লাইফ স্টাইল Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

headphn.jpg

২০৫০ সালে ৯০০ মিলিয়ন বা ৯শ’ কোটির অধিক মানুষ শ্রবণশক্তি হারাবে। অর্থাৎ প্রতি দশজনের একজন, যা তাদের জীবনকে অক্ষম করে দেবে। এবং অপ্রতিরোধ্য এই রোগের চিকিৎসার জন্য বছরে ৭৫০ বিলিয়ন ডলার খরচ পড়বে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-এর এক বিবৃতির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

খবরে বলা হয়, স্মার্ট ফোনসহ বিভিন্ন মোবাইল ডিভাইস ব্যবহারের কারণে বিশ্বের ১শ’ কোটির বেশি যুবক শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, আগামী ৩ মার্চে বিশ্ব শ্রবণ দিবসের আগেই তারা নতুন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ইস্যু করেছে।

মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও’র এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত ইয়ারফোনের মাধ্যেমে মাত্রাতিরিক্ত এবং উচ্চ আওয়াজে মিউজিক শোনার কারণে শতকরা ৫০ ভাগ যুবক শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। যাদের বয়স ১২ থেকে ৩৫ এর মধ্যে। অর্থাৎ ১.১ বিলিয়ন যুবক। খবর ফোর্বসের।

সংস্থাটি আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের সঙ্গে সমন্বয় একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ইস্যু করেছে। যাতে স্মার্ট ফোনসহ অডিও মিডিয়া প্লেইয়ার তৈরির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যাতে এগুলো দিয়ে নিরাপদে শোনা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাপ্ত তথ্য মতে, বিশ্বের শতকরা পাঁচ ভাগ অর্থাৎ ৪৬৬ মিলিয়ন মানুষ শ্রবণশক্তি হারিয়ে আক্রান্ত, যা তাদেরকে অক্ষম করে তুলছে। এর মধ্যে ৪৩২ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক আর ৩৪ মিলিয়ন শিশু। আর এদের অধিকাংশই স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশে বাস করে।

japandocto.jpg

ডা. শিগেয়াকি হিনোহারা। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই ১০৫ বছর বয়সে মারা যান জাপানি এই চিকিৎসক। দীর্ঘজীবন ধারণে তাঁকে একজন বিশেষজ্ঞ মানা হয়। তাঁর পরামর্শেই গড় আয়ুর দিক থেকে জাপান বিশ্বে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে। বেশি দিন বেঁচে থাকার জন্য তাঁর কিছু পরামর্শ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বিশেষ করে হিনোহারার ছয়টি পরামর্শ—

প্রথম পরামর্শ: যত দেরিতে সম্ভব কর্মজীবন থেকে অবসর নিন। জাপানি এই চিকিৎসক নিজে মৃত্যুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও কর্মজীবনে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর এই পরামর্শ খুবই কার্যকর। সাধারণত চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অবসর নেওয়ার পর যেন তাঁদের বার্ধক্য হু হু করে বাড়ে। দেখা দিতে থাকে নানা অসুখ-বিসুখ। কাজ মানুষের বার্ধক্য আটকে রাখে।

দ্বিতীয় পরামর্শ: ওজনের দিকে খেয়াল রাখো। দিনে একবার খাও। ডিনারে মাছ ও সবজির ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। মাংস অবশ্যই খেতে হবে। তবে সপ্তাহে দুবারের বেশি নয়। জলপাইয়ের তেল (অলিভ অয়েল) খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শরীরের ত্বক ও শিরা-ধমনি ভালো রাখার জন্য জলপাই তেল ভালো কাজ করে।

তৃতীয় পরামর্শ: আনন্দে সময় কাটাও। অতিরিক্ত নিয়মকানুনের চাপে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে। শৈশবে খাবারদাবারের অনিয়ম সত্ত্বেও শরীর অসুস্থ হয় না। কেন? কারণ, মানসিক চাপ থাকে না। মূলত ঘুমিয়ে বা কিছু না করেই শরীর ক্লান্ত না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

চতুর্থ পরামর্শ: যা জানো, তা অন্যকে জানাও। তিনি বিশ্বাস করতেন, আমরা পৃথিবীতে এসেছিই এই সভ্যতায় কিছু না কিছু অবদান রাখার জন্য, মানুষকে সাহায্য করার জন্য। আজ, আগামীকাল, এমনকি পাঁচ বছর পরের পরিকল্পনা করতেন তিনি।

পঞ্চম পরামর্শ: জাগতিক সম্পদ নিয়ে চিন্তা না করা। ভালো থাকার পেছনে অর্থবহ কাজ করাটাই জরুরি। বস্তুগত চিন্তার তুলনায় আধ্যাত্মিক চিন্তায় শরীর ও মন ভালো থাকে বলে বিশ্বাস করতেন। অর্থবিত্ত মানুষকে আরও বেশি মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে। অল্পতেই তুষ্ট হওয়া তাই জরুরি। তিনি সব সময় এটা মনে রাখতে বলেছেন, শেষ ঠিকানায় এসব কিছুই সঙ্গে যাবে না।

ষষ্ঠ পরামর্শ: সিঁড়ি ব্যবহার করা। হিনোহারা নিজে একবারে সিঁড়ির দুটি ধাপ পার করতেন, যাতে তাঁর পেশি ঠিক থাকে। শারীরিক ব্যায়ামের জন্য দৈনন্দিন কাজকর্মে যান্ত্রিকতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কায়িক শ্রম পছন্দ করতেন। ডাক্তারের পরামর্শকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে মানা করতেন তিনি। চিকিৎসকেরা জীবন দিতে পারেন না। তাই অযথা সার্জারি করার বিপক্ষে ছিলেন।

valentines-day.jpg

আসছে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। মাঝে মাত্র কয়েকদিন। তারুণ্যের অনাবিল আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ভালোবাসা দিবস পালন করা হয়। বিশেষ করে দেশের তরুণ-তরুণীদের মাঝে এ দিবসটির ছোঁয়া বেশি পাওয়া যায়। ভালোবাসা দিবস নিয়ে নতুন করে খুব যে কিছু বলার আছে তা নয়। নব্য যুবক-যুবতীদের কাছে বসন্ত পঞ্চমী তিথির মূল আকর্ষণটি যে কী, তা সবাই জানেন। তবে হ্যাঁ, এই ভালোবাসা দিবসে কিছু সাবধানতা মেনে চলা উচিত।

চলুন সাবধানতাগুলো জেনে নেওয়া যাক…

১. চোখাচোখি থেকে বিষয়টা কথাবার্তা পর্যন্ত এগোতেই পারে কিন্তু দুম করে কখনোই নয়। আপনি হয়তো খুবই স্পষ্টবাদী, মনের কথা খুব বেশিক্ষণ চেপে রাখতে পারেন না, কিন্তু সময় নিতে হবে। দেখাদেখি হলো বাকিটা খোঁজ-খবর করে রাখুন, পরে যোগাযোগ করুন। কিন্তু যদি উল্টোদিক থেকে খুব একটা আগ্রহ না থাকে, তবে সেই তিনি ভাবতে পারেন যে, এটা নেহাত ‘ছকবাজি’, প্রেমে পড়া নয়।

২. প্রথম মৌখিক আলাপটা বন্ধুবান্ধবদের উপস্থিতিতেই করা ভাল। তাতে অন্য পক্ষ বেশ স্বস্তিতে থাকবেন। তবে একা কোনো মেয়ের সঙ্গে আবার আপনার দলবল নিয়ে কথা বলতে যাবেন না। কিশোরী-তরুণীরা ভয় পেয়ে যাবেন। সবচেয়ে ভাল হল, দু’দলের মধ্যে যৌথ আলাপ চারিতা। তার পরে না হয়, একান্তে কথা বলা যাবে। তবে অবশ্যই নৈতিকতার দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

৩. আলাপ হওয়া মাত্র ঝটপট সেলফি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করবেন না। ওটা হলো ‘আদেখলাপনা’। সেলফি বা ছবি তুলতে বাধা নেই কিন্তু আপলোড করতে সময় নিন। নিজের আত্মসম্মান বজায় রাখুন।

৪. পকেটের অবস্থা বুঝে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করুন। সেই সঙ্গে খাবারের দামটা জেনে নিন। কারণ এই দিবসগুলোতে খাবারের দোকানিরা হঠাৎ করেই খাবারের মূল্য বেশি করে দেন।

৫. ভালোবাসা দিবসে আবেগে পড়ে হঠাৎ করেই প্রিয়জনের কাছে যে কোন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিবেন না। কারণ, প্রতিশ্রুতি ভালোবাসার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

৬. ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় গিফট নিয়ে যেতে ভুলবেন না। সেটা ছোট হউক বা বড় হউক। কারণ, সবাই তার প্রিয়জনের কাছে থেকে বিশেষ দিবসে গিফট পেতে পছন্দ করে।

৭. একটি সিরিয়াস সতর্কবার্তা; বিশেষ করে মেয়েদের জন্য- যদি ইচ্ছার বিরুদ্ধে কেউ জোর করে ছবি বা ভিডিও করতে যায়, তার দিকে লক্ষ রাখুন। খারাপ উদ্দেশ্য চোখে পড়লে তাকে উচিত শিক্ষা দিতে একটুও দেরি করবেন না! ভালো লাগার মানুষকে সুন্দরভাবে দেখা এক জিনিস আর তাকে বিকৃত মানসিকতা থেকে ‘ভোগ’ করতে চাওয়ার ইচ্ছা আর এক!

relatiom.jpg

কেউ চান না তাদের মধুর সম্পর্কটি ভেঙ্গে যাক। কিন্তু না চাইলেও অনেক সময় নানা কারণে ভেঙ্গে যায় সম্পর্ক। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর অনেকে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন। একা হয়ে যান। অনেকে স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর নিজেকে সামলে নিতে বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন নানা মতামত। একনজরে দেখে নিন:

সময় নিন ও শোক মেনে নিন

সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর অনেকে দিশেহারা হয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় ধরে কারো সঙ্গে সম্পর্ক থাকার পর হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেন না অনেকে। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হলে সকল কষ্ট মেনে নিতে হবে। যা কষ্ট হোক মেনে নিন।

নিজেকে সময় দিন

নিজেকে প্রচুর সময় দিন। নিজের শরীর ও মনের যত্ন নিন। কি করলে নিজে সুখে থাকবেন তা করুন। বন্ধু ও পরিবারের লোকজনদের সময় দিন। খেলাধূলা করুন। নিজের প্রতিভার চর্চা করুন বা নতুন কিছু করার চেষ্টা করুন। গিটার শিখুন অথবা ছবি তুলতে বেরিয়ে পড়ুন। এক কথায় জীবনে নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুন।

অন্যের সাহায্য নিতে পিছুপা হবেন না

অনেক সময় পারস্পরিক সমঝোতার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয় না। যে কোন একপক্ষ হুট করে এসে সম্পর্কের ইতি টানেন। আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করেছে বলে ভাববেন না আপনি আর কারো ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য না। নিজে কি ভুল করেছেন সেটা না দেখে কি করলে নিজে অনেক ভাল থাকবেন তা করুন। বিশ্বস্ত কাছের লোকদের সঙ্গে আপনার অনুভূতি শেয়ার করুন।

সময় সবকিছু বদলে দেয়

সময় সবকিছু বদলে দেয়। সম্পর্ক শুরুর সময় আপনার পছন্দের মানুষটিকে যেমন দেখেছিলেন সে যে সবসময় তেমনই থাকবে তা ভাবা বন্ধ করুন। সময় ও পরিস্থিতির কারণে অনেক কিছু বদলে যায়। আপনার সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার সময় যে কষ্ট পেয়েছিলেন কয়েকদিন পর সে পরিমাণ আর পাবেন না। এর কয়েকমাস পর দেখবেন আপনার কষ্ট আরো কমবে। আপনার সঙ্গীর কথা আপনার অবশ্যই মনে পড়বে। তার সঙ্গে আপনার ভালো মুহূর্তগুলোর কথা মনে করুন ভালো লাগবে। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস ও ইন্ডিপেনডেন্ট।

Khejur-120170530212002.jpg

অনেকেই বিশ্বাস করেন মিষ্টি খাবার মানেই তা শরীরের জন্য ভালো নয়। এই ধারণা কিন্তু ঠিক নয়। কারণ খেজুর একটা মিষ্টি ফল, তবু এর মধ্য কোনও ক্ষতিকর উপাদান নেই। বরং এটি খেলে সার্বিকভাবে শরীর অনেক চাঙ্গা থাকে। খেজুরের মধ্য বিপুল পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ক্য়ালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকার কারণে শীতকালে এই ফলটি খাওয়া খুব জরুরি। সর্বোপরি এর খাদ্যগুনের জন্য রমজান মাস চালাকলীন মুসলমানরা ইফতার করেন এই ফল দিয়েই।

কারণ রোজার কারণে শরীরের বিপুল পিরমাণ শক্তির দরকার পরে, আর খেজুর সে সময় এই কাজটিই করে খুব সুন্দরভাবে। এখানেই শেষ নয়, যারা নিজের ওজন কমাতে ইচ্ছুক তাদের জন্যও এই ফলটি খাওয়া জরুরি। কারণ খেজুর ওজন কমাতে দারুন কাজে আসে।

১. খেজুরের আরো কিছু গুনাগুন আমরা জানি: শরীর গরম রাখে: খেজুরে বিপুল পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং ম্য়াগেনশিয়াম থাকার কারণে এটি শরীর গরম রাখতে খুব সাহায্য় করে। সেই কারণেই তো শীতকালে এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

২. ঠান্ডা কমায় : ঠান্ডায় খুব হাঁচি-কাশি হচ্ছে। চিন্তা নেই। এখনই ২-৩ টে খেজুর, কিছুটা মরিচ আর ১-২ টো এলাচ নিয়ে গরম জলে ফেল সেদ্ধ করে নিন। দাঁড়ান দাঁড়ান, এখনই খাবেন না। শুতে যাওয়ার আগে ওই জল খেয়ে নিন। দেখবেন ঠান্ডা কেমন দূরে পালাচ্ছে।

৩. অ্যাজমা সারায়: শীতে যে যে রোগ খুব মাথাচারা দিয়ে ওঠে তার মধ্য়ে অন্য়তম হল হাঁপানি বা অ্যাস্থেমা। প্রতিদিন সকালে আর বিকালে নিয়ন করে ১-২ টো খেজুর খান। দেখবেন শীতকালে আর হাঁপানি হচ্ছে না আপনার।

৪. শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে: খেজুরে যেহেতু অনেক পরিমাণে প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকে, তাই এই ফলটি খেলে নিমেষ শরীরের শক্তি বেড়ে যায়। ৫. কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়: কেয়েকটা খেজুর নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরটা ফাটিয়ে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করেছে। আসলে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুন কাজে আসে।

৬. হার্টের জন্য ভালো: হার্টকে ভালো রাখে। আর একথা তো সকলেরই জানা যে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই এই ফলটি খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনি হার্টরেটও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফেল কমে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।

৭. আর্থারাইটিস কমায়: 
শীতে যারা আর্থ্রারাইটিসের সমস্য়ায় খুব ভোগেন তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে আর্থ্রারাইটিসের ব্য়থা কমাতে এটা দারুন কাজে দেয়।

৮. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে: ম্যাগনেশিয়াম আর পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য় করে। আর এই দুটি খনিজ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে থাকায় এই ফলটি খেলে রক্তচাপ একেবারে নিয়ন্ত্রণে থাকে।

hand-burn.jpg

রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। যারা নিয়মিত রান্না করেন তাদের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে এমনটি হয়ে থাকে। এজন্য সাবধানতার সঙ্গে রান্না করতে হবে। এছাড়া রান্না করার সময় হাত পুড়ে গেলে কী করবেন সেটাও জানা থাকা দরকার। এতে প্রাথমিক চিকিৎসা সম্ভব হবে। দেখুন হাত পুড়লে কী করবেন-

  • প্রথমে চুলা বন্ধ করুন।
  • এরপর পোড়া জায়গার জ্বালা কমিয়ে ফোসকা পড়ার ঝুঁকি কমাতে ক্ষতস্থানে ১৫ মিনিট ঠাণ্ডা পানি ঢালুন।
  • ভিনেগারের সঙ্গে সম পরিমাণে পানি মিশিয়ে ক্ষত স্থানটি ধুয়ে নিন। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিকের কাজ করে।
  • অ্যালোভেরার জেল বের করে পোড়া জায়গায় লাগিয়ে নিন। এতে ত্বকে শীতল অনুভূতি দেবে ও জ্বালাভাব কমে যাবে।
  • ইনফেকশনের ঝুঁকি কমাতে মধু ব্যবহার করা যায়।
  • আদা গ্রেট করে রস লাগিয়ে দিন পোড়া স্থানে জ্বালা কমবে।
  • চা পাতায় আছে ট্যানিক এসিড যা ত্বককে শীতল করে। পোড়া জায়গায় কয়েকটি ঠাণ্ডা ভেজা টি ব্যাগ ধরে রাখুন।
  • পোড়া স্থানে খানিকটা মিন্ট ফ্লেভারের টুথপেস্ট লাগিয়ে নিন। আরাম পাবেন। চামড়াও সুরক্ষিত থাকবে।

মনে রাখবেন, শুধু সামান্য পুড়লে এসব করবেন। আর যদি বেশি পুড়ে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

hair.jpg

গোসলের সময় হঠাৎ করে কানে পানি ঢুকতে পারে। এতে একদিকে যেমন অস্বস্তি লাগে তেমনি অন্যদিকে ব্যথাও হতে পারে। এছাড়া কানে পানি ঢুকে ইনফেকশন হওয়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়ই।

এজন্য কানে পানি ঢুকলে যতদ্রুত সম্ভব তা বের করার চেষ্টা করতে হবে। দেখুন কীভাবে এটা করবেন-

চুইংগাম চিবান, এতে কানে চাপ পড়ে পানি বের হয়ে যাবে।

লম্বা করে শ্বাস নিন। দুই আঙুল দিয়ে নাকের ফুটো বন্ধ করে দিন। এবার বন্ধ নাক দিয়েই নিঃশ্বাস ফেলার চেষ্টা করুন। কয়েকবার এভাবে করলে কান থেকে পানি বেরিয়ে আসবে।

যে কানে পানি ঢুকেছে, সেই দিকে মাথাটি কাত করুন। তারপর হাতের তালু রাখুন কানের ওপরে এবং চাপ দিন। চাপ দিয়েই হাতটি সরিয়ে নিন। এভাবেও পানি বের হবে।

১০-১২ ইঞ্চি দূরে রেখে হেয়ার ড্রায়ার একদম লো’তে সেট করে কানের দিকে তাপ দিতে পারেন।

আঙুল বা অন্য কিছু কানের ভেতরে দেয়া যাবে না।

কাত হয়ে শুয়ে থাকলেও কানের পানি বের হয়ে যায়।

এসব করেও যদি কানের ভেতরে পানি থেকে যায়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

porokia-20190201145659.jpg

মেয়েরা পরকীয়া প্রেম কেন করে – বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেমকেই পরকীয়া প্রেম বলে। এর ঝাঁঝ অতি মারাত্মক। মানবসমাজে কত ধরণের প্রেমই তো আছে! তবে যত ধরণের প্রেমই থাকুক না কেন ‘পরকীয়া’ প্রেমকে সবাই একটু ভিন্ন চোখে দেখে।

এটাকে অনেক সময় ‘বিশেষ’ ধরণের প্রেমও বলা হয়! এই ধরনের সম্পর্কগুলোতে আবেগীয় বিষয়টাই বেশি প্রাধান্য পায়। মহিলাদের মধ্যে পরকীয়া এদেশে এখনো ততোটা জনপ্রিয় নয় যতোটা পুরষদের মধ্যে। পুরুষদের পরকীয়া প্রেমের ক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যাক্তিটি কম বয়সী কোন অল্প বয়সী মহিলা এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে যুবতীও হয়ে থাকেন।…

মহিলাদের ক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যাক্তিটি সাধারণত কোন মধ্যবয়সী পুরুষ বা একাধিক পুরুষও হয়ে থাকেন। ৩০-৪৮ বছর বয়সীদের মধ্যে পরকীয়া প্রেম বহুলভাবে পরিলক্ষিত হয়।

পরকীয়া প্রেম কেন হয়?

পরকীয়ার প্রথম কারন হলো আপনি হয়তো আপনার স্বামী অথবা স্ত্রীকে সময় দিতে পারছেন না। একে অপরকে পর্যাপ্ত সময় না…

দেওয়ার কারনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটা মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। স্বামী অথবা স্ত্রী এমন কাউকে খুজতে থাকে যার সাথে তার একাকীত্ব ঘুচে যায়। এমন কাউকে খুজতে থাকা থেকেই পরকীয়ার সূত্রপাত।

ছেলে ও মেয়েরা কিন্তু একই কারণে পরকীয়ায় জড়ায় না। মেয়েরা মূলত পুরুষের বুদ্ধিবৃত্তিক, আবেগীয় ও অর্থ সম্পদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে এবং শারীরিক চাহিদা থেকে পরকীয়ায় জড়ায়। অন্যদিকে পুরুষরা সাধারণত বহুগামী মানসিকতা থেকে পরকীয়ায় জড়িয়ে থাকে।

আপনার বন্ধুবান্ধব পুরুষরা কেউ যদি পরকীয়া করে থাকে দেখবেন তাদের পরকীয়ার গল্পে যৌন কর্মকাণ্ডের কথাই বেশি থাকে। অন্যদিকে নারীরা তাদের প্রেমিকের বুদ্ধিবৃত্তিক ও আবেগীয় কর্মকাণ্ড বলতে বেশি পছন্দ করে।

প্রত্যেক স্বামী এবং স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক কিছু চাহিদা আছে। যখন এসব চাহিদা পূরণ হয় না, স্বপ্নভঙ্গের ব্যথায় কষ্ট পায় মন-মূলত তখনই পরকীয়ার সূত্রপাত ঘটে।

একে অপরের প্রতি উদাসীনতা ধীরে ধীরে একজন স্বামী থেকে একজন স্ত্রীকে আলাদা করে ফেলে, বা একজন স্ত্রী থেকে স্বামীকে আলাদা করে ফেলে। বেড়ে যায় মানসিক ব্যবধান। যার কারণে শুরু হয় মনোমালিন্য। এবং অবশেষে পরকীয়া।

স্বামী অথবা স্ত্রী যদি চাকুরীজীবি হয়ে থাকে তাহলে তারা তাদের অফিসের বিপরীত লিঙ্গের কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে অধিকাংশ নারী বিবাহের পর বাকি জীবনটা গৃহবধূ হিসাবে পার করে দেয়। এসব গৃহবধূদের অনেকেই বিবাহ পরবর্তী একাকীত্ব ঘুচাতে তাদের কোন আত্নীয় সম্পর্কের অথবা প্রতিবেশী কারও সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

অফিস সহকর্মী কিংবা বন্ধুবান্ধবদের পরকীয়ার গল্প শুনতে শুনতেই অনেকে নিজের জীবনেও সেই উত্তেজনা খুঁজতে গিয়ে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।

আমেরিকার নিউ ওমেন ম্যাগাজিনের জরিপে জানা যায় চাকরিজীবী বিবাহিত নারীরা তাদের কর্মস্থলেই ‘লাভার’-দের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করে থাকেন। আমেরিকান সমাজে অবিশ্বস্ততার হার দিনে দিনে বাড়ছে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে জানা যায় যে, ২৫ শতাংশ পুরুষ পরকীয়া করছে এবং ১৭ শতাংশ নারী তাদের স্বামীদের প্রতি বিশ্বস্ত নয়।

n4dbv.jpg

সারাদিনের ব্যস্ত সময় পার করে নিজের শান্তি সুখের বাসায় এসে যদি দেখেন উৎকট দুর্গন্ধে ঘর ভরে আছে। তাহলে কেমন লাগবে? বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়ে দুর্গন্ধের এ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। চলুন জেনে নেই।

১. ঘরে কোনো পোষা প্রাণী থাকলে কার্পেটে দুর্গন্ধ হয়। আবার অনেক সময় পোষা প্রাণীর লিটার বক্স থেকে বিরক্তিকর দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। কার্পেটের দুর্গন্ধ দূর করতে কার্পেটের ওপর ভিনেগার স্প্রে করতে পারেন। আর লিটার বক্সের গন্ধ দূর করতে সেখানে কিছু চা পাতা দিয়ে রাখুন। দেখবেন গন্ধ দূর হয়ে গেছে।

২. ময়লার ঝুড়ির দুর্গন্ধ দূর করতে কুসুম গরম পানি এবং সাদা ভিনেগারের মিশ্রণ তৈরি করে ঝুড়িটি ধুয়ে ফেলুন। গন্ধ একদম চলে যাবে।

৩. ঘর থেকে ধূমপানজনিত দুর্গন্ধ দূর করতেও ভিনেগারের জুড়ি নেই। ঘর থেকে ধূমপানের গন্ধ দূর করতে একটি পাত্রে ভিনেগার নিন। এরমধ্যে একটি স্পঞ্জ ডুবিয়ে কয়েক ঘণ্টা রাখুন। পাত্রটি ঘরের একপাশে রেখে দিন। দেখবেন ঘর থেকে ধূমপানের গন্ধ দূর হয়ে গেছে।

৪. রান্নাঘরে রান্নার গন্ধ ছাড়াও তরকারির খোসা ফেললে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। আর এই গন্ধ দূর করতে কয়েক টুকরো আপেলের সঙ্গে দারুচিনি দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটান। দেখবেন দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে, সেইসঙ্গে আপনার রান্নাঘর ভরে উঠবে মসলার সুগন্ধে।

৫. বাথরুমের দুর্গন্ধ দূর করতে একটি কটন বলে কয়েক ফোঁটা গোলাপ ও সাইট্রাস এসেনশিয়াল অয়েল লাগিয়ে বাথরুমের কোনো একটি স্থানে রেখে দিন। এ ছাড়া এক কাপ ভিনেগার ঢেলে দিন কমোডে এবং পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ফ্ল্যাশ করে নিন। দেখবেন গন্ধ চলে গেছে।

৫. লিভিং রুমের দুর্গন্ধ দূর করতে, ধুপকাঠি বা এসেনশিয়াল অয়েল রাখতে পারেন। এ ছাড়া আপনি চাইলে লিভিং রুমে ফুলের টবে তাজা ফুল রাখতে পারেন। এতে ঘরে সুগন্ধ ছড়াবে।

৬. আপনার ঘরের সাধারণ গন্ধ দূর করতে নিজেই তৈরি করে নিন স্প্রে। স্প্রে তৈরি করতে তিন ভাগ পানি, এক ভাগ রাবিং স্পিরিট এবং ১০-২০ ফোঁটা যেকোনো এসেনশিয়াল অয়েল দিয়ে স্প্রে বানিয়ে নিন। এই স্প্রে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন বাথরুম, বেডরুম বা ঘরের যেকোনো জায়গায়। এটি আপনার ঘরের সাধারণ গন্ধ দূর করবে এবং সুগন্ধ ছড়াবে।

energy.jpg

অনেকে না জেনেই এনার্জি ড্রিংক পান করেন। আবার অনেকে এনার্জি ড্রিংকের বিপদের কথা জেনেও এটা এড়িয়ে চলতে পারেন না। এজন্যই পণ্যটির বাজার দিন দিন বেড়েই চলছে। রিডার্স ডাইজেস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের মধ্যে এনার্জি ড্রিংকের বাজার ৭ হাজার ২০০ কোটি ডলারে পৌঁছাবে।এই বাজারে হয়তো আপনারও কিছু অবদান আছে। কিন্তু জানেন কি, এনার্জি ড্রিংক পান করলে প্রকৃতপক্ষে কী হয়? চলুন দেখে নেয়া যাক-

ডিহাইড্রেশন হয়

এনার্জি ড্রিংক পান করলে ডিহাইড্রেশন হয়। বিশেষ করে যারা প্রথমবারের মতো এগুলো পান করেন তাদের ক্ষেত্রে সমস্যা বেশি হয়। কারণ, নতুনদের অনেকেই জানেন না এনার্জি ড্রিংকের পর বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হয়।

দাঁতের ক্ষতি

এনার্জি ড্রিংক দাঁতের ক্ষতি করতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দন্ত বিশেষজ্ঞরা। এতে উচ্চমাত্রায় সাইট্রিক এসিড আছে যা দাঁতের ক্ষয় সাধন করে। এ কারণে এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

শক্তি যোগায় না

এনার্জি ড্রিংক আসলে আপনাকে এনার্জি বা শক্তি যোগায় না। অনেক মনে করেন, এনার্জি ড্রিংক মানেই এটা পান করলে বাড়তি শক্তি পাওয়া যাবে। কিন্তু ব্যাপারটি আসলে সেরকম নয়। এ কারণে বাড়তি শক্তি পাওয়ার আশায় এনার্জি ড্রিংক পান না করার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা।

মাথাব্যথা

এনার্জি ড্রিংকের কারণে মাথাব্যথা বা আপনার মুড পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি আপনার মধ্যে ক্ষুধামন্দাও তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা। এ কারণে এনার্জি ড্রিংক পান করার আগে এসব বিষয়গুলো ভেবে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।