প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা Archives - 24/7 Latest bangla news | Latest world news | Sports news photo video live

7-11-1.jpg

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর কাছে বঙ্গবন্ধুর খুনি নূর চৌধুরীকে ফেরত চাইলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী।

সোমবার (১৮ মার্চ) কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই আহবান জানান। শেখ হাসিনাকে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর ফোন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস রানা।

টেলিফোনে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে প্রায় ২০ মিনিটের মতো কথা হয়। প্রথমেই নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যদের কোনো রকম ক্ষতি না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন জাস্টিন ট্রুডো।

ফোনালাপের এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোকে বলেন, বাংলাদেশ সরকার সমাজ থেকে সন্ত্রাসের মূল উৎপাটনের মাধ্যমে জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বিধানে সকলকে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় কানাডায় অবস্থানরত জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনী নূর চৌধূরীকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘নূর চৌধুরী বর্তমানে ন্যায় বিচার থেকে পলাতক থেকে কানাডায় অবস্থান করছে। এটি আইনের শাসনের ক্ষেত্রে একটি বড় কাজ হবে, যদি কানাডা বঙ্গবন্ধুর খুনীকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়, যাতে করে সে ন্যায় বিচারের সম্মুখীন হতে পারে।’

এর উত্তরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটি আইনি বিষয় এবং আমরা বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবো।’

hasina-bd1-2.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু একটি জাতিকে মুক্তি দিয়েছিলেন। বাঙালি জাতি নির্যাতন আর নিপীড়ন সইতে সইতে তারা ভুলেই গিয়েছিলো তাদের অধিকারের কথা। বঙ্গবন্ধু তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন।

সোমবার (১৮ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুকন্যা এসব কথা বলেন।

শেথ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা সেই মানুষগুলোর মধ্যে ধীরে ধীরে সাহস দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি যুদ্ধ করার মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছিলেন। শোষণ বঞ্চনা থেকে জাতিকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন।বাঙালি জাতি নির্যাতন আর নিপীড়ন সইতে সইতে তারা ভুলেই গিয়েছিলো তাদের অধিকারের কথা। বঙ্গবন্ধু তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি আন্দোলনের জন্য জেলে গেছেন। তিনি নির্যাতিত বাঙালির মনে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করেছিলেন। যার ফলশ্রুতিতে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। ভাষা আন্দোলনেও তার অনেক অবদান। কিন্তু এটা অনেকেই স্বীকার করেননি। ৪৮ (১৯৪৮) সালে ভাষার জন্য আন্দোলন করতে গিয়েই বারবার গ্রেফতার হয়েছেন তিনি, জেলে গেছেন। ৪৯ সালে গ্রেফতার হন। বায়ান্ন সালে গুলি চললো, ভাষা শহীদরা প্রাণ দিলেন। অনেকেই এ আন্দোলনকে সেখানেই থামিয়ে দেয়।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, পাকিস্তানি গোয়েন্দারা ওই সময় তার (বঙ্গবন্ধু) বিরুদ্ধে যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছিল-১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর সেগুলো সংগ্রহ করি। সেখান থেকেই এসব জেনেছি। আমরা সেসব রিপোর্ট থেকে এরই মধ্যে প্রকাশ করতে শুরু করেছি।

প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।

ha3h-1280x640.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পর এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি বায়োপিক ছবি ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ১২ এপ্রিল।

এর আগে জানুয়ারি মাসে ২৭ টি ভাষায় ছবিটির পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছিল। এবার ঘোষিত হলো ছবিটির মুক্তির তারিখ।

ছবিটিতে তুলে ধরা হয়েছে নরেন্দ্র মোদির শৈশব থেকে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার ইতিহাস। এরপর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ২০১৪ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গল্পসহ নানান বিষয়। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ওমং কুমার। আর এটির প্রযোজক সন্দীপ সিং।

এদিকে ছবিটি মুক্তির আগের দিন অর্থাৎ ১১ এপ্রিল থেকে লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে। দেশের রাজনীতিতে ভোটের মধ্যে এই বায়োপিক নিয়ে কেমন তোলপাড় হতে পারে তা জানা যাবে ১২ এপ্রিলের পর।

ছবিটিতে নরেন্দ্র মোদির ভূমিকায় অভিনয় করছেন বিবেক ওবেরয়। আরও অভিনয় করেছেন দর্শন কুমার, বোমান ইরানি, মনোজ যোশী, প্রশান্ত নারায়ণন, জারিন ওয়াহাব ও বরখা বিশত সেনগুপ্ত প্রমুখ।

এদিকে নির্বাচনের আগে মোদির এই বায়োপিক মুক্তিকে নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পপনা।ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাকর্মীদের মাঝে এই নির্বাচনকে নিয়ে চলছে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রচারণা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

অপরদিকে ভারতের বিরোধী দলগুলার নেতাকর্মীরা সমালোচনা করে বলছেন ভোটে জয়ের জন্যই মোফির এই ফন্দি। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতাই মনে করছেন নির্বাচনকে সামনে রেখে মোদি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার রাস্তায় হাটছেন।

উল্লেখ্য যে,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭২তম জন্মদিন (২৮ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে প্রকাশ পায় ‌‌‘হাসিনা, অ্যা ডটারস টেল’ শিরোনামের একটি সিনেমার ট্রেলার। যেটি তখন সকল মহলে প্রশংসা কুড়ায়। অতঃপর গত বছরের ১৬ নভেম্বর স্বল্পদৈর্ঘের সিনেমাটি মুক্তি পেলে রিতিমত আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

hasina2.jpg

আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আসছেন।

তিনি কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সেবা কার্যক্রমের ৮৬তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। কুমুদিনীর ৮৬তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ বছর শহীদ দানবীর রনদা প্রসাদ সাহা স্মারক সম্মাননা স্বর্নপদক পাচ্ছেন চারজন গুণী ব্যক্তি।

প্রধানমন্ত্রী কুমুদিনী কমপ্লেক্স ও ভারতেশ্বরী হোমসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এ সম্মননা তুলে দেবেন।

এ ছাড়া তিনি মির্জাপুর থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থানের ১২টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ১৯টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন সেগুলো হচ্ছে ধেরুয়া রেলওয়ে ওভারপাস, ৩৩/১১ কেভি সুইচিং স্টেশন (গ্রিড সাবস্টেশন, বৈল্যা, রাবনা বাইপাস, টাঙ্গাইল), ৩৩/১১ কেভি ২০ এমভিএ ইনডোর উপকেন্দ্র (ইন্দ্রবেলতা, পোড়াবাড়ী, টাঙ্গাইল), বাসাইল উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘোষণা,

দেলদুয়ার উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন উপজেলা ঘোষণা, নাগরপুর উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়ন উপজেলা ঘোষণা, সখীপুর উপজেলা কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ ও হলরুম উদ্বোধন, কালিহাতী (ধুনাইল)-সয়ার হাট হাতিয়া পর্যন্ত রাস্তার উদ্বোধন, মির্জাপুর উপজেলা কমপ্লেক্স সম্প্রসারিত ভবন উদ্বোধন, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়ামের উদ্বোধন, মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন ও মির্জাপুর, উপজেলা প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র উদ্বোধন।

যে ১৯টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন সেগুলো হলো এলেঙ্গা-জামালপুর জাতীয় মহাসড়ক (এন-৪) প্রশস্তকরণ প্রকল্প (টাঙ্গাইল অংশ), এলেঙ্গা-ভূঞাপুর-চরগাবসারা সড়কে ১০টি ক্ষতিগ্রস্থ সেতু ও ১টি কালভার্ট পুনঃনির্মাণ এবং আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন, টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার জেলা মহাসড়ক (জেড-৪০১৫), করটিয়া (ভাতকুড়া)-বাসাইল জেলা সড়ক (জেড-৪০১২) এবং পাকুল্লা-দেলদুয়ার-এলাসিন (জেড-৪০০৭) অংশকে প্রশস্থতায় উন্নীতকরণ,

কালিহাতী উপজেলা কমপ্লেক্স এর প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ ও হলরুম নির্মাণকাজ, বাসাইলের করটিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণকাজ, দেলদুয়ারে বাতেন বাহিনী মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর নির্মাণকাজ, ঘাটাইলের রসুলপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণকাজ, ঘাটাইলের লোকেরপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণকাজ দেলদুয়ারে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয় নির্মাণকাজ, জেলা সদর মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ,

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ, বাসাইল উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ, সখীপুর উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ, মধুপুর উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণকাজ, মির্জাপুর উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণকাজ, টাঙ্গাইল সার্কিট হাউসের নতুন ভবন নির্মাণকাজ, ভারতেশ্বরী হোমস এর মাল্টিপারপাস হল নিমার্ণকাজ, মির্জাপুর ইন্সটিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট নার্সিং কমপ্লেক্স নিমার্ণকাজ।

bdfn.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের প্রতি ‘শূন্য সহনশীলতা’র নীতি পোষণ করে। কোনো সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে কখনই বাংলাদেশের মাটিতে আশ্রয় দেওয়া হবে না।

সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের চার প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক, বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের এ অঞ্চল ও এর বাইরে সন্ত্রাসবাদ দূর করতে আমরা বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের প্রতি ‘শূন্য সহনশীলতা’র নীতি পোষণ করে। কোনো সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে কখনই বাংলাদেশের মাটিতে আশ্রয় দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, নতুন ও অপ্রচলিত খাত যেমন ব্লু ইকোনমি ও মেরিটাইম, পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, মহাকাশ গবেষণা, ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি, সাইবার সিকিউরিটি প্রভৃতি খাতে উভয় দেশ সহযোগিতার হাত সম্প্রসারিত করেছে। এসব বহুমুখী ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার ফলে আমাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশ্ববাসীর সম্মুখে সু-প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের দৃষ্টান্তরূপে পরিগণিত হচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, দ্বিতীয় লাইন অফ ক্রেডিট (এলওসি) এর আওতায় ভারত থেকে দোতলা বাস, একতলা এসি ও নন-এসি বাস এবং ট্রাক আমদানি; ভারতীয় আর্থিক অনুদানে পাঁচ জেলায় (জামালপুর, শেরপুর, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন; ভারতীয় অনুদানে বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়ায় ১১টি পানি শোধনাগার স্থাপন; এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোতে ভারতের ন্যাশনাল নলেজ নেটওয়ার্ক (এনকেএন) সম্প্রসারণের আওতায় বাংলাদেশে উক্ত নেটয়ার্কের সম্প্রসারণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাষিক ভাষণ ইউনেস্কো ঘোষিত ‘বিশ্ব ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’-এ যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে স্থান পেয়েছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণ ও সরকারের অপরিসীম অবদানের কথা আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করি। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তা এক চিরন্তন মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, এলওসির আওতায় ৬০০ বাস (৩০০ দোতলা বাস, ২০০ একতলা এসি বাস এবং ১০০ একতলা নন-এসি বাস) এবং ৫০০ ট্রাক (৩৫০টি ১৬-টন ট্রাক এবং ১৫০টি ১০-টন ট্রাক) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। আশা করি, এরফলে বাংলাদেশের যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে এবং আমাদের মহাসড়কগুলোর যানজট খানিকটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে

এদিন শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের আরও বহু প্রকল্পের সাফল্যজনক সমাপ্তি উদযাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

pm86v.jpg

ধর্ষণ একটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজকাল প্রায় শিশু ধর্ষণ, নারী ধর্ষণের কথা শোনা যাচ্ছে। যারা এ কাজ করে তারা সমাজের শত্রু।

এসময় ধর্ষক ও নারী নির্যাতনকারীদের ছবি এবং নাম-পরিচয় ভালোভাবে প্রচারের আহ্বান জানান তিনি ।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে শনিবার (৯ মার্চ) সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি বলব, যারা এসব কাজ করছে, তাদের নামধাম পরিচয় ভালোভাবে প্রচার করা দরকার। নির্যাতিতা নারী নয়, যে ধর্ষক বা নির্যাতনকারী, তার চেহারা এমনভাবে প্রচার করতে হবে যেন সমাজের প্রত্যেকটা মানুষ তাকে ঘৃণার চোখে দেখে। তাকে একেবারে সমাজের বাইরে বের করে দেয়া প্রয়োজন।

এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ইতোমধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এদের শাস্তির ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার।

তিনি বলেন, এটা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, সমস্যাটি বিশ্বব্যাপী। উন্নত, সভ্য দেশেও এই সমস্যাটা রয়েছে। এর বিরুদ্ধে আরও জনমত সৃষ্টি করতে হবে।

ধর্মের নামে নারীদের ঘরে আটকে রাখা যাবে না বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, প্রথম ইসলাম গ্রহণকারী নারী বিবি খাদিজা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

সরকারপ্রধান বলেন, সমাজে নারী-পুরুষে বৈষম্য কমে এলেও এখনো রয়েছে। শুধু আইন করলেই বৈষম্য দূর হবে না। সমাজে এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যে সমাজের অর্ধেকই নারী, সেই নারীকে বাদ রেখে কোনো সমাজ গড়ে উঠতে পারে না। সমাজ গড়তে নারী-পুরুষ উভয়কে এগিয়ে আসতে হবে।

কন্যাশিশু যেন বৈষম্যের শিকার না হয় এ ব্যাপারে সচেতন হতে বলেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সমাজকে গড়ে তুলতে হলে সবাইকে একসাথে কাজ করা দরকার। সমাজ ও দেশকে কল্যাণময় করতে নারী-পুরুষের একসঙ্গে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারী সফলতার স্বাক্ষর রাখছে। লেখাপড়ায় বাংলাদেশে আজ ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে। মেয়েরাই সব পেশায় বেশি মনোযোগী। তবে তাই বলে ছেলেদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। আমরা চাই ছেলেরাও এগিয়ে আসুক।

নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান এবং দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে দক্ষ নেতৃত্বের জন্য আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে লাইফটাইম কন্ট্রিবিউশন ফর উইমেন এম্পাওয়ারমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সম্মাননাই আমি পাই না কেন, সবই আমার দেশের। আমার সম্মাননা আমি আমার দেশের মা-বোনদের এবং পুরো বিশ্বের সব নির্যাতিতা নারীর নামে উৎসর্গ করছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি।

pm86v.jpg

৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এখনও মানুষের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীরা, খুনিরা আমাদের দাবায়ে রাখতে পারে নাই, পারবে না।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৭ মার্চ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭ মার্চের ভাষণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তুলে ধরেছিলেন বাঙালি জাতির অধিকারের কথা। ত্যাগ স্বীকারের মহান প্রেরণা পাওয়া যায় তার এই ভাষণে। যে কারণে তার নেতৃত্বে সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধের ময়দানে নামে। মুক্তিকামী সব মানুষের জন্য প্রেরণা ছিল ৭ মার্চের এই ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ যুগের পর যুগ চলছে, চলবে। তার ঐতিহাসিক ভাষণ এখনও মানুষের মধ্যে অনুপ্রেরণা যোগায়।

তিনি বলেন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে, একটি জাতিকে যুদ্ধে এনে বিজয় করতে পেরেছিলেন যা ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। তার এই ভাষণ সর্বশ্রেষ্ঠ।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করতে দেয়নি তখনকার পাকিস্তান সরকার উল্লেখ করে সরকার প্রধান আরও বলেন, আজ সেই ভাষণ অমূল্য বিশ্বসম্পদ ও ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে, তা সংরক্ষণ করার এবং বিশ্বকে জানানোর দায়িত্ব নিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো)।

তিনি বলেন, সত্যকে কেউ অস্বীকার করে মুছে ফেলতে পারে না। জাতির পিতা যে কথা বলে গিয়েছিলেন, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না। ষড়যন্ত্রকারীরা, খুনিরা এখনও আমাদের দাবায়ে রাখতে পারে নাই, পারবে না।

pmgermany.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রকৌশলীরা আন্তরিকতার সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বলেই আমরা সাফল্য অর্জন করতে পারছি। নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ইঞ্জিনিয়ারিংয়েও গবেষণা বাড়ানো দরকার। উৎপাদনের কৌশল উদ্ভাবন করা দরকার।

শনিবার (২ মার্চ) বিকেলে রাজধানীতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের (আইইবি) ৫৯তম কনভেনশন উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রকৌশলীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞান প্রযুক্তির যেমন বিস্তার ঘটছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন হচ্ছে। তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতে হবে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ করার ঘোষণা দিয়েছি। আমরা এখন সমগ্র বাংলাদেশে ব্রডব্যান্ড এবং আমাদের ডিজিটাল সিস্টেম চালু করেছি। সেটাকে আরও উন্নত করার পদক্ষেপ নিয়েছি। এরই মধ্যে আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি। সেই সঙ্গে ই-গর্ভনেন্স চালু করতে চাই। যার জন্য এখন টেন্ডার বাক্স ছিনতাই আর শোনা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের প্রতি আস্থা, ভালোবাসা, তাদের জীবনমান উন্নত করার যে ওয়াদা করেছি আমরা, সেটা রক্ষা করার চিন্তা থাকতে হবে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিটি সেক্টরকে উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছি আমরা।

তিনি বলেন, আমরা জাতির জনকের দেখানো পথ অনুসরণ করছি। বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন সারা বিশ্বে দৃশ্যমান। অনেকে বিস্মিত হয়ে বলেন, এতো অল্প সময়ে কিভাবে দেশকে এতো উন্নত করতে পারলাম!

এর আগে আইইবি’র নেতৃবৃন্দ কনভেনশন সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে ‘প্রতিবছরের মতো এবারো আনন্দঘন পরিবেশে চার দিনব্যাপী কনভেনশনের আয়োজন করা হয়েছে।

pm-20190119174838.jpg

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সম্প্রতি একাদশ জাতীয় নির্বাচন হলো, যেখানে প্রায় ৫ লাখ আনসার সদস্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন ভোটকেন্দ্র পাহারায় ও ভোটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে। অক্লান্ত পরিশ্রম করে তারা বাংলার জনগণকে সুষ্ঠু একটি নির্বাচন উপহার দিয়েছেন।

তিনি বলেন, এই দায়িত্ব পালনকালে পাঁচ আনসার সদস্য জীবন দিয়েছেন। তাদের আমরা আজ মরণোত্তর সাহসিকতা পদক দিয়েছি।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের সফিপুরে আনসার-ভিডিপি একাডেমিতে বাহিনীটির ৩৯তম জাতীয় সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্ত্যব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যখন মুজিবনগরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়েছিল, তখন সেই নতুন সরকারকে গার্ড অব অনার দিয়েছিল এই আনসার বাহিনীই।

আনসার-ভিডিপির কাজের প্রসংশা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১৪-১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত যখন অগ্নিসন্ত্রাস চালায়; ককটেল ও বোমা মেরে রেল, গাড়ি, লঞ্চ, সিএনজি পুড়িয়ে যখন সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধার সৃষ্টি করছিল, পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করছিল, তখন অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে, বিশেষ করে রেলের নিরাপত্তায় বিশিষ্ট ভূমিকা রাখে। এই অনবদ্য ভূমিকার জন্য তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তাদের জন্যই আমরা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হই।

দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি খেলাধুলা-সংস্কৃতি চর্চাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আনসার বাহিনী যথেষ্ট পারদর্শিতা দেখিয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে।

আনসার বাহিনীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংকটকালে ও জরুরি মুহূর্তে আপনারা দক্ষতা ও সফলতার পরিচয় দিয়েছেন। প্রতিবছর জাতীয়, সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবে ব্যাটালিয়ন ও অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা দিতে এবং জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সবসময় সজাগ থাকতে হবে।

এসময় আনসার বাহিনীর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আনসার সদস্যদের ঝুঁকিভাতা চালু ও বাড়ানোর কথাও তুলে ধরেন। বলেন আনসার-ভিডিপি ব্যাংক চালুর কথাও।

দেশকে এগিয়ে নেতে সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, অর্জন ধরে রাখতে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এসবের সুফল ভোগ করবে মানুষ। দারিদ্র্য দূরীকরণে বয়স্ক-বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছি। কোনো পতিত জমি যেন না থাকে সেজন্য ‘একটি বাড়ি একটি খামার’কে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ প্রকল্পে রূপ দিয়ে বাস্তবায়ন করছি।

দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এবং আর্থসামাজিক উন্নতির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে জানিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।

প্রধানমন্ত্রী সমাবেশে আনসার সদস্যদের মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। এছাড়া তিনি বেশকিছু ভৌত কাঠামোর উদ্বোধন করেন।

maly8.jpg

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক বড় হৃদয়ের মানুষ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মাদাম নূর আশিকিন বিন্তী মো. তায়িব।

৩১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে এ মন্তব্য করেন হাইকমিশনার।

পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

মিয়ানমার থেকে নিপীড়িত বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মালেশিয়ান হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনেক বড় হৃদয়ের মানুষ। তিনি বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণকে পছন্দ করেন জানিয়ে তিনি বলেন, দায়িত্বপালনকালে বাংলাদেশকে নিজের দেশের মতো মনে হয়েছে।

বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন হাই কমিশনার।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে মালেশিয়াসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা প্রত্যাশা করে শেখ হাসিনা বলেন, বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ রোহিঙ্গাদের কারণে তাদের ফসলি জমি, কাজ হারিয়ে ভোগান্তিতে আছে। নতুন করে বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে আরো রোহিঙ্গা আসছে।

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের সহায়তা করার জন্য মালেশিয়াকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

মানবিক দিক বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এত বড় মানবিক বিপর্যয়ের সময় চোখ বন্ধ করে থাকা যায় না।

রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও তাদের কষ্ট লাঘবে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দুই দেশের চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া একটি।

দায়িত্ব পালনকালে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান হাইকমিশনার।

সাক্ষাতের সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন।


About us

DHAKA TODAY is an Online News Portal. It brings you the latest news around the world 24 hours a day and 7 days in week. It focuses most on Dhaka (the capital of Bangladesh) but it reflects the views of the people of Bangladesh. DHAKA TODAY is committed to the people of Bangladesh; it also serves for millions of people around the world and meets their news thirst. DHAKA TODAY put its special focus to Bangladeshi Diaspora around the Globe.


CONTACT US

Newsletter