খবর Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

jamat-20181119210528.jpg

জামায়াতে ইসলামীর সংস্কারপন্থিদের একটি অংশ নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারা এ কার্যক্রমকে নতুন দল না বলে ‘রাজনৈতিক উদ্যোগ’ বলছে। আগামী ২৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে এ উদ্যোগের প্রকাশ হতে পারে। সম্প্রতি ঢাকায় জামায়াতের বিভিন্ন অঞ্চল এবং পেশার সাবেক ও বর্তমান দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এদিকে দল ভাঙা ঠেকাতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফর কর্মসূচি শুরু করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা। এসব সফরে তারা সংস্কারপন্থি নেতাদের অবস্থানের বিরুদ্ধে কথা বলছেন বলে দলের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।

জানা গেছে, নতুন নামে দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে কমিটি গঠিত হলেও এখনো এর কোনো অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে সংস্কারপন্থি নেতারা জামায়াত ছেড়ে নতুন দল গঠন করতে পারেন।

জামায়াতে সংস্কার এবং একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাইতে  শীর্ষ নেতৃত্বকে রাজি করাতে ব্যর্থ হয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগ করেন দীর্ঘদিন নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালনকারী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। কয়েক বছর ধরে লন্ডনে স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়েছেন তিনি।

আবদুর রাজ্জাক জামায়াত বিলুপ্ত করে একাত্তরে স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকার জন্য ক্ষমা চেয়ে নতুন নামে দল গঠনের পরামর্শ দিয়েছিলেন দলের আমির মকবুল আহমাদকে। একই দিন জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত হন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, যিনি দলের মজলিশে শূরার সদস্য ছিলেন। তিনিও একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চেয়ে উদারপন্থি দল গঠনের পক্ষে ছিলেন।

সূত্রের খবর, মজিবুর রহমান মঞ্জু নতুন দল গঠনে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করছেন। সম্প্রতি তিনি ‘নাগরিক সমাজ’ ব্যানারে রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে সভা-সেমিনার করে আলোচনায় রয়েছেন।

জানতে চাইলে ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘আগেই বলেছিলাম বাংলাদেশে জামায়াতের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অন্ধকার। নেতৃবৃন্দ আমার এই আত্মপর্যালোচনামূলক সমলোচনা পছন্দ করেননি।’

তিনি বলেন, ‘রাজনীতির ছাত্র আমি। যদি আমরা তরুণরা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিই তাহলে একটা নতুন আশার সঞ্চার হবে। এর মাধ্যমে একটি নতুন রাজনৈতিক আন্দোলনের উন্মেষ ঘটবে। অনেকে আমার এ ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।’

নতুন দলে আবদুর রাজ্জাক থাকবেন কি না তা পরিষ্কার করেননি মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি বলেছেন, তারা আবদুর রাজ্জাককে এখনো ‘অ্যাপ্রোচ’ করেননি। ভবিষ্যতে করতে পারেন।

সূত্র জানায়, সংস্কারপন্থিদের নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ গভীর চাপ ও উদ্বেগে ফেলেছে জামায়াতের মূল নেতৃত্বকে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়াসহ দলের সংস্কার ঠেকাতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফর কর্মসূচি শুরু করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা এসব সফরে সংস্কারপন্থি নেতাদের অবস্থানের বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

এদিকে দলের সংস্কারপন্থিদের চাপের মুখে নতুন নামে দল গঠনের যে ঘোষণা দিয়েছিল জামায়াতে ইসলামী, এরও কোনো অগ্রগতি নেই। নতুন দল গঠনের লক্ষ্যে গঠিত কমিটি গত দেড় মাসে দুটি বৈঠক করেছে।

সূত্র জানায়, নীতিনির্ধারকেরা এখন নতুন দল গঠনের চেয়ে সংস্কারপন্থিদের সামাল দেওয়াতেই বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতা সারা দেশে সাংগঠনিক সফর শুরু করেছেন। তারা মাঠপর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের যে কোনো পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ ও সংস্কারপন্থিদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলছেন। তারা কর্মীদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দলের দুঃসময়ে বিভিন্ন দাবিতে যারা দল ছেড়েছেন, তারা দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন।

এরই মধ্যে সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান সিলেট মহানগর, নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা, রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ ও রাজশাহী এবং ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের কুমিল্লা সফর করেন। এরপর আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অতিসম্প্রতি কুমিল্লার একটি আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।

101182_alig.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসার আগ মুহূর্তে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম এম এ মান্নান।

আটক ব্যক্তি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার কাছ থেকে ৮ রাউন্ড গুলিসহ একটি লাইসেন্সকৃত পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে তাকে আটক করে পল্টন থানা পুলিশে হস্তান্তর করেছে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের এডিসি এস এম শিবলী নোমানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার জন্য প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসেন। তার আসার মুহূর্তে বিকেল চারটার দিকে জিরো পয়েন্টে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নিয়োজিত গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মান্নান নামে এক ব্যক্তিকে সন্দেহবশত তল্লাশি করে।

তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ৮ রাউন্ড গুলিভর্তি লাইসেন্সকৃত একটি বিদেশি পিস্তল পাওয়া যায়। পরে তাকে পল্টন থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়।

92-93.jpg

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার জনকল্যান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি তাবারক হোসেন আজাদের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

ওই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরেছিলেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ ব্যাপারে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার স্কুলের ওই অফিস সহকারির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে একটি ভিডিও করে। পরে ফেসবুকে আপলোড করলে সেটি ভাইরাল হয়।

ওই ছাত্রী ভিডিওতে বলে, তাবারক হোসেন নামে ওই ব্যক্তি অফিস সহকারি হলেও মাঝে মাঝে স্কুলের ক্লাস করাতেন। তিনি ক্লাসে ছাত্রীদের বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি করেন। কুপ্রস্তাবও দিতেন। প্রস্তাবে রাজি না হলে ফেল করিয়ে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দিতেন। সম্প্রতি তাকেও জড়িয়ে ধরে যৌন হয়রানি করেন তিনি।

সে আরও বলে, ‘তাবারকের বিরুদ্ধে গত ১৬ এপ্রিল প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিচার চেয়েছি। এর মধ্যে বিষয়টি যাতে আর কাউকে না জানাই, সেজন্য আজাদ তার বাবাকে পাঠিয়েছেন আমাদের বাড়িতে। তিনি আমাকে মা ডেকে বিষয়টি গোপন করতে বলেছেন। তবে তার ছেলের ক্ষতি হলে বিষয়টি দেখে নিবেন বলে হুমকি দিয়েছেন। এ কারণে আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে তাবারকের বাবার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েও পারা যায়নি। তবে তাবারক দাবি করছেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

তাবারক বলেন, ‘অনেক আগে ওই ছাত্রীর বাবা সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। জানার পর তাকে স্নেহ করে জড়িয়ে ধরি। যৌন হয়রানির কিছুই করা হয়নি।’

এই অফিস সহকারি দুই বিয়ে করেছেন। এলাকায় তার সুনাম রয়েছে। লোকে তা ক্ষুন্ন করতে তার চার বিয়ের কথা ছড়িয়ে ষড়যন্ত্র করছেন।

অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রীর অভিযোগের ব্যাপারটি নিশ্চিত করে জনকল্যান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘যা রটেছে তা সঠিক। ভাইরাল হওয়ায় সবাই জেনে গেছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এরপর তদন্ত করে ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে। তাবারক হোসেন আজাদ সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ইউএনওকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ ঘটনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলের ১০ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্কুলে আসেন। তারা তাবারকের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাঝে লিখিত অভিযোগ দেয়। একই সঙ্গে তাকে অপসারণ ও কঠোর শাস্তির দাবি করেন।

rezaul.jpg

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ.ম রেজাউল করিম বলেছেন গত ১০ বছরে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হয়েছে তা একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনেই সম্ভব হয়েছে।

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সিংহভাগ আজ প্রায় শেষের পথে। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে পারলেই এ উন্নয়ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব। শেখ হাসিনা বিশ্বের শেষ্ঠ দুর্নীতি মুক্ত প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার বিকালে পিরেজপুরের নাজিরপুর উপজেলার দীর্ঘার তালতলা নদীর ওপর নির্মিত শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্থানীয় দীর্ঘা বাজারে এলজিইডি পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন মিয়া, ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মো. শাহ আলম আকন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মো. আজাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোজি আক্তার প্রমুখ।

জানা গেছে, এলজিইডির অর্থায়নে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যায়ে গত ২০১২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী উপজেলার নাজিরপুর-বৈঠাকাটা সড়কের তালতলা নদীর ওপর এ সেতু নির্মানের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করা হয়েছিল।

৩৬০ মিটার দৈর্ঘ্য আর ৮দশমিক ৪মিটার প্রস্থের এ সেতুটির নির্মানকাজ গত ডিসেম্বর মাসে শেষ করেন সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এ সেতু নির্মাণের ফলে নাজিরপুরের উপজেলার দীর্ঘা, দেউলবাড়ি ও কলরাদোয়ানিয়ারসহ বরিশালর বানারিপাড়া ও স্বরূপকাঠীর সাথে সড়ক পথে ঢাকার যোগাযোগ সহজ হয়ে গেছে।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব কাঠালিয়া ৬৭নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টারের ভবন উদ্বোধন ও উপজেলা হেড কোয়ার্টার থেকে শাখারীকাঠী ইউপি সড়কের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে এলজিইডির অর্থায়নে ২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যায়ে এ ভবন নির্মিত হয়।

এ সময় তিনি বলেন, বিভিন্ন সময় নাজিরপুর উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমি নির্বাচনের আগে আপনাদের কাছে এলাকার উন্নয়নের যে আশ্বাস দিয়েছিলোম তা পূরণ করবো।

আমার নির্বাচনী এলাকা পিরোজপুর-১ কে ফুলের মতো সাজাতে চাই। তাই ইতোমধ্যে আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এলাকার উন্নয়নের জন্য সহযোগীতা চেয়েছি। পিরোজপুর-১ আসনের যে সব এলাকা নদী গর্ভে বিলিন হতে চলছে সে সব এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধ করতে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

এলজিইডির পিরোজপুর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুশান্ত রঞ্জন রায়ের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি এম সাইফুদ্দিন কাজী খোকনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন খান, উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন মিয়া প্রমুখ।

Mirza_Fakhrul.jpg

কিশোরগঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহসহ চারজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আকরাম হোসেন।

মামলা গ্রহণের পর পাকুন্দিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারক মুহাম্মদ আবদুন। অপর আসামিরা হলেন, বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম জিয়ার উপদেষ্টা মিজানুর রহমান ও গণ-বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন।

মামলায় বিবরণে বলা হয়েছে, সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রে উন্নয়নকাজের ক্ষতিসাধন করতে চায় আসামিরা।

কিশোরগঞ্জের এপিপি এ কে এম শফিকুল ইসলাম বলেন, পেনাল কোড, সেকশন ১২৪-এ আমি একটি মামলা ফাইল করি। বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশকে আদেশ দিয়েছেন। আমি এই মামলায় ন্যয় বিচার পাবো বলে আশাবাদী।

spress.jpg

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে কোনও উন্নতি হয়নি বাংলাদেশের। বরং চার ধাপ পিছিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫০তম স্থানে। তবে এবারও বৈশ্বিক এই সূচকে শীর্ষে আছে নরওয়ে, আর তলানিতে তুর্কিমেনিস্তান।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস ২০১৮-১৯ সালের জন্য এমন সূচক প্রকাশ করেছে।

সংগঠনটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সাংবাদিকরা কঠোর নিয়মনীতির শিকার হচ্ছেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনাও বাড়ছে। তৃণমূলে কাজ করা সাংবাদিকদের ওপর রাজনৈতিক হামলাও বাড়ছে।

এছাড়া বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দেয়া ও সাংবাদিকদের বিতর্কিতভাবে গ্রেফতারের ঘটনাও বাড়ছে বাংলাদেশে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রসঙ্গে টেনে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস জানিয়েছে, এটি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের একটি বড় অস্ত্র। ২০১৮ সালের অক্টোবরে এ আইন চালু হওয়ার পরই ‘নেতিবাচক প্রোপাগান্ডা’ চালানো যেকোনও পক্ষকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া যাবে বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজের স্বপ্ন দেখা সাংবাদিক ও ব্লগারদের হয়রানি করছে জঙ্গিরা। কিছু ক্ষেত্রে এসব জঙ্গি সাংবাদিকদেরও হত্যা করছে।

শুধু বাংলাদেশই নয়, এই সূচকে ইউরোপসহ বিশ্বজুড়েই সাংবাদিকেরা ক্রমাগত সহিংসতার শিকার হচ্ছেন বলে জানানো হয়। সাংবাদিকেরা এখন বিশ্বব্যাপীই একটি ‘ভয়ের সংস্কৃতির’ মধ্যে কাজ করছেন। তবে আফ্রিকায় পরিস্থিতি কিছুটা উল্টো।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ২০১৮-১৯ সালের বৈশ্বিক সূচকে আবারও শীর্ষস্থান অধিকার করেছে নরওয়ে। এরপর আছে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। অন্যদিকে সর্বশেষ স্থান থেকে উত্তরণ ঘটেছে উত্তর কোরিয়ার। তলানিতে আছে তুর্কমেনিস্তান।

এদিকে সূচকে বাংলাদেশের ১৫০ চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে আছে রাশিয়া (১৪৯)। ১৫১ নম্বরে সিঙ্গাপুর, প্রতিবেশী ভারত ১৪০ ও পাকিস্তানের অবস্থান ১৪২ নম্বরে।

Dr.-A-K-M-Abdul-Momen-1280x720.jpg

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু যে এ জন্যই বাংলাদেশ মানবতার বড় উদাহরণ সৃষ্টি করেছে, তা নয়। আমেরিকা যখন আবিষ্কার হয়নি, তখনই আমাদের দেশের মধ্য যুগের একজন বাঙালি কবি চণ্ডীদাস লিখেছিলেন, ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’। আজ সত্যি সত্যি বাংলাদেশ মানবতার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে পেরেছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হোটেল রেডিসনের হল রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, আমি অত্যন্ত ভাগ্যবান, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যখন সরকারে ছিলেন না তখন এবং যখন সরকার গঠন করলেন তখনও আমি তার সরকারের সঙ্গে কাজ করতে পেরেছি। এরপর যখন সামরিক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলো, তখন আমার চাকরি চলে গেলো।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আমাকে বিদেশ থেকে ডেকে এনে তার সরকারে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমাকে সংসদ সদস্য বানিয়েছে। আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন। তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি খুব ভাগ্যবান- আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার অনেক অনেক কাজ করছে দেশের মানুষের কল্যাণে। কিন্তু সরকারের একার পক্ষে সব কাজ করা সম্ভব না। সেখানে আপনারা (লায়নস ক্লাব) সরকারের সহায়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।

nur-du2-20190312200656.jpg

নতুন ছাত্রসংগঠন গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) নুরুল হক নুর।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) ঢাবি ক্যাম্পাসে এক বৈঠকে তিনি এ ঘোষণা দেন। দুপুর ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত এ বৈঠক চলে।

এ সময় কোটা সংরক্ষণ আন্দোলনে যুক্ত ‘ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে’র নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ডাকসু ভিপি নুর এ সময় ছাত্রসংগঠনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা দেন।

তিনি তার বক্তৃতায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাদের ওপর হামলা, অপপ্রচারের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন।

নুর বলেন, দেশব্যাপী তাদের প্রতি বিশাল অংশের মানুষের আস্থা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের উদ্যোগ আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা অন্য দলের বিরোধিতার জন্য নয়, দেশ ও মানুষের স্বার্থে।

তিনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস, দখলদারিসহ অব্যবস্থাপনার বিপক্ষে তাদের সংগঠন কাজ করবে বলে জানান।

নুর তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমরা দেশের কল্যাণ করতে চাই, সমাজের কল্যাণ করতে চাই। দেশের মালিক আমি-আপনি, আমাদের ভোটে যেন সরকার নির্বাচিত হয়, তাদের পূজা করার প্রয়োজন নেই, তাদের রাজার মতো ভাবার দরকার নেই’।

তবে বৈঠক থেকে সংগঠনের নাম, কর্ম পরিকল্পনা এসব বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। মাসে অন্তত একবার বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়। পরবর্তী বৈঠকের তারিখও নির্ধারণ করা হয়নি।

পরবর্তী বৈঠকের তারিখও শুক্রবার নির্ধারণ করা হয়নি। বৈঠকের শুরুতে কোটা আন্দোলনের অন্যান্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।

নুর তার বক্তৃতার শেষে সবাইকে ‘ভয়কে জয় করার’ আহ্বান জানান।

nusrat-jahan-4-20190419205520.jpg

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের পাঁচটি আসনে পাঁচজন তারকা প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে দুজন একেবারে নতুন। নুসরাত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। এর মধ্যে নির্বাচনে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন টলিউডের ব্যস্ততম অভিনেত্রী নুসরাত।

বিরোধীদের অভিযোগ, গ্ল্যামারকে হাতিয়ার করেই নাকি একটি লোকসভা আসন নিজেদের ঝুলিতে রাখতে চেয়েছে তৃণমূল। সমালোচকদের এই টিপ্পুনির কড়া জবাব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে একেবারে আনকোরা হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য নুসরতকে ভোটযুদ্ধে লড়াই করানোর চিন্তাভাবনা বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। দলনেত্রীর দাবি যে একেবারেই ভিত্তিহীন নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে তা স্পষ্ট করে জানান দিলেন তৃণমূলের এই তারকা প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার কচুয়াধামে লোকনাথের মন্দিরে পূজা দেন তিনি। পরে ওই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি। নুসরাত লিখেছেন, ‘বসিরহাট কচুয়া বাবা লোকনাথের শান্তির ধামে। ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। আমি নুসরাত জাহান। মুসলিম পরিবারের মেয়ে। আমি ধর্মের ভেদাভেদ মানি না। আমি যেমন কোরআন পড়েছি। তেমন গীতা ও বাইবেল পড়েছি। কোথাও ধর্মের ভেদাভেদ ও হানাহানির কথা বলেনি।’

বৃহস্পতিবার একেবারে ভিন্ন মেজাজে জনসংযোগ করেন তারকা প্রার্থী নুসোত। হাড়োয়ার অলিগলিতে ঘুরতে ঘুরতে গ্রামের দস্যি কিশোরীর মতো আচরণ করতেও দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে। এ সময় কখনও কোলে তুলে নেন ছাগলছানা।

তবে এত কিছুর পরেও স্থানীয়দের সমস্যার কথা শুনতেও ভোলেননি নুসরাত। জিতলে পারলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

moin-khan-3-20190419194032.jpg

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পেছনের দরজা দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন নাই। আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি সম্মুখ দরজা দিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে শত নাগরিক কমিটির আয়োজনে খালেদা জিয়াকে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ ও কবি আবদুল হাই শিকদারেরর লেখা ‘খালেদা জিয়া- তৃতীয় বিশ্বের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে তিনি একথা বলেন।

খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে পদার্পণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে মঈন খান বলেন, আপনাদের মনে আছে, তখন এই দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মিলে সংগ্রামে নেমেছিল। সেসময় দেশনেত্রী ছিলেন অবিচল। ’৮৬-র নির্বাচন যখন এল। তিনি বললেন- এই স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে আমরা নির্বাচনে যাব না। তখন অপর একটি রাজনৈতিক দল বিশ্বাসঘাতকতা করে তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে আপোষ করে তারা নির্বাচনে গিয়েছিল।

তিনি বলেন, অনেকে সমালোচনা করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না। সেটা প্রমাণিত হয়েছিল ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের উপহার হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। তাকে মাথায় তুলে নিয়েছিলেন গণতন্ত্রের সৈনিক হিসেবে। আপোষহীন নেত্রী হিসেবে। এই আপষহীন চরিত্র আজ পর্যন্ত তার মধ্যে আমরা দেখেছি। দেখছি, দেখব।

শত নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে প্রকাশনা উৎসবে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, গয়েশ্বর রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

এছাড়া বইটির অপর লেখক কবি আব্দুল হাই শিকদার এবং ২০ দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।