জাতীয় Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

PM-Sheikh-Hasina-1-3-1.jpg

বাংলাদেশকে আমি আমার পরিবার মনে করি। নিজের পরিবারের সদস্যদের প্রতি যে দায়িত্ব পালন করি, বাংলাদেশের মানুষের জন্যও অনুরূপ মনোযোগ দিয়ে কাজ করি। ক্ষমতার বিষয়টি আমার কাছে ভোগের নয়, এটি দায়িত্ব পালনের।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে ১১৩, ১১৪ ও ১১৫তম আইন এবং প্রশাসন কোর্সের সনদ বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

তিনি আরও বলেন, প্রথম প্রধানমন্ত্রী হয়ে এটাই ঘোষণা দিয়েছিলাম, আমি সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়। কারণ জাতির পিতার কন্যা হিসেবে আমি মনে করি, এটা আমার দায়িত্ব।

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাশের দেশগুলোর তুলনায় আমরা পিছিয়ে থাকতে পারি না। দেশের মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করা ছিল আমাদের অন্যতম কাজ। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের মাধ্যমে এসব মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমরা এজন্য কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছি, সে অনুযায়ী কাজ চলছে।

দেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পের ৯০ ভাগই আমরা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করি। কারা ট্যাক্স দেয়, আমাদের দেশের মানুষ। কারা খাটে, আমার গরিব কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মানুষ, তারাই তো খাটে। তাদের এ অর্থগুলো যথাযথভাবে দেশের উন্নয়নে যেন ব্যয় হয় এবং উন্নয়নটা যেন পরিকল্পিতভাবে হয়, মিতব্যয়ের সঙ্গে আমরা যেন আরও বেশি উন্নয়ন করতে পারি, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

শাহবাগের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সচিব ফয়েজ আহমদ। বিশেষ অতিথির বত্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান।

Moulvibazar-B-20191212140935-480x250.jpg

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি আলমগীর হোসেন বিএনপিকর্মী মনে করে প্রকাশ্যে রাস্তায় ডিএসবি (ডিস্ট্রিক স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এর এক কনস্টেবলকে পিটিয়েছেন। এ ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার চৌমুহনায়। ঘটনার সময় নিজের পরিচয় দিলেও ওই ডিএসবি কনস্টেবলকে মারধর করেন ওসি।

সূত্রে জানা যায়, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজের প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে মৌলভীবাজার চৌমুহনা থেকে সকাল ১০টায় বিএনপির মিছিল হওয়ার কথা ছিল।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দায়িত্ব পালন করতে চৌমুহনা এলাকায় আসেন ডিএসবির সদস্য আবুল বাশার। এ সময় মডেল থানার এসআই তাপসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চৌমুহনায় দায়িত্ব পালনরত ছিল।

বেলা ১১টার দিকে বিএনপির ১৫-২০ জন নেতাকর্মী জড়ো হন রাস্তায়। এমন সময় আবুল বাশার দায়িত্ব পালন করছিলেন চৌমুহনায়। পুলিশের ড্রেস পরিহিত অবস্থায় মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন ডিএসবির সদস্য আবুল বাশারকে পেছন দিক থেকে এসে বিএনপির কর্মী বলে পেটাতে থাকেন।

ডিএসবির সদস্য আবুল বাশার জানান, সকালে তিনি অফিসে আসার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে ডিআইও-১ আবু তাহেরের সাথে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে চৌমুহনা পয়েন্টে যান। ঘটনার সময় তিনি যখন ছবি তুলতে যান হঠাৎ করে পেছন দিক থেকে তাকে ড্রেস পরিহিত অবস্থায় আক্রমণ করেন ওসি। তখন তাকে বলেন যে তিনি ডিএসবি সদস্য। এর পরও ওসি তাকে মাথায় আঘাত করেন।

এ সময় মডেল থানার এসআই তাপস ডিএসবি সদস্য বাশারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘পুলিশের লোক হলে কী হবে? ডিএসবির লোক কিছু করতে পারবে না। ডিএসবি অফিস একটি বাজে অফিস।’

এসআই তাপস অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ‘ওসি স্যারের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে ডিএসবি সদস্যের। আমি কিছু বলিনি।’

মৌলভীবাজার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন জানান, ছত্রভঙ্গ করতে ঘটনাটি ঘটেছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলা লজ্জার।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ বলেন, রাজনৈতিক একটা কর্মসূচি ছিল, সেটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গিয়েছিল। সেখানে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

বি.এন.পি কর্মী মনে করে ডিস্ট্রিক স্পেশাল ব্রাঞ্চের পুলিশ'কে থাপ্পড় দিলেন মৌলভীবাজার থানার ওসি😂😂

Geplaatst door Md Nurul Alam Noyon op Donderdag 12 december 2019

fakh44.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন খারিজ করে দিয়ে দেশের রাজনীতিতে স্থায়ীভাবে সংঘাতময় পরিবেশের সৃষ্টি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, এই রায়ের মাধ্যমে রাজনীতিতে স্থায়ী সংঘাত সৃষ্টি হল। আমরা এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ও হতাশ।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ১৫ ডিসেম্বর বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেন মহাসচিব।

জামিন আবেদন খারিজ নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই আদেশে দেশের রাজনীতিতে স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করা হল। সারা বাংলাদেশের মানুষ হতাশ ও ক্ষুব্ধ।

তিনি বলেন, যে প্রত্যাশা মানুষের মধ্যে ছিল, যে অন্তত সর্বোচ্চ বিচার ব্যবস্থা- সবার শেষ আশা ভরসার স্থল সেখান থেকে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি সেই ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেলে রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। সরকার অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে দেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোকে দুর্বল করে ফেরতে প্রথম থেকেই এক এক করে পদক্ষেপ নিয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলেছে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রোববার সারা দেশে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ তাই রোববার সারা দেশে বিএনপি বিক্ষোভ মিছিল করবে।

জনগণের সক্রিয় আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতীয় নির্বাচনের ফল বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারে অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেন বিএনপির এই মহাসচিব।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টার পর চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়। মূলত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ হওয়ার পর করণীয় কী, সেটা ঠিক করতেই এ বৈঠক।

বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ সিনিয়র নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। এছাড়া বৈঠকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে লন্ডন থেকে স্কাইপের মাধ্যমে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অংশ নেন। বৈঠক শেষে দলটির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার জামিন খারিজের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান দলের মহাসচিব।

joy-putul.jpg

আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের ২১তম ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ঘিরে দলে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইস্যুতে নানা আলোচনা হচ্ছে। দলে নতুন কে আসছেন, কে বাদ পড়ছেন এ নিয়ে নানা গুঞ্জন ডালপালা ছড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুই সন্তান প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয় ও অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে। তারা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে আসতে পারেন।

আসন্ন কাউন্সিলে তারা দুজন না এলেও অন্তত একজন নেতৃত্বে এসে চমক সৃষ্টি করবেন বলে দলের একাধিক সিনিয়র নেতা মনে করলেও জয় এবং পুতুল নিজ থেকে এমন আগ্রহের কথা দলের কোনো মহলে এখনো জানাননি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও এ বিষয়ে কোনো কিছু বলেননি।

তবে আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনার উত্তরসুরি হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামই বহুল আলোচিত। এর আগে, দলের সর্বশেষ ২০তম জাতীয় সম্মেলনে তখনকার সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যে সম্মেলনস্থলে উপস্থিত সজীব ওয়াজেদ জয়কে ইঙ্গিত করে প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘আমাদের নতুন প্রজন্মের নেতা, আগামী দিনের ভবিষ্যৎ আজ আপনাদের সামনে উপস্থিত।’ সৈয়দ আশরাফের মতো দলের সব নেতাই একই মনোভাব পোষণ করেন। তাদের মতে, বঙ্গবন্ধুর তৃতীয় প্রজন্ম কাউকে না কাউকে দলের নেতৃত্বে প্রয়োজন। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সবখানেই এই আওয়াজ রয়েছে। তবে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় হতে অনাগ্রহের ইঙ্গিত জয় আগে থেকেই দিয়ে আসছেন, যদিও শেখ হাসিনার সন্তান ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে পরোক্ষভাবে দল ও সরকারের জন্য পরামর্শক হিসেবে সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

মাঠের রাজনীতিতে জয়ের সক্রিয়তা দৃশ্যমান না হলেও গত ১৭ নভেম্বর রংপুর পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নতুন কমিটিতে এক নম্বর সদস্য হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হন তিনি। পরে ২৬ নভেম্বর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কাউন্সিল শেষে রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির এক নম্বর সদস্যও করা হয় জয়কে।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বেশিরভাগই চান বঙ্গবন্ধুর এই দুই উত্তরসূরি দলের নেতৃত্বে আসুক। তারা বলছেন, জয় ও পুতুল দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হলে দলের নেতৃত্ব আরও সংগঠিত হবে। এর সুফল ভোগ করবে আওয়ামী লীগই।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেছেন, এটি একান্তই পার্টির সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। তবে তাদেরও ইচ্ছার ব্যাপার আছে। তারা রাজনীতিতে আসবেন কিনা সেটাও তো জানার ব্যাপার আছে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার সুযোগ্য সন্তান সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুল শুধু আওয়ামী লীগের নয়, দেশ ও দেশের বাইরের মানুষের মন জয় করেছেন। আমরা উন্মুখ হয়ে আছি কবে তাদের মতো উচ্চশিক্ষিত, সৎ ও কর্মদক্ষ মানুষ আওয়ামী লীগে এসে নেতৃত্ব দেবেন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই ঢাকায় পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনার প্রথম সন্তান জয়ের জন্ম হয়।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা শেখ হাসিনা এবং খালা শেখ রেহানার সঙ্গে লন্ডনে থাকায় বেঁচে যান জয়। পরে মায়ের সঙ্গে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় মেলে তার। শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতেই। পড়াশোনা করেন ভারতের নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজ ও তামিলনাড়ুর পালানি হিলেসর কোডাইকানাল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে। এর পর বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স, পদার্থ এবং গণিতে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি টেক্সাস ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আরেকটি ব্যাচেলর ডিগ্রি অব সায়েন্স অর্জন করেন। সব শেষে তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর করেন। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক ‘গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন জয়ই। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর জয়কে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে অবৈতনিক উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে স্কুল মনস্তত্বে বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সময় তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নের ওপর গবেষণা করেন। এ বিষয়ে তার গবেষণাকর্ম ফ্লোরিডার একাডেমি অব সায়েন্স কর্তৃক শ্রেষ্ঠ সায়েন্টিফিক উপস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃত হয়।

তিনি ২০০৮ সাল থেকে শিশুদের অটিজম এবং স্নায়বিক জটিলতাসংক্রান্ত বিষয়ের ওপর কাজ করছেন। স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব সংস্থা কর্তৃক ২০১৪ সালে ডব্লিউএইচও অ্যাক্সিলেন্স পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৩ সাল থেকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সৃষ্টিশীল নারী নেতৃত্বের একশজনের তালিকায়ও স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বাংলাদেশে অটিজমবিষয়ক জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন। সেই সঙ্গে তার পরিচালিত ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। তার উদ্যোগেই ২০১১ সালে ঢাকায় প্রথমবারের মতো অটিজমের মতো অবহেলিত একটি বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী অংশ নেন।

তার অক্লান্ত চেষ্টায় বাংলাদেশে ‘নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজ্যাবিলিটি ট্রাস্ট অ্যাক্ট ২০১৩’ পাস করা হয়। সেই সঙ্গে তার দেওয়া পরামর্শের ভিত্তিতেই জাতিসংঘ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কার্যাবলীতে অটিজমের বিষয়টি তিনিই সংযুক্ত করেন। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে অটিজম বিষয়ে ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবেও কাজ করছেন তিনি। আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) একজন ট্রাস্টিও সায়মা ওয়াজেদ পুতুল।

skhasi.jpg

দুর্নীতির জন্য সব অর্জন ম্লান হয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। প্রতিটি কর্মচারীকে চিন্তা করতে হবে, কতটুকু সেবা আমি দিতে পারলাম। নিজের পরিবারের সদস্যদের মতোই, দেশের মানুষের প্রতিও দায়িত্ব পালন করতে হবে। ঘুষ-দুর্নীতির বিষয়ে সাবধান হতে হবে।

প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণের সেবায় আইন ও প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার আইন ও প্রশাসন কোর্সের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

টেকসই উন্নয়নের জন্য সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে বাজ করার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয়ে সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাইকে কাজ করতে হবে। আগামী দিনে যারা রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করবেন, তাদেরকেও উন্নয়ন কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে।

সরকারি চাকরিজীবীদের আন্তরিকভাবে জনগণের সেবা করার নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিতে সরকারি কর্মীদের দুশ্চিন্তা দূর করার চেষ্টা চলছে। বেতন-ভাতা বাড়ানোর পাশাপাশি গাড়ি, ফ্ল্যাট-বাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। কর্মীরা ভালো কাজ করলে উন্নয়ন হবে। তখন বিভিন্ন সুবিধা আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

সততা ও আত্মত্যাগের সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা পেতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জাতির জনকের অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং কারাগারের রোজনামচা পড়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

khaleda-10.jpg

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ৬ বিচারকের আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে সর্বসম্মত এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

এর আগে সকাল ১০টা ৮ মিনিটে আপিল বিভাগে এ শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে।

আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এদিকে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি ঘিরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আদালতের প্রতিটি ফটকে নিরাপত্তায় পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মূল ফটকগুলো দিয়ে ঢোকার সময় আগত ব্যক্তিদের পরিচয়পত্রও দেখাতে হয়েছে।

এই শুনানিকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। এর মধ্যে গতকাল পৌনে ৫টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট এলাকার বাইরে তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

জাতীয় ঈদগাহ, হাইকোর্ট মাজার গেট ও বার কাউন্সিল ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। মূল সড়কের পাশেই এসব ঘটনা ঘটেছে। রাস্তায় তখন প্রচুর যানবাহন ও মানুষের ভিড় ছিল। এর মধ্যে কীভাবে এসব ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান বলেন, ঘটনাটিকে নাশকতা বলেই মনে করছেন তারা। জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এর আগে ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চেয়েছিলেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

এদিকে বুধবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্টটি সিলগালা অবস্থায় সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে পৌঁছে দিয়েছে। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

22-7.jpg

সর্বোচ্চ আদালতে দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত কারাবন্দী খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন শুনানি সামনে রেখে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে রেখেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকেই রাজধানীর নয়া পল্টনে দলটির কার্যালয়ের সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ব্যাপকসংখ্যক পুলিশ, যাদের সঙ্গে সাদা পোশাকের পুলিশও রয়েছেন।

অন্যদিন এই সময়ে অফিসে নেতা-কর্মীদের ভিড় থাকলে এদিন পুলিশের বেষ্টনী ভেদ করে নেতা-কর্মীদের কাউকে কার্যালয়ে ঢুকতে দেখা যায়নি।

তবে সকাল ১০টার দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে নিজের চেম্বারে অবস্থান করছেন।

দলের স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদসহ মহিলা দলের ২০/২২ জন সদস্য ও অফিস কর্মীরা কার্যালয়ে রয়েছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে। গত কয়েকদিন ধরে বিএনপি অফিসের সামনে অতিরিক্ত পুলিশের অবস্থান দেখা গেছে।

কার্যালয়ের নেতারা জানান, তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের দিকে নজর রাখছেন। তারা আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে মহাসচিবকে শুনানির সর্বশেষ অবস্থা জানাচ্ছেন।

বেলা সাড়ে ১১টায় মহিলা দলের একদল নেতা-কর্মী ফটকের ভেতরে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকে। এসময়ে পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মীরা গেইটের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

momen566.jpg

তিনদিনের সফরে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্র ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

সফলকালে ড. আব্দুল মোমেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দিল্লিতে আয়োজিত ইন্ডিয়ান ওশান সামিটে যোগ দিতে ভারত যাচ্ছেন মোমেন। ওই সম্মেলনের সাইড লাইনে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে।

আগামী ১৪ ডিসেম্বর রাতে ড. মোমেনের ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফর সামনে রেখে বিবৃতি দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে ড. মোমেন দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে নামবেন। পরদিন শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তিনি দিল্লি ডায়ালগ (একাদশ চ্যাপ্টার) ও ইন্ডিয়ান ওশান ডায়ালগের (চতুর্থ চ্যাপ্টার) যৌথ অধিবেশনের মন্ত্রী-পর্যায়ের সেশনে অংশ নেবেন এবং কি-নোট বক্তৃতা দেবেন।

শনিবার সকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে এক বৈঠকে মিলিত হবেন। ওই দিন সন্ধ্যায় তার ঢাকা ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

fgnjftg.jpg

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে করা আপিল আবেদনের ওপর শুনানি চলছে। এরমধ্যে আদালত চত্বরে পাল্টাপাল্টি মিছিল ও স্লোগান দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ১০টা ৮ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে এ শুনানি শুরু হয়।

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে এনরোলমেন্ট তালিকা দেখে কিংবা পরিচয়পত্র যাচাই করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবীদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে।

এরমধ্যেই পাল্টাপাল্টি মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। মিছিলে বিএনপিপন্থী আইনজীবিদের নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও আইনজীবী নীলুফা ইয়াসমিন মনি। তারা স্লোগান দিচ্ছেন- বিচারের নামে টালবাহানা চলবে না, খালেদা জিয়ার মুক্তি দিতে হবে।

এছাড়া খালেদা জিয়া স্লোগানে সুপ্রিমকোর্ট চত্বর মুখরিত করে রেখেছেন তারা।

অন্যদিকে আদালতে বিশৃঙ্খলা চলবে না, বহিরাগতদের আদালতে ঢুকতে দেয়া হবে না বলে আওয়ামীপন্থীরা স্লোগান দিচ্ছেন।

khaleda-20190920195307.jpg

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি ফের শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির বৃহত্তর আপিল বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। বেলা ১১টা ৫ মিনিটে শুনানি মুলতবি করা হয়। বেলা সাড়ে ১১টার পর ফের শুনানি শুরু হয়।

আজ সকাল থেকেই বিএনপি চেয়ারপারসনের জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টের চারপাশে ও সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনে নিরাপত্তা ব‌্যবস্থা জোরদার করা হয়।

গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন চান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তা আদালতে আসার কথা ছিল।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন চান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার কথা থাকলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক‌্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা করতে পারেনি। প্রতিবেদন দিতে না পারায় এজলাসে তুমুল হট্টগোল হয়।

আদালত জিয়ার জামিন শুনানি এক সপ্তাহ পিছিয়ে ১২ ডিসেম্বর এবং ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে খালেদার শারীরিক অবস্থার রিপোর্ট দাখিল করতে বলেন।