খিচুড়ি রান্না Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

kichuri6-1280x768.jpg

ব্যাপক সমালোচনার মুখে অবশেষে খিচুড়ি রান্না শিখতে কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের বিষয়টি বাতিল করতে বলেছে পরিকল্পনা কমিশন।

করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি মাথায় রেখে কোনো প্রকল্পেই বিদেশ ভ্রমণ খাত রাখা হচ্ছে না।

প্রাইমারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় একটি প্রকল্পে বিদেশে গিয়ে ডিম-খিচুড়ি, সবজিসহ অন্যান্য খাবার রান্না ও প্রসেসিং শিখতে পাঁচ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল।

এছাড়া দেশে একই বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য আরো ১০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছিল। কমিশন পুরো বিষয়টিই বাতিল করতে বলেছে।

খিচুড়ি রান্না শেখার জন্য ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের ভারত সফরে পাঠানোর প্রস্তাব করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

সংবাদটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর দেশব্যাপী সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা করেছে।

পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদ পিইসি সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভায় খিচুড়ি বিষয়ক প্রস্তাবটি বাতিল করা হয়।

দুটি খাত বাতিলের বিষয় নিয়ে আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ বলেন, কেউ আমাদের কাছে একটি আবদার করলেই হবে না।

আমরা একনেকের (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) অনুশাসনের বাইরে যেতে পারবো না।

বর্তমানে করোনা সংকট চলছে। কোনো প্রকল্পেই বিদেশ ভ্রমণের খাত রাখা হচ্ছে না। তাহলে এ প্রকল্পে সেটা কেন থাকবে।

তিনি আরো বলেন, দেশে প্রশিক্ষণ খাতও বাতিল করা হয়েছে। জনগণের এক টাকাও অপচয় করতে দেওয়া হবে না।

তাই ১৫ কোটি টাকার প্রস্তাব বাতিল করতে বলা হয়েছে। তবে দেশে প্রশিক্ষণের জন্য হয়তো ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা রাখা হবে।

প্রকল্পের অন্যান্য খাতও চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। অনেক খাত বাতিল করাসহ ব্যয় কমাতে বলেছি। আবার কিছু খাত বাড়াতেও বলেছি।

প্রকল্পটি ৫০৯টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হবে। আমরা যদি দেখি একটি বা দুটি উপজেলা বাড়াতে হবে, তবে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

বর্তমানে ৩৩ লাখের মতো শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে। বিভিন্ন কারণে তারা স্কুলে যাচ্ছে না।

খাবার বিতরণের ফলে শিশুরা স্কুলে যাবে এবং তাদের পুষ্টিগত সমস্যা নিরসন হবে বলে দাবি ডিপিইর।

১৯ হাজার ২৮২ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয়ের এই কর্মসূচির মাধ্যমে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষার্থীকে খাদ্য সরবরাহ করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় সপ্তাহে তিনদিন শিক্ষার্থীদের দুপুরে খিচুড়ি-ডিম ও সবজি দেওয়া হবে। বাকি তিন দিন দেওয়া হবে পুষ্টিকর বিস্কুট।

প্রকল্পের বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশন কিছু নির্দেশনা দিয়েছে। প্রকল্পের আওতায় কিছু কিছু আইটেম বাবদ ৭ কোটি ৫০ লাখ, আসবাব পত্র বাবদ ২ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।

এছাড়া প্রকল্পের আওতায় একটি জিপ ও ছয়টি মাইক্রোবাস কিনতে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে।

পেট্রোল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট বাবদ ৮০ লাখ টাকা, যানবাহন ও যাতায়াত বাবদ ২০ লাখ টাকা, বিশেষভাবে যানবাহন মেরামত বাবদ দেড় কোটি চাওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন ব্যয়ের প্রস্তাব যৌক্তিক করার নির্দেশ দিয়েছে।

খাদ্য কেনা বাবদ ১৭ হাজার ১৮৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, খাদ্য বিতরণ ফি বাবদ ১ হাজার ৭১৮ কোটি ৫৮ লাখ, প্রাইজ কন্টিনজেন্সি খাতে ১৯০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় প্লেট কেনা বাবদ ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। তবে কতটি প্লেট কেনা হবে তার সংখ্যা উল্লেখ করেনি ডিপিই।

ডিপিপিতে কি তথ্যের ভিত্তিতে এ সকল খাতের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে তা বোধগম্য হচ্ছে না পরিকল্পনা কমিশনের।

এই বিষয়টির যৌক্তিকতাসহ বিস্তারিত বিবরণ জানতে চেয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

Akram-al-hosen.jpg

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আকরাম-আল-হোসেন জানিয়েছেন, খিচুড়ি রান্না প্রশিক্ষণের জন্য নয়, অন্যান্য দেশ স্কুলে মিড ডে মিল (দুপুরের খাবার) কীভাবে বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা অর্জনে বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মোট প্রকল্পের অতি অল্প অর্থ ব্যয় ধরা হয়েছে। এ অর্থ ব্যয় কোনো অপচয় নয় বরং অভিজ্ঞতা অর্জনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

আকরাম-আল-হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের কোনো অর্থ এখনো ছাড়া হয়নি। পরিকল্পনা কমিশন কিছু জিজ্ঞাসা পাঠিয়েছে। তার জবাব পাঠানো হবে।

এরপর একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন হবে। স্কুল ফিডিং প্রকল্প ১০৪টি উপজেলায় চালু ছিল যা ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে।

আগামী বছর থেকে সারাদেশে নির্বাচনী ইস্তেহারমতে সব স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার দেয়া হবে।

‘এটা বাস্তবায়ন সঠিকভাবে করার জন্য ভারতসহ যেসব দেশ মিড ডে মিল চালু করেছে, সেসব দেশ থেকে অভিজ্ঞা অর্জনের জন্য এক হাজার কর্মকর্তার এ প্রশিক্ষণের কম্পোনেন্টা রাখা হয়েছে, যোগ করেন আকরাম-আল-হোসেন।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, খিচুড়ি রান্না ও পরিবেশন শিখতে বিদেশ যাচ্ছেন বেশ কিছু কর্মকর্তা।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় এসব কর্মকর্তারা বিদেশ যাবেন বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্কুল ফিডিং কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক মো. রুহুল আমিন জানান, এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় কীভাবে খিচুড়ি রান্না করা হয়, এর পরিবেশ ও পরিবেশন দেখতে এই প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু কর্মকর্তা বিদেশ যাবেন। কবে কতজন যাবেন সে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

kichuri5.jpg

স্কুল শিক্ষার্থীদের রান্না করা সবজি খিচুড়ি বা ডিম খিচুড়ি সরবরাহের কাজে এক হাজার জন সরকারি কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

মূলত বিভিন্ন দেশের স্কুলগুলোতে বাজার থেকে শুরু করে রান্না করা এবং কীভাবে তা শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা তা দেখতেই বিদেশ ভ্রমণের আয়োজন। ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ কাজে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মকর্তা ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন বিভাগের কর্মকর্তাদের এ বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন।

এর মধ্যে বিদেশে প্রশিক্ষণের প্রস্তাবিত ‘প্রাইমারি স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম’-এ পাঁচ কোটি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

খিচুড়ি রান্না করতে শুধু বিদেশ প্রশিক্ষণই নয়, স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রস্তাবিত প্রাইমারি স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম এর আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। বিশাল ব্যায়ের এ কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছর দেশের ৫০৯টি উপজেলায় এক কোটি ৪৭ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষার্থীদের মাঝে তিন দিন গরম খিচুরি এবং তিন দিন পুষ্টিকর বিস্কুট সরবরাহ করা হবে।

প্রস্তাবিত কর্মসূচি থেকে বিদেশে প্রশিক্ষণ বাদ দিতে চায় কমিশন। এছাড়া স্থানীয় প্রশিক্ষণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ব্যাখ্যা চেয়েছে কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুষ্টিকর বিস্কুট ও গরম খাবার বিতরণ দেশে নতুন নয়। এ কাজ আগে থেকে করে আসছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

চলমান দারিদ্র্য পীড়িত এলাকায় ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০৪ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৭৫ গ্রাম ওজনের এক প্যাকেট করে উচ্চ পুষ্টিমান সমৃদ্ধ বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে।

এটি ২০১০ সালে শুরু হওয়ার ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি শেষ হচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে ।

এছাড়া জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯ অনুযায়ী চার লাখ ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে সবজি খিচুড়ি ও ডিম খিচুড়ি সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং চলমান দারিদ্র্য পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খান জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুলগুলোতে কীভাবে রান্না হয়, কীভাবে শিক্ষার্থীদের বিতরণ করা হয় তা জানতেই পাঁচ বছরে এক হাজার কর্মকর্তার বিদেশ প্রশিক্ষণ প্রস্তাব করা হয়েছে।

পুষ্টিকর বিস্কুটের পাশাপাশি প্রস্তাবিত কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী রান্না করা খাবার দেওয়া হবে স্কুলগুলোতে। এ জন্য বিদেশে প্রশিক্ষণের দরকার রয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরো জানান, গত বছরে তারা ভারতের বিভিন্ন স্কুল গিয়েছেন এবং সেখানে কীভাবে রান্নার আয়োজন করা হয় তা দেখেছেন।

নতুন প্রস্তাবিত কর্মসূচির আওতায় আরো অধিক সংখ্যাক কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে অভিজ্ঞতার সুযোগ দিতে চান তারা।

তবে কোন দেশে যাবেন তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। প্রকল্প অনুমোদনের পর তা ঠিক করা হবে।

বিদেশি প্রশিক্ষণ নিয়ে এলে সরকারি কর্মকর্তারা প্রতক্ষ্যভাবে বাজার, খিচুড়ি রান্না ও সরবরাহে যুক্ত থাকবেন কিনা সে বিষয়ে প্রতিবেদনটিতে কিছু বলা হয়নি।

এদিকে নতুন কর্মসূচি থেকে দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণসহ আরও বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় ব্যয় চিহ্নিত করেছে পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন, কর্মসূচির ‘সোশ্যাল মবিলাইজেশন’ খাতে সাড়ে ৭ কোটি, পরামর্শক খাতে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাবের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এছাড়া আসবাবপত্র ক্রয়ে দুই কোটি টাকা, আট লাখ টাকা ব্যয়ে শীতপত নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে (এসি) ক্রয়ের প্রস্তাবের বিষয়েও ব্যাখা চেয়েছেন কমিশন।

প্রকল্প প্রস্তাবে বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজনে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের ১৭ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা (৮৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ) ব্যয় ধরা হয়েছে খাদ্য ক্রয়ে।

এ ছাড়া খাদ্য সরবরাহে ১৭ কোটি টাকা, প্লেট ক্রয়ে ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

পণ্যের মূল্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রাইজ কন্টিনজেন্সি খাতে ১৯০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

কোনো সমীক্ষা ছাড়া এ ধরণের ব্যয় প্রাক্কলক যৌক্তিকভাবে কমিয়ে আনা উচিত বলে মনে করে পরিকল্পনা কমিশন।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি জিপ ও ৬ টি মাইক্রোবাস ক্রয় করতে চায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

এছাড়া, যানবাহন রক্ষাণাবেক্ষণে দেড় কোটি টাকা, পেট্রোল, অয়েল এন্ড লুব্রিকেন্ট ক্রয়ে ৮০ লাখ টাকা এবং যাতায়তে ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

যানবাহন খাতে ব্যয়ের বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা চেয়ে কমিশন। প্রকল্পে তদারকি ও মূল্যায়ন ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।