খেলাধুলা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

laliga334.jpg

আগামী ৮ জুন থেকে পুনরায় শুরু হচ্ছে স্প্যানিশ ফুটবল লিগ লা লিগা।

নতুন সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।

গেল মার্চে করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত করা হয়েছিল লা লিগার মৌসুম।

সে সময় ১১ রাউন্ডের খেলা বাকি ছিলো।

লিগের বাকি খেলাগুলো ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে স্প্যানিশ সরকার।

২৮তম রাউন্ডের সূচি :

মায়োর্কা-বার্সেলোনা

রিয়াল মাদ্রিদ-এইবার

এস্পানিওল-আলাভেজ

রিয়াল সোসিয়েদাদ-ওসাসুনা

অ্যাথলেটিক ক্লাব বিলবাও-অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

সেল্টা ভিগো-ভিয়ারিয়াল

লেগানেস-রিয়াল ভায়োদোলিদ

ভ্যালেন্সিয়া-লেভান্তে

গ্রানাডা-গেটাফে

সেভিয়া-রিয়াল বেটিস।

বাকি রাউন্ডের সূচি :

২৯তম রাউন্ড- ১৯-২১ জুন।

৩০তম রাউন্ড- ২৩-২৫ জুন।

৩১তম রাউন্ড- ২৬-২৮ জুন।

৩২তম রাউন্ড- ৩০জুন-২ জুলাই।

৩৩তম রাউন্ড- ৩-৫ জুলাই।

৩৪তম রাউন্ড- ৭-৯ জুলাই।

৩৫তম রাউন্ড- ১০-১২ জুলাই।

৩৬তম রাউন্ড- ১৪-১৬ জুলাই।

৩৭তম রাউন্ড- ১৭-১৯ জুলাই।

৩৮তম রাউন্ড- ২৪-২৬ জুলাই।

লা লিগার এবারের মৌসুমের ২৭ রাউন্ড শেষে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা।

তাদের পয়েন্ট ৫৮। ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়স্থানে রিয়াল মাদ্রিদ। খবর বাসসের।

sakib-20191029124531.jpg

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বৈশ্বিক খেলাধুলায় স্থবিরতা নেমে এসেছে।

এরমধ্যে সতর্কতা অবলম্বন করে মাঠে ফুটবল ফিরিয়েছে জার্মানি।

করোনা পরবর্তী ক্রিকেট শুরুর কথা ভাবছে ইংল্যান্ড, শ্রীলংকার মতো দল।

করোনা পরবর্তী ক্রিকেট কেমন হবে, এ নিয়ে আইসিসি তাই দিয়েছে নির্দেশনা।

বল থুতু দিয়ে ঘষা যাবে না। চার ধাপে করতে হবে অনুশীলন।

উইকেট পেলে উদযাপন করা যাবে না।

আম্পায়ারদের নিতে হবে গ্লাভস। তাদের কাছে তোয়ালে, ক্যাপ, জার্সি দেওয়া যাবে না ইত্যাদি।

কিন্তু আইসিসির ওই নির্দেশনার মধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন ফ্যাফ ডু প্লেসি।

তার প্রশ্ন, ফিল্ডিংয়ের সময় হাতে কি থুতু দেওয়া যাবে? স্লিপ ফিল্ডিংয়ের সময় ওটা তার অভ্যাস।

এবার প্রশ্ন তুলে দিলেন সাকিব। তার মতে, আরও সুনির্দিষ্ট হওয়া উচিত আইসিসির নির্দেশনা।

সাকিব একটি সংবাদ মাধ্যমের কাছে আলাপের সময় প্রশ্ন তুলে বলেছেন,

তাহলে কি ব্যাটিংয়ের সময় দুই প্রান্তের ব্যাটসম্যান কাছে গিয়ে আলাপ করতে পারবে না।

উইকেটরক্ষককে দূরে দাঁড়াতে হবে?

সাকিব বলেন, ‘এখন আমরা শুনছি যে,

করোনা একে অপরের থেকে তিন কিংবা ছয় নয় ১২ ফিট পর্যন্ত ছড়াতে পারে।

তার মানে কি, দুই ব্যাটসম্যান পরামর্শ করার জন্য কাছে আসতে পারবেন না?

দুই প্রান্তেই থাকতে হবে তাদের। উইকেটরক্ষক কি স্পিনের সময়ও দুরে দাঁড়াবেন?

কাছাকাছি ফিল্ডিং (স্লিপ) করার সময় কী হবে।

আইসিসির এই বিষয়গুলোও পরিষ্কার করা উচিত।’

তিনি মনে করেন, পরিস্থিতি খেলার মতো অবস্থায় না ফেরা

পর্যন্ত আইসিসি হয়তো ক্রিকেট ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেবে না।

কারণ সবকিছুর আগে জীবন। নিজের ক্রিকেটে ফেরা নিয়ে সাকিব জানান,

দুই দিক থেকে দিন গুনছেন তিনি। কবে করোনা শেষ হবে আর কবে তার নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে।

এখন যদিও খেলা নেই, তবুও সাকিবের মাথায় ঘুরছে কাল যদি খেলা ফেরে তিনি তো ফেলতে পারবেন না।

mash4d.jpg

চলমান করোনাভাইরাসের সংকটে সাহায্যার্থে সম্প্রতি নিজের ১৮ বছরের প্রিয়

ব্রেসলেট নিলামে তোলে বিশাল অঙ্কের অর্থ পেয়েছেন

জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা।

কোথায় কোথায় এই অর্থ দেবেন এবার সে পরিকল্পনাও জানালেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’।

দেড় যুগের সঙ্গী ব্রেসলেট নিলামে তুলে পাওয়া ৪২ লাখ টাকার পুরোটাই চলে গেছে মাশরাফির

‘নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন’-এ। শনিবার রাতে তামিম ইকবালের লাইভ আড্ডার

শেষ পর্বে এসে মাশরাফী জানালেন, কোথায় কোথায় খরচ করা হবে এই অর্থ।

এ ব্যাপারে বর্তমানে নড়াইল-২ আসরে সংসদ সদস্য মাশরাফী বলেন,

“যে পরিকল্পনা করেছি, ২৫ লাখ খরচ করব নড়াইলে, বাকিটা বাইরে যত জায়গায় দেওয়া যায়।

যেহেতু নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এসেছে,

সেই শ্রদ্ধাটা তাদেরকে করতে হবে। নড়াইলের সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম কর্মী,

ফাউন্ডেশনের কর্মী যারা আছেন, কয়েক দফায় সভা করেছেন তারা,

নড়াইলের অংশের টাকা কীভাবে খরচ করা যায়।”

“নড়াইলের বাইরের অংশ নিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যেই যে পরিকল্পনা করেছি,

ঢাকা মেট্রোপলিটনের ভেতরে ৮০ জন ক্রিকেট কোচ আছেন,

যারা এখন বেকার। কাজ নেই, প্র্যাকটিস করাতে পারছেন না।

এটা দ্রুতই দিয়ে দেব। আরও কয়েকটা জায়গা আছে, যেগুলো সামনে আস্তে আস্তে তুলে ধরব।”

এ অর্থ দিয়ে কিছু সহায়তা কার্যক্রম চলমান আছে বলেও জানালেন মাশরাফী-

“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গরিব শিক্ষার্থী যারা করোনাভাইরাস আক্রান্ত,

ডাকসুর মাধ্যমে তাদের সহায়তা দিচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধা সংসদে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।

সেই সঙ্গে ব্লাড ডোনারদের সংগঠনে দিচ্ছি। এ রকম জায়গা ঠিক করছি আরও।

পুরোটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, চেষ্টা করছি পরিকল্পনা সাজানোর।”

ওই অনলাইন আড্ডায় মাশরাফীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহীমও।

 

 

 

tamim-mushi-215342.jpg

প্রাণঘাতী নোভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে বিপর্যস্ত পুরোবিশ্ব।

সেই প্রভাব পরে ক্রীড়াঙ্গনে। ফুটবল, ক্রিকেট থেকে সব ধরনের খেলাধুলা বন্ধ করা হয়।

সেই সময়ে ভক্তদের পাশে থাকতে একের পর এক লাইভ সেশন করে যাচ্ছিলেন

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নবাগত অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

গতকাল শনিবার (২৩ মে) ছিল তার লাইভ সেশন।

তবে, শেষ ধাপে চেয়েছিলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, মুশফিকুর রহীম,

মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব আল হাসানকে একসঙ্গে আনতে।

যদিও ব্যক্তিগত কাজে সাকিব আসতে না পারায় পঞ্চপান্ডব পূর্ণ হয়নি।

তবে এই চারজনেরই আড্ডাটা হয়েছে অনেক প্রাণবন্ত।

আড্ডার এক পর্যায়ে মাশরাফী বলেন,  ‘বাইন্টা দা তোমার কাছে একটা রিকুয়েস্ট আছে।

ভাইস্তা একটা আসতেছে আশা করতেছি। তো এইটার নাম কিন্তু লকডাউন রাখতে হবে।’

ভায়রা ভাইয়ের সন্তানের এমন নাম মেনে নিতে না পেরে প্রতিবাদ করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তিনি বলেন, ‘আপনি রাইখা দেন না। এত ইয়ে লাগতেসে আপনি রাইখা দেন।’

PSG.jpg

করোনাভাইরাসের কারণে ইউরোপের অন্যান্য ক্লাবগুলোর তুলনায় সবচেয়ে

বেশী ক্ষতির মুখে পড়েছে লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন।

বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা জুভেন্টাসের মত বড় দলগুলো যেখানে

ইতোমধ্যেই লিগ শুরু কিংবা শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে সেখানে করোনার কারণে

লিগ ওয়ানের ২০১৯/২০ মৌসুম শেষের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে এই সিদ্ধান্তটা খুব বেশী তাড়াহুড়া করেই নিয়ে ফেলেছে লিগ ওয়ান কর্তৃপক্ষ।

প্রায় চার মাসেরও বেশী ফুটবলের সাথে কোন সংস্পর্শ ছাড়াই প্যারিসের জায়ান্ট

দলটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা পেয়েছে।

মৌসুম শেষের ঘোষণা আসায় পিএসজির খেলোয়াড়রা এখনো অনুশীলনে ফিরেনি।

এমনকি খেলোয়াদের বেতন কম করার ব্যপারেও কোন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পিএসজি।

ক্লাবটির স্পোর্টিং পরিচালক লিওনার্দো ও খেলোয়াড়রা এ ব্যপারে এখনো কোন চুক্তি করতে পারেনি।

ফ্রান্স সরকারের অনুমোদিত আইনানুযায়ী প্রতিটি ক্লাবকে

তাদের স্টাফদের ৮৪ শতাংশ বেতন অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে।

এদিকে করোনার কারণে পিএসজি টেলিভিশন স্বত্ব থকে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ইউরো ক্ষতি করবে।

সামাজিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধার জন্য যে পরিমাণ অর্থ তারা ব্যয়

করেছে তা ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশী।

এমনকি অন্যান্য লিগের তুলনায় লিগ ওয়ানকে কিছুটা হলেও কম প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ মনে করা হয়

শুধুমাত্র এই একটি কারণেই, এখানকার ক্লাবগুলো সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে।

পিএসজি প্রতিবছর খেলোয়াড়দের বেতনের ওপর সামাজিক চার্জ দিয়ে থাকে ৮০ মিলিয়ন ইউরোরও বেশী।

ক্লাবের মতে এটি স্পেন, ইতালি কিংবা জার্মানীর শীর্ষ ক্লাবগুলোর তুলনায় অনেক বেশী।

এদিকে এখনো পর্যন্ত কোপা ডি ফ্রান্স ও কোপা ডি লা লিগার ফাইনালের তারিখ নির্ধারিত হয়নি।

ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশন জানিয়েছে তারা দুটি ম্যাচই আগস্টে করার ব্যপারে আশাবাদী।

সে কারনেই কোচ থমাস টাচেল জানিয়েছেন এখনো অনুশীলনে ফেরার ব্যপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

চলতি সপ্তাহে মারকুইনহোস ব্রাজিলে ফিরে গেছেন।

নেইমার ও থিয়াগো সিলভা লকডাউনে ব্রাজিলেই অবস্থান করছেন।

কেইলর নাভাস ও এডিনসন কাভানিও যথাক্রমে কোস্টা রিকা ও উরুগুয়েতে রয়েছেন।

ICC_logo.svg_-300x300.png

করোনা পরবর্তী ক্রিকেট নিয়ে আগামী ২৯ মে বড় বড় সব নির্দেশনা

আসতে চলেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বোর্ড সভায়।

বাইশ গজে বল গড়ানোর আগে একগুচ্ছ গাইডলাইন

ঘোষণা করা হয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থার পক্ষ থেকে।

বিশ্বজুড়ে ক্রিকেট নতুন করে শুরু করতে বিস্তৃত গাইডলাইন দিয়েছে আইসিসি।

যা কঠোরভাবে মেনে চলতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আইসিসি বলছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে প্রতিটি দলের জন্য চিফ মেডিকেল অফিসার নিয়োগ করতে হবে।

অনুশীলন বা ম্যাচে বায়োসফটি স্কিম বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবেন তারা।

গাইডলাইনে বিদেশ সফরের সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য চাটার্ড ফ্লাইটের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে, ম্যাচের আগে আলাদা প্রস্তুতি ক্যাম্প, স্বাস্থ্য, তাপমাত্রা পরীক্ষা এবং

কোভিড -নাইনটির পরীক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করুন।

ভ্রমণের কমপক্ষে ১৪ দিন আগে নিশ্চিত করুন যে দলটি করোনা মুক্ত।

বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী, খেলোয়াড়রা নিজেদের ব্যক্তিগত জিনিস যেমন ক্যাপ,

তোয়ালে, সানগ্লাস, জাম্পার ইত্যাদি আম্পায়ার বা সতীর্থদের হাতে হস্তান্তর করতে পারবেন না।

অবশ্যই তাদের শারীরিক দূরত্বও বজায় রাখতে হবে।

তবে খেলোয়াড়দের জিনিসপত্র কে রাখবে তা এখনও অস্পষ্ট। শুধু তাই নয়,

বল ধরার সময় আম্পায়ারদেরও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

খেলোয়াড়রা তাদের ক্যাপ এবং সানগ্লাস মাঠে রাখতে পারবেন না

কারণ এটি হেলমেটের মতো পেনাল্টি রান যোগ করতে পারে।

আইসিসি চায় খেলোয়াড়রা ম্যাচের আগে এবং পরে ড্রেসিংরুমে কম সময় ব্যয় করবে।

এরই মধ্যে আইসিসির ক্রিকেট কমিটি বলে থুতু নিষিদ্ধ করার ওপর নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে।

এখন খেলোয়াড়দের বল স্পর্শ করার পরে চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ না করার এবং

বলের সংস্পর্শে আসার পরে তাদের হাত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এমনকি খেলোয়াড়দের সমস্যা বাড়তে পারে কারণ অনুশীলনের সময় তাদের টয়লেট ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হবে না।

tamim-mushi-215342.jpg

জাতীয় ক্রিকেট দলে তামিম ইকবালের বেস্ট ফ্রেন্ড কে?

ফেসবুক লাইভ শোতে হোস্ট তামিমকে প্রশ্নটি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

জবাবে তামিম মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে মাশরাফী এবং সাকিবের নাম নেন।

রিয়াদ তখন একজনের কথা জানতে চাইলে মুশফিকের নাম বলেন তামিম।

এরপর রিয়াদ বলেন, একটা নৌকায় তোর যদি মাশরাফী আর মুশফিক থাকে।

নৌকা ডুবে গেলে তুই শুধু একজনকে বাঁচাতে পারবি তাহলে কাকে বাঁচাবি?

তামিম বলেন, আমি যদি মাশরাফী ভাইয়ের নাম বলি তাহলে বেঁচে যাবো।

মানুষ গালি দিবে না?

মাশরাফী বলেন, ডিপলোমেটিক জবাব দিবি না। সত্যি করে বল।

তখন তামিম বলেন, আমি মুশফিককেই বাঁচাবো।

আজকেই শেষ হচ্ছে তামিমের লাইভ শো।

রাত সাড়ে দশটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এদিন শো শুরু হয় পৌনে এগারোটায়।

জাতীয় দলের পঞ্চপাণ্ডবের আরো তিন পাণ্ডব মাশরাফী, মুশফিক

এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে হাজির হন তিনি।

মাঝখানে কিছুক্ষণের জন্য যোগ দেন কোচ সালাউদ্দিন।

দেশ সেরা ব্যাটসম্যান তামিম অনেক বার দেশের

ক্রিকেট সমর্থকদেরও আনন্দে উপলক্ষ এনে দিয়েছেন তিনি।

কিন্তু, গেলো কয়েক মাসে বিশ্বজুড়ে করোনার প্রতাপে ঘরবন্দী সবাই।

ভাইরাসটির আতঙ্কে ক্রিকেট ক্যানভাসে আনন্দ উল্লাসে

ভাটা পড়লে ভিন্ন উদ্যোগ নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

শুরুটা ২ মে মুশফিকুর রহিমকে দিয়ে।

ইন্সটাগ্রামে লাইভের মধ্যে দিয়ে। দারুণ জমেছিলো।

পরে বাংলাদেশের সমর্থকদের ব্যাপারটি মাথায় রেখে আয়োজনটি

আরো জমিয়ে তুলতে বন্ধু মিনহাজের পরামর্শে ফেসবুকে লাইভ শো শুরু করেন।

মাশরাফীর সাথে ফেসবুকের ওই লাইভে এক লাখ

ক্রিকেট সমর্থক প্রাণ ভরে উপভোগ করে তামিম আর মাশরাফীর রসায়ন।

দারুণ উপভোগ্য এই লাইভগুলোতে পর্যায়ক্রমে জাতীয়

দলের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সাবেক ক্রিকেটাররাও ছিলেন।

দেশের সীমানা পেরিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকার ক্রিকেটার ফাফ ডু প্লেসি

ভারতের দুই সুপার স্টার বিরাট কোহিল রোহিত শর্মা কিংবা ওয়াসিম আকরামের আগমন ভিন্ন মাত্র পায়।

তামিম বুঝিয়ে দেন মাঠের ক্রিকেটেই শুধু নয়, উপস্থাপনাতেও তিনি বেশ পারদর্শী।

umpire.jpg

একদিন সবকিছু স্বাভাবিক হবে। ক্রিকেট গড়াবে মাঠে। দর্শকে টইটুম্বুর হবে স্টেডিয়াম।

কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বদলে যাবে অনেক কিছু।

এতদিন ক্রিকেটমাঠে বোলার তার মাথার টুপিটা, চশমা কিংবা গায়ে

থাকা সোয়েটার খুলে আম্পায়ারের হাতে রেখে বোলিং করতে যেতেন।

এতদিন বিষয়টা ছিল খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এই সাধারণ ব্যাপারটাই এখন আর দেখা যাবে না।

এছাড়া ক্রিকেটারদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সবচেয়ে ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে- বল।

কিছুদিন আগেই বলে থুতু লাগানো নিয়ম করে বন্ধ করা হয়েছে।

এবারে করোনা পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি

করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

বল ম্যানেজমেন্ট:

বলে লালা লাগানো যাবে না। আম্পায়ারদের গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

বল স্পর্শ করার পর কোনো ক্রিকেটার মুখ, চোখ ছুঁতে পারবেন না।

বল ছোঁয়ার পর প্রতি ওভারের মাঝে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

ক্রিকেটাররা তাদের সানগ্লাস, সোয়েটার, টুপি আম্পায়ারদের কাছে রাখতে পারবেন না।

সাধারণ সতর্কতা:

সাধারণ স্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

হাঁচি, কাশির সময় কনুই ভাঁজ করে নাক-মুখ ঢাকতে হবে।

অন্যের ব্যবহার করা বোতল, তোয়ালে, ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাবে না।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে ম্যাচের ভেন্যুতে একাধিক চেঞ্জিং রুম থাকা প্রয়োজন।

বায়ো নিরাপত্তা কর্মকর্তা

প্রতিটি দলের সঙ্গেই এবার নতুন একজন চিকিৎসককে থাকতে হবে।

যার পদের নাম হতে যাচ্ছে ‘বায়ো নিরাপত্তা কর্মকর্তা’।

তার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট ভেন্যু এবং ক্রিকেটারদের বায়ো নিরাপত্তার বিষয়ে নজর রাখা।

সরকারি নিয়ম নীতি ঠিকমত পালন করা হচ্ছে কিনা সেটাও দেখবেন তিনি।

আইসোলেশন:

দলগুলোর সঙ্গে চিকিৎসকদের একটি দল থাকবে।

টুর্নামেন্ট বা সিরিজ শুরুর আগে ১৪ দিন ক্রিকেটারদের শারীরিক

তাপমাত্রা, রিস্ক ফ্যাক্টর, ঘনঘন পরীক্ষা করবে ওই দল।

ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাপোর্ট স্টাফদেরও এরকম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

সেই চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পেলেই ক্রিকেটাররা মাঠে নামতে পারবেন।

ভ্রমণে সতর্কতা:

স্যানিটাইজড পরিবহন ছাড়া ক্রিকেটাররা ভ্রমণ করতে পারবেন না।

বিদেশ সফর গেলে বাধ্যতামূলক প্রতিটি দলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

দুই ক্রিকেটারের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে চার্টার্ড ফ্লাইটে যেতে হবে।

কোনোভাবেই ক্রিকেটাররা রুম শেয়ার করতে পারবেন না।

ক্রিকেটারদের টুপি-সোয়েটার আর রাখবেন না আম্পায়াররা যদি দলের কোনো

সদস্যের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে, সেজন্য আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে।

soumya6.jpg

জাতীয় দলের ওপেনার সৌম্য সরকারের নিলামকৃত ব্যাটের অর্থায়নে ও

সাতক্ষীরার জেলা পুলিশের সহযোগিতায় করোনা ও আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচীর করেন

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম (বার)।

এসময় প্রায় দুই শতাধিক মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌম্য সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইলতুৎ মিশ,

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাহ্উদ্দিন সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার ও সাতক্ষীরা কৃতি সন্তান সৌম্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

smith-warnar-b-20190415023750.jpg

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল হলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগও (আইপিএল)

বন্ধ করে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ইয়ান চ্যাপেল।

যদিও এই লড়াইয়ে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাই (বিসিসিআই) জিতবে বলেই মনে করেন তিনি।

অজিদের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘দেখবেন শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই জয়ী হবে।

এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি মোটেও খুশি নই।

কোনও একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্টের থেকে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের গুরুত্ব অনেক বেশি।

যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না হয়, তা হলে আইপিএলও হওয়া উচিত নয়।

আইপিএল অর্থ রোজগারের টুর্নামেন্ট ছাড়া আর কিছু নয়।’

অস্ট্রেলিয়ার সিনিয়র ক্রিকেটারদের আইপিএল না খেলার পরামর্শ দিয়েছেন ইয়ান চ্যাপেল।

ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্টিভ স্মিথদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের জন্য সারা বিশ্বে ক্রিকেট বন্ধ ছিল।

যখন শুরু হবে পুরো দমে, তখন আইপিএলের সময়ই হয়তো

অস্ট্রেলিয়ায়শেফিল্ড শিল্ড ও ওয়ানডে কাপের ম্যাচ পড়বে।

এই পরিস্থিতিতে আমি শুধু এটাই বলব, অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়ড়া যেন ঘরোয়া ক্রিকেটেই বেশি মনোযোগ দেয়।’

চ্যাপেলের মতো একই সুরে কথা বলেছেন অ্যালান বর্ডারও।

১৯৮৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেন, ‘আইপিএলতো ভারতের একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্ট।

বিশ্বকাপের থেকে তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। যদি বিশ্বকাপ না হয়, তা হলে যেন আইপিএল-ও না হয়।’