বিজ্ঞান Archives - Page 2 of 2 - Dhaka Today

bike5.jpg

চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে সম্প্রতি সারা পৃথিবীতে বিস্তর গবেষণা চলছে। ইতোমধ্যে গবেষণায় সাফল্যও মিলেছে। এবার চালকবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে গবেষণা শুরু হলো। গবেষণার অগ্রপথিক বিএমডব্লিউ। প্রতিষ্ঠানটির মোটরসাইকেল ডিভিশন সম্প্রতি একটি চালকবিহীন মোটরসাইকেল তৈরি করেছে। এ নিয়ে বিএমডব্লিউ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সড়ক দিয়ে চালক ছাড়াই এগিয়ে চলেছে মোটরসাইকেলটি।

বিএমডব্লিউ’র এই চালকবিহীন মোটরসাইকেল প্রজেক্ট বর্তমানে কনসেপ্ট পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই বাইক ব্যস্ত সড়কে চলবে না। বরং উদ্ধার কাজে অংশ নেয়ার জন্য এই বাইক ব্যবহার করা হবে।

বাইকটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত। এতে রয়েছে বিশেষ সেন্সর এবং ক্যামেরা। এটি গন্তব্যে থেমে দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ট্যান্ডে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত:

59903defd3f0fa7af1d72858519b7f2e-5ac884165ca04.jpg

আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রে ছোট আকারের অজস্র কৃষ্ণগহ্বর আছে বলে ধারণা করছেন গবেষকেরা। কয়েক বছর ধরে কসমিক গ্যাসের আভা পর্যালোচনা করে কৃষ্ণগহ্বর সম্পর্কে নতুন তথ্য জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।

কয়েক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক চাক হেইলি ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করছেন। ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত বিশাল কৃষ্ণগহ্বরের গ্রাসে পরিণত হওয়া কসমিক গ্যাসের আভা নিয়েই কাজকারবার তাঁর। জ্যোতির্বিদেরা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহার করে ওই আভা ধরতে পারেন।

গবেষকেরা দেখেন, ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে বের হওয়া কিছু রঞ্জন রশ্মির উৎস ওই কৃষ্ণগহ্বর। এটি স্যাগিটারিয়াস এ* নামে পরিচিত। কিন্তু সব রশ্মির উৎস আবার ওই বিশাল কৃষ্ণগহ্বর নয়। অন্যগুলো আসে ওই অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বর থেকে। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই ছায়াপথের কেন্দ্রে এ ধরনের কৃষ্ণগহ্বর থাকার বিষয়টি ধারণা করছিলেন। তাঁরা ভাবতেন, ছায়াপথের কেন্দ্রে শত শত কৃষ্ণগহ্বর থাকতে পারে। গবেষক হেইলি ও তাঁর সহকর্মীরা এ বিষয়টির প্রমাণ পেয়েছেন।

পৃথিবীকে আবর্তন করা চান্দ্রা এক্স-রে অবজারভেটরি থেকে তথ্য ব্যবহার করেন গবেষকেরা। গবেষক হেইলির নেতৃত্বে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল ছায়াপথের কেন্দ্রের কয়েক আলোকবর্ষ দূরের ১২টি রঞ্জন রশ্মির উৎস বেছে নেন এবং ধারণা করেন, এগুলো ছোট কৃষ্ণগহ্বর থেকে আসছে।

এই গবেষণাবিষয়ক নিবন্ধ ‘নেচার’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, তাঁরা যে এক ডজন কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন, সেগুলো সূর্যের ভরের তুলনায় ১০ গুণ। এগুলো খুবই ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বর। কিন্তু সূর্যের চেয়ে ৪০ লাখ গুণ বেশি ভরের বিশাল কৃষ্ণগহ্বর সেখানে আছে।

গবেষকেরা বলেন, ছোট এসব কৃষ্ণগহ্বরের শিকার হওয়া নক্ষত্রগুলো খুঁজতে গিয়ে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়। যখন কৃষ্ণগহ্বর একটি নক্ষত্রের সঙ্গে আবর্তিত হয়, তখন এর সঙ্গী নক্ষত্রটির সবকিছু গ্রাস করে ফেলে। এর ছায়ায় হারিয়ে যেতে থাকে নক্ষত্রের আলো। নক্ষত্রের সঙ্গে আবর্তিত হওয়ার এ পদ্ধতিকে বাইনারি সিস্টেম বলে। ধীরে ধীরে সঙ্গী নক্ষত্রকে গ্রাস করার সময় গরম গ্যাসের উজ্জ্বল চাকতি তৈরি হয়। এটিকে শক্তিশালী টেলিস্কোপের রঞ্জন রশ্মি দিয়ে দেখা যায়। হাজারো কৃষ্ণগহ্বরের মধ্যেও তাই হেইলি ও তাঁর দল এ কৃষ্ণগহ্বরগুলো শনাক্ত করতে পেরেছেন।

হেইলি ও তাঁর দলের ধারণা, ছায়াপথে ১০ হাজারের মতো ছোট আকারের কৃষ্ণগহ্বর থাকতে পারে। জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে তাঁরা এ অনুমান করছেন। তাঁরা বলছেন, এ কৃষ্ণগহ্বর যদি ছায়াপথের কেন্দ্রে হতো, তবে তা এতটাই অনুজ্জ্বল থাকত, যা পৃথিবী থেকে শনাক্ত করা কঠিন। এগুলোর অধিকাংশই দেখতে পাওয়া যায় না, কারণ ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে তা অনেক দূরে।

নতুন সন্ধান পাওয়া ছোট আকারের এসব কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে চমকে উঠেছেন হেইলি। তাঁর মতে, যাদের সঙ্গী নক্ষত্র নেই, এমন কত কৃষ্ণগহ্বর ভেসে বেড়াচ্ছে, যা টেলিস্কোপে ধরা পড়ছে না। অসংখ্য কৃষ্ণগহ্বর সঙ্গীহীন থাকতে পারে।

আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ প্রকল্পের সদস্য সেরা মার্কস বলেন, ‘আমাদের ছায়াপথে অসংখ্য ছোটখাটো কৃষ্ণগহ্বরে ভরা—এমন তথ্যে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমাদের ছোট পৃথিবীর জন্য এগুলো হুমকি নয়। তবে কেউ যদি ছায়াপথের কেন্দ্রে যান, তবে বড় কৃষ্ণগহ্বরের মতোই ছোটগুলো ভয়ংকর হয়ে দেখা দিতে পারে।’

প্রতিটি কৃষ্ণগহ্বরের ‘ঘটনা দিগন্ত’ নামের অদৃশ্য সীমানা আছে। এ থেকে কোনো কিছু এমনকি আলোও বের হয়ে আসতে পারে না। ওই দিগন্ত যে পার করে, সে-ই চিরতরে হারিয়ে যায়। কেউ যদি ওই ঘটনা দিগন্তে যায়, তবে ভয়ংকর মহাকর্ষীয় টানে তা হারিয়ে যাবে। কৃষ্ণগহ্বর যত ছোট, তার এই টেনে নেওয়ার শক্তি তত বেশি বা সেটি তত বেশি ঘনত্বের।

মহাজাগতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ধরলে ছায়াপথের কেন্দ্রে কোনো জীবিত প্রাণী টিকতে পারবে না। এটা সৃষ্টির স্থান। হেইলির মতে, মহাজাগতিক বস্তুর সৃষ্টিস্থান এটি। এটি ঠিক উর্বর ভূমির মতো, যেখানে বড় বড় নক্ষত্র বেড়ে ওঠে এবং কৃষ্ণগহ্বরে বিলীন হয়ে আরেকটি নক্ষত্রকে গ্রাস করে।

3a18c06ec7b1533de885c8ba78b73af1-5b5ff3e60bc2e.gif

দেশে গেম খেলতে ও গ্রাফিকসের কাজ করেন—এমন ল্যাপটপ ব্যবহারকারী বাড়ছে। গেমারদের কথা মাথায় রেখে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল দেশের বাজারে এনেছে জি সিরিজের নতুন ল্যাপটপ। গতকাল সোমবার উইন্ডোজ ১০ গেমিং পিসি ‘ডেল জি৭ ১৫’ সিস্টেম মডেলের ল্যাপটপ প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দেশে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো জি সিরিজ নামের নতুন এই সিরিজের।

রাজধানীর একটি হোটেলে নতুন এ সিরিজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সহ-অধিনায়ক জাহানারা আলম এবং ডেল বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার আতিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে ডেল কর্মকর্তারা জানান, ইন্সপাইরন গেমিং সিরিজের সফলতার পর ‘ডেল জি সিরিজ’-এ নতুন করে এসেছে ডেলের গেমিং ল্যাপটপ সিরিজ। নতুন বা পেশাদার সব শ্রেণির গেমার এবং সব রকম বাজেটের গেমিং ল্যাপটপের জন্য জি সিরিজ।

ডেলের নতুন এই জি সিরিজ হাইপারফরমেন্স গেমিং ল্যাপটপ প্রযুক্তি মারভেল স্টুডিওজের নতুন মুভি ‘অ্যান্ট ম্যান অ্যান্ড দ্য ওয়াস্প’ তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

জি সিরিজের গেমিং ল্যাপটপে রয়েছে অষ্টম প্রজন্মের ইন্টেল কোর সিরিজের প্রসেসর আর এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ১০ সিরিজের গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট (জিপিউ)। রয়েছে তাপ সামলানোর বিশেষ সমাধান, স্বয়ংক্রিয়ভাবে কনটেন্টের অগ্রাধিকার ঠিক করার সফটওয়্যার, গ্লেয়ারনিরোধী আইপিএস ডিসপ্লে এবং গেমিং সহায়ক অন্য অনেক ফিচার। ডেল জি৭ ল্যাপটপটি ২৫ মিলিমিটার পাতলা। সিস্টেমটিতে থাকছে ৬ গিগাবাইট জিডিডিআর ৫ ভিডিও মেমোরি, সর্বোচ্চ ৬টি কোরের অষ্টম প্রজন্মের ইন্টেল কোর সিরিজের প্রসেসর (কোর আই ৯ মডেল পর্যন্ত), দুটি ফ্যান এবং দুটি স্টোরেজ ড্রাইভ, যেখানে এসএসডিও ব্যবহার করা যাবে।

dt31.jpg

চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন করে আবার ইলেকট্রনিক সিল ও লক সেবা বিধিমালা, ২০১৮ জারি করা হয়েছে। এর আগে গত তিন বছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দুবার এই বিধিমালা জারি করেও ব্যবসায়ীদের আপত্তির মুখে সেবাটি বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

বিধিমালা অনুযায়ী আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের চালানে নিরাপত্তার জন্য বাধ্যতামূলকভাবে সিল বা লক সেবা নিতে হবে। তবে এই বিধিমালায় আগেরটির চেয়ে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

এদিকে, ব্যবসায়ীরা আগের মতো এবারও সিল ও লক সেবার মতো নিরাপত্তাব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় আপত্তি জানাচ্ছেন। তাঁরা মনে করেন, এতে তাঁদের খরচ বাড়বে। পণ্য রপ্তানিকারকের চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই পণ্য জাহাজীকরণ করা হয়।

এনবিআরের বিধিমালা অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই লক বা সিল সেবা দেওয়া হবে। আমদানি বা রপ্তানি পণ্যের কনটেইনারে ইলেকট্রনিক সিল ও লক সেবা দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি প্রতি কাভার্ড ভ্যান বা ট্রাক পণ্য সিল বা লক করা যাবে। সিল বা লক সেবার বিপরীতে প্রথম ৪৮ ঘণ্টার জন্য ৬০০ টাকা দিতে হবে। এর পরের প্রতি ঘণ্টায় ৫০ টাকা করে দিতে হবে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ধরনের সিল বা লকের প্রয়োজন নেই। বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা যথাযথ সিল বা লকের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেই পণ্যের চালান কারখানা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠাই। এভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতি কনটেইনারে খরচ পড়ে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। তাহলে কেন ১০০ মিটার পথের জন্য ৬০০ টাকা দেব?’

সিদ্দিকুর রহমান মনে করেন, এনবিআরের নতুন উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের খরচ বাড়বে। এমনিতেই রপ্তানি পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এমন অবস্থায় নতুন করে খরচ বাড়ানো হচ্ছে। মালিকেরা তা মানবেন না।

এনবিআর সম্প্রতি সিল ও লক সেবা বিধিমালা জারি করেছে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানি বা রপ্তানি করা পণ্য চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) বা অফডকে পরিবহনের সময় সিল বা লক নিতে হবে। এটি মানা এখন বাধ্যতামূলক।

এই নিরাপত্তাব্যবস্থার সংজ্ঞা সম্পর্কে এনবিআরের বিধিমালায় বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক সিল হচ্ছে অবৈধভাবে ঘষামাজা বা পরিবর্তন প্রতিরোধ-সক্ষমতাসম্পন্ন আধুনিক প্রযুক্তির উচ্চ ক্ষমতার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন ডিভাইসেস (আরএফআইডি) সংবলিত সিল। এটির বাহ্যিক গড়নে লক সংযুক্ত থাকে বলে তা পণ্যের কনটেইনারের নিরাপত্তা বিধান করে। আর লক হচ্ছে কনটেইনারে ব্যবহারের উপযোগী লক বা তালা, যা আরএফআইডি-ভিত্তিক সিল সংযুক্ত থাকে। তাই এটি চাবি দিয়েই খুলতে ও বন্ধ করতে হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নিজে এই লক বা সিল সেবা দেবে না। তবে সেবাটি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এরপর ‘বিল্ড ওন অপারেট’ পদ্ধতিতে ব্যবস্থাটি পরিচালিত হবে। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিতে এনবিআরের একজন সদস্যের (শুল্কনীতি) নেতৃত্বে একটি কমিটি থাকবে। সেবা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির সামনেই কনটেইনার, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান সিল বা লক করা হবে। এ সময় শুল্ক কর্মকর্তারাও থাকবেন। এরপর গন্তব্যে পৌঁছানোর পর সিল বা লকের অখণ্ডতা যাচাই করে তা খোলা হবে।

বছর তিনেক আগে সিল বা লকের বিষয়টি প্রথমে সামনে নিয়ে আসে চট্টগ্রাম কাস্টমস। তখন চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এনবিআরকে জানায়, বন্দর থেকে খালাসের জন্য প্রতি মাসে ১০ হাজার কনটেইনার চট্টগ্রাম কাস্টমসে আসে। মূলধনি যন্ত্রপাতির পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উচ্চ শুল্কের বাণিজ্যিক পণ্যও থাকে। আবার বন্ড সুবিধার আওতায় আমদানি করা পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগও বহুদিনের। প্রচলিত সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহারের পরিবর্তে পণ্যের অধিকতর নিরাপত্তাব্যবস্থা-সংবলিত ইলেকট্রনিক সিল ও তালা ব্যবহার করা হলে চালানগুলোর গতিবিধি সার্বক্ষণিকভাবে নজরে রাখা সম্ভব হবে।

শুল্ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে পতেঙ্গা কাঠগড়ের আইসিডি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে যাচ্ছিল ২০ লাখ পিস জিনস। পথে সিলগালা খুলে ৩৫১ কার্টন জিনস সরিয়ে নেয় একটি সংঘবদ্ধ দল। পরে পুলিশের অভিযানে তারা ধরা পড়ে এবং আটজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। চট্টগ্রাম বন্দরে এমন ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এর পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত।

এরপর ২০১৬ সালে এ ধরনের একটি বিধিমালা করা হয়। কিন্তু আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের আপত্তির মুখে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরে ২০১৭ সালে আবারও একই ধরনের বিধিমালা জারি করা হয়। সেটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় আবার নতুন করে বিধিমালা জারি করা হলো, যদিও আগের দুবার বিধিমালা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter