বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Suchitra-sen.jpg

সুচিত্রা সেন। ভারতীয় বাংলা চলচিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। রূপালি পর্দার উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও তুমুল দর্শকপ্রিয়।

আজ সুচিত্রা সেনের ৮৯তম জন্মদিন। তিনি জন্মসূত্রে বাংলাদেশি। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনা জেলার সদর পাবনায় সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

তার বাবার বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রাম। তার নাম রাখা হয়েছিল রমা দাশগুপ্ত।

বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা।

সুচিত্রা সেন পাবনা শহরেই পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী।

বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

১৯৬৩ সালে ‘সাত পাকে বাঁধা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সুচিত্রা সেন সিলভার প্রাইজ ফর বেস্ট অ্যাকট্রেস জয় করেন।

১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে। শোনা যায়, ২০০৫ সালে তাকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। কিন্তু সুচিত্রা সেন জনসমক্ষে আসতে চান না বলে এই পুরস্কার গ্রহণ করেননি।

২০১২ সালে তাকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়।

১৯৪৭ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়। তাদের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী। ১৯৫২ সালে সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত হন।

সুচিত্রা সেনের প্রথম ছবিটি মুক্তি পায়নি। ১৯৫২ সালে শেষ কোথায়’ ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়।

সুচিত্রা উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে প্রথম অভিনয় করেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য লাভ করে এবং উত্তম-সুচিত্রা জুটি একের পর এক হিট ছবি উপহার দিতে থাকেন তারা।

বাংলা ছবির এই অবিসংবাদিত জুটি পরবর্তী ২০ বছরে ছিলেন আইকন স্বরূপ। ১৯৫৫ সালের ‘দেবদাস’ ছবির জন্য সুচিত্রা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেন, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি। উত্তম কুমারের সাথে বাংলা ছবিতে রোমান্টিকতা সৃষ্টি করার জন্য তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বিখ্যাত অভিনেত্রী।

১৯৬০ ও ১৯৭০ দশকে তার অভিনীত সবকটি ছবিই ব্যবসা সফল। স্বামী মারা যাওয়ার পরও তিনি অভিনয় চালিয়ে গেছেন। এদের মাঝে ছিল হিন্দি ছবি আন্ধি’। এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন নেত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। বলা হয় যে চরিত্রটির প্রেরণা এসেছে ইন্দিরা গান্ধী থেকে।

‘আন্ধি ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং তার স্বামী চরিত্রে অভিনয় করা সঞ্জীব কুমার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন।

১৯৭৮ সালে সুদীর্ঘ ২৫ বছর অভিনয়ের পর তিনি চলচ্চিত্র থেকে অবসরগ্রহণ করেন। এর পর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন।

২০০৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য সুচিত্রা সেন মনোনীত হন, কিন্তু ভারতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে স্বশরীরে পুরস্কার নিতে দিল্লি যাওয়ায় আপত্তি জানানোর কারণে তাকে পুরস্কার দেওয়া হয় নি।

২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এ কিংবদন্তি শিল্পীর মৃত্যু হয়।

SRK1.jpg

এই মুহূর্তে ভারতজুড়ে শাহরুখ খানের প্রশংসায় মেতেছে সবাই। মুম্বাই, দিল্লী, কলকাতার মতো বড় আর গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যগুলোতে করোনা মোকাবিলায় বিপুল সাহায্য দান করেছেন বলিউড বাদশা। তাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

প্রিয় নায়কের মহানুভবতা দেখে এবার এগিয়ে এলেন তার ভক্তরাও। করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরিকালীন তহবিলে অনুদান দিলেন শাহরুখ ভক্তরা।

এই তহবিলে ১ লক্ষ টাকা তুলে দিয়েছেন কিং খানের ফ্যান পেজের সদস্যরা। শাহরুখের ফ্যান পেজ SRK Universe Fan Club-এর পক্ষ থেকে টুইট করে PM Cares Fund-এ এক লক্ষ টাকা প্রদানের কথা জানানো হয়েছে।

আরও জানা গেছে, রাজ্যের বর্ধমান জেলার শাহরুখের কিছু ভক্ত ৫০০টি পরিবারকে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রের পূর্ণা শহরেও শাহরুখের কিছু ভক্ত বিভিন্ন পরিবারকে খাবার দিচ্ছে।

তেলেঙ্গানার নিজমাবাদ ও ত্রিপুরার উদয়পুরেও শাহরুখের কিছু ভক্ত দাঁড়িয়েছে ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে। তবে ভক্তদের এই দান নিয়ে এখনো কিছু বলেননি বলিউড বাদশা।

ভারতের মানুষের কাছে শাহরুখ খান এক ভালোবাসার নাম। নিজের চারতলা অফিস ও বাড়ি করোনা সন্দেহদের রাখার জন্য কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবেও ব্যবহার করতে দিয়েছেন শাহরুখ।

কিং খান বলেন, ‘ আসুন আমরা সকলেই একে অপরের জন্য কিছু করি। ভারতবর্ষ এবং সকল ভারতবাসী আমার পরিবার।’

nusraaaaat-jahaaaan.jpg

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ছে। মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে না যায় সে কারণে গত ২৫ মার্চ গোটা দেশে লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরই মধ্যে দিল্লির নিজামুদ্দিনে তাবলিগ জামাতের মারকাজ মোদি সরকারের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত দিল্লির নিজামুদ্দিনের ওই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন। একশোর বেশি মানুষ এসেছিলেন চীন, ইয়েমেন, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ড থেকে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ৩০০ জন ইতোমধ্যেই করোনায় আক্রান্ত বলে জানা যাচ্ছে। মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।

এবার ওই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন অভিনেত্রী ও লোকসভার সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, দেশে নানা ধর্মের মানুষের বাস। এই মুহূর্তে কেউ কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে না। মারকাজের ঘটনা আমাদের অনেকটা পিছিয়ে দিয়েছে।’

নুসরাত আরও বলেন, ‘আমাদের দেশ একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আমি হাত জোড় করে মানুষের কাছে অনুরোধ করছি, এখন রাজনীতি, ধর্ম ও জাত নিয়ে কোনো কথা না বলতে। গুজব না ছড়িয়ে এখন বাড়িতে থাকাই ভালো। কোয়ারেন্টিনে থাকুন। জীবন বাঁচান, ধর্ম পরে আসবে।’

শুধু তাই নয়, তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি না করে সরকারি নির্দেশ মেনে চলা উচিত। এখন এই সমস্যাটাকে (করোনাভাইরাস) গুরুত্ব দিন। কারণ রোগ কিন্তু ধর্মকে আক্রমণ করে না। আমাদের জন্য এই সময়টা খুব স্পর্শকাতর আর যে কোনো ধর্মেরই আপনি হন, আপনার এই ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে বোঝা উচিত।’

প্রসঙ্গত, ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ভারতে লকডাউন চলবে। তারপরও আক্রান্তের সংখ্যা দেশটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। করোনাভাইরাসের ছোবল পড়েছে বিশ্বের ২০৩টি দেশে। শুক্রবার( ৩ এপ্রিল) ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু জানায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৫৩ জন। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫৫ জন।

saharukh.jpg

করোনা মোকাবিলায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষদের পাশাপাশি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সিনেমা জগতের নক্ষত্ররাও। অক্ষয় কুমার থেকে বরুণ ধাওয়ান, বা দক্ষিণী ইনড্রাস্টির সুপার স্টাররা ইতিমধ্যেই আর্থিক অনুদান দিয়েছেন।

ফলে অনেক মানুষের মনেই প্রশ্ন ছিল, শাহরুখ খান কেন এখনও চুপ? তিনি কেন অনুদান দিচ্ছে না।

অবশেষে সেই সব বিরোধীদের চমকে দিলেন এসআরকে। বাদশাহ উপাধির নাম রাখলেন তিনি। তাই শুধু আর্থিক অনুদান নয়, প্রায় একটা প্যাকেজই ঘোষণা করলেন তিনি। তবে শুধু একা শাহরুখ নয়, তার স্ত্রী গৌরী খান, তাদের প্রোডাকশন হাউজ রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট, মীর ফাউন্ডেশন এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের পক্ষ থেকে এই প্যাকেজের ঘোষণা করা হয়েছে।

তারা যে ধরণের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা হল,

১) প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল: প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান।

২) মহারাষ্ট্র মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল: রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্ট এই ত্রাণ তহবিলে দান করবে।

৩) স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) : কেকেআর ও মীর ফাউন্ডেশন যৌথ উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ ও মহারাষ্ট্র সরকারকে ৫০,০০০ পিপিই কিটস দান করবে।

৪) এক সাথ – দ্য আর্থ ফাউন্ডেশন : মীর ফাউন্ডেশন ও এক সাথ – দ্য আর্থ ফাউন্ডেশন মিলিতভাবে মুম্বাইয়ের ৫৫০০টি পরিবারের দৈনন্দিন খাদ্যসামগ্রী প্রদান করবে, কমপক্ষে এক মাসের জন্য। এছাড়াও তারা একটি কমিউনিটি কিচেন স্থাপন করবে, যেখানে প্রতিদিন ২০০০ লোকের জন্য খাবার রান্না করা হবে এবং তা হাসপাতালে ও বাড়িতে সরবরাহ করা হবে যেখানে খাদ্যাভাব দেখা গেছে।

৫) রোটি ফাউন্ডেশন: মীর ফাউন্ডেশন ও রোটি ফাউন্ডেশন প্রতিদিন ১০,০০০ খাদ্য-থলির ব্যবস্থা করবে মহারাষ্ট্রের দিনমজুর ও দরিদ্র পরিবারের জন্য, কমপক্ষে এক মাসের জন্য (মোট ৩ লক্ষ খাদ্য-থলি)।

৬) ওয়ার্কিং পিপলস চার্টার : মীর ফাউন্ডেশন ও ওয়ার্কিং পিপলস চার্টার মিলিতভাবে দিল্লির ২৫০০ জন দিনমজুরের জন্য মুদিখানার জিনিস ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যবস্থা করবে, কমপক্ষে এক মাসের জন্য।

এই প্রসঙ্গে শাহরুখ খান এক দীর্ঘ বার্তাও দিয়েছেন। কিন্তু সবশেষে তিনি যে মূল কথাটি বলেছেন তা হল, ‘রাতের পর নতুন সকাল আসবে। দিন বদলাবে না, তারিখ বদলে যাবে। আমি আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি। দয়া করে আমার জন্যও তাই করবেন।’

evril.jpg

বিকিনি পরে এর আগেও সমালোচিত হয়েছেন মডেল-অভিনেত্রী জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার খোলামেলা পোশাকের অনেক ছবিই ভাইরাল হয়েছে।

তবে এবার ইনস্টাগ্রামে বিকিনি পরা নাচের একটি ভিডিও প্রকাশ করে আবারও আলোচনায় আসলেন এই সুন্দরী।

ভিডিওতে দেখা যায়, বিকিনি পরে একটি ইংরেজি গানের সঙ্গে নাচেন তিনি। শনিবার দেওয়া এই ভিডিওটি আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দেখা হয়েছে ২৩ হাজারেরও অধিক। আর কমেন্টের ঘরের পড়েছে নানা মন্তব্য।

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগী হিসেবে আলোচনায় আসেন জান্নাতুল নাঈম এভ্রিল। ২০১৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেরার মুকুট মাথায় নিয়েও সরে আসতে হয় তাকে। প্রতিযোগিতায় সেরা না হলেও শোবিজ পাড়ায় নিজের অবস্থান গড়ে তোলেন এভ্রিল।

প্রথম অভিনয় করেন ‘এমনও তো প্রেম হয়’ নাটকে। জুনায়েদের পরিচালনায় এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন সজল। এরপর একে একে বেশ কিছু নাটক ও টেলিছবিতে অভিনয় করেন এভ্রিল।

sonakkhi-20190404154709.jpg

করোনা সংকট মোকাবিলায় ভারতীয় তারকাদের সরকারের তহবিলে অনুদান দেখছে পুরো বিশ্ব। সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় অনন্য নজির গড়েছেন অক্ষয়, প্রভাস, সালমান থেকে শুরু করে হালের সারা আলী, কার্তিক, আলিয়ারা।

শিল্পীদের বড় এই অনুদান নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও সবার প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এদিকে নেটিজেনদের একাংশের প্রশ্ন এবং সমালোচনার মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী।

এই তারকা কোনও অনুদান দিচ্ছেন না কেন বা চুপ কেন এ নিয়ে প্রশ্ন অনেকের মনেই।

এ ব্যাপারে সোনাক্ষী বলেন, কেউ কেউ দান করে ক্যামেরার সামনে তা ফলাও করে বলছেন

তবে অনুদান দিলেই যে তা সব সময় ক্যামেরার সামনে ফলাও করে বলতে হবে, তার কোনও মানে নেই।

এইসব কাজ কাউকে না জানিয়ে চুপচাপও করা যায় তাই যারা এসব ভাবছেন আমার সম্পর্কে, তাদের জন্য নীরবতা পালন করা ছাড়া কিছুই করার নাই।

করোনায় ভারত জুড়ে চলছে লকডাউন। এরই মধ্যে সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬৯০ জন। আর মারা গেছেন ৪৫ জন।

করোনাভাইরাস সচেতনতায় ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী নতুন প্রচারণায় নেমেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি ছবির ডায়ালগ পরিবর্তন করেছেন। ডায়ালগ পরিবর্তনের একটি ভিডিও তিনি পোস্টও করেছেন ইনস্টাগ্রামে। 

কলকাতায় মুক্তি পাওয়া ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ সিনেমার বেশকিছু মজার দৃশ্যের কথা হয়তো অনেকের মনে আছে। ছবিটি একটি দৃশ্যে দেখানো হয়েছে প্রেমিকের (সোহম) এইডস আছে কিনা জানতে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে ছিলেন নার্স রিয়া (মিমি)।

এবার সেই ছবির মিমি-সোহমের সেই দৃশ্যের ডায়ালগ কিছুটা বদলে করোনা সচেতনতা প্রচারে ব্যবহার করলেন সাংসদ, অভিনেত্রী মিমি।

ratan_kahar.jpg

‘গেন্দা ফুল’ নামে অতি পরিচিত বাংলা গান রিমিক্স করে ভালোই ফর্মে আছেন বাদশা। তবে গীতিকার রতন কাহারকে অবহেলা করে সমালোচনায়ও পড়ছেন। এবার গীতিকারকে খুঁজছেন মুম্বাইয়ের এই গায়ক।

এই গানে আরও কণ্ঠ দিয়েছেন পায়েল দেব। মডেল হয়েছে বলিউডের জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ।

গানটি নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হওয়ার পর বাদশা বললেন, যতটা সম্ভব, এই গানের স্রষ্টা রতন কাহারকে তিনি সাহায্য করবেন।

এ দিকে অভিমানে রতন কাহার বলেন, “আমাকে মনে রাখেনি তো কী হয়েছে। আমরা গানটা তো আবার জেগে উঠল। অভাব-অনটন নিয়েই চলে যাব। তবুও প্রতিদানে কিছু চাইব না। এটা আমার স্বভাব বলতে পারেন।”

গানটি এতদিন ‘বড়লোকের বিটি লো’ নামেই পরিচিত ছিল। ‘গেন্দা ফুল’ নামেই ভিডিও প্রকাশ হতেই তুমুল হইচই শুরু হয়। রাতারাতি পেয়ে যায় লাখ লাখ ভিউ।

বিতর্ক নিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বাদশা লেখেন, তিনি একে বাংলার অন্যান্য লোকগানের মতো ‘প্রচলিত’ হিসেবেই জানতেন। কারণ কেউ তাকে বলেননি রতন কাহারের নাম।

এর সত্যতা আছে। গানটি যখন ১৯৭০ এর দশকে রেকর্ডে প্রকাশ করেন স্বপ্না চক্রবর্তী, তখনও তিনি রতনের নাম নেননি। আরও অনেক গায়ক তার কাছ থেকে গান নিলেও প্রাপ্য সম্মান দেননি।

বাদশা জানান, লকডাউনের কারণে ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল। তিনি যতটা দ্রুত সম্ভব রতন কাহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করবেন।

এ ব্যাপারে অন্যদের সাহায্যও চান। গীতিকারের কোনো মুখপাত্র থাকলে যেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন- এই আবদার জানান।

kaissha4.jpg

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জাপানের বিখ্যাত কৌতুক অভিনেতা কেন শিমুরা। তবে বাংলাদেশের মানুষ তাকে আসল নামে চেনেন না। দেশের একটি ইউটিউব চ্যানেলের বদৌলতে তাকে সবাই কাইশ্যা নামেই চেনেন। চ্যানেলটি কেন শিমুরার ভিডিও বাংলায় ডাব করে প্রকাশ করে থাকে।

সোমবার তার মৃত্যুর খবর জানিয়েছে, জাপানের ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং অর্গানাইজেশন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

রয়টার্সের বরাত দিয়ে দ্য স্টার জানিয়েছে, সম্প্রতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন এই কমেডিয়ান। এরপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে রোববার চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। টোকিওর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এদিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই প্রাণ হারাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। ইতিমধ্যে বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লক্ষ ১৭ হাজার ৯৭৬ জন। আর সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, করোনায় বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ হাজার ৮৮৩। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৯১৪ জন।

asif4g.jpg

করোনাভাইরাস এখন বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের নাম। দেশেও এর প্রভাব পড়েছে। ধারণ করছে মহামারীরূপে। সবাই এখন ঘরবন্দী, কেউবা রয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবরও।

এই করোনায় পরিবারের সাথে ঘরবন্দী সময় কাটাচ্ছেন আর প্রতি মুহূর্তে সবাইকে সচেতন করে যাচ্ছেন প্রাণঘাতী ভাইরাসটি সম্পর্কে। পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু মুহূর্ত কাটানো নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন এ গায়ক।

সেখানে তিনি লিখেন, ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া আমাকে সাতদিনের বেশী ঘরে আটকে রাখতে পারেনি। সন্ধ্যার পর কোন দাওয়াত থাকলে খুব অস্বস্তিতে থাকি। আমার ভাইবোনরাও সন্ধ্যার পর কোন ফ্যামিলি গেটটুগেদার রাখেনা আমার যন্ত্রনায়। আমি সবসময় আমার নিজের একটা বলয়ের মধ্যে থেকেছি।

সন্ধ্যার পর কোথাও গেলেও দ্রুত চলে আসার চেষ্টা করি। যারা আমাকে কাছ থেকে চেনেন তারা এই কালচারে অভ্যস্ত।আমাদের রুটিনবিহীন জীবনে রিজিকের দৌড়ঝাঁপে মাঝেমধ্যে খুব পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ি, রাত নয়টা দশটা বেজে যায় বিছানা ছাড়তে। বেগম বাসায় ছেলেদের এলান করে দেয় আজ তোমার বাবা অফিসে ( স্টুডিও) যাবেনা। রণ রুদ্র হাসে, তারা জানে একটু চাঙ্গা হলেই বেরিয়ে পড়বে বাবা।

তিনি আরও লিখেন, গতকাল বেগমের মন খুব খারাপ থাকায় আমরা চেষ্টা করছিলাম তাকে চিয়ার-আপ করার জন্য। সবাই লক্ষ্মী ছেলের হয়ে ওর কথামতই চলেছি, মেজাজ খারাপ করার সুযোগই দেইনি। রণ রুদ্র আমার ইশারা বোঝে। মা’কে আর যন্ত্রনা দেয়ার চেষ্টাই করেনা কারন তারা জানে আমি পরিস্থিতি ঠান্ডা করার জন্য সঠিক পদ্ধতিই অবলম্বন করবো।

রণ রুদ্র’র সাথে সারাদিন এটা সেটা নিয়ে বেগমের কাহিনী চলতে থাকে। আমি শুধু অবজার্ভ করি, প্রয়োজনে মাথা ঢুকাই।আজকালকার পোলাপানের তুলনায় আমরা গার্ডিয়ানরা যে স্লো এটা বেগম বুঝতেই চায়না যতক্ষন না আমি বুঝাই। যখন আমার উপরে ক্ষ্যাপে তখন তিনজনই চুপ হয়ে যাই। আমার আম্মা এসব ব্যাপারে যথেষ্ট টনটনে স্মার্ট ছিলেন, বেগম সেই তুলনায় একটু কম মেজাজী, অভিমানী বেশী।

পরিবারকে শ্রেষ্ঠ দাবী করে তিনি লিখেন, এসব কথা লিখার কারন হচ্ছে পরিবার সম্বন্ধে একটু ধারনা দেয়া। পরিবার হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখান থেকে লদ্ধ জ্ঞান নিয়েই দুনিয়ায় চলতে হবে। করোনার কারনে অনেকদিন পর বাসায় আমরা একসাথে ডিনার করলাম। রণ বলেছে যতদিন এই ক্রাইসিস থাকবে, আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে আমরা একসাথেই দিনেরাতে খাবো। ব্যাপারটা আমারো ভাল লেগেছে, আমিও ভবিষ্যতে চেষ্টা করবো পরিবারের সাথেই খাবার খেতে।

ছেলেদের সাথে বেগমের লেগে যায়, লিমিট ক্রস করলেই তাদের পুরনো আদেশ মনে করিয়ে দেই। তোমাদের মায়ের সাথে যা খুশী তর্ক করো, আমার বউয়ের সাথে বেয়াদবী করা যাবেনা। এভাবেই আমরা আগলে রাখবো আমাদের পরিবার। অন্যথায় অশিক্ষা কুশিক্ষার সন্তান বাবা মা পরিবারের মর্যাদা বুঝবেনা। যতই দিন যাবে পরিস্থিতি করুন থেকে করুনতর অবস্থায় যেতে থাকবে। এই অভিশপ্ত নাগপাশ থেকে মুক্তি মিলবে না প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।