জাতীয় Archives - Dhaka Today

ministry-of-information-big-20181120202801.jpg

বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি জারিকৃত এক পত্রে বলা হয়েছে- কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ এর ধারা ১৯ এর ১৩ উপধারায় বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত কোনো কোনো বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা এ আইনের পরিপন্থী।

বিদেশি টিভি চ্যানেল ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারের জন্য প্রদত্ত অনুমতি অথবা অনাপত্তিপত্রে ‘কেবল্ টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন, ২০০৬’ যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে এ আইনের ১১ ধারা মোতাবেক ডিস্ট্রিবিউশন লাইসেন্স বাতিল অথবা স্থগিত এবং ২৮ ধারা মোতাবেক দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

rafiqul-20181120194359.jpg

সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল না করার অভিযোগে দুদকের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গুলশান কার্যালয় থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান বিএনপি’র চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

এদিকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, রফিকুল ইসলাম মিয়াকে সন্ধ্যায় ইস্কাটনের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ডিবি উত্তরের এডিসি শাহজাহান সাজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

এর আগে দুপুরে দুদকের মামলায় তাকে তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহাবুব এই রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

এ ছাড়াও রফিকুল ইসলাম মিয়া পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রফিকুল ইসলাম মিয়া ঢাকা-১৬ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এছাড়া বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যও তিনি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়,২০০১ সালের ৭ এপ্রিল সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সমস্যা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে তার যাবতীয় সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল করার জন্য ৪৫ দিনের সময় দিয়ে একটি নোটিশ দেয় দুদক। ২০০১ সালের ১০ জুন তিনি দুদকের নোটিশটি গ্রহণ করেন।

নোটিশ গ্রহণ করার পরও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ২০০১ সালের ২৫ জুলাই পর্যন্ত কোনো সম্পদের হিসাব দাখিল করেনি।

হিসাব বিবরণী দাখিল না করায় ২০০৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দুদকের অফিসার লিয়াকত হোসেন বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর রফিকুল ইসলাম মিয়ার বিরুদ্ধে দুদক তদন্ত শেষ করে ১৯৫৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের ৪(২) অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। বিভিন্ন সময় ৬ জন এ মামলায় সাক্ষ্য দেন।

election-for-bnp-20181120181105.jpg

বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ থেকে নৌকার টিকিটে নির্বাচনে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক অর্ধশতাধিক চিকিৎসক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীও রয়েছেন। সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সরকারি, বেসরকারি কিংবা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

কেউবা আবার চিকিৎসক রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত। তাদের প্রত্যেকেই স্ব স্ব ক্ষেত্রে সফল মানুষ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছেন। কিন্তু জাতীয় রাজনীতি তথা নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের সুযোগ পাবেন কি না- তা নিয়ে ‘হেভি টেনশনে’ রয়েছেন তারা। জল্পনা-কল্পনারও শেষ নেই তাদের।

জাতীয় সংসদে আসন সংখ্যা মাত্র ৩০০ হলেও নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন চার সহস্রাধিক নেতা। মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী ২/৩ দিনের মধ্যেই প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

প্রার্থী চূড়ান্ত করার সময় যত ঘনিয়ে আসছে ভিআইপি চিকিৎসকদের টেনশনও যেন হেভি হচ্ছে। তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা, সিনিয়র মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তালিকায় নিজের নামটি আছে কি না- জানতে চাইছেন।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে একাধিক ভিআইপি চিকিৎসক বলেন, তাদের আসনে কাকে মনোনয়ন দেয়া হলো তা না জানা পর্যন্ত মহা-টেনশনে আছেন। তবে তারা সবাই বলছেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবেন, তার পক্ষে সবাই কাজ করে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের প্রার্থীকে নির্বাচনে জয়ী করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন।’

