খেলাধুলা Archives - Page 2 of 11 - Dhaka Today

musta-20181116093516.jpg

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে যখন মাঠে গড়াবে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), তখন বাংলাদেশ দল ব্যস্ত থাকবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে। তাই সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের ধরে রাখেনি পিএসএলের দলগুলো।

তবে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) পরবর্তী মৌসুমের সময় কোনো খেলা নেই বাংলাদেশের, তাই টাইগার ক্রিকেটারদের পাওয়া- না পাওয়া নিয়ে সংশয় নেই দলগুলোর। তবু কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমানকে আগেই ছেড়ে দিয়েছিল তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। তার বদলে দলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি কককে।

মোস্তাফিজ দল হারালেও, আইপিএলে তার অগ্রজ সাকিব আল হাসানকে নিজেদের দলে রেখে দিয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলের সব শেষ মৌসুমে হায়দরাবাদের হয়ে ১৭ ম্যাচ খেলে ব্যাট হাতে ২৩৯ রান এবং বল হাতে ১৪ উইকেট নিয়ে দলকে রানারআপ করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন সাকিব।

যে কারণে ডেভিড ওয়ার্নার, ইউসুফ পাঠান, রশিদ খান, বিলি স্ট্যানলেক, কেন উইলিয়ামসন, মোহাম্মদ নাবী, ভুবনেশ্বর কুমার, মানিশ পান্ডে, থাঙ্গারাসু নটরঞ্জন, রিকি ভুই, সন্দ্বীপ শর্মা, শ্রিভাস্ত গোস্বামি, সিদ্ধার্থ কাউল, খলিল আহমেদ, বাসিল আহমেদ ও দ্বীপক হুদার পাশাপাশি সাকিব আল হাসানকেও ধরে রেখেছে হায়দরাবাদ।

অন্যদিকে ২০১৮ সালের মৌসুমে মুম্বাইয়ের খুব বেশি ভালো করতে পারেননি মোস্তাফিজ। ৭ ম্যাচে মোটে নিয়েছিলেন ৭টি উইকেট। রান খরচ করেছিলেন ওভারপ্রতি প্রায় সাড়ে আট (৮.৩৬) করে। বোলিং যেমন তেমন সমস্যা ছিল খুবই বাজে ফিল্ডিং করেছিলেন তিনি সেবার। একের পর এক ক্যাচ ছেড়ে মুম্বাইকে কয়েকটা ম্যাচে হারিয়েই দেন। যে কারণে, আইপিএলের মাঝপথ থেকে তাকে বসিয়ে রাখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত আর খেলতেই পারেননি তিনি। এ কারণেই হয়তো এবার, তাকে ছেড়ে দিয়েছে মুম্বাই।

bd-win-20181116105651.jpg

মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের শেষদিনই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দল। তা অনুমোদনের জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হোসেন পাপনের কাছেও।

কিন্তু জিম্বাবুয়েকে মিরপুর টেস্টে হারানোর পরিতৃপ্তি বা দায়মুক্তির প্রশান্তির কারণে বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বললেও, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের স্কোয়াডে চোখ বোলানো হয়নি বিসিবি সভাপতির। যে কারণে বৃহস্পতিবারই দল ঘোষণা করতে পারেননি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নির্বাচকরা।

তবে বিসিবি সভাপতির অনুমোদন নিয়ে শুক্রবার যেকোনো সময়েই ঘোষণা দেয়া হবে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দল। জাগোনিউজের সাথে আলাপে এ তথ্য জানিয়েছেন ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু।

স্কোয়াডে কে বা কারা আছে, ঢাকা টেস্ট থেকে কেউ বাদ পড়ছে কি-না। জাতীয় লিগে পারফর্ম করা কেউ দলে আসবে কি-না? এসব প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে রাজি হননি নান্নু। তবে জানিয়েছেন সবশেষ ঢাকা টেস্ট থেকে অন্তত তিনজন বাদ পড়বেন চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে।

আচ্ছা সে তিনজনই বা কারা? এ প্রশ্নেরও সরাসরি উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন একজন ব্যাটসম্যান, একজন পেসার এবং একজন স্পিনারকে পরিবর্তন করা হবে চট্টগ্রাম টেস্টে।

তার কথার সুত্র ধরেই বোঝা যায় স্পিনার হিসেবে বাদ পড়তে যাচ্ছেন বাঁহাতি অর্থোডক্স নাজমুল ইসলাম অপু। সিলেটে অভিষেক টেস্ট খুব বেশি কিছু করতে পারেননি অপু। যে কারণে ঢাকা টেস্টেই একাদশ থেকে বাদ পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। এবার স্কোয়াড থেকে তাকে বাদ দেয়া হলেও অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। অনুমান করা হচ্ছে অপুর বদলে সুযোগ পাবেন ডানহাতি অফস্পিনার নাঈম হাসান। সবশেষ জাতীয় ক্রিকেট লিগে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী ছিলেন তিনি।

অন্যদিকে ব্যাটসম্যান হিসেবে বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাঁহাতি টপঅর্ডার নাজমুল হোসেন শান্তর। কেননা ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়া শান্ত, কিছু করতে পারেননি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে। যে কারণে তাকে বাদ দেয়া হয় ঢাকা টেস্ট থেকে। সুযোগ পেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন মোহাম্মদ মিঠুন। তাই মিঠুন যে থেকে যাবেন তা একপ্রকার নিশ্চিতই।

শান্ত বাদ পড়লে তার জায়গায় সুযোগ পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন দুই বাঁহাতি সৌম্য সরকার কিংবা সাদমান ইসলাম অনিক। সবশেষ জাতীয় ক্রিকেট লিগে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাদমানের ব্যাপারে আগেও ইতিবাচক কথা বলেছিলেন প্রধান নির্বাচক। চট্টগ্রাম টেস্টে তাকে নিয়েও নেয়া হতে পারে। তবে মিডিয়াম পেস বোলিংয়ের কারণে সাদমানের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন সৌম্য। কার্যকরী বোলিং ছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতেও রানে ফিরেছেন ড্যাশিং এ টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান।

অপু ও শান্ত বাদ গেলে বাকি থাকে কেবল এক পেসারের জায়গা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে স্কোয়াডে চার পেসার রাখলেও সিলেট টেস্টে এক ও ঢাকা টেস্টে শুধু দুই পেসার নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের একটিতেও সুযোগ পাননি শফিউল ইসলাম। তাকে বাজিয়ে দেখতে রাখা হয়েছে মূল সিরিজ শুরুর আগে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের স্কোয়াডে।

এছাড়া প্রস্তুতি ম্যাচে খেলবেন রুবেল হোসেনও। তাদের বোলিংয়ের নিয়ন্ত্রণ এবং ইতিবাচকতা বিবেচনা করেই ঠিক করা হবে কাকে সুযোগ দেয়া হবে স্কোয়াডে। কেননা যেকোন দিনে মোস্তাফিজুর রহমান বাংলাদেশ দলে এখন অটোমেটিক চয়েজ। অভিষেকে উইকেট না পেলেও নিজের সম্ভাবনার জানান দিয়েছেন খালেদ আহমেদও। তাই এ দুজনের স্কোয়াডে থাকা প্রায় নিশ্চিত।

অর্থাৎ জিম্বাবুয়ে সিরিজের স্কোয়াডে থাকা বাকি দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী কিংবা শফিউল ইসলামের মধ্যে থেকে যাবেন কেবল একজন। প্রস্তুতি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিবেচনায় স্কোয়াডে আসতে পারেন গতিতারকা রুবেল হোসেন।

এদিকে জোর গুঞ্জন চলছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে। অন্তত প্রথম টেস্টে যে তামিম ইকবাল খেলতে পারবেন না তা বৃহস্পতিবারই জাগোনিউজকে জানিয়েছিলেন প্রধান নির্বাচক। তবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের জন্য ম্যাচের আগেরদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে বোর্ড। তার আগেই সাকিব নিজেকে ম্যাচ ফিট হিসেবে প্রমাণ করতে পারলে অপুর বদলে আসবেন সাকিবই, কপাল পুড়বে নাঈমের।

শুক্রবার দল ঘোষণার পরে শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট দল চলে যাবে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে। ২২ নভেম্বর জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। তার আগে ১৮ তারিখে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশে বিপক্ষে একটি দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা।

tamim-mushfiq-20181115173404.jpg

টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১০ হাজার রান। এই মাইলফলক আগেই ছুঁয়েছিলেন বাংলাদেশের দুই অন্যতম সফল ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং তামিম ইকবাল। এবার সেই তালিকায় নাম লিখেছেন মুশফিকুর রহীমও। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকার টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২১৯ রানে অপরাজিত থাকার পথে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

নিঃসন্দেহে অনন্য এক কীর্তি। এই কীর্তিকেই স্মরণীয় করে রাখলো বাংলাদেশ ক্রিকটে বোর্ড (বিসিবি)। ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ২১৮ রানের বিশাল ব্যবধানে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তামিম-মুশফিককে বিশেষ এই কীর্তির জন্য বিশেষ সম্মানে ভুষিত করলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

Tamim-mushfiq

সাদা ব্লেজার এবং বিশেষভাবে তৈরি ক্রেস্ট উপহার দেয়া হলো মুশফিক এবং তামিম ইকবালকে। পুরস্কার বিতরণের সময় সাকিব মিরপুরে না থাকায়, সরাসরি তার হাতে তুলে দেয়া যায়নি এই পুরস্কার।

তামিম এবং মুশফিকের হাতে ১০ রান করার জন্য ক্রেস্ট তুলে দেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এবং ব্লেজার পরিয়ে দেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক, বিসিবি পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান।

তামিম ইকবাল : তিন ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বমোট রান : ১১৯৪১। টেস্ট খেলেছেন ৫৬টি, ব্যাট করেছেন ১০৮ ইনিংসে। রান করেছেন : ৪০৪৯, সেঞ্চুরি ৮টি এবং হাফ সেঞ্চুরি রয়েছে, ২৫টি। ওয়ানডে খেলেছেন ১৮৩টি। ব্যাট করেছেন ১৮১টিতে। মোট রান : ৬৩০৭, সেঞ্চুরি ১১টি, হাফ সেঞ্চুরি ৪২টি। টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ৭২টি। ব্যাট করেছেন সব ক’টিতে। মোট রান : ১৫৮৫, সেঞ্চুরি ১টি, হাফ সেঞ্চুরি ৬টি।

Tamim-mushfiq

সাকিব আল হাসান : তিন ফরম্যাট মিলিয়ে মোট রান ১০৫৪২। টেস্ট খেলেছেন ৫৩টি। ব্যাট করেছেন ১০০ ইনিংস, রান করেছেন : ৩৬৯২, সেঞ্চুরি ৫টি, হাফ সেঞ্চুরি ২৩টি। ওয়ানডে খেলেছেন ১৯২টি। ব্যাট করেছেন ১৮১টিতে। মোট রান করেছেন : ৫৪৮২, সেঞ্চুরি ৭টি এবং হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ৩৯টি। টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ৬৯টি। ব্যাট করেছেন সব ক’টিতে। রান করেছেন : ১৩৬৮, সেঞ্চুরি নেই, হাফ সেঞ্চুরি ৭টি।

মুশফিকুর রহীম : তিন ফরম্যাট মিলিয়ে মোট রান ১০৩১৩। ৬৪ টেস্টে ১২০ ইনিংস খেলে করেছেন ৩৯৬৯ রান, সেঞ্চুরি ৬টি, হাফ সেঞ্চুরি ১৯টি। ১৯৫ ওয়ানডের মধ্যে ব্যাট করেছেন ১৮১টিতে, রান করেছেন ৫২১৩, সেঞ্চুরি ৬টি, হাফ সেঞ্চুরি ৩০টি। টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ৭৪টি। ব্যাট করেছেন ৬৬টিতে। মোট রান- ১১৩১, সেঞ্চুরি নেই, হাফ সেঞ্চুরি ৪টি।

mushi-20181115142647.jpg

ঢাকা টেস্টটা মুশফিকুর রহীমের জন্য স্মরণীয় এক টেস্ট। এই টেস্টেই ইতিহাসের প্রথম উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান হিসেবে দুটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের জয়ের ভিতটা আসলে গড়া হয়েছে তার ব্যাটেই। দুর্দান্ত পারফরম্যােন্সের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচসেরার পুরস্কারটিও গেছে মুশফিকের হাতেই।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৫২২ রানের পাহাড়সমান পুঁজি গড়ে মুশফিকের দুর্দান্ত ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে। ৪২১ বলে ১৮ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় হার না মানা ২১৯ রানের মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেলেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান। এটিই এখন টেস্টে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

এত দীর্ঘ সময় ব্যাট করে আবার উইকেটের পেছনেও দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন মুশফিক। পুরো টেস্টে তিনিই উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেটা বেশ ভালোভাবেই। স্বভাবতই ম্যাচসেরার পুরস্কার দিতে গিয়ে তার ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি।

ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে মুশফিক বলেন, ‘অবশ্যই এই জয়টা আমাদের খুব দরকার ছিল। কারণ প্রথম টেস্টটা আমরা নিজেদের মতো করে খেলতে পারিনি। আমার মনে হয়, ছেলেরা তাদের চরিত্র দেখিয়েছে। মুমিনুল দারুণ একটি ইনিংস খেলেছে। পুরো সিরিজজুড়েই বোলাররা তাদের কাজটা ঠিকভাবে করেছে, বিশেষ করে তাইজুল আর মিরাজ।’

এই সিরিজ শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে যাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষেও ভালো পারফরম্যান্সের ধারাটা অব্যহত রাখার আশা মুশফিকের, ‘আমরা এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলব। আশা করছি, নিজেদের এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারব। দল হিসেবে এই উন্নতিটা ধরে রাখাই লক্ষ্য।’

win-20181115134726.jpg

পঞ্চম দিনে এসেও বোঝা যাচ্ছিল না, ম্যাচের ফল কি হবে। বাংলাদেশের হারের সম্ভাবনা ছিল না। তবে জিম্বাবুয়ে বেশ শক্ত প্রতিরোধ গড়েছিল। তবে প্রতিরোধ যতই করুক, শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের ব্যবধানটা কিন্তু বড়ই হয়েছে সফরকারিদের।

জিম্বাবুয়ের সব প্রতিরোধ আর লড়াইকে পেছনে ফেলে ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশ জিতেছে ২১৮ রানের বড় ব্যবধানে। সিরিজটাও শেষ করেছে ১-১ সমতায়। দেশের টেস্ট ইতিহাসে রানের হিসেবে এটি টাইগারদের দ্বিতীয় বড় জয়।

এর আগে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে চট্টগ্রামে ২২৬ রানে জিতেছিল টাইগাররা।

আসলে শুধু এ দুটি নয়। রানের হিসেবে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পাঁচটি জয়ই এসেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তৃতীয় অবস্থানে আছে ২০১৪ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রামে পাওয়া ১৮৬ রানের জয়।

খুলনায় একই সিরিজে ১৬২ রানে জিতেছিল টাইগাররা। যেটি তাদের বড় জয়ের তালিকায় চার নাম্বারে। আর হারারেতে ২০১৩ সালে পাওয়া ১৪৩ রানের জয়টি পঞ্চম স্থানে।

mashtc.jpg

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, মাশরাফি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে খেলবে না, এ কথা বলা যাবে না। তবে সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ মনোনয়নপত্র নিয়েছে, মনোনয়ন পাবে কি-না, সেটাও নিশ্চিত নয়, পেলে ভোটে লড়বে। সেক্ষেত্রে হয়তো উইন্ডিজ সিরিজে খেলার সম্ভাবনা কম।

বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে গত ১১ নভেম্বর নড়াইল-২ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

টেস্ট খেলছেন না বহুদিন হল। টি-২০কেও বিদায় জানিয়েছেন। এখন কেবল ওয়ানডেটাই চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিতে চাচ্ছেন মাশরাফি। ইসির পরিবর্তিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। দলীয় মনোনয়ন পেলে ভোটের মাঠে ব্যস্ত থাকতে হবে তাকে।

তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিরিজে না খেললেও ২০১৯ সালে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে মাশরাফি খেলবেনই জানিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, মাশরাফি বিশ্বকাপে খেলবে। কারণ সে আমাদের কাছে প্লেয়ারের চেয়েও বড় অধিনায়ক হিসেবে।

বাংলাদেশ সফরে দু’টি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে উইন্ডিজ।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২২ নভেম্বর প্রথম টেস্ট শুরু হবে। এর আগে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে ১৮ নভেম্বর থেকে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে হবে এ ম্যাচ। ৩০ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

টেস্ট সিরিজ শেষে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ৯ ও ১১ ডিসেম্বর ঢাকায় দুটি এবং ১৪ ডিসেম্বর সিলেটে তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুইদল। ১৭ ডিসেম্বর সিলেটে হবে প্রথম টি-টোয়েন্টি। পরের দুটি টি-টোয়েন্টি ২০ ও ২২ ডিসেম্বর মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সর্বশেষ ২০১১ সালে চট্টগ্রামে একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট ম্যাচে অংশ নেয় বাংলাদেশের বিপক্ষে। ওই বছরের ১৮ অক্টোবর জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কাছে আট উইকেটে হেরেছিল তারা।

dt008734.jpg

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের সিলেট টেস্টে হেরে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ২১৮ রানে জিতে সমতায় সিরিজ শেষ করেছে। মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়ে ২২৪ রানে গুটিয়ে গেলে বড় ব্যবধানের ওই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে এই জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মিরাজ

dt-sakib-1280x720.jpg

জিম্বাবুয়ে দল থাকতে থাকতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দামামা বেজে উঠলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক প্যানেল এরই মধ্যে আগামী ২২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজের জন্য দল মোটামুটি গুছিয়ে এনেছেন।

প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু গতকাল জানালেন, দুই একদিনের মধ্যেই দল ঘোষণা করা হবে। চলমান মিরপুরের টেস্টের দলে চারটি পরিবর্তন এনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টের জন্য ১৩ সদস্যের স্কোয়াড দেওয়া হবে।

নির্বাচকরা এখন পর্যন্ত সাকিব আল হাসানের ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট নন। নান্নু তাই বলেই দিলেন যে, প্রথম টেস্টেই ফিরছেন না বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। দ্বিতীয় টেস্টে ফিরবেন কিনা, সেটা জানার জন্য সময়ের অপেক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই।

সাকিব অবশ্য একটু একটু করে পুরোদমে অনুশীলনে ফিরছেন। একদিন আগে লম্বা সময় বাদে ব্যাট হাতে নেওয়া টেস্ট অধিনায়ক গতকাল নেটে ব্যাটিংয়ে ঘাম ঝরিয়েছেন। তবে, সাকিব নিজের ফিটনেসের উন্নতির ব্যাপারে সন্তুষ্ট।

মিরপুরের ইনডোরে গতকাল তিনি বলেন, ‘মাত্রই প্রথম ব্যাটিং করলাম। স্পিন দিয়ে আস্তে আস্তে শুরু করলাম। প্রথম দিন হিসেবে ভালোই মনে হলো। ব্যথাটা সেভাবে বোঝা যায়নি। সামনে যখন পেসটা বাড়বে, ভলিউম বাড়বে, তখন বোঝা যাবে। এভাবে এগোতে থাকি, দেখা যাক কী অবস্থায়। প্রথম দিন হিসেবে আমি বলবো, অনেক ভালো। কোনো ব্যথা অনুভব করিনি। বেশ ভালো অনুভব করিছি। এরপর ভলিউম বাড়লে, পেস বাড়লে এবং বেশিক্ষণ ব্যাটিং করলে বোঝা যাবে।’

সাকিব জানালেন, শিগগিরই তিনি বোলিং ও ফিল্ডিং অনুশীলন শুরু করবেন। বললেন, ‘সবই আস্তে আস্তে শুরু হবে। কাল পরশু থেকে হয়তো ফিল্ডিং ও বোলিং শুরু করবো। সবকিছুর জন্য সময় লাগবে। একবারেই সব শুরু করা সম্ভব হবে না। ইমপ্রুভ হতে থাকলে ম্যাচ খেলার কথা চিন্তা করবো।’

সাইড স্ট্রেনের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাকিবের সঙ্গে তামিমের ফেরাও অনিশ্চিত। সাকিব নিজেও নিশ্চিত নন কবে ফিরতে পারবেন। তবে, এই মুহূর্তে তিনি কোনো ঝুঁকি নিতে চান না। মিরপুরে গতকাল বিকালেও কোচ স্টিভ রোডস ও প্রধান নির্বাচকের সঙ্গে লম্বা আলাপ করতে দেখা গেছে তাকে।

নিজের এবং তামিমের ব্যাপারে তিনি বললেন, ‘কেউ খেলতে না পারলে দলের জন্য একটা নেতিবাচক ব্যাপার। কিন্তু আমি আশা করবো তামিম যেন প্রথম ম্যাচের আগে ফিট হয়ে যায়। দেখা যাক ফিজিও ওর বিষয়ে কী বলে। আমি আস্তে আস্তে শুরু করেছি। এরপর পেস বাড়ার পর বুঝতে পারবো কী হচ্ছে। জলদি করা যাবে না। এটা হলো প্রথম কথা। কয়েক দিনের ভেতরে বুঝতে পারবো, কী হবে।’

bjgd.jpg

মিরপুর টেস্টের শেষ দিনের প্রথম সেশন শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার জয়ের সুবাস নিয়েই মধ্যাহ্নভোজে গিয়েছে টাইগাররা। এরই মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজ বাঁচাতে ৫৯ ওভারে আর ৬ উইকেট তুলে নিতে হবে টাইগারদের।

লাঞ্চ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান। ব্যাট করছেন ব্রেনডন টেইলর (৫৪*) ও পিটার মুর (১০*)।

তবে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে টেইলর-মুরের জুটি ভাঙা। প্রথম ইনিংসে এই জুটিই ভুগিয়েছে টাইগারদের। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা টেইলর এরই মধ্যে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছেন।

এর আগে দিনের প্রথম ইউকেটটি নেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তিন নম্বরে নামা শন উইলিয়ামস ব্যক্তিগত ১৩ রানে মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন। আর ৪৮ ওভারের ষষ্ঠ বলে তাইজুলের বল তাইজুলকেই ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সিকান্দার রাজা (১২)।

তবে এদিন একটি মুল্যবান রিভিউ নষ্ট করে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৪৫তম ওভারের পঞ্চম বলে খালেদ আহমেদের বলটি ইনসুইং করে ব্যাটসম্যান ব্রেনডন টেইলরের প্যাডে লাগে। স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছিল বলটি লেগ স্ট্যাম্পের বেশ বাইরে দিয়ে চলে যেতো। খালেদ এলবিডাব্লুর আবেদন করলে আম্পয়ার তা নাকচ করে দেন। আর সাথে সাথে মাহমুদউল্লাহ রিভিউর আবেদন করেন।

টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি সুইং করে লেগ স্ট্যাম্পের বেশ বাইরে দিয়ে চলে যেত। ফলে আম্পয়ারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকে। আর মূল্যবান রিভিউটি নষ্ট হয় বাংলাদেশের।

এর আগে বুধবার ৪৪০ রানের লিড নিয়ে নিজের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এদিন শুরুর ঘণ্টায় ৪ উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেলেও মাহমুদউল্লাহ ও মোহাম্মদ মিঠুনের দৃঢ়তায় বড় রানে ভিত্তি পায় বাংলাদেশ।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে অধিনায়কের সাথে ১১৮ রানের জুটি গড়ে আউট হন মিঠুন। ১১০ বল খেলে ৬৭ রান করেছেন তিনি। তার আউটের পর অবশ্য দ্রুতই ফিরে যান আরিফুল হক। আগের ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করা মিরাজ এ ইনিংসে যোগ্য সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহর। অবিচ্ছিন্ন এই জুটিতে আসে ৭৩ রান।

wifj.jpg

দীর্ঘ ৭ বছর পর চট্টগ্রামে পা রাখল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটযোগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা।

বিমানবন্দর থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ক্রিকেটারদের নিয়ে যাওয়া হয় নগরীর এমএ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন ‘রেডিসন ব্ল–’ হোটেলে। এখানেই তাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১০জন ক্রিকেটার বাংলাদেশে এসেছেন। বাকিদের বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ সফরে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে উইন্ডিজ।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২২ নভেম্বর প্রথম টেস্ট শুরু হবে। এর আগে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে ১৮ নভেম্বর থেকে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে হবে এ ম্যাচ। ৩০ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

টেস্ট সিরিজ শেষে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ৯ ও ১১ ডিসেম্বর ঢাকায় দুটি এবং ১৪ ডিসেম্বর সিলেটে তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দুইদল। ১৭ ডিসেম্বর সিলেটে হবে প্রথম টি-টোয়েন্টি। পরের দুটি টি-টোয়েন্টি ২০ ও ২২ ডিসেম্বর মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সর্বশেষ ২০১১ সালে চট্টগ্রামে একটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট ম্যাচে অংশ নেয় বাংলাদেশের বিপক্ষে। ওই বছরের ১৮ অক্টোবর জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কাছে আট উইকেটে হেরেছিল তারা।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter