খেলাধুলা Archives - Page 2 of 208 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

hsrhcc.jpg

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ সমতা আছে। প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। আর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৮ উইকেটের বড় জয়ে সমতায় ফেরে ভারত। ফলে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিরোপা নির্ধারণী। রোববার অঘোষিত ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল।

এর আগে ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ রাসেল ডমিঙ্গো আভাস দেন, আগের দুই ম্যাচের অপরিবর্তিত একাদশ নিয়েই ফাইনালি লড়াইয়ে নামবেন টাইগাররা। তবে সেটা সম্ভবত হচ্ছে না। অন্তত ২টি পরিবর্তন আনতেই হতে পারে একাদশে। দুটিতেই রয়েছে ইনজুরির থাবা।

শনিবার দলের সঙ্গে অনুশীলন করেননি অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। অবশ্য অনুশীলনের শুরুতে রানিং করেন মোস্তাফিজ। তবে ড্রেসিংরুম থেকে নিচে নামেননি মোসাদ্দেক। কুচকির চোটে বিশ্রামে ছিলেন তিনি। আর গোড়ালির পুরনো সমস্যা বাড়ায় অনুশীলনে ছিলেন না কাটার মাস্টার।

দুই ক্রিকেটারের ইনজুরি ভাবাচ্ছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টকে। এরই মধ্যে বিকল্প ঠিক করে রেখেছে তারা। সিরিজে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেতে পারেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিঠুন। মোসাদ্দেকের জায়গায় ঢুকতে পারেন তিনি।

নাগপুরের উইকেট স্পিন সহায়ক। সঙ্গত কারণে প্রথম দুই ম্যাচের তিন পেসার ফর্মুলা থেকে সরে আসার কথা ভাবছে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে পাখির চোখ মোস্তাফিজের দিকে। তার গোড়ালির সমস্যা ঠিক না হলে এ জায়গায় একাদশে ঢুকতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম অথবা আরাফাত সানি।

তবে মোস্তাফিজ খেললেও দলে তাইজুল কিংবা সানির সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এক্ষেত্রে কপাল পুড়বে শফিউল বা আল-আমিনের। তখন দুজনের একজন বাদ পড়বেন। সেক্ষেত্রে স্পিন আক্রমণটা হবে আটসাঁট। আবার ভিন্ন পথেও হাঁটতে পারেন সফরকারীরা।

ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ দারুণ শক্তিশালী। আগুনে ফর্মে রয়েছেন রোহিত শর্মা-শিখর ধাওয়ানরা। তাদের থামাতে অফস্পিনার আফিফ হোসেন,লেগস্পিনার আমিনুল ইসলাম সঙ্গে একজন বাঁহাতি স্পিনার নিয়ে বৈচিত্রময় আক্রমণ সাজাতে পারে বাংলাদেশ।

তবে খেলার আগ পর্যন্ত প্রথম দুই ম্যাচের একাদশে থাকা খেলোয়াড়দের জন্য অপেক্ষা করা হবে। ফিজিও সবুজ সংকেত দিলেই এ ম্যাচে খেলতে পারেন মোসাদ্দেক ও মোস্তাফিজ।

বাংলাদেশ সম্ভাব্য একাদশ

লিটন দাস, নাইম শেখ, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোসাদ্দেক হোসেন/মোহাম্মদ মিঠুন, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোস্তাফিজুর রহমান/তাইজুল ইসলাম/আরাফাত সানি, আল-আমিন হোসেন ও শফিউল ইসলাম।

shr11.jpg

বাংলাদেশের কাছে প্রথম টি-টোয়েন্টি হেরে বিপাকে পড়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচে হারলেই লজ্জা বরণ করতে হতো তাদের। তাই নিরুপায় হয়ে সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির আগে ভিন্ন পথ অবলম্বন করেন ভারতীয় কোচ রবি শাস্ত্রী!

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দ্বিতীয় ম্যাচের আগে ধর্মীয় গুরু বাপা মোহান্ত স্বামীর সঙ্গে দেখা করেন শাস্ত্রী। শুধু তিনি নন, ভারতীয় দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ও তার কাছ থেকে আশীর্বাদ নিয়ে আসেন।

বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ওই সময় শাস্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার বাঁহাতি ওপেনার শিখর ধাওয়ানসহ বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। স্বামী নারায়ণের মন্দির যান তারা। গিয়ে বাপার কাছে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।

পরিপ্রেক্ষিতে পুরো সিরিজের জন্য ভারতীয় দলকে আশীর্বাদ করে দেন এ ধর্মীয় গুরু। পাশাপাশি সবার (ক্রিকেটারসহ স্টাফদের) সুস্বাস্থ্যের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া টুইটারে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে বাপার সঙ্গে বসা দুইটি ছবি আপলোড করেছেন শাস্ত্রী। দ্বিতীয় ম্যাচ হারলেই প্রথমবারের মতো নিজ দেশে বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারতে হতো ভারতকে। তবে প্রথম ম্যাচ হারের কারণেই তড়িঘড়ি করে ধর্মীয় গুরুর শরণাপন্ন হন কি না- এমন কিছু নিশ্চিত করে জানাননি ভারতের কোচ। কিন্তু ঘটনাটি মিলে যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাস্যরসের শিকার হচ্ছেন তিনি।

তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ সমতায়। রোববার হবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পরের ম্যাচে ৮ উইকেটের বড় জয়ে সমতায় ফেরে ভারত।

apon-vai-20191110110936.jpg

অতি প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ উৎকণ্ঠা ছড়িয়েছে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে। দুই দেশের অসংখ্য মানুষ এতে হয়েছেন গৃহবন্দী, বিপর্যস্ত হয়েছে নাগরিক জীবন। পাওয়া গিয়েছে হতাহতেরও খবর। সেই বুলবুলে আটকা পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।

চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচটি সরাসরি মাঠে বসে উপভোগ করার জন্য ভারত গিয়েছেন বিসিবি বিগ বস। ম্যাচের ভেন্যু নাগপুরে যাওয়ার আগে তিনি কলকাতায় অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে।

বিসিসিআই বিগ বসের সঙ্গে নানান বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বিসিবি সভাপতির। যেখানে উঠে এসেছে আসন্ন টেস্ট সিরিজ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগসহ দুই দেশের মধ্যকার ক্রিকেটীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ সব দিক। সেই আলোচনা শেষে শনিবার সন্ধ্যায়ই কলকাতা থেকে নাগপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিলো পাপনের।

রোববার ম্যাচের আগে দলের সঙ্গে ডিনার করার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে শনিবার কলকাতা থেকে উঠতে পারেননি বিমানে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কলকাতা বিমানবন্দরে বিমান ওঠা-নামা বন্ধ রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। ফলে শনিবার নাগপুর যেতে পারেননি পাপন।

তবে রাতটা কলকাতায় কাটিয়ে আজ (রোববার) সকালেই তিনি রওনা হচ্ছেন নাগপুরের উদ্দেশ্যে। তবে এক্ষেত্রে তাকে প্রথমে যেতে হবে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লিতে। পরে সেখান থেকে নাগপুরের বিমানে চেপে বসবেন। দুপুর নাগাদ যোগ দিতে পারবেন দলের সঙ্গে।

papon-20191110122859.jpg

বিশ্ব ক্রিকেটের সব দেশের ক্রিকেটারই এক দেশ থেকে আরেক দেশে খেলে বেড়ান ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেট টুর্নামেন্টে। ব্যতিক্রম শুধু ভারতীয় ক্রিকেটাররা। ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি না থাকায় নিজ দেশের বাইরে কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলতে পারেন না তারা।

শুধু তাই নয়। দেশের বাইরে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ব্যাপারে এতোটাই কঠোর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড যে, সবশেষ ক্যারিবীয়ান সুপার লিগের এক ম্যাচে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ড্রেসিংরুমে থাকার অপরাধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেখেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক।

এ থেকেই বোঝা যায় অন্য দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলাটা ঠিক কতোটা কঠিন ভারতের খেলোয়াড়দের জন্য। তবে এবার এই অসাধ্য সাধনের মিশনেই যেনো নেমেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ভারতীয় ক্রিকেটারদের অন্তর্ভুক্ত করতে।

শনিবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নবনিযুক্ত সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে বসেছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। যেখানে তিনি কথা বলেছেন দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের উন্নতিসহ নানান বিষয়ে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অসমর্থিত সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই আলোচনায় বিপিএলে ভারতীয় ক্রিকেটার খেলানোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছেন পাপন। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক হ্যাঁ বা না কিছুই বলেননি গাঙ্গুলি। ধারণা করা হচ্ছে, দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে বিপিএলে নিজ দেশের খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের অনুমতি দেবেন বিসিসিআই সভাপতি।

এতে অবশ্য শুধুমাত্র গাঙ্গুলির অনুমতিই শেষ কথা নয়। তার কাছ থেকে অনুমতি পাওয়ার আগে দেখতে হবে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের কথাও। কেননা আইপিএলের চুক্তিতেও উল্লেখ থাকে অন্য কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলতে পারবেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা। এছাড়া ক্রিকেটারদের সম্মতিরও একটি বিষয় থেকেই যায়।

তবে সব বাধা পেরিয়ে শেষপর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা বিপিএল খেলার অনুমতি পেলেও, শীর্ষ পর্যায়ের খেলোয়াড়রা যে আসবেন না তা একপ্রকার নিশ্চিত। হয়তো বা ঘরোয়া ক্রিকেট মাতানো বি ক্যাটাগরির খেলোয়াড়দের পাঠাতে পারে ভারত। যাদের দেখা যেতে পারে বিপিএলের আগামী মৌসুমে।

কেননা চলতি মৌসুমের বিপিএল প্লেয়ার্স ড্রাফট অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ নভেম্বর। সে জন্য করা বিদেশি খেলোয়াড়দের তালিকায় নেই কোনো ভারতীয়র নাম। যার ফলে হুট করেই সাত দিনের মধ্যে ভারতীয় খেলোয়াড়দের বিপিএল খেলার অনুমতি পাওয়া ও ড্রাফটে নাম ওঠানো বেশ ঝক্কি ঝামেলারই হবে।

তাই সব ঠিকঠাক হলে আগামী মৌসুমের বিপিএল থেকে প্রথমবারের মতো দেখা মিলতে পারে ভারতীয় ক্রিকেটারদের।

england-20191110115810.jpg

ক্যারিয়ারে হয়তো কখনোই লর্ডসের সেই ফাইনাল ম্যাচের কথা ভুলতে পারবেন না নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। বিশ্বকাপ জেতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও সুপার ওভারের অদ্ভুত নিয়মের কাছে হার মেনে শিরোপা খুইয়েছিল কিউইরা। এবার যেন ঘরের মাঠে সেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই সেই ফাইনাল ম্যাচের পুনরাবৃত্তি দেখলেন টিম সাউদি, মার্টিন গাপটিলরা।

নিয়তির কী খেল! এবারেও জয়ী দলের নাম ইংল্যান্ড। ইতিহাসের প্রথম পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের সমাপ্তিটা হয়েছে দুর্দান্ত। যেখানে শেয়ানে শেয়ানে লড়েছে দুই দল। ফলে টাই হয় মূল ম্যাচ। পরে সুপার ওভারে নিউজিল্যান্ডকে ৯ রানে হারিয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ বাগিয়ে নিয়েছে সফরকারী ইংল্যান্ড।

বৃষ্টির বাধায় ম্যাচটি নেমে ১১ ওভার প্রতি ইনিংসে। অকল্যান্ডের মাঠের অতীত ইতিহাস ধরে রেখে দুই দলই খেলে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। দুই দলই নিজেদের এগারো ওভার থেকে করে সমান ১৪৬ রান। যার ফলে সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ। যেখানে ইংল্যান্ড আগে ব্যাট করে ১৬ রান তোলে। কিন্তু নিউজিল্যান্ড থেমে যায় মাত্র ৮ রানে।

২২ ওভারের মূল ম্যাচে বাউন্ডারি হয়েছে মোট ৪১টি। দুই দল মিলে ছক্কা হাঁকিয়েছে ২৭টি, চার হয়েছে ১৪টি। লর্ডসের ফাইনালে বাউন্ডারি সংখ্যায় পিছিয়ে থাকলেও, এ ম্যাচে ১৪টি ছক্কা ও ৭টি চার মেরে এগিয়ে ছিলো কিউইরাই। ইংলিশদের ব্যাট হতে আসে ১৩ ছক্কার সঙ্গে ৭ চারের মার।

আগে ব্যাট করতে নামা কিউইদের পক্ষে প্রথম ৬ ওভারেই ৮৮ রান তুলে দেন দুই ওপেনার মার্টিল গাপটিল ও কলিন মুনরো। মাত্র ২০ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ের মারে ৫০ রান করেন গাপটিল। অল্পের জন্য ফিফটি মিস করেন মুনরো। তার ব্যাট হতে আসে ২ চার ও ৪ ছয়ের মারে ২১ বলে ৪৬ রান। এ ইনিংসের মাধ্যমে ইতিহাসের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০০ ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করেন মুনরো।

দুই ওপেনারের তান্ডবের পর নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১৪৬ পর্যন্ত যাওয়ার কৃতিত্ব উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান টিম সেইফার্টের। মাত্র ১৬ বলের ইনিংসে ১টি চারের সঙ্গে ৫টি বিশাল ছক্কা হাঁকান এ ডানহাতি তরুণ, করেন ৩৯ রান। ইংল্যান্ডের সামনে ওভারপ্রতি প্রায় সাড়ে ১২ করে ১৪৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই টম ব্যান্টনের উইকেট হারায় ইংলিশরা। পরের ওভারেই ফিরে যান জেমস ভিনসও। তবে আশা হারাননি উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান জনি বেয়ারস্টো। তিনি খেলেন ২ চার ও ৫ ছয়ের মারে ১৮ বলে ৪৭ রানের টর্ণেডো ইনিংস।

তাকে সঙ্গ দেন ইয়ন মরগ্যান (৭ বলে ১৭), স্যাম কুরান (১১ বলে ২৪) ও ক্রিস জর্ডানরা (৩ বলে ১২)। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিলো ১৬ রান। যার শেষ ৩ বলে পরিণত হয় ১৩ রানে। তখনই একটি করে চার-ছয় মেরে ১২ রান তোলেন জর্ডান। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

ইংল্যান্ডের পক্ষে সুপার ওভারে খেলতে নামেন ইয়ন মরগ্যান ও জনি বেয়ারস্টো। সুপার ওভারে বল হাতে তুলে নেন কিউই অধিনায়ক টিম সাউদি। তাকে ১টি করে ছক্কা হাঁকান মরগ্যান ও বেয়ারস্টো। ওভার শেষে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭ রানের।

মূল ম্যাচের শেষ ওভারের শেষ ৩ বলে ১২ রান নিয়ে ম্যাচটি সুপার ওভারে নেয়া ক্রিস জর্ডানই বল হাতে নেন ইংলিশদের ম্যাচ জেতাতে। পুরো ওভারে তিনি হজম করেন মাত্র ১টি চার, আউট করেন সেইফার্টকে এবং খরচ করেন মাত্র ৮ রান। যার সুবাদে ৯ রানের জয় সিরিজ নিজেদের করে নেয় ইংল্যান্ড।

mushi44.jpg

বাংলাদেশ দলের তারকা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের ব্যাটিং নিয়ে প্রশংসা করেছেন হরভজন সিং। ভারতের সাবেক এ তারকা ক্রিকেটার বলেছেন, মুশফিক অনেক অভিজ্ঞ একজন ক্রিকেটার। স্পিন এবং পেস উভয় বলই সে দুর্দান্ত খেলতে পারে। বাংলাদেশ দলের ব্যাটিংয়ের গুরুদায়িত্ব তার কাঁধেই।

এই মুশফিকের ব্যাটে ভর করেই ভারতের বিপক্ষে গত রোববার দিল্লিতে প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ। এর আগে ৮টি ম্যাচ খেলে হেরে যায় টাইগাররা। চলতি সফরে ভারতের মাঠেই এশিয়ার শক্তিশালী ক্রিকেট দলকে পরাজিত করে বাংলাদেশ।

দিল্লি জয়ের ম্যাচে ৬০ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম। তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে দেশের ক্রিকেটপ্রিয় মানুষ।

আগামীকাল রোববার নাগপুরে হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি। এই ম্যাচ জিতলেই ভারতের মাঠে সিরিজ জয়ের নতুন ইতিহাস গড়বে বাংলাদেশ।

ভারতের মাঠে সিরিজ জয়ে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের। সাকিব-তামিমহীন দলকে কাঙ্খিত জয় উপহার দিতে হলে বাড়তি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে মুশফিক-রিয়াদদের।

mahmud4.jpg

ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার হরভজন সিং বলেছেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ একজন দারুণ ক্রিকেটার। সে বাংলাদেশের ম্যাচজয়ী খেলোয়াড়।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) না জানানোর অপরাধে পেশাদার ক্রিকেট থেকে এক বছর নিষিদ্ধ সাকিব আল হাসান।

সাকিব দলের বাইরে থাকায় ভারত সফরে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার নেতৃত্বেই গত রোববার ভারতের বিপক্ষে দিল্লিতে টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ৭ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় পায় বাংলাদেশ।

টাইগার সমর্থকদের বিশ্বাস রিয়াদের অধিনায়কত্বে আগামীকাল নাগপুরে শেষ টি-টোয়েন্টিতে জিতে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়বে বাংলাদেশ।

এর আগে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৭ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতে সিরিজে ১-১ সমতায় ফেরে স্বাগতিক ভারত। আগামীকাল রোববার নাগপুরে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। এই ম্যাচে যারা জিতবে তারাই পাবে ট্রফি।

coach-captain-20191109193620.jpg

শুরুতে আসেন দ্বীপক চাহার ও খলিল আহমেদ। মাঝে স্পিন আক্রমণ সামলান ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল, ক্রুনাল পান্ডিয়া ও ওয়াশিংটন সুন্দর। আর প্রয়োজন পড়লে হাত ঘুরিয়ে যান অলরাউন্ডার শিভাম দুবে। বাংলাদেশের বিপক্ষে চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতের বোলিং লাইনআপ এটিই।

যেখানে লেগ স্পিনার ইয়ুজভেন্দ্র চাহাল ব্যতীত আর কেউই পরীক্ষিত তারকা নন। কিংবা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খুব একটা অভিজ্ঞও নন। যার খেসারত ভারত দিয়েছে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে। ম্যাচ জমিয়ে তুলেও শেষ দিকে হেরে গিয়েছে খলিল, শিভামদের আলগা বোলিংয়ে।

দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে ভারত জয় পেলেও, শেষ ম্যাচে ভারতের এই অনভিজ্ঞ বোলিং লাইনআপকেই টার্গেট করতে চান বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো। তার মতে টাইগার ব্যাটসম্যানরা সামর্থ্য অনুযায়ী বোলিং করলে ভারতের এই অনভিজ্ঞ বোলাররা চাপে পড়তে বাধ্য।

আজ (শনিবার) ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘দেখুন, ভারতীয় দলটা শক্তিশালী। কিন্তু তাদের বোলিং ডিপার্টমেন্ট অতটা নয়। তাই আমরা যদি নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যাটিং করতে পারি, তাহলে তাদের বোলিং ডিপার্টমেন্টকে চাপে ফেলতে পারবো।’

এ বিষয়ে টাইগার কোচের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। তবে তিনি মনে করেন, এমন পরিস্থিতিতেই অনভিজ্ঞরা শিখতে পারবে এবং ভবিষ্যতের জন্য তৈরি হবে।

রোহিত বলেন, ‘হ্যাঁ! তারা খানিক অনভিজ্ঞ। আমি মনে করি এটাই তাদের জন্য শেখার সেরা সময়। আমরা সবসময় বলি যে, ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার মাধ্যমে শিখতে হবে। তবে আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার আগে কেউ বুঝতে পারবে না বোলার হিসেবে তার মান কতটুকু। তাই এটা পুরো বোলিং ইউনিটের জন্য দারুণ একটা চ্যালেঞ্জ।’

fizz-20191109204836.jpg

টাইগারদের হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাফ জানিয়ে গেলেন, এক-দুই ম্যাচ খারাপ করলেই কাউকে সরাসরি বাদ দেয়ার পক্ষপাতী নয় দল। বরং খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট একটা সময় দেখতে চান প্রধান কোচ।

কোচের এমন মন্তব্যের পর আশা করা হচ্ছিলো আগের দুই ম্যাচের একাদশ নিয়েই সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচটি খেলবে বাংলাদেশ। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, শেষ ম্যাচটিতে না চাইলেও দুইটি পরিবর্তন আনতে হবে বাংলাদেশ দলকে।

কেননা রোববারের ম্যাচের আগে (শনিবার) অনুশীলনই করেননি প্রথম দুই ম্যাচের একাদশে থাকা অফস্পিনিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।

দলের সঙ্গে অনুশীলনের শুরুতে মোস্তাফিজ রানিং করলেও মোসাদ্দেক ড্রেসিংরুম থেকে নিচে নামেননি। কুচকির চোটে বিশ্রামে ছিলেন এ স্পিনিং অলরাউন্ডার। অন্যদিকে গোড়ালির পুরনো সমস্যা বাড়ায় অনুশীলনে ছিলেন না মোস্তাফিজ। রোববার শেষ টি-টোয়েন্টিতে তাদের দুজনকে পাওয়া যাবে কি না- তা নিশ্চিত করতে পারেনি দল সংশ্লিষ্ট কেউ।

দুজনের কেউই অবশ্য খুব একটা ফর্মে নেই। দুই ম্যাচে এক ওভারে করে বোলিং করেছেন মোসাদ্দেক। উইকেট পাননি একটিও। উল্টো দ্বিতীয় ম্যাচে টানা তিন ছক্কায় হজম করেছেন ২১ রান। ব্যাট হাতে প্রথম ম্যাচে নামার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয় ম্যাচে ঝড়ো ফিনিশিং ছিলো যখন চাহিদা, তখন ৯ বলে করেছেন মাত্র ৭ রান।

অন্যদিকে দুই ম্যাচের একটিতেও পুরো ৪ ওভার করতে পারেননি মোস্তাফিজ। প্রথম ম্যাচে ২ ওভারে ১৫ রান খরচ করার পর আর তার হাতে বল দেননি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় ম্যাচে ৩.৪ ওভারে তিনি হজম করেছেন ৩৫ রান।

fixing-20191109161727.jpg

ফিক্সিংয়ের জন্য নিষিদ্ধ হয় ভিন্ন ভিন্ন দেশের ক্রিকেটার। কিন্তু জুয়ার পসরা সাজিয়ে ক্রিকেটারদের ফিক্সিংয়ে জড়ানোর মূল কাজটাই করেন ভারতীয়রা। সেই ভারতেই এবার আরও একবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো ফিক্সিং বিতর্ক। এরই মধ্যে কর্নাটক প্রিমিয়ার লিগে (কেপিএল) ফিক্সিং করার অপরাধে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার এবং একজন ফ্রাঞ্চাইজি মালিককে গ্রেফতার করেছে ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ।

ভারতে ফিক্সিং নতুন কিছু নয়। কিছুদিন আগেও ফিক্সিং বিতর্কে তুমুল তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল ভারতের জনপ্রিয় ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগ আইপিএলে। মহেন্দ্র সিং ধোনির দল চেন্নাই সুপার কিংস, আইপিএলের প্রথম চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়েলস পর্যন্ত নিষিদ্ধ হয়েছিলো দুই বছরের জন্য। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারও নিষিদ্ধ হন এ ইস্যুতে। যার ধারাবাহিকতা চলে আসছে কেপিএলেও।

কিন্তু কিভাবে ম্যাচ ফিক্সিং হয়ে থাকে ভারতীয় ক্রিকেটে? কেপিএলের ঘটনা সামনে আসার পর জানা যাচ্ছে, ফিক্সিংয়ের ভেতরকার নানা তথ্য। তেমনই জানা গেছে, কেপিএলে ফিক্সিং করার জন্য ক্রিকেটারদের দেওয়া হতো আইফোন। বিস্ফোরক এই দাবি করলেন কেপিএলেরই এক ক্রিকেটার। যা নিয়ে ক্রিকেটমহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

কেপিএলে ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ছয়জন ক্রিকেটারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজন ক্রিকেটার, একজন কোচ ও একজন ফ্যাঞ্চাইজি মালিকও রয়েছেন। পুলিশি গ্রেফতারের পরই বেরিয়ে এসেছে যেন বড় এক গোখরা সাপ। কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বেরিয়ে আসার মত অবস্থা।

ওই গ্রেফতার ঘটনার পরই টি-টোয়েন্টি লিগে খেলা ক্রিকেটারদের অনেকেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন। যার ফলে বেরিয়ে আসছে নিত্যনতুন তথ্য। এক ক্রিকেটারের দাবি, ‘আমাকে এক ক্রিকেটার এসে বলে গেল যে, আমাকে একজনের সঙ্গে শুধু দেখা করতে হবে। পরিবর্তে দেওয়া হবে আইফোন। একজন কোচ ছিলেন যার কাজই ছিল ক্রিকেটারদের মধ্যে বিতরণের জন্য ব্যাগ-ভর্তি আইফোন নিয়ে ঘোরা।’

২০০৯ সালের প্রথম কেপিএল থেকেই খেলছেন, নাম প্রকাশ না করার শর্তে এমন এক ক্রিকেটার বলেছেন, ‘যখন ওরা বুঝে গেল যে, কয়েকজন কিছুতেই ফিক্সিং করবে না, তখন ওরা সতর্ক হয়ে গেলো।’

বিসিসিআইর দুর্নীতি-দমন শাখার সাবেক প্রধান রবি সাওয়ানি গত মৌসুমে কর্নাটক প্রিমিয়ার লিগর দুর্নীতি দমন শাখার প্রধান ছিলেন। এর আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এরও এই শাখার প্রধান ছিলেন তিনি। সাওয়ানি জানিয়েছেন যে, জুয়াড়ি এবং ফিক্সাররা অনেকবার ক্রিকেটারকে প্রস্তাব দিয়েছেন ম্যাচ সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার জন্য। তিনি বলেন, ‘ম্যানেজমেন্টকে এটা প্রকাশ্যে আনতে হবে। আমরা দৈনিক ভিত্তিতে এর উপর নজর রাখি। যখনই কোনও ইস্যু থাকে, তা রিপোর্ট করা হয়।’

এক ক্রিকেটার এই ব্যাপারে বলেছেন, ‘আসলে মাথাতে সমস্যা থাকলে ক্রিকেটাররা রিপোর্ট করতে চায় না। এমনকি, নিজে ফিক্সিং করতে না চাইলেও কোচ, মালিকরা জড়িত থাকলে তা রিপোর্ট করা সহজ নয়। আমার অধিনায়ক যেমন সৎ ছিল। ও কিন্তু বুঝে ফেলেছিল, দলের মধ্যেই ভুলভাল কিছু হচ্ছে। আর তাই একেবারে শেশ মুহূর্তে ও কোন এগারোজন খেলছে, তা জানাত।’

এক ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্মকর্তা বলেন, ‘রান তোলার গতি মন্থর হওয়ায় অধিনায়ক এক ক্রিকেটারকে বাদ দিয়েছিলেন। পরে বোঝা যায় যে ইচ্ছাকৃত ভাবে রানের গতি মন্থর করা হচ্ছিল। কারণ, ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িতরা সেটাই চাইত। সেই কর্তা সাফ বলেছেন, ‘স্লো ব্যাটিংয়ের জন্য অধিনায়ক এক সিনিয়র ক্রিকেটারকে বাদ দিয়েছিল। অধিনায়ক ভেবেছিল খারাপ ফর্মের কারণেই এটা ঘটছে। পরে সে উপলব্ধি করে যে মন্থর ব্যাটিং আসলে ফিক্সিংয়েরই অঙ্গ।’

আবার এক ক্রিকেটার জানিয়েছেন, টস জিতে কী করতে হবে সে ব্যাপারে নির্দেশের জন্য তার দলের অধিনায়ক অপেক্ষা করতেন। তার দাবি, ‘ব্যাটিং না বোলিং, টস জিতলে কী করা হবে, তার জন্য নির্দেশ আসত। অপেক্ষায় থাকতেন অধিনায়ক।’