শিক্ষা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

ssc46.jpg

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দিকে ছেলেদের

সংখ্যা বেশি হলেও পাসের হার ও সংখ্যা দুদিক থেকেই এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।

এবারের পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

তবে মেয়েদের পাসের হার ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ।

আর ছেলেদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি।

২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সকল শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায়

১০ লাখ ২১ হাজার ৪৯০ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে।

এরমধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯২ জন।

বিপরীতে ফেল করেছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯৮ জন।

rajshahi-eduboard.jpg

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা

শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেছেন।

এতে পাসের হারে যশোর বোর্ড এগিয়ে আছে।

এবার পাসের হারে এগিয়ে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড।

এ বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৬ হাজার ১৬৭ পরীক্ষার্থী।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১০।

এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

dipu666.jpg

এবারের মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় শতভাগ

পাস করেছে ৩ হাজার ২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

গেলো বছর যা ছিল ২ হাজার ৫ শত ৮৩টি।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ঘোষিত ফল থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।

রোববার (৩১ মে) সকাল ১১টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভের

মাধ্যমে ২০২০ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,

এটা একটা ভালো দিক যে শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার কাছে এবারের এসএসসি ও

সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সেখানে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

ctgeduboard.jpg

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় এ বছর

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ বেড়েছে।

এ বছর পাসের হার ৮৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

গতবার পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ১১ শতাংশ।

যা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে।

এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন শিক্ষার্থী।

গত বছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৩৯৩ জন।

যা গতবারের তুলনায় ১ হাজার ৬১৫ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে।

আজ রোববার (৩১ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে এ তথ্য জানান

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ।

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এবারের এসএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা

বোর্ডের অধীনে অংশ নিয়েছে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯০ জন পরীক্ষার্থী।

যা গতবছরের তুলনায় ৫ হাজার ৭৭৭ জন কম।

গেল বছর এসএসসিতে এ বোর্ড থেকে অংশ

নিয়েছিল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬৭ জন পরীক্ষার্থী।

ssc67.jpg

সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ

শিক্ষা বোর্ডের বিভাগভিত্তিক ফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাস

করেছে সবচেয়ে বেশি ৯৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের পাসের হার ৮৪ দশমিক ৮০ শতাংশ

এবং সবচেয়ে কম মানবিকে ৭৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

সারাদেশে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

গত বছরের তুলনায় এ হার সামান্য বেশি।

গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ।

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার কাছে পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

পরে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ফেসবুক লাইভে ফল ঘোষণা করেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা

বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ

এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এ বছর দেশের বাইরের ৯টি কেন্দ্রে ৩৩৬ পরীক্ষার্থী এসএসসি

ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ৩১৮ জন।

পাসের হার ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

অপরদিকে পাসের হারে এগিয়ে আছে যশোর বোর্ড।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১০। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

কুমিল্লা ৮৫.২২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার ৮০.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন।

বরিশাল বোর্ড পাশের হার ৭৯.৭০, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

সিলেট বোর্ড পাশের হার ৭৮.৭৯ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮২.৭৩ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮৪.৭৫, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন।

 

barishalboard.jpg

এসএসসি পরীক্ষায় এ বছর বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ।

এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন শিক্ষার্থী।

ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে।

আজ রোববার (৩১ মে) বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফলাফল

ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ কুমার গাইন।

জানা গেছে, এবছর পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১ লাখ হাজার ১৩ হাজার ২৯৫ শিক্ষার্থী।

এর মধ্যে ছাত্র ৫৬ হাজার ৪৬৭ জন এবং ছাত্রী ৫৬ হাজার ৮২৮ জন।

পাস করেছে ৮৯ হাজার ৬১৬ জন।

তাদের মধ্যে ৪৩ হাজার ৩৫ জন ছাত্র আর ৪৬ হাজার ৫৮১ জন ছাত্রী।

এই বিভাগে পা‌সের হারে এগিয়ে রয়েছে পি‌রোজপুর জেলা।

এবারও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা পাস ও জিপিএর হারে এগিয়ে।

গত বছর বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।

গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

ssc4.jpg

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী।

গতবারের তুলনায় এবছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

এ বছর সারাদেশে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

গতবছর পাস করেছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী।

জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

রোববার (৩১ মে) সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সেখানে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পরে বেলা ১১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউট মিলনায়তন থেকে

ফেইসবুক লাইভে মাধ্যমিকের ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি।

২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সারাদেশে ১০টি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায়

৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

মাদরাসা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় দুই লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন।

ছাত্রী অংশ নেয় এক লাখ ৪৭ হাজার ১১৬ জন। ছাত্রের তুলনায় ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি।

এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল প

রীক্ষায় এক লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়,

এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ

এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

অপরদিকে পাসের হারে এগিয়ে আছে যশোর বোর্ড।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১০। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

কুমিল্লা ৮৫.২২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার ৮০.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন।

বরিশাল বোর্ড পাশের হার ৭৯.৭০, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

সিলেট বোর্ড পাশের হার ৭৮.৭৯ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮২.৭৩ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮৪.৭৫, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন।

এবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্কুলে গিয়ে ফল জানার সুযোগ নেই।

তাই এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসির ফল প্রকাশ করছে শিক্ষাবোর্ড।

ফল পেতে SSC স্পেস, বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস,

রোল নম্বর স্পেস, পাসের সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

gpa5.jpg

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন শিক্ষার্থী।

গতবারের তুলনায় এবছর পাস ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

গতবছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

গতবারের তুলনায় এবার জিপিএ বেড়েছে ৩০ হাজার ৩০৪ জন।

এ বছর সারাদেশে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

গতবছর পাস করেছিল ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী।

রোববার (৩১ মে) সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সেখানে ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

পরে বেলা ১১টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউট মিলনায়তন থেকে

ফেইসবুক লাইভে মাধ্যমিকের ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী।

এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি, শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি।

২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সারাদেশে ১০টি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায়

৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

মাদরাসা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় দুই লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন।

ছাত্রী অংশ নেয় এক লাখ ৪৭ হাজার ১১৬ জন।

ছাত্রের তুলনায় ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি।

এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায়

এক লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়,

এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

অন্যদিকে মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ

এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

অপরদিকে পাসের হারে এগিয়ে আছে যশোর বোর্ড।

যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১০। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

কুমিল্লা ৮৫.২২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার ৮০.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন।

বরিশাল বোর্ড পাশের হার ৭৯.৭০, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩।

সিলেট বোর্ড পাশের হার ৭৮.৭৯ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন।

দিনাজপুর বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮২.৭৩ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন।

চট্টগ্রাম বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮৪.৭৫, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন।

এবার করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শিক্ষার্থীদের স্কুলে গিয়ে ফল জানার সুযোগ নেই।

তাই এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসির ফল প্রকাশ করছে শিক্ষাবোর্ড।

ফল পেতে SSC স্পেস, বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর স্পেস,

রোল নম্বর স্পেস, পাসের সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

Jessore-Board.jpg

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবার এসএসসি পরীক্ষায়

পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩ শতাংশ কম।

এই বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

তবে এ বছর জিপিএ-৫ এর সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য মতে, এ বছর যশোর বোর্ডের আওতায়

খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ২ হাজার ৫২১টি বিদ্যালয় থেকে

১ লাখ ৬০ হাজার ৬৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এরমধ্যে ছাত্র ছিল ৮০ হাজার ৩০৯ ও ছাত্রী ৮০ হাজার ৩২৬ জন।

এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭ হাজার ৪৬ জন,

মানবিক বিভাগ থেকে ৯৬ হাজার ৭৮৮ জন,

বাণিজ্য বিভাগ থেকে ২৬ হাজার ৮০১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

এদিকে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মাধব চন্দ্র রুদ্র জানান,

অষ্টম শ্রেণি থেকে প্রশ্নব্যাংকের মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণ ও

পাঠ্যবইয়ে শিক্ষার্থীদের অভ্যস্ত করতে পারায় ফলাফল ভালো হয়েছে।

পাসের হার গত বছরের তুলনায় ৩ শতাংশ কম হলেও

তা পরীক্ষার্থী সংখ্যা কম হওয়ার কারণে হয়েছে।

এছাড়া যশোর বোর্ডে এ বছর ২৫০টি প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

তবে একজনও পাস করেনি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা রয়েছে দুটি।

প্রতিষ্ঠান দুটি হলো সাতক্ষীরার কলারোয়া শহীদ স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়

ও দেবহাটা ধাপুখালি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

edu-216530.jpg

জিপিএ ৫ পেতেই হবে এই ধরনের উন্মাদনার কারণে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়।

তবে এবছর এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়েছে সব বোর্ড মিলে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৯৮ জন।

যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ৩০ হাজার বেশি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে বলা যাচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা কবে

নাগাদ অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৩১ মে) এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে অনলাইন ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কলেজে ভর্তির জন্য প্রক্রিয়া শুরু করা হবে অনলাইনে।

তবে এখনো সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জটিলতা রয়েছে।

এসব বিষয়ে পরবর্তী বৈঠকে করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে না এই মুহূর্তে।

৬৬৬ নম্বরে ফোন করে যাদের ইন্টারনেট নেই, তারা শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন।

অনলাইন ব্যবস্থা আরো উন্নত করার চেষ্টা চলছে।

সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোর উদ্যােগ নেয়া হবে যতটা সম্ভব বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব না হওয়া

এবং ব্যাপক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় পরিস্থিতি অনুকূল না হওয়া পর্যন্ত

এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া এই মুহূর্তে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।