অন্যান্য Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

miandad-attack-imran-jpg_710x400xt.jpg

বিশ্বকাপজয়ী পাক অধিনায়ক ও দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কঠোর সমালোচনা করেছেন দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ।

তার সমর্থনেই ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মিয়াঁদাদ।

মিয়াঁদাদ বলেছেন, আমার ঘরে এসেই সে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে। আর এখন তার কার্যকলাপ ঈশ্বরের মতো।

ওয়াসিম খানকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সিইও করায় বুধবার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এসব মন্তব্য করেছেন মিয়াঁদাদ।

ইমরান খানের উদ্দেশে পাক দলের এই সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘আমি আপনাকে (ইমরান খান) সবসময় নেতৃত্ব দেয়া একজন মানুষ।

আমি আপনার অধিনায়ক ছিলাম, আপনি নন। কিন্তু এখন আপনার কার্যকলাপ ঈশ্বরের মতো।

ব্যাপারটা এমন যে, আপনিই কেবল দেশের একমাত্র বুদ্ধিমান ব্যক্তি।

আর কেউ মনে হয় অক্সফোর্ড বা কেমব্রিজ বা পাকিস্তানের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যায়নি। মানুষের কথা একবার ভাবুন।’

ইংল্যান্ডের ওয়াসিম খানকে পিসিবির সিইও পদ দেয়ার বিষয়ে ইমরান খানকে একহাত নেন মিয়াঁদাদ।

তিনি বলেন, আপনি গুরুত্বপূর্ণ পদে বিদেশিদের নিয়োগ দিয়েছেন।

আমাদের দেশে কী মানুষের অভাব যে, আপনাকে পিসিবির কাজের জন্য বিদেশ থেকে মানুষ আনতে হবে? এখন যদি দুর্নীতি করে সে দেশ ছেড়ে যায় তখন কী করবেন?’

এসব বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে ইমরান খানের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান মিয়াঁদাদ।

তথ্যসূত্র: ইউটিউব, ইন্ডিয়া টিভি, ডেইলি হান্ট

jewel-20190722163244.jpg

সাঁতার শেষে হয়তো আফগানিস্তানের হেদায়েতুল্লাহ নুরজাদকে বুকে জড়িয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের জুয়েল আহমেদ। না, জুয়েলের ইভেন্ট ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকে হেদায়েতুল্লাহ পদক জেতেননি।

এ আফগান সাঁতারু সবার পেছনে পড়ে মান বাঁচিয়েছেন জুয়েলের। না হলে বাংলাদেশের সাঁতারুর যে অবস্থান হতো পেছন থেকে প্রথমে। অর্থাৎ এ ইভেন্টে অংশ নেয়া ৬৩ জনের মধ্যে সবার শেষে।

দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরে চলমান ফিনা ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে রোববার ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে আরিফুল ইসলাম ৮৭ জনের মধ্যে হয়েছেন ৭৮ তম। সোমবার আরিফুলের চেয়েও বেশি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন জুয়েল আহমেদ। ৬৩ জন সাঁতারুর মধ্যে হয়েছেন ৬২ তম।

এক নম্বর হিটে সাঁতরিয়েছেন জুয়েল আহমেদ। এই হিটে ছিলেন ৪ জন। ১:০৫,০০ মিনিট সময় নিয়ে জুয়েল হয়েছেন তৃতীয়। তার পেছনে ছিলেন আফগানিস্তানের হেদায়েতুল্লাহ। সব হিট মিলিয়ে ৬৩ জনের মধ্যে এই দুই জনই সবার পেছনে। জুয়েল ৬২ তম, হেদায়েতুল্লাহ ৬৩ তম।

জুয়েল ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় এর চেয়ে ভালো টাইমিংয়ে সাঁতরান। এ বছরের শুরুর দিকে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে করা টাইমিংও ধরে রাখতে পারেননি জুয়েল। তিনি প্রথম ৫০ মিটার অতিক্রম করেছিলেন ৩০.২৭ সেকেন্ডে। কিন্তু শেষ ৫০ মিটার যেতে সময় নিয়েছেন ৩৪.৭৩ সেকেন্ড।

এ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে যাওয়া একমাত্র নারী সাঁতারু জোনায়না আহমদে পুলে নামবেন বুধবার। তিনি ওই দিন অংশ নেবেন ২০০ মিটার বাটার ফ্লাইয়ে।

feders.jpg

রজার ফেদেরার, টেনিস ইতিহাসে একাধিক অধ্যায় লিখেছেন তিনি। শনিবার (২ মার্চ) দুবাইয়ে আর এবার লেখালেন ক্যারিয়ারের ১০০তম শিরোপা জিতে। তাও এমন এক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে, যার কাছে মাস দু’য়েক আগেই হেরে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলীয় ওপেনে।

পুরুষ এককের ফাইনালি লড়াইয়ে ফেদেরারের কাছে পাত্তাই পাননি গ্রিসের উঠতি তারকা স্টেফানোস চিচিপাস।৬-৪, ৬-৪ গেমে পরাজয় বরণ করেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি শিরোপা জয়ের উদযাপনে মাতেন সুইস তারকা। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে তিনি প্রথম শিরোপা জেতেন ২০০১ সালে। এর মাঝে রেকর্ড ২০ বার গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন টেনিস সম্রাট।

পুরুষ এককের ইতিহাসে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ১০০ শিরোপা জয়ের মাইলফলক স্পর্শ করলেন ফেদেরার। রেকর্ড ১০৯টি শিরোপা জিতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জিমি কনর্স। আর টেনিস ইতিহাসে রেকর্ড ১৬৭টি শিরোপা জিতে সবার ওপরে মার্তিনা নাভ্রাতিলোভা।

স্বপ্নের এই পথচলায় অসাধারণ মাইলফলক ছোঁয়ায় উচ্ছ্বসিত ফেদেরার। ৩৭ বছর বয়সী টেনিস মহাতারকা বলেন, ১০০তম শিরোপা জেতাটা আমার কাছে একেবারে স্বপ্নের মতো। দেখা যাক আরও কত দিন খেলাটা চালিয়ে যেতে পারি। এখন এমন একটা সময় প্রত্যেকটা রেকর্ডই ভাঙতে পারে। শুধু আমার রেকর্ড নয়। এজন্য আমি খুশি যে, এখনও ফিটনেস ধরে রেখে খেলে যেতে পারছি।

ticket-20190225084804.jpg

খেলাধুলায় সাধারণত পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী ও রানার্স-আপদের জন্য থাকে ট্রফি। আর প্রত্যেক খেলোয়াড়দের জন্যও থাকে অর্থসহ ক্রেস্ট বা মেডেল জাতীয় অন্যান্য পুরস্কার। এবার জুজুৎসু টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ী খেলোয়াড়রা পুরস্কার হিসেবে পাচ্ছেন হজ ও ওমরার টিকিট।

সম্প্রতি রাশিয়ার তাতারাস্তান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কাজানে দেশটির শীর্ষস্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ‘শাহাবুদ্দীন মারদজানি’র স্মৃতিচারণ উপলক্ষে এ খেলার আয়োজন করা হয়। এ খেলায় ১০০ জন মুসলিম ক্রীড়াবিদ জুজুৎস টুর্নামেন্টে অংশগ্রহ করেছেন। যারা এ খেলায় বিজয়ী হবেন তাদের হজ ও ওমরা পালনে পাঠানো হবে।

২০০০ সালের পরে জন্মগ্রহণকারী অনূর্ধ্ব ২০ বছর বয়সী নারী-পুরুষ খেলোয়াড়রা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। নারী-পুরুষদের জন্য আলাদা আলাদা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য যে, জুজুৎসু একটি জাপানি মার্শাল আর্ট খেলা। যা ব্যবহার করে ছোট অস্ত্র ও ঢাল ব্যবহারকারী প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করা যাবে। আত্মরক্ষার এ খেলাকে জুজিৎসু জিউজুৎসু, জিউ জিৎসু নামেও ডাকা হয়।

এই বছরের টুর্নামেন্টের বিজয়ীদেরকে পুরস্কার হিসেবে হজ এবং ওমরায় পাঠানো হবে। আত্মরক্ষামূলক এ ধরণের খেলাধুলা যেমন খুব বেশি প্রয়োজন তেমনি পুরস্কার প্রদানে এ ধরণের ভূমিকাও প্রশংসার দাবি রাখে।