গাঁজা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

palestine6c.png

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গত মে মাসে টানা বিমান হামলা চালিয়ে প্রায় ৪০ হাজার বাড়িঘরের ক্ষতি করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এখন সেগুলো সংস্কার বা পুনর্নির্মাণও করতে দিচ্ছে না তারা। ফলে যুদ্ধবিরতির মাস পার হলেও এখনো খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে হাজার হাজার ফিলিস্তিনির।

গত মে মাসে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলিদের নির্বিচার হামলায় অন্তত ২৫৭ ফিলিস্তিনি নিহত হন, যাদের মধ্যে ৬৬ শিশুও রয়েছে। বিপরীতে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে প্রাণ হারান বিদেশিসহ ১৩ জন।

গাজা সরকারের হিসাব অনুসারে, ১১ দিনের ওই যুদ্ধে ইসরায়েলের হামলায় উপত্যকার অন্তত ২ হাজার ২০০ ঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৩৭ হাজার।

গত ২১ মে মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠী হামাস। যুদ্ধবিরতির আলোচনার সময় মধ্যস্থতাকারী দুই দেশ গাজায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর এবং রাস্তাঘাট পুনর্নির্মাণে ৫০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তার প্রস্তাব দেয়।

হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযোগ, সংগঠনটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দেয়। গাজাবাসীর জন্য সংগ্রহ করা অর্থের সিংহভাগ তারা অস্ত্র কেনায় ব্যয় করে বলেও অভিযোগ দখলদারদের। ইসরায়েলের সন্দেহ, ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলার পেলে তার বড় অংশ এ কাজেই ব্যয় করবে হামাস। অবশ্য রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে অস্বীকার করে আসা হামাস বরাবরই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ২০ লাখ অধিবাসীর দুই-তৃতীয়াংশের জীবনই সহায়তা-নির্ভর। ফলে গৃহহীনদের অবস্থা এখন আরও সংকটাপন্ন। কেউ কেউ জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুল বা অন্য কোনো ভবনে থাকছেন। অনেকের মাথার ওপরে শুধুই খোলা আকাশ।

এ অবস্থায় অর্থ সহায়তার কথা উঠলেই ইসরায়েল বলছে, ২০১৪ সালের যুদ্ধের সময় নিখোঁজ তাদের দুই সেনাসদস্য এবং দুজন বেসামরিক নাগরিককে ফিরিয়ে দিলেই কেবল অর্থসহায়তা পৌঁছাতে দেয়া হবে।

ইসরায়েলিদের এমন অযৌক্তিক দাবির ফলে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে ফিলিস্তিনিদের ঘরে ওঠার স্বপ্ন। কারণ, যে দুই সৈন্যকে ফেরত চাওয়া হচ্ছে ইসরায়েলই ইতোপূর্বে তাদের ‘মৃত’ ঘোষণা করেছে। তাছাড়া হামাসের মতে, ইসরায়েল আটক ফিলিস্তিনিদের ফিরিয়ে দিলেই কেবল বন্দি ইসরায়েলিদের ফিরিয়ে দেয়া যাবে। ডয়েচে ভেলে।

gaja2.jpg

লালমনিরহাটে অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের চালক সাইদুল ইসলামকে (৪০) আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাতে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম মহাসড়কের আদিতমারী থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করা হয়। শুক্রবার (১৮ জুন) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওই চালককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি (তদন্ত) গুলফামুল ইসলাম।

আটককৃত সাইদুল ইসলাম কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা।

জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা থেকে রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মাদক কারবারিরা মহিপুর হয়ে বগুড়ার উদ্দেশে ৪০ কেজি গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিলো। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ আদিতমারী থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করে।

shell-gaza.jpg

সম্প্রতি গাজায় ১১ দিন ধরে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। এ সময়ে শত শত বোমা ফেলা হয়েছে আকাশ থেকে। এতে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা। বিধ্বস্ত গাজা থেকে এবার অবিস্ফোরিত অবস্থায় প্রায় ৩০০ শেল ও মিসাইল উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

গাজার পুলিশ প্রধান মাহমুদ সালাহ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি এও জানান যে, আরো অবিস্ফোরিত কোনো শেল বা অন্য কোনো অবজেক্ট আছে কি না- তা তারা তাদের সীমিত সক্ষমতা দিয়ে অনুসন্ধানের চেষ্টা করছেন।

তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদুলু জানিয়েছে, পুলিশ এই সংবাদ সম্মেলনটাও তাদেরই ভবনের ধ্বংসস্তূপের ওপর অনুষ্ঠিত হয়। সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হয় গাজার পুলিশ হেডকোয়ার্টার।

মাহমুদ সালাহ বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার ধ্বংস হলেও তারা গাজার মানুষের রক্ষা ও তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক ১১ দিনের সংঘাত শেষে গত শুক্রবার থেকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। সংঘাতে বর্বর ইসরায়েলি হামলায় ২৪৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। এর মধ্যে ৬৬ জন শিশু এবং ৩৯ জন নারী হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় দুই হাজার। অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর রকেট হামলায় অন্তত ১২ ইসরায়েলি নিহত হয়।

pan-gaza.gif

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রাইপুর গ্রামের একটি পান বরজ থেকে সাতটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পান বরজ মালিক কুতুব উদ্দিনকে (৬০) আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ মে) বিকালে অভিযান চালিয়ে গাঁজাগাছ জব্দ ও পান বরজ মালিককে আটক করে গাংনী থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি পান বরজে গাঁজা চাষ হচ্ছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সেখানে বড় আকারের সাতটি গাঁজাগাছ পাওয়া যায়। পরে সেগুলো কেটে জব্দ করা হয়। গাঁজা চাষের অপরাধে আটক করা হয় বরজের মালিক কুতুব উদ্দিনকে।

আটকের কুতুব উদ্দিন পুলিশের কাছে দাবি করেন, গাঁজা চাষের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তার ছেলে সবুজ হোসেন এই পান বরজ দেখাশোনা করেন। সবুজকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, পান বরজে গাঁজাগাছ চাষ করায় বরজের মালিককে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জব্দকৃত গাঁজা গাছগুলো আদালতে পাঠানো হবে। গাঁজা চাষের বিষয়ে তদন্ত করে আত্মগোপনে থাকা সবুজ হোসেনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

pales4.jpg

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলী দখলদার বাহিনী। সংঘাতের নবম দিনে নিহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। গাজার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষ ‍শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ২১২ জন। এছাড়া সেখানে আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৬১টি শিশু ও ৩৬ জন নারী রয়েছেন। আর হামাসের রকেট হামলায় ইসরায়েলের দুই শিশুসহ দশ জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, গত ১০ মে থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রায় ৩ হাজার ৩৫০ টি রকেট ছুড়েছে হামাস। এর মধ্যে শুধু সোমবারই তারা ছুড়েছে ২০০ রকেট।

তার আগের দিন, রোববার মধ্যরাতের পর গাজার মূল শহরসহ আশপাশের এলাকায় ৫০ টি যুদ্ধ বিমান নিয়ে ২০ মিনিট ধরে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছিল ইসরায়েলের বিমান বাহিনী।

দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে,বিমান বাহনী ইসরায়েলের জন্য বিপজ্জনক ৩৫টি লক্ষ্যবস্তু ও হামাস যোদ্ধাদের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গপথ, যেগুলোর সম্মিলিত দৈর্ঘ্য ১৫ কিলোমিটার, ধ্বংস করতে সমর্থ হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তাদের অভিযানে এ পর্যন্ত হামাসের সামরিক শাখার অন্তত ১৩০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন।

a32.jpg

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সবজির বাগানে চাষকৃত গাঁজা গাছসহ শহিদ মিয়া (৭০) নামে এক ব্যক্তি আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নোয়ামুড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ আখাউড়া থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রসুল আহমদ নিজামী বলেন, আটককৃত ব্যক্তির সবজি ক্ষেতের মধ্যে গাঁজা গাছ রয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি গাঁজা গাছসহ তাকে আটক করে পুলিশ।

তবে আটককৃত বৃদ্ধ শহিদ মিয়া পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তিতি বেগুনের জমি চাষ করেছেন। এই জমিতে বেগুন গাছের সঙ্গে গাছটি বড় হতে থাকে। গাঁজার গাছ কিনা সেটা তিনি জানতেন না বলে পুলিশকে জানান। বন ফুলের সুন্দর গাছ ভেবে তিনি তা এতদিন কাটেননি। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হাজির করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে আলম জানান, সরকারকে না জানিয়ে নিষিদ্ধ গাঁজা চাষ করার জন্যে দায়ে তাকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বয়স বিবেচনা করে মুচলেকা রেখে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

gaja65.jpg

কঠিন ড্রাগের তালিকা থেকে বাধ হলো গাঁজার নাম। এর আগে জাতিসংঘে গাঁজা নিয়ে ভোট  হয়েছে। এখন থেকে তা ব্যবহার করা যাবে ওষুধ তৈরির গবেষণার কাজে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতিসংঘ। এত দিন ধরে গাঁজাকে যে ধরনের মাদকের তালিকায় রাখা হয়েছিল। সে ধরনের তালিকা  থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে গাঁজাকে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় গাঁজার প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ।

অন্যদিকে ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এই বিষয়ে জাতিসংঘকে সিদ্ধান্ত নেয়ার আর্জি জানিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) জাতিসংঘের নারকোটিক ড্রাগ কমিশনে এই ভোটাভুটি হয়। একটি দেশ সেখানে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং বাকি দেশগুলির ভোটে ২৭ থেকে ২৫ ফলাফল হয়। গাঁজাকে কঠিন ড্রাগ হিসেবে চিহ্নিত করার বিরোধী ২৭টি দেশ আর ২৫টি দেশ পক্ষে এর ফলে জয় হয় গাঁজার।

এতদিন কঠিন ড্রাগের চতুর্থ তালিকায় রাখা হতো গাঁজাকে। একই তালিকায় হেরোইন ও বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ড্রাগও রয়েছে।

তবে এই ধরনের ড্রাগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে জানিয়ে দিয়েছেন জাতিসংঘ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৯ সালে জাতিসংঘকে জানিয়েছিল গাঁজাও ওই একই তালিকায় থাকায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের নানান রকমের গবেষণায় সমস্যা হচ্ছিলো।

বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি সম্ভব গাঁজা থেকে যা মানুষের জন্য খুব প্রয়োজনীয়। এত দিন কঠিন ড্রাগের তালিকায় নাম থাকার কারণে তা ব্যবহার করা যাচ্ছিলো না গবেষণার ক্ষেত্রে। এই কারণেই ভোটাভুটির ব্যবস্থা গ্রহণ করেন জাতি সংঘের নারকোটিক ড্রাগ কমিশনে।

কঠিন তালিকা থেকে গাঁজার নাম না বাধ দেওয়াতে গাঁজা প্রেমিদের খুশি হওয়ার কারণ নেই।

কারণ এখনো মাদকের তালিকাতেই রাখা হয়েছে গাঁজাকে। এছাড়াও সাধারণের ব্যবহারের জন্য সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়া হয়নি। শুধু মাত্র ওষুধ তৈরির জন্য কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।

সাধারণ মানুষ গাঁজা বা গাঁজা গাছের রস থেকে তৈরি চরস সেবন করলে শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

গাঁজার অতিরিক্ত নেশা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইনে স্পষ্টই বলা হয়েছে এসব তথ্য।

gaja1.jpg

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চারটি গাঁজার গাছসহ রঞ্জনা রানী (২৮) নামের এক নারী গাঁজা চাষীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাতে  উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের গুড়পিপুল গ্রামের নিজবাড়ি থেকে তাকে চারটি গাঁজা গাছসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত রঞ্জনা রানী ওই গ্রামের সহদেবের  স্ত্রী।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রঞ্জনা ও তার স্বামী সহদেব দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির আঙ্গিনায় গাঁজা চাষ করে আসছিল ।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাড়াশ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারটি গাঁজার গাছসহ রঞ্জনাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও তার স্বামী পালিয়ে যায়।

এ প্রসঙ্গে তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক জানান, এ ঘটনায় তাড়াশ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

varoti.png

বলিউডের মাদকযোগ মামলায় শনিবার (২১ নভেম্বর) চাঞ্চল্যকর মোড়। ভারতীয় টেলিভিশনের জনপ্রিয় কমেডিয়ান ভারতী সিংয়ের মুম্বাইয়ের ফ্ল্যাটে রেইড করে নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার করলো নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো।

এনসিবির তিনটি পৃথক টিম অন্ধেরি, লোখান্ডওয়ালা ও ভারসোভাকে তল্লাশি চালায়। এইদিনের তল্লাশি শেষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভারতী ও হর্ষকে আটক করে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এনসিবির ব্যালাড এস্টেট অফিসে। বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ড্রাগ নিয়ে জবাব দিতে হবে তাদের।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়ে জানিয়েছেন, ভারতী এবং তার স্বামী দু’জনেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে, তাদের বাড়ি থেকে যে মাদকদ্রব্য মিলেছে সেই নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

এক দশক ধরে ভারতীয় টেলিভিশনে নিজের কমেডির জাদুতে দর্শকদের মুগ্ধ করে রেখেছেন ভারতী।

দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফটার চ্যালেঞ্জের চার নম্বর সিজন দিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় জার্নি শুরু হয়েছিল ভারতীর।

এরপর কমেডি সার্কাস, কমেডি নাইটস,দ্য কপিল শর্মা শোয়ের মতো একাধিক হিট কমেডি শোয়ের অংশ থেকেছেন ভারতী।

২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর চিত্রনাট্যকার, লেখক হর্ষ লিম্বোচিয়ার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন ভারতী।

একসঙ্গে নাচ বলিয়ে, খতরোকে খিলাড়ির মতো শোতে অংশ নিয়েছেন তারা। নিজেদের প্রযোজনা ও সঞ্চালনায় ‘খতরা খতরা খতরা’ শো লঞ্চ করেছিল এই জুটি, যা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। আপতত সোনি টিভিতে ‘ইন্ডিয়াজ বেস্ট ডান্সার’ শো যৌথভাবে সঞ্চালনা করেছেন হর্ষ-ভারতী।

ড্রাগ মামলায় গত ১৩ নভেম্বর বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপালকে টানা ৭ ঘণ্টা জেরা করে এনসিবি।

তার আগে দু’দিন টানা অর্জুনের বান্ধবী গ্যাব্রিলেয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

Ria2.jpg

লকডাউনে রিয়ার সান্তা ক্রুজের ফ্ল্যাটেও কিছুদিন থাকতে চেয়েছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত।

জেরায় রিয়া চক্রবর্তীর থেকে এমনই তথ্য পেয়েছে এনসিবি। রিয়া আর সুশান্ত দুজনেই গোপনে গাঁজা আনিয়েছিলেন।

যে ক্যুরিয়ার সংস্থার মাধ্যমে তাঁরা গাঁজা আনিয়েছিলেন সেই সংস্থার পক্ষ থেকেই একজন চিহ্নিত করে শৌভিক ও স্যামুয়েলকে।

এপ্রিল মাসে একটি বাক্সে ৫০০ গ্রাম গাঁজা-সহ আরও বাড়ির কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্যুরিয়ারে আসে রিয়া চক্রবর্তীর ফ্ল্যাটে।

সুশান্তের ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

কিন্তু যে সময় ক্যুরিয়ারটি তাঁর বাড়িতে যায় তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন না রিয়া।

ফলে শৌভিক চক্রবর্তীই প্যাকেটটি রিসিভ করেছিলেন। সান্তা ক্রুজের ওই ফ্ল্যাটেই বাবা ইন্দ্রজিৎ চক্রবর্তী, মা সন্ধ্যা চক্রবর্তী আর ভাই শৌভিকের সঙ্গেই থাকতেন রিয়া।

জেরায় রিয়া জানিয়েছেন, যাতে অন্য কারোর হাতে প্যাকেটটি না পড়ে কিংবা কোনও অসুবিধে না হয় সে কারণেই ক্যুরিয়ার সংস্থার মাধ্যমে গাঁ’জার প্যাকেট পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা।

এনসিবি হেফাজতে নিয়েছে ক্যুরিয়ার সংস্থার ওই কর্মীকেও। তিনিই শনাক্ত করেন দীপেশ সাওয়ান্ত এবং শৌভিক চক্রবর্তীকে।

এরপর ওই ক্যুরিয়ার সংস্থার কর্মী এবং দীপেশের কললিস্টও যাচাই করে দেখা হয়।

সুশান্তের জন্য বেআইনি মা’দক সংগ্রেহের জেরেই রিয়া সহ-বাকিদের দ্রেফ’তার করে এনসিবি।

মাদক ব্যবসায়ী জায়েদ বিলাতরা এবং বাসিত পরিহারও রয়েছে এনসিবির হেফাজতে।

এদের সকলেরই জামিনের আবেদন শুক্রবার নাকচ হয়ে যায়।

আগামী সপ্তাহেও রিয়ার জন্য জামিনের আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবী সতীশ মানশিন্ডে।

প্রয়োজনে বোম্বে হাইকোর্টেও যাওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাইকুলা কারাগারেই থাকবেন রিয়া।

এনসিবির তরফে জানানো হয়েছে, সুশান্তের জন্য তিনি যে ড্রাগ আনানোর ব্যবস্থা করতেন তা নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন রিয়া।

তবে জামিনের আবেদন করে তিনি বলেছেন, তিনি নির্দোষ এবং এই মামলায় তাঁকে মিথ্যে জড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারের দিনও জোর করে তাঁকে স্বীকার করানো হয়েছিল যে তিনি অপরাধী।

জেল সূত্রে খবর, রিয়াকে শোওয়ার জন্য ম্যাট অর্থাৎ পাটি দেওয়া হয়েছে। তবে বিছানা বা বালিশের কোনও ব্যবস্থা নেই।

কোনও সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যানেরও ব্যবস্থা নেই সেই সেলে। আদালতের নির্দেশে এগুলি সেলে পেতে পারবেন রিয়া।

দু’একটি পোশাক, টুথ ব্রাশ-পেস্ট এবং কয়েকটি জরুরি সামগ্রী ছাড়া রিয়ার সঙ্গে কিছুই নেই, দাবি করা হয়েছে জেল সূত্রে৷

করোনাভাইরাসের কারণে প্রত্যেক বন্দিকেই দুধ ও হলুদ দেওয়া হচ্ছে ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য।

মুম্বইয়ের এই মহিলা সংশোধনাগারে কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি করোনা রোগীর সন্ধানও মিলেছে।