বিনোদন Archives - Page 5 of 84 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

subir-20190415002131.jpg

একুশে পদক পাওয়া বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী মারা গেছেন। মঙ্গলবার আনুমানিক বাংলাদেশ সময় ভোর ৪ঃ৩০ মিনিটে তিনি মারা যান।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে ফাল্গুনি নন্দী

এর আগে তার জামাতা রাজেশ শিকদার জানান, সোমবার সকালে আরেক দফা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। রোববার রাতেও আরেকটি হার্ট অ্যাটাক হয় তার। সিঙ্গাপুরে নেয়ার পর তার তৃতীয়বারের মতো হার্ট অ্যাটাক হলো।

ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। সব মিলিয়ে সুবীর নন্দীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে।

উন্নত চিকিৎসার জন্য ছয় দিন আগে সিঙ্গাপুর নেয়া হয় সুবীর নন্দীকে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের এমআইসিউতে চিকিৎসাধীন তিনি। সেখানে তার সঙ্গে আছেন মেয়ে ফাল্‌গুনী নন্দী।

বাংলাদেশে সুবীর নন্দীর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড পস্নাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন তিনি।

সোমবার সকালে সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘চিকিৎসকেরা যে আশা করেছিলেন, বারবার হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তাও ক্ষীণ হয়ে গেছে। সুবীরের শরীরের মাল্টিপল অরগান ফেইলিওর হয়েছে। সুবীর এখন জীবন-মৃতু্যর সন্ধিক্ষণে।’

১৮ দিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩০ এপ্রিল সিঙ্গাপুর নেয়া হয় সুবীর নন্দীকে। সেদিন বিকেলেই সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে বরেণ্য এ শিল্পীর চিকিৎসা শুরু হয়।

আগেই জানা গেছে, বরেণ্য এ সংগীতশিল্পীকে দ্রম্নত সিঙ্গাপুরে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সুবীর নন্দী গত ১২ এপ্রিল পরিবারের সবাইকে নিয়ে মৌলভীবাজারে আত্মীয়ের বাড়িতে যান। সেখানে একটি অনুষ্ঠান ছিল। ১৪ এপ্রিল ঢাকায় ফেরার ট্রেনে ওঠার জন্য বিকালে মৌলভীবাজার থেকে শ্রীমঙ্গলে আসেন তারা। ট্রেনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন সুবীর নন্দী।

সেখানে একজন চিকিৎসক থাকায় তার পরামর্শে সুবীর নন্দীকে নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ঢাকার বিমানবন্দর স্টেশনে নেমে যান। রাত ১১টার দিকে তাকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। তাকে লাইফ সাপোর্ট দেয়া হয়। সুবীর নন্দী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হার্টের অসুখে ভুগছেন।

avengers-endgame.jpg

মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে মার্ভেল ক্লাসিক অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের শেষ ছবি ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’। গেল শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) মুক্তির পর উদ্বোধনী সপ্তাহে ছবিটি কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই আয় করে নিয়েছে ৩৫ কোটি ৭১ লাখ ডলার।

একইসঙ্গে প্রথম তিন দিনে বিশ্বব্যাপী ছবিটি আয় করে নিয়েছে রেকর্ড ১শ’ ২০ কোটি মার্কিন ডলার। এছাড়াও সবচেয়ে কম সময়ে একশ কোটি ডলার আয়ের রেকর্ডও নিজের ঝুলিতে পুরেছে অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম।

ছবিটি মুক্তির পর থেকেই তা দেখার জন্য বিশ্বজুড়ে চলছে সিনেমাপ্রেমীদের উন্মাদনা। দানব থানোসকে থামাতে সুপারহিরোদের ধুমধাম লড়াই দেখার দৃশ্য মন কেড়ে নিচ্ছে দর্শকের।

সে উন্মাদনার মাঝে দুনিয়াজুড়েই সিনেমা হলে উপচে পড়ছে দর্শকের ভিড়। যার ফলে ইতোমধ্যেই রুশো ব্রাদার্সের পরিচালিত ছবিটি বক্স অফিসে আয় করে ফেলেছে ২.১৮৮ বিলিয়ন ডলার!

মুক্তির মাত্র ১১ দিনের মাথায় বক্স অফিসে ২ বিলিয়ন অতিক্রম করা প্রথম ছবি ‘অ্যাভেঞ্জার্স’। বিশ্বের সেরা আয়ের ছবি হতে সামনে এখন বাঁধা কেবল ডিসি কমিকসের আলোচিত ছবি ‘এভাটার’।

জেমস ক্যামেরন পরিচালিত এই ছবিটির মোট আয়ের পরিমাণ ছিলো ২.৩৭বিলিয়ন ডলার। তবে ২ বিলিয়নের ঘরে প্রবেশ করতে ‘এভাটার’র সময় লেগেছিলো ৪৭ দিন। হলিউড বক্স অফিস বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী সপ্তাহেই ‘অ্যাভেঞ্জাস : এন্ডগেম’ ‘এভাটার’র রেকর্ড ভেঙে তছনছ করে দেবে।

আপাতত অ্যাভেঞ্জার্সেরা সুপারহিরো পেছনে ফেলেছেন ‘ইনফিনিটি ওয়ার’ ও ‘টাইটানিক’র আয়ের রেকর্ডকে।

Milind-Ankita.jpg

গত বছর ২২ এপ্রিল বিয়ে সেরেছেন ভারতীয় মডেল মিলিন্দ সোমান। নিজের থেকে ২৬ বছরের ছোট অঙ্কিতা কোনওয়ারকে বিয়ে করে সকলের চোখ ধাধিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবার মিলিন্দ বললেন, শুধু স্ত্রীই নন, শাশুড়িও আমার থেকে বয়সে ছোট।

অঙ্কিতা কোনওয়ার আসামের গুয়াহাটির মেয়ে। পেশায় একজন বিমান সেবিকা ছিলেন। এসব ছাড়াও খেলাধূলোতেও আগ্রহী অঙ্কিতা। ২০১৫তে গুয়াহাটিতে আয়োজিত ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে মিলিন্দ সোমানের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন অঙ্কিতা।

মহারাষ্ট্রের আলিবাগের এক রিসর্টে হয় মিলিন্দ ও অঙ্কিতার বিয়ের অনুষ্ঠান।  সম্প্রতি, প্রথম বিবাহ-বার্ষিকীও সেলিব্রেট করেছেন মিলিন্দ সোমন ও অঙ্কিতা কোনওয়ার।

গত বছর ২৬ বছরের ছোট অঙ্কিতাকে সুপার মডেল মিলিন্দের বিয়ে করা নিয়ে বি-টাউন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্রই আলোচনা হয়েছে।

সম্প্রতি এতটা বয়সের পার্থক্যে বিয়ে করা নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছেন মিলিন্দ সোমন।

মিলিন্দকে প্রশ্ন করা হয় ২৬ বছরের ছোট মেয়েকে বিয়ে করার বিষয়টা তাঁদের দুজনের পরিবার কী স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিয়েছিলেন?

প্রশ্নের উত্তরে মিলিন্দ সোমন জানান, ”এত ছোট মেয়েকে বিয়ে করার খবরে আমার নিজের মা-ই অবাক হয়েছিলেন।”

আরও কিছুটা অবাক করে দিয়ে মিলিন্দ আরও জানান, ” শুধু অঙ্কিতাই নয়, ওর মা মানে আমার শাশুড়ি মাও আমার থেকে বয়সে ছোট।”

এবিষয়ে অঙ্কিতা প্রশ্ন করা হলে তিনিও বলেন, ” এই বিয়ের খবরে আমার মা প্রথমটা অবাকই হয়েছিলেন, প্রশ্ন করেছিলেন তুমি নিশ্চিত যে তুমি মিলিন্দকে বিয়ে করবে? ”

অঙ্কিতার কথায়, ”আমি আমার বাবা-মাকে আমি শুধু মিলিন্দকে বিয়ে করছি এমনটাই নয়, মিলিন্দ হল এমন একজন, যাঁর সঙ্গে আমি গোটা জীবনটা কাটাতে চাই। উত্তরে আমার মা হেসে বলেছিল, আশাকরি কোনও একদিন তুমি তোমার মত পরিবর্তন করবে।”

অঙ্কিতা কোনওয়ারের কথায়, ”পরে অবশ্য আমার মা মিলিন্দের ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়েছিলেন, এবং ওকে ধীরে ধীরে পছন্দ করা শুরু করেন।”

প্রসঙ্গত, অঙ্কিতা কোনওয়ার অসমের গুয়াহাটির মেয়ে। অঙ্কিতা একজন বিমান সেবিকা ছিলেন। এসব ছাড়াও খেলাধূলোতেও আগ্রহ রয়েছে অঙ্কিতার। ২০১৫তে গুয়াহাটিতে আয়োজিত ১০ কিলোমিটার ম্যারাথন দৌড়ে মিলিন্দ সোমনের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন অঙ্কিতাও।

atm-20190427175340.jpg

চিকিৎসায় দ্রুত সাড়া দেয়ায় গত শুক্রবার সকালে প্রখ্যাত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়া হ‌য়ে‌ছে। তবে চিকিৎসকেরা তাকে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখেন। সে সময় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারছিলেন এ অভিনেতা। স্বাভাবিক খাবারও খেতে পারছিলেন। ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ শেষে টিএম শামসুজ্জামানকে শিগগিরই হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া যাবে বলেআশ্বস্ত করেছেন চিকিৎসকরা।

রোববার  বিষয়টি জানালেন এটিএম শামসুজ্জামানের মেজো মেয়ে কোয়েল আহমেদ। তিনি জানান, অস্ত্র পাচারের পর বাবার শরীরে ব্যাকরিয়া আক্রমণ করে। ফলে লাইফ সাপোর্টে নিতে হয় বাবাকে। গত শুক্রবার লাইফ সাপোর্ট খোলে দেয়া হয়। ডাক্তার বলেছেন, এখন বাবা স্বাভাবিক আছেন। তাকে বাসায় নিতে পারবে শিগগিরিই।

গত ২৬ এপ্রিল শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে এটিএম শাসুজ্জামানকে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মলত্যাগে জটিলতা দেখা দেওয়ায় পরদিন শনিবার তার অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর কিছুটা সেরে উঠেছিলেন এই অভিনেতা। আইসিইউ থেকে তাকে কেবিনেও নেওয়া হয়।

সোমবার শ্বাসকষ্ট দেখা দেওয়ায় আবার তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়ে‌ছি‌লো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত শক্তিমান চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপ রচয়িতা, গল্পকার ও নাট্যকার এটিএম শামসুজ্জামানকে।

zhs.jpg
মাত্র একবার সাজতেই দুই কোটি টাকা খরচ করেছেন বলিউড সুপারস্টার প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। তার এ সাজের খবরে চোখ কপালেও উঠলেও আসলেই এ মার্কিন বধূ এরকম কাণ্ড ঘটিয়েছেন।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে বিলবোর্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-২০১৯ প্রদানের জমজমাট আসর বসে। এখানেই লালগালিচায় হেঁটেছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও তার স্বামী মার্কিন গায়ক নিক জোনাস। আর এ অনুষ্ঠানে প্রিয়াঙ্কার সাজ তাক লাগিয়ে দিয়েছে সবাইকে।
ভারতীয় এক গণমাধ্যম বলছে, এ অনুষ্ঠানে প্রিয়াঙ্কা প্রায় এক কোটি আশি লাখ রুপির পোশাক আর গয়না পরে এসেছিলেন! বাংলাদেশি মুদ্রায় যা দুই কোটি ১৯ লাখ টাকারও বেশি।
প্রিয়াঙ্কা এ অনুষ্ঠানে জুহাইর মুরাদের ডিজাইনকৃত সাদা রঙের গাউন পরেছিলেন। তিনি টিফানি অ্যান্ড কোম্পানির হীরকখচিত কানের দুল পরেছিলেন যার মূল্য পাঁচ হাজার ৬০০ মার্কিন ডলার। আর এর সাথে ম্যাচ করে পরা ব্রেসলেটের মূল্য ১২ হাজার মার্কিন ডলার। টিফানির লকেট বলটির মূল্য ১১ হাজার মার্কিন ডলার, ভিক্টোরিয়া লাইন নেকলেসটির মূল্য ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার ও হীরার নেকলেসটির মূল্য এক লাখ ৬৫ হাজার মার্কিন ডলার।
প্রিয়াঙ্কা আংটি পরেছিলেন মোট তিনটি। টিফানি টি-ওয়্যার রিংয়ের মূল্য দুই হাজার ৩০০ মার্কিন ডলার, টি টু চেইন রিংয়ের মূল্য ৮৫০ মার্কিন ডলার ও সাদা সোনায় মোড়া টি-ওয়্যার রিংয়ের মূল্য ৮২৫ মার্কিন ডলার। ন্যুড পিভিসি স্যান্ডেল জোড়ার মূল্য ৫০ হাজার রুপি। আর ব্যাগটির দাম ছিল তিন হাজার ৬২০ মার্কিন ডলার।
bangabandhu43.jpg

বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণের চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করতে ভারতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

সেখানে তারা চলচ্চিত্রটি নিয়ে দেশটির দূরদর্শন টিভি, অল ইন্ডিয়া রেডিওর কর্মকর্তা ও নির্মাতা শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়া নির্মাণ খরচও চূড়ান্ত করবে দলটি।

প্রতিনিধি দলের অপর চার সদস্য হলেন তথ্য সচিব আবদুল মালেক, বিএফডিসির পরিচালক (প্রডাকশন) নুজহাত ইয়াসমিন, মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (চলচ্চিত্র বিভাগ) প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে ডকুফিল্ম ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’-এর নির্মাতা রেজাউর রহমান খান পিকলু।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১২টার একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকা থেকে দিল্লী গেছেন।

সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।

মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়, এবার চলচ্চিত্রটির বাজেট ও অনুপাত নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশে থেকে কী কী সুবিধা ও খরচ করা হবে তা ঠিক করা হবে। পাশাপাশি ভারতের জাতীয় টেলিভিশন দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিওর সঙ্গে বেশ কয়েকটি আলোচনা হবে। সবকিছু শেষে আগামী ৯ এপ্রিল প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে ফেরার কথা রয়েছে।

এর আগে, ভারত-বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের এই সিদ্ধান্ত পর্যবেক্ষণ করতে গত ১ এপ্রিল ঢাকায় আসেন ছবিটির পরিচালক ভারতীয় নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।

তিনি বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)-এ একটি বৈঠকেও অংশ নেন। সাক্ষাত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও। ঘুরে দেখেন গাজীপুরের শফিপুরে বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটি।

এর আগে ২০১৭ সালে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার বঙ্গবন্ধুর ওপর চলচ্চিত্র ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক একটি তথ্যচিত্র নির্মাণের ব্যাপারে চুক্তি স্বাক্ষর করে। বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক চলচ্চিত্রটি তার শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সালের ১৭ মার্চের মধ্যে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

nnn-5ccd7de0787e7.jpg

‘গল্পটি দারুণ। এমন গল্পের নাটকে কাজ করতে সত্যিই ভালো লাগে। একইসঙ্গে পরিচালকের কাজের প্রতিও আমি মুগ্ধ। ঈদের নাটক এটি। বেশ ইমোশনাল একটি গল্প। মধ্যবিত্ত পরিবারের চিত্র ফুটে উঠেছে এতে।’ বলছিলেন তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী সাবিলা নূর।  যিনি নাটক ও বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

সম্প্রতি রাজধানী জুড়ে শুটিং হলো ‘উবার’ নামের এই নাটকের। নাককটি নিয়েই কথা বললেন সাবিলা। জানালেন, নাটকটি ঈদে তার সেরা কাজের একটি হবে।এর চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন সাজিন আহমেদ বাবু। পরিচালকও উবারের গল্প নিয়ে আশাবাদের গল্প শুনালেন।

এতে দেখা যাবে। বাবা চাকরি করে সংসার চালান। ভালোভাবেই চলে যায় সংসার। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের কোন শখ পূরণ করতে গেলেই বাধে বিপত্তি। বাড়তি খরচের টাকা থাকেনা তার কাছে।

এদিকে মেয়ের ভার্সিটিতে যাতায়াতে অসুবিধা হওয়ায় স্কুটি কেনার বায়না ধরে। মেয়ের বায়না পূরণ করতেই চাকরির পাশাপাশি অ্যাপস ভিত্তিক সেবা গাড়ি চালাতে নেমে পড়েন। কিন্তু মেয়ে বাবার ভালোবাসা বোঝতে পারেনা। অন্য ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যায়। সেটা আবার বাবার টেক্সিক্যাবে চড়েই যে গাড়িতে বসেই বাবার নামে নানা কথা বলে। ঘটে ভিন্ন ঘটনা।

এতে সাবিলার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরেণ্য অভিনেতা তারিক আনাম খান। তার প্রেমিকের চরিত্রে দেখা যাবে তৌসিফকে। নাটকটি নিয়ে তারিক আনাম খান বলেন, সুন্দর একটি গল্প। সাজিনের সঙ্গে আমি আগেও কাজ করেছি। ভালো গল্প বরতে পারে ছেলেটা। উবারও সে ভালো বানিয়েছে।

ঈদে নাটকটি আর টিভিতে প্রচার হবে বলে জানান পরিচালক।

sonaskhi-1280x720.jpg

এবার ভারতের চলমান নির্বাচনের প্রচারণায় সরাসরি মাঠে নেমেছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। মায়ের সমর্থনে ভোট চাইতে নেমেছেন সোনাক্ষী। শুক্রবার লখনৌতে মা পুনম সিনহার সঙ্গে রোড শো করলেন তিনি।

বিজেপি নেতা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর বিরুদ্ধে ভোটে সমাজবাদী পার্টির তরফে লড়ছেন পুনম। সোনাক্ষীর বাবা শত্রুঘ্ন সিনহাও কংগ্রেস থেকে ভোটে লড়ছেন পাটনা থেকে।

শুক্রবার ভাই কুশ সিনহাকে সঙ্গে নিয়ে লখনৌ শহরের মধ্যে ৬ কিলোমিটার হাঁটলেন সোনাক্ষী। এই এপ্রিলেই রাজনীতিতে যোগ দিলেন পুনম।

রাজনীতির হাতেখড়ি হবে এই লোকসভা নির্বাচনেই। প্রয়োজনমতো প্রচার থেকে পড়াশুনো সবই করেছেন তিনি। এবার লক্ষ্য ৬ মে। ওই দিনই ভোট লখনৌতে। সেই নির্বাচনী প্রচারণায় মেয়ে সোনাক্ষী ছিলেন মায়ের হয়ে ভোটের মাঠে।

subir-20190415002131.jpg

আবারও হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন দেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী। শুক্রবার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে আশার খবর শোনা গেলেও শনিবার (৪ মে) সকালে আবার নতুন করে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।

সুবীর নন্দীর মেয়ে ফাল্গুনী নন্দী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে সুবীর নন্দীর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের জাতীয় সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন তিনি।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, সুবীর নন্দীর রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। ওষুধ দিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন চিকিৎসকরা।

Mila_Sanjari1.jpg

দেশীয় সঙ্গীতের জনপ্রিয় ফিউসন ও লোক ধরনের সঙ্গীতশিল্পী মিলা। পারিবারিক বিভিন্ন কারণে বর্তমানে সঙ্গীত থেকে বেশ দূরে রয়েছেন এই শিল্পী। সম্প্রতি তিনি তার স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ তুলেছেন। সঙ্গে অভিনেত্রী ও উপস্থাপিকা নওশীনের সাথে স্বামী পারভেজ সানজারির অবৈধ প্রেমের সম্পর্কেও জানান।

এছাড়াও ক’দিন যাবত মিলা প্রসঙ্গ নিয়ে বেশ আলোচনা-সমলোচনা চলছে বিভিন্ন মাধ্যমে। আর এর মধ্যেই তিনি আবারও স্বামী ও বিভিন্ন অভিনেত্রী নিয়ে বোমা ফাটালেন।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভ্যারিফাইড পেজে গণমাধ্যমদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি স্ট্যাটাস দেন। যেখানে তার স্বামী পারভেজ বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে (মিলা) হত্যার হুমকি দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন এই পপশিল্পী। পাঠকদের জন্য মিলার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো-

বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রোনিক মিডিয়া’র সন্মানিত সদস্যবৃন্দ, সঙ্গীতাঙ্গনের সদস্য, সঙ্গীতপ্রেমী বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আমার কিছু কথা

একজন ব্যক্তি যখন নিজেকে আইনের উর্ধে ভেবে সীমাহীন বেপরোয়া হয়ে ওঠে, যখন তাকেই অনৈতিকভাবে আশকারা দিতে থাকে কিছু মহল, তখন নিশ্চয়ই বিবেকবান যে কেউ প্রতিবাদী হবেই। প্রতিটি সমাজেই একটি নির্দিষ্ট নিয়মনীতি আছে। আধুনিকতা মানুষকে শুধু অগ্রসারয়মান হতেই শেখায় না, আধুনিকতা মানুষকে শিষ্ঠাচারী হতেও সাহায্য করে। ইংরেজিতে ‘ফ্যামিলী ভেল্যুজ’ বলে একটা শব্দ আছে যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় পারিবারিক মূল্যবোধ। আমাদের সমাজে পারিবারিক মূল্যবোধ বিরাজমান বলেই আমরা একটি নির্দিষ্ট প্রথার ভেতর বসবাস করি। আর একারণেই সমাজ অজস্র মন্দ বিষয় থেকে মুক্ত থাকে।

প্রতিটি বিবাহিত দম্পতির ক্ষেত্রে একে-অপরের প্রতি বিশ্বস্ত হওয়া একান্তই আবশ্যিক। এটা না থাকলে পারিবারিক মূল্যবোধ ভেঙ্গে পড়বে – ধ্বংস হয়ে যাবে সমাজ। আর এর ফলে আক্রান্ত হবে গোটা রাষ্ট্র ব্যবস্থা। বিয়ে মানেই হচ্ছে একটি এমন অঙ্গীকার যা আজীবন স্বামীস্ত্রী রক্ষা করেন যে কোনও কিছুর বিনিময়ে। আমাদের মতো পুরুষ শাসিত সমাজে সবামী-স্ত্রী’র মাঝে দাম্পত্য বোঝাপড়া এবং সুখ বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুরুষ বা স্বামীর ভূমিকা সবচেয়ে বেশী। কোনও কারণে যদি ওই স্বামীই হয়ে ওঠে দূরাচারী, সে যদি নিজের স্ত্রীর মর্যাদাকে তুচ্ছজ্ঞান করে ক্রমাগতভাবে প্রিয়তমা স্ত্রীকেই প্রবঞ্চিত করতে থাকে – যদি স্ত্রীর অজ্ঞাতে জড়াতে থাকে একের-পর-এক পরকীয়ায়, তাহলে ওই দম্পতির, বিশেষ করে স্ত্রী’র মানসিক অবস্থাটা কেমন হয়, সেটা আপনারা সবাই জানেন এবং বোঝেন। আমাদের এই দেশে প্রতিনিয়ত স্বামীদের এধরণের অন্যায় আচরনের শিকার হচ্ছেন নারীরা। এসিডে ঝলসে দেয়া হচ্ছে প্রবঞ্চিতা স্ত্রীদের – নারীদের। সভ্যতার এই সময়ে এসে এমন জঘন্য পরিস্থিতির কষ্ট শুধু ভুক্তভোগীরাই উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন।

আপনারা জানেন, আমি এস এম পারভেজ সানজারী ওরফে লেলিন-কে ২০১৭ সালে বিয়ে করি। কিন্তু আমি হতবাক হয়ে লক্ষ করি, সানজারী বিয়ের পর থেকেই কেমন যেনো অচেনা আচরণ করতে থাকে। সে প্রায়ই বিভিন্ন লোকের সাথে লুকিয়ে-লুকিয়ে ফোনে কথা বলতো। আমি জানতে চাইলে সে শুধু মারমুখীই হতোনা বরং নিয়মিতভাবেই আমার ওপর চালাতো অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।

সানজারী বাংলাদেশ বিমান বাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেয়ার পর ইউএস বাংলা এয়ার নামীয় একটি বেসরকারী বিমান সংস্থায় পাইলট হিসেবে কর্মরত আছে। এই সুযোগে সে নিয়মিতভাবেই এয়ারলাইন্সের নারী ষ্টাফ এমনকি বিমানবালাদের শয্যাসঙ্গিনী হতে বাধ্য করতো কিংবা ওদের সাথে প্রেমের ভান করে শয্যাসঙ্গিনী করতো, যা এখনও থেমে যায়নি। সানজারী’র নষ্ট লালসা থেকে ইউএস বাংলা’র কোনও নারী সদস্যই রেহাই পাননি। আমার কাছেই এধরণের অজস্র প্রমাণ আছে, যা প্রবঞ্চিত-প্রতারিতরাই বিভিন্ন সময়ে পাঠিয়েছেন।

এখানেই শেষ নয়। সানজারী মিডিয়ার অনেক অভিনেত্রী ও কন্ঠশিল্পীদেরও মিথ্যে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নষ্ট করেছে এবং এখনও করছে। আবার এমন কিছু বিতর্কিত অভিনেত্রীও আছে, যারা টাকা কিংবা অন্য কিছুর লোভে ইচ্ছে করেই সানজারী’র সাথে সম্পর্ক গড়েছে – দৈহিক মেলামেশাও করেছে এবং এখনও করছে। আমি জানিনা, ওইসব অভিনেত্রীদের স্বামীরা ঠিক কোন পর্যায়ের নির্লজ্জ – নাকি ওনারা অসহায় সেটাও জানিনা। তা না হলে, নিজের স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ার কথা এমনকি ওই পুরুষের শয্যাসঙ্গিনী হওয়ার ঘটনা জানার পরও ওরা কেনো নিশ্চুপ আছেন আমি বুঝিনা। কখন-কখনো আমার এমনটাও সন্দেহ হয়, ওইসব স্বামী নামধারী কূলাঙ্গারগুলো হয়তো ওদের অভিনেত্রী স্ত্রীদের বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবেই ব্যবহার করছেন। হয়তো আমার অনুমান ভুল নয়।

সানজারী’র সব অপকর্ম, এমনকি দেশের নিরাপত্তার জন্যে হুমকিস্বরূপ নানা কার্যকলাপ ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে সে আমার সম্পর্কে নানা বানোয়াট কথাবার্তা বলে মিডিয়াকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। সে বলে বেড়াচ্ছে আমি নাকি তাকে তার বাবা-মা-কে ত্যাগ করার সর্ত দিয়েছি। কি জঘন্য মিথ্যাচার! আমার কাছে প্রমাণ আছে সানজারী’র মায়ের সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিলো এবং তিনি বহুবার আমায় বলেছেন ওনার ছেলে নষ্ট হয়ে গেছে। কোনও পর্যায়ে গেলে একজন তাঁর নিজের সন্তান সম্পর্কে এমন কথা বলতে বাধ্য হন সেটা বিবেচনার ভার আপনাদের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি।

সানজারী আমার এবং আমার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ক্রমাগত কূটসা রটাচ্ছে এবং আমার পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যা দেশের প্রচলিত আইনেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমি বিশ্বাস করি দেশের বিবেকসম্পন্ন সাংবাদিক বন্ধুরা এসব মিথ্যাচারে কান দেবেন না।

এস এম পারভেজ সানজারী ওরফে লেলিন-এর অর্থ লিপ্সা সম্পর্কে আমি আগেই বলেছি। তার বাধহীন নৈতিক চরিত্র সম্পর্কেও অনেক কথাই আগে বলেছি, যদিও আমার কাছে বলার মতো আরো অজস্র প্রমাণ আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ের প্রতি আপনাদের সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছি। একজন ক্যাপ্টেন এবং বিমান বাহিনী’র সাবেক অফিসার হওয়ার সুবাদে সানজারী’র বিমান বন্দরের অতি স্পর্শকাতর এলাকাসহ সেনানিবাস এলাকায় অবাধ বিচরণ আছে। সে কিছু সেনা অফিসারের স্ত্রী’র সাথেও অনৈতিক কার্যকলাপ করেছে বলে ভূক্তভোগীদের কেউকেউ আমাকেই জানিয়েছেন। এমন একজন ব্যক্তি কেবলমাত্র সেনানিবাসগুলোয় বসবাসরত পরিবারগুলোর জন্যেই ক্ষতিকর নয় বরং এমন অর্থলোভী নৈতিকতা বিবর্জিত ব্যক্তিকে দিয়ে যেকোন ধরণের ভয়ঙ্কর কাজ করানোও অসম্ভব নয়। সে এমনকি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাসহ খোদ ভিভিআইপিদের জন্যেও যেকোনো সময় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ বিষয়টি এরই মাঝে আমি সংশ্লিষ্টদের অবগত করেছি। এখন এটা আর কেবলমাত্র আমার ব্যক্তিগত ইস্যু নয় – বরং নিঃসন্দেহে এটি এখন জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সম্পৃক্ত বিষয়।

আমার নিজের জীবনের ওপর হুমকি আছে। সানজেরী নিজেই মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে আমায় হুঁশিয়ার করেছে সে তার নিজের অস্ত্র দিয়ে যখনতখন আমায় হত্যা করবে। একথাটা সে আমার সাবেক সেনা অফিসার বাবা-কেও জানাতে দ্বিধা করেনি।

এতো কিছুর পরও আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অন্যায় হুমকির কাছে মাথা নত করবো না। যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্যে আমি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। পাশাপাশি আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আবারও সঙ্গীতের প্রতি মনোযোগী হবো। খুব শীগগিরই আপনারা আপনাদের প্রিয় মিলা’র নতুন গান শুনবেন। আমার পথচলায় আমি ঠিক যেভাবে আপনাদের সহযোগিতা এবং ভালোবাসা পেয়েছি তা আগামীদিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে, এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আপনারা সবাই ভালো থাকবেন। আমার ও আমার পরিবারের জন্যে দোয়া করবেন। আপনাদের সবার প্রতি পবিত্র রমজানের আগাম শুভেচ্ছে।