পুতিন Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এমন এক আইনে স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত তার ক্ষমতায় থাকার পথ পাকাপোক্ত হয়েছে। রাশিয়ার দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এই নেতা আরও দেড় দশক ক্ষমতায় থাকার ব্যবস্থা করে নিলেন। দেশটির সরকারি সূত্রের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

গত মাসে রুশ পার্লামেন্টের নিম্ন ও উচ্চকক্ষে আইনটি পাস হয়েছে। সোমবার একটি বিলে স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে তিনি বিষয়টিকে চূড়ান্ত করলেন।

নতুন আইন অনুযায়ী, ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছয় বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আরও দুবার প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে পারবেন পুতিন। ৬৮ বছর বয়সি এ নেতার ৮৩ বছর পর্যন্ত ক্ষমতার মসনদে থাকার পথ সুগম হলো। বর্তমানে প্রেসিডেন্ট হিসাবে টানা দ্বিতীয়বার এবং এ নিয়ে মোট চারবার এই পদে পুতিন।  এর আগে একবার প্রধানমন্ত্রী পদেও ছিলেন সাবেক কেজিবিপ্রধান পুতিন।

গত বছর গণভোটের মাধ্যমে সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়। সমালোচকরা ওই সংশোধনীকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন।
পুতিনের স্বাক্ষর করা নতুন আইনে কৌশলী অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে কেউ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দুবারের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না। কিন্তু এ আইনে পুতিনের বর্তমান ও আগের মেয়াদ ধর্তব্য হবে না। এ ছাড়া বিদেশি নাগরিকত্ব থাকা কেউ প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়াতে পারবেন না বলে শর্ত যুক্ত করা হয়েছে নতুন আইনে।

২০০০ সাল থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালে। নতুন বিলে স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে এখন তিনি ২০৩৬ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার ক্ষমতায় থাকার পথ চূড়ান্ত করলেন। কারণ রাশিয়ায় পুতিনবিরোধী কেউ টিকে থাকতে পারে না। দোর্দণ্ড প্রতাপশালী এই শাসক সমালোচকদের নানাভাবে নাজেহাল করেন। তার সমালোচক নাভালনিকে জেল দিয়েছেন।
নতুন বিলে পরবর্তী সময় যারা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হতে চান, তাদের জন্য বিলটিতে কয়েকটি অতিরিক্ত যোগ্যতাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো- প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম ৩৫ বছর হতে হবে। রাশিয়ায় জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং অন্তত ২৫ বছর দেশটিতে বসবাসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অবশ্যই একমাত্র রুশ নাগরিক হতে হবে।
আর যারা রাশিয়ার পাশাপাশি অন্য কোনো দেশের নাগরিক অথবা বিদেশে অনুমতি নিয়ে বৈধভাবে বসবাস করছেন, তারা প্রেসিডেন্ট পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

Biden-Putin-.jpg

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্র রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান।

ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘এটা খুবই আনন্দের বিষয় যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভিডিওবার্তা দিয়েছেন পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাবান রাষ্ট্রের দুই রাষ্ট্রপ্রধান।আজই রাশান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভিডিওবার্তা আমাদের কাছে এসে পৌঁছেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ভিডিওবার্তা আসছে। অন দা ওয়ে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল আমরা ব্রিটেনের রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছি। আজ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের মেসেজ পেয়েছি। ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টে বাইডেনের মেসেজ অন দ্য ওয়ে। আমরা সেগুলো জাতির সামনে তুলে ধরব।

আবদুল মোমেন বলেন, আমরা খুব ভাগ্যবান বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের সুযোগ পেয়েছি। যেসব অতিথি কোভিড-১৯-এর কারণে আসতে পারেন নাই তারা আমাদের শুভেচ্ছাবার্তা পাছিয়েছেন। আমরা অনেকগুলো মেসেজ পেয়েছি। আমরা জার্মানির প্রেসিডেন্টের মেসেজ পেয়েছি, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মেসেজ পেয়েছি, ইতালির প্রেসিডেন্টের মেসেজ পেয়েছি, স্পেনের রাজার মেসেজ পেয়েছি। আমরা এগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরব।’

