আন্তর্জাতিক Archives - Page 3 of 11 - Dhaka Today

dt008705.jpg

যুক্তরাজ্যভিত্তিক অধিকার গ্রুপ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে দেয়া তাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার তারা প্রত্যাহার করেছে। মঙ্গলবার এক ঘোষণায় সংস্থাটি বলেছে, ‘যে মূল্যবোধের জন্য একদিন তিনি লড়েছিলেন সেটির সঙ্গে লজ্জাজনক বিশ্বাসঘাতকতার’ জন্য তার এই পুরস্কার কেড়ে নেয়া হলো। খবর সিএনএনের।

অ্যামনেস্টির মহাসচিব কুমি নাইডু বলেছেন, ২০০৯ সালে দেয়া অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাম্বাসেডর অব কনসায়েন্স অ্যাওয়ার্ড বাতিল করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে রোববার তিনি মিয়ানমারের বেসামরিক নেত্রী সু চিকে চিঠি লিখেছেন।

নাইডু লিখেছেন, আজ, আমরা গভীরভাবে হতাশ যে আপনি আর আশা, সাহস এবং মানবাধিকার রক্ষায় চিরন্তন প্রতীক নন। অ্যাম্বাসেডর অব কনসায়েন্স গ্রহীতা হিসেবে আপনার বর্তমান অবস্থান সমর্থন করতে পারে না অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং তাই গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা এটি প্রত্যাহার করছি।

জাতিগত অঞ্চলে সেনাবাহিনীর নির্মমতায় তার ‘দৃশ্যত উদাসীনতা’ এবং ‘বাক স্বাধীনতায় অসহনশীলতা বৃদ্ধিতে’ সু চির নিষ্ক্রিয়তার কথা উল্লেখ করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অ্যামনেস্টি বলছে, তিনি তার দেশে মানবাধিকার রক্ষায় ‘রাজনৈতিক এবং নৈতিক কর্তৃত্ব’ ব্যবহার করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যার অভিযোগে এক সময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিউনিটির আইকন সু চির বেশ কিছু সম্মানজনক পুরস্কার কেড়ে নেয়া হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মমতা ঘটার এক বছর পর গত সেপ্টেম্বরে সু চি বলেন, তার সরকার রাখাইন রাজ্যের অবস্থা আরও ভালোভাবে সমাধান করতে পারতো।

‘সেনাবাহিনীকে সক্রিয়ভাবে রক্ষা করেছেন’ সু চি

রোহিঙ্গাদের পুড়িয়ে দেয়া একটি গ্রাম

গত বছর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সেনাবাহিনী নির্মম অভিযান থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে দুই হাজারের বেশি শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ঘোষণার পর অ্যামনেস্টি এমন সিদ্ধান্তের কথা জানালো।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে, ধর্ষণ, হত্যা এবং ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে পদ্ধতিগতভাবে তাদের জাতিগত শুদ্ধি অভিযানের কারণে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে যায়, যেখানে তারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তদন্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।

নাইডু তার চিঠিতে লিখেন, ‘সেনাবাহিনীর দ্বারা সংঘটিত নির্মম নিপীড়ন এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ এড়িয়ে যাওয়া ও ক্ষমার পথ বেছে নিয়েছেন’ সু চি। তার প্রশাসন ‘আন্তর্জাতিক পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত ও জবাবদিহিতা থেকে সেনাবাহিনীকে সক্রিয়ভাবে রক্ষা করেছে।’

তবে সু চির প্রশাসন রাখাইন রাজ্যে যেকোনও ধরনের নির্যাতনের কথা অস্বীকার করে বলেছে, রোহিঙ্গা জঙ্গিদের হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে সেনাবাহিনী।

রোহিঙ্গা পরিবারগুলো কয়েক প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারের বসবাস করলেও দেশটির সরকার তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ মুসলিম অভিবাসী এবং ‘বাঙালি’ হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে থাকে। অনলাইন ঘৃণামূলক বক্তব্য, বিশেষ করে ফেসবুকের মাধ্যমে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু এই সম্প্রদায়ের মানুষের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিভাজন এবং রক্তপাত উসকে দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে নাইডু লিখেন, আপনার প্রশাসন সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো, বৈষম্য এবং শত্রুতা পৃষ্ঠপোষকতার ঘটনায় আমরা ভীত।

রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের ঘটনা ছাড়াও দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন ও শান রাজ্যেও সেনাবাহিনীর অভিযানের বিষয়টি উল্লেখ করেছে অ্যামনেস্টি, যেখানে বেশ কয়েক বছরে ধরে চলা গৃহযুদ্ধের কারণে এক লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

অধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের কারাদণ্ড

মিয়ানমারের বেসামরিক সরকার দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে পার্লামেন্টে রয়েছে। পার্লামেন্টে ২৫ ভাগ আসন রয়েছে সেনাবাহিনীর। স্টেট কাউন্সিলর হিসেবে সু চির যে ক্ষমতা রয়েছে তা ব্যবহার করেও তিনি মানবাধিকারের জন্য সুফলকারী সংস্কার করছেন না বলেও অভিযোগ অ্যামনেস্টির। অ্যামনেস্টি বলছে, ২০১৫ সালে সু চি ক্ষমতায় বসার পর থেকে উপনিবেশ আমলের নিপীড়নমূলক আইনের অধীনে অধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার অব্যাহত আছে।

এ বছরের শুরুর দিকে দেশটির অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘনের দায়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের দুজন সাংবাদিককে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওয়া লোন ও কিয়াও সোয়ে ও রাখাইন রাজ্যে ১০ রোহিঙ্গা পুরুষ ও ছেলেকে গণহত্যাসহ সেনাবাহিনীর নৃশংসতা তদন্ত করছিলেন।

এখন আর আইকন নন

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার সু চির বেশ কিছু সম্মানসূচক পুরস্কার বাতিল করা হয়েছে। গত মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের হলোকস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়াম সু চিকে দেয়া তাদের একটি পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেয়। ২০১২ সালে দেয়া সম্মানজনক এলি উইসেল অ্যাওয়ার্ড বাতিলের কারণে হিসেবে সংস্থাটি জানায়, সু চি রাখাইনের ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

বাংলাদেশে শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গারা

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে ‘বার্মায় সেনাবাহিনীর নিপীড়ন ও শাসনের বিরোধিতার’ কারণে ১৯৯৭ সালে পাওয়া সু চির ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব অক্সফোর্ড পুরস্কার প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তারও আগে সেপ্টেম্বরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট হিউ’স কলেজের মূল ফটক থেকে সু চির প্রতিকৃতি নামিয়ে ফেলা হয়। এই কলেজে একজন আন্ডারগ্রাজুয়েট হিসেবে পড়াশোনা করেছিলেন সু চি।

গত মাসে কানাডার হাউজ অব কমন্স তার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের পক্ষে সর্বসম্মতভাবে ভোট দেয়। ওইসময় ‘রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জন্য তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে’ বলেও স্বীকৃতি দেয় তারা।

২০০৯ সালে যখন সু চিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের অ্যাম্বাসেডর অব কনসায়েন্স দেয়া হয় তখন তিনি গৃহবন্দি ছিলেন। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য তার শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আন্দোলনের স্বীকৃতি স্বরূপ সু চিকে ওই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

অ্যামনেস্টির নাইডু বলেন, আমরা সু চি বা তাকে ছাড়াই মিয়ানমারের ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের জন্য লড়াই করে যাবো

nhamas.jpg

গাজায় উপত্যকায় ইসরায়েলিদের হামলায় হামাসের একজন সিনিয়র কমান্ডার নিহতের ঘটনায় শহীদদের রক্তের বদলা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে হামাস।

এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস বলেছে, ইহুদিবাদী ইসরাইলকে মোকাবিলায় প্রতিরোধ সংগ্রামীদের পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে হবে।

গাজা উপত্যকার দক্ষিণের ‘খান ইউনুস’-এ ইসরায়েলি সেনাদের বিমান ও স্থল হামলায় হামাস কমান্ডারসহ ৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন।

এ ঘটনার পরই এক বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি।

ইহুদিবাদী ইসরাইল ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিজের অবৈধ উপস্থিতি বজায় রাখার জন্য দীর্ঘদিন ধরে সংগ্রামী ফিলিস্তিনিদেরকে এভাবে হত্যা করে আসছে। তবে ফিলিস্তিনি জনগণ মনে করেন, এভাবে মানুষ হত্যা করে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে না ইসরায়েল।

বিবৃতিতে হামাস জানায়, ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনীর একটি দল প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে একটি বেসামরিক গাড়িতে করে গাজা উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করে। তারা চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি চালিয়ে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাস্‌সাম ব্রিগেডের সিনিয়র কমান্ডার নূর বারাকা’কে হত্যা করে।

olice.jpg

বেচারা পুলিশ! মদের ঘোরে শেষ পর্যন্ত রাস্তাতেই কাত হলেন। গতকাল শনিবার রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাট শহরে এমন ঘটনা ঘটে।যেখানে দেখা যায়, অতিরিক্ত মদ পান করার কারণে রাস্তায় বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছেন এক পুলিশ সদস্য। বালুরঘাট থানায় কর্মরত এই পুলিশের নাম সুজিত চক্রবর্তী।

জানা গেছে, তার এ অবস্থা দেখে ভিড় জমে যায়। পথচারীরা পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি কথা বলতে পারছিলেন না। স্থানীয়রা বাড়ি পাঠানোর চেষ্টা করলেও তাকে উঠানো যাচ্ছিল না।

এর পর খবর পেয়ে বালুরঘাট থানা থেকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাস্তা থেকে সুজিত চক্রবর্তীকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সূত্র: জি নিউজ

dt008686.jpg

বিমান চালানোর আগে জানা গেল পাইলট মদ্যপ। রোববার বিকালে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১১১ বিমানটি আকাশে উড্ডয়নের ঠিক আগমুহূর্তে ধরা পড়ে যে, বিমানচালক মদ্যপ। খবর এনডিটিভি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটিতে প্রকাশ, বেলা ২ট ৪৫ মিনিটে বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল বোয়িংটির।
পরপর দুবার ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্টে অকৃতকার্য হন এর পাইলট অরবিন্দ কাঠপালিয়া।
কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার জানান, পাইলট একটু আগে অ্যালকোহল পান করেছেন। তিনি বিমান চালানোর জন্য ফিট নন। এর পর মদ্যপ পাইলটকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে অন্য একজন পাইলটকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়। তবে এ ঘটনায় বিমানটি নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর উড্ডয়ন করে।
এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত পাইলটের রক্ত পরীক্ষা করেও তাতে উচ্চমাত্রার অ্যালকোহলের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
এর আগেও পাইলট অরবিন্দ কাঠপালিয়াকে বিমান চালানোর আগে মদ্যপ অবস্থায় পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে ডাইরেক্টর জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ)।
সে ঘটনায় তাকে তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল।
আজ সোমবার কাঠপালিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিজিসিএ।
উল্লেখ্য, ডিজিসিএর এয়ারক্রাফট রুলের ২৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিমান ওড়ানোর ১২ ঘণ্টা আগে থেকে পাইলট ও ক্রু মেম্বারদের অ্যালকোহল নেয়া নিষিদ্ধ।
এ নিয়ম লঙ্ঘন করলে তিন মাসের জন্য ফ্লাইং লাইসেন্স বাতিল করা হয় পাইলটের।
একই অপরাধ আবার করলে পাইলটের ফ্লাইং লাইসেন্স সারাজীবনের জন্য বাতিল করে দেয়া হয়।

dt008679.jpg

দীর্ঘ ৩৭ বছর পর মাঠে বসে ফুটবল খেলা দেখার অনুমতি মিলেছে ইরানি নারীদের। তেহরানের শীর্ষ লীগের একটি ম্যাচে তাদের এ সুযোগ দেয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, ওই ম্যাচে কয়েকশো নারীকে মাঠে যাওয়ার অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যম বলছে, এদিন প্রায় ৫০০ নারী ম্যাচ দেখার সুযোগ পান। মাঠে সব মিলিয়ে দর্শক ছিল প্রায় ৮০ হাজার। অর্থাৎ নারীদের সংখ্যা ছিল একেবারেই কম। অবশ্য ম্যাচ দেখার সুযোগটিকেই আপাতত বড় করে দেখা হচ্ছে।
তেহরানে অনুষ্ঠিত এশিয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে ইরানের নারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা দেখেন। এ সময় পুরুষ দর্শকদের থেকে আলাদা স্থানে রাখা হয় তাদের।
বলা হচ্ছে, মাঠে যাওয়া বেশিরভাগ নারী খেলোয়াড়দের পরিবারের সদস্য। তবে ধীরে ধীরে এ অবস্থা পাল্টাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইরানি নারীরা পুরুষদের কোনও স্পোর্টস ইভেন্টে উপস্থিত থাকার সুযোগ হারায় ৩৯ বছর আগে। ১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের সময় পুরুষদের ইভেন্টে নারী দর্শকদের নিষিদ্ধ করা হয়।
আর শীর্ষ ক্লাবগুলোর খেলায় তারা নিষিদ্ধ হয় ১৯৮১ সালে। অর্থাৎ ৩৭ বছর ধরে তারা কোনও ক্লাবের খেলা দেখার সুযোগ পাননি। অবশ্য কিছু খেলায় বিদেশি নারীদের উপস্থিত থাকার সুযোগ রয়েছে।
বর্তমানে এসব নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ইরান সরকারের সাথে কাজ করে যাচ্ছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
প্রসঙ্গত, এবারের বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে ইরানের একটি ম্যাচ দেখার সুযোগ পায় দেশটির
নারীরা। এরপর গত মাসে ইরান ও বলিভিয়ার মধ্যকার প্রীতি ম্যাচ দেখার সুযোগ দেয়া হয় তাদের। যদিও এর পরপরই আবারও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

dt008676.jpg

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রস্তুতি নিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির কর্মকর্তারা রোববার জানিয়েছেন, দুই হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমের প্রথম দলটির প্রত্যাবাসনে তারা প্রস্তুতি নিয়েছে।গত মাসে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে হওয়া একটি চুক্তির আওতায় ৫ হাজার রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন শুরু হবে।আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গাদের প্রথম গ্রুপটিকে ফেরত নেয়া শুরু করবে মিয়ানমার।

বাংলাদেশের তরফ থেকে প্রত্যাবাসনের জন্য রোহিঙ্গাদের একটি লিস্ট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গা উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইনে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। গত বছরের আগস্টে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনী অভিযান শুরুর পর সেখান থেকে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, যেখান থেকে তারা পালিয়ে এসেছে সেখানে আর ফিরে যাবে না। এদিকে, বাংলাদেশের তরফ থেকে বলা হয়েছে, তারা কাউকে জোর করে ফেরত পাঠাবে না।

তবে মিয়ানমার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর কথা বললেও জাতিসংঘ বলছে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়াটা নিরাপদ নয়। কারণ, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে মিয়ানমারের বৌদ্ধ সম্প্রদায়।

রোববার বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াংগুনে বাংলাদেশের কথা উল্লেখ করে মিয়ানমারের সমাজ কল্যাণ এবং পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এটা অন্য দেশের ওপর নির্ভর করে যে এটা হবে কিনা। তবে আমাদের দিক থেকে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আর আমরা সেটাই করেছি।

বাংলাদেশ ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম বলেন, বৃহস্পতিবার এই প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে আশাবাদী তিনি। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন যে, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হবে। কাউকে জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না।

গত বছরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছিল মিয়ানমার। কিন্তু এ প্রক্রিয়া শুরু হতেই এক বছরের মতো সময় লেগে গেছে।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, রাখাইনে সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় বৌদ্ধরা তাদের বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে, নির্বিচারে গুলি করে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, নারীদের ধর্ষণ করা হয়েছে।

জাতিসংঘ ওই অঞ্চলে তদন্তের পর জানিয়েছে, সেখানে গণহত্যা এবং জাতিগত নিধন চালিয়েছে সেনাবাহিনী। কিন্তু মিয়ানমারের তরফ থেকে এমন অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দু’টি নৌকায় করে ২ হাজার ২৫১ জনের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন উইন মিয়াত আয়ে। অপরদিকে ২ হাজার ৯৫ জনের দ্বিতীয় গ্রুপটিকে পরে যে কোন সময় নৌকায় করে ফেরত পাঠানো হবে।

কর্তৃপক্ষ তাদের এমন স্থানে পাঠাবে যেখানে তাদের জন্য সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সেখানে তাদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে এবং তারা কাজ করারও সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

dt008675.jpg

সৌদি আরব ২০১৭ সালে ইরানের আল-কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যা করতে চেয়েছিল বলে খবর দিয়েছে মার্কিন দৈনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে দৈনিকটি এ খবর দিয়েছে।

২০১৭ সালের মার্চ মাসে রিয়াদে সৌদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সম্প্রতি খাশোগি হত্যাকাণ্ডে পদচ্যুত সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আহমেদ আল-আসিরি। যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ এই জেনারেল সৌদি ব্যবসায়ীদের বলেন, যেকোনো উপায়ে ইরানের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে হবে। বৈঠকে এ লক্ষ্যে ২০০ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা হয়।

একইসঙ্গে আসিরি ইরানের আল-কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যার উপায় নিয়েও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।

আইআরজিসি’র এক অনুষ্ঠানে জেনারেল সোলায়মানি (ফাইল ছবি)
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী- আইআরজিসি’র কুদস ব্রিগেড ইরাক ও সিরিয়া থেকে উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশ (আইএস) নির্মূলে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছে। কুদস ব্রিগেডের এই ভূমিকাকে সহজভাবে নেয়নি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক সৌদি আরব। জঙ্গি দমনে কুদস ব্রিগেডের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানানোর পরিবর্তে এর কমান্ডারকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে রিয়াদ।

মোহাম্মাদ বিন সালমান সৌদি আরবের যুবরাজের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যখন ক্ষমতা সংহত করার কাজে হাত দেন তখন রিয়াদে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই তার বিরোধীদের দমনের উদ্দেশ্যে জামাল খাশোগির মতো হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদন দেন।

সৌদি রাজতন্ত্র বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ড এবং দারিদ্র পীড়িত ইয়েমেনে ভয়াবহ আগ্রাসন চালানোর কারণে সৌদি আরব যখন প্রচণ্ড আন্তর্জাতিক চাপে রয়েছে তখন নিউ ইয়র্ক টাইম এ খবর প্রকাশ করল।#

dt008671.jpg

ইহুদিবাদী ইসরাইলি সেনারা অবরুদ্ধ গাজায় অনুপ্রবেশ করে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের একজন শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারকে হত্যা করেছে। একইসঙ্গে ইহুদিবাদী সেনাদের আগ্রাসী হামলায় হামাসের আরেকজন স্থানীয় কমান্ডারসহ আরো পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
হামাস রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়ছে, ইসরাইলি বিশেষ বাহিনীর একটি দল প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে একটি বেসামরিক গাড়িতে করে গাজা উপত্যকায় অনুপ্রবেশ করে। তারা চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি চালিয়ে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাস্সাম ব্রিগেডের সিনিয়র কমান্ডার নূর বারাকা’কে হত্যা করে। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের কাছে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ইসরাইল সীমান্ত থেকে গাজা উপত্যকার তিন কিলোমিটার ভেতরে এই হামলা হয় বলে হামাস জানিয়েছে।
কমান্ডার নিহত হওয়ার পর হামাস যোদ্ধারা ঘাতক ইসরাইলি সেনা বহনকারী গাড়িটির ওপর হামলা চালালে দু’পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় শুরু হয়। এ সময় আকাশে উড়ে আসে একটি ইহুদিবাদী জঙ্গিবিমান। ইসরাইলি বিশেষ সেনা বহনকারী গাড়িটিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার জন্য ওই বিমান থেকে অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এই গুলি বিনিময় ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে হামাসের স্থানীয় কমান্ডার মোহাম্মাদ আল-কারা’সহ আরো পাঁচজন নিহত হন।

dt008670.jpg

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ভয়াবহ দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে উত্তরাঞ্চলীয় একটি শহরে ১৪ জন মারা গেছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার পাহাড়ি এলাকার প্যারাডাইস শহর থেকে এসব মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার বন ও ফায়ার প্রোটেকশন ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র স্কট ম্যাকক্লিন একথা জানান। তিনি বলেন, এসব ব্যক্তি এতটা মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে খারাপ যে, তাদের পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হবে।

পুড়ে যাওয়া লাশ উদ্ধার করছে অগ্নি নির্বাপক দলের সদস্যরা
দাবানলে পারাডাইস শহরের প্রায় ছয় হাজার ৭০০ ঘরবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার দাবানলের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির রেকর্ড। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এর আগে ১৯৩৩ ও ১৯৯১ সালে গ্রিফিথ পার্ক এবং একটি টানেলে অগ্নিকাণ্ডে এর চেয়ে বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

চলতি সপ্তাহের প্রথম দিকে কয়েকটি গাড়ি থেকে পুড়ে যাওয়া কয়েকটি লাশ উদ্ধার করা হয়। আগুন এতটাই দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে যে, অনেকে গাড়ি ছেড়েও পালাতে পারছে না। দাবানলের ঘটনায় ৩৫ জন নিখোঁজ ও তিন জন অগ্নি নির্বাপক আহত হয়েছে।

ebola.jpg

আফ্রিকার দেশ কঙ্গোতে আবারও মহামারী আকার ধারণ করেছে। নতুন করে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসজনিত রোগে দুই শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

নিহতদের অর্ধেকেই দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় শহর বেনির বাসিন্দা। এখানে ৮ লাখ লোকের বসবাস। শহরটির মাত্র ২৫ হাজার বাসিন্দাকে ইবোলার প্রতিষেধক দেয়া সম্ভব হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওলি ইলুঙ্গা গণমাধ্যমকে জানান, সশস্ত্র বিদ্রোহী গ্রুপের বাধার কারণে সরকারি টিকাদান কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় আবারও মহামারী আকার ধারণ করেছে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটি।

বছরের পর বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলা এ দেশটিতে গত সেপ্টেম্বরে সরকারি টিকাদান কর্মীরা বিদ্রোহীদের একাধিক হামলার শিকার হলে এ কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যায়।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter