ক্রিকেট Archives - Page 4 of 8 - Dhaka Today

mashtraf.jpg

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা।

রোববার (১১ নভেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় থেকে নড়াইল-২ আসনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন তিনি।

নানা বিতর্কের পর মাশরাফির বাবা গোলাম মর্তুজা স্বপন তার মনোনয়নপত্র সংগ্রহের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মর্তুজা স্বপন বলেন, নিজের ইচ্ছায় নয়, যদি প্রধানমন্ত্রী চান তবেই নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন মাশরাফি।

এ ব্যাপারে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. তারিকুল ইসলাম অনিক বলেন, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাশরাফির পক্ষ থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করবেন। এ খবরে আমরা সবাই আনন্দিত। মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের সময় মাশরাফির কাছের মানুষরাও উপস্থিত থাকবেন।

আসন্ন নির্বাচনে মাশরাফির প্রার্থী হওয়ার খবরে আনন্দিত নড়াইল জেলাবাসী। তাদের প্রিয় এই মানুষটিকেই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এমপি বানাতে চায় তারা।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ভোটাররা বলেন, মাশরাফি আমাদের নড়াইলবাসীর আশীর্বাদস্বরূপ। আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য তিনি ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আমরা চাই মাশরাফিই আমাদের এমপি হিসেবে আসুক। আমরা তাকেই ভোট দিব।

তবে এ খবরে খুশি নন আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

তাদের মতে, যারা দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে রাজপথে থেকে অনেক হামলা-মামলার শিকার হয়েছে তাদের বাদ দিয়ে উপর মহল থেকে অন্য কাউকে প্রার্থী জিসেবে নির্ধারণ করলে তাদেরকেই রাজনীতি ছেড়ে দিতে হবে।

তবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস বোস বলেন, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে আমিও ঢাকা যাচ্ছি। শুনেছি আরও অনেকেই সংগ্রহ করছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী যার হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দেবেন আমরাও তার জন্যেই কাজ করে নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনব।

testbd.jpg

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার জন্যই সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের ভরাডুবি হয়েছিল। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ইনিংসে একবারও দলীয় স্কোর ২০০ পার হয়নি (১৪৩ ও ১৬৯) মাহমুদউল্লাহ বাহিনীর। ফলে সিলেট টেস্টে হেরে সিরিজে ব্যাকফুটে টাইগাররা। তাই টেস্ট সিরিজ ড্র করতে হলে রবিবার অনুষ্ঠিতব্য শেষ ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই বাংলাদেশের। ফলে সিলেট টেস্টের ভুল শুধরে ঢাকা টেস্টে শক্তিশালী একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে চায় টাইগাররা।

সিলেট টেস্টে পেস আক্রমণের দায়িত্বে ছিলেন আবু জায়েদ রাহী। ঢাকা টেস্টে একাদশে জায়গা হারাতে পারেন তিনি। তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন শফিউল ইসলাম। পেস বোলিংয়ে শক্তি বাড়াতে মুস্তাফিজুর রহমানকে একাদশে রাখা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া সুযোগ পেতে পারেন খালেদ আহমেদও। দুইজন পেসার থাকলে বাদ পড়তে পারেন বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু। সেক্ষেত্রে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের উপরই স্পিনে নেতৃত্ব থাকবে।

এছাড়া একাদশ থেকে বাদ পড়তে পারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার স্থানে সুযোগ পেতে পারেন মোহাম্মদ মিথুন।

বাংলাদেশ একাদশ:
১. লিটন দাস।
২. ইমরুল কায়েস।
৩. মুমিনুল হক।
৪. নাজমুল হোসেন শান্ত/ মোহাম্মদ মিথুন।
৫. মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক)।
৬. মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক)।
৭. আরিফুল হক।
৮. মেহেদী হাসান মিরাজ।
৯. তাইজুল ইসলাম।
১০. মুস্তাফিজুর রহমান।
১১. আবু জায়েদ রাহী/শফিউল ইসলাম/খালেদ আহমেদ।

bd-20181109190603.jpg

বাজেভাবে সিলেট টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ। সেই পরাজয়ের পেছনে অনেকেই ‘ ভুল একাদশকে’ দায়ী করেছেন। ফলে ঢাকা টেস্টে যে টাইগার একাদশে পরিবর্তন আসছে তা প্রায় নিশ্চিত। এখন প্রশ্ন হলো, কারা বাদ পড়ছেন এবং কে কে ঢুকছেন।
গেল টেস্টে এক পেসার নিয়ে নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। এজন্য সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হতে হয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। সেই ভুল শোধরাতে চান তারা। ফলে একাদশে নিয়ে আসতে পারেন একাধিক পরিবর্তন।
সিলেট টেস্টে পেস আক্রমণের দায়িত্বে ছিলেন আবু জায়েদ রাহী। হোমটাউন থেকে রাজধানীতে ফিরে একাদশে জায়গা হারাতে পারেন তিনি। তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন শফিউল ইসলাম। আর ইনজুরির ধকল সামলাতে সেই টেস্ট না খেলা মোস্তাফিজুর রহমান অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তা প্রায় নিশ্চিত।

তবে রাহীর বদলে যে শফিউল ঢুকে যাচ্ছেন তা নিশ্চিত নয়, তিনি থেকেও যেতে পারেন; আবার তার পরিবর্তে আরেক গতিতারকা খালেদ আহমেদকেও ডাকা হতে পারে।
দুজন পেসার থাকলে একজন স্পিনার বাদ যাবেন। এর বলির পাঁঠা হতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু। শেষ টেস্টে রেকর্ড গড়া তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের কাঁধেই ন্যস্ত থাকবে স্পিন আক্রমণভাগের দায়িত্ব।
বোলিং আক্রমণের মতো ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন আসতে পারে। একাদশ থেকে বাদ পড়তে পারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য থেকেও যেতে পারেন তিনি। বাদ পড়লে তার স্থানে ঢুকতে পারেন মোহাম্মদ মিথুন।
বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, নাজমুল হোসেন শান্ত/ মোহাম্মদ মিথুন, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), আরিফুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম/আবু জায়েদ রাহী/ খালেদ আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।

dt008631.jpg

হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আজ শনিবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে ও ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৬০ রানের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১০৬ রানে আটকে রেখেও ৪৬ রানে অল-আউট হয় সালমার দল।

গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। বল হাতে শুরু থেকেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখে দুই ওপেনিং বোলার জাহানার আলম ও অধিনায়ক সালমা খাতুন। ১৮ রানের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠান জাহানারা ও সালমা। এরমধ্যে দুই টি উইকেট নেন জাহানারা ও একটি নেন সালমা।

পরবর্তীতেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটসম্যানদের বড় স্কোর করতে দেননি বাংলাদেশের অন্য তিন বোলার। ফলে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৬ রানের সংগ্রহ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন কাইসিয়া নাইট। এছাড়া স্টেফেনি টেইলর ২৯ ও নাতাশা ম্যাকলিন ১১ রান করেন। বাংলাদেশের জাহানারা ৩টি, রুমানা আহমেদ ২টি, সালমা ও খাদিজা তুল কুবরা ১টি করে উইকেট শিকার করেন।

জয়ের জন্য ১০৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের তোপে দলের কোন ব্যাটসম্যানই দুই অংকের কোটা স্পর্শ করতে পারেনি। ১৪.৪ ওভারে মাত্র ৪৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এটিই সর্বনিম্ন রান বাংলাদেশের।

বাংলাদেশের ফারজানা হক ৮, আয়শা রহমান ৬, শামিমা সুলতানা-অধিনায়ক সালমা ৫ রান করে, সানজিদা ইসলাম ৪, জাহানারা আলম-নিগার সুলতানা-ফাহিমা খাতুন ৩ রান করে, রুমানা আহমেদ ২, খাদিজা ১ ও লতা মন্ডল শুন্য রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন্দ্রা ডটিন ৩.৪ ওভারে ৬ রানে ৫ উইকেট নেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগারের রেকর্ড করলেন ডটিন। তাই ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি।

দিনের অন্যান্য ম্যাচে ভারত ৩৪ রানে নিউজিল্যান্ডকে, অস্ট্রেলিয়া ৫২ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুভ সূচনা করে। আগামী ১২ নভেম্বর গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

bd-20181109190603.jpg

সিলেট টেস্ট নিয়ে অনেক কথা। রাজ্যের সমালোচনা। পরিণতিটা অনেক বেশি হতাশার। তাই সব কিছু ছাপিয়ে জিম্বাবুয়ের কাছে দীর্ঘ পাঁচ বছর পর টেস্ট পরাজয়ের হতাশাই পোড়াচ্ছে ভক্ত ও সমর্থকদের। মাহমুদউল্লাহ বাহিনীর হার নিয়েই সবচেয়ে বেশি কথাবার্তা এখন। চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা।

ফল নিয়ে হতাশাব্যঞ্জক কথোপকথনের পাশাপাশি বেশি কথা হয়েছে এবং হচ্ছে টাইগারদের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ, এপ্লিকেশন ও পারফরম্যান্স নিয়ে। সবার একটাই আক্ষেপ-ওয়ানডে সিরিজের নজর কাড়া ব্যাটিংয়ের পর টেস্টে ব্যাটিংয়ের এমন অনুজ্জ্বল ও হতশ্রী অবস্থা কেন? হোক ভিন্ন ফরম্যাট, তারপরও ঘুরে ফিরে প্রায় একই ব্যাটিং লাইন আপ, তাতে করে অ্যাপ্রোচ, এপ্লিকেশন ও পারফরম্যান্সের এত বিস্তর ফারাক কেন? এমন বাজে ব্যাটিং কি করে হলো?

এর বাইরে আরও দুটি বিষয় নিয়ে কথা হচ্ছে । প্রশ্নও উঠছে। যার একটি দল নিয়ে। অন্যটি ব্যাটিং অর্ডার বা ব্যাটসম্যানদের পজিশন নিয়ে। টিম কম্বিনেশন, ক্রিকেটার নির্বাচন নিয়েও বিস্তর কথাবার্তা।

হোক স্লো, লো পিচ। তারপরও একজন মাত্র পেসার নিয়ে নামা কেন? তিন স্পিনার খেলানোর যৌক্তিকতা নিয়েও নানা প্রশ্ন। ওয়ানডে ক্রিকেটে খুব ভালো খেলেছেন, তিন ম্যাচের একটিতে সেঞ্চুরি ও ৮০ ‘র ঘরে রান করেছেন বলেই তাকে টেস্টেও ওপেন করাতে হবে কেন? মুশফিকুর রহীমের মতো দলের সেরা ব্যাটসম্যানকে বা কেন টেস্টে ছয় নম্বরে খেলানো হলো? এসব নিয়েও বিস্তর কথাবার্তা।

এর বাইরে আরও উইকেট নিয়েও কথা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, দেশের মাটিতে একটা টেস্ট ভেন্যুর অভিষেক ঐতিহাসিক ঘটনা সত্য। তারপরও সে মাঠের উইকেট কেন স্বাগতিক দলের উপযোগী ছিল না? কিংবা থাকলেও কি কারণে কোচ, টিম ম্যানেজমেন্ট ও অধিনায়ক পিচের চরিত্র বুঝে উঠতে পারেননি। কেন কোচ স্টিভ রোডসের মুখেও উইকেটের আচরণ নিয়ে সংশয় মাখা বক্তব্য?

দ্বিতীয় টেস্ট যত ঘনিয়ে আসছে সিলেট টেস্ট নিয়ে কথাবার্তাও আরও বেশি হচ্ছে। এবং বলা হচ্ছে প্রথম টেস্টে সেই যে উইকেটের চরিত্র ও আচরণ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না নিয়ে ভুল ও অকার্যকর একাদশ নির্বাচন এবং ত্রুটিপূর্ণ ব্যাটিং অর্ডার সাজানো-এই ‘ভুলের’ সমারোহ কি কমবে ঢাকায়, নাকি বরাবরের ‘রহস্যময়’ ও ‘দূর্বোধ্য’ শেরে বাংলার পিচ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না নিয়ে আবারো তিন স্পিনার নিয়েই মাঠে নামবে টাইগাররা? কার্তিকের একদম শেষ ভাগে (খেলা শুরু হবে ২৭ কার্তিক) কুয়াশা ঢাকা সকালে একজন পেসার খেলানোর মত অদূরদর্শি চিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে আবারও?

ভক্ত ও সমর্থকদের মনে এসব কৌতুহলি প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে। এসব প্রশ্ন জবাব খুঁজতে গিয়েই বেড়িয়ে এসেছে কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়। শেরে বাংলার পিচ বরাবরই রহস্যময়, টাইগার ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার ভাষায় ‘আনপ্রেডিক্টেবল’। কখন কেমন আচরণ করে তা বোঝা ও অনুমান করা কঠিন।

এ সত্য উপলব্ধি থেকেই গত ৪৮ ঘন্টা উইকেট নিয়ে চলছে আলোচনা-পর্যালোচনা। বিসিবির বর্তমান গ্রাউন্স কমিটির চেয়ারম্যান , ঝানু ক্রিকেট সংগঠক এবং সাবেক ক্রিকেটার মাহবুব আনাম, প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু গত ৪৮ ঘন্টার একটা উল্লেখযোগ্য সময় শেরে বাংলার পিচের উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে সকাল বিকেল কথা বলেছেন চিফ কিওরেটর গামিনি ডি সিলভার সাথে। আজও সকাল থেকে প্রায় দুপুর অবধি পিচ নিয়ে চিফ কিউরেটরের সাথে প্রধান নির্বাচককে মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কথা বলতে দেখা গেছে।

ভেতরের খবর, উইকেট যাতে স্বাগতিকদের অনুকূলে থাকে আর উইকেটের চরিত্র, গতি-প্রকৃতি বুঝে দল নির্বাচনের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। জাতীয় দলের ব্যবস্থাপনা, পরিচর্যা ও পরিচালনার সমুদয় দায়-দায়িত্ব ও কর্তব্য যে স্ট্যান্ডিং কমিটির, সেই ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান আকরাম খান এবং প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর সাথে কথা বলে যা মনে হয়েছে, তারা ভেবে চিন্তে একাদশ সাজানোর চেষ্টায় আছেন। শেরে বাংলার পিচ সম্পর্কে যতটা সম্ভব পরিষ্কার ধারণা নিয়ে কোচ এবং অধিনায়কের মত নিয়েই একাদশ সাজানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

তো কেমন হতে পারে ঢাকা টেস্টের দল? কেউ দল সম্পর্কে আগাম ধারনণা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলেও তিনটি রদ বদলের কথা শোনা যাচ্ছে। প্রথম চিন্তা হলো- এক পেসার তথা তিন স্পেশালিস্ট স্পিনার ফর্মুলা থেকে সরে আসা।

এটা মোটামুটি চূড়ান্ত যে, সিলেট স্টেডিয়ামে এক পেসার খেলানো ছিল চরম ভুল এবং সামগ্রিক পারফরম্যান্স খারাপ হবার পিছনে তিন স্পিনারের সাথে ঐ একজন মাত্র পেসার নিয়ে খেলার চরম মাশুলও গুণতে হয়েছে।

সেই কারণেই শেরে বাংলায়  ১১ নভেম্বর শনিবার থেকে যে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হতে যাচ্ছে, তাতে তিন স্পিনারের সংখ্যা দুইয়ে নামিয়ে একজনের বদলে দুই পেসার খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

শুধু ভাবাভাবির মধ্যেই নয়, এটা মোটামুটি চূড়ান্ত যে শেষ টেস্টে একজন নয়, খেলবেন দুই জন পেসার। আর তিন স্পিনার থেকে একজন কমিয়েও আনা হবে। বাঁহাতি নাজমুল ইসলাম অপুকে বাইরে আনা হচ্ছে। এই বাঁহাতি স্পিনারের বদলে একজন পেসার বাড়িয়ে আরেক বাঁহাতি মোস্তাফিজুর রহমানকে খেলানোর কথা বার্তা প্রায় চূড়ান্ত। কাটার মাস্টারের ঢাকা টেস্ট খেলা একরকম নিশ্চিত।

জানা গেছে, শেরে বাংলায় পেসারদের ফার্স্ট চয়েজ হলেন মোস্তাফিজ। সিলেটে টেস্ট অভিষেক হওয়া আবু জায়েদ রাহির পারফরম্যান্স তেমন আশাব্যঞ্জক ছিল না। তাই তার খেলার সম্ভাবনা কম। তাই ভেতরের খবর, রাহিকে বাদ দেয়ার চিন্তাই চলছে। তাকে বাইরে নিয়ে অভিজ্ঞ ও কুশলী শফিউলের কথাও বিবেচনায় উঠে আসছে।

জাগো নিউজের সাথে আজ বিকেলে শেরে বাংলার মাঝখানে দাঁড়িয়ে মুঠোফোন আলাপে দল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিনহাজুল আবেদিনের কন্ঠে মিলেছে পরিষ্কার আভাস, তা হলো স্পিনার কোটায় তাইজুল আর অফস্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজই খেলবেন। অপর স্পিনার নাজমুল অপু বাদ। তার জায়গা নেবেন পেসার মোস্তাফিজ।

দ্বিতীয় পেসার এখনো (মানে আজ বিকেলে অনুশীলন চলাকালীন সময় পর্যন্ত) চূড়ান্ত হয়নি। তবে নবীন রাহির খেলার সম্ভাবনা কম। পেস ডিপার্টমেন্টে নতুনত্ব, বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি ধারালো করার চিন্তায় টিম ম্যানেজমেন্ট ও নির্বাচকরা। তাই রাহির বিকল্প খোঁজা হচ্ছে। সে হিসেবে আরেক তরুণ দ্রুত গতির বোলার খালেদেরও যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। এই তরুণ ফাস্ট বোলারের অভিষেক হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি সুইং বোলার শফিউলও আছেন বিশেষ বিবেচনায়। রাহির বদলে খালেদ-শফিউলের কেউ একজনের খেলার সম্ভাবনাই বেশি।

এদিকে, নাজমুল হোসেন শান্ত খেলানো নিয়েও দ্বিধায় টিম ম্যানেজম্যান্ট ও নির্বাচকরা। যেহেতু দুই ওপেনার লিটন-ইমরুলের সাথে তিন নাম্বারে মুমিনুল আছেন, তাই শান্তর ওপরে খেলার জায়গা নেই। সিলেট টেস্টে রান না পেলেও ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইমরুল কায়েস ও লিটন দাসকে বাদ দেয়ার প্রশ্নই নেই। তামিমের ইকবালের অনুপস্থিতিতে ইমরুল-লিটনই এখন সম্ভাব্য সেরা ওপেনিং জুটি।

সাম্প্রতিক সময়ে নিজেকে খুঁজে না পেলেও মুমিনুলও তিন নাম্বারে বেস্ট চয়েজ। এই তিনজনের জায়গা নেয়ার অবস্থা এখনও শান্তর হয়নি। ওদিকে চার পাঁচে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর চেয়ে ভালো আর কেউ নেই এখন। শান্তকে চারে খেলাতে গিয়েই ঘটেছে বিপত্তি। সিলেট টেস্টে ছয় নাম্বারে চলে গিয়েছিলেন মুশফিক। সেটাও দলের জন্য ক্ষতির কারণ হয়েছে।

ওদিকে, শান্ত রানও করতে পারেননি (দুই ইনিংসে ৫ আর ১৩)। তাই সব বিচার বিশ্লেষণে এমন একজনকে খেলানোর কথা ভাবা হচ্ছে, যিনি মিডল অর্ডার পজিশনে অভ্যস্ত। সেটা মোহাম্মদ মিঠুন। তাই শান্তর জায়গায় ঢাকা টেস্টে মিঠুনের খেলার সম্ভাবনাই বেশি।

ICC-Uber.jpg

ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য মেয়েদের একক আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে সহায়তা করতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের প্রথম অন ডিমান্ড রাইড শেয়ারিং কোম্পানি উবার। বিশ্বব্যাপী নারীর ক্ষমতায়নে বৃহত্তর ক্রিকেট সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করায় প্রতিষ্ঠান দুটির মূল লক্ষ্য।

এই অংশীদারিত্বের মধ্যে থাকবে- নারী টি২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোতে ‘অন দ্য গ্রাউন্ড এক্টিভেশন’, মহিলা ক্রিকেটারদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প নিয়ে ছয়টি অংশের ডিজিটাল চলচ্চিত্র সিরিজ তৈরি, ওয়াচ পার্টি এবং খেলার দিনগুলিতে ‘উবার’ ও ‘উবার ইটস’ এর মাধ্যমে প্রোমোশনের সুবিধা। মেয়েদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ ও ক্রিকেট একাডেমিতে যোগদানের বিষয়টিকে উৎসাহ দিতে ব্যস্ত থাকবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন, স্পন্সরকারী প্রতিষ্ঠান, ক্রিকেটারদের পরিবার ও ভক্তরা।

এ বিষয়ে আইসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড রিচার্ডসন বলেন, “উবার একটি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ব্র্যান্ড এবং আমরা বিশ্বজুড়ে নারীর ক্ষমতায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। খেলা হিসাবে নারীদের ক্রিকেটকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে নিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এটি আমাদের কৌশলগুলোর এক ভিত্তি তৈরি করবে যা আগামী বছরের শুরুতে চালু হবে। সত্যিকার অর্থেই এই অংশীদারিত্ব আমাদের পারস্পরিক মূল্যবোধের সাথে মিলে যায়। তাছাড়া উবারের পরিকল্পনাগুলোও চমৎকার এবং আমাদের উদ্যোগের সাথে পরিপূরক। স্পন্সরশিপ বলতে যেমন ধারণা করা হয় সেটা একদম বদলে যাচ্ছে এবং এই অংশীদারিত্ব সেটারই প্রতিফলন। এটি নারীদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার, আমাদের খেলাধূলার গল্পকে আরো বিস্তৃতভাবে বলার এবং আমাদের খেলার মধ্যে ভবিষ্যৎ তারকা তৈরি করার একটি যৌথ উদ্যোগ।”

ব্রুকস এন্টউইসেল, চিফ ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অফিসারউবার বলেন, “আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপের এবারের আয়োজনে প্রথমবারের মতো এককভাবে রাইড শেয়ারিং এবং খাদ্য পৌঁছে দেয়ার প্ল্যাটফরম হিসেবে আইসিসির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিশ্বজুড়ে নারীদের একটি বিশাল অংশকে সংগঠিত ও উৎসাহ দিয়ে আমরা ক্রিকেটকে এগিয়ে নিতে চাই। আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপ সেক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য প্রদর্শণী হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। খেলাধুলার প্রতি নারীদের আরো বেশি উৎসাহ দিতে ও সম্পৃক্ত করতে এবং তাদের জন্য আরো বেশি সুযোগ সৃষ্টি করে আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরি করার লক্ষ্যে আইসিসির সাথে যৌথভাবে সহযোগিতা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

২০১৮-১৯ সালের ক্রিকেট পঞ্জিকাবর্ষ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ৯ থেকে ২৪ নভেম্বরে আইসিসি নারী টি-২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারের মতো দশটি দলের অংশগ্রহণে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আয়োজিত হচ্ছে। দশ দলের এ লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ভারত, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, দক্ষিন আফ্রিকা, শ্রীলংকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ অংশ নেবে।

wt20.jpg

শুরু হয়েগেছে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি আসর৷ শুক্রবার সন্ধ্যায় মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ৷ সেই সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট অনুরাগীদের জন্য বাড়তি বোনাস থাকছে৷ বিশ্বকাপের প্রথম দিনেই ম্যাচ ভারতের৷ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে হরমনপ্রীতরা৷

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফিরে ফিরে দেখা যাক

১) ২০০৯ সালে শুরু হয় মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর৷ ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২ বছরের মাথায়৷

২) নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় আয়োজক দেশ ইংল্যান্ড৷

৩) ২০১০ সালে টুর্নামেন্টের আসর বসেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজে৷

৪) এবারও রানার্স আপ হয়েই থেকে যেতে হল নিউজিল্যান্ডকে৷ কিউয়িদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া৷ শেষ বলে থ্রিলার ম্যাচ জিতেছিল অজিরা৷ জয়ের জন্য ১০৭ রান তাড়া করতে নেমে শেষ বলে নিউজিল্যান্ডের দরকার ছিল পাঁচ রান৷ কোনও রকমে কিউয়ি ব্যাটার এক রান নেন৷ অজিরা ম্যাচ জেতে ৪ রানে৷

৫) পরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০১২ সালে৷ সেবারও চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ান মহিলা ক্রিকেট দল৷ শ্রীলঙ্কার মাটিতে ফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের খেতাব দখল অজিদের৷ এবার ও শেষ বলের থ্রিলার৷ জয়ের জন্য ১৪৩ রান তাড়া করতে নেমে শেষ বলে ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৬ রান৷ সেদিন জাভেদ মিয়াদাদ হয়ে ওঠা হয়নি হ্যাজেলের৷ শেষ বলে এক রান নেন ব্রিটিশ ব্যাটার৷ চার রানে ম্যাচ জেতে অস্ট্রেলিয়া৷

