খেলাধুলা Archives - Page 2 of 229 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

tamim-mushi-215342.jpg

জাতীয় ক্রিকেট দলে তামিম ইকবালের বেস্ট ফ্রেন্ড কে?

ফেসবুক লাইভ শোতে হোস্ট তামিমকে প্রশ্নটি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

জবাবে তামিম মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে মাশরাফী এবং সাকিবের নাম নেন।

রিয়াদ তখন একজনের কথা জানতে চাইলে মুশফিকের নাম বলেন তামিম।

এরপর রিয়াদ বলেন, একটা নৌকায় তোর যদি মাশরাফী আর মুশফিক থাকে।

নৌকা ডুবে গেলে তুই শুধু একজনকে বাঁচাতে পারবি তাহলে কাকে বাঁচাবি?

তামিম বলেন, আমি যদি মাশরাফী ভাইয়ের নাম বলি তাহলে বেঁচে যাবো।

মানুষ গালি দিবে না?

মাশরাফী বলেন, ডিপলোমেটিক জবাব দিবি না। সত্যি করে বল।

তখন তামিম বলেন, আমি মুশফিককেই বাঁচাবো।

আজকেই শেষ হচ্ছে তামিমের লাইভ শো।

রাত সাড়ে দশটায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এদিন শো শুরু হয় পৌনে এগারোটায়।

জাতীয় দলের পঞ্চপাণ্ডবের আরো তিন পাণ্ডব মাশরাফী, মুশফিক

এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে হাজির হন তিনি।

মাঝখানে কিছুক্ষণের জন্য যোগ দেন কোচ সালাউদ্দিন।

দেশ সেরা ব্যাটসম্যান তামিম অনেক বার দেশের

ক্রিকেট সমর্থকদেরও আনন্দে উপলক্ষ এনে দিয়েছেন তিনি।

কিন্তু, গেলো কয়েক মাসে বিশ্বজুড়ে করোনার প্রতাপে ঘরবন্দী সবাই।

ভাইরাসটির আতঙ্কে ক্রিকেট ক্যানভাসে আনন্দ উল্লাসে

ভাটা পড়লে ভিন্ন উদ্যোগ নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

শুরুটা ২ মে মুশফিকুর রহিমকে দিয়ে।

ইন্সটাগ্রামে লাইভের মধ্যে দিয়ে। দারুণ জমেছিলো।

পরে বাংলাদেশের সমর্থকদের ব্যাপারটি মাথায় রেখে আয়োজনটি

আরো জমিয়ে তুলতে বন্ধু মিনহাজের পরামর্শে ফেসবুকে লাইভ শো শুরু করেন।

মাশরাফীর সাথে ফেসবুকের ওই লাইভে এক লাখ

ক্রিকেট সমর্থক প্রাণ ভরে উপভোগ করে তামিম আর মাশরাফীর রসায়ন।

দারুণ উপভোগ্য এই লাইভগুলোতে পর্যায়ক্রমে জাতীয়

দলের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সাবেক ক্রিকেটাররাও ছিলেন।

দেশের সীমানা পেরিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকার ক্রিকেটার ফাফ ডু প্লেসি

ভারতের দুই সুপার স্টার বিরাট কোহিল রোহিত শর্মা কিংবা ওয়াসিম আকরামের আগমন ভিন্ন মাত্র পায়।

তামিম বুঝিয়ে দেন মাঠের ক্রিকেটেই শুধু নয়, উপস্থাপনাতেও তিনি বেশ পারদর্শী।

umpire.jpg

একদিন সবকিছু স্বাভাবিক হবে। ক্রিকেট গড়াবে মাঠে। দর্শকে টইটুম্বুর হবে স্টেডিয়াম।

কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে বদলে যাবে অনেক কিছু।

এতদিন ক্রিকেটমাঠে বোলার তার মাথার টুপিটা, চশমা কিংবা গায়ে

থাকা সোয়েটার খুলে আম্পায়ারের হাতে রেখে বোলিং করতে যেতেন।

এতদিন বিষয়টা ছিল খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এই সাধারণ ব্যাপারটাই এখন আর দেখা যাবে না।

এছাড়া ক্রিকেটারদের মধ্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার সবচেয়ে ঝুঁকি বয়ে আনতে পারে- বল।

কিছুদিন আগেই বলে থুতু লাগানো নিয়ম করে বন্ধ করা হয়েছে।

এবারে করোনা পরবর্তী সময়ে ক্রিকেট নিয়ে বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি

করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি।

বল ম্যানেজমেন্ট:

বলে লালা লাগানো যাবে না। আম্পায়ারদের গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে।

বল স্পর্শ করার পর কোনো ক্রিকেটার মুখ, চোখ ছুঁতে পারবেন না।

বল ছোঁয়ার পর প্রতি ওভারের মাঝে স্যানিটাইজার দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

ক্রিকেটাররা তাদের সানগ্লাস, সোয়েটার, টুপি আম্পায়ারদের কাছে রাখতে পারবেন না।

সাধারণ সতর্কতা:

সাধারণ স্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা মেনে চলতে হবে।

হাঁচি, কাশির সময় কনুই ভাঁজ করে নাক-মুখ ঢাকতে হবে।

অন্যের ব্যবহার করা বোতল, তোয়ালে, ক্রিকেটীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করা যাবে না।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে ম্যাচের ভেন্যুতে একাধিক চেঞ্জিং রুম থাকা প্রয়োজন।

বায়ো নিরাপত্তা কর্মকর্তা

প্রতিটি দলের সঙ্গেই এবার নতুন একজন চিকিৎসককে থাকতে হবে।

যার পদের নাম হতে যাচ্ছে ‘বায়ো নিরাপত্তা কর্মকর্তা’।

তার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট ভেন্যু এবং ক্রিকেটারদের বায়ো নিরাপত্তার বিষয়ে নজর রাখা।

সরকারি নিয়ম নীতি ঠিকমত পালন করা হচ্ছে কিনা সেটাও দেখবেন তিনি।

আইসোলেশন:

দলগুলোর সঙ্গে চিকিৎসকদের একটি দল থাকবে।

টুর্নামেন্ট বা সিরিজ শুরুর আগে ১৪ দিন ক্রিকেটারদের শারীরিক

তাপমাত্রা, রিস্ক ফ্যাক্টর, ঘনঘন পরীক্ষা করবে ওই দল।

ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাপোর্ট স্টাফদেরও এরকম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

সেই চিকিৎসকদের সবুজ সংকেত পেলেই ক্রিকেটাররা মাঠে নামতে পারবেন।

ভ্রমণে সতর্কতা:

স্যানিটাইজড পরিবহন ছাড়া ক্রিকেটাররা ভ্রমণ করতে পারবেন না।

বিদেশ সফর গেলে বাধ্যতামূলক প্রতিটি দলকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

দুই ক্রিকেটারের মধ্যে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে চার্টার্ড ফ্লাইটে যেতে হবে।

কোনোভাবেই ক্রিকেটাররা রুম শেয়ার করতে পারবেন না।

ক্রিকেটারদের টুপি-সোয়েটার আর রাখবেন না আম্পায়াররা যদি দলের কোনো

সদস্যের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে, সেজন্য আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে।

soumya6.jpg

জাতীয় দলের ওপেনার সৌম্য সরকারের নিলামকৃত ব্যাটের অর্থায়নে ও

সাতক্ষীরার জেলা পুলিশের সহযোগিতায় করোনা ও আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্থদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনে এ খাদ্য সহায়তা প্রদান কর্মসূচীর করেন

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএম (বার)।

এসময় প্রায় দুই শতাধিক মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় জাতীয় দলের ক্রিকেটার সৌম্য সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইলতুৎ মিশ,

সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা সালাহ্উদ্দিন সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

মানবতার কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার ও সাতক্ষীরা কৃতি সন্তান সৌম্য সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

smith-warnar-b-20190415023750.jpg

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিল হলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগও (আইপিএল)

বন্ধ করে দেয়া উচিত বলে মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি ইয়ান চ্যাপেল।

যদিও এই লড়াইয়ে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাই (বিসিসিআই) জিতবে বলেই মনে করেন তিনি।

অজিদের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘দেখবেন শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই জয়ী হবে।

এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি মোটেও খুশি নই।

কোনও একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্টের থেকে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের গুরুত্ব অনেক বেশি।

যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না হয়, তা হলে আইপিএলও হওয়া উচিত নয়।

আইপিএল অর্থ রোজগারের টুর্নামেন্ট ছাড়া আর কিছু নয়।’

অস্ট্রেলিয়ার সিনিয়র ক্রিকেটারদের আইপিএল না খেলার পরামর্শ দিয়েছেন ইয়ান চ্যাপেল।

ডেভিড ওয়ার্নার এবং স্টিভ স্মিথদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের জন্য সারা বিশ্বে ক্রিকেট বন্ধ ছিল।

যখন শুরু হবে পুরো দমে, তখন আইপিএলের সময়ই হয়তো

অস্ট্রেলিয়ায়শেফিল্ড শিল্ড ও ওয়ানডে কাপের ম্যাচ পড়বে।

এই পরিস্থিতিতে আমি শুধু এটাই বলব, অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়ড়া যেন ঘরোয়া ক্রিকেটেই বেশি মনোযোগ দেয়।’

চ্যাপেলের মতো একই সুরে কথা বলেছেন অ্যালান বর্ডারও।

১৯৮৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক বলেন, ‘আইপিএলতো ভারতের একটা ঘরোয়া টুর্নামেন্ট।

বিশ্বকাপের থেকে তা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। যদি বিশ্বকাপ না হয়, তা হলে যেন আইপিএল-ও না হয়।’

jamal-bhuyan-lead.png

জন্ম এবং বেড়ে ওঠা ডেনমার্কে। ইউরোপের হাওয়া-বাতাস গায়ে লাগিয়ে

এবং সেখানকার খাদ্যে অভ্যস্থ হয়ে বড় হওয়া জামাল ভূঁইয়া কি করে মানিয়ে নেন বাংলাদেশে?

তার খাদ্য তালিকার শীর্ষেই বা কি থাকে? ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে সেগুলো জানতেও ছাড়েননি তার ভক্তরা।

খ্যাতির একটা বিড়ম্বনা থাকে।

তারকা ক্রীড়াবিদদের যে ভক্তকূল গড়ে ওঠে তা সামলানোও একটা কঠিন কাজ।

সেগুলো কিভাবে মেইনটেইন করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক?

এমন নানা প্রশ্নের উত্তর জামাল ভূঁইয়া দিয়েছেন ঘণ্টাব্যাপি ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে।

বাংলাদেশে যখন থাকেন তখন কি খান? আপনার প্রিয় খাবার কি এখানে?

বাংলাদেশের রুই মাছটা খুব প্রিয় জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়কের।

ডেনমার্ক বসে এখন এ মাছটিই খুব মিস করছেন তিনি।

‘বাংলাদেশে যখন থাকি তখন রুই মাছটা বেশি খাই। ওটা আমার খুব প্রিয়।

এছাড়া আমার খাওয়ার রুটিনটা এমন- সকালে ফল আর চা। চা অবশ্যই চিনিছাড়া।

মধু দিয়ে খাই। মাঝেমধ্যে দই। সেটা বাংলাদেশের মতো মিষ্টি দই নয়।

ফ্রুটসদই খাই আমি। দুপুরে পাস্তা আর ভেজিটেবলস থাকে আমার খাবার মেন্যুতে।

রাতে অল্প রাইসের সাথে ভেজিটেবলস আর চিকেন। ফলও থাকে।

আমি ফলটাকে বেশি গুরুত্ব দিই। পুরো দিনে ৩ থেকে ৫ লিটার পানি পান করি।’

অসংখ্য ভক্ত সামলানো প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেন,

‘আমি স্পেশাল কোনো জিনিস করি না। যখন যেটা ফিল করি তখন সেটা করি।

অনেক মানুষ আছেন যারা আমাকে খুব ভালোবাসেন।

কেন বাসেন সেটা তাদের বিষয়। সেখানে আমার কোনো হাত নেই।

তবে এটা বলবো- মানুষের এই ভালোবাসা পাওয়া আমার বড় অর্জন।’

Qatar-2022-1280x720.jpg

করোনার প্রভাব আগামী ফুটবল বিশ্বকাপে পড়বে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আয়োজক কমিটি।

অর্থনীতিতে যাই প্রভাব ফেলুক না কেন, বিশ্বকাপ সমর্থকদের কাছে যথেষ্ট সাশ্রয়ী হতে যাচ্ছে।

২০২২ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে বিশ্বকাপ ফুটবল আসর বসবে মরুদেশ কাতারে।

টিকিটের দাম থাকবে দর্শকের আওতার মাঝেই। করোনার প্রভাবে বিশ্বকাপ টিকিটের দাম বাড়বে না।

বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির প্রধান হাসান আল তৌহিদী

জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে উন্নতি করার বিষয়ে আশাবাদী।

তবে অর্থনীতি যে চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলতে চলেছে, সেটা তিনি স্বীকার করেছেন।

স্পোর্টস অনলাইন ফোরামে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সারা বিশ্বেই অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হবে।

এর মধ্যেই সমর্থকরা বিদেশ থেকে এসে বিশ্বকাপ দেখতে এসে উপভোগ কীভাবে করবে, সেটা নিয়ে আমরাও চিন্তিত।’

পরিস্থিতি সামাল দিতে অলিম্পিক আয়োজক কমিটির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

হাসান তৌহিদী জানান, ‘আমরা প্রথম থেকেই বলে এসেছি,

এই টুর্নামেন্ট সমর্থকদের কাছে যথেষ্ট সাশ্রয়ী হবে।

যে কেউ এই বিশ্বকাপে এসে টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে পারেন।

তবে করোনা পরবর্তী সময়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায়

আপাতত কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা বলতে পারছি না।

আপাতত সমর্থকদের জন্য সাশ্রয়ী টিকিট আর ফুটবল অঙ্গনের অর্থনৈতিক উন্নতির মেলবন্ধন তৈরির চেষ্টা করছি।’

ju6.jpg

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে কথা বলার

পর থেকেই তীব্র সমালোচনার শিকার হচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি।

এবার তাকে ভর্ৎসনা করলেন জম্মু-কাশ্মীরের বিজেপি প্রধান রবীন্দ্র রায়না।

সেই প্রসঙ্গে ‘বুমবুম’কে বাংলাদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন তিনি।

রায়না বলেন, ভারতের বিরুদ্ধে আফ্রিদির কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য বন্ধ করা উচিত।

আমরা জানি, সে খেলোয়াড়ি জীবনে হতাশ ও মরিয়া ক্রিকেটার ছিল।

শচীন টেন্ডুলকার, সৌরভ গাঙ্গুলী, বীরেন্দ্র শেবাগ এবং রাহুল দ্রাবিড়ের ব্যাটিংয়ের সময়

বোলিংয়ে এসে প্রায়ই পরাস্ত হতো ও। সেটা এখনও ভুলতে পারেনি পাক অলরাউন্ডার।

তিনি বলেন, ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে লাহোর,

করাচি ও ইসলামাবাদে নিজেদের পতাকা উড়িয়েছে ভারতীয় সেনারা।

সেই তারাই ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ নামে নতুন রাষ্ট্রের সৃষ্টি করেছে।

১৯৯৯ সালে কাশ্মীরের কারগিলে গোপনে অভিযান চালিয়েছিল পাক ফৌজরা।

তবে তাদের পিটিয়ে তাড়িয়ে দেয় আমাদের সাহসী সন্তানরা (সৈন্য)।

সম্প্রতি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ত্রাণ বিতরণ করতে যান আফ্রিদি।

সেখানে গিয়ে চাঁচাছোলা ভাষায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে একহাত নেন তিনি।

সাবেক পাক অধিনায়ক দাবি করেন,

কাশ্মীরি ভাই-বোনদের জোর করে নিজেদের কব্জায় রেখেছে ভারতীয় সরকার।

তাদের বেশিরভাগই পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে থাকতে চায়।

করোনাভাইরাসের চেয়েও বড় রোগ বাসা বেঁধেছে মোদির মনে।

ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন উনি।

আফ্রিদির ইট মারার জবাব দ্রুত পাটকেল ছুড়ে দেন টিম ইন্ডিয়ার সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটাররা।

সেই তালিকায় আছেন গৌতম গম্ভীর, হরভজন সিং, যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, শিখর ধাওয়ানরা।

তাকে কাশ্মীরের আশা ছেড়ে দিতে বলেন তারা।

বরং পাকিস্তানি সুপারস্টারকে পিছিয়ে পড়া নিজ দেশের উন্নয়নে মনোনিবেশ করতে বলেন সবাই।

cricket-215168.jpg

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হুইল চেয়ার ক্রিকেট দলকে আর্থিক সহায়তা ও তাদের পরিবারের

মাঝে ঈদের খাদ্যসামগ্রী উপহার পাঠিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।

শুক্রবার (২২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার নিয়াজ মুহাম্মদ স্টেডিয়ামে

মুশফিকুর রহিমের পাঠানো এই সব সহায়তা প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়দের মাঝে পৌঁছে দেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ড্রিম ফর ডিসঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশনের (ডিডিএফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হেদায়েতুল আজিজ মুন্না।

শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ড্রিম ফর ডিসঅ্যাবিলিটি

ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হেদায়েতুল আজিজ প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের নিয়ে মাঠে উপস্থিত হন।

পরে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হেদায়েতুল আজিজ,

সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এমরান জাহান

ও সংগঠনের নবাগত উপদেষ্টা বাংলাদেশ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন।

ভিডিও কনফারেন্সে মুশফিকুর রহিম উপস্থিত প্রতিবন্ধী ক্রিকেট খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান।

এ সময় তিনি তাদের পাশে থেকে আরও বেশি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ ব্যাপারে ড্রিম ফর ডিসঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশন (ডিডিএফ) ও হুইল

চেয়ার ক্রিকেট টিম বাংলাদেশের সভাপতি হেদায়েতুল আজিজ মুন্না জানান,

আমরা মুশফিকুর রহিমের পক্ষ থেকে আর্থিক উপহার পেয়েছি।

এজন্য তাকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

অসহায়দের পাশে থাকার জন্য মুশফিকুর রহিমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন

ড্রিম ফর ডিসঅ্যাবিলিটি ফাউন্ডেশন (ডিডিএফ), হুইলচেয়ার ক্রিকেট টিম বাংলাদেশের

প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ডিডিএফ হুইল চেয়ার ক্রিকেট দল বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে অংশগ্রহণ করে।

BCBw.jpg

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক এবং

নারী উইংয়ের সভাপতি শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।

খবরটি বিকেলে নিজেই নিশ্চিত করেছেন তিনি।

বেশ কিছুদিন ধরেই জ্বর অনুভব করছিলেন তিনি।

পরে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাবার পর সুস্থও হয়ে উঠেন।

তবে, এরপর স্ব -উদ্যোগে করোনা টেস্ট করতে দেন নাদেল।

বুধবার সিলেটে ওসমানি মেডিকেলের পিসিআর ল্যাবে টেস্ট করা হয়।

পরে বৃহস্পতিবার তার করোনা পজেটিভ হয়েছে বলে জানানো হয়।

বর্তমানে, চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিজ বাসাতেই আইসোলেশনে

আছেন শফিউল আলম নাদেল। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

চীনের উহান থেকে শুরু করে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী

নোভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। এই ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনেও।

তবে ইউরোপে ফিরতে শুরু করেছে ফুটবল আসর।

ইতোমধ্যে ফের শুরু হয়েছে জার্মান বুন্দেসলিগা।

ইতালিয়ান সিরি’আ শুরু নিয়েও জল্পনা-কল্পনা চলছে। আর ১২ জুন সেভিয়া ডার্বি দিয়ে শুরু হচ্ছে লা লিগা।

কপ নামের এক গণমাধ্যমের বরাতে এমনটাই জানিয়েছে স্প্যানিশ ক্রীড়ামাধ্যম মার্কা।

নতুন সূচিতে শুক্রবার (১২ জুন) প্রথম ম্যাচে

এস্তাদিও র‌্যামন সানচেজ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে সেভিয়া বনাম রিয়াল বেতিস।

বাকি ১১ ম্যাচের দিনগুলির সম্পূর্ণ সময়সূচি ২৮ মে শীর্ষ বিভাগের ২০টি ক্লাবকে জানানো হবে।

মার্কা জানিয়েছে, লা লিগা প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের তেভাসের কাছে শীর্ষ লিগ ফেরানোর

এটি আদর্শ সময়সূচি হলেও এই সূচিকে বাস্তবায়নের জন্য অবশ্যই

স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) এবং স্পেন সরকারের কাছে এটি গৃহীত হতে হবে।