খেলাধুলা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

d212.jpg

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২০ সালের আসরে নতুন দুটি দল অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই নতুন দুই দলের যে কোনো একটির অধিনায়ক হতে পারেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।

এ ব্যাপারে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় স্পোর্টসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকট্রেকার। খবরে বলা হয়, অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানসহ পাঁচজন তারকা ক্রিকেটার।

গত কয়েক আসরে আইপিএলে ৮টি দল অংশ নেয়। তবে ২০১১ সালে কচি তুসকার কেরালা ও পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়াসহ মোট ১০টি দল অংশ নিয়েছিল।

আসন্ন আইপিএলেও ১০টি দল অংশ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন দুটি দল অংশ নিলে দুই দলের জন্য দুইজন অধিনায়কও প্রয়োজন হবে। নতুন দুই দলের সম্ভাব্য অধিনায়ক হওয়ার তালিকায় ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ইয়ন মরগানের সঙ্গে আলোচনায় আছেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ৬০৬ রান সংগ্রহের পাশাপাশি বল হাতে শিকার করেন ১১ উইকেট। বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার আইপিএলে দীর্ঘদিন ধরেই খেলে আসছেন।

নতুন দুই দলের সম্ভাব্য অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে আছেন ভারতীয় টেস্ট ব্যাটসম্যান করুন নায়ার।কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দীর্ঘদিন ধরে খেলা ওপেনার রবিন উথাপ্পা। আইপিএলে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে খেলা ভারতীয় সাবেক তারকা ক্রিকেটার পার্থিব প্যাটেলও আছেন।

cric777.jpg

ফিটনেস ক্যাম্পের প্রথম দিনে ক্রিকেটাররা হাসিমুখে শুরু করেন ফিটনেস টেস্ট। ফিটনেস কতটা ভালো অবস্থায় আছে, সেটি প্রমাণ করতে মাঝে যে কষ্টটা করতে হয় তাতে হাসি থাকার কথা নয়।

সোমবার (১৯ আগস্ট) পরীক্ষা বা ব্লিপ টেস্ট শেষে বাংলাদেশ দলের ট্রেনারও খুশি হতে পারেননি খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে। পরীক্ষা শেষে হাসিটা কোথাও যেন উধাও হয়ে যায় ক্রিকেটারদের।

ফিটনেস পরীক্ষায় সবচেয়ে ভালো করেছেন দীর্ঘ সময় পরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া জহুরুল ইসলাম। ব্লিপ টেস্টে পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১২.৩। পেসার আবু জায়েদও ১২.৩ পেয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২.২ পেয়েছেন ফরহাদ রেজা। ফরহাদ সবশেষ আন্তর্জাতিক খেলেছেন সাড়ে পাঁচ বছর আগে। লম্বা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা দুজন ক্রিকেটারের ফিটনেসে ভালো করলেও বাংলাদেশ দলের নিয়মিত ক্রিকেটাররা খুব একটা ভালো করতে পারেননি। সবারই নম্বর গড়ে ১০-১১।

মারিও বলছে, রানিং, স্কিল, স্ট্রেংথ ফিটনেসে কে কোথায় আছে সেটা জানতে হবে। যেখানে যেখানে কাজ করা দরকার সেখানে সেখানে কাজ করতে হবে। কিছু খেলোয়াড়ের ফিটনেস নিয়ে আরও কাজ করার দরকার, আবার যারা ভালো অবস্থায় আছে তাদের আরও উন্নতি করতে হবে।

kash44.jpg

কিছুদিন আগেই জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নিয়ে সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল ভারত। জরুরি অবস্থার সময় কাশ্মীরে টেলিভিশন, স্যাটেলাইট, টেলিফোন, মোবাইলফোন, বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেটসহ সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিশ্ব থেকে পুরো আলাদা হয়ে পড়েছিল কাশ্মীর।

ধীরে ধীরে সেই অবস্থা স্বাভাবিক হলেও এখনও পুরোদমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসেনি কাশ্মীরের উপত্যকায়।

পরিস্থিতি দিন দিন স্বাভাবিক হলেও বিশাখাপত্তমে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভিজি ট্রফির জন্য ক্রিকেটারদের খুঁজে পাচ্ছে না জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। যে কারণে প্রতিযোগিতা থেকে নাম তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহ বুখারি জানান, কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি ধীর ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনও যা অবস্থা, তাতে ভিজি ট্রফিতে দল পাঠানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

শাহ বুখারি আরও বলেন, সব থেকে বড় সমস্যা হলো ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। অ্যাসেসিয়েশনে সব ক্রিকেটারের ফোন নম্বর রয়েছে। তবে উপত্যকায় মোবাইল ফোন কাজ করছে না, তাই ক্যাপ্টেন পারভেজ রসুলসহ দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমরা কথা পর্যন্ত বলতে পারিনি। এমনকি আমরা জানি না রসুল এই মুহূর্তে কোথায় রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটারদের খোঁজ করার জন্য আমরা গাড়ি পাঠাতে পারতাম। তবে আমরা জানি না তাদের গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন। তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। যেহেতু এটা একটা স্থানীয় টুর্নামেন্ট। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) টুর্নামেন্ট নয়, তাই এই মৌসুমে ভিজি ট্রফিতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সূত্র: কলকাতা ২৮

m34r32.jpg

ম্যারাডোনা’র পর এবার একাই সাতজনকে কাটিয়ে গোল! ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ছয়জনকে কাটিয়ে শতাব্দীর অন্যতম সেরা গোল করেছিলেন আর্জেন্টিনার ‘ডিয়েগো ম্যারাডোনা’। এবার সেই স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন কলম্বিয়ার অনুর্ধ-২১ দলের এন্ডারসন ডিয়াজ। একাই সাতজনকে কাটিয়ে দুর্দান্ত গোল করলেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার কলম্বিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়া অনুর্ধ-২১ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপে একটি দুর্দান্ত গোলের দেখা মিলল। ১-১ সমতায় এগিয়ে চলছিল ম্যাচটি। তবে খেলার ৫৫ মিনিটে মাঝ মাঠ বরাবর বল পান নটর ডি সান্তানদারের এন্ডারসন ডিয়াজ।

অসাধারণ দক্ষতা এবং ক্ষিপ্রতায় ছয়জনকে বোকা বানিয়ে গোলরক্ষককে কাটিয়ে এবং সর্বশেষ আরও একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান এই কলম্বিয়ান ফুটবলার। যদিও ম্যাচে জয়লাভ করতে পারেনি এন্ডারসনের দল। তারপরও তাঁর করা গোলটিকে অনেকে ম্যারাডোনার সেই গোলের সাথেই তুলনা করছে।

messi-aguero-20190819141713.jpg

রাশিয়া বিশ্বকাপের পরই অনেকটা অবসরে চলে গিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। যদিও সেটা আনুষ্ঠানিক কোনো অবসর ছিল না। বলেছিলেন, তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য খেলবেন না। অবশেষে মেসি ফিরে এসেছিলেন। কোপা আমেরিকায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং সেমিফাইনালে ব্রাজিলের কাছে হেরে বিদায় নেন। তবে, এই কোপা আমেরিকাও মেসির জন্য দুঃসহভাবে কেটেছিল। কারণ, পুরো টুর্নামেন্টে একটি মাত্র গোল করতে পেরেছিলেন তিনি।

সামনেই বিশ্বকাপের বাছাই পর্ব শুরু হবে লাতিন আমেরিকান অঞ্চলে। তার আগে চিলি এবং মেক্সিকোর বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের জন্য ২৫ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কোলানি। যে দলে তিনি রাখেননি লিওনেল মেসিকে। বাদ দিয়েছেন সার্জিও আগুয়েরো এবং অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়াকেও।

তবে, মেসিকে বাদ দেয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হলো তার ওপর নিষেধাজ্ঞা। কোপা আমেরিকায় রেফারিং নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় তার ওপর তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে লাতিন আমেরিকা ফুটবল ফেডারেশন কনমেবল।

মেসি, ডি মারিয়া কিংবা আগুয়েরো- তিন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার নেই। তাহলে আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের কি অবস্থা হবে। কোচ লিওনেল স্কোলানি দলে জায়গা দিয়েছেন অ্যাডলফো গাইচ এবং পাওলো দিবালাকে। আগামী ৫ ও ১০ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে চিলি ও মেক্সিকোর সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। মেসির অনুপস্থিতিতে আর্জেন্টিনা কেমন করে সেটাই দেখার বিষয়।

২৫ সদস্যের আর্জেন্টিনা দল

গোলরক্ষক: এস্তেবান আনদ্রাদা (বোকা জুনিয়র্স), ফ্রাঙ্কো আরমানি (রিভার প্লেট), অগাস্টিন মারচেসিন (এফসি পোর্তো)

রক্ষণভাগ: নিকোলাস ওতামেন্দি (ম্যানসিটি), জার্মান পেজ্জালা (ফিওরেন্তিনা), মার্কোস রোহো (ম্যানইউ), নিকোলাস তালিয়াফিকো (আয়াক্স), লিওনার্দো বালের্দি (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড), লুকাস মার্টিনেজ কুয়ার্তা (রিভার প্লেট), গঞ্জালো মন্তিয়েল (রিভার প্লেট), নিকোলাস ফিগাল (ইন্দিপেন্দিয়েন্তে)

মিডফিল্ড: মার্কোস আকুনিয়া (স্পোর্টিং লিসবন), গিদো রদ্রিগেজ (ক্লাব আমেরিকা), লিয়ান্দ্রো পারেদেস (পিএসজি), জিওভান্নি লে চেলসো (টটেনহাম হটস্পার), নিকোলাস ডমিঙ্গুয়েজ (ভেলেজ সার্সফেল্ড), রদ্রিগো দি পল (উদিনেসে), এজেকিয়েল প্যালাসিওস (রিভার প্লেট), মাতিয়াস জারাচো (রেসিং), রবার্তো পেরেইরা (ওয়াটফোর্ড), লুকাস ওকাম্পোস (সেভিয়া), ম্যানুয়েল লানজিনি (ওয়েস্ট হ্যাম), অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (বোকা জুনিয়র্স)

আক্রমণভাগ: পাওলো দিবালা (জুভেন্টাস), লওতারো মার্টিনেজ (ইন্টার মিলান), আডলফো গাইচ (সান লরেঞ্জো)

philippe-coutinho-20190819162630.jpg

এক দেড় মৌসুম বার্সেলোনার জার্সিতে খেলতে পেরেছেন ফিলিপ কৌতিনহো। ২০১৭ -১৮ মৌসুমের শুরুতেই নেইমার বার্সা ছেড়ে যাওয়ার শূন্যস্থান পূরণে বার্সা বাধ্য হয়েই বলতে গেলে মধ্যবর্তী দলবদলের সময় লিভারপুল থেকে ১১৫ মিলিয়ন ইউরোয় আরেক ব্রাজিলিয়ান ফিলিপ কৌতিনহোকে নিয়ে আসে বার্সা।

কৌতিনহোর মূল্য কিন্তু এই ১১৫ মিলিয়ন ইউরো নয়। বিভিন্ন শর্ত এবং বোনাসসহ এই মূল্য দাঁড়িয়েছিল প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ইউরো। অর্থ্যাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় দেড় হাজার কোটি।

বিশাল পরিমাণে ট্রান্সফার ফি দিয়ে (বার্সার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দাম দিয়ে কেনা ফুটবলার) কেনার পর ফিলিপ কৌতিনহো ঠিক বার্সার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি। বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে তাকে সেভাবে খেলাতেই পারেননি।

মূলতঃ কৌতিনহো খেলেন ফ্রি রোলে। অন্যদিকে মেসিও খেলেন প্রায় একইভাবে। দু’জনকে তো আর ফ্রি রোলে খেলাতে পারেন না কোচ ভালভার্দে। যে কারণে কৌতিনহোকে বেধে রাখতে হয় নির্দিষ্ট একটি জায়গায়। তাতেই তার আসল খেলাটা হারিয়ে যায় এবং বার্সার সঙ্গে তার বোঝাপড়াটা ঠিকঠাকভাবে হয়ে ওঠে না।

এসব কারণে, গত মৌসুম শেষ হওয়ার আগে থেকেই গুঞ্জন শুরু হয়, কৌতিনহোকে ছেড়ে দেবে বার্সা। পারলো কোথাও বিক্রি করে দেবে। তবে, বার্সা চেয়েছিল পিএসজি থেকে তারা যদি নেইমারকে নিয়ে আসতে পারে, তাহলে বিনিময় হিসেবে কৌতিনহো প্লাস ৬০ থেকে ৮০ মিলিয়ন ইউরো তারা দিয়ে দেবে।

কিন্তু এই শর্ত মানতে রাজি নয় পিএসজি। কৌতিনহোকেও তাই ছাড়তে পারলো না বার্সা। কিন্তু নেইমারের অবস্থাটা যখন ঝুলন্ত, তখনই বার্সা ঘোষণা দিলো, কৌতিনহোকে আপাতত ন্যু ক্যাম্পকে বিদায় জানিয়েছে তারা। বার্সার কাছ থেকে ধারে বায়ার্ন মিউনিখে নাম লিখেছেন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার।

তবে এই ঘোষণা দিলেও কৌতিনহোকে কি শর্তে বায়ার্নের কাছে ধার দেয়া হয়েছে, সেটা জানা যাচ্ছিল না। অবশেষে সেটাও প্রকাশ হলো। দেড় হাজার কোটি টাকার ফুটবলারকে মাত্র ৮০ কোটি টাকায় ধার দেয়া হয়েছে বায়ার্নের কাছে।

যদিও মাত্র এক বছরের জন্য। আর এই এক বছরের জন্য কৌতিনহোর ধার বাবদ বার্সাকে ৮.৫ মিলিয়ন ইউরো (৮০ কোটি টাকা) দেবে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। একই সঙ্গে এই এক বছরে কৌতিনহোর পারিশ্রমিক দেবে বায়ার্ন।

তবে, কৌতিনহোকে কেনার সুযোগও থাকছে বায়ার্নের সামনে। সেটা হচ্ছে চলতি মৌসুম শেষে। অর্থ্যাৎ, এক মৌসুম খেলার পর কৌতিনহোকে যদি বায়ার্ন কিনতে চায়, তাহলে তখন বার্সাকে দিতে হবে ১২০ মিলিয় ইউরো।

বার্সা তাদের এক বিবৃতিতে কৌতিনহোকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছে, ‘প্রকাশ্যে ফিলিপ কৌতিনহোকে বার্সা ধন্যবাদ জানাতে চায় তার আত্মনিবেদন এবং প্রতিশ্রুতি পূরণে একাগ্রতার কারণে। আমরা আশা করি নতুন স্টেজে তিনি ক্যারিয়ারকে অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন।’

লিভারপুল থেকে বার্সা নাম লেখানোর পর দেড় মৌসুমে কাতালানদের জার্সি পরে কৌতিনহো খেলেছেন ৭৫ ম্যাচ। গোল করেছেন ২১টি। অ্যাসিস্ট করেছেন ১১টিতে।

domingo-20190819080559.jpg

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচিং স্টাফের রুমটা যেন এক খন্ড দক্ষিণ আফ্রিকা। হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর মনেই হবে না যে দেশের বাইরে কাজ করছেন। এখানে যে বাকিদের প্রায় সবাই তারই পুরনো বন্ধু!

নেইল ম্যাকেঞ্জি আর রায়ান কুক আগেই ছিলেন। ম্যাকেঞ্জি টাইগার দলের ব্যাটিং কোচ, কুক ফিল্ডিংয়ের দায়িত্বে। কদিন আগে পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চার্লস ল্যাঙ্গাভেল্ট। এবার তাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো।

বাকি রইলেন একজন, স্পিন কোচ। ল্যাঙ্গাভেল্টকে নিয়োগ দেয়ার দিনই স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে। তিনি নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার। অর্থাৎ এখন বাংলাদেশের কোচিং স্টাফের পাঁচ সদস্যের মধ্যে চারজনই দক্ষিণ আফ্রিকান। ডোমিঙ্গোর কাজ করতে সুবিধাই হবে।

ডোমিঙ্গোর জন্য অবশ্য আরেকটি সুবিধা আছে। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ থাকার সময় ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তার সহকর্মীই ছিলেন ল্যাঙ্গাভেল্ট আর ম্যাকেঞ্জি। এখানেও তারা সহকর্মী হচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে রোমাঞ্চিত টাইগারদের নতুন হেড কোচ। ‘ক্রিকইনফো’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘তাদের সঙ্গে মিলে দারুণ একটা ম্যানেজম্যান্ট হবে। চার্ল (ল্যাঙ্গাভেল্ট) দুর্দান্ত একজন বোলিং কোচ। রায়ানেরও কাজের নীতি ভালো, ফিল্ডিং নিয়ে সে আলাদাভাবে ভাবে। নেইল (ম্যাকেঞ্জি) দারুণ একজন মানুষ। আমি মঙ্গলবার আসছি। ম্যানেজম্যান্টের বাকিদের সঙ্গে মিলে আমিও একটা আইডিয়া বের করতে পারব। চেষ্টা করব, যে জায়গাটায় ঘাটতি আছে তা পূরণ করার। এই মুহূর্তে আমি এই তিনজনের সঙ্গে মিলতে মুখিয়ে রয়েছি।’

Indian-Cricketer.jpg

ভারতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজে অংশ নিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। তার আগে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে ভারত।

বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট দল যখন খেলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে একটি মেইল বার্তা এসেছে।

সেখানে বলা হয়েছে ক্যারিবীয় সফরে ভারতীয় দলের ওপর হামলা হতে পারে। বিষয়টি জানার পরও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) অবহিত করেছে।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় স্পোর্টসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকট্রেকার।

এমন এক সময় এই হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে যখন কাশ্মীর সংকট নিয়ে পরমাণুশক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

shakib-20190818203944.jpg

ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচে তার ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ পছন্দ হয়নি। আর আফগানিস্তানের সাথে ম্যাচের আগে তিনি পুরোপুরি সুস্থ্ও ছিলেন না। তাই অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছে সাকিব আল হাসান অনুরোধের সুরে বলেছিলেন-‘রিয়াদ ভাইকে রেস্ট দিন।’

পরে বিষয়টি ডালপালা গজিয়েছে। তা নিয়ে রাজ্যের কথাবার্তা শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা, পর্যালোচনা সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে। অনেকের কাছে এটা রীতিমত চাঞ্চল্যকর তথ্য বলেও মনে হয়েছে।

কিন্তু আসল কথা হলো, একটা দলের ভেতরে এমন ঘটনা ঘটে। কোচ, অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক আর ম্যানেজার ও নির্বাচকরা বসে যখন একাদশ চূড়ান্ত করেন, তখন অনেকের বিষয়েই কথা হয়। এটা হয়ে আসছে। এখনো হয়। হয়তো আগামীতেও হবে।

মাশরাফির কাছে সাকিবের মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে না খেলানোর অনুরোধটা ছিল ঠিক তেমনি। এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো আফগানিস্তানের সাথে ম্যাচের আগের দিন অফিসিয়াল প্রেস মিটে অধিনায়ক মাশরাফি আসেননি। এসেছিলেন কোচ স্টিভ রোডস।

মাশরাফি প্র্যাকটিস শুরুর আগে স্টেডিয়ামের এক কোণে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে কথা প্রসঙ্গে এবং উদাহরণ টানতে গিয়ে শতভাগ অফ দ্য রেকর্ড মানে না লিখার শর্তে বলেছিলেন, ‘আমার তো দিন প্রায় শেষ। এটাই শেষ বিশ্বকাপ। এরপর তো সাকিবই ক্যাপ্টেন হবে। সাকিব অধিনায়ক হলে কিন্তু অনেকেরই খবর আছে। সাকিব অধিনায়ক হিসেবে খুবই সিরিয়াস এবং হার্ড টাইপের। সে মাঠের পারফরম্যান্সকে খুব সিরিয়াসলি নেয়। কেউ এক ম্যাচ ভাল খেলতে না পারলে আর অ্যাপ্রোচটা ঠিক না থাকলে তাকে বাদ দিতেও দ্বিধা করবেনা। এই যেমন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহর স্লো ব্যাটিং (৩৮৭ রান তাড়া করে ৪১ বলে ২৮) দেখে তাকে এক ম্যাচ না খেলানোর কথা বলেছিল সাকিব।’

আর সবার মত এ প্রতিবেদকও ছিলেন ঐ আড্ডায়। এবং সবচেয়ে বড় কথা মাশরাফি তার হাত ধরে না লেখার অনুরোধ করেছিলেন। জাগো নিউজে সে তথ্য প্রকাশিত না হলেও কেউ না কেউ তা লিখে ফেলেন। এবং তা নিয়ে খানিক মনোমালিন্যও সৃষ্টি হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সাথে হারলেও মিচেল স্টার্ক, কামিন্সদের বিপক্ষে ১৩৮.০০ স্ট্রাইকরেটে ৫০ বলে ৬৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একটু বেশি রিয়্যাক্ট করে ফেলেছিলেন। এবং ড্রেসিং রুমে ফিরেও নাকি বেশ উচ্চবাচ্য করেন এবং তিনি ফুরিয়ে যাননি, তারও পর্যাপ্ত সামর্থ্য আছে ভাল খেলার-এসব কথা বলেন। সব মিলে ড্রেসিংরুমে একটু অস্বস্তিকর পরিস্থিতির উদ্রেক ঘটে।

বিশ্বকাপের সময় তিনি আর মিডিয়ার সাথে কথা বলেননি। কোন ইন্টারভিউ দেয়া দূরে থাক, কোন ম্যাচের আগে ও পরেও মাহমুদউল্লাহকে মিডিয়ার সাথে কথা বলতে পাঠানো হয়নি। তবে আজ (রোববার) অনেকদিন পর শেরে বাংলায় মিডিয়ার সামনে কথা বলতে এসে সেই প্রশ্নর মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহর দাবি, যা রটেছে, তেমন কিছুই হয়নি। ঘটনাটি নাকি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। দলের কারো সাথে তার কোনরকম গন্ডগোল হয়নি। ড্রেসিং রুমের পরিবেশও ঠিক ছিল।

এ সম্পর্কে মাহমুদউল্লাহর ভাষ্য এরকম, ‘আমার মনে হয়, ঐ ধরনের জিনিস নিয়ে কথাবার্তা না বলাই ভালো। আমি ঐ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। শুধু একটা কথা বলতে চাই। কিছু কিছু জিনিস যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সেভাবে হয়নি। উপস্থাপন ভিন্নভাবে হতে পারতো। শুধু এটুকুই বলতে চাই। আমার মনে হয় না, দলের কারো সাথে আমার কোনও গণ্ডগোল হয়েছে। আমরা যথেষ্ট ভালো বন্ধু। ড্রেসিং রুমে আপনারা চাইলে আসতে পারেন, আমরা কিভাবে কথা বলি বা কিভাবে মজা করি দেখতে পারেন। আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। ছোটো হোক বড় হোক, আমরা একে অপরের সাথে কতটুকু ভালোভাবে থাকতে পারি, দেখতে পারেন আপনারা। আমি আমার দিক থেকে শতভাগ চেষ্টা করে যাচ্ছি, আমি যেন সবার সাথে ভালোভাবে থাকতে পারি। সবসময় এই কথা বলে এসেছি। আমি চাই আগামী দিনেও এই কথা বলতে।’

shaighani-20190818212551.jpg

মাসিহ সাইগানি। আফগানিস্তানের এ ডিফেন্ডার এবার বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে খেলে গেছেন আবাহনীতে। মৌসুম শেষ করে পাড়ি জমিয়েছেন ভারতে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) দল চেন্নাইন এফসিতে নাম লিখিয়েছেন এ আফগান।

আবাহনীকে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন করা, প্রিমিয়ার লিগে রানার্সআপ করা এবং এএফসি কাপের নকআউট পর্বে ওঠানোয় বড় অবদান এই আফগানিস্তানের ডিফেন্ডারের। রক্ষণের খেলোয়াড় হলেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে গোল করে আবাহনীকে জিতিয়েছেন সাইগানি। বলতে গেলে আবাহনীর এএফসি কাপের এ সাফল্য এসেছে সাইগানির ওপর ভর করেই।

আবাহনী চেষ্টা করেছিল মাসিহ সাইঘানিকে এএফসি কাপের ইন্টার জোন প্লে-অফ সেমিফাইনালের ম্যাচ দুটিতে পেতে। এ জন্য ভারতীয় ক্লাবের সঙ্গে দেনদরবারও করেছিল আকাশি-হলুদ জার্সিধারীরা। কিন্তু চেন্নাই তাকে কাগজ-কলমে দলভুক্ত করে ফেলায় সে সুযোগ আর ছিল না।

মাসিহ সাইঘানি আজ (রোববার) রাতে তার ফেসবুক ওয়ালে আবাহনী, সমর্থক ও বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে দিয়েছেন আবেগঘন এক স্ট্যাটাস। এ আফগান ফুটবলারের দেয়া স্ট্যাটাস তুলে ধরা হলো-

‘বাংলাদেশে আমার শুরুটা হয়েছিল খুব খারাপভাবে। আমি হতাশ ছিলাম। তবে আমার কাছে অর্থের চেয়ে বেশি মূল্যবান ছিল সৎ থাকা। খারাপ শুরুর পর আবাহনীতে তৈরি হয়েছে রূপকথার কাহিনী।

আমি আবাহনীতে খেলেছি, ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এএফসি কাপে ইতিহাস সৃষ্টি করেছি-এ সবই আল্লাহর আশীর্বাদ। এ সব আপনি কোনো অর্থের বিনিময়ে কিনতে পারবেন না। আল্লাহ শক্তি ও সামর্থ্য দিয়েছিলেন আমাকে এবং আমার দলকে দুর্দান্ত এক মৌসুম পার করতে। আলহামদুলিল্লাহ।

আমার সব সতীর্থ, সমর্থক, কোচিং স্টাফ এবং আবাহনীর কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানাই নিরন্তর সমর্থন, অনুপ্রেরণা ও আত্মবিশ্বাসে যোগান দেয়ার জন্য। আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্যও তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি আবাহনীকে শুভ কামনা জানাই আগামীর জন্য। বিশেষ করে এএফসি কাপের ইন্টার জোন প্লে-অফ সেমিফাইনালের ম্যাচ দুটির জন্য।

আমি এখন আর আবাহনীর খেলোয়াড় নই। তবে আকাশি-হলুদে’র বড় সমর্থক আমি। আবাহনী বাংলাদেশের অন্যতম বড় দল। তাদের ঐতিহ্য আছে। ইতিহাস আছে। অনেক ট্রফি জিতেছে ক্লাবটি।

আমি নিশ্চিত, আবার একদিন বাংলাদেশে ফিরবো। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। আবার সবাইকে ধন্যবাদ দারুণ এ অভিজ্ঞতার জন্য। অনেক অনেক ভালোবাসা। সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।’

স্ট্যাটাসে সাইগানি আবাহনীর বিজয়ের কয়েকটি স্মরণীয় ছবিও পোস্ট করেছেন।