খেলাধুলা Archives - Page 5 of 11 - Dhaka Today

jdethj.jpg

টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। তার এই সেঞ্চুরির মুহূর্তটি ক্যামেরায় ধারণ করে রাখলেন বাবা মাহবুব হামিদ।

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম একজন ফ্যান হলেন মাহবুব হামিদ। নিজের শত ব্যস্ততা থাকা সত্ত্বেও জাতীয় দলের খেলা দেখতে চলে আসেন স্টেডিয়ামে।

শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও ক্রিকেটারদের উৎসাহ দেয়ার জন্য গ্যালারিতে হাজির থাকেন মুশফিকের বাবা। সবশেষ ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেও দর্শকের ভূমিকায় থেকে ক্রিকেটারদের উৎসাহ যুগিয়েছেন।

রোববার মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের শুরুর দিনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন মুশফিকের বাবা। ছেলে যখন সেঞ্চুরি করে ব্যাট উঁচিয়ে উদযাপনে ব্যস্ত তখন মুশফিকের সেই মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে ক্যামরাবন্দী করেন মাহবুব হামিদ।

বাংলাদেশ দলের নির্ভরতার অপর নাম মুশফিকুর রহিম। ফের এর প্রমাণ দিলেন তিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে চাপের মধ্যে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন।

তুলে নিলেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। ১৮৭ বলে ৮ চারে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন তিনি। এ নিয়ে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি হাঁকানোর তালিকায় যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন মুশফিক।

৬ সেঞ্চুরি নিয়ে তৃতীয় ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। এ সেঞ্চুরি দিয়ে তাকে ধরে ফেললেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। টেস্টে সেঞ্চুরি করার দিক থেকে বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে শীর্ষে দেশ সেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। টেস্টের সাদা পোশাকে তার সেঞ্চুরি রয়েছে আটটি। তার ঠিক পরেই অবস্থান টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত মুমিনুল হক সৌরভের।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে ১৫৭ রান করার মধ্য দিয়ে ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ চার উইকেটে ২৯৯ রান। ১১১ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন মুশফিকুর রহিম।

mudr.jpg

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে হারলেও দ্বিতীয় টেস্টের শুরুটা দারুণ করেছে বাংলাদেশ দল। মুমিনুল হকের ১৬১ রান ও মুশফিকের অপরাজিত ১১১ রানে ভর করে প্রথম দিন শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান করে বাংলাদেশ দল।

সিলেট টেস্টে ভালো পারফর্ম করতে না পারলেও ঢাকা টেস্টে প্রথম ইনিংসেই নিজেকে মেলে ধরেছেন মুমিনুল। তবে তার ১৬১ রানের ইনিংসের পিছনে তার একার অবদান নেই। সেখানে অনেকটাই অবদান ছিল উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকের। ম্যাচ শেষে এমনটিই জানিয়েছেন মুমিনুল।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার ক্ষেত্রে মুশফিক ভাই খুব সাহায্য করেছে। তিনি আমাকে ভাল গাইড করেছেন। আমি মাঠে অনুভব করেছি কেন সে বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন। মাঠে খেলার সময় এই জিনিসটা আমাকে খুব নাড়া দিয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওনার কিছু কিছু উপদেশ, গাইডেন্স এত ভাল ছিল, আমাকে ব্যাটিংয়ের সময় অনেক সাহায্য করেছে। ওনার সাহায্যটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল আমার ইনিংসে।’

bashundhora-20181111200912.jpg

রাশিয়া বিশ্বকাপ খেলা কোস্টারিকান ফরোয়ার্ড ডেনিয়েল কলিন্দ্রেসের হ্যাটট্রিক এবং সবুজ ও মতিন মিয়ার গোলে ফেডারেশন কাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে বসুন্ধরা কিংস ৫-১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করেছে বিজেএমসিকে। সে সুবাধে সেমিফাইনালে উঠে গেলো বসুন্ধরা। রোববার বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নবাগত দলটি কলিন্দ্রেসের যাদুতে ১৫ মিনিটেই ৩ গোলে এগিয়ে যায়।

ঢাকার ফুটবলে অভিষেক ম্যাচে নিজেকে চিনিয়েছিলেন কলিন্দ্রেস। মোহামেডানের বিপক্ষে করেছিলেন একটি গোল, করিয়েছিলেন আরো দুটি। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলা কোস্টারিকান ফরোয়ার্ড রীতিমতো জ্বলে উঠলেন কোয়ার্টার ফাইনালে। দ্বিতীয়, অষ্টম মিনিটে গোলের পর হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ১৫ মিনিটে। ফেডারেশন কাপে এটি দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। প্রথম হ্যাটট্রিক করেছলেন বিজেএমসির উজবেক মিডফিল্ডার ওটাবেক ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে।

কলিন্দ্রেসের ওই তিন গোলে প্রথমার্ধ শেষ করা বসুন্ধরা কিংস দ্বিতীয়ার্ধে করে আরো দুই গোল। জাতীয় দলের দুই ফরোয়ার্ড তৌহিদুল আলম সবুজ ও মতিন মিয়া গোল করেন দ্বিতীয়ার্ধে। বড় ব্যবধানের জয়েই ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে উঠলো বসুন্ধরা কিংস।

গোল না পেলেও এ ম্যাচে দুর্দান্ত খেলেছেন জাতীয় দলের মিডফিল্ডার মোহাম্মদ ইব্রাহিম। বসুন্ধরা কিংসের ৫ গোলের তিনটির উৎসই ছিলেন কক্সবাজারের এ তরুণ। বিজেএমসি পেনাল্টি গোলে ব্যবধান কমিয়েছে ৮৭ মিনিটে। গোল করেছেন নাইজেরিয়ান স্যামসন ইলিয়াসু।

hrsw.jpg

জিম্বাবুয়ের সাথে ঢাকা টেস্টে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ২৬ রানে তিন উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হক। মুশফিক ও মুমিনুল দুজনই সেঞ্চুরির দেখা পান। মুমিনুল ১৬১ রান করে আউট হন। মুশফিক ১১১ রান করে অপরাজিত আছেন। ১ম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান।

মুমিনুল আউট হবার পর ব্যাটিংয়ে আসেন তাইজুল। কিন্তু তাইজুল চার রান করে আউট হলে দলীয় অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ০ রানে অপরাজিত থেকে ১ম দিনের খেলা শেষ করেন।

এদিন, মুমিনুল হকের পর মুশফিকুর রহিমও সেঞ্চুরির দেখা পায়। এদিন মুশফিক তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ শতক তুলে নেন। মুশফিক ১৮৭ বল খেলে ৮ চারের সাহায্যে তার শতক পূরণ করেন। জিম্বাবুয়ের সাথে মুশফিকের এটি প্রথম সেঞ্চুরি।

তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে বিপর্যয় কাটিয়ে ভালো অবস্থানে নিয়ে যায় মুশফিক ও মুমিনুল। তাদের দুজনের ব্যাটে ভর করে ২০০রানের পার্টনারশিপ গড়ে এই জুটি। চতুর্থ উইকেটে ২০০ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ মুমিনুল ও মুশফিকের।

এর আগে রোববার (১১ নভেম্বর) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় সকাল ৯:৩০ মিনিটে। সরাসরি সম্প্রচার করছে বিটিভি এবং গাজী টিভি।

এদিন মুমিনুলের ব্যাট থেকে সেঞ্চুরি আসে। সিলেট টেস্টের পর তাকে নিয়ে ক্রিকেটপাড়ায় যখন সমালোচনা হচ্ছিলো ঠিক সেই সময় সঠিক জবাবটা দিলেন এই বাঁহাতি টাইগার ব্যাটসম্যান। জিম্বাবুয়ের সাথে ঢাকা টেস্টে তিনি সেঞ্চুরি তুলে নেন। জিম্বাবুয়ের সাথে এটি মুমিনুল হকের ২য় সেঞ্চুরি । ৩১ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি মুমিনুলের সপ্তম সেঞ্চুরি।মুমিনুল ১২টি চারের সাহায্যে ১৫৩ বল খেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।

দিনের প্রথম সেশনেই তিন উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে রিয়াদবাহিনী। সেই অবস্থা থেকে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ও বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মুমিনুল হক। এই জুটির উপর ভর করে বাংলাদেশের দলীয় রান শতক পূরণ হয়। মুমিনুল তার অর্ধশত পূরণ করেছেন।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন জিম্বাবুয়ে পেস বোলার কাইল জার্ভিস। ইনিংসের সপ্তম ওভারে জারভিসের বলে উইকেটরক্ষক চাকাভাকে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন ইমরুল কায়েস। তার একওভার পর সেই জারভিসের বলেই ব্যক্তিগত ৯ রানে আউট হন লিটন দাস।

ইনিংসের ১২তম ওভারে ডোনাল্ড তিরিপানোর বলে খোঁচা দিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুন। বিদায়ের আগে কোনো রান করতে পারেননি তিনি। দলীয় ২৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

সিলেটে প্রথম টেস্টে হেরে সিরিজ হারের শঙ্কায় রয়েছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে সিরিজ হার ঠেকাতে মিরপুর টেস্টে জয়ের বিকল্প নেই টাইগারদের সামনে।

এ ম্যাচে অভিষেক হয়েছে মিঠুন ও খালেদের। এছাড়া দলে ফিরেছেন সিলেট টেস্টে না খেলা মোস্তাফিজও। এ তিনজনকে জায়গা দিতে দল থেকে বাদ পড়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, নাজমুল ইসলাম অপু ও আবু জায়েদ রাহি।

tamimfdew.jpg

ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার মনোনয়নপত্র কেনার বিষয়ে ওপেনার তামিম ইকবাল বলেছেন, মনোনয়ন ফরম কেনার পর রাজনীতির মাঠে মাশরাফি একটি নতুন নাম। এটি তার নতুন পরিচয়। তবে রাজনীতিতে তার নতুন পরিচয় হলেও আমাদের কাছে তিনি শুধু অধিনায়কই হিসেবেই থাকবেন।

রোববার (১১ নভেম্বর) মিরপুরে একাডেমি মাঠে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেন, যেহেতু এটা ক্রিকেটের বাইরের একটা বিষয়। তাই এই বিষয়ে আমার কিছু না বলাই ভালো। তবে ড্রেসিংরুমে মাশরাফি বিন মর্তুজা আমার কাছে একজন অধিনায়ক। আমি তাকে সেই হিসাবেই দেখতে চাই।

মিরপুর টেস্ট নিয়ে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, প্রথম দুই ঘণ্টা উইকেট বেশ কঠিন ছিল। শুরুটা আমরা খুব একটা ভালো করতে পারিনি। তবে পরে মুশফিক আর মুমিনুল যেভাবে লড়াই করেছে সেটারই ফল দিন শেষে পেয়েছে তারা। আপনি দেখেন এখন উইকেট খুব সহজ হয়ে গেছে, রান আসছে। দিন শেষে এটাই টেস্ট ক্রিকেট। আপনি অনেকক্ষণ কষ্ট করবেন এবং একটা সময় তার ফল পাবেন।

তামিম আরও বলেন, মুমিনুলের জন্য আমি খুব খুশি। আমি জানি মুমিনুল কতটা কষ্ট করে। মুশফিক যে কষ্ট করে সেটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মুমনিুলের বিষয়টা সবাই জানে না। সে আসলেই অনেক কষ্ট করে। তার জন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব খুশি।

উল্লেখ্য, রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন মাশরাফি। সব ঠিক থাকলে আগামী ২৩ ডিসেম্বর দেশসেরা এই অধিনায়ক তার জন্মভূমি নড়াইল-২ আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোটের লড়াই করবেন।

dt008658.jpg

নিজেকে ফর্মে ফেরাতে এর চেয়ে আর সঠিক সময় পেতেন না মুমিনুল হক। টেস্ট ব্যাটসম্যানের তকমা গায়ে এঁটে, টেস্টটাই খারাপ খেলছিলেন তিনি। ৪ টেস্ট আর ৮ ইনিংস মিলিয়ে বলার মতো কোনো স্কোর ছিল না। কিন্তু সেই মুমিনুলই আজ মেরে দিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। এমন সময় সেঞ্চুরিটা পেলেন, যখন দলের অবস্থা ভীষণ বিপর্যয়কর। মুমিনুলের সঙ্গে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিমও। ৮ চারে ১৮৭ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিক।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। প্রথমে ইমরুল কায়েস। পরে লিটন দাস ও মোহাম্মদ মিঠুন। মহাবিপর্যয়! ব্যাট হাতে মুমিনুলের যে ফর্ম ছিল, তাতে তাঁর ওপরও খুব একটা ভরসা করতে পারছিলেন না কেউই। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি বেঁধে অসাধারণ একটা ইনিংসই খেললেন তিনি। চা বিরতির আগেই সেঞ্চুরি তুলে নেন মুমিনুল। চা বিরতির পর টেষ্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন মুশফিকুর রহিম (১০২*)। মুমিনুল (১৪৩*) ও তাঁর অবিচ্ছিন্ন ২৪০ রানের জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৬৬।

মুমিনুলের ইনিংসে বাউন্ডারি ১৭টি। তবে নিজের প্রথম ফিফটিটি তিনি তুলে নিয়েছিলেন ৯২ বলে। পরের ফিফটি তাঁর ৫৮ বলে। সেট হয়ে গেলে মুমিনুল কেমন, সেটি ভালোই বুঝেছেন জিম্বাবুইয়ান বোলাররা। তবে এই মুহূর্তে তাঁর উইকেটে টিকে থাকা খুবই জরুরি। শুরুতেই ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার প্রাথমিক ধাক্কা হয়তো এই সেঞ্চুরিতে সামাল দেওয়া গেছে, পাল্টা জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলতে এই ইনিংসকেও নিয়ে যেতে হবে অনেক দূর। মুমিনুল-মুশফিক মিলে সে কাজটা করতে পারলে সিলেটের দুঃস্বপ্নকে পেছনে ফেলার প্রাথমিক কাজটা হয়ে যায় বাংলাদেশের।সিলেট টেস্টের জুজু শুরুতে ঢাকাতেও তাড়া করেছে বাংলাদেশ দলকে। নয়তো যে মাঠ তাদের হাতের তালুর মতোই চেনা, সেখানে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে কেন সিলেটের রূপ দেখা গেল? ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর খুব দ্রুতই চলে গেল আরও ২ উইকেট।

দলীয় ১৩ রানে নিজের রানের খাতা না খুলেই প্রথম বিদায় নেন ইমরুল কায়েস। জার্ভিসের বলে চাকাভাকে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর ৯ রান করে নেই লিটস দাস। সেই জার্ভিসের বলেই ব্রেন্ডন মাভুতার হাতে তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি। অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনও রানের খাতা খুলতে পারেননি। ডোনাল্ড তিরিপান্নোর বলে ব্রেন্ডন টেলরকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।মুমিনুল-মুশফিকের জুটিটাও থাকত না। প্রথমে জীবন পান মুমিনুল। চাতারার বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে চারসি ফেলে দেন তাঁর ক্যাচ। তিরিপান্নোর বলে মুশফিকও বেঁচে যায় স্লিপের সামনে বল পড়ায়। তবে প্রাথমিক চাপটাকে পেছনে ফেলে মুমিনুল-মুশফিক নিজেদের খেলাটা খেললেন দারুণভাবেই।

জিম্বাবুয়ের কাইল জার্ভিস ১৩ ওভার বল করে ৪০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। চাতারা ১১ ওভারে দিয়েছেন ৭ মেডেন। ১৬ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। আসলে উইকেট বুঝে ঠিক জায়গামতো বোলিং করার ফলটা জিম্বাবুয়ে আজ প্রথম সেশনে ভালোভাবেই পেয়েছে। আর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নিজেদের বলি দিয়েছেন বাজে শট বাছাইয়ের মাধ্যমেই।

dt008653.jpg

২৬ রানেই পড়ে গিয়েছিল ৩ উইকেট। ঢাকা টেস্টে বিপর্যয়কর অবস্থা। কিন্তু সে অবস্থা থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন মুমিনুল হক ও মুশফিকুর রহিম। এই প্রতিবেদন লেখার সময় এই দুই ব্যাটসম্যানের ১৬৫ রানের জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৯১। মুমিনুল পেয়েছেন টেস্টে তাঁর সপ্তম সেঞ্চুরি। ১০২ রানে অপরাজিত তিনি। মুশফিক অপরাজিত ৬৭ রানে। ব্যাট হাতে বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া মুমিনুল শতরানের ইনিংস খেললেন ৮ ইনিংস আর ৪ টেস্ট পর। খেললেন এমন একটা সময় যখন দলের খুব খারাপ অবস্থা।

মুশফিক এখনো পর্যন্ত খেলেছেন ১২৪ বল আর মুমিনুল সেঞ্চুরি করেছেন ১৫৩ বল খেলে। দলকে ভালো অবস্থানে নিতে এই দুই ব্যাটসম্যানের বড় ইনিংস খেলাটা খুবই প্রয়োজন। তাঁরা কি পারবেন?

সিলেট টেস্টের জুজু ঢাকাতেও তাড়া করেছে বাংলাদেশ দলকে। নয়তো যে মাঠ তাদের হাতের তালুর মতোই চেনা, সেখানে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে কেন সিলেটের রূপ দেখা গেল? ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর খুব দ্রুতই নেই আরও দুই উইকেট।

দলীয় ১৩ রানে নিজের রানের খাতা না খুলেই প্রথম বিদায় নেন ইমরুল কায়েস। জার্ভিসের বলে চাকাভাকে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর ৯ রান করে নেই লিটস দাস। সেই জার্ভিসের বলেই ব্রেন্ডন মাভুতার হাতে তুলে দিয়ে বিদায় নেন তিনি। অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনও রানের খাতা খুলতে পারেননি। ডোনাল্ড তিরিপান্নোর বলে ব্রেন্ডন টেলরকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।

মুমিনুল-মুশফিকের জুটিটাও থাকত না। প্রথমে জীবন পান মুমিনুল। চাতারার বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে চারসি ফেলে দেন তাঁর ক্যাচ। তিরিপান্নোর বলে মুশফিকও বেঁচে যায় স্লিপের সামনে বল পড়ায়।

কাইল জার্ভিস দুর্দান্ত বল করেছেন। ১৩ ওভার বল করে ৩ মেডেনে ৪০ রান দিয়ে তিনি তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। তেন্দাই চাতারা ৯ ওভারে দিয়েছেন মাত্র ৯ রান। দিয়েছেন ৭ মেডেন! ডোনাল্ড তিরিপান্নোও দুর্দান্ত। ২ মেডেনে ২২ রানে ১ উইকেট তাঁর। আসলে উইকেট বুঝে ঠিক জায়গামতো বোলিং করার ফলটা জিম্বাবুয়ে আজ প্রথম সেশনে ভালোভাবেই পেয়েছে। আর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা নিজেদের বলি দিয়েছেন বাজে শট বাছাইয়ের মাধ্যমেই।

dt008648.jpg

মিরপুর টেস্টের প্রথম ঘণ্টায়ই টপ অর্ডারের ৩ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। দলীয় রান তখন ২৬। রোববার দ্বিতীয় টেস্টের শুরুর দিনই যেন সিলেটের স্মৃতি উঁকি দিচ্ছিল। দলের এই ব্যাটিং বিপর্যয়ে এসে হাল ধরেন মুফিকুর রহীম, সঙ্গী মুমিনুল হক। দুইজনের অবিচ্ছন্ন জুটিতে লাঞ্চ থেকে ফিরেই শতরানের কোটা পার করেছে বাংলাদেশ।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৬.১ ওভারে ৩ উইকেটে ১০১ রান। ব্যাট করছেন মুমিনুল হক (৪৪*) ও মুশফিকুর রহীম (৩৬*)।

মিরপুরের উইকেট নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন দুই দলের অধিনায়কই। কিন্তু সেই রহস্যে প্রথম হাসিটা হাসলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজাই। দিনের প্রথম সেশনেই তাকে বাংলাদেশের ৩ উইকেট উপহার দিয়েছেন দুই পেসার কাইল জার্ভিস ও ডোনাল্ড তিরিপানো মিলে।

বাংলাদেশের দলীয় রান যখন ১৩ তখনই প্রথম আঘাত হানেন জার্ভিস। ইমরুল কায়েসকে এদিন রানের খাতাই খুলতে দিলেন না তিনি। উইকেট কিপার রেগিস চাকাভার তালুবন্দী করেন তিনি এই বাঁ-হাতি ওপেনারকে।

এর পরের ওভারে এসে অন্য ওপেনার লিটন দাসকে ব্র্যানডন মাভুতার তালুবন্দী করে সাজঘরে ফেরান। দলীয় ১৬ রান লিটন ফিরেন ব্যক্তিগত ৯ রান করে। এরপর ডোনাল্ড ত্রিরিপানোর বলে ব্রেনডন টেইলকে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন অভিষিক্ত মোহাম্মদ মিঠুনও (০)।

তবে এই ব্যাটিং বিপর্যয়ের ধংসস্তুপে দাঁড়িয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিক। সঙ্গে দেশের টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান মুমিনুল। দুইজনের জুটি অবিচ্ছিন্ন আছে ৭৫ রানে।

dt008644.jpg

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ।

জীবন পেলেন মুমিনুল

বাংলাদেশের বিপদ বাড়তে পারত আরও। কিন্তু মুমিনুল হকের ক্যাচ নিতে পারেননি ব্রায়ান চারি।

সুযোগটি যদিও কঠিন ছিল বেশ। টেন্ডাই চাটারার বলে কাট করেছিলেন মুমিনুল। বল দ্রুতগতিতে ছুটছিল পয়েন্ট ফিল্ডারের মাথার ওপর দিয়ে। ব্রায়ান চারি বলে হাত ছোঁয়ালেও জমাতে পারেননি মুঠোয়। মুমিনুল বেঁচে গেলেন ৯ রানে।

অভিষেকে মিঠুনের শূন্য

বাজে এক শটে টেস্টে অভিষেকে শূন্য রানে ফিরলেন মোহাম্মদ মিঠুন। একাদশে ফেরা পেসার ডোনাল্ড টিরিপানোর অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে মাঝ ব্যাটে খেলতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ব্যাটের কানায় লেগে দ্বিতীয় স্লিপে ধরা পড়েন ব্রেন্ডন টেইলরের হাতে।

২৬ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ক্রিজে মুমিনুল হকের সঙ্গী মুশফিকুর রহিম।

আলগা শটে লিটনের বিদায়

শুরুটা সাবধানে পার করলেও লিটন আউট হলেন আলগা শটে। বাংলাদেশ হারাল আরেক ওপেনারকেও। কাইল জার্ভিস ধরলেন দ্বিতীয় শিকার।

লেগ-মিডলে থাকা বলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি লিটন। প্রিয় ফ্লিক শট খেললেন একটু শক্ত হাতে। বল সোজা চলে গেল মিড উইকেটে ব্র্যান্ডন মাভুটার হাতে।

সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসের মতো এবারও লিটন ফিরলেন ঠিক ৯ রানে। বাংলাদেশ ২ উইকেটে ১৬।

নড়বড়ে ইমরুলকে ফেরালেন জার্ভিস

শুরুতেই ভেঙেছে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি। ইমরুল কায়েসকে ফিরিয়ে দিয়েছেন কাইল জার্ভিস।

১৬ বল খেলে রানের খাতা খুলতে পারেননি বাঁহাতি ওপেনার। ভুগছিলেন শুরু থেকেই। মাঝ ব্যাটে খেলতে পারছিলেন খুব কমই। ক্রিজে আধ ঘণ্টা কাটিয়েও হতে পারেননি স্বচ্ছন্দ। স্টাম্পের বল ডিফেন্স করতে গিয়ে ক্যাচ দেন কিপারকে। ঝাঁপিয়ে বল গ্লাভসে নেন রেজিস চাকভা।

১৩ রানে বাংলাদেশ হারায় প্রথম উইকেট। ক্রিজে লিটন দাসের সঙ্গী মুমিনুল হক।

রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন লিটন

তৃতীয় ওভারে কাইল জার্ভিসের বলে লিটন দাসের খোঁচা একটুর জন্য ব্যাটের কানায় লাগেনি। তবে বোলার-ফিল্ডারদের কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদনে একটু সময় নিয়ে সাড়া দেন আম্পায়ার। সাথে সাথেই রিভিউ নেন লিটন।

রিপ্লেতে বোঝা যায় বলে লাগেনি ব্যাট, নিশ্চিত করে আল্ট্রাএজও। পাল্টায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত, বেঁচে যান লিটন। সে সময় শূন্য রানে ছিলেন ডান হাতি এই ওপেনার।

বাংলাদেশ দলে তিন পরিবর্তন

সিলেটে ১৫১ রানে হারা বাংলাদেশ দলে এসেছে তিনটি পরিবর্তন। অভিষেক হচ্ছে সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও মোহাম্মদ মিঠুনের। একাদশে ফিরেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ টেস্ট খেলেছিলেন বাঁহাতি এই পেসার।

বাদ পড়েছেন পেসার আবু জায়েদ চৌধুরী, বাঁহাতি ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত ও বাঁহাতি স্পিনার নাজমুল ইসলাম অপু।

প্রথম টেস্টে এক পেসার নিয়ে খেলা বাংলাদেশ ফিরেছে দুই পেসারে। মুস্তাফিজের সঙ্গী অভিষিক্ত খালেদ। স্পিন আক্রমণে আগের ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলামের সঙ্গী অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।

বাংলাদেশ: মাহমুদউল্লাহ, ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আরিফুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, মুস্তাফিজুর রহমান।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ নিয়েছেন ব্যাটিং।

‘১২০ ভাগ’ দিয়ে ফিরে আসার প্রত্যয় বাংলাদেশের

সিলেট টেস্টে অভাবনীয় জয়ে এগিয়ে যাওয়া জিম্বাবুয়ের চোখে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন। ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে তাদের বিপক্ষে সিরিজে হার এড়াতে প্রাণপণে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেন মাহমুদউল্লাহ। বাঁচা-মরার লড়াই ১২০ ভাগ দিয়ে খেলার প্রত্যয় শোনালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে সকাল সাড়ে নয়টায়।

সিরিজ শুরুর আগে যা ছিল আবহ, তাতে এই টেস্ট হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের ম্যাচ। কিন্তু সিলেটের অভিষেক টেস্ট বদলে দিয়েছে সব হিসাব। বাংলাদেশের সামনেই এখন হোয়াইটওয়াশড হওয়ার শঙ্কা। সিরিজ বাঁচাতে জয়ের বিকল্প নেই। সিলেট টেস্টের ভুল সংশোধন করে মিরপুরে জয়ের সন্ধানে স্টিভ রোডসের শিষ্যরা।

devx.jpg

বাংলাদেশের সামনে মিরপুর টেস্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জের। এই টেস্টে হারা যাবে না। আবার ড্রও করা যাবে না। হারলে তো একেবারে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা। ড্র করলেও সিরিজ হার ঠেকানো যাবে না। তাই বাংলাদেশের সামনে জয়ের কোনো বিকল্প নেই।

শীত আসতে শুরু করেছে। সকালের দিকে কুয়াশা পড়ছে। এমন কণ্ডিশনে শুরুর দিকে ব্যাটিং করা কঠিন হয়ে পড়ে। আর সে কারণেই টস একটা বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে। সিলেট টেস্টের ফল এসেছে চতুর্থ দিনে। কিন্তু বাংলাদেশ আসলে হেরে গেছে প্রথম দুই দিনেই। এই টেস্ট জিতে সিরিজ বাঁচাতে না পারলে সেটি হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বড় এক ধাক্কা।

বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলছেন, ‘মাঠে গিয়ে ভালো খেলাটাই মূল লক্ষ্য। সেটা যদি আপনি করতে না পারেন, তাহলে ভীষণ খারাপ লাগবে, আপনি দেশের হয়ে ভালো করতে পারছেন না। এটা সবাইকে অনেক পীড়া দেয়। আমাদের এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থা। আমাদের ভালোভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এখানে অন্য কোনো সুযোগ নেই।’

সিলেট টেস্টে বাজেভাবে হেরে হতাশ হয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিকে কিভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয় তা জানা আছে মাহমুদউল্লাহর, ‘সিলেট টেস্টের পর আমরা সব খেলোয়াড় এক জায়গায় বসেছিলাম। ওই টেস্টে কী কী ইতিবাচক দিক ছিল, কোথায় খারাপ করেছি, যেগুলো পরের ম্যাচে করা যাবে না, সেগুলো চিহ্নিত করেছি। কিছু জায়গায় যদি শক্ত থাকতে পারি, তাহলে আমরা ভালো করতে পারব। আমাদের আসল চিন্তার জায়গা ব্যাটিং। এই জায়গায় আমরা অন্য সংস্করণে যত ভালো করতে পারছি, টেস্ট ক্রিকেটে তত ভালো করতে পারছি না। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় চিন্তার জায়গা। আবার আমরা যদি খুব বেশি চিন্তা করি তাহলে চাপটা আমাদের ওপরই পড়বে। আমাদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলতে হবে।’

বাংলাদেশের বাঁচা-মরার লড়াই। হারা কিংবা ড্র কোনোটাই করা যাবে না। সিরিজ বাঁচাতে একমাত্র জয়-ই চাই বাংলাদেশের। আর এ লড়াইয়ে জিততে হলে মাহমুদউল্লাহ মনে করেন ১০০ শতাংশের বেশিই দিতে হবে, ‘সবার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের জায়গা থাকে। খেলোয়াড়েরা নিজ থেকে চিন্তা করে, দলও চিন্তা করে। আমরা হৃদয় দিয়ে খেলি। যে তাঁর দেশের জন্য খেলে, সব সময় ১০০ ভাগ দিয়েই খেলে। তবে এই টেস্টে আমরা ১২০ ভাগ দিয়ে খেলব।’ দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দলের জন্য এ ছাড়া আর কোনো উপায়ও নেই।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter