অন্যান্য Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

feders.jpg

রজার ফেদেরার, টেনিস ইতিহাসে একাধিক অধ্যায় লিখেছেন তিনি। শনিবার (২ মার্চ) দুবাইয়ে আর এবার লেখালেন ক্যারিয়ারের ১০০তম শিরোপা জিতে। তাও এমন এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে, যার কাছে মাস দু’য়েক আগেই হেরে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় ওপেনে।

পুরুষ এককের ফাইনালি লড়াইয়ে ফেদেরারের কাছে পাত্তাই পাননি গ্রিসের উঠতি তারকা স্টেফানোস চিচিপাস।৬-৪, ৬-৪ গেমে পরাজয় বরণ করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি শিরোপা জয়ের উদযাপনে মাতেন সুইস তারকা। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি প্রথম শিরোপা জেতেন ২০০১ সালে। এর মাঝে রেকর্ড ২০ বার গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন টেনিস সম্রাট।

পুরুষ এককের ইতিহাসে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ শিরোপা জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করলেন ফেদেরার। রেকর্ড ১০৯টি শিরোপা জিতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কনর্স। আর টেনিস ইতিহাসে রেকর্ড ১৬৭টি শিরোপা জিতে সবার ওপরে মার্তিনা নাভ্রাতিলোভা।

স্বপ্নের এই পথচলায় অসাধারণ মাইলফলক ছোঁয়ায় উচ্ছ্বসিত ফেদেরার। ৩৭ বছর বয়সী টেনিস মহাতারকা বলেন, ১০০তম শিরোপা জেতাটা আমার কাছে একেবারে স্বপ্নের মতো। দেখা যাক আরও কত দিন খেলাটা চালিয়ে যেতে পারি। এখন এমন একটা সময় প্রত্যেকটা রেকর্ডই ভাঙতে পারে। শুধু আমার রেকর্ড নয়। এজন্য আমি খুশি যে, এখনও ফিটনেস ধরে রেখে খেলে যেতে পারছি।

ticket-20190225084804.jpg

খেলাধুলায় সাধারণত পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী ও রানার্স-আপদের জন্য থাকে ট্রফি। আর প্রত্যেক খেলোয়াড়দের জন্যও থাকে অর্থসহ ক্রেস্ট বা মেডেল জাতীয় অন্যান্য পুরস্কার। এবার জুজুৎসু টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ী খেলোয়াড়রা পুরস্কার হিসেবে পাচ্ছেন হজ ও ওমরার টিকিট।

সম্প্রতি রাশিয়ার তাতারাস্তান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কাজানে দেশটির শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ‘শাহাবুদ্দীন মারদজানি’র স্মৃতিচারণ উপলক্ষে এ খেলার আয়োজন করা হয়। এ খেলায় ১০০ জন মুসলিম ক্রীড়াবিদ জুজুৎস টুর্নামেন্টে অংশগ্রহ করেছেন। যারা এ খেলায় বিজয়ী হবেন তাদের হজ ও ওমরা পালনে পাঠানো হবে।

২০০০ সালের পরে জন্মগ্রহণকারী অনূর্ধ্ব ২০ বছর বয়সী নারী-পুরুষ খেলোয়াড়রা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। নারী-পুরুষদের জন্য আলাদা আলাদা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য যে, জুজুৎসু একটি জাপানি মার্শাল আর্ট খেলা। যা ব্যবহার করে ছোট অস্ত্র ও ঢাল ব্যবহারকারী প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করা যাবে। আত্মরক্ষার এ খেলাকে জুজিৎসু জিউজুৎসু, জিউ জিৎসু নামেও ডাকা হয়।

এই বছরের টুর্নামেন্টের বিজয়ীদেরকে পুরস্কার হিসেবে হজ এবং ওমরায় পাঠানো হবে। আত্মরক্ষামূলক এ ধরণের খেলাধুলা যেমন খুব বেশি প্রয়োজন তেমনি পুরস্কার প্রদানে এ ধরণের ভূমিকাও প্রশংসার দাবি রাখে।

sania2.jpg

সদ্যই শোয়েব মালিক-সানিয়া মির্জার ঘর আলো করে এসেছে পুত্র সন্তান। সন্তান জম্মের প্রথমদিন সন্তানের নাম জানালেও এতোদিন ছেলের ছবি প্রকাশ্যে আসেনি।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) ছেলেকে নিয়ে হাসপাতাল ছাড়ার সময় সানিয়ার ছবি ঝড় তুলল সোশ্যাল মিডিয়ায়। হয়ে উঠল ভাইরাল।

সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে তোয়ালে জড়িয়ে সদ্যজাত সন্তানকে কোলে করে নিয়ে যাচ্ছেন সানিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি দেখে প্রচুর মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন ছয়বারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ীকে।

শোয়েব মালিক ও সানিয়া ছেলের নাম রেখেছেন ইযহান মির্জা মালিক।

usabd.jpg

উচ্চতা খুব বেশি না। মাত্র ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের সবাই যেখানে ছয় ফুটের বেশি, তখন একা স্নিগ্ধ তাদের সামনে দাঁড়ান চীনের প্রাচীর হয়ে। ভলিবলে একটা নিয়ম আছে, সাতজন খেলোয়াড়ের মধ্যে একজন সবসময় ‘ডিফেন্সিভ স্পেশালিস্ট’ হিসেবে খেলেন। তাকে বলা হয় লিবারো। লিবারোর খুব লম্বা হওয়ার দরকার হয় না। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্নিগ্ধ আহনাফ হাসান এই পজিশনে খেলেন। সম্প্রতি ন্যাশনাল কলেজিয়েট অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন পুরো আমেরিকায় ম্যান ভলিবল র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। সেখানে স্নিগ্ধর অবস্থান তিন নম্বরে।

স্নিগ্ধ আহনাফ হাসান। জন্ম ১৩ জানুয়ারি, বাংলাদেশের রংপুরে। রংপুরের মিলেনিয়াম ইংলিশ স্কুলে তার স্কুল জীবন শুরু। তখন বাবা হাসানুল কবীর (ডাবলু) কারমাইকেল কলেজের ইতিহাসের অধ্যাপক, আর মা রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক। পরে বাবা-মা ঢাকায় বদলি হয়ে গেলে স্নিগ্ধ শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এই স্কুলেই স্নিগ্ধর প্রথম ভলিবল খেলা শুরু, দিবা ও প্রভাতি শাখার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। ২০০৯ সালে আমেরিকায় এসে পিএস ১৯৯-এ ক্লাস ফাইভে ভর্তি হয় স্নিগ্ধ। তারপর পিএস ২২৬-এ ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েই শুরু ভলিবল খেলা। ইচ্ছাশক্তি দিয়ে স্নিগ্ধ নিজেকে দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে তৈরি করে।

পিএস ২২৬-এর কোচ মাইকেল প্রাটের অন্যতম প্রিয় হয়ে ওঠে স্নিগ্ধর দৃষ্টিনন্দন খেলা। আন্তঃস্কুল ভলিবলে চ্যাম্পিয়ন হয় দল। মিডল স্কুল পার হয়ে স্নিগ্ধ মিডউড হাইস্কুলের ভলিবল দলে যোগ দেন। ওই সময় মিডউড হাইস্কুল চ্যাম্পিয়ন হয়। স্নিগ্ধর পজিশন ছিল তখন রাইট উইং। নিজের দক্ষতা দিয়ে ভলিবল কোচের অপরিসীম স্নেহভাজন হয়ে ওঠেন তিনি। দুর্ঘটনায় কোচের পা ভেঙে গেলে স্নিগ্ধ দলের কোচিং সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্নিগ্ধ বর্তমানে ব্রুকলিন কলেজ ভলিবল দলে খেলছেন লিবারো পজিশনে। ন্যাশনাল কলেজিয়েট অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশন পুরা আমেরিকার ম্যান ভলিবল র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে, যেখানে স্নিগ্ধর অবস্থান তৃতীয়। ৭ ফেব্রুয়ারি ওহাইওতে আন্তঃকলেজ ভলিবল ডিভিশন-৩ এ খেলতে গেছেন স্নিগ্ধ। এর আগে মিশিগানের ডেট্রয়েট ও ক্যালিফোর্নিয়ায় আন্তঃকলেজ ভলিবল টুর্নামেন্টেও অংশ নিয়েছেন তিনি।

আমেরিকা হলো বেসবল, বাস্কেটবল ও ফুটবলের দেশ। সেখানে এত খেলা থাকতে ভলিবলকে বেছে নেওয়ার কারণ কি, জানতে চাইলে স্নিগ্ধ বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এসে আমি প্রথমে এলিমেন্টারি স্কুলে ফিফথ গ্রেডে ভর্তি হই। তারপর মিডল স্কুলে যাই। সেখানে ক্রীড়া শিক্ষক ছিলেন মাইকেল প্র্যাট। তিনি খুব ভালো একজন ভলিবল খেলোয়াড় ও কোচ। তিনিই আমাকে অনুপ্রাণিত করেন প্রচণ্ডভাবে। ওনার কারণেই আমি মিডল স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ভলিবল খেলেছি। এখন যে আমি কলেজে পড়ছি, আমার কোথাও খেলা থাকলে কোচ মাইকেল সেখানে আসেন আমাকে উৎসাহিত করতে। আমার খেলোয়াড়ি জীবনে ওনার অবদানের কথা আমি কোনো দিনই ভুলব না।’

মিডল স্কুলে পড়ার সময় স্নিগ্ধদের দল নিউইয়র্কে যত টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছে, সবগুলোতেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এর কারণ ছিলেন কোচ মাইকেল প্র্যাট-যার ধ্যানজ্ঞানই হলো ভলিবল।

নিউইয়র্কে ভলিবলের জনপ্রিয়তা দিনদিন বাড়ছে। আগে অতটা আগ্রহ ছিল না খেলাটির বিষয়ে। তবে ক্যালিফোর্নিয়া, শিকাগো, নেব্রাস্কায় তুমুল জনপ্রিয় ভলিবল। সেখানে ভলিবলের কাঠামো অত্যন্ত শক্তিশালী। অনূর্ধ্ব-৬ থেকে ওখানে লিগ হয়। আমেরিকা বিশ্ব ভলিবলে একটি সমীহ জাগানো শক্তি। সর্বশেষ বিশ্ব ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপে সেমিফাইনালে খেলেছে আমেরিকা। ২১ বছর বয়সী স্নিগ্ধ পড়াশোনার পাশাপাশি একটি কোম্পানির বিপণন ব্যবস্থাপক। তিনি চান দীর্ঘদিন ভলিবলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে। তাই খেলা ছাড়ার পরে কোচিংয়ে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

বাংলাদেশ জাতীয় ভলিবল দলে খেলার ডাক পেলে খেলবেন কিনা জানতে চাইলে স্নিগ্ধ বলেন, ‘এমন কোনো কথা কখনো ভাবিনি। তবে যদি প্রস্তাব আসে, অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা করে দেখব।’ সূত্র: প্রথম আলো

m79.jpg

ইসরাইলি সাঁতারুদের অংশগ্রহণে নিষেধ করায় মালয়েশিয়া আয়োজক হতে পারবে না বিশ্ব প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে । আন্তর্জাতিক প্যারালিম্পিক কমিটি মালোশিয়াকে আয়োজক কমিটি থেকে বাদ দেয়। ২০১৯ সালে এটি মালোশিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। রোববার আইপিসি জানায়, তবে এটি যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয়টিকে ‘সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ব্যর্থতা’ হিসেবে চিহ্নিত করে প্যারালিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সক্ষম সব ক্রীড়াবিদ ও জাতি যেন প্রত্যেক বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় কোনো বৈষম্য ছাড়াই নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে অংশ নিতে পারেন, তা নিশ্চিত করা উচিত।

আর যখন স্বাগতিকরাই কোনো নির্দিষ্ট জাতির ক্রীড়াবিদদের রাজনৈতিক কারণে ছেঁটে ফেলতে চান, তখন নতুন স্বাগতিক খোঁজা ছাড়া আমাদের কোনো বিকল্প থাকে না।’

জুলাইয়ের জন্য নির্ধারিত এ প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন আয়োজক কারা হতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে অবশ্য এখনো সিদ্ধান্ত জানায়নি কমিটি। এছাড়া এ ব্যাপারে মালয়েশিয়ারও কোনো মন্তব্য মেলেনি।

মালোয়েশিয়া সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিম দেশ। ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে মালয়েশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এবং দেশটির জনগণ ও সরকার সব সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সমর্থন জানিয়ে এসেছে।

এর আগে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদ বলেছেন, আগামী গ্রীষ্মে তার দেশে অনুষ্ঠেয় বিশ্ব প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে ইসরাইলি ক্রীড়াবিদদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

মাহাথির বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইলের দমনপীড়নের মোকাবিলায় ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানানো মালয়েশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির আলোকে চলতি বছর মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ইসরাইলি সাঁতারুদের ভিসা দেয়া হবে না।

মালয়েশিয়ার কুচিং শহরে আগামী ২৫ জুলাই বিশ্ব প্যারা সুইমিং চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হয়ে তা ৪ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা ছিল।

weight-20181201190020.jpg

একজন নারী ভারোত্তোলককে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ যার বিরুদ্ধে, সেই ভারোত্তোলক সোহাগ আলী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বরাবর লেখা এক চিঠিতে মো. সোহাগ আলী বলেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি দেশের প্রচলিত আইনে যে সাজা হয়, তা মাথা পেতে নেবেন। আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীকে সাজা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

একজন নারী ভারোত্তোলককে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে বলে তার মামা মো. নাজমুল হক অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনে। যেখানে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে ভারোত্তোলক মো. সোহাগ আলীর বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশন ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আলাদা আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ইতোমধ্যে ওই নারী ভারোত্তোলকের মা পল্টন থানায় সোহাগ আলীকে আসামি করে মামলা করেছেন।

ভারোত্তোলক সোহাগ আলী খেলার পাশাপাশি ভারোত্তোলন জিমন্যাসিয়াম রক্ষণাবেক্ষণ করেন। এ জন্য তিনি ফেডারেশন থেকে আলাদা পারিশ্রমিকও পান। সোহাগ আলী ভারোত্তোলন ফেডারেশনকে দেয়া চিঠিতে বলেছেন, ‘২৫ নভেম্বর ২০১৮ একজন মহিলা ভারোত্তোলন খেলোয়াড়ের পক্ষে তার তার মামা মো. নাজমুল হক আমার বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ আপনার বরাবর পেশ করেন এবং আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে আমাকে ভারোত্তোলন খেলার সকল কর্মকাণ্ড এবং জিমন্যাসিয়ামের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি প্রদান করা হয়। তারপর আমি বাড়ি চলে যাই।

এ বিষয়ে আমার বক্তব্য হচ্ছে-আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে, বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক ও ভিত্তিহীন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর আমি জাতীয় সার্ভিসেস ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতার জন্য স্টেজ তৈরিসহ অন্যান্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম। পরের দিন থেকে প্রতিযোগিতা থাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে আসা লোকজন ছিলেন ফেডারেশন কার্যালয়ে। বাংলাদেশ আনসারের খেলোয়াড় নাঈম ইসলাম সার্বক্ষণিক আমার সাথে ছিল। এত লোকজনের মাঝে এমন জঘন্য কাজ করা কোনো ব্যক্তির পক্ষে মনে হয় সম্ভব নয়।

মহোদয়, দেশের ভারোত্তোলন যখন তলানির দিকে যাচ্ছে তখনই আপনার মতো একজন সুদক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে ফেডারেশনকে আলোর পথ দেখিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তখনই আমার বিরুদ্ধে এমন ঘৃণিত, জঘন্য ও ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উত্থাপিত করা হয়েছে; যেন আপনাকে বিব্রত ও আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন করে ফায়দা লোটার জন্য কোনো মহল এ উস্কানি দিচ্ছে বলে মনে করি।

আমি সজ্ঞানে ও সুস্থ মস্তিষ্কে বলছি, অভিযোগ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করলে সত্য ঘটনা উদঘাটন হবে। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে কোনো শাস্তি মাথায় পেতে নেবো। অভিযোগ মিথ্যা হলে অভিযোগকারীকে যেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়।

আমি ওই ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার করে যথাযথ বিচারের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।’


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

Newsletter