অ্যাটর্নি জেনারেল Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

Rafiq8.jpg

প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ছিলেন একজন ব্যতিক্রমী অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে যে সম্মানী পেতেন তার পুরোটাই রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতেন।

তবে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগের প্রথম মাসে তিনি তার সম্মানী থেকে ১ টাকা গ্রহণ করেছিলেন।

এ বিষয়ে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের জুনিয়র ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক বলেন, ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক স্যার।

তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার প্রথম মাসে শুধু তার সম্মানী থেকে ১ টাকা নিয়েছিলেন।

এছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তার বেতনের পুরো টাকাই রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দিয়ে দিতেন।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক তার বর্ণাঢ্য জীবনে আইন পেশায় প্রায় ৬০ বছর পার করেছেন।

পেশাগত জীবনে তিনি কখনও কোনও রাজনৈতিক দল করেননি। তবে নানা সময়ে রাজনীতিবিদরা তাকে পাশে পেয়েছেন।

বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ‘তিনি একাধারে নির্লোভ, নীতিবান ও সৎ মানুষ ছিলেন।

তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল থাকাকালে কোনও বেতন নেননি। অ্যাটর্নি জেনারেল থাকাকালে তিনি নিজেকে সরকার নয়, জনগণের সেবক মনে করতেন। তার মৃত্যুতে আইন অঙ্গনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়ের অবসান ঘটলো।

প্রসঙ্গত, ঢাকার আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে ‍ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যু হয়। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

ফুসফুসে সংক্রমণসহ নানা জটিলতা নিয়ে গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক।

এর মধ্যে তার স্ট্রোকও হয়েছিল। গত মঙ্গলবার থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।

রফিক-উল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালে কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে। বাবা মুমিন-উল হক পেশায় ছিলেন চিকিৎসক।

মা নূরজাহান বেগম। তার বাল্যকাল কেটেছে কলকাতায়। পড়াশোনা করেছেন চেতলা স্কুলে।

রফিক-উল হক ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন ১৯৫১ সালে। ১৯৫৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ১৯৫৭ সালে দর্শন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পর ১৯৫৮ সালে এলএলবি করেন।

এরপর কলকাতা হাই কোর্টে আইন পেশা শুরু করেন রফিকুল হক। ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে তৎকালীন পাকিস্তানের নাগরিক হয়ে চলে আসেন ঢাকায়।

১৯৬৫ সালে হাই কোর্টের আইনজীবী তালিকাভুক্ত হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে আপিল বিভাগে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন রফিক-উল হক। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল করা হয়েছিল তাকে।

সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অনেক রাজনীতিবিদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই করে আলোচনায় ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক।

ব্যারিস্টার রফিক বিভিন্ন সময় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সমাজ ও মানবতার সেবায় তার হাত ছিল সবসময়ই উদারহস্ত। যেখানেই সুযোগ পেয়েছেন হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমাজ-মানবতার সেবায়।

১৯৯৫ সালে রফিক-উল হক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সুবর্ণ ক্লিনিক; ঢাকা শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায়ও ভূমিকা ছিল তার।

আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ ২৫টিরও বেশি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তিনি সরাসরি জড়িত ছিলেন।

Amin9.jpeg

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার তাকে ১৪তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়ার বিষয়টি জানিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার ড. মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিনকে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তিনি বাংলাদেশের ১৩তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।

মাহবুবে আলম সুপ্রিম কোর্ট বারের ১৯৯৩-৯৪ সালে সম্পাদক ও ২০০৫-২০০৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।

পরে ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। আমৃত্যু এই পদেই ছিলেন তিনি।

pm-atoni-hamid-20200927145836.jpg

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ও সিনিয়র আইনজীবী মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে এক শোকবার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রোববার রাতে এক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, দেশের আইন অঙ্গনে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবে আলমের অবদান জাতি সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তিনি একজন প্রথিতযশা আইনজীবী হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক আইনী বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ভূমিকা রেখেছেন এবং সবসময় ন্যায়নিষ্ঠ থেকে আইনপেশায় নিয়োজিত ছিলেন যা অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

পাশাপাশি মাহবুবে আলমের মৃতু্ত্যে শোক জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর জ্বর নিয়ে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি হন ৭১ বছর বয়সী মাহবুবে আলম। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ই সেপ্টেম্বর মাহবুবে আলমের শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটলে আইসিইউতে নেয়া হয়।

ওই সময় আইনমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মাহবুবে আলমের সর্বশেষ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছিল।

মাহবুবে আলম ২০০৯ সালে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে নিয়োগ পান। তারপর মৃত্যু অবধি ওই পদে ছিলেন। পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতে একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন মাহবুবে আলম।

এছাড়া সংবিধানের পঞ্চম, সপ্তম, ত্রয়োদশ ও ষোড়শ সংশোধনী মামলা পরিচালনাও করেন তিনি।

mahabuba-alam-20190323150602.jpg

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এখনো ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন।

তার সুস্থতায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার।

মাহবুবে আলমের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে তার জামাতা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ মো. রিয়াজুল হক শনিবার জানান, তাকে সিএমএইচে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেলের সুস্থতায় পরিবারের পক্ষ থেকে জামাতা অ্যাডভোকেট রিয়াজুল দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। করোনামুক্ত হলেও তার শারীরিক অন্যান্য জটিলতা দেখা দেয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোরে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এখনো নিবিড় পরিচর্যায় তার চিকিৎসা চলছে।

গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল জ্বর অনুভব করেন। জ্বর ও গলা ব্যাথা নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ওই দিনই করোনা পরীক্ষা করা হয়।

রিপোর্টে তার করোনা পজিটিভ আসে। ১৯ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

mahabuba-alam-20190323150602.jpg

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের অবস্থা সংকটাপন্ন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে তার ফুসফুস কাজ করছে না বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।

অন্যদিকে, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘তার ফুসফুসে কাজ করছে না।

ফুসফুসে পানি জমেছে। অবস্থা খুব একটা ভালো না, তিনি শংকামুক্ত নয়। সবাই দোয়া করবেন।’

এর আগে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি হয়।

ওই দিনই করোনা পরীক্ষা করালে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়।

এরপর, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) করোনাভাইরাস থেকে আরোগ্য লাভ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

অ্যাটর্নি জেনারেলকে দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত অ্যাডভোকেট মাসুদ মিয়া জানান, ‘তিনি করোনা মুক্ত হয়েছেন।

আগের থেকে ভালো আছেন। ছেলে-মেয়েরা তাকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছেন।’

প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক মাহবুবে আলমের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। তাই প্রধানমন্ত্রীসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া চেয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের স্ত্রী বিনতা মাহবুব।

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম করোনা পজিটিভ।

চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবী বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা শুনেছি ওনার করোনা পজিটিভ।’

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত অ্যাটর্নি জেনারেল সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হয়েছেন বলেও জানান তারা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তার শরীরে জ্বর দেখা দেয়। পরে চিকিৎসক তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল সিএমএইচ-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তার শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানকার কর্মরত ডাক্তাররা সার্বক্ষণিক তার চিকিৎসায় নিয়োজিত আছেন।

এর আগে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে যান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এসএম মুনির।

ওইদিন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের নেতৃত্বে দুই অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল (মুরাদ রেজা ও মোমতাজ উদ্দিন ফকির), ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলসহ শতাধিক আইনজীবী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন, ড. বশির উল্লাহ, গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, আসাদুজ্জামান মনিরসহ অন্যান্য আইনজীবীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।