বিজ্ঞান Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Sparm.jpg

স্পার্ম কাউন্ট নিয়ে আজকাল অনেক পুরুষই সমস্যার মধ্যে আছেন। এজন্য চিকিৎসকের কাছে ছোটাছুটিও করেন তারা। স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ায় অনেক দম্পতি বাবা-মা হওয়ার স্বাদ পান না।তবে নিজেরা একটু সচেতন থাকলে এ ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এজন্য অবশ্য অনেক আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। তা নাহলে সামনে থাকবে ভয়ানক বিপদ। দেখে নিন, প্রতিদিন কোন কাজগুলো সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা বা স্পার্ম কাউন্ট কমায়-

ড্রাগ

অ্যানাবলিক স্টেরয়েড পেশীর শক্তি ও বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে অণ্ডকোষ সংকুচিত হয়ে যায় এবং স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। অর্থাৎ মাদক গ্রহণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

অ্যালকোহল

অ্যালকোহল পান করার অভ্যাস থাকলে সাবধান। টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমায় অ্যালকোহল যা আপনার সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস করবে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ধূমপান

টোবাকো মানবদেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর। পাশাপাশি এটা স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। এজন্য আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে হলেও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

অবসাদ

যদি আপনি ডিপ্রেশনের শিকার হন, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ার অন্যতম কারণ এটা।

ওজন

ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্পার্ম কাউন্ট কমে যেতে পারে। এজন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

robot5.png

জাপানের নাগাসাকিতে ‘হেন না’ বিশ্বের প্রথম হোটেল, যেখানে কর্মী হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে ২৪৩টি রোবট। তাই এটি বিশ্বে ‘রোবট তথা অদ্ভুত হোটেল ’ নামে পরিচিত। এই রোবটগুলো কাজে অনেক চটপটে, ভুলও কম। তা সত্ত্বেও হোটেলের অতিথিদের অভিযোগের ভিত্তিতে চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়েছে রোবটগুলো।

বিলাসবহুল হোটেলের অতিথিরা অভিযোগ করেছেন, রোবট কর্মীরা দ্রুতগতির হলেও মানুষের মন বুঝে প্রতিক্রিয়া মোটেই করছে না। তাই তাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় সমস্যা হচ্ছে।

নাগাসাকির ‘হেন্ না’ হোটেলের এই ২৪৩ রোবট বুদ্ধি, শিক্ষা, মন – সবটা একত্রিত করে কাজ করতে পারে না। কারণ তারা সবাই যন্ত্রমানব।
হোটেলের রিসেপসন বিভাগ থেকে শুরু করে লাগেজ বহন, ঘরের টুকিটাকি কাজ, খাবার পরিবেশন এমনকি অতিথিদের মনোরঞ্জনের দায়িত্বেও ছিল রোবট। যেমন ইনপুট প্রোগ্রামিং, তেমনই আউটপুট। তবে প্রত্যেক মানুষের স্বভাব, চরিত্র, মন বুঝে কথা বলার প্রোগ্রামিং তো করা নেই রোবট কর্মীদের।

Can-China-US_HOME.jpg

বিভিন্ন কোম্পানি চাঁদের গর্ভে মুল্যবান খনিজ পদার্থের সন্ধানে খোঁড়াখুঁড়ির পরিকল্পনা করছে। কিন্তু চাঁদের সম্পদ কাজে লাগানো এবং সেখানে মালিকানা দাবী করার নিয়মটা কী?

নীল আর্মস্ট্রং চাঁদের বুকে হেঁটে আসার পর প্রায় ৫০ বছর পার হয়ে গেছে। চাঁদে পা রাখার পর এই নভোচারীর উক্তি স্মরণীয় হয়ে আছে –’এটা একজন মানুষের জন্য ছোট্ট একটা পদক্ষেপ, কিন্তু গোটা মানবজাতির জন্য বিরাট একটা লাফ’।

এর পরপরই আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন তার সহকর্মী বাজ অল্ড্রিন। ঈগল লুনার মডিউল থেকে নেমেই তিনি চাঁদের ধু ধু প্রান্তর দেখে বলেছিলেন, ‘বিস্তীর্ণ নির্জনতা।’

জুলাই ১৯৬৯-এ অ্যাপোলো ১১’র অভিযানের পর চাঁদে প্রায় কোনও নতুন কার্যক্রমই চালানো হয়নি। ১৯৭২ সালের পর সেখানে আর কোনও মানুষ যায়নি। কিন্তু শীঘ্রই এই পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে, কারণ কয়েকটি কোম্পানি সেখানে অনুসন্ধান ও সম্ভব হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে খনি খনন করার আগ্রহ দেখিয়েছে। সেখানে তারা সোনা, প্লাটিনাম, এবং ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত বিরল খনিজ পদার্থসহ বিভিন্ন জিনিসের জন্য অনুসন্ধান চালাবে।

আগে এ মাসেই চাঁদের দূরতম অংশে চীন একটি নভোযান অবতরণ করিয়েছে এবং সেখানে একটি তুলার বীজে অঙ্কুরোদ্গম ঘটাতে সক্ষম হয়েছে। সেখানে একটি গবেষণাগার স্থাপনেরও করছে চেষ্টা করছে তারা।

জাপানের প্রতিষ্ঠান আইস্পেস ‘আর্থ-মুন ট্রান্সপোর্টেশন প্ল্যাটফর্ম’ তৈরি এবং চাঁদের মেরু অঞ্চলে পানির খোঁজ করার পরিকল্পনা করছে।

এমন আরও নানান উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, দেখে প্রশ্ন উঠছে অল্ড্রিনের নির্জনতা কি আর নির্বিঘ্নে থাকবে না? নাকি পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহে শুরু হবে বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক দখলের প্রতিযোগিতা।

স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালিন মহাকাশে অনুসন্ধান চালানোর সময় থেকেই মহাজাগতিক বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহের মালিকানার বিষয়টি একটা ইস্যু হয়ে ওঠে। নাসা যখন প্রথম চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছিল, তখন জাতিসংঘ ‘আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামের একটি চুক্তি প্রণয়ন করে। ১৯৬৭ সালে এতে স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ।

এতে বলা হয়, ‘মহাকাশে চাঁদসহ অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহকে কোনো জাতি তাদের নিজস্ব সার্বভৌম এলাকা হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে না অথবা এগুলো ব্যবহার বা দখল করতে পারবে না’।

মহাকাশ বিষয়ক বিশেষায়িত কোম্পানি অ্যাল্ডেন আডভাইজারস-এর পরিচালক জোয়ান হুইলার এই চুক্তিকে ‘মহাকাশের ম্যাগনা কার্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এর ফলে চাঁদে পতাকা স্থাপন – যেটা আর্মস্ট্রং করেছিলেন – একদম তাৎপর্যহীন হয়ে যায়। এতে করে কোনও বিশেষ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা দেশের ‘অধিকারের বাধ্যবাধকতা’ প্রতিষ্ঠিত হয় না।

বাস্তবে ১৯৬৯ সালে চাঁদে জমির মালিকানা এবং খনি খননের অধিকার তেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিন্তু প্রযুক্তি উন্নত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুনাফার জন্য এর সম্পদ আহরণের সম্ভাবনা আরও এগিয়ে আসছে।

১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ ‘মুন এগ্রিমেন্ট’ নামে আরেকটি চুক্তি প্রণয়ন করে। চাঁদ ও অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহে কর্মকাণ্ড পরিচালনা বিষয়ক এই চুক্তিতে বলা হয়, এসব জায়গা কেবল শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে। এতে আরও বলা হয়, এসব জায়গায় কেউ স্টেশন বা ঘাঁটি স্থাপন করতে চাইলে তাকে আগে অবশ্যই জাতিসংঘকে অবহিত করতে হবে কোথায় ও কখন তারা সেটা করতে চায়।

ওই চুক্তিতে এও বলা হয়, ‘চাঁদ ও তার প্রাকৃতিক সম্পদ পুরো মানবজাতির উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া সম্পত্তি। যখন এই সম্পদ আহরণ করা সম্ভব হবে তখন এই আহরণের প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে আন্তর্জাতিক একটি শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

তবে মুন এগ্রিমেন্টের সমস্যাটা হচ্ছে, মাত্র ১১টি দেশ এটিকে সমর্থন দিয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স ও ভারত। কিন্তু মহাকাশের সবচেয়ে বড় বড় খেলোয়াড়রা, যেমন চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া, এটিকে সমর্থন দেয়নি। যুক্তরাজ্যও না।

তবে হুইলার বলেন, চুক্তিতে নির্ধারিত নিয়মনীতি প্রয়োগ করা সহজ নয়। বিভিন্ন দেশ স্বাক্ষরিত দলিলকে আইনের মধ্যে গণ্য করে এবং ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এসব আইন মেনে চলতে বাধ্য করার জন্য কাজ করে।

আন্তর্জাতিক চুক্তি যে কোনও ‘নিশ্চয়তা দেয় না’ এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন জার্নাল অফ স্পেস ল-র সাবেক প্রধান সম্পাদক প্রফেসর জোয়ান আইরিন গ্যাব্রিনোউইজ। চুক্তি বা আইন প্রয়োগ ‘রাজনীতি, অর্থনীতি ও জনমতের একটা জটিল মিশ্রণ,’ বলেন তিনি।

এবং মহাজাগতিক বস্তুর ওপর প্রতিষ্ঠাকে বাধা দিতে বিদ্যমান চুক্তিগুলো সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র কমার্শিয়াল স্পেস লঞ্চ কম্পেটিটিনেস অ্যাক্ট নামে একটি আইন পাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে কোনও ব্যক্তি গ্রহাণু থেকে কোনও সম্পদ আহরণ করলে সেটি তার সম্পত্তি বলেই গণ্য হবে। এটা চাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কিন্তু এই নীতি সেখানেও গ্রহণ করা হতে পারে।

গবেষণা ও অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেটারি রিসোর্সেস-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এরিক অ্যান্ডারসন এই আইনকে ‘ইতিহাসে সম্পত্তির অধিকারের স্বীকৃতিগুলোর মধ্যে এককভাবে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ (single greatest)’ বলে অভিহিত করেছেন।

২০১৭ সালে লুক্সেমবার্গও মহাকাশে পাওয়া সম্পদের অধিকারের বিষয়ে তাদের দেশে একই রকম একটি আইন পাশ করেছে। উপপ্রধানমন্ত্রী এতিয়েন শ্নাইডার বলেছেন, এই আইন তার দেশকে ‘ইউরোপের পথিকৃৎ এবং এই সেক্টরের নেতৃস্থানীয়’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।

চাঁদে মূল্যবান বস্তু অনুসন্ধান এবং অর্থ উপার্জনের সম্ভাবনা থাকায় বিভিন্ন দেশ এই সেক্টরের কোম্পানিগুলোকে সাহায্য করতে আরও আগ্রহী হয়ে উঠছে।

‘খনি থেকে সম্পদ উত্তোলন করে পৃথিবীতে নিয়ে আসা, মজুদ করা, বা সেগুলো দিয়ে চাঁদেই কিছু তৈরি করাটা পরিষ্কারভাবেই ‘ক্ষতিকর কিছু না করা’র বিপরীত,’ বলেন নেলেডি স্পেস ল অ্যান্ড পলিসি’র আইনজীবী হেলেন এন্টাবেনি।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও লুক্সেমবার্গ ‘গায়ের জোরে’ আউটার স্পেস ট্রিটির শর্তগুলো ত্যাগ করেছে। ‘বিশ্বের সবাই সমান জাতি হিসেবে একসঙ্গে মহাকাশ জয় করার উঁচু নীতি কেউ অনুসরণ করবে কিনা সে বিষয়ে আমার ঘোর সন্দেহ আছে,’ বলেন তিনি।

applebrand.jpg

চলতি বছর কয়টি আইফোন বাজারে আসবে তা নিয়ে এরই মধ্যে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। তবে মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে আরেক মার্কিন প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ জানিয়েছে, এ বছর তিনটি আইফোন আনার পরিকল্পনা করছে অ্যাপল।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আইফোন এক্সআরের উন্নত ভার্সন নিয়ে আসবে অ্যাপল। এতে এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হবে। এর পাশাপাশি আরও নতুন দুটি আইফোন বাজারে ছাড়বে তারা।বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অ্যাপলের এই তিন ফোনের অন্তত একটি ফোনে তিনটি ব্যাক ক্যামেরা থাকবে। বর্তমানে বিভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে দুইয়ের অধিক ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে।

তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতেই এ উদ্যোগ নিচ্ছে অ্যাপল।অ্যাপলের এই তিন ক্যামেরার ফোনের কয়েকটি ছবি ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। যদিও ঠিক কোন মডেলে তিনটি ক্যামেরা থাকবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালের আইফোনগুলোতে ওএলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করবে অ্যাপল।

এসব বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপের কারণে পরবর্তী আইফোনগুলোর দাম কিছুটা বাড়তে পারে।অবশ্য চীনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে আইফোন বিক্রির পরিমাণ অনেক কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে অ্যাপল জানিয়েছে, সর্বশেষ ত্রৈমাসিকে তাদের বিক্রয়ের পরিমাণ ৯ মিলিয়ন ডলার কমতে পারে।

chinamoon.jpg

চীনের মহাকাশযানে করে নিয়ে যাওয়া তুলা বীজের অঙ্কুরোদগম হয়েছে চাঁদে। বলা হচ্ছে, সেখানে জন্ম নেয়া প্রথম গাছ এটি। চীন সরকারের একটি ছবির বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।মঙ্গলবার চাঁদে গাছ জন্ম নেয়ার বিষয়টি ঘোষণা দেয়ার সময় প্রমাণ হিসেবে একটি ছবি প্রকাশ করে দেশটির গবেষকরা। ওই ছবিতে দেখা যায়, মহাকাশযানটির ভেতর ছোট একটি পাত্রে চারাগাছ জন্মেছে।এর আগে চলতি মাসের ৩ তারিখ পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের উল্টো পিঠে মহাকাশযান পাঠায় চীন।

ওইদিন বেইজিং সময় সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে মনুষ্যবিহীন চেং’ই-৪ চাঁদের দক্ষিণ মেরুর এইটকেন বেসিন স্পর্শ করে।চেং’ই-৪ মিশনের বেশ কয়েকটি উদ্দেশ্য ছিল। এর মধ্যে অন্যতম দুটি হলো চাঁদে লো-ফ্রিকোয়েন্সি রেডিও অ্যাস্ট্রোনমি পরীক্ষা করা এবং চাঁদের মেরুতে পানি আছে কিনা তা জানা। এছাড়া সেখানকার পরিবেশে গাছ জন্মাবে কিনা এমনটি পরীক্ষা করাও তাদের এই মিশনের উদ্দেশ্য ছিল; যা ইতোমধ্যে একটি ফলাফল নিয়ে এসেছে।জানা গেছে, মহাকাশযানটি চাঁদে অবতরণের পর থেকে সঙ্গে নেয়া বীজে পানি দিতে শুরু করে।

এটা ছিল সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি। পানি দেয়া শুরু করার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে বীজটির অঙ্কুরোদগম হলো। এর আগেও মহাকাশে গাছের অঙ্কুরোদগম ঘটিয়েছে বিজ্ঞানীরা। তবে চাঁদে এমন ঘটনা এই প্রথম।এ সম্পর্কে চীনের চংকিং ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড টেকনোলজির ডিন এবং চাঁদে গাছ জন্মানোর পরিকল্পনাকারী জাই জেংচিন উল্লাস প্রকাশ করে বলেন, মানব ইতিহাসে এই প্রথম চাঁদে কোনও গাছের অঙ্কুরোদগম হলো। সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চাঁদে প্রথম সবুজ পাতাযুক্ত গাছ হবে এটি।

superbloodmoon.jpg

গতবছর জানুয়ারিতে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, সুপার মুন ও ব্লু-মুন। বছর ঘুরতে একবার বিশ্ববাসী দেখবে চাঁদের আরেক সৌন্দর। চলতি মাসের ২০ অথবা ২১ তারিখে (টাইমজোনের ওপরে নির্ভর করছে) দেখা যাবে ‘সুপার ব্লাড মুন’।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, আমেরিকা, পশ্চিম ইউরোপ আর আফ্রিকা থেকে এই ঘটনা দেখা যাবে। ওই দিন পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় ‘সুপার ব্লাড মুন’ দেখা যাবে। এর পরে আবার ২০২১ সালের ২৬ জুন দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এর আগে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই শেষ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখা গিয়েছিল।

কখন, কোথায় পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ (সুপার ব্লাড মুন) দেখা যাবে?

২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ১০ টা ৪১ মিনিটের দিকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে। ৬২ মিনিট ধরে চলবে গ্রহণ। এশিয়ার কোনো দেশ থেকেই এই গ্রহণ দেখা যাবে না। এছাড়াও পূর্ব আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপ থেকে এই গ্রহণের শুরু দেখা যাবে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণ ৬২ মিনিট ধরে চললেও সম্পূর্ণ গ্রহণটি চলবে ৩ ঘণ্টা ৩০ মিনিট ধরে।

চন্দ্রগ্রহণ কি

চাঁদ ও সূর্যের সঙ্গে এক সরলরেখায় পৃথিবী চলে এলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে আটকে গিয়ে আর চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। ফলে চন্দ্রগ্রহণ হয়।

‘সুপার ব্লাড মুন’ কী?

চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ থেকে একটি লাল আভা দেখা হবে। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রতিসৃত আলো চাঁদের অন্ধকার জায়গাতে গিয়ে পড়ার জন্য এই লাল আভা দেখা যাবে। নীল ও বেগুনি রঙের থেকে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে পড়ে বলেই চাঁদকে লাল দেখতে হবে। এই মহাজাগতিক ঘটনার নাম ‘সুপার ব্লাড মুন’।

nasa56.jpg

মার্কিন মহাকাশ সংস্থার নাসার একটি মহাকাশযান ‘নিউ হরাইজন’। মহাকাশযানটি সৌরজগতের নবম গ্রহ প্লুটো থেকে দেড়শ’ কোটি কিলোমিটার দূরে হিমশীতল কুইপার বেল্টের সদস্য আল্টিমা থুলির কাছে সফলভাবে পৌঁছেছে।

এ ঘটনার মাধ্যমে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার এ যান সৌরজগতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দূরতম স্থানের কোনো একটি বস্তুর কাছে পৌঁছাল।

কোটি কোটি মাইলের এ যাত্রাপথে নিউ হরাইজন কয়েক গিগাবাইট ছবি তোলার পাশাপাশি অন্যান্য পর্যবেক্ষণ হাজির করে বিজ্ঞানীদের ঝুলিকেও সমৃদ্ধ করেছে।

২০০৬ সালে পাঠানো তুলনামূলক দ্রুতগতির এ মহাকাশ যানের আল্টিমা থুলিতে পৌঁছাতে সময় লাগল প্রায় ১৩ বছর। এর আগে ২০১৫ সালে এটি প্লুটোকে অতিক্রমের সময় অসংখ্য ছবি ও পর্যবেক্ষণ পাঠিয়েছিল।

নাসার এ যানটির সংকেত পৃথিবীতে আসতে ছয় ৬ ঘণ্টা ৮ মিনিট সময় লেগেছে। প্রথম সংকেতে এটি কেবল নিজের অবস্থানের খবর নিশ্চিত করলেও বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর মাধ্যমে নিউ হরাইজন যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে সচল করে ছবি তুলেছে ও তার স্মৃতিশক্তি পূর্ণ হয়ে গেছে তার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার পরের দিকে যানটি বেশ কিছু ছবিও পাঠায়। বিজ্ঞানীরা জানান, দূরত্ব এবং তথ্য পাঠানোর গতি সেকেন্ডে মাত্রা এক কিলোবিট হওয়ায় নিউ হরাইজনের পাঠানো সম্পূর্ণ ছবি পেতে বেশ সময় লাগে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার পাঠানো এ যানটির কাছে যত ছবি আছে, সব পেতে পেতে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর লেগে যেতে পারে, জানিয়েছেন তারা। নাসা জানিয়েছে, আল্টিমা থুলির সর্বোচ্চ রেজুলেশনের একটি ছবি ফেব্রুয়ারির আগে পাওয়া যাবে না।

যদিও তাতে গবেষণা আটকে থাকবে না বলে জানাচ্ছেন মেরিল্যান্ডের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থবিদ্যার গবেষণাগারের প্রধান গবেষক অ্যালান স্টার্ন।

নাসার এ মিশনের পরিচালনা ব্যবস্থাপক অ্যালিস বোমেন বলছেন, ‘আমরা একটি স্বাস্থ্যবান মহাকাশযান পেয়েছি। যার মাধ্যমে আমরা সৌরজগতের দূরতম স্থানে উড়ে যেতে সক্ষম হয়েছি।’ নিউ হরাইজন ২০৩০ সাল পর্যন্ত কাজ চালিয়ে নিতে পারবে।

tsunami8.jpg

সমুদ্রের তলদেশে ভূমিধসের কারণে সৃষ্ট সুনামি শনাক্ত করে আগাম সতর্কবার্তা দিতে সক্ষম একটি নতুন প্রযুক্তি স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া।

সরকারি সংস্থাটির মুখপাত্র আইয়ান তুরিয়ান বলেন, নতুন প্রযুক্তি ঢেউয়ের আকার শনাক্ত করে সুনামির সতর্কতা জানাবে।

সুমাত্রা ও জাভা দ্বীপের মাঝে অবস্থিত দেশটির বর্তমান প্রযুক্তি শনিবার সন্ধ্যায় আছড়ে পড়া সুনামির আগাম বার্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। বিবিসি।

dt009113.jpg

১৯০৮ সালের ৩০ জুন একটি বিল্ডিংয়ের আকারের বিশালাকার বস্তু আকাশ থেকে এসে পড়ে সাইবেরিয়ার বায়ুমণ্ডলে। সেখানেই বিস্ফোরিত হয় এই বিশাল মহাজাগতিক বস্তু। এই ঘটনার নাম বিজ্ঞানীরা রেখেছিলেন তুঙ্গুস্কা ঘটনা। তুঙ্গুস্কা নদীর নাম অনুযায়ী এই মহাজাগতিক বস্তু পতনের ফলে ৮০০ বর্গ মাইল জুড়ে এলাকায় গাছ নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

এটি এশিয়ার সর্বনিম্ন জনবহুল স্থানগুলির মধ্যে ঘটায় অবশ্য কেউ নিহত বা আহত হয় নি। কিন্তু তুঙ্গুস্কা মহাজাগতিক বিস্ফোরণ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরও রহস্যময় একারণেই যে বিজ্ঞানীরা বিশালাকার বস্তুটির উত্সই জানতে পারেননি। আদৌ এটি মহাজাগতিক বস্তু নাকি কোনও ধূমকেতু তা জানা যায়নি। অনুমান করা হয় যে, এটি একটি বিটা টাউরিড।

টাউরিড হল উল্কা বৃষ্টির মতোই বিষয় যা বছরে দু’বার ঘটে। প্রথমে জুন মাসের শেষের দিকে এবং অক্টোবরের শেষের দিকে বা নভেম্বরের শুরুর দিকে। জুন মাসের উল্কাগুলিকে বিটা বলা হয়। দিনের বেলায় দেখা যায় তাদের।

লস অ্যালামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির পদার্থবিজ্ঞানী মার্ক বসলাফের নতুন সূত্র অনুযায়ী, সাইবেরিয়ায় গাছের পতনের যে ধরণটি দেখা গেছিল তা আকাশের একই এলাকার টাউরিড উল্কা প্রবাহের মতোই দেখতে। লন্ডনের ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞানী পিটার ব্রাউন ও বসলাফ এই মাসেই ওয়াশিংটনে আমেরিকান জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নের সভায় একটি উপস্থাপনা দিয়েছেন যার মধ্যে তারা এই আগামী জুনে একটি বিশেষ পর্যবেক্ষণ অভিযানের আহ্বান জানিয়েছে। এই পর্যবেক্ষণে তুঙ্গুস্কা ক্লাস বা টাউরিড সহ বৃহত বস্তুগুলিকে খতিয়ে দেখা হবে ।

কিছু বছর ধরে, পৃথিবী টাউরিড প্রবাহের সবচেয়ে ঘন ক্লাস্টারের কাছাকাছি দিয়েই অতিক্রম করছে এবং ২০১৯ সালেও ঠিক এমনটাই হতে চলেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন যে ১৯৭৫ সালের পর থেকে এটিই সম্ভবত সেই বছর যা মহাজাগতিক বস্তুর ধেয়ে আসা লক্ষ্য করতে পারবে। বসলাফ ও বাউন বলেন, “যদি তুঙ্গুস্কার বস্তুটি বিটা টাউরিড প্রবাহের সদস্য হয় তবে ২০১৯ সালের জুনের শেষ সপ্তাহটিতে তুঙ্গুস্কার মতো সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে চরম।”

তাঁরা আরও জানান, আমরা আরেকটি তুঙ্গুস্কা বিস্ফোরণের পূর্বাভাস দিচ্ছি না, যদিও বিটা টাউরিডে ছোট NEO পৃথিবীর কাছাকাছি বস্তু] বৃদ্ধির ফলে পরের বছর তুঙ্গুস্কা বার্ষিকি হতে চলেছে কিনা তা বলা যাচ্ছে না এখনই।

স্পষ্ট ভাবে কিন্তু কেউই জানাননি যে গোটা ২০১৯ জুড়ে মাথায় উল্কা এসে পড়তে পারে কিনা। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন মহাবিশ্ব এতটাই বড় যে সহজেই এটি পৃথিবীকে আঘাত করবে এমন ভাবার কারণ নেই।

টাউরিড স্ট্রিমের জ্যামিতিক গঠন বোঝা অবশ্য একটু সমস্যারই। সূর্যের চারপাশে একটি আংটি হিসাবে একে কল্পনা করা যেতে পারে। এই আংটিটি কিন্তু পৃথিবীর কক্ষপথের সমান সমান নয়। অর্থাৎ পৃথিবী বছরে দুবার টাউরিড প্রবাহকে অতিক্রম করে। জুন মাসে সূর্য থেকে দূরে ভ্রমণ করা টাউরিড উপাদানকে ছেদ করে যায়, এবং অক্টোবর মাসে সূর্যের দিকে ভ্রমণ করা উপাদানগুলো ছেদ করে। পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে আঘাত করার কারণে আমরা অক্টোবর টাউরিডগুলিকে দেখতে পাই। জুন টাউরিড রোদে ঝাপসা হয়ে যায়, যদিও রাডারে তা ধরা পড়ে। এনডিটিভি

flyingcar.jpg

বিশ্বের সকল বড় শহরেই ভয়াবহ সমস্যা হচ্ছে যানজট। এই যানজটের কারণে স্থবির হয়ে যায় মানুষের জীবন। অফিস পৌঁছতে বা প্রয়োজনীয় কাজে যেতে দেরি হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, যানজটে পড়ে মৃত্যুরও ঘটনা ঘটে।

এবার এ সব সমস্যা যেন দূর হতে চলেছে। কারণ ব্রিটেনের ডাচ সংস্থা পিএএল-ভি ইন্টারন্যাশনাল নিয়ে আসছে ফ্লাইং কার। যা সড়কসহ আকাশেও চলতে পারবে।

পিএএল-ভি তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ২০২০-র মধ্যেই তারা এই গাড়ি বিশ্বে ছাড়বে। এ জন্য প্রি-বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রথম দিকে ৯০টি গাড়ি বাজারে ছাড়বে। এশিয়ার কয়েকটি দেশ ও ব্রিটেন, ইউরোপ এবং আমেরিকায় বিক্রি করা হবে এই গাড়ি। এরপর আস্তে আস্তে বিশ্বের প্রায় দেশেই তারা এটি বাজারজাত করবে।

গাড়িটি তিন চাকার। চলবে পেট্রোলে। জ্বালানি ধারণ ক্ষমতা ১০০ লিটার। গাড়িটিতে ২ জন বসার জায়গা রয়েছে। মাল বহনক্ষমতা ২০ কেজির মতো। আর গাড়িটির ওজন ৬৬৪ কেজি।

সড়কপথে সর্বাধিক ১৩১৫ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে পিএএল-ভি’র ফ্লাইং কার। আকাশপথে ৪৮২ কিলোমিটার পর্যন্ত অতিক্রম করতে পারবে।

সড়কপথে গাড়িটি সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার। আকাশপথে এর গতি হবে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার।

পিএএল-ভি জানিয়েছে, তাদের এই গাড়িকে ড্রাইভ মোড থেকে হেলিকপ্টার মোডে নিয়ে যেতে সময় লাগবে ১০ মিনিট। ৩৫০০ মিটার অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে এই গাড়ির।

পিএএল-ভি লিবার্টি এক্সিকিউটিভ গাড়ির দাম ধরা হয়েছে ২৫ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ ৯০ হাজার ৯শ’ টাকার মত আসে।