ফুটবল Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

beafg.jpg

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়েই এসেছিল ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা। কিন্তু কারোই সেই স্বপ্ন পূরন হয়নি। শিরোপা বঞ্চিত হয়েছে দুই দলই।

দক্ষিণ আমেরিকা অনূর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়নশিপে গতরাতে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে জয় পেলেই শিরোপা জিতবে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ব্রাজিলের শিরোপা না জেতা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই।

এমন সমীকরণের ম্যাচে ব্রাজিল আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছে ১-০ গোলে। ম্যাচের ৪০ মিনিটে লিংকনের পেনাল্টি থেকে জয়সূচক একমাত্র গোলটি পায় ব্রাজিল।

u20wc.jpg

আগামী মে-জুনে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের ২২তম আসরের টিকিট কাটতে ব্যর্থ হয়েছে ব্রাজিল। যদিও তারা নিজেদের শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে। এ নিয়ে চার আসরের তিনবারই বাছাইপর্ব পেরুতে পারেনি ব্রাজিল।

চিলিতে অনুষ্ঠিত ছোটদের কোপা আমেরিকায় প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইকুয়েডর। ড্র হওয়া উরুগুয়ে-কলম্বিয়া ম্যাচে কলম্বিয়া হারলেই কেবল যুব বিশ্বকাপে খেলার আশা থাকতো ব্রাজিলের। আর আর্জেন্টিনা জিতলে তারাই চ্যাম্পিয়ন হতো। ব্রাজিলের একমাত্র সান্ত্বনা আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা ট্রফি জিততে না দেয়া।

আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডরের সঙ্গে যুব বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়া। যুব বিশ্বকাপে রেকর্ড ৬ বারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

বিশ্বের ৬টি কনফেডারেশন থেকে চারটি করে দল নিয়ে মোট ২৪টি দল যুবাদের এ টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে থাকে।

marcelo-20190212215930.jpg

দু’দিন আগেই রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান লেফট ব্যাক মার্সেলো তোলপাড় করা এক তথ্য ফাঁস করেছিলেন। বলেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের দিনই রোনালদো তাকে বলেছিলেন, রিয়ালের হয়ে ওটাই হয়তো তার শেষ ম্যাচ। কারণ, এরপরই তিনি রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন।

রোনালদোর ওই পরিকল্পনার কথা তার প্রিয় বন্ধু মার্সেলোছাড়া আর কেউ জানতো না। শেষ পর্যন্ত মার্সেলো সে কথা প্রকাশ করলেন যে, আর কেউ না জানলেও তিনি অনেক আগে থেকেই জানতেন রোনালদো রিয়াল ছাড়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। সিআর সেভেন জুভেন্টাসে যোগ দেয়ার পর অনেকবারই মার্সেলো বলেছিলেন, রিয়াল তাদের সেরা খেলোয়াড়কেই হারিয়ে ফেলেছে।

এবার আরো একটি বোমা ছাড়লেন মার্সেলো। বললেন, তার ফুটবল ক্যারিয়ারে যা অর্জন সব কিছুর পেছনেই অবদান রয়েছে জিদানের। সুতরাং, নিজের যা ছিল, তার সব কিছুই তিনি উজাড় করে দিয়েছেন জিদানের জন্য।

জিদানের অধীনেই টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জয় করে রিয়াল মাদ্রিদ। একটি লিগ শিরোপাও ঘরে তুলেছে তারা। কিন্তু সেই জিদানই টিকতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদে। তার চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দল ছেড়ে চলে যান ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সে সব নিয়েই কথা বলেছেন মার্সেলো।

Marcelo.jpg

জিদানের চলে যাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেকের জন্যই বিষয়টা ছিল খুবই আশ্চর্যজনক বিষয়। কারণ, আমরা এর কিছুই জানতাম না। আমরা খুবই অবাক হয়েছিলাম এই সিদ্ধান্তে। শুধু তাই নয়, এটা ছিল আমার কাছে একটি মর্মাঘাতের মতো। আমাদের মধ্যে অসাধারণ একটি সম্পর্ক ছিল। আমরা প্রতিদিন কথা বলতাম। তিনি আমার প্রতি অনুরক্ত ছিলেন এবং যে কোনো বিষয়ে আমার ওপরই নির্ভর করতেন।’

জিদানই ছিলেন মার্সেলোনার জন্য সেরা কোচ। সেটাই তিনি বললেন মাদ্রিদ ভিত্তিক ক্রীড়া দৈনিক মার্কাকে। সেখানে মার্সেলো বলেন, ‘জিজু ছিল আমার জন্য সবচেয়ে সেরা। তিনি ছিলেন দারুণ পেশাদার। এ কারণে তার জন্য সব কিছুই করেছি আমি। আমি দৌড়েছি, লড়াই করেছি, খেলেছি এবং ইনজুরিতেও পড়েছি- শুধু তার জন্য। এক কথায়, আমি নিজেকে সম্পূর্ণ উজাড় করে দিয়েছিলাম তার জন্য।’

রোনালদো সম্পর্কে মার্সেলো বলেন, সিআর সেভেনের সঙ্গে খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে তার। তিনি বলেন, ‘ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, তার পরিবার এবং তার বান্ধবীর সঙ্গেও আমার খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তার সঙ্গে ৯টি বছর খেলেছি এবং তার চলে যাওয়াটা অবশ্যই আমার জন্য দুঃখজনক।

messiy.jpg

প্রতিটি মুহূর্ত পেরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে বয়স। মিনিট, ঘণ্টা, দিন, সপ্তাহ, মাস এরপর বছর। এভাবেই জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে এক একটি বসন্ত। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি তো এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নন! তারও একইভাবে বয়স বাড়ছে, পেরিয়ে যাচ্ছে সময়। যার ধারাবাহিকতায় এখন তার বয়স ৩১। ফুটবল পায়ে সবুজের গালিচায় আর কত ছন্দ এঁকে যাবেন তিনি? একটা সময় তো তাকে থামতে হবে!

মেসির সেই থেমে যাওয়া এবং বুটজোড়া তুলে রাখার সময়টা নিয়ে এখনই চিন্তা-ভাবনা শুরু করে দিয়েছে তার ক্লাব বার্সেলোনা। যদিও কঠিন বাস্তবতা, তবুও একে তো মেনে নিতে হবে সবারই। সেই বাস্তবতা সামনে রেখেই এখন থেকে ক্লাবকে প্রস্তুতি শুরু করার কথা বলে দিয়েছেন বার্সা সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তেম্যু।

সেই ৯ বছর বয়স থেকে বার্সায় লিওনেল মেসি। দুরারোগ্য গ্রোথ হরমোন নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন বার্সার ফুটবল অ্যাকাডেমি লা মাসিয়ায়। সেখান থেকে চিকিৎসার সঙ্গে বেড়ে উঠতে থাকেন পরিপূর্ণ ফুটবলার হিসেবে। ২০০৪-০৫ মৌসুমে ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের হাত ধরে পথচলা শুরু হয় বার্সার সিনিয়র দলে। এরপর শুরু তার নিরন্তর পথচলা।

মেসি চলছেনই। নিজে যেমন আলোকিত হলেন, আলোকিত করেছেন নিজের ক্লাব বার্সেলোনাকেও। একের পর এক সাফল্যের মুকুটে মণ্ডিত করেছেন বার্সাকে। নিজেও জিতেছেন ব্যাক্তিগত সব পুরস্কার। সময়ের ধারাবাহিকতায় ৩০ পেরিয়ে এখন মেসির বয়স ৩১।

বার্সা সভাপতি হোসে মারিয়া বার্তেম্যু এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, ‘যদিও আমরা চিন্তাই করতে পারি না সেই সময়টার কথা, যখন মেসি তার বুটজোড়া তুলে রাখবেন। কিন্তু এটা তো একটি চরম বাস্তবতা। এক সময় না এক সময় তাকে অবসর নিতেই হবে। সেই কঠিন সময়টার কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন।’

বার্সা সভাপতি মেসিকে ইতিহাসের সেরা ফুটবলার উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা ইতিহাসের একজন সেরা ফুটবলারকে বহন করে চলছি। একই সঙ্গে দলে রয়েছে উদীয়মান তরুণ ফুটবলাররাও। কারণ, আমরা চাই আমাদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে। এটা আমাদের দায়িত্ব।’

সাম্প্রতিক সময়ে বার্সা বেশ কিছু উদীয়মান খেলোয়াড়ের পেছনে বিনিয়োগ করেছে। তাদেরকে ফিট করে তোলা থেকে শুরু করে দলের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, সব কিছুতেই সযত্নে বিনিয়োগ করে যাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি। এদের মধ্যে রয়েছেন ফ্রাঙ্কি ডি জং, ওসমান ডেম্বেলে, আর্থার, জিন ক্লেয়ার তোদিবো এবং এমারসন।

হোসে মারিয়া বার্তেম্যু বিশ্বাস করেন, এসব খেলোয়াড়ই এক সময় ক্লাবটাকে ধারাবাহিকতার পর্যায়ে ধরে রাখবে। তিনি বলেন, ‘আগামী দুই মৌসুম পর আমার সময় শেষ হয়ে যাবে (বার্সা সভাপতি হিসেবে)। কিন্তু যাওয়ার সময় আমি চাই ক্লাবকে এমন এক পর্যায়ে রেখে যেতে, যাতে পরবর্তী সভাপতি এসে বলতে পারেন, এটাই তো আমাদের সম্পদ।’

n4e.jpg

ফ্রেঞ্চ লিগে খেলা আর্জেন্টাইন ফুটবলার এমিলিয়ানো সালা যেই বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন, সেই বিমানের চালক ডেভিড ইবটসনকে খুঁজে বের করার জন্য তৈরি করা তহবিলে ২৭ হাজার পাউন্ড দান করেছেন ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপে। ফ্রান্সের নঁতে থেকে যুক্তরাজ্যগামী যে বিমানটি ২১শে জানুয়ারি গোয়ের্নসে’র কাছে দুর্ঘটনার শিকার হয়, সেই বিমানের চালক ছিলেন ডেভিড ইবটসন।

দুর্ঘটনার বেশ কয়েকদিন পর সমুদ্রের তলদেশ থেকে ফুটবলার এমিলিয়ানো সালার মরদেহ উদ্ধার করা হলেও ইবটসনের দেহ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। ইবটসনকে খোঁজার জন্য তৈরি করা তহবিলে রোববার পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার পাউন্ড পরিমাণ অর্থ সংগৃহীত হয়। সংগ্রহকারীদের লক্ষ্য অন্তত ৩ লক্ষ পাউন্ড সংগ্রহ করা।

বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে ছাড়াও তহবিলে অর্থ দান করেছেন ইংল্যান্ড ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক গ্যারি লিনেকার।

ফরাসি ক্লাব নঁতে থেকে ইংলিশ ক্লাব কার্ডিফ সিটিতে এমিলিয়ানো সালার ট্রান্সফারের খবর প্রকাশিত হওয়ার দু’দিন পরই বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি। দুর্ঘটনার পর ২৪শে জানুয়ারি সমুদ্রের নিচে খোঁজ সমাপ্ত ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

এরপর সালার এজেন্ট ৩ লক্ষ ২৪ হাজার পাউন্ড তহবিল সংগ্রহ করে ব্যক্তিগতভাবে আবারো তার দেহ খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয়ার পর পাওয়া যায় ফুটবলারের মরদেহ।

বিমানচালক ইবটসনের পরিবারও এবার সেরকম একটি ব্যক্তিগত পর্যায়ের অনুসন্ধান পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

মি. ইবটসনের পরিবার লিখেছে, তিনি (ইবটসন) একা রয়েছেন, এই বিষয়টি আমরা মেনে নিতে পারছি না। আমরা তাকে ঘরে নিয়ে আসতে চাই যেন তাকে আমরা চিরনিদ্রায় সমাধিস্থ করতে পারি।

যেভাবে হারিয়ে গেলো বিমানটি

২১শে জানুয়ারি ফ্রান্সের স্থানীয় সময় সাতটা পনের মিনিটে একটি সিঙ্গেল টার্বাইন ইঞ্জিন বিমান সালাকে নিয়ে রওনা করে। প্রায় ৫,০০০ ফুট ওপরে থাকা অবস্থায় এয়ার ট্রাফিক কনট্রোলের সাথে যোগাযোগ করে অবতরণের অনুরোধ করে। ২,৩০০ ফুট ওপরে থাকা অবস্থায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয় বিমানের সাথে, এরপর আর খোঁজ পাওয়া যায়নি বিমানটির। অ্যালডারনির চ্যানেল দ্বীপে সোমবার রাতে বিমানটি হারায়।

পাঁচটি বিমান ও দু’টি লাইফবোট প্রায় ১,০০০ বর্গ মাইল জায়গা জুড়ে বিমানটির খোঁজ করে। কিন্তু কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

২৪শে জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় খোঁজের। পরে ব্যক্তিগত অর্থায়নে খোঁজ চালানো হলে এ সপ্তাহের শুরুতে বিমানের ধ্বংসাবশেষের কাছ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সেটিকে সালার মরদেহ বলে ঘোষণা করা হয়।

বিমান চালক ইবটসনের মরদেহ এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। খবর: বিবিসি বাংলা।

messi4.jpg

পাঁচ বারের ব্যালন ডি অ’র, চার বার চ্যাম্পিয়নস লিগ, নয়বার স্প্যানিশ চ্যাম্পিয়নসহ অসংখ্য ব্যক্তিগত ও দলীয় শিরোপা রয়েছে লিওনেল মেসি নামটির সঙ্গে। বার্সেলোনার এই আর্জেন্টাইন মহাতারকার নৈপুণ্যে মুগ্ধ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ফুটবল প্রেমীরা।   ৩১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডের বাম-পায়ের জাদুর জন্য ভক্তরা তাকে জাদুকর হিসেবে উপাধি দিয়েছেন।

এবার মাঠের বাইরেও ‘জাদু’ দেখালেন মেসি। আর এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।সম্প্রতি স্টুডিওতে একটি পানীয়র বিজ্ঞাপনে নিজের নৈপুণ্য দেখিয়েছেন মেসি। খানিকটা পানীয় ভর্তি বোতলটাকে তিনি বসিয়েছিলেন ফুটবলের ওপর। এরপর একটি রিং লক্ষ্য করে শট নিলেন। বলটাকে শুধু রিংয়ের মধ্যে দিয়ে পারই করালেন না, এমনই ট্রিক শট নিলেন যে, বোতলটিও একটি পাক খেয়ে ঠিক দাঁড়িয়ে থাকল ফ্লোরের ওপর। যা চোখে না-দেখে বিশ্বাস করা প্রায় অসম্ভব।নিজের ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।

bd-20190208212030.jpg

সামনে কারা? তার চেয়ে পেছনে কারা সেটা জানার আগ্রহ অনেকের। ফুটবলে বাংলাদেশের পেছনেও থাকতে পারে কেউ? কৌতূহলটা সেখানেই।

বৃহস্পতিবার ফিফা ঘোষিত সর্বশেষ র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত। আগের মতো ১৯২। ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে বাংলাদেশের পেছনে আছে গোটা বিশেক দল।

তবে এশিয়ায় তেমন নেই। এএফসির সদস্য ৪৬ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৪২তম। একদম শেষের দিকে। পেছনে যারা আছে তাদের দুটি দেশই দক্ষিণ এশিয়ার-পকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। দেশ দুটি আছে ৪৫ ও ৪৬ নম্বরে।

এশিয়ার র‌্যাংকিংয়ে ভারত আছে ১৮ নভেম্বরে। বাংলাদেশের সামনে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলো হচ্ছে ভুটান ৩৯, নেপাল ৩৩, মালদ্বীপ ৩০। কিছুদিন আগে দক্ষিণ এশিয়া থেকে বেরিয়ে মধ্য এশিয়ায় যাওয়া আফগানিস্তানের অবস্থান এশিয়ায় ২৯ নম্বরে।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের পর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে কোনো পরিবর্তনও হয়নি। র‌্যাংকিং বাড়াতে বাফুফে কিছু ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছে। আগামী মাসে একটি ম্যাচ আছে কম্বোডিয়ার সঙ্গে। ম্যাচটি হবে ৯ মার্চ কম্বোডিয়ার মাটিতে।

real-Home.jpg

রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার দ্বৈরথ মানেই ধ্রুপদি লড়াই। কিন্তু আজকের ‘এল ক্লাসিকো’ কি সত্যিই ধ্রুপদি লড়াই হবে? প্রশ্নটা উঠছে দুই দলের দলীয় শক্তিমত্তার কারণে। কাড়ি কাড়ি টাকা ঢেলে তারকা খেলোয়াড় কেনাটা রিয়াল মাদ্রিদের চিরায়ত অভ্যাস। ফলে তাদের নামই হয়ে গেছে ‘ক্রেতা ক্লাব’! খেলোয়াড় বেচার চেয়ে কেনার দিকেই তাদের ঝোঁক বেশি। অথচ সেই রিয়াল মাদ্রিদ গত ৫ বছরে নামীদামী কোনো তারকা খেলোয়াড়ই কেনেনি।

উল্টো দিকে বার্সেলোনা একের পর এক তারকা খেলোয়াড় কিনে দলের শক্তি বৃদ্ধি করছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত ৫ বছরে, অর্থাৎ ২০১৪ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত নতুন খেলোয়াড় ক্রয়ের পেছনে রিয়ালের চেয়ে বার্সেলোনা ৩৮৩ মিলিয়ন ইউরো বেশি খরচ করেছে!

আর শুধু বার্সেলোনাই কেন। এমনকি খেলোয়াড় কেনায় রিয়াল বর্তমানে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়েও পিছিয়ে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪ সালের পর থেকে প্রতি বছরই খেলোয়াড় কেনায় রিয়ালকে টেক্কা দিয়েছে বার্সেলোনা ও অ্যাতলেতিকো।

এমনকি ২০১৭ সালে নেইমারকে ২২২ মিলিয়ন ইউরোয় বিক্রি করার বছরেও বার্সেলোনার আয়ের চেয়ে নেট খরচ ছিল বেশি। মানে যত টাকার খেলোয়াড় বিক্রি করেছিল তার চেয়ে অনেক বেশি টাকার খেলোয়াড় কিনেছিল।

২০১৭-১৮ মৌসুমে বার্সেলোনা নেইমারসহ মোট ২৩২.৫ মিলিয়ন ইউরোর খেলোয়াড় বিক্রি করেছে। বিপরীতে কিনেছে ৪০৪.৩ মিলিয়ন ইউরোর খেলোয়াড়। এর মধ্যে ফিলিপে কুতিনহোকে কিনেছে ১৬০ মিলিয়ন ইউরোয়, উসমানে ডেম্বেলেকে ১৪৫ মিলিয়ন ইউরোয়, পওলিনহোকে কেনে ৪০ মিলিয়ন ইউরোয়, নেলসন সেমেদোকে ৩০.৫ মিলিয়ন ইউরোয়, দেউলোফুকে ১২ মিলিয়ন ইউরোয়, ইয়ারি মিনাকে ১১.৮ মিলিয়ন ইউরো এবং মারলনকে কেনে ৫ মিলিয়ন ইউরোয়!

অথচ ওই বছরে নতুন খেলোয়াড় কেনার পেছনে রিয়াল খরচ করে মাত্র ৪৬.৫ মিলিয়ন ইউরো। বিপরীতে বিক্রি করে ১৪২.৫ মিলিয়ন ইউরোর খেলোয়াড়। গত মৌসুমে অবশ্য খেলোয়াড় বেচে আয়ের চেয়ে কেনায় খরচ রিয়ালেরও বেশি। মোট ১১৩.৭ মিলিয়ন ইউরো আয় করার বিপরীতে খরচ করেছে ১৯৯.৫ মিলিয়ন ইউরো। কিনেছে ভিনিসিয়াস (৪৫ মিলিয়ন ইউরো), রদ্রিগো (৪০ মিলিয়ন), থিবো কুর্তোইস (৩৫ মিলিয়ন), ওদ্রিজোলা (৩০ মিলিয়ন), মারিয়ানো (২২ মিলিয়ন), ব্রাহিম দিয়াজ (২২), লুহিন (৮.৫ মিলিয়ন) ও মাসকারেলদের (৪ মিলিয়ন ইউরো)।

কিন্তু টাকার অঙ্কে খরচ বেশি হলেও রিয়াল যতজনকে কিনেছে, তারা সবাই মিলেও এক ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সমান নন! ২০০৯ সালের পর থেকে রিয়ালকে বলতে গেলে একাই টেনেছেন রোনালদো। কিন্তু সেই সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে রিয়াল গত গ্রীষ্মে জুভেন্টাসের কাছে ১০০ মিলিয়ন ইউরোয় বিক্রি করে দিয়েছে।

তার যোগ্য বিকল্প হিসেবে কাউকে কেনেনি রিয়াল। ফলে একজন রোনালদোর শুন্যতা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে তারা। সেই শূন্যতা নিশ্চয়ই এবার এল ক্লাসিকোতে আরও বেশি করে টের পাবে রিয়াল?

আজ কোপা ডেল রের সেমি ফাইনালের প্রথম লেগটিতে অবশ্য বার্সেলোনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসির খেলা নিয়েও সংশয় আছে। তবে বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে ঠিকই অধিনায়ক মেসিকে স্কোয়াডে রেখেছেন। আভাস-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন, একটু ঝুঁকি নিয়ে হলেও মেসিকে খেলাবেন তিনি। আর মেসিও মর্যাদার এল ক্লাসিকোতে খেলতে মরিয়া। বার্সা ম্যাচটাও খেলবে নিজেদের ঘরের মাঠ ন্যু-ক্যাম্পে।

তাছাড়া মেসি যদি না খেলে, তারপরও তারকার ভারে বার্সেলোনাই এগিয়ে। লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে নতুন কেনা কুতিনহো, ডেম্বেলেরা বার্সেলোনায় অবিশ্বাস্য আক্রমণভাগ গড়ে তুলেছেন। মাঝ মাঠে নতুন আসা আর্থার, আরতুরো ভিদাল, ম্যালকমরাও ভারসাম্য এনেছেন। বিপরীতে রোনালদো চলে যাওয়ার পর গ্যারেথ বেল, মার্কো এসেনসিওরা ধুঁকছেন। সাম্প্রতিক সময়ে করিম বেনজেমা অবশ্য নিজেকে খুঁজে পেয়েছেন, কিন্তু তাকে যথাযথ সহায়তা দেওয়ার কেউ নেই! রিয়াল কর্তারা টাকা ঢেলে সেই মানের কাউকে কেনেনি!

ফলে দলবদলে খরচের বিষয়টি স্পষ্টভাবেই আজকের এল ক্লাসিকোতে পিছিয়ে রাখছে রিয়ালকে। বিশেষ করে কাগজে-কলমে রিয়াল অবশ্যই পিছিয়ে। তবে এল ক্লাসিকোতে কাগজে-কলমের হিসাব অনেক সময়ই মেলে না। করিম বেনজেমারা পারবেন, কাগজে-কলমের হিসাবটা আরও একবার উল্টে ফেলে ‘এল ক্লাসিকো’র মাহাত্ম্যটা ফুটিয়ে তুলতে?

