ফুটবল Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

messi-10-20190224103854.jpg

বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা উৎসবেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠায় লা লিগা বা বার্সেলোনা। কখনো সেটা বাংলায় হয়, কখনো আবার ইংরেজিতে।

এবার বাংলাদেশের ভক্তদের চমকে দিলেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি। বাংলাদেশি ভক্তদের জন্য বাংলায় পোস্ট দিয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার। যদিও পোস্টটিতে লেগে আছে বিষাদের সুর।

নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে একটি পোস্ট দিয়েছেন মেসি। বার্সেলোনার প্রয়াত কোচ টিটো ভিলানোভার সঙ্গে তোলা একটি ছবি নিজের ৮৯ মিলিয়ন ফলোয়ারের পেজে পোস্ট করে মেসি বাংলায় লিখেছেন, ‘সব সময় আমাদের সাথে।’

প্রয়াত কোচকে স্মরণ করতে বাংলাকে বেছে নিয়েছেন তিনি। পোস্টটিতে বাংলা ছাড়াও স্প্যানিশ ও ইংরেজিতে একই কথা লিখেছেন বার্সার প্রাণভোমরা।

মেসির এমন পোস্ট পেয়ে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের মেসি-ভক্তরা। পোস্টটির নিচে গিয়ে তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আসছেন। কেউ আবার মেসির প্রতি তাদের ভালোবাসার কথা জানাচ্ছেন। কেউ কেউ বার্সেলোনার প্রয়াত কোচের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

কিছুদিন আগেই পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিল লা লিগা। যদিও সেখানে ছবি নির্বাচনে ভুল করেছিল তারা। হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক নারী প্রার্থনা করছেন—এমন একটি ছবি দিয়েছিল লা লিগা; যা নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদের।

Shane-Long.jpg

রেফারি বাঁশি বাজাতে গোল! দর্শকরা গ্যালারীতে ধাতস্থ হবার আগেই মেতে বেজে উঠলো গোলের বাঁশি। সবাইকে যেন হতবাক করে দিয়ে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ালেন সাউদাম্পটনের স্ট্রাইকার শেন লং।

দর্শকরাও হয়ত ঠিকমত বসতে পারেনি, তার আগেই মাত্র ৭.৬৯ সেকেন্ডে ওয়াটফোর্ডের জালে বল পাঠিয়ে সাউদাম্পটনের স্ট্রাইকার শেন লং প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়েছেন। অবশ্য ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। এর আগে টটেনহ্যামের ডিফেন্ডার লিডলে কিং ২০০০ সালের ডিসেম্বরে ব্র্যাডফোর্ডের বিপক্ষে ৯.৯ সেকেন্ডে গোলে করে এতদিন পর্যন্ত দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি ধরে রেখেছিলেন। ৩২ বছর বয়সী লং সেই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেলেন।

কিক অফের পর পাস পেয়েছিলেন ওয়াটফোর্ডের ডিফেন্ডার ক্রেইগ ক্যাথকার্ট। বলটি ক্যাথকার্ট উড়িয়ে মেরেছিলেন সতীর্থদের দিকে। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের জাতীয় দলের স্ট্রাইকার লং বলটি পেয়ে গোলরক্ষক বেন ফস্টারের মাথার উপর দিয়ে জালে প্রবেশ করান। ধুকতে থাকা সাউদাম্পটনের হয়ে লংয়ের এটা মৌসুমের চতুর্থ গোল। গত চার ম্যাচ থেকে এসেছে তিনটি গোল।

মঙ্গলবার ব্রাইটনের বিপক্ষে টটেনহ্যামের ম্যাচটি উপভোগ করতে স্পারসদের নব নির্মিত মাঠে উপস্থিত ছিলেন কিং। আর সেখানে বসেই নিজের করা ১৯ বছরের রেকর্ড ভঙ্গের সংবাদটি তিনি পেয়েছেন। কিংয়ের গোলের পর ২০০৩ সালে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে নিউক্যাসেলের হয়ে ১০.৫২ সেকেন্ডে গোল করে এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন এ্যালান শিয়েরার। গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে টটেনহ্যামের স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন ১০.৫৪ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন।

লংয়ের ঐতিহাসিক এই গোলে অবশ্য ওয়াটফোর্ডের মাঠে সাউদাম্পটনের জয় নিশ্চিত হয়নি। ৯০ মিনিটে এফএ কাপ ফাইনালিস্ট ওয়াটফোর্ডের হয়ে সমতা ফেরান আন্দ্রে গ্রে। যদিও এই ড্রয়ে সেইন্টসরা অন্তত রেলিগেশন এড়ানোর লড়াইয়ে টিকে থাকল। তিন ম্যাচ হাতে রেখে তলানির তৃতীয় দল কার্ডিফের থেকে ৬ পয়েন্ট দুরে রয়েছে সাউদাম্পটন।

jemi-day-20190424224810.jpg

বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে থাকছেন? নাকি ইংলিশ কোচ জেমি ডে’র ছুটিতে যাওয়াই হয়ে যাচ্ছে বিদায়? প্রশ্নটা এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ফুটবল অঙ্গনে। কারণ, ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে দেশে যাওয়া জেমি ডে ফিরে আসেননি তিন সপ্তাহেও। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে তার এক বছরের চুক্তিও শেষ হচ্ছে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে।

সময়মতো না ফেরা এবং সেই সঙ্গে বেতন বৃদ্ধিসহ বাফুফেকে জেমির দেয়া আরও কিছু কঠিন শর্ত মিলে এ ইংরেজের ফিরে আসটাই অনিশ্চিত মনে হচ্ছে অনেকের কাছে। এরই মধ্যে নিজ দেশের গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাতে জেমি ডে বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশে তার চাকরি নিয়ে কিছু মজার ঘটনা। প্রথম কোনো জাতীয় দলের ডাগআউটে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন সে কথাটি তিনি জানানইনি তার স্ত্রীকেও।

কেন্ট অনলাইনে জেমি ডে বলেছেন, ‘এক বছর আগে আমার এক অস্ট্রেলিয়ান বন্ধু এজেন্ট আমাকে এসএমএস করে জানায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন জাতীয় দলের কোচ খুঁজছে। তুমি আগ্রহী কি না? আমি এক বাক্যে বলে দিয়েছি ‘হ্যাঁ’। কোনো সমস্যা নেই। এটা করতে পারলে আমি খুশিই হবো; কিন্তু এ কথাগুলো পরিবারের কাউকে বলিনি। তারপর আমার বন্ধু জানতে চেয়েছিল আমি লন্ডন যেতে পারবো কি না। সেখানে বাফুফের শীর্ষ এক কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে হবে। লন্ডনে বাফুফে কর্মকর্তার সঙ্গে এক ঘণ্টা আলাপ হলো এবং আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরি প্রস্তাব দিলেন।’

জেমি ডে বলেন, ‘এমন একটি চমৎকার কাজে যোগ দেবো, অথচ খবরটি আমি জানাইনি আমার স্ত্রীকে। যদিও আমি কোনো দেশের জাতীয় দলে কাজ করার জন্যই আগ্রহী ছিলাম। অপেশাদার এবং ছোট লিগের দল থেকে জাতীয় দল পরিচালনার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত হলাম এবং ঝুঁকিও নিলাম বাংলাদেশে গিয়ে দায়িত্ব নিতে।’

পরক্ষণেই তিনি বলেন, ‘কিন্তু এটা খুব কষ্টকর। আমার চার সন্তান। আমি বাংলাদেশে এক বছর ধরে থাকছি সন্তানদের না দেখেই। এটা আমার জন্য বেশ কঠিন। আমার স্ত্রী-সন্তানের জন্য আরও কঠিন। সন্তানদের ভালোভাবেই দেখাশুনা করে আমার স্ত্রী। এ দায়িত্বটি সে সুন্দরভাবেই করছে। এ জন্য তাকে ত্যাগও স্বীকার করতে হচ্ছে।’

rafiq-20190422202025.jpg

ঝড়ের বেগে আক্রমণ। ৩১ মিনিটের মধ্যে ২ গোল। ধরেই নেয়া হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে বড় জয় দিয়েই বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবল শুরু করছে বাংলাদেশের মেয়েরা; কিন্তু গোলাম রাব্বানী ছোটনের শিষ্যদের আত্মকেন্দ্রিক ফুটবলে লাল-সবুজ জার্সিদের সন্তুষ্ট থাকতে হয় ২-০ গোলের জয় নিয়েই।

সোমবার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রাধান্য নিয়ে খেলেও দুটির বেশি গোল দিতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির জালে। তারপরও সান্ত্বনার জয় দিয়েই বঙ্গমাতার নামের টুর্নামেন্ট শুরু করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এ জয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো মৌসুমীরা।

বাংলাদেশের মেয়েরা যে সুযোগ পেয়েছিলেন তাতে প্রথমার্ধেই অন্তত ৪-০ গোলে এগিয়ে যেতে পারতেন। স্বপ্না, কৃষ্ণারা মিস করেছেন সহজ সহজ সুযোগ। দ্বিতীয়ার্ধেও তাই। মাঝ মাঠে নিয়ন্ত্রণ রেখে প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকেই তালগোল পাকিয়ে ফেলেন ফরোয়ার্ডরা। সুযোগগুলো বেশিরভাগ নষ্ট হয়েছে মেয়েদের স্বার্থপর আচরণে। সবাইকে যেন গোল করতে হবে- এই রোগেই পেয়ে বসেছিল স্বাগতিক মেয়েদের।

১৩ মিনিটে সিরাত জাহান স্বপ্নার গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। আঁখি খাতুনের লম্বা পাস ধরে ভেতরে ঢুকে প্লেসিংয়ে গোল করেন স্বপ্না। ৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কৃষ্ণা রানী সরকার। মারিয়ার কর্নার থেকে কৃষ্ণার হেড জড়িয়ে যায় আরব আমিরাতের জালে।

১৮ মিনিটে স্বপ্না গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল তুলে দেন তার হাতে। ২০ মিনিটে শামসুন্নাহারের স্বার্থপরের মতো নিজে গোল দিতে গিয়ে সুযোগ নষ্ট করেন। সামনে স্বপ্না ফাঁকায় দাঁড়ানো থাকলেও শামসুন্নাহার সুযোগ নষ্ট করেন গোলরক্ষকের গায়ে মেরে।

দ্বিতীয়ার্ধে তো অনেক চেষ্টার পরও আর প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা।

ronaldo_home-1280x714.jpg

রেকর্ড গড়াটা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর জন্য এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। মাঠে নেমে প্রতিনিয়তই গড়ছেন নতুন নতুন রেকর্ড। তবে সেসবই গোলের রেকর্ড। গোলের বাইরে এবার এমন একটা কীর্তি গড়লেন, যে কীর্তি ইতিহাসের আর কোনো খেলোয়াড়ের নেই।

ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদো গড়লেন ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালি— এই তিনটি ভিন্ন দেশের শীর্ষ লিগের শিরোপা জয়ের অনন্য কীর্তি।

পেশাদার ফুটবলারদের বলা হয় যাযাবর। বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই ক্যারিয়ার জুড়ে ছুটে বেড়ান এক ক্লাব থেকে আরেক ক্লাব, এক দেশ থেকে আরেক দেশে। এই পরিক্রমা মেনে রোনালদো এ পর্যন্ত ভিন্ন ৪টি দেশের ভিন্ন ৪টি ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্যারিয়ার শুরু করেছেন স্বদেশি ক্লাব স্পোর্টিং ক্লাব লিসবনের হয়ে।

এরপর ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সেখান থেকে স্পেনের লা লিগার দল রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল থেকে ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস। এর মধ্যে শুধু স্বদেশি ক্লাব স্পোর্টিংয়ের হয়েই লিগ জেতা হয়নি। বাকি ৩টি ক্লাবের হয়েই লিগ শিরোপার স্বাদ পেলেন। মানে নিজের খেলা ৪ দেশের মধ্যে শুধু পর্তুগাল লিগ জেতাই তার বাকি।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জিতেছেন ৩ বার। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে স্পেনের লা লিগার শিরোপা উৎসব করেছেন দুবার। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল পেলেন ইতালিয়ান সিরি আ’র শিরোপা জয়ের স্বাদও। জুভেন্টাসের হয়ে নিজের প্রথম মৌসুমেই জিতলেন লিগ শিরোপা।

গতকাল নিজেদের মাঠে ফিওরেন্তিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৫ ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরি ‘আ’র শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে জুভেন্টাস। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ক্লাব জুভেন্টাসও গড়েছে অনন্য এক রেকর্ড। তুরিনের ওল্ড লেডি’দের এটা টানা অষ্টম লিগ শিরোপা।

সব মিলে রেকর্ড ৩৫তম। ইতালির সিরি আ, স্পেনের লা লিগা, ইংল্যান্ডের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, জার্মান বুন্দেসলিগা— ইউরোপের এই শীর্ষ ৪টি লিগের কোনো দলই টানা অষ্টম বারের মতো লিগ শিরোপা জিততে পারেনি। জুভেন্টাসই প্রথম ক্লাব হিসেবে এই কীর্তি গড়ল।

জুভদের যে কীর্তি রোনালদোকেও বসিয়ে দিয়েছে ইতিহাসের আলাদা একটা আসনে। যেখানে আর কেউ নেই। গত মৌসুমে রিয়াল ছেড়ে যখন জুভেন্টাসে যোগ দেন, তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় অনন্য এই কীর্তিটা গড়তে যাচ্ছেন রোনালাদো। কারণ, ইতালির সিরি আ’তে জুভেন্টাসের এখন একচ্ছত্র আধিপত্য। উপরের রেকর্ডটিই সে কথা বলছে। তাকে ছাড়াই সর্বশেষ ৭ মৌসুমেই সিরি আ’র শিরোপা জিতেছে জুভেন্টাস।

সুতরাং রোনালদোর জুভেন্টাস এবারও যে লিগ শিরোপা জিততে এটা অনুমিতই ছিল। অপেক্ষাটা ছিল শুধু ছিল সেই মহেন্দ্রক্ষণটি কখন আসে। বিশ্বজুড়ে রোনালদো ভক্তদের সেই অপেক্ষা ফুরোলো মৌসুম শেষের আগেই। ৫ ম্যাচ হাতে রেখেই স্কুডেটোটা পকেটে পুরে ফেলল জুভেন্টাস।

অনন্য এই কীর্তির পরই ৩৪ বছর বয়সী রোনালদো উচ্ছ্বসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে নিজের উল্লাসের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন হিসেবে লিখেছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন অব ইতালি!’ আরও লিখেছেন, ‘আমি খুব খুব খুশি যে, আমার প্রথম মৌসুমেই ইতালিয়ান লিগ জিতলাম। যারা আমাকে সমর্থন করেছেন, তাদের ধন্যবাদ।’

ধন্যবাদ, অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন রোনালদো নিজেও। অসাধারণ এই কীর্তির পর বিশ্বের অনেক সাবেক খেলোয়াড়ই টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাকে। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও ফুটবল বিশেষজ্ঞ গ্যারি লিনেকার যেমন লিখেছেন, ‘প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা ও সিরি আ’র শিরোপা জেতায় ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে অভিনন্দন। সত্যিই অসাধারণ অর্জন।’

আসুন আমরাই অভিনন্দন জানাই, জয়তু রোনালদো।

Messi-Suarez-with-Iqbal.jpg

চট্টগ্রামের এক যুবক ফুটবলের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। বুধবার তাদের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করে তিনি।

ওই যুবকের নাম ইকবাল হৃদয়। তিনি মিরসরাইয়ের বাসিন্দা। চট্টগ্রাম সিটি কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছেন। বর্তমানে তিনি স্পেনের বার্সেলোনায় অবস্থান করছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, মেসি ও সুয়ারেজ রাতের বেলা হাঁটছেন। এ সময় ইকবালের সঙ্গে তাদের দেখা হয়। ইকবাল স্প্যানিশ ভাষায় তাদের সঙ্গে কথা বলেন। মেসি এবং সুয়ারেজ দুজনেই তার সঙ্গে হেসে প্রত্যুত্তর দেন এবং ছবি তোলেন।

ইকবাল হৃদয়ের ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো নিজ দেশকে নিয়ে বাংলাদেশে আসেন মেসি। সে সময় মেসিকে এক ঝলক দেখার জন্য বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমিরা স্টেডিয়ামে ভিড় করেন। অনেক সৌভাগ্যবান ফুটবল প্রেমিরা সে সময় মেসির সংস্পর্শে আসতে পেরেছিলেন।

Geplaatst door Ikbal Hriday op Woensdag 17 april 2019

24-12.jpg

৪৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও। তাতেই তোলপাড়। সেটিতে দেখা যায়, সুনিপুণ দক্ষতায় গানের তালে তালে পেট দোলাচ্ছেন একজন যুবক। দর্শকদের কাছে এটি ‘বেলি ড্যান্স’ হিসেবে সমধিক পরিচিত।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে হইচই পড়ে গেছে। প্রথমে ভক্ত-সমর্থকেরা বলেন, এতদিন জানতাম মোহাম্মদ সালাহ অসাধারণ ফুটবলার। বল নিয়ে নানা কারিকুরিতে দক্ষ। এবার জানলাম তিনি একজন ভালো ড্যান্সারও। পেটের কী কসরতটাই না দেখালেন মিসরীয় কিং।

অবশ্য পরে তাদের ভুল ভেঙেছে। তিনি আসল সালাহ নন। মজার ব্যাপার হলো, ওই যুবক দেখতে হুবহু লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ডের মতো। এখানেই শেষ নয়, তাকে অনেকেই সালাহ বলে প্রচার করেন।

জানা গেছে, ওই যুবকের বাড়িও মিসরে। কেবল তা-ই নয়, তিনি দেখতে অবিকল সালাহর মতো এবং তার অন্ধ ভক্ত।

women-football-20190418194730.jpg

চারদিন পর ঢাকায় শুরু হচ্ছে প্রথম বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামের এ টুর্নামেন্টকে আকর্ষণীয় করতে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; কিন্তু দলগুলোর আবাসন ব্যবস্থায় বাফুফে বৈষম্য রাখায় জন্ম দিয়েছে নানা প্রশ্ন।

শুক্রবার তাজিকিস্তান প্রথম দল হিসেবে ঢাকা আসছে। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত, মঙ্গোলিয়া, লাওস ও সর্বশেষ ২১ এপ্রিল আসছে কিরগিজস্তান। ৬ জাতির এ টুর্নামেন্টে অতিথি ৫টি দেশকেই রাখা হচ্ছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে; কিন্ত বাংলাদেশের মেয়েদের জায়গা হচ্ছে না পাঁচতারা এই হোটেলে। বাফুফে ভবনের ডরমেটরিতে থেকেই মারিয়া-আঁখিদের খেলতে হবে বঙ্গমাতা টুর্নামেন্ট।

যদিও প্রথম শোনা গিয়েছিল, অন্য পাঁচ দেশের মতো লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরাও একই হোটেল থাকবে টুর্নামেন্ট চলাকালীন। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরে বাফুফে থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দেয়া হয়, বাংলাদেশ দল সেখানে উঠছে না।

স্থানীয় মেয়েদের পাঁচতারা হোটেলের পরিবর্তে বাফুফে ভবনের ডরমেটরিতে রাখার যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ, তার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

বাফুফে ভবনের ডরমেটরিতে থেকে খেললে নাকি বাংলাদেশের মেয়েরা ভালো রেজাল্ট করবে। কারণ, তারা সারাবছর এখানে থেকে-খেয়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। হোটেলের পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না, খাবারেও নাকি মেয়েদের সমস্যা হয়। জায়গা পরিবর্তন করলে ফল খারাপ হওয়ার শঙ্কা আছে!

মেয়েদের পাঁচতারা হোটেলে না ওঠানোর দায়টা অবশ্য মহিলা ফুটবল দলের টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্টের উপর চাপিয়েছে বাফুফে। ‘আমরা অর্থ বাঁচানোর জন্য মেয়েদের হোটেলে উঠাচ্ছি না, বিষয়টি এমন নয়। আমরা ৬ দেশের জন্যই হোটেল বুকিং দিয়েছিলাম। কিন্তু দলের টেকনিক্যাল ডিপার্টমেন্ট কিছুতেই মেয়েদের হোটেলে রাখার পক্ষে নয়। তাই আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছি মেয়েরা উঠবে না’- বলেছেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ।

এ বিষয়ে টুর্নামেন্টের স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান কে-স্পোর্টসের সিইও ফাহাদ করীম  বলেছেন, ‘আমরা তো সব দলের জন্যই হোটেল বুকিং দিয়েছি। এখন বাংলাদেশ দলকে হোটেল উঠতে দেবে কিনা সেটা বাফুফের বিষয়।’

প্রথম দল হিসেবে শুক্রবার রাত ১১.২০ মিনিটে ঢাকায় আসছে তাজিকিস্তান। পরের দিন সকাল ৮.৪০ মিনিটে আসছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দুপুর ১টায় মঙ্গোলিয়া এবং সন্ধ্যা ৬টায় লাওস। সর্বশেষ দল হিসেবে কিরগিজস্তান ঢাকায় আসছে ২১ এপ্রিল ভোর ৪.৫৫ মিনিটে।

২২ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬ টায় উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাংলাদেশ গ্রুপের (‘বি’ গ্রুপ) অন্য দল কিরগিজস্তান। ‘এ’ গ্রুপে খেলবে মঙ্গোলিয়া, লাওস ও তাজিকিস্তান। সোমবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তাফা কামাল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ৩ মে।

kuwet.jpg

২০২২ সালে অনুষ্ঠেয় কাতার বিশ্বকাপ হবে ৪৮ দলের! সেই রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর থেকেই এ কথা বলে আসছে ফিফা। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে রীতিমত উঠেপড়ে লেগেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। যদিও আয়োজক কাতার এখনও নিমরাজি। কিন্তু ইনফান্তিনো নাছোড়বান্দা। কাতারের কাঁধ থেকে বোঝা কমাতে তিনি কুয়েতকে সহ-আয়োজক হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তবু ৪৮ দলের বিশ্বকাপ তার চাই।

রোববার কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং দেশটির ক্রীড়া ফেডারেশন প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। তাছাড়া কুয়েতের জাতীয় সংসদের স্পিকার মারজুক আল-ঘানেম এবং দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। কুয়েতের সংবাদ মাধ্যম ‘কুনা’ এ তথ্য জানিয়েছে।

সাক্ষাতের বিস্তারিত প্রকাশিত না হলেও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের দাবি, কাতার বিশ্বকাপকে সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই কুয়েত সফরে গিয়েছেন ইনফান্তিনো। মূলত বিশাল এই আয়োজনে কাতারের সঙ্গে শরিক হওয়ার প্রস্তাব দিতেই কুয়েতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন তিনি।

এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত মাসে ফিফা’র সাধারণ সভায় ভোটাভুটিতে সিদ্ধান্ত হয় কাতার বিশ্বকাপ থেকেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের।

৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে শুরুতে আগ্রহ দেখালেও সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই অনাগ্রহ দেখাচ্ছে কাতার। কারণ তাদের দীর্ঘদিনের প্রস্তুতি ছিল ৩২ দলের। এখন এটা বাড়াতে হলে কাতারের একার পক্ষে আয়োজন অসম্ভব। ফলে কার্যত কাতারের ওপর এটা বাড়তি চাপ হয়ে দেখা দিয়েছে।

আগামী জুনে প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা’র মিটিংয়ে ৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে কাতারকে রাজি করানোর জন্য সব রকম চেষ্টাই অব্যাহত রেখেছেন ইনফান্তিনো। কিন্তু দলের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া মানে বাড়তি ম্যাচ, বাড়তি সমর্থকের উপস্থিতি। সময়ও এখানে একটা চিন্তার বিষয়।

কাতারকে চাপমুক্ত করতে তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ফিফা। কিন্তু কূটনৈতিক সমস্যা এক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সন্ত্রাসবাদে সহযোগিতার অভিযোগ তুলে সৌদি আরবের নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর এবং বাহরাইন প্রায় ২ বছর ধরে কাতারকে একঘরে করে রেখেছে। যদিও কাতার বারবার এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তরল প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ কাতারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি মধ্যপ্রাচ্যের এমন দুই দেশ কুয়েত ও ওমান। এদের মধ্যে ওমান এরইমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হওয়ার মতো প্রস্তুতি নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। বাকি রইলো কুয়েত। এখন দেখা যাক কোথাকার জল কোথায় গিয়ে গড়ায়।

brazil-20190412203100.jpg

দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর কোপা আমেরিকার ২০২০ সালের আয়োজক দুই দেশ হিসেবে আর্জেন্টিনা আর কলম্বিয়ার নাম নিশ্চিত করেছে কনমেবল। আগামী বছর এই টুর্নামেন্টটি হবে নতুন ফরমেটে।

গুঞ্জন আগেই ছিল যে, ২০২০ কোপা আমেরিকার আয়োজক হতে পারে আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া। নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল সেটাই নিশ্চিত করলো।

আঞ্চলিক এই টুর্নামেন্টটির ফরমেট এবার দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ছয়টি করে দল খেলবে দুই গ্রুপ। একটি গ্রুপের নাম জোনা সুর (সাউথ জোন), অপরটি জোনা নরতে (নর্থ জোন)।

আর্জেন্টিনা পড়েছে সাউথ জোনে। যে গ্রুপে তাদের সঙ্গে রয়েছে চিলি, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া এবং আমন্ত্রিত একটি দল।

ব্রাজিল খেলবে নর্থ জোনে। যেখানে তাদের সঙ্গে থাকছে কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, পেরু এবং আমন্ত্রিত একটি দল।

প্রতি গ্রুপ থেকে চারটি করে দল উঠবে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেখান থেকে দুটি করে দল সেমিফাইনালে। এবং সবশেষে ফাইনালে দুই দল।