খবর Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Dr.-Abdur-Razzak.jpeg

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, এখন বাংলাদেশে কোনো মানুষ অনাহারে থাকে না, করোনাসহ শত দুর্যোগের মাঝেও কেউ না খেয়ে থাকে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ, সার, বীজ, সেচসহ কৃষি উপকরণে ভর্তুকি প্রদান এবং ফসলের উন্নতজাত উদ্ভাবন ও চাষের ফলে দেশে কৃষিক্ষেত্রে ও খাদ্য উৎপাদনে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী শুক্রবার রাজধানীর ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ (ডিকেআইবি) আয়োজিত ডিপ্লোমা ‘কৃষিবিদ দিবস ২০২০’ এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, দেশের কৃষি উন্নয়নের সম্মুখসারির সৈনিক হলেন কৃষক।  ডিপ্লোমা কৃষিবিদরাও তাদের মতোই সম্মুখসারির সৈনিক।

দেশে কৃষির যে উন্নয়ন সাধিত হয়েছে সেখানে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের বড় অবদান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষিবিদ এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদগণ একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদগণের সম্মান বাড়লে কৃষিবিদদের সম্মানও বাড়বে।  যারা কৃষিবিদ এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করতে চায়, ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের সম্মান দিতে চায় না- তারা সংকীর্ণ মানসিকতার।  তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সবসময়ই কৃষি ও কৃষকবান্ধব।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যেমন কৃষিবিদদের প্রথম শ্রেণির পদমর্যাদা দিয়েছিলেন, তেমনি তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দিয়েছেন।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের গেজেটেড পদমর্যাদা, পদোন্নতি, কাজের সুবিধার্থে মোটরসাইকেল প্রদানসহ বিভিন্ন দাবির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান বলেন, দেশের কৃষির সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবিদ এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইন্সটিউশনের আহ্বায়ক মো. গোলাম সারোয়ারের সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. আবদুল মুঈদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক মো. হামিদুর রহমান, কেআইবির মহাসচিব খায়রুল আলম প্রিন্স, ডিকেআইবির সদস্য সচিব মো. মিন্টু খান প্রমুখ বক্তব্য দেন।  এ সময় ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইন্সটিউশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

flood-ctg44.jpg

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই হচ্ছে বৃষ্টি। কখনো মুষলধারে, কখনো থেমে থেমে বৃষ্টি চলছে।

টানা বৃষ্টিপাতের কারণে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।

এছাড়াও জোয়ারের কারণে নগরীর নিম্নাঞ্চলের সড়ক ও অলিগলিতে জমেছে হাঁটু পানি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন নগরীর হাজার হাজার মানুষ।

শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস ১৭৪ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে।

এ ব্যাপারে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মেঘনাধ তঞ্চঙ্গ্যা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন স্থানে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে।

বাংলাদেশের উপর এখনো মৌসুমি বায়ু বলবৎ আছে। রাতভর থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে, বিভাগের অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পরবর্তীতে নিম্নচাপ/গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে আজ ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের সুন্দরবন উপকূল দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারে। ফলে আজ বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের বেগ আরো বাড়তে পারে।’

চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া মাঝারি বর্ষণ এখনো থেমে নেই। দুই নম্বর গেট, মুরাদপুর, বাকলিয়া, চকবাজার, বাদুরতলা, আগ্রাবাদসহ নগরীর বেশিরভাগ নিম্নাঞ্চলে পানি উঠে গেছে। অনেকের বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন নগরীর আগ্রাবাদ, পাহাড়তলী, হালিশহর, পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা।

এসব এলাকায় জোয়ারের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টিপাতে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করছে।

মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির এই প্রবণতা আগামী দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাবে রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং দেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

Durga-Puja.jpg

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী আজ। সন্ধ্যায় দেবীর বিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

মহাসপ্তমীর সকালে চক্ষুদানের মধ্য দিয়ে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ হবে ত্রিনয়নী দেবীর প্রতিমায়।

সপ্তমী তিথিতে দেবীর নব পত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পরম্ভ ও সপ্তমী বিহিত পূজা হয়।

প্রকৃতির বিভিন্ন সৃষ্টির মধ্য নয়টি গাছের ফুল, ফল, পাতায় পূজিত হবেন দেবী উমা।

এরপর কল্পনার মধ্য দিয়ে দশভূজা দেবীকে মনের আসনে বসানো হবে।

HANIF.jpg

দেশের টেলিভিশন ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দীর্ঘস্থায়ী অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। যুগ যুগ ধরে দর্শকদের মনের কোণে জায়গা দখল করে থাকা এই অনুষ্ঠানের প্রাণভোমরা হানিফ সংকেত।

তার সুবাদেই অনুষ্ঠানটি এত জনপ্রিয় ও দর্শকনন্দিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি বিনোদনের পাশাপাশি সচেতনতা, সামাজিক শিক্ষার বিস্তার যেমন প্রসারিত করেছেন, তেমনি সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।

শুধু ইত্যাদি দিয়েই নয়, নাটক, টেলিফিল্ম নির্মাণ করে এবং বই লিখেও দেশের শিল্প-সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন তিনি।

আজ এই বরেণ্য ব্যক্তিত্বের জন্মদিন। শুভ জন্মদিন হানিফ সংকেত।

১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন হানিফ সংকেত। প্রয়াত ফজলে লোহানীর ‘যদি কিছু মনে না করেন’ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তার প্রতিভা বিকশিত হয়। এরপর নিজের যোগ্যতাবলে তিনি দেশের টিভি জগতে অসামান্য খ্যাতি অর্জন করেন।

১৯৮৯ সালে হানিফ সংকেত নিজের পরিকল্পনা ও সঞ্চালনায় শুরু করেন ‘ইত্যাদি’।

ম্যাগাজিন এই অনুষ্ঠান তখন তিন মাস পর পর প্রচার হতো। এতে ব্যাঙ্গাত্মক উপায়ে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরা হতো।

হানিফ সংকেতের ইত্যাদির মাধ্যমে অনেক অভিনেতা, অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। এই তালিকায় আছেন আব্দুল কাদের, আফজাল শরীফ, অমল বোস, শিল্পী আকবর প্রমুখ।

এছাড়া বাংলা চলচ্চিত্রের অমর নায়ক সালমান শাহ সর্বপ্রথম ইত্যাদিতেই মডেল হিসেবে কাজ করেছিলেন।

ইত্যাদি ছাড়াও হানিফ সংকেতের কর্মক্ষেত্র বিশাল। তিনি বহু নাটক রচনা ও নির্মাণ করেছেন।

এর মধ্যে আয় ফিরে তোর প্রাণের বারান্দায়, দুর্ঘটনা, তোষামোদে খোশ আমোদে, বিপরীতে হিত, অন্তে বসন্ত, ফিরে আসে ফিরে আসা, শেষে এসে অবশেষে, তথাবৃত যথাকার, পুত্রদায়, কিংকর্তব্য, কুসুম কুসুম ভালোবাসা, ভূত অদ্ভুত, শূন্যস্থান পূর্ণ উল্লেখযোগ্য।

অভিনয়েও সিদ্ধহস্ত হানিফ সংকেত। তিনি তিনটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এগুলো হচ্ছে- আগমন, চাঁপা ডাঙ্গার বউ ও ঢাকা ৮৬।

লেখক হিসেবে হানিফ সংকেতের পরিচিতি মোটা দাগে উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি বই প্রকাশ করে আসছেন। তার রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে আছে শ্রদ্ধেয় রাজধানী, নিয়মিত অনিয়মিত, কষ্ট, এপিঠ ওপিঠ, ধন্যবাদ, অকাণ্ড কাণ্ড, খবরে প্রকাশ, প্রতি ও ইতি, বিনীত নিবেদন, হামানদিস্তা, রঙ্গ বিরঙ্গ ইত্যাদি।