তিনি আরো বলেন বলেন, ‘আমাদের কাছে অনেক অনেক বার্তা। ২৬ তারিখের মধ্যে আমরা এগুলো প্রকাশ করব। অনেকগুলো আমরা ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছি, ভিডিও যেগুলো আসছে আর যাদের ভিডিও আসে নাই শুধু মেসেজ এসেছে, সেগুলো আমরা প্রকাশ করব। সময় কিন্তু খুব কম, যে হারে মেসেজ আসছে জানি না শেষ পর্যন্ত কী করতে পারি।’

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম জানান, সবগুলো বার্তা সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা না গেলে পরবর্তীতে তা প্রকাশ করা হবে।

নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারির বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও পররাষ্ট্র সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ভিডিওবার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইউশিহিদে সুগা, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, ওআইসির মহাসচিব ইউসুফ বিন আহমেদ আল ওথাইমিন, ফরাসি সিনেটর জ্যাকি দেরোমেদি ও জর্ডানের বাদশা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ। এসব ভিডিওবার্তা গত কয়েক দিনে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে শোনানো হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালা চলছে।

এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এরই মধ্যে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মেদ সোলিহ, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে বাংলাদেশ সফর শেষে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। বর্তমানে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারি ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং বাংলাদেশ সফর করছেন।

putin66.jpg

রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টদেরসহ নিজের আজীবন দায়মুক্তির ব্যবস্থা পাকা করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

আলজাজিরা জানিয়েছে, যে কোনো ধরনের অপরাধ থেকে সারা জীবনের জন্য দায়মুক্তি দিয়ে মঙ্গলবার একটি বিল পাস করেছে রুশ পার্লামেন্ট।

এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা বাকি। পুতিন বিলটিতে সই করলেই তা আইনে রূপান্তরিত হবে। বিলটি রাশিয়ার সংবিধান সংশোধনীর অংশবিশেষ।

এই গ্রীষ্মে সংশোধিত সংবিধান অনুমোদিত হয় সারা দেশের ভোটে। সেই ভোটে ৬৮ বছর বয়সী প্রেসিডেন্ট পুতিনের ২০৩৬ সাল পর্যন্ত রাশিয়ায় ক্ষমতায় থাকার পথ পাকা হয়ে যায়।

এই বিলের মাধ্যমে সাবেক প্রেসিডেন্টরা ফেডারেশন কাউন্সিল বা সিনেটে আজীবন আসন পাবেন।

প্রেসিডেন্ট পদ চলে গেলেও বিচারের হাত থেকে রক্ষা পাবেন তারা। মঙ্গলবার রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ দুমা’য় আইনটি পাস হয়।

এতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রেসিডেন্টরা এবং তাদের পরিবারগুলো জীবদ্দশায় যেকোনো অপরাধ করুন না কেন, তারা সারাজীবনের জন্য দায়মুক্তি পাবেন। নতুন বিলের ফলে সাবেক প্রেসিডেন্টদেরকে পুলিশ বা তদন্তকারী জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করতে পারবে না।

ভ্লাদিমির পুতিন এ নিয়ে চার মেয়াদে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথম দুই মেয়াদে ৮ বছর ক্ষমতায় ছিলেন তিনি।

২০১২ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংবিধান সংশোধন করে পার্লামেন্টের মেয়াদ ৬ বছর করেন। ২০২৪ সালে তার চতুর্থ দফার মেয়াদ শেষ হবে।

এরমধ্যে আরও ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকতে সংবিধান সংশোধন করেছেন পুতিন।  ফলে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার মনোবাসনা পূরণ হচ্ছে পুতিনের।

putin66.jpg

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে এখনও অভিনন্দন না জানানোর কারণ জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বাইডেন বিজয়ী হওয়ার পর দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নির্বাচন নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে বিশ্বের অন্যতম পরমাণু শক্তিধর দেশ রাশিয়া।

রোববার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, ট্রাম্প এখনও বাইডেনকে বিজয়ী হওয়ার স্বীকৃতি দেননি।

বিরোধীরা তার জয়ের ব্যাপারে বৈধতা না দেয় আমরা এখনও প্রস্তুত নই।

বিরোধীপক্ষ তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি, তার জয়ের বিষয়টি স্বীকার করেনি।  খবর ব্লুমব্লার্গ ও দ্য সানের।

পুতিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের আস্থা রয়েছে এমন যে কারো সাথে আমরা কাজ করবো। কিন্তু সেই বিশ্বাস কেবল এমন প্রার্থীর ওপরই রাখা যায় যার বিজয় বিরোধী পক্ষ দ্বারা স্বীকৃত হয়েছে অথবা নির্বাচনের ফলাফল বৈধ এবং আইনী উপায়ে নিশ্চিত হওয়ার পর।

তিনি বলেন, বাইডেনকে অভিনন্দন না জানানোর সিদ্ধান্তটি একটি ‘আনুষ্ঠানিকতা’, এর পেছনে অন্য কোন ‘সুপ্ত’ উদ্দেশ্য নেই।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিক তাকে অভিনন্দন  জানিয়েছিলেন পুতিন।

ট্রাম্পের ক্ষমতায় আসার পেছনে পুতিনের হাত রয়েছে বলেও অনেকে মনে করে থাকেন।

অন্যদিকে মস্কোর সমালোচক বাইডেন নির্বাচনের কয়েকদিন আগেও রাশিয়ার নাম নিয়ে দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি বলে চিহ্নিত করেন।

putin7.jpg

করোনা-যুদ্ধে ফের সাফল্য রাশিয়ার। পুতিনের দেশের তৈরি করোনার দ্বিতীয় ভ্যাকসিন ‘এপিভ্যাককরোনা’-কেও এবর ছাড়পত্র দিয়ে দিল ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন।

বিশ্বে সর্বপ্রথম করোনার ভ্যাকসিন আবিস্কারের ঘোষণা করে রাশিয়া।

‘স্পুটনিক-ভি’-র পর এবার করোনার দ্বিতীয় ভ্যাকসিন ‘এপিভ্যাককরোনা’-কেও ছাড়পত্র দিল সে দেশের সরকার।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন করোনার দ্বিতীয় ভ্যাকসিন আবিস্কারের ঘোষণা করেছেন।

নতুন এ টিকাটি সাইবেরিয়ার ভেক্টর ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে। এ ছাড়া সব দেশের মানুষ রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন পাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

গত মাসে টিকাটির প্রথম ধাপের ট্রায়াল শেষ হয়েছে। এদিকে এ বছরের শেষেই কয়েকটি ভ্যাকসিন বাজারে আসার বিষয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের রোগপ্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থা- সিডিসি।

গত আগস্টে বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয় রাশিয়া। দেশটিতে স্পুটনিক ফাইভের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে।

এবার দ্বিতীয় টিকার অনুমোদন দিলো রাশিয়া। এপিভ্যাককরোনা নামের নতুন এ টিকাটি সাইবেরিয়ার ভেক্টর ইন্সটিটিউট তৈরি করেছে।

ইতোমধ্যে গত মাসে টিকাটির প্রথম ধাপের ট্রায়াল শেষ হয়েছে। নিজের দেশ ছাড়াও সব দেশের মানুষ রুশ ভ্যাকসিন পাবে বলে জানান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তিনি বলেন, প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি টিকারই পর্যাপ্ত পরিমাণের উৎপাদন করা হবে।

প্রথমে রাশিয়ায় সহজলভ্য করার পর বিদেশেও রুশ ভ্যাকসিন বাজারজাত করা হবে। আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

এ বছরের শেষেই কয়েকটি ভ্যাকসিন বাজারে আসার বিষয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্রের রোগপ্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থা- সিডিসি।

প্রথম দিকে সরবরাহ সীমীত হলেও পরবর্তীতে তা সহজলভ্য হবে বলেও জানিয়েছে সিডিসি।

কাওকে যেন টিকা দিতে এক দেশ থেকে আরেক দেশে না যেতে হয়, সবাই যেন নিজ দেশে বসেই টিকা পায় সে বিষয়েও খেয়াল রাখবে সিডিসি।

সিডিসি ভ্যাকসিন উৎপাদনে ভূমিকা না রাখলেও সরবরাহে ভূমিকা রাখবে।

চীনের রাষ্ট্র মালিকানাধীন ওষুধ প্রতিষ্ঠান সিনোফার্মা চীনা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষামূলকভাবে কোভিড উনিশের টিকা দিচ্ছে।

এ শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরে পড়তে যাচ্ছে। ক্লিনিকাল ট্রায়ালের বাইরে তাদের যে টিকা দেয়া হচ্ছে তা নিয়ে সমালোচনা করেছেন পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বরের শেষের দিকে অথবা ডিসেম্বরের শুরুর দিকে টিকা পাওয়া যেতে পারে বলে আশাবাদী ভারতে অক্সফোর্ডের টিকা নিয়ে কাজ করা সিরাম ইনস্টিটিউট।

টিকা নেয়া স্বেচ্ছাসেবীরা সুস্থ আছেন বলেও জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ভারত বায়োটেক এবং কাডিলা হেল্থকেয়ারের দুটি টিকা দ্বিতীয় ধাপের ট্রায়ালে আছে। নভেম্বরের শুরুর দিকে এর ফলাফল এলে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষায় যাবে টিকা দুটি।

putin66.jpg

নোবেল শান্তি পুরষ্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ক্রেমলিন থেকে রুশ প্রেসিডেন্টের নাম নোবেল কমিটির কাছে পাঠানো হয়নি তবুও তাকে মনোনীত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা তাস।

বৃহস্পতিবার পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেস্কভ সাংবাদিকদের জানান, নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের নাম প্রস্তাব করেছেন বিখ্যাত রুশ লেখক সের্গেই কোমকভ। গত ১০ সেপ্টেম্বর সের্গেই কোমকভ পুতিনের নাম প্রস্তাব করে নোবেল কমিটির কাছে চিঠি পাঠান।

পেস্কভ আরো বলেন, যদি পুতিনকে পুরষ্কৃত করা হয় তাহলে তো খুবই ভালো। যদি না দেয়া হয়, তাহলেও এটি বড় কোনো সমস্যা নয়।

পুতিনের আগে এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

putin7.jpg

বাক-স্বাধীনতা, মতামত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর কঠোর হল পুতিনের দেশ রাশিয়া। তার জন্য নতুন আইন পর্যন্ত পাশ করানো হয়েছে। এক কথায় সমালোচনা করলেই বিপদ দোরগোড়ায়। নতুন এই আইনে বলা হয়েছে ‌দেশ, সমাজ, সরকার এবং ভ্লাদিমির পুতিন। যেকোনও সরকারি কর্মকর্তার প্রতি অসম্মান জানিয়ে কেউ কোন পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় করলে তার জরিমানা হবে। এমনকী জেল পর্যন্ত হতে পারে।

এই আইনই পাশ করল রাশিয়ান পার্লামেন্ট। নতুন আইন অনুযায়ী, অনলাইন ইউজারদের ১ লক্ষ রুবেলস (‌বাংলাদেশি টাকায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দ্বিতীয়বার একই অপরাধ করলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হবে।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মস্কোর শোভা সেন্টারের প্রধান আলেকজান্ডার ভারকোভস্কি মন্তব্য করেন, রাশিয়ার পার্লামেন্ট নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করলে বা প্রেসিডেন্ট পুতিনকে নিয়ে কোনও অশ্রদ্ধাসূচক মন্তব্য করলে তাকে অভিযুক্ত করা হবে। এই মন্তব্যে দেশ জুড়ে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে।

নতুন আইনটিতে অস্পষ্টতা রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। কারণ এই আইনের অপব্যবহার করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আইন অনুযায়ী, অনলাইনে সরকারি আধিকারিকদের সমালোচনা করলে তা অসম্মানজনক বলে ধরে নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি নতুন আইন অনুযায়ী সরকারি আধিকারিক কোনও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কোনও সংবাদ যদি ‘ফেক’ বলে মনে করেন, তা হলে তিনি সেই মাধ্যমকে ব্লক করে দিতে পারেন অথবা জরিমানা করতে পারেন। এই আইন কার্যত সেন্সরশিপ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এই আইন পাশ হওয়ার পর যে সংগঠনটি সংবাদমাধ্যমের অধিকার নিয়ে বরাবর সরব হয়ে এসেছে সেই রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স জানিয়েছে, ‘এটা তো সেন্সরশিপের চেয়েও ভয়ংকর।

download-9.jpg

অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারিন কেনাইসেলের বিয়েতে তার হাত ধরে নেচেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দুই মাস আগে পাওয়া আমন্ত্রণ রক্ষা করতে শনিবার তিনি জার্মানি যাওয়ার পথে অস্ট্রিয়ার স্টেরিয়াতে নেমে কেনাইসেলের বিয়েতে যোগ দেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস’া রয়টার্স। খবর বিডিনিউজের।
মস্কোর বিরুদ্ধে পশ্চিমাদের একাট্টা অবস’ানকে পাশ কাটিয়ে পুতিনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সমালোচনার মুখেও পড়েছিলেন অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিরোধীদের অনেকেই তাকে পদত্যাগেরও আহ্বান জানিয়েছিলেন। বার্লিনের বাইরে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের সঙ্গে বৈঠকের আগে যাত্রাবিরতিতে অস্ট্রিয়া নেমে ফুলের তোড়া নিয়ে গাড়িতে করে পুতিন বিয়ের অনুষ্ঠানে পৌঁছান; নবদম্পতিকে সান্ধ্য প্রেমসংগীত শোনাতে একদল কসাক বাদ্যযন্ত্রীও তার সঙ্গে ছিল বলে জানিয়েছে স’ানীয় গণমাধ্যমগুলো। বিভিন্ন ছবিতে স্টেরিয়া প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে একটি আঙুরক্ষেতে সাদা ও ক্রিম রংয়ের লম্বা ‘টিরন্ডল’ পোশাক পরিহিত ৫৩ বছর বয়সী হাস্যজ্জ্বল কেনাইসেলকে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে নাচতে ও কথা বলতে দেখা গেছে। এ আঙুরক্ষেতেই কেনাইসেল ও উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী ওলফগ্যাং মাইলিঙ্গারের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। ছবিগুলোতে পুতিনকে হাস্যোজ্জ্বলভাবে অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা শুনতে দেখা গেছে। বিয়েতে রুশ প্রেসিডেন্ট জার্মান ভাষায় টোস্ট করেন বলেও জানিয়েছে ক্রেমলিন।
ইউক্রেইনের ক্রিমিয়া দখল ও অন্যান্য বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই পুতিনকে কেনাইসেলের আমন্ত্রণ মস্কো ও ভিয়েনার অনেককেই বিস্মিত করেছিল। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ, বহুভাষী, স্বতন্ত্র হিসেবে পার্লামেন্টে নির্বাচিত কেনাইসেলের সঙ্গে রুশ প্রেসিডেন্টের বন্ধুত্ব ছিল, এমন কোনো তথ্য না মিললেও পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়ার সঙ্গে অস্ট্রিয়ায় ক্ষমতাসীন কট্টর ডানপনি’ দল ফ্রিডম পার্টির (এফপিও) ‘সহযোগিতা চুক্তি’ আছে।