বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Anjan-Dutt.jpg

১৯৯৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল অঞ্জন দত্তের বেলা বোস। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত এই গান শোনেনি এমন মানুষ হয়ত কমই পাওয়া যাবে। তবে কোন নারীর নাম প্রেমিকা হিসেবে তুলে ধরে গানের শুরু হয়ত অঞ্জন দত্তের হাত ধরেই। তবে এই বেলাবোসের জন্যই মামলা হয়েছিল অঞ্জন দত্তের নামে।

ছন্দ মেলাতে বিভিন্ন সংখ্যা নিয়ে গবেষণা করতে করতে অঞ্জন পেয়েছিলেন বেলা বোসের সেই বিখ্যাত নম্বর- ২৪৪১১৩৯। অঞ্জন দত্ত যখন ‘বেলা বোস’ লেখেন তখন কলকাতার ফোন নম্বর ছিল ছয় ডিজিটের। ফলে সে সময় সংখ্যাটির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। পরে সাত ডিজিট হওয়ামাত্র সেই সংখ্যার অস্তিত্ব চলে এলো।

সাত ডিজিটের ওই নম্বরটি ছিল হিন্দি সংবাদপত্র ‘দৈনিক বিশ্বামিত্র’-র কার্যালয়ের। আবার অনেকে বলেন কার্যালয়ের নয়‚ সেটি ছিল ওই পত্রিকার তৎকালীন সম্পাদকের বাড়ির নম্বর।

মোট কথা‚ ওই সংবাদপত্রের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল নম্বরটি। হাজার হাজার বার ওই নম্বরে ফোন গেছে বেলা বোসকে চেয়ে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায়, অঞ্জন দত্ত দুঃখপ্রকাশ করতে বাধ্য হন।

একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন ‘‌ওই সম্পাদক আমার বিরুদ্ধে মামলাই দিয়েছিলেন। আমি তাকে জানাই, নেহাত ছন্দ মেলানো ছাড়া আমার আর কোনও উদ্দেশ্য ছিলো না। এমনকী বেলা বোস বলে কাউকে আমি চিনতামও না।’‌

যদিও সংস্কৃতির শহর সহনশীল কলকাতা হাসিমুখে এই অনিচ্ছাকৃত ভুলকে স্বাগত জানিয়েছিল। পরে অবশ্য সাত ডিজিট থেকে সংখ্যা আটে চলে যায়।

aliavat3.jpg

ভারতের সংসদ ভবনে হামলায় আফজাল গুরুর ফাঁসির প্রসঙ্গ তুলে বিতর্ক উস্কে দিলেন বলিউড প্রযোজক ও পরিচালক মহেশ ভাটের স্ত্রী ও আলিয়া ভাটের মা অভিনেত্রী সোনি রাজদান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারে তিনি দাবি করেছেন, সংসদ ভবন হামলায় বলির পাঁঠা বানানো হয়েছিল আফজাল গুরুকে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত বলেও মনে করেন তিনি। খবর জি নিউজের

মঙ্গলবার অভিনেত্রী সোনি রাজদান আফজাল গুরুর ফাঁসি সম্পর্কে টুইট করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এটি বিচারের নামে প্রহসন। ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত একজনকে ফিরিয়ে আমার ক্ষমতা কারও নেই। আর সেই মানুষ যদি নির্দোষ হন তাহলে! তাই মৃত্যুদণ্ড হালকা করে দেখা উচিত নয়। এ কারণে আফজাল গুরুর মৃত্যুদণ্ড নিয়েও বিস্তারিত তদন্ত হওয়া উচিত। কেন তাকে বলির পাঁঠা করা হল তা খুঁজে দেখা দরকার।’

এদিকে, আরেকটি ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনে বলা হচ্ছে, এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবর টুইট করেছেন অভিনেত্রী সোনি রাজদান। যে খবরে বলা হচ্ছে, তিহার জেলে বন্দি থাকাকালীন আফজাল একটি চিঠি লিখেছিল তার ব্যক্তিগত উকিল সুশীল কুমারকে। সেই চিঠিতেই আফজাল বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিল তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তা দেবেন্দ্র সিংয়ের বিরুদ্ধে। আফজালের কথায়, সিং-সহ জম্মু ও কাশ্মীরের অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে অকথ্য অত্যাচার করেছিল। শুধু তাই নয়, জোর করে তার থেকে টাকা লুটে নিয়েছিল। এরপরই সেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে আফজাল দাবি করেছিল যে, এই দেবেন্দ্র সিং-ই তাকে সংসদ ভবন হামলায় যুক্ত একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি, লেখা চিঠিতে এও অভিযোগ তুলেন যে, দেবেন্দ্রই সেই ব্যক্তি যিনি আফজালকে নির্দেশ দিয়েছিলেন সংসদ ভবন হামলাকারীদের জন্য একটি আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করতে এবং মূল ঘটনার দিনের জন্য একটি গাড়িরও ব্যবস্থা করতে।
টুইটারে সোনি রাজদান লিখেছেন, আফজাল গুরুর ওই চাঞ্চল্যকর দাবির পর কেন তা নিয়ে তদন্ত হল না ফের তা খতিয়ে দেখা হোক। আফজাল গুরুর মতো এরকম অনেককে কাশ্মীরে অত্যাচার করে জঙ্গি কার্যকলাপে বাধ্য করা হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হোক।

এদিকে, কলকাতা টোয়েন্টিফোরের খবর, আফজাল গুরুকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও কীভাবে দেবেন্দ্র সিং ছাড় পেয়ে গেল তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এমনকি ২০১৯ সালের অগাস্টে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার পেয়েছেন দেবেন্দ্র সিং। এই প্রসঙ্গেই টুইট করেছেন সোনি রাজদান।

saif3536.jpg

ইংরেজদের আগে ‘ইন্ডিয়া’র ধারণা ছিল না— এই মন্তব্যের জেরে ট্রোল হচ্ছে। শুনতে হয়েছে ‘ইতিহাসবিদ’ বক্রোক্তি। ছবি, মানচিত্র পোস্ট করে নেটিজেনরা সইফ আলি খানকে বুঝিয়ে ছেড়েছেন যে ইংরেজদের আগেও ভারতবর্ষের অস্তিত্ব ছিল।

কিন্তু শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই শেষ নয়। এ বার সইফকে আক্রমণে নেমে পড়ল বিজেপি-ও। তাও আবার ছেলে তৈমুরকে পর্যন্ত জড়িয়ে কটাক্ষে বিঁধলেন সাংসদ মীনাক্ষী লেখি।

সেই মীনাক্ষী লেখি, সিএএ-র বিরুদ্ধে মুখ খোলায় কয়েকদিন আগেই যিনি মাইক্রোসফটের সিইও সত্য নাদেল্লাকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি।

সদ্যই মুক্তি পেয়েছে মরাঠা বীর তানাজির জীবনকাহিনী নিয়ে নির্মিত ছবি ‘তানাজি’। ছবিতে উদয়ভান সিংহ রাঠৌরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সইফ। সেই ছবির প্রচারেই সূত্রেই একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমি মনে করি না ইংরেজরা ভারতে আসার আগে পর্যন্ত ইন্ডিয়ার কোনও ধারণা ছিল।’’ তাঁর ওই সাক্ষাৎকারের এই অংশটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন নেটিজেনরা। এ বার রাজনৈতিক আক্রমণের মুখেও পড়তে হল সাইফকে।

বিজেপি নেত্রী তথা নিউ দিল্লি কেন্দ্রের সাংসদ মীনাক্ষী লেখি টুইটারে লিখেছেন, ‘‘তুর্কিরাও তৈমুরকে (তৈমুরলঙ্গ) নিষ্ঠুর হিসেবেই দেখতেন। কিন্তু কিছু লোক নিজের ছেলের নাম রাখেন তৈমুর।’’ অবশ্য শুধু মীনাক্ষী লেখিই নন, সোশ্যাল মিডিয়ার অনেকেও একই ধরনের আক্রমণ করেছেন সইফকে।

তৈমুরলঙ্গ ছিলেন অত্যাচারী তুর্কি শাসক। হত্যা, লুন্ঠনের মাধ্যমে এশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় তাঁর সাম্রাজ্য বিস্তার করেছিলেন। ১৩৯৮ সালে ভারতে আক্রমণ করে দিল্লি তছনছ করেছিলেন ওই তুর্কি শাসক। এ হেন অত্যাচারী শাসকের নামে ছেলের নাম রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনদের অনেকেই। একই প্রশ্নে আক্রমণ শানাল বিজেপিও।

সাইফ-কারিনার ছেলের নাম তৈমুর রাখার সময়ও প্রশ্ন উঠেছিল। ওই সময় সাইফ বলেছিলেন, ‘‘তুর্কি শাসকের ইতিহাস আমি জানি। তাঁর নাম ছিল ‘ তৈমুর।কিন্তু আমার ছেলের নাম ‘তৈমুর’। প্রাচীন এই পার্সি নামের অর্থ ‘লোহা’। এই নামের অর্থও সুন্দর, শুনতেও ভাল লাগে।’’ তবে পরে আবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ছেলের নাম পরিবর্তনের কথা ভেবেছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিতর্ক এড়াতেই তা করেননি।’’-আনন্দবাজার

kazihayat5.jpg

গুনী চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক কাজী হায়াৎ। দীর্ঘ দিনের ক্যারিয়ারে ‘দাঙ্গা’, ‘ইতিহাস’, ‘অন্ধকার’সহ অর্ধশত সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। কাজের সম্মাননা হিসেবে পেয়েছেন আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। সম্প্রতি তিনি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চাশ তম চলচ্চিত্র নির্মান করছেন সুপারস্টার শাকিব খানকে নিয়ে। তবে হঠাৎ বেফাঁস মন্তব্য করে রোষানলের শিকার হয়েছেন চলচ্চিত্রের এই ব্যক্তিত্ব।

সম্প্রতি মেকআপম্যান ও স্টিল ফটোগ্রাফারদের তিনি ‘চামচা’ বলে অভিহিত করেন। কাজী হায়াৎ একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, আমাদের বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের দুটি ডিপার্টমেন্ট ‘মেকআপম্যান’ ও ‘স্টিল ফটোগ্রাফার’। এদের যারা প্রধান থাকেন তারা সাধারণত নায়ক-নায়িকা, প্রযোজকদের মোসাহেবি করে, বাংলা কথায় চামচামি করে। যদিও ‘চামচামি’ বলার জন্য অনেকে আমার ওপর রাগ করতে পারেন। তাদের তো বিবেক আছে, ব্যক্তিত্ব আছে। তাদের ব্যক্তিত্বে আঘাত লাগে না চামচামি করতে? আমার পক্ষ থেকে আমি বলব, আমার বয়স ৭৩। ৫০তম ছবির কাজ চলছে। এখনই তো আমার বলার সময়। আমি ছাড়া বলার আর কেউ নেই।

বিষয়টি নিয়ে ফটোগ্রাফার সমিতি থেকে পরিচালক সমিতিতে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে পরিচালক সমিতি এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা চেয়ে কাজী হায়াৎকে চিঠি দিয়েছে। পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন জানান, কাজী হায়াৎয়ের জবাব পাওয়ার পর তারা আলোচনায় বসবেন।

কাজী হায়াৎয়ের এমন মন্তব্যে চটেছেন মেক-আপম্যান ও স্টিল ফটোগ্রাফারদের অনেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন তারা।

অভিনেত্রী শাবানা আজমিকে ঘুমের ওষুদ দিয়ে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভয়ের কোনো কারণ নেই। তবে যন্ত্রণা দূর করার জন্যই ঘুমের ওষুধ দিয়ে রাখা হয়েছে। শাবানা আজমির সঙ্গে দেখা করার পর ‘মুম্বই মিরর’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথাই জানিয়েছেন বনি কাপুর।

বনি কাপুর আরও জানান, জাভেদ আখতার, শাবানা আজমির ভাই বাবা আজমি, এবং ননদ তনভি ছাড়া আইসিইউতে কাউকেই ঢুকতে দিচ্ছেন না চিকিৎসকরা। তবে শাবানা আজমি সকলের সঙ্গেই কথা বলেছেন, সকলকে চিনতেও পেরেছেন। তবে তার শরীরে ভিতরে কোনোরকম আঘাত রয়েছে কিনা জানতে চিতিৎসকরা তাকে নজরদারিতে রেখেছেন। তবে তিনি একজন লড়াকু মহিলা, আমার মনে হয় উনি সমস্তরকম বিপদ থেকে নিজেকে বের করে আনতে পারবেন।

অন্যদিকে শাবানা আজমি যে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, সেখান থেকে বেরোনার পর পরিচালক, অভিনেত্রী সতীশ কৌশিক বলেন, শাবানাজীর শারীরিক অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে। ওনার সমস্ত রকম শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার রিপোর্টও ঠিক আছে। জাভেদ স্যার ওনার পরিবারের লোকজনও এখন অনেকটাই নিশ্চিন্ত।

ইতোমধ্যেই শাবানা আজমিকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন জাভেদ আখতারের সাবেক স্ত্রী হানি ইরানি, তাদের দুই সন্তান ফারহান আখতার ও জোয়া আখতার। গিয়েছিলেন ফারহানের সাবেক স্ত্রী অধুনা ভবানি ও হবু স্ত্রী শিবানী দান্ডেকর। পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকর ও তার স্ত্রী সুনীতা। পরিচালক প্রযোজক ফারহান খান, ভিকি কৌষস, জিতেন্দ্র সহ আরও অনেকেই। শাবানার সুস্থতা কামনা করে টুইট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার মুম্বই-পুনে এক্সপ্রেসওয়েতে একটি টোল প্লাজার কাছে একটি ট্রাকের পেছনে গিয়ে ধাক্কা মারে শাবানার গাড়ি। সংঘর্ষে শাবানার গাড়ির সামনের অংশ একেবারে দুমড়ে যায়। গাড়িতে শাবানা আজমির পাশাপাশি তার স্বামী জাভেদ আখতারও ছিলেন। তবে জাভেদ আখতার এই দুর্ঘটনায় বিশেষ জখম হননি। এদিকে, শাবানার গাড়ির চালক অমলেশ কামতের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে দেশটির পুলিশ। ট্রাক ড্রাইভার শাবানার গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগ, শাবানার গাড়ির চালক অমলেশ কামত প্রচণ্ড জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। গতি এতটাই বেশি ছিল যে তিনি বেসামাল হয়ে পড়েন। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পিছনে ধাক্কা মারেন। দুর্ঘটনায় সেই ট্রাকের পিছনের অংশে ক্ষতি হয়েছে। শাবানা আজমির গাড়ির অবস্থা তো খুবই খারাপ। খবর: জি নিউজ

tyrhtj.jpg

‘যে নায়িকার ছবি দেখে চিনতেই পরলাম না, তারা কি করে নায়িকা হয়? পরীমনি-মাহি এরা সব বড়লোকদের বিয়ে করে ফেলছেন। তারা কি করে নায়িকা হয়। এদেরকে আমি চিনি না। এরা আসছে নিজেদের নাম কামাতে।’

একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে এসে এমন মন্তব্য করেন এক সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী ইলোরা গহর।

সম্প্রতি দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইলোরা গহর ঢাকাই সিনেমার নায়ক-নায়িকাদের নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

উপস্থাপকের প্রশ্নে এ প্রজন্মের কয়েকজন অভিনেত্রীদের নাম বলে প্রশ্ন করলে তিনি তাদের সম্পর্কে কিছুই জানেন না এবং তাদেরকে চিনেন না বলেও জানান।

আবার অভিনেতাদের মধ্যে, সজলের অভিনয় অনেক ভালো। আবার অপূর্বের অভিনয় ভালো না। সে শাহরুখ খান স্টাইল থেকে বের হতেই পারে না। এছাড়াও আফরান নিশো একদম অন্য ধ্যাচের, কিন্তু অভিনয় করতে পারে না। নীলয় অনেক ভালো অভিনয় করে। মায়াবী চেহারা তার।

ফিল্ম ইন্ডাষ্ট্রিতে এখন আমাদের শাকিব খান আছে। শাকিব খানকে স্যালুট। শাকিব খান বর্তমান সিনেমাকে টিকিয়ে রাখছে। শুভরাও শাকিব খানের ওই পর্যন্ত যেতে পারেনি। এছাড়া এবিএম সুমন খুব ভালো অভিনয় করে।

নায়িকাদের নিয়ে ইলোরা বলেন, সিনেমায় কবরী,ববিতা, শাবানা এরা বাংলাদেশে অনেক ভালো অভিনেত্রী। এছাড়া অন্যকেউ দেখি না। এমনকি মৌসুমি, শাবনূর, পূর্ণিমা তারাও যেতে পারেনি শাবানা,ববিতা, কবরীদের কাছে।

ratna2.jpg

অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা রত্না। ঠান্ডাজনিত কারণে তার শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হচ্ছে। এজন্য হাসপাতালেও ভর্তি হয়েছিলেন। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন এই অভিনেত্রী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন তিনি। শ্বাসকষ্ট কমেছে। অন্যদিকে রত্না ফেসবুকে লিখেছেন, আমি একদম ভালো হয়ে যাই, আবার একটু বাতাস লাগলেই লজ্জাবতী গাছের মতো মরে যেতে যেতে বেঁচে যাই। একি হলো আমার! রোগ-শোক প্রশ্রয় দেয়া আমাকে মানায় না, কিন্তু এবার আর পারছি না। আমি তো অনেকের ভরসাস্থল। দোয়া করবেন আর আমাকে ক্ষমা করবেন।

২০০২ সালে ‘কেন ভালোবাসলাম’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নাম লেখান রত্না। সেলিম আজম পরিচালিত এ সিনেমায় ফেরদৌসের বিপরীতে অভিনয় করেন। এরপর কাজী হায়াৎয়ের পরিচালনায় ‘ইতিহাস’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসিত হন। ক্যারিয়ারের এক যুগে রত্না অর্ধশত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

পাশাপাশি তামান্না ফিল্মস নামে প্রযোজনা সংস্থা গড়ে তুলেছেন এই অভিনেত্রী। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ‘সেদিন বৃষ্টি ছিল’ সিনেমাটি মুক্তি পায়। সর্বশেষ ২০১৪ সালে এই সিনেমায় নায়িকার ভূমিকায় তাকে দেখা গেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের নির্বাচনে সর্বাধিক ভোট পেয়ে বিজয়ী হন রত্না।

kanchon-20200118234103.jpg

১৯৮৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল মোজাম্মেল হক বকুল পরিচালিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ সিনেমা। আনন্দমেলা চলচ্চিত্রের ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমা দেশব্যাপী আলোড়ন তোলে। তৈরি করেছে ঢালিউডের শীর্ষ আয় করা সিনেমার ইতিহাস।

এটিকেই ইন্ডাস্ট্রির সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা হিসেবে অভিহিত করা হয়। আজও যে রেকর্ড ভাঙতে পারেনি কোনো সিনেমা।

‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবির দুই প্রযোজক হলেন মতিউর রহমান পানু ও আব্বাস উল্লাহ শিকদার। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় মারা গেছেন তাদের একজন আব্বাস উল্লাহ। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শোকাহত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ছবির নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনও। আব্বাস উল্লাহ শিকদারকে চলচ্চিত্র ও নিজের সজ্জন দাবি করে ভারি কণ্ঠে কাঞ্চন বলেন, ‘একসন সৎ, উদার মানুষ ছিলেন আব্বাস উল্লাহ ভাই। পয়সাওয়ালা ছিলেন, কিন্তু কোনো অহংকার ছিল না। মানুষকে সম্মান করতেন তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‌‌‘আব্বাস উল্লাহ ভাই মেধার মূল্যায়ন করতেন। একজন সুপারস্টারকে যে স্পেসটা দিতেন রাইজিং স্টারকেও সেভাবে সম্মান দিতেন। তাকে দেখেছি বন্ধুর মতো, তাকে পাশে পেয়েছি ভাইয়ের মতো। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি। অনেকদিন অসুস্থ ছিলেন। আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত দান করেন। তার পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইলো।’

এই অভিনেতা বলেন, ‘আব্বাস উল্লাহ ভাই ছিলেন চলচ্চিত্রের অন্তপ্রাণ একজন মানুষ। বহু সুপারহিট চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেছেন। কিছু সিনেমা পরিচালনা করেছেন। তিনি অসংখ্য সিনেমায় অভিনয়ও করেছেন। আমরা একসঙ্গে অনেক ছবিতে অভিনয় করেছি। অনেক অনেক স্মৃতি আছে আমাদের।’

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। আজ বারবার মনে পড়ছে সেই দিনগুলোর কথা। স্ত্রী জাহানারাকে হারিয়ে আমি যখন দিশেহারা তখন আমার পাশে ছিলেন আব্বাস উল্লাহ ভাই। আমার স্ত্রীর দাফনসহ যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা তিনি করেছেন। বনানী কবরস্থানে জাহানারার জন্য কবর কিনে দিয়েছিলেন। আমার জন্যও কবর কিনে রেখেছেন। আজ সেই মানুষটা নেই, তাকে কবরস্থানে নিয়ে যেতে হবে!’

নিজের ক্যারিয়ারে আব্বাস উল্লাহর অবদান স্বীকার করে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘আব্বাস উল্লাহ ভাই ভালো সিনেমা বানানোর চেষ্টা করতেন। দর্শকের চাহিদা বুঝতেন। তিনি ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ নির্মাণ করে ইতিহাস করেছেন। আমি ইলিয়াস কাঞ্চনকেও ইতিহাসের নায়ক বানিয়েছেন। ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ একটা ইতিহাস। আমার গর্ব হয় এই সিনেমার নায়ক হিসেবে। আমার বন্ধু, ভাই, প্রযোজক আব্বাস উল্লাহ ভাইয়ের প্রতি চিরকাল আমি কৃতজ্ঞ। তার কাছে আমাদের সিনেমারও অনেক ঋণ আছে।’

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) আব্বাস উল্লাহর মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। বনানীর বিখ্যাত চেয়ারম্যান বাড়ির চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদের পুত্র আব্বাস উল্লাহ শিকদার। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

জানা গেছে, রোববার (১৯ জানুয়ারি) বাদ আসর বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ির মাঠে আব্বাস উল্লাহর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তাকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

mithila12.jpg

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। অগণিত ভক্তকে নিজের প্রতিভায় মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন সাফল্যের গল্প বুনে। অভিনয় আর মডেলিংয়ের পাশাপাশি উপস্থাপনায়ও করেছেন তিনি।

সম্প্রতি গাঁটছড়া বেঁধেছেন এই অভিনেত্রী। আইনি পদ্ধতি ছোটখাট এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়েই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন কলকাতার পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে।

বিয়ের পরেই হানিমুন এবং মিথিলার পড়াশোনার জন্য সুইজারল্যান্ড যান নব দম্পত্তি। সেখানকার পর্ব শেষে আবার ফিরে গিয়েছেন যে যার কর্মক্ষেত্রে।

এদিকে শনিবার নিজের ফেসবুকে বেশ কয়েকটি ছবি আপলোড করেন মিথিলা। ‘আডরিয়ানা এক্সক্লুসিভ’ নামের একটি বুটিক’স শপের শাড়ি পরেই ছবিগুলো আপলোড করেছেন তিনি। ছবিতে অফসোল্ডার ব্লাউজ পরে হট লুকে পোজ দিয়েছেন অভিনেত্রী।

মিথিলার সেই ছবিগুলো আপলোড দিতেই লাইক পরতে শুরু করে। আর সেই ছবিগুলোতে সবাই মিথিলার নতুন সাজের প্রশংসা করে। এছাড়া সামালোচনা করতেও ছাড়েনি অনেকে। তবে যে যাই বলুক না কেন অভিনেত্রী নিজের মতো করেই দিন পার করছেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ ডিসেম্বর সৃজিত মুখার্জি ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার বিয়ে হয়। এই বিয়ে তাদের দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে। রেজিস্ট্রি করে বিয়ে হলেও পরে বেশ বড় করে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানা গেছে।

andru80.jpg

ক্যান্সারে আক্রান্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের চিকিৎসায় পূর্ণ সহায়তা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব আশরাফুল আলম খোকন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শিল্পীর চিকিৎসার পুরো বিষয়টি তদারকির জন্য রোববার দুপুরে সিঙ্গাপুরের বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তার চিকিৎসার বিষয়টি দেখভাল করছেন।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর বর্তমানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গত ৯ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন তিনি। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গত ১৮ সেপ্টেম্বর তার শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে চিকিৎসা শেষ করে এন্ড্রু কিশোরের দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে দেশে ফেরা হচ্ছে না তার। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এন্ড্রু কিশোরকে ছয়টি সাইকেলে ২৪টি কেমোথেরাপি দিতে হবে। ইতিমধ্যে ৪টি সাইকেলে তার ১৬টি কেমো সম্পন্ন হয়েছে। পঞ্চম সাইকেলের প্রথম কেমোথেরাপিও দেয়া হয়েছে। এখনও ৭টি কেমো বাকি।

এন্ড্রু কিশোরের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যেখানে, পৃথিবীর যত সুখ আমি তোমার ছোঁয়াতে খুঁজে পেয়েছি, সবাইতো ভালোবাসা চায়, বেঁদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে, তুমি আমার জীবন আমি তোমার জীবন, ভালো আছি ভালো থেকো, তুমি মোর জীবনের ভাবনা, চোখ যে মনের কথা বলে, পড়েনা চোখের পলক ইত্যাদি।