তথ্য প্রযুক্তি Archives - Page 3 of 3 - Dhaka Today

Facebook_Apple_TV.0.jpg

দিন দিন অনলাইনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে মানুষ। অনলাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটাচ্ছে। কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়টিকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না বলে সহজেই তাঁর অনলাইন অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয় বা তথ্য চুরি হয়। এ থেকে নানা বিড়ম্বনা দেখা দেয়।

বর্তমানে সাইবার দুর্বৃত্তরা নানা রকম প্রতারণার কৌশল খাটিয়ে তথ্য চুরি করে। তাদের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ফিশল্যাবের বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনলাইনে দায়িত্বজ্ঞানহীন নিরাপত্তা চর্চা অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার অন্যতম কারণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইনে ব্যবহারকারীর অমনোযোগের বিষয়টি খেয়াল করে দুর্বৃত্তরা। একে কাজে লাগিয়ে নতুন ধরনের ‘ফিশিং’ আক্রমণ চালাচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের লক্ষ্য করে এ ধরনের আক্রমণ চালানো হচ্ছে বেশি। ফিশিং আক্রমণ মূলত কোনো লিংকে ক্লিক করতে প্রলুব্ধ করে। এর মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়।

এ ধরনের আক্রমণ চালাতে সাইবার দুর্বৃত্তরা সহজে ধরা না যায়—এমন ভুয়া ইউআরএল বা লিংক তৈরি করে। এসব লিংক অনেকটাই আসল লিংকের মতো। খুব সূক্ষ্মভাবে না দেখলে পার্থক্য করা কঠিন। মোবাইল ডিভাইসকে লক্ষ্য করে এসব লিংক তৈরি করা হয়। কারণ, মোবাইলের সরু ইউআরএল বারে আসল ইউআরএল-সদৃশ লিংক সহজে বোঝা যায় না। সত্যিকারের ডোমেইনের বিপরীতে বড় ইউআরএল ব্যবহার করে তারা। এতে ওই লিংকে ক্লিক করলে ব্যবহারকারী কোথায় যাবেন, তা সহজে বোঝা যায় না। হাইফেন ব্যবহার করে বড় ইউআরএল প্যাডিং করে রাখে তারা। তাই একে ইউআরএল প্যাডিং টেকনিক বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে hxxp://m.facebook.com——validate–step 9. rickytaylk[dot]com/sign_in. html লিংকটির কথা বলা যায়।

লিংকটি খেয়াল করলে দেখা যাবে, এটি শুরু হয়েছে মোবাইল ফেসবুকের লিংক দিয়ে। এটি ফেসবুকের প্রকৃত ঠিকানা। এটুকু দেখে অনেকেই এতে ক্লিক করলে ওই ভুয়া সাইটে চলে যাবেন। সাইটটি আসলে rickytaylk (dot) com। ব্যবহারকারীকে বোকা বানিয়ে তথ্য চুরি করতে সাইবার দুর্বৃত্তরা এতে লগইন, সিকিউর, ভ্যালিডেট প্রভৃতি শব্দ ব্যবহার করে। এসব শব্দের আগে হাইফেন যুক্ত করে। মোবাইল ব্রাউজারে এই ঠিকানা লিখলে এবং এতে ফেসবুকের লোগোটি যুক্ত করলে ফেসবুকের মতোই বিশ্বাসযোগ্য সাইট মনে হবে। সাইবার দুর্বৃত্তরা এতে ভুয়া ফেসবুকের লগইন পেজ যুক্ত করে দেয়। ব্যবহারকারী এতে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ফেললেই তা সাইবার দুর্বৃত্তদের হাতে চলে যায়। এভাবেই হাতিয়ে নেওয়া হয় ফেসবুকের তথ্য।

শুধু ফেসবুকের ক্ষেত্রেই নয়, আইক্লাউডসহ অনলাইনের অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রেও এ ধরনের প্রতারণার কৌশল নিতে পারে দুর্বৃত্তরা।

গবেষকেরা বলছেন, ব্যবহারকারীরা এখন মোবাইল ফোনকে বেশি গুরুত্ব দেন বলে দুর্বৃত্তরা তাঁদের লক্ষ্য করছেন বেশি। সামাজিক যোগাযোগের সাইটে আসা বিভিন্ন লিংক, বিশেষ করে মেসেঞ্জারের লিংক বা মোবাইল এসএমএসে এ ধরনের লিংক আসে বেশি।

ফিশল্যাবের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষ এখন এসএমএস ও সামাজিক যোগাযোগের সাইটগুলোয় পোস্টগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য উৎস হিসেবে মনে করছে। সাইবার দুর্বৃত্তদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে এ ধরনের লিংকে ক্লিক করার আগে বা নির্দেশনা মানার আগে একটু দেখে নেওয়া প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, ফেসবুক বা অন্য কোনো সেবা থেকে লগইন লিংক এসএমএস বা অন্য কোনো উৎসে পাঠানো হবে না। অপরিচিত কেউ কোনো লিংক পাঠালে তাতে ক্লিক করবেন না।

ef24c4d4ba62e62d28adac476adf197e-5b2e4598b3add.jpg

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্র কম্পিউটার তৈরির দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা। ‘মিশিগান মাইক্রো মোট’ নামের এ ডিভাইসটির আকার মাত্র দশমিক তিন মিলিমিটার। এটি ক্যানসার পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে দেবে বলে মনে করছেন গবেষকেরা।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক খবরে বলা হয়, এর আগে গবেষকেরা ২ বাই ২ বাই ৪ মিলিমিটার আকারের একটি ডিভাইস তৈরি করেছিলেন। তাতে বাইরে থেকে শক্তি জোগানো বন্ধ হলেও তা তথ্য ধরে রাখতে পারত। কিন্তু ক্ষুদ্রতম কম্পিউটারটির ক্ষেত্রে একবার চার্জ শেষ হলে তার আগের সব তথ্য মুছে যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড ব্লাউ বলেন, একে কম্পিউটার বলা যাবে কি না তা আমরা নিশ্চিত নই। এটি মতামতের ওপর নির্ভর করে। কম্পিউটার হতে গেলে যে ফাংশন থাকার কথা, তা আছে কি না, সে বিষয়টি মতামতসাপেক্ষ। র‍্যাম ও ফটোভল্টাইকসসহ এ কম্পিউটিং ডিভাইসে প্রসেসর, তারহীন ট্রান্সমিটার ও রিসিভার রয়েছে। যেহেতু এতে প্রচলিত রেডিও অ্যানটেনা নেই এটি দৃশ্যমান আলোর সাহায্যে তথ্য আদান-প্রদান করে। একটি বেজ স্টেশন শক্তি ও প্রোগ্রামের জন্য আলো সরবরাহ করে এবং তথ্য গ্রহণ করে।

ডেভিড ব্লাউ বলেন, সিস্টেম প্যাকেজিং স্বচ্ছ তৈরি করতে হয় বলে ‘মিশিগান মাইক্রো মোট’ তৈরির চ্যালেঞ্জ হলো এটি কীভাবে কম শক্তিতে চালানো যায়। এ সমস্যা দূর করতে নতুনভাবে সার্কিটের নকশা করতে হয়েছে।

নিখুঁত তাপমাত্রা পরিমাপক সেনসর হিসেবে এটি তৈরি করা হয়। নতুন এ ডিভাইসিট তাপমাত্রাকে ইলেকট্রনিক স্পন্দনে রূপান্তর করতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় কোষের মধ্যে তাপমাত্রার ওঠানামা নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে পারে এ যন্ত্র।

ক্ষুদ্র এই মাইক্রো কম্পিউটার অন্যান্য কাজে লাগানোর কথা ভাবছেন গবেষকেরা।

59903defd3f0fa7af1d72858519b7f2e-5ac884165ca04.jpg

আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রে ছোট আকারের অজস্র কৃষ্ণগহ্বর আছে বলে ধারণা করছেন গবেষকেরা। কয়েক বছর ধরে কসমিক গ্যাসের আভা পর্যালোচনা করে কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে নতুন তথ্য জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।

কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক চাক হেইলি ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করছেন। ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত বিশাল কৃষ্ণগহ্বরের গ্রাসে পরিণত হওয়া কসমিক গ্যাসের আভা নিয়েই কাজকারবার তাঁর। জ্যোতির্বিদেরা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহার করে ওই আভা ধরতে পারেন।

গবেষকেরা দেখেন, ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে বের হওয়া কিছু রঞ্জন রশ্মির উৎস ওই কৃষ্ণগহ্বর। এটি স্যাগিটারিয়াস এ* নামে পরিচিত। কিন্তু সব রশ্মির উৎস আবার ওই বিশাল কৃষ্ণগহ্বর নয়। অন্যগুলো আসে ওই অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বর থেকে। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই ছায়াপথের কেন্দ্রে এ ধরনের কৃষ্ণগহ্বর থাকার বিষয়টি ধারণা করছিলেন। তাঁরা ভাবতেন, ছায়াপথের কেন্দ্রে শত শত কৃষ্ণগহ্বর থাকতে পারে। গবেষক হেইলি ও তাঁর সহকর্মীরা এ বিষয়টির প্রমাণ পেয়েছেন।

পৃথিবীকে আবর্তন করা চান্দ্রা এক্স-রে অবজারভেটরি থেকে তথ্য ব্যবহার করেন গবেষকেরা। গবেষক হেইলির নেতৃত্বে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল ছায়াপথের কেন্দ্রের কয়েক আলোকবর্ষ দূরের ১২টি রঞ্জন রশ্মির উৎস বেছে নেন এবং ধারণা করেন, এগুলো ছোট কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসছে।

এই গবেষণাবিষয়ক নিবন্ধ ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, তাঁরা যে এক ডজন কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন, সেগুলো সূর্যের ভরের তুলনায় ১০ গুণ। এগুলো খুবই ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বর। কিন্তু সূর্যের চেয়ে ৪০ লাখ গুণ বেশি ভরের বিশাল কৃষ্ণগহ্বর সেখানে আছে।

গবেষকেরা বলেন, ছোট এসব কৃষ্ণগহ্বরের শিকার হওয়া নক্ষত্রগুলো খুঁজতে গিয়ে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়। যখন কৃষ্ণগহ্বর একটি নক্ষত্রের সঙ্গে আবর্তিত হয়, তখন এর সঙ্গী নক্ষত্রটির সবকিছু গ্রাস করে ফেলে। এর ছায়ায় হারিয়ে যেতে থাকে নক্ষত্রের আলো। নক্ষত্রের সঙ্গে আবর্তিত হওয়ার এ পদ্ধতিকে বাইনারি সিস্টেম বলে। ধীরে ধীরে সঙ্গী নক্ষত্রকে গ্রাস করার সময় গরম গ্যাসের উজ্জ্বল চাকতি তৈরি হয়। এটিকে শক্তিশালী টেলিস্কোপের রঞ্জন রশ্মি দিয়ে দেখা যায়। হাজারো কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যেও তাই হেইলি ও তাঁর দল এ কৃষ্ণগহ্বরগুলো শনাক্ত করতে পেরেছেন।

হেইলি ও তাঁর দলের ধারণা, ছায়াপথে ১০ হাজারের মতো ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বর থাকতে পারে। জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তাঁরা এ অনুমান করছেন। তাঁরা বলছেন, এ কৃষ্ণগহ্বর যদি ছায়াপথের কেন্দ্রে হতো, তবে তা এতটাই অনুজ্জ্বল থাকত, যা পৃথিবী থেকে শনাক্ত করা কঠিন। এগুলোর অধিকাংশই দেখতে পাওয়া যায় না, কারণ ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে তা অনেক দূরে।

নতুন সন্ধান পাওয়া ছোট আকারের এসব কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে চমকে উঠেছেন হেইলি। তাঁর মতে, যাদের সঙ্গী নক্ষত্র নেই, এমন কত কৃষ্ণগহ্বর ভেসে বেড়াচ্ছে, যা টেলিস্কোপে ধরা পড়ছে না। অসংখ্য কৃষ্ণগহ্বর সঙ্গীহীন থাকতে পারে।

আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ প্রকল্পের সদস্য সেরা মার্কস বলেন, ‘আমাদের ছায়াপথে অসংখ্য ছোটখাটো কৃষ্ণগহ্বরে ভরা—এমন তথ্যে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের ছোট পৃথিবীর জন্য এগুলো হুমকি নয়। তবে কেউ যদি ছায়াপথের কেন্দ্রে যান, তবে বড় কৃষ্ণগহ্বরের মতোই ছোটগুলো ভয়ংকর হয়ে দেখা দিতে পারে।’

প্রতিটি কৃষ্ণগহ্বরের ‘ঘটনা দিগন্ত’ নামের অদৃশ্য সীমানা আছে। এ থেকে কোনো কিছু এমনকি আলোও বের হয়ে আসতে পারে না। ওই দিগন্ত যে পার করে, সে-ই চিরতরে হারিয়ে যায়। কেউ যদি ওই ঘটনা দিগন্তে যায়, তবে ভয়ংকর মহাকর্ষীয় টানে তা হারিয়ে যাবে। কৃষ্ণগহ্বর যত ছোট, তার এই টেনে নেওয়ার শক্তি তত বেশি বা সেটি তত বেশি ঘনত্বের।

মহাজাগতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ধরলে ছায়াপথের কেন্দ্রে কোনো জীবিত প্রাণী টিকতে পারবে না। এটা সৃষ্টির স্থান। হেইলির মতে, মহাজাগতিক বস্তুর সৃষ্টিস্থান এটি। এটি ঠিক উর্বর ভূমির মতো, যেখানে বড় বড় নক্ষত্র বেড়ে ওঠে এবং কৃষ্ণগহ্বরে বিলীন হয়ে আরেকটি নক্ষত্রকে গ্রাস করে।

3a18c06ec7b1533de885c8ba78b73af1-5b5ff3e60bc2e.gif

দেশে গেম খেলতে ও গ্রাফিকসের কাজ করেন—এমন ল্যাপটপ ব্যবহারকারী বাড়ছে। গেমারদের কথা মাথায় রেখে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল দেশের বাজারে এনেছে জি সিরিজের নতুন ল্যাপটপ। গতকাল সোমবার উইন্ডোজ ১০ গেমিং পিসি ‘ডেল জি৭ ১৫’ সিস্টেম মডেলের ল্যাপটপ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দেশে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো জি সিরিজ নামের নতুন এই সিরিজের।

রাজধানীর একটি হোটেলে নতুন এ সিরিজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়ক জাহানারা আলম এবং ডেল বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার আতিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ডেল কর্মকর্তারা জানান, ইন্সপাইরন গেমিং সিরিজের সফলতার পর ‘ডেল জি সিরিজ’-এ নতুন করে এসেছে ডেলের গেমিং ল্যাপটপ সিরিজ। নতুন বা পেশাদার সব শ্রেণির গেমার এবং সব রকম বাজেটের গেমিং ল্যাপটপের জন্য জি সিরিজ।

ডেলের নতুন এই জি সিরিজ হাইপারফরমেন্স গেমিং ল্যাপটপ প্রযুক্তি মারভেল স্টুডিওজের নতুন মুভি ‘অ্যান্ট ম্যান অ্যান্ড দ্য ওয়াস্প’ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

জি সিরিজের গেমিং ল্যাপটপে রয়েছে অষ্টম প্রজন্মের ইন্টেল কোর সিরিজের প্রসেসর আর এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ১০ সিরিজের গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট (জিপিউ)। রয়েছে তাপ সামলানোর বিশেষ সমাধান, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কনটেন্টের অগ্রাধিকার ঠিক করার সফটওয়্যার, গ্লেয়ারনিরোধী আইপিএস ডিসপ্লে এবং গেমিং সহায়ক অন্য অনেক ফিচার। ডেল জি৭ ল্যাপটপটি ২৫ মিলিমিটার পাতলা। সিস্টেমটিতে থাকছে ৬ গিগাবাইট জিডিডিআর ৫ ভিডিও মেমোরি, সর্বোচ্চ ৬টি কোরের অষ্টম প্রজন্মের ইন্টেল কোর সিরিজের প্রসেসর (কোর আই ৯ মডেল পর্যন্ত), দুটি ফ্যান এবং দুটি স্টোরেজ ড্রাইভ, যেখানে এসএসডিও ব্যবহার করা যাবে।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter