পররাষ্ট্রমন্ত্রী Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

momen773.jpg

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের নাইজার সফর বাতিল হয়েছে।

বুধবার (২৫ নভেম্বর) সকালে তাদের ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে নাইজার যাওয়ার কথা ছিল।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শরীরে এসময় করোনার কোন লক্ষণ ছিল না। বুধবার (২৫ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

মন্ত্রীর নাইজার সফর বাতিল করা হয়েছে। তিনি চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বর্তমানে বাসায় আইসোলেশনে আছেন এবং সুস্থ আছেন।

ওআইসি’র এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে তাঁর যোগদানের কথা ছিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি আরবের রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস তথা ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি দল এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এছাড়া নাইজার সফর উপলক্ষ্যে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের করোনা পরীক্ষা করা হলে তারও পজিটিভ ফলাফল আসে।

তিনিও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বাসায় আইসোলেশনে আছেন এবং সুস্থ আছেন।

moment6.jpg

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, রাজনীতিবিদেরা নন, বিদেশে বেশি অর্থ পাচার করেন সরকারি চাকুরেরা।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

গোপনে কানাডার টরন্টোতে অবস্থিত বাংলাদেশিদের বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ধারণা ছিল রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে, কিন্তু আমার কাছে যে তথ্য এসেছে, যদিও এটি সামগ্রিক তথ্য নয়, সেটিতে আমি অবাক হয়েছি।

সংখ্যার দিক থেকে আমাদের অনেক সরকারি কর্মচারীর বাড়িঘর সেখানে বেশি আছে এবং তাঁদের ছেলেমেয়েরা সেখানে থাকে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমার কাছে ২৮টি কেস এসেছে এবং এর মধ্যে রাজনীতিবিদ হলেন চারজন।

এ ছাড়া কিছু আছেন আমাদের তৈরি পোশাকশিল্পের ব্যবসায়ী। আমরা আরও তথ্য সংগ্রহ করছি।

তবে পাচারে শুধু কানাডা নয়, মালয়েশিয়াতেও একই অবস্থা। তবে তথ্য পাওয়া খুব কঠিন।

বিভিন্ন মিডিয়ায় যে তথ্য বের হয়, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছে, আসলে সংখ্যাটি তত নয়।’

পাচারের দায় বিদেশি সরকারও এড়াতে পারে না উল্লেখ করে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যেমন সুইজারল্যান্ডে কে ব্যাংকে টাকা রাখলেন, সেই তথ্য আমাদের দেয় না।

তারা ট্রান্সপারেন্সির কথা বলে, কিন্তু যদি বলি কার কার টাকা আছে, সেই তথ্য দাও, তখন তারা দেয় না। এটি একটি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড।’

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জো বাইডেনের বিজয়কে বিশ্বের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (নির্বাচিত) একজন পরিপক্ব রাজনীতিবিদ।

মানবাধিকার বিষয়ে নতুন মার্কিন সরকার আরও তৎপর হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু মিয়ানমারে মানবাধিকার খুব বেশি ব্যাহত হয়েছে, আমাদের ধারণা নতুন সরকার এ বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।

তবে আমি বলব, ট্রাম্প সরকার রোহিঙ্গা বিষয়ে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক সাহায্য দিয়েছে।

তবে রাজনৈতিক চাপ যেটুকু দরকার ছিল, সেটি আমরা পাইনি। শুধু কয়েকজন জেনারেলকে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

কোনো অর্থনৈতিক অবরোধ দেয়নি। ১৯৯২ সালে অর্থনৈতিক অবরোধ ছিল এবং সে কারণে মিয়ানমার নমনীয় ছিল। কিন্তু এখন সেগুলো নেই।’

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পাঁচজন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দুজনের খবর আমরা জানি।

একজন যুক্তরাষ্ট্র আছেন ও আরেকজন কানাডায়। তাঁরা আত্মস্বীকৃত খুনি।

কানাডায় কাজ করছি, কিন্তু সুরাহা হয়নি; তবে যুক্তরাষ্ট্রে কিছুটা আশার বাণী পেয়েছি।

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে যে কারণে তারা রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল, সেটি তারা পুনর্বিবেচনা করছে।’ তিনি বলেন, বাকি তিনজনের খবর বাংলাদেশ জানে না।

তিস্তা নিয়ে হঠাৎ করে কোনো চমক বা ম্যাজিক থাকবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কোনো ম্যাজিক থাকবে না। হঠাৎ করে এটি সই হবে।’

নদী বিষয়ে একটি টেকনিক্যাল কমিটি আগামী মাসে ভারতে যাবে এবং আলাপ করবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাকি সাতটি নদীর বিষয়ে একটি কাঠামো নিয়ে আলোচনা হবে।

ডিআরইউর সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী।

momen57y58.jpg

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্যাগের কথা শুনলে মানুষ তাজ্জব হয়ে যায়।

আমাদের সৌভাগ্য, আমরা যাকে নেতা হিসেবে পেয়েছি, তার মতো ত্যাগী নির্বাচিত নেতা বিশ্বে আর দ্বিতীয়জন নেই।

ভোটের অধিকার আদায়ে প্রধানমন্ত্রী অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তার ত্যাগের কারণে মানুষ সম্মান করে। আমরা ভাগ্যবান, তার মতো নেতা পেয়েছি।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘মিট দ্যা রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর পাঁচজন খুনি এখনো পালিয়ে আছে। দু’জন খুনির অবস্থান জানি। একজন আমেরিকায় রয়েছে।

আরেকজন কানাডায়। ইতোমধ্যে আমরা কানাডায় আইনজীবী নিয়োগ করেছি। এখনো খুব সুরাহা হয়নি।

আমেরিকায় অবস্থানরত খুনিকে ফেরাতে আশা পেয়েছি। তাদের অ্যাটর্নি জেনারেলকে সব তথ্য পাঠিয়েছি, তারা একটা সিদ্ধান্ত দেবে।

পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি আটজন বাংলাদেশিকে ফেরত আনতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত রয়েছি।

তাদের দেশে আনতে টাকাও পাঠিয়েছি। তারা ওমান থেকে পাকিস্তানে ঢোকে। তিনমাস জেলও দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার।

সেটা শেষ হয়েছে। পাকিস্তানে সরাসরি ফ্লাইট নেই, এখন তারা ওমানে যাবে। তারপর ওমান থেকে ফ্লাইটে দেশে আসবে।

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে কতজন প্রবাসী দেশে ফেরত এসেছেন জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে ১ লাখ ৬০ হাজার প্রবাসী দেশে এসেছেন।

অধিকাংশ এসেছেন সৌদি থেকে। কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার পর সৌদি চাপ দিলো লোক নিয়ে যাও। সৌদি প্রথমে পাঠালো, যারা জেলে ছিল। যারা ক্রিমিনাল এদেরও পাঠালো। তবে সংখ্যা খুব কম।

বিদেশে টাকা পাচারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কানাডায় খবর নিয়েছি, প্রাথমিকভাবে কিছু সত্যতা পেয়েছি।

মনে করছিলাম রাজনীতিবিদদের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু দেখা গেলো রাজনীতিবিদ চারজন। সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা বেশি।

এছাড়াও কিছু ব্যবসায়ীও আছে। কিন্তু বিদেশে যদি কেউ বৈধভাবে টাকা নেয়, তাহলে কোনো আপত্তি নেই। তবে অবৈধভাবে পাচার করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল মিটিং হওয়ার কথা রয়েছে।

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে। পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সমাধান বলে আশাবাদী।

ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, উন্নত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর প্রচুর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়।

কিন্তু সেই তুলনায় বাংলাদেশে সেটা অনেক কম। ধর্ষণও আমাদের দেশে প্রতি ১০ লাখে ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ।

কিন্তু ওপেন সেক্সের দেশ হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকায় সেটা আরো বেশি।

তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ ভারত। তাদের সঙ্গে একটা সলিড রিলেশন।

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত হবে। উন্নতি হলে কিছু শত্রুও বাড়বে। সেজন্য আমরা কাজও করছি।

অন্য আর এক প্রশ্নের জবাবে ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতায় আসা ডেমোক্রেটিক পার্টির সঙ্গে আমরা আগেও কাজ করেছি।

জো বাইডেন খুব পরিপক্ব রাজনীতিবিদ। এটা পৃথিবীর জন্য আশীর্বাদ। নতুন সরকারে সঙ্গে কোনো অসুবিধা হবে না।

আমরা জলবায়ু নিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করবো। প্রবাসীদেরও সুবিধা হবে।

Momen77.jpg

বিদেশ থেকে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নেগেটিভ সনদ নিয়ে আসলেও দেশে টেস্ট করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী একথা জানান।

ড. মোমেন বলেন, বিমানবন্দরগুলোতে প্রবাসীদের কোভিড টেস্ট করতে কড়াকড়ি করা হয়েছে। প্রত্যেকেরই টেষ্ট করা হবে।

যদি কারও পজিটিভ হয় তাহলে তাকে আইসোলেশনে পাঠানো হবে।  আর যাদের নেগেটিভ হবে তারা সেলফ আইসোলেশনে যাবেন।

ফ্লাইট যোগাযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বুঝে বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট বন্ধ কিংবা খোলা হবে।

মিয়ানমারের নির্বাচনে সু চির দল বিজয়ী হওয়ার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক দেশ স্বীকৃতি দিলে বাংলাদেশও সেটি বিবেচনা করবে।

অচিরেই রোহিঙ্গাদের ভাষাণচরে পাঠানো হবে জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, এ নিয়ে বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২০’ বিষয়ে সিলেট অঞ্চলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় খসড়া আইনটির বিষয়ে নতুন কোনো পরামর্শ থাকলে তা আগামী ১০ দিনের মধ্যে লিখিত আকারে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সিলেট মহানগরের পরিধি বাড়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং বেশ অগ্রসরও হয়েছে।

নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হলে পরিকল্পিতভাবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে। সে কারণে এ আইন প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকারও সভায় বক্তব্য দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম নাহিদ, সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ কয়েস, আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট চেম্বার সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়েব, সিলেট উইমেন চেম্বারের সভাপতি স্বর্ণলতা রায়।

সভায় জানানো হয়, সিলেট মহানগরীকে একটি আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং এ অঞ্চলের সুপরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার জন্য আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

Momen20191126001017.jpg

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে মানবসম্পদ।

মানবসম্পদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন নতুন দেশে মানবসম্পদ পাঠাতে আমরা কাজ করছি।

শনিবার (১৪ নভেম্বর) নাটোর সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একথা বলেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবসম্পদ পাঠাতে নতুন দেশ খোঁজার পাশাপাশি পণ্য রপ্তানির পরিধি বাড়াতে কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজের সভাপতিত্বে সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-১ আসনের সাংসদ শহিদুল ইসলাম বকুল, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহাসহ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও উপসচিবসহ অন্য কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (১৪ নভেম্বর) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও তাঁর স্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের ৪৮ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর একটি প্রতিনিধি দল নাটোর সফর করেন। এসময় তারা উত্তরা গণভবন ও নাটোর রাজবাড়ি ঘুরে দেখেন।

momen57y58.jpg

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মিয়ানমার সরকার প্রথমে কোভিড-১৯ এর দোহাই দিলেও এখন তারা নির্বাচনের কথা বলে সেই আলোচনায় কালক্ষেপণ করছে।

তবে সু চি সরকার আবার ক্ষমতায় এসেছে। এখন সু চি সরকারের হাতে যথেষ্ট সময় আছে। তাদের দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে ফেরৎ নিয়ে বদনাম ঘোচানোর। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের নতুন সরকার নিয়ে আমরা যথেষ্ট আশাবাদী।

শনিবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ও বর্তমান বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় দেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের চিহ্নিত কোনো শত্রু নেই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে এমনটি হয়েছে।

প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সবাই ভালো সম্পর্ক রাখতে পারে না। কিন্তু আমরা সেটা পেরেছি।

ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক এতোই ভালো যে, সহসা আমরা আমাদের সমস্যার কথা তাদের কাছে তুলে ধরতে পারি।

এদিন বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে দুই দিনের সফরের অংশ হিসেবে মন্ত্রী সস্ত্রীক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শনে এলে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান, উপ-উপাচার্যদ্বয়, কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।

পরিদর্শনের শুরুতে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি, ৭১র বধ্যভূমি স্মৃতিফলক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত শিক্ষক শহীদ শামসুজ্জোহার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কাইভ, বিভিন্ন স্থাপনা ও বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন।

momen57y58.jpg

নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে কিছু রোহিঙ্গা পরিবারকে ভাসানচর আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। তবে কতজনকে পাঠানো হতে পারে, সে সংখ্যা জানাননি মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পাঠানোর সিদ্ধান্তে সরকার অটল রয়েছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মহাপরিচালক আমাকে বলেছেন, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের খাওয়ানোর জন্য কুতুপালং ক্যাম্পের চেয়ে খরচের বেশি পার্থক্য হবে না।

রোহিঙ্গা যারা ভাসানচরে যাবেন তারা সেখানে মাছধরা, মুরগিপালন, গরুপালনের মতো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারবেন।

মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কে অনেক বক্তব্য শুনি, কিন্তু কাজের সময় উল্টো পরিস্থিতি হয়।

বিশেষ করে চীন, যাদের ওপর বাংলাদেশ অনেক আশা করেছিল তারা এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে।

সবাই বলে, কিন্তু একজন রোহিঙ্গাও নিজ দেশে ফেরত যায় না। তিন বছর পার হয়ে গেছে, একজনও ফেরত যায়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে জাপানের রাষ্ট্রদূত আমার সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সাহায্য করতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। জাপানের সঙ্গে মিয়ানমারের খুব ভালো সম্পর্ক। সুতরাং আমরা মনে করেছি, জাপানের কথা মিয়ানমার শুনবে।

কক্সবাজার থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে এই প্রকল্প গ্রহণ করে বাংলাদেশ সরকার।

প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে আশ্রয়ন-৩ প্রকল্প, আর এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে।

momen57y58.jpg

সিলেটে পুলিশ ফাঁড়িতে ‘নির্যাতনে’ রায়হান আহমেদ নিহতের ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া বিদেশে পালিয়ে গেলেও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট নগরীর আখালিয়ায় নিহত রায়হান আহমদের বাড়িতে দেখা করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস আকবর এখনও দেশের বাইরে যায়নি কারণ সীমান্তগুলোকে আমরা সাথে সাথে সতর্ক করে দিয়েছি।

তবে আকবর বিদেশে পালিয়ে গেলেও তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হবে।

২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগ তুলে ১৩ বছরের শিশু রাজনকে পিটিয়ে হত্যার প্রসঙ্গে টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজন হত্যার আসামিকে সৌদি আরব থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

এসআই আকবর হোসেন ভূইয়া পুলিশের জন্য লজ্জার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এরকম দুই-একজন কুলাঙ্গারের কারণে পুলিশ বাহিনীও লজ্জিত।

পুলিশের কেউ তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে না। সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।

১১ অক্টোবর ভোরে সিলেট নগরীর আখালিয়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে এনে নির্যাতন করা হয়।

পরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

১২ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন নিহত রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নী।

এ ঘটনা সময়কার বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবর হোসেন ভূইয়াসহ চার পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। এছাড়া তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।

momen57y58.jpg

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের না পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের ওপর চাপ রয়েছে, ইউএনএইচসিআর এবং অন্যান্য এনজিওগুলোর পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভাসানচর খুব সুন্দর জায়গা এবং এটি একটি রিসোর্ট হওয়া উচিত ছিল। আমি যদি এর দায়িত্বে থাকতাম তবে আমি এটিকে একটি রিসোর্ট হিসেবে তৈরি করতাম।

রোহিঙ্গারা রাখাইনে যেভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন, ভাসানচরে গেলে সেভাবেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন। এমন অনেক লোক আছেন যারা যেতে ইচ্ছুক।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, সরকার ধীরে ধীরে সেখানে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরিত করতে চায়।

সম্প্রতি প্রথমবারের মতো গিয়ে পরিস্থিতি দেখাটি ছিল এক সমাদৃত পদক্ষপ।

তবে, প্রস্তাবিত জাতিসংঘের কারিগরি ও সুরক্ষা মূল্যায়নের বিষয়টিকে এগিয়ে নেয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

সেই সাথে সেখানে ইতোমধ্যে স্থানান্তরিত ৩০৬ শরণার্থীর মানবিক ও সুরক্ষা পরিস্থিতি মূল্যায়নে আলাদাভাবে সফর দরকার

এক বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে বৈধপথে কৃষিশ্রমিক নেয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে ইতালি সরকার।

সোমবার মন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছর রোম সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকদের ফার্ম ওয়ার্কার্স প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানান। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে এই সুযোগ দিল ইতালি সরকার।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশি কৃষি শ্রমিকরা নিয়ম ভঙ্গ করে দেশে ফেরত না আসার কারণে ইতালি সরকার এর আগে এ সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়।

এর আগে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে একটি চুক্তির আওতায় প্রায় ১৮ হাজার বাংলাদেশি সে দেশে যান।

কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফেরত আসেন ১০০ এর কম শ্রমিক। এ কারণে ২০১২ সালে এই সুবিধা বন্ধ করে দেয় ইতালি।