বিশেষ সংবাদ Archives - Page 2 of 4 - Dhaka Today

bcse.jpg

অবশেষে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সঙ্গে মিশে গেল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডার। মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অধিকতর গতিশীল সমন্বিত ও জনবান্ধব প্রশাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও ইকোনমিক ক্যাডার একীভূত করা হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, প্রশাসন এবং ইকোনমিক ক্যাডারের সব পদ এবং জনবল প্রশাসন ক্যাডারের পদ ও জনবল হবে। সরকারি কর্ম কমিশনের সমন্বিত মেধা তালিকা অনুসারে পুলে যোগ দেয়া ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নিজ নিজ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সাথে নির্ধারিত হবে।

একীভূত করার উদ্দেশ্যে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী একীভূত ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমপদে পদায়ন, জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং একীভূত করার সব প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে।

এই আদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যাখ্যা বা এই আদেশে উল্লেখিত হয়নি এমন কোনো বিষয়ে আদেশের প্রয়োজন হলে সরকার ব্যাখ্যা বা প্রয়োজনে আদেশ দিতে পারবে।

ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করতে ‘বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসেস (রি-অর্গানাইজেশন) অর্ডার, ১৯৮০’ সংশোধিত হবে। ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তার সংখ্যা ৪৬৪ জন। প্রশাসন ক্যাডারে বর্তমানে কর্মকর্তা সংখ্যা ৪ হাজার ৮৪৫ জন। ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তারা একীভূত হওয়ায় প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তার মোট সংখ্যা হল ৫ হাজার ৩০৯ জন।

rohingggg.jpg

১৫ নভেম্বর থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন না করতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইন এখনও প্রস্তুত নয়।

রবিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে এই কথা জানিয়েছে। গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার চুক্তি সই করেছে। প্রথম দফায় দুই হাজার ২৬০ জনের একটি দলকে রাখাইনে ফিরিয়ে নেয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, শরণার্থীদের ফেরত পাঠানোর আগে সেখানকার পরিস্থিতি বোঝার জন্য মিয়ানমারে পূর্ণ প্রবেশাধিকার দরকার।

বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়া স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ করতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মেনে চলতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে গত বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও এই প্রথম প্রত্যাবাসন শুরুর একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা হয়। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন এবং ফেরার পর নিরাপদ ও সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিন্ট থোয়ো।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় ২২ হাজার ৪৩২ জন রোহিঙ্গার নতুন তালিকা হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। সেখান থেকে প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ থেকে দেওয়া আট হাজার রোহিঙ্গার প্রথম তালিকা যাচাই করে তাদের নিজেদের নাগরিক বলে স্বীকারও করেছে মিয়ানমার। কিন্তু সেই তালিকা স্বাক্ষরিত চুক্তিতেই থমকে যায়। নানা টালবাহনায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে গড়িমসি করেই যায় মিয়ানমার।

নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুতে কোনো বাধা নেই বলেও  জানান মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো। কিন্তু জাতিসংঘ এর প্রতিবাদ জানায়। এবার এর সঙ্গে যোগ হলো যুক্তরাষ্ট্র।

এই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক রীতি মেনে চলা, ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ করার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়ার জন্য দুই দেশের প্রতি আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া রাখাইন রাজ্যে সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করে তা সামাধানের জন্য গঠনমূলক ভূমিকা পালনে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। সেইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদান, চলাফেরার স্বাধীনতা, জীবিকার অধকারসহ আনান কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

gajae.jpg

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর আবহাওয়া সংস্থাগুলো এর নাম দিয়েছে ‘গাজা’। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

রোববার (১১ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদফতর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কতা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় গাজার অবস্থান

ঘূর্ণিঝড় গাজার অবস্থান

আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

Smart-card.jpg

দেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্টকার্ড অনেক জেলায় দিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যেই অনেকে নিজেদের কার্ড বুঝে পেয়েছেন। ২৫টি খাতে এই স্মার্ট কার্ড পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হবে। এখানে তিন স্তরে ২৫টির মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। প্রথম স্তরের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য খালি চোখে দেখা যাবে, দ্বিতীয় স্তরের বৈশিষ্ট্যগুলো দেখার জন্য প্রয়োজন হবে বহনযোগ্য যন্ত্রাংশ এবং শেষ স্তরের জন্য কোনো ল্যাবরেটরিতে ফরেনসিক টেস্ট করার প্রয়োজন হবে। এটিকে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার জন্য আটটি আন্তর্জাতিক সনদপত্র ও মানপত্র নিশ্চিত করা হবে।

তবে সবার হাতে এখনো পৌঁছায়নি স্মার্টকার্ড। কিন্তু যারা এখনও পাননি তারা নিজেই জেনে নিতে পারেন কখন হাতে পাবেন আপনার কার্ডটি। ১০৫ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে বা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে জানতে পারবেন এ তথ্য।

এছাড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের https://services.nidw.gov.bd/voter_center লিংকে গিয়ে এনআইডি নম্বর ও জন্ম তারিখ অথবা ফরম নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ জানা যাবে। তবে যাদের স্মার্টকার্ড বিতরণের তারিখ এখনো নির্ধারণ হয়নি তাদেরকে পরবর্তীতে আবার অনুসন্ধান করার কথা বলা হবে।

এসএমএসের মাধ্যমেও বিতরণের তারিখ ও কেন্দ্রের নাম জানা যাবে। এসএমএসের মাধ্যমে জানতে SC লিখে স্পেস দিয়ে NID লিখে একটা স্পেস দিয়ে ১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে। আর যাদের এনআইডি ১৩ ডিজিটের তাদের এনআইডির নম্বরের প্রথমে জন্ম সাল যোগ করতে হবে বলে জানান তিনি। যেমন- SC NID 1974xxxxxxxxxxxxx

যারা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে কিন্তু এখনো এনআইডি পাননি তারা SC লিখে স্পেস দিয়ে F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন স্লিপের ফরম নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে D লিখে স্পেস দিয়ে yyy-mm-dd ফরমেটে জন্ম তারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে।

স্মার্ট কার্ড কি?
স্মার্ট কার্ড ২০১৬ হবে ১০ ডিজিটের
স্মার্ট কার্ডে ২৫ টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
২২ ধরনের নাগরিক সুবিধা বা সেবা পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ এর নাগরিক এর জন্য একটি ডিজিটাল পরিচয় পত্র।

স্মার্ট কার্ড ২০১৬ যা যা দেখা যাবে–
ব্যাক্তির নাম (বাংলা-ইংরেজি উভয় ভাষায়), পিতা-মাতার নাম, জন্মতারিখ ও জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন নম্বর।

কার্ডের পেছনে ব্যাক্তি যে এলাকা থেকে ভোট দিচ্ছেন তার ঠিকানা, রক্তের গ্রুপ ও জন্মস্থান্ উল্লেখ করা থাকবে।

স্মার্ট কার্ডের চিপ (তথ্যভান্ডার) এ থাকবে ৩২ ধরনের তথ্য, যা মেশিনে পাঠযোগ্য।
এবারের স্মার্ট কার্ডের সাথে পূর্বের কগজ দ্বারা ল্যামিনেট করা কার্ডের বেশ পার্থক্য রয়েছে। এবারের কার্ডটি প্লাস্টিকের (পলিমার) তৈরি, তাই এটি হবে মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী।
কার্ডটির মেয়াদ করা হয়েছে ১০ বছর পর্যন্ত।

নারীদের ক্ষেত্রে পূর্বের কার্ডে স্বামীর নাম ছিল, পিতার নাম ছিল না। অপর দিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে কার্ডে স্ত্রীর নাম ছিল না, যা বৈষম্য মূলক বলা হচ্ছিল। এবার নারীদের স্মার্ট কার্ডে স্বামীর নামের পরিবর্তে থাকছে পিতার নাম।

কার্ডের চিপ-এ ব্যাক্তির পেশা, স্থায়ী ঠিকানা, বর্তমান ঠিকানা, বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মনিবন্ধন নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা, সনাক্তকরণ চিহ্ন, ধর্ম, পাসপোর্ট নম্বর, আয়কর সনদ নম্বর, ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর, লিঙ্গ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, টেলিফোন ও মোবাইল নম্বর, মা-বাবা ও স্বামী বা স্ত্রীর মৃতুসংক্রান্ত তথ্য, প্রতিবন্ধি বা অসমর্থতার তথ্য রয়েছে।

স্মার্ট কার্ডের কভারে রয়েছে, জাতীয় ফুল, জাতীয় পাখি, জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও চা-পাতা, মুক্তিযুদ্ধকালীন ও বর্তমান জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত ইত্যাদি। দেশের ৯ কোটি ভোটার কে স্মার্ট কার্ড বিতরণের এই প্রকল্প গ্রহন করা হয় ২০১১ সালে, এজন্য বিশ্বব্যাংক থেকে ঋন নিয়ে ৮০০ কোটি টাকা ব্যায় করা হয়েছে।

স্মার্ট কার্ড ২০১৬ নিরাপত্তা –
স্মার্ট কার্ডে ২৫ টি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য রয়েছে, এগুলো তিনটি স্তরে ভাগ করা। প্রথম স্তরের গুলো দেখতে পারবেন খালি চোখে। দ্বিতীয় স্তরের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যগুলো দেখার জন্য প্রয়োজন হবে বিশেষ যন্ত্রের। আর শুধুমাত্র ল্যাবরেটরিতে ফরেনসিক টেস্ট এর মাধ্যমে দেখা যাবে তৃতীয় স্তরের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য। ব্যক্তির পরিচয়পত্রের তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চক্তি করতে হবে নির্বাচন কমিশনের সাথে।

স্মার্ট কার্ডের সুবিধা : যেসব সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
যে ২২ টি কারণে আপনি স্মার্ট কার্ডের সুবিধা ব্যবহার করবেন।

স্মার্ট কার্ডের সুবিধা গুলা আপনার নাগরিক সুবিধা গুলো পেতে সাহায্য করবে। স্মার্ট কার্ডটি প্রয়োজন হবে ২২ ধরনের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে-

আয়করদাতা সনাক্তকরণ নাম্বার পেতে। শেয়ার আবেদন ও বিও হিসাব খোলার জন্য। ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি ও নবায়নের জন্য। পাসপোর্টের আবেদনের ও নবায়নের জন্য। যানবাহনের রেজিস্ট্রেশনের জন্য। ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য। চাকরির আবেদনের জন্য। বিমা ও স্কিমে অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে। বিয়ে বা তালাক রেজিস্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে। স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে। ব্যাংকের হিসাব খুলতে। ব্যাংক ঋন গ্রহন বা পরিশোধের ক্ষেত্রে। নির্বাচনের ভোটার শনাক্ত করতে। সরকারি ভাতা উত্তোলনের ক্ষেত্রে। সরকারি ভর্তুকি দেয়ার ক্ষেত্রে। বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগীতার ক্ষেত্রে। টেলিফোন-মোবাইলের সংযোগের ক্ষেত্রে। ই-টিকেটিং এর জন্য। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে। আসামী ও অপরাধী শনাক্তকরনের ক্ষেত্রে। আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার পাওয়ার ক্ষেত্রে, এবং সিকিউরড ওয়েবে লগ-ইন করার জন্য।

‘স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র করে, পরিচয় দিন গর্ব ভরে’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য, কার্ডের প্রয়োজনীয়তা ও নাগরিক সেবার বিষয়ে জানানো হচ্ছে।

স্মার্ট কার্ড সংগ্রহের সময়ে ব্যাক্তির হাতের সব আঙ্গুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করা হবে, এবং কাছে বিদ্যমান কাগজের তৈরি কার্ডটি জমা দিতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্ট কার্ড পেতে নাগরিকদের পুরনো কার্ড জমা দেওয়ার পাশাপাশি ১০ আঙুলের ছাপ ও চোখের মণির ছবি দিতে হবে। এক্ষেত্রে কারও কার্ড হারিয়ে গেলে প্রথমে পুরনো কার্ডটি তুলে তা জমা দিয়ে স্মার্ট কাড নিতে হবে।

স্মার্ট কার্ড দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই, সহজে নকল করা সম্ভব নয়।

hasina-20181108164649.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবন নিয়ে নির্মিত হয়েছে তথ্যচিত্র ‘শেখ হাসিনা দ্য লিডার’। তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন ফয়েজ রেজা। অতি সাধারণ এক বাঙালি বধূ থেকে শেখ হাসিনা কেমন করে হয়ে উঠলেন বাংলাদেশের স্বপ্নহীন মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা ও আশ্রয়ের অভাবে পীড়িত মানুষকে কীভাবে নতুন প্রাণ শক্তিতে উজ্জীবিত করলেন? একটি অনুন্নত দেশে প্রতিকূল পরিবেশে সংগ্রাম করে কীভাবে আদায় করলেন সমাজের বঞ্চিত মানুষের অধিকার? সুদৃঢ় নেতৃত্বের মাধ্যমে কীভাবে সীমিত সম্পদের ভেতর থেকে একটি দরিদ্র দেশকে মধ্যম আয়ের পথে এগিয়ে নিলেন? কীভাবে আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত করলেন বাংলাদেশের মানুষকে? সেসব তথ্যই উঠে এসেছে তথ্যচিত্রটিতে।

তথ্যচিত্রটির শুরুতে দেখানো হয়েছে, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়ে কীভাবে দলকে পুনরায় গড়ে তোললেন। এরপর সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অংশ নিয়ে রাজপথে শেখ হাসিনার আন্দোলন, স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ১৯৯৬ সালে ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের চিত্র উঠে এসেছে তথ্যচিত্রে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দারিদ্র্যকে বাংলাদেশের মূল সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তা দূর করার জন্য কীভাবে সংগ্রাম ও পরিশ্রম করেছেন- তা দেখানো হয়েছে তথ্যচিত্রে। এরপর ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার ও ২০১৪ সালে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কীভাবে অর্থনীতির উন্নয়ন সূচকে এগিয়ে গেলো, কীভাবে একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশের পথে অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ তা দেখানো হয়েছে।

১১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ড ব্যাপ্তি এই তথ্যচিত্রের গবেষণা করেছেন সাজিদ রায়হান, ধারা বর্ণনা দিয়েছেন আজাদ আবুল কালাম, মিউজিক কম্পোজিশন করেছেন মকসুদ জামিল মিন্টু, সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন তামান্না তাসমিয়া তুয়া।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে শেকড়ের সন্ধানে মেগা কনসার্টে ইতোমধ্যে তথ্যচিত্রটি দেখানো হয়েছে রংপুর জেলা স্কুল মাঠ, রাজশাহীর এ এইচ এম কামরুজ্জামান স্টেডিয়াম, খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, বরিশালের বিভাগীয় স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও ঢাকায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।

heli-20181108155603.jpg

৪১৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জন্য দু’টি হেলিকপ্টার কিনছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোসাম্মৎ নাসিমা বেগম সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বৈঠকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে আসা জি-টু-জি (সরকার টু সরকার) পদ্ধতিতে রাশিয়া থেকে দু’টি হেলিকপ্টার ক্রয়ের প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। ৪১৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে হেলিকপ্টার দু’টি সরবরাহ করবে জেএসসি রাশিয়ার হেলিকপ্টার্স কোম্পানি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত দুর্গম পার্বত্য এলাকায় নজরদারি বাড়াতেই হেলিকপ্টার কেনা হচ্ছে। কেনার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে- এমআই সিরিজের হেলিকপ্টারগুলো দুর্ঘটনায় পড়ার হার কম এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পাইলটরা এটির সঙ্গে বেশ পরিচিত। হেলিকপ্টারগুলো দুর্গম অঞ্চলে সৈনিক মোতায়েন, পণ্য পরিবহন, উদ্ধার তৎপরতা এবং দুর্গম এলাকায় নজরদারি বাড়াতে ব্যবহার হবে।

জানা গেছে, গত নভেম্বরে বিজিবির জন্য জি-টু-জি পদ্ধতিতে রাশিয়া থেকে দু’টি হেলিকপ্টার কেনার প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর এমআই ১৭১এসএইচ (মিলিটারি ভার্সন) পরিবর্তে এমআই ১৭১ই (সিভিল ভার্সন) হেলিকপ্টার সরবরাহ করতে রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে আলোচনা হয়।

জেএসসি রাশিয়ার হেলিকপ্টার কোম্পানি এ দু’টি হেলিকপ্টার চালানোর জন্য কারিগরি সহযোগিতা দেবে। হেলিকপ্টারের গতি হবে সর্বোচ্চ ২৫০ কি.মি., ফ্লাইট সার্ভিস সিলিং হবে ৬০০০ মিটার এবং ওজন হবে ১৩ হাজার কেজি। এসব হেলিকপ্টারে একজন স্টুয়ার্ডসহ ২৬ যাত্রী পরিবহন এবং বেল্টে ঝুলিয়ে পণ্য পরিবহনের সুবিধা আছে।

titanic.jpg

টাইটানিক সিনেমার ‘জ্যাক’কে নিশ্চয় মনে আছে? ‘আই অ্যাম কিং অব দ্য ওয়ার্ল্ড’- টাইটানিক জাহাজের সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলেছিলেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও। তিনি সেটি বলেছিলেন ১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের চলচ্চিত্রে। কিন্তু চলচ্চিত্র নয়, এবার বাস্তবেই টাইটানিকে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন আপনি। সে ব্যবস্থাই করছেন চীনের জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ব্লু লাইন। তাদের নির্মিত ‘টাইটানিক টু’ জাহাজটি অ্যাটলান্টিকের পানিতে ভাসতে চলেছে ২০২২ সালে।

পুরনো টাইটানিক যে রুটে ডুবেছিলো সেই সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের রুটে ভ্রমণ শেষে নতুন টাইটানিক পাড়ি জমাবে অন্য আরেক রুটে। সারা পৃথিবী ঘুরতে এই সমুদ্রযাত্রার সময়কাল হবে ২ সপ্তাহ।

১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিকের মতোই হবে নতুন টাইটানিকের কেবিনেটগুলো। প্রথম সমুদ্রযাত্রায় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর ধরে দুবাই থেকে জাহাজটি যাবে সাউদাম্পটন, ইংল্যান্ড তারপর নিউইয়র্ক। জাহাজে যাত্রী থাকবে ২ হাজার ৪শ’। আর থাকবে ৯শ’ জন নাবিক।

তবে নতুন টাইটানিকে লাইফবোট থাকবে পুরনো টাইটানিকের চেয়ে অনেক বেশি। থাকবে যথেষ্ট নিরাপত্তা। আর চালানো হবে সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে।

নতুন টাইটানিকের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ব্লু লাইনের চেয়ারম্যান বলেছেন, ‘টাইটানিক টু’ হাজারো মানুষকে আকর্ষণ করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে আর প্রতিটি বন্দরে ছড়াবে রোমাঞ্চ ও রহস্য। তা ছাড়া জাহাজটি তার নাকের ডগায় দাঁড়িয়ে আই অ্যাম কিং অব দ্য ওয়ার্ল্ড বলে চিৎকার করতে কাছে টানবে বহু মানুষকে। সূত্রঃ ইউএসএ টুডে

bb6.jpg

বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে থাকা তিন ব্যাংকের ‘অফিসার (ক্যাশ) পদে সরাসরি নিয়োগের উদ্দেশ্যে এমসিকিউ টেস্ট এ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণের সময়সূচী পরিবর্তন করা হয়েছে। ব্যাংকগুলো হল: সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স এন্ড পাবলিকেশন্সের মহাব্যবস্থাপক জি. এম. আবুল কালাম আজাদের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞতির মাধ্যমে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞতিতে বলা হয়েছে, ‘অফিসার (ক্যাশ)’ পদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ০৯/১১/২০১৮ তারিখের পরিবর্তে ১৬/১১/২০১৮ তারিখ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩.০০-৫.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত হবে’

olug.jpg

ধূলা-বালি, রোদ-বৃষ্টি কিংবা যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ যাই হোক না কেন রাস্তায় ঠায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। এতো কষ্টের মাঝেও অনেক সময় তারা মানবিকতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসে অসহায় বিপদগ্রস্থ মানুষের সেবায়।

এমনই এক ঘটনা ঘটেছে রোববার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগ মোড় এলাকায়।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ আয়োজিত ‘শোকরানা মাহফিলে’ অংশগ্রহণের জন্য কুমিল্লা থেকে আসেন আনুমানিক ৭৫ বছর বয়সের এক বৃদ্ধ। তার সাথের অন্যান্য সঙ্গীদের হারিয়ে হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন তিনি। খুঁজে না পেয়ে তিনি কুমিল্লা ফিরে যাওয়ার জন্য শাহবাগ মোড়ে আসেন। শাহবাগ মোড় থেকে গাড়ি করে গুলিস্তান যাবেন সেখান থেকে পরে বাসে করে কুমিল্লা যাবেন। তিনি অতি বৃদ্ধ হওয়ায় কোন কিছু বুঝে উঠতে পারছিলেন না।

সে সময় অন্যান্য দিনের মতোই শাহবাগ মোড়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক দক্ষিণ বিভাগের কনস্টবল মোঃ কালাম। বৃদ্ধ লোকটি কোন উপায়ান্তর না দেখে পুলিশ সদস্য কালামকে কুমিল্লা যাওয়ার উপায় জিজ্ঞাসা করেন। বৃদ্ধ লোকটিকে দেখে কালামের মায়া হয়। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে উনাকে সঠিকভাবে গাড়িতে তুলে দেয়ার আশ্বাস দেন।

কিন্তু ‘শোকরানা মাহফিলে’র জন্য রোড ডাইভারশন থাকায় শাহবাগ এলাকায় কোন প্রকার গাড়ি ছিল না। তৎক্ষনাৎ সেখান দিয়ে স্কুটি চালিয়ে যাচ্ছিলেন একজন। কালাম স্কুটিচালককে থামিয়ে বৃদ্ধ লোকটিকে গুলিস্তান বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ করেন। লোকটি রাজি হলে কালাম বাবার আদরে বৃদ্ধ লোকটিকে কোলে করে স্কুটিতে বসিয়ে দেন। এ সময় বৃদ্ধ লোকটি ঠিকমতো স্কুটির পাদানিতে পা রাখতে পারছিল না। এটা দেখে কালাম নিজের হাতে বৃদ্ধ লোকটির দুই পা গাড়ির পাদানিতে সুন্দর করে বসিয়ে দেন।

আনন্দ ও কৃতজ্ঞতায় তখন জলজল করছিল বৃদ্ধের চোখ দুটি। কালামের কাছ থেকে বাবার মতো পরম শ্রদ্ধা পেয়ে বৃদ্ধটি যেন একেবারে নির্বাক হয়ে গেছেন। তিনি বললেন, অনেককে জিজ্ঞাসা করেছি কেউই কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। পুলিশ সদস্য কালামকে বলতেই সে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেন। এজন্য বৃদ্ধ লোকটি যাওয়ার সময় ট্রাফিক কনস্টবল কালামকে প্রাণভরে দোয়া করে যান।

সমস্ত বিষয়টা ধরা পরে সেখানে দায়িত্বরত ডিএমপি নিউজের ফটোগ্রাফার রুবেল সরকারের ক্যামেরায়। তিনিও ‘শোকরানা মাহফিল’ উপলক্ষে শাহবাগ মোড়ে ডিউটিরত ছিলেন। তার সামনে এমন একটি মানবিক ঘটনা ঘটতে দেখে সাথে সাথেই তার হাতে থাকা ক্যামেরায় বন্দি করে নেন সমস্ত বিষয়টি। সূত্র: ডিএমপি নিউজ

sundarban.jpg

জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে সুন্দরবনে উদ্ভিদ এবং প্রাণিকূল প্রজনন সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। তাই সুন্দরবনে বাস্তুতন্ত্র ও খাদ্য শৃঙ্খলে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে আগামী বছরের জুন থেকে আগস্ট এই তিন মাস পর্যটন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বন বিভাগ।

বন কর্মকর্তারা বলছেন, উদ্ভিদের উৎপাদন ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বাড়াতে সুন্দরবনে এই তিন মাস ট্যুরিস্টদের আসা যাওয়া থাকবে না। বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম জুন থেকে আগস্ট সুন্দরবনের ৫২ শতাংশ এলাকায় এই পর্যটক নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা দেশের উদ্ভিদ এবং বন্যপ্রাণীর বৃহত্তম অভয়ারণ্য।

প্রজনন মৌসুমে পর্যটকদের আনাগোনার কারণে এদের উৎপাদন এবং নিরাপদ প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আর পর্যটকরা রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও হরিণসহ বন্যপ্রাণী আধিক্য এলাকাগুলোতে ঘুরতেই বেশি পছন্দ করে।

তবে এ সিদ্ধান্তে দেশের পযর্টনখাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে বলে ধারণা করছেন ট্যুর অপারেটররা।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter