সারাদেশ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

obaidul-kader-218903.jpg

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরীক্ষায় ২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা মানুষকে বিস্মিত করেছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দ্রুততার সাথে তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনা সরকার কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেয়নি। ভবিষ্যতেও দিবে না।

ওবায়দুল কাদের রবিবার (১২ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তাদের এমন প্রতারণায় দেশের মানুষ বিস্মিত। শেখ হাসিনার সরকার কোন অন্যায়কারীকে ছাড় দেয়নি, ভবিষ্যতেও দিবে না।’

এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষ করারও আহ্বান জানান তিনি। জণগণের জীবন-জীবিকার উপর সরকারের কোন দায়িত্ব নেই বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জীবন ও জীবিকার চাকা সচল রাখতে শেখ হাসিনা সরকার যখন নানামুখী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, তখন বিএনপি সমালোচনা করেছিল কেন? লকডাউনের জন্য চাপ তৈরি করে মির্জা ফখরুল সাহেব এখন জনগণের জীবিকার কথা বলছেন।

বিএনপির সুবিধাবাদী রাজনৈতিক চরিত্র এবং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ইতিমধ্যেই জনগণের কাছে পরিষ্কার হয়ে গেছে। বিএনপি বিষোদগার ছাড়া এ সংকটে জাতিকে কিছুই দিতে পারেনি।’

shahed34.jpg

রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম প্রতারণার অভিনব সব কৌশল রপ্ত করেছিলেন।

তার প্রতারণার লক্ষ্য শুধু ‘টাকা কামানো’ ছিল না; যশ ও খ্যাতির জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও কর্মকাণ্ডে তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছিলেন। এসব পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি ছিল।

তার রাজনৈতিক অভিলাষও ছিল। তার অন্যতম লক্ষ্য ছিল এমপি (সংসদ সদস্য) হওয়া।

এ জন্য ঢাকা থেকে মনোনয়ন ‘ম্যানেজ’ করে এলাকায় (সাতক্ষীরা) তিনি নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।

প্রকাশ্যে প্রচারে না গেলেও সুকৌশলে তিনি কাজ করছিলেন।

এদিকে, রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযানের ছয় দিন পরও সাহেদ অধরা রয়ে গেছেন।

রোববার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রিজেন্টের সাহেদ করিমের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। না হলে গ্রেফতার হতে হবে।

রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ করিমের পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়।

স্কুলজীবনের পর তিনি সাতক্ষীরা ছাড়ায় এলাকার অধিকাংশ মানুষই তার সম্পর্কে জানতেন না।

পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি সপরিবারে ঢাকা চলে যান। সম্প্রতি রিজেন্ট হাসপাতালে পরীক্ষা ছাড়া করোনাভাইরাসের ভুয়া রিপোর্টসহ সাহেদের নানা অপকর্মের বিষয়টি উঠে আসে।

এতে সাতক্ষীরায় আলোচনার কেন্দ্রে আসে তার নাম। সাহেদের উত্থান নিয়েও উঠে আসে নানা তথ্য। জানা যায় তার রাজনৈতিক অভিলাষের কথা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাহেদের মা সাফিয়া করিম ২০১০ সালে মৃত্যুর আগপর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

এ পরিচয় কাজে লাগিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ দিয়ে সাহেদ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন।

অথচ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কখনোই তার অংশগ্রহণ ছিল না।

এরপরও ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের হয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর) আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। সেদিন ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

জানা গেছে, সে সময় সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের ১৪ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দেন।

তাদের সবার নাম জানা গেলেও সাহেদ করিমের নাম ছিল অনেকটা অনুচ্চারিত।

ঢাকায় মনোনয়ন ফরম জমাদানের সময় সাতক্ষীরার আওয়ামী লীগ নেতারা জানতে পারেন সাহেদও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে তখন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়। যদিও তিনি মনোনয়ন পাননি।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, সাহেদ মূলত ঢাকা থেকে মনোনয়ন ‘ম্যানেজ’ করতে চেয়েছিলেন।

এ জন্য তিনি বিভিন্নভাবে ‘টাকাও ছড়িয়েছেন’।

এলাকায় কোনো প্রচার না করে ও নেতকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না রেখেও তিনি ক্ষমতা ও টাকার দাপটে মনোনয়ন ফরম তুলেছিলেন।

তাদের ধারণা, সাহেদ অনেক আগে থেকে এমপি হওয়ার ‘ধান্দায়’ ছিলেন।

কারণ, কোথাও কোনো প্রচার না থাকলেও তিনি এলাকায় তার পছন্দের একটি অংশের সঙ্গে ভেতরে ভেতরে যোগাযোগ রাখতেন।

এমনকি নিজেকে মানবিক প্রমাণে ও এলাকায় ‘নাম ছড়াতে’ ঢাকার রিজেন্ট হাসপাতালে সাতক্ষীরার অনেককে বিশেষভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেন।

এ ছাড়া টেলিভিশন টকশোয় সাহেদের সবর উপস্থিতির পেছনেও বড় উদ্দেশ্য ছিল ‘বড় বড় কথা’ দিয়ে নিজেকে পরিচিত করে তুলে এমপি নির্বাচনের ক্ষেত্র তৈরি করা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সাহেদ করিম জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো সদস্য তো নন।

আওয়ামী লীগ সেজে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, আসলে মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা দেয়ার সময় থাকে খুবই কম।

সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীরা আসেন। সে জন্য তখন সেভাবে বাছ-বিচার করে দেখার সুযোগ থাকে না। আর প্রতারকরা এ সুযোগটিই কাজে লাগায়।

তিনি বলেন, সাহেদের কোনো দল নেই। এরা প্রতারক, বাটপার, চিটার, অমানুষ।

এদের হাত থেকে দেশকে বাঁচাতে হবে। বিশ্বে এরা বাংলাদেশের মান-মর্যাদা নষ্ট করে দিচ্ছে। সাহেদের কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার।

এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি তার হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কখনও কোনো প্রতারক কোনো রাজনৈতিক দলে অনুপ্রবেশের চিন্তাও না করে।

তিনি আরও বলেন, মাঠের কর্মীরা কখনও দলের ক্ষতি করেন না।

এ ধরনের ব্যবসায়ী, আমলা, প্রতারকরা বিভিন্ন সময়ে দলের ক্ষতি করে। এদের ব্যাপারে আগামীতে আমরা আরও কঠোর হব।

এদের তালিকা হবে। শাস্তির আওতায় আসতেই হবে। এটি নেত্রীর নির্দেশনা।

অধরা সাহেদ, ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছেন : উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযানের ছয় দিন পরও অধরা রয়ে গেছেন সাহেদ।

সাহেদ দেশে আছেন কি না, সেটা নিয়েও অনেকের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রগুলো বলছে, ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছেন ধূর্ত সাহেদ।

তাকে আটকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে র‌্যাব ও পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। সাতক্ষীরায়ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ সাহেদ করিমের খোঁজে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।

সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে চলছে বিশেষ নজরদারি। সাহেদ দেশ ছেড়েছে এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

সাহেদের ঘটনা তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা এ বিষয়ে বলেন, আমাদের সীমান্তের বাস্তবতায় দেশ ত্যাগ করাটা অসম্ভব কিছু নয়।

তবে আমরা লেগে আছি। এত সহজে সে পার পাবে না।

সাহেদের আটকের বিষয়ে র‌্যাবের মুখপাত্র এবং আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাহেদ ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছেন। গ্রেফতারের ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছি।

সে যাতে দেশ ছাড়তে না পারে, সে জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উত্তরার অফিস থেকে পাসপোর্টও জব্দ করা হয়েছে।

আশা করছি, আটকের বিষয়ে শিগগির তথ্য দিতে পারব। এ বিষয়ে র‌্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সফিউল্লাহ বুলবুল বলেন, আমরা তাকে গ্রেফতারে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারিও।

সাহেদের বিদেশে পালানোর কোনো সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রিজেন্টের সাহেদ করিমের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। না হলে গ্রেফতার হতে হবে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বলেন, সাহেদ কোথায় সেটা সাহেদই জানে। তার উচিত আত্মসমর্পণ করা। সাহেদকে র‌্যাব-পুলিশ খুঁজছে।

আশা করি, খুব শিগগির তার গ্রেফতারের বিষয়টি আপনাদের জানাতে পারব।

সাহেদ কী ধরনের অন্যায় করেছেন সেগুলো তদন্ত হচ্ছে। প্রতিবেদন পেলে আপনাদের জানাতে পারব।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল বলেন, সাহেদ যাতে সীমান্ত পেরিয়ে যেতে না পারে সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

উত্তরা থানা সব সময় সাহেদকে শেল্টার দিয়েছে এগুলো সরকার আমলে নিচ্ছে কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি উদ্ঘাটনের পর কেউ তাকে শেল্টার দেয়নি।

আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তার অপরাধ বের করেছে। তাকে অবশ্যই আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

একই স্থানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, সাহেদ গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

নানা অনিয়ম, প্রতারণা, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ, করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্ট, চিকিৎসায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়, উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

এরপর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন হাসপাতালের মালিক সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে র‌্যাব।

সূত্রঃ যুগান্তর

Sahajalal-Majar.jpg

নীরবে সম্পন্ন হল হযরত শাহজালাল (র.) মাজারের ওরস। মহামারী করোনার কারণে ওরসের সাতশ’ বছরের ইতিহাসে ব্যতিক্রম ঘটল এবার।

রোববার ভোরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল গত শনিবার শুরু হওয়া ওরস।

লাখো লাখো ভক্ত-আশেকানের ঢল থাকার কথা ছিল মাজার ছাড়াও পুরো নগরীতে। অথচ এসবের কিছুই নেই এবার সিলেট নগরীতে।

মাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরে গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাজারে প্রথম গিলাফ ছড়ানো হয়।

মাজারের মোতোয়ালি ফতেহ উল্লাহ আল আমান সরকুম গিলাফ ছড়ানোতে নেতৃত্ব দেন। পরে দিনভর ভক্ত-আশেকরাও মাজারে গিলাফ ছড়ান।

তবে এ সময় অন্যান্য বছরের মতো বিপুলসংখ্যক লোক একসঙ্গে গিলাফ ছড়াতে মাজারে আসেননি।

দেশের ভিআইপিদের পক্ষেও কাউকে গিলাফ নিয়ে আসতে দেখা যায়নি।

এবার ওরসের আগেই মাজার কর্তৃপক্ষ ভক্ত ও আশেকানদের মাজারের ওরসে ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

মাজার এলাকায় যাতে লোকজনদের ভিড় না থাকে সে বিষয়ে সচেষ্ট ছিল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও।

birth-certificate.jpg

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা সংকটের কারণে বন্ধ থাকা জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদান প্রায় তিন বছর পর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রোববার দুপুরে জেলা আইন-শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন।

দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জেলা আইন-শৃংখলা কমিটির এক ভার্চুয়াল সভা (অনলাইন মিটিং) অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বন্ধ থাকা জন্মনিবন্ধন সনদ প্রদান প্রক্রিয়া যাচাই-বাছাই পূর্বক চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সিদ্ধান্ত আকারে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কাছে নির্দেশনা নিয়ে এক চিঠি প্রেরণ করা হবে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

গত ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানামারের রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংহিসতার পর দেশটির সামরিক বাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে আশ্রয় নেয় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা।

এর আগে বিভিন্ন সময়ের সহিংসতার ঘটনায় আশ্রয় নিয়েছিল অন্তত ৫ লাখ রোহিঙ্গা। আশ্রয় নেয়া এসব রোহিঙ্গাদের অনেকে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের নাগরিক সনদ সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছিল।

এর প্রেক্ষিতে গত ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর প্রশাসন কক্সবাজার জেলায় জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়।

goverx.jpg

মাঠ প্রশাসনের ১৪ সিনিয়র সহকারী সচিবকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করেছে সরকার।

রোববার (১২ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব বেগম নাহিদা পারভীনকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দিনাজপুর জেলা বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইয়ামিন হোসেনকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেগম তাহমিনা আক্তার রিনাকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের নির্বাহী অফিসার, বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে সংযুক্ত সিনিয়র সহকারী কমিশনার মোছা. ইসরাত জাহানকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার হামিদুর রহমানকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পিরোজপুর সদর সহকারী কমিশনার ভূমি রামানন্দ পালকে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মো. সৈকত ইসলামকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক কার্যালয়েল সিনিয়র সহকারী কমিশনার সীমা শারমিনকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একরামুল ছিদ্দিককে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জামালপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার এসএম মাজহারুল ইসলামকে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ফরিদপুর সহকারী কমিশনার ভূমি মো. রাফিউল আলমকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, লালমনিরহাট পাটগ্রামের সহকারী কমিশনার ভূমি দীপক কুমার দেব শর্মাকে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নওগাঁ সদরের সহকারী কমিশনার বেগম টুকটুক তালুকদারকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

corona-virus-209235.jpg

ব্যর্থতার দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষা স্থগিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- কেয়ার মেডিক্যাল, শাহাবুদ্দিন মেডিক্যাল, অথেনটিক, থাইরোকেয়ার ও স্টেমজ হেলথকেয়ার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, অনুমোদনের পরেও পরীক্ষা শুরু করতে ব্যর্থ হওয়ায় অনুমোদন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো।

পুরনায় অনুমোদন নিতে হলে নতুন করে আবেদন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্টরা সরেজমিনে দেখে পুনঃঅনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহা-পরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘এর মধ্যে হাসপাতালও আছে, ডায়গনেস্টিক সেন্টারও আছে।

কেয়ার মেডিক্যাল, শাহাবুদ্দিন মেডিক্যাল, অথেনটিক ডায়গনেস্টিক সেন্টার ঢাকার বাহিরে চট্টগ্রামে।’

shahed-crime-up-jpg22-223033.jpg

ভাড়া করা চালক পথচারীকে আহত করে জোর করে রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো, এরপর চালককে দেয়া হতো কমিশন।

শুধু দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা প্রতারণাই নয়। ভাড়া করা চালক দিয়ে রাস্তায় সাধারণ মানুষকে আহত করে রিজেন্ট হাসপাতালে জোর করে ভর্তি করানো হতো। আর আহত রোগী আনলে প্রত্যেক চালককে দেয়া হতো কমিশন।

ভুক্তভোগীরা বলছেন, হাসপাতালে আসলেই আইসিইউতে নিয়ে বড় অঙ্কের বিল ধরিয়ে দেয়া ছিলো সাহেদের বড় প্রতারণা।

উত্তরার রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয় ও হাসপাতাল থেকেই নিজের সকল অপকর্ম চালাতেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ।

বাইরে থেকে দেখে বোঝা না গেলেও ভবনটিতে ছিল তার নিজস্ব টর্চার সেল।

ভবনের বিভিন্ন স্থানে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়েই সমস্ত অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি।

এতদিন ভয়ে কেউ কথা না বললেও অভিযানের পর থেকেই সাহেদের অপকর্মের নানা তথ্য দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

বলছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলো কিছু পেশাদার চালক।

যাদের প্রধান কাজ রাস্তায় সাধারণ মানুষকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দিয়ে আহত করা। পরে, তাকে জোর করে রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।

এমনকি সামান্য আহত ব্যক্তিকেও জোর করে আইসিইউতে ভর্তি করিয়ে লক্ষাধিক টাকা বিল করা হতো।

টাকা দিতে না পারলে রোগীকে মেরে ফেলার অভিযোগও আছে।

মামলার তদন্ত করতে গিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে বেশকিছু গোপন নথি। যেখানে আগে থেকেই ঠিক করা থাকতো মানুষভেদে করোনার পজিটিভ নেগেটিভ রিপোর্ট।

ভবন থেকেই উদ্ধার করা হয় সাহেদের পাসপোর্ট ও নষ্ট করে ফেলা কম্পিউটারের হার্ডডিক্স।

এছাড়া, বিভিন্ন ব্যাংকের চেকে ভিন্ন ভিন্ন সাইনও থাকতো তার।

উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার নাবিদ কামাল শৈবাল বলেন, ‘সাহেদের বিরুদ্ধে আমরা আরো কিছু অভিযোগ পেয়েছি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে, তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এছাড়াও, উত্তরাকেন্দ্রিক বিউটি পার্লার ও ম্যাসাজ সেন্টারের আড়ালে চলা অনৈতিক ও অসামাজিক কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গেও সাহেদের সখ্য রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

DG-Abul-Kalam-Azad.jpg

রিজেন্ট হাসপাতালের করোনা পরীক্ষার জালিয়াতির ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপানোয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকে শোকজ করা হয়েছে।

এ কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব  মো. আব্দুল মান্নান।

গতকাল শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দাবি করেছে, কোভিড নাইনটিন চিকিৎসায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি গ্রুপের প্রতারণার শিকার হয়েছে।

namaz4.jpg

করোনা ভাইরাসের কারণে আসন্ন ঈদুল আযহায় ঈদের জামাত উন্মুক্ত মাঠের পরিবর্তে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিকটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (১২ জুলাই) অনলাইনে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ জুলাই বা ১ আগস্ট মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

এর আগে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গত ২৫ মে সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হয়।

অন্যান্য বছর ঈদের জামাত ঈদগাহে হলেও এবার মসজিদে নামাজের আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া সামাজিক দূরত্ব রেখে নামাজ আদায়, নামাজ শেষে কোলাকুলি এবং হাত না মেলাতে বলা হয়।

নামাজ শেষে করোনা থেকে মুক্তি পেতে বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে।

mango-export-223487.jpg

এ মৌসুমে আমের প্রথম চালান রপ্তানি করা হচ্ছে ইউরোপের দেশ সুইজারল্যান্ডে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রোববার( ১২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তিনি লিখেছেন, রাজশাহীর আম’ রপ্তানি শুরু করলো North Bengal Agro Farm Ltd. প্রথম চালান সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে আজ সন্ধ্যায়।

” শাহরিয়ার আলম আশা প্রকাশ করেন, প্রথম চালানের সব ঠিকঠাক থাকলে রপ্তানি অব্যাহত থাকবে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এইবছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে সামনের ২০২১ এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে নর্থ বেঙ্গল এগ্রো ফার্ম।

এইবছর ১০০ টন লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হলেও বিভিন্ন কারণে তা হয়তো সম্ভব হবে না।

তিনি আরও জানান, তবে সামনের বছরে রাজশাহীর নিজস্ব বা সরকারিভাবে স্থাপিত হবে ফলমূলের কোয়ারেন্টাইন এবং প্রক্রিয়াজাতকরন কেন্দ্র।

যা আম বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীর ব্যবহার করতে পারবেন।

রাজশাহীর আমের সুনাম থাকায় দেশের বাইরেও চাহিদা আছে। বেশকয়েক বছর ধরে রপ্তানিও হচ্ছে।

তবে রপ্তানি সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। সরকারি সহায়তা পেলে আমের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন বাগান মালিকরা