আন্তর্জাতিক Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

trump88.jpg

ইরান যেকোনো সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলা চালাতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনির অফিস থেকে প্রকাশিত একটি টুইট বার্তায় এমনটিই দাবি করা হয়েছে।

ট্রাম্পের গলফ খেলার একটি ছবি পোস্ট করে টুইটে বলা হয়, প্রতিশোধ অনিবার্য। সোলাইমানির হত্যাকারী এবং যে এই আদেশটি দিয়েছে তাকে অবশ্যই প্রতিশোধের সম্মুখীন হতে হবে।

এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর খামেনি বলেন, ‘যারা জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন এবং যারা তা বাস্তবায়ন করেছেন, তাদের সবার শাস্তি পেতে হবে।’ তবে এ বক্তব্যে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম উল্লেখ করেননি।

trump56567.jpg

সদ্য সাবেক হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিরে যাচ্ছেন তার আগের কাজে। রাজনীতি শুরু করার আগে তিনি ছিলন একজন ব্যাবসায়ী। চার বছর পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশের প্রেসিডেন্ট থাকার পর আবারও পারিবারিক ব্যবসায় ফিরে যাচ্ছেন তিনি।

করোনভাইরাস মহামারিতে তার ব্যবসার সবচেয়ে বড় খাতগুলোতে অন্তত ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে আছে ডোরাল গলফ প্রোপার্টি, ওয়াশিংটন হোটেল এবং দুটি স্কটিশ রিসোর্ট।

ট্রাম্পের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বর্তমান অবস্থা প্রকাশ করা হয় তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা ছাড়ার পর। এ মাসের শুরুর দিকে ক্যাপিটল হিলে তার সমর্থকরা যে তাণ্ডব চালিয়েছেন, সেটির প্রভাব হিসেবে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে অন্য অনেক প্রতিষ্ঠান তাদর চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে।

ট্রাম্পের প্রতিষ্ঠানগুলোর মোট ঋণের পরিমাণ ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। যদিও এরিক ট্রাম্প, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের সাথে ট্রাম্প অরগানাইজেশন দেখাশোনা করতেন, বলেছেন, যে পরিস্থিতির কথা বলা হচ্ছে ট্রাম্পের অবস্থা অতোটা খারাপ নয়।

তিনি বলেন, “গলফ ব্যবসা কখনোই খুব ভালো ছিলো না। কিন্তু সম্প্রতি আমরা শত শত নতুন সদস্যকে যুক্ত করেছি। এতে কোটি কোটি ডলার আয় হয়েছে।”

প্রেসিডেন্সি ছাড়ার পর ট্রাম্প এখন নতুন করে ব্যবসায় মন দিবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যমান সব প্রকল্পের সাথে তিনি নতুন প্রকল্প গঠনের দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন বলে তার কাছের লোকেরা সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। যদিও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যাচ্ছে না।

japan-mosque.jpg

পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র জাপান। দেশটি মুসলিম সংখ্যালঘু দেশ হিসেবে পরিচিত হলেও দেশটিতে ক্রমেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

জাপানে গত এক দশকে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণের চেয়ে বেশি হয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে মসজিদের সংখ্যাও বেড়ে গেছে।

বিশ্লেষণে দেখো গেছে, পূর্ব এশীয় দেশগুলোর মধ্যে জাপানে ইসলাম সব থেকে দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করেছে। দেশটিতে মুসলিম জনসংখ্যা আগে ছিল ১ লাখ ১০ হাজার তা বেড়ে বর্তমানে ২ লাখ ৩০ হাজার হয়েছে।

দ্য ইকোনমিস্টের খবরে বলা হয়েছে, জাপানের সরকার দেশটিতে বিদেশি শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে সুযোগ-সুবিধা দিয়েছে।

জাপানের বৃহত্তর দ্বীপুঞ্জের সবচেয়ে দক্ষিণের কিউশুর মেক্কা বেপ্পুতে একটি চারতলা ভবনে প্রতি শুক্রবার কয়েক হাজার মুসলিম নারী-পুরুষ মসজিদে নামাজ আদায় করেন।

জাপানে পড়তে আসা বিদেশি শিক্ষার্থীরা অনেকেই রিতসুমেইকান এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেন। পাশাপাশি তারা শহরের বিভিন্ন হোটেলে খন্ডকালীন কাজ করে থাকেন। কিছু বিদেশি ব্যক্তি মাছ ধরার নৌকায় কাজ করেন। এবং অন্যরা জাহাজ নির্মাণ শিণ্পর কাজ করেন।

জাপানের ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটির টানাডা হিরোফুমির এক জরিপ অনুযায়ী, ২০১০ সালে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১০ হাজার। কিন্তু ২০১৯ সালের শেষের দিকে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৩০ হাজারে। এর মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছেন।

জাপানে ১১০টির বেশি মসজিদ রয়েছে। এশিয়া প্যাসিফিক ইউনির্ভাসিটির অধ্যাপক ও বিপ্পু মুসলিম সংগঠনের নেতা মোহাম্মদ তাহির আব্বাস মুসলমানদের এ পরিবর্তনে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি ২০০১ সালে পাকিস্তান থেকে স্নাতকের শিক্ষার্থী হিসেবে দেশটিতে পড়তে আসেন, ওই সময়ে দেশটিতে ২৪টি মসজিদ ছিল। সে সময় কিউশুতে কোনো মসজিদ ছিল না বলেও তিনি জানান।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই করোনা মহামারি মোকাবিলা নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইতোমধ্যে করোনায় দেশটির অর্থনীতি ভয়াবহ সংকটে পড়েছে।

রয়টার্সের দেওয়া তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ বর্তমানে বেকারভাতা গ্রহণ করছে। আর প্রায় তিন কোটি মানুষের কাছে পর্যাপ্ত খাবার নেই। এজন্য শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) বাইডেন দুটি নির্বাহী আদেশে সই করতে পারেন। একটি শিশুদের জন্য খাদ্য সহায়তার পরিসর বৃদ্ধি অন্যটি সবচেয়ে দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তার চেক দ্রুত ছাড় করা সম্পর্কিত।

যেসব শিশু স্কুলে সরবরাহ করা খাবারের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল, সেসব শিশুর পুষ্টি চাহিদার কথা মাথায় রেখে সরকারি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রমের পরিসর বাড়াতে একটি নির্বাহী আদেশে সই করবেন বাইডেন। এছাড়া যেসব পরিবার বেশি দুর্দশাগ্রস্ত, তাদেরকে সরকারি আর্থিক সহায়তার চেক দ্রুত পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আরেকটি নির্বাহী আদেশ জারি করবেন।

বাইডেন অভিষেকের আগেই করোনা মোকাবিলায় তৃতীয় নাগরিক প্রণোদনা হিসেবে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি ডলারের একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এই প্যাকেজ কংগ্রেসে নিয়ম মেনে পাস হতে সময় লাগবে। এই সময়ের মধ্যে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষেরা যাতে আর সমস্যায় না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এ দুই নির্বাহী আদেশ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাইডেন।

নির্বাহী আদেশ দুটি সম্পর্কে হোয়াইট হাউস ন্যাশনাল ইকোনমিক কাউন্সিলের পরিচালক ব্রায়ান ডিজ বলেন, করোনা মহামারির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ভীষণ অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই পদক্ষেপ (নির্বাহী আদেশ) প্রস্তাবিত নাগরিক প্রণোদনা আইনের কোনো বিকল্প নয়। এটি বরং লাখো মার্কিন পরিবারকে এই সময়টাতে জীবিত রাখতে করা হচ্ছে।

jack-mA.jpg

গত বুধবার প্রায় তিন মাস পর দেখা দেন চীনা ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মার। ওই দিন চীনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১০০ শিক্ষকের সামনে প্রায় ১ মিনিটের একটি ভিডিও বক্তব্য দেন মা।

ওই ভিডিও প্রকাশের পর শেয়ারবাজারে আলিবাবার বাজারমূল্য এক দিনে বেড়ে যায় ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। এক দিনে কোম্পানিটির শেয়ারের দর বাড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ।

লেনদেন শেষে কোম্পানিটির বাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭৪ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ফরচুন ডট কমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে আসে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই পরিস্থিতি চীনা সরকারের কপালে ভাঁজ পড়াতে বাধ্য। জ্যাক মাকে কারাদণ্ড বা তার ব্যবসায়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ আনার বিষয়টি সরকারকে ভাবাবে।

প্রায় তিন মাস নিখোঁজ থাকার পর আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা বুধবারের ওই ভিডিও বার্তায় শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘তিনি শিখছেন ও ভাবছেন।’ সরকারের বিরুদ্ধে একটা শব্দ বলেননি তিনি।

গত অক্টোবরে চীনা নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমালোচনা করার পরপরই আলিবাবার সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যান্ট গ্রুপের ৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের আইপিও স্থগিত করে চীনা কর্তৃপক্ষ। আলিবাবার বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের তদন্ত শুরু করে চীনা কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকেই নিখোঁজ হন জ্যাক মা।

Austin_as_secretary_of_defense_pic.jpg

বাইডেন প্রশাসনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হতে আর কোনো বাধা রইল না অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল লয়েড অস্টিনের। এ পদের জন্য তাকে মনোনীত করেছিলেন বাইডেন। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে ভোটাভুটিতে বিষয়টি অনুমোদিত হয়।

আলজাজিরা জানায়, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রি রিপ্রেজেন্টেটিভসে ৩২৬-৭৮ ভোটে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দায়িত্ব নিতে অনুমোদন দেওয়া হয় অস্টিনকে। এরপর অল্প সময়ের মধ্যে উচ্চকক্ষ সিনেটে ৬৯-২৭ ভোটে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে যায়।

আমেরিকার আইন অনুসারে, বেসামরিক বা অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ব্যক্তিত্ব থেকে কাউকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বানানো হয়। সামরিক কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে অন্তত সাত বছরের অবসর জীবন পার করতে হয়, এরপর তিনি এ পদের জন্য উপযুক্ত হন।

২০১৬ সালে সামরিক বাহিনী থেকে অবসর নেন অস্টিন। ফলে তার অবসর জীবন পুরোপুরি পাঁচ বছরও হয়নি। এরপরেও বাইডেন তাকেই তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য কংগ্রেসের ভোটাভুটির অপেক্ষা ছিল, এখন সেই বাধাও দূর হলো। প্রথমবারের মতো একজন কৃষ্ণাঙ্গকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে পেল যুক্তরাষ্ট্র।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কংগ্রেসের অনুমোদন পাওয়ায় অস্টিনের প্রশংসা করেছেন হাউস আর্মড সার্ভিস কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডাম স্মিথ। তার মতে, এ পদের জন্য অনন্যভাবে যোগ্য অস্টিন। জটিল হুমকি পরিস্থিতিতে খুব দ্রুত পেন্টাগনের দায়িত্ব নেয়া উচিত তার, মনে করেন স্মিথ।

ট্রাম্প প্রশাসনের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস মিলারের স্থলাভিষিক্ত হবেন অস্টিন। ট্রাম্পের সঙ্গে বিরোধে ২০১৮ সালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস পদত্যাগ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদটিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাই দেখভাল করছিলেন।

googlekin-219825.jpg

মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল তার সার্চ ইঞ্জিন অস্ট্রেলিয়া থেকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়া এ ধরনের হুমকির পরোয়া করে না বলে পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ও অস্ট্রেলিয়া সরকারের মধ্যে তুমুল উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ প্রকাশকদের সঙ্গে রয়্যালটি ভাগাভাগির সম্ভাব্য আইন নিয়ে দেশটির সরকারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়াল এ টেক জায়ান্ট।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংবাদভিত্তিক পোস্ট থেকে আয়ের ভাগ বসাতে নজিরবিহীন একটি আইন প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে মেলবোর্ন।

ফলে প্রকাশিত সংবাদ থেকে প্রাপ্য অর্থের ব্যাপারে গুগল-ফেসবুকের সঙ্গে দরদামের সুযোগ পাবেন প্রকাশকরা। একে অস্ট্রেলিয়া সরকারের একতরফা সিদ্ধান্ত আখ্যা দিয়েছে গুগল।

গুগল বলছে, এতে গ্রাহকসেবায় বিঘ্ন ঘটবে। গুগল অস্ট্রেলিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিনেট শুনানিতে বলেন, মীমাংসায় না পৌঁছালে দেশটিতে গুগল সার্চ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। যদিও হুমকিতে কিচ্ছু যায়-আসে না জবাব অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রীর।

বেশ কিছুদিন ধরেই এ বিষয়ে গুগলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সরকারের ঝামেলা চলছে। বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে, অস্ট্রেলীয় সরকারের নেওয়া ঐতিহাসিক আইন বাস্তবায়িত হলে সংবাদ কনটেন্টের জন্য দেশটির প্রকাশকদেরও লাভের ভাগ দিতে বাধ্য থাকবে গুগল, ফেসবুকসহ অন্য প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো, যারা এ ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ ও প্রচারের মাধ্যমে মুনাফা করে।

গুগল বলছে, এ ধরনের আইন করলে তা অস্ট্রেলিয়ায় তাদের সেবাকে বাধাগ্রস্ত করবে। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, তার দেশের আইনপ্রণেতারা হুমকিতে পিছু হটবেন না।

এ আইন হলে গুগল ও ফেসবুককে অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ প্রকাশকদের সঙ্গে বসে কনটেন্টের মূল্য নির্ধারণের জন্য আলোচনায় আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, এ বছরই পার্লামেন্টে আইনটি পাস করার বিষয়ে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

kamala-haris-259899.jpg

মহামারি করোনা ভাইরাসের পাদুর্ভাবে যখন কাঁপছে বিশ্ব ঠিক সেই মুহূর্তে আমেরিকার কার্টুন প্রোগ্রাম ‘দ্য সিম্পসনস’  এক বিশেষ আলোচনার বিষয় বস্তু  হয়ে দাঁড়ায়।

দাবি করা হয় যে এই প্রোগ্রামে ২৭ বছর আগে এশিয়ার একটি দেশে ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, যা এখন সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। তবে সিরিয়ালে ভাইরাসের নাম ওসাকা বলা হলেও ব্যবহারকারীরা এখন এটি করোনার ভাইরাসের সাথে মিল খুঁজে পায়।

ঠিক একই ভাবে কয়েক বছর আগে সিম্পসনস পূর্বাভাস দেয় এক নারী মার্কিন রাষ্ট্রপতি কাজ শুরুর প্রথম দিন একটি বেগুনি পোশাক পরবেন।

সিম্পসনস দেয়া সেই পূর্বাভাস হুবহু মিলে যায় ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিসের ক্ষেত্রে। বুধবার কামালা হ্যারিস সিম্পসনসের সেই কার্টুন চরিত্রের মতই বেগুনি পোশাক পরে প্রথম কর্মদিন শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই কার্টুন চরিত্রের ছবি এখন ভাইরাল।

এদিকে কার্টুন চরিত্রের মতন শুধু বেগুনি পোশাকই শুধু নয় ঠিক একই রকম গলায় পরা মুক্তোর মালা আর কানে মুক্তোর দূলও পরেছিলেন কামালা হ্যারিস।

এর আগে ১৯৯৩ সালে প্রচারিত দ্য সিম্পসনসের একটি পর্বে দেখানো হয়েছিল যে আমেরিকার একটি কল্পিত শহরে একজন লোক জাপান থেকে এসেছিল এবং তিনি শহরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ছোঁয়াচে এই রোগে পুরও শহরজুড়ে একটি বিপজ্জনক ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এই পর্বটির নাম ছিল মার্গ ইন চেইনস।

বর্তমানে করোনা ভাইরাসের কারণে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তার সামঞ্জস্য প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হলে এই তথ্যটি সবার সামনে আসে। কেউ কেউ একে ভবিষ্যদ্বাণী আবার কেউ কেউ একে একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করছে।

এদিকে শুধু তাই নয়, সিম্পসনে ২০০০ সালেও একটি পর্ব প্রচার হয়েছিল যাতে দেখানো হয়েছিল আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যা ট্রাম্প মার্কিন রাষ্ট্রপতি হওয়ার ১৭ বছর আগেই সম্প্রচার করা হয়েছিল। এদিকে তাদের এমন ভবিষ্যৎবানী মিলে যাওয়ায় নেটিজেনরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবিও করছেন যে এই প্রোগ্রামটির নির্মাতা ও লেখকরা ভবিষ্যৎ থেকে এসেছেন।

biden64.jpg

ক্ষমতা গ্রহণের দুদিনের মধ্যেই অন্তত ২৫টি নির্বাহী আদেশে সই করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

ক্ষমতা গ্রহণের দিন তিনি ১৫টি নির্বাহী আদেশে সই করেন। এবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি আরো ১০টি নির্বাহী আদেশে সই করতে যাচ্ছেন।

তার আদেশ অনুসারে টিকা প্রদানের গতি বাড়ানো হবে এবং প্রতিদিন আরো বেশি সংখ্যক লোকের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে।

এ ছাড়া মাস্কের মতো জরুরি জিনিসের উৎপাদন বাড়াতে জরুরি আইন প্রয়োগ করা হবে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভিন্ন ভিন্ন রাজ্যের সিদ্ধান্তের দিকে না তাকিয়ে সামগ্রিক সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাইডেন নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র এক দিনের মধ্যেই।

মহামারিতে যেভাবে কাজ করা দরকার সেভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্যাপকভাবে সমালোচনার শিকার হয়।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত চার লাখ ছয় হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছে আর ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় আড়াই কোটি মানুষ।

এ দিকে, প্রথম দিন বাইডেন যে সব নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তার মধ্যে ছিলো করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ক্ষতির মুখে পড়া নাগরিকদের জরুরি সাহায্য প্রদান, ছয়টি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও লিঙ্গ ও জাতভেদে মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।

covaccine-bharat-biotec.jpg

‘কোভ্যাক্সিন’ নামে কোভিড-১৯ প্রতিরোধী ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি ‘ভারত বায়োটেক’। সেটির এখনো তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষ না হলেও ইতোমধ্যে নিজ দেশে জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে দেশটির সরকার।

এবার বাংলাদেশেও তারা এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চালাতে চায়। বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চীনা ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি সিনোভ্যাকও তাদের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চালাতে চেয়েছিল।

বাংলাদেশ সরকারও রাজি হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্থিক চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ সমঝোতায় না পৌঁছানোয় সেটি আর হয়নি।

ভারতের ভ্যাকসিন এ মাসেই জরুরি ভিত্তিতে কিছু মানুষকে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।

সবগুলো ট্রায়াল তারা নিজ দেশেই চালিয়েছে। তবে এখনো তৃতীয় বা চূড়ান্ত ধাপের ফলাফল প্রকাশ পায়নি।

বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের ডিরেক্টর মাহমুদ-উজ-জাহান রয়টার্সকে বলেন, ভারতীয় কোম্পানির কাছ থেকে ইতোমধ্যে প্রস্তাব এসেছে। সেটি এখন যাচাই-বাছাই করা হবে, এর পরই সিদ্ধান্ত।

রয়টার্স আরো জানিয়েছে, ‘কোভ্যাক্সিন’ এর ট্রায়াল করাতে চায় ঢাকার আইসিডিডিআর’বি। তবে প্রতিষ্ঠানটির কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের ২০ লাখ ডোজ পেয়েছে। সেগুলো সরকার বৃহস্পতিবার গ্রহণ করেছে।