Lucky Ety, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live - Page 2 of 7

unripe-green-papaya_982-1280x960.jpg

পেঁপে একটি সর্বজনীন ফল। প্রায় সব ঋতুতেই পেঁপে পাওয়া যায়। আমাদের দেশে সারা বছর এই ফল পাওয়া যায়। কাঁচা ও পাকা উভয় পেঁপেই শরীরের জন্য উপকারী।কাঁচা পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে  প্রোটিওলাইটিক এনজাইম। এই উপাদানটি প্রোটিন হজমের জন্য সাহায্য করে। তাই প্রচুর পরিমাণে গরু, খাসি বা মুরগির মাংসের সঙ্গে কাঁচা পেঁপে বা রান্না করা পেঁপে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়। যাদের খুব বেশী এসিডিটি হয়, তাদের জন্য এই ফল ভীষণ উপকারী।

পেঁপে ফল ( পাকা) ও সবজী (কাঁচা) এই দুই ভাবেই খাওয়া যায়।পেঁপের এনজাইম-এর জন্য মাংসের আমিষ ভালোভাবে রক্তের সঙ্গে মেশে এবং মাংসের চর্বির ক্ষতিকর দিকটা কমিয়ে দেয়। এনজাইম খাবার হজমকারী রক্তের  এক ধরনের উপাদান। মাংসে কাঁচা পেঁপে দিলে তা সেদ্ধ হয় দ্রুত।

কাঁচা পেঁপে, শসা, গাজর, লেটুস বা ধনেপাতার সালাদ ওজন কমাতে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। পেঁপে যুদ্ধ করে দেহের বাড়তি মেদের বিরুদ্ধে।কাঁচা পেঁপের প্রোটিওলাইটিক এনজাইম ক্যানসার নিরাময়ে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। আর এই উপকারের জন্য কাঁচা পেঁপে রান্নার পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটাই উত্তম।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’র বসতি পাকা পেঁপেতে। ভিটামিন ‘এ’, ও ‘সি’ শরীরের রোগপ্রতিরোধ-ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যুদ্ধ করে ছোঁয়াচে রোগের বিরুদ্ধে, দাঁত, চুল, ত্বকের জন্য বয়ে আনে সুফল।অ্যান্টি-এজিং ফ্যাক্টর অর্থাৎ বৃদ্ধ বয়সকে দূরে ঠেলে দেওয়ার উপাদান রয়েছে পেঁপেতে।

তাই ত্বকের ওপরেও কাজ করে এই ফল। এতে কোনও খারাপ কোলেস্টেরল, চর্বি বা ফ্যাট নেই। মোটা মানুষেরা দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে খেতে পারেন। তবে ডায়াবেটিক রোগীরা মিষ্টি পেঁপে পরিহার করুন।অনেকেই পেঁপের আচার খেতে পছন্দ করেন। এই ফল আচার এর পরিবর্তে কাঁচা খাওয়াটা বেশী উপকারী।

তবে হজমের আশায় খুব বেশী না খেয়ে পরিমিত খাওয়ায় উত্তম।ছোটদেরকেও পেঁপে খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করতে হবে। পেঁপে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। তাই ডায়রিয়া চলাকালীন পেঁপে না খাওয়াই ভালো

b2bdf3c6-onion-1280x721.jpg

রান্না একটা শিল্প। এই শিল্প ব্যক্তি বিশেষ পরিবর্তন হয়। একই রেসিপি কেউ বেশী মসলায় রান্না করে, কেউ অল্প মশলায় রান্না করেন, কেউবা প্রচলিত নিয়ম ভেঙে অতি প্রয়োজনীয় দুএকটি মশলা ছাড়াই ভালো রান্না করতে পারেন।শোনা যায়, রান্নায় অতি প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ। তবে অনেকেই পেঁয়াজ ছাড়া রান্না করেন।

বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখা গেছে কেউ কেউ সারাজীবনে পেঁয়াজ খাননি এবং যারা পেঁয়াজ খান তাদের স্পর্শ থেকে দূরে থেকেছেন।পেঁয়াজ ছাড়া সুস্বাদু বিরিয়ানিও রান্না করা যায়। অনেক নিরামিষভোজী মানুষ পেঁয়াজ খান না। পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে বেশ কিছু সবজি ব্যবহার করা যায়।

ইদানীং হোটেলগুলোতেও দেখা যায় পেঁয়াজ ও শসার বিকল্প হিসেবে সালাদ হিসেবে পেঁপে ব্যবহার করতে।ব্যক্তি জীবনে আমরা অধিকাংশ ভাজিতে পেঁয়াজ ব্যবহার করি। কিন্তু দেখা গেছে কিছু কিছু ভাজির সঙ্গে পেঁয়াজ বেমানান। যেকোনো মচমচে ভাজিকে পেঁয়াজের থেকে রসুনের ব্যবহার আরও স্বাদ বাড়ায়।রান্নায় মশলার ব্যবহার অধিকাংশ প্রচলিত নিয়ম অনুস্মরণ করে হয়। তবে অনেকেই অভিজ্ঞতার জন্য অনেক সময় নিয়ম ভাঙেন, দেখা যায় তখন আচমকা সুস্বাদু খাবারের দেখা পেয়ে যান।

image-76436-1570212020.jpg

সাপলুডু চলচ্চিত্রের আলোচনা থামছেই না। দ্বিতীয় সপ্তাহের মতো দেশজুড়ে চলছে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত পলিটিক্যাল থ্রিলার ছবি সাপলুডু। রাজধানীর বসুন্ধরার স্টার সিনেপ্লেক্সে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র জগতের তারকারা ছবিটি দেখতে ভিড় করেছিলেন। তবে টিকেট শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেককেই ফিরে যেতে হয়েছে ছবি না দেখেই।

পলিটিক্যাল থ্রিলারধর্মী চলচ্চিত্র সাপলুডু মুক্তি পেয়েছে সপ্তাহ পেরিয়ে গেলো। কিন্তু দিন যতই যাচ্ছে দর্শকদের আগ্রহ বাড়ছে ততই। দ্বিতীয় সপ্তাহে স্টার সিনেপ্লেক্সে তিল ধারণের ঠাঁই ছিলো না।শুধু স্টার সিনেপ্লেক্সই নয় দেশের প্রায় প্রতিটি হলেই ছিলো হাউসফুল।

স্টার সিনেপ্লেক্সে শুক্রবার সন্ধ্যার প্রদর্শনী দেখতে ভিড় জমিয়েছেন টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র জগতের তারকারা।ছবিটি এরই মধ্যে কেউ কেউ একবার দেখেছেন। বন্ধু-বান্ধব কিংবা সহশিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে দেখতে এসেছেন সাপলুডু।

ছবির প্রধান চরিত্র নায়ক আরিফিন শুভ আগত তারকাদের অভ্যর্থনা জানান। সঙ্গে ছিলেন ছবির পরিচালক গোলাম সোহরাব দোদুল। তারকাদের কাছে পেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েন আগত দর্শকরা।

তারকারা নিজেরা যেমন ছবিটি দেখতে এসেছেন, তেমনি সিনেমাপ্রেমীদেরও হলে এসে সাপলুডু দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। অতিথিদের আশা, সাপলুডু সিনেমাপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণে সফল হবে।সাপলুডু যেভাবে দর্শকদের ভালোবাসা পাচ্ছে তাতে আশান্বিত ছবি সংশ্লিষ্টরা। চলতি বছরের সেরা ছবির তকমা সাপলুডুই কেড়ে নেবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

1-11-1280x927.jpg

এপার বাংলা ও ওপার বাংলায় সমান জনপ্রিয় জয়া আহসানের। বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছেন তিনি। তবে পূজা উপলক্ষে ওপার বাংলার ভক্তদের সঙ্গে পূজার আনন্দ ভাগ করে নিতে ভুলবেন না জয়া। তাই পূজার সময় কোনো শুটিং রাখেন নি। সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে পূজার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

জয়া আহসান বলেন, ‘আমার কাছে ঈদ মানে বাংলাদেশ। দুর্গাপূজা মানে কলকাতা। আগেও পূজার সময় কলকাতায় থেকেছি। এ বছর পূজার সময়টায় শুটিং নেই। তাই দুর্গাপূজা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা করেছি।’

জয়া আরও বলেন, ‘অনেকগুলো ঢাকাই শাড়ি রয়েছে আমার। তার মধ্যে মসলিন, তাঁত, সিল্ক রয়েছে। সব উপহার পেয়েছি। সবকটাই পূজার সময় পরবো। একটাও মিস করব না। প্রতিদিন নতুন শাড়ি, পূজা পরিক্রমা, তাই চুটিয়ে প্যান্ডেল হপিং করব। দুর্গাপূজা বাঙালির প্রাণের উৎসব। আর আমার প্রাণ এপার-ওপার দুই বাংলা জুড়ে।’

সম্প্রতি কলকাতায় অতনু ঘোষ পরিচালিত ‘রবিবার’ সিনেমায় নাম লিখিয়েছেন জয়া আহসান। এছাড়া কলকাতার সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত ‘ভূত পরী’ সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি।

‘ঝুম’-খ্যাত সংগীতশিল্পী মিনার হাজির হলেন তার নতুন মিউজিক ভিডিও নিয়ে। গানের শিরোনাম ‘নেই’।

২ অক্টোবর এটি প্রকাশ পায় সিএমভি’র অফিসিয়াল ইউটিব চ্যানেলে। মেহেদী হাসান লিমনের কথায় গানটির সুর করেছেন নাজির মাহমুদ আর সংগীতায়োজন করেছেন মুশফিক লিটু। গানটির গল্পনির্ভর ভিডিও নির্মাণ করেছেন মাহমুদুল হাসান।

মিনারের এই গানে মডেল হয়েছেন লরেন ম্যান্ডেস ও যাহের আলভী।

নির্মাতা মাহমুদুল হাসান বলেন, গানের কথার রেশ ধরে একটি গল্প বলার চেষ্টা করেছি আমরা। মৃত্যু কেমন করে একটি অনবদ্য প্রেমের ইতি টানে, সেই গল্পটাই রয়েছে এখানে। গানটি অসম্ভব সুন্দর। মডেলরাও ভালো অভিনয় করেছেন। আশা করছি সবার হৃদয়ে ভালোবাসার নীল বেদনা ছড়াবে কাজটি।

Tahsan-Mithila-1906111446.jpg

তাহসান-মিথিলার ভালোবাসার ঘর ভেঙে গেছে অনেক দিন আগে। এরপর আর নতুন কোনো কাজে একসঙ্গে পাওয়া যায়নি তাদের। হঠাৎই সামনে হাজির হলো একটি ভিডিও। সেটি ঘিরে নতুন করে আলোচনায় তারা।

তাহসান ও মিথিলা দুজনই ভালো গান করেন, এটা সবার জানা। একসঙ্গেও তারা গান করেছেন। তাদের দ্বৈত গাওয়া ‘অনুভূতি’ শিরোনামে একটি গান ছিল। সেই গানটির নতুন ভিডিও প্রকাশ হয়েছে।

রোববার জি সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে গানটি। ভিডিওতে মডেল হিসেবে দেখা যাচ্ছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় দুই তারকা এফএস নাঈম ও শবনম ফারিয়াকে।

তাহসান-মিথিলার ভক্তদের জন্য এটি কি কোনো নতুন চমক, নাকি অন্য কিছু? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগেই প্রকাশ হয়েছিল গানটির লিরিক ভিডিও। এবার এলো গানটির পূর্ণ ভিডিও। তাহসান-মিথিলার ভক্তরা গানটি শুনলেই বুঝবেন পুরনো গানটিই ভিডিও আকারে সামনে এলো আবার।

অনুভূতি গানটি ছিল তাহসানের ‘ইচ্ছে’ অ্যালবামে। গানটি লিখেছেন তরুণ মুন্সি। সুর ও সংগীতায়োজন করেছিলেন তাহসান নিজেই। ‘পলাতক সময় অথবা তুমি’ শিরোনামের নাটকের গান হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে গানটি।

নাটকটি নির্মাণ করেছিলেন মেহেদী হাসান জনি। এই ভিডিও প্রসঙ্গে নির্মাতা জনি দিলেন অন্য তথ্য। এই ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি নাকি কিছুই জানেন না। জি সিরিজ তাকে কিছু না জানিয়েই গানের ভিডিও প্রকাশ করেছে।

মাত্রাতিরিক্ত দূষণে সবারই কমবেশি চুল ও ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এছাড়া আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় থাকা বেশ কিছু খাবারও ত্বকের ক্ষতি করে।

যেমন-১. অতিরিক্ত চিনি দেওয়া খাবার বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে শরীরের মেদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বক শুষ্ক করে তোলে। এর ফলে কপালে, চোখের কোনায় বলিরেখা দেখা দিতে পারে।

২. অতিরিক্ত লবণ খেলে মুখ ফোলা মনে হতে পারে, থুতনির নিচে মেদ বাড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য ন্যাশনাল হার্ট, লাং অ্যান্ড ব্লাড অ্যাসোসিয়েশন’-এর গবেষকদের মতে, প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খেলে চোখের কোনা ফুলে উঠতে পারে। সেই সাথে মুখও ফোলা দেখাবে।

৩. অতিরিক্ত পরিমাণে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে থুতনির নিচে মেদ জমে। এছাড়া ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাও বাড়ে।

৪. গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার যেমন-ময়দা, পাউরুটি ইত্যাদিও যদি অতিরিক্ত মাত্রায় কেউ খায় তাহলে তার ত্বকের ধরণ বদলে যেতে পারে। গালে, কপালে ব্রণ, ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। গ্লুটেন অ্যালার্জির দেখা দিতে পারে।

৫. অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা মদ্যপানের ফলে অনেকের ত্বকে বলিরেখা দেখা হয়ে থাকে। চোখ আর মুখের ফোলা ভাব বেড়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে থুতনির নিচে অতিরিক্ত মেদও জমতে পারে।

sakib.jpg

চার অক্টোবর মুক্তি পাবে ‘শাহেনশাহ’। এমন ঘোষণাই দিয়েছিলেন ছবিটির প্রযোজনা সংস্থা শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খান। সে ঘোষণা অনুযায়ী ছবিটির প্রচার-প্রচারণাও শুরু হয়েছিলো। আজ শনিবার প্রযোজনা সংস্থা থেকে জানানো হলো ‘শাহেনশাহ’ ঘোষিত তারিখে মুক্তি পাচ্ছে না।

শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত ‘শাহেনশাহ’য় প্রথমবার জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, নুসরাত ফারিয়া ও নবাগত রোদেলা জান্নাত।

ছবিটির মুক্তি আটকে যাওয়া নিয়ে কথা হয় পরিচালক শামীম আহমেদ রনির সঙ্গে। তিনি সমকাল অনরাইনকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারব না। মুক্তির মাত্র পাঁচদিন আগে কেনো ছবিটি মুক্তি না দেয়ার ঘোষণা এলো সেটা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানই বলতে পারবে। একজন পরিচালকের কাজ হচ্ছে ছবি নির্মাণ করে প্রযোজককে বুঝিয়ে দেয়া। সেটা আমি করেছি। মুক্তি কবে দিবেন সেটা তাদের ব্যাপার।’

চলতি বছরের মার্চ মাসে সেন্সর ছাড়পত্র পায় ‘শাহেনশাহ’। সেন্সর পাওয়ার পর একাধিকবার মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেও সিনেমাটি মুক্তি দিতে পারেনি প্রযোজনা সংস্থা শাপলা মিডিয়া।

এবারও মুক্তির তারিখ পিছিয়ে দিলো। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় প্রযোজক সেলিম খানের সঙ্গে। সমকাল অনলাইনকে তিনি বলেন, দেশে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও কিছুটা অস্থিতিশীল। চারদিকে চলছে সরকারের শুদ্ধি অভিযান। ক্যাসিনো ইস্যুতে দেশের মানুষের মনযোগ এখন সে দিকেই।  এ কারণেই এই ছবিটি এখন মুক্তি দিচ্ছিনা। কারণ এটি বিগ বাজেটের ছবি। এখন মুক্তি দিলে লোকসান গুনতে হবে।

তবে আগামী রোজার ঈদে ‘শাহেনশাহ’ মুক্তি দেয়ার কথা জানান সেলিম খান।

211283-tea-bag-1280x732.jpg

ঘুম থেকে উঠে এক কাপ চা পান না করলে যেন ঘুমের ঘোরটাই কাটতে চায় না! সকাল-বিকেল কাজের ফাঁকে এক কাপ চায়ে গলা না ভেজালে যেন শরীরটা চাঙ্গা হতে চায়না। এছাড়া যারা বাড়িতে চটপট চায়ের তেষ্টা মেটাতে অনেকেই টি-ব্যাগের উপরেই ভরসা রাখেন।

তবে টি-ব্যাগের মাধ্যমে শরীরে ঢুকছে কোটি কোটি বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা। সমীক্ষায় এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। চলতি মাসেই ‘এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামের মার্কিন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক নাথালি টুফেঙ্কজি পরীক্ষা করে দেখেন, প্লাস্টিক উপাদান মিশ্রিত টি-ব্যাগগুলো গরম জলে ডোবালে সেগুলো থেকে গরম চায়ের মধ্যে অসংখ্য প্লাস্টিকের কণা মিশে যায়। তিনি ও তার সহকারী গবেষকরা পরীক্ষা করে দেখেন, একটি টি-ব্যাগের থেকেই চায়ের সঙ্গে মেশে ১,১০০ কোটি (১১ বিলিয়ন) মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং ৩০০ কোটি ন্যানোপ্লাস্টিক কণা।

অধ্যাপক টুফেঙ্কজি জানান, বেশ কয়েকটি সংস্থা কাগজের পরিবর্তে প্লাস্টিক উপাদান মিশ্রিত টি-ব্যাগ বানাচ্ছে। আর এই সব টি-ব্যাগ থেকেই আমাদের শরীরে ঢুকছে প্লাস্টিকের বিষ। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে কার্সিনোজেনের উপস্থিতিও লক্ষ্য করেছেন তারা।

অধ্যাপক টুফেঙ্কজির মতে, টি-ব্যাগে যে পিনের সাহায্যে সুতো আটকানো থাকে সেই পিনও আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ঘাতক হতে পারে। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্যান্ডার্ড অথরিটি অব ইন্ডিয়া বা এফএসএসআই-ও এ বিষয়ে অধ্যাপক টুফেঙ্কজির সঙ্গে একমত হয়ে টি-ব্যাগের পিনের বিকল্প খোঁজার পরামর্শ দিয়েছে চা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোকে।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকও টি-ব্যাগ ব্যবহারে বিপদের আশঙ্কা করছেন। নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সমীক্ষার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এক সপ্তাহে একজন ব্যক্তির শরীরে প্রায় ৫ গ্রাম প্লাস্টিক প্রবেশ করে টি-ব্যাগের সাহায্যে। সুতরাং টি-ব্যাগে ব্যবহৃত উপাদান সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

Milk.jpg

বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সধারী ১৪টি কোম্পানির পাস্তুরিত দুধ উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রি পাঁচ সপ্তাহের জন্য বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান থাকায় এ নির্দেশ দেওয়া হয়। রোববার (২৮ জুলাই) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

লাইসেন্সধারী সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কি-না সে বিষয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের পরীক্ষা প্রতিবেদন নিয়ে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন আদালত।

আদালতে বিএসটিআইর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান। এ বিষয়ে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার অনীক আর হক, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম শুনানি করেন।

গত ১৪ জুলাই এক আদেশে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সধারী সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা, তা এক সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা করতে চারটি ল্যাবকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

চারটি ল্যাব হলো- ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণাগার।

এরপর ২৩ জুলাই তিন সংস্থার প্রতিবেদন হাতে পায় বিএসটিআই। এরপর এগুলো আদালতে জমা দেন।

এছাড়া নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তৈরি করা (বিসিএসআইআর ও পরমাণু শক্তি কমিশনের ল্যাবে পরীক্ষা করা) ১১ কোম্পানির দুধ পরীক্ষার প্রতিবেদনও আদালতে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে উপস্থাপন করা হয় ঢাবি অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের প্রতিবেদনও।