বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

alia-ranbir-1910221337.jpg

রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের প্রেমের গুঞ্জন অনেক দিনের। তারা বিয়ে করছেন বলেও গুজব ছড়িয়েছে বেশ কয়েকবার। এবার আর প্রেম বা বিয়ের গুজব নয়, ভাইরাল হলো তাদের বিয়ের কার্ড!

কার্ডে ছাপা হয়েছে, ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি বিয়ে করতে যাচ্ছেন রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট জুটি। ঋষি কাপুর ও নীতু কাপুরের তরফে বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কার্ডে লেখা হয়েছে, নীতু ও ঋষি কাপুর তাদের ছেলে রণবীরের সঙ্গে সোনি ও মুকেশ ভাটের মেয়ে আলিয়ার বিয়েতে সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।

২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি, বুধবার বসবে বিয়ের আসর। জায়গা- রাজস্থানের উমিধ ভবন। এখানেই প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসের বিয়ের আসর বসেছিল। তাহলে কি সত্যিই এবার তারা সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন?

এদিকে বিয়ের কার্ডে একপলক দেখলে তাই মনে হবে। কিন্তু একটু খুঁটিয়ে দেখার পরেই ভুল ভাঙবে। যে কার্ডটি স্রেফ ফটোশপের কারসাজি এতে কেনো সন্দেহ নেই। বেশ কয়েকটি ভুল ধরা পড়েছে কার্ডে।

প্রথমত, কার্ডে আলিয়ার নামটাই ভুল লেখা হয়েছে। ‘আলিয়ার’র বদলে লেখা রয়েছে ‘আলিয়া’। এছাড়া, আলিয়ার বাবার নাম মহেশ ভাটের জায়গায় লেখা হয়েছে মুকেশ ভাট। মুকেশ ভাট সম্পর্কে আলিয়ার কাকা।

কার্ডে বিয়ের দিনক্ষণও সঠিক লেখা হয়নি। ‘২২’ না লিখে ‘২২তম’ লেখা হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায়, এগুলো যে রণবীর-আলিয়ার অনুরাগীদের কাণ্ড, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

salman-20191022114617.jpg

সালমান খান প্রায়ই রেগে যান। কখনো ভক্তদের তার সঙ্গে সেলফি তোলার প্রতিযোগিতা দেখে ক্ষিপ্ত হন, কখনো শুটিংসেটের অনিয়ম দেখে রাগ করেন। এবার রাগ করে বিগবস ছাড়তে চাইলেন সালমান। বিগবস ১৩ নিয়ে নানা ঝামেলা চলছে শুরু থেকেই।

সালমান খান উপস্থাপিত এই অনুষ্ঠানটি নিয়ে অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছিল সম্প্রতি। সপ্তাহ খানেক আগে এই শোতে ‘বেড ফ্রেন্ড ফরএভার’ নামে একটি নতুন পর্ব চালু করার কারণে বিগবস নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। এবার সালমান নিজেই তার দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চেয়েছেন।

‘বিগ বস ১৩’ অফিসিয়াল পেজে দুটি প্রোমো শেয়ার করা হয়। যার একটিতে দেখা যাচ্ছে সালমান খান বলছেন, ‘এ সপ্তাহে একজন নয় দু’জনকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হবে। অন্য একটি প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে এক মহিলা প্রতিযোগীর সঙ্গে তর্ক করছেন সাল্লু ভাই।

ওই মহিলা প্রতিযোগীকে সালমান বলেন, ‘আমার দেওয়া নির্দেশকে মজা হিসেবে না নিয়ে গুরুত্ব সহকারে তা পালন করো।’

এরপর নিজের কোট ছুড়ে ফেলে সেটের বাইরে বেরিয়ে যান সালমান। সেই সঙ্গে বিগ বসের প্রযোজকদের নির্দেশ দেন উপস্থাপক হিসেবে অন্য কাউকে খুঁজে নিতে। ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও।