৬) পরের বার বাংলাদেশের মাটিতেও চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রলিয়া৷ এবারও ইংল্যান্ডকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন অজিরা৷ (২০১৪সালে)

৭) ২০১৬ সালে আয়োজক ভারত৷ ওয়েস্ট ইন্ডিজ-অস্ট্রেলিয়ার ফাইনাল কলকাতার ইডেনে৷ ম্যাচের শেষ ওভারে তিন বল বাকি থাকতে প্রয়োজনীয় ১৪৯ রান তুলে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ৷ সেবার ভারতের মাটি থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পুরুষ ক্রিকেট দলও টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরেছিল৷

৮) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের পারফরম্যান্স এখনও পর্যন্ত দুবার সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছে ভারত৷ ২০০৯ ও ২০১০ সালে সেমিফাইনাল খেলেছিল ভারতীয় মেয়েরা৷

৯) সবেচেয়ে বেশি বার চ্যাম্পিয়ন- অস্ট্রেলিয়া (৩ বার)।

huswrf.jpg

সতেরো বছর আগে তিনি বল করেছিলেন। অদ্ভুত সে ডেলিভারি অ্যাকশন। এখনও ভারতীয় সিনেমা-ভক্ত কাউকে সেই ভিডিও দেখালে এক দেখায় বলে দেবেন, গোলি’র কথা। সেই ২০০১-এ প্রকাশ পাওয়া লাগান সিনেমার গোলি। যে কিনা ছুটে এসে একখানা অদ্ভুত অ্যাকশনে বোলিং করত। ডান হাত তবে সেটা তো পর্দার ক্রিকেট। পর্দায় বোলিং। পর্দার চরিত্রের অ্যাকশন। পুরোটাই কল্পনা-চিত্র। বাস্তবে আবার এমন ডেলিভারি হয় নাকি! বাস্তবে ক্রিকেটে সেটাই দেখালেন উত্তরপ্রদেশের বাঁ-হাতি স্পিনার শিবা সিংহ।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুণ

অনূর্ধ্ব-২৩ সিকে নাইডু ট্রফিতে উত্তর প্রদেশ বনাম বাংলার ম্যাচে বাঁ-হাতি স্পিনার শিবা সিংহ অদ্ভুত ডেলিভারি করে বিতর্ক ছড়ালেন। বল হাত থেকে রিলিজ করার আগে প্রায় ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন তিনি। শিবার সেই ডেলিভারি কোনওমতে সামাল দিলেন ব্যাটসম্যান। কিন্তু আম্পায়ার বিনোদ সেশান প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ডেড বল ঘোষণা করেন। এই ধরণের অদ্ভুত অ্যাকশন ব্যাটসম্যানের ফোকাস নষ্ট করতে পারে বলে জানান তিনি। তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মানতে নারাজ ছিলেন শিবা। এমনকী তার সতীর্থরাও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে আপত্তি প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, শিবার এমন অ্যাকশন বেআইনি কিছু নয়। কিন্তু আম্পায়ার বিনোদ সেশান নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এমন বোলিং অ্যাকশন ক্রিকেটের নিয়ম বিরুদ্ধ।

চলতি বছরের গোড়ার দিকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলেছেন শিবা। সেখানে অবশ্য তাকে এমন বিতর্কিত বোলিং অ্যাকশনে দেখা যায়নি। অনেকেরই মত, এদিন অনেকটা পরীক্ষামূলকভাবেই নতুন অ্যাকশন প্রয়োগের চেষ্টা করেন তিনি। যা কিনা প্রথম চেষ্টাতেই আম্পায়ারারের হস্তক্ষেপে ব্যর্থ। ক্রিকেট আইনের ৪১.২ ধারায় রয়েছে, কোনও বোলিং অ্যাকশন এর নৈতিকতা বিচার করবেন আম্পায়াররা। পরিস্থিতি অনুযায়ী ডেড বল ডাকার সিদ্ধান্ত আম্পায়ারদের। ৪১.৯ ধারাতে বলা নিয়মও অনেকটা একই রকম। সেক্ষেত্রে আম্পায়ার দলের অধিনায়ককে ডেকে সতর্ক করবেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী বিচার করে পাঁচ রানের পেনাল্টি দিতে পারেন।

hafeez-20181108112841.jpg

বড় বিপদেই বোধ হয় পড়তে যাচ্ছেন রস টেলর। মোহাম্মদ হাফিজের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে মাঠের মধ্যেই ইঙ্গিত করায় নিউজিল্যান্ডের এই ব্যাটসম্যানের বিরুদ্ধে ম্যাচ রেফারির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান টিম ম্যানেজম্যান্ট।

বুধবার সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে চলার সময়ের ঘটনা। ইনিংসের মাঝপথে বল করতে এসেছিলেন হাফিজ। একটি ডেলিভারি করার পর টেলর মাথা নাড়তে থাকেন। হাত ঘুরিয়ে আম্পায়ারকে ইঙ্গিত করেন, পাকিস্তানি অফস্পিনারের বল চাকিং হচ্ছে।

পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ সঙ্গে সঙ্গেই এর প্রতিবাদ জানান। আম্পায়ারের সঙ্গে বেশ খানিকটা সময় কথা বলেন, উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় টেলরের সঙ্গেও।

আম্পায়াররা অবশ্য হাফিজের বোলিংয়ে বাধা দেননি। তারপরও ঘটনাটা সেখানে থেমে থাকেনি। ম্যাচ শেষে সরফরাজ টেলরের ওই ইঙ্গিত নিয়ে বলেন, ‘রস টেলরের অঙ্গভঙ্গি ছিল ভুল। এটা তার কাজ নয়। টেলিভিশনের সামনেই তিনি যেভাবে অ্যাকশনটা দেখালেন, সেটা খুবই মানহানিকর ছিল। আমি মনে করি না এটা তার কাজ, তার কাজ হলো ব্যাট করা। ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দেয়াটাই তার জন্য সঠিক ছিল।’

সরফরাজের এমন বিরক্তিতেই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। টেলরের বিরুদ্ধে ম্যাচ রেফারির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান টিম ম্যানেজম্যান্ট। যে অভিযোগের পর সাজার মুখে পড়তে পারেন কিউই দলের বর্ষীয়ান এই ব্যাটসম্যান।

bumrah-20181108135219.jpg

আইপিএলের আগামী মৌসুমে থাকছেন না ভারতীয় দলের সেরা দুই পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ আর ভুবনেশ্বর কুমার? হ্যাঁ, খবরটা সত্যি হতে পারে। এই দুজনকে আইপিএলে খেলতে না দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন স্বয়ং ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কিন্তু কেন?

আইপিএলের আগামী মৌসুমটি শুরু হবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে, শেষ হতে হতে মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহ। এদিকে ৩০ মে থেকেই শুরু বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় আসর বিশ্বকাপ। এমন গুরুত্বপূর্ণ এক টুর্নামেন্টের আগে দলের সেরা দুই পেসারকে বিশ্রামে রাখা দরকার বলেই মনে করছেন কোহলি।

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে এজন্য অনুরোধও করেছেন কোহলি। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের’ প্রতিবেদনে এসেছে, ৩০ বছর বয়সী ভারতীয় অধিনায়ক এই প্রস্তাবটি তুলেছেন সাম্প্রতিক এক বোর্ড সভায়। যেখানে সুপ্রীম কোর্টের নিয়োগপ্রাপ্ত কমিটি এবং ভারতীয় ক্রিকেটার কোহলি, রোহিত শর্মা, আজিঙ্কা রাহানে, কোচ রবি শাস্ত্রী এবং প্রধান নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ উপস্থিত ছিলেন।

যদিও কোহলির এমন অনুরোধে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। জানা গেছে, আইপিএলের চিফ অপারেটিং অফিসার হেমাং আমিনের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে ক্রিকেট কমিটি। হেমাং আমিন জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে দুই সদস্যের একটি দল আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে কথা বলবেন।

এদিকে, ভারতীয় খেলোয়াড়দের কেউ দলের স্বার্থে আইপিএল মিস করলে তার জন্য ক্ষতিপূরণ দেয়ার অনুরোধও করা হয়েছে এই সভায়। সেক্ষেত্রে বিশ্রামে গেলে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা নেই জাতীয় দলের তারকাদের।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter