শিল্প সাহিত্য Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

gaan5.jpg

৫ ফেব্রুয়ারি চীনা নববর্ষ। এটি একটি চীনা উৎসব। ঐতিহ্যবাহী চীনা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী নতুন বছরের শুরুতে উদযাপন করা এই উৎসবটি।

এ উৎসব উপলক্ষে চীনের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বোনাস দিয়ে থাকে। তবে এবার চীনের একটি কোম্পানি কর্মীদের বোনাস দিতে ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটিয়েছে। দেশটির আসন্ন নববর্ষকে সামনে রেখে জিয়াংসি প্রদেশের নাংচাং শহরের এক ইস্পাত কোম্পানি নোটের পাহাড় বানিয়েছে।

কোম্পানিটি কর্মীদের বোনাস দিতে প্রায় ৩৭০ কোটি টাকা দিয়ে পাহাড়টি গড়েছে, যা কোম্পানির পাঁচ হাজার কর্মীকে দেয়া হচ্ছে। প্রতিটি ভাগ্যবান কর্মচারী গড়ে বছরের শেষ বোনাস হিসেবে পাচ্ছেন ৬০ হাজার ইউয়ান।

একজন কর্মচারী বলেন, ‘এত বড় বোনাস! আমি জানিই না পুরোটা খরচ করব কিভাবে?’

প্রসঙ্গত, চীনা প্রাচীন নববর্ষের এই উৎসব বসন্ত উৎসব নামেও পরিচিত।

tutekhm.jpg

মিসরের ফারাও তুতেনখামেন। তাকে নিয়ে রহস্যের অন্ত নেই। বিখ্যাত এই ফারাওয়ের মমি প্রায় ১০ বছর পর খুলে দেওয়া হলো দর্শকদের জন্য। তিন হাজারেরও বেশি বছর আগে এই বালক ফারাওয়ের মৃত্যু হয়েছিল।

১৯২২ সালে প্রথম বার ব্রিটেনের প্রত্নতত্ত্ববিদ হাওয়ার্ড কার্টার এই ফারাওয়ের মমিতে প্রবেশ করেছিলেন। সত্যিই কি ১৯২২ সালে ওই মমিটি উদ্ধারের পরে সেই খনন কার্যের সঙ্গে যুক্তদের রহস্যময় মৃত্যুর পিছনে ছিল অভিশাপ? এ নিয়ে নানা ব্যাখ্যা রয়েছে। লেখা হয়েছে বহু বই। কেবল অভিশাপই নয়, বালক রাজা তুতেনখামেনকে নিয়ে প্রত্নতত্ত্ববিদদের আগ্রহের শেষ নেই।

২০১১ সাল নাগাদ মিসরের প্রেসিডেন্ট হুসনি মোবারকের আমলে কাঠের ফ্লোর, বাতি, র‌্যাম্প, সমাধি সব বদল করা হয়েছিল। তার আগে থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বন্ধ ছিল এই সমাধিস্থল। এর ফলে তুতেনখামেনের সমাধিটি সরানো হয় আগের জায়গা থেকে। তারপর থেকেই আবার দর্শকদের জন্য সমাধিক্ষেত্র খুলে দেওয়ার কাজ চলছে। অন্যতম মূল্যবান এই সমাধি সরানোটাই মস্ত বড় কাজ ছিল। লস অ্যাঞ্জেলসের গেটি কনসার্ভেশন ইনস্টিটিউটের কমিউনিকেশনের কর্মকর্তা নেভিলে অ্যাগ্নিউ বলেন, ১২ জন ব্যক্তি মন্ত্র পড়তে পড়তে সমাধিটি সরাচ্ছিলেন। তারা বলছিলেন, সমাধি একটুও কাত হলেই নাকি অপমৃত্যু ঘটবে ওই কর্মীদের।

অ্যাগ্নিউ বলেন, জলীয় বাষ্পের সঙ্গে পর্যটকদের নিশ্বাস মিশে সমাধিক্ষেত্রের ক্ষতি হচ্ছিল। তাই যাতে সমাধিতে সতেজ হাওয়া প্রবেশ করতে পারে, হাওয়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

rabbg.gif

ভাস্কর মৃণাল হক ফাইবার গ্লাস দিয়ে এই ভাস্কর্যগুলো তৈরি করেছেন

লন্ডনের মাদাম তুসো বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ভ্রমণস্থান। এবার মাদাম তুসো জাদুঘরের অভিজ্ঞতা আপনি অর্জন করতে পারবেন ঢাকাতে বসেই। মাদাম তুসো জাদুঘরের মতো আপনি যদি আপনার প্রিয় তারকাকে দেখতে চান তাহলে আপনাকে যেতে হবে গুলশান ১-এর সেলিব্রেটি গ্যালারিতে। সেলিব্রেটি গ্যালারিতে বিগত ও বর্তমান সময়ের বিশ্বের নামীদামী ৩২ জন তারকার ভাস্কর্য্য দেখার সুযোগ মিলবে আপনার।

ভাস্কর্য্য নির্মাণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতিসম্পন্ন ভাস্কর মৃণাল হক ফাইবার গ্লাস দিয়ে এই ভাস্কর্যগুলো তৈরি করেছেন।

ভাস্কর মৃণাল হক বলেন, “এই গ্যালারিতে মোট ৪০ টি ভাস্কর্য্যের প্রদর্শনীর পরিকল্পনা রয়েছে আমার। এখনও পর্যন্ত আগত দর্শকদের কাছ থেকে বেশ ভাল সাড়া পেয়েছি। প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের মাঝে বেশ আলোড়ন তুলেছে সেলিব্রেটি গ্যালারি”।

“তবে প্রচারণার অভাবে এই গ্যালারি সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ এখনও জানেনা”, যোগ করেন তিনি।

প্রদর্শনীতে আসা এক দর্শক বলেন, “এখানে এসে আমরা বিশ্বখ্যাত তারকাদের ভাস্কর্য্য দেখার সুযোগ পাচ্ছি। ভাস্কর্য্যগুলো দারুণ! এটা অনেকটা লন্ডনের মাদাম তুসোর মতো”।

রাজধানীর গুলশান ১-এর ২ নম্বর রোডের একটি বাড়ির নীচতলায় প্রায় ১২ কাঠা জায়গার উপর গড়ে উঠেছে সেলেব্রেটি গ্যালারি। গত বছর ডিসেম্বরের ৭ তারিখে গ্যালারিটি তার যাত্রা শুরু করে।

গ্যালারিটিতে যে সব বিখ্যাত ব্যক্তিদের ভাস্কর্য্য রয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, মাদার তেরেসা, বিপ্লবী চে গুয়েভারা, কিং অব পপ মাইকেন জ্যাকসন, বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু, বিশ্বখ্যাত বৃটিশ অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন, ফুটবলের মহাতারকা আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ানের ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো, বলিউড তারকা শাহরুখ খান, প্রিন্সেস ডায়ানা, অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন, জ্যামাইকান র‍্যেগ্যে কালচারের জনক বব মারলে, জনপ্রিয় চরিত্র স্পাইডারম্যানসহ আরো অনেকে।

প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে গ্যালারিটি। তবে, প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে টিকেট চালু করার ব্যাপারে এখনও কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাই এখন বিনামূল্যেই নিজের প্রিয় তারকার ভাস্কর্য্য দেখা যাবে সেলেব্রেটি গ্যালারিতে।

bqz.jpg

‘অমলকান্তি’ কবিতার জন্য বিখ্যাত কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী (৯৪) আর নেই। মঙ্গলবার দুপুরে বাংলা ভাষার এ খ্যাতিমান কবি কলকাতার মুকুন্দপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন এ কবি।

জানা গেছে, সম্প্রতি নীরেন্দ্রনাথ দত্তের শরীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সোমবার সকালে তার হঠাৎ হার্টঅ্যাটাক হয়। সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেননি নীরেন্দ্রনাথ।

কলকাতা প্রতিনিধি জানান, কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোক প্রকাশ করেছেন কবি শঙ্খ ঘোষ। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় সন্ধ্যায়। এর আগে কলকাতা সময় বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তার মরদেহ রাখা হয় রবীন্দ্র সদনে। তারপর সেখান থেকে বাংলা আকাদেমি হয়ে বাঙুর অ্যাভিনিউয়ে বাড়ি হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় নিমতলা শ্মশানে।

১৯২৪ সালের ১৯ অক্টোবর অবিভক্ত ভারতের ফরিদপুরে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর জন্ম। ১৯৩০-এ কলকাতায় চলে আসেন। সেখানকার মিত্র ইন্সটিটিউশন, বঙ্গবাসী ও সেন্ট পলস কলেজে পড়াশোনা করেছেন। আনন্দবাজার পত্রিকায় ১৯৫১ সালে যোগ দেন।

একটা দীর্ঘ সময় তিনি ‘আনন্দমেলা’ পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। কবিতার পাশাপাশি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছিলেন ছড়াকার, প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, গদ্যকার, গোয়েন্দা-গল্পকার, শিশুসাহিত্যিক, ভ্রমণ-কাহিনীর লেখক, সম্পাদক ও বানান-বিশেষজ্ঞ।

১৯৫৪ সালে প্রকাশ পায় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘নীল নির্জন’। এরপর একে একে প্রকাশ পায় ‘অন্ধকার বারান্দা’, ‘নিরক্ত করবী’, ‘নক্ষত্র জয়ের জন্য’, ‘আজ সকালে’সহ অসংখ্য কবিতার বই। পেয়েছেন আনন্দ পুরস্কার, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার। ১৯৯০-এ বিশ্ব কবি সম্মেলনে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

একটা সময়ে ‘দেশ’ পত্রিকায় বেশ কিছু ছোটগল্প লিখেছেন। তার লেখা কবিতা ‘অমলকান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল…’ বা ‘রাজা তোর কাপড় কোথায়…’ এখনও সবার মুখে মুখে ফেরে।

mommzz.jpg

মিশরের প্রত্নতাত্ত্বিকরা রাজধানী কায়রোর কাছে পিরামিড কমপ্লেক্সে সাড়ে চার হাজার বছরেরও পুরনো সমাধি আবিষ্কার করেছেন।

শনিবার কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি একজন প্রধান পুরোহিতের সমাধি ছিল। দেশটির পুরাতত্ত্বমন্ত্রী খালেদ এল-ইনানি আমন্ত্রিত অতিথি ও সাংবাদিকদের মাঝে এই সমাধি আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।

‘এটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে সংরক্ষিত, রঙিন এবং ভেতরে ভাস্কর্য করা রয়েছে। সমাধিটি একজন উচ্চপদস্থ সরকারি যাজকের। সমাধির বয়স আনুমানিক ৪৪০০ বছরেরও বেশি,’ বলেন তিনি।

শনিবার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, মিশরীয় প্রত্নতাত্ত্বিকরা রাজধানী কায়রোয়ের দক্ষিণে সাককারা পিরামিড কমপ্লেক্সে এই প্রাচীন সমাধি আবিষ্কার করেছেন।

পুরাতত্ত্ব মন্ত্রণালয় জানায়, সমাধিটি ‘ওয়াহটি’ নামের একজন প্রধান যাজকের। রাজা নেফেরিরকারের পঞ্চম রাজবংশের রাজত্বকালে তিনি যাজকের কাজ করতেন।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, তার কবরটিতে তার মা, স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে এই যাজকের নানা দৃশ্য সজ্জিত রয়েছে। এই সমাধিতে তার পরিবারের সদস্যদের ২৪টি রঙিন মূর্তিও রয়েছে।

প্রত্নতাত্ত্বিক কর্মকর্তারা এপ্রিল মাসে খনন কাজ শুরু করার সময় ৬ হাজার বছরেরও বেশি প্রাচীন সমাধি এলাকায় আবিষ্কারের ঘোষণা করেন। আবিষ্কৃত সেই কবরের তিনটিতে বিড়ালের মমিও পাওয়া গেছে।

কায়রোর দক্ষিণে সাকাকার নেক্রোপোলিসে জনপ্রিয় জোসের পিরামিডও রয়েছে। এটি ৪ হাজার ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো স্মৃতিস্তম্ভ। ফ্যারাও জোসের প্রধান স্থপতি ইমোটেপ নির্মিত কবরটি মূলত ৬২ মিটার (২০৩ ফুট) লম্বা এবং বিশ্বের প্রাচীনতম প্রস্তর নির্মিত কাঠামো বলে মনে করা হয়।

y4grdf.jpg

দিল্লীর কালারার ফাউন্ডসন আয়োজিত শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে দি অ্যাসিভার বেস্ট অ্যাওয়ার্ডের পর এবার ভারতের অগ্নিপথ বর্ষসেরা অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাজশাহীর মেয়ে নার্গিস পারভিন সোমা। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুকুটে আরো একটি অ্যাওয়ার্ড যুক্ত হলো তার। নার্গিস সোমা রাজশাহী আর্ট কলেজের চারুকলার শিক্ষক এবং ষড়ং আর্ট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।

শনিবার (১৭ নভেম্বর) ভারতের দিল্লীর গান্ধি পিস মিলনায়তনে সোমার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার তুলে দেন অল ইন্ডিয়া ফাইন আর্ট এন্ড ক্যাফ্ট সোসাইটির (এআইএফএসিএস) চেয়ারম্যান পদ্মভূষণ শ্রী রাম ভি সুতার।

নারী জীবনকে ঘিরে রঙ তুলিতে আঁকা ‘ওম্যান লাইফ-১৫’ ছবির জন্য তিনি এই পুরস্কার অর্জন করেছেন। একই অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় বর্ষসেরা পুরস্কার অর্জন করেন ভারতের ভোপালের সোয়াতি জায়ান ও তৃতীয়টি অর্জন করেন চন্দিগড়ের ভারত বেদি বলে জানা গেছে। এর আগে গত ২২ অক্টোবর ভারতের দিল্লীর কালারার ফাউন্ডসন আয়োজিত শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে এবার দি অ্যাসিভার বেস্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন তিনি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক প্রদর্শনীতে বেস্ট নিরিখা পুরস্কার দিয়ে মূলত যাত্রা শুরু তার। দেশের বাইরে প্রথম জাপানে তারপর ইন্ডিয়ার বিভিন্নস্থানে যেমন কেরেলা, দিল্লী, আহমেদাবাদ, শিমলা, নেপাল, মুম্বাইয়ে নারীর জীবন সংগ্রামের ছবির উপর পুরস্কার পেয়েছেন সোমা। এ পর্যন্ত নারীর জীবন সংগ্রাম বিষয়ক ২৬টি ছবি একেছেন তিনি। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক একাধিক পুরস্কারও।

taaj-cover-20181124171545.jpg

আগ্রার তাজমহলের কথা সবাই জানি। মুঘল সম্রাট শাহজাহান ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তৈরি করেছিলেন এটি। তবে আজ যে তাজমহলের সন্ধান দেব, সেটি এক স্ত্রী তার স্বামীর জন্য তৈরি করেছেন। যদিও বিশ্বের সাতটি আশ্চর্যের একটি হলো তাজমহল। ফলে তা দেখতে স্বাভাবিক ভাবেই ভিড় জমান দেশি-বিদেশি পর্যটক। এই ভিড় লেগে থাকে সারা বছরই।

কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না যে, এই আগ্রাতেই রয়েছে আরও একটি তাজমহল। যা তাজমহলের শুভ্রতার কাছে হেরে গিয়েছে। তাই তার জনপ্রিয়তাও নেই। তবে এই তাজমহল নির্মাণ করা হয় লাল বেলেপাথর দিয়ে। তাই তার নাম ‘রেড তাজ’।

এছাড়া দুই তাজের আরও একটি পার্থক্য রয়েছে। তা হচ্ছে— প্রথম তাজমহল তৈরি করেছিলেন এক স্বামী, তার স্ত্রীর স্মৃতির উদ্দেশ্যে। অন্য দিকে, লাল রঙের এই তাজমহল তৈরি করেছেন এক স্ত্রী, তার মৃত স্বামীর স্মৃতির জন্য। রেড তাজকে অনেকে ‘জন হেসিং টুম্ব’ও বলেন।

taaj-in

জানা যায়, অ্যান হেসিংয়ের স্বামী জন হেসিং ছিলেন এক ডাচ পর্যটক। যিনি পরবর্তীকালে মারাঠার হয়ে ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন। দৌলতরাও সিন্ধিয়ার আদেশে তিনি আগ্রা ফোর্টের দায়িত্বে ছিলেন। দুর্গ বাঁচাতে গিয়ে ১৮০৩ সালে ইংরেজদের হাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

স্বামীর মৃত্যুতে খুবই ভেঙে পড়েন অ্যান হেসিং। পরে তিনি নির্মাণ করেন একটি স্মৃতিসৌধ। তবে আকারে বিখ্যাত তাজমহলের তুলনায় রেড তাজ খুব ছোট। তাদের মধ্যে মিল একটাই— দু’টি স্থাপত্যই প্রেমের প্রতীক।

humaun-ahmed2-20181113121048.jpg

নানা আয়োজনে মঙ্গলবার গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭০তম জন্মদিন পালন করা হয়েছে। রাত ১২টা ১ মিনিটে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন সকালে কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, পায়রা উড়িয়ে ও কেক কেটে পালন করা হয়েছে কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭০ তম জন্মদিন।

জন্মদিন পালন উপলক্ষে প্রথমে রাত ১২টা ১ মিনিটে পুরো নুহাশ পল্লীতে ২ হাজার ৫০০ মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে গাজীপুর হিমু পরিবহনের ২০ জন হিমু গাজীপুর শহর থেকে সাইকেল নিয়ে নুহাশ পল্লীতে আসেন। তারা হুমায়ূন আহমেদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান ।

নুহাশ পল্লীতে ভাস্কর আসাদ তার নিজের করা বেশ কিছু ভাষ্কর্য প্রদর্শন করেন। সকালে প্রয়াত হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, তাদের দুই ছেলে নিষাদ ও নিনিতসহ স্বজন এবং ভক্তদের নিয়ে নুহাশ পল্লীতে কেক কাটেন। এর আগে হুমায়ূন আহমেদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, কবর জিয়ারত ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

HUMAUN-AHMED1কবর জিয়ারত শেষে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সাংবাদিকদের বলেন, ‘হুমায়ূন আহমেদ আছে এ গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে। হুমায়ূন আহমেদের আলোতে গাজীপুর আলোকিত হয়ে আছে। এক অর্থে বাংলাদেশ আলোকিত হয়ে আছে।’

উল্লেখ্য- ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানার কুতুবপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন হুমায়ুন আহমেদ। তার ডাক নাম ছিল কাজল। বাবার রাখা তার প্রথম নাম শামসুর রহমান। পরে তিনিই আর ছেলে নাম বদলে রাখেন হুমায়ুন আহমেদ। দূরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগে ২০১২ সালের ১৯ জুলাই তিনি মৃত্যুবরন করেন। এরপর গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে তাকে সমাহিত করা হয়।

humaun-20181112204949.jpg

‘এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮’ পেলেন রিজিয়া রহমান এবং ফাতিমা রুমি। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য রিজিয়া রহমানকে এবং নবীন সাহিত্যশ্রেণিতে ফাতিমা রুমিকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

সোমবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে দুই লেখকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এক্সিম ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয় আপন দ্যুতিতে উদ্ভাসিত প্রয়াত কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমদ এর স্মরণে এবং এদেশের নবীন-প্রবীণ কথাসহিত্যিকদের শিল্পসৃষ্টিতে প্রেরণা যোগাতে ২০১৫ সাল থেকে প্রবর্তিত হয় ‘এক্সিম ব্যাংক-অন্যদিন হুমায়ূন আহমেদ সাহিত্য পুরস্কার’। দু’টি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

বিশেষ কোনো শিল্প সৃষ্টির মাধ্যমে কথাসাহিত্যে অবদান রাখার জন্য অথবা কথাসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য একটি পুরস্কার। যার অর্থমূল্য ৫ লাখ টাকা। অনূর্ধ্ব চল্লিশ বছর বয়সী লেখককে পূর্ববর্তী বছর প্রকাশিত তার নিদির্ষ্ট গ্রহ্নের জন্য আরেকটি পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। এর অর্থমূল্য ১ লাখ টাকা। কথাসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন রিজিয়া রহমান এবং অনূর্ধ্ব চল্লিশ বছর বয়সী লেখককের পুরস্কার পেয়েছেন ফাতিমা রুমি।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় অনেক পুরস্কার দেয়া হয়। কিন্তু যাকে দেয়া হয় তিনি তখন বেঁচেই থাকেন না। কিন্তু আজ যদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে তারা দুজনই স্বশরীরে উপস্থিত রয়েছেন। একজন বয়সে বৃদ্ধ হলেও লেখনিতে তরুণী। অন্যজন সবদিক দিয়েই তরুণী। তিনি পুরস্কার প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান।

হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যখন মারা যান তখন মনে হয়েছিল বড্ড দ্রুত আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তবে এখনো তিনি তার লেখনির মাধ্যমে আমাদের মধ্যে বেঁচে রয়েছেন।’

তিনি বলেন, হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যে একটা বিরাট পাঠক তৈরি করে গেছেন। তার সুফল আমরা এখনো ভোগ করছি। তিনি শুধু ভালো লেখকই ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন আধুনিক লেখকও।

dt008605.jpg

শাস্ত্রীয় সংগীতের মূর্ছনায় কত্থক নৃত্যের তালে শুরু হলো ঢাকা লিট ফেস্টের অষ্টম আসর। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আজ বৃহস্পতিবারসহ তিন দিন বইবে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় সাহিত্যের জোয়ার। সেই জোয়ারে গা ভাসাতে আসছেন ১৫ দেশের দুই শতাধিক সাহিত্যিক, অভিনেতা, রাজনীতিক, গবেষক এবং বাংলাদেশের প্রায় দেড়শ’ লেখক, অনুবাদক, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

তবে এই আনন্দ আয়োজন যেন ঘিরে ধরেছে শঙ্কার আবহ। সম্প্রতি পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে বাক স্বাধীনতার প্রশ্নে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এ আয়োজনের পরিচালকরা।

বৃহস্পতিবার ( ৮ নভেম্বর) বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ‘ঢাকা লিট ফেস্ট-২০১৮-এর অনাড়ম্বর সূচনা ঘোষণা করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা লিট ফেস্টের তিন পরিচালক কাজী আনিস আহমেদ, সাদাফ সায্ এবং আহসান আকবার।

কাজী আনিস আহমেদসংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, “স্পিকার, লেখক এবং বিদেশি অতিথিদের শুভেচ্ছা জানাই। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ একটি সাহিত্য উৎসবের আয়োজন করে বাংলা একাডেমি। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানালে তিনি অগ্রাহ্য করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিকদের এই মিলনমেলায় আমি কীভাবে যাই।’ এরপর স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ করলে তিনি একটি শর্ত দেন। তিনি বলেন, ‘সেখানে কবি জসিম উদ্দিন, চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদীন এবং প্রফেসর আব্দুল মতিন চৌধুরীকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে।’ বঙ্গবন্ধু ক্রিয়েটিভিটি এবং জ্ঞানের উপর বিশ্বাস করেন। ঠিক এমন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। তিনি সব সময় সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ঢাকা লিট ফেস্টের অংশ হতে পেরে গর্বিত। আমি ঢাকা লিট ফেস্টের সাফল্য কামনা করি।”
এরপর ফিতা কেটে আসরের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ঢাকা লিট ফেস্টের তিন পরিচালক, অভিনেত্রী নন্দিতা দাস এবং পুলিৎজার বিজয়ী লেখক এডাম জনসন সঙ্গে ছিলেন।

সাদাফ সায্ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক এবং বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের প্রকাশক কাজী আনিস আহমেদ বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করে বাক স্বাধীনতা হরণের একটি চেষ্টা করা হচ্ছে। ঢাকা লিট ফেস্ট সব সময় মুক্ত চিন্তা এবং বাক স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। ঢাকা লিট ফেস্ট বরাবরই নারী, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং বাক স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলে। সংস্কৃতির প্রতি বাংলাদেশ সরকারের অগণিত সমর্থনের কারণে আমরা অষ্টমবারের মতো এই আয়োজন করতে পারছি। ঢাকা লিট ফেস্টের কেউ কথা বলতে বাধার সম্মুখীন হয় না। এটা একটি মুক্ত জায়গা, খোলামেলা আলোচনা করার জন্য।’ এসময় তিনি ঢাকা লিট ফেস্টকে পৃষ্ঠপোষকতা করার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।

ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক সাদাফ সায্ বলেন, ‘২০১১ সাল থেকে আমরা বিশ্বের নামিদামি শিল্পীদের বাংলাদেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এই বছর ৯০টিরও বেশি সেশন নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের আয়োজন। যেখানে বিশ্বের সব জায়গায় মুক্ত চিন্তার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে, সেখানে এরকম আয়োজন করতে গেলে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এ ধরনের আয়োজনে আমরা যেসব বিষয়ে সরাসরি আলোচনা করবো তা বিশ্বের কোথাও হয়তো একত্রে করা সম্ভব নয়। নারী ইস্যু, হ্যাশ ট্যাগ মি টু, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ নানা বিষয়ে আলোচনায় উঠে আসবে বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা। ঢাকা লিট ফেস্টের ধারণাটি অনেক শক্তিশালী বলে আমি মনে করি। আমরা যা বলতে চাই, তা বলে যাওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।’

আহসান আকবারঢাকা লিট ফেস্টের অপর পরিচালক আহসান আকবার বলেন, ‘ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক আহসান আকবার বলেন, সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই এ বছরের আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য। অনেকেই দ্বিতীয়বারের মতো আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তাদেরও ধন্যবাদ জানাই। পুলিৎজার, অস্কার, কমনওয়েলথের মতো নামিদামি পুরস্কার বিজয়ীরা এবার এসেছেন, যাদের নাম নিয়ে আমি শেষ করতে পারবো না। বাংলাদেশকে বিশ্বের সাহিত্যের বাজারে নিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’
উল্লেখ্য, এবারের লিট ফেস্টে আলোচনা, পারফরমেন্স চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ নানা আয়োজনে শতাধিক সেশন থাকছে। আরও আছে আনপ্লাগড মিউজিক কনসার্ট। সম্ভাব্য সেশনের আনুষ্ঠানিক তালিকা ইতোমধ্যেই লিট ফেস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। www.dhakalitfest.com-এ পাওয়া যাবে প্রোগ্রাম তালিকা।

এবার লিট ফেস্টে বাংলাদেশের সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে থাকছেন ভারতীয় লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। বাংলা ভাষার লেখকদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা অতুলনীয়। ঢাকা লিট ফেস্টের শেষ দিনে তিনি যোগ দেবেন এই আয়োজনে, কথা বলবেন বাংলাদেশের সাহিত্যপ্রেমীদের সঙ্গে।

কত্থক নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরাবিদেশি অতিথিদের মধ্যে এবার অংশ নেবেন পুলিৎজারজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অ্যাডাম জনসন, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ হানিফ, ব্রিটিশ উপন্যাসিক ফিলিপ হেনশের, বুকার বিজয়ী ব্রিটিশ উপন্যাসিক জেমস মিক, ভারতীয় জনপ্রিয় লেখিকা জয়শ্রী মিশরা, লন্ডন ন্যাশনাল একাডেমি অব রাইটিংয়ের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক রিচার্ড বেয়ার্ড, ভারতীয় লেখিকা হিমাঞ্জলি শংকর, শিশুতোষ লেখিকা মিতালি বোস পারকিন্স, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এশিয়ার প্রধান হুগো রেস্টল, মার্কিন সাংবাদিক প্যাট্রিক উইন, লেখক ও সাংবাদিক নিশিদ হাজারি।

দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা লিট ফেস্টে আসছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী টিলডা সুইন্টন। এবারও আসছেন তিনি নিজের লেখালেখি নিয়ে কথা বলতে। তারকাদের তালিকায় এবার যুক্ত হচ্ছেন বলিউড কাঁপানো অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা। লিট ফেস্টে তিনি আসছেন নিজের আত্মজীবনী নিয়ে কথা বলতে। আসছেন অভিনেত্রী ও অ্যাক্টিভিস্ট নন্দিতা দাস। কথা বলবেন তিনি নারী অধিকার, অভিনয় জীবন ও বহুল আলোচিত হ্যাশট্যাগ মি টু আন্দোলন নিয়ে।

বাংলাদেশের প্রায় দেড়শ’ লেখক, অনুবাদক, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ এ আয়োজনে যোগ দেবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ড. আনিসুজ্জামান, আফসান চৌধুরী, আসাদুজ্জামান নূর, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, কামাল চৌধুরী, আসাদ চৌধুরী, ফখরুল আলম, ইমদাদুল হক মিলন, মঈনুল আহসান সাবের, আলী যাকের, সেলিনা হোসেন, শামসুজ্জামান খান, আনিসুল হক, কায়সার হক, খাদেমুল ইসলাম, অমিতাভ রেজা, মুন্নী সাহা, শাহনাজ মুন্নী ও নবনীতা চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

বাংলাদেশের সাহিত্য জগতে স্বনামধন্য ‘জেমকন সাহিত্য পুরস্কার’ লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার ঘোষণা করা হবে। একই দিনে লঞ্চ করা হবে ক্যামব্রিজ শর্ট স্টোরি প্রাইজ।

তিন দিনের এই সাহিত্য উৎসব চলবে আগামী শনিবার ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা একাডেমির আয়োজনে এই উৎসব পরিচালনা করছেন কথাসাহিত্যিক এবং বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউনের প্রকাশক কাজী আনিস আহমেদ, কবি সাদাফ সায্ সিদ্দিকী ও কবি আহসান আকবার। ঢাকা লিট ফেস্টের টাইটেল স্পন্সর হিসেবে থাকছে বাংলা ট্রিবিউন ও ঢাকা ট্রিবিউন, কি-স্পন্সর হিসেবে থাকছে ব্র্যাক ব্যাংক। গোল্ড স্পন্সর এনার্জিস, স্ট্রাটেজিক পার্টনার ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং পুরো আয়োজন ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে যাত্রিক।

ঢাকা লিট ফেস্টে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন চলছে এই ঠিকানায়- https://www.dhakalitfest.com/register/ । উৎসবের শেষ দিন পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন চলবে।