এ সপ্তাহে কার বাদ পড়ার সম্ভাবনা বেশি, বিগ বসের প্রতিযোগীদের কাছে এই প্রশ্ন করতেই উঠে এসেছে দুটি নাম। এক, মিউজিক কম্পোজার আবু মালিক। অন্যজন পরস ছাব্বার। এছাড়াও সিদ্ধার্থ দে রয়েছেন সেই তালিকায়।

anoara-and-ranjit-5dadeea28ef7a.jpg

জমকালো আয়োজনে সোমবার সন্ধ্যায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হলো টিএম ফিল্মস নিবেদিত ‘ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (বিবিএফএ)’-এর প্রথম আসর।

বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারের নবরাত্রী মিলনায়তনে যেন দুই বাংলার তারার মেলা বসেছিল। সন্ধ্যা হতেই মিলনায়তনে একে একে হাজির হতে থাকেন সব জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। পশ্চিমবঙ্গের তারকা প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা, জিৎ,আবির চ্যাটার্জি, তনুশ্রী দত্ত, পরমব্রত, পাওলি দাম এবং বাংলাদেশ থেকে মৌসুমী, ওমর সানি, জয়া আহসান, বিদ্যা সিনহা মিম, নুসরাত ফারিয়া, পরীমনি, ইমন, নিরব, তাসকিন, সিয়াম, পূজা চেরিসহ অনেক তারকা। ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া ও বসুন্ধরা গ্রুপের উদ্যোগে এ আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে টিএম ফিল্মসের চেয়ারপারসন ফারজানা মুন্নী বলেন, ‘দুই বাংলার সেরা শিল্পীদের সম্মান জানাতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। দুই বাংলায় চলচ্চিত্রে এখন সংকট চলছে, ঠিক এই সময়ে চলচ্চিত্রের পথে পা বাড়িয়েছে আমাদের টিএম ফিল্মস। নতুন সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলার প্রয়াসে আমরা প্রযোজনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বপ্ন দেখছি দেশের চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পৌঁছে দেওয়ার।’

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্যে রাখেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান, ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার সভাপতি ফিরদাউসুল হাসান ও বিবিএফএ এর সমন্বয়ক তপন রায়। এর কিছুক্ষণ পর মাইক্রোফোনে ভেসে আসে আজীবন সম্মাননার ঘোষণা। চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম ও ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিককে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়ে আনোয়ারা বেগম বলেন, ‘এ ধরণের একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ। দুই বাংলা মিলিয়ে এতো এতো তারকা থাকতে আমাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে এটা আমি কখনো ভাবিনি। সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা।’

রঞ্জিত মল্লিক বলেন, ‘বাইশ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। তাদের এ আয়োজন প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ আয়োজন যেন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে। যৌথভাবে সিনেমা নির্মাণের যে প্রয়াস চলছে, তা যেন আরও বেগবান হয়। আরেকটা কথা না বললেই নয়, আমি পৃথিবীর বহু দেশে ঘুরেছি, কিন্তু বাংলাদেশে আসলে যে আতিথেয়তা পাই তা পৃথিবীর আর কোথাও পাই না।’

বর্ণাঢ্য এ সন্ধ্যা যেন দুই বাংলার চলচ্চিত্রের রথি-মহারথিদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী  ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা একই ভাষায় কথা বলি। আমরা একই পাখির কলতান শুনি। কিন্তু রাজনৈতিক সীমারেখা আমাদেরকে বিভক্ত করেছে। আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং জলবায়ুও এক। আমাদের মধ্যে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান নিশ্চয় আমাদের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক দৃঢ করবে। এ কারনেই আজকের আয়োজন। চলচ্চিত্র জীবনের কথা বলে, মানুষকে কাঁদায়, হাসায়, চলচ্চিত্র চিন্তার দুয়ার খুলে দেয়। আমার বিশ্বাস, এ আয়োজনের মধ্যদিয়ে আমাদের সম্পর্ক নতুন এক মাত্রায় পৌছাবে।

কলকাতার জনপ্রিয় নির্মাতা গৌতম ঘোষ বলেন, ‘সিনেমার যে সময় সেটা আশ্চার্য ম্যাজিক। যেটা এক হাজার বছরের গল্প মাত্র দু’বছরে বলা যায়। আবার পাঁচ মিনিটের গল্প দুই ঘণ্টায় বলা যায়। সিনেমায় আমরা সময়কে সংকুচিত করতে পারি। আবার প্রসারিত করতে পারি। এক আশ্চার্যজনক মাধ্যমে আমরা কাজ করি। সিনেমা কি সত্যি দুই বাংলার মানুষের মধ্যে প্রীতি ও মিলন বয়ে আনতে পেরেছে? এটা নিয়ে একটা লেখা আরও আগেই লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সময়ের কারণে হয়ে ওঠেনি। সিনেমা আমাদের একত্রিত করে দিবে, মানুষের মধ্যে আর কোনো বিভেদ থাকবে না। সিনেমা যে কাজটা করতে পারে সেটা হলো আমাদের স্মৃতিমালাকে একত্রিত করতে পারে। আর সেই প্রত্যাশাই রইলো।’

পশ্চিমবঙ্গের পর্যটক মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুই বাংলার দারুণ এক সম্পর্ক ফুটে উঠেছে। আমাদের দুই বাংলার ইতিহাস ও সম্প্রীতি এ আয়োজনের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হবে। এই ঢাকা শহরে ১৯৬৫ সালে প্রথম চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন হয়েছিল। যেখানে সত্যজিৎ রায় উপস্থিত ছিলেন। এই শহরেই আবার তেমন একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। এটা বেশ আনন্দের। দুই বাংলার সংস্কৃতিতে একটা সময় অস্থিরতা ছিল। কিন্তু সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দূর হয়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে তা আরও দৃঢ হবে। সিনেমা তো শিল্প, একে চর্চা করতে হয়। এছাড়া তো একে আর সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কেন পথ নেই। আগে কিন্তু একটা সময় ছিলো, ভালো কাজ হলে দুই বাংলাতেই টের পাওয়া যেত। কিন্তু এখন অর সেটা হয় না। এক ধরনের ভালো কাজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন দুই বাংলার জুরি বোর্ডের সদস্যরা। বাংলাদেশের আলমগীর, কবরী, ইমদাদুল হক মিলন, খোরশেদ আলম খসরু ও হাসিবুর রেজা কল্লোল ছিলেন জুরি বোর্ডে। অন্যদিকে ভারত থেকে ছিলেন গৌতম ঘোষ, ব্রাত্য বসু, গৌতম ভট্টাচার্য, অঞ্জন বোস ও তনুশ্রী চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সার্বিক সহযোগিতায় আছে ভারতের জি-বাংলা ও বাংলাদেশের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে আছে এটিএন বাংলা ও গানবাংলা টেলিভিশন। ইভেন্ট পার্টনার ওয়ান মোর জিরো। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন কলকাতার মীর আফসার আলী ও বাংলাদেশের শাহরিয়ার নাজিম জয়।

mehj5dad5faa97163.jpg

সম্প্রতি ইন্টারনেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরীর একটি ভিডিও। যাতে দেখা গেছে, ঢাকার একটি বিপণিবিতানে পরিচালক আদনান আল রাজীবের হাত ধরে হাঁটছেন মেহজাবিন। ভিডিওটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে কোনো কথা বলছিলেন না তিনি। অবশেষে মুখ খুললেন মেহজাবিন। জানালেন, রাজীবের সঙ্গে ভাইরাল সেই ভিডিওটি নিয়ে।

মেহজাবিন বলেন, ‘প্রকাশিত ভিডিওটি আমিও দেখেছি। আমি কেবল একজন মানুষের হাত ধরেছি। এটা তো তেমন কিছু না। গত শুক্রবার বিকেলে আমরা মার্কেটে গিয়েছিলাম। ভক্তদের কেউ সেখান থেকে ভিডিওটি করে হয়তো ইন্টারনেটে আপলোড করেছে। এ নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই।’

বন্ধুদের সঙ্গে হাঁটতে গেলে সবার সঙ্গে যেন তাল মিলিয়ে হাঁটতে পারেন সে চেষ্টা থাকে মেহজাবিনের। যেন অন্যদের চেয়ে পেছনে না পড়ে যান। তাই পাশে যে বন্ধু থাকে তার হাত ধরে হাঁটেন তিনি। রাজীবের হাত ধরে হাঁটার বিষয়টিকে তেমন মনে করলেই হয়। এটা কোনো ব্যাপার না বলেই মন্তব্য মেহজাবিনের।

এর আগেও নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন উঠেছিলো মেহজাবিনের। সে সময় তাদের সম্পর্ককে স্রেফ বন্ধুত্ব বলেই উড়িয়ে দিয়েছিলেন মেহজাবিন। সম্পর্কের বিষয়টা উড়িয়ে দিলেন এবারও।

মেহজাবিন বলেন, আমার জীবনে কিন্তু কাছের মানুষ অল্প কয়েকজন। ঘুরেফিরে এই কয়েকজন মানুষের সঙ্গে আমাকে দেখা যাবে। আগামী ১০ কিংবা ২০ বছর এই কয়েকজনকেই সবাই আমার আশপাশে দেখতে পাবেন। বিনোদন অঙ্গনে ফ্রেন্ড সার্কেল খুবই ছোট।

সেই ছোট ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে থেকে বার বার কেন একই নির্মাতার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন উঠছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে মেহজাবিন বলেন, কেন হয় তা তো বলতে পারব না। মানুষ কথা বলতে পছন্দ করছে। এটা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই। বলছে, বলুক। কোনো সমস্যা নেই। তবে দর্শকদের আগেও বলেছি এখনও বলছি, বিয়েশাদি আল্লাহর হাতে। যেদিন আমার বিয়ে হবে বা করব, সেদিন সবাইকে জানিয়েই করব। তার আগে এটা নিয়ে কোনো কথা বলব না। এই যেমন কবে হবে, কী করব বিয়েতে, কাকে করব—এগুলোর কোনো উত্তর এখনই দিতে চাই না।

এদিকে নাটকের অভিনয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মেহজাবিন। সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনের শুটিং শেষ করেছেন বলে জানালেন নাটকের জনপ্রিয় এ তারকা।

sahrukh-20191021162113.jpg

বেশ ফুরফুরে মেজাজে সময় কাটাচ্ছেন শাহরুখ খান। এরই মধ্যে স্ত্রী গৌরিকে নিয়ে আলিবাগের বাংলোতে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি। গত শনিবার দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গেও দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেই সব ছবি এখন ভেসে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এবার শাহরুখ খানের নতুন একটি ছবি নিয়ে আলোচনা চলছে। রোববার ‘দোস্ত অফ গড’ লেখা একটি স্টাইলিশ ডিসট্রেসড ডেনিম জ্যাকেট পরে দেখা গেছে শাহরুখকে। বলিউড বাদশাকে সাধারণত এমন স্টাইলে দেখা যায় না।

শাহরুখ জানান, সম্প্রতি এই জ্যাকেটটা তাকে উপহার দিয়েছেন দীর্ঘদিনের বন্ধু করণ জোহর ছবির ক্যাপশনে কিং খান লিখেছেন, ‘আরও একবার ধন্যবাদ তোমাকে করণ জোহর। তোমার ফ্যাশনিস্তা স্টাইল সেন্সের সঙ্গে কোনো দিনই ম্যাচ করতে পারব না। কিন্তু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

শাহরুখের পোস্টটি রিটুইট করেছেন করণ জোহর। এ পোশাকে বন্ধুকে বেশ মানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ইতোমধ্যে শাহরুখ খানের এই টুইটে লাইকের সংখ্যা ৪৯ হাজার ছাড়িয়েছে। রিটুইট হয়েছে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি বার।

একই জগতের দুই ব্যতিক্রমী তারকা শাহরুখ খান ও করণ জোহর। একজন অভিনয় জগতের ‘কিং খান’ আরেকজন বহুমুখী প্রতিভাবান পরিচালক ও প্রযোজক।

শাহরুখ খান অভিনীত করণ জোহরের ‘মাই নেম ইজ খান’ (২০১০) দারুণ ব্যবসাসফল ও প্রশংসিত হয়েছিল। ২০১১ সালের সেরা পরিচালক হিসেবে ভারতের বড় বড় সব ক’টি অ্যাওয়ার্ড এসেছিল করণ জোহরের ঝুলিতে। সঙ্গে সেরা অভিনেতা ও সেরা অভিনেত্রী হিসেবেও শাহরুখ খান ও কাজল পেয়েছিলেন বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড।

করণের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আছে তিনটি। ধর্ম প্রডাকশনস, ধর্ম ২.০ এবং ধার্মাটিক প্রডাকশনস। এগুলো যথাক্রমে সিনেমা, বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন, টিভি শো ও ডিজিটাল সিনেমা নির্মাণ করে।

shiddik-20191021213841.jpg

স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও পরকীয়ায় আসক্তির অভিযোগে স্বামী অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানকে ডিভোর্স দিয়েছেন মডেল-অভিনেত্রী মারিয়া মিম। দুজনের সিদ্ধান্তেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন মিম।

গত শনিবার (১৯ অক্টোবর) ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর করেন মিম। ২৩ অক্টোবর ডিভোর্স পেপার সিদ্দিকের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।

মিমের অভিযোগ, ‘কিছু দিন আগেই একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার কথা থাকলেও বিজ্ঞাপনটির নির্মাতা রানা মাসুদকে সিদ্দিক প্রভাবিত করেছেন তাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে নেয়ার জন্য। সিদ্দিক নিজেও একজন শোবিজের মানুষ। অভিনয় করেন। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু স্বামী হিসেবে আমি ওর কাছে কোনো সহযোগিতা পাই না।’

সিদ্দিক এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছিলেন, মিডিয়ার কাজ নয়, অন্য কোনো কারণেই মিম তাকে ডিভোর্স দিতে চায়। তখন মিমের চারিত্রিক ত্রুটি নিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেন তিনি৷

তার জবাবে মিম গণমাধ্যমে সিদ্দিকের পরনারীতে আসক্তির কথা জানান। বিভিন্ন সময় তার ওপর নির্যাতন করতেন সিদ্দিক সেই কথাও বলেন। স্বামী হিসেবে সিদ্দিককে ব্যর্থ দাবি করে তার জীবন থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তারই প্রেক্ষিতে ১৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্দিককে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন তিনি।

এদিকে আজ সোমবার নিজের ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে সিদ্দিকের সঙ্গে সংসারের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানান মিম। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আজ আমি একজন মেয়ে বলেই আমাকে সব কিছু মেনে নিতে হবে। মেনে নিতে হবে সকল অত্যাচার, সহ্য করতে হবে সকল মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন। শুনতে হবে সকল মিথ্যা অপবাদ। রাতের পর রাত, দিনের পর দিন সবকিছু সহ্য করেছি এবং একা একা কেঁদেছি।

অনেক আগেই চেয়েছিলাম সম্পর্কটা শেষ করে দেই, তখনই বাধা দেওয়া হয়েছে কারণ তুমি একজন নারী। তোমার সবকিছু এডজাস্ট এবং স্যাক্রিফাইস করতে হবে। একটা মেয়ে তার সবকিছু ছেড়ে দিয়ে একটা নতুন মানুষের সাথে ঘর বাঁধে, স্বপ্ন দেখে সারা জীবন একসাথে থাকবে, স্বপ্ন দেখে সুন্দর একটা সংসার। কিন্তু সেই মানুষটা যখন বদলে যায় এবং ভুলে যায় স্ত্রীর প্রতি সমস্ত দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যবোধ তখন হতাশা আসে।

কীভাবে একজন স্ত্রী মেনে নিতে পারে তার স্বামীর সাথে অন্য মেয়ের সম্পর্ক, কীভাবে মেনে নিতে পারে রাতের পর রাত স্বামীর বাসায় না ফেরা। কারণ সে একজন নারী এবং নারী বলেই সবকিছু চোখ বন্ধ করে সহ্য করতে হবে। কিন্তু আর কত সহ্য করবো, আর কতবার নির্যাতনের শিকার হবো। তাই সবকিছুর পরে অনেক চিন্তা ভাবনা করে আমি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেই।

কারণ আমিও মানুষ, আমারও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। অবশেষে বাধ্য হয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজে স্বাক্ষর করে জমা দিয়েছি। একটা দীর্ঘদিনের বেদনা, কান্না এবং চাপা কষ্ট সবকিছু নিয়ে সিদ্দিকুর রহমানের সাথে আমি আমার সম্পর্ক ছিন্ন করেছি।’

একমাত্র ছেলেকে সিদ্দিক দেখা করতে দেয় না দাবি করে তিনি লেখেন, ‘আমাদের সেপারেশনের পর থেকে সিদ্দিকুর রহমান আমার একমাত্র আদরের সন্তান আরশ হোসাইনের সাথে দেখা করতে দেয় না এবং কথাও বলতে দেয় না। এই জন্য আমি সিদ্দিকুর রহমানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাবো যেন আমার বাচ্চা আমার কাছে থাকে। একমাত্র একটা মা জানে তার সন্তানের সাথে দেখা না করার, কথা না বলা কতটা কষ্টের এবং দুঃখের।’

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ২৪ মে মারিয়া মিমকে ভালোবেসে বিয়ে করেন সিদ্দিক।

jenelia-d-suja-desh-rupanto.jpg

২০১২ তে রীতেশ দেশমুখের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে একরকম অভিনয় থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন জেনেলিয়া ডি সুজা। স্বেচ্ছায় মনোযোগী হন সংসারে। তাদের জীবনে এসেছে দুই সন্তানও।

জানা যায়, আবারও সিনেমায় ফিরছেন জেনেলিয়া ডি সুজা। সংসার সামলে জেনেলিয়া জিমে যাওয়াও শুরু করেছেন। খুব শিগগিরই তাকে দেখা যাবে একটি তেলেগু সিনেমাতে। তবে কোন চরিত্রে তিনি অভিনয় করছেন তা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে রীতেশ এখন মারাঠি সিনেমার নামকরা অভিনেতা। কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে মাউলি। বক্স অফিসে খুবই বড় সাফল্য এই সিনেমার। এছাড়াও হাউসফুল ৪-এ দেখা যাবে রীতেশ দেশমুখকে।

Siddique-Mim-2.jpg

অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান ও তার স্ত্রী মডেল মিমের সংসারিক ঝামেলা নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরেই গণমাধ্যমে বেশ লিখালিখি চলছে। মিম নিজেও বিচ্ছেদ নিতে চান বলে জানিয়েছিলেন গণমাধ্যমে।

সেই শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে মিম তার ফেসবুক মাইডে তে টিপ সই দেয়া আঙ্গুলের ছবি পোস্ট করেন। আর ক্যাপশনে লিখেন, তালাক দিয়ে দিলাম, আজ থেকে আমি তোমার বউ না, তুমি আমার স্বামী না। আর এরপর থেকেই শুরু তাদের ডিভোর্স নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হতে থাকে।

বিষয়টি নিয়ে মিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আসলে আমি মজা করে মাইডে দিয়েছিলাম।কিন্তু যারা নিউজ করেছে তারা আমার সাথে কথা না বলে করে ফেলেছে।

ডিভোর্সের মত বিষয়টি নিয়ে মজা কথা কতটুকু যৌক্তিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে আমি না বুঝেই ছবিটি দিয়েছিলাম। আমি বুঝতে পারিনি যে এমন পরিস্থিতি দাঁড়াবে।

এর আগে মিম গণমাধ্যমেক জানিয়েছিলেন, শুধু মিডিয়ায় কাজের বিষয় নয়, সিদ্দিকের সঙ্গে ঘর ভাঙার শতশত কারণ আছে। যেগুলো এতদিন আমি সহ্য করেছি। যা এখন আর সহ্য করতে পারছি না। এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা বললে গ্রেফতার হবেন সিদ্দিক।

২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন সিদ্দিক। ২০১৩ সালের ২৫ জুন তারা পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন।

এদিকে সিদ্দিকুর গণমাধ্যমকে জানান, ঝামেলার সূত্রপাত মারিয়ার একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করাকে কেন্দ্র করে। মারিয়া সেই বিজ্ঞাপনে কাজ করতে চাইলেও সিদ্দিকুর তাকে বাঁধা দেয়। যদিও সেই বিজ্ঞাপনে আর মারিয়ার কাজ করা হয়নি। এরপর থেকেই তাদের সাংসারিক কলহ বাড়তে থাকে। সেই জেরেই ঈদের সময় বাড়ি গিয়ে আর না ফিরে তালাক চাইছেন স্ত্রী।

স্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ নিয়ে সিদ্দিকুর বলেন, ছেলেটার দিকে তাকিয়ে দিনের পর দিন সহ্য করেই যাচ্ছি। কিন্তু সব কিছুর তো একটা শেষ আছে। যেহেতু বিচ্ছেদ হচ্ছেই, অনেক কিছু প্রকাশ্যে নিয়ে আসবো। সংবাদ সম্মেলন করে সব জানাবো।

মিমের অভিযোগ, ‘বিয়ের পর সিদ্দিক আমাকে সব কাজ ছেড়ে দিতে বলে। আমি তার সব কথা মেনে নিতাম- যদি সে আমাকে মানসিকভাবে শান্তি দিতো এবং ভালোবাসতো। আমি এতদিন সবকিছু সহ্য করে গেছি। এখন বুঝতে পারছি- জোর করে কিছু হয় না। অন্তত সংসার, সম্পর্ক, ভালোবাসা।’

মারিয়া মিম বলেন, ‘আমার কাছে প্রমাণ আছে একাধিক মেয়ের সঙ্গে ওর সম্পর্ক রয়েছে। মাঝে মধ্যে প্রায় সারারাত বাইরে কাটিয়ে বাসায় ফিরতো। বাসায় ফিরে ছেলের ঘুম ভাঙাতো। আমাকে সে মোটেও সময় দিতো না। বাইরেই যখন তার এতো কাজ তাহলে তো স্ত্রীর কোনো দরকার নেই।’

Narendra-Modi-Shahrukh-Amir.jpg

বলিউডের দুই খান- আমির ও শাহরুখের সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়। আর এই সমীকরণ আজকের নয়। বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সব দ্বন্দ্ব ভুলে দু’জন পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে অভিবাদন জানালেন।

এই ঐতিহাসিক ঘটনার পুরো কৃতিত্বটাই শাহরুখ দিলেন নরেন্দ্র মোদিকে।

সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি বলিউডের তারকাদের সঙ্গে দেখা করেন। গান্ধীবাদ যাতে বলিউডের ছবির মাধ্যমে দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় সেই উদ্দেশ্য নিয়েই এদিন মোদী তারকাদের সঙ্গে দেখা করেন। এই অনুষ্ঠানের বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শাহরুখ মোদির পাশে দাঁড়িয়ে মাইকে বলছেন, ধন্যবাদ স্যার (নরেন্দ্র মোদি) আমাদেরকে এখানে ডাকার জন্য। সাধারণত অভিনেতারা সঠিক সময়ে কোথাও আসেন না। আর একসঙ্গে সবাই এক জায়গায় হন না। আপনার জন্য সবাই এক জায়গায় হলেন।

শাহরুখকে সঙ্গে সঙ্গে ভুল ধরিয়ে দিয়ে মোদি বললেন, তার জন্য নয়। মহাত্মা গান্ধীর জন্যই তারা এক জায়গায়। শাহরুখ শুধরে নিয়ে বললেন, আমি আর আমির আলিঙ্গনও করলাম। আমাদের মধ্যে ভালোবাসা বাড়ছে।

মুহূর্তে এই ভিডিওটি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। আর একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসা করে শাহরুখ বলছেন, সিনেমা শুধু ব্যবসা-কেন্দ্রিক নয়। আর এটি একটি দারুণ উপায় এমন একটি কাজে সবাইকে এক জায়গায় আনার জন্য। আমিরও নরেন্দ্র মোদির এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তবে এই অনুষ্ঠানে এসে যে আমির ও শাহরুখের মধ্যে দূরত্ব কিঞ্চিৎ কমেছে তা বলাই বাহুল্য।

joya1-20191020171909.jpg

চলতি বছরের ১০ মে কলকাতায় মুক্তি পেয়েছিলো দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনীত ‘কণ্ঠ’ সিনেমাটি। বেশ প্রসংশা কুড়িয়েছিলো এই সিনেমা। এক সময়ের সুপাস্টার ঋষি কাপুর ও ভারতের বিখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন দেবী শেঠি ও তার টিমও ছবিটি দেখে প্রশংসা করেছেন।

ভারতের উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউজ প্রযোজিত নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জি পরিচালিত ‘কণ্ঠ’ সিনেমাটি এবার মালায়ালাম ভাষায় নির্মাণ হচ্ছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘শব্দম’।

জানা যায়, ‘কণ্ঠ’ মুক্তির আগেই এর রিমেক স্বত্ব কিনে নিয়েছিলেন মালায়ালাম পরিচালক রাজেশ নাইয়ার। তিনিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলচ্চিত্রটির নাম শেয়ার করেছেন। এখন পর্যন্ত ছবিটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন জয়াশুরিয়া। এই ছবিতে জয়া আহসান থাকবেন কী না জানা যায়নি এখনো।

সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। অন্য দুটি উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিবপ্রসাদ মুখার্জি ও পাওলি দাম। গল্পটি মূলত এগিয়েছে একজন রেডিও জকির ক্যানসারে কণ্ঠ হারানোর বেদনা এবং কণ্ঠ প্রশিক্ষকের সাহায্যে তার ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে।

বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন জয়া। ‘বিসর্জন’ ও ‘বিজয়া’ ছবির পর সম্প্রতি কৌশিক গাঙ্গুলির নতুন ছবি ‘অর্ধাঙ্গিনী’তে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। এতে অভিনেতা অম্বারিশ ভট্টাচার্য ও কণ্ঠশিল্পী শ্রীকান্ত আচার্যের ছেলে পুরবও অভিনয় করবেন।

চলতি বছরের শুরুতে জয়া ‘বিনিসুতোয়’ নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ঋত্বিক চক্রবর্তীর বিপরীতে। এরপর অতনু ঘোষের ‘রবিবার’ চলচ্চিত্রের শুটিং শেষ করেছেন। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ।

সর্বশেষ গেল সেপ্টেম্বরে জয়া আহসান শুটিং করেন কলকাতার ‘ভূতপরী’ সিনেমায়। সুরিন্দর ফিল্মস ও কোয়েল মল্লিক নিবেদিত এই ছবিটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করছেন জয়া।