রকমারি Archives - Page 2 of 3 - Dhaka Today

jutaa.jpg

নতুন জুতা মানেই তা হবে চকচকে। যাতে দেখেই বোঝা যাবে ব্র্যান্ড নিউ। কিন্তু সেসব দিন বোধহয় এখন অতীত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে মানুষের রুচি-পছন্দও। তাই ‘নোংরা’ জুতাই নাকি বর্তমানে ফ্যাশনে ইন।

আর সে কথা মাথায় রেখেই জুতো প্রস্তুতকারক সংস্থা গুচ্চি একটি নতুন স্নিকার্স বাজারে এনেছে। যাকে সাদা স্নিকার্স বললে সম্পূর্ণ ঠিক বলা যাবে না। কারণ সাদা রঙে ধুলো-ময়লা লাগলে ঠিক যেমন অফ-হোয়াইট রং হয়ে যায়, এ স্নিকার্সের রং এক্কেবারে তেমন। তা সত্ত্বেও এটিই নাকি ফ্যাশন। আর দাম শুনলে তো আরওই অবাক হবেন। স্নিকার্সটির দাম ৬৩ হাজার ২৫৮ টাকা। ঠিকই পড়েছেন। সাধারণ মানুষের বেতনের থেকে কয়েকগুণ বেশি।

গুচ্চির তরফে একটি ক্যাম্পেনে জানানো হয়েছে, ‘স্কাফড, ডার্টি অ্যান্ড ভিনটেজ স্পোর্টসওয়্যার’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই এই নতুন স্নিকার্স তৈরি করেছে তারা। মোট তিনটি রঙের এবং চারটি ডিজাইনের এমন ‘নোংরা’ জুতা কিনে নিতে পারেন ক্রেতারা। গুচ্চি ও গুচ্চি ভিনটেজের ধাতব লোগো বসানো থাকবে এই জুতোয়। যাতে জুতাটি নতুনের মতো ঝকঝকে না হলেও মানুষ বুঝে যায় এটি কিনতে আপনি কত টাকা ব্যয় করেছেন।

আর জুতো জোড়ার সবচেয়ে বড় গুণ হল, এটি কখনই পরিষ্কার করার প্রয়োজন হবে না। কারণ যতই পরিষ্কার করুন, এ ‘নোংরা’ যাওয়ার নয়। তবে গুচ্চির এমন স্নিকার্স নেটদুনিয়ায় ইতিমধ্যেই হাসির খোড়াকে পরিণত হয়েছে।

5-mysterious-places-in-india-02.jpg

রহস্য সন্ধান পেতে মানুষ ছুটে যায় দূর-দূরান্তে। রহস্য মানুষকে সবসময়ই আকর্ষণ করে। তবে চাইলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কিছু রহস্যময় জায়গা দেখে আসত পারেন যার রহস্যের সমাধান আজও মিলেনি।

ভরতের গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীর সংযোগস্থল থেকে জেট প্লেনের মতই আওয়াজ আসে অনেক আগে থেকেই। এই নিয়ে গবেষণাও হয়েছে বিস্তর কিন্তু ফলাফল শূণ্য। কেউ বলছে ভূমিকম্পের আওয়াজ কেউ বলছে সুনামি আবার কেউ তথ্য দিয়েছেন গ্যাসের খনি রয়েছে এই সংযোগস্থলে। কিন্তু প্রমান কতে পারেনি কেউই আসলে এখানে হচ্ছেটা কী? চাইলেই একবার যেতে পারেন শুনতে সেই রহস্যময় আওয়াজ।

ভারতের একটি গ্রামে নাম কোডিনহি। ওই গ্রামের সবই ঠিক আছে কিন্তু অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার এই যে, ওই গ্রামের প্রায় ঘরে ঘরেই আছে যমজ সন্তান। সেই গ্রামে ২২০ জোড়া যমজ সন্তান রয়েছে। কয়েক প্রজন্ম আগে শুরু হওয়া এই ব্যবস্থা এখনো চলছে। এই গ্রামের অনেক নারী যাদের অনেক দূরে বিয়ে করেছেন তাদেরও যমজ সন্তান জন্মানোর প্রবণতাই রয়ে গেছে। এই রহস্যের ব্যাখ্যা দিতে পারেনি চিকিৎসকরাও।

মানুষ আত্নহত্যা করে । কিন্ত পাখিরা আত্নহত্যা করতে শুনেননি কখনো। যদি দেখতে চান এই দৃশ্য তাহলে আপনাকে ভারতের জাতিঙ্গা নামে এক গ্রাম যেতে হবে। যেখানে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত অদ্ভুত ব্যবহার শুরু করে পাখিরা। তারা দলে দলে আত্মহত্যা শুরু করে। গাছ বা বড় বড় বাড়ির মাথা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে তারা। বিজ্ঞানীদের দাবি শীতকালে কুয়াশায় দেখতে পায় না তারা। তাই এই কাজ করে।

মৃত জেলের আত্মার দেখানো আলোতে এগিয়ে যেতে চাইলে যেতে পারেন পশ্চিমবঙ্গের কিছু জলাশয়ে। যেখানে দেখা যায় ভূতুড়ে আলো। সন্ধ্যার পর পানির উপরে ভেসে ওঠে এই সবুজ আলো। কেউ কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনি এই আলোর। কেউ যদি আলো লক্ষ্য করে এগিয়ে যায় তাহলে সে পথ হারিয়ে ফেলে।

biked.jpg

জনপ্রিয় মোটর বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হোন্ডা দেশের বাজারে দুইটি মডেলের মোটরসাইকেলে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন অফার ঘোষণা করেছে। ১১০ সিসির হোন্ডা লিভো এবং ড্রিম নিও’তে এই অফার পাওয়া যাবে। এই দুইটি বাইক কিনলে রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ৯৭৭৩ টাকা ছাড় পাওয়া যাবে।

১১০ সিসির এই বাইক দুইটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এয়ার কুলড ৪ স্ট্রোক বিশিষ্ট এস আই ইঞ্জিন। হোন্ডা লিভোর দুইটি মডেল রয়েছে। একটিতে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে এবং অন্যটির দুই চাকাতেই ড্রাম ব্রেক ব্যবহার করা হয়েছে।

বাইক দুটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮৬ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। লিভো এবং ড্রিম নিও প্রতি লিটার তেলে শহরে ৫৫ কিলোমিটার এবং হাইওয়েতে ৬০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। বাইক দুটিতে টিউবলেস টায়ার ব্যবহার করা হয়েছে। এই মোটর বাইকগুলোতে সেলফ এবং কিক স্টার্টার রয়েছে।

হোন্ডা লিভো এবং ড্রিম এর ফ্রি রেজিস্ট্রেশন ফ্রি অফার সম্পর্কে ফাহিম অটো’র সেলস এক্সিকিউটিভ আব্দুর রহমান নিরব ঢাকাটাইমসকে বলেন, হোন্ডা লিভো আমাদের বহুল বিক্রিত বাইকগুলোর মধ্যে অন্যতম। পুরো নভেম্বর মাস জুড়ে লিভো এবং ড্রিম নিও মডেলে হোন্ডা রেজিস্ট্রেশন ফ্রি এর উপর ৯৭৭৩ টাকা ছাড় দিচ্ছে। এতে ক্রেতারা বাইকগুলো সহজেই কিনতে পারবেন। তেল সাশ্রয়ী এই বাইকগুলো রাইড শেয়ারসহ নিজস্ব প্রয়োজনে ব্যবহার করার জন্য অত্যন্ত উপযোগী।’

ডিস্ক ব্রেকসহ হোন্ডা লিভোর মূল্য ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা এবং ড্রাম ব্রেকে বাইকটির মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।

হোন্ডা ড্রিমের মূল্য ১ লাখ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা। ৭ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের সব হোন্ডার শো’রুমে এই অফারে বাইকগুলো কেনা যাবে।

chikens.jpg

মাথা ছাড়া কেউ কোনও দিন বাঁচতে পারে? কল্পবিজ্ঞানে তো এসব স্বাভাবিক ঘটনা, কিন্তু বাস্তবে? অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনটা দেখা গেছিল একটা মুরগির ক্ষেত্রে। একদিন, দু’দিন নয়, টানা আঠারো মাস বেঁচেছিল ছোট্ট প্রাণীটা, তা-ও আবার মাথা ছাড়া!

খাবার দোকানে মুরগি সাপ্লাই করতেন কলোরাডোর ফ্রুটা শহরের লয়েড ওলসেন ও তাঁর স্ত্রী ক্লারা। ১৯৪৫-এর সেপ্টেম্বরের এক সকালে প্রায় চল্লিশটি মুরগি কাটার পর তাঁদের নজর পড়ে, ধড় থেকে মাথা আলাদা হলেও একটি মুরগি টলতে টলতে হেঁটে-দৌড়াচ্ছে। মাথাহীন মুরগির মৃত্যুর অপেক্ষায় সেটিকে একটি বাক্সে রেখে দিয়ে ঘুমাতে যান দম্পতি।

পর দিন সকালে ঘুম ভেঙে তাঁরা যা দেখলেন, তাতে অবাক বললেও কম বলা হয়। সোনার ডিম না পাড়লেও এই মুরগির ‘ক্ষমতা’ যে তার চেয়ে কিছু কম নয়, তা বুঝতে দেরি করেননি ওলসেন। দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে ছোট্ট শহরে। টনক নড়ে সংবাদিকদের। দু’দিন আগেও যার পরিণতি লেখা ছিল খাবারের প্লেটে, রাতারাতি সে হয়ে যায় সেলেব্রিটি।

এক কথায়, অলৌকিক ভাবে নতুন জীবন পাওয়া মুরগির পোশাকি নাম হয় ‘মিরাক্‌ল মাইক’। মহার্ঘ পাখিটাকে দেখতে চার দিকে হইচই পড়ে যায়। সাধের মুরগিকে নিয়ে প্রদর্শনীর সুবাদেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখার স্বপ্ন সত্যি হয় লয়েডের।

কিন্তু মাথা ছাড়া কী ভাবে বেঁচে রইল মাইক? আমার-আপনার মতো এই প্রশ্ন জেগেছিল চিকিত্সক ও প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মনেও। কারণ, পরবর্তী সময় অনেকেই দ্বিতীয় মিরাক্‌ল মাইক বানাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তা হলে কোন জাদুকাঠির ছোঁয়ায় বেঁচেছিল মাইক?

আসলে লয়েড যখন মাইকের মাথায় কোপ মারেন, তখন তার একটা কান বাদ দিয়ে চোখ, ঠোঁট-সহ গোটা মাথাটাই কেটে যায়। কিন্তু মুরগিদের মাথার পিছনেই থাকে মস্তিষ্কের মূল অংশটা। মাইকের ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনক ভাবে বেঁচে যায় তার মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ অংশই।

মাইকের মস্তিষ্কের এই অংশটাই তার শ্বাস-প্রশ্বাস, হৃদ্‌স্পন্দন, খিদে, হজম নিয়ন্ত্রণ করত। সময় মতো মাইকের ক্ষতর কাছে রক্তও জমাট বেঁধে গিয়েছিল, ফলে সে ভাবে রক্তক্ষরণও হয়নি।

মাথা না থাকায় একটি ড্রপারে করে তরল খাবার ও জল সরাসরি খাদ্যনালিতে ঢেলে দেওয়া হত। সিরিঞ্জ দিয়ে খাদ্যনালির চার দিকের ময়লা পরিষ্কার করে দিতেন লয়েড। এ ভাবেই সব চলছিল।

একবার পশ্চিম আমেরিকার ফিনিক্স শহরে প্রদর্শনীর শেষে একটি মোটেলে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন লয়েড দম্পতি ও মাইক। হঠাৎই একটা শব্দে দম্পতি চমকে ওঠেন। দম আটকে মাইকের প্রাণ তখন ওষ্ঠাগত। কিন্তু ওই যে সিরিঞ্জ, সেটি প্রদর্শনীতেই ফেলে এসেছিলেন লয়েডরা।

১৯৪৭ সালের মার্চ মাসের এই রাতে খাবার আটকে প্রাণ যায় মাইকের। আর পাঁচটা সুস্থ মুরগি যখন বড় হতেই রান্নার কড়াইতে জায়গা পায়, তখন মাথা হারিয়েও তাদের চেয়ে বেশি দিন বেঁচেছিল মাইক।

যদিও মারা গিয়েও বেঁচে ছিল মাইক। তার মনিব দীর্ঘ দিন তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যেই আনেননি। কেউ খোঁজ করলেই লয়েডরা বলতেন, বেচে দেওয়া হয়েছে মাইককে। এ ভাবেই মৃত্যুর পরেও বেঁচে ছিল মিরাক্‌ল মাইকের মিথ।

কলোরাডোর ফ্রুটা শহরে গেলে এখন মাথাহীন মুরগির স্ট্যাচুর দেখা মেলে। মাইকের স্মৃতিতে প্রতি বছর মে মাসে পালন হয় ‘হেডলেস চিকেন ফেস্টিভ্যাল’। আর লোকমুখে ঘুরে বেড়ায় এই আশ্চর্য মুরগির গল্প।সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Fashoin_Mekup.jpg

সংযুক্ত আরব আমিরাতে নতুন বিয়ে করা এক ব্যক্তি মেক-আপ ছাড়া প্রথমবার তার নববধূর মুখ দেখে যারপরণাই বিরক্ত হয়েছেন। মেক-আপসহ তাকে যেভাবে দেখায়, মেক-আপ ছাড়া দেখলে তার সঙ্গে কোনো মিল পাওয়া যায় না। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সারজায় আল মানজার সৈকতে বেড়াতে যান নবদম্পতি। সেখানে গোসলের পর মেক-আপ উঠে গিয়ে নববধূর প্রকৃত চেহারা বেরিয়ে পড়ে। এতে চরম বিরক্ত হয়ে ওঠেন তার স্বামী।

গালফ নিউজে এ-সম্পর্কিত খবরে বলা হয়েছে, স্বামীর (৩৪) অভিযোগে, বিয়ের আগে মেক-আপ দিয়ে তাকে ধোকা দেওয়া হয়েছে। কসমেটিক্স, আইল্যাশেস দিয়ে চেহারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তালাক দেওয়ার পর নববধূ একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করেন। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল আজিজ আসাফ জানিয়েছেন, মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে এ নারীকে তিনি সাহায্য করছেন।

বিয়ের আগে ওই নারী প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছিলেন। এসব বিষয়ে তার স্বামী কিছু জানতেন না। তবে স্বামীকে তিনি ঘটনা জানাতে চেয়েছিলেন- এমনটা দাবি করেছেন চিকিৎসক। কিন্তু তত সময়ে অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখন কোনোমতে স্ত্রীকে গ্রহণ করতে রাজি নন তার স্বামী।

pcl.jpg

বিদেশে ভ্রমণ, উচ্চশিক্ষা, মাইগ্রেশনসহ বিভিন্ন আবেদন জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়।অনেক এ নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। তবে নিয়ম জানা থাকলে খুব সহজেই আপনি কাজটি করতে পারেন। এখন অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে, যা মূলত ঝামেলামুক্ত।

তাই নিয়ম জানলে খুব সহজেই পেয়ে যাবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।

আসুন জেনে নিই কীভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে। আর এ ক্লিয়ারেন্স পেতে আপনার কোন কোন কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

আসুন জেনে নেই কীভাবে পাবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স।

কোথায় যাবেন

ডিএমপির সদর দফতরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়া হয়।ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বসবাসরত নাগরিকরা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে সরাসরি যোগাযোগ করুন। ডিএমপি সদর দফতর, কক্ষ নং-১০৯, হেল্প লাইনঃ- ০১১৯১-০০৬৬৪৪ এবং ০২-৭১২৪০০০।

আবেদন

অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র । পুলিশ সার্টিফিকেট পেতে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।এছাড়া ডিএমপির সদর দফতরে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেয়া হয়, যেখানে গিয়ে আবেদন করতে পারেন।

ফরম পূরণ

রেজিস্ট্রেশন করার পর লগ-ইন করে অ্যাপ্লাই (Apply) মেনুতে ক্লিক করলে একটি আবেদন ফরম আসবে। ফরমটিতে যথাযথ তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে। আবেদন ফরমের (Application form) আপলোড (Upload) অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যের স্ক্যানকপি আপলোড করতে হবে।

ঠিকানা

আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোনো একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন/জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/যার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হয়েছে তাকে অবশ্যই ওই ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে।

সত্যায়িত

প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।

বিদেশি নাগরিক

বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি ।

পাঁচ শত টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যেকোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচ শত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জসহ ফি প্রদান।

বিদেশে অবস্থান

বিদেশে অবস্থানকারী কোনো ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সঙ্গে দাখিল করতে হবে

জাতীয় পরিচয়পত্র

মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণস্বরূপ জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি প্রথম শ্রেণির সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।

বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করে স্বদেশে/বিদেশে প্রত্যাবর্তনকারী বিদেশি নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়।

এছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকরি কিংবা অন্য কোনো কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা কিংবা সিটি এসবি শাখায় যোগাযোগ করুন।

অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য ভিজিট করুন এই ওয়েবসাইটে (http://pcc.police.gov.bd/en/)।

vd3e.jpg

মাত্র ৮ বছর বয়সেই চার্চে যাওয়া শুরু করেছিলেন ইউদি পিনেদা। ইচ্ছা ছিল সন্ন্যাসিনী হবেন তিনি। কিন্তু এখন সম্পূর্ণ অন্য জগতে রয়েছেন তিনি।

এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নীল ছবির ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেই এখন মাতাচ্ছেন কলম্বিয়ার পর্ন তারকা ইউদি পিনেদা। সম্প্রতি তিনি জীবনের গোড়ার দিকের বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য শেয়ার করেছেন।

১০ বছর বয়সেই স্থানীয় একটি চার্চে নিয়মিত যেতেন তিনি। সেখানে ৮ বছর সন্ন্যাসিনী হিসাবে কাটান ইউদি। কিন্তু পরে তাঁর মনে হয়, এই কাজটি আদতে তার জন্য উপযুক্ত নয়। পরে একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ শুরু করেন তিনি।

সেখানেই ইউদির সঙ্গে হুয়ান নামে এক ব্যক্তির আলাপ হয়। হুয়ান পর্ন ছবির জন্য মডেলের খোঁজ করেছিলেন। হুয়ানের কথাতেই নীল ছবিতে পা রাখেন ইউদি।

ইউদির দাবি, প্রথমে তার এ সব করতে ভালো লাগতো না, কিন্তু পরে এটি মানিয়ে নেন তিনি। তবে, এখনও নিয়মিত চার্চে প্রার্থনার জন্য যান বলে জানান।

২২ বছরের এই নীল ছবির অভিনেত্রী এখন বেশ জনপ্রিয়। তবে তার কেরিয়ারের প্রথম দিকের কথা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছেন অনেকে।

purnima-debe-20180917193331.jpg

অন্যের সেবায় হাসিমুখে নিজের অর্থ বিলিয়ে দেয়া খুব একটা সহজ কাজ নয়, তাও আবার ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের জন্য! কিন্তু এক বৃদ্ধা তার গোটা জীবনের সঞ্চিত অর্থ ভারত সেবাশ্রম সংঘকে এবং ১২ কাঠা জমি দান করেছেন মুসলিমদের কবরস্থানের জন্য। নিজ এলাকায় অনেকেই তাকে ‘মাদার তেরেসা’ বলে ডাকেন।

আর এই মহৎ কাজটি করেছেন করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার পূর্ণিমা বন্দ্যোপাধ্যায় (৭৯)। জন্মস্থান হুগলি জেলার শ্রীরামপুরের বল্লভপুরের ঠাকুরবাড়ি। বাবা ছিলেন অবিনাশ বন্দ্যোপাধ্যায়, মা বিমলা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারটি ছিল খুব শৃঙ্খলাপরায়ণ।

পূর্ণিমা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের এই বৃদ্ধা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজকল্যাণ দপ্তরে চাকরি পাওয়ার পর পারিবারিক বিবাদের কারণে ঘর ছাড়েন। সেই থেকে বিভিন্ন জেলা ঘুরে অবশেষে ২০০০ সালে অবসর নেন। বিভিন্ন সময়ে ভাড়াবাড়িতে থাকার পর অবসরের আগে একটা নদীর তীরে পাঁচ শতক জমির ওপর শিবমন্দির–সহ দ্বিতল বাড়ি নির্মাণ করেন। ওই ঘরে পাকাপাকিভাবে একাই থাকতে শুরু করেন তিনি। বয়সের ভারে জীর্ণ শরীরেও কথাবার্তা এখনও টনটনে।

পূর্ণিমা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তার গ্রামের এক মুসলিম নারী বলেন, ‘পূর্ণিমাদেবী আমার পূর্ব পরিচিত ছিলেন। সেই সুবাদে গল্পের ছলে আমি ওনাকে বলেছিলাম আমাদের গ্রামে মুসলিম পরিবারের কেউ মারা গেলে কবরস্থান না থাকায় বাড়ির উঠোনে কবর দিতে হয়। এটা আমাদের গ্রামের একটা বড় সমস্যা। এই কথা শোনার পর তিনি বলেন নদীর ওপারে আমার ১২ কাঠা জমি আছে, ওই জমি আমি মুসলিম ভাইদের দান করে দেব। এর কয়েকদিন পর তিনি কাগজপত্র তৈরি করেন, কবরস্থানের জন্য জমি দান করে দেন।’

তার এলকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘রাস্তার পাশে গ্রামের দুর্গামন্দির করার জন্য তার অবদান ভোলার নয়। বলতে গেলে তার অর্থেই পাকা মন্দিরটি তৈরি করতে পেরেছি আমরা।’

তার এলাকার এক যুবকের কথায়, ‘পূর্ণিমাদেবীর নিজের বলতে আর কিছুই নেই। বসতবাড়িটিও ভারত সেবাশ্রমকে দান করে দিয়েছেন, পেনশনের টাকায় চলছে।’

পূর্ণিমা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমার আমার করে কী লাভ। নিজে সংসার করিনি, ঠাকুরের নাম করে ৭৯টা বছর পার করে দিলাম। নিজের ১২ কাঠা জমি মুসলিম ভাইদের অসুবিধের কথা জেনে বিমলা–অবিনাশ সমাধিক্ষেত্র নামে দলিল করে তাদের হাতে তুলে দিয়েছি, বাসন্তী মন্দির-দুর্গামন্দির করে দিয়েছি। অবশেষে নিজের মন্দির–সহ দোতালা বসতবাড়ি ও অবশিষ্ট ৫ লক্ষ টাকা ভারত সেবাশ্রমকে দান করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এখন আমার সম্বল বলতে সামান্য কয়েক হাজার টাকার পেনশন। যে কদিন বাঁচব, এই অর্থেই চলে যাবে। হাসিমুখে অন্যের সেবা করার মতো আনন্দ অন্য কিছুতে আছে কিনা আমার জানা নেই।’

yudvabone-20180917224052.jpg

এশিয়ার উদ্ভাবনী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সর্বনিম্নে। আর শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। বেশিরভাগ সূচকে সর্বোচ্চ সফলতা অর্জন করে সিঙ্গাপুর এই অঞ্চলের নেতৃত্ব দিচ্ছে। দেশটি গত বছরের তুলনায় বৈশ্বিক তালিকার দুই ধাপ ওপরে উঠে এসেছে। বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০১৮ বিশ্লেষণ করে এশিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক (এএনএন) এ তথ্য জানিয়েছে।

এএনএনের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, মিয়ানমার ও পাকিস্তানের মতোই বাংলাদেশও ২০১৮ ও ২০১৯ সালে উদ্ভাবনের সূচকে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান এশিয়ার সেরা উদ্ভাবনী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উদ্ভাবনের দিক থেকে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়া উচ্চআয়ের দেশগুলোর মধ্যে থেকে উদ্ভাবনে অধিক বিনিয়োগ করে এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। দেশটির শুধুমাত্র বিনিয়োগই বৃদ্ধি করেনি, বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মানেরও উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটিয়েছে। এরপরেই এশিয়ার তৃতীয় স্থানে রয়েছে জাপান।

বাংলাদেশ, কাজাখস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, পাকিস্তানসহ তালিকায় নিচের দিকে থাকা দেশগুলো ভবিষ্যতে উত্তরোত্তর উদ্ভাবনের মাধ্যমে উপকৃত হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরবর্তী এক দশকে জ্বালানিক্ষেত্রে উদ্ভাবন, উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ এবং ব্যবহারের মতো ক্ষেত্রগুলো, যেখানে সফলতা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এছাড়া কীভাবে তৃণমূল পর্যায় থেকে উদ্ভাবনের সূচনা হয় ও পর্যায়ক্রমে তার উন্নয়ন ঘটে তার বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

thrt.jpg

সন্তানের দেখভালের জন্য বাবা-মা কত কিছুই না করেন। তাদের অবর্তমানে সন্তানকে দেখভালের জন্য অনেকেই পরিচারক বরাদ্দ করেন। তবে বিদেশে পড়তে যাওয়া মেয়ের জন্য গুনে গুনে ১২ জন পরিচারক নিয়োগ করা অনেকটা কপালে ভ্রু ওঠার মতো কাজ। আর এমনই এক কাণ্ড করেছেন ভারতীয় এক ধনকুবের।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের ‘সিলভার সোয়ান রিক্রুটমেন্ট’ সংস্থার মাধ্যমে পরিচারক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন ওই ধনকুবের। চলতি মাসেই মেয়েটি সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছরের একটি কোর্স করার জন্য স্কটল্যান্ড যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপনে লেখা রয়েছে, এক বিত্তবান ভারতীয় পরিবার একজন প্রধান পরিচারক, একজন উদ্যানপালক, তিনজন হাউসকিপার, হাউস ম্যানেজার, পরিচারিকা, গাড়িচালক, রাঁধুনি ও তিনজন পিয়নকে নিযুক্ত করবে। যারা ওই পরিবারের মেয়ের দেখাশোনা করবে। তারা থাকবে পাশেরই একটি বিলাসবহুল বাড়িতে।বিজ্ঞাপনে পরিচারকদের কাজের ধরণ সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হয়েছে। যেমন-ঘুম ভাঙ্গানো থেকে শুরু করে, অন্যান্য কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সবদিক দেখাশোনা করা, ওয়্যারড্রোব ম্যানেজমেন্ট ও শপিং-এ সাহায্য করতে হবে পরিচারকদের। তিন বেলা খানসামা খাবার পরিবেশন ও বাড়ি পরিষ্কারের দায়িত্বে থাকবেন।যতটা সম্ভব মেয়েকে প্রতিটি দরজা খুলে দেওয়াও পরিচারকদের দায়িত্বের মধ্যে পড়বে বলে বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। পরিচারকদের বছরে ২৮ লাখ রুপি করে দেওয়া হবে। বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে,’এই পরিবার অত্যন্ত ফরমাল এবং তারা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী খুঁজছেন।’প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেইট মিডলটনের দেখা হয়েছিল সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানকার এক  মুখপাত্র অবশ্য বলছেন, ‘এটা ছাত্রদের ব্যক্তিগত জীবন। তারা যে ভাবে চান, সে ভাবেই থাকতে পারেন।’


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter