সারাদেশ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

PM-Sheikh-Hasina.jpg

আধুনিক ও পেশাদার বিমানবাহিনী গঠনে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নিউইর্য়ক, টরেন্টো ও সিডনিতে ফ্লাইট পরিচালনা করতে চায় বিমান বাংলাদেশ। তিনি বলেন, বিমান ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক করা হচ্ছে।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ৬ষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ভৌগলিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সেতুবন্ধন হবে বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলো।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, সামরিক কৌশলগত দিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও পেশাদার বিমান বাহিনী গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ সিদ্ধান্তে ১৯৭৩ সালে সে সময়ের সব থেকে আধুনিক মিগ ২১ সুপারসনিক ফাইটার বিমানসহ পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার, এয়ার ডিফেন্স, রাডার ইত্যাদি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে সংযোজন করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত পৌনে ১১ বছরে বিমান বহরে আমরা বোয়িং কোম্পানির চারটি অত্যাধুনিক ড্রিমলাইনারসহ মোট ১০টি বিমান সংযুক্ত করেছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আকাশ পথে স্থাপন করতে চাই। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আশা করি, নিউইয়র্ক, টরেন্টো, সিডনির মতো দূরবর্তী গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারব। এ লক্ষ্যে সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটিকে ক্যাটাগরি ১ এ উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ যখন পুনরায় সরকার গঠন করে, তখন আবার আমরা বিমান বাহিনীকে একটি যুগোপযোগী, দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করি। এবং সে সময় আমরা চতুর্থ প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান মিগ ২৯, ইয়ার ১৩০, আধুনিক পরিবহন সি ১৩০ সহ আরও বেশ কিছু বিমান বাহিনীতে সংযোজন করি।

djmdtgj.jpg

বাড়ির ছাদে ফুলের টবে রাখা গাছগুলোকে যখন নির্মমভাবে একেরপর এক কেটে সাফ করে ফেলছিলেন এক নারী তখন গাছগুলোর মালিক অপর একজন নারী চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন, এই ছাদে আমাদেরও অংশ আছে, গাছ কারো ক্ষতি করে না, গাছেরও জীবন আছে, প্লিজ গাছগুলো কাটবেন না, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন না, তওবা করলেও এই অন্যায় আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। কিন্তু কিছুতেই নারীর হৃদয় গলেনি। গাছ কাটার সময় উভয়পক্ষই ছাদে ছিলেন। এসময় গাছকাটা নারীর পক্ষে ছাদে ছিলেন তার ছেলেসহ কিছু ভাড়াটে মাস্তান। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নিন্দাও ক্ষোভের ঝড় বইছে। ভিডিও ভাইরালের পরের দিন আজ ভোরে তার ছেলে ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন।

গাছের ওপর ওই নারীর কেন এতো ক্ষোভ বা তিনি কেন পরিবেশের জীবন গাছকে এভাবে কেটে টুকরো টুকরো করছেন? এমন প্রশ্ন ছুড়ছেন নেটিজেনরা। সাভারের সিআরপি রোডের একটি বাসার ছাদে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, হিজাব পরা এক নারী ছাদে শখ করে লাগানো অন্যের গাছ কেটে সাবাড় করছেন। প্রতিবাদ করায় যারা গাছ লাগিয়েছেন তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করছেন।ভিডিওটি পোস্ট করেছেন সুমাইয়া হাবিব নামের এক নারী।

এ ঘটনার জন্য ক্ষমা ক্ষমা চেয়েছেন ওই মহিলার ছেলে। তিনি ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি সবার কাছে ক্ষমা চান।

ওই মহিলার ছেলে বলেন, কিছুক্ষণ আগে কাসেম হোসেন ভাইয়া আমাকে ক্ষমার চাওয়ার জন্য বলছে। হ্যাঁ কাজটা আমি ভুল করছি।

সেজন্য আমি এবং আমার ফ্যামিলির পক্ষ থেকে, আমার আব্বু আম্মুর পক্ষ থেকে স্পোশলই আলটিমেটলি ‘সরি’।

তিনি বলেন, একটা কথা, মনে কিছু করবেন না,বেয়াদবি নিবেন না। আপনি হয়তো একটা ভুল করছেন, আমার আম্মু কাউকে কোপাতে যায়নি। হয়ত ভিডিও থেকে ছবিটা স্কিন শট নিয়ে ছবিটা তোলা হয়েছে।

শুক্রবার আমাদের সাভার থানার ওসি আংকেল আমারদেরকে ডেকেছে। আশা করছি কোন একটা মীমাংসা করবেন। অবশ্যই একটা রায় হবে, সেটা সবাই জানতে পারবেন ।

ঘটনার বিবৃতি দিয়ে সুমাইয়া হাবিব লিখেছেন, কখনো কি শুনছেন মানুষ গাছ অপছন্দ করে? গাছ পরিবেশ নষ্ট করে? এই নারীর গাছ পছন্দ না। তার বক্তব্য আমাদের গাছ ছাদের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলছে। তাই এই নারী আমাদের সব গাছ কেটে ফেলছে। কি অপরাধ ছিল গাছের? কি অপরাধ ছিল? কেউ বলতে পারবেন?

সুমাইয়া আরও লিখেছেন, আমার মা গাছ অনেক পছন্দ করে, তাই ছাদের এক কোনায় আমরা কিছু গাছ লাগিয়েছিলাম। আর এই নারী আমাদের সঙ্গে শত্রুতা করে আমাদের লাগানো গাছগুলো কেটে ফেলল।

বিস্তারিত ভিডিও দেখুন:

shrj.jpg

বাড়ির ছাদে ফুলের টবে রাখা গাছগুলোকে কেটে সাফ করে ফেলছেন এক নারী এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ঘটনাটি সাভারের সিআরপি রোডের একটি বাসার ছাদের।

ভিডিওতে দেখা যায়, হিজাব পরা এক নারী ছাদে শখ করে লাগানো অন্যের গাছ কেটে সাবাড় করছেন। প্রতিবাদ করায় যারা গাছ লাগিয়েছেন তাদের ওপর হামলার চেষ্টা করছেন।

এ সময় বাগানটির মালিক তার কাছে এ কাজটি না করতে অনুনয়-বিনয় করছেন। চোখের সামনেই তিলে তিলে গড়া শখের বাগানটি টুকরো টুকরো হতে দেখছেন তিনি। কিন্তু তার আকুতি, মিনতির চুল পরিমাণ অনুভূতিও ওই নারীকে স্পর্শ করছে না। লাগাতার গাছ কেটেই যাচ্ছেন। তাকে থামাতে পারছে না কেউ। কারণ সঙ্গে তার ছেলে একদল সহযোগী নিয়ে ছাদে উঠেছেন।

ঘটনার ভিডিওসহ এ বিষয়ে ফেসবুকে মঙ্গলবার পোস্ট দেন ভুক্তভোগী সুমাইয়া হাবিব। পোস্টটি সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে গাছ কাটা সেই নারীর তীব্র সমালোচনা করেন।

এদিকে ভাইরাল হওয়া সেই নারীকে বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকালে আটক করেছে পুলিশ।

আটক সেই নারী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেছেন, গাছ কেটে আমি ঠিক কাজ করিনি, আমি অনুতপ্ত।

nfshn.jpg

সাভারে একটি বাড়ির ছাদের গাছ কেটে ভাইরাল হওয়া সেই নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) সকালে সাভার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বাড়ির ছাদে ফুলের টবে রাখা গাছগুলোকে নির্মমভাবে একের পর এক কেটে সাফ করে ফেলেন আটক ওই নারী। সেসময় গাছগুলোর মালিক অপর একজন নারী চিৎকার করে কেঁদে কেঁদে বলছিলেন, এই ছাদে আমাদেরও অংশ আছে, গাছ কারো ক্ষতি করে না, গাছেরও জীবন আছে, প্লিজ গাছগুলো কাটবেন না, আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করবেন না, তওবা করলেও এই অন্যায় আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। কিন্তু নারীর হৃদয় গলেনি।

এদিকে ওই নারীর পক্ষে ছাদে ছিলেন তার ছেলেসহ কিছু ভাড়াটে মাস্তান। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভের ঝড় বইছে।

rongpur01-20191023102426.jpg

রংপুরে কামরুল হাসান নামে এক পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রেমিকাসহ আটক করে থানায় নিয়েছে পুলিশ। জেলা মহিলা পরিষদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নগরীর বনানীপাড়ার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

কামরুল হাসান নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। ৩৬তম বিসিএসে পুলিশ বাহিনীতে চাকরি পেয়ে সদ্য প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন তিনি। আর মেয়েটির নাম রোকসানা পারভীন স্মৃতি। তিনি ২০১৬ সালে কারমাইকেল কলেজ থেকে ইংরেজি বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। স্মৃতির বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট ইউনিয়নে।

জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে কামরুল ও স্মৃতির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা রংপুর নগরীর বিভিন্ন এলাকায় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। গত ৩ মাস আগে বনানীপাড়ার একটি বাসা ভাড়া নেন তারা। এরই মধ্যে ৩৬তম বিসিএসে পুলিশ বাহিনীতে চাকরি পেয়ে সদ্য প্রশিক্ষণ শেষ করেন কামরুল। আগামী সপ্তাহে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশে যোগদান করার কথা তার। সম্প্রতি মেয়েটি বিয়ের জন্য চাপ দিলে এতে অস্বীকৃতি জানান কামরুল। একপর্যায়ে স্মৃতি মহিলা পরিষদে লিখিত অভিযোগ দেন।

এদিকে মঙ্গলবার কামরুল বনানীপাড়ার ওই বাসায় গেলে স্মৃতি মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দকে তার আসার বিষয়টি জানান। পরে মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ বনানীপাড়া গিয়ে কামরুলকে দেখার পর পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে নগরীর কোতোয়ালি থানা পুলিশ সেখান থেকে দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

রংপুর জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রুমানা জামান জানান, স্মৃতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদের দুইজনকে থানায় নিয়ে যায়।

এদিকে খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা থানায় গেলেও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ। তবে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওসি জানান, দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

noor-20191023120315.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরের ফেসবুক আইডি হ্যাকড হয়েছে।

বিষয়টি নিজেই নিশ্চিত করেছেন ভিপি নুর।

নুর বলেন, বুধবার ভোরে আমার আইডি হ্যাকড হয়েছে। এরপর আর কোনোভাবেই আইডিতে প্রবেশ করতে পারছি না। আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ আমাদের আইডি হ্যাকড করেছিল। তারাই এটা করে থাকতে পারে। এর আগে কোটা আন্দোলনের সংগঠক মশিউর ও বিন ইয়ামীন মোল্লার আইডি হ্যাকড হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার আইডি হ্যাকড করা হয়েছে।

নুর বলেন, আমরা সবসময় ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিপক্ষে কথা বলি। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি শ্রেণি আমাদের বিতর্কিত করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু, তাদের এ ঘৃণ্য চেষ্টা কখনই সফল হবে না।

xislam-003.jpg

আজ যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা উদযাপিত হবে।

এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বুধবার বাদ যোহর বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। মাহফিলে ওয়াজ পেশ করবেন ঢাকা পূর্ব রাজাবাজার জামে মসজিদের খতীব মুফতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান।

এতে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব কাজী নূরুল ইসলাম।

হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবার মুসলিম উম্মাহ আখেরি চাহার শোম্বা পালন করে আসছে। এ দিনে ইসলামের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) জীবনে শেষবারের মতো রোগমুক্তি লাভ করেন। আরোগ্য লাভের সংবাদে মদিনাবাসী আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন। তারা সাধ্যমতো দান-সাদকা ও শুকরিয়া নামাজ আদায় করেন।

55-55.jpg

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার কয়েকজন স্থানীয় চোর সন্দেহে দড়ি দিয়ে বেঁধে মুখে ও বুকে লাথি মেরে দীপংকর ভদ্র নামে এক প্রতিবন্ধী যুবককে নির্মম নির্যাতন করেছে। গতকাল সোমবার বাঘারপাড়ার খাজুরার ভদ্রডাঙ্গা ছব্বারের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

দীপংকর ভদ্রকে নির্যাতনের ঘটনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

বাঘারপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন এ ব্যাপারে বলেন, ওই যুবককে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে দেখেছি আমি। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম আমি। কিন্তু অভিযুক্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগও দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীপংকর ভদ্র ঝিকরগাছা উপজেলার ছুটিপুর গ্রামের গোপাল ভদ্রের ছেলে। তাকে নির্যাতন করেছেন উপজেলার ভদ্রডাঙ্গা গ্রামের অহেদ খানের ছেলে আলমগীর, বনগ্রাম মুন্সীপাড়ার কিয়ামের ছেলে নাজমুল ও ভদ্রডাঙ্গা গ্রামের ইকবাল কারীর ছেলে ইলিয়াছ।

ভিডিওতে দেখা গেছে, আলমগীর, নাজমুল ও ইলিয়াছ দড়ি দিয়ে বেঁধে মুখে ও বুকে লাথি মেরে নির্যাতন করছেন প্রতিবন্ধী দীপংকর ভদ্রকে। তাকে মাটিতে ফেলে টানাহেঁচড়া করা হচ্ছে। আশপাশের লোকজন তাদের থামতে বললেও কারও কথা শোনেনি তারা।

এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত কিংবা আটক করতে পারেনি পুলিশ।

জানা গেছে, সোমবার সকালে দীপংকার ভদ্র খাজুরা বাজারসংলগ্ন তেলীধান্যপুড়া গ্রামে তার খালাতো ভাই হারানের বাড়িতে যায়। বিকেলে খালাতো ভাইয়ের সাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয় দীপংকার।

ছব্বারের মোড়ে পৌঁছালে স্থানীয় ভদ্রডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর, নাজমুল ও ইলিয়াছ তার গতিরোধ করে পরিচয় জানতে চায়। একপর্যায়ে চোর সন্দেহে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে এবং অমানবিক নির্যাতন চালায়।

ghrf.jpg

দা হাতে এক নারী অন্য একজনের তৈরি করা ছাদবাগানের সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছেন! গাছের মালিকের আকুতি, কান্না তাকে স্পর্শ করছে না। সঙ্গে আছে তার ছেলে আর গুণ্ডাপাণ্ডার দল! এই অমানুষিক ঘটনায় শিউরে উঠেছে সবাই!

ফেসুবকে সুমাইয়া হাবিব নামের ভুক্তভোগী ওই নারী নিজের গাছের ওপর এমন বর্বর আচরণের ভিডিও আর বিবরণ পোস্ট করেন। একপর্যায়ে তাকে দা দিয়ে আঘাত করতে উদ্যত হন সব গাছ কেটে ফেলা ওই নারী।

সুমাইয়া লিখেছেন, কখনো কি শুনছেন মানুষ গাছ অপছন্দ করে? গাছ পরিবেশ নষ্ট করে? এই নারীর গাছ পছন্দ না। তার বক্তব্য আমাদের গাছ ছাদের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলছে। তাই এই নারী আমাদের সব গাছ কেটে ফেলছে। কি অপরাধ ছিল গাছের? কি অপরাধ ছিল? কেউ বলতে পারবেন?

তিনি আরো লিখেছেন, আমার মা গাছ অনেক পছন্দ করে, তাই ছাদের এক কোণায় আমরা কিছু গাছ লাগাইছিলাম। আর এই নারী আমাদের সঙ্গে শত্রুতা করে আমাদের লাগানো গাছগুলা কেটে ফেলল। এই বিল্ডিংয়ে আমরা ২ টা ফ্লাট কিনেছি। সবাই যার যার ক্র‍য়কৃত ফ্লাটে থাকে।

ছাদে সবারই অধিকার আছে। আমরা আমাদের অধিকার থেকে কিছু গাছ লাগিয়েছি ছাদের একটা কোণায়। কারণ আমরা ভাবতেও পারি নি গাছ মানুষ অপছন্দ করতে পারে। গাছ তো সৌন্দর্য বাড়ায়। আর তারা বলে আসছে আমাদের গাছ নাকি ছাদের পরিবেশ নষ্ট করে দিছে।

তারা অকারণে অন্যায়ভাবে আমাদের জীবন্ত এবং ফল ধরন্ত গাছগুলি কেটে ফেললো। আবার তার ছেলে কিছু ১০/১২ জন মাস্তান নিয়ে আসছে আমাদের ওপর হামলা করার জন্য। আমাদের একটাই অপরাধ আমরা গাছ ভালোবাসি। তাই শখ করে গাছ লাগিয়েছিলাম। আমরা তো অন্যের জায়গায় গাছ লাগাই নাই।

আমরা আমাদের অধিকার থেকে গাছ লাগাইছিলাম। আমার মা এই গাছগুলিরে নিজের সন্তানের মত যত্ন করে। আমরা গাছগুলোকে নিজের সন্তানের মত ভালোবাসতাম। মানুষ কীভাবে এতটা নিচে নামতে পারে? গাছ তো তাদের কোনো ক্ষতি করে নাই। পুরা ছাদই তো ফাঁকা।’

এই মাগরিবের আযানের সময়, ওনার মাথায় সুন্নতি হিজাব কিভাবে পারলো এই ধরন্ত গাছগুলি কেটে ফেলতে। এর হয়তো কোনো বিচার হবে না। তবে আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। আল্লাহই বিচার করবে। আপনারা এই পোস্ট প্লিজ একটু শেয়ার করবেন।

সুমাইয়া হাবিব বলেন, আমাদের তারা হিংসা করত। আমাদের এখানে দুইটা ফ্ল্যাট আর তাদের একটা। আমরা গাছ লাগাইছি দেখে তাদের গা জ্বলত। তাদের ছেলে মস্তানি করে। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সেই ছেলে আমাদের গাছ ভেঙে ফেলত। একদিন তাদের উদ্দেশ্য করে বলছিলাম, যারা আমাদের গাছ ভাঙতেছে তাদের হাত যেন অবশ হয়ে যায়। এতেই হয়তো শত্রুতা করল।

Riaz_kalerkantho_pic.jpg

দেশব্যাপী যখন ভোলায় হিন্দু তরুণের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে মহানবী (সা.) ও ফাতেমা (রা.) সম্পর্কে ‘অবমাননাকর’ বক্তব্য ছড়ানোর পর সহিংস আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে গুজব ছাড়ানো মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ঠিক তখনই নিশ্চিন্তে এক মওলানার কাঁধে আরেক পুরোহিত ঘুমানোর ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার সিলেট থেকে ছাতক উপজেলার গোবিন্দগঞ্জে যাওয়ার পথে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় প্রায় আধা ঘণ্টা সিলেট কাজীর বাজার মাদরাসার মওলানা রিয়াজ আল মামুনের কাঁধে ঘুমান ওই পুরোহিত।

বিসিবির পরিচালক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়ে যায়।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, একজন হিন্দু ঠাকুর সিলেট থেকে গোবিন্দগঞ্জ যাবার পথে ক্লান্তিতে তার সহযাত্রী একজন মওলানার কাঁধে ঘুমিয়েছিলেন। একজন হিন্দু ঠাকুর মুসলিম আলেমের কাঁধে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারেন এই হলো আমাদের বাংলাদেশ।

অন্যের আইডি হ্যাক করে পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটুক্তিকারী দুই নরপশু ইমন ও শরীফ ওরফে শাকিলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।