বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

ferdous3.jpg

পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে সম্প্রতি বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ। ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) দেশটির নির্বাচন কমিশনের কাছে এ নিয়ে অভিযোগ করেছে। এই ঘটনার পরে ফেরদৌসের ভিসা বাতিল করে দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়।

দেশে ফিরে এসেছেন ফেরদৌস। কলকাতায় যেই ছবিটির শুটিং করতে গিয়েছিলেন সেই ছবির শুটিং শেষ না করেই দেশে ফিরে আসতে হয়েছে তাকে। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে ‘দত্তা’ ছবির শুটিং করতে কলকাতায় গিয়েছিলেন ফেরদৌস।

বোলপুরে ছবির ২০ শতাংশ শুটিং করেছেন। এখনো ছবির ৮০ ভাগ শুটিং বাকি। এই সময় রায়গঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েই এখন থেমে থাকলো ছবিটির শুটিং। ফেরদৌসের এই ছবিটির ভবিষ্যত কী? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ‘ব্ল্যাকলিস্ট’ করেছে। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ‘দত্তা’-র ভবিষ্যত অনিশ্চিত বলেই মনে করছেন অনেকেই।

এই বিষয়ে ‘দত্তা’ ছবির পরিচালক নির্মল চক্রবর্তী বলেন, ‘আমার ছবির প্রায় ৮০ শতাংশ ইনডোরের শুটিং বাকি। জুনে আবার শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা করেছি। আশা করছি ততদিনে সমস্যা থাকবে না। প্রায় ২০ বছর ধরে ফেরদৌস কলকাতায় আসছে, কাজ করছে। একটা নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়েছে, তার জন্য ক্ষমাও প্রার্থনা করেছে। মনে হচ্ছে ঠিক হয়ে যাবে।’

এদিকে বাংলাদেশ পৌঁছে লিখিতভাবে বিবৃতি দিয়েছেন ফেরদৌস। তার ভুলের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। ফেরদৌস বিবৃতিতে লিখেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি আমার ভালোবাসা অগাধ। সেই ভালোবাসা আমাকে আবেগ তাড়িত করেছে। আমি বুঝতে পেরেছি, আবেগের বশবর্তী হয়ে সহকর্মীদের সাথে এই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করাটা আমার ভুল ছিল।

যেটা থেকে অনেক ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে এবং অনেকে ভুলভাবে নিয়েছেন। আমি স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক। একটি স্বধীন দেশের নাগরিক হিসাবে অন্য একটি দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ কোনভাবেই উচিৎ নয়। আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি ক্ষমা প্রর্থনা করছি। আশা করি, সংশ্লিষ্ট সকলে আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’

‘দত্তা’ ছবিতে বিলাসবিহারীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন ফেরদৌস। ভারতে ঋতুপর্ণার সঙ্গেই প্রায় ১৫ টি ছবি করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত এই অভিনেতা। সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘ইয়েতি অভিযান’ ছবিতেও অভিনয় করেছেন। ভারতে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ খ্যাত ফেরদৌসের জনপ্রিয়তার কথা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

srabonti-1-20190419162530.jpg

কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা শ্রাবন্ত্রী তৃতীয় বিয়ের খবর সোশ্যাল মিডিয়া মাতাচ্ছে কয়েক দিন থেকেই। পহেলা বৈশাখের দিন প্রেমিক রোশন সিংহের সঙ্গে বাগদান সেরে ফেলেছেন এই নায়িকা।

জানা গেছে, শুক্রবার রোশনের দেশের বাড়ি চণ্ডীগড়েই নাকি বসছে তাদের বিয়ের আসর। দুই দিন আগেই চণ্ডীগড়ে গেছেন শ্রাবন্তী ও তার পরিবার। বিয়ের অনুষ্ঠান সেরে কলকাতায় ফিরে বিশেষ রিসেপশন পার্টির আয়োজন করবেন শ্রাবন্তী ও রোশন। শোনা যাচ্ছে এই সবই।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়েছে শ্রাবন্তী ও রোশনের একটি ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে দুজনের গলাতেই রয়েছে মালা ও কপালে তিলক। বিয়ে কী সম্পন্ন হয়ে গেছে ? , এটা কী তাদের মালা বদলের পর মুহূর্তের ছবি না বাগদানের ছবি এ বিষয়ে জানা যায়নি কিছুই।

তবে এই ছবিটি দিয়ে অনেই তাদের শুভকামনা জানাচ্ছেন তাদের। তৃতীয় বিয়ের কোনও খবর যাতে প্রকাশ্যে না আসে এই বিষেয়ে সচেতন শ্রাবন্তী।

এর আগে দু’বার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে শ্রাবন্তীর। পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয় ২০০৩ সালে। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলেও রয়েছে, ওর নাম ঝিনুক। মায়ের সঙ্গেই থাকে সে।

রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক হয় মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে। মহাসমারোহে বিয়েও করেন তারা। গত জানুয়ারিতে কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে যায় শ্রাবন্তীর। তার পরেই নায়িকার সঙ্গে জড়িয়ে যায় রোশনের নাম।

রোশন পেশায় একটি এয়ারলাইন্সের কেবিন ক্রু সুপারভাইজার। তাদের সম্পর্কের বয়স বেশি না হলেও দু’জনেই পরস্পরের পরিবারের ঘনিষ্ঠ। আনন্দপুরে বিশাল ফ্ল্যাটে রোশন এবং নিজের বাবা-মায়ের সঙ্গে দোলের উৎসব উদযাপনও করেছিলেন শ্রাবন্তী।

nusrat-jahan-4-20190419205520.jpg

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের পাঁচটি আসনে পাঁচজন তারকা প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে দুজন একেবারে নতুন। নুসরাত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। এর মধ্যে নির্বাচনে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকেই লড়ছেন টলিউডের ব্যস্ততম অভিনেত্রী নুসরাত।

বিরোধীদের অভিযোগ, গ্ল্যামারকে হাতিয়ার করেই নাকি একটি লোকসভা আসন নিজেদের ঝুলিতে রাখতে চেয়েছে তৃণমূল। সমালোচকদের এই টিপ্পুনির কড়া জবাব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে একেবারে আনকোরা হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য নুসরতকে ভোটযুদ্ধে লড়াই করানোর চিন্তাভাবনা বলেই জানিয়েছিলেন তিনি। দলনেত্রীর দাবি যে একেবারেই ভিত্তিহীন নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে তা স্পষ্ট করে জানান দিলেন তৃণমূলের এই তারকা প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার কচুয়াধামে লোকনাথের মন্দিরে পূজা দেন তিনি। পরে ওই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি। নুসরাত লিখেছেন, ‘বসিরহাট কচুয়া বাবা লোকনাথের শান্তির ধামে। ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। আমি নুসরাত জাহান। মুসলিম পরিবারের মেয়ে। আমি ধর্মের ভেদাভেদ মানি না। আমি যেমন কোরআন পড়েছি। তেমন গীতা ও বাইবেল পড়েছি। কোথাও ধর্মের ভেদাভেদ ও হানাহানির কথা বলেনি।’

বৃহস্পতিবার একেবারে ভিন্ন মেজাজে জনসংযোগ করেন তারকা প্রার্থী নুসোত। হাড়োয়ার অলিগলিতে ঘুরতে ঘুরতে গ্রামের দস্যি কিশোরীর মতো আচরণ করতেও দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে। এ সময় কখনও কোলে তুলে নেন ছাগলছানা।

তবে এত কিছুর পরেও স্থানীয়দের সমস্যার কথা শুনতেও ভোলেননি নুসরাত। জিতলে পারলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

mehjac.jpg

জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। ছোট পর্দায় একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করলেও বড় পর্দায় অভিনয় করা হয়নি এই লাক্স সুন্দরীর। সিনেমার অভিনয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময় হলেই সিনেমায় অভিনয় করব। এ নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই। কারণ আমি ধীরগতিতে বিশ্বাসী।

মেহজাবিন বলেন, অভিনয়টাই এখনো পুরোপুরি শিখিনি। আরো মনোযোগ দিয়ে অভিনয়টা শিখতে চাই। তারপর না হয় দেখে-শুনে সিনেমায় কাজ করা যাবে।

বেশ কয়েকবার এক নির্মাতার সঙ্গে বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন উঠলেও মেহজাবিন বলেন, আগামী দু-তিন বছর বিয়ের কোনো পরিকল্পনা নেই। যদি করি অবশ্যই সবাইকে জানিয়েই করব।

বিয়ের জন্য কেমন পাত্র পছন্দ জানতে চাইলে বলেন, পাত্রকে অবশ্যই নম্র-ভদ্র ও কেয়ারিং হতে হবে।

মেহজাবিন নিজের সহজাত অভিনয় দিয়ে দর্শক, নির্মাতা ও সহশিল্পীদের কাছে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন। আজ শুক্রবার নজরকারা এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। জন্মদিনে কোনো শুটিং রাখেননি এই অভিনেত্রী। কোনো আলাদা পরিকল্পনাও নেই। তবে পরিবারের সঙ্গেই দিনটি কাটাবেন এই গ্ল্যামারকন্যা।

Hero-Alam-1.jpg

আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। স্ত্রীকে মারধরের মামলায় কারাভোগ করে তিনি। ৪৩ দিন কারাভোগ শেষে জামিন পান হিরো আলম।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার হিরো আলমের পক্ষে করা জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

জামিনের শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন হিরো আলম। এ সময় সুমি বেগমও আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, হিরো আলমের শ্বশুর (বাদী) মামলায় আপস করায় এবং স্ত্রী সুমি বেগম তার সঙ্গে সংসার করতে চাওয়ায় এ আদেশ দেওয়া হয়।

স্ত্রীকে নির্যাতন মামলার এক মাস ১২দিন পর জামিন পেলেন হিরো আলম। তার আইনজীবী মাসুদার রহমান স্বপন দৈনিক আমাদের সময়কে জানান, ‘হিরো আলমের জামিন শুনানিকালে তার স্ত্রী কোনো আপত্তি জানাননি। বরং আদালতকে বলেছেন নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে মামলা করেছেন। এখন তিনি হিরো আলমের সঙ্গে সংসার করবেন। আদালতে হিরো আলম উপস্থিত থাকলেও তার কোনো বক্তব্য আদালত শোনেননি।’

উল্লেখ্য, যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে মারধর এবং নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৬ মার্চ হিরো আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ২৫ মার্চ হিরো আলমের জামিন শুনানিকালে বাদী হিসেবে তার শ্বশুর মামলা আপোষ করেছে মর্মে আদালতকে জানান। এ সময় হিরো আলমের স্ত্রী সুমি বেগম আদালতে উপস্থিত থেকে স্বামীর জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদের বক্তব্য শুনে মামলার বাদী ও হিরো আলমের স্ত্রীকে ভৎর্সনা করেন। পরে আদালত হিরো আলমের জামিন না মঞ্জুর করে ১৮ এপ্রিল হিরো আলমকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন।

hero-alam-1.jpg

স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়েরকৃত নারী নির্যাতন মামলায় জামিন পেয়েছেন হিরো আলম। বৃহস্পতিবার বগুড়া জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়ার পর জেলজীবনে কেমন সময় কাটিয়েছেন এ বিষয়ে গণমধ্যমের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলেছেন হিরো আলম।

হিরো আলম গণমাধ্যমকে বলেন, জেলখানায় ভালো ছিলাম, সেখানে আমাকে বেশ আপ্যায়ন করা হয়েছে। জেলখানায় অন্যান্য কয়েদিদের সঙ্গে গল্প গুজব করে সময় কাটিয়েছি। এছাড়া অবসরে সামনের বইমেলার জন্য কিছু লেখালেখিও করেছি।’

হিরো আলমের আইনজীবী মাসুদার রহমান স্বপন বলেন, ‘হিরো আলমের জামিন শুনানিকালে তার স্ত্রী কোনো আপত্তি জানাননি। বরং আদালতকে বলেছেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে মামলা করেছেন।’

উল্লেখ্য, এর আগে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৬ মার্চ হিরো আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

mukh-omukhos-vulu-bari-20190418181132.jpg

জীবনের শেষ দিনগুলো ভীষণ অভাব অনটনের মধ্যে পার করেছেন বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশের অভিনেত্রী বিলকিস বারী। জীবনের শেষের দিনগুলোতে সংসার চালাতে তাকে হাত পাততে হয়েছে মানুষের দারে দারে। তিনি মারা যাবার পর তার মেয়ে ভুলু বারীরও জীবন কাটছে মানুষের কাছে হাত পেতে।

কিন্তু বয়স বাড়ছে ভুলুর। আর কতদিনই স্বাভাবিক ভাবে চলা ফেরা করতে পারবেন তিনি। সারাক্ষণ তাকে তাড়া করে ফেরে নানা রকম সঙ্কা। শেষ বয়সে এসে কিছুদিন একটু খানি ভালো থাকতে ইচ্ছে করে তার। কিন্তু কে দাঁড়াবে পাশে। ভুলু বারীর চাওয়া তার মায়ের অবদানের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রী যেনো তার দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

মুখ ও মুখোশের অভিনেত্রী বিলকিস বারীর মেয়ে এক বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে তার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন। ভুলু বারী বলেন, ‘আমার মা খুব কষ্ট করে জীবন যাপন করেছে। মানুষের কাছে ভিক্ষা করে টাকা নিয়ে আইসা আমাদের বড় করছে। শেষ জীবনে সে ভিক্ষা করেই মারা গেছে। ’

তার কষ্টের বিষয় হলো এখন মায়ের পথেই হাঁটতে হচ্ছে ভুলু বারীকেও। সকাল হলেই তিনি চলে আসেন বিএফডিসিতে। পরিচিতদের কাছে টাকা চেয়েই বাড়ি ভাড়া ও পরিবারের খরচ যোগাড় করেন।

ভুলু বারী বলেন, ‘ আমিও সিনেমায় কাজ করেছি। আমার নয় বছর বয়স যখন, তখন প্রথম ‘ডাকবাবু’ ছবিতে নাচের শিল্পী হই। জহির রায়হান সাহেবের ‘সংসার’ ছবিতেও নাচের শিল্পী ছিলাম। বাংলাদেশের প্রথম ছবির নায়িকার মেয়ে হয়েও আজ আমার এই অবস্থা। আমি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, আমাকে উনি কিছু সাহায্য করুক। আমি প্রধাণমন্ত্রীর কাছে সহযোগীতা চাই।’

উল্লেখ্য, বাংলার প্রথম চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশে অভিনয় করেছেন বিলকিস বারী। এরপর ‘শ্রাবন মেঘের দিনে’, ‘এখন অনেক রাত’সহ প্রায় চারশর অধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।

বাংলাদেশের (তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের) প্রথম স্থানীয়ভাবে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’। ১৯৫৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবিটি পরিচালনা করেন আব্দুল জব্বার খান। ইকবাল ফিল্মস্ এই ছবিটি অর্থায়ন ও চিত্রায়নে সহায়তা করে।

চলচ্চিত্রটি ১৯৫৬ সালের আগস্ট ৩ তারিখে মুক্তি পায়। এটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ এবং খুলনায় একযোগে মুক্তি পায়। প্রথম দফায় মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি ৪৮,০০০ রুপি আয় করেছিল।

dvira.jpg

আরবাজ-মালাইকা থেকে শুরু করে আমির-রিনা কিংবা সাইফ-অমৃতা বলিউডে এমন অনেকেই আছে যারা বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন। সম্প্রতি বেশ কিছু তারকার বিচ্ছেদের সাক্ষী হয়েছেন বলিউড ভক্তরা।

এবার সেই তালিকায় অন্য একটি নাম যোগ হতে চলেছে! এমনটাই শোনা যাচ্ছে বলিউডে কান পাতলে। কে সেই দম্পতি? বলিউড বলছে বিরাট অনুশকা!

সম্প্রতি বিরাট কোহলি-অনুশকার সম্পর্ক নিয়ে এই নতুন গুঞ্জনই শুরু হয়েছে বলি দুনিয়ায়। বেশ কিছুদিন ধরেই এই জুটির সম্পর্কে একটা টানাপোড়া চলছিল। এবার সম্পর্কের এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

শোনা যাচ্ছে বিরাট আর অনুশকা নিজেদের ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল থেকে পরস্পরকে আনফলো করে দিয়েছেন। আর তাতেই বিচ্ছেদের সন্দেহ দানা বাঁধছে , বিচ্ছেদের সন্দেহকে সত্যি বলে ধরে নিচ্ছেন অনেকে।

যদিও বিরাট এখন ব্যস্ত ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট সিরিজে এবং অনুশকা নিজের আগামী ছবির কাজে। এখনও বিচ্ছেদের বিষয়ে সরাসরি মুখ খোলেননি কেউই। কিছুদিন আগেই যদিও এক সঙ্গে খেলার মাঠে ছিলেন দুজনেই। তবে তাদের মধ্যে নাকি রাগারাগি চলতেই থাকে। তাই বলে ইনস্টাতে একেবারে আনফলো?

3vote.jpg

এবার ভারতের লোকসভা নির্বাচনে অনেক নামিদামি কিংবদন্তি তারকাই ভোটের মাঠে নেমেছেন। বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মালিনী থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মিমি চক্রবর্তী পর্যন্ত পিছিয়ে নেই কেউই। এরইমধ্যে গেল ১১ এপ্রিল প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার হবে দ্বিতীয় ধাপের ভোট।

তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দূরে থাক, লোকসভা ভোটে বলিউডের অনেক হাইভোল্টেজ তারকা ভোটই দিতে পারবেন না। আর সেটা শুটিং নিয়ে ব্যস্তকার কারণে নয়, বরং তাদের ভোট দেবার অধিকারই নেই। অথচ তারাই কিনা বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এবার লোকসভায় ভোট দিতে পারবেন না যেসব তারকা:

অক্ষয় কুমার: দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে অভিনয়ে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন অক্ষয় কুমার। ভারতেই শুধু নয়, বিশ্বজুড়ে তার ভক্তের সংখ্যাও অগণিত। কিন্তু এই বলিউড অভিনেতা এবার দেশটির জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না। কারণটাও স্পষ্ট।  পাঞ্জাবের অমৃতসরে জন্ম হলেও অক্ষয়ের কাছে আছে কানাডার পাসপোর্ট।

সানি লিওন: এক সময়ের আলোচিত পর্ন তারকা বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনও এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না। কেননা তিনি জন্মসূত্রে ভারতীয় হলেও তারও রয়েছে কানাডার পাসপোর্ট।

ক্যাটরিনা কাইফ: একই অবস্থা আবেদনময়ী নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফের ক্ষেত্রেও। বি-টাউনের এই সুন্দরী মূলত একজন ব্রিটিশ নাগরিক। ফলে তারও লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেয়া হচ্ছে না।

আলিয়া ভাট: মায়ের কারণে জন্মসূত্রে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেয়ে যান আলিয়া ভাট। তার মা সোনি রাজদান একজন ব্রিটিশ নাগরিক। আর তাই ভারতীয় নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট না থাকায় লোকসভায় ভোট দেয়ার অধিকার নেই আলিয়া ভাটের।

জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ: এই বলি অভিনেত্রীর জন্ম বাহরাইনে। বাবার জন্ম শ্রীলঙ্কায়। মা মালয়েশিয়ার নাগরিক। এসব কারণে এবার লোকসভায় ভোট দিতে পারছেন না মুম্বাইয়ের এই বাসিন্দা।

দীপিকা পাড়ুকোন: পদ্মাবত খ্যাত হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও রণবীর সিংয়ের পত্নী দীপিকা পাডুকোনও ভোট দিতে পারবেন না। কারণ, তার জন্ম ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে। আর সঙ্গে আছে ড্যানিশ পাসপোর্ট।

ইমরান খান: এবারের লোকসভা নির্বাচনে ভোট দেয়ার অধিকার নেই আমির খানের ভাগ্নে বলিউড অভিনেতা ইমরান খানেরও। কারণ কাগজে কলমে তিনি একজন মার্কিন নাগরিক। সেদেশের পাসপোর্টও আছে তার কাছে।

subir-20190415002131.jpg

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন শ্রোতাপ্রিয় গায়ক সুবীর নন্দী। সেখানেই কেটে গেছে ৭২ ঘণ্টা। তার পারিবারিবসূত্রে জানা গেছে সুবীর নন্দীর শারীরিক অবস্থার একটু উন্নতি হয়েছে। তবে হৃদযন্ত্রের অবস্থা ভালো নয়, অস্ত্রোপচারের জন্য বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরের পূর্বে ৭২ ঘণ্টা শেষ হয় জানিয়ে সুবীর নন্দীর আত্মীয় তৃপ্তি কর বলেন, আজ সকালের পরে সুবীর নন্দীর লাইফ সাপোর্টে খুলে ট্রায়াল দেওয়া হয়। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে হৃদযন্ত্র দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন বিদেশে অস্ত্রোপচারের জন্য নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

এর আগে গত রোববার ( রাত ৮টার দিকে তাঁকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। শুক্রবার শ্রীমঙ্গলে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন সুবীর নন্দী ও তার পরিবার। গতকাল পয়লা বৈশাখে শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকা ফেরার পথে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে সুবীর নন্দীর। এরপরই তাঁকে সেখান থেকে সরাসরি সিএমএইচে নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ১৯৮১ সালে প্রথম একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’ প্রকাশ হয়। ১৯৭৬ সালে ‘সূর্যগ্রহণ’ চলচ্চিত্রে প্রথম প্লে-ব্যাক করেন তিনি। দীর্ঘ ৪০ বছরের সংগীত ক্যারিয়ারে আড়াই হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন চারবার। সংগীতে অবদানের জন্য এ বছর তিনি পান দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদক।

সুবীর নন্দীর গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানগুলো হলো ‘ও আমার উড়াল পঙ্খী রে’, ‘কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়’, ‘চাঁদে কলঙ্ক আছে যেমন’, ‘বধূ তোমার আমার এই যে পিরিতি’ ইত্যাদি।