প্রচ্ছদ Archives - Page 2 of 220 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

padma4547.jpg

করোনার সাথে এবার যোগ হচ্ছে নদীর তীব্র স্রোত। এতে আবারও গতি কমে আসছে পদ্মাসেতুর কাজে।

স্রোতের কারণে এর মধ্যে স্থগিত করা হয়েছে ৩২ নম্বর স্প্যান বসানোর কাজ।

সামনের দিনগুলোতে স্রোত বাড়লে গতি আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সব মিলে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় আরেক দফা বাড়তে পারে প্রকল্পের মেয়াদ।

এখন পর্যন্ত মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে ৮৯ ভাগ আর পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে ৮০ দশমিক ৫ ভাগ।

করোনার দিনগুলোতে নানা প্রতিকূলতায় গতি কমে এসেছে, তবে একদিনের জন্যও থামেনি কাজ। সেটার প্রতিফলন এখন জাজিরা প্রান্তে।

যতদূর চোখ যায় নদীতে বসে গেছে স্প্যান।

জাজিরা থেকে শুরু করে মাঝনদী পর্যন্ত টানা ২৯টি স্প্যানে দৃশ্যমান এখন সোয়া ৪ কিলোমিটারের বেশি সেতু।

বাকি আছে মাত্র ১০টি স্প্যান বসানো। আলো ঝলমল আকাশে আশার নতুন সূর্য উঁকি দিচ্ছে। তবে এবার আরেক প্রতিকূলতা।

নদীতে পানির সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্রোতের গতি। গত ৪ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা বলে, বর্ষার এ সময়টায় সবচে কম হয় কাজ।

এবারও সেটা হচ্ছে। পরিকল্পনা ছিলো জুনের শেষ দিকে ৩২তম স্প্যান বসানোর।

সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ১ দশমিক ৫২ মিটারের বেশি স্রোত হলে স্প্যানবাহী ক্রেনটি চালানো যায় না।

সেখানে নদীতে এখন স্রোত ২ দশমিক ২ মিটার। সব প্রস্তুতি সেরে স্প্যানটি ক্রেনে তোলার পরও সেটিকে আবার ইয়ার্ডে ফিরিয়ে আনা হয়।

সব মিলে প্রকল্পের কাজ ব্যাহত হচ্ছে নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতায়।

পদ্মা বহুমুখী সেতু’র প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, প্রতিকূল পরিবেশের কারণে মাঝে মাঝে কাজ ব্যাহত হয়।

করোনাভাইরাসের জটিলতা শুরুর পর সেতুর ৪১টি স্প্যানের মধ্যে দুইটির মালামাল চীনে আটকা পড়ে।

প্রায় দেড়মাস সমুদ্র যাত্রা শেষে অবশেষে ৩০ জুন সেটি মাওয়ায় পৌঁছেছে।

dmc-20190313164335.jpg

কোভিড ব্যবস্থাপনায় মন্ত্রণালয়ের কোনো সমন্বয়হীনতা নেই দাবি করে সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ঢাকা মেডিকেলের ২০ কোটি বিলের সিংহভাগই চার তারকা হোটেলের।

হাসপাতালের পরিচালক বললেন, প্রায় চার হাজার কর্মীর দুই মাসের থাকা, খাওয়াসহ অন্যান্য ব্যয়ও বিলে অন্তর্ভুক্ত।

ক’দিন ধরেই গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসক, নার্সদের খাবারের খরচের বিষয়টি।

দু’টি রুটির দাম ছয় হাজার, একটি কলা দুই হাজার, একটি ডিম দুই হাজার, একটি ওয়ান টাইম প্লেট এক হাজার ও একটি টিস্যুর দাম একশো এগারো টাকা দেখানো হয়েছে – এমন তথ্যও ভাইরাল হয়েছে।

সেই বিলের কপি না পাওয়া গেলেও সংসদে এ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।

যাদের নিয়ে এত কথা মহামারিতে দায়িত্ব পালনকালে কেমন ছিলেন সেই ফ্রন্টলাইনাররা।

ডিএমসিএইচ সহযোগী অধ্যাপক ডা. যায়েদ হোসেন বলেন, আমার কাছে তেমন অসামঞ্জস্য মনে হচ্ছে না।

কারণ আমাদের ডাক্তারের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল এবং খুবই স্ট্যান্ডার্ড জায়গায় আমাদের রাখা হয়েছিল।

এদিকে ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক বললেন, হাসপাতালের দুই হাজার চিকিৎসক ও নার্স, দেড় হাজার কর্মচারী ও টেকনিশিয়ানের প্রতিদিন তিনবেলা খাবার, হোটেল, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের যোগফল এই ২০ কোটি।

ডিএমসি পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, চার হাজার লোককে আপনি খাওয়াবেন হোটেলে এবং যাতায়াতের আওতায় থাকবে।

এই ২০ কোটি আপনি ভাগ দেবেন । আজকে আমরা কোথায় আছি, খাচ্ছি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

যদি দেখা যায়, আমরা কোন জায়গায় বেশি করেছি তার জন্য আমাদের অথোরিটি রয়েছে।

করোনা ব্যবস্থাপনায় কোনো সমন্বয়হীনতা নেই দাবি করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে বলেন, বিল নিয়ে কোনো অনিয়ম হয়নি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালিক বলেন, ঢাকা মেডিকেলে খোঁজ নিয়েছি। সেখানে ৫০টি হোটেল ভাড়া হয়েছে এবং ৩ হাজার ৭০০ জন সেখানে ১ মাস থেকেছে। ব্রেকফাস্ট-লাঞ্চ এবং ডিনারের জন্য ৫০০ টাকা করে খরচ হয়েছে।

এ বিষয়ে যে কোনো তদন্তে সব ধরনের সহায়তার কথা জানান ডিএমসি পরিচালক।

corona24.jpg

মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৬৪ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ৫২ জন এবং নারী ১২ জন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ হাজার ৮৬৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৮ হাজার ৪২৬টি নমুনা।

এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো সাত লাখ ৬৬ হাজার ৪৬০টি।

নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও তিন হাজার ৬৮২ জনের মধ্যে।

ফলে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৩ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৬৪ জন।

এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ৮৪৭ জনের। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৮৪৪ জন।

এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৯ হাজার ৬২৪ জনে।

এদের মধ্যে ২১ থে‌কে ৩০ বছ‌রের সাতজন, ত্রিশোর্ধ্ব ছয়জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২১ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৬ জন, সত্তরোর্ধ্ব ১১ জন, আশি বছরের বেশি বয়সী তিনজন রয়েছেন।

৩১ জন ঢাকা বিভাগের, ১২ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, সাতজন রাজশাহী বিভাগের, সাতজন খুলনা বিভাগের এবং দুজন করে সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫১ জন হাসপাতালে এবং ১৩ জন বাসায় মারা যান।

nasima3f.jpg

বাংলাদেশে নতুন করে আরও ৩ হাজার ৬৮৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

এ নিয়ে দেশে মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেল।

এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৬৪ জন। এ নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৪৭ জন।

তিনি আরও বলেন, ৬৮টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৮২৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যা এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার সর্বোচ্চ রেকর্ড।

দেশে এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৪০৭টি।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক হাজার ৮৪৪ জন কোভিড-19 রোগী সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৯ হাজার ৬২৪ জন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে

এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

এর আগে সোমবার (২৯ জুন) জানানো হয়েছিল, দেশে ৪ হাজার ১৪ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং ৪৫ জনের মৃত্যু হয়।

BPSC-BCS-PSC-4.jpg

৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশে মঙ্গলবার (৩০ জুন) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) জরুরি সভা ডাকা হয়েছে।

জানা গেছে, সভায় অনুমোদন হলে বিকেলে এ ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ইসরাত শারমিন গণমাধ্যমকে বলেন, আজ ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করার চেষ্টা চলছে।

এ জন্য বিকেল ৩টায় পিএসসি সিন্ডিকেট সভা ডাকা হয়েছে। সভায় চেয়ারম্যান স্যারের সভাপতিতে পিএসসির সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, সভায় ৩৮তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন হলে বিকেলের মধ্যে এ ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

প্রার্থীরা তাদের ফল পিএসএসির ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে জানতে পারবে।

জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই থেকে ৩৮তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা শেষ হয়েছে।

গত ১ জুলাই ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে পাস করেন ৯ হাজার ৮৬২ জন।

লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪ হাজার ৫৪৬ জন প্রার্থী।

৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা ছিল।

তবে এখন এই বিসিএসে ১৩৬ জন বেশি নিয়োগ পাবেন। এতে মোট পদের সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার ১৬০।

৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত বছরের ১৩ আগস্ট। ২০১৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৩৮তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা হওয়ার প্রায় দুই মাসের মধ্যে এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন

launch3a.jpg

ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক, মাস্টারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অবহেলাজনিত মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগ এনে মামলা করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার নৌ-পুলিশের এসআই শামছুল আলম দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লঞ্চডুবির ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই বাছির উদ্দিন বলেন, মামলায় দণ্ডবিধির ২৮০, ৩০৪ (ক), ৩৩৭ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজামান মামলার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,

অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় সাতজনকে আসামি করা হয়। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মামলায় সাত আসামি হলেন, এমভি ময়ূরের মালিক মোসাদ্দেক হানিফ ছোয়াদ (৩৩), লঞ্চের দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার কর্মচারি মো. আবুল বাশার মোল্লা (৬৫), লঞ্চের তৃতীয় শ্রেণির মাস্টার মো. জাকির হোসেন (৫৪), ইঞ্জিন চালক ড্রাইভার শিপন হালদার (৪৫), ড্রাইভার শাকিল হোসেন (২৮), কর্মচারি সুকানি নাসির মৃধা (৪০) ও মো. হৃদয় (২৪)।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর শ্যামবাজারসংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে সোমবার সকালে লঞ্চডুবির পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর ডুবুরিরা সম্মিলিতভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।

৮০ জন ধারণক্ষমতার ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিল তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তারা।

লঞ্চডুবির পর যাত্রীদের মধ্যে কজন সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন সেটিও নিশ্চিত না হওয়ায় এখনো ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছেন তা স্পষ্ট নয়।

এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় ৩২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনার তদন্তে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

Administration.jpg

জন প্রশাসনের বর্তমান ও সাবেক ১১ কর্মকর্তা করোনায় মারা গেছেন। এই তালিকায় সচিব যেমন রয়েছে, রয়েছে অন্য স্তরের কর্মকর্তারাও।

আর ২৩১ কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের করোনা সংক্রমন নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ

অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ)। সংগঠনটির উপ কমিটি সমাজকল্যাণ ও সাংস্কৃতিক উপকমিটির করা প্রতিবেদনের কপিটি নাগরিকের হাতে এসেছে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতদের তালিকায় রয়েছেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আব্দুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী।

সরকারের এই আমলা সোমবার সকালে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে করোনায় মারা যান।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গৌতম আইচ সরকার, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ফখরুল কবীর ও বাংলাদেশ

পরিসংখ্যান ব্যুরোর পরিচালক ও যুগ্ম সচিব (পরিসংখ্যান ক্যাডারের কর্মকর্তা) জাফর আহম্মদ খান ও দুদকের উপপরিচালক ও উপসচিব জালাল সাইফুর রহমান মারা গেছেন।

অন্যদিকে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক সচিব এম বজলুল করিম চৌধুরী, অবসর-উত্তর ছুটিতে থাকা অতিরিক্ত সচিব তৌফিকুল আলম, সাবেক যুগ্ম সচিব সামসুল কিবরিয়া চৌধুরী, আব্দুর রশিদ, ইসহাক ভূঁইয়া ও মো. সরওয়ারী আলম এবং মোহাম্মদ আলী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অন্য কর্মকর্তারা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্তরা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ছাড়াও জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মকর্তা। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৩১ জন।

Launch-syncing.jpg

বুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি মর্নিং বার্ড লঞ্চ নিয়ে পাওয়া যাচ্ছে নানা তথ্য।

লঞ্চের মালিক পক্ষ অভিজ্ঞ চালকের বদলে লঞ্চ পরিচালনা করেছিল অদক্ষদের দিয়ে।

সার্ভে সনদে একজন করে দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ও ড্রাইভার থাকলেও দীর্ঘদিন

থেকে অভিজ্ঞ মাস্টার ও ড্রাইভার ছাড়াই লঞ্চটির অপারেশন পরিচালিত হচ্ছিল।

সার্ভে সনদ ও ফিটনেস নেওয়ার সময় নৌ অধিদফতরে জমা দেওয়া কাগজে কলমে

একজন দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ও একজন ড্রাইভার দেখানো হলেও বাস্তবে ওই লঞ্চে কোনো মাস্টার ড্রাইভার কর্মরত ছিল না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক মাস্টার বলেন,

দীর্ঘদিন থেকে এমভি মর্নিং বার্ড লঞ্চটি অভিজ্ঞ মাস্টার ও ড্রাইভারের পরিবর্তে একজন সুকানী দিয়ে অপারেশন পরিচালনা করছিল।

অভিজ্ঞ মাস্টার ড্রাইভারের বেতন বেশি হওয়ায় তাদের রাখতে অনীহা ছিল মালিক পক্ষের।

এজন্যই লঞ্চটি দুর্ঘনায় পড়েছে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম কাছে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, অনেক ছোট লঞ্চ মাস্টার ড্রাইভার ছাড়া দীর্ঘদিন পরিচালিত হচ্ছে।

আমি দীর্ঘদিন থেকে বন্দর কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে সতর্ক করে আসছি।

এমন দুর্ঘটনার দায়ভার কোনোভাবেই তারা এড়িয়ে যেতে পারে না।

নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমোডর আরিফুর রহমান বলেন,

লঞ্চটির সার্ভে রেজিস্ট্রেশনে একজন দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ও একজন ড্রাইভারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

কিন্তু বর্তমানে কর্মরত রয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।

তবে দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয় করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দায়ীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উদ্ধার স্থলে উৎসুক মানুষের ভিড়।

কিছু সময় পরপর নৌপুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা মাইকিং করে উৎসুক মানুষকে সরে যেতে মাইকিং করেন।

এর মধ্যেই নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএর ডবুরিরা অভিযান চালান।

প্রথম পর্যায়ে দীর্ঘ সময় অভিযান চালানোর পর তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এরপরই অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক লাশ উঠতে থাকে। বিকাল পর্যন্ত ৩২টি লাশ উদ্ধার করা হয়।

এসব লাশ সারিবদ্ধ অবস্থায় দুটি ট্রলারে রাখা হয়। এছাড়া মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করা দুজনকে হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে মৃত ঘোষণা করা হয়।

পরে সবগুলো লাশ মিডফোর্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে লাশ শনাক্তের পর তা স্বজনদের বুঝিয়ে দেয়া হয়।

rivv.jpg

রাজধানীর শ্যামবাজরে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবিতে ১৩ ঘণ্টা পর একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৯ জুন) রাতে তাকে জীবিত উদ্ধার করে ডুবুরিরা।

এর আগে সকাল নয়টার দিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট

কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দেয়। এতে সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।

তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীর সদস্যরা।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা টানা অভিযানে ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে লঞ্চ ডুবির ১৩ ঘণ্টা পর কিভাবে একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলো এই নিয়ে শুরু হয়েছে প্রশ্ন।

তবে এমন মিরাকল বাস্তবে সম্ভব এবং তার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও রয়েছে।

লঞ্চের সঙ্গে ডুবে যাওয়া ওই ব্যক্তির প্রাণ বাঁচার অন্যতম কারণ এয়ারপকেট।

এয়ারপকেট আসলে কি একটা উদাহরণ দিলেই তা সহজেই বোঝা সম্ভব।

পাঠক বোঝার জন্যে সায়েন্টেফিক্যালি একটি পিপড়া ধরুন।সেটিকে একটি কাচের গ্লাসে নিন।

এরপর একটি বালতিতে সোজাসুজিভাবে তা উল্টে দিন।বাতাসের চাপে পানি কিন্তু সোজা হয়ে ডুবানো গ্লাসে প্রবেশ করবেনা।

আর হ্যা বাতাসের যেহেতু প্রায় ২১% অক্সিজেন।সুতরাং পিঁপড়াটিও জীবিত থাকবে।

সে তুলনায় লঞ্চের আয়তন বিশাল।তার এয়ার পকেট আরো বিশাল।

পৃথিবীর অনেক দেশেই  সাগরে জাহাজডুবির পরেও ওই জাহাজে থাকা  মানুষের প্রাণ বেঁচে গেছে এই এয়ারপকেটের কারণে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন জানায়, ২০১৩ সালে নাইজেরিয়ার একটি কোম্পানি ওয়েস্ট আফ্রিকান ভেঞ্চারস এর একটি লাইটার ভ্যাসেল সমুদ্রে ডুবে যায়।

পরে ডুবে যাওয়া ভেসেলে একটি এয়ার পকেট তৈরি হয়। তাতে ওই ভ্যাসেলে থাকা এক ব্যক্তি তিন দিন অবস্থান করছিল।

অর্থাৎ ডুবে যাওয়ার তিনদিন পর ভ্যাসেল থেকে ওই ব্যাক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল শুধুমাত্র এয়ারপকেট তৈরি হওয়ার কারণেই।

launch-clash-221172.jpg

রাজধানীর শ্যামবাজরে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চ ডুবিতে ১৩ ঘণ্টা পর একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৯ জুন) রাতে তাকে জীবিত উদ্ধার করে ডুবুরিরা।

এর আগে  সকাল নয়টার দিকে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা মর্নিং বার্ড লঞ্চটি সদরঘাট কাঠপট্টি ঘাটে ভেড়ানোর আগ মুহূর্তে চাঁদপুরগামী ময়ূর-২ লঞ্চটি ধাক্কা দেয়।

এতে সঙ্গে সঙ্গে তুলনামূলক ছোট মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়।

তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীর সদস্যরা।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা টানা অভিযানে ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ডুবে যাওয়া মর্নিং বার্ড লঞ্চটি উদ্ধারের জন্যে জাহাজ প্রত্যয় উদ্ধারের জন্য আসার পথে পোস্তগোলা ব্রিজে আটকে যায়।

এতে ব্রিজটির ক্ষতির আশঙ্কা করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এ কারণে কারণে ব্রিজটিতে এক পাশের যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।

এ ঘটনায় ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

এছাড়া, মৃত প্রত্যেকের পরিবারকে দেড় লাখ টাকা ও তাৎক্ষণিক ভাবে দাফন করা জন্য ১০ হাজার টাকা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী।