আন্তর্জাতিক Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

india-3-20180829184040.jpg

ভারতের কয়েকটি রাজ্যে মহিলা ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের জন্য উচ্চ বেতনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে গ্রামাঞ্চলে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে । বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে এসব রাজ্যের রোগীরা রয়েছেন চরম দুর্ভোগে। রাজ্যগুলো হলো: ঝাড়খণ্ড, ত্রিপুরা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, ছত্তিশগড় ও কর্নাটক।

ঘোষণা অনুযায়ী, সেখানে চিকিৎসকরা প্রতিমাসে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ রুপি আয় করতে পারবেন। তবে রাজ্যগুলোর এমন প্রস্তাবে সম্মতি দেয়নি কোনো চিকিৎসক।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যসেবায় অনগ্রসর এসব রাজ্যের মধ্যে ঝাড়খণ্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জন্য একটি বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। যেখানে চিকিৎসকরা তাদের নিজস্ব বেতনও গ্রহণ করতে পারবেন।

রাজ্যটিতে চিকিৎসকদের জন্য সর্বোচ্চ বেতনের ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে এজন চিকিৎসক প্রতি মাসে ৩ লাখ রুপি আয় করতে পারবেন। আর ছত্তিশগড়ে চিকিৎসকদের প্রতি মাসে আয় হবে ২ লাখ ৪৭ হাজার রুপি। যদিও সর্বোচ্চ বেতনের বিষয়টি জ্যেষ্ঠতার ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। তবে সকল চিকিৎসকের বেতনই গড়ে ২ লাখের ওপরে হবে।

রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অপেক্ষাকৃত ছোট ও দূরবর্তী এসব অঞ্চলে পোস্টিংয়ের জন্যে ঘোষিত বেতনের এ পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি।

ত্রিপুরা রাজ্য সরকার একজন বিশেষজ্ঞ সার্জনের বেতন ৩ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে, আন্দামান ও নিকোবার অঞ্চলে ২ লাখ ৫০ হাজার রুপি এবং দাদরা ও নাগার হ্যাভালি অঞ্চলে তা ২ লাখ ২৫ হাজার রুপি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের আগে এসব অঞ্চলে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ বেতন ছিল ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা।

বিহারে বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ রুপি প্রদান করা হচ্ছে। উড়িষ্যায় ৮৩ হাজার ৯৩ হাজার, হিমাচল প্রদেশে ৪০ হাজার থেকে ৭৩ হাজার ৭৫০, অন্ধ্র প্রদেশে ৫২ হাজার ৫০০ থেকে ১ লাখ ৫২ হাজার ২৫০ ও গুজরাজে ৫৫ হাজার ১২৫ থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার রুপি দেওয়া হচ্ছে। আর ত্রিপুরায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেওয়া হচ্ছে ৭৫ হাজার থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার রুপি।

জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মনোজ ঝালানি বলেন, ‘আমরা মৃত্যুহার কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ করতে চাই। উন্নত স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য স্বাস্থ্যব্যয় আরও বাড়াতে হবে। নাগরিকদের মূল্যবান জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত আমরা।’

২০১৭ সালে গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিসংখ্যানের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ সার্জনের অপ্রতুলতার বিষয়টি উঠে এসেছে। সেখানে দেখা যায়, সার্জন, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, ফিজিশিয়ানস ও গাইনি বিশেষজ্ঞের অনুমোদিত ২২ হাজার ৪৯৬টি জনের এর বিপরীতে ১৮ হাজার ৩৪৭টি পদেই খালি ছিল। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬২৪ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পদের মধ্যে খালি ৪ হাজার ৫৫৪টি। সাধারণ চিকিৎসকের ৪ হাজার ৭৬০টি, গাইনি বিশেষজ্ঞের ৪ হাজার ১৭০টি ও সার্জনের ৪ হাজার ৮৬৬টি পদ শূন্য।

ওই প্রদিবেদনে আরও বলা হয়, অনুমোদিত এসব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকার বিষয়ে ভারতজুড়ে একই চিত্র। জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন চালু হওয়ার পর থেকে অনেক সার্জনকেই কখনও গ্রামে পাঠানো যায়নি।

জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের আওতায় বর্ধিত বেতনের বিষয়টি অনুমোদন করা হয়েছে, যাতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের গ্রামীণ এলাকায় নেওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যায়।

অন্যথায় জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে না। এটা সহজেই অনুমেয় যে, বেসরকারি খাতে চিকিৎসকদের সন্তোষজনক সম্মানি দেওয়া হয়। এ অবস্থায় তুলনামূলক ভালো বেতন ছাড়া গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের যুক্ত করা যাবে না। সে কারণে কিছু কিছু অঙ্গরাজ্য তাদের যথাযথ সম্মানির ব্যবস্থা করেছে।

tjgtf.jpg

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পুলয়ামায় শ্রীনগর-জম্মু মহাসড়কের ওপর ভারতের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনীর (সিআরপিএফ) সদস্যদের বহনকারী দুটি গাড়ি লক্ষ্য করে জঙ্গিরা হামলা চালালে ৪৬ সেনা নিহত হয়। হামলার দায় স্বীকার করেছে জঈশ-ই-মহম্মদ।

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হলেন জঙ্গি সংগঠন জঈশ-ই-মহম্মদের শীর্ষস্থানীয় কমান্ডার এবং আফগানিস্তান যুদ্ধের অভিজ্ঞ ও বিষ্ফোরক বিশেষজ্ঞ আব্দুল রশিদ গাজী। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

শুক্রবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আব্দুল রশিদ গাজী এই হামলার প্রধান সংগঠক। ধারণা করা হচ্ছে, গত বছরের ডিসেম্বরে এই হামলার পরিকল্পনার কাজ শুরু হয়।

সূত্রের বরাত দিয়ে গোয়েন্দারা দাবি করছেন, এই হামলা ছিল পরিকল্পিত এবং এর নেপথ্যে অনেক কারণ রয়েছে। প্রথম কারণটি হলো, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ছিল ভারতের সংসদে হামলার মূল হোতা আফজল গুরুর মৃত্যুবার্ষিকী। আর তাই তারা একটা বড় হামলা করতে চেয়েছিল যাতে গোটা ভারত কাঁদে।

এদিকে গোয়েন্দা সূত্রমতে, হামলার অনেক আগেই উপত্যকায় প্রবেশ করেছিল হামলাকারীরা। গত মাসে জম্মু-কাশ্মিরে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় জঈশ-ই-মহম্মদ সদস্য তলহা ও উসমান। তারা দু’জনই ছিল মাসুদ আজাহারের ভাতিজা। তারপর থেকে জঈশ-ই-মহম্মদ প্রতিশোধ নিতে তার গাজী বাহিনীকে সেখানে পাঠায় বলে জানিয়েছে গোয়েন্দারা।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত বছরের ৯ ডিসেম্বর তারা উপত্যকায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সেখানে প্রবেশ করে হামলাকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, ডিসেম্বরের শেষে তারা পুলওয়ামায় পৌঁছায় যাত্রীবাহী গাড়িতে করে।

পুলওয়ামায় পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু হয় হামলা। গত ১০ ফেব্র‌ুয়ারি শ্রীনগরের লালচকে সিআরপিএফ এর গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা করে। ওই হামলায় সাত নিরাপত্তারক্ষী ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন।

গোয়েন্দাদের তথ্য মতে, এই হামলার মধ্যে দিয়ে সন্ত্রাসবাদীরা তাদের মূল হামলার ছক থেকে গোয়েন্দাদের নজর পরিবর্তনের চেষ্টা করেছিল। আর এসব ছোট ছোট হামলা চলতে চলতেই ১৪ ফেব্র‌ুয়ারি পুলওয়ামায় ভারতের স্বাধীনতার পর জম্মু-কাশ্মীরে সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা ঘটলো।

india-20190215150048.jpg

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় ৪৬ সেনার নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানকে পুরোপুরি একঘরে করবে ভারত। দিল্লির তরফ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে পাকিস্তানকে একঘরে করতে সব ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ভারত।

বৃহস্পতিবার ভারতের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, কাশ্মিরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় মদদ রয়েছে পাকিস্তানের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও পাকিস্তানের দিকে আঙুল তুলেছে নয়াদিল্লি।

pakistan

কয়েক দশকের মধ্যে এটাই ছিল কাশ্মিরে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা। ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ি বহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মুহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে। ভারতের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে ওই জঙ্গি গোষ্ঠী পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদকে এবং এর প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

pakistan-2

অরুন জেটলি বলেন, পুলওয়ামার ঘটনার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত তারা কোনভাবেই রেহাই পাবে না। দোষীদের জন্য বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ অপেক্ষা করছে।

modi_sharee_home.jpg

ভারতের বাজারে আগেই চমক দেখিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখের অবয়বের বিয়ের কার্ড ও টি-শার্ট। এবার তালিকাটা দীর্ঘ হলো শাড়ির মাধ্যমে।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য গুজরাট। যেটি মোদিরও জন্মস্থান। নিজেও ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। এই রাজ্যেই তার মুখাবয়বের শাড়ি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

রাজ্যের সুরাটে দেখা যাবে, নারীদের শাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখের ছাপ। মূলত আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে মোদির মুখের বিভিন্ন ধরনের শাড়ি বাজারে এসেছে। এই শাড়ি কিনতে মানুষও ভিড় করছেন।

ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, সুরাটে ফুলের ছাপের পাশে মোদির মুখ আঁকা কিংবা শুধু মোদির মুখাবয়ব রয়েছে এমন শাড়ির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতিটি শাড়ি কখনও কখনও কয়েক হাজার রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ী রনক শাহ জানান, শুধু প্রধানমন্ত্রী মোদি নন, অন্য নেতাদের মুখের ছাপে তৈরি শাড়িও বাজারে আসছে। তবে, এখন পর্যন্ত মোদির মুখের শাড়িই বেশি বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা জানান, মোদির মুখাবয়বের ছাপের বেশ কয়েক ধরনের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে সুরাটে। এগুলোর মানও ভাল।

এমনই এক ক্রেতা বলেন, ‘দোকানগুলোতে রাখা প্রধানমন্ত্রী মোদির ছবিযুক্ত শাড়ি দেখে আমার পছন্দ হয়। পরে কিনে নেই। এই শাড়ি পরতে পারাটা গর্বের মনে করছি।’

এর আগে গত বছর দিওয়ালিতে মোদির মুখের ছাপে স্বর্ণালঙ্কার ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তারও আগে তাকে বিয়ের কার্ডে দেখা গিয়েছিল।

arakan-army-chief.jpg

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) দেশটির উত্তর রাখাইনে খুব শিগগিরই তাদের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার্স স্থাপন করতে যাচ্ছে। সশস্ত্র গ্রুপটির প্রধান মেজর জেনারেল তুন মিয়াত নাইং এক ভিডিওতে এ কথা জানিয়েছেন।

বার্মিজ গণমাধ্যম ইরাওয়াদ্দি দাবি করছে, আরাকানের গ্রামবাসীর মধ্যে ভাষণ দেওয়া সংক্রান্ত মিয়াতের ওই ভিডিও তাদের হাতে এসেছে। আরাকানি ভাষায় দেওয়া ওই ভাষণ গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রচার করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, এএ প্রধান যেসব আরাকানি বিদেশে অবস্থান করছে তাদের রাখাইনে ফিরে আসার বার বার আহ্বান জানাচ্ছেন এবং তাদেরকে ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক টার্নিং পয়েন্টে, তার ভাষায়, অংশ নেওয়ার কথা বলছেন।

প্রসঙ্গত, এ নিয়ে চলতি মাসে দুটি এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রচার করলো আরাকান আর্মি। এর আগে গত সপ্তাহে গ্রুপটির উপ-প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নিয়ো তুন অং একটি ভিডিও প্রকাশ করেন।

ইরাওয়াদ্দি বলছে, বেশ কিছু সূত্র ভিডিওর সত্যতা নিশ্চিত করেছে। ভিডিওতে এএ প্রধান জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, রাখাইনে সরকারি সেনাদের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ শুধু একটি সশস্ত্র সংঘাত নয়, বরং সমস্ত আরাকানি জনগণ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সংগ্রাম।

মিয়াত বলেন, ‘আমি পুরোপুরিভাবে বিশ্বাস করি, আরাকানের জনগণ ও এএ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করবে। আমরা বার বার এটাও বলছি যে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী সমগ্র আরাকানি জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।’

এর আগে সশন্ত্র সংগ্রামের কারণে আরাকানের অনেক বাসিন্দা অন্যান্য রাজ্য কিংবা বহির্বিশ্বে চলে গেছে। তাদের ফেরত এসে সংগ্রামে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মিয়াত বলেন, সে যুগ চলে গেছে। আরাকান আর্মির মাঠ পর্যায়ের কমান্ডার ও সমর্থকরা আগ্রহীদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করছেন। চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে বলেও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন এএ প্রধান।

উপস্থিতদের মধ্যে কারা আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগ দিতে চান- মিয়াত তা জানতে চাইলে প্রায় এক শ গ্রামবাসী হাত তুলে তাদের আগ্রহের কথা জানান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নৃতাত্ত্বিক সশস্ত্র গোষ্ঠীদের নিয়ে গবেষণা করা ইউ মং মং সোয়ে বলেন, আরাকান আর্মির যে ‘২০২০ আরাকান স্বপ্ন’ রয়েছে তার অংশ হিসেবেই উত্তর রাখাইনে এই হেডকোয়ার্টার্স স্থাপন করতে পারে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এএ রাখাইনে একটি শক্ত ঘাঁটি স্থাপনের চেষ্টা করছে এবং সম্ভবত তারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বেশ কিছু হামলা চালাবে ও ২০২০ সালের দিকে রাজনীতিতে প্রবেশ করবে।’

আরেক রাজনীতি বিশ্লেষক কো ওয়াং অং বলেছেন, আরাকান আর্মি রাজনৈতিক ও সামরিক উভয় দিক থেকেই মাঠে তাদের স্বপ্ন যৌক্তিক ও ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলছেন, এএ ও আরাকানিরা যেহেতু পারস্পারিক সহানুভূতি প্রকাশ করছে সেহেতু রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র সংগ্রামের বড় ধরনের রাজনৈতিক মূল্য দিতে হবে ভবিষ্যতে।

crown-prince-20190215104233.jpg

চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে যাচ্ছেন সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান। তারপর সেখান থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি দু’দিনের সফরে ভারতে যাবার কথা রয়েছে তার। দু’দেশে সফরকালে একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের বার্তা দেবেন বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে নিজের দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রিন্স সালমান ভারতে সফর করবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বছরের নভেম্বরে মোদির সঙ্গে জি-২০ সম্মেলনে আর্জেন্টিনায় দেখা হয়েছিল সালমানের। সৌদি সবচেয়ে বেশি অশোধিত তেল সরবরাহ করে ভারতেই। তবে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক তেলের ওপরই সীমাবদ্ধ নেই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি কয়েক বছরে জ্বালানি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগসহ পারষ্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিসর বেড়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে এই সফরে সৌদি যুবরাজ প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগের ঘোষণা করতে পারেন।

এর ফলে বন্দর এবং মহাসড়ক নির্মাণের কাজে গতি আসবে। সৌদি আরব ভারতের ফার্ম সেক্টরেও বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারতও সৌদি আরবে পণ্য রপ্তানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা।

মুসলিম দেশ হওয়ার কারণে পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। গত বছরের অক্টেবরের শেষের দিকে সৌদি আরব পাকিস্তানের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ৬শ’ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছিল। এবারের পাকিস্তান সফরেও সালমান পাকিস্তানে প্রচুর বিনিয়োগ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার কোটি ডলারের তেল শোধনাগার এবং পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স রয়েছে। যেটি নির্মিত হবে গোয়াদর বন্দরে।

trump-20190215101124.jpg

জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প। মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য তিনি দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।

মার্কিন সরকারের অচলাবস্থা রোধে সীমান্তে নিরাপত্তা বিলে স্বাক্ষর করবেন ট্রাম্প। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে মার্কিন সামরিক ফান্ড ব্যবহার করে মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ করতে চান ট্রাম্প।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ক্ষমতার অপব্যবহার ও আইনের অপব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ এনেছেন ডেমোক্রেটের শীর্ষ নেতারা। ট্রাম্প সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণকে বেশি জোর দিচ্ছেন কারণ নির্বাচনী প্রচারণায় এ বিষয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এটা তার নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল।

তবে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে যে অর্থ বরাদ্দ দাবি করেছেন সে পরিমাণ অর্থ আদায় সম্ভব হচ্ছে না। সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৩০ কোটি ডলার অর্থ বরাদ্দ দেয়ার বিষয়ে কংগ্রেসে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ডেমোক্রেটরা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুরু থেকেই সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য ৫৭০ কোটি ডলার বরাদ্দ চেয়ে আসছেন। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে একটি বিল পাস হয়েছে। এখন ওই বিলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষর করলেই তা আইনে পরিণত হবে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আবারও মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর নির্মাণ, সীমান্ত রক্ষা এবং আমাদের দেশকে সুরক্ষিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা এবং মানবিক সংকট নিরসন নিশ্চিত করতে তিনি জরুরি অবস্থা জারিসহ বেশ কিছু নির্বাহী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

মার্কিন সরকারের ফেডারেল এজেন্সিগুলো চালিয়ে নেয়ার জন্য শুক্রবারের মধ্যেই এই বিলে প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর প্রয়োজন।গত মাসে হওয়া তিন সপ্তাহের চুক্তির সময়সীমা শুক্রবারই শেষ হয়ে যাবে। এর আগে একটানা ৩৫ দিন অচলাবস্থা কাটাতে হয়েছে ট্রাম্প সরকারকে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটাই ছিল সর্বোচ্চ অচলাবস্থা।

priyankagandhi.jpg

ভারতশাসিত জম্মু-কাশ্মীরে সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) গাড়িবহরে জঙ্গিদের আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৪৪ ভারতীয় আধাসামরিক সেনা নিহত হয়েছেন। জঙ্গি হামলার নিন্দা জানিয়ে নিহত সেনাদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন গান্ধী পরিবারের সদস্য ভারতীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াংকা গান্ধী।

বৃহস্পতিবার ঘটনার পর পরই নিহত সেনাদের পরিবারের উদ্দেশে প্রিয়াংকা গান্ধী একটি লিখিত বিবৃতি দেন। এতে বলেন, ‘পুলওয়ামার জঙ্গি হামলায় যে সেনারা শহীদ হলেন, তাদের মৃত্যুর জন্য গভীরতম শোকপ্রকাশ করছি। পরিবারের প্রিয়জনকে হারানোর কষ্ট ও ব্যথা আমি অনুভব করতে পারি। আমি তাদের বলতে চাই- শুধু কংগ্রেসই নয়, এই প্রবল শোকের সময়ে আপনাদের পাশে রয়েছে গোটা দেশ, এই বিশাল ও বিস্তীর্ণ ভারতবর্ষ।’

জঙ্গি হামলায় নিহত জওয়ানদের পবিরাবের উদ্দেশে প্রিয়াংকা গান্ধী আরও বলেন, ‘যে স্ত্রী হারালেন তার স্বামীকে, যে সন্তান হারাল তার বাবাকে, যে অভিভাবক হারালেন তার পুত্রকে- সবার প্রতিই আমার গভীর সমবেদনা রইল। আমরা কেবল তাদের একটি কথাই বলতে চাই- এই চরমতম দুঃখের সময়ে আমরা তাদের পাশে আছি। দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন গুরুতর আহত জওয়ানদের জন্য।’

৪৭ বছর বয়সী রাজীব-সোনিয়াকন্যার সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার প্রথম সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল। কিন্তু জঙ্গি হামলায় ৪৪ সেনা নিহত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করেন প্রিয়াংকা।

প্রিয়াংকা গান্ধী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘এই সময়টা রাজনৈতিক আলোচনার জন্য ঠিক নয় বলেই আমি মনে করি। যেসব পরিবার তাদের সন্তানকে হারালেন, যে স্ত্রী হারালেন তার স্বামীকে, যে সন্তান হারাল তার বাবাকে, যে অভিভাবক হারালেন তাদের ছেলেকে, সবার প্রতিই আমার গভীর সমবেদনা রইল। আমরা কেবল তাদের একটি কথাই বলতে চাই- এই চরমতম দুঃখের সময়ে আমরা তাদের পাশে আছি। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আছি।’

প্রসঙ্গত, ছোটবেলায় বাবাকে হারান প্রিয়াংকা গান্ধী।আততায়ীর হাতে নিহত হন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী।প্রিয়াংকার দাদী ইন্দিরা গান্ধীও সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন।

বৃহস্পতিবার বিকালে পুলওয়ামায় সিআরপিএফের ওই গাড়িবহরে ঢুকে পড়ে বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি। জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ হামলার দায় স্বীকার করেছে।

পুলিশ জানায়, পুলওয়ামা জেলার শ্রীনগর-অনন্তনাগ মহাসড়কের ওপর দিয়ে জম্মু থেকে শ্রীনগরে যাচ্ছিল সিআরপিএফের গাড়িবহর। পথে গোরিপোরার কাছে একটি বাসে ধাক্কা মারে বিস্ফোরকভর্তি গাড়িটি।

জঙ্গি হামলার নিন্দা জানিয়েছেন ভারতের প্রায় সব রাজনীতিবিদ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সেনাদের আত্মবলিদান বিফলে যাবে না।

কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছেন, ‘অত্যন্ত কাপুরুষের মতো কাজ এটি। এতজন সেনার শহীদ হয়ে যাওয়া মেনে যাওয়া না। আমি তাদের আত্মার শান্তি কামনা করি। তাদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। আহতদেরও দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’

kashmitr67.jpg

ভারতের বিশেষায়িত বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ৩৪ জওয়ান নিহত হয়েছেন দেশটির নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায়।

মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৫০ জন। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

বৃহস্পতিবার সিআরপিএফ সদস্যদের বহন করা দুটি গাড়িতে জঙ্গিদের বোমা বিস্ফোরণে জওয়ানরা নিহত হয়। জওয়ানদের একটি বাসের মাধ্যমে অন্যটির বিস্ফোরণ ঘটে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানায়, এক জাইশ-ই-মোহাম্মাদ সন্ত্রাসী বিস্ফোরক-বহনকারী গাড়িতে ভ্রমণ করছিল। ওই বাসটিতে ৫৪ ব্যাটালিয়ন সিআরপিএফ জওয়ানরা ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আইইডির বিস্ফোরণের পর শরীরের বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

সিআরপিএফের অপারেশন আইজি জুলফিকার হাসান বলেন, জম্মু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে ৭০টি যানবহন ছিল। এর মধ্যে একটিতে হামলা করা হয়। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাশ্মীর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

alemu.png

পশ্চিমা বিশ্বের পাশাপাশি সৌদি আরবেও এ বছর ভ্যালেন্টাইনস ডে বা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপিত হয়েছে। কাগজে কলমে সৌদিতে ভালোবাসা দিবস পালন নিষিদ্ধ হলেও, সে আইন এখন অনেকটাই শিথিল।

পরিবর্তনের যে হাওয়া সৌদি আরবে বইছে, এ যেন তারই আরেক দৃষ্টান্ত। সৌদি আরবের শীর্ষস্থানীয় এক আলেম ভ্যালেন্টাইন্স ডে প্রসঙ্গে বলেছেন, বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপন শরীয়াহ আইনের পরিপন্থী নয়।

মক্কা নগরীর সাবেক ধর্মীয় পুলিশ প্রধান আহমেদ কাসিম আল গামদি বুধবার টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেন, ভ্যালেন্টাইন ডে একটি ইতিবাচক সামাজিক আচার। এর সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক বা বিরোধ নেই।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল আরাবিয়াকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কাসিম বলেন, ভ্যালেন্টাইনস ডে একটি সামাজিক ইস্যু, জনগণ এটা উদযাপন করতেই পারে, কেননা এটা কোন হারাম কিছু নয়।

সৌদি আরবে যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের উদ্যোগে চলা সংস্কারের অংশ হিসেবে ‘ধর্মীয় পুলিশের’ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলা হয়। এতে করে এখন পুলিশ ধর্মীয় অনাচারের জন্য নাগরিকদের সরাসরি গ্রেফতার করতে পারবে না।

বুধবার ভালোবাসা দিবসে সৌদি আরবে জেদ্দায় প্রশাসনের কোন বাধা ছাড়াই ফুল বিক্রি হতে দেখা যায়। যা গত বছরেও কেউ কল্পনা করতে পারেনি। বিভিন্ন গিফটের দোকানও খোলা থাকতে দেখা যায়।

আহমেদ আল কাসিম আরব নিউজকে বলেন, ভালোবাসা মানুষের সহজাত অনুভূতি। আর তার উদযাপন অমুসিলমদের মধ্যেই কেন সীমাবদ্ধ থাকবে। ধর্মীয় দিক থেকে ভালোবাসা দিবস পালনের অনুমতি রয়েছে।

এদিকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মিশরের আলেম আহমেদ মামদুহ ফতোয়া দেন যে, নির্দিষ্ট একটি দিনে একে অপরকে ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশে কোন ক্ষতি নেই।

তবে তিউনিশিয়ার গ্রান্ড মুফতি ওসমান বাটিক এই ফতোয়ার বিরোধী। তিনি বলেন, ভ্যালেন্টাইনস ডে খ্রিস্ট ধর্মালম্বীদের ঐতিহ্য। মুসলিমরা ইসলামী নৈতিকতার বিরোধি কোন কিছু উদযাপন করতে পারে না।