প্রচ্ছদ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Sifat-Sipra.jpg

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে প্রত্যেকটি সত্য তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন শিপ্রা দেবনাথ।

এ সময় শিপ্রা দেবনাথ বলেন, হঠাৎ করে সব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো ঘটে যাওয়ায় আমরা ট্রমাটাইজড।

আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, যে অন্যায়টা হয়েছে; দেশবাসী সবসময় আমাদের সঙ্গে ছিলেন। আমরা তাদের উদ্দেশে বলব- ‘প্লিজ, প্রে ফর আস।

সিফাত এবং আমি আপনাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন, পাশে থাকবেন। আপাতত এতটুকুই বলার আছে।

আমরা প্রত্যেকটা কথা বলব। প্রত্যেকটা সত্যি বলব। একটু সময় দেন। প্রচুর গুজব শোনা যাচ্ছে। আমরা বিভ্রান্তিমূলক নিউজ চাই না।

এদিকে সাহেদুল ইসলাম সিফাত বলেন, মানসিকভাবে শারীরিকভাবে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি।

একটা গুজব ছড়িয়েছিল যে হয়তো আমার পায়ে গুলি লেগেছিল। আসলে এ রকম কিছু হয়নি। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ আছি।

আশা করি সুষ্ঠু তদন্ত হবে। সুষ্ঠু বিচার হবে। আর তো কিছু চাওয়ার নাই। আর যিনি চলে গেছেন তাকে তো আর ফেরানো যাবে না।

প্রসঙ্গত, ঈদের আগের রাতে (৩১ জুলাই) কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ রোডে টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সাহেদুল ইসলাম সিফাত। ভ্রমণ বিষয়ক তথ্যচিত্র নির্মাণের জন্য মেজর (অব.) সিনহা, শিপ্রা, সিফাত ও তাসকিন ৩ জুলাই থেকে কক্সবাজারে অবস্থান করছিলেন।

rab-229054.jpg

টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের নিহত হওয়ার ঘটনায় শিপ্রা দেবনাথ তদন্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে ‘স্পর্শকাতর তথ্য’ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার রাজধানীতে র‍্যাব সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ কথা জানিয়েছেন বাহিনীটির পরিচালক (আইন ও মিডিয়া) লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ। তবে ‘স্পর্শকাতর তথ্যের’ ব্যাপারে আর কিছু জানাননি তিনি।

তিনি বলেন, ‘তিনি (শিপ্রা) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি বলেছেন, তা হচ্ছে, তিনি ন্যায়বিচার পেতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করবেন।’

কক্সবাজারের রামু থানায় পুলিশের দায়ের করা মাদক মামলায় রবিবার জামিন পেয়েছেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথ ।

র‍্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে শিপ্রা ও স্ট্যামফোর্ডের আরেক শিক্ষার্থী শাহেদুল ইসলাম সিফাতের সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে কথা বলছেন।

তারা এখনও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায়, তদন্তকারীরা তাদের সঙ্গে আরও সময় নিয়ে কথা বলবেন বলে জানান র‍্যাব কর্মকর্তা আশিক বিল্লাহ।

আজ দুপুর সোয়া দুইটার দিকে কক্সবাজার আদালত পৃথক দুটি মামলায় জামিন মঞ্জুরের পর সিফাত কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।

স্টামফোর্ডের শিক্ষার্থী সিফাত, শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নূর ‘জাস্ট গো’ নামে একটি ভ্রমণের ভিডিওচিত্র ধারণ করতে কক্সবাজারে ছিলেন।

নিহত মেজর (অব.) সিনহার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য তারা এটি নির্মাণ করছিলেন।

 

pm-211731.jpg

ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি বন্যা হলে সেটা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সংশ্নিষ্ট সবাইকে প্রস্তুত ও সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একই সঙ্গে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মানুষকে মাস্ক পরতে বাধ্য করা এবং এ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় মাঠ প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

সোমবার গণভবনে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল বৈঠকে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী ও সচিবরা অংশ নেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০২০-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে স্বাক্ষরের দ্বৈত করারোপ পরিহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রিসভা বৈঠকে বন্যা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি নিয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে। গত কয়েকদিন থেকে পানি নেমে যাচ্ছে।

যমুনা নদীর পানি বঙ্গবন্ধু ব্রিজের কাছে বিপদসীমার বেশ নিচে চলে গেছে। পদ্মা নদীর পানির স্তর ও গতি কমে গেছে।

তিনি বলেন, ভারতের আবহাওয়া বিভাগের অনুমান আছে, আগে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সে জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্টভাবে সংশ্নিষ্টদের সতর্ক করেছেন, সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অধীনে পুনর্বাসন কর্মসূচি রয়েছে।

একটি প্রকল্পের অধীনে তিনটি কাজ বাস্তবায়ন করার কথা রয়েছে। এর একটি হলো ঘরবাড়ি পুননির্মাণ।

আরেকটি হলো স্থানীয় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো মেরামত করবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা আছে।

সেখানে বড় অঙ্কের টাকা ধরা আছে যদি কোথাও নদীর বাঁধ ভেঙে যায় তা তাড়াতাড়ি মেরামত করার জন্য। সে বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা বড় ধরনের পুনর্বাসন কর্মসূচি আছে।

প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দিয়েছেন, আমনের বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বীজতলা একটু উঁচু জায়গায় করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী রোপা আমনের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে বলেছেন। রোপা আমন ঠিকঠাক হলে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা কমবে।

গতবার আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ লাখ টন, এবার ৩৬ লাখ টন। সে তুলনায় কিছুটা কম হতে পারে।

তবে গতবারের তুলনায় উৎপাদন বেশি হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

nasima235.png

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৯ জন মারা গেছেন।

এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে দেশে মোট মারা গেছেন ৩ হাজার ৪৩৮ জন।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯০৭ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৫০৭ জন।

আজ সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

এদিকে ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী বিশ্বজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৭৯৮ জন করোনাভাইরাসে মারা গেছেন।

একই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৫৯৬ জন। সবমিলিয়ে বিশ্বজুড়ে মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৩৩ হাজার ৬০৭ জনের।

আর আক্রান্ত হয়েছে ২ কোটি ১৬ হাজার ৫৪৫ জন। তবে সুস্থ হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৯২ হাজার ৪৭৯

Rawa.jpg

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) চেয়ারম্যান খন্দকার নুরুল আফসার।

সোমবার রাজধানীর উত্তরায় সিনহা’র বাসায় তার মা নাসিমা আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাওয়া এর সদস্যরা।

এ সময় রাওয়া চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

রাওয়া চেয়ারম্যান বলেন, ওসি প্রদীপ সিনহাকে সহ অন্য যেসব বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন সেগুলোরও বিচার হওয়া উচিত।

প্রশাসন ও সরকারের প্রতি আবেদন করে তিনি বলেন, সিনহা হত্যার বিচার যেন দীর্ঘায়িত করা না হয় কারণ এটা যে ঠান্ডা মাথায় হত্যা তা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত।

সিনহা রাশেদের হত্যাকাণ্ডে তদন্তের অগ্রগতিতে পরিবার এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনারা সন্তুষ্ট বলে জানান রাওয়া চেয়ারম্যান।

ছেলের নানা স্মৃতির কথা মনে করে আবেগপ্রবণ হয়ে সিনহার মা নাসিমা আক্তার বলেন, স্বভাবসুলভ নানা কাজে ব্যস্ত থাকলেও, সবসময় পরিবারের প্রতি খেয়াল ছিলো সিনহার।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মা নাসিমা আক্তার বলেন, আমার ছেলে দেশকে নিয়ে অনেক ভাবত।

আমাকে বলত, আমরা যদি দেশে ভালো কিছু রেখে যাই তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেটা অনুসরণ করবে।

আমার ছেলের প্রত্যেকটি কাজে আমার পূর্ণ সমর্থন ছিল। ভেতরে ভেতরে আমি খুবই গর্ববোধ করতাম। ও শুধু কাজ করতে চাইত।

সিনহা’র বোন শারমিন শাহরিয়ার বলেন, আর যেন বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড না ঘটে।

একইসাথে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেন হত্যার বিচার হয়, সেই দাবিও জানান তিনি।

করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দাবস্থা। কাজ নেই, বেকার হচ্ছে অনেক মানুষ। আবার অনেকের কাজ আছে কিন্তু নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না।

ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা সংসারের খরচ মেটাতেই এখন হিমশিম খাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে টাকা ব্যাংকে না জমিয়ে তুলে ফেলছে মানুষ।

আবার অনেকে মহামারিতে নিজের হাতে টাকা রাখতেই পছন্দ করছেন।

এর ফলে গত ছয় মাসে ব্যাংকবহির্ভূত জনগণের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা কাছাকাছি হয়ে গেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দা, আর্থিক সংকট, আমানতের সুদহার কম হওয়ায় মানুষের সঞ্চয় কমে গেছে।

আবার যাদের অর্থ আছে তারাও নিজের হাতে টাকা রাখতেই পছন্দ করছেন। তবে এটা অর্থনীতির জন্য খুব ভালো নয়।

ব্যাংকে টাকা না রাখলে আমানত কমে যায়। এতে করে ব্যাংকগুলোর ঋণ দেওয়ার সক্ষমতা কমে যায়।

ফলে বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হয়। কর্মসংস্থান কমে যায়। পাশাপাশি অর্থের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জুন পর্যন্ত ব্যাংকবহির্ভূত অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৮৪ কোটি টাকা।

যা আগের বছর একই সময় ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা।

অর্থাৎ এক বছরে ব্যাংকবহির্ভূত টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৩৮ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা।

সেই হিসাবে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

এর মধ্যে দেশে মহামারি করোনা প্রার্দুভাবের সময়ে অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাসেই বেড়েছে ১৯ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা।

এ প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, মানুষের এখন আয়-রোজগার নেই।

জমানো টাকা ভেঙে জীবিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকবে পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত।

তবে এটা খুব শিগগিরই স্বাভাবিক হবে তা বলা যাচ্ছে না। এ কারণে মানুষ আপদকালীন সময়ে নগদ টাকা হাতে রাখছেন।

এ ছাড়া ব্যাংকের সুদ হার অনেক কমানো হয়েছে। এখন ৫ থেকে ৬ শতাংশ সুদ দিচ্ছে। বিভিন্ন চার্জ কাটার পর আরো ১ শতাংশ কমে যাচ্ছে।

এখন মূল্যস্ফীতি চেয়ে যদি সুদ কম হয় তাহলে ব্যাংকে টাকা রাখা লোকসান। তাই মানুষ লাভজনক বিনিয়োগ খুঁজছেন।

সব মিলিয়ে ব্যাংকে অর্থ জমানোর প্রবণতা কমেছে।

এদিকে করোনার অর্থ সংকটে মানুষ ব্যাংকগুলোতে আমানত আগের চেয়ে কম রাখছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে চলতি বছরের জুন শেষে আগের বছরের একই মাসের তুলনায় আমানত প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

কিন্তু গত ডিসেম্বরে ও এই প্রবৃদ্ধি ছিল সাড়ে ১২ শতাংশের ওপরে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকিং খাতের আমানতের দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৮১ হাজার ২৫ কোটি টাকা।

আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৫৩৬ কোটি। সেই হিসাবে আমানত প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

অন্যদিকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতের আমানত ছিল ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা।

যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেশি।

Railway-Dohazari_.jpg

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ১০ বছর অতিক্রান্ত হলেও ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্বসহ নানাবিধ কারণে দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার-গুনদুম রেলপথ প্রকল্পের কাজ চলছে ধীরগতিতে।

বর্তমানে এ প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৪০ শতাংশ হলেও আর্থিক অগ্রগতি মাত্র ২৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ বলে গতকাল রোববার প্রকল্পের স্টিয়ারিং কমিটির সভার কার্যপত্র থেকে জানা গেছে।

প্রকল্পটিতে এডিবি দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে। বাকিটা জিওবি থেকে দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু ১০ বছর অতিক্রান্ত হলেও সময়ের মধ্যে শেষ হচ্ছে না দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার ও রামু-গুনদুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ কাজ।

এ প্রকল্পের জন্য প্রায় ১ হাজার ৮০০ একর ভূমি অধিগ্রহণের কথা থাকলেও বর্তমানে ১৩৬৭ দশমিক ৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

প্রয়োজনীয় ৩০-৪০ শতাংশ ভূমি এখনো অধিগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, যার ফলে সব স্থানে কাজই শুরু করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো।

স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে কার্যপত্র থেকে জানা গেছে।

আবার প্রকল্পটির কাজ কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে বর্তমানে সময়সীমা ধরা হয়েছে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত এবং খরচ প্রথমে ১ হাজার ৮৫২ কোটি, ২য় বারে বাড়িয়ে ১৩ হাজার ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ধরা হলেও তা ৪-৫ দফা সময় ও ব্যয় বাড়িয়ে বর্তমানে প্রায় বিশ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

তবে প্রকল্প পরিচালক মফিজুর রহমান কমিটিতে বলেছেন, জমি অধিগ্রহণ না হওয়া, বনবিভাগের গাছ কাটার অনুমতি না পাওয়া, অধিগৃহীত জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় জমির মালিকরা কাজে বাধা দিচ্ছে এবং অতিবৃষ্টি ও কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে প্রকল্পের কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। যা বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবারো ধীরগতিতে চলছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী ফাস্ট ট্রাক প্রকল্পের আওতাধীন হওয়া সত্ত্বেও এ ধীরগতিতে রেলওয়ে তথা রেলমন্ত্রীও বিব্রত।

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, প্রকল্পটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ফাস্ট ট্রাক প্রকল্পের একটি।

তবে এখনো ভূমি অধিগ্রহণে কিছু স্থানে একটু সমস্যা রয়েছে। আসলে কক্সবাজার জেলায় প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে।

সে কারণে সব স্থানে আমরা পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারছি না। অর্থের কোনো সমস্যা নেই।

তবে মালিকানা নিয়ে মামলা মোকদ্দমা, বনভূমির গাছ গাছালি, কোথাও বাড়িঘর, দোকানপাট এসব কারণে অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে।

দোহাজারী হতে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হতে মিয়ানমার সীমান্ত সন্নিকট গুনদুম পর্যন্ত রেলওয়ে লাইন নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি গত ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়।

২০১০ সালে ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে এ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ ধরা হয়।

কিন্তু এ মেয়াদে জমি অগ্রিহণসহ তেমন কোনো কাজ হয়নি, মাত্র ১০ কোটি ২৯ লাখ টাকা খরচ করতে সমর্থ হয় রেলওয়ে।

পরে বারবার সময় বাড়ান হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছর পর্যন্ত মাত্র ২৩৭ কোটি টাকা ব্যয় হয়।

এভাবে কয়েক দফা সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি করে বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা এবং সময় বাড়ান হয়েছে ২০২২ সালের জুলাই পর্যন্ত।

২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারবাসীর স্বপ্নের রেলপথের এই মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন।

কিন্তু দীর্ঘদিন জমি অধিগ্রহণের কোনো কাজ না হওয়ার পরে ২০১৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দেশি-বিদেশি ৪টি কোম্পানির সঙ্গে রেলপথ নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করে রেলওয়ে।

৩০ জুন ২০২০ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল। তার পরেও প্রকল্পটির দশা এখন বেশ নাজুক-বেহাল, যা স্টিয়ারিং কমিটির কার্যপত্রে উঠে এসেছে। যার ফলে শেষ হতে কতদিন লাগবে তা বলতে পারছেন না প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টরা।

কার্যপত্রে দেখা গেছে- ২০১৮ সালের ৮ মে কক্সবাজার জেলায় ২১ দশমিত ৩৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিসিকে রেলের তরফ থেকে চিঠি দেয়া হয়।

কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। পরে রেল আবার গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর পুনরায় জমি অধিগ্রহণের জন্য ভূমি ও কৃষি মন্ত্রণালয়কে ডিসির মাধ্যমে চিঠি দেয়। কিন্তু এখনো কেউ কোনো কাজ করেনি।

তাছাড়া কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় বিভিন্ন পর্যায়ে ১৩৬৭ দশমিক ৩৬ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলেও মালিকানা জটিলতায় এখনো ৩০-৩৫ শতাংশ জমির মালিককে ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়নি। ফলে তারা কাজ করতে বাধা দিচ্ছে বলে কার্যপত্রে প্রকল্প পরিচালক অভিযোগ করেছেন।

উল্লেখ্য, এ প্রকল্পটি ২টি লটে ভাগ করে সম্পাদন করা হচ্ছে। ১ম লটে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মোট ১০০ দশমিক ৮৩ কিমি, যেটির কাজ পেয়েছে যৌথভাবে চায়নার সিআরইসি ও বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি।

জমি দেবে সরকার। ১ম লটের চুক্তি মূল্য ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৯৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

২য় লট রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ২৮ দশমিক ৭৫ কিমি। এ অংশের কাজ পেয়েছে যৌথভাবে চায়নার সিসিইসিসি ও বাংলাদেশের ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লি.।

২য় লটের চুক্তি মূল্য ৩ হাজার ৫০২ কোটি ৫ লাখ ২ হাজার টাকা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ১০২ কিমি নতুন ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

এতে ১৮৪টি ছোট-বড় সেতু, ৯টি স্টেশন বিল্ডিং, প্লাটফর্ম ও শেড নির্মাণ করা হবে।

এ ছাড়াও সমুদ্রের ঝিনুকের আদলে কক্সবাজারে একটি আইকনিক স্টেশন বিল্ডিং বানানো হবে।

prodip77.jpg

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজারের টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ তিন আসামির সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে বাকি চার আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশনা দেন বিচারক। নির্দেশনা মতে, সেই চার আসামিকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদ ইতোমধ্যে শেষ হলেও মূল অভিযুক্ত তিনজনকে গত তিনদিনেও রিমান্ডে নেয়া যায়নি

। কেন নেয়া যায়নি, সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে চাননি তদন্তের ভার পাওয়া সংস্থার কেউ।

রিমান্ডের আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন, মামলার এক নম্বর আসামি বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলী, দুই নম্বর আসামি টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তিন নম্বর আসামি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত। তাদের প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পাশাপাশি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

শনিবার আদালতের আদেশ কপি কারাগারে এসে পৌঁছায় বলে জানান কারাগারের সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন।

তিনি জানান, নথিপত্র আসার পর র‌্যাব সদস্যরা চার আসামিকে কারা ফটকে শনিবারই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।

রবিবারও দ্বিতীয় দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু অপর তিন আসামিকে এখনো রিমান্ডের জন্য নিয়ে যাননি।

রিমান্ডের আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে বিলম্ব সম্পর্কে জানতে কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর ইনচার্জ আজিম আহমেদকে ফোন করা হয়।

রিং হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তাকে না পেয়ে র‌্যাব-১৫ এর উপঅধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসানকে ফোন করা হয়। রিং হওয়ার পর তিনি লাইন কেটে দেন।

পরে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো হলেও জবাব আসেনি। তাই বিষয়টি সম্পর্কে তদন্তকারী সংস্থার কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে র‌্যাবের অপর একটি সূত্র বলেছেন, তদন্ত কর্মকর্তা সুবিধামতো সময়ে আসামিদের রিমান্ডে নেবেন।

স্পর্শকাতর মামলা বিধায় সবকিছু গুছিয়ে তার পরই জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে হয়তো।

আবার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ অডিও ক্লিপও ইতোমধ্যে গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছে।

এসব বিষয় সূক্ষ্মভাবে খতিয়ে দেয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করে সূত্রটি।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিনের আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন র?্যাব-১৫ এর সেকেন্ড ইন কমান্ডার (টুআইসি) মেজর মেহেদী হাসান।

শুনানি শেষে ১, ২ ও ৩ নম্বর আসামির সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর ও মামলার অন্য চার আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন বিচারক। একই সঙ্গে পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি ফরিদুল আলম বলেছেন, গ্রেপ্তারের পর আদালতে আনা হলে জামিনের আবেদন করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত আসামি। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কক্সবাজার কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

এর আগে গ্রেপ্তার ওসি প্রদীপকে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে বিকাল ৫টার দিকে কক্সবাজার আদালতে পৌঁছায় পুলিশ।

তাকে আনার আগেই বিকাল পৌনে ৪টার দিকে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকতসহ মামলার ৬ আসামিকে আদালতে নেয়া হয়।

আসামিদের আদালতে হাজির করার আগে পুরো এলাকায় নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা।

সাংবাদিকদের পাশাপাশি আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় করেন বিপুলসংখ্যক উৎসুক জনতা।

জামিন নামঞ্জুর হওয়ার পর মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব-১৫ এর সেকেন্ড ইন কমান্ডার (টুআইসি) মেজর মেহেদী হাসান আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে মামলার প্রধান আসামি লিয়াকত আলী, দ্বিতীয় আসামি ওসি প্রদীপ ও তৃতীয় আসামি এসআই নন্দলাল রক্ষিতের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বাকি চার আসামি কনস্টেবল সাফানুর, কামাল, মামুন এবং এএসআই লিটন মিয়াকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন বিচারক। রাত সাড়ে ৮টায় আসামিদের কারাগারে নেয়া হয়।

বুধবার রাত ১০টায় টেকনাফ থানায় আদালতের নির্দেশে মেজর সিনহার বড় বোনের করা হত্যা মামলাটি নথিভুক্ত হয়।

ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ টেকনাফের বিচারক তামান্না ফারহার আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন সিনহার বোন শারমিন।

পরে আদালত ৩০২/২০১ ও ৩৪ ধারায় করা ফৌজদারি আবেদন টেকনাফ থানাকে মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন।

এ ছাড়া বাদীর আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে মামলার তদন্তভার কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ককে দিতে সুপারিশ করা হয়।

মামলায় পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ খান।

এ ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন ও নিরাপত্তা বিভাগ।

তদন্তের স্বার্থে টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকতসহ সব পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

মামলার অভিযোগ করা হয়, ওসি প্রদীপের ফোনে পাওয়া নির্দেশে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত গুলি করেছিলেন সিনহাকে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় ‘ইচ্ছাকৃত নরহত্যা’, ২০১ ধারায় আলামত নষ্ট ও মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি এবং ৩৪ ধারায় পরস্পর ‘সাধারণ অভিপ্রায়ে’ অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়।

ঘটনার সময় সিনহার সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলাম সিফাতকে (২১) মামলার প্রধান সাক্ষী করা হয়েছে।

এ ছাড়া আটজন স্থানীয় বাসিন্দা এবং আইয়ুব আলী নামে একজন সার্জেন্টকে সাক্ষী করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ কক্সবাজারে যান।

তারা কক্সবাজার সৈকতে অবস্থিত সেনাবাহিনীর রেস্ট হাউস জলতরঙ্গতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ ব্রিফিংয়ে সিনহা নিহত হওয়াকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন।

তারা বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে দূরত্ব নেই। এ ঘটনায় দুই বাহিনীর মধ্যে চিড় ধরবে না।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও মঙ্গলবার সিনহার মা নাসিমা আখতারকে ফোন করে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দেন।

এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় নিহত সিনহার সফরসঙ্গী সিফাত ও শিপ্রাকে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। রবিবার শিপ্রার জামিন হয়েছে।

ইউনিয়নের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান।

ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদুলকে। তিনি ও শিপ্রা দেবনাথ তিনটি আলাদা মামলায় কারাগারে ছিলেন।

Divorce-5da37a25ad102-5da3a87f201b0.jpg

করোনা থেকে বাঁচতে মানুষকে বেশিরভাগ সময় থাকতে হচ্ছে গৃহবন্দি। গৃহবন্দি অবস্থায় গৃহবিবাদও বাড়ছে সমানতালে।

ফলে ঘটছে বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনা। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত জুলাই মাসে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটিতে গড়ে ৫১টি বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। কোভিড-১৯ সংকটের মধ্যে বিয়েবিচ্ছেদ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে বাধ্যতামূলক নৈকট্যকেই দায়ী করা হচ্ছে।

বিষয়টি ‘উদ্বেগের’ উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাধ্যতামূলক ঘরবন্দি জীবন মানুষের মধ্যে মানসিক চাপ ও উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।

এ অবস্থায় বিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে বাড়ছে বিচ্ছেদ। আপসে অনীহা, সমাধান খুঁজে বের করার অনিচ্ছা, এমনকি ধৈর্যধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বাড়ছে ডিভোর্স।

বিয়েবিচ্ছেদ সমর্থনযোগ্য না হলেও বাধ্য হয়ে তা করেছেন একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত রেফাত (ছদ্মনাম)।

বাবা-মায়ের পছন্দে দেড় বছর আগে বিয়ে করেন সদ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা সুমিকে (ছদ্মনাম)।

বিয়ের পর মাসখানেক ভালো সময় কাটালেও এরপর একটু একটু করে শুরু হয় ঝামেলা।

পরস্পরের মতের অমিল চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে লকডাউনে সারাদিন একসঙ্গে থাকতে গিয়ে।

একপর্যায়ে দুজনেই অতিষ্ঠ হয়ে সিদ্ধান্ত নেন ডিভোর্সের। পরিবারের সমর্থনেই সুমি ডিভোর্স দেন রেফাতকে।

দীর্ঘ প্রেমের পরিণতি বিয়েও ভেঙে গেছে এ লকডাউনের মধ্যে। এমনই এক দম্পতি ছিলেন ফারজানা (ছদ্মনাম) ও ফয়সাল (ছদ্মনাম)।

৮ বছর প্রেমের সম্পর্কের পর বছর দু-এক আগে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। দুজনই চাকরিজীবী। শুরুর এক বছর কাটে স্বপ্নের মতো।

কিন্তু দ্বিতীয় বছর থেকেই বাধে বিপত্তি। লকডাউনের গত ৪ মাস একসঙ্গে থাকতে গিয়ে বুঝতে পারেন তারা আসলে ভিন্ন মেরুর।

ছোট ছোট অমিল এই সময়ে রূপ নেয় বড় আকারে। এরপর জুলাই মাসে উভয়েই সিদ্ধান্ত নেন ডিভোর্সের।

শুধু রেফাত বা ফারজানা নয়, এমন বিচ্ছেদের ঘটনা এখন অনেক ঘটেছে।

এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হঠাৎ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানুষের জীবনাচরণেই পরিবর্তন এসেছে।

দেখা দিচ্ছে অস্থিরতা, অসিষ্ণুতা। কবে এ থেকে মুক্তি মিলবে, তাও জানা নেই কারও।

ফলে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ভাবনা মানুষের মেজাজকে করে তুলছে খিটখিটে। এর প্রভাব পড়ছে পরিবারের সদস্যদের ওপরে।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডিভোর্সের ঘটনা ঘটেছে ৫৬৩টি। আগস্টে ৫৪৫টি।

সেপ্টেম্বরে ৫৪১টি। অক্টোবরে ৮২০টি। নভেম্বরে ৪৫৩টি। ডিসেম্বরে ৪৯৮টি। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বিচ্ছেদ হয় ৫২৮টি, ফেব্রুয়ারিতে ৪৫২টি, মার্চে ৪৯২টি।

এপ্রিলে অফিস-আদালত বন্ধ থাকায় এ মাসে তালাকের সংখ্যা শূন্য।

মে মাসে ১১৩টি, জুনে ৪৪১টি এবং জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ৮৭৮টি বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ১ হাজার ৫১৪টি তালাকের ঘটনা ঘটেছে।

এর মধ্যে জানুয়ারিতে ৬১৮টি, ফেব্রুয়ারিতে ৪৪১ ও মার্চে ৪৫৫টি। এপ্রিলে কোনো তালাক কার্যকর হয়নি।

মে-তে ৫৪টি, জুনে ৬৩২টি ও জুলাইয়ে ৬৫৪টি তালাকের ঘটনা ঘটেছে।

দিন দিন বিচ্ছেদের এই মাত্রা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে লিঙ্গবৈষম্যকে দায়ী করেছেন ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট মো. মাহবুবুর রহমান।

তার মতে, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে অনেক সময় পার করলে তিক্ততা নয়, বরং ভালোবাসা বাড়ার কথা।

কিন্তু এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেটা ভালোবাসা না বাড়িয়ে বরং তিক্ততা বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো লিঙ্গবৈষম্য।

মাহবুবুর রহমানের ভাষায়- আমরা যতই শিক্ষিত হই না কেন, লিঙ্গ সমতা সম্পর্কে আমাদের পর্যাপ্ত এবং স্বচ্ছ ধারণা নেই।

লকডাউনের সময় নারীর কাজের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে করোনাকালীন অন্য মানসিক চাপ নারী-পুরুষ উভয়ের সমানভাবে আছে।

তাই খিটখিটে মেজাজ তৈরি হচ্ছে, সহমর্মিতা বোধ হারাচ্ছে, পারস্পরিক বোঝাপড়ার জায়গায় ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

আমাদের ইগোর জায়গায় কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। আমরা খুব দ্রুত ঝামেলা থেকে মুক্তির জন্য আলাদা হয়ে যাচ্ছি।

লকডাউনের কারণে কর্মজীবী স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন একই সঙ্গে থাকছে। এ সময় নানা কারণে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতের অমিল দেখা দিচ্ছে; একে-অন্যের দোষ-ত্রুটিগুলো প্রকট হয়ে ধরা পড়ছে।

অনেকে নিজেদের সময় দেওয়ার চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় দিচ্ছে।

এতে করে উভয়পক্ষই কোনো না কোনোভাবে নিজেদের ভালোবাসার অনুভূতির জায়গাগুলো হারিয়ে ফেলছে।

শ্রদ্ধাবোধ কমে যাচ্ছে। পরনারী বা পরপুরুষে আকৃষ্ট হচ্ছে। সেখান থেকেও বাড়ছে ডিভোর্স।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শাহ এহসান হাবীব বলেন, কেভিড-১৯ এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছে যেখানে স্বামী-স্ত্রী গৃহবন্দিত্ব নিতে বাধ্য হচ্ছে।

একে অপরকে প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সব রকমের সময়ই দিচ্ছে। সম্পর্কের অনেক ডাইমেনশন থাকে উল্লেখ করে এ সমাজবিজ্ঞানী বলেন, একে অপরের কাছে সঙ্গীরা যখন অনেক বেশি এভেইলঅ্যাবেল হয়ে যায় তখন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

কোভিডের মধ্যে মানুষের অর্থনৈতিক চাপটাও বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন শাহ এহসান হাবীব।

তার মতে, এখন মানুষের আয় নেই। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত যারা রয়েছে তারা এতদিন একভাবে চলে এলেও হুট করে এ পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না।

সে ক্ষেত্রে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মাঝে দেখা দিচ্ছে একটি বড় ব্যবধান। এই ব্যবধানটা মেনে নিতে না পারায় বাড়ছে বিচ্ছেদ।

আবার করোনার কারণে অন্য দেশের মানুষ প্রশান্তির জন্য পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিজস্ব যানবাহনে করে একটু বাইরে থেকে বেরিয়ে আসতে পারলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেটা সম্ভব নয়। এ থেকেও ঘরবন্দি একঘেয়ে জীবনে সৃষ্টি হচ্ছে মানসিক চাপ, বাড়ছে কলহ।

শহুরে মানুষের আলাদা একটা জগৎ থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের পারিবারিক বন্ধনটা অনেক বেশি দৃঢ় হলেও শহুরে পরিবারগুলোয় তা না।

গ্রামে সম্পর্কগুলোর ক্ষেত্রে মানুষ অনেক বেশি দায়বদ্ধ। সেখানে সবসময় আত্মীয়স্বজন যাওয়া-আসার মধ্যে থাকে।

ফলে পারিবারিক কলহের সুযোগটাও কম। যা শহুরে জীবনে দেখা যায় না। শহুরে মানুষের আলাদা একটা জগৎ থাকে।

সেখানে সবাই নিজের মতো করে থাকতে পছন্দ করে। সেখান থেকেও বাড়ছে বিচ্ছেদের ঘটনা।

সর্বোপরি মানুষের মাঝে অসহিষ্ণুতা ও কাউকে ছাড় না দেওয়ার প্রবণতাই বিয়েবিচ্ছেদের কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ACCIDENT-1.jpg

এবার ঈদুল আজহার আগে ও পরে ১৩ দিনে সড়ক-মহাসড়কে ২০১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪২ জন নিহত হয়েছন।

আর এতে ৩৩১ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া আরও ৩৭টি রেল ও নৌ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে আরও ৭৫ জনের।

সবমিলিয়ে এবারে ঈদযাত্রায় ৩১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩৭০ জন।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি নামে একটি সংগঠনের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

এতে বলা হয়, ২৬ জুলাই থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ১৩ দিনের দুর্ঘটনার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে এবছর গণপরিহন সীমিত আকারে চালু থাকায় ঈদযাত্রায় ব্যক্তিগত পরিবহন ও ছোট যানবাহনের চলাচল বৃদ্ধি পায়।

এতে দুর্ঘটনা ও প্রানহানি বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এবারের ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি ২৬টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে গত ৪ আগস্ট। এতে নিহত হন ৩২ জন।

গত ৩১ জুলাই আহত হন ৫৫ জন। এবারের ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটরসাইকেলে।

৮৮ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১০৬ জন নিহত এবং ৬৫ আহত হয়েছেন। অন্যদিকে গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা ৫২.২৩ শতাংশ ঘটেছে।

আগামী ঈদে এ দু’টি ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলে সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ৯৬.০১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

ঈদযাত্রায় সড়কে দুর্ঘটনায় ১০২ জন চালক, ৬৩ জন পথচারী নিহত হয়েছেন।’

দুর্ঘটনার ধরণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩২ দশমিক ৩৩ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ১৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ ঢাকায় হয়েছে।

ঈদযাত্রায় ছোটখাট চারটি রেল দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বন্যার এই সময়ে নৌ পথে ছিল মৃত্যুর মিছিল।

৩৩ টি ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন নৌ দুর্ঘটনায় ৭৪ জনের প্রাণ গেছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব বলেন, এবারের ঈদে মাত্র ১৫ থেকে ২০ শতাংশ যাত্রীর যাতায়াত করেছেন।

সেই তুলনায় দুর্ঘটনা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ, ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টারের চেয়ারম্যান নুর নবী শিমু, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহীদুল হক লিটন প্রমুখ।