Ashraful Islam, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live - Page 2 of 2201

nasima-220141.jpg

দেশে করোনাভাইরাসে গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৩৮ জন।

দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ জনে।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ৫৫ জন মারা গেছেন। ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৫২ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও দুই হাজার ১৪০৯ জন।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

modi-trump-19.jpg

সীমান্তে চীনা আগ্রাসন নিয়ে ভারতের সংঘাত চরমে। পাক স্টক এক্সচেঞ্জে জঙ্গি হানা নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জে চীনের তোলা ভারতবিরোধী প্রস্তাবে সায় দেয়নি আমেরিকা।

সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ফের পাশে দাঁড়াল ভারতের, এমনটা মনে করছে দেশটি বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, ‘আমেরিকা ভারতকে ভালোবাসে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার জবাবেই ট্রাম্প একথা বলেন।

নরেন্দ্র মোদি ট্রাম্পকে টুইটারে লিখেছেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সেদেশের জনগণকে ২৪৪ তম স্বাধীনতা দিবসে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে আমরা আজকের এই দিনটি উদযাপন করে স্বাধীনতা এবং মানবতার আদর্শকে পালন করি।’

এই বার্তায় দুই দেশ যে গণতান্ত্রিক মর্যাদাকে পালন করে চলছে, সে কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপরেই পালটা মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট করেন ট্রাম্প।

তাতে মোদিকে ‘আমার বন্ধু’ বলে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমেরিকা ভারতকে ভালোবাসে’।

শুভেচ্ছা বার্তার এই আদানপ্রদানে বোঝা যায়, দুই দেশনেতার পারস্পরিক সমঝোতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক ক্রমশ দৃঢ় হচ্ছে।

পক্ষান্তরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত হচ্ছে মোদি ও ট্রাম্পের।

উল্লেখ্য, এর আগে চার বছর ফোন করলেও গত ১৫ জুন জন্মদিনে জিনপিংকে শুভেচ্ছা জানাননি মোদি।

আবার করোনা সংক্রমণের জন্য ক্রমাগত চীনকে আক্রমণ করে চলেছেন ট্রাম্প।

সেই আবহে মোদির উদ্দেশে ট্রাম্পের টুইট সৌহার্দ্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

usa-day-up-222050.jpg

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই নানা আয়োজনে উদযাপন করা হলো দেশটির ২শ’ ৪৪তম স্বাধীনতা দিবস।

কোভিড ঊনিশের ঝুঁকি উপেক্ষা করে রাষ্ট্রীয় প্রায় সব অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণ করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে হোয়াইট হাউজ প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন স্থানের আয়োজনে উপেক্ষিত ছিলো স্বাস্থ্যবিধি।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে আরও প্রায় ৫৫ হাজার মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ৬ শ’রও বেশি।

মহামারি করোনাভাইস আর বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভে যখন নাকাল যুক্তরাষ্ট্র; তখনই উদযাপন করা হলো দেশটির ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবস।

নানা উৎসব, আয়োজনে প্রতিবছর দিনটি উদযাপন করা হলেও এবারের প্রেক্ষাপট পুরো ভিন্ন।

চার মাসের কম সময়ে দেশটিতে ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মানুষের মারা গেছেন। আক্রান্ত ৩০ লাখের কাছাকাছি।

এ অবস্থায় স্বাধীনতা দিবসের বড় আকর্ষণ বাৎসরিক প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়নি।

তবে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে কমতি ছিলো না আনুষ্ঠানিকতার।

সমাবেশ, বিমান মহড়া ও আতশবাজিসহ প্রায় সব রাষ্ট্রীয় আয়োজনের স্ত্রী মেলানিয়াকে সঙ্গে নিয়ে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে ছিলেন কয়েকশ’ চিকিৎসাকর্মীও।

ঘরে বসে এ উদযাপন উপভোগের নির্দেশনা থাকলেও, হোয়াইট হাউজ প্রাঙ্গণে জড়ো হন কয়েক হাজার মানুষ।

সামাজিক দূরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই ছিল না সেখানে।

অনুষ্ঠানে জাতির উদ্দেশে ভাষণে ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অসাধারণ জয়ের পথে আছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বৈষম্য নেই।

স্বাধীনতা দিবসের দিনেও যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার হোয়াইট হাউজের সামনে বিক্ষোভ করেন কয়েকশ’ মানুষ।

১৭৭৬ সালের দোসরা জুলাই ইংল্যান্ডের শাসন থেকে পৃথক হওয়ার জন্য ভোট দেন আমেরিকার দ্বিতীয় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস।

এর দুইদিন পর স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় কংগ্রেস।

কিন্তু পৃথক হতে ব্রিটেনের সঙ্গে চূড়ান্ত স্বাক্ষর ২ আগস্টে অনুষ্ঠিত হলেও প্রতি বছরের ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে যুক্তরাষ্ট্র।

mithu-health.jpg

বাবার সঙ্গে কৃষিকাজে জীবনের প্রথম আয়-রোজগার শুরু হলেও এখন শুধু রংপুরেই তার কতো জমি-বাড়ি-ভবন, হাসপাতাল আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে, সে হিসাব কারও জানা নাই।

স্বাস্থ্যখাতের আলোচিত ঠিকাদার মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুর আদি বাড়ি রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর মহিপুরঘাটে।

৩০ বছর আগে যে গ্রাম থেকে শুরু হয়েছিল মিঠুর উত্থান।

স্বাস্থ্যখাত গিলে ফেলে বিপুল সম্পদের মালিক হলেও বরাবরই থেকে গেছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

ভবনের ছাদে হেলিকপ্টার নামতে পারে, রংপুর নগরীতে এমন বাড়ি একটাই।

বাড়িটির দিকে কোনো ক্যামেরা তাক করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেজে ওঠে এর অ্যালার্ম সিস্টেম।

বাবা কছিরউদ্দীনের নামে নগরীর বাণিজ্যিক এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হাসপাতাল।

চব্বিশহাজারি, মহিপুর ও দর্শনায় একরকে একর জমি, নানা অবকাঠামো, ছাত্রাবাসসহ বিপুল সম্পদের মালিক মিঠু।

দর্শনা এলাকায় ভিআইপি মিঠু নামে একটি সড়কও আছে।

তিস্তা নদীর তীরে এই বাড়িটি পরিচিত মিঠু হাজির বাড়ি নামে। এই গ্রামের নাম মহিপুর হওয়ায় ‘মহি মিঠু’ নামেই তার বেশি পরিচিতি।

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছেলেদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে কাজ ভাগানো তার কৌশল বলে ‘ছেলে ধরা মিঠু’ নামেও পরিচিত।

আলোচিত এই ঠিকাদার স্বাস্থ্যখাত গিলে ফেলে নিজের বিত্ত-বৈভব গড়ে তুললেও বরাবরই থেকে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

বাংলাদেশ জনস্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন বলেন, এখানে একেবারে নিম্ন মানের খাবার দেয়া হয়, এটা একটা সিন্ডিকেট, এটাকে ভাঙতে হবে।

১৯৮০ সালের বন্যা ও ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে ৮ ছেলে, ৩ মেয়ের সংসার নিয়ে কছির উদ্দীন ১৯৮৬ সালে স্থায়ী বসতি গড়েন মহিপুর ঘাটপাড়ে।

মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু ভাইবোনের মধ্যে দ্বিতীয়।

DNAW.jpg

নেদারল্যান্ডস থেকে প্রায় ৬০ হাজার বছর আগে যে ডিএনএ’র বিস্তার ঘটেছিল, তার ফলে দক্ষিণ এশীয় মানুষের করোনায় কম আক্রান্ত হওয়ার একটি সম্পর্ক আছে বলে জানিয়েছে সুইডেনের স্টকহোমের বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট।

বাংলাদেশের মানুষও এর মধ্যে পড়েন।

প্রতি বছর চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা দেয়া এই প্রতিষ্ঠানটি জানায়, নেদারল্যান্ডস থেকে প্রায় ৬০ হাজার বছর বিস্তার হওয়া ডিএনএ’র সঙ্গে কোভিড-১৯ রোগের একটা যোগসূত্র আছে।

শনিবার (৪ জুলাই) নিউইয়র্ক টাইমসের বিজ্ঞান বিষয়ক পাতায় এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার গবেষণাটি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়।

তবে গবেষণার ফলাফল এখনো শীর্ষস্থানীয় কোনো জার্নালে আসেনি বলে জানানো হয়েছে নিউইয়র্ক টাইমসের ওই প্রতিবেদনে।

গবেষকেরা জানিয়েছেন, এই ধরনের ডিএনএ’র কপি বাংলাদেশের মানুষের শরীরে বেশি।

অন্তত একটি করে কপি আছে বাংলাদেশের ৬৩ শতাংশ মানুষের। দক্ষিণ এশিয়ার এ তৃতীয়াংশ মানুষ এই জিনের উত্তরাধিকার বহন করছে।

টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ উত্তরাধিকার সূত্রে অংশটি পেয়ে থাকে।

তবে গোটা পৃথিবীতে এই ধরনের ডিএনএ খুব একটা দেখা যায় না। ইউরোপে ৮ শতাংশ, পূর্ব এশিয়ায় মাত্র চার শতাংশ। আফ্রিকায় নেই বললেই চলে।

গবেষকেরা এও জানিয়েছেন, এই ডিএনএ’র প্রস্তর যুগের ভার্সন ক্ষতিকর হলেও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় যেটি দেখা যায় তা ভাইরাস প্রতিরোধে আরও বেশি কার্যকরী।

গবেষণাটির সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজনন বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ জোশুয়া আকি এই ফলাফলকে সমর্থন করেছেন।

তিনি বলেন, ‘শঙ্কর প্রজননের ৬০ হাজার বছর আগের এই প্রভাব আজও মানুষের শরীরে কাজ করতে পারে।’

জিনোমের এই অংশ ক্রোমোজোম ৩-এ ছয়টি জিনে ছড়িয়ে থাকে। যাকে গবেষকেরা মানব ইতিহাসের ‘ধাঁধাময় ভ্রমণ’ বলেছেন।

ডিএনএ’র নির্দিষ্ট এই অংশ কীভাবে করোনাভাইরাসের অসুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে বিজ্ঞানীরা এখনো পরিষ্কার ধারণা পাননি।

নতুন এই গবেষণায় যুক্ত ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী হুগো জেবার্গ বলেন, ‘কোন বিবর্তনীয় প্যাটার্ন ৬০ হাজার বছর ধরে এটি উৎপন্ন করছে সেটি পরিষ্কার নয়। এটি এখন কোটি টাকার প্রশ্ন। ’

৬০ হাজার বছর আগে আধুনিক মানুষের কিছু পূর্বসূরি আফ্রিকা থেকে বেরিয়ে ইউরোপ, এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসতি গড়েন।

তারা প্রস্তর যুগের বিশেষ মানুষের (Neanderthal) সঙ্গে মিশে যান। তাদের ডিএনএ আমাদের জিন পুলে প্রবেশ করে।

এরপর সেটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। এই ধরনের জিন আধুনিক মানুষের জন্য ক্ষতিকর।

এর কারণে নারীদের সন্তান জন্ম দেয়া কঠিন হয়ে পড়ে। যার কারণে ক্ষতিকর এই জিনের অধিকারী মানুষেরা ধীরে ধীরে প্রায় বিলীন হয়ে যান।

হুগো জেবার্গ বলছেন, বিবর্তনের ফলে কিছু জিন ‘কমন’ হয়ে গেছে। যা মানুষের শরীরে এখনো আছে।

জেবার্গ মনে করেন, প্রস্তর যুগের ওই মানুষেরা এশিয়া-ইউরোপে আসার পরে নতুন ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন।

যার বিরুদ্ধে তাদের বিবর্তিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

তবে শেষ কথা বলার সময় এখনো আসেনি। পুরো বিষয়টি এখনো গবেষণার পর্যায়ে রয়ে গেছে।

গবেষকরা এখনো বুঝতে চেষ্টা করছেন কোভিড-১৯ কেন কিছু মানুষের জন্য বেশি বিপদজনক, বয়স্করা কেন তরুণদের থেকে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন, নারীদের চেয়ে পুরুষরা কেন বেশি আশঙ্কার মধ্যে আছেন।

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস

biman5u85.jpg

বিমানের সিলেট-লন্ডন বিশেষ ফ্লাইটের টিকিট নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

ট্রাভেল এজেন্সির মালিকদের দাবি, আটকে পড়া যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের আনতে অতিরিক্ত ভাড়ায় ১৩ জুলাই বিমানের বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করা হয়।

কিন্তু সেই ফ্লাইটের টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম হচ্ছে। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে আটকেপড়া যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের ফেরত পাঠাতে অ্যাটাব বিশেষ ফ্লাইট চালুর দাবি জানায়, বিমানের কাছে।

এর প্রেক্ষিতে ১৩ জুলাই অতিরিক্ত ভাড়ায় বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে বিমান।

এই বিশেষ ফ্লাইটের টিকিট প্রাপ্তিতে ট্রাভেল এজেন্সিদের আগে থেকে যেন জানানো হয় সে বিষয়টির নিশ্চয়তা চেয়েছিল অ্যাটাব।

কিন্তু হঠাৎ করে বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) রাত ৮টায় তড়িঘড়ি করে মেইল পাঠিয়ে জানানো হয় শুক্রবার (০৩ জুলাই) দুপুর ২টায় টিকিটের জন্য অনলাইন খোলা হবে। কিন্তু তাতে ঘটে বিড়ম্বনা।

এফবিসিসিআই পরিচালক খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, আমরা যখন সিস্টেমে বসলাম।

তাতে দেখা গেল কিছু সময় পর পুরো সিস্টেম বন্ধ হয়ে গেল।

করোনা পরিস্থিতিতে রেমিটেন্স যোদ্ধাদের নিয়ে বিমানের এমন অনিয়মের ঘটনার বিচার দাবি করেছেন অ্যাটাব ও হাবের সিলেট অঞ্চলের চেয়ারম্যান।

সিলেট অঞ্চলের অ্যাটাব ও হাব চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন বাবুল বলেন, সরকারের নিবন্ধিত এজেন্ট কোটি কোটি টাকা ব্যাংক গ্র্যান্টি দেয়।

আর যদি বিমানের কর্মকর্তারা অবৈধভাবে বিমানকে রাজস্ব ফাঁকি দেয়, সেটা দুঃখজনক।

এদিকে, বিমানের বিশেষ ফ্লাইটের টিকিট বিক্রিতে দুর্নীতির কথা অস্বীকার করে বিমানের জেলা ব্যবস্থাপক জানান, ওই বিশেষ ফ্লাইটের এখনো অনেক সিট খালি আছে।

সিলেটের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জেলা ব্যবস্থাপক শাহনেওয়াজ মজুমদার বলেন, সিলেটের যত এজেন্সি আছে- সব সিট বুকিং করে ফেলেছে, বুকিং করে এখন আর টিকিট ইস্যু করে না।

ওদের অভিযোগ ঠিক না। এখানে তো আমরা সিট রাখি নাই, যে যেখানে পাবে সিট সেল করবে। ওপেন টু অল।

বিমানের বিশেষ ফ্লাইটের ভাড়া নির্ধারণ করা হয় শুধু যাওয়া এক লাখ বিশ হাজার। আগে আসা যাওয়ার টিকিট বিক্রি হতো ৮০ হাজার টাকায়।

SRK-soroj.jpg

গত শুক্রবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন বলিউডের মাস্টারজি সরোজ খান।

তার মৃত্যুর পর শোক জানিয়ে অনেক স্মৃতিকথা জানাচ্ছেন বলি সেলেব্রেটিরা।

সরোজকে ‘প্রকৃত শিক্ষক’ বলে স্মৃতিচারণ করেছেন বলি বাদশাহ শাহরুখ খান।

এর আগে ২০১৮ সালে টেলিগ্রাফকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শাহরুখ বলেছিলেন, তাকে প্রকাশ্যেই চড় মেরেছিলেন সরোজ খান।

মতের সঙ্গে মেলেনি। তাই রাখঢাক না করেই কিং খানের গালে চড় কষিয়ে দিয়েছিলেন ‘মাস্টারজি’।

অবশ্য তখনও কিং খান হয়ে ওঠেননি শাহরুখ।

শাহরুখ বলেছিলেন, আমার ক্যারিয়ারের শুরু দিকের কথা। স্পষ্ট মনে আছে। আমি তখন তিনবেলাই কাজ করছি।

সরোজজিকে বলেছিলাম, এত কাজ হাঁপিয়ে গেছি। তিনি সেকথা শুনে আমার গালে চড় মারেন।

উপদেশ দিয়েছিলেন, ‘আমার অনেক কাজ’ এ কথা কোনো দিন বলবে না।

কারণ অনিশ্চয়তার গ্ল্যামার জগতে কে যে কখন উপরে উঠে যাবে আর কেই বা এক ঝটকায় নেমে যাবে নীচে, তা কেউ জানে না।

সরোজের সেই চড় থেকেই শিক্ষা নিয়েছেন শাহরুখ। তিনি জানিয়েছিলেন, সরোজের সেই উপদেশের পর যত কাজই থাকুক চাপ লাগে না তার।

jafrullah.jpg

আজ (রোববার) ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর কিটের অনুমোদন দিলে পনেরো দিনের মধ্যেই ৫ হাজার কিট দেশবাসীর জন্য দেবেন বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজিডিএ) আমাদের আপডেটেড অ্যান্টিবডি কিটের তথ্য উপাত্ত জানতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের ডেকেছেন।

আজ তারা আমাদের কিটের অনুমোদন দিলে ১৫ দিনের মধ্যেই দেশবাসীর জন্য ৫ হাজার কিট দেব।

তিনি বলেন, এরই মধ্যে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের নির্দেশিকা বজায় রাখার জন্য জিকের অ্যান্টিবডি কিট আপডেট করেছে গণস্বাস্থ্যের গবেষকরা।

ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের ডিজি তাদের বৈজ্ঞানিক নথি উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।আমি আশা করি, তারা এখন আমাদের কিটে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হবে এবং অনুমতি দেবে।

শনিবার দুপুরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দফতর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

মিন্টু বলেন, কিট উন্নয়ন দলের প্রধান বিজ্ঞানী বিজন কুমার শিলের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে তারা কিটের সংবেদনশীলতা আরও বৃদ্ধি করেছেন।

এখন এটি অ্যান্টিবডিকে আরও দক্ষতার সঙ্গে শনাক্ত করতে পারে।

fakh556.jpg

বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে কারাগারগুলো ভরে ফেলা হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কারাগারগুলোতে এখন বন্দি ধারণের আর ঠাঁই নেই।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে তিনি পল্লবী থানার জাসাসের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি নেতা ছোটন বিশ্বাসকে গ্রেপ্তারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার নিজ বাড়ি থেকে ছোটন বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বর্তমান সরকার বিএনপিসহ দেশের বিরোধী দলগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেশকে বিরাজনীতিকরণের ঘৃণ্য উদ্দেশ্য সাধনে এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

এর অংশ হিসেবে যে, গুম, খুন, অপহরণের পাশাপাশি বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে দেশের কারাগারগুলো ভরে ফেলেছে।

কারাগারগুলোতে এখন বন্দি ধারণের আর ঠাঁই নেই।

বর্তমানে করোনা ভাইরাসের দুর্যোগময় সময়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা যখন গরিব মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তখন তাদের গ্রেপ্তার করে কারারুদ্ধ করা সরকারের অশুভ ইচ্ছারই বহিঃপ্রকাশ।

Mehrin.jpg

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মেয়ে মেধাবী ছাত্রী মেহেরিন ইসলাম (১৮) বাঁচতে চায়। তার দুটি কিডনি বিকল হয়ে গেছে। গত আট মাস ধরে সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত মেহেরিনের চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮ লাখ টাকা। তাকে একটি কিডনি দান করে বাঁচিয়ে তুলতে চান তার বাবা মোফাফফর ইসলাম।

ঢাকা শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিস অ্যান্ড ইউরোলজি হসপিটালের ডা. মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রায় মৃত্যু পথযাত্রী মেহেরিনের কিডনি প্রতিস্থাপনে ব্যয় হবে আনুমানিক আরও ২০ লাখ টাকা। সৌদি ফেরত মেহেরিনের বাবা বর্তমানে একেবারেই বেকার জীবনযাপন করছেন। মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে অনেকটা নিঃস্ব। মেহেরিনের আত্নীয় স্বজনদের সহযোগিতায় এতোদিন তার চিকিৎসা চলেছে।

এখন এই মেধাবী ছাত্রীকে বাঁচাতে হলে দরকার আরও প্রায় ২০ লাখ টাকা। যা যোগার করা তার পরিবারের পক্ষে কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। নগরীর সিলভার বেলস স্কুল থেকে এসএসসিতে জিপিএ৫ ও সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ থেকে এ গ্রেড পেয়ে গত বছর চুয়েটে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয় । স্রষ্টা কর্তৃক সৃষ্ট ভাগ্যের কাছে,মেধা তো অসহায়। আর তাই তো,হাজার হাজার প্রতিযোগীর মাঝে ভর্তি যুদ্ধে জয়ী হলেও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেনি সে।

ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ তার স্বপ্ন থমকে গেছে। তাই তার বাবা-মায়ের পাশাপাশি তার চাচা মো.শামীম সমাজের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষদের কাছে আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, বিত্তবানদের একটু সহযোগিতাই পারে মেধাবী ছাত্রী মেহেরিনের জীবন বাঁচাতে। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।

সাহায্যের পাঠানোর জন্য যোগাযোগ:

মোজাফফর ইসলাম ফোন 01707- 034382

বিকাশ নাম্বারঃ-(পারসোনাল) 01717194226( Arman) খালাতো ভাই

Bank Account: Account Number: 102.151.46881

Arman Ali Chowdhury

Dutch Bangla Bank Limited Agrabad Branch, Chattogram