জাতিসংঘ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

vasanchor-20190325200645.jpg

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরে সরকারের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ। তবে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা হলে সেখানে বসবাসের জন্য কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে- তা সরকারের কাছে জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (২৫ মার্চ) ঢাকার জাতিসংঘ কার্যালয়ে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে রোহিঙ্গাদের বিকল্প স্থানে সরিয়ে নেয়ার যে পরিকল্পনা সরকার করেছে জাতিসংঘ সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। তবে এ স্থানান্তর যেন রোহিঙ্গাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না ঘটে।

বলা হয়, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর নিয়ে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে জাতিসংঘ। এ ধরনের স্থানান্তরের সময় নিরাপত্তা, সহযোগিতা ও কারিগরি সুবিধা প্রয়োজন হয়। সেসব বিষয়েও সরকারের সঙ্গে কথা বলেছে জাতিসংঘ। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ এবং টেকসই বসবাস নিশ্চিত করতে সেখানে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত জটিল বিষয়সমূহ নিয়ে আমরা সরকারের সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।

ভাসানচরে যেন সহজেই বসবাস করা যায়, সেই ব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শরণার্থীরা ভাসানচরে যেতে রাজি হলে, তাদের কীভাবে স্থানান্তরিত করা হবে, স্থানটি বসবাস উপযোগী কি-না, সেখানে তাদের মৌলিক অধিকার থাকবে কি-না এবং তাদের জন্য কী কী সেবা নিশ্চিত করা হবে- সেগুলো নিয়ে আমরা সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছি।

এছাড়া ওই স্থানের প্রশাসন কী হবে এবং জাতিসংঘ ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা কীভাবে সেখানে যাবে সে বিষয়েও সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

২০১৭ সালের আগস্ট থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। ফলে নতুন-পুরনো সব মিলিয়ে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্তবর্তী কক্সবাজারে বসবাস করছে, যা সেখানকার স্থানীয় জনসংখ্যার চেয়েও বেশি।

ফলে কক্সবাজারের ওপর চাপ কমাতে রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে স্থানান্তরের প্রস্তুতি প্রায় শেষ করেছে সরকার।

nhdewe.jpg

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে যে গণহত্যা চালানো হয়েছে সেই বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি ও স্পেশাল অ্যাডভাইজার অন প্রিভেনশন অব জেনোসাইড অ্যাডামা ডিয়েং। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন করার বিষয়টিও তুলে ধরার কথা জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে রোববার (২৪ মার্চ) অ্যাডামা ডিয়েং এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বিষয়টি ব্রিফ করেন।

অ্যাডামা ডিয়েং বলেন, আমরা একাত্তর সালে বাংলাদেশের জেনোসাইডের বিষয়টা রেইজ (তুলবো) করবো। যদিও তখন হয়তো কিছু দেশ এর বিরোধিতা করতে পারে।

রাষ্ট্রীয়ভাবে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস পালন করছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে একাত্তরে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ এ দেশে গণহত্যা হয়েছিল। এ দেশের সাধারণ মানুষকে বিনা বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী ও এদেশে তাদের দোসরেরা এই গণহত্যা করেছে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে দুই লক্ষাধিক নারী নির্যাতিত হয়েছিলেন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন করার বিষয়টিও তুলে ধরেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি অ্যাডামা ডিয়েং।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশ একা সমাধান করতে পারবে না। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারকে চাপ দিতে হবে। সে প্রচেষ্টা আমরা নিয়েছি।

জাতিসংঘের গণহত্যা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা চাই ওই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিচার হোক। রোহিঙ্গারা সেখানে (রাখাইন) ফিরে যাক। সেখানে একটা শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে উঠুক।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে মন্তব্য করে অ্যাডামা ডিয়েং বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আপনি বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়নের প্রতীক।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ইসলামেও নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলা হয়েছে। আমি সারা দেশ ঘুরেছি। আমরা নারীর ক্ষমতায়নকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।

নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই ঘটনার পর দেশটির সরকার ও জনগণ যেসব উদ্যোগ নিয়েছে সেটা সত্যি প্রশংসার দাবি রাখে।

বাংলাদেশে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটলেও বর্তমান সরকার সেগুলো কঠোরভাবে দমন করেছে বলে জানান তিনি।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহায়তার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ধন্যবাদ জানান শেখ হাসিনা।

সাক্ষাতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।

rha.jpg

বুধবার জাতিসঙ্ঘের মানবাধিবার বিষয়ক প্রধান মিশেল বেচলেট মুসলিমদের প্রতি আচরণ বিষয়ে ভারতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘বিভাজনের নীতি’র ফলে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, অসম সমাজ ব্যবস্থার দেশটিতে সংকীর্ণ রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা ইতোমধ্যে ভারতের সংখ্যালঘুদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী করে তুলছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছে ইউরোনিউজ অনলাইন।

মিশেল বেচলেট বলেন, আমরা এমন রিপোর্ট পাচ্ছি যে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চলছে দেশটিতে। এর শিকার হচ্ছেন মুসলিম ও অনগ্রসর আরো কিছু গ্রুপ। এর মধ্যে রয়েছে দলিত ও আদিবাসীরা। জেনেভায় জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার বিষয়ক কাউন্সিলে দেয়া বার্ষিক রিপোর্টে বেচলেট এসব কথা বলেছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে উপমহাদেশের রাজনীতি কূটনীতিতে বড় ধরনের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু তা থেকে তেমন কিছুই অর্জন করতে পারেনি ভারত। বরং গত বিশ দিনে কেবল অভিযোগের পাল্লাই ভারি করে গেছে নয়াদিল্লি। বিশ্লেষক-বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বলছেন অন্য কথা।

কাশ্মিরে আত্মঘাতী হামলার পর সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মিরে অভিযান চালিয়েছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী। ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই এর জবাব দিয়েছিল পাকিস্তান। তারপর আবারো পাকিস্তানে বিমান নিয়ে ঢুকে পড়া, সেখানে দুটি বিমানের বিধ্বস্ত হওয়া, পাইলটের আটক হওয়া, নিঃশর্তভাবে তার মুক্তির ঘোষণা, নিরাপদে ভারতে পৌঁছে দেয়া- এসব ঘটনার কোনোটিই ভারতের পক্ষে যায়নি। এগুলোতে ভারতীয় বাহিনীর ব্যর্থতার পাশাপাশি প্রমাণিত হয় শান্তির পক্ষে পাকিস্তানের ইতিবাচকতা।

এ অবস্থায় এখন নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, ভারতে হামলা চালানোর সময় পাকিস্তান যেসব বিমান ব্যবহার করেছিল তা ছিল এফ-১৬। পাকিস্তান এ বিমান সংগ্রহ করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে। সে সময় দুই দেশের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেবল সন্ত্রাসবিরোধী কার্যকলাপের জন্য এ যুদ্ধবিমানগুলো ব্যবহার করা যাবে।

ভারত সরকার দাবি করছে, পাকিস্তান হামলার সময় এ বিমান ব্যবহার করে চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বারবার জানানো হচ্ছে, ওই বিমানের ব্যবহার তারা করেনি। বরং চীনের সহায়তায় নিজেদের নির্মিত জেএফ-১৭ বিমানই তারা এসব হামলায় ব্যবহার করেছে।

কিন্তু ভারত পাকিস্তানের এসব তথ্য মানতে রাজি হয়নি। তারা এ বিষয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ হয়েছে। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বিষয়টি নিয়ে মার্কিন নিরাপদ উপদেষ্টা জন বোল্টনের সাথে কথা বলেন। সেখানে তিনি পাকিস্তানের এ চুক্তি লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তারা দাবি করছেন, ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তান বাহিনীর একটি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে। বিধ্বস্ত বিমানের একটি খ-িতাংশ দিয়ে তারা প্রমাণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক বক্তব্য পায়নি ভারত।

এদিকে চুক্তি লঙ্ঘনের বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন নিউইয়র্ক টাইমসের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিবেদক আবি হাবিব। তিনি বলেন, যদি পাকিস্তান তাদের নিজেদের এলাকায় আসা কোনো বিমানকে ভূপাতিত করতে এফ-১৬ বিমান ব্যবহার করে তাহলে এর দ্বারা চুক্তির কোনো লঙ্ঘন হবে না।

এক টুইটে আবি হাবিব বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বলছে, যদি ভারতীয় মিগ ২১ ভূপাতিত করতে পাকিস্তান এফ-১৬ ব্যবহার করে থাকে তাহলে এর দ্বারা বিমান বিক্রি বিষয়ক চুক্তির লঙ্ঘন হবে না। তারা বলছে, যদি দ্বিতীয় দিনে ভারতীয় বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে এবং পাকিস্তান আত্মরক্ষার জন্য এফ-১৬ ব্যবহার করে, তাহলে এতে চুক্তি ভঙ্গ হবে না। তবে যদি পাকিস্তানই প্রথম আক্রমণ করত এবং তাতে এফ-১৬ বিমানটি ব্যবহার করতো তাহলে চুক্তির লঙ্ঘন হতো নিঃসন্দেহে।

অস্ত্র বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে আবি হাবিব আরো বলেন, ভারতীয় বাহিনী এআইএম-১২০ মিসাইলের যে খ-িতাংশ নিয়ে তাদের অভিযোগ প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে সেটি আসলে বালাকোটে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রতিরোধের সময় ব্যবহৃত অস্ত্র।

আবি হাবিব বলেন, পাকিস্তান এফ-১৬ ব্যবহার করে ভারতের মিগ-২১ ভূপাতিত করার যে অভিযোগ করছে, সেটি বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ পায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

salman-20181205215051-1.jpg

জাতিসংঘ নেতৃত্বাধীন একটি তদন্ত দল মনে করছে, সৌদি ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ব্যক্তি হচ্ছেন দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ানের অন্যতম উপদেষ্টা ইয়াসিন আকতাই জাতিসংঘের ওই তদন্ত দলের সঙ্গে আলাপের পর এ তথ্য জানিয়েছেন।

তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে গত বছরের অক্টোবরে নির্মমভাবে নিহত হন খাশোগি। ওই হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তদন্ত চালাতে গিয়ে জাতিসংঘের দলটি আকতাই’র সঙ্গে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন।জাতিসংঘের বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি অ্যাগনেস ক্যালামার্ডের নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘের তদন্ত দলটি গত সোমবার খাশোগি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালানোর জন্য তুরস্কে প্রবেশ করে। ক্যালামার্ড এরইমধ্যে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিচারমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

জাতিসংঘের তদন্তকারী দলের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রেসিডেন্ট এরদোগানের উপদেষ্টা আকতাই সাংবাদিকদের জানান, তদন্ত দলটি মনে করছে, সৌদি যুবরাজের নির্দেশেই জামাল খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে। দলের প্রধান ক্যালামার্ড খাশোগির বাগদত্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডের সময়কার কথোপকথনের রেকর্ড শুনেছেন।অবশ্য ক্যালামার্ড ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করতে চাইলেও তাকে সে অনুমতি দেয়া হয়নি।গত ৩ অক্টোবর সৌদি কনস্যুলেটে ব্যক্তিগত কাগজ সংগ্রহ করতে গিয়ে সৌদি আরবের একদল নিরাপত্তা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন খাশোগি। সৌদি সরকার প্রথমে বিষয়টি বেমালুম অস্বীকার করলেও পরে খাশোগিকে হত্যা করে তার লাশ ধ্বংস করে ফেলার কথা স্বীকার করে। তবে রিয়াদ এ ঘটনায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের জড়িত থাকার কথা এখনো অস্বীকার করে যাচ্ছে।

dt38dt.jpg

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এক পতাকা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বুধবার দেশগুলোকে নতুন সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এরপর এই পাঁচ নতুন সদস্য নিরাপত্তা পরিষদে তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।

নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিরা তাদের দেশের পতাকা স্থাপনের মাধ্যমে এ দায়িত্ব বুঝে নেয়।

পতাকা অনুষ্ঠানের পর সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের জানুয়ারি মাসের প্রেসিডেন্ট ডমিনিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রদূত তাদের কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনা করেন।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের সবচেয়ে শক্তিশালী দল। চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র এ পরিষদের স্থায়ী সদস্য। এদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।

বাকি সদস্যদের দু’বছর মেয়াদে ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয়। তবে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট পরিবর্তন হয় প্রতি মাসে।

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হওয়ার জন্য জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো অনেকটা মুখিয়ে থাকে এবং এ উদ্দেশ্যে বছরের পর বছর তারা প্রচারণা চালায়।