নাকি খরচের অঙ্কটাই গড়ে দিবে পার্থক্য?

bff-dudok-20190206225846.jpg

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন, সদস্য মাহফুজা আক্তার কিরণ ও চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. আবু হোসেনকে দেয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেয়া নোটিশের বিষয়টি এখন ফুটবল অঙ্গনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা। দুদক সপ্তাহখানেক আগে বাফুফের এই তিন কর্মকর্তাকে নোটিশ করে তাদের চাহিদামতো কাগজপত্র জমা দিতে বলেছে। ঘটনা জানাজানি হয়েছে মঙ্গলবার।

বুধবার ফুটবল অঙ্গনেই নয়, পুরো ক্রীড়াঙ্গনেই দুদকের এ নোটিশ ছিল আলোচনার প্রধান বিষয়। অনেকের মতে, বাফুফের তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগে দেশের ফুটবলে একটা ধাক্কাই লাগলো। যদিও বাফুফে এ অভিযোগ নিয়ে তেমন চিন্তিত নয়। সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘দুদক যে কাগজপত্র চেয়েছে তা প্রস্তুত করছি। নির্ধারিত সময়েই জমা দেব।’

অভিযোগ পেয়ে দুদক তদন্তে নেমেছে। তদন্ত শেষেই জানা যাবে বাফুফে সভাপতি ও অন্য দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্যতা। তবে আপতত এ অভিযোগ ফুটবল কর্মকর্তাদের জন্য বিব্রতকর একটা পরিস্থিতি।

বাফুফের সহ-সভাপতি বাদল রায় অনেক আগেই বলেছেন, এ সংস্থাটি এখন দুর্নীতির আখড়া। এ নিয়ে তাকে নির্বাহী কমিটির সভায় ক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়েছে। অভিযোগ দুদক পর্যন্ত যাওয়ায় ফুটবল অঙ্গনের মানুষ নানা রকম হিসেব মেলানোর চেষ্টা করছে। বাফুফে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করছেন না।

বুধবার বাফুফে ভবনে গণমাধ্যমকর্মীরা সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্য নেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। ‘আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গোছাচ্ছি। সময়মতো দুদকে জমা দেব’-এর বেশি বলতে নারাজ বাফুফের সাধারণ সম্পাদক।

সময়মতো বলতে বৃহস্পতিবারই বোঝায়। কারণ, দুদকের বেধে দেয়া সময় শেষ হবে এই দিন। কিন্তু বাফুফের একটি সূত্র বলেছে, আগামী রোববার কিংবা সোমবার তারা দুদকে কাগজপত্র জমা দিতে পারেন। কাজী সালাউদ্দিন বাফুফের সভাপতি ২০০৮ সাল থেকে। এই দীর্ঘ সময়ের কাগজপত্র তৈরি করতে সময়ের প্রয়োজন।

বাফুফেকে দুদকের নোটিশ অবশ্য নতুন নয়। এর আগে জাতীয় দলের সাবেক ডাচ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফের বেতন ও তার সঙ্গে বাফুফের কী চুক্তি ছিল, তার এ নিয়েও দুদক চিঠি দিয়েছিল। তবে এবারের বিষয়টি আলাদা। এখানে দুদক দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করছে।

এ নোটিশে কেবল অভিযুক্ত তিনজনের ব্যক্তি তথ্যই নয়, তাদের ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের উৎসও চেয়েছে দুদক। সবকিছু মিলিয়ে জটিল অবস্থার মধ্যে বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন এবং অন্য দুই কর্মকর্তা।

960-3.jpg

সোমবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচের সময় লিভারপুল এফসির মিসরীয় স্ট্রাইকার মোহাম্মাদ সালাহকে দর্শক গ্যালারি থেকে গালি দেয়ার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে ম্যাচের একটি পর্যায়ে মোহাম্মাদ সালাহ ও মুসলমানদের উদ্দেশ্যে গালি দেয়া হয় দর্শক গ্যালারি থেকে। এই ঘট্নায় নড়েচড়ে বসেছে ইংলিশ ফুটবল অঙ্গন।

ঐদিন লিভারপুল এফসির ম্যাচ ছিলো ওয়েস্ট হ্যাম ক্লাবের বিপক্ষে। ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। সেই ম্যাচের একটি মুহূর্তে লিভারপুলের মিসরীয় স্ট্রাইকার সালাহকে গালি দেয়া হয় দর্শক গ্যালারি থেকে। ম্যাচের পর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। অনেকেই এ বিষয়টিকে লজ্জাজনক হিসেবে আখ্যায়িত করে এর বিচার চেয়েছেন।

ভিডিওতে দেখা গেছে ম্যাচের একটি পর্যায়ে লিভারপুলের হয়ে ডান প্রান্তে কর্নার কিক নিতে আসেন মোহাম্মাদ সালাহ। এক দর্শক তার মোবাইল ফোনে সেই দৃশ্য ভিডিও করছিলেন। সে সময়ই পাশ থেকে ভেসে আসে গালি। গালিগুলোতে এমন অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা কোন সংবাদ মাধ্যমেই প্রকাশ করা হয়নি।

তবে ভিডিওতে দেখা গেছে তাতে বলা হয় ‘সালাহ তুমি …..(অশ্লীল) মুসলিম। মুসলিম দেশগুলোকে …….(অশ্লীল)।’ এরপর আরো একটি অশ্লীল শব্দ উচ্চারতি হয় সালাহর উদ্দেশ্যে।

মাত্র ১৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি টুইটারে পোস্ট করে ধারণকারী লিখেছেন, ‘ওয়েস্ট হ্যামের সাথে লিভারপুলের ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলাম। যা শুনলাম তাতে খুবই কষ্ট পেলাম। এমন লোকরা আমাদের সমাজে থাকার উপযুক্ত নয়, তার চেয়ে খালি গ্যালারিতে ম্যাচ হওয়া ভালো।’

এরপরই টুইটারে ভাইরাল হয় ঘটনাটি। ফুটবল ভক্তরা এর প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। ওয়েস্ট হ্যাম ক্লাব ও লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। ক্লাবটি জানিয়েছে তারা দ্রুত এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে খুঁজে বের করতে চেষ্টা করবে।

এক বিবৃতিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা এ ঘটনার বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে। অভিযুক্তদের কোন ছাড় দেয়া হবে না। যে কোন ধরনের সহিংসতা বা বর্ণবাদী ঘটনার বিরুদ্ধে তারা সচেতন। আমরা একটি অনন্য ফুটবল ক্লাব। এ ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য পুলিশকে দেয়া হবে এবং লন্ডনের স্টেডিয়ামে তাদের আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে। আমাদের স্টেডিয়ামে এ ধরনের আচরণের কোন স্থান নেই।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তারা ইতোমধ্যেই ভিডিওটি হাতে পেয়ে ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে। এক বিবৃতিতে পুলিশ বলেছে, ওয়েস্ট হ্যাম বনাম লিভারপুলের ম্যাচে এক ফুটবলারের উদ্দেশ্যে বর্ণবাদী মন্তব্য নিয়ে যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সে বিষয়ে আমরা সচেতন।

উল্লেখ্য, গত কয়েক মৌসুম ধরেই লিভারপুল ক্লাবে খেলছেন ২৬ বছর বয়সী মোহাম্মদ সালাহ। ক্লাবটির সেরা তারকা হিসেবে ইতোমধ্যেই তিনি খ্যাতি আদায় করে নিয়েছেন। তার ঝুলিতে পুড়েছেন ইংল্যান্ডের বর্ষসেরা ফুটবলারসহ অনেক পুরস্কার। আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারও হয়েছেন টানা দুবার।