পাকিস্তান Archives - Page 2 of 3 - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

india-20190215150048.jpg

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলায় ৪৬ সেনার নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তানকে পুরোপুরি একঘরে করবে ভারত। দিল্লির তরফ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে পাকিস্তানকে একঘরে করতে সব ধরনের কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে ভারত।

বৃহস্পতিবার ভারতের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, কাশ্মিরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় মদদ রয়েছে পাকিস্তানের। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও পাকিস্তানের দিকে আঙুল তুলেছে নয়াদিল্লি।

pakistan

কয়েক দশকের মধ্যে এটাই ছিল কাশ্মিরে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনা। ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ি বহর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।

পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মুহাম্মদ ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে। ভারতের তরফ থেকে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে ওই জঙ্গি গোষ্ঠী পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদকে এবং এর প্রধান মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাছে দাবি জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

pakistan-2

অরুন জেটলি বলেন, পুলওয়ামার ঘটনার সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত তারা কোনভাবেই রেহাই পাবে না। দোষীদের জন্য বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ অপেক্ষা করছে।

facebook9.jpg

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নজদারি বাড়াচ্ছে পাকিস্তান সরকার৷ সরকারের দাবি, ‘হেট স্পিচ ও চরমপন্থা’ ঠেকাতে এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে৷ চরমপন্থা ছড়ানোর অভিযোগে কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে৷

পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানহানিকর পোস্ট দেয়ার অভিযোগে কর্তৃপক্ষ একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করার পর তথ্যমন্ত্রী এ কথা জানান৷ মঙ্গলবার ওই সাংবাদিককে আটক করা হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই গণমাধ্যমের উপর চাপ প্রয়োগের অভিযোগ রয়েছে৷ গত কয়েক বছরে দেশটির কয়েকশ’ সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট ও বেশ কিছু নাগরিকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে৷

পাকিস্তানের অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগারদেরকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত লেখার জন্য প্রতিনিয়তই হুমকি দেয়া হচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে জানিয়েছে এএফপি।

দেশটির মূলধারার গণমাধ্যমকেও প্রতিনিয়ত সরকারের চাপের মুখে থাকতে হয়৷ সরকারের চাপের মুখে গত মঙ্গলবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি নিবন্ধ পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম প্রকাশ করতে পারেনি৷ নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত ওই নিবন্ধটিতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সমালোচনা করা হয়েছিল৷

তবে পাকিস্তান সরকার বলছে, দেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে৷ তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বেনামী ডিজিটাল মিডিয়ার প্রভাব বেড়েই চলেছে৷ এটি এখন দেশের মূলধারার গণমাধ্যমের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে৷’

Pakistan-in-forbes-list-not-India.jpg

ব্যয়বহুল ভ্রমণ আর বিলাসবহুল ভ্রমণ এক নয়। বিখ্যাত জায়গা দেখা আর নতুন কোনো অভিজ্ঞতা লাভ করাও এক জিনিস নয়। ঝানু পর্যটক মাত্রই এসব পার্থক্যের কথা জানেন।

আর এমন পর্যটকদের জন্যই প্রভাবশালী ফোর্বস ম্যাগাজিন ২০১৯ সালে আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে এমন পর্যটনস্থলের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে ঘুরতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ভ্রমণকারীর জন্য হবে একদম নতুন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, ২০১৯ সালে সারা বিশ্বের ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করবে এমন জায়গার তালিকায় পাকিস্তান থাকলেও নেই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আঁধারখ্যাত ভারতের কোনো একটি জায়গা।

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, নিরাপদ ভ্রমণের জায়গা হিসেবে ভারতের জায়গা হয়নি ওই তালিকায়। তবে, পাকিস্তানকে দরাজ সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে একদা অবিভক্ত কাশ্মীরের অংশ গিলগিট-বাল্টিস্তান প্রদেশকে।

