বিনোদন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

sahrukh-20190617150558.jpg

বলিউড বাদশা শাহরুখ খান অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও ভক্তদের হৃদয় জয় করে আসছেন। এবার অ্যাসিড আক্রান্ত নারীদের সাহায্যের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান খুললেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির নাম দিয়েছেন নিজের বাবা মীর তাজ মোহাম্মদ খানের নামে, ‘মীর ফাউন্ডেশন’। রোববার বাবা দিবসে এই প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেছেন শাখরুখ নিজেই।

প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট উদ্বোধন করে শাহরুখ খান বলেন, ‘আমার বাবার নামে ‘মীর ফাউন্ডেশন’ তৈরি করা হলো। খোলা হলো অ্যাসিড আক্রান্ত নারীদের সাহায্যের জন্য বানানো একটি ওয়েবসাইট। ওয়েবসাইটটির উদ্বোধনের জন্য বাবা দিবসের চেয়ে ভালো দিন আর কী হতে পারত।’

প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে শাহরুখ লেখেন, আমার সতীর্থরা আমাকে জীবনে সফল হওয়ার অনেক সুযোগ দিয়েছেন। আর এটাই আমি করতে চাই অন্যদের জন্য, বিশেষত নারীদের জন্য। আমি নারীদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে তারা নিজেদের মতো করে জীবনটাকে সাজাতে পারবেন। কথাটা আদর্শবাদীর মতো মনে হতে পারে, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি আমরা নারীদের সেই ক্ষমতা দিতে পারি, যাতে তারা চিন্তাহীনভাবে বাঁচতে পারেন, স্বপ্ন দেখতে পারেন।’

এ প্রসঙ্গে শাহরুখ আরো বলেন, এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে আমরা সেই নারীদের সাহায্য করতে পারি, যারা খারাপ ব্যবহার পেয়েছেন সমাজ থেকে। আমরা সবে শুরু করেছি, ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী হবো, কাজ করব যতক্ষণ না স্বপ্নটা বাস্তবে পরিণত করতে পারছি।’

এর আগে গেল বছরের ৩ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসে প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০টি হুইলচেয়ার উপহার দিয়েছেন শাহরুখ। নানা সময় এই সামাজিক কাজে পাওয়া যায় বলিউডের নাম্বার ওয়ান খানকে।

nusrat-20190611114911.jpg

কলকাতার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাতের বিয়ের বাদ্য বাজবে একদিন পরেই। ১৯ জুন তুরস্কের বোদরুম শহরে হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। প্রেমিক নিখিল জৈনকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন এই নায়িকা। আজ ১৭ জুন তাদের বিয়ের পার্টির আয়োজন হচ্ছে।

শনিবার রাতে হবু বর নিখিল জৈনকে সঙ্গে নিয়ে ইস্তাম্বুলে উড়ে গেছেন নুসরাত জাহান।

জানা গেছে, তাদের দুজনের পরিবার, বন্ধু, সহকর্মী আর মেকআপ টিমের মোট ৩০ জন গেছেন সেখানে। ১৮ জুন হবে মেহেদি ও সংগীতের অনুষ্ঠান। বিয়ের দিন সকালে হবে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান। ২০ জুন রাতে থাকছে ‘হোয়াইট ওয়েডিং’ পার্টি। সেখানে চলবে নাচ ও গানের আসর।

এরপর কলকাতায় আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গলে তাদের রিসেপশন অনুষ্ঠান হবে ৪ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। ওইদিন নিখিল-নুসরাত দু’জনেই সাজবেন ডিজাইনার সব্যসাচীর পোশাকে।

এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে নুসরাতের বিয়ের কার্ডের ছবি। ভিন্ন রকম বিয়ের কার্ডের ছবি শেয়ার করে অনেকেই শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাদের। রোববার বিয়ের কার্ডের একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। কার্ডে বর ও কনে দু’জনেকেই দেখা যাচ্ছে। পাশে ফুল লতা পাতার ডিজাইন করা।

কখন কোথায় বিয়ের অনুষ্ঠান সেইসব তথ্য দেওয়া কার্ডের উপরে। বেশ নান্দনিক এই কার্ডের ডিজাইন করেছেন মুম্বাইয়ের এক শিল্পী। কার্ডের উপরে আছে সুঁই সুতোর কাজ। নুসরাতের হবু বর নিখিল জৈন পেশায় বস্ত্র ব্যবসায়ী। আর সেই কথা মাথায় রেখেই নাকি ডিজাইন করা হয়েছে এই বিশেষ গোল আকৃতির কার্ড।

অনেকেই জানেন এটা নুসরাতের দ্বিতীয় বিয়ে। আগের বিয়ের কথা অবশ্য নুসরাত প্রকাশ্যে কোনো দিনই স্বীকার করেননি। জানা গেছে, বছর চারেক আগে রেজিস্ট্রি করে ভিক্টর ঘোষের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। ভিক্টর পেশায় এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত।

তবে জনসমক্ষে পরস্পর লিভ-ইন সম্পর্কে আছেন এমনটাই বলতেন। সংবাদমাধ্যমের সামনে অবশ্য বিয়ের কথাও স্বীকার করেননি নুসরাত। কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করে, ‘যারা বলছে আমি বিবাহিত, তারা প্রমাণ দিক। যার সঙ্গে অনেক দিন ধরে সম্পর্কে আছি, তাকেই বিয়ে করব।’

‘শত্রু’ সিনেমার মাধ্যমে টলিউডে পথচলা শুরু করেন নুসরাত জাহান। তার অভিনীত দ্বিতীয় ও তৃতীয় সিনেমা ‘খোকা ৪২০’ ও ‘খিলাড়ি’-এর মাধ্যমে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নেন। অভিনয় ক্যারিয়ারের সাত বছর পার করছেন তিনি। ইতোমধ্যে তার অভিনীত ১৮টি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।

NUSRAT.jpg

সব বাবার কাছেই তার মেয়ে রাজকন্যা। কিছুদিন আগেই লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাটের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন নুসরাত। তারপরই এসেছে আরও একটা সুখবর!

বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন টলি অভিনেত্রী। পাত্র শাড়ি ব্যবসায়ী নিখিল জৈন। ইতিমধ্যেই প্রিয় বন্ধু মিমির বাড়িতে অভিনেত্রীর আইবুড়ো ভাতের ছবি এসেছে প্রকাশ্যে। এবার নুসরাত তার ফেসবুকে পোস্ট করলেন গায়ে হলুদে বাবার সঙ্গে তার আবেগঘন ছবি।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গায়ে হলুদ মেখে বাবাকে জড়িয়ে ধরে রয়েছেন ক্রদনরত নুসরাত। ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘তুমি আমাকে মানবিকতা শিখিয়েছ… আমার খুশির জন্য সব কিছু করেছ…আমি কখনও তোমাকে এবং তোমার আদর্শকে ছোট করব না… তোমাকে খুব ভালবাসি বাবা…সব মেয়ে যেন তোমার মতো বাবা পায়… হ্যাপি ফাদার্স ডে..!’

নুসরাত-নিখিলের বিয়ের কার্ড এবং বিয়ের চারদিনের অনুষ্ঠানসূচি ইতিমধ্যে চাউর হয়ে গিয়েছে অন্তর্জালে। বিয়ের রীতি মেনে হল গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান।

প্রসঙ্গত, ডেস্টিনেশন বিয়ের চলেই বিয়ে করতে চলেছে নুসরাত। তুরস্কের বোদরুম শহরে বসছে বিয়ের আসর। ১৬ জুন ভোরের উড়ানে রওনা দিচ্ছেন বর-কনে। বিয়ের অনুষ্ঠান চলবে ১৭ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত।

fahim-movie-1906150624.jpg

ঠিক যেন ফ্রান্স জয় করলেন ডেমরার ছেলে ফাহিম মোহাম্মদ। তার উঠে আসার গল্পে মুগ্ধ হয়ে চলচ্চিত্র বানিয়েছেন ফরাসি পরিচালক পিয়ের-ফ্রঁসোয়া মার্তা-লাভাল। সেটার নামও ‘ফাহিম’। ছবিতে দেখা যাবে ফ্রান্সের বিখ্যাত অভিনেতা জেরার দেপার্দ্যুকে।

ঢাকার ডেমরার ফাহিমের গল্পটা শুরু হয় ২০০৮ সালে। মাত্র ৮ বছর বয়সে বাবা নূরে আলমের সঙ্গে ফ্রান্স পাড়ি দেয় ফাহিম। রাজনৈতিক আশ্রয়ে তার বাবা সে দেশে থাকার চেষ্টা করেন। দুই বছর পর তা প্রত্যাখ্যাত হয়। প্যারিসে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে কাটতে থাকে তাদের জীবন। এর মধ্যে আশীর্বাদ হয়ে আসে ফাহিমের দাবা খেলা। ছোটবেলা থেকে দাবাই ফাহিমের ধ্যান-জ্ঞান। সেটা এতটাই যে অবৈধ প্রবাসজীবনের দুঃসময়েও দাবার তালিম নিতে থাকে। একসময় ফ্রান্সের জাতীয় দাবা দলের সাবেক প্রশিক্ষক জাভি পারমন্টিয়েরের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করেন তিনি। এরপরই পাল্টে যেতে থাকে ফাহিমের জীবন।

ভালো প্রশিক্ষণ পেয়ে একে একে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার শিরোপা জিততে থাকে ফাহিম। ২০০৮ সালে ও ২০১৮ সালে ফাহিম মোহাম্মদছেলের সাফল্যের সুবাদে ২০১২ সালের ১১ মে তিন মাসের অস্থায়ী ওয়ার্ক পারমিট পান নূরে আলম। ফাহিম ভর্তি হয়ে যায় স্কুলে। ২০১৩ সালে গ্রিসে অনুষ্ঠিত বিশ্ব দাবা স্কুল চ্যাম্পিয়নশিপে অনূর্ধ্ব-১৩ বিভাগে সেরা হয়েছে সে। ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপেও খেলেছেন ফাহিম। বিশ্ব জুনিয়র দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন তিনি। অবশেষে তাকে ঘিরে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে ফরাসি গণমাধ্যমে।

ফাহিমের জীবনের এই গল্প নিয়ে ২০১৪ সালে ‘আ ক্ল্যানডেস্টাইন কিং’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়। সে বই থেকেই এই ছবি। তবে ছবির বাংলাদেশ অংশের শুটিং হয়েছে ভারতে। কলকাতা ও উত্তর চব্বিশ পরগনায়। প্যারিসে তো হয়েছেই।

ফাহিমের বয়স এখন ১৯। তার গল্পে তৈরি হওয়া চলচ্চিত্রটিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আহমেদ আসাদ। নূরে আলম চরিত্রে থাকছেন মিজানুর রহমান। দু’জনই প্রবাসী বাংলাদেশি। ফাহিমের কোচ জাভি পারমন্টিয়েরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন জেহার্দ দেপারদ্যু। চলতি বছরের ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সে মুক্তি পাবে ‘ফাহিম’।

17-8.jpg

‘বৃষ্টি ঝড়ে যায় দু চোখে সখী গো’ ও ‘‘দূরে কোথাও আছি বসে, হাত দুটি দাও বাড়িয়ে’খ্যাত গায়ক তৌসিফ আহমেদ। এই দুটি গান বদলে দিয়েছে তার ক্যারিয়ার। রাতারাতি তিনি পৌঁছে যান তরুণ শ্রোতাদের কাছে। এরপর বেশ কিছু রোমান্টিক-বিরহ মুডের গান দিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন।

গান গাওয়ার পাশাপাশি লেখেনও তিনি, করেন সুর ও সংগীত। তবে দীর্ঘদিন ধরেই এই গায়ক রয়েছেন আলোচনার বাইরে। কেন? খোঁজ নিয়ে জানা গেল, গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থার কঠিনা ধাক্কাটা সামলে উঠলেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন তৌসিফ।

জাগো নিউজকে এই গায়ক জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে মেরুদণ্ডে টিউমার ধরা পরে। শরীরের এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশে অনেক ভুগতে হচ্ছে তাকে। এছাড়াও রয়েছে ডায়াবেটিসের সমস্যা।

চিকিৎসকদের পরামর্শে টিউমারের অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। এখন কিছুটা সুস্থ জীবন যাপন করছেন। তৌসিফের ভাষায়, ‘মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এলাম যেন। আল্লাহ তার অশেষ করুণায় আমাকে সুস্থ করে তুলছেন। সবার কাছে দোয়া চাই যেন আবারও পুরোদমে গানে ফিরতে পারি।’

তবে গেল ঈদের দিনটা ছিলো তৌসিফের জন্য ভয়ংকর একটি দিন। সেদিনের ঘটনার অভিজ্ঞতা জানিয়ে আজ শুক্রবার তিনি একটি স্ট্যাটাসও দিয়েছেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

‘ঈদের দিন বিকেল বেলা, ১১ মিনিটের মত আমার হৃদস্পন্দন প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ, আমার সহধর্মিণী মানে আমার বউ তখনও নাকি নাছোড়বান্দা আমার হৃদ স্পন্দন ফিরিয়ে আনতে।

বার বার আমার বুকে দুহাতে জোরে জোরে মারছে আর চিৎকার করে বলছে আমাকে ফিরে আসতে। সবাই তাকে সান্তনা দিয়ে বলছিলো কিন্তু সে নাকি কারো কোনো কথাই শুনছিল না।’

তিনি আরও লিখেন, ‘ঠিক ১১ মিনিট পর আমার চোখ খুললো, দেখলাম শত শত মানুষ আমাকে ঘিরে আছে আর আমার মাথাটা আমার সহধর্মিণীর কোলে রাখা। সবাই কেমন জানি অবাক চোখে আমাদের দেখে আছে।

আমার হৃদ স্পন্দন বন্ধ হওয়ার ১১ মিনিট পর আমার জ্ঞান ফিরে আসলো। আমাকে জীবনে ফিরিয়ে আনতে সবার চেষ্টার কথাগুলো বলেছিলেন পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একজন ডাক্তার। তিনি খুব অবাক হয়ে বলছিলেন যে তার জীবনে এমন ঘটনা নাকি কখনোই দেখেননি।

সেদিন কি আমার মৃত্যু হয়েছিলো কিনা জানি না তবে সেই ১১ মিনিটের অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। এই ১১ মিনিট ছিলো আমার এ পুরো জীবনে পাওয়া সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত। এমন একটা শান্তির মুহূর্ত যা প্রকাশের কোনো সঠিক শব্দ আমার সত্যিই জানা নেই।

শুধু একটা কথাই বলতে পারি, মৃত্যু যদি আসলেই এমন হয় তাহলে আমি বলবো মৃত্যুকে ভয় পাবার আসলেই কিছু নেই। মৃত্যুর স্বাদ সত্যিই অনেক অনেক অনেক মধুর, যন্ত্রণাহীন ও শান্তির।’

প্রসঙ্গত, ছোটবেলা থেকে বাবার হাতেই তার সংগীতের হাতেখড়ি। তার প্রথম একক অ্যালবাম ছিল ‘অভিপ্রায়’ প্রকাশ হয় ২০০৭ সালে। এরপর প্রতিবছরই একটি করে অ্যালবাম প্রকাশ করতেন তিনি। কিন্তু ২০১৫ সালের পর আর কোনো অ্যালবাম প্রকাশ করেননি তিনি।

chaiti-20190615141154.jpg

তখন বিটিভির যুগ। চ্যানেলটি বাঙালিকে বেঁধে রেখেছিলো পারিবারিক সংস্কৃতির দারুণ এক আবেগে, আয়োজনে। ঘটা করে বিটিভি দেখা একটা পারিবারিক উৎসবের মতো ছিলো তখন। সবাই খোঁজ খবর রাখতেন কখন কবে প্রিয় কোন অনুষ্ঠান-নাটক প্রচার হবে।

সেই সময়টাতে প্রচার হওয়া বিজ্ঞাপনগুলোও ছিলো নান্দনিক। যার ফলে খুব দ্রুতই সেগুলো দর্শকপ্রিয়তা পেতো। সেইসব বিজ্ঞাপনের বদৌলতে অনেক মডেল ও অভিনয়শিল্পীরাই তারকাখ্যাতি পেয়েছেন।

তাদের মধ্যে অন্যতম মনির খান শিমুল ও লামিয়া তাবাসসুম চৈতী। দর্শকের কাছে তারা শিমুল ও চৈতী নামেই পরিচিত। নব্বই দশকে একটি রঙের বিজ্ঞাপন এই দুজনকে দারুণ জনপ্রিয় জুটি করে তুলেছিলো বিটিভির দর্শকদের কাছে। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে হাজির হয়েই নতুন এক দাম্পত্যের ভালোবাসার রঙ ছড়াতেন তারা।

তাদের মুখে ‘শোবার ঘরটা নীল হোক’, ‘আকাশের মতো’ সংলাপটি ছিলো খুবই জনপ্রিয়।

বিটিভির আর অনুষ্ঠানের মতো এই বিজ্ঞাপনটিও বিভিন্ন প্রজন্মের দর্শকের কাছে সোনালী স্মৃতির রুপালি পাখি। নব্বই দশকে প্রচার হওয়া ‘ভালবাসার রঙ’ স্লোগান নিয়ে সেই বিজ্ঞাপনের দুই মডেল শিমুল ও চৈতী দর্শকের মনে স্মৃতির আয়নায় প্রিয়মুখ হয়ে আছেন।

২৫ বছর পর আবারও ফিরে এলেন তারা। জুটি হয়ে। দম্পতি হয়ে। নববধুর কাজলের রঙ সেই আগের মতোই কালো। বার্জার সম্প্রতি তৈরি করেছে সেই বিজ্ঞাপনের সিক্যুয়েল। সেখানে দেখা গেল সেই দম্পতির ২৫ বছর দাম্পত্য জীবনের পূর্তির আয়োজন। সময়ের স্রোতে বদলে গেছে অনেক কিছু।

পরিবারে যুক্ত হয়েছে নতুন কিছু মুখ, জন্ম নিয়েছে নতুন কিছু আনন্দমুখর মুহূর্ত। এখানে এই দম্পতির মেয়ের চরিত্রে দেখা গেল মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ খ্যাত ঐশীকে।

তবে দাম্পত্যের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে মনের মাধুরী মেশানো রঙে রঙিন হয়েছিলো যে সংসার সেই সংসারের বসার ঘরটা আবারও গোলাপি আর শোবার ঘরটা আকাশের মতো নীল হয়ে উঠলো।

আদনান আল রাজীবের পরিচালনায় বিজ্ঞাপনটি প্রচারে আসার পর দারুণ সাড়া পড়েছে। ফেসবুকে এই টিভিসি নিয়ে চলছে স্মৃতির রোমন্থন। বিজ্ঞাপনটির নিচে হাজার হাজার দর্শক মন্তব্য করছেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই ফিরে গেছেন নব্বই দশকে ফেলে আসা অতীতে। দেশে বিদেশে থাকা আত্মীয়-বন্ধুদের ট্যাগ দিয়ে অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠছেন বিটিভির দিনগুলোর স্মরণে।

সবাই অভিনন্দন জানাচ্ছেন শিমুল ও চৈতীকে। তবে চৈতীর জন্যই যেন ভালোবাসাটা উপচে পড়ছে সবার। কারণ শিমুলের নিয়মিতই দেখা মিলে নাটক-বিজ্ঞাপনে। কিন্তু চৈতী দীর্ঘদিন ধরে শোবিজ থেকে দূরে। হঠাৎ প্রিয় সেই সংলাপ আর বিজ্ঞাপনের নতুন গল্পে তার দেখা পেয়ে উচ্ছ্বসিত দর্শক। অনেকে চৈতীর সাম্প্রতিক জীবন যাপন সম্পর্কেও জানার আগ্রহ প্রকাশ করছেন। অনুরোধ করছেন তিনি যেন নিয়মিত থেকে যান শোবিজে।

চৈতী কী ভাবছেন?  তিনি বলেন, ‘আসলে এই বিজ্ঞাপনটি একটি অন্য আবেগের জায়গা থেকে করা। নস্টালজিয়ার একটি ব্যাপার ছিলো। তাই কাজটি করেছি নিজের আগ্রহের জায়গা থেকে। আমি সম্মানিত বোধ করছি বার্জারের আয়োজনে। অনেকদিন পর তাদের জন্য শোবিজে ফেরা হলো।

আমার ব্যক্তিগত অন্য অনেক ব্যস্ততা। ইচ্ছে থাকলেও সময় করে কাজ করা হয়ে উঠে না। তবে চেষ্টা করবো। যদি মনের মতো কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ হয় তবে করতে চেষ্টা করবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ দিচ্ছি এই বিজ্ঞাপনের আইডিয়া দিয়েছেন যিনি তাকে। আমার সহঅভিনেতা শিমুল, এর পরিচালক ও সকল কলাকুশলীদের অভিনন্দন জানাই। আর দর্শকদের জন্য অনেক ভালোবাসা। দীর্ঘদিন পর আমার প্রত্যাবর্তনে তারা যেভাবে রেসপন্স করেছেন সেটা সত্যিই আমার জন্য বিরাট আনন্দের ও প্রেরণার।’

choity-01-20190615170009.jpg

নব্বই দশক ছিল বিটিভির সোনালী যুগ। ওই সময় যে ক’জন মডেল ও অভিনেত্রী দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম লামিয়া তাবাসুসম চৈতী। জুঁই নারকেল তেল, বার্জার পেইন্টসের বিজ্ঞাপন দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি।

খুব অল্প দিনের ক্যারিয়ার তার। অল্প কিছু টিভিসিতে কাজ করেছেন। কিন্তু জনপ্রিয়তায় ছুঁয়েছিলেন আকাশ। পুরো ক্যারিয়ারে একটি মাত্র টেলিফিল্মে কাজ করেছিলেন তিনি। সেটির নাম ‘ছবির মতো মেয়ে’। ইমদাদুল হক মিলনের লেখা গল্প নিয়ে এটি তৈরি করেছিলেন নন্দিত নির্মাতা ও অভিনেতা আফজাল হোসেন। সেখানে চৈতীর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন আফজাল হোসেন ও মনির খান শিমুল।

এটি বিটিভিতে প্রচার হয়েছিল ২০০০ সালে। এটাই ছিল তখনকার মতো ক্যামেরার সামনে শেষ দাঁড়ানো। তারপর আর শোবিজে দেখা মিলেনি চৈতীর। নতুন খবর হলো প্রায় ১৯ বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। মডেল হয়েছেন ২৫ বছর আগে নিজেরই করা একটি বিজ্ঞাপনের সিক্যুয়েলে। সঙ্গে রয়েছেন শিমুল।

নতুন করে এই ফেরা প্রসঙ্গে চৈতী বলেন, ‘১৯ বছর বিরতি শেষে যে কোনো কিছুতে প্রত্যাবর্তন করা অনেক আনন্দের। আমার কাছেও দারুণ লাগছে। আমি সম্মানিত বোধ করছি, বার্জার পুরনো সেই বিজ্ঞাপনটিকে নতুন করে নতুন গল্পে তৈরি করেছে বলে। দর্শকের কাছ থেকে খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। উপভোগ করছি আমি এই ফেরা।’

বার্জারের সেই বিজ্ঞাপনটি নির্মাণ করেছেন আদনান আল রাজীব। সেখানে চৈতীর সঙ্গে দেখা গেছে প্রথম বিজ্ঞাপনের জুটি মডেল শিমুলকেও। টিভিসিটি প্রচারে আসার পর থেকেই আলোচনায় এসেছে এটি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দর্শক চৈতীকে অনেক দিন পর দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন।

দর্শক সাড়া প্রসঙ্গে চৈতী বলেন, ‘এটাই তো কাজের অনুপ্রেরণা। আমি খুব বেশি কাজ কিন্তু করিনি। যে দু-চারটি বিজ্ঞাপনে হাজির হয়েছি সেগুলো দর্শক এখনো মনে রেখেছেন। এটা দেখে সত্যি দারুণ লাগে।’

নতুন করে যেটা ভালো লাগছে সেটা হলো দর্শকের সরাসরি প্রতিক্রিয়া। আমাদের সময় তো সেই সুযোগটা ছিল না। আমরা কাজ করতাম। দর্শক দেখে মনে রাখতেন। কোথাও হঠাৎ দেখা হলে কেউ কেউ অটোগ্রাফ নিতেন। কিন্তু এখন তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের হাত ধরে যে কোনো কাজের ফিডব্যাকটা সরাসরি দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে।

আমার নতুন বিজ্ঞাপনটি ফেসবুকে পোস্ট হওয়া মাত্রই সাড়া পড়ে গেছে। অসংখ্য দর্শক আমার নাম ম্যানশন করে তাদের মনের কথা জানাচ্ছেন। এটা বেশ ভালো লাগছে আমার। বলতে পারেন খানিকটা অনুপ্রাণিতও নতুন করে কাজ করতে।

তাকে নিয়ে অনেক কৌতূহলও প্রকাশ করছেন তারা। জানতে চাই নব্বই দশকের সেই জনপ্রিয় মডেল চৈতী এখন কী করেন? কেন তিনি শোবিজ থেকে দূরে সরে ছিলেন? তারই উত্তর জানালেন চৈতী।

তিনি বলেন, ‘২০০০ সাল থেকেই আমি শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত। প্রায় ১৮ বছর ধানমন্ডির সানিডেল স্কুলে পড়িয়েছি। শিক্ষকতা ও সংসার সামলানোর জন্যই শোবিজ থেকে দূরে সরে থাকতে হয়েছে।

তাছাড়া পছন্দমতো কাজের প্রস্তাবও আর আসেনি। সেজন্য করা হয়নি। দীর্ঘদিন পর বার্জার একটি দারুণ আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে এলো। ২৫ বছর আগের বিজ্ঞাপনের সিক্যুয়েল করেছে তারা। এটা ইউনিক একটা কাজ। বাংলাদেশে প্রথম। সেজন্য এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। ভবিষ্যতেও এমন মানসম্পন্ন ও চমৎকার আয়োজনের কাজ পেলে করবো।’

চৈতী বিয়ে করেছেন। স্বামী ইমরান আসিফের সঙ্গে সুখের দাম্পত্য তার। সেই দাম্পত্য জীবন আলো করে আছে দুই কন্যা। বড় মেয় ‘এ লেভেল’ করছে। ছোট মেয়ে পড়ছে প্রথম শ্রেণিতে। স্বামী-সন্তান নিয়েই চৈতীর এখনকার ব্যস্ত দিনযাপন।

পাশাপাশি করছেন শিক্ষকতাও। আগে ধানমন্ডি থাকলেও বর্তমানে উত্তরার বাসিন্দা চৈতী। সেখানকারই সানবীমস স্কুলে পড়ান তিনি।

Amitabh-Bachchan-Featured.jpg

চলতি বিশ্বকাপের ১৮তম ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ট্রেন্ট ব্রিজে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ভারত-নিউজিল্যান্ডের। এই বিষয়ে হালকা মেজাজে পাওয়া গেল বিগ বি-কেও।

খেলা দেখতে ভীষণই ভালোবাসেন অমিতাভ বচ্চন। সে যেকোনও খেলাই হোক না কেন। ক্রিকেটের তো তিনি অন্ধ ভক্ত।

বৃহস্পতিবার খেলা বাতিল হওয়ার পরই ট্যুইট করলেন বিগ বি। লিখলেন বিশ্বকাপের ভেন্যু বদলে ভারত করে দেওয়া হোক… তাতে যদি বৃষ্টি হয়।

প্রসঙ্গত, তীব্র তাপে জ্বলছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত। বইছে তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া দফতরও কোনও আশার খবর শোনাতে পারছে না। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতেই এমন একটি ট্যুইট করেন অমিতাভ বচ্চন।

avril-20190614155751.jpg

প্রথম সারির একটি অডিও লেভেল কোম্পানির অফিসে এভ্রিল। সামনে প্রচুর সাংবাদিক আর শুধু ক্যামেরায় ছবি তোলার শব্দ। অডিও লেভেল কোম্পানির মালিক এভ্রিলের হাতে গাড়ির চাবি উপহার হিসেবে তুলে দিচ্ছেন। একটি ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি উপহার পেয়েছেন এভ্রিল! কিন্তু নতুন গাড়ি উপহার পেয়ে তার যেমন খুশি হওয়ার কথা তেমন খুশি মনে হচ্ছে না তাকে। মুখে হাসি নেই এভ্রিলের!

গাড়ি উপহার পেয়েও কেনো এভ্রিলের মুখে হাসি নেই, দেখা যাবে ‘খেলতাসি’ শিরোনামের একটি ওয়েব ফিল্মে। স্যামুয়েল হকের গল্পে নির্মিত নোমান রবিন পরিচালিত এই ফিল্মে বীণা চরিত্রে অভিনয় করেছেন এসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল এভ্রিল।

এখানে দেখা যায়, বীণা একজন স্বপ্নবাজ কণ্ঠ শিল্পী। গানের সাথে তার বসবাস ছোট বেলা থেকে। সে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত অবস্থায় কণ্ঠপ্রতিভা কাজে লাগিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার নেশায় অনলাইনে লাইক, ভিউ এর দুনিয়ায় পা রাখে। এক দুষ্ট চক্রের চক্করে পড়ে যায় সে। এগিয়ে যায় গল্প।

নির্মাতা নোমান রবিন বলেন, ‘কোটি ভিউ, কোটি লাইক, ডিস লাইকের খেলা চলছে এখন। এই খেলায় আবার ফাঁকিবাজি বেশি। এই ফাঁকিবাজিকে কাজে লাগিয়ে এক বিশাল দুষ্টচক্র গড়ে উঠেছে। এই দুষ্ট চক্রের শিকার হচ্ছে সৃজনশীলতা। প্রতিভাবান কণ্ঠ শিল্পীরা। সেসব গল্পই তুলে আনার চেষ্টা করেছি আমাদের ওয়েব ফিল্মে।’

বৃহস্পতিবার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজের ইউটিউব মুভি চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে ‘খেলতাসি’। এভ্রিল ছাড়াও এখানে অভিনয় করেছেন অন্তু করিম, আব্দুল্লা রানা, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শিল্পী সরকার অপু, শুভাশিস ভৌমিক, নিকুল, সুমন মোস্তফা, শাওন গানওয়ালা, লুৎফর হাসান, কিশোর পলাশ প্রমুখ।

tali-20190614200600.jpg

একসঙ্গে ছবি করা আবার রাজনীতির ময়দানে তুমুল লড়াই। তাদের প্রতিযোগিতা নিয়ে আলোচনাও কম হয়নি। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে তাদের বন্ধুত্বের ছবিটা বরাবরই বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দুই বান্ধবী আর কেউ নন-নুসরাত ও মিমি চক্রবর্তী। ঠিক পাঁচ দিন পরে নুসরাত জাহানের বিয়ে। তার আগে মিমি চক্রবর্তী নিজের বাড়িতে হবু কনেকে ডেকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ালেন।

বুধবার দুপুরে মিমির কসবার ফ্ল্যাটে আইবুড়ো ভাতের নিমন্ত্রণ ছিল নুসরাতের। একেবারেই ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠানটি হয়। যে কারণে নুসরত বা মিমি দু’জনেই মেকআপ, পোশাকে ছিলেন সাদামাটা। তবে আড়ম্বর ছিল মেনুতে। প্রিয় বান্ধবীর জন্য অনেক আয়োজন করেছিলেন মিমি। লুচি, ছোলার ডাল, নানা রকম ভাজা, বাসন্তী পোলাও, চিংড়ি, ইলিশ, চিকেন এবং ম্যাঙ্গো কাস্টার্ড-নুসরাতের পছন্দের সব খাবারই ছিল। বাড়িতেই সব রান্না করিয়েছিলেন মিমি। শুধু চিকেনের পদটা রান্না করে দিয়েছিলেন তার মা।

আগামী ১৯ জুন তুরস্কের বোদরুমে বিয়ে করছেন নুসরাত জাহান এবং নিখিল জৈন। হবু বর-কনে সেখানে যাচ্ছেন ১৫ জুন রাতে। মিমি যাচ্ছেন একদিন পরে। গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে সবটাই হচ্ছে ঘরোয়াভাবে। বিয়ের আগে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে বোদরুমে। ১৭ জুন ইয়ট পার্টি, ১৮-য় মেহেদি লাগানো ও সংগীত অনুষ্ঠান। বিয়ের পরে রিসিপশন। এতেই শেষ নয়, ২০ জুন হবে হোয়াইট ওয়েডিং।

বিয়েতে নুসরাত পরছেন ডিজ়াইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের লেহেঙ্গা। নিখিলও সব্যসাচীর পোশাক পরবেন। এক-একটি অনুষ্ঠানের জন্য থিম অনুযায়ী পোশাক বেছে নিয়েছেন নায়িকা। ইয়ট পার্টিতে সামার ফাঙ্ক। নায়িকার মেহেদিতে থিম বোহেমিয়ান। সেখানেও মানানসই ডিজ়াইনার ওয়্যার। সংগীতের জন্য ইন্দো-ওয়ের্স্টান পোশাক। বিয়ের দিন সকালে গায়ে হলুদে উজ্জ্বল হলুদ পোশাক। বিয়ের পরে রাতের পার্টিতে নায়িকা আবার ফিরে যাবেন ওয়েস্টার্ন গ্ল্যামারাস পোশাকে। হোয়াইট ওয়েডিংয়ের জন্য নুসরাত বেছেছেন মিন্ট গ্রিন এবং সাদার মিশেলে ড্রেস।

প্রতিটি অনুষ্ঠানেই থাকছে জম্পেশ খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন। বিয়ের দিন মেনুতে থাকছে স্থানীয় কুইজ়িন এবং ভারতীয় খাবার। বিয়ের পরে ইউরোপের কোনো জায়গায় মধুচন্দ্রিমায় যাবেন নব দম্পতি। কলকাতায় ৪ জুলাই রিসিপশন হবে আইটিসি রয়্যাল বেঙ্গলে।