ধর্ষণ Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

cow1.jpg

গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ভারতীয় যুবককে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য গুজরাটের আহমেদাবাদের মেঘানিনগর এলাকায় ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, গরুকে ধর্ষণের দায়ে মেঘানিনগর থানা পুলিশ লালু পাটনি (২২) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। গরুর মালিক গোবর দেশাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পশু ধর্ষণ আইনে ওই যুবককে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়েছে আহমেদাবাদ পুলিশ।

পুলিশের কাছে দেয়া অভিযোগে গোবর দেশাই বলেন, তার চারটি গরু রয়েছে। আহমেদাবাদের বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্স মাঠে প্রতিদিন সকালে গরু ছেড়ে দিয়ে আসেন তিনি। বিকেলের দিকে গিয়ে নিয়ে আসেন গোয়ালে। দু’দিন আগে মাঠে গরু আনতে গিয়ে পাঁচ মাস বয়সী একটি গরু না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন দেশাই। পরে দেখতে পান একটি ঘরের পেছনে গরুটিকে বসিয়ে ধর্ষণ করছে ওই যুবক। ঘটনাস্থলে ওই যুবককে ধরে পেটাতে শুরু করেন তিনি। পরে আহমেদাবাদ পুলিশে খবর দেয়া হয়। পুলিশ এসে ওই যুবককে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।

গোবর দেশাই বলেন, এ ধরনের ঘটনা আগে সংবাদমাধ্যমে দেখেছেন তিনি। কিন্তু এমন ঘটনা যে তার গরুর সঙ্গেই ঘটবে, তা তিনি ভাবতেও পারেননি।

এর আগে হরিয়ানার এক থানার ভেতরে পূর্ণ বয়স্ক ছাগল ধর্ষণের অভিযোগ উঠে পুলিশের এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে। পরে হরিয়ানা পুলিশ সেই কনস্টেবলকে চাকরিচ্যুত করে।

Rape_try.jpg

সিঙ্গাপুরে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অপরাধে এক বাংলাদেশি নির্মাণ শ্রমিককে ২২ বছরের জেল ও ১৮ বেত্রাঘাতের আদেশ দিয়েছেন দেশটির আদালত। ওই ব্যক্তি শিশুটিকে একটি পার্কে নিয়ে তিনবার ধর্ষণ করেন।

শুক্রবার দেশটির আদালত এ রায় দেন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল নিউজ এশিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যক্তির নাম দাস রতন চন্দ্র (৪১)। ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি একটি ট্রেনে মেয়েটির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ হয় রতনের। মেয়েটি দাদা-দাদির সঙ্গে তার সৎ বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিল।

ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর উইস্টাইন ম্যান জানিয়েছেন, মেয়েটিকে প্রথম দেখার পর বারবার তার দিকে তাকাতে থাকেন। ট্রেন থেকে নেমে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ওই মেয়ে ও তার দাদা-দাদিকে অনুসরণ করতে থাকেন। ট্রেনটি চোয়া চু ক্যাং স্টেশনে পৌঁছালে রতন একটি চিরকুটে দুটি টেলিফোন নম্বর লিখে মেয়েটির দিকে ছুড়ে মারেন। বিষয়টি তার দাদা-দাদি লক্ষ্য করেননি। টেলিফোন নম্বর পেয়ে ওইদিনই মেয়েটি রতনকে ফোন দেয়। এরপর থেকেই তারা হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে মেসেস আদান-প্রদান করতে থাকেন।

রতন চন্দ্র তথ্য গোপন করে মেয়েটিকে জানান, তার বয়স ২৫ বছর। অথচ ওই সময় তার বয়স ছিল ৩৮ বছর। মেয়েটি তার নিজের অল্প বয়সের কথাটি জানালেও রতন তার সঙ্গে যৌন সুড়সুড়িমূলক আলাপচারিতা চালিয়ে যান। তিনি মেজেঞ্জারে অশ্লীল ছবি পাঠাতে থাকেন এবং তাকেও তার শরীরের স্পর্শকাতর অংশের ছবি পাঠাতে প্রলুব্ধ করেন।

একপর্যায়ে মেয়েটি তার নিজের ব্যক্তিগত ছবি পাঠিয়ে দেন। ছবি পাওয়ার পর থেকেই রতন মেয়েটিকে শারীরিক সম্পর্কের জন্য প্রলুব্ধ করেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত মোট তিনবার তারা শারীরিকভাবে মিলিত হন। মেয়েটির মা ফোনের ম্যাসেঞ্জার ঘেটে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং থানায় মামলা করেন। ২৬ এপ্রিল রতনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে ধর্ষণসহ রতনের বিরুদ্ধে ২২ ধরনের অভিযোগ এনে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। আদালত আসামির স্বীকারোক্তি ও আইনজীবীদের শুনানি নিয়ে এ রায় ঘোষণা করেন। নিজের অপরাধ স্বীকার করে দণ্ড থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন রতন।

file-rape-20190203130749.jpg

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকি-ঘোনাপাড়া গ্রামে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী গৃহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে গৃহকর্তার বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ফলে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে থানায় অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

