শিক্ষা ও প্রযুক্তি Archives - Page 3 of 7 - Dhaka Today

whatsapp.jpg

হোয়াটসঅ্যাপ, একটি বহুল ব্যবহৃত সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন, যা অন্যান্য সোশ্যাল সাইট ফেসবুক, হাইক, উইচ্যাট, লাইন ইত্যাদির মত আমাদের মুগ্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এই হোয়াটসঅ্যাপে কাউকে ভুল করে মেসেজ করে ফেললে অনেক সময় বিপাকে পড়তে হয়।

‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ অপশন দিয়ে মেসেজ ডিলিটও করা গেলেও শেষ রক্ষা হয় না। কেননা, ৭ মিনিটের বেশি হয়ে গেলে মেসেজ ডিলিট করা যায় না! তবে এবার সেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। সময়সীমা বাড়ছে মেসেজ ডিলিট করার ক্ষেত্রে।

একটি টেকনোলজি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপের ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’ ফিচারটি গত বছর নভেম্বর মাসে প্রকাশ্যে আসে। লঞ্চ হওয়ার পরেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই ফিচারটি। কাউকে ভুল করে মেসেজ পাঠালে, প্রেরক চাইলে ৭ মিনিটের মধ্যে মেসেজ ডিলিট করতে পারবেন। কিন্তু এই সময় খুবই অল্প বলে অভিযোগ জানাচ্ছিলেন গ্রাহকরা। এবার গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখেই সেই ফিচারে বদল আনল হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

ওই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার থেকে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট ১৬ সেকেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মেসেজ পাঠানোর পরেও ডিলিট করতে হাতে ঘণ্টা খানেক সময় পাওয়া যাবে।

প্রসঙ্গত, এই সপ্তাহেই ‘ফরওয়ার্ড মেসেজিং’ ফিচার এনেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। চ্যাটের মেসেজ যদি অন্য কাউকে ফরওয়ার্ড করা হয় তাহলে এই ফিচারটির মাধ্যমে সহজেই তা বোঝা যাবে।
তবে এখনই ‘ডিলিট ফর এভরিওয়ান’  ফিচারের নতুন সুবিধা পাবেন না সবাই। জানা গিয়েছে, আপাতত কেবল হোয়াটসঅ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড বিটা ভার্সনেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

kubi.jpg

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এসময় জালিয়াতির অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১৫টি কেন্দ্রে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাযায়, ‘বি’ ইউনিটের নির্ধারিত সবগুলো কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ কেন্দ্রে ৫০১ নং কক্ষে প্রক্সি পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে দায়িত্বরত শিক্ষক মিনহাজ নামে একজনকে আটক করে। একই অভিযোগে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্র থেকে মো. মিজানুর রহমান নামে আরেকজনকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এই বিষয়ে প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন বলেন, দুইজন শিক্ষার্থীর উত্তরপত্রে ঘষামাজার অভিযোগে তাদেরকে আটক করা হয়েছে, তাদের পুলিশে সোর্পদের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটে (কলা, সামাজিক বিজ্ঞান ও আইন অনুষদ) আটটি বিভাগের অধিনে ৪৫০ টি আসনের বিপরীতে ২৪ হাজার ২৩২ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। ‘বি’ ইউনিটে একটি আসনের বিপরীতে ৫৪ জন ভর্তিচ্ছু ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য, আগামী ১০ নভেম্বর (শনিবার) সকাল ১০টায় ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা এবং বিকাল ৩টা থেকে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

hawkif.jpg

বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের দুটি জিনিসের প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। একটি তার পিএইচডি থিসিস। অন্যটি তার ব্যবহৃত হুইলচেয়ার। পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর এ চেয়ারেই তার বেশি সময় কেটেছে।

এ দুটি জিনিসের নিলাম হয়ে গেল। হকিংয়ের পিএইচডি ডিগ্রির গবেষণাপত্রের পাণ্ডুলিপিটি বিক্রি হয়েছে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকায়। আর হুইলচেয়ারটি বিক্রি হয়েছে তিন কোটি ৩১ লাখ টাকায়।

নিলামে বৃহস্পতিবার দুটি জিনিস বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে নিলামকারী কর্তৃপক্ষ ক্রিস্টি।

হকিংয়ের হুইলচেয়ার ও থিসিস বিক্রির অর্থ দুটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দেয়া হবে। যার একটি স্টিফেন হকিং ফাউন্ডেশন ও অন্যটি মোটর নিউরন ডিজিসেস অ্যাসোসিয়েশন।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায়, জগতসেরা এ পদার্থবিদ মোটর নিউরন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্যারালাইজড হওয়ার পর যে মোটরচালিত হুইলচেয়ারে রাখা হয়েছিল, অনলাইনভিত্তিক এই নিলামে তার দাম ওঠে দুই লাখ ৯৬ হাজার ৭৫০ পাউন্ড, যার ভিত্তিমূল্য রাখা হয়েছিল ১৫ হাজার পাউন্ড।

বিশ্বখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬৫ সালে করা ‘প্রপার্টিজ অব এক্সপেন্ডিং ইউনিভার্স’ শিরোনামের থিসিস পেপারটি তার ভিত্তিমূল্যের চেয়ে তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। অনলাইন নিলামে এর দাম উঠেছে পাঁচ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫০ পাউন্ড।

গত ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ নিলামে সব মিলিয়ে স্টিফেন হকিংয়ের ২২টি সামগ্রী তোলা হয়। এসবের মধ্যে রয়েছে ‘সিম্পসন’ (এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটির একটি পরিচ্ছেদ), সাড়াজাগানো গবেষণাপত্র ‘স্পেকট্রাম অব ওয়ার্মহোলস’ ও ‘ফান্ডামেন্টাল ব্রেকডাউন অব ফিজিকস ইন গ্র্যাভিটেশনাল কোলাপ্স’-এর পাণ্ডুলিপি।

চলতি বছরের মার্চে ৭৬ বছর বয়সে মারা যান স্টিফেন হকিং। মহাকাশের রহস্য, কৃষ্ণগহ্বর, সৃষ্টির রহস্যের সন্ধানের জন্য বিশ্বে পরিচিতি পান হকিং।

মাত্র ২২ বছর বয়সে মস্তিষ্কের জটিল রোগ মোটর নিউরন ডিজিসে আক্রান্ত হওয়ায় হুইলচেয়ারটিই ছিল তার নিত্যসঙ্গী। এ হুইলচেয়ারে বসেই মহাকাশের রহস্যের সমাধানে ব্যস্ত থেকেছেন তিনি।

hoverbike-20181108205721.jpg

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে শিগগিরই নামছে উড়ন্ত মোটরসাইকেল। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক স্টার্টঅাপ হোভারবাইকের টেক এক্সপো জিটেক্সে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হওয়ার এক বছরের মধ্যে দুবাই পুলিশে যুক্ত হচ্ছে উড়ন্ত এই মোটরসাইকেল।

গত বছর ক্যালিফোর্নিয়ায় টেক এক্সপো জিটেক্সে সবুজ এবং সাদা রঙের বিলাসবহুল এই মোটরসাইকেলের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। তবে এবার মার্কিন এই কোম্পানি নতুন অারো একটি উড়ন্ত মোটরসাইকেল আনছে। নতুন এই মোটরসাইকেল ইলেক্ট্রিক উপায়ে হঠাৎ চলন্ত অবস্থা থেকে আকাশে উড্ডয়ন এবং পরে অবতরণ করতে পারবে।

hoverbike

স্টার্টঅাপ হোভারবাইকের সঙ্গে গত বছর দুবাই পুলিশের এক চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী এ বছর প্রথম ধাপে এস৩ ২০১৯ মডেলের হোভারবাইক মোটরসাইকেল ইতোমধ্যে দুবাই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে ক্যালিফোর্নিয়ার এই কোম্পানি। এছাড়া ইতোমধ্যে নতুন ধরনের এই মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রেনিংও শুরু করেছে দুবাই পুলিশ।

দুবাই পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার খালিদ নাসের আল রাজুকি বলেছেন, নতুন এই বাইকে করে প্রত্যন্ত এবং দূর্গম এলাকায় পৌঁছানো সহজ হবে। তবে প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ২০২০ সালের মধ্যে দুবাই পুলিশ পুরোদমে নতুন এই মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

hoverbike

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সম্প্রতি আমরা দুজন কর্মীকে (হোভারবাইকের চালক) প্রশিক্ষণ দিয়েছি এবং এ সংখ্যা আমরা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি করবো। হোভারের প্রধান অপারেটিং কর্মকর্তা জোসেফ সেগুরা-কন বলেন, যোগ্যরাই এ মোটরসাইকেল চালাতে পারবেন। এই চালকদের ড্রোন পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

গত মাসে অনলাইনে এক ভিডিওতে দেখা যায়, আমিরাত পুলিশের এক সদস্য নতুন এই হোভারবাইক পরিচালনা শিখছেন। দুবাই পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী আগামী আরো হোভারবাইক সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেগুরা কন।

hoverbike

তবে পুলিশ ছাড়াও সাধারণ মানুষও এই হোভারবাইক কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে প্রত্যেক বাইকের জন্য গুণতে হবে দেড় লাখ ডলার; যা বাংলাদেশি প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ ৭৫ হাজার ১০০ টাকা।

সাধারণ মানুষ এই বাইক কেনার সুযোগ পেলেও সতর্ক করে দিয়ে সেগুরা-কন বলেছেন, নতুন প্রযুক্তির এ বাইক পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে তাদের।

hridoy-1-20181108200842.jpg

মায়ের কোলে চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত `খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া হৃদয় সরকারকে অবশেষে ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমিটির সভায় সেরিবাল পালসিতে আক্রান্ত হৃদয় সরকারের ভর্তির বিষয়ে আপত্তি তুলে নেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়।

যদিও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দেয়নি কর্তৃপক্ষ। কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং থেকে লিখিত কাগজপত্র আসলেই এ বিষয়ে কথা বলা যাবে। তবে রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের একাধিক সূত্র হৃদয় সরকারের ভর্তিতে ডিনস কমিটির সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। তারা বলেন, কাগজপত্র তৈরি করা হচ্ছে। সেগুলো অনুষদের পাঠালে হৃদয় সরকারের ভর্তিতে কোনো বাধা থাকবে না।

এর আগে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৩ হাজার ৭৪০তম পজিশনে উত্তীর্ণ হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী হৃদয় সরকারের প্রতিবন্ধী কোটা ব্যবহারের বাধা ছিল। অবশেষে তার জন্য শর্ত শিথিল করেছে কর্তৃপক্ষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি পরীক্ষায় কেবল বাক, শ্রবণ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায় ভর্তির সুযোগ পাবে।

madrass.jpg

মহানগরে এক কিলোমিটার, পৌরসভায় দেড় এবং মফস্বলে দুই কিলোমিটারের মধ্যে একটির বেশি মাদরাসা থাকলে তা একীভূত করতে হবে। বাজেটের ভারসাম্যের প্রতি খেয়াল রেখে মাদরাসাগুলোতে পর্যায়ক্রমে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে, তাদের দিতে হবে প্রশিক্ষণ। এছাড়া কোটায় প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।

এই চার শর্তে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা স্থাপন, স্বীকৃতি, পরিচালনা, জনবল কাঠামো ও বেতন-ভাতাদি সংক্রান্ত নীতিমালায় সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার ওই নীতিমালা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বেড়ে যাবে। প্রধান শিক্ষকদের সম্মানী বর্তমানের তুলনায় ২৪০ শতাংশ এবং সহকারী শিক্ষকদের ২১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

বর্তমানে প্রধান শিক্ষকরা ২৫শ’ আর সহকারী শিক্ষকরা ২৩শ’ টাকা করে সম্মানি পাচ্ছেন।

বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে তিন হাজার ৪৩৩টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা আছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার ২৪৩ শিক্ষক কর্মরত।

প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা পাঁচ লক্ষাধিক। ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুযায়ী, শিক্ষার অন্যান্য ধারার সঙ্গে সমন্বয় রেখে ইবতেদায়ী পর্যায়েও বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ স্টাডিজ, আইসিটির মতো বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়গুলো পড়ানো হচ্ছে।

দেখা গেছে, দেশে দুই ধরনের ইবতেদায়ী মাদরাসা আছে। একটি দাখিল বা এর উচ্চতর মাদরাসার সঙ্গে সংযুক্ত, আরেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো স্বতন্ত্র। বর্তমানে এমপিওভুক্ত সংযুক্ত ইবতেদায়ী মাদরাসার শিক্ষকরা নির্ধারিত হারে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। এসব মাদরাসার প্রধান শিক্ষকরা মাসে ১০ হাজার ৩৮৮ টাকা এবং সহকারী শিক্ষকরা মাসে নয় হাজার ৯৮৮ টাকা হারে বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন।

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, মাদরাসা স্থাপনে অনুমোদন দেয়ার কাজ করবে মাদরাসা বোর্ড। তবে যেকোনো অনুমোদন দেয়ার আগে বোর্ডকে সরকারের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। ব্যক্তির নামে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা যাবে। কিন্তু যুদ্ধাপরাধী বা মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত কোনো ব্যক্তির নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা যাবে না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড অনুমোদিত সিলেবাস বা পাঠ্যপুস্তকে পাঠদান করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা মেনে শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি সহশিক্ষাক্রম কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। মহানগর, পৌর ও শহর এলাকার মাদরাসায় কমপক্ষে ২০০ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। এর মধ্যে প্রতি শ্রেণিতে কমপক্ষে ২০ শিক্ষার্থী বাধ্যতামূলক।

মফস্বলের প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম ১৫০ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। সেখানে ক্লাসপ্রতি ১৫ জন থাকতে হবে। তবে দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন এলাকার জন্য এ শর্ত শিথিল। ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষায় মহানগর/পৌর/শহর এলাকার প্রতিষ্ঠান থেকে ন্যূনতম ২০ শিক্ষার্থীকে অংশ নিতে হবে। তাদের মধ্যে ১৫ জনকে পাস করতে হবে। গ্রাম এলাকায় সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে ১৫ শিক্ষার্থীকে। তাদের মধ্যে ১০ জনকে পাস করতে হবে।

প্রতিষ্ঠান স্থাপনের আগে মাদরাসার নামে জমি রেজিস্ট্রি করতে হবে। এরপর জমির সেই দলিলসহ মাদরাসা স্থাপনের জন্য আবেদন করতে হবে। বছরের প্রথম তিন মাস কেবল আবেদন নেয়া হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের নামে স্থায়ী আমানত হিসাবে ব্যাংকে ২০ হাজার টাকার গচ্ছিত থাকার প্রমাণপত্র দিতে হবে।

প্রস্তাবিত মাদরাসার নামে মফস্বল এলাকায় শূন্য দশমিক ৩৩ একর জমি থাকতে হবে। শহর বা পৌর এলাকায় শূন্য দশমিক ২০ একর এবং মহানগর এলাকায় শূন্য দশমিক ১০ একর জমি থাকতে হবে। মাদরাসার নামে রেজিস্ট্রি করা জমির নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের হালনাগাদ দাখিলা থাকতে হবে।

নীতিমালায় মাদরাসা ভবনের ব্যাপারে আটটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে- ন্যূনপক্ষে টিনের বেড়াসহ টিনশেড ঘর থাকতে হবে। শিক্ষকের বসার জন্য একটি কক্ষ এবং পাচঁটি শ্রেণিকক্ষ থাকতে হবে। শ্রেণিকক্ষের আয়তন হবে মফস্বলে দেড় হাজার এবং মহানগর/পৌর/শহর এলাকায় দুই হাজার বর্গফুটের। শিক্ষকের কক্ষের আয়তন হবে দেড়শ’ বর্গফুটের। বসার জন্য পর্যাপ্ত আসবাবপত্র, মানসম্মত টয়লেট, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলে পর্যায়ক্রমে সংযোগ নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য খেলার মাঠ ও পাঠাগার থাকতে হবে।

tv-anc.jpg

বিশ্ব প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপককে দেখা গেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া তাদের টেলিভিশন চ্যানেলের মাধ্যমে ‘এআই নিউজ রিডারের’ পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

স্যুট টাই পরা ওই সংবাদ উপস্থাপককে দেখলে কেউ মনে করতে পারবেন না তিনি ‘মানুষ’ নাকি এআই নির্ভর রোবট।শুধু কথা বলার ধরন যদি রোবটের মতো না হতো তাহলে বোঝার কোন উপায় ছিল না।

সিনহুয়ার পরিচয় করিয়ে দেয়া ওই সংবাদ উপস্থাপক, সাবলীলভাবে টেক্সট পড়তে পারে যা দেখে পেশাদার সংবাদ কর্মী বলেই মনে হয়। প্রথমবারের মতো টেলিভিশনের পর্দায় এসে ইংরেজিতে ওই সংবাদ উপস্থাপক বলে, হ্যালো, আপনারা এখন ইংরেজি খবর দেখছেন।

সিস্টেমটি উন্নয়নে চীনের সগু নামের একটি সার্চ ইঞ্জিন কাজ করেছে বলে জানা গেছে। ওই উপস্থাপক সংবাদ পাঠের শুরুতেই জানায়, আমি আপনাদের অবহিত করতে চাই যে, আমি এই সিস্টেমে নির্বিঘ্নভাবে যে টেক্সট দেওয়া হলে তা পড়তে সক্ষম। এর মাধ্যমে আমি আপনাদের একটি নতুন অভিজ্ঞতা দিতে পারবো বলে বিশ্বাস করি।

অন্যদিকে একই সংবাদের চীনা সংস্করণটি পড়ে আরেক এআই সংবাদ উপস্থাপক।

সিনহুয়া বলছে, এই সংবাদ উপস্থাপক কোন ধরনের বিরতি ছাড়াই সপ্তাহের প্রতিটি দিন, প্রতি ঘণ্টাই কাজ করতে পারবে। ফলে টেলিভিশনের একটা বড় ধরনের ব্যয় সাশ্রয় হবে। যে কোন ব্রেকিং নিউজের ক্ষেত্রে এআই সংবাদ উপস্থাপক ভালো করবে বলেও জানায় সংস্থাটি।

তাদের ভাষ্য, শুধু লিখে দিলেই এআই উপস্থাপক তা পড়ে যেতে পারবে। তাই সময় বাঁচবে। আর তাহাহুড়োয় ভুল হবার আশঙ্কা একেবারেই থাকবে না।

foreign-student-20181107121248.jpg

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা নিতে আসা বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ২০১৭ সালে বিগত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে ৩৫টি বেসরকারি বিদ্যালয়ে প্রায় দুই হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী পড়তে আসেন। একই বছরে ৩৭টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ বিদেশি শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করেন। ২০১৬ সালে সরকারি ও বেসরকারি উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২৮২ জন। সেই হিসাবে এক বছরে ১৫৬ জন শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ৪৪তম বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অন্যান্য দেশের তুলনায় কম খরচ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কম হওয়ার কারণেই বিদেশি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে ঝুঁকছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৩৮ জন। যার মধ্যে ছিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৯৭৭ জন ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৬১ জন। ২০১৬ সালে এ সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২৮২ জন। তার মধ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৯২৭ ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫৫ জন অধ্যায়ন করেন। সে হিসাবে গত এক বছরে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫৬ জন শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, অন্যান্য দেশের তুলনায় কম খরচ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্পন্ন শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কম হওয়ার বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আমাদের দেশে আসছে। তাই আমরা এই বিষয়টিতে অতিমাত্রায় মনোযোগ দিচ্ছি, যাতে বিদেশিরা সহজেই আমাদের দেশে পড়তে পারে।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, অন্যান্য দেশে যে সকল সুযোগ-সুবিধা দিয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে, আমাদের বাজেট কম হওয়ায় তা করা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের যতটুকু রয়েছে, ততটুকুই নিবেদন করে বিদেশি শিক্ষার্থী বাড়ানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

দেশি ও বিদেশি শিক্ষার্থীর আগমনে এক ধরনের মিথস্ক্রিয়া সৃষ্টি হয়ে শিক্ষার গুণগতমান পরখ করার সুযোগ আসে মন্তব্য করে উপাচার্য বলেন, ‘সহজে যেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা সকল তথ্য-সহায়তা পায় সেজন্য ঢাবির প্রশাসনিক ভবনে একটি ডেস্ক খোলা হয়েছে। নতুন করে বিদেশি মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও আবাসন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

ইউজিসির প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, বিশ্বের ৩৫টি দেশের শিক্ষার্থীদের পদচারণা রয়েছে এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। উন্নত এবং উন্নয়নশীল সব দেশের শিক্ষার্থীরাই প্রতিনিধিত্ব করছেন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয়।

উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য যেসব দেশের বিদেশি শিক্ষার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে সে দেশগুলো হলো কানাডা, চীন, জর্ডান, অস্ট্রেলিয়া, মালি, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেন, ফিলিস্তিন, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, কোরিয়া, তুরস্ক, উগান্ডা, সিয়েরালিওন, মালয়েশিয়া, সোমালিয়া, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, বাহরাইন, ঘানা, জাম্বিয়া, জিবুতি, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইংল্যান্ড, ইতালি এবং ইরান। বাংলাদেশের ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩২টিতে এসব দেশের বিদেশি শিক্ষার্থীরা অধ্যয়নরত ছিল।

বিদেশি শিক্ষার্থী প্রসঙ্গে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোফিজুর রহমান বলেন, ‘বিদেশি শিক্ষার্থী বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয়ের মধ্যে বৈশিক যোগাযোগ, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এতে করে মাল্টিকালচার চর্চা হয়। তবে বর্তমানে যে পরিমাণে শিক্ষার্থী আসছে তা পর্যাপ্ত নয়। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে এটি আরও বৃদ্ধি করতে হবে।’

বর্তমানে আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশে বেশি শিক্ষার্থী পড়তে আসছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের পার্শবর্তী দেশ নেপাল, ভুটান ও ভারত থেকে আরও বেশি শিক্ষার্থী আনতে হলে সেসব দেশে শিক্ষামেলা ও প্রচার-প্রচারণা বাড়ানের প্রয়োজন রয়েছে। তাদের জন্য হোস্টেল সুবিধা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিদেশি শিক্ষার্থী বেশি আসলে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যায়গুলো এগিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

গত আট বছরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থী পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি ও হ্রাস পেয়েছে। তার মধ্যে ২০১০ সালে ছিল ৩৫৯ জন, ২০১১ সালে ২১০, ২০১২ সালে ৫২৫, ২০১৩ সালে ৩২৬, ২০১৪ সালে ৪৩২, ২০১৫ সালে ৫৯৩, ২০১৬ সালে ৩৫৫ এবং ২০১৭ সালে ৪৬১ জন। সেই হিসাবে তুলনামূলকভাবে ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যা বিদেশি ছাত্রছাত্রীরা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বলেন, ‘অন্যান্য বছরের চাইতে ২০১৭ সালে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম, তুলনামূলক কম শিক্ষা খরচ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সহজতর ভর্তি প্রক্রিয়ার কারণে বিদেশি শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশমুখী হচ্ছে। তবে আমাদের দেশে যতজন এসেছে তার চাইতে ১০ গুণ শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করা সম্ভব হবে।’

তিনি বলেন, বিশেষ করে আমাদের উত্তরাঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামে উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিকীকরণ করছে। বিদেশ থেকে যাতে শিক্ষার্থী পড়তে আসে, এজন্য নানামুখী উদ্যোগ নিচ্ছে। শিক্ষার্থী টানতে প্রতিবছর এসব দেশ থেকে প্রতিনিধি এসে উচ্চশিক্ষা ফেয়ার করছে। শুধু মালায়েশিয়ায় বাংলাদেশি ৩০ হাজার শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। তাদের কাছে বাৎসরিক এক বিলিয়ন ডলার আয় করছে দেশটি। অথচ আমরা সেখান থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছি।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৭ সালে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন সংখ্যা ছিল দেড় লাখের বেশি। এর বিপরীতে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল ১ হাজার ১৯ হাজার ৭৩৫ জন। অর্থাৎ মোট আসন সংখ্যার মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার আসন ফাঁকা থাকছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। ফাঁকা আসনগুলো বিদেশি শিক্ষার্থীর মাধ্যমে পূরণ করা গেলে তা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে অভিমত দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।

আবদুল মান্নান বলেন, আমাদের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে কিন্তু তা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারছি না। উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশ একটি ভালো স্থান। এটিকে যদি আমরা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারি হবে তবে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়বে।

বিদেশি শিক্ষার্থী বৃদ্ধিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি থেকেও বড় ভূমিকা রাখতে হবে উল্লেখ করে ইউজিসি চেয়ারম্যান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষা ফেয়ারে অংশগ্রহণসহ প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থী বাড়ানো সম্ভব। এতে শুধু আর্থিক লাভবান নয়, বিশ্বের দরবারে দেশের সুনাম বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।

আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানে আমাদের চাইতে কম খরচে বিদেশি শিক্ষার্থীরা নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে। তা রেখে কেন আমাদের দেশে আসবে-এমন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, আমাদের কোনো উদ্যোগ ছাড়াই বিদেশি শিক্ষার্থী বাড়ছে। তাই এটিকে ধরে রাখতে নানামুখী উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

medical-20180901041306.jpg

২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে বেসরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ফরম বিতরণ ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। চলবে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত। স্বাস্থ্য অধিদফতরের (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখা) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ২৫ নভেম্বর প্রাপ্ত সকল আবেদনের কোটাভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। ২ ডিসেম্বর থেকে ছাত্রছাত্রী ভর্তি শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

আব্দুর রশিদ আরও জানান, সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েও ১০ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে।

ভর্তি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদেরকে আবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইন আবেদনের স্টুডেন্ট কপি, অনলাইনে ডাউনলোড করা প্রবেশপত্র, এসএসসি ও এইচএসসি কিংবা সমমানের পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টের মূলকপি, এসএসসি ও এইচএসসি কিংবা সমমানের পরীক্ষার সনদপত্র/ প্রশংসাপত্রের মূলকপি, নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য সিটি কর্পোরেশনের মেয়র/ পৌরসভার চেয়ারম্যান/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদের মূলকপি, সদ্যতোলা চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, পার্বত্য জেলার উপজাতির ক্ষেত্রে সার্কেল চিফ কিংবা জেলা প্রশাসকের সনদ ও অ-উপজাতীয়দের ক্ষেত্রে সার্কেল চিফ বা জেলা প্রশাসকের সনদ ও অন্যান্য জেলার উপজাতি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে গোত্র প্রধান বা জেলা প্রশাসকের সনদ জমা দিতে হবে। ও-লেভেল ও এ-লেভেল বা সমমানের মার্কশিট স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে স্বীকৃত হতে হবে।

dt008612.jpg

অবশেষে স্যামসাং দেখাল তাদের ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোন। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্যামসাং ডেভেলপার্স কনফারেন্সে (এসডিসি ২০১৮) ইনফিনিটি ফ্লেক্স ডিসপ্লেযুক্ত নতুন স্মার্টফোনটি প্রদর্শন করেছে স্যামসাং। এ স্মার্টফোন ঘিরে প্রযুক্তি বিশ্বে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন ছিল।

গতকাল বুধবার অনুষ্ঠানে স্যামসাংয়ের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে ওয়ান ইউআই নামে নতুন ইন্টারফেস ডিজাইনের ঘোষণাও দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। এতে স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও স্বস্তিদায়ক হবে বলে জানিয়েছে তারা। এতে এক হাতে স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে সহজে।

স্যামসাং জানিয়েছে, তাদের প্রথম প্রজন্মের ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করার সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোনে ইনফিনিটি ফ্লেক্স ডিসপ্লে ব্যবহৃত হবে। এ ছাড়া ডেভেলপারদের জন্য বিক্সবি ভার্চ্যুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট উন্মুক্ত করছে স্যামসাং। এতে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট, অ্যাপলের সিরি, আমাজনের অ্যালেক্সা ও মাইক্রোসফটের করটানার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে ব্রিক্সবি।

স্যামসাং জানিয়েছে, ভাঁজ করা স্মার্টফোনটি ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। আবার ভাঁজ করে পকেটেও রাখা যাবে। এর আকার হবে ৭ দশমিক ৩ ইঞ্চি। অবশ্য স্যামসাং যে ডিভাইসটি দেখিয়েছে, সেটি চূড়ান্ত নয়। পরে এটি আরও উন্নত করে বাজারে ছাড়বে প্রতিষ্ঠানটি।

স্যামসাংয়ের মোবাইল প্রোডাক্ট মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ডেনিসন বলেন, ‘চমৎকার একটি ডিভাইস দেখাতে যাচ্ছি, যা ভাঁজ করে রাখা যায়। এতে একটি কভার ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ফোন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে, আবার ৭ দশমিক ৩ ইঞ্চি মাপের ট্যাবলেট ডিসপ্লে হিসেবেও কাজ করবে।’

মাল্টি–অ্যাকটিভ উইন্ডো থাকায় এতে এতে তিনটি অ্যাপ একসঙ্গে চলবে। ডেনিসন বলেন, কয়েক মাসের মধ্যেই তারা ইনফিনিটি ফ্লেক্স ডিসপ্লে ব্যাপক আকারে উৎপাদন শুরু করবে।

নতুন স্মার্টফোন কবে নাগাদ বাজারে আসবে, সে বিষয়ে অবশ্য এখনই কিছু বলেননি তিনি।

গুগল অবশ্য নতুন ধরনের এ ডিভাইস সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে। তারা নতুন প্রযুক্তির ফোন বাজারে আনতে স্যামসাংয়ের সঙ্গে কাজ করছে।

ভাঁজ করার ফোনের বাজারে আসতে স্যামসাংয়ের পাশাপাশি অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো চেষ্টা চালাচ্ছে। আগামী বছর হুয়াওয়ে ভাঁজ করা ফোন বাজারে আনতে পারে। লেনোভো, শাওমি ও এলজি এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter