিন ও ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞ এবং কনসালট্যান্ট সিটি স্কিন সেন্টার, শান্তিনগর, ঢাকা।

pimple3.jpg

১৩ থেকে ১৯ বছর বয়স পর্যন্ত ৯০ শতাংশ লোকের ব্রণজনিত সমস্যা কমবেশি হয়ে থাকে। ২০ বছর বয়সের পর থেকে নিজে থেকেই এ সমস্যা ভালো হয়ে যেতে থাকে। ব্রণ প্রতিরোধে খাবারদাবারের রয়েছে ব্যাপক ভূমিকা। এ রকম কিছু খাবার হলো :

পানি ও শসা

ত্বক সুস্থ রাখতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। দেহের অভ্যন্তরে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে পানি। আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে, পানির ঘাটতি মেটাতে শসার কিন্তু জুরি নেই। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’, পানি এবং অ্যামিনো এসিড, যা ত্বককে রাখে কোমল। পাশাপাশি ব্রণ প্রতিরোধ করে।

ভিটামিন ‘সি’

ভিটামিন ‘সি’ ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী। উল্লেখযোগ্য ‘সি’-সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে রয়েছে লেবু, টমেটো, কমলালেবু। টমেটোতে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণ ‘সি’ ও বায়োফ্লেভানয়ডেস যা ব্রণের সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

সবুজ ও আঁশবহুল শাক-সবজি

ব্রোকলি, পালংশাক, লেটুস পাতা, মেথি শাক ইত্যাদিতে ফোলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার, ভিটামিনজাতীয় পুষ্টি রয়েছে, যা দেহে সামগ্রিক পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য দরকারি।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড

ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ত্বকের অন্যতম পুষ্টি হিসেবে কাজ করে। ত্বকের মধ্যে থেকে একটি স্বাস্থ্যকর আভা সরবরাহ করে। ওমেগা-৩ পাওয়া যায় সামুদ্রিক মাছ, বাদাম ইত্যাদিতে।

কুমড়ার বীজ

প্রতিদিনের খাবার তালিকায় কুমড়ার বীজ যোগ করা হলে তা ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। কুমড়ার বীজ জিংকসমৃদ্ধ। শুধু ত্বকের স্বাস্থ্যই ভালো রাখে না, বরং ব্রণের কারণে হওয়া লালচে ভাব, ব্যথা ও ফোলাভাব এবং দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এতে আছে ওমেগা থ্রি ও সিক্স ফ্যাটি এসিড।

পেঁপে

পেঁপের উজ্জ্বল কমলা রঙে আছে অত্যাবশ্যকীয় এনজাইম প্যাপাইন ও কায়ম্যাপোপেইন, যা ব্রণ কমাতে চমৎকার কাজ করে।

রসুন

রসুনে প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট অ্যালিসিন নামের উপাদানে পূর্ণ, যা শরীরের ক্ষতিকারক ব্যাকটিরিয়া ও ভাইরাসকে ধ্বংস করে।

এ ছাড়া লাল আঙুর, ব্রাউন রাইস, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ই’-সমৃদ্ধ খাবার ব্রণের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

কিছু টিপস

♦ তৈলাক্ত খাবার, চকোলেট, ঝাল, ভাজাপোড়া খাবার, আইসক্রিম ও অন্যান্য ফাস্ট ফুড পরিহার করতে হবে।

♦ কোষ্ঠকাঠিন্য ও পুষ্টিহীনতা থাকলে প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হতে হবে।

♦ ব্রণ হওয়ার আরেকটি বিশেষ কারণ ওজনাধিক্য। তাই অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে

♦ ত্বক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

♦ মুখের তৈলাক্ততা কমানোর জন্য পানির ঝাপটা দিতে হবে নিয়মিত।

♦ মুখে বা অন্য কোথাও ঘাম হলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন।

♦ রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে হবে। কারণ যিনি রাত জাগেন তাঁর হরমোনজনিত সমস্যা ছাড়াও হজমক্ষমতা, কিডনির অক্ষমতা ইত্যাদি লেগেই থাকবে। তাই রাতে দ্রত ঘুমিয়ে পড়ুন।

♦ মানসিক চাপ থেকে সদা মুক্ত থাকুন।

♦ মাথা খুশকিমুক্ত রাখার চেষ্টা করুন ইত্যাদি।