পাসপোর্ট Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

passport79.jpg

মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন থেকে সেদেশের পোস্ট অফিসের মাধ্যমে নবায়ন করা পাসপোর্ট পাবেন। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার গোলাম সারওয়ার। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার গোলাম সারওয়ার বলেন, করোনাকালে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যেন দ্রুত পাসপোর্ট হাতে পান সে জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নবায়ন করা পাসপোর্ট পেতে প্রবাসীদের আর হাইকমিশনে আসতে হবে না। আমরা পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কর্মসূচি নিয়েছি। ধীরে ধীরে মালয়েশিয়ার সব জায়গায় এই সুবিধা চালু করা হবে।

মালয়েশিয়া হাইকমিশন জানিয়েছে, পেনাং , জহুর বারু, ইপো, মুয়ার, কুচিং ও তেরেঙ্গানুতে এই সেবা চালু করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে সবাহ ও সারাওয়াকসহ বিভিন্ন প্রদেশে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম চালু করা হবে।

passport79.jpg

অনেক সময় দেখা যায় কোনো পাসপোর্ট হোল্ডার অবিবাহিত অবস্থায় পাসপোর্ট করেছেন, বিয়ের পরেও পাসপোর্টে বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ থেকে গেছে। আবার অনেকের বিবাহিত লেখা থাকে, কিন্তু তালাকের পরেও তথ্যগুলো আপডেট করা হয় না।

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর পাসপোর্টের আবেদনকারীদের এসব তথ্য হালনাগাদের সুযোগ রেখেছে। নাম, জন্ম তারিখ বাদে বর্তমান ঠিকানা ও কর্মক্ষেত্রসহ সব ধরনের তথ্য হালনাগাদ করা যায়।

অধিদপ্তর জানায়, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তন করতে চাইলে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর জন্য আবেদন করতে হবে। এজন্য আবেদনকারীকে এক পৃষ্ঠার একটি ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমে আগের তথ্য ও হালনাগাদ তথ্য দুটোই দিতে হবে। এসময় তথ্য হালনাগাদের স্বপক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অধিদপ্তর এসব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পাসপোর্ট হালনাগাদ করবে।

অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে, পাসপোর্টে বৈবাহিক অবস্থা ‘বিবাহিত’ উল্লেখ করতে চাইলে নিকাহনামা জমা দিতে হবে। বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হলে তালাকনামা কার্যকরের কপি, পুনরায় বিবাহিত হলে নিকাহনামার কপি জমা দিতে হবে।

এছাড়াও কারো বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হলে স্থানীয় কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র অথবা ইউটিলিটি বিলের কপি, পেশা পরিবর্তন হলে অফিসের আইডি কার্ড বা ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্সের কপি জমা দিতে হবে।

এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ফরম পূরণ করতে হবে না। ই-পাসপোর্টের সুনির্দিষ্ট ফরমটি পূরণ করে সেখানে হালনাগাদ করা তথ্য দিতে হবে। তবে হালনাগাদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবেই।

অধিদপ্তর জানায়, পুরোনো পাসপোর্টের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম ও জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তবে কেউ যদি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চায়, সেক্ষেত্রে তার পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে।

পাসপোর্ট তথ্য হালনাগাদের ফি পাসপোর্ট তৈরি বা রি-ইস্যু করার ফি একই। অর্থাৎ রি-ইস্যু করতে যত টাকা লাগে, সংশোধন করতেও একই ফি। কারণ তথ্য সংশোধন শেষে নতুন পাসপোর্ট বই দেওয়া হয়।

পাসপোর্টের ফি: ই-পাসপোর্ট

পাঁচ বছর মেয়াদের ৪৮ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পেতে চার হাজার ২৫ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ সাত কার্যদিবসে পেতে ছয় হাজার ৩২৫ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেতে আট হাজার ৬২৫ টাকা জমা দিতে হবে।

১০ বছর মেয়াদের ৪৮ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের পেতে পাঁচ হাজার ৭৫০ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ সাত কার্যদিবসে পেতে আট হাজার ৫০ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ১০ হাজার ৩৫০ টাকা জমা দিতে হবে।

পাঁচ বছর মেয়াদের ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের পেতে ছয় হাজার ৩২৫ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ সাত কার্যদিবসে পেতে আট হাজার ৬২৫ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ১২ হাজার ৭৫ টাকা জমা দিতে হবে।

১০ বছর মেয়াদের ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের পেতে আট হাজার ৫০ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ সাত কার্যদিবসে পেতে ১০ হাজার ৩৫০ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ দুই কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ১৩ হাজার ৮০০ টাকা জমা দিতে হবে।

এছাড়াও ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদের নতুন অথবা রি-ইস্যু এমআরপি সাত দিনে পেতে ছয় হাজার ৯০০ টাকা ও ২১ দিনে পেতে তিন হাজার ৪৫০ টাকা দিতে হবে। এমআরপি ও ই-পাসপোর্ট উভয় ফির সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীরা রেগুলার ডেলিভারির জন্য আবেদন করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তারা এক্সপ্রেস ডেলিভারির সুবিধা পাবেন।

এমআরপি ফি

২১ দিনে ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদে এমআরপি নিতে ভ্যাটসহ তিন হাজার ৪৫০ ও সাত দিনে ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদে এমআরপি নিতে ভ্যাটসহ ছয় হাজার ৯০০ টাকা লাগবে।

tamimaw.jpg

বাংলাদেশের ক্রিকেটে ‘ব্যাড বয়’ খ্যাত নাসির হোসেন এবং তামিমা তাম্মির বিয়ের পর থেকেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসানকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে প্রথম অভিযোগ তোলেন রাকিব। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে আদালতে মামলাও করছেন তিনি।

এদিকে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বনানীতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে বিয়ে নিয়ে উদ্ভুত আলোচনা-সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা তাম্মি। ব্রিফিংয়ে নাসির ও তামিমা দাবি করেন, তারা দেশের আইন ও ধর্মীয় বিধান মেনে বিয়ে করেছেন। রাকিবের সঙ্গে তামিমার বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে। ২০১৬ সালে তামিমা ডিভোর্সের আবেদন করেন এবং ২০১৭ সালে ডিভোর্স হয়।

কিন্তু বিপত্তি বাধে অন্যখানে। সংবাদ সম্মেলনে তামিমা যে কাগজ উপস্থাপন করেছেন, তাতে দেখা যায় ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নিজে রাকিব হাসানকে ‘তালাক নোটিশ’ দিয়েছেন। অন্যদিকে নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে মামলার ডকেটে পাসপোর্টের যে নথি সংযুক্ত করেছেন রাকিবের আইনজীবী ইশরাত হাসান সেটিতে দেখা যায়, ২০১৮ সালে করা পাসপোর্ট ইস্যুতে স্বামীর ঘরে রাকিব হাসানের নাম ‘উল্লেখ’ করেছেন তামিমা। একই সঙ্গে ইমার্জেন্সি কন্ট্রাকেও স্বামী রাকিব হাসানের নাম উল্লেখ রয়েছে।

২০১৮ সালের ৪ মার্চ পাসপোর্টটি প্রদান করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে এবং ২০২৩ সালের ৩ মার্চ এটির মেয়াদ শেষ হবে।

পাসপোর্টের ধরণ বলছে, এটি রি-ইস্যু করা। পাসপোর্টটির বর্তমান নম্বর বিআর দিয়ে শুরু হয়ে ৫৩ ডিজিট উল্লেখ করে শেষ হয়েছে। অন্যদিকে তার পুরাতন পাসপোর্টটি বিএ দিয়ে শুরু হয়ে ১১ ডিজিট উল্লেখ করে শেষ হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, কোনটি সঠিক? ডিভোর্স পেপার না কি পাসপোর্ট?

এ বিষয়ে রাকিব হাসানের আইনজীবী ইশারত হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, তামিমা সুলতানা আমার মক্কেল রাকিবের স্ত্রী হয়েও তাকে তালাক না দিয়ে ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে করেছেন। যা আইনসিদ্ধ নয়। এখানে রাকিব হাসান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তার সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে এবং তার মানহানি হয়েছে।

এ সংক্রান্তে পাসপোর্টের কপিসহ অন্যান্য নথি আমরা মামলার ডকেটে সংযুক্ত করেছি। এসব ডকুমেন্ট আদালত বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পূর্বক নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন বলে আমরা আশাবাদী। ইতোমধ্যে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি তদন্ত করে আগামী ৩০ মার্চ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ইশরাত হাসান আরও বলেন, মামলায় তামিমা সুলতানা তাম্মিকে এক নম্বর ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪৯৪, ৪৯৭, ৪৯৮, ৫০০ এবং ৩৪ ধারায় এ মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাদীর সঙ্গে ১ নম্বর আসামি তামিমা সুলতানার ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ৩,০০,০০১ (তিন লক্ষ এক) টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহ সম্পন্ন হয় এবং রেজিস্ট্রি হয়। বিয়ের পর থেকে বাদী ও ১ নম্বর আসামি স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের সংসারে বাদীর ঔরসে ১নং আসামির গর্ভে একজন কন্যা সন্তানের জন্ম হয়, যার নাম রাখা হয় তোবা হাসান, বয়স-৮ বছর। ১ নম্বর আসামি (তাম্মি) পেশায় একজন কেবিন ক্রু। তিনি সৌদি এয়ারলাইন্সে কর্মরত। চাকরির সুবাদে তিনি গত ১০ মার্চ সৌদিতে গিয়েছিলেন। করোনা মহামারির কারণে জরুরি অবস্থা সৃষ্টি হলে সেখানেই অবস্থান করতে থাকেন।

গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেন। বিয়েকে স্মরণীয় করতে ভালোবাসা দিবসটিকেই বেছে নেন তিনি। নাসিরের স্ত্রীর নাম তামিমা তাম্মি। পেশায় কেবিন ক্রু। কিন্তু বিয়ের সপ্তাহ পার না হতেই চরম বিতর্ক শুরু হয়েছে।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নাসিরের স্ত্রীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সকাল থেকে সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তামিমার আরেক স্বামী ও সন্তানের ছবি। রাকিব নামে ওই স্বামীর সঙ্গে তার বিয়ে হয় ১১ বছর আগে। সেই ঘরে কন্যা সন্তানের বয়স এখন নয় বছর।

নাসিরের সঙ্গে বিয়ের ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় এ জিডিটি করেন বলে নিশ্চিত করেন উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও (ওসি) শাহ মো. আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস।

জিডিতে রাকিব উল্লেখ করেন, তামিমার সঙ্গে এখনো তার ডিভোর্স হয়নি। ডিভোর্স ছাড়া স্ত্রী কীভাবে অন্যের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন সেই প্রশ্ন তার। এজন্য স্ত্রীর বিরুদ্ধে জিডি করেছেন তিনি।

পরে জিডির কপি ও তাদের বিয়ের কাবিননামাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। জিডিতে রাকিব অভিযোগ করেছেন, তার সঙ্গে সংসার করা অবস্থায় তামিমা গোপনে আরেকজনের কাছে চলে যায়। সেখানে ছয় মাস সংসারও করেন।

জিডি সূত্রে আরও জানা যায়, তামিমা ছয় মাস যে ছেলের সঙ্গে সংসার করেছেন ওই ছেলের নাম অলক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপে এই ছেলের বিষয়েই নাসির ও রাকিবের মধ্যে কথোপকথন হয়।

শনিবার রাকিব তামিমা ও তার সম্পর্কের নানা বিষয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, তামিমাকে তিনি দুইবার বিয়ে করেছেন। অর্থাৎ তামিমার জীবনে তিন স্বামী (নাসির হোসেন, অলোক ও রাকিব) এলেও বিয়ে করেছেন চারবার।

রাকিব বলেন, প্রেম করে বিয়ে করেছিলাম। সে আসলে আমাকে চাপ দিয়েই বিয়ে করেছিল। প্রথমে আমরা টাঙ্গাইলে কোর্ট ম্যারেজ করেছিলাম। পরে আমরা বিয়ে করি বরিশালে। আমার বউকেই দুইবার বিয়ে করেছি। এরপর সংসার শুরু করি।

tamima1.jpg

‘ব্যাড বয়’ হিসেবে ক্রিকেটপাড়ায় আলাদা একটা পরিচয় আছে অনেকদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা স্পিনিং অলরাউন্ডার নাসির হোসেনের। সেটা অবশ্য নিজের বিভিন্ন ‘বিতর্কিত’ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণেই। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন আলোচিত এই ক্রিকেটার। তার বিয়ে নিয়েও শোনা যাচ্ছে নানা কথা।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটার নাসিরের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মী যে কাগজ দিয়েছেন তাতে দেখা যায় তিনি ২০১৬ সালে রাকিব হাসানকে ‘স্ত্রী কর্তৃক তালাক নোটিশ’ দিয়েছেন। অন্যদিকে তার পাসপোর্টে দেখা যায় ২০১৮ সালে রাকিব হাসানকে স্বামী ‘উল্লেখ’ করে ‘পাসপোর্ট’ ইস্যু করেছেন তামিমা।

একইদিন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে মামলা দায়ের করেন নাসিরের স্ত্রীর সাবেক স্বামী মো. রাকিব হাসান। রাকিব নিজেই মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাকিবের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ইশরাত হাসান।

মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের ৮ বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জেনেছেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। নাসির তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গিয়েছেন।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ঘটা করে বিয়ে করেন ক্রিকেটার নাসির ও তাম্মি। তাদের বিয়ের সপ্তাহ না পেরোতেই খবর আসে, অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করেছেন নাসির। এ জন্য থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেন নিজেকে তাম্মির প্রথম স্বামী হিসেবে দাবি করা রাকিব হাসান।

এবার মামলা করলেন তিনি। তবে সেই মামলা চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ খুললেন নাসির। জানিয়ে রাখলেন আইনিভাবেই এর জবাব দেবেন তিনি।

passport.jpg

সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) দরপত্র ছাড়াই ৪০ লাখ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বুকলেট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ৪০ লাখ লেমিনেশন ফয়েলও কেনা হবে।

আজ বুধবার (১৮ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সুরক্ষা ও সেবা বিভাগের অধীন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের জন্য ৪০ লাখ মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) বুকলেট এবং ৪০ লাখ লেমিনেশন ফয়েল সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, করোনা মহামারির কারণে পাসপোর্টের চাহিদা কমেছে। কেন দরপত্র ছাড়া সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে পাসপোর্ট কেনা হচ্ছে জানতে চাইলে অতিরিক্তি সচিব বলেন, ‘ডিমান্ডের বিপরীতে একটা ক্যালকুলেশন করে এটা কেনার জন্য বলা হচ্ছে। আমাদের এখানে ই-পাসপোর্ট চালু করা হয়েছিল। ই-পাসপোর্ট যদি পুরোপুরি চালু করা যেতো তাহলে হয়তো বা এই পাসপোর্টের  প্রয়োজন হতো না।’

passport79.jpg

ঘুষ কমবেশি অনেক জায়গাতেই আছে, তবে পাসপোর্টের বিষয়টা ওপেন সিক্রেট। যেন ঘুষ দেওয়াটাই সেখানে একটা নিয়ম! সরকারের নির্ধারিত ফি-তে পাসপোর্ট হাতে পান খুব কম সংখ্যক নাগরিক। এ অবস্থায় ঘুষের তথ্যানুসন্ধানে মাঠে নেমেছিল গোয়েন্দাদের একটি দল।

দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে পিলে চমকানো তথ্য। প্রতি মাসে প্রায় ১২ কোটি টাকা ঘুষ তোলেন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

হিসেব অনুযায়ী, বছরে টাকার এই অংক গিয়ে দাঁড়ায় কমবেশি ১৪৪ কোটিতে, সাধারণ মানুষের পকেট থেকে যেটা ভাগ ভাগ হয়ে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তার পকেটে গিয়ে পৌঁছায়। এ নিয়ে বরাবরই অভিযোগ থাকলেও এই ‘শক্তিশালী’ সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি।

তবে এবার সাক্ষ্যপ্রমাণসহ পুরো একটা প্যাকেজ প্রতিবেদন তৈরি করেছে গোয়েন্দা সংস্থা, ইতোমধ্যেই তা দুদকে পাঠানো হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার তৈরি করা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের ৬৯টি পাসপোর্ট অফিসে গড়ে প্রতি মাসে ২ লাখ ২৬ হাজার ৫০০টি পাসপোর্টের আবেদন জমা পড়ে। ভয়ানক তথ্য হলো, এর মধ্যে ৬০ ভাগ আবেদনই জমা হয় দালালের মাধ্যমে। নানা কারণে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে দালালদের সাহায্য নেন। তারা প্রত্যেক পাসপোর্ট থেকে বাড়তি অন্তত ১ হাজার টাকা করে নেয়। মাস শেষে যার যোগফল ১১ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ঘুষের ফিরিস্তি সংক্রান্ত এই প্রতিবেদন পাওয়ার কথা স্বীকার করে দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, করোনার কারণে অ্যাকশনে যেতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা প্রস্তুত আছি। প্রতিবেদনে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সবকিছু এসেছে। জড়িত কোনো কর্মকর্তাকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

passport.jpg

বাংলাদেশ সরকার আরও  ২০ লাখ পাসপোর্ট বুকলেট ও ২০ লাখ রেশনেশন ফয়েল কিনতে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্য থেকে এসব কিনতে একটি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘সারাদেশে আস্তে আস্তে ই-পাসপোর্ট হয়ে যাবে। আমরা এখনও মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বা এমআরপি নিয়ে চলছি। ই-পাসপোর্টের কাজও চলছে। এমআরপি কন্টিনিউ না করলে মানুষ বিদেশে যেতে পারবে না। এটি একটি চলমান প্রকল্প।’

তিনি বলেন, ‘‘একটি ব্রিটিশ কোম্পানি ডি লা রু পাসপোর্ট সরবরাহের কাজ করে। তারা ভালোই কাজ করছে। ডি লা রু’র সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী আমাদের আরও ২ মিলিয়ন (২০ লাখ) পাসপোর্ট ও ২ মিলিয়ন (২০ লাখ) লেমিনেশন ফয়েল সরবরাহ করবে। এজন্য আমাদের লাগবে ৪০ কোটি ৭১ লাখ টাকা।’

এই ব্রিটিশ কোম্পানি থেকে আগে কেনা পাসপোর্টের চিত্র তুলে ধরে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে ৩৬২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫ মিলিয়ন পাসপোর্ট ও ১৫ মিলিয়ন লেমিনেশন ফয়েল আমরা কিনছি। অতিরিক্ত আরও ২ মিলিয়ন পাসপোর্ট ও ২ মিলিয়ন লেমিনেশন ফয়েল কেনায় মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৪০৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা।’

passport-20181129133818.jpg

ঘটনা ১

বাবার চাকুরিস্থল কুয়েত হওয়ায় কারণে বাংলাদেশী নাগরিক ইকরাম ইলিয়াসের শৈশবটা কেটেছে কুয়েতেই।

বাংলাদেশে এসে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর বর্তমানে মি. ইলিয়াসও কুয়েতেই চাকুরি করছেন। তাকে অনেকটা নিয়মিত বিরতিতেই কুয়েত থেকে বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে যাতায়াত করতে হয়।

কিন্তু প্রতিবারই বাংলাদেশ থেকে কুয়েত যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন – অভিযোগ মি. ইলিয়াসের।

“কুয়েতের বিমানবন্দরে সবসময়ই বাংলাদেশীদের অতিরিক্ত চেকিং করা হয়। কখনো কখনো চেকিংয়ের সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিরও তৈরি হয়।”

এছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিকদের তুলনায় বিমানবন্দরের কর্মীরা বাংলাদেশীদের সাথে কিছুটা “রুক্ষ” ব্যবহারও করে থাকেন বলে মি. ইলিয়াস অভিযোগ করেন।

তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার কারণেই বিমানবন্দরে এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয় তাকে।

ঘটনা ২

ছোটবেলা থেকে পরিবারের সাথে নানা দেশে ঘুরে বেড়ানো ঢাকার বাসিন্দা শারমিন মমতাজ বর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়া রয়েছেন।

মিজ. মমতাজ বলেন, “ইউরোপ বা আমেরিকায় কখনোই বাংলাদেশী বলে কোনো ধরণের বৈষম্যের শিকার হতে হয়নি।”

“আমেরিকায় একবার-দুইবার হয়তো কিছুটা হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে, কিন্তু আমার ধারণা সেটা নাগরিকত্ব নয়, গায়ের রংয়ের জন্য।”

তবে দু’টি আলাদা ঘটনায় – দুবাইয়ে এবং মালয়েশিয়ায় – বিমানবন্দরে “বৈষম্যমূলক” আচরণের শিকার হয়েছিলেন দাবি করেন মিজ. মমতাজ।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকায় তার সাথে এমন আচরণ করা হয়েছিল বলে তিনি ধারণা পোষণ করেন।

মি. ইলিয়াসের মত অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকার কারণেই বিমানবন্দরে প্রায়ই বিব্রত হতে হয় তাকে। আবার মিজ মমতাজের মত অনেকে মনে করেন সবসময় যে বাংলাদেশী পাসপোর্টের জন্যই বিমানবন্দরে হেনস্থা হতে হয়, তাও নয়।

পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের ‘দুর্বল’ অবস্থানে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নাগরিকত্ব ও পরিকল্পনা বিষয়ক সংস্থা হেনলি অ্যান্ড পাসপোর্ট পার্টনার্সের করা ২০১৯ সালের বৈশ্বিক পাসপোর্টের র‍্যাঙ্কিংয়ের সবশেষ তালিকায় অপরিবর্তিত রয়েছে বাংলাদেশের অবস্থান।

সূচকে ১০৪টি দেশের অবস্থানের মধ্যে বাংলাদেশ ৯৭তম স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের সাথে একই অবস্থানে রয়েছে ইরান ও দক্ষিণ সুদান।

কতটি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যাবে – তার ভিত্তিতে হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের সূচকে পরিমাপ করা হয় পাসপোর্টের গুরুত্ব।

সূচকে যৌথভাবে শীর্ষস্থানে রয়েছে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া আর সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট।

পাসপোর্টের এই র‍্যাঙ্কিং দিয়ে কী বোঝানো হয়?

বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলেন, পাসপোর্টের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নাগরিকত্বের মূল্যায়ণই করা হয়।

“পাসপোর্টের এই র‍্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যমে জানা যায় – আপনার দেশ সম্পর্কে বা আপনার পাসপোর্ট সম্পর্কে তাদের মূল্যায়নটা কী।”

মি. কবির জানান, পাসপোর্টের এই র‍্যাঙ্কিংটা দেশের অর্থনীতি, শাসনব্যবস্থা ও দেশের মানুষের অবস্থাসহ অনেকগুলো বিষয় বিবেচনা করে তৈরি করা হয়।

তিনি বলেন, “র‍্যাঙ্কিংটা ওরা করে পার্সেপশনের (ধারণার) ভিত্তিতে। কোন দেশের পাসপোর্টের দাম বেশি বা কম, সে বিষয়ে কিছু স্টেকহোল্ডারদের মতামত নেয় তারা।”

“কোন দেশের পাসপোর্টের মূল্য কত, তা নির্ভর করে ঐ পাসপোর্টের কী গুণাগুণ রয়েছে তার ওপর,” বলেন মি. কবির।

“যেমন মনে করেন ব্রিটিশ বা আমেরিকান পাসপোর্ট জাল করা খুব কঠিন, সে তুলনায় বাংলাদেশের পাসপোর্ট জাল করা বেশ সহজ।”

“যেই দেশগুলোর পাসপোর্টের মূল্য বেশি, মনে করা হয় যে ঐ দেশগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগুলো শক্তিশালী, তাদের অর্থনীতি ভালো, তাদের গভর্নেন্স (শাসনপদ্ধতি) ভালো এবং বিশ্বের কাছে ঐ দেশগুলোর একটা ইতিবাচক ভাবমূর্তি রয়েছে।”

পাসপোর্টের র‍্যাঙ্কিং উপরের দিকে থাকার প্রধান সুবিধা সম্পর্কে মি. কবির বলেন, “আপনি একটু ভালো ব্যবহার পাবেন। কোনো দেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে হয়তো কিছুটা নমনীয়ভাবে দেখা হয়।”

আর র‍্যাঙ্কিংয়ে নিচের দিকে থাকলে ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে পাসপোর্টধারী সম্পর্কে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খোঁজখবর নেয়া থেকে শুরু করে ভিসার আবেদন নাকচও করতে পারে কোনো দূতাবাস, বলেন মি. কবির।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

t7v.jpg

সরকার বলতেছে দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করেন। কিন্তু দালাল ছাড়া ফরম সবকিছু ঠিক থাকার পরও জমা নিচ্ছে না। আজকের ঘটনা। আমি ১০৬-তে ফোন করছি অনেকবার। কিন্তু ফোন ধরে না। একজন পুলিশ (জসিম উদ্দিন) বলেছে উনাকে ১৫০০ টাকা দিলে ফরম জমা হবে। আমি বলেছি এক টাকাও দিবো না। তখন ওনারা পাসপোর্ট অফিস থেকে বের করে দিয়েছে আর বলেছে দেখে নেব পাসপোর্ট কীভাবে করো!

এখন সরকার ও দুদকের কাছে আমার এই সমস্যার কোনো শুরাহা আছে কিনা মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে চাই। পাসপোর্টটা আমার ভাইয়ের। এইটা যদি সমাধান হয় তাহলে দেশের সাধারণ মানুষ যারা ভোট দিয়ে সরকার বানায় তারা উপকৃত হবে। না হলে সরকার ও দুদক সাধারণ জনগণের কোনো উপকারে আসবে না- এটাই ধরে নেবো। ব্যাংকে ৩৪৫০ টাকা জমা ও পাঁচ বার আসা-যাওয়ার খরচটাও শেষ হয়ে যাবে।

চট্টগ্রাম এর পাচঁলাইশ পাসপোর্ট অফিসে দুপুর ১২টার ঘটনা। দয়া করে ভাইরাল করেন লেখাটা, যাতে করে সরকারের ওপর মহলের সচিব, এমপি, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী অবধি যায়। ভাইরাল করলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

passport78.jpg

একজন নাগরিকের স্বীকৃতির সবচেয়ে বড় দালিলিক প্রমাণপত্র হচ্ছে তার পাসপোর্ট। বৈধভাবে পৃথিবীর যে কোনো দেশে ভ্রমণের অন্যতম প্রধান শর্ত পাসপোর্ট।  তবে নাগরিকদের জন্য অনুমোদিত পাসপোর্ট দেশভেদে আলাদা মর্যাদা বহন করে। পাসপোর্ট সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা সবার জানা নেই।

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক পাসপোর্ট সম্পর্কে অজানা ‍কিছু তথ্য।

প্রথম পাসপোর্টটির কথা জানা গিয়েছিল প্রাচীন বাইবেলে। বুক অব নেহেমিয়াতে পারস্যের রাজা প্রথম আরটাজেরেস জুডিয়ার ভেতর দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিয়ে তার এক সরকারি কর্মকর্তাকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। নিরাপদে চলার ওই অনুমতিপত্রই মূলত পাসপোর্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।

এক সময়ে পাসপোর্টে কোনো ছবি লাগতো না। প্রথম ছবিযুক্ত পাসপোর্টের রীতি চালু হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর। এক জার্মান গুপ্তচর জাল আমেরিকান পাসপোর্ট নিয়ে ব্রিটেনে ঢুকে পড়েছিলেন। ওই ধরনের জালিয়াতি প্রতিরোধের জন্যই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে পাসপোর্টে ছবি লাগানোর প্রথা চালু হয়।
এক সময় পাসপোর্টে ব্যবহার করা যেত পারিবারিক ছবি। পাসপোর্টের জন্য এখনকার মতো ধরাবাধা নিয়মের কোনো ছবি লাগতো না। যে কোনো ধরনের ছবি ব্যবহার করা যেত,এমনকি পারিবারিক ছবি হলেও চলতো।

পাসপোর্টের একটি মজার তথ্য হলো— স্ক্যান্ডিনেভিয়ান কোনো দেশের পাসপোর্ট যদি ইউভি আলোর নিচে রেখে পরীক্ষা করা হয় তাহলে ‘নর্দার্ন লাইটস’ বা সুমেরু প্রভা দেখা যায়।  মূলত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোর আকাশেই শুধু এই সুমেরু প্রভার দেখা মেলে।  এ কারণে শুধু স্ক্যান্ডিনেভিয়ান পাসপোর্টেই দেখা যায় সুমেরু প্রভা।

আরও একটি মজার তথ্য হলো, ব্রিটেনের রাণীর কোনো পাসপোর্টই নেই। কেননা যুক্তরাজ্যের জনগণকে তার নামেই পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।  তবে রাণীর গোপন দলিলের জন্য পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়।  রাণীর পক্ষ থেকে তার বার্তা বাহকরা নানাধরনের গোপন দলিল সারা বিশ্বে পৌঁছে দেন।

শক্তিশালী পাসপোর্টের দিক দিয়ে পৃথিবীর সবার উপরে রয়েছে সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট।  ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরের পাসপোর্টধারীরা এখন বিনা ভিসায় ১৫৯টি দেশ ভ্রমণের অধিকার ভোগ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তির ওজনের সাথে পাসপোর্টের বিশেষ একটি সম্পর্ক রয়েছে। সেখানে কারও ওজন কমলে কিংবা বাড়লে নতুন করে পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়। এক্ষেত্রে যুক্তি হলো— বিদেশে ভ্রমণের সময় পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে সেখানে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে।  ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অনেক দেশ তাদের দেশে ঢোকার আগে পাসপোর্টে অন্তত ৯০ দিন মেয়াদ থাকার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে থাকে।  কিন্তু চীন, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো কিছু দেশের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা অন্তত ছয় মাস।

কোনো কোনো দেশে পাসপোর্টের জন্য বিশেষ শর্ত রয়েছে।  কুইন্সল্যান্ড হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ঢুকতে পাসপোর্ট লাগে না! তবে এই সুবিধাটি কেবল পাপুয়া নিউগিনির ৯টি উপকূলীয় গ্রামের বাসিন্দাদের জন্যই প্রযোজ্য।  পাপুয়া নিউগিনি যখন স্বাধীন হয়েছিল তখন ওই গ্রামগুলোর সাথে অস্ট্রেলিয়ার এক বিশেষ চুক্তি হয়েছিল যেখানে বলা ছিল, ওই ৯টি গ্রামের বাসিন্দারা কোনো পাসপোর্ট ছাড়াই কুইন্সল্যান্ড প্রদেশ দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন।

খোঁজ করলে এমন অনেক মার্কিন নাগরিক পাওয়া যাবে যাদের কোনো পাসপোর্ট নেই।  কারণ দেশটির এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা জীবনে কোনো দিন বিদেশেই যাননি, অন্যকথায় যাওয়ার প্রয়োজনই পড়েনি।  মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মোট নাগরিকের সংখ্যা ৩২ কোটি ৫৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৮৯।  কিন্তু পাসপোর্টধারী মানুষের সংখ্যা ১২ কোটি ১৫ লাখ ১২ হাজার ৩৪১ জন।

পলিনেশিয়ান দ্বীপ ‘টোঙ্গা’ রাষ্ট্রে ২০ হাজার ডলারে পাসপোর্ট বিক্রি করেছে। এই রাষ্ট্রের রাজা প্রয়াত চতুর্থ তৌফাহাউ টুপাউ সে দেশের জন্য অর্থ সংগ্রহের জন্য বিদেশিদের কাছে পাসপোর্ট বিক্রি করেছিলেন।

ফিনিশ ও স্লোভেনিয়ান পাসপোর্ট ছবির ফ্লিপ-বুক হিসেবে কাজ করে।  ফিনিশ কিংবা স্লোভেনিয়ান পাসপোর্টের পাতা দ্রুত উল্টাতে থাকলে পাসপোর্টের পাতার নিচের একটি একটি ছবি দ্রুত নড়তে থাকবে।

নিকারাগুয়ার পাসপোর্ট জাল করা সবচেয়ে কঠিন।  কেননা নিকারাগুয়ার পাসপোর্টে হলোগ্রাম এবং জলছাপসহ ৮৯টি নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে।  এ কারণে নিকারাগুয়ার পাসপোর্টটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত পাসপোর্ট।