বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Beer.jpg

ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান প্রযোজিত তৃতীয় ছবি ‘বীর’। আজ বৃহস্পতিবার ছবিটির প্রথম লুক প্রকাশ হওয়ার পর বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এরমধ্যে কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ছবিটির ৫০ ভাগ শুটিং। নায়ক-প্রযোজক নিজেই ঘোষণা দিলেন, এবার প্রকাশ করবেন ছবিটির ফার্স্টলুক। তারিখ ঠিক করেছেন ১২ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা। যেখান থেকে দেখে নেওয়া যাবে নায়ক শাকিব খানের ‘বীরলুক’।

তবে প্রতীক্ষিত সেই লুক প্রকাশের আগেই বুধবার (১১ ডিসেম্বর) অন্তর্জালে ফাঁস হলো ‘বীর’ ইউনিটের একটি ছবি। যেটি ভাইরাল হলো ফেসবুকে, সিনেমাপ্রেমীদের দেয়ালে দেয়ালে। ছবিটি দেখে প্রশংসায় ভাসছেন শাকিব ভক্তরা। যেখানে দেখা গেছে, নায়ক শাকিব খান দাঁড়িয়ে আছেন সড়ক নির্মাণের একটি ক্রেনের গায়ে হেলান দিয়ে। ডুবে আছেন মুঠোফোনে। গলায় মাফলার। পরনে হাতা গোটানো শার্ট ও ছেঁড়া জিন্সপ্যান্ট। ছবিতে স্পষ্ট, এটি ধারণ করা হয়েছে শুটিংয়ের ফাঁকে, নায়কের অজান্তে।

তবে ছবিটি ভাইরাল হওয়ার অন্যতম কারণ, এতে শাকিব খানের বাবরি চুল ও চাপদাড়ি। না না, এগুলো নকল নয়। জানা গেছে, চরিত্রের প্রয়োজনেই শাকিব খান এমন প্রস্তুতি নিয়েছেন টানা দেড় মাস সময় নিয়ে।

তবে এত গোপনীয়তার পরেও ছবিটি কীভাবে প্রকাশ হলো, সে বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। অপারগতা প্রকাশ করেছেন মন্তব্য করতে। বলছেন, ফার্স্টলুকের অপেক্ষা করতে।

তিনি জানান, এটি তার প্রযোজিত তৃতীয় ছবি। এর আগে প্রযোজিত ‘হিরো দ্য সুপারস্টার’ এবং ‘পাসওয়ার্ড’ ছবি দুটি সাফল্য পেয়েছে। তাই ‘বীর’-এর সাফল্য নিয়েও উদ্দীপনার কমতি ছিল না। বলেন, যত্নশীল হয়ে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী ঈদের আগেই ‘বীর’ মুক্তি পাবে।

শুধুমাত্র ‘বীর’-এর জন্য প্রস্তুত হতে মাস দেড়েক সময় নিয়েছেন শাকিব। তার মতে, ‘বীর’-এর গল্পটাই এমন যে তাকে প্রস্তুত হতে বাধ্য করেছে। বলেন, ‘বীর’ দেশপ্রেমের ছবি। বাকিটা স্ক্রিনে দেখলে দর্শক বুঝতে পারবেন।

এসকে ফিল্মস প্রযোজিত ‘বীর’ পরিচালনা করছেন কাজী হায়াৎ। এটি কিংবদন্তি এই নির্মাতার ৫০ তম ছবি। সহযোগী প্রযোজক এমডি ইকবাল। ছবিতে শাকিব খানের নায়িকা বুবলী। আরও আছেন মিশা সওদাগর, নাদিম প্রমুখ।

alia_2.jpeg

এশিয়ার সেরা যৌন আবেদনময়ী নারীর খেতাব পেলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। এমন খবরে বেশ উচ্ছ্বসিত মহেশ ভাটকন্যা।

১১ ডিসেম্বর, বুধবার লন্ডনের সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ইস্টার্ন আই অনলাইন ভোটিং মারফত এই ফলাফল প্রকাশ করেছে। আলিয়ার পরেই অর্থাৎ যৌন আবেদনময়ী তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন।

চলতি বছরের জন্য দীপিকা দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও গত এক দশকের জন্য সেরা আবেদনময়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

ইস্টার্ন আই’র খবরে বলা হয়েছে, ২০১৯ সাল আলিয়ার জন্য সেরা একটি বছর। এ বছর বেশ কয়েকটি পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এছাড়া তার ‘গালি বয়’ ২০২০- এর অস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছে, যা আলিয়ার আগামী ভালো কিছুই ঈগিত দিচ্ছে।

আলিয়া ভাট জানিয়েছেন, এই সম্মানে তিনি অত্যন্ত খুশি। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, শুধু চেহারায় যা প্রকাশ পায় তার থেকে প্রকৃত সৌন্দর্যের মূল্যমান আরও বেশি। বৃদ্ধ হয়ে গেলে চেহারার সৌন্দর্য থাকবে না কিন্তু ব্যক্তিত্বের গুণীবলী থেকে যাবে।

২০১৮ সালে এশিয়ার সেরা যৌন আবেদনময়ী তালিকার শীর্ষে ছিলেন দীপকা। চলতি বছর তিনি এক ধাপ পেছালেও গোটা দশকের সেরা আবেদনময়ীর স্বীকৃতি পেয়েছেন। এই তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন টেলিভিশন অভিনেত্রী হিনা খান। চারে রয়েছেন মাহিরা খান।

এছাড়া পাঁচ নম্বরে রয়েছেন সুরভি চন্দনা, ছয়-এ ক্যাটরিনা কাইফ, সাতে শিবাঙ্গী জোশি, আটে নিয়া শর্মা, নয়- এ মেহবিশ হায়াত এবং দশম স্থানে রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।

popy634.jpg

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি। দীর্ঘ সময়ের ক্যারিয়ারে দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অনেক সুপার হিট ছবি। মাঝে কিছু দিন চলচ্চিত্রে কাজ না করলেও ফের আবার কাজে ফিরেছেন এই নায়িকা। বর্তমান সময়ে শিল্পী নয়, ‘প্রফেশনাল যৌনকর্মী’ দিয়ে ছবি বানানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় এই নায়িকা।

পপি বলেন, এখন ছবি বানাতে গেলে শিল্পীর দরকার হয় না। শিল্পীর খুব অভাব। যৌনকর্মী হলেই ছবি বানানো সম্ভব। খুবই দুঃখজনক, ইন্ডাস্ট্রির এখন বাজে অবস্থা। প্রফেশনাল যৌনকর্মী হলেই ছবি বানানো সম্ভব, বানাচ্ছে। এখানে শিল্পীর কদর নাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা তো আমাদের নিজের কাজের প্রয়োজনে দৌড়াই। কিন্তু শুনি যে, শিল্পীরা শপিং করতে প্রডিউসারদের সঙ্গে বিদেশ যায়। আমরা তো আর ওই ধরনের শিল্পী না।

প্রশ্ন রেখে পপি বলেন, যাদের ব্যক্তিগত ইমেজ খারাপ, তারা শিল্পী হয় কীভাবে? ঘরে জামাই রেখে বদমায়েশি করে বেড়ায়, এরা শিল্পী হয় কীভাবে? চারটা-পাঁচটা বিয়ে করে, অসামাজিক কার্যকলাপ আর টাকার পেছনে বেড়ায় এরা শিল্পী হয় কীভাবে? শিল্পী আর যৌনকর্মীর মধ্যে পার্থক্য আছে। আমাদের দেশে এটারই (শিল্পী) খুব অভাব আছে।

নির্মাতাদের অনুরোধ জানিয়ে জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা বলেন, যারা ছবি বানাতে এসেছেন, তারা ছবি বানান। আর যারা বদমায়েশির জন্য এসেছেন তাদের জন্য ওটাই পারফেক্ট। ইন্ডাস্ট্রি তো আর বদমায়েশির জায়গা না।

এদিকে, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক সংবাদে বেশ চটেছেন পপি। চুক্তিবদ্ধ হওয়া একটি ছবিতে তার না থাকার বিষয়ে ‘বাদ পড়লেন পপি’, ‘তার জায়গায় নেয়া হচ্ছে কেয়াকে’ বা ‘পপি আউট, কেয়া ইন’ শিরোনামে প্রকাশিত খবরে ক্ষেপেছেন তিনি।

জানা গেছে, ‘ইয়েস ম্যাডাম’ নামের একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন পপি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ছবিতে থাকছেন না তিনি। তার পরিবর্তে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চিত্রনায়িকা কেয়া। কেয়া চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর থেকে গণমাধ্যমে বেশ কয়েকটি খবর প্রকাশ করা হয়েছে। ‘বাদ পড়লেন পপি’, ‘তার জায়গায় নেয়া হচ্ছে কেয়াকে’ বা ‘পপি আউট, কেয়া ইন’ শিরোনামে খবরগুলো প্রকাশ করা হয়। আর এরপরই পপি এমন সংবাদ দেখে বেশ চটেছেন।

এ বিষয়ে পপি বলেন, গল্প ও চরিত্রটি আমার মনের মতো হয়নি। এছাড়া এতে একাধিক নায়িকা থাকার কারণে ছবিতে অভিনয় করা হয়নি। কিছু সংবাদ মাধ্যমে দেখলাম, বাদ পড়েছেন পপি বা পপির জায়গায় অমুক লিখে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এটা কেন? আমার জায়গায় অমুক কেন হবে বা বাদ কেন হবে? কারো স্থান কি কেউ নিতে পারে। বাদ দেয়া কথাটি একজন শিল্পীর জন্য খুবই দুঃখজনক ও অসম্মানজনক। বিশ্বের কোথাও কি এমনটি হয়?

নিজের কাজ নিয়ে তিনি বলেন, আজকের এই পপি হতে আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। আমি চাইলে, প্রতি মাসে একটি করে ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হতে পারি। ভালো-মন্দ বুঝে অভিনয় করতে চাই। প্রয়োজনে বছরে একটি ছবিতে কাজ করবো তবুর মানের সঙ্গে আপস করব না।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের ‘কুলি’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে রূপালি পর্দায় পা রাখেন পপি। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহানের ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’। ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন পপি। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা।

farooki_nawazuddin.jpg

বিশ্বের ঘরহীন মানুষদের নিয়ে পরবর্তী চলচ্চিত্র ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’ নির্মাণ করছেন নন্দিত নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অভিনয়ের পাশাপাশি এর সহ-প্রযোজক হিসেবে আছেন বলিউডের মেধাবী অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। বর্তমানে নিউইয়র্কে এই চলচ্চিত্রের শুটিং করছেন তারা।

গত শনিবার ভারতের পুনের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীর বোন সায়মা তামশি সিদ্দিকী। ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’ শুটিংয়ে থাকার কারণে মৃত্যুর সময় বোনের পাশে থাকতে পারেননি বলিউডের এই অভিনেতা।

বোনের মৃত্যুর সংবাদটি শুনে নওয়াজউদ্দিন আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেও দ্রুত নিজেকে সামলে নেন বলে জানিয়েছেন নির্মাতা ফারুকী।

নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগী এক স্ট্যাটাসে এমনটাই জানান মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

তিনি লিখেছেন- ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’র একটি দৃশ্যের রিহার্সেলের সময় নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, কিন্তু যেহেতু তিনি অত্যন্ত পেশাদার, তাই তিনি দ্রুতই তার আবেগের প্রতি নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হন।

পরবর্তীতে আমি কারণটা জানতে পারি। আমি যে দৃশ্যের কথা উল্লেখ করেছি সেটা হলো, তার এবং তার বোনের মধ্যকার একটি দৃশ্য। সিনেমায় যার নাম সায়মা। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি জানি কি-না তার বোনের নামও যে সায়মা।

তিনি আরও লিখেছেন- আমি নেতিবাচক জবাব দিয়েছিলাম কারণ আমার স্ক্রিপ্টটি পাঁচ বছর আগে লেখা হয়েছিল এবং তার বোন সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। তারপর তিনি আমাকে বললেন তার বোন সায়মা আট বছর ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন এই যুদ্ধে তার বোনকে সহায়তা করতে। তাই যখনই সায়মার সাথে তার অভিনয়ের দৃশ্য (ফোন কথোপকথন) ছিল, তখনই তিনি অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছিলেন। আমি জানি না কীভাবে এই অদ্ভুত টানের প্রতিক্রিয়া জানাতে হয়। আমার হাতে অন্যান্য কাজ থাকায় আমি এটি দ্রুত ভুলে গিয়েছিলাম।

নওয়াজউদ্দিনের বোনের মৃত্যুর দিনটির প্রসঙ্গে টেনে ফারুকী লিখেছেন- দু’দিন আগে যখন আমরা একটি দৃশ্যের শুটিং করছিলাম, তখন তার একটি কল আসে। কী চলছে তা সম্পর্কে আমাদের ধারণা ছিল না। তিনি দৃশ্যটি দারুণভাবে সম্পন্ন করেন। আমরা প্যাক আপ করার পর, আমি জানতে পারি যে সেই দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন সে তার বোনকে হারিয়েছে।

পরিবারের প্রতি এই ব্যক্তির টান কেমন ছিল তা সম্পর্কে সম্প্রতি আমার কিছু ধারণা হয়েছে। একজন যে তার পরিবারের সাথে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত, তিনি কেমন অনুভব করছিলেন তা আমি পুরোপুরি বুঝতে পারি। এই পরিস্থিতিটা কীভাবে মোকাবেলা করতে হবে তা আমি জানতাম না। তবে তিনি জানতেন।

সবশেষে ফারুকী লিখেছেন, বাড়িতে ফেরার জন্য সমস্ত কিছু সমন্বয় করার সময়, তিনি তার শুটিং চালিয়ে যান এবং নিশ্চিত করেন যে আমাদের নিউইয়র্ক শুট শেষ হয়েছে। তিনি আজ বাড়ি চলে যাবেন। হয়তো সে তার (বোনের) কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকবে। হয়তো তারা নিঃশব্দে হাজার কথা বলবে। হয়তো সাহিত্য এবং বাস্তবতা একে অপরের সাথে মিশে যাবে।

shakib-Apu.jpg

অপু বিশ্বাসের সঙ্গে ডিভোর্স হলেও বিভিন্ন দিবসে ছেলের সাথে দেখা করতে জান শাকিব খান। সংসার না টিকলেও ছেলের প্রতি দায়িত্ব পালন করায় শাকিবের ইতিবাচক দিকটাই ফুটে উঠেছিলো। কিন্তু অপু বললেন অন্য কথা।

অপু বলেন, শাকিবের সাথে বিচ্ছেদের পর জয় (আব্রাহাম খান) আমার সাথেই থাকে। তার দেখাশোনা, পড়াশোনা সব দায়িত্বই পালন করছি আমি। ছেলের কোনো খরচ দিচ্ছেন না শাকিব।

কিভাবে চলছে ছেলের খরচ? অপু বলেন, সব দায়িত্বই আমাকে পালন করতে হচ্ছে। সবরকম খরচও আমাকেই দিতে হচ্ছে। শাকিব আসলে ছেলের জন্য কোনো খরচ কখনোই দেয়নি। ওর কাছ থেকে একটা প্রয়োজনে আমি ১০ লাখ টাকা নিয়েছিলাম। তখন আমাদের সম্পর্ক ভালো ছিল। স্বামী-স্ত্রী আমরা।

পরে যখন জয় এলো তখন শাকিব ওই ১০ লাখ টাকা ছেলের খরচ হিসেবে দিয়েছে বলে দাবি করে সে। মানে সে বলে যে আমার আর তাকে ওই টাকাটা ফেরত দিতে হবে না। এটা সে ছেলের জন্য দিয়েছে। এই দেয়াটাকেই সবাই প্রচার করেছে যে ছেলে-বউয়ের খরচ দিচ্ছে শাকিব। আমিও কিছু বলিনি। কারণ টাকাটা ও আমার কাছে পায়। কিন্তু সত্যটা হলো, ছেলে জন্মের পর ওর জন্য এক টাকাও সে নগদ দেয়নি।’

অপু আরও বলেন, ‘জয় আসার পর থেকেই আমাকে অনেক সংগ্রামের মুখে পড়তে হয়েছে। সাংবাদিক ও আমার পরিবার আমাকে মানসিক সমর্থনটা দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু আর্থিক সাপোর্টটা আমি কোথাও থেকে পাইনি। নিজেকে জোগাড় করতে হয়েছে নানারকম বিজ্ঞাপন, সিনেমা ও শো থেকে। ছেলের জন্য আমি সব করতে পারি। ওকে তো মানুষ করতে হবে।

স্বামীর অনিচ্ছায় আমি ছেলেকে পৃথিবীর মুখ দেখিয়েছি। ওর জন্য নিরাপদ জীবনের ব্যবস্থা আমাকেই করতে হবে। শাকিব মাসে-বছরে একদিন একটা গিফট দেয়, হঠাৎ একদিন দেখা করতে আসে আর সেগুলো দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায়। কিন্তু আমার দায়িত্ব প্রতিদিনের।’

kbis.jpg

সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ’র মা শোভা রানী দে আর নেই।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) ভোর ৪টার দিকে নগরীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

আজ বিকেলে নগরীর পোস্তগোলা শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শোকাহত কুমার বিশ্বজিৎ মায়ের জন্য সবার কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন।

কুমার বিশ্বজিতের বাবা সাধন রঞ্জন দে ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

misses.png

‘মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০১৯’ হলেন উর্বী ইসলাম। সোমবার রাতে রাজধানীর আইসিসিবি’তে অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত পর্বে তার নাম ঘোষণা করা হয়। কয়েক হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে মিসেস ইউনিভার্স মুকুট ছিনিয়ে নেন তিনি।

সঙ্গীত শিল্পী এস. এ. রুবীর একমাত্র মেয়ে উর্বী ইসলাম।

বিবাহিত নারীদের নিয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই সুন্দরী প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। আট হাজার নারী এই প্রতিযোগিতার জন্য আবেদন করেছিলেন। তাদের মধ্যে থেকে ৫০০ প্রতিযোগীকে বাছাই করে, প্রাথমিক অডিশনের মধ্য দিয়ে প্রায় ২০০ প্রতিযোগী টিকে ছিল।

কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে ১০০ জনকে নিয়ে শুরু হয় মূল আয়োজন। সেরা এগারো প্রতিযোগী নিয়ে হয় চূড়ান্ত পর্ব। চ্যাম্পিয়ন হওয়া উর্বী ইসলাম ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনে অনুষ্ঠিত মিসেস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

‘বায়োজিন কসমেসিউটিক্যালস মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-২০১৯’ শিরোনামের এ প্রতিযোগিতার আয়োজক অপূর্ব আব্দুল লতিফ বলেন, ‘বাংলাদেশে মেধাবী ও বিবাহিত নারীদের নিয়ে উল্লেখযোগ্য তেমন কিছু হয়নি। সেই তাগিদেই এমন একটা আয়োজন করা। নারী শক্তি ও নারী জাগরণকে একধাপ এগিয়ে দেয়ার লক্ষ্যেই এ আয়োজন।’

এই প্রতিযোগিতায় শুরু থেকে অডিশন, গ্রুমিং এবং মোটিভেশনাল সেশনে বিচারক হিসেবে ছিলেন, অভিনেতা ও পরিচালক শহীদুল আলম সাচ্চু, আবদুন নুর তুষার, আবৃত্তি শিল্পী শিমুল মোস্তফা, গ্রুমিং ইন্সট্রাক্টর কৃষান ভূইয়া, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল জাহারা মিতু, উপস্থাপিকা ইসরাত পায়েল, মডেল অভিনেতা অন্তু করিম, ফারহানা আফরিন ঐশী প্রমুখ।

sul66.jpg

‘ওপেন টু বাইস্কোপ, নাইন টেন টেলিস্কোপ, সুলতানা বিবিয়ানা সাহেব বাবুর বৈঠক খানা’।

এ কথাটি বলে ছোটবেলায় ‘কানামাছি ভোঁ ভোঁ যারে পাবি তারে ছোঁ’ নামক দলগত একটি খেলা খেলেনি এমন মানুষ নেই বললেই চলে।

তবে সে খেলায় কবিতার মতো বলা সেই কথাটিকে আবারও সামনে এনেছিলেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী জেমস তার ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে।

গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। এখনও জেমসভক্তদের মুখেমুখে সে গান শোনা যায়।

তবে এবার কোনো বাংলাদেশি নয় আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর এক অধিবাসী গাইলেন জেমসের সেই কালজয়ী গান।

ফেসবুকে সেই গানটি রীতিমতো ভাইরাল। ভিডিওতে দেখা গেছে, মিউজিকের তালে তালে আফ্রিকান সেই যুবক গান গাইছেন আর নাচছেন বেশ কয়েকজন বিদেশি যুবক।

এদিকে যুবকের গায়কীর প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশি নেটিজেনরা।

জানা গেছে, কঙ্গোতে ‘হৃদয়ে আমার বাংলাদেশ ব্যানারে’ বাংলাদেশি প্রবাসীদের একটি অনুষ্ঠানে এভাবেই কঙ্গোর সেই যুবক জেমসের সুলতানা বিবিয়ানা গানটি গেয়েছিলেন। তাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশ সম্মানিতও হয়েছেন। তবে অনুষ্ঠানটি কবে আর কঙ্গোর কোথায় হয়েছে সে বিষয়ে জানা যায়নি

গানটি দেখুন –

33-4.jpg

‘যৌথভাবে ঘোষণা দেওয়া নিয়ে প্রথমে খারাপ লেগেছিল। তবে আরিফিন শুভ আমার সঙ্গে পেল। এটা তার প্রথম প্রাপ্তি। এখানে খারাপের কিছু নাই। আর আমার হারানোর কিছু নেই। ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ঘোষণার পর বিতর্কের জন্য ভেবেছিলাম পুরস্কার নেব না। কিন্তু আমি না নিলে প্রধানমন্ত্রীকে অসম্মান করা হতো।’

কথাগুলো বলছিলেন দুই বাংলার সুপারস্টার শাকিব খান। একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

হাসিবুর রেজা কল্লোল পরিচালিত ‘সত্তা’ সিনেমার জন্য যৌথভাবে ‘শ্রেষ্ঠ অভিনেতা’র পুরস্কার পেয়েছে শাকিব খান। এটা তার চতুর্থ জাতীয় পুরস্কার। কেমন লাগছে? জানতে চাইলে শাকিব জানান, ‘পুরস্কার ঘোষণার পর থেকে কিছু বিতর্ক ছিল।

যাই হোক না কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেওয়াটা বড় ব্যাপার। প্রয়াত মান্না ভাই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন। কিন্তু উনি হাতে নিয়ে যেতে পারেননি। কারণ, তখন সময়মতো এগুলো দেওয়ার আন্তরিক চেষ্টা ছিল না।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বছরের একটা দিন চলচ্চিত্রের মানুষদের সময় দেন। নিজে এসে পুরস্কার হাতে তুলে দেন, কুশল বিনিময় করেন এটাই ভালো লাগার বিষয়।’

প্রধানমন্ত্রী আপনাকে পুরস্কার দেওয়ার সময় হেসে কী যেন বলছিলেন? উত্তরে শাকিব বলেন, ‘উনি কেমন আছেন, তার শারীরিক অবস্থা কেমন এসব জিজ্ঞেস করছিলাম। আমাকেও জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমি ভালো আছি কিনা, কাজ ঠিকঠাকভাবে করছি কিনা! সবমিলিয়ে উনি খুব খুশি ছিলেন।’

নিজের চলমান ‘বীর’ নিয়ে শাকিব খান বলেন, ‘খুব যত্নশীল হয়ে ‘বীর’-এর কাজ করছি। মৌলিক গল্পের সিনেমা এটি। একইসাথে গল্প নির্ভর সিনেমা। ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ কাজ হয়েছে। টানা শুটিং করছি।

‘বীর’ ঈদের সিনেমা না। তাই ঈদের আগেই মুক্তি পাবে এটা কনফার্ম। আগামী বছর শুরুর দিকে ‘বীর’ আসবে। খুব শিগগির ‘বীর’-এর ফার্স্ট লুক প্রকাশ করবো।’

ঢালিউডের সিনেমার বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে কিং খান বলেন, ‘একটা সময় এদেশের সিনেমার বাজার রমরমা ছিলো। যখন তাতে ভর করলো অশ্লীলতা তখনই সিনেমাপ্রেমীরা হল হল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

যৌথ প্রযোজনা ও ভালো গল্পের কিছু রিলিজের কারণে নেই দর্শকগুলোই আবার হলমুখী হয়েছে। কিন্তু নিয়ম-নীতি দিয়ে আটকে যৌথ প্রযোজনায় কাজ বন্ধ হওয়ায় আবার তারা হলবিমুখ হয়েছে।

যারা আন্দোলন করে যৌথ প্রযোজনা আটকালো তাদের মধ্যে কিছু মানুষ আমাকে এখন বলছে, যৌথ প্রযোজনাই ভালো ছিল। সিনেমা হলগুলো সচল ছিল। না বুঝেই আন্দোলন নেমেছিল।

আমি তখনই বলেছিলাম, ব্যক্তি আক্রোশ থেকে ঈর্ষান্বিত হয়ে করা হচ্ছে। যাদের হাতে কাজ নেই তারা এখন আমাকে উপলব্ধি জানিয়ে অনুতপ্ত হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিতে যে সমিতি-সমিতি খেলা চলছে। এগুলোর তৎপরতা না কমলে সিনেমার কোনো উন্নতি হবে না। আর এতো নিয়মনীতি দিয়ে আটকালে সৃজনশীল কাজ হয় না।

Shahrukh-Khan-1.jpg

সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে শাহরুখ খান-গৌরি জুটির একটি ভিডিও। সেখানে গৌরির ওড়না তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন শাহরুখ। ভক্তরা কিং খানকে একজন আদর্শ, ম্মার্ট স্বামী হিসেবে প্রশংসা করছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি প্রসাধনী সংস্থার অনুষ্ঠানে স্ত্রী গৌরী খানকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন শাহরুখ। প্রসাধনী সংস্থার আয়োজিত অনুষ্ঠানের রেড কার্পেটে হাঁটতে গিয়ে গৌরীর গাউনের বেশ কিছুটা অংশ মাটিতে পড়ে যায়।

ওই ঘটনা শাহরুখের চোখে পড়তেই তৎপর হয়ে ওঠেন তিনি। গৌরীর পোশাকের ওড়না মাটি থেকে তুলে নিয়ে, হাতে ধরে হাঁটতে শুরু করেন।

নিজের বা গৌরী খানের ম্যানেজারকে ওই কাজ করতে দেননি কিং খান। ইন্টারনেটে ওই ভিডিও প্রকাশ হওয়ার পরই তা ভাইরাল হয়ে যায়।