ফুটবল Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

30-6-1.jpg

ভালোবাসার টানে প্যারিস থেকে স্পেনের বার্সেলোনাতে গিয়ে মেসির খেলা উপভোগ করেছেন নোয়াখালীর শহীদুল কবির। শুধু স্পেনে গিয়েই ক্ষান্ত হননি এই যুবক, নিজে নিজে খুঁজে বের করেছেন রেকর্ড ষষ্ঠ ব্যালন ডি’অর বিজয়ী লিওনেল মেসির বাড়িও!

ফ্রান্সের প্যারিস থেকে মেসির ভালোবাসার টানে স্পেনে পাড়ি জমান বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার মোহাম্মদ শহীদুল কবির। ৮ ডিসেম্বর, বার্সা বনাম মায়োর্কার মধ্যকার খেলা উপভোগ করার জন্যই তিনি সহধর্মীনিসহ গিয়েছিলেন স্পেনে।

খেলা মাঠে গড়ানোর আগের দিনই ঘুরে দেখেছিলেন বার্সার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু। কিন্তু মেসির বাড়ি খুঁজে বের করা তার জন্য ছিল এক কঠিন পরীক্ষা। যদিও পরিশেষে নিজের স্ত্রীকে নিয়ে পাহাড় বেয়ে আবিষ্কার করেন মেসির বাড়িও।

শহীদুলের ভাষ্যমতে, ‘বিচের পাশে বাস থেকে নেমেই হাঁটা শুরু করি। কতটা কষ্ট হয়েছে সে কথা বলে বোঝানো যাবে না। অনেক দূর যাওয়ার পর আমার স্ত্রীই আমাকে বলে একটি বাড়ির কথা, যেখানে স্টেডিয়ামের মতো লাইট দেখা যাচ্ছিল। চোখে ভেসে উঠল মেসির বাড়ির মাঠ। এইতো এটাই মেসির বাড়ি। আমার খুশি দেখে কে।’

এরপর শহীদুল চলে যান মেসির বাড়ির সামনে এবং গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই গেট খুলে যায়। গার্ড বের হয়ে এসে শহীদুলকে বলল, ‘হোলা’। এরপর স্প্যানিশ ভাষায় যা বলল তাতে বুঝলাম এখানে দাঁড়ানো যাবে না। আমি জানতে চাইলাম এইটা কি মেসির বাড়ি? সে বলল, হ্যাঁ। বললাম, ছবি তুলে চলে যাব।’

‘সাধারণত ছবি তুলতে দেয় না কিন্তু আমি ইংলিশে কথা বলায় বুঝেছে আমি অন্য কোথাও থেকে এসেছি, তাই বলল- ওকে একটা ছবি। হাসি মুখে ধন্যবাদ জানালাম।’

নিজের ইচ্ছা পূরণ হওয়ায় ব্যাপক খুশি বাংলাদেশের এই তরুণ। শহীদুলের মতে ‘অনেকের কাছে এসব হাসির কাজ, পাগলামি কিন্তু আমার কাছে এসব হচ্ছে স্বপ্ন পূরণ করা আর যেটা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।’

lionel-messi-sadio-mane.jpg

গত মৌসুমটা লিভারপুলের হয়ে দুর্দান্ত কেটেছে সাদিও মানের। অলরেডদের ইউরোপ সেরা করার পেছনে দারুণ ভূমিকা ছিল সেনেগালিজ ফরোয়ার্ডের।

কিন্তু ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে এসে শেষ পর্যন্ত চতুর্থ হয়েই খুশি থাকতে হয়েছে তাকে। বিষয়টিকে লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেছেন এবারের জয়ী লিওনেল মেসি।

মানের লিভারপুল সতীর্থ ভার্জিল ফন ডাইককে মাত্র ৭ ভোটে পেছনে ফেলে ষষ্ঠবারের মতো ব্যালন ডি’অর জিতেছেন মেসি। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড মনে করেন মানের চতুর্থ হওয়াটা অস্বাভাবিক!

এমনকি ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কারের সময় নিজের ভোটটা পর্যন্ত মানেকেই দেয়ার কথা ক্যানেল প্লাস আফ্রিকাকে জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। জাতীয় দল অধিনায়ক হওয়ায় ভোট দেয়ার অধিকার ছিল তারও। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ফিফার বর্ষসেরা হয়েছেন মেসিই।

‘মানেকে চতুর্থ স্থানে দেখাটা লজ্জাকর। আমি মনে করি এ বছর অনেকেই দারুণ খেলেছে। এ কারণেই একজন নির্দিষ্ট খেলোয়াড় বেছে নেয়া বেশ কঠিন ছিল। আমি সাদিও মানেকে বেছে নিয়েছিলাম (ফিফা বর্ষসেরায়)। কারণ আমি ওর মতো খেলোয়াড়কে পছন্দ করি।’

‘লিভারপুলের মতো মানেও দারুণ এক বছর কাটিয়েছেন। এ কারণেই আমি মানেকে বেছে নিয়েছিলাম। আবারও বলছি এ বছর দারুণ সব খেলোয়াড় ছিল। আর এ কারণে খেলোয়াড় বাছাই করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল।’

চলতি মৌসুমেও দারুণ ফর্মে আছেন মানে। এরইমধ্যে করে ফেলেছেন ১৩ গোল। আগামীবারের গোল্ডেন বলের লড়াইয়ে বেশ ভালোভাবেই মেসির সঙ্গে দৌড়াচ্ছেন সেনেগাল তারকা।

copaamerica.jpg

হয়ে গেল কোপা আমেরিকা ২০২০ আসরের ড্র। যেখানে আর্জেন্টিনা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে চিলি, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, বলিভিয়া ও অস্ট্রেলিয়াকে। অপরদিকে ব্রাজিলের সঙ্গী হলো কলম্বিয়া, পেরু, কাতার, ভেনেজুয়েলা আর ইকুয়েডর।

আগামী বছরের ১২ জুন থেকে ১২ জুলাই মাঠে গড়াবে বিশ্বের প্রাচীনতম আন্তর্জাতিক এই টুর্নামেন্টর ৪৭তম আসর। আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়া যৌথভাবে আয়োজন করবে এই টুর্নামেন্ট।

এক নজরে ড্র

গ্রুপ এ : আর্জেন্টিনা, চিলি, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, অস্ট্রেলিয়া

গ্রুপ বি: ব্রাজিল, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, পেরু , কাতার।

messi78.jpg

জীবদ্দশায় কিংবদন্তি ইয়োহান ক্রুইফ একবার বলেছিলেন, সবচেয়ে বেশি ব্যালন ডি’অর জিতবে লিওনেল মেসি। পাঁচবার, ছয়বার, সাতবার…। ইতিমধ্যে পরপারে পাড়ি জমানো ডাচ তারকার ভবিষ্যদ্বাণীই সত্যি হচ্ছে।

ফুটবল মহলে ঘুরছে আরেক কিংবদন্তি রোনালদিনহোর ২০০৬ সালে ব্যালন ডি’অর জয়ের পর সেই প্রতিক্রিয়া। তিনি বলেন, এই পুরস্কারটা দেয়া হয় বিশ্বসেরাকে। আমি তো বার্সেলোনাতেই সেরা নই।

কে না জানে, রোনালদিনহো ও মেসি একই সঙ্গে বার্সার জার্সি পরেছেন। তাই বয়সে অনেক ছোট সতীর্থের থেকে নিজেকে এগিয়ে রাখতে সংকোচ হয়েছিল ব্রাজিলীয় মহাতারকার।

২০০৯ থেকে শুরু। ২০১২ পর্যন্ত টানা চারবার। এর (২০১৯) আগে মাঝখানে আরেকবার, ২০১৫। প্যারিসে গেল সোমবার মেসির নামটা ঘোষণা হওয়ার মধ্যে বিশেষ বিস্ময় ছিল না। সবাই ধরেই নিয়েছিলেন, গেল মৌসুমে বার্সাকে লা লিগা চ্যাম্পিয়ন করা সুপারস্টার ট্রফিটা জিতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে (পাঁচবার এই পুরস্কার পেয়েছেন) ছাপিয়ে যাচ্ছেন।

আপ্লুত মেসির প্রতিক্রিয়াতে হয়তো সে জন্যই বিরাট বিস্ময় ছিল না। তিনি বলেন, ১০ বছর আগে প্রথম ব্যালন ডি’অর পেয়েছিলাম। তখন আমাকে পরিচালনা করত আমার তিন ভাই। আজ ছয় নম্বর ট্রফিটা হাতে নিয়ে মনে হচ্ছে, এখন আমার প্রেরণা আমার স্ত্রী ও বাচ্চারা। আন্তোনেল্লা শুধু একটা কথাই বলে যায়। জীবনে কখনও স্বপ্ন দেখতে ভুলবে না।

প্রসঙ্গত চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রোনাল্ডো ও হালের রক্ষণ ক্রেজ ভার্জিল ফন ডাইককে পেছনে ফেলে এ বছর ব্যালন ডি’অর জিতেছেন মেসি। রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্ব ফুটবলের মর্যাদাকর পুরস্কারটি জিতলেন তিনি। এতদিন সমান পাঁচবার করে এটি জয়ের রেকর্ড ছিল মেসি-রোনাল্ডোর।

nayem5.jpg

সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলে বাংলাদেশ দলে সিলেট বিভাগের একমাত্র প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সুনামগঞ্জের সৈয়দ নাঈম আহমেদ। সে এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে বিশেষ উপহার পেলেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল দলের অসাধারণ ক্রীড়া নিপূণ্য দেখে পুরোটিমকে উপহার প্রদান করেন। উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৩ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পাশাপাশি আরও ভালো খেলার দিকনির্দেশনাও পরামর্শ প্রদান করেন।

নাঈম’র গ্রামের বাড়ি সুনাগমগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর ঈশানকোণা গ্রামের মৃত সৈয়দ আবদুল বাছিত ও সৈয়দা আম্বিয়া বেগমের কনিষ্ঠ পুত্র। সে ছোটবেলা থেকে ফুটবলের প্রতি আগ্রহী ছিল। ফলে একের পর এক সাফল্য অর্জন করে চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার গ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি, বিনিয়োগ ও শিল্প উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহ উদ্দিন ও যুব ও ক্রীড়া সচিব আখতার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ পুরষ্কার পেয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে নাঈম বলেন, আমাদের পরিবারটা রাজনৈতিক পরিবার। আমি ছোটবেলা থেকে ফুটবলে আগ্রহী ছিলাম। কখনো ভাবিনি আমি জাতীয় দলে খেলব আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাবো। এজন্য আমি বাফুফেসহ সংশ্লিস্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।

সে সকলের কাছে দোয়া চেয়ে বলে, আমি দেশের জন্য কিছু একটা করতে চাই। দেশের সুনাম বয়ে আনতে চাই। সেজন্য সকলের সহযোগিতা চাই।

messi779.jpg

গত তিন বছর লিওনেল মেসির হাতে উঠেনি ব্যালন ডি অর। অথচ একটা সময় এই (ব্যালন ডি অর) রাজ্যের রাজা ছিলেন তিনি। সেই রাজাকেই সরিয়ে অন্যরা গত তিনবার ব্যালন ডি অর জিতে নেন। শেষমেশ এবার যেন নিজের হারানো সিংহাসন ফিরে পেলেন মেসি।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে এক চেয়ারেই বসা ছিলেন লিওনেল মেসি! তবে আজকের পর থেকে তার চেয়ার হলো ভিন্ন। কেননা রোনালদোকে ছাপিয়ে এখন মেসির শোকেসে ছয়টি ব্যালন ডি অর। কেবল রোনালদো নয়, ফুটবল ইতিহাসে আজ অবধি এতবার এই ট্রফি হাতে উঠেনি কারো। সেক্ষেত্রে মেসির আরেকটা নাম হতে পারে ব্যালন ডি অর মেসি।

শুরুটা ২০০৯ সাল দিয়ে, ওই বছর সবাইকে তাক লাগিয়ে ব্যালন ডি অর জিতে নেন মেসি। বল পায়ে ক্লাব ও দেশের জার্সিতে স্বরণীয় একটা বছর ছিল ২০০৯। পরের বছর আরও দুর্দান্ত। তাতে অনুমিতভাবে ব্যালন ডি অর যায় তার হাতে। ২০১১ ও ১২ আরও দুই বছর এই পুরস্কার নিজের দখলে রাখেন। এরপর মেসির রাজ্যে হানা দেন রোনালদো। তবে ২০১৫ সালে আবারও ব্যালন ডি অর জেতেন এই বার্সেলোনা সুপারস্টার। সবমিলে সর্বোচ্চ ছয়বার ব্যালন ডি অর উঁচিয়ে ধরলেন মেসি।

Balon-Dor.jpg

ব্যালন ডি’অর বিজয়ে গত একযুগ ধরে চলছে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আধিপত্য। গতবার ফাঁকে লুকা মদ্রিচ ঢুকে পড়েছিলেন এই দৌড়ে। এবার শুরু থেকে মদ্রিচ তালিকাতেই ছিলেন না। তিনজনের লিস্টে পূর্বের ন্যায় মেসি-রোনালদো থাকছেনই, তাদের সাথে আরেকজন উঠে এসেছেন লিভারপুল তারকা ভার্জিল ভ্যান ডাইক।

সোমবার রাতে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। প্যারিসে রাতে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০১৯ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হবে। বাংলাদেশ সময় রাত দেড়টা থেকে শুরু হবে এই অনুষ্ঠান। পরিস্থিতি যা, তাতে বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসির কথা প্রায় সবার মুখে-মুখে।

তবে এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে বেড়াচ্ছে ব্যালন ডি অরের একটা তালিকা। সেখানে সবার ওপরে লিওনেল মেসি, এরপর ভার্জিল ভ্যান ডাইক আর তারপর মোহামেদ সালাহ। ধারণা করা হচ্ছে, আজ রাতে ব্যালন ডি অরের যে ফল প্রকাশ হওয়ার কথা সেটা ফাঁস হয়ে গেছে আগেভাগেই। আর সেটি ঠিক হলে আবারও ব্যালন ডিওর জিততে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি।

এই বছর ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার জিতেছেন মেসি। আর ইউরোপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন ভ্যান ডাইক। ব্যালন ডি অরের জন্যও লিভারপুলের ভ্যান ডাইকের সঙ্গেই মেসির জোর লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তালিকায় দেখা যাচ্ছে, দুজনের ব্যবধানও কাছাকাছি। ৪৪৬ ভোট পেয়ে সবার ওপরে মেসি, আর ভ্যান ডাইকের ভোট ৩৮২। আর তিনে থাকা সালাহ ১৭৯ ভোট নিয়ে অনেক অনেক পেছনে। এরপর চারে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পাঁচ আর ছয়ে লিভারপুলেরই সাদিও মানে আর এলিসন বেকার। সাতে পিএসজির ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপে। আট আর নয়ে গত মৌসুমে আয়াক্সে খেলা দুই ডাচ ফ্রাঙ্কি ডি ইয়ং আর মাথিয়াস ডি লিট। আর দশে আছেন এডেন হ্যাজার্ড।

গুঞ্জন ঠিক হলে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো মেসি জিতবেন এই পুরস্কার। রোনালদো এবং মেসি দুজনেই এখন পর্যন্ত পাঁচবার করে জিতেছেন।

sa-games-football-20191202161107.jpg

ভারত নেই। নেই পাকিস্তানও। এসএ গেমস ফুটবলে এবার দল পাঁচটি। এমননিতেই ফুটবলে বাংলাদেশের সময়টা ভালো যাচ্ছিল। তারওপর গেমসে নেই ভারত। দক্ষিণ এশিয়ার এই গেমস ফুটবলে তাই স্বর্ণের প্রত্যাশাও অনেকে বেড়ে গেছে বাংলাদেশের; কিন্তু শুরুটা যে হলো যাচ্ছেতাই! প্রথম ম্যাচেই হার ভুটানের মত দলের কাছে।

২০১৬ সালে থিম্পুতে এই ভুটানের কাছে হারের পরই একটা ঝড় বয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের ফুটবলের ওপর দিয়ে। তিন বছর পর সেই ভুটান আবারও বাংলাদেশের ফুটবলকে দিলো বড় এক ধাক্কা। নেপালের কাঠমান্ডুর সরথ স্টেডিয়ামে ১-০ গোলে হেরে ফাইনালে ওঠার পথটা কঠিন করেই তুললো বাংলাশে।

ভারত না থাকায় কোচ জেমি ডে নেপাল ও মালদ্বীপকে শক্ত প্রতিপক্ষ উল্লেখ করেছেন; কিন্তু বাংলাদেশ যে হেরে গেলো ভুটানের কাছে! ২০১৬ সালে ভারতের গুয়াহাটি ও শিলং এসএ গেমস ফুটবলে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ ড্র করেছিল ভুটানের বিরুদ্ধে। এবার হেরেই গেলো।

চেনচো গেইলশেন। নাম্বার সেভেন এই ফরোয়ার্ডকে অনেকে বলেন, ‘ভুটানের রোলালদো’। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগেও খেলে গেছেন। সেই চেনচোই ৬৫ মিনিটে গোল দিয়ে পাহাড়ী দেশটিকে এনে দিয়েছে এসএ গেমসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম জয়।

২০১৬ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম জয়ের ম্যাচেও চেনচো করেছিলেন জোড়া গোল। ভুটান ম্যাচ জিতেছিল ৩-১ ব্যবধানে।

maradona234.jpg

কোচ হিসেবে এখন পর্যন্ত তেমন একটা সফল হননি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা। কোচ হয়ে দেশকে এনে দিতে পারেননি বিশ্বকাপ।

বিভিন্ন দেশ থেকে বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ী এই ফুটবলার। নিজ দেশের ক্লাব থেকেও বরখাস্ত হয়েছেন সম্প্রতি।অথচ ফুটবলের রাজা কালোমানিকের পরই যার নাম মুখে আনে বিশ্ব।

এবার ফুটবল কিংবদন্তি ম্যারাডোনার এবার ঠাঁই হতে চলেছে স্পেনে! স্প্যানিশ দ্বিতীয় বিভাগের (সেগুন্ডা ডিভিশন) ক্লাব এলচের কোচ হওয়ার জোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তার। এমন গুঞ্জনই ছড়িয়েছে এখন ফুটবলবিশ্বে।

সম্প্রতি আর্জেন্টিনার প্রথম বিভাগের ক্লাব জিমন্যাসিয়া লা প্লাতার কোচের পদ থেকে বরখাস্ত হন ম্যারাডোনা।

তবে কোচ হিসেবে ম্যারাডোনার এতো সব ব্যর্থতাকে নাকি আমলে নেয়নি স্প্যানিশ ক্লাব এলচে।

আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যমের খবর, এলচে ক্লাবটি কিনে নিয়েছেন ফুটবল এজেন্ট ক্রিশ্চিয়ান ব্রাগারনিক। তার ক্লায়েন্টদের তালিকায় রয়েছেন দিয়েগো ম্যারাডোনাও। এ কারণেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, ম্যারাডোনা হয়তো এলচের কোচ হিসেবেই যোগ দিতে পারেন।

সত্যিই কি আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা স্পেনে কোচ হতে আসছেন?

মাদ্রিদ ভিত্তিক ক্রীড়া দৈনিক মার্কা জানিয়েছে, হয়তো খুব অল্প সময়ের জন্য এলচে ক্লাবের কোচ হবেন ম্যারাডোনা। যদিও বিষয়টা খুব কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।

এ বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার স্পেনের ক্রীড়া সাংবাদিক পিপি এস্ত্রাদাই বলেছেন, ম্যারাডোনার স্পেনে কোচ হিসেবে আসার জোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এ দুটি সূত্রের কোনোটিই ম্যারাডোনার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেননি।

জানা গেছে, আর্জেন্টাইন ক্লাব জিমনেসিয়ার কোচের পদ থেকে পদত্যাগের পর মৌসুমের বাকি সময়টার জন্য আবারও ক্লাবটিতে ফেরানো হয়েছে ম্যারাডোনাকে। এ সময়ে তিনি এলচের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারবেন না বলেও জানা যাচ্ছে।

তবে মৌসুম শেষেই স্প্যানিশ ক্লাবটিতে যোগ দিতে পারেন বলে ধারণা করছে ফুটবলবোদ্ধারা।

প্রসঙ্গত খেলোয়াড়ি জীবনে ম্যারাডোনা স্পেনে খেলে গেছেন বহুবার। বার্সেলোনা এবং সেভিয়ার হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছিলেন। তখন থেকেই স্পেনের কোনো ক্লাবের কোচ হবেন বলে স্বপ্ন দেখতেন দিয়েগো। এবার তার সেই স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে কিনা তা এখন বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

oman-vs-bd-5de0aebdc2fe1.jpg

টানা কয়েকটা ম্যাচে ভালোই আলো ছড়িয়েছিল বাংলাদেশ। তাতে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের রেটিং বাড়ানোরও সম্ভাবনা জোরালো হয়। কিন্তু শেষ কয়েকটা ম্যাচে আবারও ছন্দপতন।

কাতারের কাছে ২-০ গোলে হারের পর ভারতের সঙ্গে ড্র এবং সর্বশেষ ওমানের বিপক্ষে ৪-১ গোলের বড়সড় হারে জামালদের র‌্যাংকিংয়ের খাতায় ধাক্কা লেগেছে। তাতে তিন ধাপ নেমে বর্তমানে তাদের অবস্থান ১৮৭ নম্বরে।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত এই র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতও পিছিয়েছে। ১০৬ থেকে ১০৮ নম্বরে নেমে গেছে তারা। দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলোর মধ্যে মালদ্বীপের অবস্থান এখন ১৫৫। এক ধাপ নিচে নেমেছে তারা। আর নেপাল তিন ধাপ নেমে ১৭০ নম্বরে। তবে শীর্ষ পাঁচ দেশের অবস্থানের নড়চড় হয়নি। এক থেকে পাঁচে যথাক্রমে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইংল্যান্ড ও উরুগুয়ে। আর লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা আগের মতো তালিকার ৯ নম্বরেই আছে।

দশের বাইরে থাকা দুই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি ও জার্মানির উন্নতি হয়েছে। দুই ধাপ এগিয়ে ১৩ নম্বরে উঠে এসেছে ইউরো বাছাইপর্বে দারুণ ছন্দে থাকা ইতালি। এক ধাপ এগিয়ে ১৫তম স্থানে আছে জার্মানি। ইতালির মতো ফর্মে থাকা ভার্জিল ফন ডাইক-ম্যাথিস ডি লিটের নেদারল্যান্ডস আছে ১৪ নম্বরে। এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানে আছে জাপান, সব মিলিয়ে তাদের অবস্থান ২৮তম।