Sadi Mohammad, Author at 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

dt00479.jpg

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পিএস মিয়া নুরুদ্দিন অপুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)। শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে পরাজিত হন অপু।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতাল থেকে অপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

র‌্যাব-১ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরওয়ার বিন কাশেম আমাদের সময়কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্বাচনের আগে রাজধানীর মতিঝিল থেকে আট কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় অপুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

dt24dt.jpg

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে পুনরায় সরকারে থাকায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আগামী ১৯ জানুয়ারি (শনিবার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) দলটির দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষ্যে আগামী ১৯ জানুয়ারি (শনিবার) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মহাসমাবেশকে সর্বাত্মকভাবে সফল করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়ী হয়েছে। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির রয়েছে ২০টি আসন। গতকাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত ২৯১ জন সংসদ সদস্য শপথগ্রহণ করেছেন। এছাড়া নির্বাচনে জয়ের পর বিজয় মিছিল করেনি বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।

pikrt.jpg

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নে ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এ ঘটনায় গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার নির্যাতিত হয়েছে। এই ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।

আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেছেন, ভোটের দিন রাতে সুবর্ণচরের ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীর (৪০) ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরোচিত লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। জাতি হিসেবে এ ঘটনা সবাইকে অত্যন্ত হেয় প্রতিপন্ন করেছে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে কামাল হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, মৌলিক মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে এবং এতে আমরা ভীষণ ভাবে ক্ষুব্ধ, উদ্বিগ্ন ও মর্মাহত।’ এ ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য তিনি দেশের জনগণকে উদ্যোগী হওয়ার জন্য বলেন। তিনি আরও বলেন, এই লজ্জা সমগ্র জাতির। ওই নারী নির্যাতিত নয়, বরং নির্যাতিত হয়েছে গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার।

৩০ ডিসেম্বর রাতে ওই নারীর স্বামী-সন্তানকে বেঁধে তাঁকে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং ধর্ষণ করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র ধরে বিবৃতিতে গণফোরাম সভাপতি বলেন, নির্যাতনের শিকার ওই নারী তাঁর নিজ এলাকার একটি ভোট কেন্দ্রে নিজের পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে চাইলে, ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির জেরে তাঁকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

সরকার এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে সন্ত্রাসী ধর্ষকদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় কামাল হোসেন দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

dt-ashraf.jpg

আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ রোববার বাদ আসর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। এর আগে ওই দিন সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা, দুপুর ১২টায় কিশোরগঞ্জ পুরাতন স্টেডিয়াম মাঠে দ্বিতীয় জানাজা ও বেলা ২টায় ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ইদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার আওয়ামী লীগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতারা তাঁর মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ২১ বেইলি রোডে তাঁর সরকারি বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখান থেকে মরদেহ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।

এদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো একনজর দেখার অপেক্ষায় কিশোরগঞ্জবাসী। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শুক্রবার জুমার নামাজের পর কিশোরগঞ্জের সব মসজিদে দোয়া করা হয়। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের টাইমলাইন ভরে গেছে শোকবার্তায়। সবার কথা একটাই, বড় ভালো মানুষ ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। কোনো দলের না, তিনি ছিলেন সবার।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সৈয়দ আশরাফ ১৯৯৬ সাল থেকে কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে টানা পাঁচবার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনেও বিজয়ী হন তিনি। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গত জুলাই থেকে সৈয়দ আশরাফ থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে আশরাফ মারা যান।

dt009119.jpg

মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস ইয়েমেনের নিরীহ জনগণকে হত্যায় আমেরিকার সরাসরি ভূমিকা রয়েছে বলে উল্লেখ করেছে। দৈনিকটি সৌদি আরবের কাছে আমেরিকার বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র বিক্রির কথা উল্লেখ করে লিখেছে, ইয়েমেনে চালানো গণহত্যায় আমেরিকার হাত থাকার বিষয়টি এখন সুস্পষ্ট হয়ে গেছে।

নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত দৈনিকটি এক নিবন্ধে আরো লিখেছে, আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালানো সৌদি আরবের পক্ষে সম্ভব নয়। নিবন্ধে বলা হয়েছে, মার্কিন সরকার কয়েক দশক ধরে সমরাস্ত্র বিক্রির জন্য সম্পদশালী কোনো দেশকে বেছে নিচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে ইয়েমেনের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সৌদি আরবের চালানো গণত্যা আমেরিকার সে নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতে, সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বিমান হামলা চালানোর ক্ষেত্রে বেসামরিক ও সামরিক এলাকাকে গুলিয়ে ফেলছে এবং তারা স্কুল ও হাসপাতালসহ অন্যান্য বেসামরিক স্থাপনায় নির্বিচারে বোমা হামলা চালাচ্ছে।

আমেরিকাসহ আরো কিছু দেশের সহযোগিতা নিয়ে সৌদি আরব ২০১৫ সালের মার্চ মাস থেকে ইয়েমেনে আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। এই ভয়াবহ আগ্রাসনে এ পর্যন্ত অন্তত ১৪ হাজার ইয়েমেনি নিহত ও লাখ লাখ মানুষ শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে। খবর পার্সটুডের

dt-police-1.jpg

রাজধানীতে বসবাসরত ব্যাচেলরদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসা ছাড়ার জন্য আলটিমেটাম দিয়েছে প্রশাসন। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসা যাবে না ব্যাচেলর বা মেস বাসায়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাড্ডা, খিলখেত, নিকুঞ্জ, মণিপুরী পাড়া ও মিরপুর এলাকায় বসবাসরত বেশ কয়েকজন ব্যাচেলর পুলিশের বরাতে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে ফ্ল্যাট ছাড়ার নির্দেশনা পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

রাজধানীর এসব এলাকায় বসবাসরত ব্যাচেলররা জানান, পুলিশের বরাত দিয়ে এমন নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তবে এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ব্যাচেলররা।

এ বিষয়ে ক্ষিলখেত থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, খিলখেত এলাকায় ব্যাচেলর ও হোস্টেল খালি করে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের নির্দেশনা দিয়েছি। আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বাসা খালি করতে হবে। একদম নির্বাচনের পরেই তারা আবার বাসায় ফিরে আসতে পারবেন।

এদিকে ডিএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) মাসুদুর রহমান জানান, ব্যাচেলরদের এভাবে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কিনা তা এখনো জানা নেই।

রাজধানীর বিভিন্ন মেস আকারে থাকা আবাসিক ভবনের পাশাপাশি বিভিন্ন হোস্টেলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান ছাত্রছাত্রীরা। তবে মাত্র কয়েকঘণ্টার মধ্যে বাসা ছাড়া নিয়ে বিপাকে রাজধানীর ব্যাচেলররা।

নির্দেশনা পাওয়ার পর বাসা ছাড়তে দেখা যায় অনেককেই। আর এতে নতুন এক হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যাচেলর বাসাবাড়িতে থাকা মানুষজন। এত অল্প সময়ে আবাসস্থল ছেড়ে কোথাও যাওয়ার জায়গাও পাচ্ছেন না। আবার অনেকেই রাজধানী ছাড়ার জন্য বাস বা লঞ্চের টিকিট পাচ্ছেন না বলেও জানান।

dt-pm-12.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও জবরদস্তি দেশবাসী কখনও পছন্দ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। তাদের জবরদস্তি এদেশের মানুষ কখনও মেনে নেয়নি। আসছে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তারা আবারও এর জবাব দেবে। ৩০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে এবং সেখানে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে আবারও সরকার গঠন করবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি

টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, যশোর, পাবনা ও পঞ্চগড় জেলার নেতাকর্মী ও বিপুল পরিমাণ মানুষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স অংশ নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি এসব কথা বলেন।

সরকারি কোনও সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার না করেই ব্যক্তিগত বাসভবন সুধা সদন থেকে সারাদেশের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ধারাবাহিক নির্বাচনি প্রচারণায় এভাবে অংশ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে ভিডিও কনফারেন্সে এই পাঁচ জেলার দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনের আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে।’ বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

টাঙ্গাইল জেলার আটটি আসনের আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে তখন উন্নয়নের সুফল পায় দেশের মানুষ।’ উন্নয়নের ছোঁয়া গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে দিতেও নির্দেশ দেন তিনি। ইশতেহার বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে আগামী পাঁচ বছর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

dt009118.jpg

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা সাহস করে নেমে পড়ুন, ভোটের বিপ্লব করুন। ১৬ ডিসেম্বর যে বিজয় হয়েছিল, ৩০ ডিসেম্বর তেমনই বিজয় হবে।

বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর বিজয়নগরে ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ড. কামাল এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রের মালিক জনগণ উল্লেখ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, নির্বাচনই জনগণের মালিকানা নিশ্চিত করবে। ধানের শীষে ভোট দিলে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

গণফোরাম সভাপতি বলেন, অনেকে ভয় পান, আমরা ভয় পেলে দেশ স্বাধীন করতে পারতাম না। ১৯৯০ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত করতে পারতাম না। অতএব, ভোট গণনা না করা পর্যন্ত পাহারা দিন। ১৬ কোটি মানুষ, কতজনকে গ্রেফতার করবে তারা?

উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ক্ষমতাসীনদের প্রচারণায় তাগিদ দেওয়ার দিকে ইঙ্গিত করে ড. কামাল বলেন, উন্নয়ন উন্নয়ন, এটা আইয়ুব খানের প্রত্যাখ্যাত বক্তব্য। ১৯৭১ সালে এটা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

কামাল দাবি করে বলেন, মাঠপর্যায় থেকে তিনি নিয়মিত অসংখ্য ফোনকল রিসিভ করছেন এবং জনগণের বিপুল সাড়া পাচ্ছেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। নির্বাচনে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করছে তারা। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জনগণ ঐক্যবদ্ধ। গণতন্ত্রের মুক্তি, রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরে পেতে ধানের শীষে ভোট দিন।

এ সময় বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, যারা ৬৯ দেখেছেন, ৭১ দেখেছেন, তারা ২০১৮ সালের ঐক্য দেখে বিস্মিত হবেন। আচরণের কারণে বর্তমান সরকার নিজেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইসি যে ভূমিকা পালন করছে, মীরজাফরদের মতো নিন্দিতের তালিকায় নাম লেখাচ্ছে।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান প্রমুখ।

এর আগে জরুরি বৈঠক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটি।

dt-US-AM-1.jpg

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় সহিংসতার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেমএম নুরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নির্বাচন কমিশনে যান। সেখানে সিইসির নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করে রবার্ট মিলারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল।
এর আগে গত ১১ ডিসেম্বরও আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার।

dt009116-1280x960.jpg

তফসিল অনুযায়ী আগামী ৩০ ডিসেম্বর (রোববার) একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জীবিকার তাগিদে ঢাকায় বসবাসরত কর্মজীবীরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিজ নিজ এলাকায় যাচ্ছেন। একই সঙ্গে টানা তিনদিনের ছুটি পেয়ে অনেকে ছুটে চলছেন গ্রামের বাড়ি। ফলে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে।

দুই কোটি মানুষের বসবাসের এ ঢাকা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন। যাদের সিংহভাগই নিজ এলাকায় ভোটার। ফলে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রাজধানী ছেড়ে তারা নিজ এলাকায় যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কমলাপুর রেল স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী চাপ দেখা গেছে। স্টেশন কর্তৃপক্ষের ধারণা, যাত্রীদের এ ভিড় বিকেল থেকে আরও বাড়বে। কারণ, নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ঢাকায় চাকরিজীবীরা আজ অফিস শেষ করে নিজেদের গ্রামের বাড়িতে রওয়ানা দেবেন।

সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কমলাপুর স্টেশনের ২ নম্বর প্লাটফর্মে থেকে ছেড়ে যায় রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস। ওই ট্রেনের যাত্রী হাসিবুর রহমান হাসিব বলেন, আমাদের মত সাধারণ জনগণের একবার ক্ষমতা আসে জাতীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার। আর এই ভোট প্রদান করা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। যে কারণে নির্বাচন উপলক্ষে ছুটি পাওয়ায় নিজ এলাকায় যাচ্ছি।

অগ্রিম টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসের টিকিটের জন্য অপেক্ষা করছিলেন আব্দুল মালেক শাহ। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীক কারণে দীর্ঘ দিন পরিবার নিয়ে রাজধানীতে বসবাস করলেও আমরা ভোটার সিলেটের নিজ এলাকায়। যে কারণে আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আগামীকাল (শুক্রবার) বাড়ি যাব। তাই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহে আজই এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী জাগো নিউজকে বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীতে অস্থায়ীভাবে বসবাসকারী নাগরিকরা ভোট দিতে নিজ গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন, তাই কমলাপুরে রেলযাত্রীর চাপ বেড়েছে। যেহেতু আজ অফিস শেষ করেই নির্বাচনের জন্য ছুটি হচ্ছে তাই আজ বিকেল থেকে আগামীকাল, পরশু (শুক্র-শনিবার) যাত্রীর চাপ আরও বাড়তে পারে।

রেলওয়ের বাড়তি নিরাপত্তা
নির্বাচনকালীন যেকোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে রেল চলাচলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বিগত বিভিন্ন সময়ে সহিংসতার কারণে রেলওয়ের ওপর নাশকতার বিষয় মাথায় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মিহির কান্তি গুহ জাগো নিউজকে বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। যার মধ্যে জোনাল-ডিভিশনাল কন্ট্রোলরুম স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে কর্মকর্তাগণ ২৪ ঘণ্টা ডিউটি করছেন। যেকোনো বিষয়ে তারা তাৎক্ষণিক জানিয়ে দিতে পারবেন। এছাড়া পেট্রোলিং ডিউটির পাশাপাশি রাতের প্রতিটি ট্রেনে নিরাপত্তায় ট্রেন ইনেসপেক্টর দায়িত্বে থাকবে।