ট্রাম্প Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

trump90.jpg

ফেসবুকে ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত নিষিদ্ধ থাকছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অর্থাৎ সামাজিকমাধ্যমটিতে নিজের মনের কথা খুলে বলতে তাকে অন্তত দুটি বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে।-খবর আল-জাজিরার

শুক্রবার (০৪ জুন) এক ঘোষণায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এমন তথ্য জানিয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে যারা নিয়ম লঙ্ঘন করবেন, তাদের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তারও একটি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন কংগ্রেস ভবনের হামলার পর গত জানুয়ারিতে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করেছিল ফেসবুক। কোনো রাষ্ট্রনেতার ক্ষেত্রে এমন নিষেধাজ্ঞা নজিরবিহীন।

পরে বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য ফেসবুকের ২০ সদস্যের ওভারসাইট বোর্ডে যায়, যা ফেসবুকের সুপ্রিমকোর্ট হিসেবে পরিচিত।

ওভারসাইট বোর্ড গত মে-তে ওই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে। তবে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে চিরতরে নিষিদ্ধের যে সিদ্ধান্ত এসেছিল, তার সমালোচনা করে বোর্ড বলেছে—ওই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে এমন একটি যৌক্তিক সাজার ব্যবস্থা করতে হবে, যা সাধারণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

যৌক্তিক শাস্তি নির্ধারণ করতে বোর্ড থেকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ছয় মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত এক মাস পুরো হওয়ার আগেই জানিয়ে দিল ফেসবুক।

এক বিবৃতিতে ফেসবুকের বৈশ্বিক কার্যক্রম বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট নিক ক্লিগ বলেন, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। আমরা মনে করি—তার কার্যক্রমে আমাদের নীতিমালার মারাত্মক লঙ্ঘন ঘটেছে। নতুন বিধিমালা অনুসারে এতে তিনি সর্বোচ্চ সাজা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন।

কাজেই ৭ জানুয়ারি তার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর আগামী দুই বছর তা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক।

Trump63x.jpg

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যোগাযোগের জন্য নিজস্ব ‘কমিউনিকেশন’ ওয়েবসাইট চালু করেছেন। বলা হচ্ছে ,এই ‘কমিউনিকেশন’ ওয়েবসাইটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ডেস্ক থেকে সরাসরি বিষয়বস্তু প্রকাশিত হবে।

গত জানুয়ারি মাসে ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সমর্থকদের দাঙ্গার পর তাকে টুইটার নিষিদ্ধ করেছে। টুইটারে ট্রাম্পের প্রায় নয় কোটি অনুসারী ছিল। এছাড়া ফেসবুক এবং ইউটিউব ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে।

তখন থেকে সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট সংবাদ বিজ্ঞপ্তির  মাধ্যমে তার বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। এখন নতুন ওয়েবসাইটে তার এসব বক্তব্য প্রকাশিত হবে।

ব্যবহারকারীরা এখানে পোস্টগুলোতে লাইক দিতে পারবে এবং এগুলো টুইটার ও ফেসবুকে শেয়ার করতে পারবে।

নতুন এই ওয়েবসাইট প্রকাশের ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে কি না সে বিষয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আর একদিন পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

ট্রাম্পের সিনিয়র উপদেষ্টা জেসন মিলার এর আগে বলেছিলেন, একটি নতুন সামাজিক মাধ্যম চালু করা হবে। গত মার্চ মাস মিলার বলেন, ট্রাম্পের এই নতুন সামাজিক মাধ্যম হবে বড় পরিসরের।

কিন্তু মঙ্গলবার মিলার এক টুইট বার্তায় বলেছেন, তিনি আগে যে ধারণা দিয়েছিলেন, নতুন এই ওয়েবসাইট সে ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নয়।

“এ সংক্রান্ত আরো তথ্য নিকট ভবিষ্যতে আসবে,” বলেন মিলার।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্যাম্পেইন ম্যানেজার ব্র্যাড পার্সক্যাল-এর ডিজিটাল সার্ভিসেস কোম্পানি এই ওয়েবসাইট তৈরি করেছে।

ফেসবুকে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যদি ফেসবুকে ফিরে আসার অনুমতি দেয়া হয় তাহলে তার অ্যাকাউন্ট সচল হতে সাতদিন সময় লাগবে।

অন্যদিকে ইউটিউব জানিয়েছে, বাস্তবে যখন সহিংসতার আশঙ্কা কমে আসবে তখনই ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট সচল করা হবে।

trump-we.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিকমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে নিষিদ্ধই থাকছেন- এমন খবরের পর এবার ট্রাম্পও ফেসবুককে তাদের কৃতকর্মের জন্য রাজনৈতিক মূল্য দিতে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন বলে এনবিসি নিউজের খবরে বলা হয়।

গত ৬ জানুয়ারি মার্কিন ক্যাপিটল হিলের দাঙ্গার পর তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের রক্ষণশীলদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। এরপর সর্বশেষ সিদ্ধান্তে তারা বেশ ক্ষুব্ধ হন।

একই সঙ্গে ফেসবুকের একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন রক্ষণশীল আইনপ্রণেতারা।

বুধবার (৫ মে) এই সোশাল মিডিয়া কোম্পানির ওভারসাইট বোর্ড জানিয়েছে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কত দিন বহাল থাকবে, তার পুনর্মূল্যায়ন করা দরকার। ওই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করে এমন যৌক্তিক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে সাধারণের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হয়।

এর মধ্য দিয়ে এই প্ল্যাটফর্মে তার ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হওয়ার আভাস মিলছে। বোর্ড জানায়, অন্তত ছয় মাসের মধ্যে স্থগিতাবস্থা সময়সীমার একটি পর্যালোচনা করতে হবে।

এরপর ট্রাম্প তার বিবৃতিতে বলেছেন, ফেসবুক, টুইটার ও গুগল যা করেছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চরম বিব্রতকর, অপমানজনক। তার স্বাধীনভাবে কথা বলার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে, এসব প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানকে তাদের এমন কৃতকর্মের জন্য রাজনৈতিক মূল্য দিতে হবে বলে তিনি হুমকি দিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগের এসব প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিহিত করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমেরিকার গণতন্ত্র ও নির্বাচনপদ্ধতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার সুযোগ এদের আর দেওয়া হবে না।

সহিংসতার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ৬ জানুয়ারির পর ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করার পক্ষে সাফাই গেয়েছে ফেসবুক।

ওভারসাইট বোর্ড জানায়, ট্রাম্প এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছে, যাতে সহিংসতার ঝুঁকির শঙ্কা ছিল। তিনি বারবার দাবি করে আসছিলেন, ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাকে হারিয়ে দিতে জালিয়াতি হয়েছে।

‘ট্রাম্পের অ্যাকাউন্ট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ফেসবুক। কোম্পানিকে অবশ্যই এই সাজার পর্যালোচনা করতে হবে। কাউকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই ফ্ল্যাটফর্ম থেকে দূরে রাখা উচিত হবে না।’

ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিদের আবেদন নিয়ে শুনানি করতে গত বছর সামাজিকমাধ্যমটির ‘সুপ্রিম কোর্ট’ হিসেবে খ্যাত ২০ সদস্যের ওভারসাইট বোর্ড গঠন করে ফেসবুক।

রয়টার্স লিখেছে, ওভারসাইট বোর্ড কী সিদ্ধান্ত দেয় তা দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই, কারণ ভবিষ্যতে রাষ্ট্রনেতারা নিয়ম ভাঙলে ফেসবুক কেমন পদক্ষেপ নেবে, বোর্ডের সিদ্ধান্তেই তার আভাস মিলবে।

Trump-4.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের জনক দাবি করেছেন। একই সঙ্গে অভিযোগ করেন, তার কৃতিত্ব নিয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দেশকে ধ্বংস করছেন।

বাইডেনের ১০০ দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) ৭৪ বয়সী ট্রাম্প ফক্স বিজনেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্যাকসিনের সফল প্রয়োগের কৃতিত্ব নিচ্ছেন বাইডেন । অথচ আমি (ট্রাম্প) না থাকলে ভ্যাকসিন আসত না। আমিই ফাদার অব দ্য ভ্যাকসিন।

ট্রাম্প বলেন, বাইডেনের অভিবাসন নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে আসামিরা যুক্তরাষ্ট্রে আসছে।

তিনি ২০২৪ সালে আবারও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার কথা ভাবছেন। এ সময় করোনাকে আবারও চীনা ভাইরাস বলে বেইজিংকে দোষারোপ করেন তিনি।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩১ লাখ ৩ হাজার ৯৭৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫৫ জনের।

trump-1.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো মজার মজার খবরের শিরোনাম। ঘটনাগুলো আসলে তেমনই!

এই যেমন; তিনি কোকা-কোলা বয়কটের ডাক দিয়েছেন। আবার দেখা যাচ্ছে নিজেই এ কোমল পানীয় পান করছেন।

জর্জিয়ার নতুন ভোট বিল বিতর্ক নিয়ে সম্প্রতি ট্রাম্প কোকা-কোলা বর্জনের ডাক দেন ট্রাম্প। পরদিনই দেখা গেল উল্টো ঘটনা।

সাবেক সিনিয়র হোয়াইট হাউস অ্যাডভাইজার স্টিফেন মিলার গিয়েছিলেন ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে। সাবেক প্রেসিডেন্ট নিজের ডেস্কে বসে আছেন এমন একটি ছবি টুইটারে শেয়ার করেন মিলার। সেখানেই দেখা গেল ফোনের পেছনে লুকানো আছে কোকের বোতল।

মিলার ছবিটি পোস্ট করতেই অনলাইন ব্যবহারকারীরা ছবি জুম করে দ্রুতই কোকের বোতল শনাক্ত করে। এরপর এ নিয়ে পোস্টে সয়লাব হয় সোশ্যাল মিডিয়া। বইতে থাকে বিদ্রূপের ঝড়।

কোকের প্রতি ট্রাম্পের আসক্তি পুরোনো। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ওভাল অফিসে ডায়েট কোকের জন্য বিশেষ কল বাটন স্থাপন করেছিলেন, যাতে চাওয়া মাত্র হাতের কাছে পাওয়া যায়। পরে জো বাইডেন তা সরিয়ে ফেলেন।

গত মাসে জর্জিয়া সরকার ভোট নিয়ে নতুন বিল এনেছে। এর বিপক্ষে বড় কিছু প্রতিষ্ঠান অবস্থান নেয়। সেই প্রেক্ষিতে কোকা-কোলা, ডেল্টা এয়ারলাইন্স ও বেসবল লিগ বয়কটের ডাক দেয় ট্রাম্প।

trump-sad.jpg

মার্কিন কংগ্রেস ভবন ক্যাপিটাল হিলে হামলায় উস্কানি দেয়ার অভিযোগে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। ওয়াশিংটনের ফেডারেল কোর্টে মামলাটি করেছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা।

বুধবার মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানায়, জেমস ব্লেসিংগেম ও সিডনি হেমবি নামের দুই মার্কিন পুলিশ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাদের অভিযোগ, ক্যাপিটাল হিলের ঘটনার পর থেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তারা।

এ সংক্রান্ত নথিপত্র আদালতে উপস্থান করে ট্রাম্পকে দায়ী করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদালতের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি এখনো।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, সহিংসতায় জড়িতরা ট্রাম্পের সমর্থক। তিনি তাদের বুঝিয়েছেন যে, নির্বাচনে কারচুপির কারণে ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে তাকে।

অভিযোগের পক্ষে টুইটারে দেয়া ট্রাম্পের বেশ কিছু পোস্ট এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যের কপি আদালতে তুলে ধরা হয়। ট্রাম্পের শাস্তি ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে মামলায়। খবর পার্সটুডের।

Trump-kushnar.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবনে হামলার ঘটনায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার ছেলের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান এরিখ মিচেল সলওয়েল মামলাটি করেছেন।

ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এই মামলায় ট্রাম্পের ছেলে ট্রাম্প জুনিয়র, আইনজীবী রুডি জুলিয়ানি ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা মো ব্রুকসকে বিবাদী করা হয়েছে।

ক্যাপিটল হিলে হামলার জন্য মামলার বিবাদীরা দায়ী উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে এমনটা ঘটেছে। ঘটনার দিন মামলার বাদী কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

বাদী বলেন, তিনি হামলার পর মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ কারণে বিবাদীদের কাছে আর্থিক ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য আদালতের আদেশ চাওয়া হয়েছে। আবেদনে ক্ষতিপূরণের আর্থিক দায় নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিতে কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন চলাকালে ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায় ট্রাম্প সমর্থকরা।

ওই ঘটনায় নিরাপত্তাকর্মীসহ কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হন। স্পিকার ন্যানসি পেলোসিসহ আইনপ্রণেতাদের দপ্তর তছনছ করা হয়। আইনপ্রণেতাদের অনেকেই সেদিন অল্পের জন্য রক্ষা পান।

এরপর ট্রাম্পের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা অভিশংসন প্রস্তাব গ্রহণ করা হয় প্রতিনিধি পরিষদে। কিন্তু সিনেটে বেশির ভাগ আইনপ্রণেতা অভিশংসন দণ্ডের পক্ষে ভোট দিলেও এক-তৃতীয়াংশ ভোট না পড়ায় ট্রাম্প শাস্তি থেকে রেহাই পেয়ে যান।

Donald-Trump-1.jpg

নতুন কোন রাজনৈতিক দল গঠনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ক্যাপিটলে হামলার পরে দলে দেখা দেয়া বিভক্তি নিরসন করে রিপাবলিকান পার্টিকে আরও ঐক্যবদ্ধ করতে কাজ করবেন। আলজাজিরা, বিবিসি।

রোববার রিপাবলিকান পার্টির রাজনৈতিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি নতুন কোন দল গঠন করছি না। বরং আগের যে কোন সময়ের তুলনায় দলকে আরো শক্তিশালী করতে চাচ্ছি।’ ওয়াশিংটন ছেড়ে যাবার পর ট্রাম্পের প্রথম জনসম্মুখে ভাষণ ছিল এটি।

ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত রক্ষণশীল ওই সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, আমরা আগের মতো ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমরা আমেরিকাকে বাঁচাতে এবং শক্তিশালী করব। আমরা উগ্রবাদ, সমাজতন্ত্রের আক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করব । তিনি বলেন, রিপাবলিকান ভোটকে বিভক্ত করবে এমন কোন কাজ তিনি করবেন না।

এর আগে জো বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তার প্রথম বক্তৃতায় তিনি ২০২৪ সালে আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ট্রাম্প বাইডেনের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, তারা কেবল হোয়াইট হাউসকে হারিয়েছে। তবে কে জানে, আমি তাদের তৃতীয়বারের মতো পরাজিত করার সিদ্ধান্ত নিতে পারি।

ট্রাম্পের এই ভাষণ অভিশংসন মামলায় খালাস পাওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে আসল। রক্ষণশীল ওই সম্মেলনে ট্রাম্পের উপস্থিতি রিপাবলিকান পার্টির ওপর তার ক্রমাগত প্রভাবকে উপস্থাপন করে।

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই সম্মেলনের চূড়ান্তভাবে ট্রাম্পপন্থী ছিল, এতে বক্তাদের মধ্যে টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ এবং ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রসহ অনুগতরা ছিলেন। মার্কিন ক্যাপিটালে দাঙ্গা নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া দেখে ফেসবুক এবং টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ রয়েছেন ট্রাম্প।

jamal-khasogi-and-salman.jpg

মার্কিন সরকার শিগগিরই সৌদি রাজ পরিবারের কঠোর সমালোচক ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ গোয়েন্দা তথ্য প্রকাশ করতে যাচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন আগামী সপ্তাহ নাগাদ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রগুলো নিশ্চিত হয়েছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের নির্দেশেই খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। তার সঙ্গে ছিলেন তার তুর্কি বাগদত্তা খাদিজা চেঙ্গিস।

বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতেই ওই বছর ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করেছিলেন খাশোগি। তার নিখোঁজ রহস্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে সৌদি সরকার।

ট্রাম্প খাশোগি হত্যাকাণ্ডের দলিল গোপন রাখার নির্দেশ দিলেও বাইডেনের নির্দেশে তা উন্মুক্ত করে দেয়া হচ্ছে। সৌদি কনস্যুলেট কর্মকর্তারা প্রথমে দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় কর্মকর্তাদের ভুলে নিহত হন ওই সাংবাদিক। তবে তার মৃতদেহের কোনও সন্ধান দেননি তারা।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত বছরের অক্টোবরে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাগদত্তা। এতে অভিযোগ করা হয়েছে, সৌদি যুবরাজই  খাশোগিকে নির্মমভাবে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে ওই হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ধরে বিষয়টি টপ অব দ্যা ওয়ার্ল্ডে পরিণত হলেও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি যুবরাজকে বাঁচিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

trump-biden22.jpg

ইরানের বিরুদ্ধে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে যে সমস্ত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তার মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এর পাশাপাশি তিনি ইরান এবং পরমাণু সমঝোতার অন্য পক্ষগুলোর সঙ্গে এ ইস্যুতে আলোচনায় অংশ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা নেয়ার পর ইরান ইস্যুতে এই প্রথম জো বাইডেন ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন।

বাইডেনের পক্ষ থেকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে দেয়া এক চিঠিতে মার্কিন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত রিচার্ড মিলস বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে দেয়া তিনটি চিঠি প্রত্যাহার করছে ওয়াশিংটন। তিনটি চিঠির মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে জানিয়েছিল যে, ইরানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আগের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করলো আমেরিকা।

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দেয়া চিঠি বার্তা সংস্থা এপির হাতে পড়েছে। তাতে মিলস বলেছেন, ২০১৫ সালে সই হওয়া পরমাণু সমঝোতার সিদ্ধান্ত বাদ দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা হয়েছিল কিন্তু তা আর পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে না।

২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকাকে পরমাণু সমঝোতা থেকে বের করে নিলেও সমঝোতার বাকি দেশগুলো এতে টিকে থাকে এবং আমেরিকা পরমাণু সমঝোতার সদস্য নয় বলে ঘোষণা করে। জাতিসংঘ মাহসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসও ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপকে সমর্থন করবে না।