প্রচ্ছদ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলে ত্রুটির অভিযোগ তুলে পুনরায় ফল পুর্নমূল্যায়নের জন্য স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ। রোববার (১১ এপ্রিল) দুপুরে স্মারকলিপি জমা দেন তারা।

গত ২ এপ্রিল সারা দেশে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্নে একযোগে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় ফল প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত ফলে অসংগতির অভিযোগ তুলেছেন পরীক্ষার্থীদের একাংশ।

তারা বলছেন, পরীক্ষা শেষে পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে প্রশ্নের উত্তর মিলিয়ে যে নম্বর প্রত্যাশা করেছিলেন, প্রকাশিত ফলাফলের সঙ্গে সেটির ব্যবধান অনেক। তাই প্রকাশিত ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ফলাফল ও মেধাক্রম প্রকাশ করার দাবি জানান তারা। পরীক্ষার ফলে অসংগতির কথা জানান ১ হাজার ৩২৩ জন অভিযোগকারী। তাদের তৈরিকৃত একটি সার্ভে ডেটাশিট থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

চার দফা দাবিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেনকে আজ স্মারকলিপি দেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের দাবিগুলো হলো- মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রতিটি সেট প্রশ্নের পুনঃযাচাই করে প্রতিটি উত্তরপত্র পুনরায় স্বচ্ছতার সঙ্গে যাচাই করতে হবে, যে সমাধান দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়েছে, তার সাথে অভিযোগকারীদের মধ্য থেকে ১০০ জনের উত্তরপত্র একজন নিরপেক্ষ প্রতিনিধির প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে স্বহস্তে যাচাই করতে হবে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সমাধানের ব্যাখ্যাসহ পুর্ণাঙ্গরূপে প্রশ্নপত্রের উত্তর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে এবং ইতোমধ্যে যে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে তা স্থগিত করে পুনরায় ফলাফল ও মেধাক্রম প্রকাশ করতে হবে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এক দিন পরে ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং এই ফলাফলে দেখা দেয় বড় রকমের অসংগতি। যেখানে একজন পরীক্ষার্থীর ৭০-৭৫ নম্বর পাওয়ার কথা ছিল সেখানে ফল আসে ৬০-৬৫ নম্বর। এমনকি কোথাও আরও কম। অর্থাৎ প্রায় ১০-১৫ নম্বরের অসংগতি। এটা শুধু হাতে গোনা কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গেই ঘটেনি। বরং প্রায় সহস্রাধিক পরীক্ষার্থী এই অসংগতির শিকার। আর এর মধ্যে সিংহভাগই বিগত শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষার্থী।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, নিয়ম অনুযায়ী কোথাও কোনও মেডিকেলে ভর্তি থাকা অবস্থায় কেউ যদি দ্বিতীয় বার ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার ৭.৫ নম্বর কর্তন হবার কথা। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই তা ঘটেনি। শুধু ৫ নম্বর কর্তন হয়েছে এবং ২ দশমিক ৫ নম্বর বেশি দিয়ে মেধাক্রম এসেছে। এই অসংগতির কারণে যোগ্যরা বঞ্চিত হয়েছে।

ফল পুর্নমূল্যায়নের আন্দোলনের সমন্বয়কারী এসএম রাসেল সিদ্দিকী বলেন, অনেক শিক্ষার্থী ফলাফলে অসংগতি পেয়েছে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। তিনি বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।

ফল পুর্নমূল্যায়নের ধাপ সম্পন্ন হলে পরবর্তীতে প্রয়োজনে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে জানান তিনি।

biman-.jpg

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সাত দিনের ‘সর্বাত্মক’ লকডাউনে সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

রোববার বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, লকডাউনের কারণে এক সপ্তাহের জন্য (১৪ থেকে ২০ এপ্রিল) সব ডমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। তবে কার্গো ফ্লাইট চালু থাকবে। বিশেষ কোনো ফ্লাইট থাকলে সেটা পরিচালনা করতে কোনো বাধা নেই।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ বাড়লে গত ৩ এপ্রিল থেকে যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের সব দেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

ইউরোপের দেশগুলো ছাড়াও আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, ব্রাজিল, চিলি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পেরু, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক ও উরুগুয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট বন্ধ।

lockdown4.jpg

করোনা সংক্রমণের রোধে আগামী বুধবার থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। লকডাউন শুরুর খবরে ইতোমধ্যে রাজধানী ছাড়ছে অনেকেই। সরকারও লকডাউন সফল করতে কাজ শুরু করেছে। গত বছরের ন্যায় এবারও ৬৪ জেলায় ৬৪ জন সচিবকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তরা সচিবরা নিজ নিজ জেলার রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

করোনা সংক্রমণ রোধে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম সুষ্ঠু সমন্বয়ের জন্য জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব ও সচিব পদমর্যাদার ৬৪ কর্মকর্তাকে ৬৪ জেলার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবরা সমন্বয় কাজে তার মন্ত্রণালয় বা সংস্থার উপযুক্তসংখ্যক কর্মকর্তাকে সম্পৃক্ত করতে পারবেন। এর বাইরে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করে কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

এদিকে সর্বাত্মক লকডাউন শুরুর খবরে ঢাকা ছাড়ছে অনেকেই। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকলেও তারা নানা উপায়ে তারা বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকের পর লকডাউনের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কথা রয়েছে। তবে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলে সেটি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আর সেটিও আজ জানা যাবে।

অন্যদিকে সর্বাত্মক এই লকডাউনের জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত বন্ধ থাকবে। তবে ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, গণমাধ্যম, মানুষ ও প্রাণীর খাদ্যপণ্য সরবরাহকারী যানবাহনগুলো নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হবে। এছাড়া ব্যাংক, কাঁচাবাজার ও নিত্যপণ্যের দোকান নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খোলা থাকবে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ২৬ মার্চ থেকে কয়েক দফার মেয়াদ বাড়িয়ে টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। আর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ২৯ মার্চ থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার। মূলত এই নির্দেশনায় কোনো ফল দেয়নি। তাই এই কঠোর বিধি-নিষেধ জারি করছে সরকার।

আজ বিকেল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি ভার্চুয়াল বৈঠক হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। সূত্রটি জানায়, বৈঠকে সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা লকডাউনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব দেবেন। প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

লকডাউনে কী কী খোলা থাকতে পারে- জানতে চাইলে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তারা এক কর্মকর্তা বলেন, দেশের মানুষের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে শুধু ছাড় থাকবে।

গত ৪ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারির পর সেটা দুই দফায় শিথিল করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশের সিটিগুলো অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চালু রাখা। তবে দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ রাখা হয়েছে। আর সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকরের আগে সোমবার ও মঙ্গলবার দূরপাল্লার বাস চলবে কি না সেটা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ সূত্র জানায়, সড়কমন্ত্রী তার সর্বশেষ ঘোষণায় বলেছেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকবে। তাই সরকারের পক্ষ থেকে যদি দূরপাল্লার বাস চলার অনুমতি না আসে তাহলে বাস চলাচল বন্ধই থাকবে।

Dhaka-city-2.jpg

দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এরইমধ্যে শনাক্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শনিবার দুপুরেও ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭৭ জনের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ হাজার ৩৪৩ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। হঠাৎ করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে সরকার।

এদিকে শনিবার (১০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) তথ্য মতে, রাজধানীর দুটি এলাকায় সর্বাধিক সংক্রমণের তথ্য পাওয়া গেছে। এলাকা দুটি হলো মিরপুরের রূপনগর এবং মোহাম্মদপুরের আদাবর।

আইইডিসিআর বলছে, ওই দুই থানা এলাকা এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া আরও ১৭টি থানা এলাকায় করোনা শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের উপরে।

আইইডিসিআর জানায়, গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৪ হাজার ৩৩২টি পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১০৩ জন। শনাক্তের হার ৩৬ শতাংশ। অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩৬ হাজার ৭৭১টি পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৮৪৩ জন। শনাক্তের হার ২৯ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ঢাকায় রূপনগর থানা এবং আদাবর থানা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ থানা। রূপনগরে শনাক্তের হার ৪৬ শতাংশ এবং আদাবরে ৪৪ শতাংশ।

আইইডিসিআর’র কর্মকর্তারা জানান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আরও জানা যায়, ঢাকার আরও ১৭টি থানার করোনা শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের ওপর অবস্থান করছে। ২৩টি থানায় ২০ শতাংশের ওপরে এবং ৭টি থানায় ১১ শতাংশের ওপরে শনাক্তের হার আছে।

১১ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে আছে তেজগাঁও, উত্তরা পশ্চিম থানা, ভাসানটেক, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এবং বিমানবন্দর থানা এলাকা।

২১ থেকে ৩০ শতাংশের মধ্যে আছে শাহবাগ, বংশাল, লালবাগ, শাহজাহানপুর, রমনা, কামরাঙ্গীরচর, শ্যামপুর, বাড্ডা, বনানী, উত্তরখান, শেরে বাংলা নগর, সূত্রাপুর, যাত্রাবাড়ী, পল্লবী, কাফরুল, ডেমরা, ওয়ারী, ভাটারা, দক্ষিণ খান, খিলক্ষেত, কদমতলি, উত্তরা পূর্ব থানা, পল্টন থানা এলাকা।

৩০ শতাংশের ওপরে আছে রূপনগর, আদাবর, শাহ আলী, রামপুরা, তুরাগ, মিরপুর, কলাবাগান, মোহাম্মদপুর, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, চকবাজার, সবুজবাগ, মতিঝিল, দারুসসালাম, খিলগাঁও।

কঠোর লকডাউনের আগে বৈশাখ আর ঈদের কেনাকাটার হিড়িক পড়েছে রাজধানীর বিপণিবিতান ও শপিংমলগুলোতে। ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণে দিন দিন দেশের করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলেও তা যেন নাড়া দিচ্ছে না সাধারণ মানুষকে। ভিড় ঠেলে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে বিভিন্ন দোকানে ছুটছেন ক্রেতারা। মুখে মাস্ক থাকলেও উধাও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনার প্রবণতা।

গাদাগাদি করে কার আগে কে কিনবেন পছন্দের পোশাক বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী, চলছে যেন তারই প্রতিযোগিতা। শপিংমল খোলার দ্বিতীয় দিনে শনিবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকেই নিউমার্কেট এলাকার ফুটপাত ও বিপণিবিতানে বাড়তে থাকে ক্রেতাসমাগম।

সময় যত গড়িয়েছে ক্রেতার চাপে ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যবিধি। মার্কেটের প্রবেশপথে জীবাণুনাশক টানেল থাকলেও তা ব্যবহারে চরম অনীহা দেখা যায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের। আবার বিপণিবিতানের ভেতরে মাস্ক ছাড়া দেখা যায় বিক্রয় কর্মীদেরও। ক্রেতাদের অনেকেরই দাবি, অনেকটা বাধ্য হয়ে এসেছেন কেনাকাটা করতে।

এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণ রোধে ১৪ তারিখ থেকে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বিক্রেতাদের মধ্যে।

এর আগে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিপণিবিতান খোলার অনুমতি দেয় সরকার।

শুক্রবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থেকে ৭ দিন পরিপূর্ণভাবে কার্যকর করা হবে লকডাউন। লকডাউনের বিষয়ে আগামী রোববার (১১ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এবারের লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ১৪ দিনের লকডাউনের সুপারিশ করেছে।

corona24.jpg

দেশে করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে; যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। ২৬ হাজার ৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করে এই সময়ের মধ্যে ৫ হাজার ৩৪৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে মোট ৯ হাজার ৬৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৭ জন হয়েছে। শনাক্তের হার ২০.৪৯ শতাংশ।

এর আগে ৮ এপ্রিল ৭৪ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয় যা একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ছিল। আজ সেই রেকর্ড ভাঙল।

গত ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৮৩৭ জন। তাদের নিয়ে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭২ হাজার ৩৭৮ জন।

দেশে প্রথম কভিড-১৯ সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ; মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ।

আজ ১০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। ১৯৭১ সালের এদিনে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করেন ‘মুজিব নগর’। সেই থেকে কলকাতায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার ‘মুজিবনগর’ সরকার নামে পরিচিত হয়। এই সরকারের নেতৃত্বে পুরো মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার আগে ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। পরে একই বছরের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। একই সাথে প্রবাসী সরকারের এক অধ্যাদেশে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়।

সদ্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, ১০ এপ্রিল পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়ে প্রবাসী সরকার গঠন করেন।

এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) নির্বাচিত করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম পরে তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।

মন্ত্রী সভার অন্য সদস্যরা হলেন, এম মনসুর আলী (অর্থ বাণিজ্য ও শিল্প) এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি)। পরবর্তি সময়ে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভার সবচেয়ে ঘৃনিত ব্যক্তি খন্দকার মোশতাক আহমদও (পররাষ্ট্র , আইন ও সংসদ) মন্ত্রী সভার সদস্য ছিলেন।

১০ এপ্রিল সরকার গঠনের পর ১১ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাজউদ্দিন আহমদ একটি বেতার ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি দেশব্যাপী পরিচালিত প্রতিরোধ যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন।

এছাড়াও ১৭ এপ্রিল মন্ত্রী সভার শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয়। মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী গ্রাম বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ গ্রহণের পরই তাজউদ্দিন আহমদ এ স্থানের নাম দেন ‘মুজিবনগর’। পরবর্তী সময়ে প্রবাসী সরকার মুজিবনগর সরকার হিসেবেই পরিচিতি লাভ করে।

এদিকে ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকারের মন্ত্রীরা শপথ নিলেও ১৮ এপ্রিল মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সভায় মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন করা হয়। মুজিবনগর সরকারের সফল নেতৃত্বে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

শুধু তই নয়, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের এই প্রথম সরকারের কুটনৈতিক প্রচেষ্টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। এর আগে ভারত এবং ভুটান এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়।

PM5c.jpg

সরকার দেশের উন্নয়ন করতে চায় এবং সেজন্য আরো বেশি জ্বালানি প্রয়োজন বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) তার সরকারি বাসভবনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরির সাথে সাক্ষাৎকালে তিনি এসব বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আমাদের দেশের উন্নয়ন চাই। তাই আমাদের জ্বালানি প্রয়োজন।

পরে, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উৎস হিসেবে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আরও বেশি জ্বালানি উৎপাদনের ওপর জোর দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কেবল একটি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। এখন আমরা নেপাল, ভুটান এবং ভারতের সাথে আঞ্চলিক ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক বা ত্রিপাক্ষিক উদ্যোগের মাধ্যমে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আলোচনা করছি। দেশে প্রায় ৫৮ লাখ সৌর সংযোগ রয়েছে। কৃষিক্ষেত্রেও সেচের জন্য সৌরশক্তি প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যারিস চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্তের আন্তরিক প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন কূটনীতিতে এটি নতুন মাত্রা সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশ নিজস্ব সম্পদ দিয়ে তহবিল তৈরির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পরিকল্পনা অনুযায়ী কর্মসূচি শুরু করেছে।

তিনি ২২ এপ্রিল শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান।

সম্মেলনে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণটি গ্রহণ করার জন্য জন কেরি প্রধানমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানান।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার উপস্থিত ছিলেন।

lockdown4.jpg

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। এ সময় জরুরি সেবা ছাড়া, অফিস-আদালত-কলকারখানা সবকিছু বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সর্বাত্মক লকডাউন নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সর্বাত্মক লকডাউন বলতে যে চিন্তাটি করা হয়েছে সেটা হলো শুধু জরুরি সেবা ছাড়া আর কোনো কিছুই চলবে না। এখন যেমন কিছু কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে, সেটি হয়তো তখন আর করা হবে না।

বর্তমানে যে লকডাউন চলছে, সেখানে সব ধরনের গণপরিবহন চলছে। বাজার, শপিংমল খোলা হয়েছে। অফিস-আদালত, ব্যাংক, বিমা সবকিছুই খোলা। বেসরকারি খাতের সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে শিল্প-কলকারখানা।

তবে ওষুধের দোকান, নিত্যপণ্যের দোকান জরুরি সেবার মধ্যেই পড়ে। তাই এগুলো সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা রাখা হবে।

তবে নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে। আর সরকারের অন্যান্য জরুরি সেবা হলো বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, স্বাস্থ্য, ত্রাণ বিতরণ, স্থলবন্দর, ইন্টারনেট, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনা-নেওয়া ও এর সঙ্গে জড়িত অফিসগুলো।

pm74d.jpg

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবদানের জন্য শেখ হাসিনা এই স্বীকৃতি পাবেন।

শুক্রবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২২-২৩ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট জোসেফ বাইডেনের ‘লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেট’-এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জন কেরির শুক্রবারের এই ঢাকা সফর। যেখানে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর নেতা হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষ স্বীকৃতি পাবেন।

এদিকে জন কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভালনারেবল ফোরাম প্রেসিডেন্সির বিশেষ দূত আবুল কালাম আজাদ, সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

ক্লাইমেট ভালনারেবণ ফোরাম ও ভালনারেবল টুয়েন্টি গ্রুপ অব ফাইন্যান্সের মিনিস্টার্সের চেয়ার হিসাবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জলবায়ুর ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ও সহনশীলতা অর্জনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জলবায়ু অর্তায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একটি গোলটেবিলেও অংশ নেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিশেষ দূত। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার তার সরকারি বাসভবনে এই আলোচনার আয়োজন করেন।

জলবায়ু সংকট রোধে প্রশমন ও অভিযোজনকে সহায়তা দিতে এবং সমৃদ্ধিকে সমর্থন জোগাতে যে বিনিয়োগ দরকার, তা সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবে কাজ করবে বলে জানান ঢাকায় সফররত জন কেরি।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

Newsletter