বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Sharlin.jpg

প্রতিভাবান অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বলিউডের মাদককাণ্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে।

এইবার বলিউড ছেড়ে ভারতীয় ক্রিকেটারদের অন্দরমহলের মাদকের গোমর ফাঁস করলেন ভারতীয় অভিনেত্রী শার্লিন চোপড়া।

তিনি জানান, আইপিএল এর অন্যতম ফ্র্যাঞ্চাইজি কেকেআর-এর ম্যাচের পর পার্টিতে মাদক নিতে দেখেছেন তিনি।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

তিনি জানান ‘একবার কলকাতা গিয়েছিলাম কেকেআর-এর ম্যাচ দেখতে। ম্যাচ শেষে পার্টিতে গিয়েছিলাম। হাজির ছিলেন ক্রিকেটার ও তাঁদের স্ত্রীও।

মজা হচ্ছিল বেশ। নাচের মাঝে আমি একবার ওয়াশরুম গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে যা দেখেছি, তা চমকানোর মতো।

তারকা ক্রিকেটারদের স্ত্রী’রা মাদক নিচ্ছিলেন।’ ভারতীয় গণমাধ্যম এবিপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন শার্লিন।

কোনও ক্রিকেটার বা কেকেআর ম্যানেজমেন্টের কারোর নাম না নিলেও অভিনেত্রীর দাবি, পুরুষদের ওয়াশরুমেও ‘একই কিছু চলছিল।’

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্তে নেমে মুম্বই ও বলিউডে মাদক যোগের তদন্তও শুরু করেছে ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)।

সেই তদন্তেই গ্রেফতার হয়েছেন সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। এবার তলব করা হয়েছে দীপিকা পাডুকোন, শ্রদ্ধা কাপুর, সারা আলি খান, রাকুল প্রীত সিংকে। তারপরে শার্লিন চোপড়ার এমন বিস্ফোরক মন্তব্যে হতবাক ভারতীয়রা।

sabina22.jpg

১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ ও ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গানটির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে গাওয়া শুরু করেছিলেন কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

আজ অবধি কোকিল কণ্ঠী এ গায়িকাকে প্লেব্যাকে পেয়েছেন শ্রোতারা। কিন্তু কখনও গাওয়ার বাইরে অন্যকিছু ভাবেননি তিনি।

তবে এবার তা হলো। গায়িকা সাবিনা ইয়াসমিনকে দেখা যাবে সংগীত পরিচালক হিসেবে।

গত ২২ সেপ্টেম্বরে ৫৩ বছরের সংগীত ক্যারিয়ারের প্রথমবারের মতো সুর করলেন।

‘দুটি চোখে ছিল কিছু নীরব কথা, তুমি ফোটালে সেই চোখে চঞ্চলতা’ গানটি লিখেছেন গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

আর এটি ব্যবহৃত হবে আরেক কিংবদন্তি তারকা কবরী সারোয়ার নির্মিত ছবিতে।

মূলত তার আবদার রাখতেই সংগীত পরিচালকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন গানের পাখি সাবিনা।

জানালেন, কবরীর নতুন ছবি ‘এই তুমি সেই তুমি’র চারটি গানের সংগীত পরিচালনা করছেন তিনি।

সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘‘আমি কখনোই সেভাবে সুর করতে চাইনি। কিন্তু কবরীর সঙ্গে আমার পরিচয় অনেকদিনের।

তিনি আমার খুবই কাছের মানুষ। আমি বারবার ‘না’ বললেও তিনি নাছোড় ছিলেন। তাই শেষ পর্যন্ত সুর করা হয়ে গেল।’’

সাবিনা জানান, প্রথম গানটির সুর করার পাশাপাাশি এতে কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। ছবিটির জন্য আরও তিনটি গানের সুর করবেন সাবিনা।

তবে এগুলো গাইবেন না। অন্য শিল্পীদের নিয়ে কাজ করবেন। ‘নতুন এক অভিজ্ঞতা হলো। আগে অন্যদের সুরে কাজ করেছি, এবার নিজের সুরেই।

বাকি তিন গান নিয়ে অন্য কণ্ঠশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করলে এ অভিজ্ঞতা আরও ব্যাপকভাবে বুঝতে পারব’– বললেন সাবিনা।

ছবির গানগুলো লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার, মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান ও কবরী।

অনুদানের এ ছবিতে প্রধান চরিত্রে থাকছেন কবরী নিজেই।  আর অভিষিক্ত হচ্ছেন নতুন দুজন নায়ক–নায়িকা রিয়াদ রায়হান ও নিশাত নাওয়ার সালওয়া।

এই পর্যন্ত ১৬ হাজারেরও বেশী গান গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন।

Bollywood.jpg

মাদকে আসক্ত নাকি বলিউডের বলিউডের বেশিরভাগ তারকাই। এবার খোঁজ মিলতে শুরু করেছে বলিউডের গভীরে বিস্তার করে থাকা মাদক চক্রের।

প্রথমে বলা হয়েছিল বলিউডের ২০ জন তারকার নাম রয়েছে মাদক কেলেঙ্কারিতে। সপ্তাহ না পেরোতেই সেই সংখ্যাটি বেড়ে এখন ৫০।

সুশান্ত সিং রাজপুত্রের অপমৃত্যু বলিউডকে তছনছ করে দিয়েছে। বদলে দিচ্ছে পুরনো সব হিসেব-নিকেশ।

বলিউডে নতুন করে রচিত হয়েছে এক কালো অধ্যায়, ‘মাদক কেলেঙ্কারি’। বলিউডের বেশিরভাগ তারকাই নাকি মাকাসক্ত। উঠে এসেছে শীর্ষ নারী তারকা দীপিকার নামও।

ইতিমধ্যে ৮ সেপ্টেম্বর বলিউড তারকা সুশান্তের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো (এনসিবি) গ্রেপ্তার করেছে।

সুশান্তের মৃত্যুতে মাদকের সূত্র পাওয়া যায়। এরপর আলাদা করে তদন্ত শুরু করে ভারতের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো।

তদন্ত করে রিয়াসহ মাদক কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার করা হয় ১৮ জনকে। পরে রিয়ার বক্তব্যে উঠে আসে সারা আলী খান ও রাকুল প্রীতের নাম।

জবানবন্দিতে রিয়া জানিয়েছেন, সুশান্তের সঙ্গে বসেই নাকি মাদক সেবন করতেন সারা ও রাকুল।

এ নিয়ে হইচই যখন তুঙ্গে, তখনই মাদক চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে যায় দীপিকা পাড়ুকোনের নাম।

এভাবে একের পর এক ফাঁস হতে শুরু করে বড়সব তারকার নাম। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো বলিউডের আরও গভীরে ঢুকে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ভারতীয় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম বলছে, বর্তমানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর কর্মকর্তাদের নজরে রয়েছেন চলচ্চিত্র জগতের অন্তত ৫০ জন অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক।

আরও জানা গেছে, বলিউডের প্রথম সারির বেশ কিছু অভিনেতা নাম, যারা ড্রাগ পার্টির আয়োজন করেন, তাদের সঙ্গে ক্রিকেট জগতেরও যোগ আছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস নাউ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থার নজর পড়ছে কোকো ক্লাবে আয়োজিত একটি অভিজাত পার্টির দিকে।

২০১৭ সালের ২৮ অক্টোবর রাতে ক্লাবের পার্টিতে ঠিক কী হয়েছিল, তা জানতে সিসিটিভি ফুটেজ বের করে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরো সমন পাঠিয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন, সারা আলী খান, শ্রদ্ধা কাপুর, রাকুল প্রীত সিং, সিমোন খামবাট্টা, সেলিব্রিটি ম্যানেজার শ্রুতি মোদি এবং দীপিকার ম্যানেজার কারিশমা প্রকাশকে।

শকুন বাত্রার আগামী ছবির শুটিংয়ের জন্য বর্তমানে গোয়াতে আছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এই মামলায় তার নাম জড়িয়ে পড়ায় মুম্বাইতে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

দীপিকার পর এবার দিয়া মির্জাকেও সমন পাঠানোর কথা শোনা গেছে। দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোতে ডাকা হবে দিয়াকে।

মাদক পাচারকারী অঙ্কুশ আর অনুজ কেশওয়ানিকে জেরার সময়ই দিয়ার নাম উঠে এসেছে। দিয়ার এই ম্যানেজার অনুজের প্রেমিকা।

গত বছর থেকে তিনিই নিয়মিত দিয়াকে মাদক পৌঁছে দিতেন।

এমনকি দুবার মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে দেখাও করেছিলেন দিয়ার ব্যবস্থাপক। ইতিমধ্যে তাঁকে সমন পাঠানো হয়েছে।

pori-678x381-1.jpg

ছবির ঘোষণার পর কেটে গেছে চার বছর। যখন ছবিটি স্মৃতি থেকে মুছে যেতে বসেছে তখনই জানা গেল নতুন খবর।

তরুণ নির্মাতা রাশিদ পলাশ পরিচালিত ‘প্রীতিলতা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা ও প্রযোজক পরীমনি।

অভিনয়ের পাশাপাশি এই ছবির প্রযোজনার সঙ্গেও যুক্ত থাকবেন তিনি, এমনটাও জানা গেছে ছবিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সূত্রে।

এখন পর্যন্ত পরিচালক, প্রযোজক বা নায়িকার পক্ষ থেকে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ না খুললেও শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে যাচ্ছে।

২০১৬ সালে ঘোষণা আসে প্রথমবারের মতো বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জীবনী নিয়ে নির্মিত সিনেমার।

সে বছরের সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিকে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের জানানো হয় ছবিটির সাথে যুক্ত থাকবেন সেলিনা হোসেন, বিবি রাসেল, মাতিয়া বানুর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

বলা হয়, চলচ্চিত্রটির পান্ডুলিপি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। কস্টিউম ডিজাইনিংয়ে থাকবেন বিবি রাসেল।

ছবিটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রীতিলতা ট্রাস্টও। সেদিন প্রীতিলতার স্মরনে ও চলচ্চিত্রের নির্মান কাজের অংশ হিসেবে বাংলার প্রীতিলতা.কম নামে একটি ওয়েব সাইটের উদ্বোধন করা হয়।

এরপর বেশ লম্বা বিরতি গেল। মাঝখানে শোনা যায় প্রযোজক সংকটে ছিলো ‘প্রীতিলতা’। সেই সংকট কাটিয়ে শিগগিরই ছবিটি এবার শুটিংয়ে যাচ্ছে।

তার আগে ঘোষণা আসবে ছবিটির শিল্পী ও কলাকুশলীদের। জানানো হবে শুটিং শুরুর তারিখ।

Suchitra-sen5.jpg

‘আমি আপন করিয়া চাহিনি তবু তুমি তো আপন হয়েছো, জীবনের পথে ডাকিনি তোমায়, সাথে সাথে তুমি রয়েছো’।

‘মেঘ কালো’ ছবিতে সুচিত্রা সেনের ঠোঁট মিলানোতে আশা ভোঁসলের কণ্ঠে এ যেন এক মন ভুলানো গান।

কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না এ গানটি সুচিত্রা সেনের পছন্দের একটি গান ছিলো। ভারতীয় বাংলা চলচিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ছিলেন তিনি।

বাংলা চলচ্চিত্রের ‘ম্যাডাম’ এবং অতঃপর মহানায়িকা খেতাব- এ এক বড় গল্প।

আসলে সুচিত্রা সেন শুধু নাম নয়, বিশাল এক অধ্যায়ের চেয়েও বেশি কিছু।

মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। রূপালি পর্দার উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও তুমুল দর্শকপ্রিয়।

সুচিত্রা সেন জন্মসূত্রে বাংলাদেশি। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনা জেলার সদর পাবনায় সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

তার বাবার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রাম। তার নাম রাখা হয়েছিল রমা দাশগুপ্ত।

বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ।

তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। সুচিত্রা সেন পাবনা শহরেই পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী।

বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

সুচিত্রা-উত্তম জুটির রসায়ন আপামর বাঙালিকে মুগ্ধ করেছিল অভূতপূর্বভাবে, যা আজও স্মরণীয়। ‘

হারানো সুরে’ এক নারীর তিতিক্ষা ও সহনশীলতাকে অত্যন্ত সুচারুভাবে তুলে ধরেছিলেন তিনি।

পলাশপুরে বিয়ের রাতে টিলার উপর অজস্র ফুলের মাঝে বসে গালে হাত দিয়ে রমা তার কোলে স্বামীকে শুইয়ে ‘তুমি যে আমার’ গাইছে, এ দৃশ্য বাঙালি ভুলতে পারেনি এখনো।

মহানায়িকা সুচিত্রা সেন অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোর গানেরও রয়েছে বিশাল সম্ভার। ‘ঢুলি’, ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘সবার উপরে’, ‘সাগরিকা’, ‘শিল্পী’, ‘চন্দ্রনাথ’ অসংখ্য সিনেমা আর বিরল গান। সেসব গানের শিল্পীরা যে দিকপাল, তার কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু অসামান্য ঠোঁট মেলানোর গুণে সেগুলো মহানায়িকারই গান হয়ে গিয়েছে।

১৯৬৩ সালে ‘সাত পাকে বাঁধা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সুচিত্রা সেন সিলভার প্রাইজ ফর বেস্ট অ্যাকট্রেস জয় করেন।

১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে।

শোনা যায়, ২০০৫ সালে তাকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দেয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।

কিন্তু সুচিত্রা সেন জনসমক্ষে আসতে চান না বলে এই পুরস্কার গ্রহণ করেননি।

২০১২ সালে তাকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়।

সুচিত্রা সেনের প্রথম ছবিটি মুক্তি পায়নি। ১৯৫২ সালে শেষ কোথায়’ ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়।

সুচিত্রা উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য লাভ করে এবং উত্তম-সুচিত্রা জুটি একের পর এক হিট ছবি উপহার দিতে থাকেন তারা।

বাংলা ছবির এই অবিসংবাদিত জুটি পরবর্তী ২০ বছরে ছিলেন আইকন স্বরূপ।

১৯৫৫ সালের ‘দেবদাস’ ছবির জন্য সুচিত্রা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেন, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি।

উত্তম কুমারের সঙ্গে বাংলা ছবিতে রোমান্টিকতা সৃষ্টি করার জন্য তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বিখ্যাত অভিনেত্রী।

১৯৬০ ও ১৯৭০ দশকে তার অভিনীত সবকটি ছবিই ব্যবসা সফল। স্বামী মারা যাওয়ার পরও তিনি অভিনয় চালিয়ে গেছেন।

এদের মাঝে ছিল হিন্দি ছবি ‘আন্ধি’। এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন নেত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

বলা হয় যে চরিত্রটির প্রেরণা এসেছে ইন্দিরা গান্ধী থেকে।

১৯৪৭ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়

তাদের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী। ১৯৫২ সালে সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত হন।

‘আন্ধি ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং তার স্বামী চরিত্রে অভিনয় করা সঞ্জীব কুমার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন।

১৯৭৮ সালে সুদীর্ঘ ২৫ বছর অভিনয়ের পর তিনি চলচ্চিত্র থেকে অবসরগ্রহণ করেন।

এরপর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন।

ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে সুচিত্রা সেন যেনো মোহিনি হাসি, সজল দৃষ্টি আর রহস্যময় ভঙ্গিমার এক চিরন্তন প্রতিমা।

এই মহানায়িকা রূপালি পর্দার জ্বলমলে জীবনকে বিদায় জানানোর পর আর মিডিয়ার সামনে উপস্থিত হননি।

ফলে যৌবন পরবর্তী সময়ে তিনি দেখতে কেমন ছিলেন তা আর কেউ জানে না।

শুধু তাই-ই নয় ৩০ বছরের বেশি সময় বাড়ির বাইরে বের হননি সুচিত্রা।

এমনকি ঘরের মধ্যেও কোনো কায়িক পরিশ্রম করেননি। শুয়ে-বসে থেকেছেন বছরের পর বছর।

পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বাংলা প্রেমের ছবিকে স্বর্ণযুগে পৌঁছে দিয়েছিল উত্তম-সুচিত্রা চিরসবুজ জুটি।

১৯৫০ সাল থেকে প্রায় ২৫ বছর কোটি বাঙালির হৃদয়ে ঝড় তুলে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন পর্দার অন্তরালে।

ঠিক কোন অভিমানে এ বাংলার মেয়ে সুচিত্রা ১৯৭৮ থেকে ২০১৪ প্রায় তিনটি যুগ পর্যন্ত নিজেকে আড়াল করে রেখেছিলেন- শেষ পর্যন্ত তা হয়তো অজানাই থেকে গিয়েছে।

২০০৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য সুচিত্রা সেন মনোনীত হন, কিন্তু ভারতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে স্বশরীরে পুরস্কার নিতে দিল্লি যাওয়ায় আপত্তি জানানোর কারণে তাকে পুরস্কার দেয়া হয় নি।

২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এ কিংবদন্তি শিল্পীর মৃত্যু হয়।

ayushman.jpg

মার্কিন সাময়িকী টাইমস ম্যাগাজিনের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিলেন বলিউড তারকা আয়ুষ্মান খুরানা।

খবর- আনন্দবাজার পত্রিকা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানায়, এ তালিকা প্রকাশের সঙ্গে প্রকাশ করা হয় আয়ুষ্মানকে নিয়ে লেখা বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোনের ছোট একটি লেখাও।

টাইমসে দীপিকা লেখেন, আয়ুষ্মানের ডেব্যু সিনেমা ভিকি ডোনার থেকেই তাকে আমি চিনি।

যদিও তার আগে থেকেই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে একাধিকভাবে জড়িয়ে ছিলেন তিনি।

এই কয়েক বছরে আয়ুষ্মান মনে রাখার মতো সিনেমায় আইকনিক চরিত্রে অভিনয় করে যে প্রভাব সমাজে বিস্তার করেছে তা সত্যি অনবদ্য ও প্রশংসনীয়।

দীপিকা আরও লিখেন, ১.৩ বিলিয়নের দেশ ভারতে খুব অল্প কয়েকজন মানুষ নিজেদের স্বপ্ন সত্যি করতে পারে।

এদের মধ্যেই একজন আয়ুষ্মান খুরানা। ওর প্রতিভা এবং কাজের প্রতি ডেডিকেশন এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।

সেই সঙ্গে ধৈর্য এবং সাহসী মনোভাব ওকে আরো সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছে।

যারা জীবনে স্বপ্ন পূরণ করতে চাও, তাদের কাছে রোল মডেল হতে পারেন আয়ুষ্মান।

এদিকে বিশাল এই সম্মান পেয়ে আয়ুষ্মান নিজেও আপ্লুত। টাইমসের এ খবর তিনি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন।

Ranbir-rohit.jpg

পরিচালক রোহিত শেট্টির ছবিতে আবারও দেখা যাবে বলিউড অভিনেতা রণবীর সিংকে।

এর আগে কপ-ড্রামা ‘সিম্বা’য় রোহিতের পরিচালনায় রণবীর অভিনয় করেছিলেন।

শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই পরিচালক তার নতুন ছবির গল্প নিয়ে আলোচনাও করে ফেলেছেন রণবীরের সঙ্গে।

তবে এটি ‘সিম্বা’র সিকুয়েল নয়। খবর- আনন্দবাজার পত্রিকা।

ছবিতে জোরালো অ্যাকশন সিকোয়েন্স থাকবে এবং এ ছবিতে রণবীরকে এমন লুকে দেখা যাবে, যে রূপে আগে তাকে দেখা যায়নি।

সব ঠিকঠাক এগোলে দীপাবলির পর থেকেই শুরু হয়ে যাবে নতুন ছবির শুটিং।

রোহিতের ‘সূর্যবংশী’ ছবির শুটও হয়ে গিয়েছে। অতিমারির কারণে সে ছবির মুক্তি স্থগিত।

এদিকে ‘গোলমাল ফাইভ’-এর কাজ শুরু হতেও দেরি আছে। কারণ অজয় দেবগণের হাতে একাধিক ছবি থাকায় তিনি এখনও সময় দিতে পারেননি রোহিতকে। তাই এই সময়ে রণবীরের সঙ্গে অ্যাকশন ছবিটির কাজ শেষ করে ফেলার ইচ্ছে পরিচালকের।

এছাড়া রণবীর এখন ‘জয়েশভাই জোরদার’-এর পোস্ট প্রোডাকশনের কাজে ব্যস্ত। চলছে ডাবিং। মুক্তির জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে তার ‘এইটিথ্রি’ও।

তবে রোহিতের ছবিতে কাজ করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছেন তিনি। চেহারা বদলে ফেলার হোমওয়র্কও জারি রয়েছে।

Shakib-Apu.jpg

ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা এ নায়কও বির্তকের মুখে পড়েন।

গত বছর ছেঁড়া প্যান্ট পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন শাকিব খান।

এবার অপু বিশ্বাসের ট্রাউজারের সঙ্গে মিল রেখে প্যান্ট পরায় আবারো সমালোচনায় পড়েছেন এই নায়ক।

কয়েকদিন আগে অপু বিশ্বাস তার ফেসবুকে দুটি ছবি পোস্ট করেন। তাতে দেখা যায় কালোর-সাদা ছাপার একটি ট্রাউজার পরেছেন অপু বিশ্বাস।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শাকিব খান একটি ছবি পোস্ট করেন। তাতেও দেখা যায় একই প্রিন্টের ট্রাউজার পরেছেন শাকিব খান।

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন সমালোচনার খোরাক হলেন তিনি।

অনেকেই এটাকে বলছেন, অপু বিশ্বাসের সঙ্গে মিল রেখে এ ট্রাউজার কিনেছেন শাকিব।

ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ আট বছর গোপনে সংসার করার পর অপুর কোলজুড়ে আসে পুত্র আব্রাহাম খান জয়।

এরপরই অর্থাৎ ২০১৬ সালে তাদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন অপু বিশ্বাস। ২০১৮ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।

Joya-Srijit.jpg

ওপার বাংলার জনপ্রিয় নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। সৃজিত মুখার্জি আর রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা দম্পতি যেন এখনকার সময়ের হট কেক।

তারা কোন ছবি কিংবা কিছু পোস্ট করলেই সেখানে অসংখ্য ভক্ত অনুরাগীদের অগণিত শুভেচ্ছা ও মন্তব্য দেখা যায়।

এদিকে আজ সৃজিতের জন্মদিন। দেখতে দেখতে জীবনের ৪২ বসন্ত পার করে পা রাখলেন ৪৩ এ।

এ দিনে দুই বাংলার ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেক তারকারাও।

তাদের ভিড়ে আছেন জয়া আহসানও। সৃজিতের সঙ্গে এক ছবি পোস্ট করে সেখানে কাব্যিক ভাষায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, ‘রুবিনা আর মৃন্ময়ী দেবী। একজন ছিন্ন দেশ আর পিষ্ট মনের এক প্রান্তিক দেহজীবিনী।

আরেকজন সধবা থেকে বিধবা, আর কুহকে ভরা এক মহাজীবনের সাক্ষী। গাঢ় ও বর্ণাঢ্য রেখায় আঁকা আমার দুটি চরিত্র।

আমার এ দুই অনন্য শিল্পযাপনের রচয়িতা সৃজিত মুখার্জি। শুভ জন্মদিন, সৃজিত’।

২০১৫ সালে প্রথমবার ‘জাতিস্মর’খ্যাত সৃজিত মুখার্জির ছবিতে কাজ করেন জয়া আহসান। সেই ছবির নাম ‘রাজকাহিনি’।

সেখানে জয়ার চরিত্রের নাম ছিলো রুবিনা। এরপর এই জুটি আবারও ফিরে আসে ২০১৮ সালে ‘এক যে ছিলো রাজা’ ছবি দিয়ে।

সেখানে জয়ার চরিত্রের নাম মৃন্ময়ী দেবী।

প্রসঙ্গত, গেল কয়েক বছর শোবিজ পাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রে ছিলো অভিনেত্রী জয়া আহসান ও কলকাতার চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সম্পর্ক।

তাদের প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। অনেকবার শোনা গিয়েছিলো তারা বিয়ে করছেন এমন খবরও।

তবে গেল বছরে গেল বছরের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন হিন্দু-মুসলিম মৈত্রী বার্তা দিয়ে বাংলাদেশের অভিনেত্রী মিথিলাকে বিয়ে করে জয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ও বিয়ের গুঞ্জনের ইতি টানেন সৃজিত।

mithila-srijit6.jpg

কলকাতার জনপ্রিয় চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জির আজ ৪৩তম জন্মদিন।

দুই বাংলা থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে তাকে শুভেচ্ছা জানানোর হিড়িক পড়েছে। কিন্তু জন্মদিনে পাশে নেই মিথিলা।

অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার স্বামী হিসেবে সৃজিতের এটা প্রথম জন্মদিন।

জীবনের বিশেষ এই দিনে স্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া শুভেচ্ছাটা স্পেশাল হবে সে আর বলার মতো কিছু নয়।

সৃজিতের মতো এই দম্পতির ভক্তরাও অপেক্ষায় ছিলেন মিথিলার শুভেচ্ছা কেমন হয় সেটি দেখার।

অবশেষে ইনস্ট্রাগ্রামে সৃজিতকে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন মিথিলা।

মিথিলা শুভেচ্ছা বার্তায় লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন, মিস্টার মুখার্জি। আমাদের জীবনে আসার জন্য ধন্যবাদ। সুখী, স্বাস্থ্যবান থাকো।

সবসময়ের মতো ড্রামা কিং হয়ে থাকো! এই মহামারিকে অভিশাপ, যে জন্মদিনে আমাদের দূরে রেখেছে।

কিন্তু কথা দাও, তুমি নিরাপদে থাকবে আর যত তাড়াতাড়ি পারো ঘরে ফিরবে! ভালোবাসা।’

মিথিলার সেই শুভেচ্ছাবার্তাটি মনে ধরেছে ভক্তদের। অভিনেত্রীর পোস্টটির নিচের মন্তব্যগুলো সেই প্রমাণই দেয়।

প্রসঙ্গত, গেল বছরের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিন হিন্দু-মুসলিম মৈত্রী বার্তা দিয়ে বিয়ে করেন সৃজিত-মিথিলা।

তবে বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমা সেরে বাংলাদেশে মেয়ে আইরাকে নিয়ে ফিরে যান মিথিলা।

তারপর থেকে সৃজিত-মিথিলা দুজনে আলাদাই ছিলেন করোনার কারণে।

সম্প্রতি পরিস্থিতি খানিকটা স্বাভাবিক হলে ১৫ আগস্ট বিশেষ অনুমতি নিয়ে সড়কপথে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি গিয়েছেন মিথিলা।

তবে আবারও তাদের মধ্য বিরহ নিয়ে এলো সৃজিতের ব্যস্ততা ও করোনা।