সারাদেশ Archives - Page 2 of 325 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

kustia-20191111153105.jpg

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় মসজিদে নামাজরত মুয়াজ্জিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১০ নভেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হিজলাবট জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. এমদাদুল ইসলামের (৬০) ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার সময় মুয়াজ্জিন মসজিদের ভেতরে তাহাজ্জুতের নামাজ আদায়রত অবস্থায় ছিলেন। আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মুয়াজ্জিন মো. এমদাদুল ইসলাম বলেন, ফজরের আজানের কিছুটা সময় বাকি থাকায় আমি তাহাজ্জুতের নামাজে দাঁড়াই। এমন সময় পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমাকে আঘাত করা হয়। এ সময় চিৎকার করলে কালো জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তি পালিয়ে যায়। তবে ওই ব্যক্তি এক জোড়া স্যান্ডেল ফেলে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ওসমানপুর ইউনিয়নের হিজলাবট জামে মসজিদে ৫০ বছর ধরে মুয়াজ্জিন হিসেবে বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করছেন এমদাদুল ইসলাম।

ওসমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, আহত মুয়াজ্জিন এমদাদুল ইসলামকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সৎ মানুষ। সারাজীবন মসজিদ নিয়ে পড়ে আছেন তিনি। তার ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, মুয়াজ্জিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তার একটি ক্ষতে প্রায় ১৭টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

খোকসা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান বলেন, সোমবার সকালে খবর পেয়ে ওই এলাকায় যাই। আহত মুয়াজ্জিনকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

sp-20191111163450.jpg

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে পুলিশ। এরই মধ্যে বুলবুলের তাণ্ডবে ভেঙে পড়া গাছ রাস্তা থেকে অপসারণ, ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর মেরামত ও দুর্যোগকবলিতদের ত্রাণ দিয়েছে পটুয়াখালী জেলা পুলিশ।

রোববার (১০ নভেম্বর) সকাল থেকে সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মইনুল হাসানের নেতৃত্বে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর মেরামত করে দেয়ার পাশাপাশি ত্রাণ দেয়া হয়।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদীপ এলাকার বাসিন্দা অসহায় করিমন ভানু বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে আমার ঘর ভেঙে মাটিতে পড়ে যায়। রোববার বিকেলে পুলিশ এসে আমার ভাঙা ঘর তুলে দিয়েছে। আমার ভাঙা ঘরটি তুলে দেয়ার জন্য পুলিশের জন্য দোয়া করছি।

রাঙ্গাবালী উপজেলার বাসিন্দা সুশীল চন্দ্র বলেন, চোরের ভয়ে সাইক্লোন শেল্টারে যেতে চাইনি আমরা। পরে পুলিশ এসে জানায় পুলিশ সুপার আমাদের বাড়িঘরের নিরাপত্তায় থাকবেন। পরে আমরা সব কিছু রেখে সাইক্লোন শেল্টারে চলে যাই। সোমবার সকালে বাড়ি এসে দেখি পুলিশ আমাদের বাড়ির সামনে পাহারায় বসে আছে।

দুমকি উপজেলার বাসিন্দা সিহাব বিশ্বাস বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে রাস্তাগুলোতে প্রচুর গাছ ভেঙে পড়েছিল। সাইক্লোন শেল্টার থেকে ফেরার পথে দেখি ভেঙে পড়া গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার করছেন পুলিশ সদস্যরা। ওই সময় পুলিশ সুপার স্যারও উপস্থিত ছিলেন। গাছ সরিয়ে পুলিশ সুপারকে রাস্তা পরিষ্কার করতে দেখে আমরা অবাক হয়েছি। পুলিশের এত বড় একজন কর্মকর্তা রাস্তায় কাজ করছেন ভাবতেই আশ্চর্য লাগে।

দশমিনা উপজেলার বাসিন্দা মোটরসাইকেল চালক রফিক মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে সড়কের ওপর অনেক গাছ উপড়ে পড়ে যায়। রোববার বিকেলে রাস্তায় গিয়ে দেখি গাছ কেটে সড়কে যান চলাচল সচল করছে পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসান বলেন, বুলবুল মোকাবিলায় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা ও সড়কে উপড়ে পড়া গাছ সরিয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা সচল কার্যক্রম চালানো হয়। আগে থেকেই জেলার প্রতিটি থানায় বিশেষ টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমে যায় পুলিশের বিভিন্ন টিম। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে যাওয়া গাছ অপসারণ, ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘর মেরামত, সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণ, সাধারণ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্র থেকে পুনরায় নিজ বাড়িতে নিরাপদে পৌঁছে দেয়া, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা, হাসপাতালে ভর্তি ও সড়ক মেরামতসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে পুলিশ। সুন্দরভাবে পুলিশ দায়িত্ব পালন করায় কোথাও কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেনি।

ok-20191112004559.jpg

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে বিধ্বস্ত সাতক্ষীরার উপকূল এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। তছনছ হয়ে গেছে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজার মানুুষের ঘরবাড়ি। দিশেহারা উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা। সবাই এখন নিজের শেষ আশ্রয়টুকু সংস্কার কাজে ব্যস্ত।

উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নও বিধ্বস্ত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে। আশ্রয়হীন মানুষগুলো এখন আশ্রয়স্থল বানাতে ব্যস্ত।

এই ইউনিয়নের পাতাখালি গ্রামে অবস্থিত ফরমান আলি হাফিজিয়া মাদরাসা। ঝড়ে মাদরাসার টিন উড়ে গেছে।

সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে গিয়ে দেখা যায়, ২০ জন শিশু কুপির আলোতে কোরআন তিলাওয়াত করছে। দূর থেকে তাদের কোরআন তিলাওয়াতের শব্দ শোনা যায়।

বুলবুলে উড়ে গেছে টিনের চাল, ভেতরে এতিম শিশুদের কোরআন তিলাওয়াত

বুলবুলে উড়ে গেছে টিনের চাল, ভেতরে এতিম শিশুদের কোরআন তিলাওয়াতঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে বিধ্বস্ত সাতক্ষীরার উপকূল এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। তছনছ হয়ে গেছে উপকূলীয় এলাকার ৫০ হাজার মানুুষের ঘরবাড়ি। দিশেহারা উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা। সবাই এখন নিজের শেষ আশ্রয়টুকু সংস্কার কাজে ব্যস্ত।উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নও বিধ্বস্ত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে। আশ্রয়হীন মানুষগুলো এখন আশ্রয়স্থল বানাতে ব্যস্ত। এই ইউনিয়নের পাতাখালি গ্রামে অবস্থিত ফরমান আলি হাফিজিয়া মাদরাসা। ঝড়ে মাদরাসার টিন উড়ে গেছে। সোমবার (১১ নভেম্বর) রাতে গিয়ে দেখা যায়, ২০ জন শিশু কুপির আলোতে কোরআন তেলোওয়াত করছে। দূর থেকে তাদের কোরআন তেলাওয়াতের শব্দ শোনা যায়।

Geplaatst door jagonews24.com op Maandag 11 november 2019

একই গ্রামের বাসিন্দা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা ইউপি সদস্য জাহানারা খানম বলেন, বুলবুলের আঘাতে সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে কয়েক হাজার মানুষ। ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন পথে বসেছে অনেকেই। পুরো এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নিম্ন পরিবারের মানুষরা পড়েছেন বিপাকে। কেউবা কুপির আলোয় আবার কেউবা মোমবাতির আলোতে রাতের কাজকর্ম সারছেন। পার্শ্ববর্তী মাদরাসার ছাত্ররা কুপির আলোতে কোরআন তিলাওয়াত করছে।

তিনি বলেন, এই মাদরাসায় ২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে মাদরাসার টিনের চাল উড়ে গেছে। এদের মধ্যে কেউ এতিম আবার কারো কারো মা-বাবা থাকলেও অসহায়।

সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রভাষক ও স্থানীয় বাসিন্দা ইদ্রিস আলী বলেন, বেড়িবাঁধ নষ্ট না হওয়ার কারণে অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে রাতে সমস্যায় পড়ছে উপকূলীয় মানুষ। ঝড়ে ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়া, বৃষ্টির পানিতে ফসল ও মাছের ঘের নষ্ট হয়েছে।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সন্তোষ কুমার সাহা জাগো নিউজকে বলেন, এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। দুর্যোগের পরে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া যেসব স্থানে এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি সেগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যেই চালু করা হবে।

স্বৈরাচার এরশাদের আবর্জনাদের আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা মন্ত্রী বানিয়েছেন এমনটি অভিযোগ করে কমিউনিউস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, শহীদ নূর হোসেন নিয়ে করা জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার বিচার চেয়ে কী লাভ?

সেলিম বলেন, ‘এই সরকারের কাছে কোনো সংসদ সদস্যের পদত্যাগ চাওয়ারও সুযোগ নেই। কারণ, আমরা জানি, কোনো ন্যয্য দাবিকে সমর্থন করতে ভয় পায় সরকার।’

শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে করা সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গা সম্প্রতি যে মন্তব্য করেছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় বামপন্থি এই রাজনৈতিক এসব কথা বলেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন যেদিন নিহত হন সেদিন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমও মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

সেলিম বলেন, ‘স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর তিনটি জোট একটি ঐক্যমতে পৌঁছেছিলাম যে, আমরা এরশাদের অনুসারী এবং তার দলের সঙ্গে কোনোদিন আপস করব না। ওইদিন যে ঐক্যমত্য করা হয়, তার ড্রাফট লিখেছিলাম আমি নিজে। ওই চুক্তিতে আমি সাক্ষী।

তিনি বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য যে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন উভয় জোটই জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তারা এরশাদের সঙ্গে জোট করেছে, যার হাতে নুর হোসেনের রক্ত। অথচ এই রক্তের ওপর ভর করেই খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছে। আর ক্ষমতায় এসে তারা এরশাদকেই বারবার পুনর্বাসন করেছে।’

রাঙ্গা সমালোচনা করে সেলিম বলেন, ‘নূর হোসেনের নাম শুনলে তারা ভয় পায়। আঁতকে ওঠে। এ কারণেই রাঙা বেফাঁস মন্তব্য করেছেন। রাঙার মতো মানুষ নূর হোসেনকে মূল্যায়ন করার ক্ষমতা রাখে না।’

তিনি বলেন, ‘তার পদত্যাগ চাওয়ার সুযোগ আওয়ামী লীগ রাখেনি। এক স্বৈর শাসক আরেক স্বৈরচারের আবর্জনাকে আগলে রেখেছে।’

অপরাধের কারণে কারো পদত্যাগ চাওয়াও এখন নিরাপদ নয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্যের দুর্নীতি সবার মুখে মুখে। অথচ প্রধানমন্ত্রী অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে কথা বলছেন। সরকার প্রধান এমন অবস্থান নিলে কে কার পদত্যাগ চাওয়ার সাহস রাখে! যোগ করেন, সেলিম।

গণতন্ত্রের আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনের আত্মদানের দিন রোববার যখন তাকে স্মরণ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন, সেদিনই জাতীয় পার্টির এক অনুষ্ঠানে রাঙ্গাঁর বিতর্কিত এই বক্তব্য আসে।

উল্লেখ্য, রোববার ঢাকার বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাঙা বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মাদকাসক্ত নূর হোসেনকে পেছন থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদকে হটাতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বামসহ দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে ১৯৮৭ সালে ঢাকা অবরোধের কর্মসূচি দিয়েছিল; সেদিন পুলিশের গুলিতে নিহত হন পরিবহন শ্রমিক নূর হোসেন।

barishal-20191112000840.jpg

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভোলার ইলিশা মেঘনা নদীতে ট্রলার ডুবির একদিন পর নিখোঁজ আরও ৯ জেলের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর চর এলাকার মেঘনা নদী থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারসহ এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় জেলেরা ওই এলাকার মেঘনা নদীতে একটি ট্রলারের এক অংশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে মেহেদীগঞ্জ থানার পুলিশ ওই ট্রলারটিকে উদ্ধার করলে ট্রলারের কেবিন থেকে ৯ জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ট্রলার ডুবিতে নিহতরা হলেন- চরফ্যাশনের দুলার হাট এলাকার কামাল দালাল (৩৫), আব্বাস মুন্সি (৪৫), হাসান মোল্লা (৩৮), রফিক বিশ্বাস (৫৫), নুরনবী বেপারী (৩০) মফিজ মাতুব্বর (৩৫) নজরুল ইসলাম (৩৫), কবির হোসেন (৪০) ও মো. বিল্লাল (৩২)।

উল্লেখ্য, রোববার (১০অক্টোবর) চাঁদপুর জেলার মৎস্যঘাট থেকে মাছ বিক্রি করে থেকে উত্তাল মেঘনা নদী দিয়ে চরফ্যাশন উপজেলা আব্দুল্লাহপুর আসছিল ২৪ জেলে। দুপুরের দিকে ইলিশা মেঘনা নদীতে প্রবল স্রোতে ট্রলারটি ডুবে যায়। এরপর ১০ জন জেলেকে জীবিত ও একজনের লাশ উদ্ধার করা হয় ওই দিন। পরে ১৩ জেলে নিখোঁজ থাকে। আজ আরও ৯ জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়। এখনও নিখোঁজ ৪ জেলে।

benapole-custom-churi-05-20191111205207.jpg

বেনাপোল কাস্টস হাউজের নিরাপদ গোপনীয় লকার ভেঙে সোনা, ডলারসহ মূল্যবান পণ্য সামগ্রী চুরি গেছে। দুর্ধর্ষ চুরি উদঘাটনে পোর্ট থানাসহ র‌্যাব, ডিবি, সিআইডি (ক্রাইম সিন) ও পিবিআই ঘটনাস্থলে তদন্তকাজ শুরু করেছে।

গত শনিবার (৯ নভেম্বর) অফিস করার পর রোববার সরকারি ছুটি থাকায় কেউ অফিসে ছিলেন না। সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে অফিস খুললে চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে কাস্টম পাড়ায়। কি পরিমাণ মালামাল খোয়া গেছে তা কাস্টমের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভোল্ট ইনচার্জসহ পাঁচজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

কাস্টম সূত্র জানায়, কাস্টম হাউজের পুরনো ভবনের দ্বিতীয় তলায় গোপনীয় একটি কক্ষে তালার পর লোহার লকার ভেঙে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, ডলার ও টাকাসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র নিয়ে গেছে চোর। সেই কক্ষে প্রবেশ করার পূর্বে সংঘবদ্ধ চোর চক্র সিসি ক্যামেরার সবগুলো সংযোগ কেটে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেখান থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে বলে কাস্টম সূত্রটি দাবি করে। ওই লকারে কাস্টম, কাস্টম শুল্ক গোয়েন্দা, বিজিবি ও পুলিশের উদ্ধারকৃত স্বর্ণ, ডলার বৈদেশিক মুদ্রা, কষ্টিপাথরসহ মূল্যবান দলিলাদি ছিল।

সোমবার সকালে ওই লকারের তালা ভাঙা দেখে চুরি হয়েছে বলে আশঙ্কা করেন কাস্টম কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে কাস্টমের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা। তারপর ওই স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বাইরের কাউকে সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। কি পরিমাণ সোনা টাকাসহ অন্যান্য মালামাল চোরেরা নিয়ে গেছে তারও কোনো হিসাব কেউ বলতে পারেনি। সর্বশেষ বিকেল ৫টা নাগাদ ডিবি, সিআইডি, পিবিআই, র‌্যাব ও বেনাপোল পোর্ট থানার কর্মকর্তারা ওই লকার রুমে প্রবেশ করেন। এ সময় হাত-পায়ের ছাপ নির্ণয় করার সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসবির এএসপি তৌহিদুল ইসলাম, ইন্সপেক্টর সৈয়দ মামুন হোসেন, র‌্যাব কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, আতিকুর রহমান, বেনাপোল কাস্টম হাউজের যুগ্ম কমিশনার শহিদুল ইসলাম, এআরও জিএম আশরাফ, বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ওসি মামুন খান প্রমুখ। তারা যৌথভাবে তদন্ত করছে। তদন্তের পর জানা যাবে কি পরিমাণ মালামাল সেখান থেকে চোরেরা নিয়ে গেছে।

স্থানীয়রা বলেন, কাস্টম হাউজে সিসি ক্যামেরায় সুরক্ষিত একটি সংরক্ষিত এলাকায় কীভাবে এ ধরনের দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটলো তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কাস্টম হাউজে নিজস্ব সিপাহিসহ আনসার ব্যাটালিয়নের একটি ইউনিটও নিরাপত্তার কাজে দায়িত্ব পালন করে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুন খান জানান, বেনাপোল কাস্টমের গুদামে বিকল্প চাবি ব্যবহার করে চুরির ঘটনা ঘটেছে। কি পরিমাণ পণ্য খোয়া গেছে তার গণনাকাজ চলছে। তবে সেখানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ছিল বলে জেনেছি। এখানে পুলিশ সুপার মঈনুল হকসহ সিআইডি ও পিবিআই কর্মকর্তারা তদন্ত কাজ চালাচ্ছেন।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের যুগ্ম কমিশনার শহিদুল ইসলাম বলেন, কি পরিমাণ অর্থ সম্পদ খোয়া গেছে এটা এ মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। খতিয়ান এর হিসাব মিলিয়ে আমরা বিস্তারিত জানাতে পারবো।

বেনাপোল কাস্টস হাউজের কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী জানান, কাস্টম এর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কড়াকাড়ি, ভায়াগ্রা চক্রের অপতৎপরতা ও কাস্টমস কমিশনারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার জন্য একটি চক্র এ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ভোল্ট ইনচার্জ সাহাবুল সরদারসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রেজিস্টার মেলানো হচ্ছে। গণনা শেষ না হলে বলা যাচ্ছে না কি পরিমাণ পণ্য খোয়া গেছে। এ ঘটনায় যুগ্ম কমিশনার মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

bnp-harun-20191111203148.jpg

এমপি হওয়ার পর শুল্কমুক্ত ব্যবস্থায় গাড়ি বিক্রি করে দেয়ার সুবিধা চেয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন-অর রশিদ। এই অনিয়মের কারণে সাতদিন জেল খাটেন বিএনপির এই নেতা।

তিনি বলেন, আমি অনুরোধ করব ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে এমপিদের গাড়ি কেনার সুযোগটা দেন। তাহলে পাঁচ বছর একটা গাড়ি ব্যবহারের পর গাড়িটা বিক্রি করলে অন্তত মূলধনটা সে ফেরত পাবেন।

সোমবার জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন।

শুল্কমুক্ত গাড়ি নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিক্রি করে দেয়ায় ৫ বছরের দণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান তিনি। এ মামলায় আরও দুজনকে সাজা দেয়া হয়। তারা হলেন- ব্যবসায়ী এনায়েতুর রহমান ও গাড়ি ব্যবসায়ী ইশতিয়াক সাদেক।

সারাদেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) অসাধারণ পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সারাদেশে যে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করেছেন এবং দেখা যাচ্ছে যে সেখানে আওয়ামী লীগেরই বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। ঠিক ওই রকম একটা মুহূর্তেই আমার সাজা হলো এবং এটা এতো ব্যাপকভাবে প্রচারিত হলো সারাদেশের মানুষের মধ্যে যে বিএনপির এমপি বলেই হারুনকে সাজা দেয়া হইছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ, উচ্চ আদালতে আমি আপিল করার সঙ্গে সঙ্গে অতি অল্প সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাই এবং সুপ্রিম কোর্টও আমাকে জামিন দেন।

তিনি বলেন, এমপিদের ১৯৮৮ সাল থেকে শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। একটি পত্রিকার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, পঞ্চম সংসদে ৩০১, সপ্তম সংসদে ১৭৬, অষ্টম সংসদে ৩৩১, নবম সংসদে ৩১৫টি শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি করা হয়েছিল।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, আমরা টাকা দিয়ে গাড়িটি আমদানি করি। ৯৬ সালে আমি যখন প্রথম এমপি হই, তার আগে আমি গাড়ি ব্যবহারকারী ছিলাম না। আমার কোনো ব্যক্তিগত গাড়িও ছিল না। এমপিদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের জন্য জাতীয় সংসদ এমপিদের এই সুযোগটি দিয়েছিল। এটি নিয়ে পত্রপত্রিকায় ঢালাওভাবে লেখালেখি হয়।

স্পিকারকে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, ইউরোপ আমেরিকা উন্নত বিশ্বে এক থেকে দেড়কোটি টাকা দিয়ে নগদে গাড়ি কেনা যায় না। তারা ব্যাংকের সুবিধা পায়। ডাউন পে-মেন্ট দিয়ে গাড়ি ক্রয় করে। আমি কারাগারে থাকা অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি কেনার সুবিধা দেয়া হয়েছে। সচিবরা গাড়ির অপব্যবহার করছে বলেও খবর দেখলাম।

তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ নেতা রয়েছেন, তারা তো রিকশায় করে গণভবনে যাবেন না। সচিবালয়ে তো রিকশায় যাবে না। আমি অনুরোধ করব ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে এমপিদের গাড়ি কেনার সুযোগটা দেন, তাহলে পাঁচ বছর একটা গাড়ি ব্যবহারের পর গাড়িটা বিক্রি করলে অন্তত মূলধনটা সে ফেরত পাবেন।

তিনি বলেন, আমি যে বিষয়টি বলতে চাই। যখন রায়টি হলো আমার এলাকায় দেখলাম কিছু ব্যক্তি আনন্দ উৎসব করল, রাতে পিকনিক করল। সারাদেশের মানুষ কিন্তু আমার জন্য দোয়া করেছে। আমি জেল থেকে মুক্ত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের অনেকে আমার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছেন। আমি তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে গাড়ি আমদানি পরিপত্র আছে, আমি যদি গাড়ি সত্যিকার অর্থে হস্তান্তর করে থাকি তখন আমাকে সমুদয় শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু এখানে জরিমানা বা জেলের কোনো সুযোগ নেই। আমি আশা করি, উচ্চ আদালত আমাকে এই বিষয়ে বিবেচনায় নিয়ে আসবেন।

মাননীয় স্পিকার আপনার কাছে আমি অনুরোধ করব এমপিদের যে সুযোগটি দেয়া হয়েছে, এমপিরা যেন গাড়ি কিনতে পারে, গাড়িটি ব্যবহার করতে পারে। এই বিষয়ে একটু চিন্তা-ভাবনা করবেন এবং মাননীয় সংসদ নেতাও রয়েছেন। অপব্যবহার যেন না হয়, চারমাস আগে আমাকে গাড়ি কেনার পারমিশন দিয়েছেন। কিন্তু ব্যাংকে আমার ১ কোটি টাকা নাই। আমি অবৈধভাবে কারও কাছ থেকে টাকা নিয়ে কিনতে পারি। কিন্তু আমি সেই জায়গায় যাবো না। আমি এই জন্য আপনার কাছে আন্তরিক সহযোগিতা চাই।

morium-20191111185124.jpg

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ নূর হোসেনকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা ‘ইয়াবাখোর’, ‘ফেনসিডিলখোর’ বলায় নূর হোসেনের মা মরিয়ম বিবি বলেন, রাঙ্গার বিচার জনগণের কাছে ছেড়ে দিলাম।

সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে রাঙ্গার বক্তব্যের প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে নূর হোসেনের পরিবার।

অবস্থান কর্মসূচিতে মরিয়ম বিবি বলেন, ‘রাজপথে নূর হোসেন বড়লোক হওয়ার জন্য নামে নাই। নামছে দেশের জন্য, জনগণের জন্য। নূর হোসেন যদি নেশাখোর হতো, তাহলে দেশের জন্য জীবন দিত না। কারণ, কোনো নেশাখোর দেশের জন্য জীবন দেয় না। যে লোক আমার ছেলেকে এই কথা বলেছে, তার বিচার জনগণের কাছে ছেড়ে দিলাম।’

নূর হোসেনের ভাই আলী হোসেন বলেন, দেশের জন্য প্রতিবাদ করে উনি যদি গাঁজাখোর, ইয়াবাখোর ও ফেনসিডিলখোর বলেন, তাহলে দেশের মানুষ কীভাবে প্রতিবাদ করবে। সে সময় দেশে স্বৈরাচার ভর করেছিল। ওই সময় আন্দোলন করে তাকে হঠানো হয়েছিল। ওই সময় অনেক লোক মারা গেছেন। এ বক্তব্যের মাধ্যমে সেই সময়ের শহীদদের এখন অপমান করা হলো। গণতন্ত্রের আন্দোলনে যারা মারা গেছেন, তাদের এত ছোট কেন করা হলো? জনগণের প্রতি আহ্বান জানাবো, রাঙ্গাকে বয়কট করা হোক। তার এমপি পদ কেড়ে নেয়া হোক।

এ বিষয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাই। রাঙ্গা জাতির কাছে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে জানান তিনি।

এ সময় নূর হোসেনের ভাই দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, বোন শাহনাজ বেগমসহ পরিবারের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

tekhnaf-5dc917a85759c.jpg

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া কিছু পর্যটক ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে টেকনাফে ফিরেছেন।

সোমবার বেলা ১২টার দিকে চারটি স্পিডবোট ও তিনটি কাঠের ট্রলার নিয়ে দেড় শতাধিক পর্যটক টেকনাফে পৌঁছায়।

এর মধ্যে কিছু স্থানীয় বাসিন্দাও রয়েছেন। এর আগে সকালে পর্যটকদের আনতে টেকনাফ থেকে তিনটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেয়। জাহাজ তিনটি এরইমধ্যে দ্বীপে পৌঁছেছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রলারে টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের জেটি ঘাটে পৌঁছান পর্যটক তৌহিদ আলম। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের পর আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক থাকায় আমরা বন্ধুরা মিলে কাঠের ট্রলারে করে এসেছি। দুইদিন দ্বীপে আটকা ছিলাম। দ্বীপটি সাগরে মাঝখানে হওয়ায় ভয়টা খুব বেশি কাজ করছিল। তবে সেখানকার প্রশাসন ও স্থানীয় লোকজন অনেক সহযোগিতা করেছেন। এখন ফিরতে পেরে খুব ভালো লাগছে।

তার মতে,  সকাল থেকে কাঠের ট্রলার ও স্পিডবোট নিয়ে দেড় শতাধিকের মতো পর্যটক ও স্থানীয় লোকজন টেকনাফ ফিরেছেন।

তিনি বলেন, আসার সময় নাফ নদীর মাঝখানে পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপের দিকে যেতে দেখেছি। আমাদের আনতে জাহাজ যাবে জানলে ট্রলার নিয়ে আসতাম না। কেননা সাগরে এখনও ঢেউ রয়েছে।

এ বিষয়ে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর আহমদ বলেন, চারটি  স্পিডবোট ও তিনটি কাঠের ট্রলারে কিছু লোক টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপ পৌঁছেছেন। দুপুরে দ্বীপে আটকা পড়া পর্যটকদের নিতে আসা জাহাজ পৌঁছেছে। তাদের ভালোমতো জাহাজে তুলে দেওয়া হবে। তাদের যাতে অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের ফিরিয়ে আনতে জাহাজ দ্বীপে পৌঁছেছে। বিকেলে তাদের নিয়ে টেকনাফে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে কিছু লোকজন ট্রলারে করে টেকনাফে এসেছেন বলে খবর পেয়েছি। জাহাজ পাঠানোর পরও কেন ট্রলারে করে লোকজন আসছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

turin-afroz-20190614232428.jpg

পেশাগত অশাদাচারণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজকে অপসারণ করা হয়েছে।

সোমবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) বিকাশ কুমার সাহা।