সামাজিক কার্যক্রমের জন্য হানিফ সংকেত ২০১০ সালে সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় মর্যাদা একুশে পদকে ভূষিত হন। এছাড়া ২০১৪ সালে তিনি জাতীয় পরিবেশ পদক লাভ করেন।

Rohings.jpg

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর ওয়াং ই বলেছেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মিয়ানমারে ফেরত নেয়া হবে বলে সম্প্রতি মিয়ানমার আবারও চীনকে আশ্বস্ত করেছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে এ কথা বলেন।

শুক্রবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওয়াং ই বলেন, চীন রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে রোহিঙ্গাদের যাতে ফেরত নেয়া যায় সে লক্ষ্যে মিয়ানমার কাজ করবে বলে চীনকে তারা জানিয়েছে।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনকে মিয়ানমার জানিয়েছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা শুরু করবে।

মিয়ানমারের নির্বাচনের পর প্রথমত রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে এবং পরবর্তী সময় বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের মন্ত্রী পর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে ওয়াং ই ড. মোমেনকে আশ্বস্ত করেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে ঢাকায় প্রস্তুতিমূলক সিনিয়র কর্মকর্তা পর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক দ্রুত শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

চীনের করোনার টিকা বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবে বলে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

করোনা পরবর্তীকালে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বলে উল্লেখ করেন ওয়াং ই।

কোভিড-১৯ মহামারী মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতি চীনের সাহায্য অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

মহামারীর কারণে চীনের যেসব প্রকল্প স্থগিত বা ধীরগতি হয়েছে, সেগুলো করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত শেষ করা হবে বলে জানান ওয়াং ই।

পিরোজপুরে চীনের নাগরিক হত্যার বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ হত্যার দ্রুত বিচারের পাশাপাশি চীনের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপের ওপর চীন সরকার আস্থাশীল।

এ সময় ড. মোমেন উল্লেখ করেন, এ ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুজনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।

করোনা মহামারীর কারণে আটকেপড়া চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের ভিসা নবায়নের বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান ড. মোমেন।

এ বিষয়ে ওয়াং ই জানান, বিদেশি ছাত্রছাত্রীদের চীনে প্রবেশের বিষয়ে সে দেশের সরকার এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।

তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হলে বাংলাদেশিদের অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হবে বলে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনকে আশ্বস্ত করেন।

সে ক্ষেত্রে ভিসা ও অন্যান্য বিষয়ের দ্রুত সমাধান হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটি চীনা ভাষায় অনুবাদের উদ্যোগের বিষয়ে চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন।

weather2.jpg

উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আজ সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

আজ দুপুর ১টায় আবহাওয়া অফিস জানায়,‘উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার কাছ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল অতিক্রম শুরু করে আজ দুপুর ১২টায় উপকূলীয় পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে আজ সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।’

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৪০ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল রয়েছে।

নিম্নচাপটির প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম এবং তাদের কাছাকাছি দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুটের বেশি উচ্চতায় বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

নিম্নচাপটির প্রভাবে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক স্থানে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সূত্র: বাসস

coinn.jpg

জমানো ৬ মন (৬০ হাজার টাকা) কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির। এবার হাঁসি ফুটছে তার মুখে।

কারণ, তাকে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে সোনালী ব্যাংক। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সোনালী ব‌্যাংক শাখা তার কয়েনগুলো জমা নিতে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর পর্যন্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ খবিরের কাছ থেকে এক টাকা ও দুই টাকার তিন হাজার টাকা মূল্যের কয়েন জমা নিয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব কয়েন জমা নেওয়া হবে।

এরআগে, ‘৬ মন কয়েন নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী খবির’ শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

পরে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামানন্দ পাল বিষয়টি সমাধানের জন্য এগিয়ে আসেন।

তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখার কর্মকর্তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। এরপর তাদের নির্দেশে সোনালী ব্যাংক কয়েন জমা নেওয়া শুরু করে।

মহম্মদপুর উপজেলা সোনালী ব্যাংক সদর শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, খবিরের নামে একটি ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে।

এখানে প্রতিদিন এক হাজার টাকার কয়েন জমা দিতে পারবেন।

পর্যায়ক্রমে তার সব কয়েন জমা হবে। তিনি পরে চেকের মাধ্যমে কাগজের ব্যাংক নোট তুলে নিতে পারবেন।

এ বিষয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির জানান, ব্যবসার পুঁজির ৩-২ ভাগ কয়েনের মধ্যে চলে যায়।

লেনদেন না থাকায় তিনি কষ্টে ছিলেন। কয়েনগুলো ব্যাংক নেওয়ায় দারুণ খুশি তিনি।

১০ বছর ধরে ২৫ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা ও ২ টাকার কয়েন জমে যায় ক্ষুদ্র ব‌্যবসায়ী খবিরের কাছে।

এসব কয়েন লেনদেন সরকার বাতিল না করলেও খরিদ্দাররা এখন আর নিতে চান না। কার্যত অচল হয়ে পড়া বিপুল পরিমাণ এ কয়েন নিয়ে তিনি বিপাকে পড়েন।

ব্যবসায়ী খবির বলেন, অনেক দরিদ্র মানুষ ও ভিক্ষুকেরা কয়েন দিয়ে সবজি কিনেছেন। আমি মুখের উপর তাদের না বলতে পারিনি।

তাদের ফিরিয়ে দিতে পারিনি। অনেক জায়গায় ঘুরেও কয়েনগুলো চালাতে পারিনি। কোনো ব্যাংকও এই বিপুল পয়সা আর নিতে চায় না।

খবিরের বাড়ি মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা সদরের জাঙ্গালিয়া গ্রামে। তিনি সদর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী। ওই গ্রামের মৃত জহুর ফকিরের ছেলে খবির।

coronavirusmgn10.jpg

করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এই সময়ে ১৪ হাজার ১১৯টি নমুনা পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১ হাজার ৫৮৬ জনের শরীরে।

দেশে গত মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর শুক্রবার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৫ হাজার ৭৬১ জনে।

আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৩ জন। এর মধ্যে ১ হাজার  ৫৩৩ জনসহ সুস্থ হয়েছেন মোট ৩ লাখ ১২ হাজার ৬৫ জন।

দেশের সবশেষ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে।

weather-4-20190606151555.jpg

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ০৩-০৫ ফুট অধিক উচ্চতার পানিতে নিমজ্জিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা,পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম অঞ্চলসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ০৩-০৫ ফুট অধিক উচ্চতার পানিতে নিমজ্জিত হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

এদিন দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়; রাজশাহী , ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর বিভাগরে কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

বৃষ্টির এই প্রবণতা পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

এরপর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

Bagerhat.jpg

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বাগেরহাটে ঝড়ো হাওয়ার পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

বুধবার মধ্যরাত থেকে টানা দুই দিনের বর্ষণে বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ।

জেলা সদরসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলো রাস্তাঘাট, পুকুর, মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

তবে মোংলা বন্দরে বৃষ্টির কারণে পণ্য ওঠানামা বন্দ থাকলেও অন্য সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, শরণখোলার বগি এলাকায় বেশি জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

দ্রুত পানি অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের একটা অংশ ধসে যাওয়ার ঘটনা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে।

বাগেরহাট পানি উন্নয়বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান বলেন, বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তবে এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. খালেদ কনক জানান, দুই দিনের টানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, পুকুর তলিয়ে গেছে।

তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি কোনো খবর পাওয়া যায়নি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মোংলা বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন জানান, মোংলা বন্দরের বৃষ্টির কারণে পণ্য ওঠানামা বন্দ থাকলেও অন্য সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এধরনের নিম্নচাপের ফলে সাধারণত ভারী বর্ষণ হয়ে থাকে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, দুই দিনের টানা বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। এই সভার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।