শিক্ষা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

begu.jpg

কালো টেপে মোড়ানো একটি বেগুন দেখে বোমা ভেবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তুটি পাবার পর রাতভর ওই স্থানটি ঘিরে রাখে পুলিশ।

পরে পুলিশের বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিটের সদস্যরা শুক্রবার সকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, এটি আসলে বেগুন।

এ বিষয়ে চবির আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এবিএম আবু নোমান জানান, সপ্তাহখানেক আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদে ‘এন্টি টেররিজম মক ট্রায়াল’ (ছায়া আদালত) নামে একটি  প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, অনুষ্ঠানের একটি পর্বে বোমা উদ্ধারের মামলায় জব্দকৃত মালামালের আলামত হিসেবে বেগুন দিয়ে বানানো এই প্রতীকী বোমাটি উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীরা। পরে কেউ হয়তো ভুলবশত সেটি আইন অনুষদ ভবনের পাশে ফেলে দিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে এখনও কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তুটির দেখা মেলে চবির আইন অনুষদ ভবনের পাশে। রাতভর ওই স্থানটি ঘিরে রাখে পুলিশ। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানান, এটি আসলে বেগুন। আতঙ্ক ছড়াতে বেগুনটিকে কালো টেপে মুড়িয়ে বোমার আকৃতি দিয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আইন অনুষদের ডিনের কার্যালয়ের সামনে বোমা আকৃতির বস্তুটি পড়ে থাকতে দেখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কাছে খবর পেয়ে পুলিশ রাতভর ঘটনাস্থলের আশপাশ ঘিরে রাখে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের পরিদর্শক রাজেশ বড়ুয়া বলেন, একটি বেগুনে দুটি তার ও কালো টেপ মুড়িয়ে বোমার মত সাজিয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এমনটি করা হয়েছে বলে আমাদের মনে হয়েছে।

certificate-20190215215238.jpg

এসএসসি, এইচএসসিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট তৈরি হচ্ছে রাজধানীর নিউ মার্কেটে! ঘটনা সত্য হলেও প্রতারক চক্র অবৈধভাবে তৈরি করছে এই জাল সার্টিফিকেট। আর সেই সার্টিফিকেট মোটা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে আসছে তারা।

শুক্রবার রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে এ অপকর্মে জড়িত চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। আটককৃতরা হলেন- সাইফুল আলম সাদিক (২৮) ও বাবুল ছৈয়াল (২১)।

শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে র‌্যাব-১০ এর উপ-অধিনায়ক মেজর মো. আশরাফুল হকের নেতৃত্বে স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি শহিদুল হক মুন্সীর সমন্বয়ে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করে।

এ সময় মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও ব্যবসা প্রশাসন (বিবিএ) -এর জাল সার্টিফিকেট, ২টি মনিটর, ২টি সিপিইউ, ১টি কালার প্রিন্টারসহ জাল সার্টিফিকেট তৈরির কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১০ উপ-অধিনায়ক মেজর মো. আশরাফুল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারক চক্রের আটক দুই সদস্য জানিয়েছে তারা দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি, এইচএসসি ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে আসছে।

তারা ব্যবসার আড়ালে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের জাল সনদপত্র, জাল ভোটার আইডি কার্ড, জাল প্রশাংসাপত্রসহ বিভিন্ন ধরনের জাল দলিল ও সনদ তৈরি করত। তাদের বিরুদ্ধে নিউমার্কেট থানায় মামলা দায়েরপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

cu-bomb-2019-02-15-14-17-03.jpg

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মধ্যরাত থেকেই আতংক-উৎকণ্ঠা। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ব্যাপক উপস্থিতি। ঘিরে রাখা হয়েছে ক্যাম্পাসের একটি নির্দিষ্ট এলাকা। পর্যবেক্ষণের জন্য আনা হয়েছে পাঁচটি বোম্ব ডিসপোজেবল ইউনিট। কী ঘটতে যাচ্ছে চবি ক্যাম্পাসে এমন উৎকন্ঠায় সবাই। সারারাত ঘিরে রাখা হলো আইন অনুষদ ভবনের একটি নির্দিষ্ট এলাকা। সকালে অভিযান চালানো হবে এমন প্রস্তুতির রাখা হয়েছে।

যথারীতি শুক্রবার বেলা ১১ টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা রহস্যময় ওই বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করেন। এ সময় বোমা নিষ্ক্রিয়করণে সিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের পাঁচ সদস্যের একটি টিম অংশ নেন। পরে জানা গেল এটি আসলে বোমা নয়। স্কচটেপে মোড়ানো বেগুন!

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেণ হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর। তিনি বলেন, কেউ বেগুনে টেপ মুড়িয়ে বোমার মত করে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এ কাজ করেছে। পরে সিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেটা শনাক্ত করে।

উল্লেখ্য, এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিনের কার্যালয়ের সামনে বোমা সদৃশ কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীরা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ নিরাপদ দূরত্বে থেকে আশপাশের এলাকা ঘিরে রাখে। সকালে চালানো হয় অভিযান।

SSC-2.jpg

‘‘পরীক্ষার আগে কোনো ধরনের অনৈতিক পথের খোঁজ করবেন না। শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পড়াশোনা করে পরীক্ষা দিলেই ভালো ফলাফল করবে।’’ এবারের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছিল শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকসহ পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির এমন আহ্বানের মাধ্যমে।

এ ক্ষেত্রে তিনি নিঃসন্দেহে সফল। কেননা এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য বছরের মতো প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো অভিযোগ বা গুজব, কোনোটাই উঠেনি। তবে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, প্রশ্নপত্রে ত্রুটির মতো ঘটনা পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের বড় ধরনের গাফিলতির প্রমাণ দেয়। আর তাদের ক্ষমার অযোগ্য ভুলের কারণে দায় বহন করতে হয়েছে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে।

এরই মধ্যে আমরা জেনেছি, পরীক্ষার প্রথম দিনেই দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৮টি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। সেসব কেন্দ্রে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয় পুরোনো পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য করা প্রশ্নপত্র দিয়ে। বিষয়টি ধরা পড়ার পর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কিন্তু তার আগেই ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। যদিও শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, সেইসব পরীক্ষার্থীর খাতা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার যশোর বোর্ডে ঘটলো আরেক ঘটনা, সেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি পাওয়া যায়। এই কারণে পরীক্ষাই বাতিল করা হয়। শুধু তাই নয়, সেখানে আগামীকালকের ক্যারিয়ার শিক্ষা পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।

অন্য বিষয়গুলোর মতো যথারীতি এই দুই ক্ষেত্রেও একে অন্যের প্রতি দায় চাপানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। কেউ বলছে, ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কেন্দ্র সচিব দায়ী। কেউ বলছে, বিজি প্রেস দায়ী। আবার কেউ বলছে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দায়ী। দায় যারই হোক না কেন; মূলত তার শিকার শিক্ষার্থীরা। যারা গত দুই বছর ধরে চূড়ান্ত এ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছে। এই ঘটনাগুলো তাদের সেই প্রস্তুতিতে নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে।

আমরা জানি, প্রায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য এত বড় আয়োজন বেশ কঠিন ও কষ্টসাধ্য। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ভুল কেউ না কেউ করেছে। সেটা তদন্ত করে পাওয়া যাবে। কিন্তু তার আগে নিশ্চিত করতে হবে, এমন ভুল যেন আর বাকী পরীক্ষাগুলোর ক্ষেত্রে না ঘটে।

vhasan4r.jpg

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতিকে মেরে হল ছাড়া করেছে অপর গ্রুপ। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতিসহ আহত হয়েছে ৪ জন।

মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতির কক্ষটি সিলগালা করে দিয়েছে

এ ঘটনায় আহতরা হলো বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি সজিব তালুকদার, সহ-সভাপতি ইমরান, যুগ্ম সম্পাদক রাজিব হোসেন ও আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক শাহাদত আলম দিপু।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পালের নেতৃত্বে কয়েকজন লোহার রড দিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি সজিব তালুকদার ও তার সহযোগীদের ওপর আতর্কিত হামলা চালায়।

এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষ শুরু। এতে সভাপতি সজিব তালুকদারসহ আরো তিনজন আহত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীরা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে রাতে নিরাপত্তার জন্য সভাপতির কক্ষটি সিলগালা করে দেয়া হয়।

Primary-Education-1-1.jpg

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক থেকেই প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে শতকরা ৮০ শতাংশ পদোন্নতি পাবেন। বাকি ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ দেয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া কোনো সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে মন দেয়নি। সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের গ্রেডের পরিবর্তনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি প্রণয়নের ঘোষণা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকরা হচ্ছেন ‘ফাউন্ডার টিচার’। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে শিক্ষকদেরও কাজে ডিজিটাল হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিণী সুরাইয়া সুলতানা শিক্ষকদের ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, স্কুল চলাকালীন সময়ে দোকানে চা না খেয়ে স্কুলের পূর্ণ সময় শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশের দিকে দৃষ্টিদান করতে হবে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার জন্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

ssc_exam.jpg

চলমান এসএসসি ও সমমানের ১৬, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমার কারণে এই তিন দিনের পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক পরীক্ষা পেছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডের অধীন ১৬ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৭ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষা হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ১৮ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষাটি হবে ২ মার্চ। এর ফলে ব্যবহারির পরীক্ষার সময়ও পিছিয়ে যাবে। এখন ২৬ ফেব্রুয়ারি সংগীত বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ৩ মার্চ। আর ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় অন্যান্য বিষয়ের ব্যবহারিক ৪ মার্চ থেকে ১০ মার্চের মধ্যে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে আগামী ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

ei6yk-1280x896.jpg

ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে ইংলিশ ভার্সনের শিক্ষার্থীদের পুরাতন প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ৩০ মিনিট পর শিক্ষার্থীরা নতুন প্রশ্নপত্র হাতে পায়। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ইংলিশ ভার্সনের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, শনিবার তাদের সাধারণ গণিতের পরীক্ষা ছিল। নির্ধারিত সময়ে তারা কেন্দ্রে উপস্থিত হন। পরীক্ষা দেওয়ার সময় তারা দেখেন যে, ২০১৬ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্র তাদের দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের জানানো হলে প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের প্রশ্ন দেওয়া হয়। এসময় শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন তাদের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। কিন্তু পরে আর সে সময় দেওয়া হয়নি। এতে করে ঠিকমত উত্তর করতে পারেননি পরীক্ষার্থী।

ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া এক পরীক্ষার্থী বলেন, ১০০৬ নম্বর রুমে তাদের পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল। সেখানে তাদের পুরাতন প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। পরে সেটা পরিবর্তন করে নতুন প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের নষ্ট হওয়া ৩০ মিনিটের জন্য অতিরিক্ত সময় আর দেওয়া হয়নি। ফলে তারা প্রশ্নপত্রে চাওয়া সবগুলো উত্তর দিতে পারেনি। এতে কয়েকজন পরীক্ষার্থী কান্না শুরু করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, পরীক্ষার পর তার মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে, পর্যাপ্ত সময় না দেওয়ায় সে কাঙ্ক্ষিত উত্তর দিতে পারেনি। তাদের রুমের ইংলিশ ভার্সনের সব পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এমনটি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দায়িত্বরত শিক্ষকরা নতুন প্রশ্নপত্র দিলে দেখা যায়, তাতে ৩, ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের বেশ কয়েকটি অংশ নেই।এরপর পরীক্ষার্থীদের ফটোকপি করা প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। এতে করে প্রায় ৩০ মিনিটের মত সময় নষ্ট হয় তাদের। এ জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়ার কথা থাকলে তা আর দেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

barishal9.jpg

বরিশালের গৌরনদীতে একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে অর্ধশতাধিক এসএসসি পরীক্ষার্থী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে মহাসড়ক অবরোধ করেছে।

গণিতের প্রশ্ন কঠিন হওয়ার প্রতিবাদে ও পুনরায় এই পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে ও কেন্দ্রের সামনে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা।

থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক বিক্ষুব্ধদের শান্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অপরদিকে চলতি পরীক্ষা শুরু থেকেই পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিক প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খালেদা নাছরিন।

ওই কেন্দ্রের একাধিক পরীক্ষার্থী জানান, চলতি এসএসসি পরীক্ষার গৌরনদী উপজেলার বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে উপজেলার বার্থী, মেদাকুল, ধানডোবা, বাকাই, খাঞ্জাপুর, বাউরগাতি হাইস্কুলের ৭০৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। চলতি এসএসসি পরীক্ষা শুরু থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রের সংশ্লিষ্টি কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের ঘাড় ঘুরাতে দিচ্ছেন না। এমনকি গণিত পরীক্ষার প্রশ্ন কমন না পড়ায় ইউএনও এবং কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা পরীক্ষার সময় কোনো পরীক্ষার্থীকে ঘাড় ঘুরাতে দেননি ও কোনো সুযোগও পায়নি।

কর্মকর্তারা কড়াকড়ি করে পরীক্ষা নেয়ার ফলে পরীক্ষা খুবই খারাপ হয়েছে। গণিত প্রশ্ন কঠিন হওয়ার প্রতিবাদে ও পুনরায় এই পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে শনিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী কেন্দ্র সচিবের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

এরপর তারা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ওপর দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মহাসড়কে ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন। কেন্দ্রের দায়িত্বরত থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করেন।

এ ব্যাপারে বার্থী কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব ও বার্থী তারাঁ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিএম ইদ্রিস বলেন, গণিত কমন না পড়ায় সব পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। তাই শনিবারের সাধারণ গণিত পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে পরীক্ষার্থীরা।

গৌরনদী মডেল থানার এসআই মো. সগীর বলেন, পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নেয়ার খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।

গৌরনদী উপজেলা পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউএনও খালেদা নাছরিন বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে নকল করতে না দেয়ায় বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছে। নকলমুক্ত পরীক্ষা নিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

sajib5.jpg

প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার নাম সজীব হোসেন। শুক্রবার (৮ ফেব্রুয়ারি) র‌্যাব-১ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিবছর পিএসসি, জেএসসি, এসএসসিসহ বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সুকৌশলে ফাঁস করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়া হত।  এই সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের ধরতে র‌্যাব-১ বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারী চালাচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রের সদস্য অবস্থান করছে। এমন খবরে সেখানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সক্রিয় সদস্য সজীব হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তার কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। সেগুলো পরীক্ষা করে হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সজীব গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম কলেজ বিবিএস (১ম বর্ষ) ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সে টিউশন করত। ২০১৭ ও ২০১৮ সালে ফেসবুক আইডির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পরে। এভাবে সে মোটা অঙ্কের টাকা আয় করত।

জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা গেছে, প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সজীব ফেসবুকে পোষ্ট দিত। অনেক শিক্ষার্থী প্রলোভনে পড়ে প্রশ্নের আশায় বিকাশের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা পাঠাতো। কিন্তু সে বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কাটছাট করে প্রশ্নপত্র তৈরি করে তাদের দিত। এভাবে বিভিন্ন শিক্ষার্থীরদের কাছ থেকে সে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।