জাতীয় Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

g7-hasina-justin-trudeau-1528574708077-1552898265827.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কানাডার ফেডারেল নির্বাচনে লিবারেল পার্টির নিরঙ্কুশ বিজয় নিশ্চিত হওয়ায় পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ট্রুডোকে এক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমার বিশ্বাস, আপনার এই বিজয় বিশ্ব নেতৃত্ব হিসেবে সত্যিকারের স্বীকৃতি।”

শেখ হাসিনা আরও বলেন, “কানাডার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বাংলাদেশ সবসময় গুরুত্ব দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আপনার পিতা ও কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডোর অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তখন থেকেই আমরা আমাদের দুই দেশের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান উদারনৈতিক আদর্শ ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে আরো বেশি ঘনিষ্ঠ হতে থাকি। এই সম্পর্ক আরো নতুন উচ্চতায় যায় ২০১৫ সালে যখন আপনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।”

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আপনার সক্রিয়তা ও ধারাবাহিক সহায়তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আমার বিশ্বাস আগামী দিনগুলোতে আমাদের দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার উষ্ণ ও মজবুত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

জাস্টিন ট্রুডো কানাডার লিবারেল পার্টির নেতা হিসেবে ২০১৫ সালে দেশটির ২৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। জো ক্লার্কের পর তিনি কানাডার দ্বিতীয় কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার পিতা পিয়েরে ট্রুডোও কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্নাতক শেষে ট্রুডো ভ্যানকুভারের ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

pm-14.jpg

দুই হাজার ৭৩০টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাকে নতুন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) গণভবনে নতুন এমপিওপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এ তালিকা প্রকাশ করেন তিনি।

গত সপ্তাহে এ তালিকা অনুমোদন দিয়েছেন তিনি। ঘোষণার পরপরই প্রজ্ঞাপন জারি করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে এমপিওভুক্ত করা হয় এক হাজার ছয়শ’র মতো প্রতিষ্ঠান। ওই তালিকাটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়।

mamand.jpg

মানুষের কল্যাণে সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামের পৈতৃক দেড় বিঘা সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে দান করে দিচ্ছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। পরিবারের সব সদস্যের সম্মতি নিয়ে পৈতৃক ভিটা দান করতে এরই মধ্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। সেখানে নিজের মায়ের নামে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র কিংবা ইনস্টিটিউট করার স্বপ্ন দেখছেন পরিকল্পনামন্ত্রী। অসহায়, দুস্থ, বিধবা, দরিদ্র নারীদের কল্যাণে ওই সম্পত্তি ব্যবহার হোক—মন্ত্রণালয়কে এমন ইচ্ছার কথাই জানিয়েছেন তিনি। গ্রামের অসহায় নারীরা প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যাতে থাকতে পারে; একই সঙ্গে সেখানে কম্পিউটার, বুটিক, সেলাইসহ বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ নিতে পারে, সে ব্যবস্থা করতেও বলেছেন মন্ত্রী।

ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছেন এম এ মান্নান। ২০১০ সালের ১২ মার্চ ৮৫ বছর বয়সে মারা যান মা আজিজুন নেছা। পৈতৃক ভিটায় মায়ের নামে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র কিংবা ইনস্টিটিউট তৈরি করার স্বপ্ন কয়েক বছর ধরেই বুনে আসছেন তিনি। মন্ত্রীর কাছ থেকে এমন প্রস্তাব পাওয়ার পর আগামী ৩০ অক্টোবর দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামে মন্ত্রীর পৈতৃক ভিটা দেখতে যাচ্ছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সফরের উদ্দেশ্য—অসহায় নারীদের জন্য সেখানে কী কী করা যায়, তার মূল্যায়ন করা।

জানতে চাইলে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক বিভাগের সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘পরিকল্পনামন্ত্রীর আগ্রহ, উনার পৈতৃক সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে দান করে দেওয়া। সেখানে মায়ের নামে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র কিংবা ইনস্টিটিউট করতে চান। আমরা একটি প্রতিনিধিদল আগামী বুধবার মন্ত্রীর এলাকায় যাচ্ছি। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় সারা দেশে একটি প্রশিক্ষণ প্রকল্প চলমান আছে। মন্ত্রীর এই প্রস্তাব আমরা ওই প্রকল্পের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করব।’

জানা গেছে, সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ডুংরিয়া গ্রামে হাওরের মাঝখানে পরিকল্পনামন্ত্রীর পৈতৃক দেড় বিঘা সম্পত্তিতে এখন কেউ থাকছে না। বর্তমান বাজার মূল্যে দেড় বিঘা জমির দাম ৫০ লাখ টাকা। বছর দুয়েক আগে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহসড়কের পাশে একটি টিনের ঘর করেছেন মন্ত্রী। রাজনৈতিক সভা করতে গেলে সেখানেই ওঠেন তিনি। আর ঢাকায় রাজধানীর বেইলি রোডে মিনিস্ট্রি অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন মন্ত্রী।

জমি দান করা বিষয়ে গতকাল বিকেলে নিজ দপ্তরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আমি আমার পরিবারের সব সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি পৈতৃক সম্পত্তি সরকারকে দান করার বিষয়ে। সবাই খুব খুশি এমন উদ্যোগে। ওই জমিতে আমি আমার মায়ের নামে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র দেখতে চাই। ইনস্টিটিউটও হতে পারে। অসহায়, দরিদ্র, বিধবা, দুস্থ নারীরা যাতে সেখানে অবস্থান করে প্রশিক্ষণ নিতে পারে সেই ব্যবস্থা করে দেওয়া। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়ে একটি প্রকল্প চলমান আছে। সেই প্রকল্পে আমার এই প্রস্তাব ঢোকানোর সুযোগ আছে। বহুতল ভবন হলে সেখানে ১০০ জন থাকতে পারবে। অসহায় নারীরা সেখান থেকে কম্পিউটার, বুটিক, সেলাই প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হবে। আমার বাড়িতে এখন বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানিসহ সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা আছে। গ্রামের নারীরা এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যদি স্বাবলম্বী হতে পারে, সেখানেই আমার স্বার্থকতা। আমি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে দলিল করে জমিটি বুঝিয়ে দেব।’ সূত্র: কালের কণ্ঠ

djmdtgj.jpg

বাড়ির ছাদে ফুলের টবে রাখা গাছগুলোকে যখন নির্মমভাবে একেরপর এক কেটে সাফ করে ফেলছিলেন এক নারী তখন গাছগুলোর মালিক অপর একজন নারী চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন, এই ছাদে আমাদেরও অংশ আছে, গাছ কারো ক্ষতি করে না, গাছেরও জীবন আছে, প্লিজ গাছগুলো কাটবেন না, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন না, তওবা করলেও এই অন্যায় আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। কিন্তু কিছুতেই নারীর হৃদয় গলেনি। গাছ কাটার সময় উভয়পক্ষই ছাদে ছিলেন। এসময় গাছকাটা নারীর পক্ষে ছাদে ছিলেন তার ছেলেসহ কিছু ভাড়াটে মাস্তান। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নিন্দাও ক্ষোভের ঝড় বইছে। ভিডিও ভাইরালের পরের দিন আজ ভোরে তার ছেলে ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন।

গাছের ওপর ওই নারীর কেন এতো ক্ষোভ বা তিনি কেন পরিবেশের জীবন গাছকে এভাবে কেটে টুকরো টুকরো করছেন? এমন প্রশ্ন ছুড়ছেন নেটিজেনরা। সাভারের সিআরপি রোডের একটি বাসার ছাদে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, হিজাব পরা এক নারী ছাদে শখ করে লাগানো অন্যের গাছ কেটে সাবাড় করছেন। প্রতিবাদ করায় যারা গাছ লাগিয়েছেন তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করছেন।ভিডিওটি পোস্ট করেছেন সুমাইয়া হাবিব নামের এক নারী।

এ ঘটনার জন্য ক্ষমা ক্ষমা চেয়েছেন ওই মহিলার ছেলে। তিনি ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি সবার কাছে ক্ষমা চান।

ওই মহিলার ছেলে বলেন, কিছুক্ষণ আগে কাসেম হোসেন ভাইয়া আমাকে ক্ষমার চাওয়ার জন্য বলছে। হ্যাঁ কাজটা আমি ভুল করছি।

সেজন্য আমি এবং আমার ফ্যামিলির পক্ষ থেকে, আমার আব্বু আম্মুর পক্ষ থেকে স্পোশলই আলটিমেটলি ‘সরি’।

তিনি বলেন, একটা কথা, মনে কিছু করবেন না,বেয়াদবি নিবেন না। আপনি হয়তো একটা ভুল করছেন, আমার আম্মু কাউকে কোপাতে যায়নি। হয়ত ভিডিও থেকে ছবিটা স্কিন শট নিয়ে ছবিটা তোলা হয়েছে।

শুক্রবার আমাদের সাভার থানার ওসি আংকেল আমারদেরকে ডেকেছে। আশা করছি কোন একটা মীমাংসা করবেন। অবশ্যই একটা রায় হবে, সেটা সবাই জানতে পারবেন ।

ঘটনার বিবৃতি দিয়ে সুমাইয়া হাবিব লিখেছেন, কখনো কি শুনছেন মানুষ গাছ অপছন্দ করে? গাছ পরিবেশ নষ্ট করে? এই নারীর গাছ পছন্দ না। তার বক্তব্য আমাদের গাছ ছাদের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলছে। তাই এই নারী আমাদের সব গাছ কেটে ফেলছে। কি অপরাধ ছিল গাছের? কি অপরাধ ছিল? কেউ বলতে পারবেন?

সুমাইয়া আরও লিখেছেন, আমার মা গাছ অনেক পছন্দ করে, তাই ছাদের এক কোনায় আমরা কিছু গাছ লাগিয়েছিলাম। আর এই নারী আমাদের সঙ্গে শত্রুতা করে আমাদের লাগানো গাছগুলো কেটে ফেলল।

বিস্তারিত ভিডিও দেখুন:

kawshar-20191023123138.jpg

ক্যাসিনোকাণ্ডে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাওসারকে সংগঠন থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বুধবার ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ তথ্য জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সম্প্রতি রাজধানীর ক্যাসিনো কারবারে ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমের শিরোনামে আসেন মোল্লা কাওসার।

গত সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কাওসারসহ স্ত্রী পারভীন লুনা, মেয়ে নুজহাত নাদিয়া নীলা এবং তাদের প্রতিষ্ঠান ফাইন পাওয়ার সল্যুয়েশন লিমিটেডের ব্যাংক হিসাব জব্দ করে। এ কারণে সম্মেলনের আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে বলে সংগঠনের ভেতরে-বাইরে জোর গুঞ্জন শুরু হয়।

PM...0-1.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নভেম্বরে কলকাতা ও দুবাই শুভেচ্ছা সফরে যাচ্ছেন। দুবাইতে এয়ার শো এবং কলকাতায় বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট খেলা দেখার জন্য সফরের আমন্ত্রণ পেয়ে সম্মতি দিয়েছেন তিনি। এ দুটো সফরের বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মেদ বিন রশিদ আল মাখতুমের আমন্ত্রণে দুবাই এয়ার শো দেখতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

এই দ্বিবার্ষিক এয়ার শো আগামী ১৭ নভেম্বর শুরু হয়ে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ সফরে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ নভেম্বর দুবাই যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকে তার দেশে ফেরার কথা ১৯ নভেম্বর।

অন্যদিকে, ভারতের কোলকাতায় ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২২ নভেম্বর। এই ম্যাচটি উপভোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) প্রেসিডেন্ট ও ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলী।

নভেম্বরের শেষদিকেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব নিতে যাওয়া সৌরভ গাঙ্গুলীর এই ঊষ্ণ আমন্ত্রণও কূটনৈতিক বিবেচনায় উপেক্ষা করতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। ফলে সম্প্রতি ভারত সফর করলেও আবারও ওইদিন আধাবেলার জন্য কোলকাতায় যেতে সম্মতি জানিয়েছেন তিনি।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওইদিন সকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে বসে টেস্ট ম্যাচটি উপভোগ করবেন শেখ হাসিনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরকারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রীর এ দুটি সফরের বিষয়ে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

উল্লেখ্য, ভারতের মাটিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দুটি টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর প্রথমটি শুরু হবে ১৪ নভেম্বর ইন্দোরে।

menon5x.jpg

ক্যাসিনো ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ এবং বরিশালের এক অনুষ্ঠানে ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি- গত নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ বলে মন্তব্য করে ক্ষমতাসীন জোটের তোপের মুখে পড়েন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম নেতার মুখে এমন মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার তৈরি হয়।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠায় আপাতত কয়েক দিন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কোনো অনুষ্ঠানে না যেতে মেননকে পরামর্শ দিয়েছেন ক্ষমতাসীনদলসহ ১৪ দলের নেতারা।

সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমের ধানমণ্ডির বাসভবনে জোটটির শরিক দলগুলোর নেতাদের এক চা চক্র এমন পরামর্শ দেওয়া হয়। ১৪ দলের শরিক একাধিক দলের নেতারা এমনটা জানিয়েছেন।

সূত্রগুলো জানায়, সম্প্রতি ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে নানা ইস্যুতে বিরোধ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। শরিকদের নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এ বিরোধ প্রকাশ্যেও আসছে। গতকাল মোহাম্মদ নাসিমের বাসায় চা চক্রে ১৪ দলের সব শরিককে দাওয়াত দেওয়া হলেও বাংলাদেশ জাসদ ও ন্যাপের নেতারা সেখানে যাননি। চা চক্রে উপস্থিত ছিলেন জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টি-জেপির মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান প্রমুখ। অনুপস্থিত ছিলেন রাশেদ খান মেনন।

চা চক্রে দেশের সাম্প্রতিক নানা ইস্যু আলোচনায় আসে। এ সময় নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী সম্প্রতি বরিশালে রাশেদ খান মেননের একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো ভোট হয়নি বলে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি মেননকে ডেকে তাঁর কাছ থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়ার দাবি জানান।

জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, উনি (মেনন) সমস্যা তৈরি করেছেন, এটা উনিই সমাধান করবেন। এটা নিয়ে উনার উপস্থিতিতে আলোচনা হলে ভালো হয়।

১৪ দলের শরিক একটি দলের শীর্ষ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চা চক্রে আজ (মঙ্গলবার) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের মিলনায়তনে ১৪ দলের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গোলটেবিল বৈঠকের বিষয়েও আলোচনা হয়।

এরই একপর্যায়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আপাতত কয়েক দিন মেনন ভাইয়ের ওই দিকে যাওয়ার দরকার নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে উনি যাবেন। চা চক্রে উপস্থিত অন্য নেতারাও এ বক্তব্যকে সমর্থন করেন। ফলে ১৪ দলের গোলটেবিল আলোচনায় রাশেদ খান মেনন উপস্থিত ছিলেন না।

চা চক্রে আলোচনায় চলতি সপ্তাহেই ১৪ দলের একটি আনুষ্ঠানিক বৈঠক ডেকে সেখানে রাশেদ খান মেননের একাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

ধারণা করা হচ্ছিল আজকের বৈঠকেই মেননের কাছে তার ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে বৈঠকে অংশ নেননি জোটের অন্যতম এ শীর্ষ নেতা।

nou5.jpg

রাজধানীর চারদিকে নদীর তীরবর্তী হাউজিং প্রতিষ্ঠান থেকে প্লট বা ফ্ল্যাট বরাদ্দ নিয়ে প্রতারিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ অনুরোধ জানানো হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ঢাকার চারপাশের নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা অপসারণে অভিযান পরিচালনা করছে।

এ অপসারণ কাজ পরিচালনার সময় লক্ষ্য করা গেছে, বহু বেসরকারি হাউজিং সোসাইটি নদীর জায়গা দখল করে লিজ গ্রহীতাদের প্রতারিত করে প্লট কিংবা ফ্ল্যাট বরাদ্দ করেছেন। এ সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করার ফলে প্লট গ্রহীতারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- বিআইডব্লিউটিএ ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী ও বালু নদীর ১৭ হাজার ৯০১টি ছোট বড় অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করে প্রায় ৬৬৯ দশমিক ১৮ একর নদীর ভূমি উদ্ধার করেছে।

hamid222.jpg

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ জাপান সম্রাটের অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এখানে রাজপ্রাসাদে ১৭৪ দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ২ হাজার নেতা ও প্রতিনিধির সামনে সম্রাট নারুহিতো জাপানের ১২৬তম সম্রাট হিসেবে তার সিংহাসন আরোহনের ঘোষণা দেন।

মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টায় সিডেন স্টেট হলের মাতসু কুন জো ম্যা স্টেট রুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ‘তাকামিকুরা’ হিসেবে পরিচিত সাড়ে ৬ মিটার উঁচু চাঁদোয়া টানা এই সিংহাসন থেকে সম্রাট তার অধিষ্ঠানের ঘোষণা দেন।

রাষ্ট্রপতির সহধর্মিনী রাশিদা খানম ও জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রবাব ফাতিমা অনুষ্ঠানের মূল কর্মসূচিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রয়েছেন।

সাদা পাজামা ও পাঞ্জাবির ওপর কালো কোট পরিহিত রাষ্ট্রপতি দুপুর ১২টা ৩৩ মিনিটে (স্থানীয় সময়) অনুষ্ঠান হলে যোগ দেন। চলতি বছরের মে মাস থেকে অভিষেকের অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়। এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে আজকের এই অভিষেকের ঘোষণাকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, ৫৯ বছর বয়সী জাপানের সম্রাট তাঁর ৮৫ বছর বয়সী পিতা এমেবিতাস আকিতো সিংহাসন ত্যাগের পর ১ মে নারুহিতো ক্রিসেনথেমাম (চন্দ্রমল্লিকা) সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। জাপানের যুদ্ধপরবর্তী সংবিধানে দেশ ও জনগণের ঐক্যের প্রতীক হচ্ছেন সম্রাট।

সম্রাট মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে রাজপ্রাসাদের স্মৃতি মন্দিরের রাজকীয় পূর্বপুরুষদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সম্রাটের সিংহাসনের দু’দিকে দামি কাপড়ে মোড়ানো ছিল সাম্রাজ্যের প্রতীক ও অলংকার হিসেবে বিবেচিত দর্পণ এবং তলোয়ার। সিংহাসনের পর্দা খুলে দেওয়ার পর সম্রাট ও সম্রাজ্ঞী উঠে দাঁড়ান এবং প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে সম্রাটের সামনে উপস্থিত হয়ে নত মস্তকে শ্রদ্ধা জানান।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভোজসভায় যোগ দেবেন। রাষ্ট্রপতি জাপান সফর শেষে আগামী ২৫ থেকে ২৭ অক্টোবর সিঙ্গাপুর সফর করবেন। রাষ্ট্রপতি ২৭ অক্টোবর সকালে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

bnp-logo.jpg

বিএনপি সমর্থিত সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সংগ্রহ আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। নতুন কমিটি করার আগে দেশব্যাপী নতুন-পুরনো সবাইকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের পরিচালনায় এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহ করা হবে। যারাই সদস্য হবেন তারা আগামী নির্বাচনে নিজ নিজ জেলায় কমিটিতে ভোট দেয়ার যোগ্য হবেন। বিভিন্ন জেলায় যে কমিটি হবে তাতে জেলার সদস্যগণই অন্তর্ভুক্ত ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন। সদস্য সংগ্রহ করার পরে নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি হবে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক ও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে আইনজীবী ফোরামের এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির বেশিরভাগ যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে ফোরামের আহ্বায়ক খন্দকার মাহবুব হোসেনের নেতৃত্বে আইনজীবী ফোরামের সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলবে। সদস্য সচিব ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে ঢাকা আইনজীবী সমিতি, সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম বিভাগে, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের নেতৃত্বে রংপুর বিভাগে, সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে সিলেট বিভাগে, নিতাই রায় চৌধুরী বরিশাল বিভাগে, ব্যারিস্টার এএম মাহবুবউদ্দিন খোকনের নেতৃত্বে ঢাকা বিভাগে, সানা উল্লাহ মিয়ার নেতৃত্বে ময়মনসিংহ বিভাগে, মাসুদ আহমেদ তালুকদারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিভাগে, ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নেতৃত্বে খুলনা বিভাগে এবং আইনজীবী আবেদ রাজা ফরিদপুর বিভাগে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নেতৃত্ব দেবেন।

এ বিষয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা কীভাবে সারা দেশে সদস্য সংগ্রহ করব সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যারা ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক আছেন তারা প্রতি বিভাগে, একেক জন একেক বিভাগের দায়িত্বে থাকবেন। তাদের সঙ্গে যারা সদস্য আছেন তারাসহ দেশের জেলাভিত্তিক সদস্য সংগ্রহ করবেন।