খেলাধুলা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

saurav654.jpg

করোনা দুঃসময়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতি মতোই কলকাতায় ইস্কন হাউজে উপস্থিত হয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। শনিবার (৪ এপ্রিল) প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সেখানে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।

গ্লাভস এবং মুখাবরণ পরে এসেছিলেন সৌরভ। বার বার তিনি অনুরোধ করতে থাকেন যেন এক সঙ্গে বেশি ভিড় না হয়। সৌরভ নিজে ভিডিও বার্তায় মানুষকে সচেতন হওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন।

বলছেন, ‘লকডাউন’ মেনে চলুন, বাড়িতে থাকুন, একে অন্যের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে সংক্রমণকে আটকান।’

ইস্কনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘আমরা দৈনিক দশ হাজার মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করছিলাম।

সৌরভ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় এখন দৈনিক কুড়ি হাজার মানুষকে আমরা খাওয়াতে পারব।’

এর আগে বেলুড় মঠে গিয়ে চাল দিয়ে এসেছিলেন। শনিবার সৌরভের সঙ্গে ইস্কনে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেটজীবনের বাল্যবন্ধু এবং এখন সিএবি কর্তা সঞ্জয় দাস।

তিনি বলেন, ‘দৈনিক আয়ে যাদের জীবন চলে, কাজ বন্ধ থাকায় তাঁরা সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই সৌরভের এমন উদ্যোগ।’

Neymar-samakal-5d6a4a513f688.jpg

চলমান বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত বিশ্বের ১৯৯টি দেশ। ইতিমধ্যে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ২৬ হাজার ৭৩৯।

আর মারা গেছে ৫৪ হাজার ৪৫। এমন পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এগিয়ে আসছেন ক্রীড়াবিদরা। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা নেইমার জুনিয়রও।

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে ইউনিসেফকে ৫ মিলিয়ন ব্রাজিলিয়ান রিয়াল দিয়েছেন পিএসজি ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়র।

যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ কোটি ৯৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা) ব্রাজিলিয়ান টেলিভিশন শো ‘ফোফোকালিজান্দো’র বরাতে এমনটাই জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড’।

আরো জানা গেছে, নেইমারের দান করা অর্থ দিয়ে ব্রাজিলে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা হবে।

এর আগে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হয়ে অর্থ দান করেছিলেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি এবং ম্যানচেস্টার সিটি বস পেপ গার্দিওলা।

তাদের দান করা অর্থ ১ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে স্পেনে করোনা আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সহায়তা করা হচ্ছে।

sakib324.jpg

শেষ হলো অপেক্ষা। টানা ১৪ দিনের কোয়েরেন্টাইন শেষে পরিবারের কাছে ফিরে গেলেন সাকিব আল হাসান।

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পা দিয়েই হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। নিউইয়র্কের একটি হোটেলে উঠেছিলেন। সেই হোটেলে নির্জনে সময় কে’টেছে দুই সপ্তাহ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সাকিবের পরিবার। পরিবারের কাছে ফিরে গেলেও সামনের কয়েক সপ্তাহ গৃহবন্দী হয়ে থাকতে হবে তাকে।

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের জন্যই সেলফ কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা, যাকে অনেকে সেলফ আইসোলেশনও বলে থাকেন। মারাত্মক ছোঁয়াচে এই ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশের পর লক্ষণ প্রকাশ পেতে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

আর তাই আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বা সন্দেহ থাকলে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনের পরামর্শ দেন চিকিৎসক ও গবেষকরা।

উইসকনসিনের ওই হোটেল থেকে খুব বেশি দূরে নয় সাকিবের বাড়ি। মাত্র কয়েক মিনিটের দূরত্ব গত ১৪ দিনে পেরোতে পারেননি সাকিব। যেতে পারেননি স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির ও মেয়ে আলাইনার কাছে। স্ত্রী-সন্তান ও পরিজন এত কাছ থাকলেও তাদের সঙ্গে থাকার সুযোগ হয়নি ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ থাকা এই অলরাউন্ডারের।

১৪ দিন আইসোলেটেড থাকা অবস্থায় নিজের নামের ফাউন্ডেশনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

নিজের গড়ে তোলা ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ দিয়ে দেশে-বিদেশ হতে ফান্ড সংগ্রহ করবেন তিনি। সে ফান্ড তুলে দিচ্ছেন ‘মিশন সেইভ বাংলাদেশ’ নামক একটি উদ্যোগে।

পাশাপাশি ‘দ্য সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশন’ ও কনফিডেন্স গ্রুপ মিলে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় কিট সরবরাহের জন্য ২০ লাখ টাকার তহবিল গঠন করেছে।

নিধেষাজ্ঞায় থাকা সাকিবের জাতীয় দল কিংবা স্থানীয় কোনো ক্রিকেটারের সঙ্গে করোনা যুদ্ধে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে নিজ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কিছুদিন আগে ৩৩ এ পা রেখেছেন সাকিব। নিষেধাজ্ঞায় এ থাকা ক্রিকেটার মাঠে ফিরতে পারবেন আগামী ২৯ অক্টোবর।

miadad4.jpg

২০১০ সালে একই ম্যাচে পাকিস্তানের সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির স্পট ফিক্সিং করেছিলেন। পরে তাদের সেই জঘন্য কাণ্ড প্রকাশ্যে আসে। শাস্তি হয়েছিল তিনজনের। শাস্তির মেয়াদ কাটিয়ে ক্রিকেটে ফিরেছেন মোহাম্মদ আমির।

পাকিস্তানের বোলিং বিভাগের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। মোহাম্মদ আসিফ ও সালমান বাটের শাস্তির মেয়াদও শেষ হয়েছে। পাকিস্তানের জাতীয় দলে তারা আর ডাক পান না।

কিন্তু এই তিনজনের অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি কম হয়েছে বলে এবার দাবি তুললেন পাকিস্তানেরই এক সাবেক তারকা ক্রিকেটার। তার নাম জাভেদ মিয়াঁদাদ।

মিয়াঁদাদ বরাবরই ঠোঁটকাটা স্বভাবের। কখন কাকে কী বলে দেবেন কেউ জানে না! তবে পাকিস্তান ক্রিকেটে ফিক্সিং যেন একটা রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্রিকেটভক্তরা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আর বিশ্বাস করতে চান না।

তাই পাকিস্তানের ম্যাচে অস্বাভাবক কিছু ঘটলেই অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ফিক্সিং নয় তো! আর পাকিস্তান ক্রিকেটের এমন বদনামের পিছনে একশো শতাংশ দায়ি আমির, আসিফ, বাটরা। এমনই দাবি করেছেন মিয়াঁদাদ।

তিনি বলেছেন, যে শাস্তি তারা পেয়েছেন তা অত্যন্ত কম। আরও ভয়ানক কিছু হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ভয়ানক বলতে তিনি কী বোঝাতে চেয়েছেন! ইউটিউবে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, যেসব খেলোয়াড় ফিক্সিংয়ের মতো জঘন্য কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাদের কঠোরতম শাস্তি হওয়া উচিৎ।

আমার মতে, ফিক্সারদের ফাঁসিতে ঝোলানো উচিৎ। ফিক্সিংয়ের অপরাধ কাউকে হত্যা করার থেকে কম নয়। ফিক্সিং করে একজন ক্রিকেটার লাখ লাখ দর্শকের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে।

মিঁয়াদাদ মনে করেন, আসিফ-আমিরদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাকিস্তানের হয়ে খেলার সুযোগ দিয়ে ঠিক করেনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তার মতে, আমিররা শুধু ক্রিকেটের সঙ্গেই প্রতারণা করেনি, নিজেদের পরিবারকেও অপমানিত করেছে।

এমনকী তারা ইসলাম ধর্মেরও অপমান করেছেন বলে দাবি করেছেন মিয়াঁদাদ। তিনি মনে করেন, যারা মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে তাদের বেঁচে থাকার কোনও অধিকার নেই।

Kohli-Sad.jpg

কয়েকমাস আগে আকার ইঙ্গিতে ক্রিকেটের যেকোনো একটি ফরম্যাট থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এবার করোনাভাইরাসের দাপটে গৃহবন্দি কোহলি আবারও একই কথা বললেন। বয়স ৩১ হয়ে গেছে।

তিন সংস্করণের ক্রিকেটেই তার ব্যাপক চাহিদা আছে। কিন্তু বয়সটা বেড়ে যাওয়ায় এত লোড নিতে পারছেন না তিনি। তাছাড়া ভারত বিশ্বের সবেচয়ে বেশি ক্রিকেট ম্যাচ খেলে। একের পর এক সিরিজ লেগেই থাকে। তাই যে কোনো এক সংস্করণ বাদ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন কোহলি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার কেভিন পিটারসনের সঙ্গে এক লাইভে এ ইঙ্গিত দেন কোহলি।

এত খেলার চাপ নেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি বিরতি ঠিকই নিচ্ছি। আমার মনে হচ্ছিল গত ২-৩ মৌসুমে অনেক বেশিই করছি। তাই আমি যখন-তখন ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি সিরিজে এখানে বা ওখানে বিরতি নিয়েছি। তবে আমি টেস্ট ক্রিকেট মিস করতে চাই না, সত্যি।’

তিনি যোগ করেন, ‘মাঝে এমন কয়েকটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল, যেগুলো আমার কাছে খুব প্রাসঙ্গিক মনে হয়নি। আমি সেটা সংবাদ সম্মেলনেও বলেছি। আমি বলেছিলাম, এমন কোনো ম্যাচ খেলতে চাই না যেখানে প্রেরণা বা উদ্যমটা থাকবে শূন্য। আমি এভাবে খেলতে পছন্দ করি না।’

সামনের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তাই একটা সিদ্ধান্ত নেবেন, আগেভাগেই জানিয়ে রাখলেন কোহলি। বলেন, ‘আমি গত নয় বছরে তিন ফরমেটেই খেলে যাচ্ছি।

সঙ্গে আইপিএলে ছয় বছর ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছি আরসিবিকে। এটা সহজ নয়। আমি আগামী ২-৩ বছরের জন্য বিশ্বকাপ পর্যন্ত একটা লক্ষ্য স্থির করেছি। আমি সর্বোচ্চটা দিয়েই খেলব। তারপর দেখব কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, কোন ফরমেটে খেলব, সব প্রশ্ন তখন আসবে।’

mash77.jpg

করোনায় ক্ষত-বিক্ষত পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশেও দিন দিন বাড়ছে করোনায় আক্রান্তদের সংখ্যা। করোনায় আঘাত হানার পর রোগিদের চিকিৎসা নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই।

চিকিৎসা জনগনের ধারগোড়ায় পৌঁছে দিতে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা তার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল স্বাস্থ্যসেবা চালু করেছেন।

মানুষদের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতেই তিনি এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। আগামীকার রবিবার (৫ এপ্রিল) থেকে নড়াইল ও লোহাগড়া উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হবে বলে এক ভিডিও বার্তায় জানান মাশরাফি।

মাশরাফি বলেন, নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন রোববার থেকে খাদ্য দ্রব্য সরবরাহের পাশাপাশি করোনায় আক্রান্ত ছাড়াও অন্যান্য রোগে যারা ভুগছেন, তারা যেন সঠিক চিকিৎসা পান এই জন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

আশা করি আপনারা ধৈর্য্য ধারণ করবেন এবং ভ্রাম্যমাণ টিমের দুই মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। এই মুহূর্তে নড়াইলের সন্তান ডা. দ্বীপ বিশ্বাস এবং তার সহধর্মীনী ডা. স্বপ্না রানী সরকার চিকিৎসা দেবেন।

মাশরাফি বলেন, আপনারা সকলে ঘরে থাকবেন. ধৈর্য্য ধারণ করবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আপনারা চিকিৎসা নেবেন। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস আশা করছি আপনাদের সহযোগিতা করবে। নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সকল সদস্যকে ধন্যবাদ।

ausi4.jpg

করোনাভাইরাসের দাপটে স্তব্ধ গোটা বিশ্ব। থমকে রয়েছে ক্রীড়ামহল। বন্ধ খেলাধূলার সমস্ত ইভেন্ট। এবার করোনার জেরে বিয়ে স্থগিত হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার আট জন ক্রিকেটারের।

ক্রিকেট মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ার পর এপ্রিলে বিয়ে করবেন বলে ঠিক করেছিলেন অজি ক্রিকেটাররা। কিন্তু, এই পরিস্থিতিতে তা স্থগিত হয়ে গেল। এই ক্রিকেটারদের তালিকায় আছেন পরিচিত লেগস্পিনার অ্যাডাম জাম্পা।

জাতীয় দলের পেসার জ্যাকসন বার্ড, ওপেনার ডি’আর্কি শর্টও আছেন আটজনের মধ্যে। আর আছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখনও পা না রাখা মিচেল সোয়েপসন, অ্যালিস্টার ম্যাকডারমট, অ্যান্ড্রু টাই, জেস জোনাসেন ও ক্যাটেলিন ফ্রেট।

শুধু অস্ট্রেলিয়াতেই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটমহলেও এমন ঘটনা ঘটেছে। মহিলা ক্রিকেটার লিজেলে লি-র বিয়ের তারিখ ছিল ১০ এপ্রিল। কিন্তু এখন সেটাও স্থগিত হয়ে গিয়েছে।

আইপিএলের নিলামে সবচেয়ে বেশি দর ওঠা অজি পেসার প্যাট কামিন্স এই অবসরে আবার বিয়ের কথা ভাবছেন। কামিন্স বলেছেন, আমি এখন এখানেই থাকছি। ফলে বিয়ের পরিকল্পনায় মন দিতে পারছি বেশি।

আমরা লাকি। সবেমাত্র এনগেজড হয়েছি। বিয়ের সময় আশা করছি এই পরিস্থিতি আর থাকবে না। তবে জাম্পার মতো ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের অবস্থা অনুভব করতে পারছি। ওদের বিয়ে পিছিয়ে দিতে হচ্ছে। এটা খুব কঠিন সময়।

german44w.jpg

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে স্থবির সব কর্মকাণ্ড। সব ধরনের খেলাধুলা থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে বিশ্বের সব দেশ।

যে কারণে দর্শকদের হইচইয়ে মেতে থাকা স্টেডিয়ামগুলো অনেকটা মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে।

তবে করোনা পরিস্থিতিতে এসব স্টেডিয়ামকে কাজে লাগিয়েছে ইংল্যান্ড, ভারত এবং ফুটবলের দেশ ব্রাজিল।

খেলা বন্ধে অকার্যকর হয়ে পড়া স্টেডিয়ামগুলোকে অস্থায়ী হাসপাতাল হিসাবে ব্যবহার করছেন তারা।

এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো করোনার প্রার্দুভাবে বিপর্যস্ত দেশ জার্মানি। দেশটির সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম ‘দ্য ওয়েস্টফালেন’কে করোনা হাসপাতালে পরিণত করা হয়েছে।

শনিবার থেকে ওই স্টেডিয়ামে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন।

গণমাধ্যমটি জানায়, নতুন করে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া রোগীদের প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দ্য ওয়েস্টফালেস স্টেডিয়ামে পরীক্ষা করা হবে এবং যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হবে।

‘দ্য ওয়েস্টফালেন’ স্টেডিয়ামটি মূলত বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠ। একে ‘সিগন্যাল ইদুনা পার্ক’ বলা হয়।

করোনার জন্য স্টেডিয়ামটি ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে শুক্রবার ডর্টমুন্ড ক্লাব আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে তারা লিখেছেন, ‘শনিবার থেকে ফুটবল নয়; করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে ব্যবহৃত হবে সিগনাল ইদুনা পার্কের উত্তর পাশের গ্যালারি। এখানে করোনা উপসর্গ থাকা মানুষদের চিকিৎসা করা হবে।’

প্রসঙ্গত, ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্সের মতো জার্মানিতেও চলছে করোনার তাণ্ডব। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৯১ হাজার ১৫৯ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন জার্মানিতে। মারা গেছেন ১ হাজার ২৭৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ২৪ হাজার ৫৭৫ জন।

luis3.jpg

চলে গেলেন ডি-এল বা ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির যৌথ উদ্ভাবকের একজন টনি লুইস। কাল রাতে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) জানিয়েছে ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন লু্ইস, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ইসিবি জেনেছে যে টনি লুইস এমবিই ৭৮ বছর বয়সে মারা গেছেন।’

ইসিবির পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, ‘টনি লুইসের মৃত্যুর খবর পাওয়াটা বোর্ডের জন্য দুঃখজনক। টনি এবং তার বন্ধু ফ্র্যাঙ্কের কাছে ক্রিকেট বিশ্ব ঋণী। আমরা তার বিদেহী আত্মার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছি।’

নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে সতীর্থ গণিতবিদ ফ্র্যাঙ্ক ডাকওয়ার্থকে সঙ্গে ক্রিকেটে বৃষ্টির প্রভাব কমিয়ে আনার জন্য একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেন টনি লুইস। তাদের দুইজনের নামের শেষাংশ থেকেই এর নামকরণ করা হয় ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথড।

প্রাথমিকভাবে ১৯৯৭ সালে এই পদ্ধতিটি ব্যবহারের উন্মুক্ত হিসেবে ঘোষণা দেন টনি ও ফ্র্যাঙ্ক। প্রায় দুই বছর পরীক্ষামূলকভাবে দেখার পর ১৯৯৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথড গ্রহণ করে আইসিসি। ১৯৯৭ সালের ১ জানুয়ারি সর্বপ্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে এই নিয়মের ব্যবহার হয়েছিল।

বাবার সঙ্গে বরাবরই দারুণ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তারকা পেসার তাসকিন আহমেদের। ৩ এপ্রিল ২৫তম জন্মদিন পালন করবেন তাসকিন। প্রতিবারই বাবার কাছ থেকে বিশেষ কিছু ‍উপহার পেয়ে থাকেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এবার বাবার কাছ থেকে ব্যতিক্রমী এক উপহারই পাচ্ছেন তাসকিন। করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার নিজের উপহার নিজেই চেয়ে নিয়েছেন তাসকিন। তার চাওয়া পূরণ করে তাদের বাড়িতে বসবাসরত ভাড়াটিয়াদের এক মাসের ভাড়া মওকুফ করে দিয়েছেন তার বাবা আবদুর রশিদ মনু।

সবমিলিয়ে মাসে ১ লাখ টাকার বেশি ভাড়া পেয়ে থাকেন মনু। ছেলের জন্মদিনের উপহার হিসেবে এক মাসের বাড়ি ভাড়া নেবেন না তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, এতে খুব একটা সমস্যা হবে না তার পরিবারের। তিনি নিজে এক মাস ভালোমতো ক্রিকেট খেললেই এ টাকা জোগাড় হয়ে যাবে বলে মনে করছেন।

তাসকিন বলেন, আমি অনেক চিন্তা করে দেখেছি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার করোনায় ভীষণ কষ্টে দিন যাপন করছে। তবে কখনও কারো কাছে কিছু চাইতে পারে না তারা। আমার বাবার যে সম্পত্তি আছে সেখান থেকে মাসে এক লাখেরও বেশি ভাড়া আসে। আমি বাবাকে অনুরোধ করি যে এবার আমার জন্মদিনের উপহার হিসেবে সেই ভাড়া যেন তিনি মাফ করে দেন।

তিনি আরও বলেন, এপ্রিলের ৩ তারিখ আমার জন্মদিন, বাবাও আমার কথায় রাজি হয়েছেন। আসলে এমন নয় যে আমাদের অঢেল আছে। তবে আমি যদি এক মাস ঠিকমতো খেলতে পারি সেই টাকা আল্লাহ আমাকে জোগাড় করে দেবেন। আমি মনে করি এই পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো উচিত, যারা কারো কাছে চাইতে পারে না।

যদিও বিষয়টি গোপন রাখারই ইচ্ছা ছিলো তাসকিনের। কিন্তু তার দেখাদেখি যদি অন্য কেউ অনুপ্রাণিত হন, সেটা চিন্তা করেই তিনি বিষয়টা সবাইকে জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, আমি আসলে বিষয়টি কাউকে জানাতে চাইনি। তবে পরে মনে হলো এটি দেখে বা শুনে যদি অন্যরাও সাধ্যমত এগিয়ে আসে, তাহলে এমন অনেক পরিবারের উপকার হবে যারা সাহায্যের কথা লজ্জায় মুখ ফুটে বলতে পারে না। দেশের প্রতিটি মানুষের এখন মানবিক হওয়া উচিৎ। মনটা বড় করে সবাই যেন বিপদে পাশে দাঁড়ায়- এই প্রার্থনা করি।