এ ছাড়া ফোর্বসের তালিকায় নাম রয়েছে এই জায়গাগুলোর—
দ্য অ্যাজোর্স আইল্যান্ডস, পর্তুগাল: হলিউড ছবি ‘অবতার’ দেখেছেন? অ্যাজোর্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে তুলনা চলে পর্দায় দেখা প্যান্ডোরা উপগ্রহের। অতলান্তিক মহাসাগরেরওই দ্বীপপুঞ্জে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ, প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ, কালো বালির সৈকত রয়েছে। পাহাড় চড়া, স্কুবা ডাইভিং এবং তিমি দর্শনের ব্যবস্থাও রয়েছে।

পূর্ব ভুটান: গত কয়েক বছরে পর্যটকদের কাছে ভুটানের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম ও মধ্য ভুটানের। পুনাখা জোং, দোচুলা পাস, চিমি লাখাং, তাশিচোজং এবং গাংতে গুম্ফাতে সারাবছর ভিড় থাকে পর্যটকদের।

লস কাবোস, মেক্সিকো: বিলাসবহুল রিসোর্ট এবং ফাইভ স্টার হোটেলের জন্য পরিচিত দক্ষিণ মেক্সিকোর লস কাবোস। সপরিবারে পিকনিক করা যাবে লাভার্স বিচে। স্নর্কেলিংয়ের শখ থাকলে তার ব্যবস্থাও রয়েছে সান্তা মারিয়া সমুদ্র সৈকতে। ওয়াইন টেস্টিংয়ের আয়োজন করা হয় বিভিন্ন রেস্তোরাঁয়। ঢুঁ মেরে দেখতে পারেন সেখানেও।

কলম্বিয়া: শাকিরা, ফনসেকার মতো বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পীদের জন্ম কলম্বিয়ায়। তবে, সাধারণ নাগরিকরাও যে কম যান না, কলম্বিয়ার মাটিতে পা রাখলেই তা টের পাবেন। দেয়ালে দেয়ালে চোখে পড়বে স্ট্রিট আর্ট। আর খাদ্যরসিক হলে তো কথাই নেই। নানা ঘরানার খানাপিনার জন্য প্রসিদ্ধ বোগোটা।

ইথিওপিয়া: ক্রিশ্চান, ইহুদি ও মুসলিমরা মিলেমিশে থাকেন এদেশে। তবে নিজেদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই তাদের। বরং ইথিওপিয়ায় ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাসী সেখানকার মানুষ। তাই প্রাচীনকালের বিভিন্ন স্থাপত্য আজও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে সেখানে। যার মধ্যে কয়েকটি চতুর্থ এবং পঞ্চম শতকে নির্মিত।

মাদাগাস্কার: আরব্য রজনীতে যাযাবর বেদুইনদের গল্প পড়েছেন নিশ্চয়ই! মাদাগাস্কার তার আধুনিক সংস্করণ। গাইড নিয়ে বেরিয়ে পড়তে পারেন রাস্তাঘাটে। সেখানে যাযাবরদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ মিলে যেতে পারে। আলাপ হতে পারে ঈগল শিকারিদের সঙ্গেও।

পাকিস্তান: আমেরিকান এবং ইউরোপীয়দের মধ্যে ইদানিং পাকিস্তান নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। গিলগিট ও বাল্টিস্তানের হান্ঝা পার্বত্য উপত্যকা, শিগার এবং কারাকোরাম হাইওয়ে হয়ে খাপলু, অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানে ধীরে ধীরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। রয়েছে প্রায় বরফে মোড়া আত্তাবাদ হ্রদ ও রাকিপোশির মতো এলাকাও।

রুয়ান্ডা: পূর্ব আফ্রিকার এই দেশটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পর্যটকদের কাছে। বন-জঙ্গল যাদের পছন্দ, তাদের জন্য আদর্শ জায়গা। রয়েছে নানা অভয়ারণ্য। ভিরুঙ্গা পার্বত্য এলাকার ভলক্যানস ন্যাশনাল পার্কের স্থায়ী বাসিন্দা ৩০০ গরিলা। রয়েছে রেইন ফরেস্ট নিয়ুঙ্গওয়ে ন্যাশনাল পার্ক। এখানে প্রায় ১০৮০ প্রজাতির গাছপালা রয়েছে। পাখি রয়েছে ২৫০ প্রজাতির।

দ্য টার্কিশ রিভারিয়া: পড়শি দেশ সিরিয়ায় ইসলামি স্টেট জঙ্গিদের উৎপাত। মৌলবাদী প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সরকার। এ সবের জেরে পর্যটকদের কাছে তুরস্কের জনপ্রিয়তা কমে গিয়েছিল সম্প্রতি। তবে ২০১৬-তে সেনা অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক তুরস্কে। ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ ইস্তানবুল, বোদরামে ইদানিং বহু সিনেমার শুটিংও হয়।

bd-pk.jpg

১৯৯৯ সালের ৩১ মে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এক ঐতিহাসিক দিন। এদিন যাদের বিরুদ্ধে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল সেই পাকিস্তানকে হারিয়ে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে বাংলাদেশ।

এটি ছিল বড় কোনো দলের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রথম জয় এবং পাকিস্তান ছিল সেই বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট। বাংলাদেশ সহযোগী সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছিল বিশ্বকাপে তাই বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনো সে ম্যাচকে ধরা হয় সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে।

কয়েক মাস সেই ঐতিহাসিক দিনের ২০ বছর পূর্তির অপেক্ষা। কিন্তু সে ঐতিহাসিক মুহূর্তে কালি মাখতে চাইছেন পাকিস্তানের সাবেক বোর্ড সভাপতি। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সে হারকে ‘সন্দেহজনক’ বলছেন এই কর্মকর্তা।

ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধরাশায়ী হওয়াতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সভাপতির পদ খোয়ান খালিদ মেহমুদ। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ধরাশায়ী হওয়াতেই এমন দশা তার। তবে দেড় যুগ পর আলোচনা করতে গিয়ে সে ফাইনাল হয়, বাংলাদেশ ম্যাচটাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তার কাছে। বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটন বলে এখনো আলোচিত সে ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে পাকিস্তানের টিভি চ্যানেল জিও নিউজের অনুষ্ঠান স্কোরে। সে অনুষ্ঠানেই সেই বিশ্বকাপের স্কোয়াডের খেলোয়াড়দের গায়ে ‘সন্দেহজনক’ ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছেন মেহমুদ।

মেহমুদের দাবি বিশ্বকাপের আগেই দলের খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে সন্দেহের কথা জানিয়েছিলেন কোচ জাভেদ মিয়াঁদাদ। বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে সাফল্য এনে দেয়া মিয়াঁদাদের দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করেছেন মেহমুদ। সাবেক বোর্ড সভাপতির দাবি সে বছর ১২ এপ্রিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে পাকিস্তানের হারে খেলোয়াড়দের ‘সন্দেহজনক’ আচরণ দেখেই নাকি মিয়াঁদাদ পদত্যাগ করেছেন। খালিদ মেহমুদের দাবি, তাঁরও তেমন সন্দেহ জেগেছিল।

মেহমুদের দাবি, ওয়াসিম আকরামের অধীনে বাংলাদেশের কাছে পাকিস্তানের হারও অমন ‘সন্দেহজনক’। তার ধারণা পাকিস্তান দলের যে স্কোয়াড তাতে এমন হার প্রশ্ন তুলবেই। এই অঘটন তাকে চিন্তিত ও রাগান্বিত করেছিল। এত এত তারকা থাকার পরও পাকিস্তানের অমন হারের সঠিক তদন্ত হওয়া উচিত ছিল বলেই মনে করেন মেহমুদ।

hajj12.jpg

চলতি বছরের হজ নীতিতে পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান। নতুন নীতি অনুযায়ী হজে কোনও ভর্তুকি দেবে না দেশটির সরকার। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।সম্প্রতি পাকিস্তানের মন্ত্রিসভার এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এতে সভাপতিত্ব করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।অবশ্য পরবর্তীতে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, হজে ভর্তুকি বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। দ্রুতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

গত বছরের তুলনায় এবার হজের খরচ বাড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সামা’র প্রতিবেদনে। এ বছর প্রত্যেক হাজীকে অন্তত ১ লাখ পাকিস্তানি রুপি বেশি খরচ করতে হবে। সব মিলিয়ে ভর্তুকি ছাড়া দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের হাজিদের খরচ পড়বে ৪ লাখ ৩৬ হাজার এবং উত্তরাঞ্চলের হাজিদের ৪ লাখ ২৬ হাজার পাকিস্তানি রুপি।

এজন্য দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রতি হাজিকে ৪৫ হাজার রুপি করে ভর্তুকি দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি বছর পাকিস্তানের অন্তত ১ লাখ ৮৪ হাজার মানুষ হজ করতে যাবেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৭ হাজার সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বাকি ৭৬ হাজার যাবেন বেসরকারিভাবে।

hair6.jpg

মাথার চুল রফতানিতে অনন্য দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে পাকিস্তান। গত পাঁচ বছর ধরে চীনে চুল রফতানি করে বিপুল মুনাফা অর্জন করেছে ইসলামাবাদ, এমনটিই জানিয়েছে পাক সরকার।

গত পাঁচ বছরে রফতানিকৃত এই চুলের পরিমাণ এক লাখ কেজি ছাড়িয়েছে। এতে পাকিস্তান চীনের কাছ থেকে আয় করেছে প্রায় দেড় লাখ মার্কিন ডলার।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সংসদে এ হিসাব দিয়েছে সরকারের বাণিজ্য ও বস্ত্র দফতর। ক্ষমতায় এসে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশ সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দেশের আর্থিক অচলাবস্থা কাটাতে বিভিন্ন রকমভাবে চেষ্টার মধ্যে এই চুল-বাণিজ্য অন্যতম।

শুধু চীনেই নয়, মার্কিনমুলুকেও মাথার চুল রফতানি করছে পাকিস্তান। জানা গেছে, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে স্টাইল ও ফ্যাশন সম্পর্কে সচেতনতা বেড়েছে। আর সে কারণেই দেশটিতে ‘উইগ’ বা ‘পরচুল’র চাহিদা বেড়েছে অনেক।

নিজ দেশের মানুষের চুল দিয়েও এর চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে চীন। আর এসব পরচুলের জোগানে দেশটি তার বন্ধুভাবাপন্ন দেশ পাকিস্তান থেকে চুল আমদানি করছে।

হিসাব বলছে, গত পাঁচ বছরে পাকিস্তান থেকে প্রায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৪৬১ কেজি চুল কিনেছে চীনের কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রি।

যার মূল্য আনুমানিক এক লাখ ৩২ হাজার মার্কিন ডলার, টাকায় এক কোটি ১০ লাখ টাকার কিছু বেশি।

সূত্র: নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ok89.jpg

ঘরের মাঠে টেস্টে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টেস্ট সিরিজ শেষে আগামী ১৯ শে জানুয়ারি থেকে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম দুই ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

২০০৯ সালে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শ্রীলংকান ক্রিকেট দলের বাসে হামলার পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নির্বাসিত পাকিস্তান। এরপর নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও দেশটিতে সফর করতে রাজি হয়নি অন্যকোনো ক্রিকেট দল। বিভিন্ন ভাবে নিজ দেশে ক্রিকেট ফেরাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। অতঃপর শেষ ২-৩ বছরে জিম্বাবুয়ে, উইন্ডিজ ও আইসিসি’র বিশ্ব একাদশ কয়েকটি টি-২০ ম্যাচ খেললেও কোনো দল পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে সফর করেননি। অবশেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় দল পাকিস্তান সফরে যেতে রাজি হয়েছে।

ফাফ ডু প্লেসিসকে অধিনায়ক করে ঘোষিত পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডে ম্যাচের দলে নেই ডেল স্টেইন ও কুইন্টন ডি কক। বিশ্রাম দেয়া হয়েছে এই দুইজনকে। হালকা ইনজুরিও আছে ডেল স্টেইনের। তাদের বদলে দলে নেয়া হয়েছে ব্যাটসম্যান এইডেন মারক্রাম ও বোলার ডুয়ানে অলিভিয়ারকে। কুইন্টন ডি ককের বদলে দক্ষিণ আফ্রিকা দলে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন হেইনরিচ ক্লাসেন।

ডুয়ানে অলিভিয়ারের টেস্ট অভিষেক হয় পাকিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেস্ট সিরিজে। দারুণ বোলিং করে ম্যান অব দ্য সিরিজও হন তিনি। তিন ম্যাচের সিরিজে ২৪ উইকেট নিয়েছেন অলিভিয়ার। তার ভালো পারফর্মের ফলস্বরূপই প্রথমবারের মতো ডাক পেয়েছেন ওয়ানডে দলে।

দক্ষিণ আফ্রিকার দল: ফাফ ডু প্লেসিস (অধিনায়ক), হাশিম আমলা, এইডেন মারক্রাম, হেইনরিচ ক্লাসেন, ডুয়ানে অলিভিয়ার, রেজা হেনড্রিকস, ইমরান তাহির, ডেভিড মিলার, ড্যান প্যাটারসন, কাগিসো রাবাদা, অ্যান্ডিলে ফেলুকওয়াইয়ো, ডুয়াইন প্রিটোরিয়াস, রেসি ভ্যান ডার ডুসান।

দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের সময়সূচি:

*প্রথম ম্যাচ- ১৯ জানুয়ারি- বিকেল ৫ টা।

*দ্বিতীয় ম্যাচ- ২২ জানুয়ারি- বিকেল ৫ টা।

*তৃতীয় ম্যাচ- ২৫ জানুয়ারি- বিকেল ৫ টা।

*চতুর্থ ম্যাচ- ২৭ জানুয়ারি- দুপুর ২ টা।

*পঞ্চম ম্যাচ- ৩০ জানুয়ারি- বিকেল ৫ টা

pkis.jpg

নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) বহির্ভূত মিত্র দেশের তালিকা থেকে পাকিস্তানকে সরিয়ে দিতে মার্কিন কংগ্রেসে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী এক আইনপ্রণেতা এ বিল উত্থাপন করেছেন।

স্থানীয় সময় গত শনিবার কংগ্রেসে বিলটি পেশ করেন রিপাবলিকান সদস্য অ্যান্ডি ব্রিগস।

তবে ‘ন্যাটোবহির্ভূত মিত্র’ তালিকায় পাকিস্তানকে থাকতে হলে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে বলেও বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘রেজুলেশন-৭৩’ নামের বিলটিতে ‘ন্যাটো’ জোটের বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘বন্ধু দেশ’ হিসেবে এখন পাকিস্তান যে মর্যাদা পায় তা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আলোচনা ও যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিলটি পাঠানো হয়েছে হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের বিদেশ বিষয়ক কমিটিতে।

২০০৪ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সময়কালে পাকিস্তান ‘ন্যাটোবহির্ভূত মিত্র’ দেশের মর্যাদা পেয়েছিল।

suadi-pakistan-20190113164607.jpg

পাকিস্তানের গোয়াদার গভীর সমুদ্রবন্দরে ১০ বিলিয়ন ডলার খরচ করে একটি তেল শোধনাগার স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে সৌদি আরব। ভারত মহাসাগরের কাছে পাকিস্তানের এই বন্দরের উন্নয়নযজ্ঞ এগিয়ে চলছে চীনের সহায়তায়; শনিবার সেই বন্দরে দাঁড়িয়ে সৌদি আরবের জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।

আর্থিক দূরাবস্থা ও ঘাটতি মোকাবেলায় বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর বিনিয়োগ আকর্ষণ ও অন্যান্য আর্থিক সহায়তা চেয়ে আসছে পাকিস্তান। দেশটিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাজেট ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি সামলাতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গত সপ্তাহেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। ওই চুক্তি অনুযায়ী আমিত থেকে স্বল্প সুদে ও দামে জ্বালানি তেল এবং গ্যাস আমদানি করবে পাকিস্তান।

গত বছর পাকিস্তানে ৬ বিলিয়ন ডলারের অপরিশোধিত তেল রফতানির একটি প্যাকেজ প্রস্তাব করেছিল সৌদি। সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ বলেছেন, তেল শোধনাগার স্থাপন ও চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক উন্নয়ন স্থিতিশীলতা করতে চায় সৌদি আরব।

তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান নতুন এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পাকিস্তান সফরে আসবেন। সৌদি আরব পাকিস্তানের অন্যান্য প্রকল্পেও বিনিয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন খালিদ আল ফালিহ।

পাকিস্তানের জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রী গোলাম সারওয়ার খান বলেছেন, গোয়াদারে তেল শোধনাগার স্থাপনের মাধ্যমে সৌদি আরব সিপেকের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারে পরিণত হবে।

পরিশোধন, পেট্রোকেমিক্যাল, খনি ও পুনর্নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপারে পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম ও সমুদ্রকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী আলী জাইদির সঙ্গেও আলোচনা করেছেন সৌদি ওই মন্ত্রী।

chuc3.jpg

পাকিস্তানের এক গ্রাম্য এলাকায় অবস্থিত বহু পুরনো সেন্ট ম্যাথিউস গির্জাটি গত ১০০ বছর ধরে দেখাশোনা করছেন স্থানীয় এক মুসলিম পরিবার।

গির্জাটি বর্তমানে যিনি দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন তার নাম ওয়াহিদ মুরাদ। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি জানেন কীভাবে ওই গির্জার ঘণ্টা বাজাতে হয়। বিবিসিকে তিনি বলেন, এই কাজ করতে কেন তিনি গর্ব বোধ করেন। তার বক্তব্য গির্জা একটা ধর্মীয় উপাসনাস্থল এবং সব উপাসনাস্থলকে তিনি শ্রদ্ধা করেন।

মুরাদ জানান, ‘যে কোন উপাসনাস্থল দেখাশোনা করা আমাদের কর্তব্য। গির্জা দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে আমার কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই। আমার নানা এখানে কাজ করেছেন ৩৫ বছর, এরপর আমার আব্বা ৪৫ বছর। আর আমিও গত ১৭ বছর ধরে এই গির্জার দেখভাল করছি। আমি লজ্জা পাই না, বরং গর্ব লাগে যে আমাদের পরিবার বংশানুক্রমে গত প্রায় একশ বছর ধরে এই গির্জার দেখাশোনা করছে।’

তিনি আরো বলেন, তিনি মুসলমান। তিনি তার নিজের ধর্ম পালন করেন। কিন্তু একই সঙ্গে এই গির্জার রক্ষণাবেক্ষণের কাজও তিনি করছেন এবং একাজ তিনি চালিয়ে যেতে চান বলে জানান।

নাথিয়া গালি নামে পাহাড়ি গ্রামে এই সেন্ট ম্যাথিউস গির্জাটি একশ বছর আগে বানিয়েছিল ব্রিটিশরা। ওই এলাকায় খ্রিস্টানরা এখন বাস করে না বললেই চলে। সূত্র: বিবিসি বাংলা।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

Newsletter