top5 Archives - Page 2 of 537 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

চারটি মুসলিম দেশসহ ৭টি দেশের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আনতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। এই তালিকায় আছে অং সান সুচির মিয়ানমারও।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকা যুক্ত হতে যাওয়া দেশগুলো হচ্ছে, বেলারুশ, ইরিত্রিয়া, কিরগিজস্তান, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, সুদান এবং তাঞ্জেনিয়া। তবে তালিকাটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় আরও কিছু দেশকে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান। যদিও নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম তিনি উল্লেখ করেননি।

জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকতে পারে। যেমন- কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে।

নিষেধাজ্ঞার কারণ প্রসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশগুলো বায়োমেট্রিকস, তথ্য আদান-প্রদান, সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থানসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে পারেনি। তবে এই বিষয়ে মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো ধরনের মন্তব্য করেনি।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ৭টি দেশের নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে ৫টি মুসলিম দেশ- ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেন। অন্য দুটি দেশ হলো- ভেনেজুয়েলা ও উত্তর কোরিয়া।

4t4ys.jpg

নির্মম নির্যাতনে আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পরও থেমে নেই ছাত্রলীগের নির্যাতন। একই স্টাইলের পুনরাবৃত্তি ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাতে রুম থেকে ডেকে নিয়ে চার শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতনের পর পুলিশে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে বুধবার বিকেল চারটায় শাহবাগে বিক্ষোভ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. মুকিম চৌধুরীকে শিবির সন্দেহে হলের গেস্টরুমে ডাকা হয়। হল শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা তাদের অনুসারীদের দিয়ে মুকিমের কাছ থেকে ‘শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার স্বীকারোক্তি’ আদায়ের চেষ্টা করে। বেশ কিছুক্ষণ মানসিক চাপ দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরেও স্বীকারোক্তি আদায় ব্যর্থ হয়ে ওই শিক্ষার্থীকে লাঠি ও রড দিয়ে পেটানো হয়। মুকিমের ব্যবহৃত মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে তার ফেসবুক মেসেঞ্জার ঘেঁটে দেখা হয়। পরে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সানওয়ার হোসেনকে গেস্টরুমে ডেকে এনে দুজনকে একসঙ্গে ফের মারধর করা হয়। নির্যাতন সইতে না পেরে তারা উভয়েই মেঝেতে বসে ও শুয়ে পড়েন।

একই গেস্টরুমে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মিনহাজ উদ্দীন ও একই বর্ষের আরবী বিভাগের শিক্ষার্থী আফসার উদ্দীনকে ধরে আনা হয়। রাত দুইটা পর্যন্ত তাদেরকে দফায় দফায় নির্যাতন শেষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে তুলে দেয়া হয়। প্রক্টরিয়াল টিম নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীদের শাহবাগ থানা পুলিশের হাতে দিয়ে দেন। শাখা ছাত্রলীগ নেতা ও হল সংসদের ভিপি সাইফুল্লাহ আব্বাসী, হল ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমীর হামজা, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আলম, হল সভাপতি ও হল সংসদের সাহিত্য সম্পাদক কামাল উদ্দিন রানা, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ইমনসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা এ ঘটনায় জড়িত বলে জানা গেছে। হল ছাত্রলীগের নেতারা দাবি করেছেন, ওই চার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিবির সংশ্লিষ্ট বই উদ্ধার করা হয়েছে এবং তারা শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

এদিকে নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীদের থানায় দেয়ার পর পুলিশ তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, ‘তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাতেই আবার থানায় আনা হয়। এখন তারা থানায় আছে। বিশ্ববিদ্যালয় পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘শুনেছি ছাত্রলীগ তাদের মেরেছে। ছাত্রলীগ তাদের মারার কে? ছাত্রলীগ যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম শুরু করেছে তার একটি হল ভিন্ন মতের শিক্ষার্থীদের শিবির সন্দেহে মারধর করা। ছাত্রলীগকে এই অধিকার কে দিয়েছে? দেশটি আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের নয়। তারা ভিপির ওপর হামলা করে বলে জামাত-শিবির।’

মঙ্গলবার রাতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের সঙ্গে যুক্ত হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আমির হামজা এর আগেও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে এক ফার্মেসি দোকানদারকে মারধর করেছিলেন। ওই ঘটনায় তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয় বলে জানা গেছে। নির্যাতনের বিষয়ে আমির হামজা বলেন, ‘আমরা তাদের মারধর করিনি। শুধুমাত্র জিজ্ঞাসা করেছি। তাদের কাছ থেকে শিবিরের দুটি বই উদ্ধার করেছি।’ তবে সেই বইয়ের ছবি ও নামের বিষয়ে জানতে চাইলে আমির হামজা কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

প্রক্টরিয়াল টিম শিক্ষার্থীদের রক্ষা না করে কেন পুলিশের হাতে দিল এই প্রশ্নের উত্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘হল প্রশাসন তাদেরকে পুলিশে দিয়েছে।’ তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার কোন প্রমাণ পাওয়া গেছে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশকে বলেছি তাদেরকে ছেড়ে দিতে। কোন নিরীহ শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা হবে না।’ তবে ঘটনার বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবু মো. দেলোয়ার হোসেনকে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে জানান।

qiratww.jpg

চট্টগ্রামে কিরাত সম্মেলনে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতে মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে আসছেন বিশ্বসেরা ক্বারিগণ। আগামী ২৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে এবার জর্ডান, ইরান, মিশর, তুরস্ক, মরক্কো, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের ক্বারিগণ অংশ নেবেন।

নগরীর জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে ২০তম এ আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন উপলক্ষ্যে বুধবার নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করে যাবতীয় প্রস্তুতির কথা জানানো হয়।

পিএইচপি ফ্যামিলি ও শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সুফি মিজানুর রহমান বলেন, সম্মেলনের যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ। শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াতের মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিতে এ সম্মেলন। কোরআনের শিক্ষা হৃদয়ের গভীরে ধারণ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থার (ইক্বরা) উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনের ব্যবস্থাপনায় রয়েছে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদ। সহযোগিতায় রয়েছে আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট ও গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পিএইচপি ফ্যামিলির পরিচালক জহিরুল ইসলাম চৌধুরী রিংকু। এসময় আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভিপি মোহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল আনোয়ার হোসেন, গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, শহীদুল হক, ক্বারি আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মুহাম্মদ খুরশেদুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

sheikh-mujib.jpg

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেদিন জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ২৫ সেপ্টেম্বরকে ২০২০ সালের জন্য ‘বাংলাদেশি ইমিগ্র্যান্ট ডে’ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগনণার চারদিনের মাথায় নিউইয়র্ক স্টেটের গভর্নর এন্ড্রু ক্যুমো এ ঘোষণা দেন। এনআরবি নিউজ।

গত ১৪ জানুয়ারি স্টেট গভর্নর স্বাক্ষরিত ঘোষণাপত্রের কপি ২০ জানুয়ারি বিতরণ করেছেন নিউইয়র্ক স্টেট সেক্রেটারি আলেন্ড্রো এন পলিনো।

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহার চেষ্টায় গত বছরও একই ধরনের একটি রেজ্যুলেশন পাশ হয় নিউইয়র্ক স্টেট পার্লামেন্টে। সেটি নবায়ন করার জন্য গত ৯ জানুয়ারি সিনেটে উপস্থাপন করা হয়। সিনেট রেজ্যুলেশন নম্বর ২৩৪৬।

বিশ্বজিৎ সাহা জানান, ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তরের জন্যে আমি ঢাকায় যাচ্ছি।

লাল সবুজের রক্তমাখা পতাকা উড়ছে জাতিসংঘের সদর দফতরের সামনে। আরো শতাধিক দেশের পতাকার পাশে বাংলাদেশ ঠাঁই করে নিয়েছে নিজের আসন। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশন। অধিবেশন কক্ষে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্রনায়ক ও সরকার প্রধানরা।

অধিবেশনে সভাপতির আসনে আলজেরিয়ার মুক্তি সংগ্রামের নেতা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আবদেল আজিজ বুতেফ্লিকা। সভাপতি ‘বাঙালি জাতির মহান নেতা’ হিসেবে পরিচিতি জানিয়ে বক্তৃতা মঞ্চে আহ্বান করেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

বাঙালির মহানায়ক বঙ্গবন্ধু আরোহণ করলেন বক্তৃতা মঞ্চে। প্রথম এশীয় নেতা, যিনি এই অধিবেশনে সবার আগে ভাষণ দেবেন। দৃপ্ত পায়ে বক্তৃতা মঞ্চে উঠে ডায়াসের সামনে দাঁড়ালেন বঙ্গবন্ধু। মুহুর্মুহু করতালি। বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা শুরু করেন মাতৃভাষা বাংলায়। যে ভাষার জন্য ঢাকার রাজপথে বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল। সেই ভাষায় প্রথম ভাষণ জাতিসংঘে। বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে আবার ঠাঁই করে দিলেন। এর আগে ১৯১৩ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাপ্তির মধ্যদিয়ে বিশ্ববাসী জেনেছিল বাংলা ভাষার অমর অমল আবেদন। এর ষাট বছর পর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে উচ্চারণ করলেন বিশ্বসভায় বাংলা ভাষার অমর শব্দসমূহ।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘে বিশ্বের সকল নেতা নিজ নিজ মাতৃভাষাতেই ভাষণ দিয়ে থাকেন। জাতিসংঘের সরকারি ভাষা ছয়টি। ইংরেজি, ফরাসী, রুশ, চীনা, স্প্যানিশ ও আরবি। এই ৬ ভাষাতেই বক্তৃতা রূপান্তরিত হয়ে থাকে। বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে এক পলকে চারদিক দেখে নিলেন। এর আট দিন আগে ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য দেশ হিসেবে মর্যাদা লাভ করে।

এর আগে ১৯৭২ ও ১৯৭৩ সালে দুই দুই বার চীনের ভেটোর কারণে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করতে পারেনি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতা করলেও ১৯৭৪ সালে এসে চীন বাংলাদেশের ব্যাপারে অনেকটা নমনীয় হয়। ফলে চীন তার ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে বিরত থাকে। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তুমুল করতালির মধ্যে নবীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ওই দিনই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন কক্ষে বাঙালির প্রথম প্রবেশ ঘটে। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ স্থায়ী আসন পেল যেন। বাংলাদেশের জাতিসংঘ সদস্যভুক্তির পর বিশ্বের অনেক দেশই অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখে।

জাতিসংঘে মার্কিন স্থায়ী রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্বের পার্লামেন্টে নতুন দেশ বাংলাদেশকে স্বাগতম’ জাতিসংঘের মহাসচিব তখন ড. কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম। তিনিও বাংলাদেশকে স্বাগত জানান, তবে প্রচণ্ড উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন তত্কালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাকব মালিক ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণ সিং।

আর সেদিনটিকেই বেছে নিলেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিত সাহা বাংলাদেশী ‘ইমিগ্রান্ট ডে’ হিসেবে। তার প্রস্তাবনায় ২০১৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক স্টেট সেনেটর স্টেভেস্কি এইদিনটিকে ‘বাংলাদেশ ইমিগ্রান্ট ডে হিসাবে’ রেজ্যুলেশন পাশ করার জন্য সিনেটে উপস্থাপন করেন এবং দীর্ঘ শুনানির পর এটি সর্বসন্মতিক্রমে পাশ হয়

karnafully-2001200419.jpg

সেন্টমার্টিন যেতে হলে আর টেকনাফ যেতে হবে না! এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই কক্সবাজার থেকে সরাসরি জাহাজে যাওয়া যাবে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে।

কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্সের বিশ্বস্ত এক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের জাহাজ সার্ভিসটি পরিচালনা করবে কর্ণফুলী শিপ বিল্ডার্স লি.। পরিচালনায় সার্বিক সহযোগীতায় থাকছে ফারহান এক্সপ্রেস ট্যুরিজম। প্রতিষ্ঠানটির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমেই জাহাজটি উদ্বোধন করা হবে।

এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস নামের উপকূলীয় সমুদ্রগামী জাহাজটির ভাড়ার তালিকা ও সময়সূচী এখনো জানা যায়নি। তবে সূত্র বলছে, শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সার্ভিসটির বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এর আগে খুলনা থেকে সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সার্ভিসটি চালু হলে সুন্দরবনের সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভোলা-হাতিয়া-নিঝুমদ্বীপ-কুতুবদিয়া-পতেঙ্গা-মহেশখালী-কক্সবাজার-ইনানী ও টেকনাফের দৃশ্যও উপভোগ করা যাবে।

pkhaldar.jpg

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার) বর্তমানে সিঙ্গাপুর অবস্থান করছেন। তার প্রায় ৫শ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ দেশে থাকার তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব সম্পদ ক্রোকের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুদক। প্রশান্ত কুমার হালদার কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার নিজ নামে ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ১ হাজার ৬৩৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জমা করেছেন।

ক্যাসিনোবিরোধী সাম্প্রতিক শুদ্ধি অভিযানের পরপরই প্রশান্ত কুমার হালদারের নাম উঠে আসে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ নভেম্বর হাজির হতে নোটিশ দিয়েছিল সংস্থাটি। তার আগে ৩ অক্টোবর তাঁর বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ঠিকই দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, প্রশান্ত কুমার হালদারের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতে আবেদন করতে সোমবার সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, আসামি প্রশান্ত কুমার হালদারের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ফ্রিজ করার বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতে আবেদন করতে কমিশনের অনুমোদন প্রয়োজন। এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক এমডি প্রশান্ত কুমার হালদার বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন মর্মে একটি অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে। কমিশন অভিযোগটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান করতে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীকে নিযুক্ত করে। ওই কর্মকর্তা অনুসন্ধান শুরুর পরই পুলিশের গোয়েন্দা শাখা চিঠি দেয়, প্রশান্ত কুমার যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন। কিন্তু দেশত্যাগে এ নিষেধাজ্ঞা জারির আগেই তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রশান্ত কুমার হালদার নিজ নামে ও তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ১ হাজার ৬৩৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা জমা করেছেন। যার মধ্যে তার নিজ নামে পরিচালিত হিসাবগুলোতে ২৪০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, তার মা লীলাবতীর নামে পরিচালিত হিসাবে ১৬০ কোটি টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ১ হাজার ২৩৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে জমা করা হয়েছে- যা পরে বিভিন্ন সময়ে উত্তোলন করে অন্যত্র স্থানান্তর, রূপান্তর, হস্তান্তরপূর্বক তিনি এসব অর্থের অবস্থান গোপন করেন এবং অবৈধ উপায়ে অর্জিত এসব অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন। তার নামে-বেনামে ঢাকায় ফ্ল্যাট, বাড়ি ও গাড়িসহ আরও সম্পদ রয়েছে বলে মনে করে দুদক।

দুদকের অনুসন্ধানকালে প্রশান্ত কুমার হালদারের আয়কর নথি ও অন্যান্য রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তার নিজ নামে ৩২ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭২৬ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে, যা অর্জনের সপক্ষে আয়ের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া প্রশান্ত কুমার হালদার ৮টি কোম্পানিতে তার নিজ নামে, নিকটাত্মীয় ও কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে এবং বেনামে ৬৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৯৯ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, যার সপক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে তিনি ৯৯ কোটি ৬১ লাখ ২ হাজার ৯২৫ টাকার সম্পদ অর্জনের আয়ের সপক্ষে বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

এ ছাড়া প্রশান্ত কুমার হালদার ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের ৯টি দলিলমূলে ভালুকা উপজেলার হাতিবেড় এবং উথুরা মৌজায় সর্বমোট ৫৮৯ শতক জমি নিজ নামে ১ কোটি ৩৪ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন। ওই স্থাবর সম্পদ অর্জনের পক্ষে কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

দুদক কর্মকর্তা বলেন, আমরা তার ওপর নজর রাখছি। তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, প্রশান্ত কুমার হালদার অবৈধভাবে ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকা অর্জন করেছেন-দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারায় যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ কারণে গত ৮ জানুয়ারি মামলা করা হয়েছে। অনুসন্ধানকালে তার বিরুদ্ধে কয়েকটি ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির শীর্ষপর্যায়ে কর্মরত থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে নামে-বেনামে ২৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বেতন-ভাতাসহ ১২ কোটি ৪৮ লাখ টাকার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেলেও অবশিষ্ট ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকা আয়ের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, প্রশান্ত কুমার হালদারের দেশে যে পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে, তা ৫শ কোটি টাকার মতো হতে পারে। এখন এ সম্পদ ক্রোকের অনুমতির জন্য আমরা আদালতে যাবো। আদালতে আবেদন করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

দুদকের এক কর্মকর্তা বলেন, প্রশান্ত কুমার হালদারের নামে ঢাকায় একাধিক বাড়ি, প্লট ও ফ্ল্যাট থাকার পাশাপাশি নামে ও বেনামে একাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি অবৈধ ব্যবসাসহ বিভিন্ন অবৈধ উৎস থেকে অর্জিত সম্পদের বেশিরভাগই বিদেশে পাচার করেছেন। অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদের বিষয়ে পরে তদন্তকালে আন্তঃরাষ্ট্রীয় যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। মামলার তদন্তকালে আর কোনো সম্পদ অবৈধ উপায়ে অর্জন করেছেন মর্মে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালে কমপক্ষে চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) মালিকানায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসে। সেই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। একটি বিলুপ্তের পথে, বাকি তিনটিও গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। নানা কৌশল করে এসব প্রতিষ্ঠান দখল করার জন্য নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলেছেন, শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছেন, দখল করা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে টাকাও সরিয়েছেন। এমনকি দেশের বাইরেও কোম্পানি খুলেছেন। আর এই ব্যক্তি হলেন প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার। আর এসব কাজে তাঁকে সব ধরনের সমর্থন ও সহায়তা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, পি কে হালদারের দখল করা প্রতিষ্ঠান চারটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

এর মধ্যে গত বছরের জুলাইয়ে পিপলস লিজিং অবসায়নের জন্য অবসায়ক নিয়োগ করা হয়েছে। চারটি প্রতিষ্ঠান দখলে নিলেও কোনো প্রতিষ্ঠানেই পি কে হালদারের নিজের নামে শেয়ার নেই। প্রশান্ত কুমার হালদার প্রতিষ্ঠান দখল ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থার চোখের সামনে। অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও পেয়েছেন। সব শেয়ার অন্যদের নামে হলেও ঘুরেফিরে আসল মালিক পি কে হালদারই। নিজেকে আড়ালে রাখতে এমন কৌশল নেন তিনি। নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে পি কে হালদার গড়ে তুলেছেন একাধিক প্রতিষ্ঠান, যার বেশির ভাগই কাগুজে। এর বাইরে আনন কেমিক্যাল, নর্দান জুট, সুখাদা লিমিটেড, রেপটাইল ফার্মসহ আরও একাধিক প্রতিষ্ঠান।

কাগজে–কলমে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় আছেন পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, ভাই প্রিতিশ কুমার হালদার ও তার স্ত্রী সুস্মিতা সাহা, খালাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী, অভিজিৎ অধিকারীসহ বিভিন্ন আত্মীয়স্বজন। আবার ব্যাংক এশিয়ার সাবেক এমডি ইরফানউদ্দিন আহমেদ ও সাবেক সহকর্মী উজ্জ্বল কুমার নন্দীও আছেন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায়।

India-7.jpg

বিশ্বের কাছে মুখ পুড়ল ভারতের। বসবাসের জন্য সবচেয়ে বিপদজনক দেশগুলির তালিকায় ভারত রয়েছে ৫ নম্বরে। অথচ এই তালিকায় প্রথম ২০ টি দেশের মধ্যে নেই বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

ব্রিটিশ ম্যাগাজিন দ্য স্পেকটেটর ইনডেক্স (The Spectator Index) এর এক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে বসবাসের জন্য বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ হিসাবে ৫ নম্বরে নাম রয়েছে ভারতের। প্রথম ৪টি দেশ হলো- ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া ও আর্জেন্টিনা।

এই তালিকা অনুযায়ী ভারতের চেয়ে বসবাসের ক্ষেত্রে অনেক বেশি নিরাপদ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। সদ্য বিদায়ী বছরে বসবাসের জন্য বিপজ্জনক ২০টি দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নামও।

ওই তালিকার ২০ নম্বর অর্থাৎ শেষে রয়েছে থাইল্যান্ড এর নাম। বসবাসের জন্য বিপজ্জনক দেশের তালিকা-

১.ব্রাজিল, ২.দক্ষিণ আফ্রিকা, ৩.নাইজেরিয়া, ৪.আর্জেন্টিনা, ৫.ভারত, ৬.পেরু, ৭.কেনিয়া, ৮.ইউক্রেন, ৯.তুরস্ক, ১০.কলম্বিয়া, ১১.মেক্সিকো, ১২.ইউকে, ১৩.মিশর, ১৪.ফিলিপাইন, ১৫.ইতালি, ১৬.মার্কিন যুক্তরাস্ট্র, ১৭.ইন্দোনেশিয়া, ১৮.গ্রীস, ১৯.কুয়েত, ২০.থাইল্যান্ড।

২০১৯ সালে স্নাতকধারীর ক্ষেত্রে সেরা দেশ, সৌর শক্তি, ভবিষ্যতে কার্যকরী দক্ষতা, লিঙ্গ সমতা, ইউরোপে দুর্নীতি, পাঠদানের ক্ষেত্রে সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, ডিজিটাল দক্ষতা, ডায়াবেটিসে আক্রান্তের হার, বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত পেশাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেরা দেশগুলোর তালিকা প্রকাশ করেছে দ্য স্পেকটেটর ইনডেক্স।

farhana2.jpg

বাংলাদেশে স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা বলতে কিছু নেই। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রহসনে পরিণত হওয়ায় ভোটাররা এখন ভোটকেন্দ্র বিমুখ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা।

তিনি বলেছেন, সরকার যা চাইবে নির্বাচনে ঠিক তাই হবে। সরকার এখন যা এখন আজান দিয়েও ভোটারদের কেন্দ্রে নেয়া যাচ্ছে না।

সোমবার (২০জানুয়ারি) সংসদে জাতীয় গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণী নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি), সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), বিদেশি গণমাধ্যম, বিদেশি পর্যবেক্ষক, বামমোর্চা, ১৪ দলের শরীক এমনকি নির্বাচন কমিশনারদের বক্তব্যের পর অতি সম্প্রতি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদকের কিছু বক্তব্য কবরে শেষ পেরেক টোকার মতো প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশে স্বাধীন নির্বাচন ব্যবস্থা বলতে কিছু নেই। সরকার যা চাইবে নির্বাচনে ঠিক তাই হবে। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি প্রহসনে পরিণত হওয়ার কারণে ভোটাররা এখন ভোটকেন্দ্র বিমুখ। সরকারি দলের জোটসঙ্গী রাশেদ খান মেননের ভাষায় আজান দিয়েও এখন ভোটকেন্দ্রে ভোটার আনা যায় না। এর কারণও স্পষ্ট করেছেন, তিনি সাক্ষ্য দিয়ে বলেছেন, তিনি নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন কিন্তু জনগণ ভোট দিতে পারেনি।

বিএনপির এই এমপি বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেছেন, ‘আমি আশ্বস্ত করছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে’। নির্বাচন সুষ্ঠু করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের একক। এ বিষয়ে একজন মন্ত্রী এবং সরকারি দলের সাধারণ সম্পাদক কী করে আশ্বন্ত করেন, তা আমার মাথায় আসে না।

রুমিন বলেন, ভোট সুষ্ঠু করার দায়িত্ব যখন তিনি (আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক) নিচ্ছেন, তার মানে কি এই নয়, এতদিন সরকারি দলের ক্যাডার ও প্রশাসনই সুষ্ঠু নির্বাচনের একমাত্র অন্তরায় ছিল? নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা সরকারের ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এটা তাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। তিনি বলেন, সরকারের এই উদারতার কারণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজেই ব্যাখ্যা করেছেন এই বলে যে, সিটি নির্বাচনে হেরে গেলে সরকারের মাথার ওপর আকাশ ভেঙে পড়বে না। এর সরল অর্থ করলে দাঁড়ায় জাতীয় নির্বাচনে হেরে গেলে যেহেতু আকাশ ভেঙে পড়ার বিষয় থাকে তাই যেনতেনভাবে নির্বাচনে জেতা যেতেই পারে।

নির্ধারিত দুই মিনিট শেষ হওয়ায় এরপরই তার মাইক বন্ধ হয়ে যায়।

fgeahsrdjt.jpg

চীনে রহস্যময় এক নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন। চীনের কর্তৃপক্ষ গত দুইদিনে ১৩৯ জন এই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। খবর: বিবিসি বাংলা।

গত ডিসেম্বরে ইউহান শহরে প্রথম যে সংক্রমণের ঘটনা ঘটে, স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ তাকে করোনাভাইরাস বলে শনাক্ত করেছিল। গত সপ্তাহেই সিঙ্গাপুর, হংকং, সান ফ্রান্সিসকো, লস এঞ্জেলস এবং নিউইয়র্কে চীন থেকে আগত ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা হচ্ছিল।

এবার বাংলাদেশেও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও স্ক্রিনিং শুরু করার কথা জানানো হল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।

ইউহানের পর চীনের নতুন নতুন শহরেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব হচ্ছে। আক্রান্তদের মধ্যে আছে বেইজিং এবং শেনঝেন শহরের বাসিন্দারাও।

এদিকে, থাইল্যান্ড এবং জাপানের পর দক্ষিণ কোরিয়া আজ (সোমবার) জানাচ্ছে সেখানেও এই একই ভাইরাসে সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা দুইশো ছাড়িয়ে গেছে। মারা গেছে অন্ততঃ তিন জন।

বাংলাদেশে সর্তকতা:

ঢাকার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট বা আইইডিসিআর বলছে, তারা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে, কারণ চীন থেকে আসা সব বিমান এই বিমানবন্দর দিয়েই ওঠানামা করে। এছাড়া অন্যান্য বন্দরেও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশে এখনও করোনাভাইরাসে কারও আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করে আইইডিসিআর-এর পরিচালক ডাঃ সেবরিনা বলেন, স্বাস্থ্য-কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

বিমান বন্দরে স্থাপিত হেলথ ডেস্কে এসব কর্মীদের পাঠানো হচ্ছে। যেসব ফ্লাইট চীন থেকে আসছে সেসব ফ্লাইটের যাত্রীদের স্ক্যানিং করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “যারা শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা- জ্বর,কাশি,গলাবাথ্যা এসব নিয়ে আসছেন তাদের চেক করা হচ্ছে”।

আইইডিসিআর চারটি হটলাইনও খুলেছে। তারা বলছে, উল্লেখিত লক্ষ্মণগুলো কারো মধ্যে দেখা গেলে এসব হটলাইনে ফোন করে জানাোর জন্য।

নম্বরগুলো হচ্ছে:

০১৯৩৭১১০০১১

০১৯৩৭০০০০১১

০১৯২৭৭১১৭৮৪

০১৯২৭৭১১৭৮৫

আইইডিসিআর বলছে, কারও শরীরে এর কোনও লক্ষণ দেখা গেলে তারা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখবেন। এছাড়া বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন, এয়ারলাইন্সগুলো এবং এভিয়েশনে কাজ করা সবাইকে সচেতনও করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

বিমানবন্দরে যে এলইডি মনিটর রয়েছে সেখানে রোগের লক্ষণগুলো জানানো হচ্ছে এবং এবং কারও যদি এই লক্ষণগুলো থাকে তার হেলথ ডেস্কে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।

সংক্রমণ সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?

আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ করে তা গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। চীনের কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই সংক্রমণ যে ভাইরাসের কারণে হচ্ছে সেটি আসলে এক ধরণের করোনাভাইরাস।

অনেক ধরণের করোনাভাইরাস রয়েছে, কিন্তু শুধু ছয় ধরণের ভাইরাস মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে। নতুন ভাইরাস-সহ এটি হবে সপ্তম।

একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা দেয় সাধারণ সর্দি, কিন্তু মারাত্মক ধরণের সংক্রমণ বা সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম বা সংক্ষেপে সার্স হচ্ছে এক ধরণের করোনাভাইরাস। যাতে ২০০২ সালে ৮০৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছিল এবং এদের মধ্যে ৭৭৪ জন মারা গিয়েছিল।

ভাইরাসের জিনগত বৈশিষ্ট্য (জেনেটিক কোড) বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, মানুষকে আক্রান্ত করা অন্য করোনাভাইরাসের তুলনায় সার্সের সাথে এটির বেশি মিল রয়েছে।

ভাইরাসটা কি ছোঁয়াচে?

প্রাথমিকভাবে গবেষকরা বলেছিলেন যারা চীনের ইউহান শহরে মাছের বাজারে গিয়েছিলেন তারা এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। কিন্তু এমন কয়েকজন রোগী পাওয়া গেছে যারা কোন মাছের বাজার বা বাজারেই যাননি। অবশ্য এই ভাইরাস সম্পর্কে এখনো খুব বেশি তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।

ডা. সেবরিনা ফ্লোরা বলছিলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আমাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং তারা আশঙ্কা করছে মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে তবে এখনও এত বৃহৎ পরিসরে ভাবছে না সংস্থাটি। এবং ভাইরাসটা ছোঁয়াচে কিনা সে ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিশ্চিত করে কিছু বলেনি।

তিনি বলছিলেন, যখন শ্বাসতন্ত্রের অসুখ হয় তখন হাঁচি, কাশি থেকে আরেক জন সংক্রমিত হতে পারে এটা ভেবে নিয়েই আমরা আমাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ যদি একজন থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায় তাহলে অতি দ্রুত সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে।

vehicle.jpg

আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত জরিমানা ছাড়া মূল কর বা ফি জমা দিয়ে খেলাপি মালিকদের যানবাহনের কাগজপত্র হালনাগাদ করার সুযোগ দিয়েছে সরকার। সোমবার (২০ জানুয়ারি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এই সুযোগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গাড়ির কাগজপত্র (ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও রুট পারমিট) এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের জরিমানা ছাড়া মূল কর/ফি জমা দিয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত হালনাগাদ করা যাবে। অর্থ বিভাগ গত ৮ জানুয়ারি এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে।

আগামীতে খেলাপি যানবাহন মালিকদের আর কোনো সুযোগ দেয়া হবে না বলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অগ্রিম ঘোষণা প্রচার করবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পরিবহন-মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, এখন চালকরা যে ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে চালাচ্ছেন, আপাতত সেভাবেই গাড়ি চালাতে পারবেন। লাইসেন্স হালনাগাদ করতে আগামী জুন মাস পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে।