বিশেষ সংবাদ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

amphan-1-afp.jpg

সুপার সাইক্লোন আম্পানের তাণ্ডবে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের

যে ক্ষতি হয়েছে তা ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের চেয়েও তিনগুণ বেশি।

সাইক্লোন আম্পানে সুন্দরবনের ১২ হাজার ৩৫৮টি গাছ ভেঙে গেছে।

বন বিভাগের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

২০১৯ সালের ১০ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে সুন্দরবনের ৪ হাজার ৫৮৯টি গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

আর বন বিভাগের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

আম্পানের আঘাতের পর সুন্দরবনের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে

বন বিভাগের গঠিত চারটি কমিটির রিপোর্ট থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বনবিভাগের চারটি কমিটি রোববার (২৪ মে) বিকেলে

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষকের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আম্পানের আঘাতে পশ্চিম

সুন্দরবনের দুটি রেঞ্জ এলাকায় ১২ হাজার ৩৩২টি গাছ ভেঙে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এ সব গাছের মধ্যে গরান গাছের সংখ্যা বেশি। যার মূল্য ১০ লাখ ১০ হাজার ৫৬০ টাকা।

এ ছাড়া স্থাপনা, জেটি, উডেন ট্রেইল, ওয়াচ টাওয়ার

ও অবকাঠামোর ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে বাঘ, হরিণসহ অন্য কোনো বন্য প্রাণীর ক্ষতি হয়নি।

পূর্ব সুন্দরবনের দুটি রেঞ্জ এলাকায় ২৬টি গাছ ভেঙে গেছে।

এ বিভাগের আওতায় জব্দ থাকা বেশ কিছু কাঠ জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

এতে আর্থিক ক্ষতি ৭ লাখ ৬ হাজার ৮৩০ টাকা।

পাশাপাশি পূর্ব বনবিভাগে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান,

সুন্দরবন থেকে সব ধরনের গাছ কাটা নিষিদ্ধ রয়েছে।

ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সেগুলো ওভাবেই থাকবে, কোনো গাছ কাটা হবে না।

সুন্দরবন নিজ থেকেই বুলবুলের ক্ষতি কাটিয়ে উঠেছে।

আম্পানের ক্ষয়ক্ষতিও সুন্দরবন নিজেই কাটিয়ে উঠবে।

আমাদের কেবল বন বিভাগের প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোগুলোর মেরামত করতে হবে।

eid32.jpg

সোমবার পবিত্র ঈদুল ফিতর। ৩০ দিন সিয়াম সাধনার পর মুসলিম সম্প্রদায় ঈদ উদযাপন করবে।

সবাইকে ঈদ মুবারক।

এবারের ঈদ মহামারির সময়ের ঘরবন্দী ঈদ। হয়নি নতুন পোশাক কেনা।

কিছুদিন আগেই দেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেল ঘূর্ণিঝড় আম্পান।

ঈদের আগের দিনই দেশে করোনায় মৃত্যুর রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

তারপরও ঈদের খুশীকে সম্বল করতে চাইছে মানুষ।

এবারের ঈদের মূল শুভেচ্ছা বিনিময়ের উপায় সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম।

সেখানেই চলছে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়।

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কাকে ভুলে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পাচ্ছে সবার মাঝে।

অনেকেই যেতে পারেননি গ্রামের বাড়ি, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে।

সাধারণ ছুটি, লকডাউন, গণপরিবহনসহ ব্যাবসা-বাণিজ্যে ভাটা পড়ায় ঈদের চেনারূপ নেই।

আনন্দ-উচ্ছ্বাস থাকার কথা তা এবার ম্লান করে দিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস।

করোনা মোকাবিলায় ও সংক্রমণ বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশনায়

এবার খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।

ঈদ জামাত হবে মসজিদের ভেতরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

এবার হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত হচ্ছে না। হচ্ছে না শত বছরের

ঐতিহ্য ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ময়দানের ঈদ জামাতও।

তবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদের ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউেন্ডশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,

বায়তুল মোকাররমে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টায়।

এ জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র

পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান।

মুকাব্বির থাকবেন মুয়াজ্জিন হাফেজ কারী কাজী মাসুদুর রহমান।

দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়।

এ জামাতের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের

পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী।

তৃতীয় জামাত সকাল ৯টা অনুষ্ঠিত হবে। এই জামাতের ইমামতি করবেন পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক।

সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ জামাত। এ জামাতে ইমামতি করবেন পেশ ইমাম মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেম।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

এ জামাতের ইমামতি করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা ওয়ালিয়ুর রহমান খান।

এদিকে মসজিদের ওযুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান

থেকে ওযু করে মসজিদে আসাসহ ১৪টি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এবার খোলা স্থানের পরিবর্তে কাছের মসজিদে অনুষ্ঠিত

ঈদ জামাতে শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে নির্দেশনায় বলা হয়েছে।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত

না করার পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্রে ঘোরাঘুরি না করে নিজ ঘরে ঈদ উদযাপন করতেও বলা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪টি নির্দেশনার কথা জানায় ডিএমপি।

hard-immunity.jpg

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারে গবেষণা চলছে বিশ্বজুড়ে।

এখনো পথ না মেলায় থামছে না মৃত্যুর মিছিল।

এ অবস্থায় হার্ড ইমিউনিটির পথে হাঁটার কথা ভাবছে অনেক দেশই।

জনগোষ্ঠীর বড় অংশ আক্রান্ত হওয়ার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টির এ

পদ্ধতি নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।

হার্ড ইমিউনিটি। ব্রিটেনের গবেষকদের মতে, একটি জনগোষ্ঠীর কমপক্ষে ৬০ শতাংশ

মানুষ যদি নির্দিষ্ট কোনো রোগ বা সংক্রামকের প্রতিরোধী হয়ে ওঠে,

তাহলে তাদের মাধ্যমে বাকি ৪০ শতাংশ সংবেদনশীল মানুষের মাঝে আর ওই রোগ ছড়াতে পারে না।

যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য বলছে, এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকতে হবে কমপক্ষে ৭০ শতাংশের মাঝে।

১৯৮০ সালে প্রথমবারের মতো এই হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের মাধ্যমে

বিশ্ব থেকে গুটি বসন্ত সম্পূর্ণভাবে নির্মুল হয়েছিল।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, দুটি পদ্ধতিতে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করা সম্ভব।

একটি টিকা বা ভ্যাকসিনের আওতায় এনে। আর অন্যটি হলো-

অধিকাংশ মানুষ ওই রোগে আক্রান্তের পর সুস্থ হয়ে।

বিশ্বে বিভিন্ন স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থা হার্ড ইমিউনিটি নিয়ে ইতিমধ্যেই গবেষণা শুরু করেছেন।

তবে যেহেতু শিগগিরই টিকা বের হচ্ছে না, তাই বাকি থাকে অধিকাংশ মানুষকে করোনায় আক্রান্ত করানো।

তবে সেটা বাংলাদেশে কতটুকু বাস্তবসম্মত?

অধ্যাপক ডা. রেদওয়ানুর রহমান বলেন, ইমিউনিটি ৮০ ভাগের হয়েছে। ২০ ভাগের হয়নি।

আমি ২০ ভাগের মধ্যে একজন। তবে আমার কাছে এসে আরেকজনের কাছে গেল,

তার কাছ থেকেও আরেকজনের শরীরে কিন্তু তারা টিকতে পারলো না।

অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, ৭০-৮০ ভাগ সংক্রমণের জন্য

আমাদের যে ২০ হাজার সংক্রমণ আছে, এটা ১৫ কোটিতে উঠতে হবে।

আর এটার যে পরিণতি তা ভয়াবহ।

তারা বলছেন, দেশে এটি করতে গেলে প্রায় ১৫-২০ লাখ মানুষের প্রাণহানি হতে পারে।

অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ যদি এই পথে হাঁটতে যায়,

তাহলে অনেক বড় মূল্য দিতে হবে। এক হল দু’বছর বা ৩ বছরও সময় লাগতে পারে।

এতে অনেক লোক আক্রান্ত হতে হবে।

অধ্যাপক ডা. রেদওয়ানুর রহমান বলেন, ১০ থেকে ১২ কোটি আক্রান্ত হলে ১ শতাংশ মারা যাবে।

কারণ আমাদের দেশে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভালো না।

আপাতত বিষয়টি নিয়ে ভাবছে না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতর অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন,

এটা হতে পারে মানুষ আক্রান্ত হয়ে এন্টিবডি তৈরি করা।

এটা এখন আমরা নিজে থেকে করোনায় কাউকে আক্রান্ত করতে চাইবো?

যদি কেউ আক্রান্ত হয় সেটা আলাদা কথা। তবে এরকম কোনো চিন্তাভাবনা আমাদের নেই।

এছাড়া হার্ড ইমিউনিটির পথে হাঁটলে যে পরিমাণ হাসপাতাল সুবিধা প্রয়োজন তা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও নেই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

corona467.jpg

করোনা নিয়ে বাংলাদেশে উদ্বেগ কমছে না।

গেল ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫৩২ জন।

দেশে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৬১০ জনে।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও ২৮ জন মারা গেছেন।

ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮০ জনে।

এদিকে আরও ৪১৫ সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট ছয় হাজার ৯০১ জন সুস্থ হলেন।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত

হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

গত কয়েক দিনের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা হিসেব করলে দেখা যায়,

৯ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত হয় ১১২ জন, মারা যান ১ জন।

১০ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৯৪ জন, মারা যান ৬ জন।

১১ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৫৮ জনের দেহে, মারা যান ৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

১২ এপ্রিল ১৩৯ জনের দেহে করোনার উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়, মারা যান ৪ জন।

সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

১৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ১৮২, মারা যান ৫। সুস্থ হয়েছেন ৩ জন।

১৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২০৯ জন, মারা যান ৭ জন। কেউ সুস্থ হননি।

১৫ এপ্রিল এই সংখ্যা ঠেকে ২১৯ জনে, মারা যান ৪জন। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন।

১৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩৪১ জন, মারা যান ১০ জন।

১৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ২৬৬ জন, মারা যান আরও ১৫ জন।

১৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৬ জন, আর ৯ জন মারা যান। সুস্থ হয়েছেন ৮ জন।

১৯ এপ্রিল ৭ জন মারা  যান, আক্রান্ত হয় ৩১২ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯ জন।

২০ এপ্রিল ১০ জন মারা যান, আক্রান্ত হন ৪৯২ জন। সুস্থ হয়েছেন ১০ জন।

২১ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৩৪ জন, মারা যান ৯ জন। সুস্থ হয়েছেন ২ জন।

২২ এপ্রিল শনাক্ত হয় ৩৯০ জনের দেহে। মারা যান ১০ জন, সুস্থ হন ৫ জন।

২৩ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪১৪ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৬ জন।

২৪ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫০৩ জন, মারা যান ৪ জন, সুস্থ হন ৪ জন।

২৫ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৩০৯ জন, মারা যান ৯ জন, সুস্থ হননি কেউই।

২৬ এপ্রিল আক্রান্ত হন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।

২৭ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৪৯৭ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ৯ জন।

২৮ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৪৯ জন, মৃত্যু হয় ৩ জনের, সুস্থ হন ৮ জন।

২৯ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৬৪১ জন, মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ১১ জন।

৩০ এপ্রিল আক্রান্ত হন ৫৬৪ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ১০ জন।

১ মে আক্রান্ত হন ৫৭১ জন, মারা যান ২ জন, সুস্থ হন ১৪ জন।

২ মে আক্রান্ত হন ৫৫২ জন, মারা যান ৫ জন, সুস্থ হন ৩ জন।

৩ মে আক্রান্ত হন ৬৬৫ জন, মারা যান ২ জন, নতুন

গাইডলাইনে সুস্থতা দেখায় ১০৬৩ জন।

৪ মে আক্রান্ত হন ৬৮৮ জন মে, মারা যান ৫ জন,

নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১,২০৯ জন।

৫ মে আক্রান্ত হন ৭৮৬ জন, মারা যান ১ জন,

নতুন গাইডলাইনে মোট সুস্থতা দেখায় ১ হাজার ৪০৩ জন।

৬ মে আক্রান্ত হন ৭৯০ জন, ৩ জন মারা যান, সুস্থ হন ৩৭৭ জন।

নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৭৮০ জন।

৭ মে আক্রান্ত হন ৭০৬ জন, সুস্থ হন ১৩০ জন,

নতুন গাইডলাইনে অনুযায়ী মোট সুস্থ ১ হাজার ৯১০ জন।

৮ মে আক্রান্ত হন ৭০৯ জন, মারা যান ৭ জন, সুস্থ হন ১৯১ জন,

মোট সুস্থ হন ২ হাজার ১০১ জন।

৯ মে আক্রান্ত হন ৬৩৬ জন। মারা যান ৮ জন, সুস্থ হন ৩১৩ জন,

মোট সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন।

১০ মে আক্রান্ত হন ৮৮৭ জন, ১৪ জনের প্রাণহানি হয়, সুস্থ হন ২৩৬, মোট সুস্থ ২৬৫০ জন।

১১ মে আক্রান্ত হন ১০৩৪, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৫২ জন। মোট সুস্থ হন ২ হাজার ৯০২ জন।

১২ মে আক্রান্ত হন ৯৬৯, মারা যান ১১ জন, সুস্থ হন ২৪৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ১৪৭ জন।

১৩ মে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬২ জন, মারা গেছেন ১৯ জন।

সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২১৪ জন। মোট সুস্থ ৩ হাজার ৩৬১ জন।

১৪ মে আক্রান্ত হন ১০৪১ জন, মারা যান ১৪ জন, মোট মৃতের সংখ্যা ২৮৩ জন, সুস্থ হন ২৪২ জন।

১৫ মে আক্রান্ত হন ১২০২ জন, মারা যান ১৫ জন। সুস্থ হন ২৭৮ জন, মোট সুস্থ ৩৮৮২ জন।

১৬ মে আক্রান্ত হন ৯৩০ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ৩৩৫ জন, মোট সুস্থ ৪ হাজার ১১৭ জন।

১৭ মে আক্রান্ত হন ১২৭৩ জন, মারা যান ১৪ জন। সুস্থ হন ২৫৬ জন, মোট সুস্থ ৪৭২৩ জন।

১৮ মে আক্রান্ত হন ১ হাজার ৬০২ জন, মারা যান ২১ জন। সুস্থ হন ২১২ জন, মোট সুস্থ হন ৪ হাজার ৫৮৫ জন।

১৯ মে আক্রান্ত হন ১২৫১ জন, মারা গেছেন ২১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪০৮ জন, মোট সুস্থ ৪৯৯৩ জন।

২০ মে আক্রান্ত হন ১৬১৭ জন, মারা যান ১৬ জন। সুস্থ হন ২১৪ জন, মোট সুস্থ ৫২০৭ জন।

২১ মে আক্রান্ত হন ১৭৭৩ জন, ২২ জনের মৃত্যু হয়। সুস্থ হন ৩৯৫ জন, মোট সুস্থ ৫৬০২ জন।

২২ মে আক্রান্ত ১৬৯৪ জন, মারা যান ২৪ জন। সুস্থ হন ৫৮৮ জন, মোট সুস্থ ৬১৯০ জন।

২৩ মে আক্রান্ত হন ১ ৮৭৩ জন, যান ২০ জন। সুস্থ হন ২৯৫ জন, মোট সুস্থ ৬৪৮৬ জন।

গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়।

এরপর প্রথম দিকে কয়েকজন করে নতুন আক্রান্ত

রোগীর খবর মিললেও গত ক’দিনে সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে।

১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

singaeid.jpeg

করোনায় অবরুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ঈদুল ফিতর

উদযাপন করতে যাচ্ছেন পৃথিবীর ১৮০ কোটি মুসলমান।

সংক্রমণরোধে আলজেরিয়ায় বাড়ানো হয়েছে কারফিউ।

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুললেও জেরুজালেমে বন্ধ রয়েছে আল আকসা মসজিদ।

যুদ্ধ বন্ধ থাকায় একদশক পর শান্তিতে ঈদ উদযানের স্বপ্ন দেখছেন সিরিয়ার ইদলিবের বাসিন্দারা।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে জেরুজালেমে জারি করা নিষেধাজ্ঞা অনেকাংশে শিথিল করা হয়েছে।

খোলা হয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় বন্ধ আল আকসা মসজিদ।

আলজেরিয়ায় আবারও জারি জারি করা হয়েছে কারফিউ।

বন্ধ গণপরিবহন, দোকানপাট।

স্থানীয়রা বলছেন, আমাদের মসজিদে জামাত হবে না। ঘরে নামাজ পড়তে হবে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় সবকিছু বন্ধ রাখা হয়েছে।

যুদ্ধ নেই, তাই শান্তির পরশ সিরিয়ার ইদলিবে।

যুদ্ধবিরতির ফলে বহুবছর পর আনন্দে ঈদ উদযাপনের স্বপ্ন দেখছেন বাসিন্দারা।

তারা বলছে, রাশিয়া, সিরিয়া ও ইরানের ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ রয়েছে। রক্তপাত নেই।

অবশ্যই যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো আছি।

লকডাউন উপেক্ষা কোরেই আফগানিস্তানে ঈদের বাজারে উপচে পড়া ভিড়।

মানা হয়নি সামাজিক দূরত্ব বা মাস্ক পড়ার বাধ্যবাধকতা।

দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ছিল ভিন্ন চিত্র।

তবে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী।

ঈদ শপিংয়ের জন্য বিধিনিষেধ শিথিল করলেও

দীর্ঘ লকডাউনে ক্ষতির মুখে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১০ দিনের জন্য ৪ ঘণ্টা করে দোকান খোলার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এভাবে লকাডাউনের বিশাল ক্ষতি কোনোভাবেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব না।

লকডাউনের কারণে ইরাকের মসুলে জনপ্রিয় উঠেছে অনলাইনে ব্যবসা।

এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলমানরা ঈদকে সামনে রেখে নানাভাবে উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

তবে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

coronavirusmgn10.jpg

করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকার সঙ্গে দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে ১৭টি রুটের যাত্রীবাহী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।

ফলে দেশে এসে আটকা পড়েছেন অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি।

সময়মতো কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরিচ্যুতিসহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

অনেককে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য আলটিমেটামও দিয়েছেন ওইসব দেশের সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই প্রবাসীদের দাবি- বিশ্বের অন্য বিমানবন্দরগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

আটকেপড়াদের মধ্যে শুধু ইতালি প্রবাসী রয়েছেন হাজারের ওপরে।

যারা বলছেন, জুনের শুরুতে কাজে যোগ দিতে না পারলে তাদের বেকার হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তারা চান জুনের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ বিমানবন্দর খুলে দেওয়া হোক।

সেটা সম্ভব না হলে এই প্রবাসীরা যাতে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে পারেন সেজন্য পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার এনায়েত হোসেন জানান, তার জানামতে

শুধু নড়িয়া উপজেলার এমন ৬০০ প্রবাসী কর্মস্থলে ফেরার জন্য প্রতীক্ষায় আছেন।

এদের অনেকেই ইতালির রোম ও ভেনিসে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছেন।

আবার অনেকে রয়েছেন রেস্টুরেন্টের কর্মচারী।

ইতালি সরকার ৩ জুন সব বিনামবন্দর খুলে দিচ্ছে। শহরের দোকানপাট সব চালু হয়ে গেছে।

বাংলাদেশে এসে আটকেপড়ার কারণে তাদের দোকানগুলো বন্ধ।

তিন মাসের বেশি ভাড়া বকেয়া পড়ার কারণে দোকানের মালিকরা তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

রেস্টুরেন্টের কর্মচারীরা কর্মস্থলে যোগ না দিলে অন্য লোক নিয়োগ দেবেন মালিকরা-

এমন আলটিমেটামও দিয়েছেন। তাই এই শ্রমিকদের বেকার হয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

একইভাবে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাসিন্দা অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান আনিস জানান,

তিনি এক আত্মীয়ের অপারেশনের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি ইতালি থেকে দেশে ফিরেছিলেন।

ওই সময়ে তিনি চলে যেতে চাইছিলেন।

কিন্তু ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের নির্বাচনে ভোটে অংশ নিতে গিয়ে দেরি করেন।

ইতালিতে তার স্ত্রী ও সন্তানরা রয়েছে। তার মানি ট্রান্সফারের ব্যবসা আছে।

জুনের শুরুতে তিনি পৌঁছাতে না পারলে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। তার লাইসেন্সও বাতিল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আটকেপড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরেকজন নোয়াখালীর আরমান চৌধুরী বলছেন,

বিমানবন্দর বন্ধের সময় কোনো কারণে আবারও বাড়ানো হলে তারা ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়বেন।

তার দাবি- আটকেপড়া সবাই করোনার ভয়ে দেশে পালিয়ে আসেননি।

অনেকেই নিয়মিত ছুটিতে এসেও আটকা পড়েছেন।

এখন বিমাবন্দর খুলে দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় জানতে না পেরে তারা দফায়

দফায় বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের টিকিট কাটছেন, আবার বাতিল করছেন।

এই হয়রানি থেকে রেহাই পেতে বিমানবন্দর খুলে দেওয়ার সময়টা আগেই ঘোষণা করা উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফারুক খান বলেন,

এককভাবে বাংলাদেশের বিমানবন্দর খুলে দেওয়া বা আটকে রাখার সুযোগ নেই।

কারণ বাংলাদেশে খুলে দিল, কিন্তু অন্য বিমানবন্দর খুলল না। তখন কী হবে।

ফারুক খান বলেন, সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩০ মে পর্যন্ত বিমানবন্দর বন্ধ রাখার কথা রয়েছে।

সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, ৩০ মের আগেই তারা এ নিয়ে মিটিং করে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান বলেন,

দেশে করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি উন্নতি হলে তারা দ্রুত বিমানবন্দর খুলে দিতে চান।

বিষয়টি পুরো সরকারি সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

বিমানবন্দর বন্ধের সময়সীমা আরও বাড়ানো হবে

কিনা ঈদের ছুটির পরপরই বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

momend.jpg

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরে দাতা সংস্থার আপত্তির

বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরারাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন,

তাদের বিরোধিতা করার একটি কারণ হলো ভাসানচরে কোনো বিলাসবহুল হোটেল সুবিধা নেই।

দাতা সংস্থার কর্মকর্তাদের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, কুতুপালংয়ে থাকলে

মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজারের নামিদামি হোটলে তারা থাকতে পারেন।

দায়িত্ব পালন শেষে সেখান থেকে বিকাল ৩টায় কক্সবাজারে চলে

এসে বাকি সময় তারা আড্ডা এবং ঘুমিয়ে কাটাতে পারেন।

শুক্রবার রাজধানীতে নিজের বাসবভনে থেকে মন্ত্রী বলেন,

‘রোহিঙ্গাদের আমরা ভাসানচরে নিলে রাখাইনে তারা যে ধরনের কাজ করত সে ধরনের কাজ করতে পারবে।

সেখানে তারা মাছ ধরা, কৃষিকাজ করা এবং গরু, ছাগল, ভেড়া ও

হাঁস-মুরগি লালন পালনের মতো অর্থনৈতিক কাজ করতে পারবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভাসানচরে প্রচুর খোলামেলা ও সুন্দর জায়গা রয়েছে।

সেখানে অর্থনৈতিক বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ আছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘একটা সমস্যা আছে, তা হলো যাওয়া-আসায় সমস্যা।

সেখানে যেতে এখন সমুদ্রপথে ঘণ্টাখানেক সময় লাগবে। আমরা বোট সার্ভিস চালু করব।

তাদের তো কোনো আর্থিক সমস্যা নেই। চাইলে তারাও তো এ সার্ভিস চালু করতে পারেন।

তারা এ সার্ভিস চালু করছেন না কেন?’

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘রোহিঙ্গারা এখন যেখানে আছে তা নিয়ে আমাদের সবসময়ই চিন্তায় থাকতে হয়।

সেখানে অতিবৃষ্টি হলে পাহাড় ধসের সম্ভাবনা থাকে। এতে রোহিঙ্গাদের মারা পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

কোনো রোহিঙ্গা মারা গেলেও দোষ আমাদের ওপর আসবে।’

তিনি বলেন, ‘আন্দামান ও ভারত মহাসাগরে কোনো সমস্যা হলেই

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকে।

ভাবখানা এমন যে আমরা যেহেতু আগের ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি তাই তাদেরও যেন ঠাঁই দেই।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলে দিয়েছি যে আর পারব না। আমাদের আর কোনো জায়গা নেই।

অন্য দেশগুলোরও দায়িত্ব আছে। রোহিঙ্গা শুধু আমাদের একারই সমস্যা না, এটা সারা বিশ্বের সমস্যা।

সমুদ্র তীরবর্তী অন্য দেশগুলো তাদের নিতে পারে।

কিংবা যারা আমাদের আদেশ-উপদেশ দেন তারাও নিতে পারেন। তাদের জায়গার কোনো অভাব নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের মাথাপিছু বার্ষিক আয় হলো ২,০০০ ডলার এবং প্রতি বর্গমাইলে ১,২০০ লোক বসবাস করে।

যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বার্ষিক আয় হলো ৫৬ হাজার ডলার এবং সেখানে প্রতি বর্গমাইলে বাস করে মাত্র ১৫ জন।

তারা তাদের (রোহিঙ্গা) নিচ্ছেন না কেন? রোহিঙ্গাদের ভালো জীবন দিতে চাইলে আপনারা তাদের নিয়ে যান।

রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

ভাসানচরের বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘তাদের আরেকটা অভিযোগ,

খাবার-দাবার দিতে গেলে জাহাজে করে নিতে হবে। এতে তাদের খরচ বেশি হবে।

তবে, আমি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি বলেছেন খরচটা তত বেশি না।’

jaforullah.jpg

সরকারের অনুমোদন পেলে গণস্বাস্থ্যের কিট দিয়ে একদিনে ৫০ হাজার

নোভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টেস্ট করা সম্ভব বলে

জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ।

বুধবার (২০ মে) সকাল ১১ টায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সাম্প্রতিক নানা

বিষয় নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গণস্বাস্থ্যকে কিট প্রস্তুতে ৫০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্যের দরকার।

জাফরুল্লাহ বলেন, জাতি কঠিন সময়ে আছে, গণস্বাস্থ্যের কিট সরকারকে অনেকাংশে সাহায্য করতে পারে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (বিএসএমএমইউ) কাজ শুরু করেছে।

আমলাতান্ত্রিকতায় গণস্বাস্থ্যের কিট অনুমোদনে বিলম্ব হচ্ছে।

এদিকে বিএসএমএমইউতে ৪০০ কিটের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

তবে ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি।

দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজনে আরও ৬০০ কিট পাঠানো হবে

বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কিটের সমন্বয়কারী ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার।

এর আগে, ১৩ মে বুধবার গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণস্বাস্থ্য

ফার্মাসিউটিক্যালের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল এবং

গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার

বিএসএমএমইউতে গিয়ে কিট জমা দেন।

প্রথম দফায় ২০০ কিট পরীক্ষার জন্য দেওয়া হয়েছে। পরে আরও ২০০ কিট দেওয়া হবে।

corommm.jpg

করোনা সংক্রমণের মধ্যেই ধীরে ধীরে লকডাউন উঠে যাচ্ছে। এর মধ্যেই হয়তো স্বাভাবিক কাজকর্মও শুরু হবে।

তার মানে হচ্ছে করোনাকে সঙ্গে নিয়েই বাঁচতে শিখতে হবে।

বিষেজ্ঞদের মতে, করোনা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত সব সময়ের জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলার অভ্যাস গড়তে হবে।

তাহলে হয়তো অন্য অনেক রোগের মতো করোনার সঙ্গেও খাপ খাওয়ানো মানুষের জন্য সহজ হবে। যেমন-

১. করোনা থেকে বাঁচতে হাত ধোয়ার অভ্যাসটি ধরে রাখতে হবে।

গণপরিবহনে উঠলে, ভিড় কাটিয়ে বের হলে, লিফটের বোতাম-দরজার হাতল বা সিঁড়ির রেলিং ধরলে, অনেকে ব্যবহার করে এমন কিছুতে হাত দিলে, টাকা দেওয়া-নেওয়া করলে সেই হাত নাকে-মুখে-চোখে বা অন্য কোথাও লাগার আগেই ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়।

খাওয়ার আগে, টয়লেট থেকে এসে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করতে হবে।

বাইরে বের হওয়ার আগে সঙ্গে ছোট একটা সাবান ও ৭০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে এমন স্যানিটাইজার নেয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

২. সাধারণ মানুষের গ্লাভস পরার দরকার নেই। নিয়ম মেনে না পরলে উল্টো বিপদের আশঙ্কা বেশি।

এ কারণে এর চেয়ে হাত ধুয়ে নেওয়া অনেক নিরাপদ।

৩. রাস্তায় বের হলে এখনকার মতো সবসময় মাস্ক ব্যবহার করবেন। অফিসেও পরে থাকবেন।

কাপড়ের ট্রিপল লেয়ার মাস্ক ব্যবহার সবচেয়ে ভালো।

তবে গরমে সমস্যা বোধ করলে ডাবল লেয়ারের বড় আকারের মাস্ক ব্যবহার করুন।

বাড়ি ফিরে সাবান পানি দিয়ে মাস্ক ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

৪. মাস্ক পরলেও অন্যদের সঙ্গে ৬ ফুটের বেশি দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

না হলে কম পক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব রাখা জরুরি।

৫. চোখ নিরাপদ রাখতে চশমা না হয় সানগ্লাস ব্যবহার করুন। কারণ চোখ দিয়েও জীবাণু ঢুকতে পারে।

৬. বড় চুল হলে চুল ভালো করে বেঁধে স্কার্ফ বা ওড়নায় মাথা ঢেকে নেবেন।

কারণ গণপরিবহন ব্যবহার করলে খোলা চুল অন্যের নাকে-মুখে উড়ে লাগতে পারে।

সেই চুল আপনার নাকে-মুখে লাগলে বিপদ হতে পারে।

৭. বাইরে বের হলে ধোয়া যাবে নিয়মিত এমন জুতা ব্যবহার করুন।

৮. এ সময় কোনো ধরনের অলংকার ব্যবহার না করাই ভালো।

কারণ ধাতুর উপর প্রায় পাঁচ দিন থেকে যেতে পারে করোনার জীবাণু।

এখন ঘড়ি ব্যবহারও ঠিক নয়।

৯. অফিসে নিজের জন্য আলাদা কাপ, প্লেট রেখে দিন। খাওয়ার আগে সেগুলো সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ব্যবহার করুন।

১০. বাইরে খাওয়ার অভ্যাস থেকে বিরত থাকুন। বাসা থেকে নিয়মিত খাবার নিয়ে যান।

১১. এ সময় রাস্তার পাশের কোনো দোকান থেকে কিছু খাওয়া ঠিক নয়।

১২. জুতা বাইরে খুলে ঘরে ঢুকবেন। জুতায় জীবাণুনাশক স্প্রে করে প্রতিদিন রোদে দিন।

না হয় ধুয়ে ফেলুন। বাইরে থেকে ফিরে জামাকাপড় ধুয়ে ফেলবেন।

মোবাইলটা জীবাণুমুক্ত করতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

১৩. বাড়িতে কাজের লোক বা অন্য কেউ এলে ঘরে ঢোকার আগে হাত এবং পা ভালো করে সাবান পানি দিয়ে ধুতে উৎসাহিত করুন।

১৪. খাওয়াদাওয়ার দিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। এ সময় ভাজাপোড়া কম খাওয়াই ভালো।

এর পরিবর্তে খাদ্য তালিকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন খাবার রাখতে হবে।

cigaret.jpg

তামাকবিরোধী সংগঠনসমূহের বাজেট বাস্তবায়ন হলে ১১ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত রাজস্ব আয় অর্জিত হবে।

যা সরকার কোভিড-১৯ মহামারী সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ব্যয় এবং প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যয় করতে পারবে।

দীর্ঘমেয়াদে ৬ লাখ ধূমপায়ীর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে এবং প্রায় ২০ লাখ ধূমপায়ী ধূমপান ছেড়ে দিতে উৎসাহিত হবে।

এছাড়াও সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রবর্তন, সিগারেটে ২টি মূল্যস্তর এবং তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ সারচার্জ আরোপসহ প্রস্তাবিত কর ও দাম বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে প্রজ্ঞা এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স-আত্মা’র উদ্যোগে তামাকবিরোধী সংগঠন এসিডি, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, ইপসা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) এবং বিটা ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য তামাক কর ও দাম সংক্রান্ত বাজেট প্রস্তাব গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরে।

এই বাজেট প্রস্তাব সমর্থন করে জাতীয় তামাকবিরোধী মঞ্চের আহ্বায়ক অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে তামাক ব্যবহারের ক্ষতির শিকার বিপুল সংখ্যক মানুষ বর্তমানে মারাত্মকভাবে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেও রয়েছে।

করোনার অভিঘাত কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি ভবিষ্যতে সুস্থ সমাজ গঠন ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য তামাকমুক্ত জাতীয় পরিবেশ অত্যন্ত জরুরি।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, আসন্ন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে সিগারেটের বিদ্যমান চারটি মূল্যস্তর বিলুপ্ত করে দুটি নির্ধারণ করা দরকার।

কারণ একাধিক মূল্যস্তর এবং বিভিন্ন দামে সিগারেট ক্রয়ের সুযোগ থাকায় ভোক্তা স্তর পরিবর্তন করার সুযোগ পায়।

ফলে তামাক ব্যবহার হ্রাসে কর ও মূল্য পদক্ষেপে সঠিকভাবে কাজ করে না।

তামাক খাত থেকে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং তামাকপণ্যের ব্যবহার কাঙ্খিত মাত্রায় কমানোর জন্য একটি সহজ ও শক্তিশালী তামাক করনীতি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা খুবই জরুরি।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) রিসার্চ ডিরেক্টর ড. মাহফুজ কবীর বলেন,

তামাকপণ্যের জন্য নির্ধারিত সম্পূরক শুল্কের একটি অংশ সুনির্দিষ্ট কর আকারে আরোপ করা যেতে পারে এবং অন্যান্য কর পদক্ষেপের সাথে সব

ধরনের তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে সারচার্জ আরোপ করা যেতে পারে।

সবমিলিয়ে, তামাক-কর বিষয়ক এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে সম্পূরক শুল্ক এবং ভ্যাট বাবদ প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত রাজস্ব এবং সারচার্জ থেকে আরো প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আয় অর্জন করা সম্ভব হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বাংলাদেশ এখন তরুণদের দেশ।

এই তরুণদের ওপর নির্ভর করছে ভবিষ্যত বাংলাদেশের উন্নতি।

সেজন্য তামাকের মতো স্বাস্থ্য হানিকর পণ্য থেকে তরুণ সমাজকে দূরে রাখতে তামাকপণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি করে ধূমপান সামগ্রীর দাম তরুণ প্রজন্মের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।

পাশাপাশি তরুণ এবং শিক্ষার্থীদের তামাকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম চালাতে হবে।

বাজেট প্রস্তাব :
১। সিগারেটের মূল্যস্তর সংখ্যা ৪টি থেকে ২টিতে (নিম্ন এবং প্রিমিয়াম) নামিয়ে আনা:

ক. ৩৭+ টাকা এবং ৬৩+ টাকা এই দুইটি মূল্যস্তরকে একত্রিত করে নিম্ন স্তরে নিয়ে আসা;

নিম্নস্তরে ১০ শলাকা সিগারটের খুচরা মূল্য নূন্যতম ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা;

খ. ৯৩+ টাকা ও ১২৩+ টাকা এই দুইটি মূল্যস্তরকে একত্রিত করে প্রিমিয়াম স্তরে নিয়ে আসা;

প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য নূন্যতম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা;

২। বিড়ির ফিল্টার এবং নন-ফিল্টার মূল্য বিভাজন তুলে দেয়া:

ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৪০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫% সম্পূরক শুল্ক ও ৬.৮৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা; এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫% সম্পূরক শুল্ক এবং ৫.৪৮ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা;

৩। ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের (জর্দা ও গুল) মূল্য বৃদ্ধি করা:

প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৩ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫% সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা; এবং প্রতি ১০ গ্রাম জর্দা ও গুলের উপর যথাক্রমে ৫.৭১ টাকা এবং ৩.৪৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা; সকল ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বলবৎ রাখা।

৪। সকল তামাকপণ্যের খুচরামূল্যের ওপর ৩ শতাংশ হারে সারচার্জ আরোপ করা।