top5 Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

favvee.jpg

বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে আবারও কয়েকজন ব্যবহারকারীর তথ্য দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ১৫টি পাতা-একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক।

এর আগে গত বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে মোট ১৪৯টি অনুরোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মোট ১৯৫টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা ব্যবহারকারীর তথ্য চাওয়া হয়েছিল।

ফেসবুকের সর্বশেষ ‘ট্রান্সপারেন্সি রিপোর্ট’ এ বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারকে এরি মধ্যে ৪৪ শতাংশ তথ্য দিয়েছে।

এর মধ্যে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ১৯টি অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়েছিল সরকার। আর ১৩০টি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে ছিল ‘জরুরি’ অনুরোধ।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাওয়া অনুরোধের ১৬ শতাংশ তথ্য তারা সরকারকে সরবরাহ করেছে। আর সরকারের জরুরি অনুরোধের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ তথ্য দিয়েছে।

বরাবরের মতই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের এই প্রতিবেদনে কোন দেশের সরকার কতগুলো কী ধরনের তথ্য চেয়েছে সেই সংখ্যাই কেবল প্রকাশ করেছে। যেসব অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে বা যেসব অ্যাকাউন্টের তথ্য দেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রকাশ করা হয়নি।

কখনও কখনও আইনি প্রক্রিয়া শুরুর জন্য কোনো অ্যাকাউন্টের তথ্য সংরক্ষণের অনুরোধেও সাড়া দেয় ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ।

গত জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে এরকম ৩১টি অ্যাকাউন্টের তথ্য সংরক্ষণের অনুরোধ পাওয়ার কথা ফেসবুকের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর নাম বা কনটেন্ট সম্পর্কে কোনো তথ্য ফেসবুকের প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংস্থাকে ব্যবহারকারীদের কতোটা তথ্য দিচ্ছে তা বছরে দুই বার প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হচ্ছে ২০১৩ সাল থেকে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের অনুরোধ ২০১৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথমবার ফেসবুকের সাড়া পায়।

তথ্য দেওয়া শুরু করার পর থেকে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সবচেয়ে বেশি অনুরোধ পেয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এক বছরে।

এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে মোট ১৫২টি অনুরোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মোট ২০৫টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বা ব্যবহারকারীর তথ্য চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ৫৭ শতাংশ তথ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সরকারকে দিয়েছে।

ফেসবুকের ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদন বলছে, ব্যবহারকারীদের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারের তরফ থেকে অনুরোধের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে।

pm-modi-big-20190526212331.jpg

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির চলতি বছরেই বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের পরিপ্রেক্ষিতে ফিরতি সফর হিসেবে এ বছরই ঢাকায় আসতে পারেন তিনি। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের প্রস্তুতি দুই দেশের পক্ষ থেকেই নেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে আগামী জুনে ঢাকায় আসছেন। দুই দেশের কূটনৈতিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রমতে, চলতি বছরের কোন মাসে ও কোন তারিখে নরেন্দ্র মোদি ঢাকায় আসছেন, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। তবে টানা দ্বিতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি যে বাংলাদেশ সফরে আসছেন, তা প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। পাশাপাশি মোদির নেতৃত্বে দ্বিতীয়বারের সরকারও ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির আওতায় বাংলাদেশকে তালিকার শীর্ষেই রাখছে। তার সফরের মধ্য দিয়ে অনন্য উচ্চতায় থাকা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় ভিত্তি পাবে বলে মনে করেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কয়েক কর্মকতা জানান, গত ২৩ মে নরেন্দ্র মোদিকে পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায়ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভারত সফরের পর ফিরতি সফর হিসেবে ঢাকায় আসার বিষয়ে তাকে প্রতিশ্রুতি দেন নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের নানা রাষ্ট্রীয় বাস্তবতায় শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে নরেন্দ্র মোদির ঢাকায় আসা সম্ভব হচ্ছিল না এতদিন। লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠনের পর ঢাকায় আসছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিবেরও চলতি মাসেই ঢাকা সফরে আসার কথা ছিল। দেশটির ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নানা ব্যস্ততার কারণে পররাষ্ট্র সচিবেরও ঢাকায় আসা হয়নি। মোদির নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে তিনি ঢাকায় আসতে পারেন।

এ ছাড়া পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক ও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিজয় গোখলে গত ১৬ এপ্রিল নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক মধ্যাহ্ন ভোজের বৈঠকে মিলিত হন। নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে আগামী ৩০ মে রাষ্ট্রপতি ভবনে মোদির দ্বিতীয় মন্ত্রিসভা শপথ নিতে পারে বলে শনিবার (২৫ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো ইঙ্গিত দেয়।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন সূত্র জানায়, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদির ঢাকায় সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে। গত বছরের মার্চে প্রকাশিত ভারতের অনলাইন ‘দ্য ইকোনমিক টাইমসের’ এক প্রতিবেদনেও এসব তথ্য বলা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ ছিল, অচিরেই ঘনিষ্ঠ দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও নেপাল সফরের পরিকল্পনা করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকা ও কাঠমান্ডুর প্রতি ভারত সরকারের সমর্থন জানাতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সফরে যাচ্ছেন তিনি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের সূত্র জানায়, গত বছরের এপ্রিলে আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল ভারত সফরে যায়। দেশটির ক্ষমতাসীন বিজেপির শীর্ষ নেতারা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলকে ‘শিগগিরই’ নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সম্ভাবনার কথা জানান।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদি পরের বছর, অর্থাৎ ২০১৫ সালে ঢাকা সফর করেন। ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর তিনবার দিল্লি সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গত ৭ জানুয়ারি সরকার গঠিত হওয়ার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী  ড. এ কে আবদুল মোমেন প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে ভারতকে বেছে নেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের আমন্ত্রণে গত ৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লি যান ড. মোমেন।

এর আগে ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপির সরকার গঠনের পর সুষমা স্বরাজের প্রথম একক সফর ছিল বাংলাদেশ। গত পাঁচ বছরে বিজেপি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ভালোই ছিল। এবারো সেই যাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে দলটির নেতারা আশাবাদী।

কূটনীতিকরা মনে করেন, সম্পর্কের ধারাবাহিকতা রক্ষায় দুই দেশের ক্ষমতাসীন দলই এখন সচেষ্ট। পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি। গত দশ বছরে দুই দেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ, ছিটমহল বিনিময়, ভারতকে সড়কপথে ট্রানজিট দেওয়া, চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া, দুই দেশের প্রতিরক্ষা চুক্তি ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে বাংলাদেশের আন্তরিক সহায়তা- এসব কিছুতে অগ্রগতি হয়েছে।

hsre.jpg

ঢাকার মালিবাগ মোড়ে পুলিশের গাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণে ট্রাফিক পুলিশের এক নারী এএসআই ও এক রিকশাচালক আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন ট্রাফিক পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাশেদা আক্তার বাবলী (২৮) ও রিকশাচালক লাল মিয়া (৫০)

রোববার (২৬ মে) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত দুইজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠানো হয়েছে।

রাশেদা আক্তার জানান, তিনি মালিবাগ মোড়ে ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটিস্থলের ওখানে একটি পুলিশ ভ্যানও পার্কিং করে রাখা ছিল। এ সময় হঠাৎ একটা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। ককটেলের স্প্লিন্টার ওই পুলিশ কর্মকর্তার পায়ে আঘাত হানে।

ককটেল বিস্ফোরণে একই সময় লাল মিয়া নামে একজন রিকশাচালকও আহত হন। ওই রিকশাচালকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্প্লিন্টার ঢুকেছে।

আহত পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সম্ভবত পুলিশ ভ্যানকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়া হয়েছিল। লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ককটেলটি আমাদের কাছে বিস্ফোরিত হয়। তবে কে বা কারা ককটেল ছুড়েছে তা দেখা যায়নি বলেও জানান আহত এ পুলিশ কর্মকর্তা।

ঢাকা পূর্ব ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট এনামুল হক জানান, আমাদের সহকর্মী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আহত রিকশাচালককেও আনা হয়েছে। তিনিও চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আহত লাল মিয়া জানান, তার বাসা তেজকুনি পাড়া। রিকশা নিয়ে মালিবাগ মোড়ে বসেছিলেন। এমন সময়ে বিস্ফোরণ হয়। এতে তার মাথায় আঘাত লাগে। তবে তিনি কাউকে দেখেননি

hhaa.jpg

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা ও গোমতী নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতু এবং দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতু শনিবার (২৫ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেছেন।

এ মহাসড়কে বিভীষিকাময় অংশটুকুর নাম ছিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর। দূরত্ব ৩০ কিলোমিটারের মতো। অথচ তীব্র যানজটের কারণে এই পথ কতক্ষণে পাড়ি দিতে পারবেন, তা নিয়ে চিন্তায় থাকতেন যাত্রীরা। এসবই এখন অতীত। কারণ, এই পথ এখন পাড়ি দেওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩০ মিনিটে!

দ্বিতীয় মেঘনা ও দ্বিতীয় গোমতী সেতুর প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মো. নুরজ্জামান রোববার (২৬ মে) বলেন, নতুন দুটি চার লেনের সেতু চালু হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানুষের যাত্রা আরামদায়ক হয়েছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষও এর সুফল পাবেন। আবার পুরোনো দুই লেনের সেতু দুটিরও সংস্কার কাজ চলমান। আগামী ডিসেম্বরে সংস্কার কাজ শেষ হবে।

বেলা দেড়টায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় ঢাকা থেকে আসা কয়েকজনের যাত্রীদের সঙ্গে। তাদের ভাষ্য, তাঁরা নিয়মিত ঢাকায় আসা-যাওয়া করেন। গত শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত এখান থেকে ঢাকায় পৌঁছতে চার থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগত। আর আজ ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাস গৌরীপুর পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার অতিক্রম করতে মাত্র ৫০ মিনিটে। সে হিসাবে তীব্র যানজট লেগে থাকা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুর পর্যন্ত পাড়ি দিতে লেগেছে ৩০ মিনিট।

দাউদকান্দির পেন্নাই এলাকায় একাধিক চালকরা বলেন, দীর্ঘদিন মহাসড়কে যানজটে নাকাল হওয়ার পর তাঁরা স্বস্তির দেখা পেয়েছেন। তাদের ভাষ্য, হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে থামিয়ে বিরক্ত না করলে ঈদে তাঁরা আনন্দে গাড়ি চালাতে পারবেন।

ঢাকার দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কুমিল্লার বাসিন্দা মো. তানভীর গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে বলেন, দীর্ঘদিন ভোগান্তির পর আজ কুমিল্লায় ফিরতে আরাম পেলাম। মেঘনা, গোমতী সেতু অতিক্রমের সময় মন আনন্দে ভর উঠল।

এত দিন চার লেনের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানবাহনগুলো দুই লেনের গোমতী ও মেঘনা সেতুতে ওঠার পর সেতুর দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হতো। বিশেষ করে শুক্রবার ও শনিবার, ছুটির দিন, ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবের সময় যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করত। এর ফলে ভোগান্তি পোহাতে হতো চালক ও যাত্রীদের। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে রোগী, নারী-শিশুসহ সব যাত্রীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।

rajakar3-1.jpg

সাংবাদিকেরা সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয় এমন মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ঈদের আগে যেসব প্রতিষ্ঠান সংবাদকর্মীদের বেতন-বোনাস পরিশোধ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে ডিএমপিকে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান বরাবর অনুরোধ পত্র লেখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রোববার (২৬ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দুই যুগ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ২৪ বছরে পদার্পণ করায় সংগঠনটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আশা করি এই সংগঠনটি আরও অনেক বছর সফলতার সঙ্গে পথ চলবে। সাংবাদিক ইউনিয়ন ভাগ হলেও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি এখনো একতাবদ্ধ হয়ে তাদের কাজ করে যাচ্ছে। সাংবাদিকেরা সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়, তাদের দায়িত্ব অনেক। আমি আশা করবো সংগঠনটি রাজনীতিমুক্ত থেকে এর দায়িত্ব পালন করতে থাকবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য চমৎকার একটি প্লাটফর্ম গড়ে দিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি। সংগঠনটির সঙ্গে আমার পথচলা অনেকদিনের, ভবিষ্যতেও আমি এর পাশে থাকবো।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ খান।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ,সংগঠনটির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, সাবেক সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বাদশা. সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শামিউল আহসান দীপু, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান খান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য মামুনুর রশীদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-উপাচার্য আব্দুস সামাদ, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

biman-dudok-20190526174834.jpg

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন শাখায় চলছে সংস্কার অভিযান। একই সঙ্গে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বিমানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা গত দুই মাস দুদকের নজরদারিতে। ইতোমধ্যে সদ্য বিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ১০ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে গত মাসেই। ওএসডি করা হয়েছে দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে। দুদকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিমানের বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা লোপাটের একটি অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিমানের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (বিপণন) আশরাফুল আলম ও লন্ডন থেকে আসা কান্ট্রি ম্যানেজার শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হয়েছে।

এছাড়া পরিচালক মোমিনুল ইসলাম ও মহাব্যবস্থাপক (জিএসই) তোফাজ্জল হোসেন আকন্দকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের সহকারী পরিচালক সালাহ উদ্দিন। কমার্শিয়াল অফিসার মাহফুজুল করিম সিদ্দিকী ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে। মাহফুজুল সম্পদের হিসাব জমা দিয়েছেন দুদকে। অন্যদের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হবে বলে জানা গেছে। অনেকের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও অনুসন্ধান চলছে। এ তালিকা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

ইতোমধ্যে আরও চারটি সংস্থাকে বিমানের বিভিন্ন শাখার দুর্নীতি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দলগুলো প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির পাশাপাশি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তদের সম্পদেরও অনুসন্ধান করবে। বিমানের অন্তত ২০০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে।

দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক দলের যে প্রতিবেদন গত ৩ মার্চ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর কাছে হস্তান্তর করা হয় তাতে বিমানের দুর্নীতির আট খাতকে চিহ্নিত করা হয়। খাতগুলো হলো- এয়ারক্রাফট কেনা ও ইজারা নেয়া, রক্ষণাবেক্ষণ-ওভারহোলিং, গ্রাউন্ড সার্ভিস, কার্গো আমদানি-রফতানি, ট্রানজিট যাত্রী ও লে-ওভার যাত্রী, অতিরিক্ত ব্যাগেজের চার্জ আত্মসাৎ, টিকিট বিক্রি ও ক্যাটারিং খাতের দুর্নীতি।

ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ নিয়ে ক্যাডেট পাইলট নিয়োগসহ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান করছেন সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম। গত ২ মে ১০ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চেয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন। এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার (ইমিগ্রেশন) এবং শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওসি (ইমিগ্রেশন) বরাবর চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়।

বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে বিমানের সদ্য পদত্যাগী মোসাদ্দিক আহম্মেদ, জুনিয়র গ্রাউন্ড সার্ভিস অফিসার, বিমান শ্রমিক লীগের সভাপতি ও বিমানের সিবিএ নেতা মশিকুর রহমান, গ্রাউন্ড সার্ভিস সুপারভাইজার জিএম জাকির হোসেন, মিজানুর রহমান, কমার্শিয়াল সুপারভাইজার রফিকুল আলম ও গোলাম কায়সার আহমেদ, জুনিয়র কমার্শিয়াল অফিসার মারুফ মেহেদী হাসান এবং কমার্শিয়াল অফিসার জাওয়েদ তারিক খান ও মাহফুজুল করিম সিদ্দিকী। ওই দশজনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বিমানের নন-শিডিউলিং কার্গো হ্যান্ডেলিং চার্জের ৭২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদকের উপ-পরিচালক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল। বিগত ১০ বছরে এ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে অভ্যন্তরীণ তদন্তে কার্গো শাখায় ৪১২ কোটি টাকা লোপাটের তথ্যের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মহিবুল হক। তিনি বলেন, বিমানের সব অনিয়ম দূর করা হবে। বিমানকে জনগণের আস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে।

eid2-20190526191707.jpg

পবিত্র রমজান শেষে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল ফিতরের নামাজের জন্য জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে চলছে সৌন্দর্যবর্ধন ও সাজসজ্জার কাজ। যেখানে প্রতিবারের মতো এবারও অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রী, বিদেশি কূটনৈতিক, সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ সাধারণ মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও ঈদুল ফিতরে লাখো মুসল্লি জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে লক্ষ্যে চলছে পূর্ণ প্রস্তুতি।

রমজানের ১০ তারিখ থেকে ২শ’ মণ রশি আর ৩০ হাজার বাঁশ দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ৫০ জন শ্রমিক। পুরো ময়দানে ত্রিপল টাঙানো হবে। সংস্কার শেষে ঈদের নামাজের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা হবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন এ ময়দানকে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৮টায় এখানেই ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

সরেজমিনে ঈদগাহ প্রাঙ্গণে দেখা যায়, শ্রমিকরা বাঁশ দিয়ে অবকাঠামো নির্মাণের কাজ করছেন। একই সঙ্গে চলছে গেটের মেরামত ও সামনের (মেহরাব) মিনারের কাজ। বাঁশের তৈরি অবকাঠামোর কাজ মাঠের উত্তর ও পূর্বকোণ থেকে শুরু করা হয়েছে। এই অবকাঠামো তৈরির পরই টাঙানো হবে বৃষ্টি নিরোধক ত্রিপল (ছামিয়ানা)। এরপর করা হবে লাইট, ফ্যান ও নিরাপত্তার জন্য ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানোসহ সাজসজ্জার কাজ।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের ঘাস কাটার সঙ্গে বিভিন্ন স্থানের উঁচু নিচু মাটি কেটে সমান করছেন শ্রমিকরা। গণপূর্ত অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে মাটি সমান এবং গাছে রঙ করার কাজ করা হচ্ছে বলে জানান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিউল্লাহ।

প্যান্ডেল তৈরির কাজ করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিয়ারু সরদার অ্যান্ড সন্সের কয়েকজন প্রতিনিধি। মূলত ঈদগাহের প্যান্ডেল তৈরি, সামিয়ানা ও ত্রিপল টাঙানো এবং ঈদগাহ ময়দান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজটি করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

সরেজমিনে আরও দেখা যায়, জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রখর রোধ আর প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করে শ্রমিকরা মেরামত ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করছেন। পটুয়াখালীর ৬০ বছর বয়সী মো. আব্দুল রহিম কাজ করছেন ঈদগাহ ময়দানে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ১০ রমজান থেকে ৫০ জন শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত মাঠজুড়ে বাঁশের খুঁটি পোতা হয়েছে। এরপর ত্রিপল টাঙানো হবে। পরে ফ্যান ও বাতি এবং নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে।

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে ঘিরে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লোকজন কাজ করছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের অজুখানা ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

ডিএসসিসির অঞ্চল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিউল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতি এবং দেশের প্রধান জামাত বিষয়ে আজ রোববার (২৬ মে) নগর ভবনে ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় ঈদগাহ এবং প্রধান জামাতের প্রস্তুতিসহ বেশকিছু বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মুসল্লিদের ঈদের জামাত নির্বিঘ্ন করতে মাঠ সজ্জার কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এখন চলছে প্রাথমিক পর্যায়ের কাঠামো নির্মাণকাজ। ২৭ রমজানের মধ্যে বৃষ্টি নিরোধক ত্রিপল টাঙানোর কাজ করা হবে। এরপর সাজসজ্জা ও ভিআইপিদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

এসএসএফের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রতিবারের মতো এবারও ঈদগাহের নিরাপত্তায় পুলিশের সোয়াত টিম নিয়োজিত থাকবে। সিটি কর্পোরেশন ছাড়াও আলাদা ক্যামেরা ও কন্ট্রোল রুম স্থাপন করবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নিরাপত্তা দেবে র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড। ঈদগাহের চারপাশে সাদা পোশাকের গোয়েন্দারাও থাকবেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শফিউল্লাহ আরও বলেন, ঈদের নামাজের জন্য ঈদগাহ প্রস্তুত করা এবং নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার কাজ বিভিন্ন সংস্থা মিলে করে। আমরা সিটি কর্পোরেশন শুধু প্যান্ডেল তৈরি, সামিয়ানা ও রেইন প্রুফ কাভার অর্থাৎ ত্রিপল, মোবাইল টয়লেট স্থাপন এবং ঈদগাহের ভেতরে ও বাইরে সার্বিক সৌন্দর্য ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করি।

নিরাপত্তার কাজ করবে পুলিশ, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, মাইকিংয়ের কাজ করবে তথ্য মন্ত্রণালয়- এভাবে প্রস্তুত করা হয় ঈদগাহ ময়দান। আবার আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে তাহলে ঈদের জামাত আমাদের তত্ত্বাবধানেই হবে। সাধারণত ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে জামাতের বিষয়টি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারে চলে যায়।

তিনি বলেন, ৯০ হাজার থেকে এক লাখ মুসল্লির জন্য নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রায় পাঁচ হাজার নারী মুসল্লির জন্য আলাদাভাবে নামাজ আদায়ের বিশেষ ব্যবস্থা থাকছে। অজুর পানি ছাড়াও খাওয়ার পানির জন্য ওয়াসাকে বলা হয়েছে। এছাড়া কাকরাইল, মৎস্য ভবন, প্রেস ক্লাব, দোয়েল চত্বর ও এর আশপাশের র‌্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকবে।

capture-20190526220510.jpg

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় ছেলের লাঠির আঘাতে রহিমা বেগম (৭১) নামের এক মায়ের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে উপজেলার মুন্ডুমালা পৌরশহরের গৌরাঙ্গাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মাকে হত্যার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে একরামুল হক (২৭) পলাতক রয়েছেন। তবে এলাকাবাসীর সহায়তায় অপর দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ। নিহত রহিমা বেগম গৌরাঙ্গাপুর এলাকার শামযাত হাজির স্ত্রী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে তানোর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ইসলাম বলেন, রোববার সকালে ঈদের কেনাকাটা বাবদ মা রহিমা বেগম বড় ও মেজো ছেলেকে টাকা না দিয়ে তার ছোট ছেলে আমিরুল হককে দুই হাজার টাকা দেন। আমিরুল মায়ের দেয়া টাকা পেয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে চলে আসেন মুন্ডুমালা বাজারে।

এরই মধ্যে ছোট ছেলেকে টাকা দেয়ার কথা শুনে বড় ছেলে আব্দুল হক ও মেজো ছেলে একরামুল হক মিলে মায়ের কাছে তিন হাজার করে টাকা দাবি করেন। তার মা দুই ছেলেকে এক হাজার করে টাকা দিতে চান। কিন্তু দুই ছেলে এতে রাজি হননি। এ দ্বন্দ্বে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করে দুই ছেলে। একপর্যায়ে মেজো ছেলে একরামুল বাড়িতে থাকা একটি মোটা লাঠি দিয়ে তার মায়ের ঘাড়ের ওপরে জোরে আঘাত করলে সেখানেই লুটিয়ে পড়েন মা রহিমা বেগম।

প্রতিবেশীরা আহত অবস্থায় রহিমা বেগমকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগ মুর্হূত পর্যন্ত রহিমা বেগম রোজা অবস্থায় ছিলেন।

ওসি খায়রুল ইসলাম আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে ছেলে একরামুল পলাতক রয়েছেন। তবে অন্য দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। মায়ের মরদেহ উদ্ধার করে রামেক মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

25-17.jpg

চট্টগ্রামে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতেই পাওয়া গেছে বিশাল বড় এক বোয়াল মাছ! হাটহাজারী উপজেলায় টানা কয়েক দিনের তীব্র গরমের পর বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয় মেঘের গর্জন। টানা কয়েক ঘণ্টার মুষলধারে বৃষ্টি নামায় কিছু সময়ের জন্য পানির নিচে তলিয়ে যায় অধিকাংশ রাস্তা, মাঠঘাট ও খালবিল।

এ সময় মাছ ধরার নেশা পেয়ে বসে স্থানীয়দের মধ্যে। তারা হাত জাল ও পলো নিয়ে নেমে পড়েন খালবিলে মাছ শিকারে।

শনিবার সকালে শখের বসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ১নং রেলগেট এলাকার ফতেপুর ইউনিয়নের বখতিয়ার ফকিরসংলগ্ন বিলে মাছ ধরতে নামেন মো. কামাল উদ্দিন। হঠাৎ তার পলোতে ধরা পড়ে একটি বিশাল বোয়াল। মো. কামাল উপজেলার সহয্যাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফয়েজ আহম্মদের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, তীব্র গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। শনিবার বৃষ্টি থামার পরই এলাকাবাসী মাছ ধরার সরঞ্জাম নিয়ে পাশে জমে থাকা হাঁটু-কোমর সমান পানিতে মাছ শিকারে নামেন।

ফতেপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন জানান, শখের বসে পলো নিয়ে মাছ ধরতে হাওরে যান তিনি। তার পলোতে একটি বিশাল বোয়াল আটকা পড়ে। ২০ কেজি ওজনের মাছটি বাড়িতে আনার পর আশপাশের লোকজন দেখতে ভিড় করেন। পরে মাছটি কেটে নিজেসহ আত্মীয়স্বজন সবাই মিলে ভাগ করে নেন।

হাটহাজারী উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজহারুল আলম জানান, বর্তমান সময়টা মাছের প্রজনন মৌসুম। বৃষ্টি বা বজ্রপাত হলে মা মাছগুলো ডিম ছাড়ার জন্য খালবিলে স্রোতের বিপরীতে যেতে থাকে। এ সময় মাছগুলো আশপাশের ছোট খালবিলে আশ্রয় নেয়। আর এতেই মাছ ধরার সুযোগ বেড়ে যায়।

Kadar-1.jpg

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি বেঁচে থাকবো, এটা কেউ আশা করেনি। রাজশাহী সফররত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডাক্তাররা খরর দিয়েছিলেন যদি শেষবারের দেখা দেখতে চান, চলে আসুন।

শনিবার (২৫ মে) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আমার এই জায়গাটায় আসা এটা অলৌকিক বিষয়। আড়াই মাস আগে অসুস্থ হয়ে পড়ি। অনেকেই আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। রাজশাহী সফররত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ডাক্তাররা খরর দিয়েছিলেন, যদি শেষ বারের মতো দেখতে চান চলে আসুন।

তিনি বলেন, জীবন মত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলাম। দেশবাসীর দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে বেচে আছি। প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মায়ের মতো, সেদিন ভূমিকা পালন করেছিলেন, তার প্রতি ঋণের কথা বলে গেলাম। আমার অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয় কাঁচপুর সেতুর শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তখনও তিনি নাম ধরে বলেছিলেন পরবর্তী প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন আমার উপস্থিতিতেই হবে। তার ইচ্ছামত তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছিলো, যাতে আমি উপস্থিত থাকতে পারি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েতে তিনটি সেতুর চার লেনে উন্নীতকরণ এবং উত্তরবঙ্গের গেটওয়ে টাঙ্গাইল-গাজীপুর। গাজীপুর এবং চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিটি ঈদেই মানুষের ভোগান্তির অন্ত ছিল না। এ সেতু উদ্বোধনে আমার বিশ্বাস যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে।

চন্দ্র্রাতেও আমরা পরিবর্তন এনেছি। সেখানেও ফ্লাইওভার হয়েছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কোনাবাড়ি ফ্লাইওভার নীরবেই হয়ে গেছে। চন্দ্রার পথে আরও পাঁচটি ফ্লাইওভার আগামী বছর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তনটা এই প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হচ্ছে। যোগাযোগের চেহারাই পাল্টে যাচ্ছে।