শিক্ষা ও প্রযুক্তি Archives - Page 5 of 6 - Dhaka Today

andrpid.jpg

তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ডিলিট হয়ে যাওয়া ডেটা রিকভারির পদ্ধতি সম্পর্কে। প্রথমেই জেনে নেই মেমোরি কার্ড থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভার করার নিয়ম।

গুগল প্লে-স্টোর থেকে পছন্দমতো ‍‘ফাইল রিকভারী সফটওয়্যার’ ডাউনলোড করে নিন। এর মধ্যে ‘রেকুভা’ (Recuva) সফটওয়্যার বেশ পরিচিত।

প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো আগে অন্য কোথাও কপি বা ব্যাক‌আপ করে রাখুন। যাতে রিকভারের সময় ভুলবশত সব ফাইল ডিলেট হয়ে না যায়।

ব্যাকআপ নেওয়া হয়ে গেলে (Recuva) সফটওয়্যার ওপেন করে মেনু থেকে SD Card সিলেক্ট করুন।

এখানে ডিলেট হওয়া ফাইলগুলোর একটি তালিকা আসবে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল বা ছবিগুলো রিকভার করা শুরু করুন।

এ বার জেনে নেওয়া যাক ফোন মেমোরি থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভার করার পদ্ধতি। ফোন মেমোরি থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভার করার নিয়ম:

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরি থেকে ছবি বা ভিডিও ডিলেট হলে তা রিকভার করা বেশ সমস্যার। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পারে ‘ডিস্ক ডিগার অ্যাপ’ (Disk Digger App)।

• শুরুতেই গুগল প্লে-স্টোর থেকে Disk Digger App ইনস্টল করে নিন।

• অ্যাপসটি ব্যবহার করার আগে একটা জরুরি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখুন, এটা শুধুমাত্র রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ক্ষেত্রেই কাজ করবে।

• অ্যান্ড্রয়েড ফোন রুট করার নিয়ম বা পদ্ধতি গুগল থেকে জেনে নিতে পারেন।

• যাদের ফোন ইতিমধ্যেই রুট করা আছে, তারা প্রথমেই ডিলেট হওয়া ফোল্ডারগুলো বেছে নিন।

• ফাইল টাইপ (যেমন, JPG, PNG, 3gp বা Mp4) সিলেক্ট করুন।

• ফাইল টাইপ সিলেক্ট করা হয়ে গেলে সেভ বাটনে ক্লিক করা ফাইলগুলো তৎক্ষণাত রিকভার করে ফেলতে পারবেন।

উল্লেখ্য, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে যখন কোনও ফাইল ডিলেট হয়, তখন সিস্টেমে শুধু তথ্যগুলো মুছে যায়। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই ফাইল স্পেসে অন্যকিছু ওভাররাইট হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনা থাকে। তাই ডিলেট হওয়া ফাইল উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ফোনে বড় আকারের ফাইল সেভ করা ও কোন প্রকার সিস্টেম আপডেট নেওয়া থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন।

google4.jpg

শত শত কর্মী এক অভূতপূর্ব কর্মবিরতিতে যোগ দিয়েছেন বিশ্বজুড়ে গুগলের অফিসগুলোতে। তারা গুগলে নারী কর্মীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ এখন যে পদ্ধতিতে মিটমাট করা হয়, তার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

বিষয়টি সমর্থন করেন গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মনে যে ক্ষোভ এবং হতাশা কাজ করছে, আমি সেটা বুঝতে পারি। যে সমস্যাটা আমাদের সমাজে বহু বছর ধরে বিরাজ করছে, তার বিরুদ্ধে অগ্রগতির ক্ষেত্রে আমি পুরোপুরি অঙ্গীকারবদ্ধ।’

গুগলের কর্মীরা তাদের কাজ ফেলে অফিস থেকে বেরিয়ে আসেন, তারা তাদের ডেস্কে একটি নোট লিখে রেখে যান। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি আমার ডেস্কে নেই, কারণ আমি অন্য গুগল কর্মী এবং কন্ট্রাক্টরদের সঙ্গে মিলে যৌন হয়রানি, অসদাচরণ, স্বচ্ছতার অভাব ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নিতে অফিস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছি।’

গুগল কর্মীরা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কাছে যেসব দাবি জানাচ্ছেন তার মধ্যে আছে:

১. গুগলের বর্তমান বা ভবিষ্যত কর্মীদের বেলায় হয়রানি বা বৈষম্যের অভিযোগ উঠলে তা সালিশের মাধ্যমে নিস্পত্তির বাধ্যবাধকতা তুলে দেয়া।

২. বেতন এবং সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্রে বৈষম্য বিলোপের অঙ্গীকার

৩. যৌন হয়রানির বিষয়ে রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ

৪. যৌন অসদাচরণের অভিযোগ যেন নিরাপদে এবং অজ্ঞাতনামা হিসেবে দায়ের করা যায়, তার ব্যবস্থা করা

গুগলে এই ব্যাপক ক্ষোভ-প্রতিবাদের সূচনা হয় এক উচ্চপদস্থ নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যান্ডি রুবিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগকে ঘিরে।

অ্যান্ডি রুবিন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছেন। তিনি সম্প্রতি গুগলের চাকুরি ছেড়ে দেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ থাকার পরও তাকে চাকুরি ছাড়ার সময় মোট নয় কোটি ডলার দেয়া হয়েছিল।

গত সপ্তাহে এই পুরো বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পর কোম্পানির কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

একই ধরণের অভিযোগ উঠেছে গুগলের এক্স রিসার্চ ল্যাবের আরেক নির্বাহীর বিরুদ্ধেও। তিনিও কোম্পানি থেকে পদত্যাগ করেছেন।

primary-education-20180917211305.jpg

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৯ থেকে ২৬ অক্টোম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যেই মৌখিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বারের চেয়ে ২০১৮ সালের এই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে রেকর্ডসংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে ২৪ লাখ ৫টি আবেদন জমা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৩৩৫টি, রাজশাহী বিভাগে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯২৫টি, খুলনা বিভাগে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৭৩০টি, বরিশাল বিভাগে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৭টি, সিলেট বিভাগে ১ লাখ ২০ হাজার ৬২৩টি, রংপুর বিভাগে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৩৬৮টি এবং ময়মনসিংহ বিভাগ থেকে ২ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি আবেদন জমা হয়েছে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞাপ্তি প্রকাশ করা হয়। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসনপ্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এএফএম মনজুর কাদির বলেন, ‘আগামী ১৯ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত একটি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পরীক্ষার দিন সময় নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অক্টোবর মাসে লিখিত পরীক্ষা আয়োজন করা হলে ডিসেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করা হবে বলেও পরিকল্পনরা রয়েছে।’ পাস করা যোগ্য প্রার্থীদের পরবর্তী বছরের শুরুতে নিয়োগ দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ওএমআর শিট পূরণের নির্দেশাবলি ও পরীক্ষা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

chadd.jpg

বিগ ফ্যালকন রকেটের (বিএফআর) মাধ্যমে চাঁদে পর্যটক পাঠানোর নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্স।

সংস্থাটি নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে জানিয়েছে, তারা তাদের বিএফআর মহাকাশযানের মাধ্যমে মানুষের চাঁদে ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রথম বেসরকারি উদ্যোক্তা হিসেবে অবদান রাখতে যাচ্ছে। যারা মহাকাশ ভ্রমণের স্বপ্ন দেখেন, তারা এতে ভ্রমণ করতে পারবেন।

ওই টুইটে গভীর মহাকাশে মানুষের ভ্রমণের উপযোগী করে এই মহাকাশযান তৈরি করা হচ্ছে বলে জানানো হলেও এই মহাকাশ যাত্রায় খরচের বিষয় কিছু জানানো হয়নি। এ ব্যাপারে আগামী সোমবার আরো জানানো হবে বলে ঘোষণা দেয় স্পেসএক্স।

এরআগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্পেসএক্স ঘোষণা দিয়েছিল ২০১৮ সালের শেষের দিকে প্রথম পর্যটকবাহী দুটি মহাকাশযান চাঁদে পাঠাবে। এই ঘোষণা তারই ফলোআপ বলেও জানানো হয়।

dul.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীন ‘গ’ ইউনিটের প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া পরীক্ষার্থীদের ফেলের হার ৯০ দশমিক ২ শতাংশ।২৫ হাজার ৯৫৮ জন পরীক্ষার্থী ভর্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে ফেল করেছে ২৩ হাজার ১০৮ জন পরীক্ষার্থী।
অন্যদিকে পাস করেছে ২ হাজার ৮৫০ জন পরীক্ষার্থী। যেখানে পাসের হার মাত্র ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

আজ সোমবার বেলা ১১টায় ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান প্রশাসনিক ভবনস্থ কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল প্রকাশ করেন।
‘গ’ ইউনিটের অধীনে আসন রয়েছে ১ হাজার ২৫০টি। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত পছন্দ তালিকা পূরণ করতে পারবেন পাসকৃত শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল এবং ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে admission.eis.du.ac.bd জানা যাবে। এছাড়া DU GA লিখে রোল নম্বর লিখে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS এ ভর্তিচ্ছুরা তার ফলাফল জানতে পারবেন।।

dul.jpg

আজ সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের ‘গ’ ইউনিটের সম্মান শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফল সোমবার সকাল ১১টায় প্রকাশ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে (কক্ষ নং-২১৪) ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এই ফল প্রকাশ করবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

bike5.jpg

চালকবিহীন গাড়ি নিয়ে সম্প্রতি সারা পৃথিবীতে বিস্তর গবেষণা চলছে। ইতোমধ্যে গবেষণায় সাফল্যও মিলেছে। এবার চালকবিহীন মোটরসাইকেল নিয়ে গবেষণা শুরু হলো। গবেষণার অগ্রপথিক বিএমডব্লিউ। প্রতিষ্ঠানটির মোটরসাইকেল ডিভিশন সম্প্রতি একটি চালকবিহীন মোটরসাইকেল তৈরি করেছে। এ নিয়ে বিএমডব্লিউ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সড়ক দিয়ে চালক ছাড়াই এগিয়ে চলেছে মোটরসাইকেলটি।

বিএমডব্লিউ’র এই চালকবিহীন মোটরসাইকেল প্রজেক্ট বর্তমানে কনসেপ্ট পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই বাইক ব্যস্ত সড়কে চলবে না। বরং উদ্ধার কাজে অংশ নেয়ার জন্য এই বাইক ব্যবহার করা হবে।

বাইকটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত। এতে রয়েছে বিশেষ সেন্সর এবং ক্যামেরা। এটি গন্তব্যে থেমে দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ট্যান্ডে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত:

dt44.jpg

একটা সময় ছিল যখন এইচএসসি কিংবা এ-লেভেল পাস করার আগে থেকেই সবাই ধরেই নিত জীবনের লক্ষ্য হবে চিকিৎসক কিংবা প্রকৌশলী। সবাই প্রশ্ন করত—কোথায় পড়বে? মেডিকেলে নাকি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে? শিক্ষার্থীরা যেকোনো একটিতে পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করত। কিন্তু সেই দিন এখন নেই। অনেকেই মুচকি হেসে উত্তর দেয় ‘না, কোনোটিতেই না।’

এ কথা সত্য, সামাজিক সম্মান আর আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনা করলে পুরো পৃথিবীতেই এই দুটি পেশা পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করে। কিন্তু এটাও বাস্তব, পৃথিবীতে এখন অনেক কিছুর নতুন নতুন চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে। এগিয়ে গেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। তৈরি হয়েছে যুগের প্রয়োজনে নতুন নতুন পেশা ও কর্মক্ষেত্র। এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় কর্মক্ষেত্রের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বেশ কিছু নতুন এবং এ সময়ের চাহিদাসম্পন্ন পেশা। গবেষণাধর্মী বা প্রযুক্তিনির্ভর অন্যান্য বিষয়ে পড়েই বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা এখন স্থান করে নিয়েছে অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ, হার্ভার্ড আর এমাইটির মতো জায়গায়। কাজ করছে গুগল, ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস ইউএসএ, গোল্ডম্যান স্যাচ, রয়্যাল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ডের মতো প্রতিষ্ঠানে।

এখন এসব কথার অবতারণা কেন? কারণ শুরু হয়ে গেছে ভর্তি পরীক্ষার মৌসুম। কেউ হয়ত বা সুযোগ পাবে পছন্দের প্রতিষ্ঠানে, কেউ পাবে না। যারা সুযোগ পাবে না তারা খুব মন খারাপ নিয়ে হয়ত দেখবে সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু বা বান্ধবী সুযোগ পেয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা মেডিকেলে। কেউ কটাক্ষ করতে পারে, প্রশ্ন তুলতে পারে মেধা নিয়ে, কেউ হয়ত বা রীতিমতো উপেক্ষা করবে। কিন্তু এখানেই কি জীবন ৩০ বছর আগের পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে? সেই উত্তর—না, এখন খোলা আছে অনেক পথ। সেই পথেই এগোবে তুমি।

বিশ্বাস করো, ঠিক পাঁচ বছর পর সবাই দেখবে তুমি কতটা যোগ্য হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছ, নিজের বিষয়ে তুমি কতটা দক্ষ, একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মতো কী কী গুণ তুমি অর্জন করেছ? তোমার পেশা আর প্রতিষ্ঠানের চেয়ে তোমার সৃজনশীল চিন্তা অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে।

প্রশ্ন আসতে পারে, কী কী বিষয় নিয়ে পড়তে পারি? গত ১০ বছরে কোন বিষয়গুলো খুব উদীয়মান এবং সম্ভাবনাময় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে? কেন তারা চিকিৎসক আর প্রকৌশলীদের মতোই সমানভাবে স্বীকৃত, সম্মানিত ও সচ্ছল? উত্তরটা হলো—পড়ার আছে অনেক কিছুই।

এই মুহূর্তে বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন ও গবেষণা খাতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ভেটেরিনারি ও কৃষি। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে পশুর স্বাস্থ্য, দুগ্ধশিল্প, গবাদিপশুর মাংসের বিশাল বাজার। ফলে ভেটেরিনারি বা পশুর স্বাস্থ্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আবার দেশের খাদ্যসংকট মোকাবিলা, নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবন, ফসলে রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা, এ রকম বিভিন্ন কারণে কৃষিক্ষেত্র প্রত্যেকটি দেশেই গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশে যেমন এই পেশাটি গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্কের মতো দেশগুলোতেও রয়েছে সম্ভাবনাময় চাকরি ও গবেষণা ক্ষেত্র। এ ক্ষেত্রে দেশে পড়ার সুযোগ রয়েছে বেশ কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বাংলাদেশে অফুরন্ত সম্ভাবনার আরেকটি ক্ষেত্র মৎস্যসম্পদ ও সামুদ্রিক বিজ্ঞান। মাছের জাত উন্নয়ন, বিষক্রিয়া প্রতিরোধ, সামুদ্রিক সম্পদ বিভিন্নভাবে কাজে লাগানো এ রকম অনেক কিছু নিয়েই আছে কর্মক্ষেত্র। মেরিন সায়েন্স ও ফিশারিজ তাই পড়াশোনার জন্য আরেকটি ভালো সুযোগ। ভেটেরিনারি, কৃষি ও ফিশারিজ—তিনটি বিষয়েই দেশের বাইরে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির জন্য রয়েছে অনেক শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ।
এ সময়ের অন্যতম চাহিদা হলো বস্ত্রশিল্প। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কৌশল জানতে হলে পড়তে পারো টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং। অন্যদিকে চামড়াশিল্প বিভিন্ন কারণে পৃথিবীতে সব সময়ই সমাদৃত। এর সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে পড়ার জন্য আছে লেদার টেকনোলজি।

একেবারেই নতুন ধারার প্রযুক্তি নিয়ে পড়তে চাইলে বেছে নিতে পারো অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং। চ্যালেঞ্জিং, বেতনের ক্ষেত্রেও রয়েছে সচ্ছলতা। ছোটবেলা থেকে যারা আকাশে ওড়ার স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়েছে তাদের জন্য আরেকটি সম্ভাবনাময় বিষয় হলো অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। রয়েছে ভ্রমণের সুযোগ, আবার অন্যদিকে বেশ সম্মানজনক বেতন।

প্রত্যেকটি দেশ এখন অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্ব দিচ্ছে উন্নয়ন নিয়ে গবেষণাকে। ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে এখন দেশে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়া যায়। এই বিষয় সংশ্লিষ্ট ভালো চাকরি ও গবেষণাক্ষেত্র তৈরি হয়েছে পাশ্চাত্যের দেশগুলোতেও। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মৌলিক বিষয় হলো অর্থনীতি। পৃথিবীতে চিরকালই গবেষণা, পড়াশোনা আর নীতিনির্ধারক পর্যায়ে অর্থনীতি একটি দরকারি বিষয়। পড়াশোনা করার জন্য আরেকটি আকর্ষণীয় বিষয় হলো গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা। দেশে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংখ্যা বেড়েছে, মানুষের কাছে তাৎক্ষণিক ও বিষয়ধর্মী সংবাদের গুরুত্ব বেড়েছে। তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন কাজ করার ক্ষেত্র।

দেশের অস্থিতিশীলতা দূরীকরণে এবং সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে আইনজীবীরা। আইন বিষয়ে পড়ার সুযোগ আছে অনেক প্রতিষ্ঠানেই। একদিকে যেমন আদালতে রয়েছে প্র্যাকটিস করার সুযোগ, অন্যদিকে রয়েছে শিক্ষকতার সম্ভাবনা, আরও রয়েছে লিগ্যাল অ্যাডভাইজার হিসেবে বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ।
যারা একটু ভিন্নধারার পড়াশোনা করতে চাও, আগ্রহ রয়েছে সৃষ্টিশীল কাজে কিংবা আঁকাআঁকি বা ডিজাইনিংয়ে। তারা ভেবে দেখতে পারো ফ্যাশন ডিজাইনিং বা অন্দরসজ্জা নিয়ে পড়ার কথা। দিন দিন বাড়ছে কাপড়ে বৈচিত্র্য ও নতুন ধারার সংযোজনের চাহিদা। একইভাবে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান বা নতুন বাড়িকে মানুষ সাজাতে চাইছে একটু নতুনত্ব দিয়ে।
ব্যবসা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ার জন্য রয়েছে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, ইনফরমেশন সিস্টেমস ম্যানেজমেন্ট। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কিংবা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে এসব বিষয়ের চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে।

যারা জীববিজ্ঞানে আগ্রহী তাদের জন্য রয়েছে একই সঙ্গে গবেষণা ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাজের সুযোগ। গত কয়েক বছরে ছাত্রদের পছন্দের তালিকায় ওপরের দিকে আছে ফার্মাসি। ওষুধশিল্পে দেশের ভালো অবস্থান, ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠানে কাজের সুযোগ, শিক্ষকতার সুযোগ এবং বাইরে পড়তে যাওয়ার সম্ভাবনা এই বিষয়ের জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে এমন পাঁচটি বিষয়ের নাম বলতে বললে তার মধ্যে একটি হবে বায়োটেকনোলজি। ডিএনএ, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্লোনিং, ড্রাগ ডিজাইনিংয়ের মতো আকর্ষণীয় বিষয়গুলো নিয়ে পড়তে চাইলে বায়োটেকনোলজি হতে পারে তোমার জন্য সবচেয়ে উপযোগী বিষয়। কাজের সুযোগ আছে আইসিডিডিআরবি, ডিএনএ ফরেনসিক ল্যাব, টিকা আর ইনসুলিন নিয়ে কাজ করা ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান এবং ক্যানসার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহে। একই রকমের পড়াশোনা আর সম্ভাবনা রয়েছে আরও দুটি বিষয়ে—মাইক্রোবায়োলজি ও প্রাণরসায়ন তথা বায়োকেমিস্ট্রি নিয়ে। এই তিনটি বিষয়ের মতো এত প্রচুরসংখ্যক আন্তর্জাতিক বৃত্তি খুব কম বিষয়েই দেওয়া হয়।

পৃথিবীতে দিন দিন খাদ্য নিয়ে সচেতনতা বেড়েই চলেছে, একই সঙ্গে বাড়ছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মানুষের সুষম খাদ্য নিয়ে পরামর্শকের প্রয়োজনীয়তা। ফুড সায়েন্স বা ডায়েটিক্স এখন খুবই সময়োপযোগী একটি বিষয়। চাকরি ক্ষেত্র রয়েছে বিভিন্ন হাসপাতাল, ইন্ডাস্ট্রি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে নানাবিধ হাড় কিংবা মজ্জাজনিত ব্যথা আর বার্ধক্যজনিত চলাফেরার সমস্যা। এসব সমাধানে বাড়ছে ফিজিওথেরাপিস্টের গুরুত্ব। পড়ার জন্য ফিজিওথেরাপি হতে পারে অন্যতম বিষয়।

যদি ভালোবাস উদ্ভিদ কিংবা পরিবেশ নিয়ে থাকে আগ্রহ, তাহলে বেছে নিতে পারো ফরেস্ট্রি অথবা এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স। পরিবেশ নিয়ে কাজ করে এমন অনেকগুলো দেশি ও বিদেশি সংস্থাতে রয়েছে কাজ করার সুযোগ, আছে পরিবেশ সংরক্ষণ নিয়ে উচ্চতর গবেষণার সুযোগ এবং বিদেশি বিভিন্ন প্রকল্পে নিজেকে যুক্ত করার সম্ভাবনা।

জনস্বাস্থ্য দিন দিন হচ্ছে হুমকির সম্মুখীন। স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা, সমাধানের উপায় খোঁজা এবং জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারণে সহায়তা করার কাজটিই করে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক পড়াশোনা। ‘পাবলিক হেলথ’ (জনস্বাস্থ্য) সে কারণে দিন দিন পরিণত হচ্ছে খুবই প্রয়োজনীয় ও আকর্ষণীয় একটি বিষয়ে।

দেশের বাইরে যারা পড়তে যেতে চাও তাদের মাথায় রাখতে হবে স্নাতক পর্যায়ে বিদেশে পড়াশোনা অনেক ব্যয়বহুল। কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে যেখানে সেট, টোফেল, আইইএলটিএস ও আগের পরীক্ষার ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভাবতে পারো যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোর কথা। তবে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অনেক বেশি বৃত্তির ব্যবস্থা থাকে। দেশের বাইরে পড়তে পার ন্যানো টেকনোলোজি, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, রোবোটিকস, বায়োমেডিসিনের মতো বিষয়গুলো।

মনে রাখতে হবে যেই বিষয়েই পড়ো না কেন, নিজের মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। চিকিৎসা বা প্রকৌশল বিদ্যায় না পড়েও আজকে সফল মানুষের কাতারে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, হুমায়ূন আহমেদ, আবেদ চৌধুরী, ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। বিভিন্ন সাম্প্রতিক বিষয়ে পড়ে পৃথিবীর সেরা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জায়গা করে নিয়েছে আমাদের শিক্ষার্থীরা। বায়োটেকনোলজি বিষয়ে পড়ে পরবর্তী সময় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। আবার বাণিজ্য কিংবা তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে এমআইটিতে পড়াশোনা করে মাইক্রোসফটে কাজ করছে অনেকে।
মোদ্দাকথা, আশা হারানোর কিছু নেই। নিজের ভালো লাগার বিষয়টি খুঁজে বের করো। যে বিষয়েই পড়ো না কেন তা নিয়ে গবেষণা করো, সাম্প্রতিক খবরগুলো নজরে রাখো। মনে রাখতে হবে তোমার সৃজনশীলতা দিয়ে তুমি অনেক দূর যেতে পারবে। লেগে থাকো, নিজের লক্ষ্যে অটুট থাকো।

dt43.jpg

প্রায় দুমাস ধরে চলা এইচএসসি পরীক্ষা সবেই শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হলেও এখন বিশ্রাম নেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। স্বপ্নচারী শিক্ষার্থীদের সামনে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধে জিততে তাঁদের নতুন রণকৌশল সাজাতে হবে। স্বপ্নের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে এখনই সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমই নিয়ে আসতে পারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

ভর্তিযুদ্ধের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে প্রথমেই দরকার একটি সুন্দর পরিকল্পনা। যথার্থ পরিকল্পনার অভাবে অনেকের ভালো প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও শেষমেশ হতাশ হতে হয়। কয়েকটি বিষয়ে ভর্তি-ইচ্ছুকদের লক্ষ রাখা জরুরি।

* যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী, প্রথমেই সেগুলোর একটি তালিকা করে ফেলা দরকার।

* প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় স্বতন্ত্র কিছু নিয়ম মেনে চলে। কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে প্রস্তুতি খানিকটা আলাদা হওয়া বাঞ্ছনীয়।

* ভর্তির ক্ষেত্রে নিজের আগ্রহকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত সবচেয়ে আগে। অনেককেই দেখা যায় নিজের ইচ্ছার চেয়ে বাবা-মা-আত্মীয়-স্বজনদের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেয়। মনের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিলে তাতে সাফল্য নাও আসতে পারে।

* বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দোটানায় ভোগেন। পরিবারের কেউ হয়তো তাঁকে ভবিষ্যতে চিকিৎসক হিসেবে দেখতে চান। কেউবা আবার ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতেও পড়ার সুযোগ থাকে। অনেককে দেখা যায় একই সঙ্গে একাধিক বিষয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিতে। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* আমাদের সামনে সব সময় একটি প্রশ্ন আসে—ভর্তির জন্য কোচিং করা উচিত কি না? এর উত্তর ‘হ্যাঁ’ ‘না’ উভয়ই হতে পারে। এটি মূলত নির্ভর করে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ওপর। গতানুগতিক পড়াশোনার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি আলাদা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কোচিং করে বা প্রাইভেট টিউটরদের কাছে পড়েন। অনেকে কোচিং না করেও ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পান। তবে সবচেয়ে বড় কথা, ভর্তি পরীক্ষায় সফল হতে একটি ভালো গাইডলাইন অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। তা না হলে প্রস্তুতিতে বড় রকমের ঘাটতি থেকে যায়।

* অনুকরণপ্রিয়তা একেবারেই পরিহার করতে হবে। বন্ধুরা সবাই এক জায়গায় কোচিং বা প্রাইভেট পড়ছে—এই যুক্তিতে তাঁদের সঙ্গে গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেওয়া মোটেই উচিত হবে না।

* নিজের সামর্থ্যের যাচাই করে লক্ষ্য ঠিক করা উচিত। লক্ষ্য অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজিয়ে অগ্রসর হলে সাফল্য অর্জনের পথ সহজ হয়।

* ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে অনেকে দূরদূরান্ত থেকে ঢাকায় এসে কোচিং করেন। তাঁরা বিভিন্ন মেসে ওঠেন। তাঁদের কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা উচিত। পরিবেশ ও নিরাপত্তা যাচাই করে মেসে ওঠা উচিত। সব সময় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। তা না হলে রোগে আক্রান্ত হয়ে স্বপ্ন ধূলিসাৎ হতে পারে। সদস্যরা সমমনা কি না, তা খোঁজ নিয়ে মেসে ওঠা উচিত।

ad342f360afb084e056d7f455e6977ce-5b5848ddc9709.jpg

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ১৮ নভেম্বর। শেষ হবে ২৬ নভেম্বর। আজ বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ পরীক্ষাসংক্রান্ত স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।

কর্মকর্তা বলেন, এবার সকাল সাড়ে ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার সময় আগের মতোই আড়াই ঘণ্টা। আগে পরীক্ষা শুরু হতো বেলা ১১টায়। এবার উত্তরপত্র মূল্যায়ন হবে একই উপজেলায়। আগে ভিন্ন উপজেলায় উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হতো। এবার থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। আগে এ সময় দেওয়া হতো ২০ মিনিট। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সভা হয়।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

CALL US ANYTIME


Newsletter