ক্রিকেট Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

sakib46.jpg

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা থেকে ফিরেই বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে খেলছেন সাকিব আল হাসান।

দীর্ঘদিন পর পেশাদার ক্রিকেট খেলতে নেমে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারছেন না জাতীয় দলের এ তারকা অলরাউন্ডার।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে ব্যাটে-বলে নৈপুণ্য দেখাতে ব্যর্থ সাকিব।

সোমবার ঢাকার বিপক্ষে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ৯ বলে মাত্র ১১ রানে রুবেল হোসেনের বলে বোল্ড হন তিনি। এর আগে তিন ম্যাচে ১৫, ১২ ও ৩ রানে আউট হন।

ফ্রাঞ্চাইজি এ টুর্নামেন্টে আগের তিন ম্যাচে বল হাতেও সাফল্য পাননি সাকিব।

প্রথম ম্যাচে ১৮ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করলেও দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ম্যাচে ২৭ ও ১৪ রান খরচ করে কোনো উইকেট পাননি।

সোমবার ঢাকার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২.২ ওভারে ১৩ রানেই আউট খুলনার ওপেনার এনামুল হক বিজয়।

এরপর ছয় রানের ব্যবধানে ফেরেন ব্যাটিংয়ে প্রমোশন নেয়া সাকিব আল হাসান। খুলনার এই ওপেনারকে ১১ রানে বোল্ড করেন রুবেল হোসেন।

তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে তরুণ পেসার শফিকুল ইসলামের বলে বোল্ড জহুরুল ইসলাম অমি।

৩০ রানে প্রথমসারির ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া দলকে খেলায় ফেরান ইমরুল কায়েস ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। চতুর্থ উইকেটে তারা ৫৬ রানের জুটি গড়েন। ২৭ বলে ২৯ রান করে ফেরেন ইমরুল কায়েস।

ctg3.jpg

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। ফরচুন বরিশালকে ১০ রানে হারিয়েছে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে চট্টগ্রাম।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামের দেওয়া ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ উইকটে ১৪১ রানে গুটিয়ে যায় বরিশালের ইনিংস। এর আগে ৭ উইকেটে ১৫২ রান করে মোহাম্মদ মিঠুনের দল। বরিশালকে ১০ রানে হারিয়েছে টানা তৃতীয় জয় পায় চট্টগ্রাম।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে চট্টগ্রাম। দলীয় ২২ রানে সৌম্য সরকারকে (৫) হারালেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান আরেক ওপেনার লিটন দাস। তাকে সঙ্গ দেন মিঠুন (১৭)। চট্টগ্রাম অধিনায়ককে বিদায় করেন সুমন খান।

২৫ বলে ৪ চারে ৩৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটনও। এরপর দলের হাল ধরেন শামসুর রহমান (২৬) ও মোসাদ্দেক হোসেন (২৮)।

জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগত ২ রানে আউট হলেও শেষদিকে ঝড় তুলেন সৈকত আলী। ১১ বলে ১ চার ও ৩ ছয়ে ২৭ রান করে ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন তিনি। ৮ রানে অপরাজিতে থাকেন নাহিদুল ইসলাম।

বরিশালের হয়ে ৪ ওভারে ৪২ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন আবু জায়েদ। একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন সুমন খান, তাসকিন আহমেদ, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মেহেদী হাসান মিরাজ।

১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বরিশালকে ভাল সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার মিরাজ ও তামিম ইকবাল।

তবে দলীয় ২৩ রানে এই জুটি ভাঙেন শরিফুল ইসলাম। মিরাজকে (১৩) সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপর পারভেজ হোসেন ইমনকে (১১) নিয়ে দলকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তামিম। কিন্তু বরিশাল অধিনায়ক ৩২ বলে ৩২ রান করে তৃতীয় উইকেট হিসেবে ফেরত যান মোসাদ্দেকের বলে।

এরপর আফিফ হোসেন (২৪) ও তৌহিদ হোসেন (১৭) ছাড়া আর কেউ উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। ইরফান শুক্কুর ২, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ১০, তাসকিন আহমেদ ২, অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটসম্যান সুমন খান ১৫ ও কামরুল ইসলাম রাব্বির ২ রান কেবল হারের ব্যবধানটুকু কমাতে সাহায্য করে।

চট্টগ্রামের হয়ে ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়া ৩ উইকেট নিয়েছেন শরিফুলও। একটি করে উইকেট ভাগাভাগি করেছেন মোসাদ্দেক ও সৌম্য।

এ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চট্টগ্রাম। তিন ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তিনে বরিশাল।

Mominul_h.jpg

ডান হাতের আঙুলে চিড় ধরায় বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ থেকে ছিটকে গেছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক ও গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। তাকে অন্তত ৪ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের ফিজিও এনামুল হক।

বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপের দুই ম্যাচে দুর্দান্ত জয়। উড়ন্ত সূচনা গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের। কিন্তু টুর্নামেন্টের শুরুর দিকেই তাদের শুনতে হলো দুঃসংবাদ।

জেমকন খুলনার বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় ডান হাতের আঙুলে চোট পান জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক।

সে সময় চোট কতটা গুরুতর সেটা না বুঝেই ব্যাটিংয়ে নামেন মুমিনুল। মাঠ ছাড়েন দলকে জিতিয়ে।

তবে চোট বেশ গুরুতরই ছিল। যার কারণে দলের সঙ্গে মাঠে আসলেও অনুশীলন করেন নি। এক্সরে’র পর জানা গেছে আঙ্গুলে চিড় ধরেছে।

আর ইনজুরি এতোটাই গুরুতর যে, টুর্নামেন্টই শেষ হয়ে গেছে এই ব্যাটসম্যানের!

এ বিষয়ে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের ফিজিও এনামুল হক বলেন, খুলনার বিপক্ষে ম্যাচে আঙুলে চোট পায় মুমিনুল।

এক্সরে করার পর আঙ্গুলে চিড় ধরা পড়ে। যার জন্য এই টুর্নামেন্টে সে আর খেলতে পারবে না। অন্তত ৪ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে গেছে মুমিনুল।

লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে যাওয়ায়, প্রশ্ন উঠছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে খেলতে পারবেন কি না মুমিনুল।

তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর অন্তত এক সপ্তাহ পিছিয়ে যাওয়ায়, সেই সিরিজে তাকে পাওয়ার আশা বিসিবির।

india-australia-image-1606659886.jpg

গ্যালারিতে এক অস্ট্রেলিয়ান তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন ভারতীয় তরুণ।

এমন মুহূর্ত ফুটে ওঠে গ্যালারির স্ক্রীনেও। কয়েক মুহূর্ত যেন থমকে যায় গ্যালারি। বন্ধ থাকে খেলাও।

রোববার (২৯ নভেম্বর) সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচে ঘটে গেলো এমন ঘটনা।

জানা গেছে, দীর্ঘদিনের প্রেমকে পরিণয়ে রূপ দিতে অস্ট্রেলিয়ান সমর্থককে বিয়ের প্রস্তাব দেন ভারতীয় সমর্থক।

কয়েক মুহূর্ত ভেবে সেই প্রস্তাবে সাড়া দেন অসি তরুণী। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় দর্শকদের উল্লাস।

ঘটনা ভারতীয় ইনিংসের ২০ ওভারের সময়। অস্ট্রেলিয়ার ছুড়ে দেয়া ৩৯০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতের সংগ্রহ তখন ২ উইকেটে ১২৬ রান। ক্রিজে ছিলেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি (৪২ বলে ৩৫) ও লোকেশ রাহুল (২৯ বলে ৩০)। ম্যাচ জিততে ভারতের তখন ১৮০ বলে দরকার ২৬৪ রান।

ম্যাচে যখন ভারতের এই অবস্থা, তখন গ্যালারিতে আরও ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তই নেন এক ভারতীয় সমর্থক।

মাঠের খেলাও বন্ধ করে দেয়া হয় কয়েক সেকেন্ডের জন্য। বড় পর্দায় দেখানো হয় এক অস্ট্রেলিয়ান তরুণীর সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আছেন ভারতীয় সমর্থক, হাতে আংটি। বোঝাই যাচ্ছিল, বিয়ের প্রস্তাব দিচ্ছেন সেই ভারতীয় সমর্থক।

ধারাভাষ্য কক্ষে তখন মাইক হাতে ধারাভাষ্যকার বলেই চলেছেন, ‘প্লিজ সে ইয়েস’, ‘প্লিজ সে ইয়েস’।

কয়েক মুহূর্ত পর সেই তরুণী সম্মতি দেন প্রস্তাবে। সঙ্গে সঙ্গে আলিঙ্গনে আবদ্ধ হন দুজনে।

মাঠে থাকা অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল হাততালি দেন ভারতীয় সমর্থকের এ সফলতায়।

Mashrafi-samakal-5cffb67229f00.jpg

অনুশীলন শুরু করলেও আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের আগে পুরোদমে বোলিং করতে পারছেন না মাশরাফি।

সেক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে ম্যাশের খেলার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। জানিয়েছেন বিসিবির ফিজিও বায়জেদুল ইসলাম খান।

তবে ইনজুরি কাটিয়ে ম্যাশের ফিটনেসের দ্রুত উন্নতিতেও সন্তুষ্ট ফিজিও।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ, যেন তারার হাট। সাকিব-তামিম-মুশফিক-রিয়াদ। কে নেই সেখানে। তবে লোকচক্ষুর আড়ালে মাশরাফি।

কিন্তু কোথায় আছেন মাশরাফি?

গত ১৫ অক্টোবরে একক অনুশীলনের সময় পুরনো সেই হ্যামস্ট্রিংয়ের ইনজুরিতে পরেন ম্যাশ। এরপর থেকেই মাঠের বাইরে টাইগারদের এই সাবেক অধিনায়ক। আছেন বিসিবির রিহ্যাব প্রক্রিয়ার মধ্যেই। ম্যাশকে দেখভাল করছেন বিসিবির মেডিকেল টিম।

সেখান থেকেই এল সুখবর। দ্রুতই নাকি উন্নতি হচ্ছে মাশরাফির। ইতোমধ্যে শুরুও করে দিয়েছেন অনুশীলন।

তবে পূর্ণ রিদম ফিরে পেতে লাগবে আরও কিছুদিন।

বিসিবির ফিজিও বায়জেদুল ইসলাম খান বলেন, যথেষ্ট ভালো আছেন মাশরাফি। আগের চেয়ে উন্নতি হয়েছে।

তবে আরো কিছুদিন অপেক্ষায় থাকতে হবে। আরো কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে থাকতে হবে।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় আছে।

গুঞ্জন ছিল চলতি বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের মাশরাফিকে স্কোয়াডে পেতে নাকি যোগাযোগ করেছিল একাধিক দল।

বাকি ছিল শুধু সুস্থতার অপেক্ষা। তবে বাস্তবতার আলোকে আসর চলাকালীন ম্যাশের পূর্ণ সুস্থতার সম্ভাবনা ক্ষীণই দেখছেন এই বিসিবি ফিজিও।

১৯ ডিসেম্বর পর্দা উঠছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের। এরপরই ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সিরিজের জন্য প্রস্তুতি শুরু করবে টিম টাইগার্স।

টি-টোয়েন্টিকে আগেই গুডবাই বলে দেয়া মাশরাফি, থাকবেন তো ওয়ানডে স্কোয়াডে? সুস্থতার সঙ্গে যেখানে ম্যাশকে নিতে হবে, পারফর্মেন্স প্রমাণের চ্যালেঞ্জও।

russel6.jpg

শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়লেন ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেল।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে কলম্বো কিংসের হয়ে মাত্র ১৪ বলে গল গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে ফিফটি পান ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

এর আগে শ্রীলঙ্কার মাটিতে সর্বোচ্চ ২০ বলে ফিফটি পেয়েছিলেন গল গ্ল্যাডিয়েটরসের অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি।

বৃষ্টিতে গল ও কলম্বোর ম্যাচটি নেমে আসে ৬ ওভারে। টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে কলম্বোর অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুউস রাসেলকে ওপেনিংয়ে পাঠান।

পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমিরের করা প্রথম বলে রান পাননি রাসেল। পরের পাঁচ বলে রাসেল ছয় মারেন দুইটি, চার তিনটি। অতিরিক্তসহ আমির প্রথম ওভারেই দেন ২৬ রান।

দ্বিতীয় ওভারে ফার্নান্দোকে এক ছক্কা ও তিন চার হাঁকান রাসেল। ব্যাটিংয়ের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন পরের ওভারগুলোতেও।

চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে আমিরকে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে পঞ্চাশে পৌঁছান রাসেল। ১৪ বলে রাসেল পৌঁছে যান ল্যান্ডমার্কে।

টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি তার দ্রুততম ফিফটি। এর আগে ২০১৫ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ১৯ বলে ফিফটি ছুঁয়েছিলেন রাসেল।

ফিফটির পরও থামেননি তিনি। ১৯ বলে খেলেন ৬৫ রানের ইনিংস। ৯ চার ও ৪ ছক্কায় সাজান তার ইনিংসটি।

১০ বলে ২১ রান করে দলের দাবি মেটান লরি ইভান্স। সব মিলিয়ে ৬ ওভারে ৯৬ রানের পুঁজি পায় কলম্বো।

লক্ষ্য তাড়ায় ৬২ রানের বেশি করতে পারেনি গল। গুনাথিলাকা ১৫ বলে ৩০ করলেও বাকিরা ঝড়ো ব্যাটিং করতে পারেননি।

আফ্রিদি ৬ বলে করেন মাত্র ১২ রান। আজম খান ৩ বলে করেন ১০। ৩৩ রানে জয় পায় রাসেলের দল কলম্বো। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠে তার হাতে।

pakistan-newzealand.jpg

পাকিস্তান সফরে যেতে সম্মতি জানিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

১৫ বছর পর আগামী বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে পাকিস্তান সফরে যেতে পারে কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।

নিউজিল্যান্ডের ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম অনুসারে আগামী বছরে পাকিস্তান সফরে তিনটি ওয়ানডে এবং তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার খেলার কথা রয়েছে ব্লাকক্যাপসদের।

আগামী বছরের অক্টোবরে করাচিতে দুটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের।

সবশেষ ২০০৫ সালে পাকিস্তান সফর করেছিল ইংলিশ ক্রিকেটাররা।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ম্যানেজার রিচার্ড বুক পাকিস্তান সফরের বিষয়ে বলেন, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আমরা তাকিয়ে আছি ইংল্যান্ডের দিকে। পরিস্থিতি বুঝে আমরা খেলোয়াড় এবং প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।

নিউজিল্যান্ডের প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের চিফ এক্সিকিউটিভ হিথ মিলস বলেছেন, এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করার আগে পুরোপুরি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হেব।

ind-vs-aus-759.jpg

অস্ট্রেলিয়া সফরের শুরুতেই তিক্ত স্বাদ পেল বিরাট কোহলির ভারত। সিডনিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তাদের হেসেখেলেই হারিয়েছে স্বাগতিকরা। ৬৬ রানের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অ্যারন ফিঞ্চের দল।

ভারতকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন তাদের বোলাররাই। বুমরাহ-চাহালদের তুলোধুনো করে ৬ উইকেটে ৩৭৪ রানের বড় পুঁজি গড়ে অস্ট্রেলিয়া। যা কিনা ভারতের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। জোড়া সেঞ্চুরি করেন অ্যারন ফিঞ্চ আর স্টিভেন স্মিথ।

শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালাতে থাকেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ডেভিড ওয়ার্নার আর অ্যারন ফিঞ্চ উদ্বোধনী জুটিতেই তুলেন ১৫৬ রান। ৭৬ বলে ৬৯ রান করা ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে এই জুটিটি শেষ পর্যন্ত ভাঙেন মোহাম্মদ শামি। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি কিছুই।

দ্বিতীয় উইকেটে আবারও তাণ্ডবলীলা শুরু করেন ফিঞ্চ-স্মিথ। এবার তাদের জুটিতে আসে ১০৮ রান। ১২৪ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ১১৪ রান করে জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার হন ফিঞ্চ। এরপর মার্কাস স্টয়নিস ইয়ুজবেন্দ্র চাহালের ঘূর্ণিতে গোল্ডেন ডাকে ফিরলেও অস্ট্রেলিয়ার রানের বানে বাঁধ দিতে পারেনি ভারত।

স্মিথ হাজির হন অগ্নিমূর্তিতে, সঙ্গে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। মাত্র ১৯ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৪৫ রান করে ম্যাক্সওয়েল সাজঘরে ফিরলেও ঝড়ো সেঞ্চুরি তুলে নিতে ভুল করেননি স্মিথ। ইনিংসের তিন বল বাকি থাকতে অবশেষে সাজঘর দেখেন অস্ট্রেলিয়ার রানমেশিন। ৬৬ বলে ১১ চার আর ৪ ছক্কায় করেন ১০৫ রান।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে যা একটু ভালো করেছেন শামি। ৫৯ রানে ৩টি উইকেট নেন ডানহাতি এই পেসার। বাকিদের রান খরচের হাল দেখলে লজ্জা পাবেন সমর্থকরা। বুমরাহ ১০ ওভারে ৭৩, নভদ্বীপ সাইনি ১০ ওভারে ৮৩, ইয়ুজবেন্দ্র চাহাল ১০ ওভারে ৮৯ আর রবীন্দ্র জাদেজা ১০ ওভারে খরচ করেন ৬৩ রান।

জবাব দিতে নেমে ১০১ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে পড়ে ভারত। বিরাট কোহলি (২১ বলে ২১), লোকেশ রাহুলরা (১৫ বলে ১২) সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মায়াঙ্ক আগারওয়াল ১৮ বলে ২২ আর শ্রেয়াস করেন ২ বলে ২ রান।

বিপর্যয়ে পড়া দলকে টেনে তুলতে চেষ্টা করেছিলেন শিখর ধাওয়ান আর হার্দিক পান্ডিয়া। পঞ্চম উইকেটে ১২৮ রানের জুটিতে কিছুটা আশার সঞ্চার করেছিলেন তারা। কিন্তু ৮৬ বলে ৭৪ রান করে ধাওয়ান অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণিতে ধরা পড়লে সেই আশা শেষ হয়ে যায় ভারতের।

মারকুটে হার্দিক পান্ডিয়া সেঞ্চুরির বেশ কাছে গিয়ে জাম্পারই শিকার হন। ৭৬ বলে ৭ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় এই অলরাউন্ডার তখন ৯০ রানে। পরের দিকে রবীন্দ্র জাদেজা (৩৭ বলে ২৫), নভদ্বীপ সাইনিরা (৩৫ বলে অপরাজিত ২৯) দলকে কোনোমতে তিনশর ঘর পার করে দিয়েছেন। কিন্তু জয়ের পেছনে ছোটার সাহস হয়নি ভারতের, থেমেছে ৮ উইকেটে ৩০৮ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে জাম্পা ৫৪ রানে নেন ৪টি উইকেট। ৫৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট শিকার জস হ্যাজলেউডের।

afridi75.jpg

শ্রীলংকান প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) রীতিমতো ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়েছেন শহীদ আফ্রিদি।

গল গ্ল্যাডিয়েটর্সের ব্যাটিং বিপর্যয়ের দিনে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন অধিনায়ক আফ্রিদি।

শুক্রবার হাম্বানটোটার মাহিন্দ্র রাজাপাকশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এলপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচে জাফনা স্ট্যালিয়নসের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শহীদ আফ্রিদি।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৪ রানে ফেরেন চাঁদউইক ওয়ালটন (৪)। তিনে ব্যাটিংয়ে নামা আজম খানের সঙ্গে ৩৪ রানের জুটি গড়েন অন্য ওপেনার ধানুস্কা গুনাথিলাকা।

সাজঘরে ফেরার আগে ৩০ বলে ৭টি চারের সাহায্যে ৩৮ রান করেন তিনি। ১৮ বলে ২০ রান করে আউট হন আজম খান। ২০ বলে ২১ রান করে ফেরেন ভানুকা রাজাপাকশে।

১৩.৩ ওভারে ৯৩ রানে ৫ উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন আফ্রিদি। শিহান জয়সুরিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে গড়েন ৬২ রানের জুটি।

এই জুটিতে শহীদ আফ্রিদি একাই সংগ্রহ করেন ২৩ বলে ৬টি ছক্কা আর তিনটি চারের সাহায্যে ৫৮ রান।

ডুয়ান ওলিভিয়ারের করা ১৮তম ওভারের প্রথম পাঁচ বলে ৪টি ছক্কা হাঁকান আফ্রিদি। শেষ বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি।

habibul-bashar-sumon.jpg

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও জাতীয় দলের নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মুক্ত হয়েছেন।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।

হাবিবুল বাশার সুমন জানান, মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) করোনা টেস্ট করানোর পর আজ ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

তবে ফের একবার ফুসফুসে সংক্রমণের পরীক্ষা করিয়েছেন তিনি, যার ফলাফল হাতে পাবেন আগামীকাল।

গত ১২ নভেম্বর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হন বাশার।

কয়েকদিন পর জটিলতা বাড়লে পরীক্ষা করিয়ে গত ১৬ নভেম্বর চিকিৎসকের কাছে গেলে জানা যায় তার ফুসফুসে ইনফেকশন হয়েছে।

যার কারণে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সাবেক অধিনায়ক।