চিকিৎসক হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য প্রাণ গোপালদত্ত (কুমিল্লা-৭), আরেক সাবেক উপাচার্য ও পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের পরীক্ষিত নেতা অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান (টাঙ্গাইল-৩), বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন (ঢাকা-৭), স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান (রাজবাড়ি-২), স্বাচিপ মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ (ময়মনসিংহ-৪), স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নুরুল হক (কিশোরগঞ্জ-২), আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু (মুন্সিগঞ্জ-১) মনোনয়ন চেয়েছেন।

এছাড়া সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি (চাঁদপুর-৩) ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪) মনোনয়ন চেয়েছেন।

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান মনোনয়নপত্র কিনেছেন টাঙ্গাইল-৩ আসন থেকে। এছাড়া আরেক সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত প্রার্থী হতে চান কুমিল্লা-৭ আসনে, বিএসএমএমইউ’র উপ-উপাচার্য গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. এম ইকবাল আর্সলান রাজবাড়ি-২ আসনে, স্বাচিপ মহাসচিব ডা. এম এ আজিজ ময়মনসিংহ-৪ আসনে, নবম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ আসনে, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ঢাকা-৭ আসনে (তিনি এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য), স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নুরুল হক কিশোরগঞ্জ-২ আসনে, আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম টাঙ্গাইল-৮ আসনে, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি চাঁদপুর-৩ আসনে, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক সাতক্ষীরা-৩ আসনে, ডা. আমজাদ হোসেন দিনাজপুর-৪ ও ডা. হাবিবে মিল্লাত সিরাজগঞ্জ আসন থেকে নির্বাচন করার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

এছাড়া অধ্যাপক ডা. আব্দুর রউফ সরদার, ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ডা. দিলীপ রায় ও ডা. এম নজরুল ইসলামসহ যারা মনোনয়ন নিয়েছেন তারা সকলেই আশাবাদী। তবে ভিআইপি চিকিৎসকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাবেন না। কারণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটে যে সকল দল রয়েছে তাদের উপযুক্ত অনেক প্রার্থী সেসব আসনে রয়েছেন।

তবে আওয়ামী চিকিৎসকদের তুলনায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের মধ্যে যারা নির্বাচন করতে চান তাদের টেনশন একটু কম। বিএনপি থেকে যারা মনোনয়ন চেয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- বর্তমানে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সহ-সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমানে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ডা. মাজহারুল ইসলাম দোলন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাৎ হোসেন, বিএনপির পরিবার কল্যাণ সম্পাদক ডা. মহসিন জিল্লুর করিম, পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সহ-সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল কবির লাবু, ড্যাবের সহ-সভাপতি ডা. মাজহারুল আলম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, বিএনপির কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ডা. শহিদ হাসান, ডা. শাখাওয়াত হোসেন জীবন, ডা. মোফাখ্খারুল ইসলাম রানা, ডা. সারোয়ার।

প্রসঙ্গত, পুনঃতফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর এবং ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর।

jamat-3.jpg

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে এখন পর্যন্ত ৬৪টি আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে জামায়াত।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) জামায়াতে ইসলামীর ঢাকার একটি ইউনিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত ও ছাত্র শিবিবের সাবেক এক সভাপতি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এ তথ্য জানিয়েছেন। জামায়াতের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে কথা বলেও একই তথ্য জানা গেছে।

জামায়াতের মনোনয়ন ফরম তুলেছেন যারা

ঠাকুরগাঁও-২ মাওলানা আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ, দিনাজপুর-৪ মাওলানা আফতাব উদ্দিন মোল্লা, দিনাজপুর-৬ মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-১ মাওলানা আবদুস সাত্তার, নীলফামারী-২ মুক্তিযুদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, নীলফামারী-৩ মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন সাজু, রংপুর-৫ অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, কুড়িগ্রাম-৪ আলহাজ মোস্তাফিজুর রহমান, গাইবান্ধা-১ মাজেদুর রহমান সরকার, গাইবান্ধা -২ মাওলানা মো. আবদুল করিম, গাইবান্ধা-৩ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, গাইবান্ধা-৪ ডাক্তার আবদুর রহিম সরকার।

জয়পুরহাট-১ ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ, বগুড়া-২ অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৪ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ আলহাজ দবিবুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ অধ্যাপক ইয়াহিয়া খালেদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ নুরুল ইসলাম বুলবুল, নওগাঁ- ২ মঈন উদ্দীন, নওগাঁ-৪ খ ম আব্দুর রাকিব, রাজশাহী-১ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, রাজশাহী-৩ অধ্যাপক মাজিদুর রহমান, নাটোর-১ অধ্যাপক তাসনিম আলম, নাটোর-৪ অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খান, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সিরাজগঞ্জ-৫ অধ্যক্ষ আলী আলম, পাবনা-১ ডা. আবদুল বাসেত, পাবনা-৪ অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল, পাবনা-৫ মাওলানা ইকবাল হুসাইন।

মেহেরপুর-১ মাওলানা তাজ উদ্দীন আহমদ, কুষ্টিয়া-২ আলহাজ আব্দুল গফুর, চুয়াডাঙ্গা-২ মাওলানা রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ-৩ অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, যশোর-১ মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-২ আবু সাইদ মুহাম্মদ সাদাত হোসাইন, যশোর-৫ অ্যাড. গাজী এনামুল হক, যশোর-৬ অধ্যাপক মুক্তার আলী, বাগেরহাট-৩ অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ, বাগেরহাট-৪ অধ্যাপক আবদুল আলীম, খুলনা-৫ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, খুলনা-৬ মাওলানা আবুল কালাম আযাদ, সাতক্ষীরা-১ অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ, সাতক্ষীরা-২ মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ মুফতি রবিউল বাশার, সাতক্ষীরা-৪ গাজী নজরুল ইসলাম, পটুয়াখালী-২ ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, পিরোজপুর-১ – আলহাজ শামীম সাঈদী, ময়মনসিংহ-৬ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন সরকার, ঢাকা-১৫ ডা. শফিকুর রহমান, মৌলভীবাজার – ১ মাওলানা আমিনুল ইসলাম, সিলেট-৫ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট-৬ মাওলানা হাবিবুর রহমান, কুমিল্লা-৯ এ এফ এম সোলায়মান চৌধুরী, কুমিল্লা-১১ ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের, ফেনী-৩ ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, লক্ষ্মীপুর-২ মাস্টার রুহুল আমিন, লক্ষ্মীপুর-৩ ডা. আনোয়ারুল আজীম, চট্টগ্রাম-১০ আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম ১৫ আনম শামসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, কক্সবাজার-২ হামিদুর রহমান আযাদ।

জামায়াতের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, দল ও জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জোটবদ্ধ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেবেন তারা। শুধু প্রতীকের বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সময় নেয়া হচ্ছে। শিগগিরই দলীয় সর্বোচ্চ ফোরামের বৈঠক হবে। সেখানেই এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২২ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। জয়ী হয়েছিল ১৮ প্রার্থী। তবে জামায়াতের জনপ্রিয়তা আগের তুলনায় বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রেক্ষাপট বদলেছে। সারাদেশে ৩০০ আসনেই নির্বাচন করার মতো যোগ্য প্রার্থী আমাদের রয়েছে। তবে জাতীয় স্বার্থে এবার আমরা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে জোটগতভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচনের অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জোটগতভাবে নির্বাচন করার কারণে আমরা ছাড়ও দিচ্ছি অধিকাংশ আসনেই। ৬০ আসনে জেতার সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা বিএনপিকে দেয়া হয়েছে। এবার এ নিয়ে আলোচনা হবে।

hefajy.jpg

হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন, নির্বাচনে কাউকে হেফাজত সমর্থন করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন সংগঠনটির আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মুখপাত্র মাসিক মুঈনুল ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক সরওয়ার কামালের প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা জানান।

বিবৃতিতে হেফাজত আমির বলেন, বিষয়টা অনেকবার বলা হয়েছে। হেফাজতকে জড়িয়ে এসব তালগোল না পাকাতে ও হেফাজতের নেতাদের জড়িয়ে তালগোল না পাকাতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হতে আমার কাছে কেউ দোয়া নিতে আসে নাই এবং কাউকে নির্বাচন করার জন্য আমি অনুমতি কিংবা নির্দেশ কিছুই দেই নাই। যারা আমার কাছ থেকে দোয়া নেয়ার কথা বলে নির্বাচন কিংবা মনোনয়ন নেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তারা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আমার সঙ্গে কারো কোনো কথা হয়নি।

আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, যারা হেফাজতের নাম দিয়ে কিংবা আমার দোয়া নিয়ে অথবা আমার অনুমতি নিয়ে রাজনীতিতে নেমেছে- তা সম্পূর্ণ মিথ্যাচার এবং ভ্রান্ত কথা।

আগামীতে এ ধরনের মিথ্যাচার না করার জন্য হেফাজত ইসলামের সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা সতর্ক হোন যেন এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড প্রকাশ না পায়। কেউ নির্বাচন করলে সেটা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়। এর জন্য হেফাজতে ইসলাম দায়ী নয়।

আপনি যে কোনো রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু হেফাজতে ইসলামের নাম বিক্রি করে অথবা হেফাজতে ইসলামের নামে কাউকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান হেফাজত আমির।

heroalam7.jpg

কথায় আছে পরাজয়ে ডরে না বীর। হিরো আলমও বীরের মতোই। তিনি এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে লড়ে দু’ বার পরাজিত হন। কিন্তু এই পরাজয় তাঁকে দমাতে পারেনি। বরং নব উদ্যমে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছেন। চলুন জেনে নেই হিরো আলমের ‘এ-টু জেড’।

কে এই হিরো আলম?

ফেসবুক ও ইউটিউবে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে তিনি আলোচনায় আসেন। মিউজিক ভিডিও, শর্ট ফিল্ম আর ঢালিউড ফিল্মে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান। কিন্তু তাঁর কাজগুলো শৈল্পিক আনন্দের পরিবর্তে ফান ভিডিও হিসেবে নিছক টাইম পাসের জন্যই দেখা হয়েছে। তাঁর অভিনীত অনেক ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল ভিডিও হিসেবে ব্যাপক প্রচার পায়। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র তুলে।

হিরো আলমের প্রথম জীবন

হিরো আলমের আসল নাম আশরাফুল আলম। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন চানাচুর বিক্রেতা। এরপর সিডি বিক্রেতা হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সিডির আমল চলে গেলে তাঁর মাথায় আসে ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসার কথা। বগুড়ার এরুলিয়া ইউনিয়নের আশপাশের গ্রামে তিনি ডিশ ব্যবসা শুরু করেন। এখনও এলাকার লোকের কাছে তিনি ডিশ আলম নামেই পরিচিত।

তাঁর ‘হিরো’ হয়ে ওঠা

ক্যাবল নেটওয়ার্ক ব্যবসা শুরুর পরে তিনি একের পর এক মিউজিক ভিডিও বানাতে শুরু করেন। প্রথম গানের মডেলিং ভিডিওটি বানিয়েছিলেন ২০০৮ সালে। তারপর থেকে লাগাতার ভিডিও বানিয়ে নিজের ক্যাবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রচার করতেন থাকেন। এরপর ইউটিউবে সেগুলো আপলোডের মাধ্যমে স্থুল বিনোদন প্রদায়ক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যান। তিনি আলোচনায় চলে আসেন আর দেশবাসী তাঁকে হিরো আলম নামে এক ডাকে চিনে যায়। এই ধারাবাহিকতায় তিনি ঢাকাই সিনেমায় অভিনয়ও করে ফেলেন।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবন

সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করার সুযোগ হয়েছিল তাঁর। অভাব আর সৎ পিতার সংসারে এর বেশি পড়াশোনা চালিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি আলমের পক্ষে।

তাঁর বিবাহ এবং…

২০০৯ সালে তিনি বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রীর নাম সুমী। সুমী এসএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। তবে প্রায় দশ বছর সংসার করার পরে গত বছর আলম তাঁর শ্যালিকাকে নিয়ে পালিয়েছিলেন। সেসময় স্থানীয় চেয়ারম্যান শালিসের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করেন।

হিরো আলমের পরিবার

স্ত্রী সাবিহা আক্তার সুমি, মেয়ে আলোমনি, আঁখি আলো এবং ছেলে আবির হোসেনের সাথে মা ও সৎবাবাকে নিয়ে তাঁর সংসার। তাঁর বড় মেয়ে ২য় শ্রেণির ছাত্রী, মেজো মেয়ে ১ম শ্রেণির ছাত্রী আর ছেলের বয়স চার বছর।

হিরো আলমের বাবা মারা গেলে তাঁর মা’র অন্যত্র বিয়ে হয়। সৎ বাবা নিজের ছেলে-মেয়ের মতোই আলমকে মানুষ করেন। হিরো আলমকে তিনি খুব ভালোবাসলেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে মনে। সৎ বাবা মনে করেন, আলম ইচ্ছা মতো টাকা উড়ায়। মিউজিক ভিডিও বানানোর নামে রাতদিন পড়ে থাকে নানা জায়গায়। বাড়িতে বাবা-মা, স্ত্রী সন্তানদের কোনো খোঁজ রাখে না।

তিনি মনে করেন, আলমের ছেলে-মেয়েরা তাদের বাবাকে কাছে পায় না। আলম তাঁর ছেলে-মেয়েদের খোঁজ রাখে না। বাড়ি-ঘরের প্রতিও তাঁর খেয়াল-টেয়াল কম।

‘হিরো’র নির্বাচন কথায় আছে পরাজয়ে ডরে না বীর। হিরো আলমও বীরের মতোই। তিনি এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে লড়ে দুই বার পরাজিত হন। কিন্তু এই পরাজয় তাঁকে দমাতে পারেনি। বরং নব উদ্যমে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছেন।

হিরো আলমের নির্বাচনী এলাকা

হিরো আলম লাঙ্গল প্রতীকে মনোনয়নপত্র কিনেছেন বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসন থেকে। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ১২ হাজার ৮১।

‘হিরো’র এন্টি পার্টি এবার হিরো আলমের বিপক্ষে প্রার্থী রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় জাসদের সহ-সভাপতি একেএম রেজাউল করিম তানসেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মমতাজ উদ্দিন। সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউনুছ আলী। কাহালু উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন কবিরাজ। বগুড়া জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হেলালুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আলহাজ অধ্যাপক আহছানুল হক ও আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম।

দর্শক যখন ভোটার হিরো আলম হিরোর মতো এগিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এলাকাবাসী ভোটার হিসেবে তাঁর পাশে না থেকে বরং দর্শক হিসেবেই ব্যাপারটাকে উপভোগ করছেন। তাঁর এলাকার তরুণ প্রজন্ম হিরো আলম সম্পর্কে জানলেও প্রবীণরা কিন্তু তাকে সেভাবে চেনেনই না।

হিরো আলম দেশের টিভি-রেডিও-পত্রিকায় নিয়মিত হাজির হলেও নির্বাচনী প্রচারণার জন্য যাচ্ছেন না জনগণের দরজায়। ‘হিরো’ হিসেবে তিনি সারাদেশের সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে কিন্তু ভোটারদের থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছেন এখনও।

গণমাধ্যম সূত্রে পাওয়া এলাকাবাসীর একাধিক বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তাঁর নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা মনে করেন- ইউটিউব, ফেসবুকের জনপ্রিয়তা আর নির্বাচনের মাঠের জনপ্রিয়তা এক নয়। বিএনপি-জামায়াত অধ্যুষিত এলাকায় চারদলীয় জোট এবং মহাজোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হিরো আলমের দর্শক থাকলেও খুব বেশি ভোটার থাকার কারণ থাকবে না।

samim78.jpg

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, গত ৫ বছরে বাংলাদেশের এমপিদের মধ্যে আমি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি। এর আগে ১৯৯৬ সালেও আমি সর্ব্বোচ্চ কাজ করেছি। এবার যদি আবার নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে বাকি যেসব কাজ আছে সেগুলোও দুই বছরের মধ্যে শেষ করে ফেলবো ইনশাআল্লাহ।

মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) সিদ্ধিরগঞ্জের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, এর আগে আপনারা নির্বাচনের অনুমতি দিয়েছিলেন। তাই আমি নির্বাচনে নেমেছি। আপনারা কথা দিয়েছেন। কথা দিয়ে কথা না রাখা মুনাফিকের লক্ষণ। মুনাফিকদের আল্লাহ পছন্দ করেন না। তাই আশা করবো, আপনারা কথা রাখবেন।

তিনি বলেন, একজন ভালো রাষ্ট্রনায়ক পারেন একটি দেশের উন্নয়ন করতে। তেমনিভাবে শেখ হাসিনাও পেরেছেন এই দেশকে উন্নতির দিকে ধাবিত করতে। তার সরকারের আমলে বাংলাদেশে অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে। এই দেশকে আরও উন্নত দেখতে চাইলে শেখ হাসিনাকেই নির্বাচিত করতে হবে।

আ’লীগ নেতা বলেন, আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইবো না। ভোট চাইতেও আসিনি। আমার এমপি হওয়ার দরকার নেই। এমপি দরকার আপনাদের। আর তাকেই দরকার, যে আপনাদের জন্য কাজ করেছে, করবে এবং করতে চায়। বিগত সময়গুলোতে কত কাজ করেছি তা আপনারা ভালো করেই জানেন। জনপ্রতিনিধি ভালো না হলে উন্নয়ন হয় না। একজন ভালো জনপ্রতিনিধিই পারে এলাকার উন্নয়ন করতে।

তিনি বলেন, যারা ক্ষমতায় আসার জন্য আগুন সন্ত্রাস করে তাদের আর ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না। যারা ক্ষমতায় আসার জন্য বিপক্ষ দলের উপর গ্রেনেড হামলা চালায়, তাদের আবার ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না।

শামীম ওসমানে বলেন, যার হাত ধরে আজকে দেশ দরিদ্র রাষ্ট্র থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে, যার হাত ধরে দেশের জিডিবির হার বেড়েছে। তাকেই এই দেশে আবার নির্বাচিত করতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন মাস্টার, সিদ্ধিরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক প্রশাসক আব্দুল মতিন প্রধান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি ইয়াছিন মিয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক তাজিম বাবু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও নাসিক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসান, নাসিক ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ওমর ফারুক, নাসিক ১০নং কাউন্সিলর ইফতেখার আলম খোকন, জেলা যুবলীগের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক হাজি সুমন কাজী, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব হোসেন, আদমজী আঞ্চলিক শ্রমিক লীগের সভাপতি সামাদ ব্যাপারী, থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক ভূইয়া রাজু প্রমুখ।

bodi-rana.jpg

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পাচ্ছেন না ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দুই সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি ও আমানুর রহমান রানা। বিভিন্ন কারণে বিতর্কিত হওয়াতেই প্রার্থী হওয়ার দৌঁড় থেকে বাদ পড়েছেন তারা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমনটাই জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কক্সবাজারের সংসদ সদস্য বদি বিভিন্ন জরিপে বহু এগিয়ে। তবু বিতর্ক এড়াতে তাকে এবার মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে না। ওই আসনে বদির স্ত্রী শাহীনা আক্তার চৌধুরী নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাও একাধিক জরিপে এগিয়ে। আপনারা চাইলে আমি জরিপের ফল দেখাতে পারি। তবু কনট্রভার্সি (বিতর্ক) এড়াতে আমরা এবার তাকে মনোনয়ন দিচ্ছি না। যদিও তার বিরুদ্ধে তেমন কোনো অভিযোগ নেই। অভিযোগ তার ভাইদের বিরুদ্ধে। ওই আসনে রানার বাবা আতাউর রহমান খানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

কেন এত বিতর্ক? ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দুই মেয়াদে কক্সবাজার-৪ আসনের এমপি আবদুর রহমান বদি। নানা অভিযোগে তিনি দেশব্যাপী সমালোচিত। মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার হিসেবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে তার নাম। অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ অর্জন এবং কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে এ সাংসদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। দীর্ঘ সময় জেলেও ছিলেন তিনি। তার হাতে প্রহৃত হয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা, আইনজীবী, শিক্ষক, প্রকৌশলীসহ অনেকে। ফুলগাজী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান একরাম হত্যাকাণ্ডেও তিনি কলকাঠি নেড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

আব্দুর রহমান বদি ও তার স্ত্রী শাহীনা চৌধুরী

আব্দুর রহমান বদি ও তার স্ত্রী শাহীনা চৌধুরী

বিতর্কিত এই সাংসদ প্রার্থী হতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছিলেন এবারও। কিন্তু নিজের মনোনয়নের ব্যাপারে রয়েছেন অনিশ্চয়তার কারণে প্রথম স্ত্রী শাহীনা চৌধুরীকে দিয়েও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করান। শেষ পর্যন্ত এমপি বদির আশঙ্কাই সত্যি হলো। বাদ পড়লেন তিনি, আর নৌকায় ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন স্ত্রী শাহীনা।

এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন পাচ্ছেন না টাঙ্গাইল-৩ আসনের এমপি আমানুর রহমান রানাও। তার বদলে নৌকার টিকেট পাচ্ছেন বাবা আতাউর রহমান খান।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এ হত্যায় আমানুর ও তাঁর ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর আমানুর গত ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এ আদালতেই আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

এ মামলায় আমানুর ছাড়াও তাঁর তিন ভাই—টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছে। গত বছর ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

গত ২০ মার্চ টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে মামলার বাদী নিহত ফারুকের স্ত্রী নাহার আহমেদের জেরা করা হয়। এসময় বাদী অভিযোগ করেন, সাংসদ আমানুর রহমান খান (রানা) ও তাঁর ভাইয়েরা বিভিন্ন সময় ফারুক আহমেদকে হত্যার হুমকি এবং টাঙ্গাইল ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য বলেছেন। কিন্তু তাঁরা এতই ভয়ংকর ছিল যে ভয়ে এ ব্যাপারে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। এমনকি মামলার এজাহারেও এসব ঘটনা তুলে ধরার সাহস হয়নি।

প্রসঙ্গত, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তাঁর তিন ভাইকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

bcc.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গণভবনে গেছেন যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে গণভবনে প্রবেশ করেন বি চৌধুরী। এসময় তার সঙ্গে আর কেউ ছিলেন না।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহী বি চৌধুরী।

sahidw3.jpg

অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার মাহাবুবুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকালে জামিনের যে কাগজ আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল সেটাতে ঠিকানা ভুল ছিল। পরে সেটা আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই তার স্বজনরা পৌঁছে দেন। এরপর যাচাই বাছাই শেষে রাত সাড়ে ৮টায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন চলাকালে গুজব প্রচারের অভিযোগে গত ৫ আগস্ট শহিদুল আলমকে তার বাসা থেকে আটক করা হয়। পরদিন তার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করা হয়। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালতের মাধ্যমে পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান শহিদুল আলম। রোববার সেই জামিন স্থগিতের আবেদন করেন রাষ্ট্রপক্ষ। কিন্তু শুনানি শেষে উচ্চ আদালত শহিদুল আলমের জামিন বহাল রাখেন।

মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে শহিদুল আলমের জামিননামা দাখিল করা হলে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম জামিননামা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কিন্তু জামিননামায় ঠিকানা ভুল থাকায় কারা কর্তৃপক্ষ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তা সিএমএম আদালতে ফেরত পাঠায়।

পরে সন্ধ্যার দিকে সংশোধিত জামিনের কাগজ জমাদানের মাধ্যমে ১০৭ দিন পর কারামুক্ত হন শহিদুল আলম।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter