জাতীয় Archives - Page 2 of 31 - Dhaka Today

dronne.jpg

উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারিতে ড্রোনের ব্যবহার নতুন নয়। বাংলাদেশেও জঙ্গি হামলার কয়েকটি ঘটনা ঘটার পর নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে আকাশে ড্রোন উড়িয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের পর দিন বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই এলাকায় ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। কে বা কারা, কেন ড্রোন উড়িয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আইনত বাংলাদেশে অনুমতি ছাড়া ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের অদূরে স্কাউট ভবনের ছাদ থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার পরপরই ড্রোনটি ওড়ানো হয়। দুই দফায় ১০ মিনিটেরও বেশি সময় এটি আকাশে ছিল। বিশেষ কোনো কারণে ড্রোনটি ওড়ানো হয় বলে ধারণা করেন উপস্থিত সবাই। তবে সেই উদ্দেশ্য কী তা স্পষ্ট নয়। কেউ কেউ বলছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এটি ওড়ানো হয়। বুধবারের সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার যেন কেউ ওই এলাকায় আবার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চালাতে না পারে সে জন্যই এই পর্যবেক্ষণ।

নয়াপল্টনের আকাশে উড়ন্ত ড্রোন ওই সময় বিএনপি কার্যালয়ে অবস্থান করা নেতাকর্মীদের ও চোখে পড়েছে। তাদের দাবি, ড্রোনের সাহায্যে নয়াপল্টনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের ছবি তুলে রাখা হচ্ছে। পরে আটক-গ্রেফতারে এসব ছবি ব্যবহার করা হবে। নয়াপল্টনে ওই সময় উপস্থিত কেউ কেউ ড্রোনের ছবিও তুলেছেন। তাদের একজনের ভাষ্য, খালি চোখে বোঝা না গেলেও ছবি জুম করে দেখা যায়, ড্রোন ওড়ানোর সময় তিন পুলিশ সদস্য স্কাউট ভবনের ছাদে ছিলেন। তারাই ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণ করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে পল্টন থানার ওসি মাহমুদুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, বিষয়টি তার জানা নেই বলে জানান।

drg.jpg

একই সঙ্গে দুই জোট নিয়ে ভোটে অংশ নিতে চাইলেও শরিকদের আসন ছাড় দেওয়া নিয়ে মহাফাঁপড়ে পড়েছে বিএনপি। একে তো নিজ দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ৩০০ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে এখন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তদবির ও লবিং সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে দলটির হাইকমান্ড। অন্যদিক দুই জোটের মধ্যে ২০ দলের শরিক দলগুলোর দাবি ১০০ আসনের. আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট চায় ৫০ আসন।

দুই জোটের শরিকদের জন্য যদি সংসদের অর্ধেক আসনই বিলিয়ে দিতে হয়, দলের দুঃসময়ের কান্ডারিদের বঞ্চিত করা হবে বলে মনে করছেন বিএনপির শীর্ষনেতারা। এক্ষেত্রে শরিকদের জন্য সর্বোচ্চ ৬৫ আসন ছাড় দিবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। এরমধ্যে ২০ দলীয় জোটের শরিকদের জন্য বিএনপির ছাড়তে চায় ৫০ আসন, আর ঐক্যফ্রন্টকে দিতে চায় ১৫ আসন। বিএনপির নির্বাচন পরিচালনার কাজে সম্পৃক্ত একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে এখনও আসন সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনায় বসেনি বিএনপি। অনানুষ্ঠানিকভাবেই দুই জোটের শীর্ষনেতাদের কাছে কাঙ্খিত আসনের তালিকা চেয়েছে বিএনপি, চটজলদিই ওই তালিকা সংসদের বাইরে থাক বড় দলটির হাতে চলে এসেছে। আর দুই জোটের চাহিদা জেনে চমকে ওঠেছেন বিএনপির নেতারা। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের শরিকদের চাহিদা সবমিলিয়ে ১৫০ আসন।

নির্বাচন পরিচালনার কাজে সম্পৃক্ত বিএনপির একটি সূত্র জানায়, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামী একাই ৬০টি আসন বরাদ্দ চায়। এরই মধ্যে তারা উল্লেখিত আসনগুলো আন্ডারগ্রাউন্ডে প্রচারণাও শুরু করেছে। ২০ দলের অপর শরিক অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চায় ৩০টি আসন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মধ্যে নিবন্ধিত দল মাত্র আটটি। নিবন্ধিত দলগুলো পাশাপাশি অনিবন্ধিত দলগুলোও ২ থেকে ৩ আসনের দাবি তুলেছে।

সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এতদিন ১০০ আসন চাওয়ার কথা ভাবছিল। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কাছে বিজয়ী হওয়ার মতো সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা চাওয়া হলে এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সেখান থেকে তারা সরে এসেছে। বিএনপির কাছে এখন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ৫০ আসনে ছাড় চাইছে।

এই ৫০ আসনের মধ্যে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হেসেনের গণফোরামের দাবি ১৫ আসন। ফ্রন্টের অন্যতম শরিক আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডিও ১৫ জনের প্রার্থী তালিকা পাঠিয়েছে বিএনপির কাছে। মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্য ১০, বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ ১০ আসনে প্রার্থী তালিকা ঠিক করে রেখেছে। এর বাইরে আছে বিএনপিকে সমর্থন দেওয়া পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের চাপ। তাদের কয়েকজন এবার বিএনপির ব্যানারে ভোটে দাঁড়াতে চান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, এখন আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে আসন বন্টন। প্রতিকূল পরিবেশে নির্বাচন করতে হচ্ছে। এটি মনে রেখে আসন বণ্টনের ব্যাপারে সব শরিককে সর্বোচ্চ উদারতা দেখাতে হবে।

বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এলডিপির জন্য বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা ৫ থেকে ৬টি আসনের কথা ভাবছে। এর মধ্যে এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ (চট্টগ্রাম-১৪), মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ (কুমিল্লা-৭), আবদুল করিম আব্বাসী (নেত্রকোনা-১) ও শাহাদাত হোসেন সেলিমকে (লক্ষ্মীপুর-১) জোটের প্রার্থিতার ব্যাপারে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

২০ দলের অন্য শরিকদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ (ভোলা-১), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে তাসমিয়া প্রধান (পঞ্চগড়-২), মসিউর রহমান যাদু মিয়ার মেয়ে পিপলস পার্টি অব বাংলাদেশের রীতা রহমান (নীলফামারী-১) ও মাইনরিটি জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মণ্ডলও (যশোর-২) জোটের মনোনয়ন পেতে পারেন বলে আলোচনা আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম এবং খেলাফত মজলিস ও জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামকে একাধিক আসনে ছাড় দেওয়া হতে পারে।

সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দলগুলোর মধ্যে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে ঢাকা-১০ আসনে, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টুকে ঢাকা-৭ ও নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরীকে ঢাকা-৬ আসনে প্রার্থী করার চিন্তাভাবনা চলছে। ঐক্যফ্রন্টের অন্য নেতাদের মধ্যে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ মৌলভীবাজার-২, মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বগুড়া-৭, আ স ম রবকে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ও আবদুল কাদের সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইলের (৪ ও ৮) দুটি আসনের একটিতে প্রার্থী করা হতে পারে। তাঁদেরসহ ঐক্যফ্রন্টের বাকি নেতাদের বিষয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।

জোটসূত্রে জানা গেছে, ২০ দলীয় জোট ও ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলো যার যার মতো করে নিজেদের চাহিদার তালিকা তৈরি করছে, যা বিএনপি–সংশ্লিষ্ট নেতাদের হাতে দিচ্ছে। এর মধ্যে শরিক দলগুলোর মধ্যে যোগ্য প্রার্থী কে কোন আসনে আছেন, সে বিষয়ে বিএনপিও খোঁজখবর নিচ্ছেন। দু–এক দিনের মধ্যে এ নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপি আলাদাভাবে বসবে।

দুই জোটই যে ভোটের মাঠে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ ব্যবহার করবে এটা নিশ্চিত। ২০ দল ও ঐক্যজোট আলাদাভাবে এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে তা জানিয়ে দিয়েছে।

kadery6.jpg

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমি জানতে চাই, দেশবাসীও জানতে চায়। বলুন তারা (ঐক্যফ্রন্ট) নির্বাচনে জয়লাভ করলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন?

ড. কামাল হোসেন না তারেক রহমান? কে হবেন? হু ইজ দেয়ার পিএম ফেইস।’ সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এ সময় মন্ত্রিসভার আকার ছোট হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটা দুয়েক দিনের মধ্যেই জানা যাবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (ঐক্যফ্রন্ট) যে একটা নির্বাচন করবে, আমাদের তো পিএম (প্রধানমন্ত্রী) ফেইস আছেন, তাদের পিএম ফেইস কে? প্রত্যেক দেশে নির্বাচন হয়। নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রত্যেক দলের বা জোটের পিএম ফেইস থাকে। আমি জানতে চাই, তাদের পিএম ফেইস কে?’

নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি ভাবতে পারিনি, মির্জা ফখরুল এতটা মিথ্যা কথা বলবেন। এটা কে বিশ্বাস করবে? ছাত্রলীগ নাকি হামলা করেছে, এটা কেউ বিশ্বাস করবে? মির্জা ফখরুলের মুখে এমন মিথ্যা কথাও শুনতে হবে!’

সেতুমন্ত্রী বলেন, দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি যে তাণ্ডব চালিয়েছে, সেটি পূর্বপরিকল্পিত। তারা আসলে নির্বাচনে আসতে চায় না। নির্বাচন বানচাল করতেই তারা এ অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। নির্বাচনী সুবাতাস কারা নষ্ট করছে? নির্বাচন ভণ্ডুলের যে অশুভ তৎপরতা, তা কাল (বুধবার) প্রমাণ করেছে বিএনপি।

তারা যদি নির্বাচন চায়, তাহলে তাদের এ অশুভ তৎপরতা বন্ধ করতে হবে। কোনো অশুভ শক্তি বাংলাদেশে নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না। এ ঘটনায় কোনো ব্যবস্থা নেবেন কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা তো নির্দেশ দিতে পারি না। এখন এটা নির্বাচন কমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলতে পারে তদন্ত করার জন্য।

আমরা দেখছি, নির্বাচন কমিশন কী ব্যবস্থা নেয়।’ নির্বাচন পেছানো প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন এক ঘণ্টাও পেছাক, তা চায় না আওয়ামী লীগ। নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন হবে। বিএনপি যে দাবি করেছে, তা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য নয়, বানচাল করার জন্য। বিএনপি যদি নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে, তাহলে জনগণই তা প্রতিহত করবে। কারণ সাধারণ মানুষ নির্বাচন চায়। ভিন্ন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ দুই-তিন দিনের মধ্যে জোটগুলোর সঙ্গে বসার পর দলের মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকার বলতে কিছু নেই। পৃথিবীর সব দেশে যখন নির্বাচন হয় তখন যে সরকার ওই সময় ক্ষমতায় থাকে, সেই সরকারই বহাল থাকে। নির্বাহী ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকে।’ তিনি বলেন, ‘তবে এ সময় মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের কেউ থাকবেন না।’ কবে থেকে থাকবেন না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা প্রক্রিয়াধীন’।

এখন প্রধানমন্ত্রী তাদের পদত্যাগের বিষয়টি দেখছেন। তিনি সম্মতি দিলেই সেটা রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তাদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হবে। রাষ্ট্রপতি অ্যাপ্র“ভ না করা পর্যন্ত তারা কেউ অবৈধ নয়।’নির্বাচনকালীন সরকার গঠনে ৬ নভেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের পদত্যাগের নির্দেশ দেন। ওইদিন সন্ধ্যার মধ্যে চার মন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার পর তারা আর দায়িত্বে নেই ধরে নিয়ে পরের দিন বুধবার সকাল নাগাদ চার মন্ত্রী অফিস না করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর সোমবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও তারা উপস্থিত ছিলেন।

bcst.jpg

৪০তম বিসিএস পরীক্ষার ফরম পূরণের নাম করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন একজন দোকানি। অধিক মুনাফা লাভের আশায় অন্তত সাড়ে ৩শ’ আবেদনকারীর ফরম পূরণে প্রতারণার আশ্রয় নেয় সে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আটক করে রাজশাহীর মতিহার থানা পুলিশ।

আটককৃত ওই দোকানির নাম মোস্তফা আহমেদ মামুন। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন দপ্তরের ‘স্পন্দন কম্পিউটার’ দোকানের মালিক। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সে তার দোকানে কম্পিউটার কম্পোজ, ফরম পূরণের কাজ করে আসছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে বিসিএস ফরম পূরণের ক্ষেত্রে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেদনের জন্য ৭শ’ থেকে ৫শ’ টাকা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ১শ’ থেকে ৫শ’ টাকা ফরমের দাম নির্ধারণ করা হয়। মোস্তফা আহমেদের দোকানে শিক্ষার্থীরা বিসিএস পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে আসলে ফরম পূরণে সময় লাগে জানিয়ে সে আবেদনকারীদের রোল/রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে রেখে তাদেরকে পরদিন এসে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে নিয়ে যেতে বলতেন।

পরে মোস্তফা ওয়েবসাইটে শিক্ষার্থীদের যাবতীয় তথ্য প্রদানের আগে একটি নকল প্রবেশপত্র বের করে আবেদনকারীদেরকে দিয়ে দেয়। এরপর আবেদনকারীদের প্রতিবন্ধী কোটা দেখিয়ে ওয়েবসাইটে তাদের ফরম পূরণ করে দেয়। এতদিন এভাবে প্রতারণা করে সে প্রায় সাড়ে ৩শ’ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৬ শো করে টাকা হাতিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগী আবেদনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার (১৪ নভেম্বর) রাতে এক আবেদনকারী তার প্রবেশপত্রের সঙ্গে মোবাইলে আসা ‘ইউজার আইডি’ কোডটির মিল না পেয়ে বিষয়টি তার এক বন্ধুকে জানায়। পরে তারা বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে তাদের একই সমস্যা দেখতে পান। পরে বৃহস্পতিবার সকালে তারা মোস্তফার স্পন্দন কম্পিউটারে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে খবর দেন।

মোস্তফার প্রতারণার বিষয়টি টের পেয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং তাকে চড়-থাপ্পর মারেন। এ সময় মোস্তফাকে আটক করে প্রক্টর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে প্রক্টর দপ্তরে একে একে ২শ’৫০ জনেরও অধিক ভুক্তভোগী আবেদনকারী জড়ো হয়। তাদের মধ্যে একজন মামুনের ওপর চড়াও হন এবং তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শিক্ষার্থীদের শান্ত করেন।

শিক্ষার্থীরা বিষয়টির সমাধান দাবি করলে প্রক্টর পিএসসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে বিষয়টি বিবেচনা করে কর্ম কমিশন থেকে শিক্ষার্থীদেরকে পুনরায় আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়।

প্রতারণার বিষয়টি স্বীকার করে মোস্তফা আহমেদ বলেন, ‘আমি ইচ্ছা করে অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় এ কাজ করেছি। আমার ভুল হয়েছে। আমি সব টাকা ফিরিয়ে দেবো।’ পরে প্রক্টর দপ্তরে সে নগদ ৮০ হাজার টাকা ফেরত দেয় এবং বাকি টাকা শীঘ্রই পরিশোধ করবে বলে জানায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘স্পন্দন কম্পিউটারের মালিক মোস্তফা যেটি করেছে, তা গুরুতর অপরাধ। বিষয়টি নজরে না আসলে অসংখ্য শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তায় পড়ে যেতো। আমি পিএসসি-তে যোগাযোগ করেছি। তারা শিক্ষার্থীদের পুনরায় আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে।’

জানতে চাইলে মতিহার থানার ওসি শাহাদত হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা আহমেদ নামে একজনকে প্রতারণার ঘটনায় আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে। সে এখন থানায় আছে। তবে এখনও তার বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি। মামলা করলে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবো।’

ppph.jpg

খেলার মাঠ থেকে মাশরাফির রাজনীতিতে আসা নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পেতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। রোববার (১১ নভেম্বর) ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের হাত থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।

আসন্ন একাদশ নির্বাচনে সাকিব-মাশরাফি ক্ষমতাশীল দলের হয়ে নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন এমন খবর হয় দেশের সব মিডিয়াগুলোতে।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাকিব সড়ে দাঁড়ালেও মনোনয়নপত্র কিনেছেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি।

দেশের মাটিতে সদ্য শেষ হলো জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। এই সিরিজে ওয়ানডে ম্যাচে অধিনায়কত্ব করেন মাশরাফি। টাইগারদের সাথে ওয়ানডে,টি-২০ ও টেস্ট সিরিজ খেলার জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ইতিমধ্যে চলে এসেছে। যেহেতু সামনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন।আর নির্বাচনের জন্য মাশরাফিকে নড়াইলে নির্বাচনী সময় দিতে হবে। তাই সে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে খেলতে পারবেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে সবার মনে। কারণ নির্বাচনী প্রচারণার মাঝেই ক্যারিবিয়ানদের সাথে হোম সিরিজে মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে মাশরাফির খেলা কতটা নিশ্চিত জানতে চাওয়া হলে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন,এটা তো কঠিন প্রশ্ন কিন্তু ওয়ার্ল্ড কাপে মাশরাফিকে পাওয়া যাবে আমি যতদূর জানি। আসলে হয়েছি কি, ওর(মাশরাফির) ইস্যুটার টাইমিংটা দেখেন। ওর নির্বাচনের নমিনেশনের সাব মিটের একটা ডেট আছে । কবে তুলবে, কবে ফিল আপ করবে ? ওখানে কোন প্রোগ্রাম করবে কি না সেটাও আমি জানি না।কিন্তু আজকে মাশরাফির সাথে আমার দেখা হবে । মনে হয় হবে। দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তার পর আমি ডিটেলস জানতে পারবো। যদি সুযোগ থাকে তাহলে মাশরাফি অবশ্যই খেলবে এটা আমার ধারণা। যদি এক দিনের জন্যই ইনস্পিয়ার করার সুযোগ থাকে তাহলে ও খেলবে। খেলাটা মাশরাফির কাছে সুডবি প্রায়ওটি।

নির্বাচনের কারণে খেলা আর রাজনীতির মাঝে কোন দ্বন্দ্ব সৃস্টি করবে না তা জানিয়ে দিলেন বোর্ড সভাপতি, এটা আমি ঠিক মনে করি না। যেমন ধরেন সাকিবও নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তখন এই সব কথা চিন্তা করে সাকিব আরো ৪-৫ বছর খেলবে বলে আমরা মনে করি । তাই সাকিবের ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ঠিক আছে তুমি এখন খেলো।কিন্তু মাশরাফি তো আগামী বিশ্বকাপ খেলে অবসর নেওয়ার সম্ভাবনা আছে। কয়েকটা মাসেরইতো ব্যাপার। ধরুণ বিশ্বকাপ খেলা শেষে মাশরাফি অবসর নিলো তখন ও ৪-৫ বছর করবেটা কি।তাই তার আগে আর একটি কাজের সাথে সমপৃক্ত হলে মন্দ কি? আমার মনে হয় যা দিয়ে সে ক্রীড়াঙ্গনেও অবদান রাখতে পারবে আরো জোড়ালো ভাবে আমার বিশ্বাস।

এর আগে,মনোনয়নপত্র কেনার পর মাশরাফি বলেন, নৌকার বিজয় নিশ্চিত করে নড়াইলকে সুন্দর আধুনিক করে সাজাতে চাই। গণভবনে গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সালাম করে দোয়া নিয়ে আসেন মাশরাফি।

joy-nm.jpg

বিএনপির সবাইকে জেলে ভরে রাখা উচিত বলে মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

বুধবার (১৪ নভেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনার কথা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে জয় এ কথা লেখেন। সেখানে একটি সংবাদও শেয়ার করেন তিনি।

স্ট্যাটাসে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হতে না হতেই বিএনপির সহিংসতাও শুরু হয়ে গেছে। ঠিক যেভাবে তারা ২০১৩ ও ২০১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষদের জীবন্ত পুড়িয়েছিল। বিএনপিকে কোনোদিক থেকেই আর রাজনৈতিক দল বলা যায় না, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। কানাডিয়ান ফেডারেল আদালতও একই কথা বলেছে একাধিকবার। তাদের সবাইকে জেলে ভরে রাখা উচিত।

hsrwa.jpg

বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর আজও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায়। সংঘর্ষের ঘটনায় তিনটি মামলায় এখন পর্যন্ত ৬০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে গ্রেফতার আতঙ্ক বিরাজ করলেও নেতাকর্মীদের স্লোগানে ফের মুখর বিএনপি কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নয়াপল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। সকাল থেকে দলের কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল হাতে গোনা। তবে বেলা বাড়ার সাথে তা বাড়তে থাকে। তারা দলীয় নেতাদের নামে ব্যানার ফেস্টুন এবং ধানের শীষ নিয়ে শোডাউন করছেন।

এদিন ফরিদপুর-২ আসনের মনোনয়নপত্র জমা দিতে পল্টন পার্টি অফিসে আসেন সাবেক বিএনপি নেতা কে এম ওবায়েদুর রহমানের মেয়ে শামা ওবায়েদ।

দুপুর পৌনে ১২টায় মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে গাড়িতে উঠার সময় দলীয় কর্মীরা তাকে ঘিরে ধরে সেলফি তোলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কাউকে না করছেন না তিনি। অনেকক্ষণ রোদে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার আবদার রক্ষা করেন। একটু পর অবশ্য ব্যাগ থেকে রোদচশমা বের করে চোখে দেন।

তিনি কে জানতে চাইলে একজন কর্মী বলে উঠেন, আপারে চিনেন না! দল ক্ষমতায় গেলে আপা কনফার্ম মন্ত্রী হবে। উনি শামা ওবায়েদ, সাবেক বিএনপি নেতা কে এম ওবায়েদুর রহমানের মেয়ে।

শুধু শামা ওবায়েদ নন, যারাই মনোনয়ন দিতে আসেন তাদের সঙ্গে নেতাকর্মীরা প্রমাণ রাখতে সেলফি তুলে রাখছেন। কাউকে কাউকে মিস্টি খাওয়ার আবদার করতে দেখা যায়। নেতারা তাদের আবদার রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন যথাসাধ্য।

উল্লেখ্য, ১২ নভেম্বর (সোমবার) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণা করেন। নতুন তফসিলে ভোটগ্রহণ হবে ৩০ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৮ নভেম্বর।

ec-helal-20181109150937-1.jpg

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ। বলেছেন, সংসদ নির্বাচনের দুই থেকে তিনদিন অথবা সাত থেকে দশ দিন আগে নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। ওই সময় বিজিবিও মোতায়েন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবালয়ের অডিটরিয়ামে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের সহকারী রিটানিং কর্মকর্তারা অংশ নেন।

হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, ইসি থেকে যে পরিপত্র জারি করা হয়েছে তা হুবহু মানতে হবে। যারা এর ব্যাত্যয় ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, আগাম নির্বাচনী ব্যানার-পোস্টার-ফেস্টুন নামাতে যে সময় দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে একাজ শেষ করতে হবে। নির্দেশ না মানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কমিশন।

ইসি সচিব বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর।

এ সময় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সভাপতির বক্তব্যে হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেন, কোথায় প্রিসাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে সেটা এখন থেকে ঠিক করে রাখতে হবে। এবং যেখান থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হবে এখন থেকে ঠিক করে রাখতে রাখতে হবে। আর কোথায় থেকে নির্বাচনী মালামাল সরবরাহ করা হবে। সেখানে নিরাপত্তা জোরদার এখন থেকেই করতে হবে বলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন ইসি সচিব।

তিনি বলেন, গতকাল নয়াপল্টনে শোডাউনকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে । এটা যেন আর পুনরাবৃত্তি না হয়। আচরণবিধি ঠিকভাবে যেন পালন হয় সেদিকে আপনারা নজর রাখবেন।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, এবার নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ দেখানো যাবে না।

তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা শিথিলতা দেখালে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে। নির্বাচনের পরিবেশ ভালো থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

পুনঃনির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ ডিসেম্বর এবং ভোটের দিন ৩০ ডিসেম্বর।

bnplogoi.jpg

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরাও ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান। এতে সভাপতিত্ব করেন ফ্রন্টের প্রধান ড. কামাল হোসেন।

গতকাল বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সমনে পুলিশের সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জোটবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সরকারি দল নির্বাচন না পেছাতে নির্বাচন কমিশন কে হুমকি দিচ্ছে। অন্যদিকে গতকাল আওয়ামী লীগ নেতা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে ইসির কথা বলেছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন- তার চিন্তা সরকারি দলের না করলেও চলবে।

hasina-rehna.jpg

বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু সামরিক জাদুঘর প্রাঙ্গণে নবনির্মিত তোষাখানা জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ছোটবোন শেখ রেহানাও। ছোটবোনকে কাছে পেয়ে আপ্লুত হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা। তিনি ছোটবোনকে আদর করে চুমুও দেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) এভাবেই ছোটবোন শেখ রেহানাকে আদর করে বুকে টেনে নেন শেখ হাসিনা।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ছোটবোনের এমন আদরের দৃশ্য সামাজিকমাধ্যমে মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

এদিনের অনুষ্ঠানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শুধু আমাদের স্বাধীনতাই দিয়ে যাননি, তিনি আমাদের একটি স্বতন্ত্র দেশ উপহার দিয়ে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের তিনি মর্যাদা দিয়ে গেছেন। সেই মর্যাদা আমাদের রক্ষা করতে হবে। এই দেশকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার দেশ গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter