তথ্য প্রযুক্তি Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

jabbar5.jpg

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করা হবে। সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। এখন জেলা শহরের বাইরে গ্রামকে ডিজিটালের আওতায় আনার কাজ চলছে।

শুক্রবার ‘স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন’ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন ডিজিটাল গ্রাম গড়ে উঠবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই লক্ষ্যেই এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছেন ‘আমার গ্রাম আমার শহর”।

তিনি বলেন, অচিরেই গ্রামপর্যায়ে ইন্টারনেট সংযোগের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করা হবে। এতে করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে। গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য সাবেক সচিব উজ্জল বিকাশ দত্ত, এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক সাবেক সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এবং নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম।

grameen6.jpg

মোবাইল নম্বর পোর্টেবেলিটি বা এমএনপি সেবা চালুর মাত্র চার মাসে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর পরিবর্তন করেছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬২১ জন গ্রাহক। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপারেটর পরিবর্তন করেছেন গ্রামীণফোন গ্রাহকেরা।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিটিআরসির ওই প্রতিবেদন বলা হয়, এমএনপি চালু হওয়ার পর গ্রামীণফোনের ৬২ হাজার ৩১৭ জন গ্রাহক অন্য অপারেটরে চলে গেছেন। আবেদনের পর বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৫৭ জন। আর অন্য অপারেটর থেকে গ্রামীণফোনে এসেছেন ১২ হাজার ৩৪৬ জন।

রবি থেকে অন্য অপারেটরে গেছেন ২৩ হাজার ৯১১ জন। অপারেটর পরিবর্তনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন ১৪ হাজার। আর অন্য অপারেটর থেকে রবিতে এসেছেন ৯৩ হাজার গ্রাহক। অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি গ্রাহক এসেছেন রবিতে।

বাংলালিংক পরিবর্তন করে অন্য অপারেটরে গিয়েছেন ৪৫ হাজার গ্রাহক। অপারেটর পরিবর্তনে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার গ্রাহক। আর অপারেটর পরিবর্তন করে বাংলালিংকে এসেছেন ২৫ হাজার গ্রাহক। টেলিটক ছেড়েছেন ২ হাজার ৩০১ জন গ্রাহক। আর টেলিটকে এসেছেন ২ হাজার ২ জন গ্রাহক।

গত ১ অক্টোবর দেশে প্রথমবারের মতো এমএনপি সেবা চালু হয়। এর ফলে আগের নম্বর ঠিক রেখে এক অপারেটরের গ্রাহক অন্য অপারেটরে যেতে পারছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ সেবা চালু আছে।

এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে গ্রামীণফোন ছেড়েছেন ১২ হাজার ৬৫৯ গ্রাহক। রবি ছেড়েছেন ৩ হাজার ৫০৫ জন, বাংলালিংক ১০ হাজার ৮৩৬ জন ও টেলিটক ছেড়েছেন ৪৪৮ জন। জানুয়ারিতে ২৭ হাজার ৪৪৮ জন গ্রাহক এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে স্থানান্তরিত হয়েছেন।

Facebook_Apple_TV.0.jpg

রাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ইজতেমার বয়ানে কিংবা মাঠে কেউ কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য দেবেন না। কেউ কারোর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য না দেয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানান। তারপরও কেউ উসকানি দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ময়দানে আমাদের সাদা পোশাকে যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তাবাহিনী সজাগ থাকবেন। আপনাদের সেবার জন্য মন্ত্রী, এমপি, ডিসি, এসপি, আমরা সকলেই প্রস্তুত আছি।

তিনি আরো বলেন, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আগের চেয়ে অনেক সমৃদ্ধ ও অনেক দক্ষ। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী এখন যে কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে। কোন অপপ্রচারও যদি কেউ করে থাকেন তাকে আমরা এখন তাৎক্ষণিক সনাক্ত করতে পারছি। তাই সবাইকে অনুরোধ করব কেউ আপনারা উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য, বক্তব্য করবেন না, সে-টা ফেসবুক হউক আর সম্মূখে হউক। সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার জন্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তৈরি রয়েছে।

বুধবার গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী আঞ্চলিক কার্যালয় চত্বরে বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজের ফলো-আপ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওইসব কথা বলেন।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠনে অন্যান্যের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল, পুলিশের আইজি মো. জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক মো. বেনজীর আহমেদ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার শাসসুন্নাহারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এসময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা ইজতেমা মাঠে তাদের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ভিসা দেয়ার ব্যাপারে ভারতীয় দূতাবাস থেকে ভিসা সহজীকরণের আশ্বাস দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই মারকাজের তালিকা অনুযায়ী যারা যারা ভিসার আবেদন করবেন তাদের সবাইকে ভিসা দিয়ে দেয়ার জন্য ভারতে আমাদের যে রাষ্ট্রদূত আছে তাকে আমরা বলে দেব। এছাড়া পৃথিবীর যে কোন দেশ থেকে যদি কোন মুসুল্লীর ব্যাপারে রিকুয়েস্ট থাকে তা আমাদের জানাবেন, আমরা ভিসার ব্যবস্থা করব।

উদাহরণ টেনে তিনি এক আমেরিকান ও আফ্রিকান একটি দেশের মুসুল্লীকে ভিসা দেয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, এ ধরণের রিকুয়েস্ট থাকলে আপনারা লিখিতভাবে রিকুয়েস্ট আমাদের কাছে দেবেন, আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব যাতে তাদের ভিসার কোন অসুবিধা না হয়। আপত্তিকর পোস্টার অপসারণ, মাঠে পানি ছিটানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবস্থা নিয়ে স্থানীয় মেয়র ও জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি মুরুব্বীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, দুই পক্ষের সমঝোতা স্মারক অনুয়ায়ী আপনারা চলবেন।

ইজতেমায় কে আসবেন কে আসবেন না তা আগেই কথা হয়েছে, এসব নিয়ে নতুন করে আর কিছু বলার নেই। মন্ত্রণালয়ে সেই দিনের (দুই পক্ষের) ডিসিশন অনুযায়ী আপনারা লিস্ট পাঠান আমরা ভিসার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। সে দিনের কথা অনুযায়ী যারা ইজতেমায় আসতে চাননি তারা আসবেন না। তারপর আপনারা যদি মনে করেন আরো কাউকে আসতে হবে, আমাদের কাছে লিস্ট পাঠান আমরা তার ব্যবস্থা করব। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী দুই পক্ষের মুসুল্লীরা মাঠে আসবেন এবং মাঠ ত্যাগ করবেন। মাঠে নিরাপত্তা রক্ষায় ১৯ সদস্যের একটি নিরাপত্তা সেল গঠণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাঠ প্রস্তুতি কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আগামি দুইদিনের মধ্যে তা শেষ হয়ে হবে। তিনি বলেন, ইজতেমায় সরকার কোন কাজে হস্তক্ষেপ করবে না। সব ডিসিশন আপনার নেবেন, সবকিছু আপনারা করবেন। আমরা বাইরে থেকে আপনাদের যা যা প্রয়োজন তা আমরা ব্যবস্থা করব। আপনাদের কোন ধরণের অসুবিধা হবে না। আপনারা শুধু ওয়াদা পালন করুন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ বলেন, এবারের বিশ্ব ইজতেমা নিশ্চিত করতে কঠিণ চ্যালেঞ্জ, কঠিন শপথ নেয়া হয়েছে। ইজতেমা নিয়ে সরকারের ইমেজ যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী রাসেল বলেন, এবারের ইজতেমা অনিশ্চিয়তার মধ্যে চলে গিয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় এবারের ইজতেমার বাস্তবায়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, ইজতেমা মাঠের সকল প্রস্তুতি সু-সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক টয়লেট, প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, তুরাগ নদী পারাপারে পল্টুনব্রীজ নির্মাণসহ সকল কর্ম সম্পন্ন হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আইজি জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ইজতেমায় অন্য বছরের তুলনায় এবার বেশি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। এবার ইজতেমা এলাকার ’নিরাপত্তার চোখ’ সিসি ক্যামেরা আগের চেয়ে বছরগুলোর চেয়ে অনেক বাড়ানো হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও বেশি মোতায়েন থাকবে। থ্রেড কি আছে তা মাথায় নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তিনি দুই পক্ষের ১০ দফা সমঝোতা স্মারক মেনে চলার অনুরোধ করেন।

র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, ইজতেমা শুরুর ১৫দিন আগে থেকেই ব্যাপক ইজতেমা এলাকায় ব্যাপক নজরদারি শুরু করা হয়েছে। ইজতেমায় পোশাকে ও সাদা পোশাকে র‌্যাব সদস্যদের তৎপরতা বাড়ানো হবে। এজন্য সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। তিনি মোনাজাতের পর মুসুল্লীদের সু-শৃঙ্খলভাবে মাঠ ত্যাগ করতে মূল মঞ্চ থেকে মুরুব্বীদের ঘোষণা দেয়ার অনুরোধ করেছেন। মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ইজতেমাকালে গাজীপুরের মূলসড়কে বিআরটি প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। সড়কে যাতে যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

Smart-card.jpg

দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুবিধা পেতে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা আবশ্যক। আবার যাঁরা নতুন পরিচয়পত্র করতে চান, তাঁদের অনেকেই এ বিষয় সম্পর্কে অবগত নন। অনেকে আবার জানেন না, কীভাবে পরিচয়পত্র করতে হবে, এ জন্য কোথায় যেতে হবে , কী কী প্রয়োজন ইত্যাদি।এছাড়া পরিচয়পত্রে নাম ঠিকানা ভুল কিংবা ছবি খারাপ এসেছে এমন অভিযোগ অনেকের। সময় এসেছে এসব সংশোধনের। এখন আপনিও পারবেন খুব সহজেই এই কাজগুলো করতে।

প্রতিদিন হাজার হাজার নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন। আমরা অনেকেই জানি না বর্তমানে অনলাইনে আবেদন করে নতুন ভোটার হওয়া যায়। তাছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডির জন্য আবেদন করে সংশোধন করা যায়। একইসঙ্গে হারিয়ে গেলে, কোনো তথ্য সংশোধন বা ছবি পরিবর্তনও করা যাবে অনলাইনে।

খুব শিগগির দেয়া হচ্ছে স্মার্ট কার্ড। তাই স্মার্ট কার্ড পাওয়ার আগেই সচিত্রে আলোচনা দেখে খুব সহজেই অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন, তথ্য পরিবর্তন ও নতুন ভোটার হবার বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে পারবেন। জেনে নিন বিস্তারিত-

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের কি কি পরিবর্তন আপনি নিজেই করতে পারবেন?

* তথ্য পরিবর্তন

* ঠিকানা পরিবর্তন

* ভোটার এলাকা স্থানান্তর

* পুনঃমূদ্রণ

* ছবি পরিবর্তন

*আবেদনপত্রের হাল অবস্থা

কিভাবে ছবি পরিবর্তন ও তথ্য হালনাগাদ ও আপনার সকল ডাটাবেজ দেখতে পারবেন?

প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/registration (এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর।

* On the warning page, click I Understand the Risks.

* Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear.

* Click “Confirm Security Exception” ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে।

কারা অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন

আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন। রেজিষ্ট্রেশন করতে নিম্মের ধাপসমূহ অনুসরণ করুন-

১. প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

২. আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।

৩. তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।

৪. প্রিন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।

৫. তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার “রেজিষ্ট্রেশনফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন।

এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরণ করুন

* এন.আই.ডি নম্বরঃ (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)

* জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)

*মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারণ মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে)

* ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)

* বর্তমান ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

* স্থায়ী ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

* লগইন পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ InfoPedia71

এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচার পূরণ করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা । এবার “রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান।

ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সাবমিট করার অপশন এসেছে, নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফিকেশন কোড বসান ও রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করুন।

(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুণরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)

সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার একটি পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক https://services.nidw.gov.bd/login

লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা না হলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন।

এবার “সামনে” ক্লিক করুন।

এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন।

দুই মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন।

নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই।

কিভাবে অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়া যাবে?

অনলাইনে ভোটার হবার আবেদন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/newVoter

আপনার ভোটার তথ্য পুরণ করুন। অনলাইনে ভোটার হতে নিচের শর্ত গুলো ভাল করে পড়ে নিন এবং “আমি রাজি ও নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন।

নতুন ভোটার নিবন্ধন !!

১) নতুন ভোটার হিসাবে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আপনাকে স্বাগত জানাই।

ক) ভূমিকাঃ

* অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনি সঠিকভাবে ভোটার রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে পারবেন)

* আপনি ইতোমধ্যে ভোটার হয়ে থাকলে পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। নিবন্ধিত ব্যাক্তি পুনরায় আবেদন করলে সেটি দন্ডনীয় অপরাধ

* নতুন ১৮ বয়সের অধিক, প্রবাসী বা বাদপড়া ভোটারগণ এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

* বিস্তারিত জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

খ। ধাপসমূহঃ

* ধাপে ধাপে সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করুন।

* নিজের পূর্ণনাম ছাড়া সকল তথ্য বাংলায় ইউনিকোডে পুরণ করুন।

* সকল ধাপ সম্পন্ন হবার পরে প্রিভিউ এর মাধ্যমে সকল তথ্য পুনর্বার যাচাই করে নিন।

* পিডিএফ ফাইল তৈরি করে সেটি প্রিন্ট করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ নিকটস্থ নির্বাচন অফিসে জমা দিন।

*আপনার প্রদত্ত তথ্যাদি যাচাই এবং ঠিকানা যাচাইয়ের পরে তথ্যাদি সঠিক নিশ্চিত হলে আপনার কার্ড তৈরি হবে।

*কার্ডের রশিদ জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করুন।

* ফরমের সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের কপি জমা দিন

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন সংক্রান্ত

১।প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?

উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

২।প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করাহলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?

উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

৩।প্রশ্নঃ ভুল ক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?

উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

৪।প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?

উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

৫।প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?

উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

৬।প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম কিভাবে বাদ দিতে হবে?

উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

৭।|প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কি ভাবে সংযুক্ত করতে পারি?

উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

৮।প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?

উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

৯।প্রশ্নঃ আমার ID Card এরছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?

উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০।প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১.প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্যনামেনিবন্ধিত হলে সংশোধনে রজন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?

উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২।প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কিকি সনদ দাখিল করতে হয়?

উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩।প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?

উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪।প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্কভাতা বাঅন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন।কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স নাহওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছিনা।লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫।প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্ন ভাবে লেখাহয়েছে কিভাবে তাসংশোধন করা যায়?

উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬।প্রশ্নঃ আমি পাশনাকরে ও অজ্ঞতা বশতঃশিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যা দিসংশোধনের উপায়কি?

উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭।প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কি ভাবে সংশোধন করা যাবে?

উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮।প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?

উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯।প্রশ্নঃ বয়স/জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?

উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০।প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?

উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১।প্রশ্নঃ আমার জন্মতারিখ যথাযথ ভাবে লেখা হয় নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে?

উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২।প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?

উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

২৩।প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?

উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২৪।প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?

উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

২৫।প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকার পত্র/স্লিপ হারালে করণীয় কি?

উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

২৬।প্রশ্নঃ প্রাপ্তিস্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ভোটার নম্বর/স্লিপের নম্বর নেই, সেক্ষেত্রে কি করণীয়?

উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

২৭।প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদিপরিবর্তন কি ভাবে সম্ভব?

উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

২৮।প্রশ্নঃ আমি যথাসময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?

উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২৯।প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কি ভাবে করতে পারবো?

উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

৩০।প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেইসময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি।এখন কিভাবে আইডিকার্ড পেতে পারি?

উত্তরঃ আপনি আপনার ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকার পত্রটি নিয়ে যে স্থানে ভোটার হয়েছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। যদি সেখানেও না পাওয়া যায় তাহলে প্রাপ্তি রশিদে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের মন্তব্যসহ স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে যোগাযোগ করা যাবে।

৩১।প্রশ্নঃ ভোটার তালিকার নামের সাথে বিভিন্ন খেতাব, পেশা, ধর্মীয় উপাধি, পদবী ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে কি না?

উত্তরঃ ভোটার তালিকার ডাটাবেজে শুধুমাত্র নাম সংযুক্ত করা হয়, কোন উপাধি বা অর্জিত পদবী তাতে সংযুক্ত করার অবকাশ নাই।

৩২।প্রশ্নঃ কোথা হতে ID Card সংগ্রহ করা যাবে?

উত্তরঃ যে এলাকায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে ID Card সংগ্রহ করা যাবে।

৩৩।প্রশ্নঃআমি বিদেশে চলে যাব। আমার কার্ডকি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?

উত্তরঃ হ্যাঁ। আপনার ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধির যথাযথ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (Authorization Letter) নিয়ে তা সংগ্রহ করাতে পারবে।

৩৪।প্রশ্নঃ কার্ডে ইচ্ছাকৃ তভুল তথ্য দিলে কিহবে?

উত্তরঃ জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৩৫।জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর ১৩ আবার কারো ১৭ কেন?

উত্তরঃ ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।

৩৬।প্রশ্নঃ বিভিন্ন দলিলে আমার বিভিন্ন বয়স/নাম আছে। কোনটা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?

উত্তরঃ এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত বয়স ও নাম। ভবিষ্যতে ৫ম/৮ম সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও গ্রহণযোগ্য হবে। লেখাপড়া না জানা থাকলে জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ও আবেদন করা যাবে।

৩৭।প্রশ্নঃ আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কি ডুপ্লিকেট এন্ট্রিসনাক্ত করা সম্ভব?

উত্তরঃ হ্যাঁ, সনাক্ত করা সম্ভব।

৩৮।প্রশ্নঃ এক ব্যক্তির পক্ষেকি একাধিক নামেও বয়সে একাধিক কার্ডপাওয়া সম্ভব?

উত্তরঃ না। একজন একটি মাত্র কার্ড করতে পারবেন। তথ্য গোপন করে একাধিক স্থানে ভোটার হলে কেন্দ্রীয় সার্ভারে আঙুলের ছাপ দ্বারা তা ধরা পড়বে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

৩৯।প্রশ্নঃ নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজ পত্রাদি প্রয়োজন?

উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন সনদ, এস,এস,সি বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সনদ (যদি থাকে), ঠিকানা প্রমানের জন্য কোন ইউটিলিটি বিলের কপি, নাগরিক সনদ, বাবা-মা এবং বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর NID কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, TIN নম্বর (যদি থাকে)।

৪০।প্রশ্নঃ আমি খুব দরিদ্র ও বয়স ১৮বছরে রকম।১৮ বছরে রউপরে বয়স দেখিয়ে একটি ID Card পেলে গার্মেন্টেস ফ্যাক্টরিতে বা অন্য কোথাও চাকুরী পেতে পারি।মানবিক কারণে এই পরিস্থিতি বিবেচনা করা যায় কি?

উত্তরঃ না। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।মানবিক বিবেচনার কোন সুযোগ নেই।

৪১।প্রশ্নঃ আমি ভুলে দু’বার রেজিস্ট্রেশন করে ফেলে ছি এখন কি করবো?

উত্তরঃ যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা জানান। বর্তমানে Finger Print Matching কার্যক্রম চলছে। অচিরেই সকল Duplicate Entry সনাক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

৪২।প্রশ্নঃ ID Card আছে কিন্তু ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটার তালিকায় নাম ছিল না।এরূপ সমস্যা সমাধানের উপায় কি?

উত্তরঃ অবিলম্বে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।

৪৩।প্রশ্নঃ এক জনের কার্ডঅ ন্যজন সংগ্রহ করতে পারবে কি না?

উত্তরঃ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তিস্বীকার রশিদ নিয়ে আসলে সংগ্রহ করা যাবে।

৪৪।প্রশ্নঃ আপনারা বিভিন্ন ফরমের কথা বলেছেন? এগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?

উত্তরঃ NID Registration Wing/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে সংগ্রহ করা যাবে অথবা Website : http://www.ecs.gov.bd বা http://www.nidw.gov.bd থেকে ডাউন-লোড করা যাবে।

৪৫।প্রশ্নঃ এইসমস্ত ফরমের জন্য কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি না?

উত্তরঃ না।

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়

৪৬।প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?

উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

৪৭।প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?

উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

উল্লেখ্য, ১ সেপ্টেম্বর থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র নবায়ন এবং হারানো বা নষ্ট হলে নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র নেয়ার জন্য আলাদা আলাদা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে লাগেনা।

পরিচয়পত্র নবায়ন করতে সাধারণ ১শ’ টাকা ও জরুরি ১৫০ টাকা দিতে হবে। হারিয়ে ফেললে বা নষ্ট হলে নতুন পরিচয়পত্র নিতে প্রথমবার আবেদনে ২শ’ টাকা, জরুরি ভিত্তিতে ৩শ’ টাকা। দ্বিতীয়বার আবেদনে ৩শ’ টাকা জরুরি ভিত্তিতে ৫শ’ এবং পরবর্তী যে কোনো ৫শ’ টাকা ও জরুরি প্রয়োজনে ১ হাজার টাকা দিতে হবে ।

বর্তমানে ৯ কোটি ৬২ লাখেরও বেশি ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। তাদেরকে বিনামূল্যে লেমিনেটে পরিচয়পত্র দেয়া হয়। এর মেয়াদ রয়েছে ১৫ বছর। এ সময়ের পরেই নবায়ন করা যাবে এ পরিচয়পত্র। তবে হারানো বা নষ্ট হলে গেলে ডুপ্লিকেট পরিচয়পত্র সংগ্রহে ইসির পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হয়। এ আবেদনের মাধ্যমে এতদিন বিনামূল্যে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করা যেত। এখন থেকে নির্ধারিত ফি ইসি সচিব বরাবর পে অর্ডার বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিয়ে পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে হবে।

অনেকের পরিচয়পত্র ছিল, হারিয়ে গেছে বা পরিচয়পত্রে ভুল তথ্য রয়েছে সংশোধন করা প্রয়োজন—এমন অনেকেই আছেন বুঝতে পারছেন না, তাঁরা কীভাবে নতুন পরিচয়পত্র পাবেন বা ভুল তথ্য ঠিক করবেন। তাদের জন্যই এই বিশেষ আয়োজন।

gpv.jpg

দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনকে সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সিগনিফিকেন্ট মার্কের পাওয়ার বা তাৎপর্যপূর্ণ বাজার ক্ষমতাধর হিসেবে ঘোষণায় মার্কেটে প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে গ্রামীণফোনের করণীয় ও বর্জনীয় নির্ধারণ করে দিতে পারবে বিটিআরসি।

রোববার নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে গ্রামীণফোনকে এ তথ্য জানিয়ে দেয়া হয়েছে। অন্যান্য অপারেটরকেও তার অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

কাজেই এখন টেলিকম খাতে গ্রামীণফোনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ওপর লাগাম টানতে পারবে বিটিআরসি।

বিটিআরসির প্রবিধানমালায় বলা হয়েছে, খুচরা মোবাইল সেবা সংশ্লিষ্ট বাজারের নির্ণায়কসমূহ তথা গ্রাহক সংখ্যা, অর্জিত রাজস্ব ও কমিশন কর্তৃক বরাদ্দকৃত তরঙ্গ-এই তিনটি নির্ণায়কের মধ্যে কোনো মোবাইল অপারেটর ন্যূনতম একটিতে মোট বাজারের অন্তত ৪০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করলেই সেটিকে এসএমপি হিসেবে নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

এর মধ্যে গ্রাহক সংখ্যা ও রাজস্ব আয়ের দিক থেকে এসএমপির শর্তের মধ্যে পড়েছে গ্রামীণফোন।

বিটিআরসির চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রবিধানমালা অনুসারে এসএমপি অপারেটর হিসেবে গ্রামীণফোনের করণীয় ও বর্জনীয় সংক্রান্ত নির্দেশ পরবর্তীতে জারি করা হবে।

গত ডিসেম্বরের তথ্যানুসারে, গ্রামীণফোন বর্তমানে ৪৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ গ্রাহক নিয়ে সবার ওপরে রয়েছে। এছাড়া গত কয়েক বছরে রাজস্ব আয় ৫০ শতাংশের ওপরে।

ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত সাত কোটি ২৭ লাখ সক্রিয় গ্রাহক ছিল গ্রামীণফোনের। আর গত বছরে মুনাফা ছিল ৩ হাজার ৫২০ কোটি টাকা।

এসএমপির বিষয়ে গ্রামীণফোনের হেড অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স সৈয়দ তালাত কামাল বলেন, এসএমপি রেগুলেশনের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোন আর্ন্তজাতিক ও টেলিযোগাযোগ খাতের সর্বোচ্চ মানসম্মত নিয়মগুলো বিবেচিত হবে বলে প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন এবং প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সবার জন্য ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের আগস্টে ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (টেলিযোগাযোগ প্রতিযোগিতা) প্রবিধানমালা, ২০১১’ অনুমোদনের জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠায় বিটিআরসি।

পরের বছরের জানুয়ারিতে প্রবিধানমালায় আরো বেশকিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে তা পাঠানোর জন্য বিটিআরসিকে অনুরোধ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংশোধিত প্রবিধানমালা অনুমোদনের জন্য আবার পাঠায় বিটিআরসি।

তবে প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর আলোকে এ প্রবিধানমালাটি যাচাই-বাছাই করে পাঠাতে একই বছরের জুলাইয়ে বিটিআরসিকে অনুরোধ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ।

প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর আলোকে প্রবিধানমালার বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই শেষে ওই বছরের অক্টোবরে তা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো হয়।

এরপর প্রবিধানমালাটি অনুমোদনের জন্য ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে তাগাদা দিয়ে অনুরোধ করা হয়।

বিটিআরসির এ তাগাদার পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের এপ্রিলে আরো একটি চিঠি দেয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এতে প্রবিধানমালাটি আবারো পর্যালোচনা করে বিনিয়োগ বোর্ড, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত নিতে বলা হয়।

বিটিআরসি ওই বছরের জুনে বিনিয়োগ বোর্ড, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত নিতে আলাদা চিঠি দেয়। পাশাপাশি মতামত ও পরামর্শের জন্য ২০১৫ সালের জুলাইয়ে সব অপারেটরের সঙ্গে বৈঠক করে।

অপারেটরদের মতামত ও পরামর্শ এবং বিনিয়োগ বোর্ডের মতামত যুক্ত করে প্রবিধানমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়।

সংশোধিত এ প্রবিধানমালা ওই বছরের সেপ্টেম্বরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠায় বিটিআরসি।

তবে এরপর প্রবিধানমালাটির অনুমোদনের বিষয়ে কোনো ধরনের অগ্রগতি না থাকায় কমিশন প্রবিধানমালার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি দেয়।

গত বছর ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক সভায় টেলিযোগাযোগ প্রতিযোগিতা প্রবিধানমালা, ২০১৮-এর পরিবর্তে এসএমপি রেগুলেশন, ২০১৮ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

গত বছর নভেম্বরে এসএমপি নীতিমালার অনুমোদন দেয় সরকার। ওই মাসেই এটি গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

এতে বলা হয়, বাজারে মোবাইল অপারেটরগুলোসহ এ খাতে লাইসেন্সধারী কোনো কোম্পানিকে এসএমপি ঘোষণার আগে তার গ্রাহক, রাজস্ব ও স্পেকট্রামসহ অন্যান্য সম্পদের বিষয় বিবেচনা করা হবে।

দীর্ঘ আট বছর নানান জল্পনা কল্পনা শেষে রোববার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করলো বিটিআরসি।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বাংলাদেশের আগে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলংকায় ৫৫ শতাংশ, নেপালে ৩৫ ও পাকিস্তানে ৫৫ শতাংশ মার্কেট শেয়ার এসএমপির আওতাভুক্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

fbmess.jpg

প্রিয় বন্ধুকে পাঠিয়েছেন ভুল মেসেজ। এখনই ডিলিট করা প্রয়োজন। আপনার জন্যই এমন ফিচার নিয়ে এলো ফেসবুক।

ফেসবুকে ‘আনসেন্ড’ ফিচারের মাধ্যমে এখন আপনি ভুল করে অন্যকে পাঠানো মেসেজ খুব সহজেই ডিলিট করতে পারবেন। তবে মেসেজ পাঠানোর ১০ মিনিটের মধ্যে এই ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। ব্যক্তি এবং গ্রুপ চ্যাটে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

‘আনসেন্ড’ ফিচারে ব্যবহারকারীরা দু’টি অপশন পাচ্ছেন। প্রথমটি রিমুভ ফর ইউ এবং দ্বিতীয়টি রিমুভ ফর এভরিওয়ান। যা অনেকটা হোয়াটসঅ্যাপের মতোই।

ডিলিট করতে চাচ্ছেন এমন মেসেজের ওপর কিছু সময় স্পর্শ করে থাকলে এই দুটি অপশন পাওয়া যাবে। রিমুভ ফর ইউ নির্বাচন করলে প্রেরকের ‘চ্যাট থ্রেড’ থেকে মেসেজ মুছে যাবে। সে ক্ষেত্রে শুধু প্রেরকই মেসেজ দেখতে পাবেন না। কিন্তু বাকিরা সেই মেসেজ পড়তে পারবেন।

আর ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’ নির্বাচন করলে যাকে বা গ্রুপে যাদের মেসেজ পাঠানো হয়েছিল, তারা কেউই মেসেজটি দেখতে পারবেন না।

পরিবর্তে চ্যাট থ্রেডে লেখা থাকবে ‘রিমুভ মেসেজ’। মেসেঞ্জার অ্যাপের নতুন ভার্সানে এই ফিচার যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে অ্যানড্রয়েট ও আইওএস ব্যবহারকারিরা এই সুবিধা পাচ্ছেন।

jabbar.jpg

আরও ১ হাজার ৩১৪টি পর্নসাইট বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে এই তথ্য জানান। এছাড়া ইন্টারনেটে জুয়া খেলা হয় এমন ১২টি সাইট চিহ্নিত করে সেগুলোও বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ২৪৪টি পর্নসাইট এরই মাঝে বন্ধ করা হয়েছে। আমাদের টিম আরও ১ হাজার ৩১৪টা পর্ন সাইটের সন্ধান পেয়েছে। আমরা এগুলো বন্ধ করার কাজে হাত দিয়েছি। আশা করি সহসাই এখানে সফলতা আসবে। আমরা যেমনি ডিজিটাল হচ্ছি, তেমনি ডিজিটাল নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। শিশুসহ দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল বিশ্বে নিরাপত্তা বিধান করা আমাদের প্রত্যয়। আমরা করবো জয়।’

তিনি আরও লিখেছেন, বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব বন্ধ করা হবে। এছাড়া ইন্টারনেটে জুয়া খেলার ১২টি সাইট পেয়েছি। সেগুলো বন্ধ করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ হোক নিরাপদ।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) ২৪৪টি পর্ন ওয়েবসাইট বন্ধের নির্দেশ দেয় টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। বিটিআরসি দেশের সবকটি আইআইজিকে (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) এই নির্দেশনা পাঠিয়ে অবিলম্বে নির্দেশনা কার্যকর (ডোমেইন ও লিংক বন্ধ) করতে বলে।

bus5.jpg

এটা অসম্ভব কল্পনা নয়। প্রযুক্তির এই দুনিয়ায় রাস্তায় যানজট এড়িয়ে বাস এখন আকাশে উড়বে। এটা কিন্তু সাধারণ বাস নয়, এটা দোতলা বাস। তবে এ বাসটি কিন্তু বাংলাদেশের জন্য নয়।

শনিবার ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হয়।

ভারত সরকারের এই পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন বলেন, ভারতে উড়ন্ত ডাবল ডেকার বাস অর্থাৎ দোতলা বাস আনার পরিকল্পনা চলছে। এতে যানজটের সমস্যা মিটবে। ভাড়া কেমন হবে এ প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায় তা জানা গেল।মেট্রোরেলের ভাড়ার তুলনায় টিকিটের দাম কম হবে।

নিতিন গডকরি এই পরিকল্পনার কথা জনিয়ে বলেন, শুধু দোতলা বাসই নয়; এয়ার বোর্ট আনার পরিকল্পনার কথাও জানান।

অস্ট্রেলিয়া থেকে এই এয়ার বোর্ট কেনা হবে। এই এয়ার বোর্টটি জলের ভেসে ও আকাশে উড়ে যেতে পারবে।

paas.jpg

কানাডার ভ্যাঙ্কুভার-ভিত্তিক সংস্থা ‘কোয়াড্রিগা সিএক্স’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেরাল্ড কটেন ২০০ মিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল অ্যাসেটের (বিটকয়েন, লাইটকয়েন বা ইথার জাতীয় মুদ্রা) পাসওয়ার্ড নিয়ে মারা গেছেন।

বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এবেলা’।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, মাত্র পাঁচ বছর আগে এই সংস্থা শুরু করেন জেরাল্ড কটেন। গত বছরের ডিসেম্বরে জেরাল্ড কটেন সংস্থার কাজে ভারতে আসেন এবং ৯ তারিখ হঠাৎ মারা যান। ক্রোনস ডিজিজ নামের এক ধরনের পেটের অসুখে ভুগছিলেন ৩০ বছরের এই যুবক।

এতে আরও বলা হয়, জেরাল্ড কটেন তার ল্যাপটপ, ইমেল ও মেসেজিং সিস্টেমের পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখার জন্য এনক্রিপটেড রাখতেন। এসব শুধু তিনিই জানতেন। ‘কোয়াড্রিগা সিএক্স’র অন্য কোনও ব্যক্তি এসব পাসওয়ার্ড না জানায় সংস্থাটি তাদের ক্রেতাদের টাকা দিতে পারছে না।

গত ৩১ জানুয়ারি নোভা স্কোশিয়া প্রদেশের হ্যালিফ্যাক্স শহরের একটি আদালতে সংস্থাটির বিরুদ্ধে মামলা হয়। আদালতে হাজির হন জেরাল্ড কটেনের স্ত্রী জেনিফার রবার্টসন। তিনি জানান, তার কাছে কোনও পাসওয়ার্ড নেই। এমনকি এক্সপার্ট হ্যাকারও পাসওয়ার্ড উদ্ধার করতে পারেনি।

আরও জানায়, ইতোমধ্যে গুঞ্জন উঠেছে যে জেরাল্ড কটেন আদৌ মারা যাননি। অনলাইনে লেনদেনও হচ্ছে। অবশ্য ‘কোয়াড্রিগা সিএক্স’র পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে তাদের কাছে সংস্থাটির কোনও কিছুর ‘অ্যাকসেস’ নেই।

fbrd.jpg

কয়েক মাস পরীক্ষা চালানোর পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে আনসেন্ড বা রিকল ফিচার চালু করেছে ফেসবুক। এখন থেকে মেসেঞ্জারে এই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। ফেসবুকের মালিকানাধীন আরেক প্রতিষ্ঠান হোয়াটসঅ্যাপে এই ফিচার চালু হয় গত বছর।

ধরুন, ভুল করে কাউকে কোনও মেসেজ পাঠিয়েছেন বা না পাঠাতে চাইলেও চাপ লেগে চলে গেছে যা আপনার জন্য বিব্রতকর হতে পারে। এমনকি কোনও কোনও সময় ক্ষতির কারণও হয়ে উঠতে পারে এটি। তবে এখন আর ভয় নেই। কারণ, আনসেন্ড ফিচারের মাধ্যমে আপনি পাঠানোর পরও মেসেজ ডিলিট করতে পারবেন।ভারতীয় প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, পাঠানোর পরও মেসেজ ডিলিট করতে হলে আপনাকে সেটা ১০ মিনিটের মধ্যে করতে হবে। তা নাহলে আপনি আর ডিলিট করার সুযোগ পাবেন না।

পাঠানোর পরও যেভাবে মেসেজ ডিলিট করবেন-

  • যে মেসেজটি ডিলিট করতে চান সেটি চাপ দিয়ে ধরে রাখুন
  • সিলেক্ট হওয়ার পর দুটি অপশন আসবে
  • প্রথমটি ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’
  • দ্বিতীয়টি ‘রিমুভ ফর ইউ’
  • এখানে ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’ অপশন চাপলেই মেসেজ ডিলিট হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড উভয় অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরাই সুবিধাটি উপভোগ করতে পারবেন। এজন্য মেসেঞ্জারের সর্বশেষ ভার্সনটি ব্যবহার করতে হবে।