সারাদেশ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

dnmsf.jpg

বিয়ে বাড়ি সাধারণত আলোকসজ্জা, গান-বাজনা, বিশেষ ব্যান্ড পার্টি, সানায়ের করুণ সুরে মুখরিত হয়ে থাকে। কিন্তু রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া গ্রামের একটি বিয়ে বাড়ির সাজসজ্জা বেশ ব্যক্তিক্রম।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) মোজাহার চেয়ারম্যানের মেজ ছেলে তাজমহল মন্ডল ও ছোট ছেলে সান্টু মন্ডলের বিয়েতে এভাবেই নেতাদের ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে প্রবেশদ্বারগুলো।

বউভাত উপলক্ষে বিয়েতে সাজ-সজ্জায় লাইটিং এরা পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রিয় নেতাদের ছবি দিয়ে সাজিয়েছে পুরো বিয়ে বাড়ি। স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবির পাশে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিও। রয়েছে ইউনিয়ন মেম্বর থেকে শুরু করে রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের ছবি।

এই বিয়ে বাড়িতে নেই বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সেক্রেটারির ছবি।

রাজশাহীর অনেক নেতার ছবি এখানে নেই এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, এখানে যাদের ছবি দেখছেন তারা সকলে আমার প্রিয় মানুষ।

ছয়টি গরু ও ছয়টি খাশি জবাই করে মানুষকে খাওয়ানোর জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিশাল খানার। চৌপুকুরিয়া গ্রামে একসাথে দুই ভাইয়ে বিয়ে হচ্ছে যে কন্যাদের সাথে তারা সম্পর্কে বরদ্বয়ের মামাতো বোন। এমন সাজ সজ্জা ও একই সাথে দুই ভাইয়ের বিয়েতে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে চেয়ারম্যান মোজাহার আলী।

kadersid.jpg

বিএনপির নেতা যতদিন তারেক জিয়া আছে এবং যতদিন তারেক হাওয়া ভবনের জন্য মানুষের কাছে দুই হাত তুলে ক্ষমা না চাইবেন ততদিন বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় বিএনপি যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন,বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম।

তিনি আর বলেন, ইলেকশন হলে নৌকা মার্কার জয়ের সম্ভাবনা কেয়ামত পর্যন্ত নাই।’ বৃহস্পতিবার গাইবান্ধায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম এসব কথা বলেন।

গাইবান্ধা জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আহ্বায়ক অ্যাড. মোস্তফা মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীর প্রতীক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় নেতা মঞ্জুরুল আলম প্রমুখ। পরে অ্যাড. মোস্তফা মনিরুজ্জামানকে সভাপতি ও আবু বক্কর সিদ্দিককে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৯ সদস্য বিশিষ্ট গাইবান্ধা জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।

গাইবান্ধা পৌর শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারকে সমর্থন করি না। সেইসঙ্গে বিএনপির বাঁদরামিকেও সমর্থন করি না। কারণ দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছর পরেও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান অঙ্গীকার প্রকৃত গণতন্ত্র, শোষণহীন, দুর্নীতি ও বৈষম্যমুক্ত এক অসাম্প্রদায়িক সমাজ আজও বাস্তবায়িত হয়নি।’

কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার নৌকার সরকারই শেষ সরকার নয়। বঙ্গবন্ধুর দল আওয়ামী লীগও নয়; তার দল কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার দল হতে পারে।

গত নির্বাচনে ভোট চুরি না করলে আওয়ামী লীগের জয়ের সম্ভাবনা হয়তো পরে থাকতে পারতো। কিন্তু শেখ হাসিনা ভোটের আগের রাতে ভোট চুরির ব্যবস্থা করে কেয়ামত পর্যন্ত নৌকার জয়ের সম্ভাবনা নিজেই নষ্ট করে দিয়েছেন।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘রাজনীতির নামে মানুষকে অপদস্থ করা হচ্ছে। কিন্তু কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মানুষের ওপর দাপট খাটায় না, লুটতরাজ করে না – মানুষের সেবা করে।’

kamal789.jpg

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও ভারত সফর স্থগিত করেছেন। বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভারত সফর বাতিল করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সুত্র থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফর বাতিলের খবর জানা গেছে।

ভারতে নাগরিকত্ব বিল পাসের একদিন পর বাংলাদেশের দুজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর দেশটিতে নির্ধারিত সফর বাতিল ও স্থগিত করার ঘটনায় স্পষ্ট যে ওই বিল পাসের বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে সরকার এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিজেপি নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার তাদের রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব বিলটি পাস করে। এর আগে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) এই বিল লোকসভায় পাস করা হয়।

জানা গেছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। তার আমন্ত্রণে শুক্রবার সেখানে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি স্থগিত করেন কামাল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পিআরও শরীফ মাহমুদ অপু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সফরটি স্থগিত করা হয়েছে। ’

তবে সফর স্থগিতের কোনও কারণ উল্লেখ না করে অপু জানান, ‘পরবর্তীতে সুবিধাজনক সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেঘালয় সফর করবেন। এ সফর জানুয়ারি অথবা ফেব্রুয়ারি মাসে হতে পারে।’

এ সফরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কয়েকটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অংশগ্রহণের কথা ছিল।

এর আগে দুপুরে ভারত সফর বাতিল করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকরের আমন্ত্রনে আজ বৃহস্পতিবার বিকালেই দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল তার। ভারতের নাগরিকত্ব বিল এবং বাংলাদেশকে এর মধ্যে জড়িয়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে মূলত আলোচনা করতেই দেশটি সফরের কথা ছিল তার। তবে এ সফর জানুয়ারিতে হওয়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, ‘বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতে যাচ্ছেন না।’

এছাড়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম এবং পররাষ্ট্রসচিব এম শহীদুল হক ঢাকায় না থাকার কারণেও তিনি যাচ্ছেন না বলে মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান।

তবে আগামী জানুয়ারি মাসেও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত সফরের কথা রয়েছে। এ বিষয়টির উল্লেখ করে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আগামী মাসে মন্ত্রীর ভারত সফর করার সম্ভাবনা আছে। সেটিও একটি কারণ।’

primary53.jpg

১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম। তবে এ বছর অনলাইনে নয়, পুরোনো বিধিতেই ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চলবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, প্রতি বছরের মতো ২০২০ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে আবেদন কার্যক্রম ১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। ঢাকাসহ সারা দেশের ৬১ জেলায় পর্যায়ক্রমে আবেদনকারী শিক্ষকদের বদলি নির্দেশনা জারি করা হবে। তবে এটি রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান জেলার জন্য প্রযোজ্য হবে না।

জানা গেছে, চলতি বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি কার্যক্রমে নানা জটিলতা সৃষ্ট হয়। নানা অনিয়ম, বদলি-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, বদলির জন্য নানা মহলের তদবিরে বিপাকে পড়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। নির্ধারিত তিন মাস শিক্ষক বদলি কার্যক্রম চালু থাকায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এসব কারণে বদলি কার্যক্রম বছরজুড়ে অনলাইনভিত্তিক করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হলেও নির্ধারিত সময়ে নীতিমালায় সংশোধন ও এ সংক্রান্ত সফটওয়্যার তৈরি না হওয়ায় এবার পুরোনো পদ্ধতিতে শিক্ষক বদলি হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বছরজুড়ে প্রাথমিকের শিক্ষক বদলিতে নীতিমালা সংশোধন কাজ শুরু হয়েছে। এজন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাদলকে প্রধান করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এ কার্যক্রম অনলাইনভিত্তিক করতে নতুন করে সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। ২০২১ সাল থেকে অনলাইনে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম শুরু হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, অনলাইনভিত্তিক সহকারী শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে নীতিমালায় বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রয়োজনভিত্তিক বছরজুড়ে শিক্ষক বদলি করা হবে। তবে অনলাইনভিত্তিক জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত এ কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালায় দেখা গেছে, বদলির জন্য ন্যূনতম তিন বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। শূন্য থাকা আসনে মোট তিনটি বিদ্যালয়ে বদলির জন্য আবেদন করা যাবে। জেলা সদর ও সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থলে বদলি হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এ সুবিধা চাকরিকালীন সময়ে একবার গ্রহণ করা যাবে।

উপজেলা/সিটি কর্পোরেশনের বাইরে থেকে সর্বাধিক ২০ শতাংশ শূন্য পদে সংশ্লিষ্ট স্থানে বদলি হওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে তার উপজেলাধীন বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে বদলিকৃত শিক্ষকদের হালনাগাদ তালিকা রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। তবে বৈবাহিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এ শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

বলা হয়েছে, প্রতিবন্ধী শিক্ষক এবং শিক্ষকের ওপর নির্ভারশীল প্রতিবন্ধী সন্তান, নদীভাঙন অথবা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শিক্ষকের বসতভিটা বিলীন হলে ও বিভাগীয় অথবা জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তবে বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত শিক্ষিকা, বিবাহ বিচ্ছেদজনিত মামলা চলমান হলে একবার এ সুবিধা গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া প্রশাসনিক কারণে বদলি, সমন্বয়, পারস্পরিক সমঝোতা, সংযুক্তি, বিশেষ কারণে বছরজুড়ে সুবিধামতো যেকোনো স্থানে বদলি হওয়া যাবে। নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের উপজেলার তফসিলভুক্ত দুর্গম এলাকার স্কুলে কমপক্ষে ছয় মাস চাকরি করতে হবে ও এসব এলাকায় চাকরির অভিজ্ঞদের বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রেও এ নিয়ম প্রযোজ্যের প্রস্তাব রয়েছে।

তবে পার্বত্য তিন জেলার জন্য উপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করতে পারবে। সফটওয়্যারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তাবিত বদলি নীতিমালার আরও পরিবর্তন আনা হতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান চৌধুরী বলেন, শিক্ষক বদলি নীতিমালা সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম অনলাইনভিত্তিক করতে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলির সব কার্যক্রম করা হবে। আগামী বছর থেকে অনলাইন বদলির কার্যক্রম শুরু হবে। তবে বদলির ক্ষেত্রে আগামী বছর (২০২০ শিক্ষাবর্ষ) পুরোনো পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বদলি কার্যক্রম আরও সহজীকরণ ও ভোগান্তিমুক্ত, বদলি বাণিজ্য ও তদবির বন্ধে এটি অনলাইনভিত্তিক করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বছরজুড়ে শিক্ষক বদলি করা হবে।

mukesh44.jpg

টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটারের ‘বাংলা চ্যানেল’ পাড়ি দিলেন ভারতীয় যুবক মুকেশ গুপ্তা। একুশ বছর বয়সী এ যুবক ৪ ঘণ্টা ৮ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড সময় নিয়ে সাঁতরিয়ে সেন্ট মার্টিন পৌছান।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে কক্সবাজারের শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে সাঁতার শুরু করেন মুকেশ। তিনি ১৬.১ কিলোমিটার সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পৌছান। তিনি বাংলা চ্যানেল জয় দিয়ে চ্যানেল সুইমিং বা লং ডিসটেন্স ওপেন ওয়াটার সি সুইমিংয়ের এলিট ক্লাবে নাম লেখান।

‘সেভ ওয়াটার, সেভ ট্রি’ স্লোগানে কলকাতার মুকেশ বাংলা চ্যানেল সাঁতারে অংশ নেন। আগামীতে আন্ত মহাসাগরীয় কায়াকিং, ভারতীয় চ্যানেলসহ আরও নতুন ও দুঃসাহসিক দূরপাল্লার সাঁতারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি ।

11-7-1.jpg

বাংলা পৌষ এবং মাঘ এই দুই মাসকে বলে শীতকাল। পঞ্জিকায় নির্ধারিত শীতকালের সঙ্গে বাস্তব শীতের সময় এক নাও হতে পারে। এখানে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির পর্যন্ত শীতকাল টিকে থাকে।

হেমন্তকাল চললেও, এখন মোটামুটি মাত্রার শীত পড়ছে। তাপমাত্রা কমছে প্রতিদিনই। দেশের উত্তরাঞ্চলে বেশ ঠাণ্ডা পড়া শুরু হয়েছে এরইমধ্যে। রাজধানীর আবহাওয়াও জানান দিচ্ছে শীত আসছে।

ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু অথবা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে।

ডিসেম্বর মাসের দীর্ঘ মেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়, এ মাসের প্রথমার্ধে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি থাকতে পারে। কিন্তু মাসের শেষার্ধে রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কম থাকতে পারে।

ডিসেম্বর মাসের শেষার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক-দুটি মৃদু (০৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (০৬-০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

চলতি মাসে শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদ নদী অববাহিকায় ঘন অথবা মাঝারি কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র মাঝারি অথবা হালকা ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এছাড়া ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরের একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে যা নিম্ন চাপে পরিণত হতে পারে।

joyf.jpg

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পঙ্গু হওয়ার পথে রয়েছেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন তার জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে এ বিষয়ে শুনানি শুরু হওয়ার পর আদালতকে এ কথা জানান তিনি।

খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষের দেয়া প্রতিবেদনটিকে ভুয়া বলেও আখ্যায়িত করেন জয়নুল আবেদীন।

বৃহস্পতিবার ১০টা ৮ মিনিটে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে এ শুনানি শুরু হয়। সকাল ১০টা ১০ মিনিট রেজিস্টার জেনারেল আলী আকবর বিএসএমএমইউয়ের প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন।

এরপর ১০টা ২০ মিনিট থেকে শুনানি শুরু হয়। এর আগে বিচারকরা মেডিকেলের রিপোর্টটি দেখেন।

জয়নুল আবেদীন শুনানিতে আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে ভালো মানুষ গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আজ পঙ্গু হওয়ার পথে। তিনি হাত-পা নড়াতে পারছেন না। চিকিৎসা এতো উন্নত হচ্ছে যে দিন দিন তিনি পঙ্গু হয়ে যাচ্ছেন। ৬/৮ মাস পর হয় তো তিনি লাশ হয়ে বের হবেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

17-9-1.jpg

ড্রাগ আর ফেসবুকের মধ্যে পার্থক্য নেই উল্লেখ করে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেছেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাদক নিতে না পারলে মাদকসেবীদের যে অবস্থা হয়, ফেসবুক ব্যবহারে আমাদের মধ্যে একই আচরণ লক্ষ্য করা যায়।’

এ অবস্থায় তিনি কোমলমতি বাচ্চা ও তরুণদের হাতে স্মার্টফোন না দিয়ে বই তুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি গতকাল খুলনা বিভাগীয় বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, স্মার্টফোনের ছোট্ট একটা পর্দায় আমাদের পৃথিবীটা সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।

আমরা অবশ্যই প্রযুক্তির ব্যবহার করব, তবে প্রযুক্তি যেন আমাদের ব্যবহার করতে না পারে। খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উদ্যোগে ও খুলনা জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় এ বইমেলা চলবে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ সময় আরও বক্তৃতা করেন জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম মাঈন উদ্দিন হাসান আলমগীর কবির ও মো. সাহেব আলী।

6j4ek.jpg

গত তিন বছরে ব্যাংকে জমা হওয়া বেতন-ভাতার টাকা একবারও তোলেননি তিনি। তবে গত সেপ্টেম্বরে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার কিছুদিন আগে–পরে ব্যাংকের ওই হিসাব থেকে প্রায় পুরো টাকাটাই তুলে নিয়েছেন। তার আরেকটি ব্যাংক হিসাবে নিয়মিতভাবেই এক থেকে পাঁচ লাখ টাকা জমা হয়েছে। প্রায় ৩৪ লাখ টাকা জমা হওয়ার পর হঠাৎ করেই সেখান থেকে প্রায় পুরো টাকাই তুলে নিয়েছেন তিনি।

এই ব্যক্তি একজন সরকারি কর্মকর্তা। নাম মুমিতুর রহমান। কাজ করেছেন গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা শাখার সিনিয়র শাখাপ্রধান হিসেবে। ২০১৬ সালের মার্চ মাসে তিনি বদলি হয়ে এখানে যোগ দেন। মূলত, তিনি ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা।

মুমিতুর রহমানের স্ত্রী জেসমিন আক্তার একজন গৃহিণী। আয়কর নথির হিসাবে গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে তার আয়কর নথিতে সম্পদ বেড়েছে ৫৩ লাখ টাকার। এ আয় এসেছে মৎস্য চাষ ও কৃষি আয় থেকে। আয়কর নথিতে ব্যাংক ও হাতে নগদ অর্থ ২৭ লাখ টাকা আছে উল্লেখ করা হলেও ব্যাংকে তাঁর জমা অর্থের পরিমাণ প্রায় আড়াই কোটি টাকা। প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

আয়কর নথির তথ্য অনুসারে বর্তমানে মুমিতুর রহমানের মূল বেতন ৪৯ হাজার ৯০ টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তার মোট আয় ১০ লাখ ১৫ হাজার ৬১৮ টাকা। সেখানে দেওয়া তথ্যমতে, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার টাকার।

তবে আয়কর নথির সম্পদবিবরণীতে তিনি বলেছেন, গ্রামের বাড়িতে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৩ বিঘা জমির ওপর তিনটি টিনশেড ঘর আছে, যার দাম তিনি জানেন না। ৫৮ লাখ টাকার ফ্ল্যাট, সোয়া সাত লাখ টাকায় কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে ৭ শতাংশের বেশি জমি, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একটি প্লট কেনা বাবদ ২৪ লাখ টাকা, ৩৩ লাখ টাকারও বেশি টাকায় আড়াই বিঘা ধানি জমির কথা উল্লেখ আছে তাঁর আয়কর নথিতে।

মুমিতুরের ব্যাংক হিসাবগুলোর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জনতা ব্যাংকের শেরেবাংলা নগর শাখায় মুমিতুরের বেতন-ভাতার টাকা জমা হতো। ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত ওই হিসাব থেকে মাত্র একবার দুই লাখ টাকা তুলেছেন। ২০১৯ সালের ১০ জুন ওই হিসাবে টাকার স্থিতি দাঁড়ায় ২৯ লাখ ৩১ হাজার টাকা। শুদ্ধি অভিযান শুরুর আগে পরে তিনি ওই হিসাব থেকে ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা তুলে নেন। বিএফআইইউ লেনদেন স্থগিত করার পর ওই হিসাবে জমা আছে ৩ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

মুমিতুরের স্ত্রী জেসমিন আক্তারের আয়কর নথি অনুসারে, তাঁর সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকার। এক বছরে তাঁর সম্পদ বেড়েছে ৫৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫০ টাকার। নথি অনুসারে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দশমিক শূন্য ৪৯৭ একর জমি, যার দাম ১২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা, পাবনার ঈশ্বরদীতে দশমিক ২৮ একর জমি যার দাম সাড়ে ১৪ লাখ টাকা, একটি ব্যক্তিগত গাড়ি যার দাম ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার। এ ছাড়া ৫০ তোলা স্বর্ণ আছে, যার দাম জানা নেই।

আয়কর নথির হিসাবেরও বাইরে তাঁর বিপুল অর্থ আছে বিভিন্ন ব্যাংকে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, পূবালী ব্যাংকের ভেড়ামারা শাখায় স্থায়ী আমানত (এফডিআর), সঞ্চয়ী ও চলতি হিসাবে জমা আছে প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ব্র্যাক ব্যাংকের ভেড়ামারা শাখায় বিভিন্ন হিসাবে জমা আছে ৮০ লাখ টাকা। তাঁর নামে থাকা স্ল্যাশ ডিজিটাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ব্র্যাক ব্যাংকের আসাদগেট শাখায় জমা আছে ৩২ লাখ টাকা।

বিএফআইইউ সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, মুমিতুর ও তার স্ত্রীর ওই সব ব্যাংক হিসাবে লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।

চলমান শুদ্ধি অভিযান শুরুর পরপরই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে যে অনুসন্ধান শুরু করে, তার প্রথম তালিকাতেই মুমিতুর রহমানের নাম আছে। দুদক যে ৩৪ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তার মধ্যে মুমিতুরও আছেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, মুমিতুর সরকারি কর্মকর্তা হলেও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ঠিকাদারদের কাছে গ্রেপ্তার হওয়া ঠিকাদার গোলাম কিবরিয়া শামীম (জি কে শামীম) ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। গ্রেপ্তার হওয়ার পর র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে জি কে শামীমের মুখে মুমিতুরের নাম বেরিয়ে আসে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, উচ্চপদস্থ কয়েক কর্মকর্তার পৃষ্ঠপোষকতায় মুমিতুর ছিলেন খুবই বেপরোয়া। তিনি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন ২০১৬ সালের মার্চে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মুমিতুর বেশ প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন।

মুমিতুর পরিকল্পনা শাখায় কাজ করলেও উন্নয়ন শাখার বিভিন্ন কাজের দেখাশোনা করছেন। এই মন্ত্রণালয়ের অধীন সব উন্নয়ন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ফাইল আসত তাঁর টেবিলে। ফলে খুব অল্প সময়েই জিকে শামীমের সঙ্গে সখ্য তৈরি হয় তাঁর। এই সময় মন্ত্রণালয়ের ভেতরে শামীমের অন্যতম প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত হয়ে যান। শামীমের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা পেয়ে তাঁর জীবনধারাও পাল্টে যায়। ফ্ল্যাট-বাড়ি-গাড়ির মালিক বনে যান তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তাঁর আর্থিক অবস্থা এতই পরিবর্তন হয়ে যায় যে চাকরির বেতনে হাতই দিতেন না তিনি। ওই আয়ের একটি বড় অংশ নিজের স্ত্রীর নামে জমা করেছেন।

মুমিতুর ও তার স্ত্রীর আয়কর নথি ও ব্যাংক হিসাবের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মুমিতুরের স্ত্রী জেসমিন যে আয় দেখিয়েছেন, তার জন্য ৬ লাখ ৬২ হাজার টাকা আয়কর দিয়েছেন। একজন গৃহিণীর এই আয়ের তথ্য পেয়ে বিস্মিত হয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এ বিষয়ে জানতে মুমিতুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তাঁর দপ্তরে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মুমিতুর রহমান ও তার স্ত্রী জেসমিন আক্তারের অবৈধ সম্পদের বিষয়টি অনুসন্ধান করছে দুদক। এর অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সংস্থাটির কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই মামলা হবে এই দম্পতির বিরুদ্ধে। সূত্র: প্রথম আলো

khales.jpg

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষের দেয়া রিপোর্ট ভালো বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ বিষয়ে শুনানি শুরু হওয়ার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আগের রিপোর্ট এর চেয়ে বর্তমান রিপোর্ট অনেক ভালো আছে।

এরপরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন যুক্তি উপস্থাপনে বলেন,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে বেগম খালেদা জিয়ার সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না। তাকে উন্নত চিকিৎসা দরকার। তিনি এখন হাঁটাচলা করতে পারেন না।

খালেদা জিয়া যে পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন এমন কোথাও আজকের রিপোর্টে নেই ।

জয়নুল আবেদীন বলেন,খালেদা জিয়া সুস্থ অবস্থায় হেঁটে কারাগারে গিয়েছেন। এখন তিনি হাঁটাচলা করতে পারেন না ।

জয়নুল আবেদীন আরো বলেন, খালেদা জিয়া এখন পঙ্গুত্বের দিকে চলে যাচ্ছে।

প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে জয়নুল আবেদীন বলেন, উপরে আল্লাহর পর আমরা বারবার আপনাদের কাছে আসি মাইলড।

এমন তো নয় খালেদা জিয়াকে বেইল দিলে তিনি পালিয়ে যাবেন। বরং রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল তার ব্যাপারে নজর দেওয়া এবং বর্তমানে খালেদা জিয়া দিন দিন ক্রিপল হয়ে যাচ্ছেন।

খালেদা জিয়ার নতুন মেডিকেল রিপোর্টেও উল্লেখ আছে তিনি, ডায়াবেটিস, অ্যাজমাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন এজন্য তাকে উন্নত চিকিৎসাও দেয়া যাচ্ছে না। রিপোর্টে আছে সে দিনদিন পঙ্গুর দিকে যাচ্ছে।

জয়নুল আবেদীন, মাই লর্ড বেগম জিয়াকে জামিন দেয়া কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আর অ্যাটর্নি জেনারেলের কিন্তু আমাদের পক্ষে কথা বলা উচিত কারণ সে কিন্তু রাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের না। কিন্তু সে করে উল্টোটা।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নিতাই রায় চৌধুরী, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।