ডাকসু নির্বাচন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

daksu-du-20190311203801.jpg

ডাকসু নির্বাচন সর্বাঙ্গীণ সুষ্ঠু হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচনে পর্যবেক্ষণকারী বিশ্ববিদ্যালয়টির আট শিক্ষক। সোমবার এক বিবৃতিতে তারা এ তথ্য জানান।

প্রসঙ্গত, ১০ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন করেন এবং অনুমতি পান। তার মধ্যে আটজন শিক্ষক আজ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আজ ১১ মার্চ বহুল প্রতীক্ষিত ঐতিহাসিক ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে এই নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহের সঞ্চার হয়। আমরা কয়েকজন শিক্ষক নিজ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবামূলক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চিফ রিটার্নিং অফিসার মৌখিকভাবে অনুমতি দেন এই বলে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে এই দায়িত্ব চাইলেই পালন করতে পারবো। আমরা সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ছাত্রদের হল এসএম হল, সূর্যসেন হল, মুহসীন হল, এফ রহমান হল, শহীদুল্লাহ্ হল এবং ছাত্রীদের হল রোকেয়া হল এবং কুয়েত মৈত্রী হল পরিদর্শন করি।

আমরা কুয়েত মৈত্রী হল থেকে পর্যবেক্ষণ শুরু করি। কারণ, আমরা শুরুতেই জানতে পারি এ হলে ভোটদানে অনিয়মের কথা। ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার আগে ছাত্রীরা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা শিক্ষিকাদের কাছে ভোটদানের পূর্বে শূন্য ব্যালট বাক্স দেখতে চান কিন্তু তাদের এই ন্যায্য দাবি অগ্রাহ্য করা হয়। এতে ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে কেন্দ্রের পাশের কক্ষ থেকে একটি বিশেষ ছাত্র সংগঠনের পক্ষে পূরণ করা প্রচুর ব্যালট পেপার উদ্ধার করে। সেগুলোর বেশকিছু আমরাও দেখতে পেয়েছি। এরকম অবস্থায় স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়। এ ঘটনায় প্রভোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সমর্থ না হলেও আমরা রিটার্নিং অফিসারদের লজ্জিত ও মর্মাহত দেখতে পাই।

একপর্যায়ে রোকেয়া হলে গোলযোগের খবর পাই। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, সকালে কুয়েত মৈত্রী হলের অভিজ্ঞতার পর, সরকারি ছাত্রসংগঠনের বাইরের বিভিন্ন প্যানেলের শিক্ষার্থীরা ভোটকেন্দ্রের পাশের রুমে ব্যালট পেপারের সন্ধান পান এবং সেগুলো দেখানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করেন। কিন্তু সেগুলো ছিল সাদা ব্যালট পেপার। এরপর পরিস্থিতির অবনতি ঘটে এবং সরকারি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিরোধীদের ওপর চড়াও হয়। বিরোধীপক্ষের কয়েকজন আহত হন। উভয় পক্ষের উত্তেজনায় এরকম অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে রোকেয়া হলে, যার নিন্দা জানাই আমরা।

ছাত্রদের হলের ভেতরে মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। তবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে কতগুলো অনিয়ম চোখে পড়ে–

ক. ভোটারের আইডি চেক করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের সদস্যরাই বেশি ভূমিকা রেখেছেন এবং অনাবাসিক ছাত্রদের ভোট দিতে বাধা প্রদান ও নিরুৎসাহিত করেন তারা।

খ. ছাত্রলীগের কর্মীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করলেও অন্য প্যানেলের প্রার্থী ও কর্মীরা ভোটকেন্দ্রের বাইরে বা ভোটারের সারির আশপাশে অবস্থানগ্রহণ করতে বাধাগ্রস্ত হন।

গ. ভোটকেন্দ্রের অব্যবহিত বাইরে কৃত্রিম জটলা করেন ছাত্রলীগের কর্মীরা, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শ্লথ হয় এবং বাকিরা ভোটদানে নিরুৎসাহিত হয়।

ঘ. অনেকক্ষেত্রে বুথের ভেতরে আমরা সময় গণনা করে দেখেছি ৫ থেকে ২৩ মিনিট পর্যন্ত সময় ব্যয় করেছে কোনো কোনো ভোটার, যা ইচ্ছাকৃত মনে হওয়ারর কারণ রয়েছে।

ঙ. ভোট চলাকালেই রোকেয়া হলের সামনে একটি সংগঠনের ২০-২৫ কর্মীকে বাইকের হর্ন বাজিয়ে শোডাউন করতে দেখা গেছে, যা আচরণবিধির লঙ্ঘন।

একটি বড় অসঙ্গতি মনে হয়েছে, ব্যালট পেপারে কোনো সিরিয়াল নম্বর ছিল না। ৪৩ হাজার ভোটারের একটি নির্বাচনের ব্যালট পেপারে সিরিয়াল নম্বর না থাকাটা আমাদের কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ এতে নির্বাচনের ফলাফলে গুরুতর অনিয়ম ঘটানো অনেক সহজ। কোন হলে কোন সিরিয়াল গেল, তাও ট্র্যাক রাখার উপায় থাকার কথা নয়।

পরিশেষে আমরা এটাই বলতে চাই এই বহুল প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচনের অনিয়মের ঘটনাগুলো আমাদের খুবই লজ্জিত করেছে। এ ঘটনা জনগণের কাছে পরিচালিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। এতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে, যা সার্বিকভাবে একাডেমিক পরিবেশ বিঘ্নিত করবে। এত বছর পরে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচন সফলভাবে না করতে পারার ব্যর্থতার দায়ভার প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষক সবার এবং এই ব্যর্থতা পুরো শিক্ষক সম্প্রদায়ের নৈতিকতার মানদণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আমরা চাই এই ব্যর্থতার একটি সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হোক। সেই সাথে এই নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করে অবিলম্বে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হোক।

বিবৃতিদাতা শিক্ষকরা হলেন- গীতি আরা নাসরীন, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ; কামরুল হাসান, অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ; ফাহমিদুল হক, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ; মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, সহযোগী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ; রুশাদ ফরিদী, সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ; কাজী মারুফুল ইসলাম, অধ্যাপক, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ; তাহমিনা খানম, সহকারী অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও অতনু রব্বানী, সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ।

dacsu-20190130205310-20190211110224.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১১ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়ন বিতরণ শুরু ১৯ ফেব্রুয়ারি। চলবে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. এস এম মাহফুজুর রহমান।

সোমবার সকালে ঢাবির নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘নিজ নিজ হল থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে হবে এবং হলেই জমা দিতে হবে।’

উল্লেখ্য, আগামী ১১ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল ছাত্র সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কারা কারা ভোটার ও প্রার্থী হতে পারবেন তা ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যারা প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অনার্স, মাস্টার্স, এমফিলে অধ্যয়নরত তারাই কেবল ভোটার ও প্রার্থী হতে পারবেন। এক্ষেত্রে কারও বয়স ৩০ বছরের ওপরে হলে তারা ভোটার ও প্রার্থী হতে পারবেন না।

এ ছাড়া সান্ধ্যকালীন বিভিন্ন কোর্স, প্রোগ্রাম, প্রফেশনাল এক্সিকিউটিভ, স্পেশাল মাস্টার্স, ডিপ্লোমা, এমএড, পিএইচডি, ডিবিএ, ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স, সার্টিফিকেট কোর্স অথবা এ ধরনের কোর্সে অধ্যয়নরতরা ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। প্রত্যেক হলে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

dt40dt-1.jpg

সাম্প্রতিক সময়ে আদালতের রায়, ডাকসু সচল চেয়ে আন্দোলন, অনশন ও প্রশাসনের নির্বাচনের প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে উঁকি দিয়েছে প্রাণবন্ত ডাকসু দেখার স্বপ্ন। কর্তৃপক্ষের ঘোষিত সময়ানুযায়ী জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব তৈরির প্ল্যাটফরম ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করাই ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, সব পক্ষকে নিয়ে নির্বাচনের জন্য যে যথোপযুক্ত পরিবেশ দরকার সেটি স্বল্পতম সময়ে সৃষ্টি করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জর বিষয়। দীর্ঘদিন ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ার কারণে এটি আরো কঠিন। তারপরেও বিশ্বিবিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রসংগঠনগুলোর সহযোগিতা পেলে, প্রকৃত ছাত্ররা এগিয়ে আসে তাহলে এ চ্যালেঞ্জে উত্তরণ সম্ভব হবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের জন্য প্রাথমিক কাজগুলো শুরু করা হয়েছে। গেল বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় মার্চ মাসে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোর সভাপতি-সম্পাদকদের সঙ্গে নিয়ে মতবিনিময় করে। ৩১ অক্টোবর শিক্ষার্থীদের হলভিত্তিক ডাটাবেজ প্রকাশ করে। এছাড়া প্রাধ্যক্ষদের সভায় ডাকসু বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সব বিষয়ে দ্রুতই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ডাটাবেজ প্রকাশ করার পর নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের উচ্ছ্বাসও দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তালিকায় নাম থাকার কথা প্রকাশ করে বিভিন্ন ধরনের প্রত্যাশাও তুলে ধরেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বর্তমানে স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যবহারিকভাবে সামান্তবাদে রূপান্তরিত হয়েছে, যেখানে শিক্ষকেরা সামান্ত আর তাদের ইচ্ছেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্তা৷ ডাকসু নির্বাচন ফরাসি বিপ্লবের ন্যায় একটি শ্রেণী নিয়ন্ত্রিত কাঠামো থেকে আমাদের বের করে আনবে এবং শিক্ষা তথা জাতি গঠনে ছাত্রদের ভূমিকা তরান্বিত করবে।’

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, দীর্ঘদিন ডাকসু নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে না পারার কারণ রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা কোনো দলই নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখায়নি নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভয়ে। এবার একাদশতম জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ। টানা তিনবার সরকার গঠনের ফলে দলটির ভাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগও নির্বাচনের বিষয়ে খুবই আগ্রহী।

মার্চ ৩১ তারিখের যে সময়সীমা দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে নির্বাচন চান ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।  তিনি বলেন, প্রশাসন নির্বাচনের ব্যাপারে অনেকগুলো চমৎকার উদ্যোগ নিয়েছে। এ উদ্যোগগুলো পরিণতি পাওয়ার অপেক্ষায় আছে। ছাত্রলীগ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও ছাত্রলীগের প্যানেলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত ছাত্রনেতা বেছে নেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। নির্বাচন পেছানোর কোনো ধরনের তালবাহনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে আশা করি না।’

নির্বাচনকে পেছানোর কোনো ধরনের পাঁয়তারা না করে প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনগুলোকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দেওয়ার অধিকার কারা রাখে সেটি প্রমাণ করার আহ্বান জানান ছাত্রলীগের এ নেতা।

ছাত্র ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মার্চের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজনের কথা বলেছিল। কিছু উদ্যোগ দেখেছি আমরা কিন্তু অনেক কিছুই এখনো বাকি। জানুয়ারিতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে পরিবেশ সংসদকে সক্রিয় করে সব পক্ষকে নিয়ে ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। আশা করছি কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে। এটি নতুন বছরে ঢাবির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ছাত্রসংগঠনগুলোর সহযোগিতা পেলে ঘোষিত সময়ে ডাকসু নির্বাচন সম্ভব বলে মনে করেন মাস্টার দা’ সূর্য সেন হলের প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মাকসুদ কামাল। তিনি বলেন, প্রশাসন নির্বাচনের বিষয়ে আন্তরিক আছে। ছাত্রসংগঠনগুলো যদি আন্তরিক হয়ে আসে তাহলে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা সম্ভব। প্রশাসন সব বিষয়ে ধীরে-সুস্থে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ডাকসু নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।