top5 Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

biri-mitrA.jpg

১৯৮২ ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা। স্বেচ্ছায় অবসর নেন ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর। এরপর উত্তর আমেরিকাই তার ঠিকানা।

কখনো নিউইয়র্কে কখনো টরন্টোতে থাকেন। পেনশনের টাকা উত্তোলনের আবেদনে নিজেকে অর্থকষ্টে থাকা গরীব অবসর প্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

অথচ তার স্ত্রী রাখি মিত্রের নামে নিউইয়র্কে তিনটি বাড়ী আর টরেন্টোতে দুটি বাড়ী রয়েছে। ২ মিলিয়ন ডলার নগদ পরিশোধ করে নিউইয়র্কের জ্যামাইকা এবং ফরেস্ট হিলে তিনটি বাড়ী কিনেছেন। কানাডার টরন্টোতে ৩ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার দিয়ে বাড়ী কিনেছেন দুটি।

নিউইয়র্কে নাসির আলী খান পলের কাছ থেকে প্রথম বাড়ীটি কেনেন ২০১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। ঐ বাড়ীর মূল্য ৭৬০,০০০ ডলার (বাংলাদেশী টাকায় ৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা) নগদে ক্রয় করেন। বাড়ীর ঠিকানা ৮৭-৩০ ১৬৯ স্ট্রিট কুইন্স।

দ্বিতীয় বাড়ী (৮৫-২৭, ১৬৮ প্লেস, জ্যামাইকা) কেনেন ঐ বছরের ডিসেম্বরে। ঐ বাড়ীর মুল্য ৭৮৫,০০০ ডলার। ঐ অর্থও নগদে পরিশোধ করা হয়। ১১৩-৮১ এভিনিউ কিউ গার্ডেনস ঠিকানার তৃতীয় বাড়ী কেনেন ২০১৮ সালের ১২ জুন। ইয়েলেনা সেডিনার কাছ থেকে ঐ বাড়ী কেনা হয় ৭ লাখ ৭৫ হাজার ডলারে।

২০১৭ এর নভেম্বরে অবসর গ্রহনের মাত্র দুমাসের মধ্যে কানাডার টরন্টোতে কেনেন ১৪ লাখ ডলার (কানাডিয়ান) দিয়ে একটি বাড়ী।

সর্বশেষ গত বছর টরেন্টোতেই ৯ লাখ কানাডিয়ান ডলার দিয়ে কিনেছেন আরো একটা বাড়ী। বিডি মিত্রের জন্মস্থান হবিগঞ্জ।

১৯৮৬ সালের ২৭ অক্টোবর তিনি সরকারী চাকরীতে যোগ দেন। ২০১২ সালে তদ্বির করে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ইকোনমিক মিনিষ্টার পদে নিয়োগ পান।

পরবর্তীতে দেশে এসে তিনি খাদ্য বিভাগে ভারপ্রাপ্ত সচিব হন। চাকরী জীবনে যেখানেই গেছেন সেখানেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এসেছে।

কিন্তু এসব অভিযোগের পরও তিনি সচিব পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়েছেন।

সরকারী হিসেব অনুযায়ী তার বিদেশে সম্পদের পরিমান প্রায় ২০০ কোটি টাকা।

বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৫০০ কোটি টাকারও বেশি তিনি বিদেশে পাচার করেছেন।

বিডি মিত্র অধিকাংশ সময়ে নিউইয়র্ক এবং টরন্টোতে থাকেন। তবে মাঝে মধ্যে দেশে থাকেন। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির মামলা নেই।

wakaruzzaman-1280x702.jpg

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সোমবার।

তার পূর্বসূরি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান ২৯ নভেম্বর অবসর গ্রহণ করেন।

একই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত নবনিযুক্ত পিএসও ওয়াকার-উজ-জামান’কে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধানের পক্ষে কিউএমজি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শামসুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মজিবুর রহমান।

এদিন সন্ধ্যায় নতুন প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার দায়িত্ব পালনের জন্য রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেশ ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যোগ দেয়ার আগে তিনি সেনা সদর দফতরে সামরিক সচিব (আর্মি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস শেরপুর জেলায়।

1e.jpg

ক্ষমতা ও দূর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ তৈরি ও বিদেশে রপ্তানিতে বাংলাদেশের আমলারা সিদ্ধহস্ত। আমলাদের সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এ এস এম আব্দুল হালিম কানাডায় বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির উপর মহলের সাথে ভালো সম্পর্কের পুরষ্কার পান তিনি।

নিয়োগ পান মন্ত্রী পরিষদ সচিব হিসাবে। তিনি ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসের ২৭ তারিখ নিয়োগ পান এবং ২০০৬ সালের আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত তিনি মন্ত্রী পরিষদের সচিবের দায়িত্বে ছিলেন।

তাকে এই পদে নিয়োগ দিতে তৎকালীন বিএনপি সরকার মন্ত্রী পরিষদ সচিব নিয়োগে জ্যেষ্ঠতার নীতিমালা ভঙ্গ করে।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএনপির আমলের দূর্নীতির যে উৎসব শুরু হয়েছিল, সেই দূর্নীতির টাকার একটি অংশ পেতেন এই মন্ত্রী পরিষদ সচিব।

দূর্নীতির টাকা কানাডায় পাচার করে তৈরি করেছেন বিপুল সম্পদ।

কানাডায় তার সম্পদের মধ্যে আছে বিলাসবহুল দুটো বাড়ি, একটি জ্বালানি পাম্প, একটি হোসিয়ারি ও একটি স্টেশনারি শপ।

তবে নিজেকে এসব থেকে ছোঁয়ার বাইরে রাখতে কোন সম্পদই নিজের নামে করেননি তিনি। সবই বানিয়েছেন আত্মীয় স্বজনদের নামে। আত্মীয় স্বজনরাই এসব দেখা শোনা করেন।

দায়িত্ব থেকে অবসরের পর বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হোন তিনি। তার স্ত্রী একজন আইনজীবী। আব্দুল হালিম থাকেন ইস্কাটনের একটি বাসায়।

২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচন করেন আব্দুল হালিম।

সূত্রঃ দেশেবিদেশে

taka23.jpg

বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত নিয়ে আসার ব্যাপারে তৎপর হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। আপাতত চিহ্নিত করতে চাইছে এই পাচারের সঙ্গে জড়িতদের। দেশে দেশে তথ্য সংগ্রহের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কাজে লাগানো হয়েছে। পরবর্তীতে অর্থ ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সহযোগিতায় কাজ করতে চায় দুদক।

প্রাথমিকভাবে গত ১২ বছরে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অন্তত ২৫ হাজার কোটি টাকা পাচার হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছে সংস্থাটি। যা পাঠানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, হংকং, অস্ট্রেলিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে।

জানা যায়, গত ২২ অক্টোবর ‘বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব থাকা বাংলাদেশিদের তালিকা প্রসঙ্গে’ শিরোনামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন দুদকের মানি লন্ডারিং বিভাগের মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ।

পাঠানো চিঠিতে বিনিয়োগকারী হিসেবে যেসব বাংলাদেশি নাগরিক পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের সম্পর্কে তথ্য বা তালিকা দূতাবাসের মাধ্যমে অথবা অন্য কোনো উপায়ে সংগ্রহের কথা বলা হয়।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের একাংশ এদেশ থেকে অর্থ পাচার করে বিদেশে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। বহুল আলোচিত পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারস ইত্যাদি কেলেঙ্কারিতে বিভিন্ন বাংলাদেশি নাগরিকের নামও উঠে এসেছে।

এ ধারা রোধ করা সম্ভব না হলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা ভবিষ্যতে থমকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশে অর্থ পাচারের মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণের প্রবণতা রোধ করা প্রয়োজন।

এ জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে পাচারকৃত সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই। এটি একদিকে অপরাধীদের সাজা নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে দেশীয় সম্পদ ফেরত আনার পাশাপাশি অন্যদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে, যা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবেও কাজ করবে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় অংশগ্রহণ ব্যতীত এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশে পাচারকৃত সম্পদ বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশিদের তথ্য কূটনৈতিক চ্যানেলে সংগ্রহ করে দুদকে সরবরাহ করলে কমিশন দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে উদ্যোগী হতে পারবে।

চিঠিতে বলা হয়, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে মিস-ইনভয়েসিং, হুন্ডি, বাল্ক ক্যাশ ট্রান্সফার ইত্যাদির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন দেশে পাচার হয়। এতে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার জন্য যে পরিমাণ দেশীয় বিনিয়োগ করা প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করতে হলে অর্থ পাচার রোধ করা একান্ত প্রয়োজন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিভিন্ন দেশের আইন অনুসারে সরকারিভাবে এসব তথ্য দেওয়ার সুযাগ অত্যন্ত ক্ষীণ। বেশির ভাগ দেশেই এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখার বিষয়টি আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তারপরও দুদকের চিঠির সূত্র ধরে কানাডা ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে কাজে লাগানো হয়েছে। এরই সূত্র ধরে অনানুষ্ঠানিক বিভিন্ন তথ্য আসতে শুরু করেছে। কানাডা প্রবাসীদের মাধ্যমে কিছু বাংলাদেশির যে তথ্য আসে তা-ই সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

২৮ বাংলাদেশির বিষয়ে পাওয়া তথ্যে সরকারি কর্মকর্তারাই বেশি বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানালে হাই কোর্টও এ তথ্য জানতে চায়। কিন্তু ভেরিফায়েড তথ্য না হওয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য প্রকাশ করতে রাজি নয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজ আরও চলবে। প্রয়োজনে অনানুষ্ঠানিকভাবে অন্যান্য দেশের তথ্যগুলোও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পাশাপাশি অর্থ পাচার রোধে সরকারের একাধিক সংস্থা কাজ করছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর সঙ্গে কাজ করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও। বাংলাদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার নজিরও রয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর পাচার করা অর্থ ফেরত এসেছে। ২০১২ ও ২০১৩ সালে তিন দফায় সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংকে থাকা ২১ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ফেরত আনা হয়েছে। তবে প্রক্রিয়া খুবই জটিল ও সময়সাপেক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) মার্চে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশ থেকে অস্বাভাবিক হারে টাকা পাচার বেড়েছে। ২০১৫ সালে ৯৮ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। এ পরিমাণ অর্থ দিয়ে চারটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব।

জিএফআইর তথ্য মতে, গত সাত বছরে বাংলাদেশ থেকে ৫ হাজার ২৭০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে। স্থানীয় মুদ্রায় যা সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা। এ ছাড়াও সুইস ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিএজে প্রকাশিত পানামা ও প্যারাডাইস পেপারসেও টাকা পাচারের তথ্য এসেছে।

এর মধ্যে মালয়েশিয়ার সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত দেশটির সেকেন্ড হোমে বাংলাদেশিরা সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। কানাডায় বাংলাদেশিরা বেগমপাড়া গড়ে তুলেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংস্থা ট্যাক্স জাস্টিস নেটওয়ার্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার কর ফাঁকি দিচ্ছে বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি ও ব্যক্তি। যা মোট কর রাজস্বের সাড়ে ৩ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়ের ৬২ শতাংশের সমান। এ টাকা কম করের বিভিন্ন দেশে পাচার করা হচ্ছে।

chilahati-haldibari-rail-route.jpg

চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশের চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি রুটে রেল যোগাযোগ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো মজবুত হবে বলেও জানান তিনি।

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পরিদর্শন করে তেঁতুলিয়া বেরং কমপ্লেক্সে বন্দর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সোমবার বিকেলে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হাইকমিশনারের কাছে এ সময় ব্যবসায়ী ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে তা সমাধানের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

মোহাম্মদ ইমরান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজ করছে। এই সম্পর্ক আমরা আরো এগিয়ে নিতে চাই চিলাহাটি ও হলদিবাড়ি রুটে রেল যোগাযোগ শুরুর মাধ্যমে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যকার এই সীমান্ত এলাকা দিয়ে যাতায়াত ও ব্যবসা বাণিজ্য চলমান রয়েছে।

সুতরাং সেখানে কী কী সমস্যা ও সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা দেখার জন্যই আমি এখানে এসেছি।

কারণ সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা জানা থাকলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সুবিধা হয়।

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ড. সাবিনা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আব্দুল মান্নান, ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আনিসুর রহমানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ি হয়ে এক সময় রেল যোগাযোগ ছিল।

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় সেটি বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারত সরকার তা পুনরায় নির্মাণ করে চালুর উদ্যোগ নেয়।

mukti90.jpg

মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সাক্ষর এবারের বিজয়ের মাস করোনা আবাহর মধ্যেও নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পালিত হবে।

বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে শ্রেষ্ট্রতম ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালি জাতির কয়েক হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্ন সাধ পূরন হয় এ মাসে।

বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় এ মাসের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়।

স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। অর্জন করে নিজস্ব ভূ-খন্ড। আর সবুজের বুকে লাল সূর্য খচিত নিজস্ব জাতীয় পতাকা।

ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে ঘোষিত স্বাধীনতা পূর্ণতা পায় এ দিনে।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্নপূরণ হবার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন আর মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এই অর্জন হওয়ায় বেদনাবিঁধূর এক শোকগাঁথার মাসও এই ডিসেম্বর।

এ মাসেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার-আলবদর আল শামসদের সহযোগিতায় দেশের মেধা, শ্রেষ্ঠ সন্তান-বুদ্ধিজীবী হত্যার নৃশংস হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। সমগ্র জাতিকে মেধাহীন করে দেয়ার এধরনের ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের দ্বিতীয় কোন নজীর বিশ্বে নেই।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর জল,স্থল আর আকাশপথে সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরাজয়ের খবর চারদিক থেকে ভেসে আসতে থাকে।

এ বছরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

যেখান থেকে ৭ মার্চ স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম,’ বলে স্বাধীনতার ডাক দেন, সেখানেই পরাজয়ের দলিলে স্বাক্ষর করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। আর জাতি অর্জন করে হাজার বছরের স্বপ্নের স্বাধীনতা।

’৭১ এর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী জল্লাদ বাহিনী নিরস্ত্র জনগণের উপর অতর্কিতে সশস্ত্র আক্রমণ চালিয়ে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করে নির¯্র বাঙালির ওপর এক অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাক বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হবার আগে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

২৫ মার্চ রাতেই রাজারবাগ পুলিশ লাইনে সশস্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র জনযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ এবং ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর জাতির চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শাহজাহান খান এমপির নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্য পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা ঐক্যজোট, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংগ্রাম পরিষদসহ বিভিন্ন মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন আগামীকাল সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে শিখা চিরন্তন চত্ত্বরে সমাবেশ, শ্রদ্ধা নিবেদন ও শপথ গ্রহণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এদিনই সকাল ১০ টায় সেগুনবাগিচাস্থ স্বাধীনতা ভবনে সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ বরাবরের মতই মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করবে।

এ উপলক্ষে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটি মঙ্গলবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।

এছাড়াও জাসদ ঢাকা মহানগর পশ্চিম কমিটি সকাল ৮ টায় মিরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবরস্থানের বাইরের চত্বরে আলোচনা সভার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

nixon3.jpg

মাঠে নামলে রাস্তায় দাঁড়ানোর সুযোগ পাবেন না বলে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারী মামুনুল হককে সতর্ক করেছেন যুবলীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলমের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। কোন দেশের টাকা খেয়ে মাঠে নেমেছেন তা জানা আছে বলেও মন্তব্য করেন নিক্সন চৌধুরী।

তিনি বলেন, মামুনুল হক কাকে চ্যালেঞ্জ করে? শেখ হাসিনাকে? ওই বেটা কি পাগল? শেখ হাসিনা তো অনেক ওপরের বিষয়।

সারা বাংলাদেশের যুবলীগের সঙ্গে লড়াই করে দেখেন। খেলা হবে। যুবলীগকে মোকাবিলা করার এক মিনিটের ক্ষমতাও আপনার নাই।

তিনি আরও বলেন, কোন দেশের টাকা খেয়ে হঠাৎ করে চাঙা হয়েছেন? দালালি ছেড়ে দেন। এটা স্বাধীন বাংলাদেশ।

খেলা হবে। আমাদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত কলিজা। যুবলীগ মাঠে নামলে এক সেকেন্ডও দাঁড়াতে পারবেন না।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ নভেম্বর ঢাকার গেণ্ডারিয়ার ধূপখোলার মাঠে ‘তৌহিদী জনতা ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে এক সমাবেশ থেকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করা হয়।

একই দিনে রাজধানীর বিএমএ অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে শানে রিসালাত কনফারেন্সে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মামুনুল হকও প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরোধিতা করেন।

এছাড়া এক মাহফিলে হেফাজতে ইসলামের আমির জুনাইদ বাবুনগরী হুমকি দেন, যে কোনো দল ভাস্কর্য বসালে তা ‘টেনে হিঁচড়ে ফেলে দেওয়া’ হবে।

হেফাজতের হুমকির মুখে পাল্টা সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠন যুবলীগসহ  বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে।

bcs1-md-20190328171118.jpg

৪২তম ও ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (৩০ নভেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে এ দুই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

পিএসসি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

৪২তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে অনলাইন আবেদন শুরু হবে।

চলবে ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। প্রার্থীরা পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আবেদনের ফি জমা দিতে পারবেন।

এ বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হবে। এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে। এই বিসিএসের বয়সসীমা ২১ থেকে ৩২ বছর।

এদিকে ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮১৪ জন কর্মকর্তা নেয়া হবে।

এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫ জন, শিক্ষা ক্যাডারের জন্য ৮৪৩ জন, অডিটে ৩৫ জন, তথ্যে ২২ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন ও সমবায়ে ১৯ জন নিয়োগ দেয়া হবে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে ৪৩তম বিসিএসের অনলাইন আবেদন শুরু হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা।

এর আগে ৩৯তম বিসিএসে (বিশেষ) ২০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে পাঁচ হাজারের মতো চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

corona24.jpg

করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে চব্বিশ ঘণ্টায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৫ হাজার ৩৭২টি নমুনা পরীক্ষা করে এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫২৫ জন; যা তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

দেশে গত মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর সোমবার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬ হাজার ৬৪৪ জনে।

এর আগে গত ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা এক দিনের সর্বোচ্চ শনাক্ত।

আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬ হাজার ৪৯৩২ জন হল।

গত এক দিনে আরও ২ হাজার ৫৩৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন; তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৮০ হাজার ৭১১ জন হয়েছে।

দেশের সবশেষ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ। এর ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বিশ্বে শনাক্তের দিক থেকে ২৫তম স্থানে আছে বাংলাদেশ, আর মৃতের সংখ্যায় রয়েছে ৩৩তম অবস্থানে।

interpol.jpg

লিবিয়ায় মানবপাচার মামলায় পালিয়ে থাকা বাংলাদেশের ছয় আসামির সন্ধান চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অনুরোধে ইন্টারপোল এই পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটির মিডিয়া উইং সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

পলাতক ছয় আসামি হলেন ইকবাল জাফর, তানজিরুল, স্বপন, শাহাদাত হোসেন, নজরুল ইসলাম মোল্লা ও মিন্টু মিয়া।

ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাচার, আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় এবং হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

পাচারকারীরা বাংলাদেশের ৩৮ জনকে ইউরোপে ভালো চাকরির লোভ দেখান। লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির ১৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের একটি এলাকায় তাদের পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতনের ভিডিও বাংলাদেশে থাকা পরিবারেরগুলোর কাছে পাঠান।

এর পর এক পাচারকারীকে হত্যার ঘটনায় অন্য পাচারকারীরা বাংলাদেশিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। এতে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হন। আহত হন ১১ জন।