ক্রিকেট Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

d212.jpg

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২০ সালের আসরে নতুন দুটি দল অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই নতুন দুই দলের যে কোনো একটির অধিনায়ক হতে পারেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।

এ ব্যাপারে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় স্পোর্টসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকট্রেকার। খবরে বলা হয়, অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানসহ পাঁচজন তারকা ক্রিকেটার।

গত কয়েক আসরে আইপিএলে ৮টি দল অংশ নেয়। তবে ২০১১ সালে কচি তুসকার কেরালা ও পুনে ওয়ারিয়র্স ইন্ডিয়াসহ মোট ১০টি দল অংশ নিয়েছিল।

আসন্ন আইপিএলেও ১০টি দল অংশ নেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন দুটি দল অংশ নিলে দুই দলের জন্য দুইজন অধিনায়কও প্রয়োজন হবে। নতুন দুই দলের সম্ভাব্য অধিনায়ক হওয়ার তালিকায় ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক ইয়ন মরগানের সঙ্গে আলোচনায় আছেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ৬০৬ রান সংগ্রহের পাশাপাশি বল হাতে শিকার করেন ১১ উইকেট। বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার আইপিএলে দীর্ঘদিন ধরেই খেলে আসছেন।

নতুন দুই দলের সম্ভাব্য অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে আছেন ভারতীয় টেস্ট ব্যাটসম্যান করুন নায়ার।কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দীর্ঘদিন ধরে খেলা ওপেনার রবিন উথাপ্পা। আইপিএলে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে খেলা ভারতীয় সাবেক তারকা ক্রিকেটার পার্থিব প্যাটেলও আছেন।

cric777.jpg

ফিটনেস ক্যাম্পের প্রথম দিনে ক্রিকেটাররা হাসিমুখে শুরু করেন ফিটনেস টেস্ট। ফিটনেস কতটা ভালো অবস্থায় আছে, সেটি প্রমাণ করতে মাঝে যে কষ্টটা করতে হয় তাতে হাসি থাকার কথা নয়।

সোমবার (১৯ আগস্ট) পরীক্ষা বা ব্লিপ টেস্ট শেষে বাংলাদেশ দলের ট্রেনারও খুশি হতে পারেননি খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে। পরীক্ষা শেষে হাসিটা কোথাও যেন উধাও হয়ে যায় ক্রিকেটারদের।

ফিটনেস পরীক্ষায় সবচেয়ে ভালো করেছেন দীর্ঘ সময় পরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পাওয়া জহুরুল ইসলাম। ব্লিপ টেস্টে পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১২.৩। পেসার আবু জায়েদও ১২.৩ পেয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২.২ পেয়েছেন ফরহাদ রেজা। ফরহাদ সবশেষ আন্তর্জাতিক খেলেছেন সাড়ে পাঁচ বছর আগে। লম্বা সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা দুজন ক্রিকেটারের ফিটনেসে ভালো করলেও বাংলাদেশ দলের নিয়মিত ক্রিকেটাররা খুব একটা ভালো করতে পারেননি। সবারই নম্বর গড়ে ১০-১১।

মারিও বলছে, রানিং, স্কিল, স্ট্রেংথ ফিটনেসে কে কোথায় আছে সেটা জানতে হবে। যেখানে যেখানে কাজ করা দরকার সেখানে সেখানে কাজ করতে হবে। কিছু খেলোয়াড়ের ফিটনেস নিয়ে আরও কাজ করার দরকার, আবার যারা ভালো অবস্থায় আছে তাদের আরও উন্নতি করতে হবে।

kash44.jpg

কিছুদিন আগেই জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ মর্যাদা তুলে নিয়ে সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল ভারত। জরুরি অবস্থার সময় কাশ্মীরে টেলিভিশন, স্যাটেলাইট, টেলিফোন, মোবাইলফোন, বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেটসহ সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিশ্ব থেকে পুরো আলাদা হয়ে পড়েছিল কাশ্মীর।

ধীরে ধীরে সেই অবস্থা স্বাভাবিক হলেও এখনও পুরোদমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসেনি কাশ্মীরের উপত্যকায়।

পরিস্থিতি দিন দিন স্বাভাবিক হলেও বিশাখাপত্তমে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ভিজি ট্রফির জন্য ক্রিকেটারদের খুঁজে পাচ্ছে না জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। যে কারণে প্রতিযোগিতা থেকে নাম তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

জম্মু-কাশ্মীর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহ বুখারি জানান, কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি ধীর ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তবে এখনও যা অবস্থা, তাতে ভিজি ট্রফিতে দল পাঠানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

শাহ বুখারি আরও বলেন, সব থেকে বড় সমস্যা হলো ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। অ্যাসেসিয়েশনে সব ক্রিকেটারের ফোন নম্বর রয়েছে। তবে উপত্যকায় মোবাইল ফোন কাজ করছে না, তাই ক্যাপ্টেন পারভেজ রসুলসহ দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমরা কথা পর্যন্ত বলতে পারিনি। এমনকি আমরা জানি না রসুল এই মুহূর্তে কোথায় রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ক্রিকেটারদের খোঁজ করার জন্য আমরা গাড়ি পাঠাতে পারতাম। তবে আমরা জানি না তাদের গ্রামের বর্তমান পরিস্থিতি কেমন। তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি। যেহেতু এটা একটা স্থানীয় টুর্নামেন্ট। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) টুর্নামেন্ট নয়, তাই এই মৌসুমে ভিজি ট্রফিতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সূত্র: কলকাতা ২৮

domingo-20190819080559.jpg

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচিং স্টাফের রুমটা যেন এক খন্ড দক্ষিণ আফ্রিকা। হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর মনেই হবে না যে দেশের বাইরে কাজ করছেন। এখানে যে বাকিদের প্রায় সবাই তারই পুরনো বন্ধু!

নেইল ম্যাকেঞ্জি আর রায়ান কুক আগেই ছিলেন। ম্যাকেঞ্জি টাইগার দলের ব্যাটিং কোচ, কুক ফিল্ডিংয়ের দায়িত্বে। কদিন আগে পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চার্লস ল্যাঙ্গাভেল্ট। এবার তাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো।

বাকি রইলেন একজন, স্পিন কোচ। ল্যাঙ্গাভেল্টকে নিয়োগ দেয়ার দিনই স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে। তিনি নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার। অর্থাৎ এখন বাংলাদেশের কোচিং স্টাফের পাঁচ সদস্যের মধ্যে চারজনই দক্ষিণ আফ্রিকান। ডোমিঙ্গোর কাজ করতে সুবিধাই হবে।

ডোমিঙ্গোর জন্য অবশ্য আরেকটি সুবিধা আছে। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ থাকার সময় ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তার সহকর্মীই ছিলেন ল্যাঙ্গাভেল্ট আর ম্যাকেঞ্জি। এখানেও তারা সহকর্মী হচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে রোমাঞ্চিত টাইগারদের নতুন হেড কোচ। ‘ক্রিকইনফো’কে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘তাদের সঙ্গে মিলে দারুণ একটা ম্যানেজম্যান্ট হবে। চার্ল (ল্যাঙ্গাভেল্ট) দুর্দান্ত একজন বোলিং কোচ। রায়ানেরও কাজের নীতি ভালো, ফিল্ডিং নিয়ে সে আলাদাভাবে ভাবে। নেইল (ম্যাকেঞ্জি) দারুণ একজন মানুষ। আমি মঙ্গলবার আসছি। ম্যানেজম্যান্টের বাকিদের সঙ্গে মিলে আমিও একটা আইডিয়া বের করতে পারব। চেষ্টা করব, যে জায়গাটায় ঘাটতি আছে তা পূরণ করার। এই মুহূর্তে আমি এই তিনজনের সঙ্গে মিলতে মুখিয়ে রয়েছি।’

Indian-Cricketer.jpg

ভারতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ সিরিজে অংশ নিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। তার আগে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে ভারত।

বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট দল যখন খেলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে একটি মেইল বার্তা এসেছে।

সেখানে বলা হয়েছে ক্যারিবীয় সফরে ভারতীয় দলের ওপর হামলা হতে পারে। বিষয়টি জানার পরও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) অবহিত করেছে।

এ ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় স্পোর্টসভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকট্রেকার।

এমন এক সময় এই হামলার আশঙ্কা করা হচ্ছে যখন কাশ্মীর সংকট নিয়ে পরমাণুশক্তিধর দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

shakib-20190818203944.jpg

ইংল্যান্ডের সাথে ম্যাচে তার ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ পছন্দ হয়নি। আর আফগানিস্তানের সাথে ম্যাচের আগে তিনি পুরোপুরি সুস্থ্ও ছিলেন না। তাই অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার কাছে সাকিব আল হাসান অনুরোধের সুরে বলেছিলেন-‘রিয়াদ ভাইকে রেস্ট দিন।’

পরে বিষয়টি ডালপালা গজিয়েছে। তা নিয়ে রাজ্যের কথাবার্তা শোনা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা, পর্যালোচনা সমালোচনার ঝড় বয়ে গেছে। অনেকের কাছে এটা রীতিমত চাঞ্চল্যকর তথ্য বলেও মনে হয়েছে।

কিন্তু আসল কথা হলো, একটা দলের ভেতরে এমন ঘটনা ঘটে। কোচ, অধিনায়ক, সহ-অধিনায়ক আর ম্যানেজার ও নির্বাচকরা বসে যখন একাদশ চূড়ান্ত করেন, তখন অনেকের বিষয়েই কথা হয়। এটা হয়ে আসছে। এখনো হয়। হয়তো আগামীতেও হবে।

মাশরাফির কাছে সাকিবের মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে না খেলানোর অনুরোধটা ছিল ঠিক তেমনি। এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো আফগানিস্তানের সাথে ম্যাচের আগের দিন অফিসিয়াল প্রেস মিটে অধিনায়ক মাশরাফি আসেননি। এসেছিলেন কোচ স্টিভ রোডস।

মাশরাফি প্র্যাকটিস শুরুর আগে স্টেডিয়ামের এক কোণে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপে কথা প্রসঙ্গে এবং উদাহরণ টানতে গিয়ে শতভাগ অফ দ্য রেকর্ড মানে না লিখার শর্তে বলেছিলেন, ‘আমার তো দিন প্রায় শেষ। এটাই শেষ বিশ্বকাপ। এরপর তো সাকিবই ক্যাপ্টেন হবে। সাকিব অধিনায়ক হলে কিন্তু অনেকেরই খবর আছে। সাকিব অধিনায়ক হিসেবে খুবই সিরিয়াস এবং হার্ড টাইপের। সে মাঠের পারফরম্যান্সকে খুব সিরিয়াসলি নেয়। কেউ এক ম্যাচ ভাল খেলতে না পারলে আর অ্যাপ্রোচটা ঠিক না থাকলে তাকে বাদ দিতেও দ্বিধা করবেনা। এই যেমন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাহমুদউল্লাহর স্লো ব্যাটিং (৩৮৭ রান তাড়া করে ৪১ বলে ২৮) দেখে তাকে এক ম্যাচ না খেলানোর কথা বলেছিল সাকিব।’

আর সবার মত এ প্রতিবেদকও ছিলেন ঐ আড্ডায়। এবং সবচেয়ে বড় কথা মাশরাফি তার হাত ধরে না লেখার অনুরোধ করেছিলেন। জাগো নিউজে সে তথ্য প্রকাশিত না হলেও কেউ না কেউ তা লিখে ফেলেন। এবং তা নিয়ে খানিক মনোমালিন্যও সৃষ্টি হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সাথে হারলেও মিচেল স্টার্ক, কামিন্সদের বিপক্ষে ১৩৮.০০ স্ট্রাইকরেটে ৫০ বলে ৬৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একটু বেশি রিয়্যাক্ট করে ফেলেছিলেন। এবং ড্রেসিং রুমে ফিরেও নাকি বেশ উচ্চবাচ্য করেন এবং তিনি ফুরিয়ে যাননি, তারও পর্যাপ্ত সামর্থ্য আছে ভাল খেলার-এসব কথা বলেন। সব মিলে ড্রেসিংরুমে একটু অস্বস্তিকর পরিস্থিতির উদ্রেক ঘটে।

বিশ্বকাপের সময় তিনি আর মিডিয়ার সাথে কথা বলেননি। কোন ইন্টারভিউ দেয়া দূরে থাক, কোন ম্যাচের আগে ও পরেও মাহমুদউল্লাহকে মিডিয়ার সাথে কথা বলতে পাঠানো হয়নি। তবে আজ (রোববার) অনেকদিন পর শেরে বাংলায় মিডিয়ার সামনে কথা বলতে এসে সেই প্রশ্নর মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহর দাবি, যা রটেছে, তেমন কিছুই হয়নি। ঘটনাটি নাকি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। দলের কারো সাথে তার কোনরকম গন্ডগোল হয়নি। ড্রেসিং রুমের পরিবেশও ঠিক ছিল।

এ সম্পর্কে মাহমুদউল্লাহর ভাষ্য এরকম, ‘আমার মনে হয়, ঐ ধরনের জিনিস নিয়ে কথাবার্তা না বলাই ভালো। আমি ঐ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। শুধু একটা কথা বলতে চাই। কিছু কিছু জিনিস যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে সেভাবে হয়নি। উপস্থাপন ভিন্নভাবে হতে পারতো। শুধু এটুকুই বলতে চাই। আমার মনে হয় না, দলের কারো সাথে আমার কোনও গণ্ডগোল হয়েছে। আমরা যথেষ্ট ভালো বন্ধু। ড্রেসিং রুমে আপনারা চাইলে আসতে পারেন, আমরা কিভাবে কথা বলি বা কিভাবে মজা করি দেখতে পারেন। আপনারা সবাই আমন্ত্রিত। ছোটো হোক বড় হোক, আমরা একে অপরের সাথে কতটুকু ভালোভাবে থাকতে পারি, দেখতে পারেন আপনারা। আমি আমার দিক থেকে শতভাগ চেষ্টা করে যাচ্ছি, আমি যেন সবার সাথে ভালোভাবে থাকতে পারি। সবসময় এই কথা বলে এসেছি। আমি চাই আগামী দিনেও এই কথা বলতে।’

mahmud-20190818174808.jpg

বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে দ্বন্দ্ব! ভারতীয় এক অনলাইনের সূত্র ধরে কিছু যাচাই বাছাই না করেই এমন খবর প্রকাশ করে বাংলাদেশের কয়েকটি নিউজ পোর্টাল। বিশ্বকাপ চলার সময় সাকিব আল হাসান আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মধ্যে ঝামেলা লেগেছিল, এমন দাবিই করেছেন তারা।

এ খবর বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে সময় নেয়নি। অনেকেই ধরে নিয়েছেন, ড্রেসিংরুমে সাকিব-মাহমুদউল্লাহর মধ্যে ঝামেলা বেধেছিল। তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আজ (রোববার) তার ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজ থেকে এক ভিডিওবার্তায় এমন গুঞ্জনকে মিথ্যা বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন।

ঘটনাটা ছড়ায় বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচের পর। ওই ম্যাচে ৩৮৭ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি তুলে নেন সাকিব আল হাসান। একটা সময় তার সঙ্গী হিসেবে ক্রিজে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ ২০ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১৯০ রানের মতো।

সাকিব নাকি এ সময় মাহমুদউল্লাহকে চালিয়ে খেলতে বলেছিলেন। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ নিজের মর্জিমতো ধীরে এগোতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৪১ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় এই অলরাউন্ডারকে।

মাহমুদউল্লাহর এমন ব্যাটিং দেখে নাকি খেপে গিয়েছিলেন সাকিব। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে বলেছিলেন, পরের ম্যাচ থেকে যেন মাহমুদউল্লাহকে আর একাদশে রাখা না হয়। এ নিয়েই ড্রেসিংরুমে একচোট হয়ে গিয়েছিল সাকিব-মাহমুদউল্লাহর। যদিও এসবই বাতাসের গুঞ্জন। তাতে রস ঢেলেছে ভারতীয় এক অনলাইন পত্রিকা। বাংলাদেশের অনেক নিউজ পোর্টাল একে চটকদার আইটেম বানিয়েছে।

এবার ওই দ্বন্দ্বের খবর নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ। নিজের ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে মাহমুদউল্লাহ এক ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘আশা করি সবাই ভালো আছেন। কিছুক্ষণ আগে অনলাইন নিউজে একটা খবর দেখলাম যে, সাকিবের সাথে ড্রেসিংরুমের ঘটনাটাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আসলে সাকিবের সাথে আমার কোনো ধরনের দ্বন্দ্ব বা সমস্যা কিছুই হয়নি। আমরা অনেক দিন ধরেই একসাথে খেলছি। আমরা খুবই ভালো টিমমেট ছিলাম, এখনও আছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব।’

‘আমার মনে হয় এটা মিথ্যা একটা কথা যে, সাকিবের সাথে আমার কোনো রকমের ইস্যু হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ জিনিসটা আমার মনে হয়েছে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এজন্যই আমার এই ভিডিওটা পাঠানো। সামনে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলা আছে। সবার জন্য দোয়া করবেন যেন আমরা বাংলাদেশের হয়ে ভালো খেলতে পারি। আসসালামু আলাইকুম।’

domingo-20190817142837-1.jpg

অনেক জল্পনা-কল্পনার অবসান করে বাংলাদেশের নতুন কোচ নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নতুন কোচ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ রাসেল ডমিঙ্গো টাইগারদের প্রধান কোচ হিসেবে দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন।

গতকাল শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বাংলাদেশর প্রধান কোচ হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেন।

বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি প্রাপ্যতা। সে (রাসেল ডমিঙ্গো) বলেছে আমার কোনো ছুটির দরকার নেই। আমার কোনো পিছুটান নেই। আমি এই খেলোয়াড়দের সঙ্গেই সময় দিতে চাই।’

বাংলাদেশের প্রধান কোচ আগামী ২১ আগস্ট বাংলাদেশ আসবেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হবে তার মিশন। ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে এ টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে।

এর পরেই আছে ত্রিদেশীয় সিরিজ। আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে এই সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এই দুটি সিরিজ শুরুর আগে ডোমিঙ্গোর হাতে সময়ও বেশি নেই।

কত টাকা বেতনে ডমিঙ্গো বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসছেন? এমন প্রশ্ন বিসিবি সভাপতি এড়িয়ে গেছেন। তবে এক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, ডমিঙ্গোর বেতন ২০ হাজার ডলারের (প্রায় ১৭ লাখ) কম নয়। বরং তার চেয়ে বেশি।

অর্থ্যাৎ ২১-২২ হাজার ডলার (১৭ থেকে ১৮ লাখ) হতে পারে মাসে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার ডলার বেতন পেতেন হাথুরুসিংহে। সদ্য বিদায় নেওয়া রোডস পেতেনে ১৭ থেকে ১৮ হাজার ডলার। তবে বাংলাদেশ পারফর্মেন্স ভালো করলে বেতন ভাতাদি বাড়তে থাকবে। দেওয়া হবে বোনাসও।

সূত্র আরও জানিয়েছে, এ ছাড়া সঙ্গে থাকবে আবাসন সুবিধা। থাকবে সার্বক্ষণিক ড্রাইভারসহ গাড়ি। দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে নিরাপত্তাকর্মীও। কোচরা সাধারণত ইচ্ছামতো দুই জায়গায় থাকতে পারেন। গুলশান-বনানীতে অথবা কোনো পাঁচতারকা হোটেলে। যেখানেই থাকুক না কেন খরচ বিসিবির।

২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কোচিংয়ের যাত্রা শুরু করেন ডমিঙ্গো। পরের বছরই ২০১৩ সালে গ্যারি কারেস্টেনের জায়গায় সব ফরম্যাটে তিনি দায়িত্ব নেন। এর আগে আরেক দক্ষিণ আফ্রিকান বোলার শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্টকে দুই বছরের চুক্তিতে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি।

16-10.jpg

জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাব্বির রহমান চলতি বছর মার্চে বান্ধবী অর্পার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন। তবে খেলা থাকায় তখন বিবাহোত্তর সংবর্ধনা করতে পারেননি তিনি।

সংবর্ধনা উপলক্ষে তিনি চার দিনব্যাপী বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। যার প্রথম ধাপ হিসেবে শনিবার (১৭ আগস্ট) হয়ে গেল জাঁকজমকপূর্ণ হলুদ অনুষ্ঠান।

রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে হলুদ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শেষ হবে আগামী ২৫ আগস্ট রাজশাহীতে বৌভাত দিয়ে।

রোববার (১৮ আগস্ট) কনেপক্ষের বাড়িতে বরযাত্রী অনুষ্ঠান। একদিন বাদে ২০ তারিখ হবে বৌভাত। এরপর স্ত্রীকে নিয়ে নিজ গ্রাম রাজশাহীতে যাবেন তিনি। সেখানে নিজের এলাকায় ২৫ আগস্ট আরেকটি বৌভাত অনুষ্ঠানের বন্দোবস্ত করেছেন মিডলঅর্ডার এই ব্যাটসম্যান।

বিয়ে উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দাওয়াত দিয়েছেন সাব্বির রহমান। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বিয়ের দাওয়াত কার্ড তুলে দেন তিনি।

m33d.jpg

বাংলাদেশ ক্রিকেটে এক আক্ষেপের নাম জুনায়েদ সিদ্দিকী! তবে এই ক্রিকেটার এখন নিজে আর আক্ষেপ না করলেও রয়েছে চাপা দীর্ঘ শ্বাস। এখনও জাতীয় দলের খেলা ছাড়েন নি তিনি। কিন্তু মাঝে মাঝেই গণমাধ্যমে নিজের নামের পাশে জাতীয় দলের ‘সাবেক ক্রিকেটার’ কথাটি দেখলে কষ্ট পান।

এক সময়ে জাতীয় দলের ওপেনিং পজিশনে দুর্দান্ত ব্যাটিং করতেন জুনায়েদ সিদ্দিকী। কিন্তু পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতার অভাবে সময়ের ব্যবধানেই হারিয়ে যান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের ঘোষণার আগেই ‘সাবেক’ হয়ে গেছেন তিনি।

জাতীয় দলের ‘সাবেক’ এ তারকা ক্রিকেটার নিজের মেয়েকে হাফেজা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।

শনিবার রাতে সঙ্গে একান্ত আলাপে জুনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে এবার উমরাহ করে এসেছি। আমার খুব ইচ্ছা আছে মেয়ে সুবহানা সিদ্দিকা জুনায়রাকে হাফেজা হিসেবে গড়ে তোলার। ওর এখন এক বছর ৮ মাস বয়স চলে, আশা করছি বড় হলে হাফেজা হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।

একটা সময়ে স্মার্ট এবং ফ্যাশনেবল জীবনযাপন করা জুনায়েদ এখন ধর্মীয় বিধি-বিধান মেনে চলছেন। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, আগে ক্যাজুয়েল জিন্স-টিশার্ট সবকিছুই পরতাম। এখন বেশিরভাগ সময় পাঞ্জাবি-পাজামাই পরি। খেলার সময় ট্রাউজার-ট্র্যাকস্যুট পরি। এখন পোশাকের প্রতি আগের আকর্ষণটা নেই।

জুনায়েদ জাতীয় দলে সর্বশেষ খেলেছেন ২০১২ সালে। ২০১২’র পর তার আর জাতীয় দলের কোনো ফরমেটে খেলা হয়নি এ ক্রিকেটারের। ১৯টি টেস্ট, ৫৪টি ওয়ানডে ও ৭ টি-টোয়েন্টি খেলা জুনায়েদ সিদ্দিকী আক্ষেপ নিয়ে এখন ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে যাচ্ছেন। বর্তমানে তার বয়স ৩০ বছর ছাড়িয়ে গেছে, তবুও জাতীয় দলে ফেরার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

তবে এই ক্রিকেটার যে ব্যাক্তি জীবনে আগাগোড়া পাল্টে গেছেন। ক্যারিয়ার নিয়ে তো বটেই, জীবন নেয়েও এখন বেশ আন্তরিক জুনায়েদ। বেছে নিয়েছেন ইসলামিক জীবন, তাতেই খুঁজে পেয়েছেন স্বস্তি। স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে সুখেই কাটছে দিন। নিয়মিত পারফর্ম করলে ফের জাতীয় দলে ফেরা সম্ভব বিশ্বাস করেন এই বিষয়টিও।

জুনায়েদ সিদ্দিকী বলেন, আগে ক্যাজুয়াল জিন্স-টিশার্ট পরতাম। এখন বেশিরভাগ সমই পাঞ্জাবী-পাজামাই পরি। এখন পোশাকের প্রতি আগের আকর্ষণটা নেই। গোছানো জীবনে মেয়েই এখন জুনায়েদের স্বপ্ন, জুনায়েদের বেঁচে থাকার মূল প্রেরণা।

তিনি বলেন, মেয়েকে কোরআনের হাফেজ বানাতে চায়, স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে এবার উমরাহ করে এসেছি। খুব ইচ্ছা আছে মেয়েকে কোরআনের হাফেজ করার।