শনিবার ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে গৃহকর্তা নাসিরউদ্দিন ও তার স্ত্রী ফাহমিদা সুলতানাসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জনকে আসামি করে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেছেন।

মামলা সূত্র ও তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আল-আমিন জানান, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ওই নারী প্রতিবেশী নাসির উদ্দীনের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। কাজ করার সময় গত বছরের ২০ মে দুপুরে বাড়িতে একা পেয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করলে সে গর্ভবতী হয়ে পড়ে।

কিন্তু বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি জয়পুরহাট শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গৃহকর্তা নাসির উদ্দীন ও তার স্ত্রী ওই তরুণীর গর্ভপাত ঘটায়। পরে গৃহকর্মীর পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে নাসির উদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো বিচার না পেলে থানায় মামলা করে।

জয়পুরহাট সদর থানার ওসি (তদন্ত) মোমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আসামি ধরতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

tahi-live-2019-01-28-00-18-51.jpg

গাজীপুরে লম্পটদের থাবা থেকে রক্ষা পেল না ছোট শিশু ছাত্রীও। নার্সারিতে পড়াশোনা করা ওই ছাত্রীকে নানা বাহানায় ধরে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। জানাজানির ভয়ে থেঁতলে দেয়া হয়েছে মাথা। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শরীফপুরের সোন্ডা এলাকা থেকে তাফান্নুম তাহি (৫) নামে নার্সরীর ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানা পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করেন। পুলিশের ধারণা তাহিকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

গাছা থানার এসআই মো. কবির উদ্দিন জানান, বিকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শরীফপুরের সোন্ডা এলাকা থেকে তাফান্নুম তাহি’র লাশ উদ্ধার করেছেন। তাহি স্থানিয় একটি কিন্ডার গার্ডেন স্কুলের নার্সারী শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবার নাম মো. হুমায়ূন কবির।

পরিবারের বরাত দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, সকাল ১১ টার দিকে তাহি পার্শ্ববর্তী নানা বাড়ি থেকে বের হয়। দুপুর পর্যন্ত বাড়ি না ফিরায় তাহির পরিবারের লোকজন চার দিকে খোঁজাখুজি করতে থাকেন। পরে বিকালে বাড়ির অদূরে একটি বিন্না খেতে তাহির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করায় মজগ বের হয়ে গেছে। তাহির লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Rape_try.jpg

বই দেয়ার নাম করে বরগুনায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করলেন মাদসার শিক্ষক। শিক্ষার্থীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি ওই মাদসার শরীর চর্চা শিক্ষক।

রোববার (২০ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদসার পাশে শিক্ষকের বাসায় এ ঘটনাটি ঘটে।

বরগুনা সদর থানার ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে গাইড বই দেয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে মাদসার পাশে বাসায় ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছেন সাইফুল। প্রচুর রক্তক্ষরনে কিশোরী শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে সাইফুল তাকে বাসায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত সাইফুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদসার সহকারী শিক্ষক মো. ইব্রাহিম মাওলানার ছেলে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামও ওই মাদসার শরীর চর্চা শিক্ষক।

Ronaldo-1.jpg

আরও বড় সমস্যার মুখে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের পুলিশ ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কাছে রোনালদোর ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট চেয়েছে। ইতালির পক্ষ থেকে এখনো কিছু না জানানো হলেও লাস ভেগাস পুলিশ বলছে, যে মার্কিন মডেলের সঙ্গে ২০০৯ সালে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন রোনালদো (পরে ওই নারী ধর্ষণের অভিযোগ তোলে), সেই মডেলের আইনজীবীরা পর্তুগিজ তারকার ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন পত্রিকার রোনালদোর ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট চাওয়ার বিষয়টি ফলাও করে ছাপানো হয়েছে। ক্যাথেরিন মায়োর্গা নামের ওই মহিলার আইনজীবী পিটার এস ক্রিস্টিয়ানসেন বলেছেন, ‘লাস ভেগাস পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অনুরোধ ইতালিতে পৌঁছেছে। এবার আমাদের অপেক্ষা করার পালা।’

শুক্রবার তুরিনে জুভেন্টাসের অনুশীলনে নিজের মতো করেই অনুশীলন করেছেন রোনালদো। শনিবার রাতে কোপা ইতালিয়ার ম্যাচে মুখোমুখি হবে জুভেন্টা-বোলোনিয়া। সেই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোর ডিএনএ টেস্ট নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন দলের কোচ মার্সিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি। তিনি বলেন, ‘এটা ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি শুধু ফুটবল নিয়ে কথা বলব। রোনালদো অনুশীলনে করেছে এবং মৌসুমের বাকি সবগুলো ম্যাচই তিনি খেলতে চান।’

লাস ভেগাস পুলিশের অনুরোধ ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় শেষ পর্যন্ত রাখবে কিনা সেটা অবশ্য এখনো জানা যায়নি। অনুরোধ রাখতে হলে ইতালিতেই রোনালদোর ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। পরে সেই রিপোর্ট পাঠিয়ে দেয়া হবে লাস ভেগাসে।

যেহেতু রোনালদো পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেছেন, তাই ডিএনএ পরীক্ষা করা ছাড়া কোনও গতি নেই লাস ভেগাস পুলিশের। কারণ ৯ বছর আগের ঘটনায় তেমন কোনও সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই।

রোনালদোর সামনে বড় সমস্যা, ঘটনা চেপে যাওয়ার জন্য ২০১০ সালে মহিলাকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই প্রমাণ প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন মহিলার আইনজীবী। ২ লাখ ৮৮ হাজার ডলারের সেই ক্ষতিপূরণ চুক্তি মানেননি মহিলা। সেই চুক্তির কপি নিজের কাছে রেখেছেন ওই মহিলা। যা আদালতে পেশ হওয়ার অপেক্ষায়।

কী করবেন রোনালদো? ফুটবল দুনিয়ায় এখন এই প্রশ্নই ‍ঘুরপাক খাচ্ছে। #মিটু মুভমেন্টকে সামনে রেখে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের বিরুদ্ধে আইনী লড়াই লড়ছেন ক্যাথেরিন মায়োর্গা। শুরুতে রোনালদো ঘটনা অস্বীকার করলেও চুক্তির কপি তার আইনজীবীদের জন্য মাথাব্যথার কারণ। সব মিলিয়ে জুভেন্টাস তারকাকে চিন্তায় রাখছে ডিএনএ পরীক্ষা।

মার্কিন মডেল মায়োর্গার দাবি, ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের একটি অ্যাপার্টমেন্টে তাকে নিয়ে যান রোনালদো। তিনি যখন পোশাক বদলাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ পিছন থেকে তাকে জাপটে ধরেন সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রোনালদো। তবে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মায়োর্গা, যে মামলার তদন্ত করছে মার্কিন পুলিশ।

আইনী ঝামেলার মধ্যে রোনালদোকে নতুন করে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছেন সাবেক আরেক বান্ধবী। যিনি নজিরবিহীন আক্রমণের শিকার হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সুপারস্টারকে মানসিক বিকারগ্রস্ত ও মিথ্যাবাদী বলে আক্রমণ করেছেন তার সাবেক বান্ধবী জ্যাসমাইন লিন্নার্ড।

এখানেই থেমে থাকেননি লিন্নার্ড, ধর্ষণের অভিযোগ তোলা মার্কিন মডেল মায়োর্গাকে সাহায্য করার কথাও জানিয়েছেন ইংলিশ মডেল। সেইসঙ্গে রোনালদোর ‘আসল চেহারা’ খোলাসা করা হুমকি দিয়েছেন তিনি।

Rape_try.jpg

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার (৪ জানুয়ারি) ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর বাবা বেশ কিছুদিন ধরে কৃষ্ণপুর এলাকায় তাজুল ইসলাম মজুমদারের (৪২) মাছের পুকুরে পাহারাদারের কাজ করতো। পুকুরের পাশেই একটি টিনের ঘরে বাবা-মা ও এক ভাইসহ বসবাস করতো ওই কিশোরী। গত ৩ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুকুরের মালিক তাজুল ইসলাম মজুমদার কৌশলে ঘরের উত্তর পাশে নিয়ে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।

এ সময় কিশোরীর মা ঘুমিয়ে ছিলেন এবং বাবা পুকুর পাহারায় ব্যস্ত ছিলেন। ঘটনার পর ওই কিশোরী কান্নাকাটি করতে থাকে। কিশোরীর ভাই ফিরোজ মাহমুদ বাইরে থেকে এসে কান্নার কারণ জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম তাকে মারতে আসে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম মজুমদার কৃষ্ণপুর এলাকার মৃত আবু তাহের মজুমদারের ছেলে।

এদিকে শুক্রবার ঘটনাটি স্থানীয় উত্তরদা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদকে জানালে তিনি আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দেন। পরে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে লাকসাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় লাকসাম থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাজুল ইসলাম মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ বিষয়ে লাকসাম থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) নজরুল ইসলাম জানান, ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষাসহ ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম মজুমদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (৫ জানুয়ারি) তাকে আদালতে পাঠানো হবে।